Tag: Bangla khabor

Bangla khabor

  • PM Modi: “কঠিন সময়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল নরওয়ে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “কঠিন সময়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল নরওয়ে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কঠিন সময়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছিল নরওয়ে। এটি (Terrorism) দুই দেশের শক্তিশালী সম্পর্কের প্রতিফলন।” সোমবার কথাগুলি বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোরের সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি জানান, ভারত ও নরওয়ে উভয়েই নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সেই কঠিন সময়ে নরওয়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছিল, যা প্রকৃত বন্ধুত্বের পরিচয়।” প্রধানমন্ত্রী জানান, সামরিক সংঘাতের মাধ্যমে কোনও বিরোধের সমাধান সম্ভব নয়—এই বিশ্বাস দুই দেশেরই।

    বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কার প্রয়োজন (PM Modi)

    তিনি বলেন, “আমরা একমত যে সামরিক সংঘাতের মাধ্যমে কোনও সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।” প্রধানমন্ত্রী জানান, ইউক্রেন ও পশ্চিম এশিয়া-সহ সংঘাতপীড়িত অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে ভারত ও নরওয়ে। তিনি বলেন, “আমরা ইউক্রেন ও পশ্চিম এশিয়ায় শান্তির দিকে নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপকে সমর্থন করি।” প্রধানমন্ত্রী জানান, উদীয়মান আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কার প্রয়োজন। তিনি বলেন, “ভারত ও নরওয়ের অভিমত হল, গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কার হওয়া উচিত।”

    সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটন

    সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে দুই দেশের অভিন্ন অবস্থান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, সব ধরনের সন্ত্রাসবাদকে শেকড় থেকে নির্মূল করা তাঁদের যৌথ অঙ্গীকার। তিনি বলেন, “সব ধরনের সন্ত্রাসবাদকে শেকড় থেকে নির্মূল করা আমাদের যৌথ প্রতিশ্রুতি।” সুইডেন সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী দু’দিনের সফরে নরওয়েতে পৌঁছন। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান স্টোরে এবং নরওয়ের প্রবীণ নেতারা। প্রসঙ্গত, এই (PM Modi) সফরটি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম নরওয়ে সফর এবং চার দশকেরও বেশি সময় পরে এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এই নর্ডিক দেশ সফর।দুই রাষ্ট্রনেতা ১৯ মে অসলোয় অনুষ্ঠিত তৃতীয় নর্ডিক-ইন্ডিয়া সামিটেও যৌথভাবে অংশ নেবেন। এই সম্মেলনে ভারত ও নর্ডিক দেশগুলির নেতারা অংশ নেবেন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, সুইডেন এবং নরওয়ের প্রধানরা। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী রাজা হেরাল্ড ফাইভ (Harald V) এবং রানি সনজার (Sonja) সঙ্গেও (Terrorism) সাক্ষাৎ করবেন। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত-নরওয়ে ব্যবসা ও গবেষণা (PM Modi) সম্মেলনেও ভাষণ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

     

  • PM Modi: ডাচ প্রধানমন্ত্রীর বিরূপ মন্তব্য, কড়া প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

    PM Modi: ডাচ প্রধানমন্ত্রীর বিরূপ মন্তব্য, কড়া প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন ডাচ প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন। অন্তত এমনই খবর প্রকাশিত হয় সংবাদ মাধ্যমে। এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেদারল্যান্ডস সফর কূটনৈতিকভাবে কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে (Netherlands Trip)। এর জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল নয়াদিল্লি। ঘটনাটি ঘটে প্রধানমন্ত্রীর দু’দিনের দ্য হেগ সফরের সময়। এর মূল উদ্দেশ্যই ছিল ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সেমিকন্ডাক্টর, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক কৌশলগত বিষয়গুলিতে সহযোগিতা আরও জোরদার করা।

    বিতর্কের সূত্রপাত (PM Modi)

    বিতর্কের সূত্রপাত হয় তখন, যখন এক ডাচ সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, কেন মোদি ও জেটেন যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেননি। তিনি ভারতের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে উদ্বেগের প্রসঙ্গ তোলেন। ডাচ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের আগে জেটেন বলেছিলেন যে ডাচ সরকারের ‘ভারতের পরিস্থিতি’ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে, বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘুদের অবস্থা নিয়ে। তবে এই মন্তব্য আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক বৈঠকে করা হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। ভারত এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করে।

    ভারতের প্রতিক্রিয়া

    বিদেশমন্ত্রকের সচিব (পশ্চিম) সিবি জর্জ (Sibi George) জানান, এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত ভারতের ইতিহাস, গণতন্ত্র ও সামাজিক কাঠামো সম্পর্কে ‘বোঝাপড়ার অভাব’ থেকে উঠে আসে। তিনি বলেন, “এই ধরনের প্রশ্ন ওঠে মূলত প্রশ্নকর্তার যথাযথ বোঝার অভাবের কারণে।” ভারতের গণতান্ত্রিক পরিচয় তুলে ধরে জর্জ বলেন, “ভারত একটি ৫,০০০ বছরের প্রাচীন সভ্যতা। ধর্ম, ভাষা, খাদ্য ও সংস্কৃতির দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম বৈচিত্র্যময় সমাজ।” তিনি এও জানিয়ে দেন, হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, জৈনধর্ম এবং শিখধর্ম—সবক’টির উৎপত্তি ভারতে এবং এগুলি এখনও সহাবস্থান করছে। ২,৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতে নির্যাতন ছাড়াই বসবাস করেছে ইহুদি সম্প্রদায়। খ্রিস্টধর্ম এবং ইসলামও শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এদেশে বিকশিত হয়েছে (PM Modi)। ভারতীয় এই কূটনীতিক সাম্প্রতিক নির্বাচন ও ভোটদানের হারকে ভারতের গণতান্ত্রিক শক্তির প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “সম্প্রতি আমাদের দেশে নির্বাচন হয়েছে। ভোটদানের হার কত ছিল, তা জানা দরকার। ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন। এটাই ভারতের সৌন্দর্য (Netherlands Trip)।”

    ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র

    তিনি জানিয়ে দেন, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র, যেখানে শত শত মিলিয়ন ভোটার নিয়মিত রাজ্য ও জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেন। সরকার বরাবরই বলে আসছে যে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর, স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাপক ভোটারের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর দৃঢ়তা প্রমাণ করে (PM Modi)। এদিকে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আন্তর্জাতিক মহলে ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে বিতর্ক বেড়েছে। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (Reporters Without Borders) এবং ফ্রিডম হাউসের (Freedom House) মতো সংস্থা যেসব বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, সেগুলির মধ্যে রয়েছে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, ইন্টারনেট বন্ধ, মিডিয়া মালিকানার কেন্দ্রীকরণ, ধর্মীয় মেরুকরণ, ঘৃণামূলক মন্তব্যের ঘটনা। তবে ভারত সরকার বহু আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিং ও প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট, নির্বাচিত তথ্যভিত্তিক বা ভারতের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন বলে প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে।

    ভারতে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সক্রিয় সংবাদমাধ্যম

    সরকারি কর্তাদের দাবি, ভারতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সক্রিয় সংবাদমাধ্যম রয়েছে, যেখানে হাজার হাজার সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিভিন্ন ভাষায় পরিচালিত হচ্ছে। জর্জ জানিয়ে দেন, ভারতে সংখ্যালঘুরা পদ্ধতিগতভাবে হুমকির মুখে রয়েছে—এমন ধারণা ঠিক নয়। তিনি স্বাধীনতার পর থেকে ভারতে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা বৃদ্ধির উদাহরণ দেন (PM Modi)। তিনি বলেন, “আমরা স্বাধীন হওয়ার সময় ভারতে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা ছিল ১১ শতাংশ। এখন তা ২০ শতাংশেরও বেশি (Netherlands Trip)।” এহেন কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও ভারত নেদারল্যান্ডস-দুই দেশই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে। জেটেন জানান, ভারত ও নেদারল্যান্ডস উভয়েই গণতন্ত্র, সুশাসন এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফরের মূল ফোকাস ছিল, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সবুজ জ্বালানি ও জলবায়ু উদ্যোগ, সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন, সামুদ্রিক লজিস্টিকস, প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব, এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক সমন্বয়।

    নেদারল্যান্ডস ইউরোপে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার এবং শিপিং, জল ব্যবস্থাপনা, কৃষি প্রযুক্তি ও উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (PM Modi)। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গণতন্ত্রকে কীভাবে দেখা হয়, সেই বিতর্ককেও সামনে নিয়ে এসেছে। যদিও ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নিয়মিত নির্বাচন ও সক্রিয় জনঅংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারত এখনও একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে কাজ করছে। সমালোচকদের মতে, ভারতের বৈশ্বিক প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, ভিন্নমত ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে উদ্বেগগুলির ওপর নজর রাখা প্রয়োজন (Netherlands Trip)।

     

  • Agnimitra Paul: জুন থেকেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পুরোহিত-ইমাম ভাতা, জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

    Agnimitra Paul: জুন থেকেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পুরোহিত-ইমাম ভাতা, জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুষ্টিকরণের রাজনীতিতে ইতি পড়বে বলে নানা সময় জানিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। নবান্নের কুর্সি আঁকড়ে (Agnimitra Paul) থাকতে এই রাজনৈতিক সংস্কৃতির ‘আমদানি’ করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, সোমবার (Religious Assistance) হয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভার ক্যাবিনেট বৈঠক। সেখানে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, জুন মাস থেকেই বন্ধ হচ্ছে ধর্মীয় সব সহায়তামূলক প্রকল্প। ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

    কী জানালেন মন্ত্রী

    সোমবার অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই নীতিগত সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। পরিবর্তনের সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সাংবাদিক সম্মেলনে এসে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও ধরনের স্কলারশিপ বা শিক্ষামূলক অনুদান বন্ধ করা হচ্ছে না; শুধুমাত্র ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে দেওয়া ভাতাগুলিই বন্ধ করা হচ্ছে।

    নবান্নে আয়োজিত এই বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী জানান, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের আওতায় ধর্মীয় শ্রেণিভিত্তিক যেসব আর্থিক সহায়তা বা ভাতা চালু ছিল, সেগুলি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি মাস পর্যন্ত বর্তমান সুবিধাভোগীরা ভাতা পেলেও আগামী মাস থেকে এই প্রকল্পগুলি সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হবে।

    পুরোহিত ভাতা ও ইমাম ভাতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, খুব শীঘ্রই সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত জানানো হবে। একইসঙ্গে তিনি পুনরায় আশ্বস্ত করেন, ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু থাকা বিভিন্ন স্কলারশিপ, বৃত্তি বা শিক্ষা-সহায়তা প্রকল্পের ওপর এই সিদ্ধান্তের কোনও প্রভাব পড়বে না।

    সপ্তম পে-কমিশন ও অন্নপূর্ণা ভান্ডার

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনার লক্ষ্যে সপ্তম পে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, অন্নপূর্ণা যোজনারও অনুমোদন মিলেছে। এছাড়াও, রাজ্যের সমস্ত সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে যাতায়াতের নীতিগত সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আগামী ১ জুন থেকে এই পরিষেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ঘোষণা করা হয়েছে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পাঁচ মন্ত্রী—দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। এছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার অগ্রবাল।

  • Ashok Kirtania: লক্ষ্য ‘দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন’, জাল রেশন কার্ড নিয়ে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    Ashok Kirtania: লক্ষ্য ‘দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন’, জাল রেশন কার্ড নিয়ে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বঙ্গ-বিধানসভার নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে রাজ্যকে ‘দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন’ উপহার দেওয়ার কথা বলেছিলেন (Ration Card) বিজেপির শীর্ষ নেতারাও। পালাবদলের পর প্রতিনয়ত এই চেষ্টাই করে চলেছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই খাদ্য দফতরকে দুর্নীতিমুক্ত করার ডাক দিয়েছিলেন বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বিজেপির অশোক কীর্তনিয়া (Ashok Kirtania)।

    জাল রেশন কার্ড নিয়েও হুঁশিয়ারি (Ashok Kirtania)

    জাল রেশন কার্ড নিয়েও এবার কড়া পদক্ষেপ করার কথা জানালেন তিনি। সাফ জানিয়ে দিলেন, ভারতের নাগরিক না হলে সমস্তরকম সুযোগ-সুবিধা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হবে। রবিবার বনগাঁয় এক সাংবাদিক বৈঠকে খাদ্য ও সমবায়মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া জানান, এসআইআরে যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা কোনও সরকারি সুবিধা পাবেন না। রেশনও পাবেন না। এসআইআরের পরেও ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম ওঠেনি, তাঁদের রেশন কার্ড বাতিল করা হবে। তবে, যেসব ভোটার ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তাঁদের পরিষেবা চালু থাকবে। এসআইআর-উত্তর পর্বে মতুয়া সম্প্রদায়ের অনেকেরই নাম বাদ গিয়েছে ভোটার তালিকা থেকে। সেই সব ভোটারদের অবিলম্বে সিএএ-র জন্য আবেদন করার আর্জি জানান মন্ত্রী।

    মতুয়া সম্প্রদায়কে বার্তা

    তিনি বলেন, “যাঁরা উদ্বাস্তু মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ, তাঁদের কোনও সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে অনেক মানুষ সিএএ-তে আবেদন করেননি। আমি তাঁদের বার বার বলছি, শীঘ্রই আবেদন করুন। সিএএতে আবেদন করলেও তাঁরা কোনও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।’ নয়া খাদ্যমন্ত্রী আরও জানান, অনেক সরকারি কর্মীর নামে রয়েছে বিপিএল তালিকাভুক্ত রেশন কার্ড। তাঁদের দ্রুত কার্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। না হলে কড়া পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারিও দেন মন্ত্রী। দু’-এক দিনের মধ্যেই আধিকারিকদের না জানিয়ে খাদ্য দফতরের বিভিন্ন অফিসে সারপ্রাইজ় ভিজ়িট হবে বলেও জানান তিনি (Ashok Kirtania)।

    আদর্শ মুখ্যমন্ত্রী, লালবাতি গাড়ি ছাড়লেন খাদ্যমন্ত্রী

    এদিকে, মন্ত্রী হওয়ার পর লালবাতি লাগানো গাড়ি পেয়েছেন অশোক। যদিও তিনি চান না তাঁর গাড়িতে লালবাতি থাকুক। বলেন, “আমি সাধারণ মানুষের সঙ্গে থাকতে চাই।” তিনি বলেন, “আমাদের মুখ্যমন্ত্রী লালবাতি ব্যবহার করছেন না। তাই আমিও করছি না।” বনগাঁ উত্তরের দু’বারের বিধায়ক অশোক মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। মন্ত্রী হওয়ার পরেও একটুও বদলাননি মাটির কাছাকাছি থাকা এই মানুষটি। সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে বদ্ধপরিকর রাজ্যের ডাবল ইঞ্জিন সরকার। সেই ব্যবস্থা করতেই রবিবার বনগাঁয় গিয়েছিলেন মন্ত্রী। জমি অধিগ্রহণ করতে স্থানীয়দের সঙ্গে সরকারি তরফে কথা বলাও শুরু হয়েছে। মন্ত্রী জানান, দেশের (Ration Card) সুরক্ষার স্বার্থে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য জমি প্রয়োজন। মালিকদের জমি দেওয়ার অনুরোধও করেন তিনি (Ashok Kirtania)।

     

  • Conversion Row: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ না করায় চাকরি খোয়ালেন মিশনারি স্কুলের হিন্দু মহিলা কর্মীরা?

    Conversion Row: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ না করায় চাকরি খোয়ালেন মিশনারি স্কুলের হিন্দু মহিলা কর্মীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁদের খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করতে জোরাজুরি করছিল। মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের সেন্ট অ্যালয়সিয়াস স্কুলের কয়েকজন হিন্দু মহিলা কর্মীর অভিযোগ (Conversion Row), ধর্ম পরিবর্তন করতে অস্বীকার করায় তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে (Madhya Pradesh)। জবলপুরের ওই ঘটনায় ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনার। পুলিশের কাছে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে একটি হিন্দু সংগঠন। সদ্য চাকরি খোয়ানো হিন্দু মহিলারা স্থানীয় থানায় স্কুলের ফাদার সোমি জ্যাকব এবং কয়েকজন প্রবীণ শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের অভিযোগ, দু’দিন আগে তাঁদের একটি চার্চের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। সেখানে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য জোরাজুরি করা হয়। রাজি না হওয়ায় চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় তাঁদের।

    ধর্মান্তরিত হতে জোরাজুরি (Conversion Row)

    অভিযোগকারীদের দাবি, স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন, চাকরি রাখতে হলে তাঁদের ধর্মান্তরিত হতে হবে। নিয়মিত অংশ নিতে হবে চার্চের প্রার্থনায়। অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন দীপা পটেলও। তিনি জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে ওই স্কুলে সাফাইকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ধর্ম পরিবর্তন করতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে অপমান করা হয়, মারধর করা হয়, এবং পরে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। দীপা বলেন, “আমি ঘটনাটি ফাদারকে জানিয়েছিলাম, কিন্তু কোনও সাহায্য পাইনি।” তিনি জানান, তিনি বিধবা। তাঁর ছোট ছোট দুই সন্তান রয়েছে। আচমকা চাকরি চলে যাওয়ায় তিনি এখন ভয়ঙ্কর আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পথে নামেন হিন্দু ধর্ম সেনার সদস্যরা। পুলিশ সুপারের দফতরে গিয়ে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা (Conversion Row)।

    টার্গেট মহিলারা 

    সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ, মিশনারি স্কুলগুলি দরিদ্র ও কর্মজীবী মহিলাদের আর্থিক দুরবস্থার সুযোগ নিয়ে তাঁদের টার্গেট করছে। তাঁদের দাবি, কয়েকজন শিক্ষক ও মহিলা কর্মীকে নিজেদের ধর্ম ছেড়ে হয় খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করতে বলা হয়েছে, নয়তো চাকরি ছাড়তে বলা হয়েছে। হিন্দু সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন নীরজ রাজপুত। তিনি বলেন, “পাঁচ-ছ’জন হিন্দু মহিলা কর্মীর ওপর চার্চে যাওয়া এবং খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ বহু বছর ধরে স্কুলে কাজ করলেও, তাঁদের বরখাস্ত করা হয়েছে। যদিও ধর্ম বদলাতে না চেয়ে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে আগেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে দিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “স্কুলের প্রিন্সিপাল ও পরিচালন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে, বড় ধরনের আন্দোলন করা হবে।”

    পুলিশের বক্তব্য

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সূর্যকান্ত শর্মা জানান, দীপা পটেল, অমন আগরওয়াল এবং স্কুলের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, তাঁদের ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। অস্বীকার করায় চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে (Madhya Pradesh)। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Conversion Row)।

     

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর নেদারল্যান্ডস সফরে স্বাক্ষরিত হল ফ্রন্ট-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের চুক্তি

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর নেদারল্যান্ডস সফরে স্বাক্ষরিত হল ফ্রন্ট-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সেমিকন্ডাক্টর খাতে উচ্চাকাঙ্খা পূরণে ১৬ মে নেওয়া হল বিরাট পদক্ষেপ। এদিনই টাটা ইলেকট্রনিক্স (Tata Electronics) এবং এএসএমএল (ASML) গুজরাটে দেশের প্রথম ফ্রন্ট-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে (Gujarat)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেদারল্যান্ডস সফরে স্বাক্ষরিত হয়েছে এই চুক্তি।

    কী বলছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক (PM Modi)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেট্টেনের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয় চুক্তি। এই অংশীদারিত্ব গুজরাটের ঢোলেরায় টাটা ইলেকট্রনিক্সের পরিকল্পিত ৩০০-মিলিমিটার সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন ইউনিটকে সাহায্য করবে। এজন্য বিনিয়োগ করা হচ্ছে ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কোম্পানিগুলির তরফে জানানো হয়েছে, এএসএমএলের সেমিকন্ডাক্টর যন্ত্রপাতি প্রযুক্তি এই প্ল্যান্টে ব্যবহৃত হবে। এখানে অটোমোবাইল, মোবাইল ডিভাইস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো ক্ষেত্রের জন্য চিপ তৈরি করা হবে। এএসএমএলের এক্সিকিউটিভ খ্রিস্টোফি ফুকেট (Christophe Fouquet) বলেন, “ভারতের দ্রুত প্রসারমান সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে অনেক আকর্ষণীয় সুযোগ রয়েছে।” তিনি জানান, তাদের (ডাচ) এই কোম্পানি ভারতে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ব্যবস্থা

    ভারত ইতিমধ্যেই দেশের নিজস্ব সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বর্তমানে দেশে আটটি সেমিকন্ডাক্টর-সম্পর্কিত প্রকল্প চলছে। এর মধ্যে গুজরাটে টাটা ইলেকট্রনিক্সের আর একটি ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রকল্পও রয়েছে। চলতি ইউরোপ সফরে প্রধানমন্ত্রী নেদারল্যান্ডসের রাজা উইলেম আলেকজান্ডার (Willem-Alexander) এবং রানি (ম্যাক্সিমা)-র (Máxima) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দ্য হেগের রাজপ্রাসাদে। আলোচনায় ভারত-নেদারল্যান্ডস সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ও উঠে এসেছিল, বিশেষ করে টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, ফিনটেক এবং ব্লু ইকোনমির ক্ষেত্রে। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি ডাচ কোম্পানিগুলিকে সেমিকন্ডাক্টর, নবীকরণযোগ্য শক্তি, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো ক্ষেত্রে ভারতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। উভয় পক্ষ ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত কার্যকর করার পক্ষেও সম্মত হয়েছে (PM Modi)।

    ভারত-নেদারল্যান্ডস সহযোগিতার প্রতিফলন?

    প্রসঙ্গত, এই চুক্তি ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার প্রতিফলন। বর্তমানে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চিন প্রযুক্তি প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে বিশ্বব্যাপী সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ ব্যবস্থা পুনর্গঠিত হচ্ছে। ডাচ সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলি নতুন বাজার ও ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের দিকে ঝুঁকছে। আর ভারত চাইছে বিরাট বিনিয়োগ ও নীতিগত প্রণোদনার মাধ্যমে নিজেকে একটি বড় উৎপাদন ও প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে। এই সেমিকন্ডাক্টর চুক্তিটি প্রধানমন্ত্রীর ১৫ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত চলা পাঁচ-দেশীয় কূটনৈতিক সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে সম্পন্ন হয়েছে (Gujarat)। নেদারল্যান্ডসে পৌঁছানোর আগে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফর করেন (PM Modi)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। ১০ থেকে ১৬ মে, ২০২৬ – এই সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    বেয়ারেলি থেকে একটি চমকপ্রদ ও অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে। বছর বারোর এক হিন্দু নাবালিকাকে জনৈক জিশান যৌন নির্যাতন করে বলে অভিযোগ। এর পরেই ওই নাবালিকা আত্মহত্যা করে। ঘটনাটি প্রথমে আত্মহত্যা বলে মনে হলেও, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গিয়েছে, মৃত্যুর আগে ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের (TCS) অফিসকে ঘিরে ধর্মান্তর ও হয়রানির মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত নিদা খানকে মহারাষ্ট্র পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তিনি কয়েকদিন ধরে পুলিশের চোখ এড়িয়ে গা ঢাকা দিয়েছিলেন।

    কলস যাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    পূর্ব চম্পারণ জেলার মোতিহারির ভিন্দার গ্রামে একটি কলস যাত্রা চলাকালীন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশি ব্যবস্থার পাশাপাশি নতুন করে গ্রেফতারি এবং উসকানিমূলক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। তাই ঘটনাটি স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলার বিষয় হওয়ার পাশাপাশি বৃহত্তর সাম্প্রদায়িক উত্তেজনারও কারণ হয়ে উঠেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, হিন্দুদের শোভাযাত্রা একটি মসজিদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তা ও ডিজে বাজানো নিয়ে আপত্তি ওঠে। তার জেরেই পাথর ছোড়া ও লাঠিসোঁটা নিয়ে শুরু হয় হিংসা। দেওরিয়ায় এক মুসলিম যুবক আশিক আনসারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ‘লাভ জেহাদ’ মামলায়। এক হিন্দু কিশোরী বৃন্দাবনের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, পুলিশ পকসো আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশের ছবি

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছেই। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যেই চলছে এই আক্রমণ (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবকে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশছাড়া করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। মানিকগঞ্জ জেলায় ৩৫ বছর বয়সী মাছ ব্যবসায়ী কৃষ্ণ রাজবংশীর কাছে বাজার পরিচালনা কমিটির সদস্যরা ৪০,০০০ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে না পারায় তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। নিহত ব্যক্তি মানিকগঞ্জ পুরসভার বান্দুটিয়া মহিষবাড়ি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বিভিন্ন জলাশয়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। মাঝে মাঝে বাজারে ট্রাক থেকে মাছ নামানোর কাজও করতেন।

    হিন্দু পরিবারকে আক্রমণ

    দক্ষিণাঞ্চলের বাগেরহাট জেলার একটি সংখ্যালঘু পরিবারের অভিযোগ, একটি সশস্ত্র দল তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে মারধর করেছে। বাড়ি ভাঙচুর করার পাশাপাশি লুটপাটও চালায়। উদ্দেশ্য ছিল, বিতর্কিত জমি দখল করা। ভুক্তভোগীদের মতে, ৫০-৬০ জন ইসলামপন্থীর একটি দল এই হামলা চালায়, যাদের নেতৃত্বে ছিল  স্থানীয় প্রভাবশালী সোবাহান হাওলাদার, তার ছেলে মিরাজ ও আবদুল্লাহ এবং তার ভাই সারওয়ার ও দেলোয়ার। হামলাকারীরা দা, হাতুড়ি, কোদাল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। জমির মালিকানা নিয়ে রবিন ঢালি ও সোবাহান হাওলাদারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা আইনি বিরোধের সঙ্গে এই হামলার সম্পর্ক রয়েছে বলে অনুমান।

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষের জের। এসবই ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত রয়েছে বলে দাবি। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দু-বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে। এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় নজরে আসে না, যদি না কেউ প্রচলিত আইন ও ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি এর একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং নিষেধাজ্ঞার পেছনে যৌক্তিকতার অভাব লক্ষ্য (Hindus Under Attack) করলে দ্বিচারিতা (Roundup Week) স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

     

  • NEET Paper Leak: নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তদন্তের কেন্দ্রে এনটিএর প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল

    NEET Paper Leak: নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তদন্তের কেন্দ্রে এনটিএর প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় আরও একজনকে গ্রেফতারের পর এবার তদন্তের কেন্দ্রে জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (NTA)-র প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল। সিবিআইয়ের এক আধিকারিক (CBI Probe) সংবাদ মাধ্যমে জানান (NEET Paper Leak), প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী পুরো কমিটি এবং এনটিএর শীর্ষ আধিকারিকদের তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও কয়েকজন গ্রেফতার হতে পারেন। প্রসঙ্গত, শনিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে পুণের উদ্ভিদবিদ্যার শিক্ষিকা মণীষা গুরুনাথ মান্ধারেকে। অভিযোগ, মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার কয়েক সপ্তাহ আগেই প্রশ্ন ফাঁস করেছিলেন তিনি।

    প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের জাল (NEET Paper Leak)

    মণীষা ছিলেন এনটিএর নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ। কাজ করতেন প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী কমিটিতে। তদন্তকারীদের মতে, এর ফলে তিনি বোটানি ও জুলজি বিভাগের গোপনে রাখা প্রশ্নপত্র দেখার অধিকার পান। এর একদিন আগেই তদন্তকারী সংস্থা অবসরপ্রাপ্ত রসায়নের অধ্যাপক পিভি কুলকার্নিকে গ্রেফতার করে। তাঁকে তদন্তকারীরা এই কেলেঙ্কারির ‘মূল চক্রী’ বলে উল্লেখ করেন। অন্য এক আধিকারিক বলেন, “প্রশ্নফাঁসের তদন্তে এই প্রথম আমরা এনটিএর ভেতর থেকেই ফাঁসের উৎস খুঁজে পেয়েছি। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে মেসেজিং গ্রুপে পিডিএফ আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর শত শত পরীক্ষার্থী এর সুবিধা পেয়ে থাকতে পারে। আমরা তাদের সবাইকে চিহ্নিত করব। তবে প্রথমে আমরা প্রশ্নফাঁসের উৎস ও তাদের সহযোগীদের খুঁজছি (NEET Paper Leak)।”

    বিশেষ কোচিং ক্লাস করিয়েছিলেন মান্ধারে!

    সিবিআইয়ের মতে, এপ্রিল মাসে মান্ধারে তাঁর পুণের বাড়িতে কিছু নির্বাচিত ছাত্রছাত্রীকে নিয়ে বিশেষ কোচিং ক্লাস করাচ্ছিলেন। সেখানে তিনি বোটানি ও জুলজির প্রশ্ন বলে দিতেন, যেগুলির অনেকটাই পরে ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষায় এসেছিল (CBI Probe)।তদন্তকারীরা জানান, ছাত্রছাত্রীদের তাঁর কাছে নিয়ে আসতেন সহ-অভিযুক্ত মণীষা ওয়াঘমারে। তিনি পুণের একটি বিউটি পার্লারের মালিক। এই সপ্তাহের শুরুতেই গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা জানিয়েছে, “ক্লাস চলাকালীন মান্ধারে বোটানি ও জুলজির বিভিন্ন প্রশ্ন ব্যাখ্যা করতেন। ছাত্রছাত্রীদের সেগুলি খাতায় লিখে রাখতে ও বইয়ে চিহ্নিত করে রাখতে বলতেন। এই প্রশ্নগুলির অধিকাংশই নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষার আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যায় (NEET Paper Leak)।”

    প্রমাণ লোপাট করতে প্রশ্নপত্র নষ্ট!

    আধিকারিকরা জানান, তদন্তে এনটিএর ভেতর থেকে বের হওয়া প্রশ্নফাঁসের দু’টি আলাদা সেটের সন্ধান মিলেছে—একটি হাতে লেখা, অন্যটি টাইপ করা। তদন্তকারীদের দাবি, কুলকার্নি রসায়নের প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিলেন, আর মান্ধারে করেছিলেন জীববিজ্ঞানের অংশ। অভিযোগ, কুলকার্নিও তাঁর পুণের বাড়িতে বিশেষ ক্লাস নিতেন। সেখানে ছাত্রছাত্রীরা প্রশ্ন, বিকল্প উত্তর এবং সঠিক উত্তর লিখে নিতেন, যেগুলি পরে আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ‘হুবহু মিলে যায়’। শনিবার সিবিআই কুলকার্নি ও ওয়াঘমারেকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ বিশেষ আদালতে হাজির করে, আবেদন জানায় ১৪ দিনের হেফাজতের। সংস্থা তাঁদের ‘সংগঠিত প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য’ বলে দাবি করে। আদালত দু’জনকে ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠায়। সিবিআই আদালতে জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ৩ মে-র পরীক্ষার পর প্রমাণ লোপাট করতে প্রশ্নপত্র নষ্ট করে দেয়। তদন্তকারীরা এও খতিয়ে দেখছেন, কুলকার্নি ও মান্ধারের আগেও কেউ কোনও প্রশ্নপত্রফাঁসকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না।

    মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে ছড়িয়েছিল প্রশ্ন

    তদন্তে জানা গিয়েছে, কীভাবে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যে প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তকারীদের মতে, ৫০০-৬০০টি প্রশ্ন সম্বলিত একটি পিডিএফ টেলিগ্রাম গ্রুপে ছড়িয়ে পড়েছিল। নাসিকের শুভম খৈরনার এই প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেন গুরগাঁওয়ের যশ যাদবের কাছে। যশ সেটি জয়পুরের মাঙ্গিলাল বিওয়াল ওরফে মাঙ্গিলাল খাটিকের কাছে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। তিনি দাবি করেছিলেন, প্রায় ১৫০টি প্রশ্ন ফাইনাল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলবে (NEET Paper Leak)। গত ২৪ ঘণ্টায় ছ’টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ল্যাপটপ, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি, মোবাইল ফোন এবং মামলার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে।

    ৫ রাজ্য থেকে গ্রেফতার

    এখন পর্যন্ত পাঁচটি রাজ্য থেকে সব মিলিয়ে মোট ন’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন পুণের মান্ধারে, কুলকার্নি ও ওয়াঘমারে, আহিল্যানগরের ধনঞ্জয় লোকহান্ডা,  নাসিকের খৈরনার, জয়পুরের মাঙ্গিলাল বিওয়াল, বিকাশ বিওয়াল ও দীনেশ বিওয়াল, এবং গুরগাঁওয়ের যশ। সিবিআই জানিয়েছে, “এই মামলায় পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ এবং পেশাদার তদন্তে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” প্রতি বছর ২২ লাখেরও বেশি ছাত্রছাত্রী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির (CBI Probe) প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজি দেন। প্রশ্নফাঁসের পর ৩ মে-র পরীক্ষা বাতিল করা হয়। ২১ জুন ফের (NEET Paper Leak) পরীক্ষার দিন ঘোষণা করেছে সরকার।

     

  • Asansol Violence: নমাজ আদায় নিয়ে গুজব ছড়িয়ে অশান্তির চেষ্টা আসানসোলে, রুখল পুলিশ

    Asansol Violence: নমাজ আদায় নিয়ে গুজব ছড়িয়ে অশান্তির চেষ্টা আসানসোলে, রুখল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দির-মসজিদে প্রার্থনার সময় লাউডস্পিকারের আওয়াজ নিয়ে বিবাদের জেরে উত্তপ্ত আসানসোলের একাংশ (Asansol Violence)। হিংসা ছড়াল এলাকার কিছু পকেটে। কাসাই মহল্লা (Kasai Mohalla) এলাকায় পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালায় উত্তেজিত জনতা। এলোপাথাড়ি ইট-পাটকেল ছোড়া, ভাঙচুর এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

    গুজবের জেরে অশান্তি (Asansol Violence)

    সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পুলিশ এলাকার ধর্মীয় স্থানগুলিতে গিয়ে লাউডস্পিকারের আওয়াজ নিয়ন্ত্রণে রাখার অনুরোধ জানায়। এরপরই গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে পুলিশ শুক্রবার সন্ধের নমাজ আদায় বন্ধ করার চেষ্টা করছে। এর পরেই এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা। দ্রুত অবনতি হয় পরিস্থিতির। কাসাই বা জাহাঙ্গীরি মহল্লা পুলিশ ফাঁড়ির কাছে জড়ো হওয়া একদল মানুষ পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। ভাঙচুর চালানো হয় পুলিশ ফাঁড়িতে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক গাড়িও। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, হামলাকারীরা এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল। তাই হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয় নিরাপত্তা বাহিনী। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তার আগে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের শেল। এর পরেই নিয়ন্ত্রণে আনে পরিস্থিতি।

    হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক

    হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। নতুন করে অশান্তি এড়াতে এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাও। আসানসোল উত্তরের বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় জানান, পুলিশ স্থানীয় মসজিদে গিয়েছিল শুধুমাত্র এই অনুরোধ জানাতে যে নমাজের সময় লাউডস্পিকারের আওয়াজ যেন মসজিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। তাঁর দাবি, মসজিদ কমিটি ও পুলিশের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনা চলছিল। সেই সময় হঠাৎই গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে পুলিশ নমাজ আদায় বন্ধ করার চেষ্টা করছে (Asansol Violence)। এরপরই উত্তেজিত জনতা হিংসাত্মক হয়ে ওঠে, হামলা চালায় পুলিশ ফাঁড়িতে।

    মন্দির-মসজিদে লাউডস্পিকারের শব্দ নিয়ন্ত্রণে পথে পুলিশ

    জানা গিয়েছে, প্রশাসনের নির্দেশ মেনে রেলপার এলাকায় মন্দির ও মসজিদ—উভয় ক্ষেত্রেই লাউডস্পিকারের শব্দ নিয়ন্ত্রণের কাজ করছিল পুলিশ। হিংসার ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, যদিও এলাকার কিছু অংশে এখনও উত্তেজনা রয়েছে। পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ভিজি সতীশ পশুমার্থী জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। সব কিছু পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, কোনও সমস্যা নেই। আমরা সমস্ত সিসিটিভি (Kasai Mohalla) ফুটেজ খতিয়ে দেখছি। যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Asansol Violence)।”

     

  • Kerala: “কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ সরকারের আচরণে নজর রাখতে হবে”, বললেন বিজেপি নেতা

    Kerala: “কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ সরকারের আচরণে নজর রাখতে হবে”, বললেন বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF)-এর নয়া সরকারকে সতর্ক করে দিলেন কেরল বিজেপির (Kerala) সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর। শনিবার তিনি জানান, ইউডিএফ বিধানসভা নির্বাচনে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে ভুয়ো প্রচারের মাধ্যমে (BJP Chief Slams) জয়ী হয়েছে। তাঁর অঙ্গীকার, রাজ্যের পক্ষে বিপজ্জনক শক্তিগুলি সরকারকে ‘রিমোট কন্ট্রোল’ করছে কি না, সেই বিষয়েও কড়া নজর রাখবে বিজেপি।

    বিজেপির বক্তব্য (Kerala)

    মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে বিজেপির এই নেতা বলেন, “জামাত-ই-ইসলামি এবং এসডিপিআইয়ের মতো শক্তিগুলি এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে—এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি এমন একটি বিষয়, যা শুধু আজ বা আগামিকাল নয়, আগামী কয়েক মাস ও বছর ধরে গভীরভাবে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা দরকার। আমাদের এই সরকারের আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং দেখতে হবে যে, কতটা এই সরকার এমন শক্তির দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে যারা আমাদের রাজ্যের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। এসডিপিআই এবং জামাত-ই-ইসলামির মতো সংগঠনগুলিকে মূলধারায় আনা আমাদের রাজ্যের পক্ষে ভালো নয়, কোনও মালয়ালির জন্যই ভালো নয়।”

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    চন্দ্রশেখর জানান (Kerala), নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, দুর্নীতি, ভোটব্যাঙ্ক তোষণ এবং মালয়ালি সমাজকে বিভক্ত করার রাজনীতির বিরুদ্ধে বিজেপি (BJP Chief Slams) ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, “কংগ্রেস এমন কিছু প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে এই জনসমর্থন পেয়েছে, যা তারা কখনও পূরণ করতে পারেনি। তারা সিপিএম ও বিজেপির মধ্যে গোপন সমঝোতার ভুয়ো গল্প রটিয়েছে এবং এফসিআরএ (FCRA) নিয়ে মিথ্যা প্রচার চালিয়েছে। আমি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নয়া মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই, আমরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেও বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে দুর্নীতি, কোনও সম্প্রদায়কে তোষণ, অথবা মালয়ালিদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির যে কোনও প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেব।”

    তিনি আরও বলেন, “আজ (শনিবার) সকালে মুখ্যমন্ত্রী মনোনীত ভিডি সতীশন আমায় ফোন করেছিলেন এবং অত্যন্ত সৌজন্যের সঙ্গে ১৮ তারিখের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানান। আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাও জানাই এবং বলি যে, আমি অবশ্যই আমার সহকর্মী বিধায়ক ও দলীয় কর্মীদের নিয়ে উপস্থিত থাকব।” তিনি এও বলেন, “এই নির্বাচনকে ‘পরিবর্তনের জনাদেশ’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ এলডিএফ (LDF)-এর দশ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে।” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেরলে এলডিএফ সরকারের এক দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে (Kerala) নিরঙ্কুশ জয় লাভ করেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। সতীশন ১৮ মে সকাল ১০টায় লোকভবনে (পূর্বতন রাজ্যপাল ভবন) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে (BJP Chief Slams) শপথ নেবেন।

     

LinkedIn
Share