Tag: bangla news

bangla news

  • Bihar Election Results: রাহুল গান্ধীর ‘ভোট চুরি’ স্লোগানে সাড়া নেই, ২০২০-র তুলনায় আরও নিচে নামল কংগ্রেস

    Bihar Election Results: রাহুল গান্ধীর ‘ভোট চুরি’ স্লোগানে সাড়া নেই, ২০২০-র তুলনায় আরও নিচে নামল কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি বিরোধিতায় ব্যর্থ কংগ্রেস, আরও একবার প্রমাণিত গেরুয়া ঝড়ে মুখ থুবড়ে পড়ল ‘হাত’। বিহার বিধানসভা নির্বাচনে (Bihar Election Results) আবারও কোনও ছাপ ফেলতে ব্যর্থ হল কংগ্রেস। প্রাথমিক গণনা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের ট্রেন্ডে দেখা যাচ্ছে, তারা লড়াই করা ৬০টি আসনের মধ্যে মাত্র ৫টিতে এগিয়ে রয়েছে। অর্থাৎ রূপান্তর হার ১০ শতাংশেরও নিচে—২০২০ সালের তুলনায় আরও বড় ধাক্কা। ২০২০ সালের নির্বাচনে কংগ্রেস ৭০টি আসনে লড়াই করে ১৯টি আসনে জয় পেয়েছিল।

    ‘ভোট চুরি’ স্লোগানে কাজ হল না

    লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর আক্রমণাত্মক প্রচার—যার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল তথাকথিত “ভোট চুরি”—এবারও ভোটে পরিণত হয়নি। একাধিক জনসভা, ভোটার অধিকার যাত্রা, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কেন্দ্র ও ইসি-কে নিশানা করেও তিনি ভোটারদের মন জিততে পারেননি। পর্যবেক্ষকদের মতে, জাতীয় ইস্যুর তুলনায় বিহারের ভোটাররা বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন স্থানীয় সমস্যা, জাতপাত সমীকরণ ও শাসনকার্যের মূল্যায়নকে। বিহারে ভোটের মুখে রাহুল গান্ধী তথা কংগ্রেস প্রচারের মূল ইস্যু হিসাবে তুলে এনেছিলেন এসআইআর-কে, ভোটচুরিকে। যা কোনওভাবেই বিহারের স্থানীয় ইস্যু নয়। তাছাড়া এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়ার পর বেশি বৈধ ভোটারের নাম বাদ না যাওয়ায়, সেই ইস্যুও ধোপে টেকেনি। মাঝখান থেকে মূল যে ইস্যু সেই বেকারত্ব, দলিত নির্যাতন, দুর্নীতি, সেসব পিছনে পড়ে গিয়েছে। তাছাড়া শেষবেলায় এসে তেজস্বী যে সব পরিবারকে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন, সেটাও বিশেষ বিশ্বাসযোগ্য হয়নি আমজনতার।

    প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে কংগ্রেস

    একসময় জাতীয় ও প্রাদেশিক রাজনীতিতে শক্তিশালী অবস্থান থাকা কংগ্রেস এখন বিহারে কার্যত প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। একাধিক আসনে দল তৃতীয় বা চতুর্থ অবস্থানে নেমে যাচ্ছে। রাজ্যে তাদের শেষ উল্লেখযোগ্য প্রভাব দেখা গিয়েছিল ১৯৯০ সালে জগন্নাথ মিশ্রের নেতৃত্বে। তারপর থেকে বিহারে সংগঠন পুনর্গঠনে কংগ্রেস বারবার ব্যর্থ হয়েছে। কংগ্রেসের খারাপ পারফরম্যান্স মহাগঠবন্ধনের প্রধান দল আরজেডি-র উপরও প্রভাব ফেলেছে। যদিও আরজেডি এখনও ৩০টির মতো আসনে এগিয়ে রয়েছে এবং তাদের মূল ভোটব্যাঙ্ক বেশি। অপরদিকে, এনডিএ এগিয়ে চলেছে মসৃণ জয়ের দিকে। প্রাথমিক গণনায় এনডিএর আসন প্রায় ১৯০ ছুঁয়েছে—যা ২০১০ সালের ২০৬ আসনের রেকর্ডের কাছাকাছি। এনডিএর এই শক্তিশালী পারফরম্যান্স প্রমাণ করেছে জোটের নেতৃত্ব, সংগঠন ক্ষমতা এবং ভোটার আস্থার প্রভাব।

    জঙ্গল-রাজের আতঙ্ক

    ‘যব তক রহেগা সমোসে মে আলু, বিহার মে রহেগা লালু।’ অরণ্যের প্রাচীন এই প্রবাদ হয়তো এবার ‘জঙ্গলে’ ফেলার সময় এসে গিয়েছে। কারণ বিহারবাসী এখনও লালুর জঙ্গলরাজের আতঙ্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। অন্তত ২০২৫ সালের বিহার ভোটের ফলাফলের (Bihar Election Result) ট্রেন্ড সে কথাই বলছে। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে, তখনও পর্যন্ত বিহারের ফলাফল বলছে, নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন এনডিএ দু’শোর কাছাকাছি আসন পেতে পারে। আর তেজস্বী যাদবের নেতৃত্বাধীন মহাগঠবন্ধন ৫০ আসন পাওয়া নিয়েও সংশয়ে।

    কংগ্রেসের দুর্বলতায় চাপ বাড়ল মহাগঠবন্ধনের ওপর

    মহাগঠনন্ধনের শুরুটা ভালো হয়েছিল। রাহুল গান্ধীর ভোটার অধিকার যাত্রায় একসঙ্গে প্রচার শুরু করেছিলেন রাহুল-তেজস্বীরা। কিন্তু যাত্রা শেষ হতেই ছন্দপতন। আসন সমঝোতা নিয়ে রীতিমতো খেয়োখেয়ি করল বিরোধী শিবির। এমন পরিস্থিতি দাঁড়াল যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন পেরিয়ে গেলেও আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হল না। তেজস্বীকে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসাবে ঘোষণা করা হল একেবারে শেষবেলায়। যে চক্করে মাসখানেক প্রচারে সেভাবে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা, এমনকী আরজেডির শীর্ষ নেতাদেরও প্রচারে দেখা গেল না। ততদিনে ঘর গুছিয়ে ফেলেছে এনডিএ। যার সুফল মিলল ভোটের ফলে।

    কংগ্রেসের সামনে কঠিন পথ

    আরও একবার হতাশাজনক ফলাফলের পর বিহারে কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ঘনিয়েছে। প্রচারকে ভোটে রূপান্তর করতে ব্যর্থতা, গ্রাসরুটে পৌঁছতে না পারা এবং দুর্বল স্থানীয় নেতৃত্ব—এই সব মিলিয়ে দল ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। এনডিএ শক্তিশালী হচ্ছে, আঞ্চলিক দলগুলো নিজেদের ভিত্তি ধরে রাখছে—এ অবস্থায় বিহারে পুনর্জাগরণের জন্য কংগ্রেসকে জরুরি ভিত্তিতে সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসে নামতে হবে।

  • Election Commission: ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ এনুমারেশন ফর্ম বিলি শেষ, জমা ১৭ নভেম্বর থেকে

    Election Commission: ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ এনুমারেশন ফর্ম বিলি শেষ, জমা ১৭ নভেম্বর থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে ছটা পর্যন্ত রাজ্যের ৯৫ শতাংশ এনুমারেশন ফর্ম বিলি করেছেন বিএলওরা। জানা গিয়েছে, প্রথম ১০ দিনে ৭.২৭ কোটি ভোটারের কাছে ফর্ম বিলি করেছে। তবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক দফতর (Election Commission) জানিয়েছে, অনলাইন ও ডিজিটাল মাধ্যমে ইতিমধ্যে প্রায় ৬ লক্ষ এনুমারেশন ফর্ম জমা পড়েছে। নির্বাচন বাকি কাজ আরও ২-৩ দিনের মধ্যে ফর্ম বিলি শেষ হয়ে যাবে। আগামী সোমবার ১৭ নভেম্বর থেকে ফর্ম জমা (SIR) নেওয়ার কাজ শুরু হবে। এদিকে রাজ্যে এসআইআর আবহে শাসক বিরোধী তর্জা তুঙ্গে।

    লোকজনকে সবরকম সহযোগিতা কমিশনের (Election Commission)

    সময়ের মধ্যেই কমিশন কাজ করবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৪ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম বিলি এবং জমা নেওয়ার কাজ চলবে। এসআইআর (SIR) কাজ শুরুর পর থেকেই কমিশন বারবার বলেছে সঠিক ভাবে আবেদন পূরণের জন্য সমস্ত লোকজনকে সবরকম সহযোগিতা করা হবে। একই ভাবে সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমেও একই বার্তা দেওয়া হয়েছে। আগামী সোমবার থেকে বিএলওরা এই কাজ করবেন।

    খসড়ায় কাদের নাম থাকবে না?

    আবার কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতের (Election Commission) ফর্ম বিলি চলাকালীন একটি নতুন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। বহুক্ষেত্রে বহুতলের বাসিন্দাদের দোরগোড়ায় বারবার পৌঁছে সাড়া পাচ্ছেন না বিএলও-রা। আর তাই নির্দিষ্ট ভোটারকে না পেয়ে তাঁদের এনুমারেশন ফর্ম চলে যাচ্ছে ইআরও-দের কাছে। তবে এই রকম বাসিন্দাদের সংখ্যাটাও কম নয়। অপর দিকে বিভিন্ন বস্তির ক্ষেত্রেও একই সমস্যা হচ্ছে। বস্তিতে গিয়েও ভোটারদের খোঁজ মিলছে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে অ্যাপে হয়তো ফর্ম বিলি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু বাস্তবে খোঁজ মিলছে না। তবে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেক ভোটারের নাম আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা থাকবে না কারণ তাঁরা এনুমারেশন ফর্ম জমা দেননি।

    তবে ৯ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে যাদের নাম খসড়া তালিকায় থাকবে না, নামের বানান ভুল থাকবে, ঠিকানা পরিবর্তন হবে অথবা ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন ছবি ব্যবহার করবেন সেই সমস্ত ক্ষেত্রে তাঁরা নতুন করে আবেদন করতে পারবেন ।

  • Ukase Turkiye: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার জড়াল তুরস্কের নাম, কীভাবে জানেন?

    Ukase Turkiye: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার জড়াল তুরস্কের নাম, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লার কাছে গাড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডে (Delhi Blast) আগেই জড়িয়েছে পাকিস্তানের বন্ধু তুরস্কের নাম (Ukase Turkiye)। জানা গিয়েছে, ইসলামিক রাষ্ট্র তুরস্কের কোনও এক হ্যান্ডলারের অঙ্গুলিহেলনেই জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত ভারতে থাকা চিকিৎসক-জঙ্গিরা। এই বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা পেয়েছেন একটি কোডনেম। সূত্রের খবর, ‘উকাসা’ নামে এক ব্যক্তির নাম জানা গিয়েছে, যে ওই চিকিৎসক-জঙ্গিদের নিয়ে তৈরি মডিউল পরিচালনা করত। এই মডিউলের নেতা ছিল আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক-শিক্ষক উমর উন নবি। জানা গিয়েছে, ভারতে এই হামলার ছক কষা হয়েছিল তুরস্কে বসেই।

    উকাসা (Ukase Turkiye)

    গোয়েন্দাদের অনুমান, জইশ-ই-মহম্মদ এবং আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দ এই দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর হ্যান্ডলার এবং দিল্লি মডিউলের মধ্যে প্রধান যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে এই উকাসা। প্রাথমিক তদন্তে তদন্তকারীরা মনে করছেন, ২০২২ সালে তুরস্কে এই হামলার নীল নকশা তৈরি করা হয়েছিল। সেই সময়ই উমর ও তার সঙ্গীরা তুরস্কে গিয়েছিল। তারা গিয়েছিল ওই বছরেরেই মার্চ মাসে। সেই সময় প্রায় দু’সপ্তাহ আঙ্কারায় ছিল সে। এই সমস্ত ষড়যন্ত্রের অন্যতম অংশীদার ছিল সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাপ। প্রথমে টেলিগ্রামের মতো অ্যাপ ব্যবহার করা হলেও, পরে বেছে নেওয়া হয়েছিল সিগন্যাল ও সেশনের মতো অ্যাপ। তদন্তকারীদের ধারণা, উকাসা নামের এই হ্যান্ডলার চিকিৎসক-জঙ্গিদের তালিম দিয়েছিল, কীভাবে গোপনে ফোনালাপ করতে হয়, কীভাবেই বা এড়িয়ে চলতে হয় ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, তুরস্কের এই হ্যান্ডলারই মডিউলের কাজকর্ম ঠিক করে দিত, যাবতীয় নির্দেশও দিত ওই হ্যান্ডলাররা। উকাসার ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট খুঁজতে এবং আরও কোনও যোগাযোগের সূত্র পেতে বিদেশি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির সাহায্য নিচ্ছেন গোয়েন্দারা (Delhi Blast)।

    পুলিশের স্ক্যানারে আরও এক চিকিৎসক

    এদিকে, লালকেল্লা বিস্ফোরণের ওই ঘটনায় পুলিশের স্ক্যানারে রয়েছে আরও এক চিকিৎসকও। এই চিকিৎসক আর কেউ নয়, সে হল গ্রেফতার হওয়া চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাঠির দাদা মুজাফফর। তদন্তকারীদের অনুমান, দিল্লি বিস্ফোরণে চিকিৎসক মেডিক্যাল টেরর মডিউলের বিদেশি যোগসূত্র ও অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী এই মুজাফফর। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সূত্রের খবর, পুলওয়ামার এই বাসিন্দা ভারতে মূল মডিউল ও তাদের পাক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করত। গত অগাস্টে সে দুবাইয়ে চলে গিয়েছে (Ukase Turkiye)। এখন সে আফগানিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে কাজ করছে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে। তার হদিশ পেতে রেড কর্নার নোটিশ জারি করতে চাইছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। সেজন্য ইন্টারপোলের সাহায্য চেয়েছে তারা।

    ‘উকাসা’ শব্দের অর্থ

    গোয়েন্দারা জেনেছেন, তুরস্কের হ্যান্ডলার উকাসা আদতে একটি সাংকেতিক নাম। এক আধিকারিক জানান, আরবি ভাষায় ‘উকাসা’ শব্দের অর্থ হল ‘মাকড়সা’। পরিচয় গোপন করে বিদেশে বসে থেকে নাশকতা, জঙ্গি কার্যকলাপে আর্থিক মদত এবং মৌলবাদী কাজকর্মে ইন্ধন জোগাত এই উকাসা (Delhi Blast)। এই উকাসার সঙ্গে দেখা করতেই তুরস্কে গিয়েছিল মুজাফফরও। তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলে বৈঠকে বসে অপারেশন ও ফান্ডিংয়ের রুটম্যাপ ঠিক করা হয়। অনুমান, সেখানেই কষে নেওয়া হয়েছিল লালকেল্লায় বিস্ফোরণের মতো একাধিক বড় নাশকতার ছক। পুলিশ সূত্রে খবর, ভাইকে জঙ্গি কার্যকলাপে টেনে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল (Ukase Turkiye) মুজাফফর। ভাইয়ের সঙ্গে উমর, মুজাম্মিল সাকিল ও মৌলবি ইরফানের সঙ্গেও যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিল সে-ই। একের পর এক সহযোগীর গ্রেফতারির প্রেক্ষিতে উমরকে দিল্লিতে বিস্ফোরণ ঘটানোর নির্দেশ দিয়েছিল মুজাফফর। ছিল, পুলওয়ামার ধাঁচে নাশকতার নির্দেশও।

    স্লিপার সেলে নিয়োগ

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, উকাসাই উমরদের পরিচালনা করত। কীভাবে স্লিপার সেলে নিয়োগ করতে হবে, কীভাবেই বা ডিজিটাল তথ্য লোপাট করতে হবে, সেই সবই চিকিৎসক-জঙ্গিদের শিখিয়ে পড়িয়ে নিয়েছিল তুরস্কের ওই হ্যান্ডলার। তদন্তকারীদের অনুমান, ভারতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের যে ছক কষা হয়েছিল এবং সেই হামলার জন্য যে জঙ্গি মডিউল তৈরি করা হয়েছিল, সে ক্ষেত্রে উকাসার বড় ভূমিকা রয়েছে। তদন্তকারীরা উকাসা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জোগাড় করার চেষ্টা করছেন। পাক জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির সঙ্গে এই হ্যান্ডলারের কোনও যোগ ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। কীভাবে চিকিৎসক মডিউলকে উকাসা পরিচালনা (Delhi Blast) করছিল, এই উকাসা আসলে কে বা কারা, তাও জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।

    প্রসঙ্গত, ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে উমরের হুন্ডাই আই-২০ গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। এই গাড়িতেই ছিল চিকিৎসক-জঙ্গি উমর। তদন্তকারী সংস্থাগুলি এখনও পর্যন্ত ফরিদাবাদ থেকে ইকোস্পোর্টটি উদ্ধার করেছে। তল্লাশি চালানো হচ্ছে ব্রেজা গাড়িটির খোঁজে। আধিকারিকদের সন্দেহ, নিখোঁজ হওয়া গাড়িটিতে লুকানো থাকতে পারে বিস্ফোরক (Ukase Turkiye)।

  • Delhi Blast: ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত পরিচয়, দিল্লি-হামলাকারী উমরের পুলওয়ামার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল নিরাপত্তা বাহিনী

    Delhi Blast: ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত পরিচয়, দিল্লি-হামলাকারী উমরের পুলওয়ামার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল নিরাপত্তা বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লালকেল্লার কাছে দিল্লি বিস্ফোরণ (Delhi Red Fort blast) মামলায় বড় পদক্ষেপ করল ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনী (security forces)। নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে উড়িয়ে দেওয়া হল সন্দেহভাজন চিকিৎসক উমর উন নবির (Umar Nabi) পুলওয়ামার বাড়ি (Pulwama house demolition)। বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে যে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে বাড়িটি একটি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। গত সোমবার লাল কেল্লা বিস্ফোরণে জড়িত হুন্ডাই আই২০ গাড়িটির সঙ্গে কাশ্মীরের একজন চিকিৎসক উমর-উন-নবির সম্পর্ক রয়েছে। সেই গাড়ি চালাচ্ছিল। উমরই ওই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে নিশ্চিত পরিচয়

    উমর নবি, যাঁকে এই সপ্তাহের শুরুতেই লালকেল্লায় ঘটা বিস্ফোরণের (Delhi Blast) মূল সন্দেহভাজন হিসেবে দেখা হচ্ছে, তাঁর বাড়ি ঘিরে আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়া করা হয়েছিল। সোমবারের ভয়াবহ বিস্ফোরণে ব্যবহৃত গাড়িটি সরাসরি যুক্ত হয়েছে উমর-উন-নাবির সঙ্গে। বিস্ফোরণে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল, আহত হন ২০–এর বেশি মানুষ। কাশ্মীরের এই চিকিৎসকই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে ধারণা তদন্তকারীদের। বিস্ফোরণে তাঁর ভূমিকা ঠিক কতটা, তা এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ টানা রাতভর তল্লাশি চালায়। গ্রেফতার হয় মোট ছয়জন, যাদের মধ্যে তিনজন উমরের পরিবারের সদস্য। বিস্ফোরণস্থল থেকে সংগৃহীত ডিএনএ নমুনা তাঁর মায়ের নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে উমরের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আগেই জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামা থেকে আটক করা হয়েছিল উমরের মাকে। দিল্লিতে বিস্ফোরণের পরেই সোমবার রাতে উমরের মা এবং দুই ভাইকে আটক করা হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে দিল্লি পুলিশের এক কর্তা সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে বলেন, “সন্দেহভাজনের মাকে আমরা ডিএনএ-র নমুনা সংগ্রহের জন্য আটক করেছিলাম। বিস্ফোরণস্থল থেকে পাওয়া দেহাংশের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখা হয়।”

    কেন গুঁড়িয়ে দেওয়া হল বাড়ি

    পুলিশ জানিয়েছে, উমর নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন আরও দুই কাশ্মীরি চিকিৎসকের সঙ্গে, যাঁদের ফরিদাবাদ সন্ত্রাস মডিউল ফাঁস হওয়ার পরে আটক করা হয়েছিল। সেই মডিউল থেকেই উদ্ধার হয়েছিল প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক, যা তদন্তকে আরও গভীর করেছে। স্থানীয় মানুষের মতে, একসময়ে উমর ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী, পড়াশোনায় মনোযোগী চিকিৎসক, সমাজেও তাঁর পরিচিতি ছিল ইতিবাচক। তদন্তকারীরা বলছেন, গত দুই বছরে তাঁর আচরণে বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মের একাধিক র‌্যাডিকাল গ্রুপে যোগ দেন তিনি, এবং ক্রমশ কঠোর মতাদর্শের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন। উমরের সম্ভাব্য সহযোগী, যোগাযোগের নেটওয়ার্ক, অর্থের উৎস – সব দিকেই নজর দিয়েছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য তদন্তকারী সংস্থাগুলি। পুলওয়ামার (Pulwama) বাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মূলত সম্ভাব্য বিস্ফোরক বা নথি উদ্ধার-ঝুঁকি এড়ানোর জন্য, এবং তদন্তের নির্দিষ্ট প্রোটোকলের অংশ হিসেবে।

    কীভাবে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ (Delhi Blast) ঘটিয়েছিল উমরই। সেই ছিল সুইসাইড বম্বার বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। সিসিটিভি ফুটেজে গাড়ির চালকের আসনে বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল তাকে। তদন্তে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী জৈশ-ই-মহম্মদের লজিস্টিক টিমের সদস্য ছিল উমর। ফরিদাবাদ, লখনউ এবং কাশ্মীরে কাজ করত তারা। এই চক্রের ৯-১০ জনের মধ্যে অধিকাংশই চিকিৎসক। সেই পরিচয়কে কাজে লাগিয়েই বিস্ফোরক এবং রাসায়নিক তৈরির উপকরণ জোগাড় করত উমর। কিন্তু ফরিদাবাদের একটি গুদাম থেকে ২,৯০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বাজেয়াপ্ত হওয়ার পরেই ভয় পেয়ে গা ঢাকা দেয় উমর। পুলিশ জানিয়েছে যে, দলটি ২৬ লক্ষ টাকারও বেশি নগদ সংগ্রহ করেছিল। তদন্ত অনুসারে, গুরুগাঁও, নুহ্ এবং আশেপাশের এলাকার সরবরাহকারীদের কাছ থেকে প্রায় ২৬ কুইন্টাল এনপিকে সার – যার মূল্য প্রায় তিন লক্ষ টাকা – কেনার জন্য এই অর্থ ব্যবহার করা হয়েছিল। অন্যান্য রাসায়নিকের সঙ্গে মিশ্রিত, এনপিকে হল ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইসের একটি প্রধান উপাদান। প্রায় আটজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি জোড়ায় বিভক্ত হয়ে চারটি শহরে সমন্বিত বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

    প্রজাতন্ত্র দিবসে হামলার রেকি

    লালকেল্লার কাছে একটি সাদা রঙের হুন্ডাই আই২০ গাড়িতে বিস্ফোরণ হয় সোমবার। তাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩। ওই দিনই সকালে ফরিদাবাদে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক পদার্থ উদ্ধার করেছিল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং হরিয়ানা পুলিশের যৌথ দল। গ্রেফতার করা হয়েছিল মুজাম্মিল আহমেদ-সহ একাধিক ব্যক্তিকে। মুজাম্মিলের ফোন ঘেঁটে পুলিশ জানতে পেরেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে একাধিক বার তিনি লালকেল্লার সামনে গিয়েছিলেন। অনুমান, প্রজাতন্ত্র দিবসে হামলার রেকি করা হয়েছিল। শুধু মুজ়াম্মিল নন। আর এক চিকিৎসক উমর নবিও তাঁর সঙ্গে লালকেল্লার সামনে গিয়েছিলেন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

     

  • Diabetes: বয়ঃসন্ধিকালে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের তালিকায় প্রথম সারিতে ভারত! বলছে আইসিএমআর রিপোর্ট

    Diabetes: বয়ঃসন্ধিকালে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের তালিকায় প্রথম সারিতে ভারত! বলছে আইসিএমআর রিপোর্ট

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    প্রৌঢ়দের মধ্যে রোগের প্রকোপ দেখা গিয়েছিল। কিন্তু গত তিন বছরে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। বয়সের বেড়াজাল পেরিয়ে ডায়াবেটিস এখন বয়ঃসন্ধিকালের সমস্যা হয়ে উঠছে। যার প্রভাব সুদূরপ্রসারী বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই প্রথম থেকেই রোগ নিয়ন্ত্রণে সতর্কতা জরুরি। না হলে সুস্থ জীবন যাপন কঠিন হয়ে উঠবে।

    কোন পরিসংখ্যান উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ-র তথ্য অনুযায়ী, ভারতে বয়ঃসন্ধিকালে থাকা প্রায় ৯৬ হাজার ছেলেমেয়ে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ভারতে টাইপ-টু ডায়াবেটিসের দাপটও বাড়ছে। মূলত অস্বাস্থ্যকর জীবন‌ যাপনের জেরেই এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে‌। ওই পরিসংখ্যান জানান দিচ্ছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের ডায়াবেটিস আক্রান্তের নিরিখে ভারত প্রথম সারিতেই রয়েছে। স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বিপুল ভাবে বেড়ে যাওয়া যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন চিকিৎসক মহল।

    কেন স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে ডায়াবেটিসের দাপট বাড়ছে?

    ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে মূলত দুই ধরনের ডায়াবেটিসের দাপট দেখা যায়। টাইপ-ওয়ান ডায়াবেটিস। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি ব্যবস্থার জেরেই এই সমস্যা হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, অগ্নাশয়ে ইনসুলিন হরমোন তৈরির ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়। তার জেরেই টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসের সমস্যা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, বংশানুক্রমিক ডায়াবেটিস আক্রান্তের সমস্যা থাকলে, পরিবারের শিশুরা এই রোগের শিকার হয়।

    তবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে টাইপ-টু ডায়াবেটিস। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত পাঁচ বছরে স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে টাইট-টু ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, খাদ্যাভাস ও অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জন্য এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের মধ্যে ব্যাপক হারে ওবেসিটি দেখা দিচ্ছে। অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা টাইপ-টু ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়াচ্ছে।

    বয়ঃসন্ধিকালে ডায়াবেটিসের প্রকোপ কেন বাড়তি উদ্বেগজনক?

    ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস নানান রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই এই রোগ দীর্ঘ সুস্থ জীবন যাপনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই এই রোগের প্রকোপ থাকলে পরবর্তী সময়ে নানান শারীরিক জটিলতা বাড়তে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস হৃদরোগ, কিডনির সমস্যার পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাওয়ার সমস্যাও তৈরি করে। শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। বন্ধ্যাত্বের সমস্যা তৈরি করতে পারে। আবার ডায়াবেটিস শরীরকে বাড়তি ক্লান্ত করে দেয়। তাই পড়াশোনা এবং খেলার ক্ষেত্রেও শিশুর স্বাভাবিক ছন্দপতন হতে পারে। তাই কম বয়সে ডায়াবেটিসের প্রকোপ উদ্বেগজনক। শিশুকাল থেকে ডায়াবেটিসের প্রকোপ দেখা দিলে তরুণ বয়সে কর্মক্ষমতা বাধার মুখে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, তিরিশ পেরনোর আগেই উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের সমস্যার মতো জটিল স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হতে পারে।

    সন্তানের সুস্থ থাকার চাবিকাঠি কী?

    দেশজুড়ে কৈশোর কালের উপরে ডায়াবেটিসের প্রকোপ রুখতে পারে সচেতনতা। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কলকাতার ফর্টিস হাসপাতালের এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগের চিকিৎসক রচনা মজুমদার জানান, কৈশোর কালে ডায়াবেটিস মোকাবিলার মূল অস্ত্র খাদ্যাভাস।‌ স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাবে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলেও রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে। কলকাতার আরেক এন্ডোক্রিনোলজিস্ট সুজয় ঘোষ জানান, কৈশোরে পা দেওয়ার আগেই বহু ছেলেমেয়ে প্রক্রিয়াজাত খাবারে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। যার ফলে শরীরে নানান হরমোনঘটিত ভারসাম্যের অভাব দেখা দিচ্ছে। ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বাড়ছে। বাড়ির তৈরি ঘরোয়া ফ্রেশ খাবারে অভ্যস্ত হয়ে উঠলেই এই রোগের প্রকোপ মোকাবিলা সহজ হয়। ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন-র তরফেও জানানো‌ হচ্ছে, সুস্থ জীবন যাপনের জন্য প্রথম থেকেই কোন পদক্ষেপ নিতে হবে, সে নিয়ে সচেতনতা জরুরি। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে এই সচেতনতার অভাব রয়েছে। শিশুরা যার ফল‌ ভোগ করছে।

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত ফল ও সব্জি খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা প্রয়োজন। শিশুদের সকালের জলখাবার কিংবা সন্ধ্যার খাবার মানেই প্যাকেটজাত চটজলদি খাবার নয়। বরং বাড়িতে তৈরি রুটি, সব্জি, ডাল নিয়মিত খাওয়া প্রয়োজন। অধিকাংশ শিশু প্রয়োজনীয় সব্জি, ফল খায় না। তার পরিবর্তে প্যাকেটজাত এমন কিছু খাবার খায়, যার কোনো পুষ্টিগুণ নেই। তাতে নানান রাসায়নিক দেওয়া থাকে। ফলে শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার পায় না। এর ফলে শরীরে একাধিক রোগের প্রকোপ বাড়ে। ওজন বাড়ে। যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘরোয়া খাবার খাওয়ার পাশপাশি শারীরিক কসরত জরুরি। ছোটো থেকেই যোগাভ্যাস কিংবা অন্যান্য শারীরিক কসরতে অভ্যস্থ হলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তাহলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Bihar Polls: বিহারে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিজেপি! মগধভূমে ফের সিংহাসনে বসতে চলেছেন নীতীশ

    Bihar Polls: বিহারে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিজেপি! মগধভূমে ফের সিংহাসনে বসতে চলেছেন নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণনা শুরু হতেই বিহারে (Bihar Polls) উঠল গেরুয়া ঝড়। প্রথম রাউন্ডেই আপাতত ১৩০ আসনে এগিয়ে এনডিএ, মহাগঠবন্ধন জোট এগিয়ে ৬৫ আসনে। একক দল হিসেবেও সবচেয়ে বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। বিজেপি সকাল ৯টা পর্যন্ত ৬৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। বিহারের ৪৬টি গণনাকেন্দ্রে চলছে ভোটগণনা। ২৪৩ আসনে লড়াই করা মোট ২,৬১৬ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজই। দুই দফায় ভোট গ্রহণ হয়েছে এবার বিহারে। সকাল ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। ২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার হল ১২২। বিহারের ভোট গণনার শুরুতেই এগিয়ে যাচ্ছে এনডিএ।

    কে কত আসনে এগিয়ে

    আজ, ১৪ নভেম্বর, শুক্রবার, ভোট গণনা এবং দুপুরের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে উঠবে কার দখলে পাটনার মসনদ। ইতিমধ্যে ভোট গণনা যা ইঙ্গিত দিচ্ছে, তাতে সরকার গড়তে চলেছে এনডিএ জোট। আগের বার ১২৫ আসনের থেকেও এবার অনেক বেশি আসন পেয়ে বিহারের (Bihar Polls) মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন নীতীশ কুমার। এনডিএ-র মধ্যে বিজেপি ৬৫টি ও জেডিইউ ৬৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। রাজ্যের ৩৮টি জেলায় মোট ৪৬টি ভোট গণনা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১২২ জন রিটার্নিং অফিসার ও অবসার্ভারের তরফ থেকে এই প্রথমবার বিহারের কোনও বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি ওঠেনি। আরজেডি থেকে বহিষ্কারের পর আলাদা দল করে নির্বাচনে লড়ছেন লালু প্রসাদ যাদবের বড় ছেলে তেজ প্রতাপ যাদব। গণনার শুরুতে সামান্য পিছিয়ে পড়লেও, ফের এগিয়ে গিয়েছেন তেজ প্রতাপ। রঘুপুর থেকে লড়ছেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। ভোট গণনার শুরুতে আপাতত এগিয়ে রয়েছেন তেজস্বী। মহাগঠবন্ধনে আরজেডি ৫৭টি আসনে এগিয়ে থাকলেও কংগ্রেস মাত্র ৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

    কীভাবে চলছে গণনা

    বিহারের (Bihar Polls) ভোট গণনা সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনা চলছে এবং ৯টা থেকে ইভিএম গণনা শুরু হয়েছে। ভোট গণনার সময়, প্রতিটি গণনা হলে ১৪+১ টেবিলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ১৪টি টেবিলে ইভিএমের গণনা চলছে, আর একটি টেবিল সহকারী নির্বাচনী অফিসার পরিচালনা করছেন। প্রতিটি টেবিলে একজন কাউন্টিং সুপারভাইজার, একজন কাউন্টিং সহকারী এবং একজন মাইক্রো ওভসারভার রয়েছেন। ভোট গণনার ফলাফলের অফিসিয়াল তথ্য নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেখা যাবে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে বিহারে প্রথম দফায় ভোট দিয়েছেন ৬৫.০৮ শতাংশ এবং দ্বিতীয় দফায় ভোট দিয়েছেন ৬৮.৭৬ শতাংশ। দু’দফা মিলিয়ে বিহারে মোট ভোটদানের হার ৬৬.৯১ শতাংশ। যা গতবারের তুলনায় ৯.৬২ শতাংশ বেশি। অতীতে কখনই এই হারে বিহারের মানুষ ভোট দেননি। এর আগে বিহারে সবথেকে বেশি ভোট পড়েছিল ২০০০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে, ৬২.৫৭ শতাংশ। ১৯৯৮ সালের লোকসভা ভোটে বিহারে ভোট দিয়েছিলেন ৬৪.৬০ শতাংশ ভোটার। ঐতিহ্য বজায় রেখে এবারেও বিহারে পুরুষদের অনুপাতে মহিলারা বেশি সংখ্যায় ভোট দিয়েছেন। প্রায় ৭১.৬ শতাংশ।

  • Daily Horoscope 14 November 2025: ব্যবসায় লাভ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 14 November 2025: ব্যবসায় লাভ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি ব্যবসা থাকলে বিনিয়োগ করবেন না।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে জরুরি আলোচনা হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের সঙ্গে বিবাদে যাবেন না।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কর্কট

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মানসিক চাপ বৃদ্ধি।

    ২) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) সপরিবার ভ্রমণে বাধা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের চক্রান্তে সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    তুলা

    ১) মনে দুর্বুদ্ধির উদয় হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্র পরিবর্তনের সুযোগ।

    ২) আর্থিক উন্নতির জন্য খুব ভালো সময়।

    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান।

    মকর

    ১) বিষয়সম্পত্তি কেনাবেচা নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে বাড়িতে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য পরিবারে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) সখ পূরণ হবে।

    কুম্ভ

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথা নিয়ে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কিছু কেনার জন্য খরচ হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) সপরিবার ভ্রমণে যাওয়ার আলোচনা এখন বন্ধ রাখাই ভালো।

    ২) সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 508: “সাশ্রুনয়নে—আহা! পরমার্থের সংযোগ, ঈশ্বরের জন্য ব্যাকুল না হলে এইরূপ হয় না।”

    Ramakrishna 508: “সাশ্রুনয়নে—আহা! পরমার্থের সংযোগ, ঈশ্বরের জন্য ব্যাকুল না হলে এইরূপ হয় না।”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুলাই

    পূর্ণ, ছোট নরেন, গোপালের মা

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বলরামের বাড়ির বৈঠকখানায় ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। (৩০শে আষাঢ়, ১২৯২) আষাঢ় শুক্লা প্রতিপদ, সোমবার, ১৩ই জুলাই, ১৮৮৫, বেলা ৯টা।

    কল্য শ্রীশ্রীরথযাত্রা। রথে বলরাম ঠাকুরকে নিমন্ত্রণ করিয়া আনিয়াছেন। বাড়িতে শ্রীশ্রীজগন্নাথ-বিগ্রহের নিত্য সেবা হয়। একখানি ছোট রথও আছে,—রথের দিন রথ বাহিরের বারান্দায় টানা হইবে (Kathamrita)।

    ঠাকুর মাস্টারের সহিত কথা কহিতেছেন। কাছে নারাণ, তেজচন্দ্র, বলরাম ও অন্যান্য অনেক ভক্তেরা। পূর্ণ সম্বন্ধে কথা হইতেছে। পূর্ণের বয়স পনর হইবে। ঠাকুর মাস্টারের সহিত কথা কহিতেছেন। কাছে নারাণ, তেজচন্দ্র, বলরাম ও অন্যান্য অনেক ভক্তেরা। পূর্ণ সম্বন্ধে কথা হইতেছে। পূর্ণের বয়স পনর হইবে। ঠাকুর তাঁহাকে দেখিবার জন্য ব্যাকুল হইয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি) — আচ্ছা, সে (পূর্ণ) কোন পথ দিয়ে এসে দেখা করবে? — দ্বিজকে ও পূর্ণকে তুমিই মিলিয়ে দিও।

    “এক সত্তার আর এক বয়সের লোক, আমি মিলিয়ে দিই। এর মানে আছে। দুজনেরই উন্নতি হয়। পূর্ণর কেমন অনুরাগ দেখেছ।”

    মাস্টার—আজ্ঞা হাঁ, আমি ট্রামে করে যাচ্ছি, ছাদ থেকে আমাকে দেখে, রাস্তার দিকে দৌড়ে এল,—আর ব্যাকুল হয়ে সেইখান থেকেই নমস্কার করলে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সাশ্রুনয়নে—আহা! আহা!—কি না ইনি আমার পরমার্থের (পরমার্থলাভের জন্য) সংযোগ করে দিয়েছেন। ঈশ্বরের জন্য ব্যাকুল না হলে এইরূপ হয় না।

    পূর্ণের পুরুষত্তা, দৈবস্বভাব,—তপস্যার জোরে নারায়ণ সন্তান

    “এ তিনজনের পুরুষসত্তা—নরেন্দ্র, ছোট নরেন আর পূর্ণ। ভবনাথের নয়—ওর মেদী ভাব (প্রকৃতিভাব)।

    “পূর্ণর যে অবস্থা, এতে হয় শীঘ্র দেহনাশ হবে—ঈশ্বরলাভ হল, আর কেন;—বা কিছুদিনের মধ্যে তেড়েফুঁড়ে বেরুবে (Kathamrita)।

     

  • Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে নাম জড়াল আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ সিদ্দিকির

    Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে নাম জড়াল আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ সিদ্দিকির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণকাণ্ডে (Delhi Blast) এবার উঠে এল আরও একজনের নাম। তিনি ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Al Falah University) প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকি। বিস্ফোরণকাণ্ডে প্রধান তিন সন্দেহভাজনের মধ্যে রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জনও, একজন শাহিন সাঈদ এবং অন্যজন মুজাম্মিল শাকিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়ন নিয়ে আলাদাভাবে তদন্ত শুরু করেছে ইডি।

    প্রতারণার মামলায় নাম জড়িয়েছিল সিদ্দিকির (Delhi Blast)

    সূত্রের খবর, সিদ্দিকির বিস্তৃত কর্পোরেট নেটওয়ার্ক রয়েছে। ৭.৫ কোটি টাকার প্রতারণার একটি পুরানো মামলায় নাম জড়িয়েছিল সিদ্দিকি ও তাঁর এক সহযোগীর। তিন বছর জেলও খেটেছিলেন তাঁরা। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনি উপদেষ্টা মহম্মদ রাজি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, সিদ্দিকির বিরুদ্ধে সব প্রতারণার অভিযোগ, যার মধ্যে ৭.৫ কোটি টাকার মামলাটিও রয়েছে, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি জানান, শাকিলকে নিয়োগের বিষয়ে তাঁর কাছে কোনও তথ্য নেই। নতুন নিয়োগ ও যাচাই-বাছাই সম্পূর্ণভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব।

    ন’টি কোম্পানির বোর্ডে সিদ্দিকি!

    মধ্যপ্রদেশের মহৌতে জন্ম সিদ্দিকির। বর্তমানে (Delhi Blast) তিনি রয়েছেন ন’টি কোম্পানির বোর্ডে। এগুলি সবই আল-ফালাহ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত। এই সংস্থাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকলাপ তত্ত্বাবধান করে। এই ন’টি প্রতিষ্ঠান শিক্ষা, সফটওয়্যার, আর্থিক পরিষেবা এবং জ্বালানি খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত। যদিও এদের অধিকাংশেরই ঠিকানা একই, দিল্লির একটি ভবন। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বেশিরভাগই ২০১৯ সাল পর্যন্ত সক্রিয় ছিল। পরে সেগুলিতে ঝাঁপ পড়ে যায়। যদিও আল-ফালাহ মেডিক্যাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন সাফল্যের মুখ দেখে। এটি ১৯৯৭ সালে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসেবে পথ চলা শুরু করে। বর্তমানে ৭৮ একর জমির ওপর চলছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস।

    আল-ফালাহ ভবনটি আল-ফালাহ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অফিস হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের জেরে যে পুরানো ফৌজদারি মামলাটি ফের সামনে এসেছে, সেটি দায়ের করা হয়েছিল দিল্লির নিউ ফ্রেন্ডস কলোনি থানায়। অভিযোগকারীর দাবি, সিদ্দিকি ও তাঁর সহযোগীরা ভুয়ো বিনিয়োগ প্রকল্প চালু করেছিলেন। তাঁরা বিনিয়োগকারীদের আল-ফালাহ কোম্পানির আমানতে টাকা রাখতে রাজি করান। পরে জাল নথি তৈরি করে দেখানো হয় যে এই আমানতগুলি শেয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে (Al Falah University)। এভাবে সংগৃহীত ৭.৫ কোটি টাকার তহবিল অভিযুক্তদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয় (Delhi Blast)।

  • Sukanta Majumdar: “বিধানসভায় ফের ফিরে আসা চাইই চাই”, বিজেপি বিধায়কদের বার্তা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “বিধানসভায় ফের ফিরে আসা চাইই চাই”, বিজেপি বিধায়কদের বার্তা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে এসআইআর আবহে রাজনৈতিক উত্তাপ এখনই চরম শিখরে। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির বোঝা। অপর দিকে নারী নির্যাতন এবং ধর্ষণের ঘটনা পাল্লা দিয়ে রোজ বাড়ছে। চাকরি নেই কর্মস্থান নেই, নেই রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের ডিএ। সংখ্যালঘু তোষণ এবং হিন্দু নির্যাতণের মতো ঘটনা এই রাজ্যে অহরহ ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি বিধায়কদের ২০২৬ সালের বিধানসভায় ফের জিতে আসার বার্তা দিয়েছেন প্রাক্তন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁর সাফ কথা, “বিধানসভায় ফের ফিরে আসা চাইই চাই।”

    আরেকবার জয়ী হয়ে আসতে হবে (Sukanta Majumdar)

    বুধবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেখানে বিজেপি বিধায়কগণ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বৈঠক করেন। এখানে একদিকে বিভিন্ন এলাকার সমস্যা বিষয়ে যেমন কথা হয়, ঠিক একই ভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের কোন কোন সহযোগিতা প্রয়োজন তা নিয়েও বিধায়কদের মতামত জানতে চান সুকান্ত মজুমদার। হাতে মাত্র আর কয়েকটা মাস সময়, তাই সময়কে কাজে লাগিয়ে কীভাবে মানুষের বেশি বেশি সমর্থন নিয়ে আরেকবার বিধানসভায় জয়ী হয়ে আসা যায়, সেই বিষয়ে পরামর্শ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই বৈঠককে বিজয়া সম্মিলনী বলা হয়েছে।

    আপনারা দলের প্রকৃত সৈনিক

    এদিনের সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকারে বিজেপি বিধায়কদের সুকান্ত সাফ বার্তা দেন, “প্রত্যেকে বিজেপি বিধায়কদের আবারও ফিরে আসতে হবে। আপনাদের অনেকেই নানা প্রলোভন, চাপ, হুমকির মুখে থেকেও দল ছাড়েননি। আপনারা দলের প্রকৃত সৈনিক। আপনাদের সাহসের জন্যই সংগঠন টিকে আছে। আপনাদের অনেকেই নানা প্রলোভন, চাপ, হুমকির মুখে থেকেও দল ছাড়েননি। আপনারা দলের প্রকৃত সৈনিক। আপনাদের সাহসের জন্যই সংগঠন টিকে আছে।” এদিন ঠিক ১২ টা নাগাদ বিধানসভায় আসেন সুকান্ত। উল্লেখ্য রাজ্য বিধানসভায় নিজে বিজেপির রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন সময়েও এসেছলেন। নানা সময়ে বিধায়ক এবং কর্মীদের মনে সাহস জুগিয়েছেন। তবে সুকান্তর আসাকে ঘিরে বিজেপি বিধায়কদের ঘিরে প্রস্তুতি ছিল দেখার মতো। ফটকের বাইরে স্বাগত পোস্ট ঝোলানো হয়েছিল। বেশিরভাগ বিধায়ক এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধানসভায়। একইভাবে উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ২০২১ সালে বিজেপির জয়ী বিধায়ক সংখ্যা ছিল ৭৭। এখন কমে দাঁড়িয়েছে ৬৫। আর সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তাই বিধানসভা স্তরে দলের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে এই বিশেষ বৈঠক হয়েছে বলে মনে করছেন ওয়াকি বহাল মহল।

LinkedIn
Share