Tag: bangla news

bangla news

  • India first Solar Festival: জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যয় কমাতে এ বছরেই দেশে অনুষ্ঠিত হবে সৌর উৎসব!

    India first Solar Festival: জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যয় কমাতে এ বছরেই দেশে অনুষ্ঠিত হবে সৌর উৎসব!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম ভারতের মাটিতে পালন করা হবে সোলার ফেস্টিভ্যাল (India first Solar Festival)। সোমবার ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স নয়াদিল্লিতে (New Delhi) ঘোষণা করে জানিয়েছে যে, ভারত এই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম আন্তর্জাতিক সৌর উৎসবের আয়োজন করতে চলেছে। মূলত সারা পৃথিবী ব্যাপী চাহিদা মেটাতে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমাতে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি সেক্টরকে উন্নত করার লক্ষ্যে নয়াদিল্লিতে আন্তর্জাতিক এই সৌর উৎসব শুরু হবে।   

    বিভিন্ন রাজ্যে সৌর সিস্টেম ইনস্টলেশনের প্রস্তাবনা (India first Solar Festival)

    ইতিমধ্যেই ভারত সরকার বেশ কয়েকটি রাজ্যে সৌর সিস্টেম ইনস্টলেশনের জন্য বিশাল ভর্তুকিও অফার করছে। জানা গিয়েছে এই সৌর সিস্টেম ইনস্টলেশনের পর প্রতিটি পরিবার তাদের গড় বিদ্যুতের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে পারবে। দিল্লির (New Delhi) এই সৌর উৎসবে আফ্রিকা মহাদেশ ও পশ্চিমের দেশগুলি সহ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক, জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাঙ্ক এবং অন্যান্য সংস্থাগুলি আর্থিক সহায়তা দেবে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের ‘তোলাবাজি’-তেই বন্ধ হল তারাতলার ব্রিটানিয়া! অভিযোগ বিজেপির  

    কেন এই সিদ্ধান্ত? 

    এ প্রসঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্সের ডিরেক্টর জেনারেল ড: অজয় ​​মাথুর বলেছেন যে, “বিশ্বব্যাপী সবুজ শক্তি সেক্টরের ক্ষমতায়নের সমস্ত সম্ভাবনা অন্বেষণ করার জন্য সমস্ত স্টেকহোল্ডারকে এক প্ল্যাটফর্মে (India first Solar Festival) একত্রিত করার লক্ষ্যে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। কারণ সৌর বিদ্যুৎ হল দ্রুততম উদীয়মান শক্তিগুলির মধ্যে একটি। ফলে আন্তর্জাতিক সৌর উৎসবের এই অনুষ্ঠানে এলে সকলেরই এই বিষয়ে চিন্তাভাবনা করার সুযোগ তৈরি হবে।  
    জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর বিরূপ প্রভাব এখন বিশ্বজুড়ে দৃশ্যমান। ফলে ভারতের পাশাপাশি জি২০ (G20)-এর মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলি বর্তমানে জীবাশ্ম জ্বালানীর (fossil fuels) উপর নির্ভরতা কমাতে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিতে স্যুইচ করার কথা ভাবছে। 
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 57: “সে শিব শিব বলে জল তুলে দিলে, অমন আচারী ব্রাহ্মণ সেই জল খেলে!”

    Ramakrishna 57: “সে শিব শিব বলে জল তুলে দিলে, অমন আচারী ব্রাহ্মণ সেই জল খেলে!”

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    পূর্বকথা—শ্রীরামকৃষ্ণের প্রথম প্রেমোন্মাদ কথা—১৮৫৮

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) নরেন্দ্রাদি ভক্তের প্রতি—আমার এই অবস্থার পর কেবল ঈশ্বরের কথা শুনিবার জন্য ব্যাকুলতা হত। কোথায় ভগবত, কোথায় আধাত্ম্য, কোথায় মহাভারত খুঁজে বেড়াতাম। এঁড়েদার কৃষ্ণকিশোরের কাছে আধ্যাত্ম শুনতে যেতাম।

    কৃষ্ণকিশোরের কি বিশ্বাস! বৃন্দাবনে গিছিল, সেখানে একদিন জলতৃষ্ণা পেয়েছিল। কুয়ার কাছে গিয়ে দেখে, একজন দাঁড়িয়ে রয়েছে। জিজ্ঞাসা করাতে সে বললে, আমি নীচ জাতি, আপনি ব্রাহ্মণ; কেমন করে আপনার জল তুলে দেব? কৃষ্ণকিশোর বললে, তুই বল শিব। শিব শিব বললেই তুই শুদ্ধ হয়ে যাবি। সে শিব শিব বলে জল তুলে দিলে। অমন আচারী ব্রাহ্মণ সেই জল খেলে! কি বিশ্বাস!

    এঁড়েদার ঘাটে একটি সাধু এসেছিল। আমরা একদিন দেখতে যাব ভাবলুম। আমি কালীবাড়িতে হলধারীকে বললাম, কৃষ্ণকিশোর আর আমি সাধু দেখতে যাব। তুমি যাবে? হলধারী বললে, একটা মাটির খাঁচা দেখতে গিয়ে কি হবে? হলধারী গীতা-বেদান্ত পড়ে কি না! তাই সাধুকে বললে মাটির খাঁচা। কৃষ্ণকিশোরকে গিয়ে আমি ওই-কথা বললাম। সে মহা রেগে গেল। আর বললে, কি! হলধারী এমন কথা বলেছে? যে ঈশ্বর (Ramakrishna) চিন্তা করে, যে রাম চিন্তা করে, আর সেইজন্য সর্বত্যাগ করেছে, তার দেহ মাটির খাঁচা। সে জানে না যে, ভক্তের দেহ চিন্ময়। এত রাগ-কালীবাড়িতে ফুল তুলতে আসত, হলধারীর সঙ্গে দেখা হলে মুখ ফিরিয়ে নিত! কথা কইবে না!

    আমায় বলেছিল, পৈতেটা ফেললে কেন? যখন আমার এই অবস্থা হল, তখন আশ্বিনের ঝড়ের মতো একটা কি এসে কোথায় কি উড়িয়ে লয়ে গেল! আগেকার চিহ্ন কিছুই রইল না। হুঁশ নাই! কাপড় পড়ে যাচ্ছে, তা পৈতে থাকবে কেমন করে! আমি বললাম, তোমার একবার উন্মাদ হয়, তাহলে তুমি বোঝ!

    হনুমান বললে, “ভাই, আমি বার তিথি নক্ষত্র—এসব কিছুই জানি না, আমি এক ‘রাম’ চিন্তা করি”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

    আরও পড়ুনঃ “সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়, তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়”

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET Scam: লক্ষ্য ৩০০ কোটি আয়, বাছা হয়েছিল ৭০০ পরীক্ষার্থীকে! নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে দাবি এক মাফিয়ার

    NEET Scam: লক্ষ্য ৩০০ কোটি আয়, বাছা হয়েছিল ৭০০ পরীক্ষার্থীকে! নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে দাবি এক মাফিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট-ইউজি ২০২৪ (NEET Scam) পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস (NEET Paper Leak) করে ৩০০ কোটি টাকা রোজগারের লক্ষ্য ছিল। এর জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল ৭০০ পরীক্ষার্থীকে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তি সম্প্রতি এমনই দাবি করলেন। বিজেন্দর গুপ্তা নামে মাফিয়া চক্রের ওই পান্ডা এখনও পর্যন্ত ধৃত এবং পালিয়ে বেড়ানো সকলকেই চেনেন-জানেন। ইন্ডিয়া টুডে-র বিশেষ তদন্তকারী দলকে এই কথা জানিয়েছেন বিজেন্দর। 

    কে এই বিজেন্দর

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজেন্দর নিজে একাধিক প্রশ্ন ফাঁস কাণ্ডে জড়িত ও অভিযুক্ত। পুলিশ দুবার তাঁকে গ্রেফতার করলেও আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে গিয়েছেন সহজেই। ২০২৩ সালে ওড়িশা স্টাফ সিলেকশন কমিশন, বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং মধ্যপ্রদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বিজেন্দরের বিরুদ্ধে। এই কাজে তাঁর ২৪ বছরে অভিজ্ঞতা রয়েছে। গত মার্চ মাস থেকে তাঁর একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। তাতে বলা ছিল নিট-ইউজির প্রশ্ন ফাঁস হতে পারে। ঘটনাচক্রে দেখা গিয়েছে, নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। যা নিয়ে গোটা দেশ তোলপাড়। 

    আরও পড়ুন: দোষ কবুল! ব্রিটেনের জেল থেকে মুক্ত উইকিলিক্‌‌স প্রধান অ্যাসাঞ্জ, এবার কি আমেরিকার পথে?

    কীভাবে ফাঁস হল প্রশ্ন

    প্রশ্ন ফাঁসের (NEET Paper Leak) জন্য একাধিক পদ্ধতি বা কৌশল ব্যবহার করা হয়। বিজেন্দর উদাহরণ দিয়ে বলেন, সরকারের ক্ষমতাশালী লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকতে হবে। ছাপাখানার সঙ্গে যোগসাজশ থাকতে হবে। বিজেন্দর জানান, এই ব্যবসায় নেটওয়ার্কই হল সবথেকে বড় হাতিয়ার। গোপন ক্যামেরার সামনে অকপট বিজেন্দর আরও জানান, কীভাবে প্রশ্ন পাঠানোর সময় তা বাক্স থেকে বের করা হয়। কালো তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলি কীভাবে টেন্ডার হাতে পায়। নিট প্রশ্ন ফাঁস কাণ্ডে মুখ্য অভিযুক্ত সঞ্জীব মুখিয়া এবং ধৃত বিশাল চৌরাসিয়াকেও চেনেন বলে জানান বিজেন্দর। ইন্ডিয়া টুডে-র কাছে বিজেন্দর দাবি করেছেন, নিটের (NEET Scam) প্রশ্ন ফাঁস করে ২০০-৩০০ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য ছিল চক্রীদের। এর জন্য বাছা হয়েছিল ৭০০ পরীক্ষার্থীকে। তিনি বলেন, “দিল্লি এবং পটনায় ৩০০ পরীক্ষার্থী ছিলেন। আরও কয়েক জায়গায় বাকি পরীক্ষার্থী। তাঁদের কাছে বিভিন্ন দলে ভাগ করে লোক পাঠানো হয়েছিল।” তাঁর দাবি, প্রশ্নপত্র পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে পৌঁছনোর আগে রাস্তাতেই কিছু প্রশ্ন সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। যে গাড়ি করে প্রশ্নপত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেখান থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttarpara TMC: উত্তরপাড়ায় দীর্ঘ দিন দেখা নেই তৃণমূল বিধায়কের, চর্চায় কাঞ্চন মল্লিক

    Uttarpara TMC: উত্তরপাড়ায় দীর্ঘ দিন দেখা নেই তৃণমূল বিধায়কের, চর্চায় কাঞ্চন মল্লিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির উত্তরপাড়া এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে তৃণমূল বিধায়কের দেখা নেই। ২০২১ সালে ভোটে জেতার পর থেকেই অনুপস্থিত নিজের কেন্দ্রে। ঠিক এমনটাই অভিযোগ উঠেছে এলাকাবাসীর। একই সঙ্গে দলের (Uttarpara TMC) অন্দরেও প্রশ্ন উঠেছে। আর এই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করতেই বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক ভীষণ ভাবে রেগে লাল হয়ে গেলেন।

    গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়েছিলেন কল্যাণ (Uttarpara TMC)

    উল্লেখ্য লোকসভার ভোটে প্রচারের সময় এই কাঞ্চন মল্লিককে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়েছিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল। ঘটনা ঘটেছিল কোন্নগরের নবগ্রামে। এরপর থেকেই তাঁকে আর দেখা যায়নি এলাকায়। এখন তাঁকে চোখে দেখতে না পেয়ে এবং অনুপস্থিতিতে দলের (Uttarpara TMC) কর্মীদের মধ্যে বিরাট চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    কী বললেন কাঞ্চন?

    তৃণমূল বিধায়ক (Uttarpara TMC) কাঞ্চন মল্লিকের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করলে নিজে বলেন, “মান-অভিমান সব অতীত। ওই সব কোনও বিষয় নয়। এখন আউটডোর শ্যুটিং নিয়ে বিশেষ ব্যস্ততায় রয়েছি। আমি কি প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে অফিস করব?” তবে তৃণমূলের সূত্রে খবর, বিধায়ক হয়ে উত্তরপাড়া এবং কোন্নগরে একাধিক কার্যালয় খুলেছেন। কিন্তু সবসময় না হলেও মাঝে মাঝে বসতেন। কিন্তু বেশকিছুদিন ধরে তাঁকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। লোকসভায় চতুর্থবার জয়ী হওয়ার পর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজয় মিছিলেও তাঁকে দেখা যায়নি সেখানে। ফলে দলের কর্মীদের মনেও যা প্রশ্ন, সাধারণ মানুষের মনেও তাই।

    আরও পড়ুনঃ হিমাচলের শৃঙ্গে বরফে ‘দানবাকৃতি’ পায়ের ছাপ! পর্বত আরোহীদের অদ্ভুত অভিজ্ঞতা

    তৃণমূল সভাপতির বক্তব্য

    উত্তরপাড়া শহরের তৃণমূল (Uttarpara TMC) সভাপতি ইন্দ্রজিৎ ঘোষ বলেছেন, “মাখলায় আমাদের ক্লাবের অফিসে বিধায়ক বসেন। মুম্বইয়ের একটি শ্যুটিং-এর কাজে একমাস ব্যস্ত রয়েছেন। ফলে সময় দিতে পারছেন না। তবে তাঁর সেক্রেটারি নিয়মিত অফিসে আসেন। মানুষের কাজের সুবিধার জন্য আগাম কাগজে সই করে দিয়ে গিয়েছেন। পরিষেবা পেতে যাতে অসুবিধা না হয়, সেই দিকটা আমরা নজরে রেখেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: পার্টি অফিসে মদের আসর! তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালালেন মহিলারা

    Jalpaiguri: পার্টি অফিসে মদের আসর! তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালালেন মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের পার্টি অফিসে মদের আসর বসত। এনিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভ ছিল। মদের আসর বসার প্রতিবাদে এবার সেই পার্টি অফিসে তালা ভেঙে ঢুকে ভাঙচুর চালালেন স্থানীয় মহিলারা। চা়ঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) পুরসভা এলাকায়। এই ঘটনার খবর পেয়ে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ইতিমধ্যেই হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    ঠি কী ঘটনা ঘটেছে? (Jalpaiguri)

    সম্প্রতি তৃণমূলের ওই পার্টি অফিস (Jalpaiguri) থেকে কেউ বা কারা স্থানীয় এক যুবককে মদ আনতে বলেন। পাটি অফিসে মদের আসর বসেছিল। ওই যুবক বাইক নিয়ে মদ আনতে যান। এরপর পথ দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। ফলে, এলাকাবাসীর সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ে তৃণমূলের পার্টি অফিসের ওপর। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর বেশ কিছু এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে সোমবার রাতে তৃণমূল কার্যালয়ে যায়। পার্টি অফিস তালা মারা থাকায় ইট দিয়ে তালা ভেঙে দেয়। এরপর ক্ষিপ্ত জনতা ভাঙচুর চালায় পার্টি অফিসে। খবর পেয়ে এলাকায় আসে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ। কথা বলেন স্থানীয় কাউন্সিলরের সঙ্গে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, পার্টি অফিসে মদের আসর বসে। নেতাদের কোনও নজরদারি নেই। এতে এলাকায় খুব খারাপ বার্তা যাচ্ছে। তাই, পার্টি অফিসে এলাকার মানুষ চড়াও হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে গরু পাচারে বাধা, বিএসএফের ওপর পাচারকারীদের হামলা, চলল গুলি

    তৃণমূল কাউন্সিলর কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল কাউন্সিলর স্বরুপ মণ্ডল বলেন, “সোমবার রাতে কিছু দুষ্কৃতী আমাদের দলীয় কার্যালয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। এরা কারা তাঁদের আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছি। পাশাপাশি পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবেই হামলা চালানো হয়েছে। মদের আসর বসার অভিযোগ ঠিক নয়। আমরা দলগতভাবে বিষয়টি দেখছি। পরে, এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mountaineer: হিমাচলের শৃঙ্গে বরফে ‘দানবাকৃতি’ পায়ের ছাপ! পর্বত আরোহীদের অদ্ভুত অভিজ্ঞতা

    Mountaineer: হিমাচলের শৃঙ্গে বরফে ‘দানবাকৃতি’ পায়ের ছাপ! পর্বত আরোহীদের অদ্ভুত অভিজ্ঞতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গল্পের বইতে ইয়েতি-র কথা অনেকেই শুনেছেন। দানবাকৃতি, অনেকটা গেরিলার মতো দেখতে। তুষারমানব নামেও পরিচিত। তবে বাস্তবে তার অস্তিত্ব রয়েছে কিনা এই নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে কয়েক জন বাঙালি হিমাচলে পর্বতে আরোহণ (Mountaineer) করতে গিয়ে এই দানবের পায়ের ছাপ দেখে জল্পনা উস্কে দিয়েছেন। রীতিমতো দানবাকৃতি পায়ের ছাপ দেখেছেন তাঁরা।

    পর্বত আরোহীর বক্তব্য

    পর্বত আরোহীদের (Mountaineer) সদস্য দেবাশিষ বিশ্বাস বলেছেন, “দেওটিব্বা অভিযানে ক্যাম্প ওয়ান থেকে ক্যাম্প টু-তে যাওয়ার সময় আমরা বরফের উপর অদ্ভুত পায়ের ছাপ দেখতে পাই। তবে অভিযাত্রীদের মধ্যে কেউ বুঝতে পারছিলেন না ঠিক কিসের এই পায়ের ছাপ। তবে পায়ের ছাপগুলি বেশ লম্বা। প্রায় সাড়ে ছয় ইঞ্চি চওড়া, বরফের উপর দিয়ে ক্রমেই এগিয়ে গিয়েছে উপরের দিকে। আমি ছাপগুলিকে ক্যামেরায় বন্দি করেছি। শেরপাকে প্রশ্ন করতে তারা জানায় এই ছাপ ভালুকের। কিন্তু তাদের মুখের কথা এবং হাবেভাবে বোঝা গিয়েছে, দৃঢ় বিশ্বাস ছাপ নিছক ভালুকের নয়। এটি ইয়েতির পায়ের ছাপ! ওত উপরে গাছপালা নেই, ফলের খোঁজও নেই। ভালুক কীভাবে থাকবে? তাছাড়া পায়ের ছাপের সঙ্গে ভালুকের পায়ের ছাপের তেমন মিল নেই। তবে দেওটিব্বা এবং ইন্দ্রাসন আরোহন সেরে ফেরার সময় এই ছাপ তুষারপাতের কারণে আর দেখা যায়নি।”

    আরও পড়ুনঃ খড়্গপুর ডিভিশনে টানা ১০ দিন তিনশোর বেশি ট্রেন বাতিল, ঘোষণা রেলের

    ১২ জনের দল ছিল (Mountaineer)

    হাওড়া ডিস্ট্রিক্ট মাউন্টেনার্স এন্ড ট্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশন’ ও ‘হিমালয়ান অ্যাসোসিয়েশন’-এর যৌথ উদ্যোগে হিমাচলপ্রদেশের ইন্দ্রাসন শৃঙ্গ (৬২২১ মিটার) ও পড়শি দেওটিব্বা (৬০০১ মিটার) শৃঙ্গে অভিযান চালাতে গিয়েছিল দু’টি অভিযাত্রী দল। তাঁদের বিশেষ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এভারেস্টজয়ী (Mountaineer) মলয় মুখোপাধ্যায় এবং দেবাশিষ বিশ্বাস। হিমাচলের পীরপঞ্চাল হিমালয়ের সবচেয়ে কঠিন শৃঙ্গ ইন্দ্রাসন বরাবর পর্বতারোহীদের পছন্দের জায়গা। পথ অত্যন্ত বিপজ্জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এই বাধাকে অতিক্রম করে হাওড়ার ১২ জনের দলকে নিয়ে হিমাচলে গিয়েছিলেন মলয়। গত ১৫ জুন সকালে মলইয়-সহ দলের ৯জন সদস্য ডেওটিব্বার শীর্ষে পৌঁছে ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Russia Terrorist Attack: রাশিয়ার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে জঙ্গি হামলা, মৃত কমপক্ষে ১৯

    Russia Terrorist Attack: রাশিয়ার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে জঙ্গি হামলা, মৃত কমপক্ষে ১৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দাগেস্তান অঞ্চলে দুটি সিনাগগ (ইহুদি উপাসনালয়), দুটি গির্জা এবং একটি পুলিশ চৌকিতে জঙ্গিরা হামলা চালিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ডারবেন্ট এবং মাখাচকালা শহরে এই প্রাণঘাতী হামলায় ১৫ জনেরও বেশি পুলিশ অফিসার এবং ৪ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন নিকোলাই কোটেলনিকভ নামে পাদরি, জঙ্গিরা তাঁকে নির্মমভাবে গলার নলি কেটে হত্যা করেছে। তিন মাসের মধ্যে এটি দ্বিতীয় বড় জঙ্গি হামলা।

    আধিকারিকদের বক্তব্য

    দাগেস্তান পাবলিক মনিটরিং কমিশনের চেয়ারম্যান, শামিল খাদুলায়েভ বলেন , “আমি যে তথ্য পেয়েছি তা হল ফাদার নিকোলেকে ডারবেন্টের চার্চের ভিতরে হত্যা করা হয়। জঙ্গিরা তাঁর গলা কেটে ফেলে। তিনি ৬৬ বছর বয়সী এবং খুব অসুস্থ ছিলেন। দেশের সন্ত্রাসবিরোধী কমিটির তথ্য অনুযায়ী, মোট ৫ জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। উল্লেখ্য, জঙ্গিরা বন্দুক ও মোলোটভ ককটেল নিয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা করে। ককটেল বোমা ছোড়ার পর তাঁরা নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে। রাস্তায় সাধারণ মানুষের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়।

    হামলার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায় যে ডারবেন্টে অবস্থিত একটি সিনাগগ সন্ত্রাসীরা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। মাখাচকালায় একটি সিনাগগ এবং একটি পুলিশ ট্রাফিক পোস্টও হামলার শিকার হয়।

    দাগেস্তানের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে উপাসনালয়গুলোকে টার্গেট করার নিন্দা জানিয়েছে ইজরায়েল। দেশটির বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, “ডারবেন্টের সিনাগগে আগুন লাগিয়ে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিহত হয়েছেন স্থানীয় রক্ষীরা।”

    দাগেস্তানে তিন দিনের শোক পালন

    জানা গিয়েছে, হামলার সময় উপাসনালয়ে কোনও উপাসক ছিল না এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের কোনও হতাহতের ঘটনাও জানা যায়নি। রাশিয়া সোমবার (২৩ জুন) থেকে এই অঞ্চলে ৩ দিনের শোক ঘোষণা করেছে। রাশিয়ান ফেডারেশনের ক্রিমিনাল কোডের অধীনে জঙ্গি হামলার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। জঙ্গি হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। সোমবার দাগেস্তানের গভর্নর সের্গেই মেলিকভ ভিডিও বার্তায় বলেছেন, দাগেস্তান ও পুরো দেশের জন্য এটা খুবই দুঃখের দিন। আমরা বুঝতে পারছি, এসব সন্ত্রাসী হামলার পেছনে কোন

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানের খাইবারে সেনার উপর জঙ্গি হামলা, মৃত পাঁচ জওয়ান

    সংগঠন জড়িত এবং তারা কোনও নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে হামলা চালিয়েছে। যদিও দায়ী হিসেবে কোনও সংগঠন বা ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি সের্গেই মেলিকভ।” প্রসঙ্গত মার্চ মাসে একটি সঙ্গীতের অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। সেবার হামলাত দায় নিয়েছিল আইসিস খুরাসান। সেই হামলায় ১৩০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। তিন মাসের মধ্যে ফের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে হামলা মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে উঠেছে পুতিন প্রশাসনের।  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malnutrition: কোন ভাবনা বাড়াচ্ছে অপুষ্টি? কী বলছে ইউনিসেফের সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    Malnutrition: কোন ভাবনা বাড়াচ্ছে অপুষ্টি? কী বলছে ইউনিসেফের সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারতে বাড়ছে অপুষ্টি! ইউনিসেফের সাম্প্রতিক রিপোর্ট (UNICEF’s latest report) অনুযায়ী, ভারতে প্রতি চার জনের মধ্যে একজন শিশু অপুষ্টিতে (Malnutrition) ভুগছে। আর সেই সঙ্গে বাড়ছে অপুষ্টিজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা। পাশপাশি লিভার, পাকস্থলীর নানান রোগের প্রকোপও বাড়ছে। বিশেষত খুব কম বয়স থেকেই তাই নানান স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে। শিশুদের বিকাশেও তার প্রভাব পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হচ্ছে না। আর তার জেরেই সমস্যা বাড়ছে।

    কেন বাড়ছে অপুষ্টি? (Malnutrition)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ পরিবারেই ‘কিছু একটা খেয়ে নিলেই হবে’ এই মনোভাব দেখা দিচ্ছে। অনেকেই সুষম আহার কিংবা পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না। আর তার থেকেই বিপত্তি। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সকালের জলখাবার কিংবা সন্ধ্যার খাবারে অধিকাংশ সময়েই বাইরের চটজলদি খাবার খাওয়া হচ্ছে (Malnutrition)। তরুণ প্রজন্মের একাংশ কলেজে যাওয়ার পরে প্রথম ব্রেকফাস্ট করছে। আবার স্কুল পড়ুয়ার টিফিনেও থাকছে নানা রকমের ভাজা কিংবা প্যাকেটজাত খাবার। এই ধরনের খাবারে অধিকাংশ সময়েই কোনও পুষ্টিগুণ থাকে না। ফলে পেট ভরলেও পুষ্টি পাচ্ছে না‌। এর জেরেই বাড়ছে‌ বিপদ। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোট থেকেই বাইরের নানান প্রিজারভেটিভ খাবারে শিশুরা অভ্যস্থ হয়ে পড়ছে। নানান মাংসের পদ প্রিজারভেটিভ করে খাওয়ার চল বেড়েছে। এর জেরে শরীরে নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সুষম আহারের ধারণা অধিকাংশ পরিবারেই নেই। তাই শিশুদের মধ্যেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস তৈরি হচ্ছে না। এর জেরেই স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ছে।

    কোন বিপদ হতে পারে? (Malnutrition)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন অপুষ্টি শরীরে একাধিক রোগ তৈরি করে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে। ফলে নানান সংক্রামক রোগের প্রকোপ বাড়ে। ইনফ্লুয়েঞ্জা কিংবা পক্স, যে কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। পাশপাশি বিকাশেও সমস্যা দেখা যায়। মস্তিষ্কের বিকাশ ঠিকমতো হয় না‌। সর্বদাই ক্লান্তি অনুভব হয়। এছাড়া, হাড় ও পেশিতেও নানান সমস্যা দেখা দেয়। হাড়ে নানান রোগ হতে পারে। পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। পাকস্থলী ও লিভারেও অপুষ্টির জন্য নানান রোগ হতে পারে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? (Malnutrition)

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সকালের জলখাবার কিংবা রাতের খাবারের সময় নির্দিষ্ট করা সবচেয়ে জরুরি। পুষ্টি সুনিশ্চিত করতে সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস প্রাথমিক শর্ত। সকালের জলখাবার দুধ, ফল কিংবা রুটি থাকা জরুরি। তেলেভাজা খাবার সকালে একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। রাতে দীর্ঘ সময় না খাওয়ার জেরে পাকস্থলী খালি থাকে। তাই সকালের প্রথম খাবার তেলেভাজা হলে, তা হজমের সমস্যা তৈরি করে‌। দুপুরের খাবারে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিন ও ফ্যাটের পরিমাণ ঠিকমতো থাকা জরুরি। অর্থাৎ ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে ডাল, সবজি এবং মাছের মতো পদ থাকতে হবে (Malnutrition)। শিশু বয়স থেকেই সবজি, ডাল খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। না হলে শরীরের সবরকম চাহিদা মিটবে না। রাতের খাবার ন’টা থেকে সাড়ে ন’টার মধ্যে শেষ করা জরুরি। হালকা খাবার যেমন স্ট্রু, তার সঙ্গে রুটি কিংবা ডাল আর সবজি এই জাতীয় খাবার মেনুতে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, সহজেই হজম হবে, এমন খাবার খাওয়া জরুরি। পাশাপাশি মাছ-মাংসের সঙ্গে সবজি যেন সমান ভাবেই খাওয়া হয়, সে দিকে নজর রাখতে হবে। তবেই শরীরে ঠিকমতো পুষ্টি পাবে‌। তেলে ভাজা খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। যা হোক খেয়ে পেট ভরানো নয়। বরং পুষ্টিকর খাবার পর্যাপ্ত খাওয়া হচ্ছে কিনা সে দিকে নজরদারি জরুরি। তবেই একাধিক রোগ প্রতিরোধ করা সহজ হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Britannia Factory Closed: তৃণমূলের ‘তোলাবাজি’-তেই বন্ধ হল তারাতলার ব্রিটানিয়া! অভিযোগ বিজেপির

    Britannia Factory Closed: তৃণমূলের ‘তোলাবাজি’-তেই বন্ধ হল তারাতলার ব্রিটানিয়া! অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার স্বাদে ও আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে ব্রিটানিয়া বিস্কুট। আর সেই আবেগে আঘাত পড়ল সোমবার। তারাতলায় প্রোডাকশন বন্ধ হয়ে গেল ব্রিটানিয়া কোম্পানির (Britannia Factory Closed)। সূত্রের খবর, কোম্পানিতে স্থায়ী কর্মী ছিলেন ১২২ জন এবং অস্থায়ী কর্মী ছিলেন ২৫০ জন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে ২০১১ সালের পরে এই নিয়ে মোট ১৫টি কারখানা বন্ধ হল তারাতলা শিল্পাঞ্চলে। 

    বিজেপির অভিযোগ (BJP blames on TMC) 

    কারখানা বন্ধের এই ঘটনায় তৃণমূলের তোলাবাজিকেই সরাসরি দায়ী করছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মলব্য তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে বলেছেন, “আজকের ব্রিটানিয়া ইন্ডাস্ট্রিজের কারখানার বন্ধ (Britannia Factory Closed) হয়ে যাওয়া বাংলার একসময়ের গভীর বিশৃঙ্খলার প্রতিফলন।” একইসঙ্গে কারখানা বন্ধের জন্য বাম শাসন আমলে সিপিআই(এম) এর ‘ইউনিয়নবাজি’ এবং টিএমসির ‘তোলাবাজি’ (চাঁদাবাজি) এর সম্মিলিত প্রভাবকে দায়ী করেছেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত, বাংলার ভাগ্য এখন ‘ইউনিয়নবাজি’ এবং ‘তোলাবাজি’র জোড়া অভিশাপে আটকে পড়েছে। এখন একটাই প্রশ্ন, এই অভিশাপ থেকে কবে মুক্তি পাবে বাংলা?” 

    অন্যদিকে অমিত মালব্যর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (BJP blames on TMC) বলছেন, ”এমন একটি দল, যারা সারাক্ষণ তোলাবাজি করে, তাদের উপস্থিতিতে সেখানে শিল্প আসবে না।  মুখ্যমন্ত্রীরও শিল্প-বিরোধী ভাবমূর্তি রয়েছে।”
    যদিও বিজেপির এই আক্রমণের পাল্টা আঘাত হেনে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলছেন, ”সংশ্লিষ্ট সংস্থার ম্যানেজমেন্টের নিজস্ব সমস্যা রয়েছে। যারা এটিকে রাজ্যের সামগ্রিক শিল্প পরিস্থিতির সঙ্গে মেশাচ্ছেন, তাঁরা ভুল করছেন।” 

    আরও পড়ুন: ধর্মের ভিত্তিতে ভোটদান! লোকসভা ভোটে বিরাট ভূমিকায় মুসলিম ভোটারেরা

    কর্মীদের অভিযোগ 

    অস্থায়ী কর্মীদের অভিযোগ, ২০০৪ সাল থেকে যে আড়াইশো জন অস্থায়ী কর্মী কাজ করছিলেন তাঁদেরকে কোম্পানি কোনও টাকাপয়সা না দিয়ে এই কোম্পানি বন্ধ (Britannia Factory Closed) করে দিয়েছে। তবে জানা গিয়েছে, স্থায়ী কর্মী যাঁরা ১০ বছরের উপরে চাকরি করছেন, তাঁদের এক এক জনকে ২২ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিয়েছে কোম্পানি। ছয় থেকে দশ বছরের নিচে যাঁরা চাকরি করেছেন তাঁদেরকে ১৮ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা দিয়েছে কোম্পানি। এর নিচে যাঁরা চাকরি করেছেন তাঁদেরকে ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা করে দিয়েছে কোম্পানি। কিন্তু অস্থায়ী কর্মীদের কোনও টাকা পয়সা এখনও পর্যন্ত দেয়নি কোম্পানি বলেই অভিযোগ। 
    কিন্তু কী কারণে কলকাতার (Kolkata) একমাত্র ব্রিটানিয়া কারখানা বন্ধ হয়ে গেল? ব্যবসায় মন্দা? নাকি শ্রমিক সমস্যা? এনিয়ে কর্তৃপক্ষের তরফে কিছু জানানো হয়নি। তবে ব্যবসায়িক দিক থেকে কোনও সমস্যা হয়নি বলেই মত শ্রমিকদের একাংশের। এখনও বঙ্গে ব্রিটানিয়ার খাদ্যসামগ্রী বিক্রিতে অন্য যে কোনও সংস্থার চেয়ে যথেষ্ট এগিয়ে। তবে কেন বন্ধ হল কারখানা (Britannia Factory Closed) সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: শ্মশানেও কাটমানি খেয়েছে তৃণমূল! গেটে তালা ঝুলিয়ে সরব বিজেপি কর্মীরা

    Balurghat: শ্মশানেও কাটমানি খেয়েছে তৃণমূল! গেটে তালা ঝুলিয়ে সরব বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্মশানেও কাটমানি খেয়েছে তৃণমূল। এমন অভিযোগে বালুরঘাট (Balurghat) খিদিরপুর শ্মশানে বৈদ্যুতিক  চুল্লির গেটের সামনে প্রতীকী তালা মেরে বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি। মূলত, তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট পুরসভার বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভ উগরে দেন। জানা গিয়েছে, লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে মেরামতি করার পরও ফের অকেজো হয়ে গিয়েছে শ্মশানের চুল্লি।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Balurghat)

    জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে প্রায় ১ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে বৈদ্যুতিক চুল্লিটি তৈরি করা হয়। অভিযোগ, চুল্লি তৈরি করার পর থেকেই দুটি চুল্লি বিকল হয়ে যায়। পুরসভা থেকে একটি চুল্লি সংস্কার করলেও তা বিকল হয়ে যায়। গত ৯ মাস ধরে বৈদ্যুতিক চুল্লিটি বিকল হয়ে পড়েছিল। বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভা থেকে খিদিরপুর শ্মশানে ইলেকট্রিক চুল্লি গঠনগত ত্রুটি সারিয়ে তোলার জন্য ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে কাজ শুরু হয়েছিল।পরে, চুল্লিটি চালু হওয়ার পর ফের বিকল হয়ে পড়ে। চলতি  মাসের ১২ তারিখ ৩৬ লক্ষ টাকা ব্যয় করে নতুন করে সারিয়ে তোলা হয় চুল্লিটি। এরপর শহর জুড়ে পুরসভার পক্ষ থেকে লাগাতার প্রচার করা হয়, চুল্লি মেরামতি করা হয়েছে। ১২ দিনের মধ্যে মেশিন ফের বিকল হয়ে পড়েছে। সোমবার বিকেলে দাহ করতে না পেরে বালুরঘাট খিদিরপুর শ্মশানে প্রবল বিক্ষোভ দেখান শ্মশান যাত্রীরা।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে গরু পাচারে বাধা, বিএসএফের ওপর পাচারকারীদের হামলা, চলল গুলি

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    মঙ্গলবার বালুরঘাট (Balurghat) খিদিরপুর বৈদ্যুতিক চুল্লির গেটে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি (BJP) কর্মীরা। বিজেপির টাউন সভাপতি সমীর প্রসাদ  দত্ত বলেন, বালুরঘাট পুরসভা শ্মশানেও কাটমানি খেয়েছে। ৩৬ লক্ষ টাকা খরচ করে বালুরঘাট পুরসভা ১২ দিনের জন্য চুল্লি ঠিক করেছে। পুরসভা এর মধ্যেও কাটমানি খেয়ে রেখেছে, যারজন্য চুল্লি ঠিক করার ১২ দিনের মধ্যে বিকল হয়ে পড়েছে। আমরা এর প্রতিবাদে আন্দোলন চালিয়ে যাব। এই বিষয়ে বালুরঘাট পুরসভার এমসিআইসি বিপুল ক্রান্তি ঘোষ বলেন, বিজেপি এটাকে নিয়ে রাজনীতি করছে। আজকে গেটে তালা মেরে বিজেপি খুব নোংরা কাজ করেছে। চুল্লিতে ইলেকট্রিক আপ-ডাউন করার জন্য চুল্লির কয়েকটি কোয়েল পুড়ে যায়, যারজন্য চুল্লি বন্ধ রাখা হয়েছে। চুল্লিটির সংস্কারের কাজ চলছে। আগামী দুদিনের মধ্যে চুল্লিটি ঠিক হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share