Tag: bangla news

bangla news

  • Sensorineural deafness: রোগী হারিয়ে ফেলেন শোনার ক্ষমতা,  জানুন সেন্সরিনিউরাল ডেফনেস সম্পর্কে

    Sensorineural deafness: রোগী হারিয়ে ফেলেন শোনার ক্ষমতা, জানুন সেন্সরিনিউরাল ডেফনেস সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খ্যাতনামা সঙ্গীত শিল্পী অলকা ইয়াগনিকের জীবনে নেমে এসেছে বিপর্যয়। জটিল রোগে আক্রান্ত তিনি। তাতেই হারিয়েছেন শোনার শক্তি। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই রোগের নাম সেন্সরিনিউরাল ডেফনেস। অভ্যন্তরীণ কানের সংবেদনশীল কোষ বা মস্তিষ্কে শ্রবণ স্নায়ু পথের ক্ষতির কারণে এই রোগ হয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে মস্তিকে শব্দের সিগন্যাল পৌঁছায় না। ফলে শোনার শক্তি থাকে না।

    সেন্সরিনিউরাল ডেফনেস কীভাবে হয়? 

    বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে শব্দ তরঙ্গকে স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছায় কক্লিয়ার স্টেরিওসিলিয়া, যা আসলে এক ধরনের স্নায়ু তন্তু। যদি ৮৫ ডেসিবেলের বেশি শব্দের সংস্পর্শে আসে কান, তখন তন্তুগুলি ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে বা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে ৩০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ কক্লিয়ার স্টেরিওসিলিয়া ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে বধিরতা আসে না। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন এই রোগের ফলে উভয় কানই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    রোগের কারণ কী?

    এই রোগের কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা, সংক্রমণ, মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ার, অটোমিউন ডিজিজ, মিনিওর ডিজিজ, যেকোনও বিরল রোগ, ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, জেনেটিক কারণ, বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা, তীব্র আওয়াজ, জিনগত অসুস্থতা, মাদকের প্রভাবকেই দায়ী করছেন।

    কী কী লক্ষণ দেখা যায়?

    এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি শোনার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। পিছনে চলা যেকোনও রকমের গোলমালেরও শব্দ শুনতে পান না রোগীরা। শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সমস্যা হয়। মাথা ঘুরতে থাকে। এই রোগে আক্রান্তের পক্ষে আশপাশের শব্দ ও আসল শব্দগুলি আলাদা করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। এ ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে কানে গুনগুন শব্দ হতে থাকে বা স্পষ্ট শোনা যায় না। কানের কাছে অসাড়তা দেখা দিতে শুরু করে। চিকিৎসকরা তাই পরামর্শ দিচ্ছেন এই রোগ থেকে দূরে থাকতে উচ্চ মানের শব্দ এবং হেডফোনের হেভি এক্সপোজার থেকে প্রত্যেকে যেন দূরে থাকেন।

    চিকিৎসা

    এই রোগে আক্রান্ত হলে প্রাথমিকভাবে অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ দেওয়া হয়। যদি দ্রুত উন্নতি না হয়, সরাসরি ইন্ট্রাটাইমপ্যানিক স্টেরয়েড কানে দেওয়া হয়। উন্নতি তিন সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান হয়। চিকিৎসকদের মতে, রোগীর যদি ইতিমধ্যেই কোনও রোগ থাকে বা খুব গুরুতর ভাইরাস আক্রমণে ভুগে থাকে, তবে এটি নিরাময় করা কিছুটা কঠিন। তবে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rituparna Sengupta: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ঋতুপর্ণা! সঙ্গে অভিনেত্রীর হিসাবরক্ষক

    Rituparna Sengupta: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ঋতুপর্ণা! সঙ্গে অভিনেত্রীর হিসাবরক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। বুধবার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে পৌঁছন অভিনেত্রী। যদিও ঋতুপর্ণা সিজিওতে (CGO Complex) পৌঁছনোর আগেই সেখানে পৌঁছন তাঁর হিসাবরক্ষক। ইডি সূত্রে খবর, বেশ কিছু হিসাব সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে দফতরে পৌঁছছেন তিনি। এদিকে, এদিন অভিনেত্রীর সঙ্গে রয়েছেন তাঁর আইনজীবীরাও। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ যেখানে করা হবে সেখানে আপাতত আইনজীবীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলেই ইডি সূত্রে খবর।  

    কী কারণে তলব অভিনেত্রীকে? (Rituparna Sengupta)

    রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন এক ইডি আধিকারিক। যদিও আনুষ্ঠানিক ভাবে এই বিষয়ে সবিস্তারে কিছু জানায়নি ইডি। ওই সূত্র মারফত আরও জানা যায়, ওই অভিযুক্তের সঙ্গে প্রায় কোটির অঙ্কে আর্থিক লেনদেন হয়েছে একটি সংস্থার, যার প্রোপ্রাইটর হিসাবে নাম রয়েছে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার। সেই লেনদেন সম্পর্কে জানতেই ঋতুপর্ণাকে তলব করে ইডি।

    এ প্রসঙ্গে ঋতুপর্ণার (Rituparna Sengupta) হিসাবরক্ষক জানিয়েছিলেন, অভিনেত্রীর কাছে যে সমস্ত হিসাব চেয়েছিল ইডি, তা তিনি, অর্থাৎ হিসাবরক্ষকই দেখাশোনা করেন। তাই হিসাব বুঝিয়ে দিতে সুবিধা হবে বলে তিনি এসেছেন। অভিনেত্রীও পরে সিজিওতে (CGO Complex) আসবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন হিসাবরক্ষক। সেই মতো কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিনেত্রী এসে পৌঁছন সিজিওতে।

    আরও পড়ুন: ১,৭৪৯ কোটি টাকায় নির্মিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলাতেও তলব করেছিল ইডি

    গত ৫ জুন সকালে সিজিও কমপ্লেক্সে অভিনেত্রীকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু, অভিনেত্রী (Rituparna Sengupta) সেই সময়ে বিদেশে ছিলেন। তাই মেল পাঠিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর পক্ষে এখন সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) যাওয়া সম্ভব নয়। দেশে ফিরে এলে যোগাযোগ করার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি। সেই মতো এবার হাজিরা দিলেন অভিনেত্রী। তবে উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতির আগে ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলায় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময়ও ইডি-র দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিনেত্রী।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গায়ের জোরে ক্ষমতাকে অপব্যবহার করে জমি দখল করে নির্মাণ করা হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস। এবার ২০ দিনের মধ্যে ভাঙতে হবে সেই অফিস। এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা। একই ভাবে ঠিক কোন নেতার নির্দেশে এই জমি দখল করা হয়েছিল, তাঁর নামও জানাতে বলেছেন তৃণমূলের আইনজীবীকে। এই নির্দেশ ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    অভিযোগকারিণীর বক্তব্য (Calcutta High Court)

    নদিয়ার পলাশিপাড়া থানার বাসিন্দা অনুশ্রী ঘোষ চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, “দোকান করার জন্য পলাশিপাড়া বাজারে জমিটি কিনেছিলাম আমি। সেই জমি দখল করে কার্যত পাকা পোক্ত করে একটি তৃণমূলের পার্টি অফিস বানিয়ে ফেলা হয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতারা এই কাজ করেছে। জমি ফেরত চেয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে গেলে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। এরপর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করি আমি। কিন্তু পুলিশ জমি উদ্ধার করা বিষয়ে কোনও রকম পদক্ষেপ করেনি। অবশেষে বেগতিক বুঝে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা দায়ের করতে বাধ্য হই।”

    হিলি-তুরা করিডোরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    আইনজীবীর বক্তব্য

    আদলাতে অনুশ্রীদেবীর আইনজীবী বলেন, “ক্ষমতায় থাকার সুবিধার অপব্যবহার করে কার্যত নিজেদের গায়ের জোরে জমি দখল করেছে তৃণমূলের নেতারা। জমির কোনও বৈধ কাগজ নেই এই তৃণমূলের নেতাদের কাছে।” আদলাতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানতে চান, কার নির্দেশে এই জমি দখল করা হয়েছে। উত্তরে তৃণমূলের আইনজীবী বলেন, “জমি ফাঁকা ছিল তাই, পার্টি অফিস বানানো হয়েছে।” এরপর ব্লক ভূমি এবং ভূমি রাজস্ব আধিকারিকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেন বিচারপতি। আগামী ২০ দিনের মধ্যে ওই জমির মালিককে জমি বুঝিয়ে দিতে হবে। তবে পরবর্তী শুনানিতে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম কোর্টে জানাতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। ঘটনায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে তৃণমূল ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ১,৭৪৯ কোটি টাকায় নির্মিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ১,৭৪৯ কোটি টাকায় নির্মিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বিহারের রাজগিরে উদ্বোধন করলেন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের (New Nalanda University Campus)। নতুন এই ক্যাম্পাসটির উদ্বোধন হল ঠিক প্রাচীন নালন্দার ধ্বংসাবশেষের কাছেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধনের আগেই প্রাচীন নালন্দার ধ্বংসাবশেষের স্থানও পরিদর্শন করেন। পরে তা সমাজ মাধ্যমে পোস্টও করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এদিন নতুন ক্যাম্পাসে একটি ফলকও উন্মোচন করেন।

    মোট খরচ ১,৭৪৯ কোটি টাকা

    প্রসঙ্গত, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস (New Nalanda University Campus) তৈরিতে খরচ হয়েছে মোট ১,৭৪৯ কোটি টাকা। নতুন ক্যাম্পাসে ৪০টি শ্রেণি কক্ষ রয়েছে। এগুলিতে মোট ১,৯০০ পড়ুয়া বসে পড়াশোনা করতে পারবে। নতুন ক্যাম্পাসে দুটি অডিটোরিয়াম রয়েছে। প্রত্যেকটি অডিটোরিয়ামে ৩০০ আসন রয়েছে। ক্যাম্পাসের মধ্যেই তৈরি করা হয়েছে একটি ছাত্রাবাস। যেখানে সাড়ে পাঁচশোর ওপর পড়ুয়া থাকতে পারবে। এর পাশাপাশি সেখানে একটি অ্যাম্পিথিয়েটারও তৈরি করা হয়েছে। যেখানে ২,০০০ জন বসতে পারবে। ক্যাম্পাসে রয়েছে বিভিন্ন স্পোর্টস কমপ্লেক্সও।

    পঞ্চম শতাব্দীতে গড়ে উঠেছিল প্রাচীন নালন্দা

    প্রসঙ্গত, প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (New Nalanda University Campus) স্থাপিত হয়েছিল পঞ্চম শতাব্দীতে। দেশ-বিদেশের বহু পণ্ডিত এবং ছাত্রদের জ্ঞান চর্চার পীঠস্থান হয়ে উঠেছিল নালন্দা। পরবর্তীকালে দ্বাদশ শতাব্দীতে ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলজির আক্রমণে ধ্বংস হয় প্রাচীন ভারতের এই বিশ্ববিদ্যালয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অক্সফোর্ড প্রতিষ্ঠার ৫০০ বছর আগে ভারতে জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল নালন্দা। ২০১৬ সালে রাষ্ট্রসঙ্ঘ নালন্দাকে হেরিটেজ সাইটের তকমা দিয়েছে।

    নতুন ক্যাম্পাসের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে 

    ২০১৪ সালে মোদি সরকার (PM Modi) ক্ষমতায় আসার পরেই নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুনভাবে গড়ে তোলার প্রয়াস শুরু হয়। নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। বুধবার নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধনে হাজির ছিলেন বহু বিশিষ্ট মানুষ। যাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সহ আরও ১৭ টি দেশের প্রতিনিধি। ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের (New Nalanda University Campus) মধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে সোলার প্ল্যানেট। এর পাশাপাশি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টও বসানো হয়েছে। ওয়াটার রিসাইকেল প্লান্টও তৈরি করা হয়েছে। পরিবেশ বান্ধব ভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: হিলি-তুরা করিডরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    Sukanta Majumdar: হিলি-তুরা করিডরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের ছেলে মন্ত্রী হতেই আশায় বুকবাঁধছেন জেলাবাসী। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) কেন্দ্রের জোড়া মন্ত্রক পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে বিজেপির এই রাজ্য সভাপতিকে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা একটি প্রান্তিক জেলা। এই জেলাতে তেমন নেই কোনও শিক্ষা ব্যবস্থা, তেমন নেই কোনও চিকিৎসা ব্যবস্থা। এই জেলার মানুষ সবদিক থেকে বঞ্চিত বলে দাবি করে থাকেন। জেলাতে থমকে রয়েছে বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের কাজ। জেলাতে নেই কোনও স্থায়ী বিশ্ববিদ্যালয়। জেলার সদর শহর বালুরঘাটে তৈরী হয়েছে বিমান বন্দর কিন্তু সেখানে চলাচল করেনা বিমান। জেলাবাসী আশা করছেন, সুকান্ত সমস্ত থমকে যাওয়া কাজগুলি চালু করবেন। এই আশাতে বুক বাঁধছেন বালুরঘাট সহ জেলাবাসী।

    জেলায় শিক্ষা পরিকাঠামোর উন্নয়ন করবেন (Sukanta Majumdar)

    প্রসঙ্গত, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এবারে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে দ্বিতীয় বারের বালুরঘাট লোকসভার সাংসদ হলেন। প্রথমবার সাংসদ হয়ে তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি হন আর এবারে সাংসদ হয়ে তিনি জেলাবাসীকে চমক দিয়ে দিলেন। ঘরের ছেলে হলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর ঘরেই উচ্চশিক্ষার পরিকাঠামো নেই। সম্প্রতি একটি বিশ্ববিদ্যালয় পেলেও তার হাল বেহাল। স্থায়ী ভবন নেই। নেই স্থায়ী পরিকাঠামো, অধ্যাপক সহ অনেক কিছুই। এমন পরিকাঠামোহীন শিক্ষা ব্যবস্থার জেলা থেকে তিনি এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন। ফলে আশায় বুক বাঁধছেন জেলাবাসী। সুকান্তের হাত ধরে কি জেলার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি হবে? এমন চর্চা শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে।

    হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডোর

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর ২০২১ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় চালু হলেও, এখনও তৈরি হয়নি স্থায়ী ভবন। বালুরঘাট তথা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনা করা হোক। আবার হিলি থেকে মেঘালয় বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে মাত্র একশো কিলোমিটার একটা করিডর হলে একেবারে আমুল বদলে দিতে পারে পূর্ব ভারতের সাথে পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থা৷ প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার রাস্তা কমে যাবে। সেই কারণেই জেলাবাসী হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডোরের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। নানা আন্দোলন করেও এতদিনে এই করিডোর বাস্তবায়নের পথ মিলছিল না। তবে এবারে ঘরের ছেলে উত্তর-পূর্বাঞ্চল দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হতেই জেলাবাসীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানান জেলার মানুষ। এই বিষয়ে বালুরঘাটবাসী তুহিনশুভ্র মন্ডল বলেছেন, “আমাদের ঘরের ছেলে সুকান্ত বাবু (Sukanta Majumdar) মন্ত্রী হয়েছেন। তাও আবার দুটি মন্ত্রকের। আমরা তাঁর কাছে আশা রাখছি আমাদের জেলার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি এবং কর্মসংস্থানের প্রগতি হোক। হিলি-তুরা করিডর দ্রুত এইবার বাস্তবায়ন হবে।”

    আরও পড়ুনঃ বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “হিলি-তুরা করিডোর নিয়ে আগেই নানা চিঠি মন্ত্রকে দিয়েছিলাম। করিডরটি চালু হলে শুধু জেলা তথা পশ্চিমবঙ্গে নয় সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেরও অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের উন্নতি ঘটবে। তাই এই করিডোর বাস্তবায়ন করতে যা যা পদক্ষেপ করতে হবে, করব। এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কেন্দ্র সরকার কী কী করতে পারে, এ বিষয়ে আমি আশ্বস্ত করতে চাই। রাজ্য সরকার যদি সহযোগিতা করে, তাহলে কেন্দ্র সরকারের পক্ষ অর্থ সহায়তা দিতে কোনও অসুবিধা হবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Canada Ties: “ভারতের নয়া সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আশাবাদী”, বলছেন ট্রুডো

    India Canada Ties: “ভারতের নয়া সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আশাবাদী”, বলছেন ট্রুডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-কানাডা (India Canada Ties) সম্পর্কের বরফ গলল জি৭ সম্মেলনের মঞ্চে। সম্মেলনের ফাঁকে উপস্থিত রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে পার্শ্ব বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠক হয় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গেও। তার পরেই দুই দেশের মধ্যে যেসব বড় ইস্যুগুলিতে জটিলতা রয়েছে, সেই জট খুলে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। নয়া ভারত সরকার সম্পর্কে আশাও প্রকাশ করেন তিনি। দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়েও আশা প্রকাশ করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন ট্রুডো? (India Canada Ties)

    ওটাওয়া সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে (India Canada Ties) ট্রুডো বলেন, “এই সম্মেলন মঞ্চের বড় সুযোগ হল বিশ্বের বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ। বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে, বিশেষত ভারতের সঙ্গে। সেখানে লোকের সঙ্গে লোকের বন্ধন রয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল অর্থনৈতিক বন্ধন।” দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে ট্রুডো বলেছিলেন, “আমাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল বিষয়ে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। সেগুলি কী, তা নিয়ে আমি এখানে কথা বলতে চাই না। তবে আগামিদিনে আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল বিষয়ে এক সঙ্গে কাজ করব বলে একমত হয়েছি।”

    ট্রুডোর অভিযোগ

    কানাডায় খুন হয় সন্ত্রাসবাদী হরদীপ সিং নিজ্জর। এই ঘটনায় কানাডা আঙুল তোলে ভারতের দিকে। কানাডার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ট্রুডো বলেছিলেন, “এই ঘটনার নেপথ্যে ভারতের হাত রয়েছে।” অভিযোগ অস্বীকার করে দ্বিতীয় মোদি সরকার বলেছিল, এই দাবির স্বপক্ষে কানাডা প্রমাণ দিতে পারলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বস্তুত, কানাডা এমন কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি। তবে কানাডার এই অভিযোগের পরপর ভারত-কানাডা সম্পর্ক গিয়ে ঠেকে তলানিতে। তারপর থেকে আর মুখোমুখি হননি মোদি-ট্রুডো। কূটনৈতিক মহলের মতে, সেদিক থেকে দেখতে গেলে জি৭ এর সম্মেলনের ফাঁকে ভারত ও কানাডা দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে যে পার্শ্ব বৈঠক হয়েছে, তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

    আর পড়ুন: নৈসর্গিক ডাল লেকের পাড়ে যোগ দিবস পালন, যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আঁটসাঁট নিরাপত্তা

    প্রসঙ্গত, বৈঠকের পর দুই রাষ্ট্রনেতার করমর্দনের ছবি দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, ‘কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল জি৭ সম্মেলন মঞ্চে।’ ১৩ থেকে ১৫ জুন ইটালির আপুলিয়া অঞ্চলে বসেছিল জি৭ এর সম্মেলন। ভারত জি৭ এর সদস্য দেশ নয়। তবে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ভারতকে (India Canada Ties)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • IPS Shiladitya Cheti: ক্যান্সার কেড়েছে স্ত্রীকে, মৃত্যুশোকে হাসপাতালেই আত্মঘাতী আইপিএস অফিসার!

    IPS Shiladitya Cheti: ক্যান্সার কেড়েছে স্ত্রীকে, মৃত্যুশোকে হাসপাতালেই আত্মঘাতী আইপিএস অফিসার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন সিনেমা। সত্যিকারের ভালোবাসায় মানুষ কী না করে। স্ত্রীকে হারানোর শোকে এবার আত্মঘাতী হলেন অসমের একজন আইপিএস অফিসার। হাসপাতালে স্ত্রীর মৃতদেহের সামনেই আত্মঘাতী হন তিনি। মৃত পুলিশ কর্তার নাম শিলাদিত্য ছেতি (IPS Shiladitya Cheti)। জানা গিয়েছে, তিনি অসম সরকারের স্বরাষ্ট্র এবং রাজনীতি দফতরের সচিব (Assam Home Secretary) ছিলেন। 

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (IPS Shiladitya Cheti)

    জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চলছিল আইপিএস অফিসার শিলাদিত্য ছেতির স্ত্রী‌র। ক্যান্সার একেবারে শেষ পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। সম্প্রতি শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তাঁর স্ত্রী। স্ত্রীর অসুস্থতার জন্য দীর্ঘ চার মাস ধরে তিনি ছুটিতে ছিলেন। এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যেয় মারা যান ছেতির স্ত্রী। সেই শোক সহ্য করতে না পেরে আইসিইউ’র ভিতরেই স্ত্রীর দেহের সামনে সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি।  হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি চিকিৎসক ও নার্সকে জানিয়েছিলেন, কিছুক্ষণ স্ত্রীর দেহের সামনে তাঁকে একা থাকতে দিতে। এর কিছুক্ষণ পরেই গুলির আওয়াজ শোনা যায়। ঘরে ঢুকতেই দেখা যায়, রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তিনি। চিকিৎসকরা চেষ্টা করলেও বাঁচানো যায়নি আইপিএস অফিসারকে।  

    আরও পড়ুন: নৈসর্গিক ডাল লেকের পাড়ে যোগ দিবস পালন, যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আঁটসাঁট নিরাপত্তা

    অসম পুলিশের ডিজির বক্তব্য 

    এ প্রসঙ্গে অসম পুলিশের ডিজি জিপি সিং জানিয়েছেন, স্ত্রীর মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই আত্মঘাতী হন আইপিএস অফিসার (IPS Shiladitya Cheti)। অসম পুলিশের পক্ষ থেকে শিলাদিত্যের মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে অসমের স্বরাষ্ট্র এবং রাজনীতি দফতরের সচিব পদে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি অসমের তিনসুকিয়া এবং সোনিতপুর জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন। বর্তমানে এই আইপিএসের আত্মহত্যার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 52: “ঈশ্বরলাভ-এর মানে কি? ঈশ্বরদর্শন কাকে বলে? কেমন করে হয়?”

    Ramakrishna 52: “ঈশ্বরলাভ-এর মানে কি? ঈশ্বরদর্শন কাকে বলে? কেমন করে হয়?”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে নরেন্দ্রাদি অন্তরঙ্গ ও অন্যান্য ভক্তসঙ্গে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    গুরুশিষ্য-সংবাদ—গুহ্য কথা

    মণি—কর্ম কতদিন করতে হবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—ফললাভ হলে আর ফুল থাকে না। ঈশ্বরলাভ হলে কর্ম আর করতে হয় না। মনও লাগে না।

    মাতাল বেশি মদ খেয়ে হুঁশ রাখতে পারে না। দু-আনা খেলে কাজকর্ম চলতে পারে! ঈশ্বরের দিকে যতই এগুবে ততই তিনি কর্ম কমিয়ে দেবেন। ভয় নাই। গৃহস্তের বউ অন্তঃসত্ত্বা হলে শাশুড়ি ক্রমে ক্রমে কর্ম কমিয়ে দেয়। দশমাস হলে আপদে কর্ম করতে দেয় না। ছেলেটি হলে ওইটিকে নিয়ে নাড়াচাড়া করে।

    যে-কটা কর্ম আছে, সে-কটা শেষ হয়ে গেলে নিশ্চিন্ত। গৃহীণী বাড়ির রাঁধাবাড়া আর কাজকর্ম সেরে যখন নাইতে গেল, তখন আর ফেরে না—তখন ডাকাডাকি করলে আর আসবে না।

    ঈশ্বরলাভ ও ঈশ্বরদর্শন কি? উপায় কি?

    মণি—আজ্ঞা, ঈশ্বরলাভ-এর মানে কি? আর ঈশ্বরদর্শন কাকে বলে? আর কেমন করে হয়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—বৈষ্ণবরা বলে যে, ঈশ্বরের পথে যারা যাচ্ছে আর যারা তাঁকে লাভ করেছে তাদের থাক থাক আছে—প্রবর্তক, সাধক, সিদ্ধ আর সিদ্ধের সিদ্দ। যিনি সবে পথে উঠেছেন তাকে প্রবর্তক বলে। যে সাধন-ভজন করছে—পূজা, জপ, ধ্যান, নামগুণকীর্তন করেছে—সে ব্যক্তি সাধক। যে-ব্যক্তি ঈশ্বর আছেন বোধে বোধ করেছে, তাকেই সিদ্ধ বলে। যেমন বেদান্তে উপমা আছে—অন্ধকার ঘর, বাবু শুয়ে আছে। বাবুকে একজন হাতড়ে হাতড়ে খুঁজছে। একটা কৌচে হাত দিয়ে বলছে, এ নয়। নেতি নেতি নেটি। শেষে বাবুর গায়ে হাত পড়েছে, তখন বলছে, ইহ এই বাবু—অর্থাৎ অস্তি বোধ হয়েছে। বাবুকে লাভ হয়েছে, কিন্তু বিশেষরূপে জানা হয় নাই।

    আরও পড়ুনঃ “কামিনী-কাঞ্চনের ঝড় তুফানগুলো কাটিয়ে গেলে তখন শান্তি”

    আরও পড়ুনঃ “সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়, তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়”

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

    আরও পড়ুনঃ “পাপ করলে তার ফল পেতে হবে! লঙ্কা খেলে তার ঝাল লাগবে না?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 51: “পাখির ছানা খুঁটে খেতে শিখলে, আবার মার কাছে খেতে এলে, মা ঠোক্কর মারে”

    Ramakrishna 51: “পাখির ছানা খুঁটে খেতে শিখলে, আবার মার কাছে খেতে এলে, মা ঠোক্কর মারে”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে নরেন্দ্রাদি অন্তরঙ্গ ও অন্যান্য ভক্তসঙ্গে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    গুরুশিষ্য-সংবাদ—গুহ্য কথা

    সন্ধ্যা হইল। ফারশ কালীমন্দিরে ও রাধামন্দিরে ও অন্যান্য ঘরে আলো জ্বালিয়ে দিল। ঠাকুর ছোট খাটটিতে বসিয়া জগন্মাতার চিন্তা ও তৎপরে ঈশ্বরের নাম করিতেছেন। ঘরে ধুনো দেওয়া হইয়াছে। একপার্শ্বে একটি পিলসুলে প্রদীপ জ্বলিতেছে। কিয়ৎক্ষণ পরে শাঁখ ঘণ্টা বাজিয়া উঠিল। কালীবাড়িতে আরতি হইতেছে। শুক্লা দশমী তিথি, চতুর্দিকে চাঁদের আলো।

    আরতি কিয়ৎক্ষণ পরে শ্রীরামকৃষ্ণ ছোট খাটটিতে বসিয়া মণির সহিত একাকী নানা বিষয়ে কথা কহিতেছেন। মণি মেঝেতে বসিয়া।

    কর্মণ্যেবাধিকারন্তে মা ফলেষু কদাচন

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (মণির প্রতি)—নিষ্কামকর্ম করবে। ঈশ্বর বিদ্যাসাগর যে-কর্ম করে সে ভালো কাজ—নিষ্কামকর্ম করবার চেষ্টা করে।

    মাণি—আজ্ঞা হাঁ। আচ্ছা, যেখানে কর্ম যেখানে কি ঈশ্বর পাওয়া যায়? রাম আর কাম কি এক সঙ্গে হয়? হিন্দীতে একটা কথা সেদিন পড়লাম।

    যাহাঁ রাম তাহাঁ নাহি কাম, যাহাঁ কাম তাহাঁ নাহি রাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কর্ম সকলেই করে। তাঁর নামগুণ করা এও কর্ম—সোহহংবাদীদের আমিই সেই এই চিন্তা কর্ম—নিঃশ্বাস ফেলা, এও কর্ম। কর্মত্যাগ করবার জো নাই। তাই কর্ম করবে, কিন্তু ফল ঈশ্বরে সমর্পণ করবে।

    মণি—আজ্ঞা, যাতে অর্থ বেশি হয় এ-চেষ্টা কি করতে পারি?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—বিদ্যার সাংসারের জন্য পারা যায়। বেশি উপায়ের চেষ্টা করবে। কিন্তু সদুপায়। উপার্জন করা উদ্দেশ্য নয়। ঈশ্বরের সেবা করাই উদ্দেশ্য। টাকাতে যদি ঈশ্বরের সেবা হয় তো সে টাকায় দোষ নাই।

    মণি—আজ্ঞা, পরিবারের উপর কর্তব্য কতদিন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তাদের খাওয়া পরার কষ্ট না থাকে। কিন্তু সন্তান নিজে সমর্থ হলে তাদের ভার লবার দরকার নাই, পাখির ছানা খুঁটে খেতে শিখলে, আবার মার কাছে খেতে এলে, মা ঠোক্কর মারে।

    আরও পড়ুনঃ “পাখি ডিমে তা দিচ্ছে—সব মনটা সেই ডিমের দিকে, উপরে নামমাত্র চেয়ে রয়েছে!”

    আরও পড়ুনঃ “কামিনী-কাঞ্চনের ঝড় তুফানগুলো কাটিয়ে গেলে তখন শান্তি”

    আরও পড়ুনঃ “হিন্দুরা জল খাচ্ছে একঘাটে বলছে জল; মুসলমানরা আর-এক ঘাটে খাচ্ছে বলছে পানি”

    আরও পড়ুনঃ “সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়, তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নৈসর্গিক ডাল লেকের পাড়ে যোগ দিবস পালন, যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আঁটসাঁট নিরাপত্তা

    PM Modi: নৈসর্গিক ডাল লেকের পাড়ে যোগ দিবস পালন, যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আঁটসাঁট নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার, ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। ফি বছর বিভিন্ন জায়গায় দিনটি পালন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এবার যোগ দিবস পালনের জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন ভূস্বর্গকে।  কাশ্মীরের ডাল লেকের পাড়েই এবার যোগ দিবস পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন, তাই বহুস্তরীয় নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছে শ্রীনগরকে।

    ‘রেড জোন’ (PM Modi)

    মঙ্গলবার জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ শ্রীনগরকে অস্থায়ীভাবে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করেছে। শহরে ড্রোন চালানো যাবে না। নিষিদ্ধ করা হয়েছে কোয়াড কপ্টার চলাচলও (PM Modi)। কেন্দ্রীয় আয়ূষ মন্ত্রী প্রতাপরাও যাদব বলেন, “চলতি বছরের আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হবে ২১ জুন, শ্রীনগরে।” সূত্রের খবর, শুক্রবার সকালে দশম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করা হবে ডাল লেকের ধারে শের-ই-কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় শ্রীনগরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে প্রচুর যোগ-প্রেমী এবং স্পোর্টস পার্সন যোগ দিতে পারেন বলে আধিকারিকদের আশা।

    ভূস্বর্গে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী

    গত বছর নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরে যোগ দিবস পালন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ভূস্বর্গ থেকে ৩৭০ ধারা রদ হওয়ার পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বার উপত্যকা সফরে যেতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ভূস্বর্গে বিজেপির এক নেতা মহম্মদ আরিফ বলেন, “মোদিজিকে অভ্যর্থনা জানানোর বিরাট সুযোগ কাশ্মীরের কাছে। তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়েই তিনি আমাদের এখানে আসছেন।”

    রাজনৈতিক মহলের মতে, চলতি মাসেই ঘোষণা করা হতে পারে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার নির্বাচন। জানা গিয়েছে, অগাস্টের মধ্যেই নির্বাচনের কাজ শেষ করে ফেলার চেষ্টা চলছে। তার আগে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনের জন্য ভূস্বর্গকে বেছে নেওয়া প্রধানমন্ত্রীর মাস্টার স্ট্রোক বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আর পড়ুন: বিশ্বমঞ্চে বন্দিত! লন্ডনে ‘রিস্ক ম্যানেজার অফ দ্য ইয়ার ২০২৪’ পুরস্কারে ভূষিত আরবিআই

    প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো ছিল জম্মু-কাশ্মীর। উন্নয়নও ছিল অধরা। ভূস্বর্গে ৩৭০ ধারা রদ করে গোটা দেশের সঙ্গে উপত্যকাকেও এক করে দেন প্রধানমন্ত্রী। বইয়ে দেন উন্নয়নের জোয়ারও। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে মার্চ মাসের গোড়ার দিকেও শ্রীনগরে গিয়ে ৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকার নানা সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধনও করেছিলেন তিনি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share