Tag: Bangla khabor

Bangla khabor

  • Naxals: ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কল্যাণেই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য মিলেছে’, ছত্তিশগড়ে বললেন শাহ

    Naxals: ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কল্যাণেই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য মিলেছে’, ছত্তিশগড়ে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক কৌশল, পরিকাঠামো উন্নয়ন, মাওবাদীদের আর্থিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং আত্মসমর্পণ নীতির সমন্বিত প্রয়োগ বামপন্থী চরমপন্থার (Naxals) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইতিবাচক ফল মিলেছে। রবিবার এ কথা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “৩১ মার্চের আগেই নকশাল সমস্যা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা হবে। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই যেন বিচ্ছিন্নভাবে না হয়।” রায়পুরে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকে সভাপতিত্ব করে তিনি কেন্দ্র ও রাজ্য সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেন, ‘গোয়েন্দা তথ্য ও অভিযানকে একটি নিরবচ্ছিন্ন ‘গ্রিডে’র মাধ্যমে পরিচালনা করতে, যাতে এক অঞ্চল থেকে বিতাড়িত মাওবাদীরা প্রতিবেশী কোনও রাজ্যে আশ্রয় নিতে না পারে।’

    শাহ উবাচ (Naxals)

    বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, “ছত্তিশগড় এক সময় নকশাল (Naxals) হিংসার শক্ত ঘাঁটি ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ডাবল-ইঞ্জিন সরকারের অধীনে এখন এটি উন্নয়নের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।” তিনি বলেন, “ছত্তিশগড়ের যুবসমাজ খেলাধুলা, ফরেনসিক বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষায় অগ্রগতি করছে, পাশাপাশি নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যও সংরক্ষণ করছে।” তিনি বলেন, “নকশালবাদ বহু প্রজন্মকে দারিদ্র্য ও অশিক্ষার অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। ডাবল-ইঞ্জিন সরকার দেশ থেকে নকশালবাদের অভিশাপ সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চেষ্টার কোনও কসুর করছে না, এবং এই সমস্যা এখন প্রায় শেষের পথে।” শাহ বলেন, “নিরাপত্তা ও উন্নয়ন – উভয় ক্ষেত্রেই ছত্তিশগড় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে এবং নকশাল-প্রভাবিত এলাকার (Naxals) মানুষদের জন্য সমান উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।” বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ছত্তিশগড়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠকেও সভাপতিত্ব করেন শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “মোদী সরকারের কাছে নিরাপত্তা ও সুযোগ – দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ।”

    উন্নতির সমান সুযোগ পাওয়া উচিত

    নকশাল-প্রভাবিত অঞ্চলের মানুষদের দেশের অন্যান্য অংশের মতোই যে উন্নতির সমান সুযোগ পাওয়া উচিত, এ কথাও ফের মনে করিয়ে দেন তিনি। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাঁই, উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ডিরেক্টর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের বিশেষ সচিব। উপস্থিত ছিলেন সিআরপিএফ, বিএসএফ, ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ (ITBP) ও জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)-র শীর্ষ আধিকারিকরা, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড ও তেলঙ্গনার ডিজিপিরা এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা (Naxals)। মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাঁই বলেন, “‘ডাবল-ইঞ্জিন’ সরকারের সমন্বিত কৌশল—যেখানে নির্ভুল নিরাপত্তা অভিযান, পরিকাঠামো সম্প্রসারণ এবং মাওবাদীদের আর্থিক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ একসঙ্গে নেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট ফল দিচ্ছে।” তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে এবং অমিত শাহের দিশানির্দেশে ছত্তিশগড় দ্রুত ৩১ মার্চের মধ্যে নকশাল-মুক্ত রাজ্য হওয়ার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে (Amit Shah)।

    গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চল, যার মধ্যে সাতটি জেলা রয়েছে মহারাষ্ট্র, তেলঙ্গনা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে এবং দীর্ঘদিন ধরে এটি মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে গত কয়েক বছরে সেখানে জোরদার নকশাল-বিরোধী অভিযান চালানো হয়েছে, যার ফলে চরমপন্থী আন্দোলন অনেকটাই দুর্বল হয়েছে (Naxals)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি ২০২৪ থেকে এ পর্যন্ত ছত্তিশগড়ে সংঘর্ষে ৫০০-র বেশি নকশাল নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সিপিআই (মাওবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজুও রয়েছে। একই সময়ে প্রায় ১,৯০০ নকশালকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ২,৫০০-র বেশি মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে (Amit Shah)। উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা বলেন, “বিভিন্ন রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের (স্বরাষ্ট্র/ডিজিপি) উপস্থিতিতে রায়পুরে রবিবারের বৈঠকটি ছিল ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণের জন্য শেষ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠক।” সোমবার অমিত শাহ দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের জগদলপুরে তিনদিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব ‘বস্তার পান্ডুম মহোৎসব’-এর সমাপ্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন (Naxals)।

     

  • Bangladesh Poll: ভোটের আগেই ব্যাপক হিংসা বাংলাদেশে, জামাত-বিএনপি সংঘর্ষে জখম ৪০

    Bangladesh Poll: ভোটের আগেই ব্যাপক হিংসা বাংলাদেশে, জামাত-বিএনপি সংঘর্ষে জখম ৪০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হাইভোল্টেজ সাধারণ নির্বাচনের (Bangladesh Poll) আর মাত্র ৭২ ঘণ্টা বাকি। তার আগেই শুরু হয়ে গেল নতুন করে হিংসা। এতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাওয়া এই দেশে নির্বাচনী প্রচার কতটা অশান্ত হয়ে উঠেছে (BNP Jamaat Clash)।

    ব্যাপক সংঘর্ষ (Bangladesh Poll)

    রবিবার রাতে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামির (সংক্ষেপে জামাত) কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে মহিলা-সহ ৪০ জনেরও বেশি মানুষ জখম হয়েছেন। জামায়াতের এক অনুষ্ঠানে নগদ অর্থ বিলির অভিযোগ ঘিরে এই সংঘর্ষ শুরু হয়, যা পরে হিংসার রূপ নেয়। ঘটনাটি ঘটে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের কয়েক দিন আগে। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় প্রচার শেষ হবে বাংলাদেশে। তার আগেই ঘটে গেল এমন হিংসার ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বিএনপি কর্মীরা অভিযোগ জানাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে জামায়াতও তাদের সমর্থকদের জড়ো করে। রাতভর ধরে চলে তীব্র সংঘর্ষ। নির্বাচনী প্রচারে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই শিবিরের মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হিংসার ঘটনা। গত ছ’সপ্তাহে সারা বাংলাদেশে নির্বাচনসংক্রান্ত হিংসায় পাঁচজনেরও বেশি মানুষ জখম হয়েছেন, যা ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, হিংসার মাত্রা ততই বাড়বে বলেই ইঙ্গিত মিলেছে।

    ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

    ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনকে ব্যাপকভাবে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামির নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভোটার রয়েছেন ১২ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ২০০৯ সালের পর দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। ২০২৪ সালের অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে এবং আওয়ামি লিগ নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষিত হয়। বহু ভোটারের মতে, এক দশকেরও বেশি সময় পর এটিই প্রথম প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে (BNP Jamaat Clash)। বিএনপি প্রধান তারেক রহমান সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “৩০০ আসনের মধ্যে ২৯২টি আসনে লড়ছে আমার দল। সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত আসন পাব বলেই আত্মবিশ্বাসী আমি (Bangladesh Poll)।” অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচন ও সংস্কারসংক্রান্ত গণভোটকে একটি উৎসব আখ্যা দিয়েছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, এটি হবে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন এবং একটি নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি।

    বাংলাদেশে হিংসার ঘটনা

    বিশ্লেষকরা অবশ্য সতর্ক করে বলছেন, বাংলাদেশে যেভাবে হিংসার ঘটনা ঘটছে, তা নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা নষ্ট করতে পারে, যখন রাজনৈতিক ভূমিকা নাটকীয়ভাবে পাল্টে গিয়েছে এবং আগের সরকারের দমন-পীড়নের পর বিরোধী দলগুলি এখন রাজপথে প্রভাব বিস্তার করছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নির্বাচনের ফল সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথ নির্ধারণ করবে বলেই মনে হচ্ছে। এই অস্থিরতায় তৈরি পোশাক-সহ গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বাংলাদেশকে আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাঙ্কের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ সাহায্য চাইতে হয়েছে (Bangladesh Poll)। আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে এই নির্বাচনের পর। শেখ হাসিনা, যাঁকে ভারতের ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হত (BNP Jamaat Clash), নয়াদিল্লিতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে বাংলাদেশে চিনের প্রভাব বেড়েছে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বিএনপি তুলনামূলকভাবে ভারতের ঘনিষ্ঠ হলেও, জামায়াত নেতৃত্বাধীন সরকার পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকতে পারে। তবে জামায়াত জানিয়েছে, তারা কোনও দেশের প্রতিই পক্ষপাতদুষ্ট নয়।

    জনমত

    ঢাকার সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের পারভেজ করিম আব্বাসি বলেন, “জনমত সমীক্ষায় বিএনপি এগিয়ে থাকলেও, বড় একটি অংশের ভোটার এখনও সিদ্ধান্তহীন। জেনারেশন জেড কীভাবে ভোট দেয়, সেটিই বড় ভূমিকা রাখবে।” প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া অনেক তরুণের কাছে এই নির্বাচন দীর্ঘদিন হারিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পাওয়ার সুযোগ (Bangladesh Poll)। বছর একুশের মোহাম্মদ রাকিব বলেন, “জাতীয় নির্বাচনেও মানুষ ভোট দিতে পারত না। মানুষের কোনও কণ্ঠ ছিল না। আশা করি, যে-ই ক্ষমতায় আসুক, মতপ্রকাশের এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে।” প্রচারের শেষের প্রহরে ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের। একই সঙ্গে বাংলাদেশ অপেক্ষা করছে এমন এক রায়ের, যা আগামী বহু বছর ধরে (BNP Jamaat Clash) দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও বৈদেশিক সম্পর্ক নতুনভাবে নির্ধারণ করতে পারে (Bangladesh Poll)।

  • Himanta Biswa Sarma: ফের একবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈকে নিশানা হিমন্তর

    Himanta Biswa Sarma: ফের একবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈকে নিশানা হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈকে নিশানা করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। গগৈয়ের পাকিস্তানের সঙ্গে কথিত যোগাযোগ নিয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই আক্রমণ (Attari Border)। রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে হিমন্ত বলেন, “অভিযোগগুলি অত্যন্ত গুরুতর এবং সেগুলির তদন্ত কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে হওয়া উচিত।” তাঁর দাবি, রিপোর্টে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে গৌরব গগৈয়ের স্ত্রী পাকিস্তানের সঙ্গে গোপন তথ্য ভাগ করে নিয়েছিলেন। গৌরব গগৈ এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কটাক্ষ করে বলেন, “এটি সি-গ্রেড সিনেমার থেকেও খারাপ”।

    গৌরব গগৈয়ের ব্রিটিশ স্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)

    এই মামলাটি মূলত গৌরব গগৈয়ের ব্রিটিশ স্ত্রী এলিজাবেথ কোলবার্ন পাকিস্তানের সঙ্গে, বিশেষ করে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ অনুযায়ী, ইসলামাবাদে কাজ করার সময় তিনি পাকিস্তানের পরিকল্পনা কমিশনের প্রাক্তন উপদেষ্টা তৌকির শেখের অধীনে কাজ করতেন। সরকার এই অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে সিট (SIT) গঠন করে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে একটি মামলাও রুজু করা হয়। সিট রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেয়, বিষয়টির সংবেদনশীলতা ও ব্যাপক প্রভাবের কারণে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত প্রয়োজন। হিমন্ত জানান, তাঁর সরকার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে (MHA) এই তদন্তের দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সম্মতি মিললেই হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে। তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Attari Border)।”

    কী বললেন হিমন্ত

    কেন্দ্রীয় তদন্তের পক্ষে সওয়াল করে শর্মা বলেন, “অসম সরকারের তদন্তের নিজস্ব সীমাবদ্ধতা রয়েছে।” তাঁর দাবি, “এলিজাবেথ, গৌরব গগৈ এবং পাকিস্তানের মধ্যে আরও গভীর যোগাযোগ রয়েছে, যা তদন্ত করা প্রয়োজন (Himanta Biswa Sarma)।” তিনি এও বলেন, “৪৪ পাতার সিট রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে গগৈয়ের স্ত্রী তৌকির শেখের সঙ্গে গোপন নথি ভাগ করে নিয়েছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তানের একটি সংস্থা ‘লিড পাকিস্তানে’র মাধ্যমে বেতন লেনদেনের মাধ্যমে তাঁকে পরিচালিত করা হচ্ছিল। অতীতে এলিজাবেথ কোলবার্ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সেনেটর টম উডাল এবং বিলিয়নিয়ার সমাজসেবী জর্জ সোরোসের সহকারী হিসেবেও কাজ করেছেন। হিমন্তর অভিযোগ, কম নজরে থাকার জন্য গগৈয়ের স্ত্রী পাকিস্তানে প্রবেশের ক্ষেত্রে আত্তারি সীমান্ত ব্যবহার করতেন। তদন্তে জানা গিয়েছে, গৌরবকে বিয়ে করার পর তিনি মোট ন’বার পাকিস্তানে গিয়েছেন (Attari Border)। তিনি আরও দাবি করেন, গগৈ পরিবারের কেউ কেউ সময় সময় পাকিস্তানি ওই সংস্থাকে পরামর্শ ও তথ্য সরবরাহ করতেন (Himanta Biswa Sarma)।

    লাহোরে যাওয়ার অনুমতি

    শর্মার অভিযোগ, ২০১৩ সালে পাকিস্তান সফরের সময় প্রথমে গগৈ ও তাঁর স্ত্রীকে শুধু লাহোরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পরে তাঁকে ইসলামাবাদ ও করাচি সফরের অনুমতিও দেওয়া হয়। এই বিষয়ে তিনি গগৈয়ের কাছে ব্যাখ্যাও চান। সাংবাদিকদের তিনি জানান, ২০২২ সালে গৌরব গগৈ তাঁর নাবালক ছেলের ভারতীয় পাসপোর্ট দিল্লির পাসপোর্ট অফিসে জমা দেন, যাতে সে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেতে পারে। তিনি বলেন, “ভারতীয় পাসপোর্টে শিশুটির ধর্ম হিন্দু লেখা ছিল, কিন্তু ব্রিটিশ পাসপোর্টে ধর্মের ঘর ফাঁকা রাখা হয়েছে।” এই বিষয়ে গগৈকে ১০ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলেন তিনি। কংগ্রেস নেতৃত্ব বিষয়টি জেনেও গগৈকে রক্ষা করছে কি না, এই প্রশ্নে হিমন্ত বলেন, “গগৈ গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর এ বিষয়ে উত্তর দেওয়া উচিত (Himanta Biswa Sarma)।” প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের পুত্র গৌরব অনলাইন পোস্টে এই সাংবাদিক সম্মেলনকে “সুপার ফ্লপ” বলে কটাক্ষ করেন (Attari Border)।

    গগৈয়ের বক্তব্য

    লোকসভায় কংগ্রেসের ডেপুটি লিডার গগৈ লেখেন, “দিল্লি ও অসমের সাংবাদিকদের জন্য আমার সহানুভূতি। তাঁদের শতাব্দীর সবচেয়ে ফ্লপ সাংবাদিক সম্মেলন সহ্য করতে হয়েছে। এটি সি-গ্রেড সিনেমার থেকেও খারাপ। তথাকথিত রাজনৈতিকভাবে চতুর মুখ্যমন্ত্রীর সবচেয়ে ভিত্তিহীন ও অর্থহীন বক্তব্য।” তিনি আরও বলেন, “এই #সুপারফ্লপ আমাদের #এক্সোমি পরিবর্তন যাত্রার সম্পূর্ণ বিপরীত, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের দখলে থাকা ১২,০০০ বিঘা জমির বিষয়টি সামনে এসেছে।” সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হিমন্তর দাবি, কংগ্রেস আমলে তৌকির শেখ ১৩ বার ভারতে এসেছিলেন এবং গগৈয়ের স্ত্রী পাকিস্তান থেকে বেতন পেতেন। তিনি বলেন, “গোয়েন্দা ব্যুরো (IB) গগৈয়ের পাকিস্তান সফর নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে পারে, কারণ দিল্লির সহায়তা ছাড়া তা সম্ভব নয়।” হিমন্ত বলেন, “আমরা গৌরব গগৈয়ের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চাই। গগৈ যদি সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন যে আমি ভুল, তাহলে আমি সবচেয়ে খুশি হব। আমি চাই না কোনও সাংসদ আপসকামী অবস্থায় থাকুন (Himanta Biswa Sarma)।”

    পাল্টা জবাবে গৌরব বলেন, “জাতীয় স্তরে মুখ্যমন্ত্রী নিজেকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। তিনি বলেন, “দেড়-দুই ঘণ্টার সাংবাদিক সম্মেলনের পরেও তিনি সাংবাদিকদের সন্তুষ্ট করতে পারেননি। প্রশ্নোত্তর পর্ব ছিল অপ্রতুল। মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন অসমের মানুষের বুদ্ধি নেই। তিনি মিথ্যাবাদী। মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারকে হাস্যকর করে তুলেছেন (Attari Border)। সিট রিপোর্ট দেখাচ্ছে তিনিই আসলে আতঙ্কিত (Himanta Biswa Sarma)।”

  • Maharashtra: বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ভোটে বিজেপির মেয়র পদপ্রার্থী ঋতু তাওড়ে

    Maharashtra: বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ভোটে বিজেপির মেয়র পদপ্রার্থী ঋতু তাওড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনবারের কর্পোরেটর ঋতু তাওড়েকে (Ritu Tawde) বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি)-এর মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে (Maharashtra) ঘোষণা করল বিজেপি। এর ফলে ১৯৯৭ সাল থেকে শিবসেনার দীর্ঘদিনের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই পুরসভায় বড়সড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটল।

    মেয়রের দায়িত্ব পালন করবেন ঋতু তাওড়ে (Maharashtra)

    বছর তেতাল্লিশের ঘাটকোপার এলাকার নেত্রী ঋতু বিএমসির মেয়রের দায়িত্ব পালন করবেন একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনা গোষ্ঠীর সঞ্জয় শঙ্কর ঘাড়ির সঙ্গে, যিনি হবেন ডেপুটি মেয়র। এই ব্যবস্থা রাজ্য শাসক মহাযুতি জোটের মধ্যে নতুন ক্ষমতা-বণ্টনের প্রতিফলন। ৭ ফেব্রুয়ারি বিএমসি সদর দফতরে দু’জনেই মনোনয়নপত্র জমা দেন। মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ১১ ফেব্রুয়ারি। ২২৭ সদস্যের এই পুরসভায় মহাযুতি জোটের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জোট মোট ১১৮টি আসন জেতে। বিজেপি একক বৃহত্তম দল হিসেবে ৮৯ জন কর্পোরেটর নিয়ে উঠে আসে। অন্যদিকে শিন্ডে-নেতৃত্বাধীন শিবসেনা গোষ্ঠী পায় ২৯টি আসন। এর ফলে মুম্বইয়ে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন পুর-প্রশাসনের পথ সুগম হয়। এই রাজনৈতিক পরিবর্তন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ বিভক্ত হওয়ার আগের শিবসেনা প্রায় তিন দশক ধরে বিএমসির ওপর আধিপত্য বজায় রেখেছিল এবং মেয়র পদের রশি কার্যত ঠাকরে পরিবারের হাতেই ছিল (Maharashtra)। প্রায় ২৫ বছর পর প্রথমবার এই পদ ওই রাজনৈতিক বংশানুক্রমের বাইরে যাচ্ছে।

    কে এই ঋতু

    বর্তমানে ঋতু ১৩২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিনিধি। তিনি বিএমসি প্রশাসনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে শিক্ষা কমিটির চেয়ারপার্সনের পদটি উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি তিনি মহারাষ্ট্র প্রদেশ মহিলা মোর্চার সহ-সভানেত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। মারাঠা সম্প্রদায়ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও গুজরাটি-প্রধান ঘাটকোপার এলাকায় ঋতু বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সমর্থন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি প্রথমবার ২০১২ সালে ১২৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে বিএমসিতে নির্বাচিত হন। ২০১৭ এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে ভিন্ন ভিন্ন ওয়ার্ড থেকে জয়লাভ করে তাঁর নির্বাচনী দৃঢ়তা ও সাংগঠনিক শক্তির প্রমাণ দেন(Maharashtra) ঋতু। এদিকে বিরোধী শিবিরে উদ্ধব ঠাকরে-নেতৃত্বাধীন শিবসেনা (ইউবিটি) পেয়েছে ৬৫টি আসন এবং তাদের শরিক মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা জিতেছে ৬টি আসন। তবে এই জোট বিএমসির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যায় পৌঁছাতে পারেনি (Ritu Tawde)।

    এশিয়ার অন্যতম ধনী পুরসভা

    ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৭৪,৪২৭ কোটি টাকারও বেশি বার্ষিক বাজেট নিয়ে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন শুধু ভারতেরই নয়, এশিয়ার অন্যতম ধনী পুরসভা। ফলে এই সংস্থার নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক, উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জোটের সমঝোতা অনুযায়ী, শিন্ডে-নেতৃত্বাধীন শিবসেনা তাদের চারজন কর্পোরেটরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ডেপুটি মেয়রের পদ ঘুরিয়ে দেবে। পাঁচ বছরের মেয়াদে প্রত্যেকে প্রায় ১৫ মাস করে এই দায়িত্ব পালন করবেন। দলের নেতাদের মতে, এই রোটেশন ব্যবস্থা গোষ্ঠীর (Ritu Tawde) মধ্যে বৃহত্তর প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে (Maharashtra)।

     

  • Income Tax: কথা রাখলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, প্রকাশিত হল নতুন আয়কর রিটার্ন ফর্মও

    Income Tax: কথা রাখলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, প্রকাশিত হল নতুন আয়কর রিটার্ন ফর্মও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৬ ফেব্রুয়ারি খসড়া আয়কর বিধি, ২০২৬ প্রকাশ করেছে আয়কর বিভাগ (Income Tax)। এই বিধিগুলি ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন আয়কর আইন, ২০২৫ (IT Act 2025) বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিস্তারিত প্রক্রিয়াগত কাঠামো নির্ধারণ করেছে। খসড়া বিধিগুলির সঙ্গে প্রস্তাবিত নতুন আয়কর রিটার্ন (ITR) ফর্মও প্রকাশ করা হয়েছে এবং ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মতামতের জন্য তা জনসমক্ষে রাখা হয়েছে। করদাতা, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, শিল্প সংস্থা এবং অন্যান্য ভুক্তভোগীদের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে, চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি জারির আগে তারা যেন নিজেদের পরামর্শ ও প্রতিক্রিয়া জমা দেন।

    খসড়া বিধি (Income Tax)

    যেখানে আয়কর আইন, ২০২৫ কর সংক্রান্ত মৌলিক আইনি কাঠামো নির্ধারণ করে, সেখানে খসড়া বিধিগুলি ব্যাখ্যা করেছে আইনটি বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে। এতে মূল্যায়ন পদ্ধতি, রিটার্ন দাখিলের ফরম্যাট, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং করদাতা, পেশাদার ও কর কর্তৃপক্ষের জন্য প্রযোজ্য বিভিন্ন কমপ্লায়েন্স সংক্রান্ত বিষয় বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কর বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন কর ব্যবস্থায় মসৃণ রূপান্তরের জন্য সময়মতো খসড়া বিধি প্রকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এসবিএইচএস অ্যান্ড কোং-এর  প্রতিষ্ঠাতা হিমাঙ্ক সিংলা বলেন, “বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে নতুন আয়কর ফর্ম ও বিধি আগেভাগেই প্রকাশ করা হবে, যাতে করদাতা ও পেশাদাররা অপ্রস্তুত না হন (IT Act 2025)।” তিনি আরও বলেন, “১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে নতুন আইন কার্যকর হওয়ার কথা। তার আগেই খসড়া বিধি ও ফর্ম জনপরামর্শের জন্য প্রকাশ করে সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।”

    খসড়া বিধিগুলির উল্লেখযোগ্য দিক

    খসড়া বিধিগুলির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল, বিদ্যমান কাঠামোর তুলনায় এর আকার ও পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে (Income Tax)। নয়াদিল্লি-ভিত্তিক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট প্রতিভা গোয়েল বলেন, এই পদক্ষেপ কর আইনের অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমানোর একটি সচেতন প্রয়াস। তিনি বলেন, “১৯৬১ সালের আয়কর আইনের সঙ্গে ছিল ৫১১টি বিধি। নতুন কাঠামোয় তা কমিয়ে ৩২৩টি করা হয়েছে, ফলে পুরো ব্যবস্থা অনেক বেশি সহজ ও বোধগম্য হয়ে উঠেছে।” চূড়ান্তভাবে কার্যকর হলে আয়কর বিধি, ২০২৬, ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে কার্যকর থাকা আয়কর বিধি, ১৯৬২-কে প্রতিস্থাপন করবে। আধিকারিকদের মতে, বছরের পর বছর সংশোধনের ফলে যে অপ্রয়োজনীয় পুনরুক্তি ও জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা দূর করাই এই সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য। সিংলা বলেন, “স্পষ্টভাবেই লক্ষ্য হল সরলীকরণ, অপ্রচলিত বিধান বাদ দেওয়া এবং আইনের পাঠযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। খসড়া বিধিতে টেবিল, সূত্র ও কাঠামোবদ্ধ ফরম্যাটের ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, ফলে কমপ্লায়েন্স আরও নিরপেক্ষ হবে এবং করদাতা ও বিভাগের মধ্যে ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিরোধ কমবে।”

    রিটার্ন ফর্মের প্রস্তাব

    কমপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রেও খসড়া বিধিতে বিভিন্ন শ্রেণির জন্য মানসম্মত ও যুক্তিসংগত আয়কর রিটার্ন ফর্মের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, নতুন ফর্মগুলিতে প্রযুক্তি ও অটোমেশনের ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে। এর মূল বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে, পূর্বে পূরণ করা তথ্য (pre-filled data)-এর বেশি ব্যবহার, স্বয়ংক্রিয় মিল (automated reconciliation) এবং সিস্টেম-নির্ভর যাচাই, যাতে রিটার্ন দাখিলের সময় ভুল কমে। আয়কর বিভাগের আধিকারিকদের মতে, এর ফলে করদাতাদের অভিজ্ঞতা যেমন উন্নত হবে, তেমনই কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থার দক্ষতাও বাড়বে (IT Act 2025)। সিংলা বলেন, “এর ফলে ভুল কমবে, কমপ্লায়েন্স সহজ হবে এবং রিটার্ন প্রক্রিয়াকরণ আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে।” বাস্তবায়নের নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই খসড়া বিধি প্রকাশ করাকে করদাতা ও পেশাদারদের মধ্যে পূর্বানুমেয়তা ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করার প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পরামর্শকাল করদাতাদের বাস্তব সমস্যাগুলি তুলে ধরার, প্রয়োজনীয় সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়ার এবং স্পষ্টীকরণ চাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।

    আয়কর আইন, ২০২৫ হল ১৯৬১ সালের পর ভারতের প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থার অন্যতম বৃহত্তম সংস্কার। নতুন আইনটির সঙ্গে তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত ও সুসংগঠিত বিধির সমন্বয়ের মাধ্যমে সরকার এমন এক কর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে (Income Tax) চায়, যা মানা সহজ, পরিচালনায় সরল এবং বিরোধের সম্ভাবনা কম (IT Act 2025)।

     

  • Pakistans Vaccine Bill: বন্ধ টিকা সরবরাহ, ‘রাম’ ধাক্কার মুখে পাক অর্থনীতি

    Pakistans Vaccine Bill: বন্ধ টিকা সরবরাহ, ‘রাম’ ধাক্কার মুখে পাক অর্থনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের সামরিক সংঘাতের পর (অপারেশন সিঁদুর) পাকিস্তানে স্বল্পমূল্যের টিকা সরবরাহ বন্ধ করে দেয় ভারত। তার জেরে পাকিস্তানের ইতিমধ্যেই চাপে থাকা অর্থনীতি নতুন এক ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে। অন্তত শুক্রবার এমনই সতর্কবার্তা দিলেন পাকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুস্তাফা কামাল। দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে স্বল্পমূল্যের টিকার ওপর নির্ভর করে এসেছে। এর একটি বড় অংশই ভারতে উৎপাদিত। কিন্তু ২০২৫ সালের মে মাসে সংঘর্ষের পর সেই সরবরাহ ব্যবস্থা

    স্বাস্থ্যখাতে ব্যয়ের বড়সড় বৃদ্ধি (Pakistans Vaccine Bill)

    বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইসলামাবাদকে এখন স্বাস্থ্যখাতে ব্যয়ের বড়সড় বৃদ্ধির মোকাবিলা করতে হচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মতে, দেশীয় উৎপাদন সময় মতো শুরু না হলে পাকিস্তানের বার্ষিক টিকা আমদানি ব্যয়, যা বর্তমানে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০৩১ সালের মধ্যে বেড়ে প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছতে পারে। বর্তমানে পাকিস্তানের মোট টিকা আমদানির প্রায় ৪৯ শতাংশ অর্থায়ন করে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি, যারা গ্যাভি (GAVI)-এর মাধ্যমে কাজ করে। বাকি ৫১ শতাংশ ব্যয় বহন করে সরকার। তবে এই আন্তর্জাতিক সহায়তা স্থায়ী নয়। কামাল সতর্ক করে জানান, ২০৩১ সালের মধ্যে টিকার জন্য আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে পুরো আর্থিক দায়ভার পড়বে জাতীয় কোষাগারের ওপর।

    কোভিড-১৯ অতিমারি

    বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ এই কারণে যে, কোভিড-১৯ অতিমারি-সহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের সময়েও পাকিস্তান গ্যাভি ব্যবস্থার আওতায় ভারতীয় ওষুধ সংস্থাগুলির তৈরি কম খরচের, উচ্চমানের টিকা পেয়ে আসছিল। কিন্তু ২০২৫ সালের সংঘাতের পর থেকে সেই পথ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। বর্তমানে পাকিস্তান তার নাগরিকদের বিনামূল্যে ১৩ ধরনের টিকা সরবরাহ করে, অথচ তার একটিও সে দেশে উৎপন্ন হয় না। প্রায় ২৪ কোটি জনসংখ্যা এবং বছরে আনুমানিক ৬২ লাখ নবজাতকের জন্ম হওয়ায় টিকাকরণের চাহিদা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। ফলে ব্যয়বহুল আমদানির ওপর নির্ভরতা ক্রমশই অসহনীয় হয়ে উঠছে।

    এই প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সরকার এখন সৌদি আরবের সঙ্গে অংশীদারিত্বে দেশীয় টিকা উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে, যাতে আত্মনির্ভরতা অর্জন করা যায়। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং দেশের দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি রক্ষার জন্য এই উদ্যোগকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করেন।

     

  • ICC: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    ICC: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে আইসিসি (ICC)। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে লাহোরে পৌঁছন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সূত্রের খবর, আইসিসি যখন মোহসিন নকভির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে সমঝোতামূলক সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক তখনই পাকিস্তান ও বাংলাদেশ একসঙ্গে অবস্থান নিয়েছে। লক্ষ্য একটাই, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে লাভজনক ম্যাচ, অর্থাৎ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে পাকিস্তানকে সরানো।

    জুমের মাধ্যমে বৈঠক! (ICC)

    রবিবার রাতে জুমের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হতে পারে এই বৈঠক। এতে আইসিসির সিইও সংযোগ গুপ্ত, পিসিবি প্রধান মোহসিন নকভি এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত থাকার কথা। টুর্নামেন্টের সূচির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় সংকট তৈরি হওয়ায় আইসিসি এখন পরিস্থিতি সামাল দিতে মরিয়া। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পিসিবি এমন একটি সমঝোতার চেষ্টা করছে যেখানে বাংলাদেশকেও আলোচনার টেবিলে রাখা হবে। যদিও বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে যাচ্ছে না। এর আগে, ২ ফেব্রুয়ারি, বিশ্বকাপ শুরুর এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে, পাকিস্তান ঘোষণা করে যে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে না। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়। এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল, যখন নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে সফর করতে অস্বীকার করে বাংলাদেশ (ICC)।

    আইসিসির কাছে অনুরোধ

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সমর্থিত অবস্থান থেকে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছিল, যেন তাদের ম্যাচগুলি টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করা হয়। আইসিসি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে এবং বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এর ফলেই একের পর এক প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে (T20 World Cup)। বাংলাদেশ স্পষ্ট করে জানায়, ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থানে তারা পাকিস্তানের সঙ্গে একমত। বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল প্রকাশ্যে ইসলামাবাদকে ধন্যবাদ জানান। ফেসবুকে আসিফ নজরুল লেখেন, “ধন্যবাদ, পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার দেশ (ICC)।” আসিফ নজরুল বর্তমানে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টের গণআন্দোলনের ফলে শেখ হাসিনার সরকার উৎখাত হওয়ার পর এই সরকার গঠিত হয়। কার্যত তিনি বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রীর ভূমিকা পালন করছেন।

    শাহবাজ শরিফের সরকারের নির্দেশ

    এদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে শাহবাজ শরিফের সরকারের নির্দেশ, বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার প্রেক্ষিতে ভারতের বিরুদ্ধে যেন ম্যাচে অংশ না নেওয়া হয়। ইসলামাবাদে এক সরকারি বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, “টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। আমরা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলব না, কারণ খেলাধুলোর ময়দানে রাজনীতি হওয়া উচিত নয়।” সব পক্ষকে নিয়ে আইসিসি যখন এখন সংকটকালীন আলোচনায় বাধ্য হয়েছে, তখন লাহোরে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে, এই ইস্যু আর শুধু ক্রিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। একই সঙ্গে, উত্তেজনাপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে সামঞ্জস্য বজায় রেখে সিদ্ধান্ত (T20 World Cup) কার্যকর করা আইসিসির জন্য কতটা কঠিন হতে চলেছে, সেটাও পরিষ্কার হয়ে উঠছে (ICC)।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু-বিদ্বেষ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু-বিদ্বেষ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ এখন নিয়মিত ও নিরবচ্ছিন্ন ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে (Roundup Week)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে আমাদের চোখের সামনেই এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য, সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষ। ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ধরনের অপরাধগুলির একটি ছবি দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে। তাতে অন্তত বিশ্বজুড়ে আরও বেশি করে মানুষ এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন হবেন।

    হিন্দুফোবিয়া (Hindus Under Attack)

    বিশ্বব্যাপী সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দুফোবিয়াকে উসকে দেওয়ার একটি গভীর উদ্বেগজনক প্রবণতা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এই প্রবণতার প্রভাবকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়, কারণ এর বহিঃপ্রকাশ ঘটছে হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসার মাধ্যমে। বিদুথালাই চিরুথাইগল কাচ্চির প্রধান ও ইন্ডি (INDI) জোটের সাংসদ তিরুমাভালাভান সম্প্রতি এক জনসভায় চোল, পান্ড্য, চের ও পল্লব-সহ প্রাচীন তামিল রাজাদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তিনি তামিল সভ্যতার সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত অবক্ষয়ের জন্য এই রাজাদের দায়ী করেন এবং তাঁদের প্রতি প্রচলিত শ্রদ্ধা দেখাতে চাননি (Hindus Under Attack)। উত্তরপ্রদেশের অমরোহা জেলার গজরৌলা এলাকার এক যুবকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ, সে নিজের মুসলিম পরিচয় গোপন করে ইনস্টাগ্রামে ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে এক তরুণী হিন্দু মহিলাকে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যৌন নির্যাতন করে, যার ফলস্বরূপ গর্ভধারণ ও পরে গর্ভপাত ঘটে। অভিযুক্তের নাম সাহিল (Roundup Week)।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তর

    উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে হিন্দু নারী ও নাবালিকাদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। পুলিশ জেনেছে, স্থানীয় জিমের মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্ক কাজ করছিল। দুই মহিলার অভিযোগ, জিম প্রশিক্ষকরা প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দিচ্ছিল। মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলার দামজিপুরা এলাকায় একটি ভাইরাল ভিডিওতে গরুকে ধর্ষণের অভিযোগে দোকান মালিক আবু খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কর্নাটকের ইয়াদগিরি জেলার গুরমাটকাল তালুকের পুটপাক গ্রামে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও হিন্দুবিরোধী হিংসার এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কেশরী ধ্বজের ছবি পোস্ট করায় এক যুবক ও তাঁর মাকে কট্টরপন্থী ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল আক্রমণ করে। উত্তরপ্রদেশের আগ্রার ভগবান নগর কলোনিতে প্রায় ৪০টি হিন্দু পরিবার একযোগে বাড়িতে ‘বিক্রয়ের জন্য’ পোস্টার লাগিয়ে দেয়। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় মুসলিমদের দ্বারা ধারাবাহিক হয়রানি ও পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার জেরেই বাড়ি বিক্রি করে দিয়ে অন্যত্র চলে যেতে চাইছেন তাঁরা। এই অভূতপূর্ব ঘটনার ফলে আইনশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সংবেদনশীলতার বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে (Roundup Week)। বেঙ্গালুরু গ্রামীণ জেলার ডোড্ডাবল্লাপুরার শান্তি নগরে একটি মন্দিরে সকালের সুপ্রভাত স্তোত্র বাজানো নিয়ে এক ইসলামপন্থী যুবকের আপত্তিকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশের ছবি

    এ তো গেল দেশের কথা, এবার দেখে নেওয়া যাক বিদেশের ছবিটাও। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ নিরবচ্ছিন্ন এবং ধীরে ধীরে দেশটি থেকে এই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, নারী নির্যাতন ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য – এ সবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশছাড়া করার কৌশল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী এক হিন্দু ছাত্রকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনা গোটা বাংলাদেশে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অনেকেই একে লক্ষ্যভিত্তিক হামলা বলে মনে করছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা ৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার গভীর রাতে ক্যাম্পাসে একটি মন্দির উদ্বোধন করেন। প্রস্তাবিত মন্দির স্থলে শৌচাগার নির্মাণের প্রতিবাদে সারাদিনব্যাপী আন্দোলনের পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

    হিন্দু-অধ্যুষিত গ্রামে মধ্যরাতে সেনা অভিযান

    কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার ধানপুর ইউনিয়নের একটি হিন্দু-অধ্যুষিত গ্রামে মধ্যরাতে সেনা অভিযানের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ৩১ জানুয়ারি রাত প্রায় ১টায় সেনাবাহিনী বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর শারীরিক নিপীড়ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে (Roundup Week)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের মূলে রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত হিন্দুবিদ্বেষ। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক স্তরে এক সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব কাজ করে, যা হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। এই দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়। দীপাবলিতে বাজি নিষেধাজ্ঞা তার একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবের ওপর একতরফা বিধিনিষেধ ও যুক্তির অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

  • India: এবার শত্রুদেশের উপগ্রহের ওপর নজরদারি করতে পারবে ভারত, জানুন কীভাবে?

    India: এবার শত্রুদেশের উপগ্রহের ওপর নজরদারি করতে পারবে ভারত, জানুন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) দ্রুত বিকাশমান বেসরকারি মহাকাশ খাতে সৃষ্টি হল গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আহমেদাবাদভিত্তিক আজিস্তা ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড তাদের এয়ারোস্পেস শাখার মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ দেশীয় ক্ষমতা (Orbit Spying Capability) প্রদর্শন করল। তারা এক উপগ্রহ থেকে অন্য একটি কক্ষপথে থাকা বস্তুর ছবি তুলতে পেরেছে, যা ভারতের বেসরকারি খাতে এই প্রথম এবং ভারতের স্পেস সিচুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেস (SSA) জোরদার করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই ক্ষমতাকে সাধারণভাবে ‘ইন-অরবিট স্নুপিং’ বলা হয়।

    পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ (India)

    নিজেদের ৮০ কিলোগ্রাম ওজনের পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ এএফআর ব্যবহার করে আজিস্তা ৩ ফেব্রুয়ারি পরিকল্পিত দুটি পরীক্ষায় সফলভাবে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (ISS)-এর ছবি তোলে। আইএসএস একটি বড় ও তুলনামূলকভাবে সহজে অনুসরণযোগ্য কক্ষপথীয় বস্তু। যদিও এটি লো-আর্থ অরবিটে (LEO) অন্যতম দৃশ্যমান ও সহযোগিতাপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু, তবুও এই সাফল্য ভারতের বেসরকারি মহাকাশ খাতের জন্য এক নতুন ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছে। কঠিন পরিস্থিতিতে, দিগন্তের কাছাকাছি অবস্থান ও সূর্যালোকপূর্ণ পরিবেশে, আজিস্তা দুটি স্বতন্ত্র ইমেজিং প্রচেষ্টা চালায়। প্রথমবার আইএসএসের সঙ্গে দূরত্ব ছিল প্রায় ৩০০ কিলোমিটার এবং দ্বিতীয়বার প্রায় ২৪৫ কিলোমিটার। উভয় ক্ষেত্রেই এএফআর উপগ্রহের সেন্সর অত্যন্ত নিখুঁতভাবে দ্রুতগতির আইএসএসকে অনুসরণ করে মোট ১৫টি আলাদা ফ্রেম ধারণ করে, যেখানে ইমেজিং স্যাম্পলিং ছিল প্রায় ২.২ মিটার। সংস্থার দাবি, দুটি প্রচেষ্টাই একশো ভাগ সফল হয়েছে, যা তাদের ট্র্যাকিং অ্যালগরিদম এবং ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ইমেজিংয়ের নির্ভুলতাই প্রমাণ করে।

    আজিস্তার সাফল্য

    আজিস্তার কাছে এই সাফল্য শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তিগত অর্জন নয়, বরং এটি প্রমাণ করে যে ভারতে সম্পূর্ণভাবে উন্নত দেশীয় অ্যালগরিদম, ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল সিস্টেম ও স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে কক্ষপথে থাকা বস্তু শনাক্ত ও বিশ্লেষণ করা সম্ভব। সফল পরীক্ষার পর আজিস্তার ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রীনিবাস রেড্ডি জানান, এএফআর ইতিমধ্যেই একাধিক গ্রাহককে উন্নত ইমেজিং ও রিমোট সেন্সিং পরিষেবা দিচ্ছে এবং এবার সম্পূর্ণ দেশীয় ব্যবস্থায় নন-আর্থ ইমেজিং (NEI) ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। তাঁর কথায়, “এই প্রযুক্তিগুলিই আমাদের এনইআই এবং এসএসএ পেলোডের মূল ভিত্তি, যা কক্ষপথে থাকা বস্তু নিখুঁতভাবে ট্র্যাক ও চরিত্রায়িত করতে সাহায্য করে (India)।” তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি আয়ত্তে এলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পর্যবেক্ষণেও তা ব্যবহার করা যেতে পারে (Orbit Spying Capability)। স্পেস সিচুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেস, অর্থাৎ মহাকাশে থাকা বস্তু শনাক্ত করা, তাদের গতিবিধি অনুসরণ করা ও আচরণ বোঝার ক্ষমতা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কারণ বহু দেশ এখন এমন উপগ্রহ মোতায়েন করছে, যেগুলি অন্য মহাকাশ সম্পদের খুব কাছাকাছি গিয়ে হস্তক্ষেপ, জ্যামিং বা কৌশলগত ম্যানুভার করতে পারে। লো-আর্থ অরবিটে ভিড় ও প্রতিযোগিতা বাড়ায়, পৃথিবীপৃষ্ঠে কী ঘটছে তা পর্যবেক্ষণের মতোই এখন আকাশে কী ঘটছে, সেটিও জানা সমান গুরুত্বপূর্ণ।

    উপগ্রহের সংখ্যা

    বর্তমানে ভারতের হাতে যোগাযোগ, ন্যাভিগেশন, পৃথিবী পর্যবেক্ষণ ও কৌশলগত কাজে ব্যবহৃত ৫০টিরও বেশি উপগ্রহ রয়েছে, যাদের সম্মিলিত মূল্য ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এই সম্পদগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে (India) কক্ষপথে থাকা অন্যান্য উপগ্রহ কী করছে, সে সম্পর্কে সময়মতো তথ্য পাওয়া অত্যন্ত জরুরি, বিশেষত ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার সময়ে। যদিও ইসরো (ISRO) আগেও এই ধরনের ক্ষমতা দেখিয়েছে, যেমন সাম্প্রতিক এসপিএডিইএক্স (SPADEX) ইন-অরবিট পরীক্ষায় নিখুঁত রেন্ডেভু ও ম্যানুভারিং দেখানো হয়েছে, আজিস্তার উদ্যোগটি বেসরকারি খাতনির্ভর এক নতুন পথ খুলে দিয়েছে। আইএসএসের ছবি ধারণের মাধ্যমে এএফআর এমন একটি ভিত্তিমূলক সক্ষমতা দেখিয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও জটিল বা কম সহযোগিতাপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুর নজরদারিতে কাজে লাগতে পারে (Orbit Spying Capability)। আজিস্তার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ব্রিগেডিয়ার আদর্শ ভরদ্বাজ বলেন, “এই প্রদর্শন এমন একটা সময়ে ভারতের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সক্ষমতা এনে দিয়েছে, যখন মহাকাশ প্ল্যাটফর্মগুলি ক্রমেই হস্তক্ষেপের ঝুঁকিতে পড়ছে।” আইএসএসের ছবিগুলিকে তিনি “ভবিষ্যতে কী অর্জন সম্ভব, তার প্রথম প্রমাণ” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, “ভারত এখন এমন এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে, যা মহাকাশে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সহায়ক হবে।”

    এএফআর

    এএফআর নিজেই একটি মাইলফলক। মাত্র ৮০ কিলোগ্রাম ওজনের এই উপগ্রহটি তার আকার ও কর্মক্ষমতা শ্রেণিতে (India) ভারতে প্রথম, যা সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি শিল্প দ্বারা নকশা, নির্মাণ ও পরিচালিত। ২০২৩ সালের ১৩ জুন স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটে করে ট্রান্সপোর্টার-৮ মিশনের অংশ হিসেবে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। কক্ষপথে ২.৫ বছর পূর্ণ করে এটি এখনও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে এবং আরও ২.৫ বছর মিশন আয়ু বাকি রয়েছে। এসএসএর বাইরে, এএফআর ইতিমধ্যেই নৌবাহিনীর ইমেজিং, নাইট ইমেজিং ও ভিডিও ইমেজিং মোডে বিশ্বজুড়ে বেসামরিক ও প্রতিরক্ষা গ্রাহকদের পরিষেবা দিচ্ছে। আজিস্তা স্পেস জানিয়েছে, আহমেদাবাদে তাদের আসন্ন ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল পেলোড উৎপাদন কেন্দ্রে এমন পরবর্তী প্রজন্মের দেশীয় পেলোড তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আইএসএসের ছবি ২৫ সেন্টিমিটার রেজোলিউশনে তুলতে পারবে। আইএসএসের ছবি তোলা হয়তো মাত্র একটি সূচনা, কিন্তু এটি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে ভারতের বেসরকারি মহাকাশ শিল্প ধীরে ধীরে এমন এক কৌশলগত ক্ষেত্রে প্রবেশ করছে, যা এতদিন শুধুমাত্র সরকারের দখলে ছিল, নীরবে দেশের কক্ষপথ পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ (India) ও সুরক্ষার ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলছে (Orbit Spying Capability)।

     

  • PM Modi: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই গাড়িতে সফর করলেন মোদি

    PM Modi: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই গাড়িতে সফর করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পর এবার মালয়েশিয়ার (Malaysia) প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একই গাড়িতে সফর করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দু’দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার সেখানেই দেখা গেল দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই সৌহার্দ্যপূর্ণ দৃশ্য। মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছনোর কিছুক্ষণের মধ্যেই দুই প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে একটি কমিউনিটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যান। যাত্রাপথের একটি ছবি এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “এই মুহূর্তটি ভারত ও মালয়েশিয়ার জনগণের মধ্যে দৃঢ় পারস্পরিক সম্পর্কের উদযাপন।”

    প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা (PM Modi)

    এর আগে, বিমানবন্দরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। বিশেষ সৌজন্য প্রদর্শন করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম নিজে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাঁকে স্বাগত জানান। এই আন্তরিক অভ্যর্থনায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আমি এতে গভীরভাবে আপ্লুত এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী।” ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতো’ সেরি আর রামানন এবং উপ-বিদেশমন্ত্রী দাতো’ লুকানিসমান বিন আওয়াং সাউনি। বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) বিবৃতি অনুযায়ী, আগমনের পর ভারত ও মালয়েশিয়ার অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয় (Malaysia)।

    ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’

    এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে বিদেশমন্ত্রক জানায়, ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’, ‘ভিশন মাহাসাগর’ এবং ইন্দো-প্যাসিফিক দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ ও বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। চলতি সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘সেলামাত দাতাং মোদিজি’ শীর্ষক একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে প্রবাসী ভারতীয়রা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করবেন। অনুষ্ঠানে ভারতীয় শাস্ত্রীয় ও লোকনৃত্যের নানা ধারার সমন্বয়ে একটি বৃহৎ দলগত নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে মালয়েশিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তোলারও প্রচেষ্টা থাকবে (PM Modi)।

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ৭–৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই সফরের মূল লক্ষ্য ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ভারত–মালয়েশিয়া ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করা। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে ভারতীয় সম্প্রদায় ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করবেন (Malaysia)। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের পর এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৃতীয়বার মালয়েশিয়া সফর, যা দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ও কূটনৈতিক সম্পৃক্ততারই ইঙ্গিত বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

     

LinkedIn
Share