Tag: bangla news

bangla news

  • Ramakrishna 507: “গুরুগিরি করা ভাল নয়। ঈশ্বরের আদেশ না পেলে আচার্য হওয়া যায় না, যে নিজে বলে, ‘আমি গুরু’ সে হীনবুদ্ধি”

    Ramakrishna 507: “গুরুগিরি করা ভাল নয়। ঈশ্বরের আদেশ না পেলে আচার্য হওয়া যায় না, যে নিজে বলে, ‘আমি গুরু’ সে হীনবুদ্ধি”

    ৪৮ শ্রীরামকৃষ্ণ কাপ্তেন, নরেন্দ্র প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুন
    অহংকারই বিনাশের কারণ ও ঈশ্বরলাভের বিঘ্ন

    পূর্বকথা—কেশব ও গৌরী—সোঽহম্‌ অবস্থার পর দাসভাব 

    ভক্ত ও পূজাদি—ঈশ্বর ভক্তবৎসল—পূর্ণজ্ঞানী 

    “ঈশ্বরই (Ramakrishna) কর্তা আর সব তাঁর যন্ত্রস্বরূপ।

    “তাই জ্ঞানীরও অহংকার করবার জো নাই। মহিম্নস্তব যে লিখেছিল, তার অহংকার হয়েছিল। শিবের ষাড় যখন দাঁত বার করে দেখালে, তখন তার অহংকার চূর্ণ হয়ে গেল। দেখলে, এক-একটি দাঁত এক-এক মন্ত্র। তার মানে কি জানো? এ-সব মন্ত্র অনাদিকাল ছিল। তুমি কেবল উদ্ধার করলে।

    “গুরুগিরি করা ভাল নয়। ঈশ্বরের আদেশ না পেলে আচার্য হওয়া যায় না। যে নিজে বলে, ‘আমি গুরু’ সে হীনবুদ্ধি। দাঁড়িপাল্লা দেখ নাই? হালকা দিকটা উঁচু হয়, যে ব্যক্তি নিজে উঁচু হয়, সে হালকা। সকলেই গুরু হতে যায়! — শিষ্য পাওয়া যায় না!”

    ত্রৈলোক্য ছোট খাটটির উত্তরে ধারে মেঝেতে বসিয়াছিলেন। ত্রৈলোক্য গান গাইবেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলিতেছেন, “আহা! তোমার কি গান!” ত্রৈলোক্য তানপুরা লইয়া গান করিতেছেন—

    তুঝ্‌সে হাম্‌নে দিল্‌কো লাগায়া, যো কুছ্‌ হ্যায় সব্‌ তুঁহি হ্যায় ॥

    গান   —  তুমি সর্বস্ব আমার (হে নাথ!) প্রাণাধার সারাৎসার।
    নাহি তোমা বিনে কেহ ত্রিভুবনে আপনার বলিবার ॥

    গান শুনিয়া ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবে বিভোর হইতেছেন। আর বলিতেছেন, “আহা! তুমিই সব! আহা! আহা!” গান সমাপ্ত হইল। ছয়টা বাজিয়া গিয়াছে। ঠাকুর মুখ ধুইতে ঝাউতালর দিকে যাইতেছেন। সঙ্গে মাস্টার।

    ঠাকুর হাসিতে হাসিতে গল্প করিতে করিতে যাইতেছেন। মাস্টারকে হঠাৎ বলিলেন, “কই তোমরা খেলে না? আর ওরা খেলে না?”

    ঠাকুর ভক্তদের প্রসাদ দিবার জন্য ব্যস্ত হইয়াছেন।

    নরেন্দ্র ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    আজ সন্ধ্যার পর ঠাকুরের কলিকাতায় যাইবার কথা আছে। ঝাউতলা থেকে ফিরিবার সময় মাস্টারকে বলিতেছেন,—“তাই তো কার গাড়িতে যাই?”

    সন্ধ্যা হইয়াছে। ঠাকুরের ঘরে প্রদীপ জ্বালা হইল ও ধুনা দেওয়া হইতেছে। ঠাকুরবাড়িতে সব স্থানে ফরাশ আলো জ্বালিয়া দিল! রোশনচৌকি বাজিতেছে। এবার দ্বাদশ শিব মন্দিরে, বিষ্ণুঘরে ও কালীঘরে আরতি হইবে।

    ছোট খাটটিতে বসিয়া ঠাকুরদের নাম কীর্তনান্তর ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মার ধ্যান করিতেছেন। আরতি হইয়া গেল। কিয়ৎক্ষণ পরে ঠাকুর এদিক-ওদিক পায়চারি করিতেছেন ও ভক্তদের সঙ্গে মাঝে মাঝে কথা কহিতেছেন। আর কলিকাতায় যাইবার জন্য মাস্টারের সঙ্গে পরামর্শ করিতেছেন।

    এমন সময়ে নরেন্দ্র আসিয়া উপস্থিত। সঙ্গে শরৎ ও আরও দুই-একটি ছোকরা। তাঁহারা আসিয়া ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করিলেন।

    নরেন্দ্রকে দেখিয়া ঠাকুরের স্নেহ উথলিয়া পড়িল। যেমন কচি ছেলেকে আদর করে, ঠাকুর নরেন্দ্রের মুখে হাত দিয়া আদর (Kathamrita) করিতে লাগিলেন ও স্নেহপূর্ণ স্বরে বলিলেন, “তুমি এসেছ!”

    ঘরের মধ্যে পশ্চিমাস্য হইয়া ঠাকুর দাঁড়াইয়া আছেন। নরেন্দ্র ও আর কয়টি ছোকরা ঠাকুরকে প্রণাম করিয়া পূর্বাস্য হইয়া তাঁহার সম্মুখে কথা কহিতেছেন। ঠাকুর মাস্টারের দিকে মুখ ফিরাইয়া বলিতেছেন, “নরেন্দ্র এসেছে, আর যাওয়া যায়? লোক দিয়ে নরেন্দ্রকে ডেকে পাঠয়েছিলাম; আর যাওয়া যায়? কি বল?”

    মাস্টার—যে আজ্ঞা, আজ তবে থাক্‌।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আচ্ছা কাল যাব, হয় নৌকায় নয় গাড়িতে। (অন্যান্য ভক্তদের প্রতি) তোমরা তবে এস আজ, রাত হল।

    ভক্তেরা সকলে একে এক প্রণাম করিয়া বিদায় (Kathamrita) গ্রহণ করিলেন।

  • Delhi Blast: ২৬ জানুয়ারি লালকেল্লায় শয়ে শয়ে মানুষ হত্যার পরিকল্পনা ছিল মূলচক্রীদের, চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Delhi Blast: ২৬ জানুয়ারি লালকেল্লায় শয়ে শয়ে মানুষ হত্যার পরিকল্পনা ছিল মূলচক্রীদের, চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ১০ নভেম্বর তেমন বড় পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু আগামী ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে শতশত মানুষ মারার পরিকল্পনার বিস্ফোরক (Delhi Blast) ও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায়। দেশের প্রাণকেন্দ্রে বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল হামলাকারী মূলচক্রীদের। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, প্রজাতন্ত্র দিবসে লালকেল্লায় যেহেতু বড় সমাবেশ হয়, তাই বড় ধরনের বিস্ফোরণের পরিকল্পনা ছিল উমর-মুজান্মিল-শাহিনদের। একথা জেরায় স্বীকার করেছে ধৃত মুজাম্মিল (Delhi Terror Plan)। জেরায় আরও জানা গিয়েছে, মুজাম্মিল এবং উমর মিলে একাধিকবার লালকেল্লা চত্বরে রেইকি করেছিল। রেইকি করতে এবং ২৬ জানুয়ারি বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য ফরিদাবাদে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল। সেখানেই ৩০০ কেজি বিস্ফোরক মজুত ছিল। কিন্তু ধরা পরে যেতেই সে সরানোর চেষ্টায় বিস্ফোরণ ঘটে যায়।

    দীপবালিতেও করা হয়েছিল ছক (Delhi Blast)!

    ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, গাড়িতে বিস্ফোরক (Delhi Blast) ভর্তি করে ঠিক কোথায় রাখলে বেশি পরিমাণে মানুষ হতাহত হবেন সেই বিষয়ে আগেই সরেজমিনে গিয়ে কয়েকবার পরিকল্পনা করে এসেছে তারা। দীপাবলিতেও ভিড়ে ঠাসা এলাকাকে টার্গেট করা হয়েছিল। কিন্তু কোনও কারণে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে। মুজাম্মিলের মোবাইল টাওয়ার লোকেশন থেকেই সমস্ত তথ্য তদন্তকারী অফিসাররা খোঁজ করেছেন । ফরিদাবাদ মডিউল ধরা পড়তেই তাড়াহুড়ো করে পালানোর চেষ্টা করে উমর। আর এই ফাঁকেই অসাবধানতাবসত গাড়ি ভর্তি বিস্ফোরক ফাটে লালকেল্লার সামনে। এখনও পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতরভাবে হাসপাতালে ভর্তি হয় ২০ জন। মামলায় ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে ২০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজনকে জেরার অভিযান চলছে। উঠে এসেছে এক মৌলবীর নামও। তবে মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের মগজধোলাই করত ওই মৌলবী। তবে এই মডিউলের দুজন সদস্য ডাক্তার মুজাম্মিল এবং ডাক্তার উমরকে টেলিগ্রামের মাধ্যমে তুরস্ক যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জইশ-এর (Delhi Terror Plan) কোনও হ্যান্ডেলের মধ্যস্থতাতেই তাঁদের দুজনকে তুরস্কে পাঠানো হয় বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য অপারেশন সিঁদুরের বিরুদ্ধে সরাসরি অস্ত্র দিয়ে পাকিস্তানকে সহযোগিতা করেছিল তুরস্ক।

    দ্রুত মূল মাথার খোঁজ চলছে

    দিল্লি বিস্ফোরণের (Delhi Blast) পর দেশজুড়ে জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। বুধবার সকালেও বিস্ফোরণের স্থানে রয়েছে কড়া পুলিশের পাহারা। ইতিমধ্যে দিল্লির একাধিক সন্দেহপ্রবন এলাকায় চলছে তল্লাশি। একই ভাবে জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় সূত্র ধরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তথ্য সন্ধান চলছে। তবে গোয়েন্দাদের অনুমান ডাক্তার যেহেতু একটি সম্মান জনক পেশা তাই চিকিৎসকদের স্লিপার সেল হিসেবে জঙ্গিসংগঠনগুলি ব্যবহার করেছে। চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং দাতব্য সামগ্রীর আড়ালে আইইডি (Delhi Terror Plan) তৈরির উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে হামলায় জড়িতদের মাথা খোঁজ করতে দফায় দফায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বৈঠকে বসেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সাফ কথা, যেভাবেই হোক দোষীদের গ্রেফতার করতেই হবে। নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে লিখেছেন, “দিল্লির গাড়িবোমা বিস্ফোরণ নিয়ে রিভিউ মিটিংয়ের সভাপতিত্ব করলাম। শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। আধিকারিকদের এই ঘটনার নেপথ্যে জড়িত প্রত্যেক দোষীকে খুঁজে বার করার নির্দেশ দিয়েছি। তারা এ বার আমাদের তদন্তকারী সংস্থাগুলির ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ দেখবে। ”

    পাকজঙ্গিদের বড়সড় ষড়যন্ত্রের অঙ্গ এই বিস্ফোরণ?

    দেশের প্রধানমন্ত্রী ভুটান সফর শেষ করেই দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের পর আহতদের দেখতে যান হাসপাতালে। রাজধানীর লোকনায়ক হাসপাতালে গিয়ে সকলকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। গুরুতর আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। একই ভাবে হাসপাতালের কর্মকর্তা এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথাবার্তাও বলেন। তবে তদন্তের গতিপ্রকৃতি দেখে যা মনে হচ্ছে পাকজঙ্গিদের বড়সড় ষড়যন্ত্রের অঙ্গ এই বিস্ফোরণ (Delhi Blast)। মোদি ভুটান সফর থেকেই সাফ জানিয়েছেন, “ষড়যন্ত্রকারীদের (Delhi Terror Plan) কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।” তবে ভারতীয় গোয়েন্দাদের প্রাথমিক অনুমান জইশ-ই-মহম্মদই এই হামলার পিছনে রয়েছে। একটি সিসিটিভি ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে বিস্ফোরণের আগে সুনহেরি মসজিদের পার্কিংলটে ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করেছিল গাড়িটি। এই গাড়িকে সন্দেহ করে ইতিমধ্যে আটক করেছে দুই সন্দেহভাজনকে।

  • Delhi Red Fort Blast: জইশের টেলিগ্রাম চ্যানেলে কথা, তুরস্কে হামলার ছক তৈরি উমরদের! দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Delhi Red Fort Blast: জইশের টেলিগ্রাম চ্যানেলে কথা, তুরস্কে হামলার ছক তৈরি উমরদের! দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি লালকেল্লা বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়া যত এগোচ্ছে, ততই নিত্যনতুন ও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে যে বিস্ফোরণে আত্মঘাতী হামলাকারী হিসেবে সন্দেহভাজন ডাক্তার উমর মহম্মদ কট্টরপন্থী ডাক্তারদের এক গোপন নেটওয়ার্কের অংশ ছিল। সে তার কার্যকলাপ জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামের মাধ্যমে চালাত। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জইশ পরিচালিত দু’টি এনক্রিপটেড টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমেই মগজধোলাই শুরু হয়েছিল এই চিকিৎসকদের গ্রুপের৷

    এক জোড়া টেলিগ্রাম গ্রুপ

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ‘ফারজানাদন-ই-দারুল উলুম’ নামক একটি টেলিগ্রাম গ্রুপ ব্যবহার করা হত মগজধোলাইয়ের জন্য। উমর বিন খাতাব নামক এক ব্যক্তি এই টেলিগ্রাম গ্রুপ চালাত। উমর পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের এই চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত ছিল। অন্যদিকে, টেলিগ্রামে ‘র‍্যাডিক্যাল ডক্টর্স গ্রুপ’ নামে একটি চ্যানেল তৈরি করা হয়েছিল। এতে গ্রেফতার হওয়া ডাক্তার আদিল রাথের, মুজাম্মিল শাকিল এবং সন্দেহভাজন হামলাকারী উমর মহম্মদও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এরা সকলেই জইশ-ই-মহম্মদের সদস্য।

    পাকিস্তান থেকে অপারেট হত

    পাকিস্তান থেকে জইশের অপারেটিভ হিসাবে কাজ করত এই চ্যানেলগুলি। এই টেলিগ্রাম সেন্টারগুলিই প্রকৃতপক্ষে ‘ডক্টর্স মডিউল’-এর নার্ভ সেন্টার ছিল৷ তদন্তে উঠে এসেছে, ভারতে নাশকতা ছড়িয়ে দেওয়ার এই কাজ শুরু হয়েছিল মূলত দু’জনের হাত ধরে৷ একজন দিল্লি বিস্ফোরণ মামলার মূল অভিযুক্ত উমর এবং অন্যজন কাশ্মীরের এক ধর্মগুরু মৌলবি ইরফান আহমেদ ওয়াঘা৷ জানা গিয়েছে, কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা উমরের সঙ্গে সোপিয়ানের বাসিন্দা ইরফান আহমেদের কথা শুরু হয়েছিল টেলিগ্রামের মাধ্যমে।

    আজাদ কাশ্মীর থেকে গ্লোবাল জিহাদ

    সূত্র অনুযায়ী, প্রথমে কাশ্মীরের ‘আজাদি’, কাশ্মীরিদের উপরে দমনের মতো কথা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল কথোপকথন৷ ক্রমে তা বৃহত্তর ক্ষেত্রে ছড়িয়ে যায়৷ গ্লোবাল জিহাদ-এ পরিণত হয় আলোচনা। সেখানে মহজধোলাই পর্ব থেকে হাতেনাতে কাজে লেগে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া শুরু হতে থাকে৷ গ্রুপের সদস্যদের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয়, কাজে লাগানো হয়৷ সারা ভারতে ছড়িয়ে ‘প্রফেশনাল কাজের’ আড়ালে স্লিপার সেল তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়৷

    এনক্রিপ্টেড চ্যানেলে কথোপকথন

    বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ডাক্তাররা টেলিগ্রাম চ্যানেলে একে অপরের সঙ্গে কথা বলত। টেলিগ্রাম চ্যানেলের কথোপকথন এনক্রিপ্টেড হওয়ার কারণেই সম্ভবত এটি ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি যে এই টেলিগ্রাম চ্যানেলে কতজন যুক্ত ছিল এবং তাদের মধ্যে কী কী আলোচনা চলছিল। যদি সদস্য সংখ্যা এবং কথোপকথন ডিকোড করা সম্ভব হয়, তাহলে অনেক বড় এবং চমকপ্রদ তথ্য সামনে আসতে পারে।

    তুরস্ক ট্রিপেই সন্ত্রাসী মডিউল তৈরি

    সংবাদমাধ্যমে প্রকাশি রিপোর্ট অনুযায়ী, এই গ্রুপের হ্যান্ডলাররা সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছিল তুরস্কে। মুজাম্মিল ও উমরকে ডেকে পাঠানো হয় সেখানে। মনে করা হচ্ছে, মনে করা হচ্ছে, জইশ-এর সঙ্গে যুক্ত কোনও হ্যান্ডলারের মধ্যস্থতাতেই তাঁদের তুরস্ক সফর নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছিল৷ গোয়েন্দাদের অনুমান, তুরস্ক ট্রিপেই গোটা সন্ত্রাসবাদী মডিউল তৈরি ও হামলার ছক কষা হয়েছিল। তুরস্ক থেকে ফেরার পরই এরা ভারতে নিজেদের গতিবিধি বাড়ায়। ডাঃ মুজাম্মিল ফরিদাবাদের আল ফালাহ্ মেডিক্যাল কলেজে যোগ দেন। ডাঃ আদিলের পোস্টিং সাহারানপুরে হয়।

  • PM Modi in Bhutan: “পুনাতসাংচু-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, ভারত-ভুটান বন্ধুত্বের স্থায়ী প্রতীক” ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi in Bhutan: “পুনাতসাংচু-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, ভারত-ভুটান বন্ধুত্বের স্থায়ী প্রতীক” ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি হলেই ভুটানের জল ভারতে (Bharat Bhutan Relation) ঢুকে পড়ার সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে ডুয়ার্স এলাকার বিভিন্ন স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই জল প্রবেশের ফলে। এই সমস্যার সমাধান হতে চলেছে। ভুটানে (PM Modi in Bhutan) ফুন্টশলিং-এর কাছে হাইড্রো ইলেকট্রিক প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন ভুটানের রাজা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুধু জল সমস্যার সমাধান নয়। এই প্রকল্পে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দু’দেশের কাজে আসবে। এই প্রকল্প দুই দেশের চিরন্তন বন্ধুত্বের প্রতীক, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    পুনাতসাংচু-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প

    ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদি যৌথভাবে উদ্বোধন করেন পুনাতসাংচু-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের, যা দুই দেশের বন্ধুত্বের এক স্থায়ী প্রতীক বলে অভিহিত করেন তিনি। এক্স-এ মোদি লেখেন, “উন্নয়নের জ্বালানি, বন্ধুত্বের গভীরতা ও টেকসই অগ্রগতির প্রতীক! জ্বালানি সহযোগিতা ভারত-ভুটান সম্পর্কের অন্যতম স্তম্ভ। আজ আমরা পুনাতসাংচু-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছি, যা আমাদের দুই দেশের বন্ধুত্বের এক চিরন্তন প্রতীক।” ১০২০ মেগাওয়াটের পুনাতসাংচু-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক শক্তি-সহযোগিতার এক “ঐতিহাসিক মাইলফলক” বলে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। শক্তি সহযোগিতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভুটান বর্তমানে শতভাগ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য শক্তি থেকে উৎপাদন করে। এই অগ্রগতি আরও এগিয়ে নিতে আজ নতুন এক হাজার মেগাওয়াটের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে, যা ভুটানের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৪০% বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি, দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা আরেকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজও পুনরায় শুরু হবে।”

    স্বল্পসুদে ঋণ সহায়তা

    ভুটান (Bharat Bhutan Relation) সফরে গিয়ে ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, সংযোগ, প্রযুক্তি ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে মতবিনিময় হয়। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ভুটানের জ্বালানি প্রকল্পগুলির জন্য ভারত ৪,০০০ কোটি টাকার স্বল্পসুদে ঋণ সহায়তা দেবে। তিনি আরও জানান, “ভারত ও ভুটানের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই ভাবনাতেই গত বছর ভারত সরকার ভুটানের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার জন্য ১০,০০০ কোটি টাকার সহায়তা ঘোষণা করেছিল। এই অর্থ রাস্তা, কৃষি, আর্থিক খাত থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যসেবার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হচ্ছে, যা ভুটানের জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করছে।”

    ভারত-ভুটান রেল যোগাযোগ

    সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোদি জানান, ভুটানের গেলেফু ও সামতসে অঞ্চল ভারতের বিস্তৃত রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এর জন্য ভুটানের গেলেফুতে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট খোলা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে এই চেক পোস্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে জানা গিয়েছে। সীমান্ত পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে মোদি বলেন, “রেল ও সড়ক সংযোগের পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় দ্রুত উন্নয়ন চলছে।” তিনি রাজা ওয়াংচুকের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্পের প্রশংসা করে জানান, ভারত গেলেফুর কাছে একটি নতুন ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট স্থাপন করবে, যাতে পর্যটক ও বিনিয়োগকারীদের চলাচল আরও সহজ হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে ভুটানের শিল্প ও কৃষকরা ভারতের বৃহৎ বাজারে সহজে প্রবেশাধিকার পাবেন। সংযোগ সুযোগ সৃষ্টি করে, আর সুযোগই সমৃদ্ধি আনে।”

    দিল্লি বিস্ফোরণে নিহতদের স্মরণে বিশেষ প্রার্থনা

    ভুটানের (PM Modi in Bhutan) রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক মঙ্গলবার থিম্পুতে দিল্লি বিস্ফোরণে নিহতদের স্মরণে এক বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই প্রার্থনায় হাজার হাজার ভুটানি নাগরিক অংশগ্রহণ করেন। প্রার্থনা সভায় রাজা বলেন, “আসুন, আমরা সবাই একসঙ্গে ভারত ও প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্য প্রার্থনা করি। মোদিজির সকল আশা, দৃষ্টি ও ভারতের সেবার উদ্দেশ্য সফল হোক। তিনি যেন প্রতিটি বাধা অতিক্রম করে আরও উজ্জ্বল, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারেন।” তিনি আরও যোগ করেন, “সবচেয়ে বড় কথা, আজ আমরা এক মুহূর্তের জন্য থেমে সেই মানুষগুলোর জন্য প্রার্থনা করতে চাই, যারা দুর্ভাগ্যবশত দিল্লিতে বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন। আমরা তাদের আত্মার শান্তি কামনা করি।”

    বিশ্ব শান্তির আশা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Bhutan) ভুটানের রাজা ও রানির সঙ্গে থিম্পু বুদ্ধিস্ট মনিস্ট্রিতে পিস প্রেয়ার ফেস্টিভ্যাল যোগ দেন। এই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য বিশ্ব শান্তি কামনা করা। বুদ্ধিস্ট মনেস্ট্রিতে প্রার্থনা করতে দেখা যায় নরেন্দ্র মোদিকে। তিনি বলেন, “গৌতম বুদ্ধের পবিত্র ধাতু ভুটানে যে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে, তা আমাদের দুই দেশের চিরন্তন আধ্যাত্মিক বন্ধনের প্রতিফলন।” দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মঙ্গলবার ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ ও সৌজন্যপূর্ণ অভ্যর্থনা জানান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। ভুটানের চতুর্থ রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের ৭০তম জন্মবার্ষিকীতে যোগ দিতেই মূলত ভুটান গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

  • PM Modi: দেশ ফিরেই দিল্লি বিস্ফোরণে আহতদের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: দেশ ফিরেই দিল্লি বিস্ফোরণে আহতদের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখে-মুখে উদ্বেগের ছাপ! দুদিনের ভুটান সফর শেষ করে বুধবার দেশে ফিরেই লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণে (Delhi Blast) আহতদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এ দিন দুপুরে তিনি দিল্লির লোক নায়ক হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি একে একে আহতদের সঙ্গে দেখা করছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলছেন। কারও পাশে থেকে সমবেদনা জানিয়েছেন। কারও মাথায় হাত দিয়ে দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। কারও সঙ্গে বন্ধুর মতো কথা বলে আতঙ্ক কাটানোর চেষ্টা করেছেন। চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ষড়যন্ত্রের শিকড় খুঁজে বের করা হবে

    আজ, বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট বৈঠকে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবার দিল্লিতে লালকেল্লার কাছে যে বিস্ফোরণ হয়েছিল, সেই বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে এই বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন যে এই বিস্ফোরণের পিছনে যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম পদক্ষেপ করা হবে। বিস্ফোরণের ঘটনায় মোদি মঙ্গলবারই ভুটানের এক অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে দোষীদের সাবধান করে দেন। বলেন, যে বিস্ফোরণ হয়েছে, তার ষড়যন্ত্রের শিকড় খুঁজে বের করা হবে। এর নেপথ্যে চক্রান্তকারী যারা রয়েছে তাদের কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

    ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সরকার

    প্রধানমন্ত্রী আহতদের সঙ্গে কথা বলে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে সরকার। এই ঘটনার গভীরে গিয়ে তদন্ত করবে কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দিল্লির ঘটনায় আমরা সবাই ব্যথিত। পীড়িতদের কথা আমি বুঝতে পারছি। স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি, সমস্ত দোষীদের কাঠগড়ায় এনে দাঁড় করানো হবে।” আগেই, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) স্পষ্ট নির্দেশ দেন— এই হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীকে খুঁজে বের করতে হবে। দিল্লির গাড়ি বিস্ফোরণ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক হয়েছে। দোষীরা কেউই ছাড় পাবে না। এজেন্সিগুলি কঠোরতম পদক্ষেপ করবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংও (Rajnath Singh)জানান, এই ঘটনার নেপথ্যে যারা আছে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কঠোরতম শাস্তিই তাদের প্রাপ্য।

  • SIR: বিএলএ নিয়োগে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন, নির্দেশ এসেছে লিখিত আকারে

    SIR: বিএলএ নিয়োগে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন, নির্দেশ এসেছে লিখিত আকারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এ (SIR) বিএলএ নিয়োগে রাজ্যে বড়সড় পরিবর্তন আনল নির্বাচন কমিশন। আগের নিয়মে নির্দিষ্ট পোলিং স্টেশনের উপর বিএলও নিয়োগ করা হত। এইবার থেকে সেই নিয়মের পরিবর্তন হয়েছে। নিয়োগে যুক্ত বুথ লেভেলের এজেন্টকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের খসড়া ভোটার তালিকা খতিয়ে দেখতে হবে এবং মৃত বা স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম চিহ্নিত করতে হবে। এই নতুন নিয়ম এবার লিখিত ভাবে এসে গেছে সংশ্লিষ্ট দফতরে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    তালিকা তৈরিতে আরও বেশী কার্যকর (SIR)

    কমিশনের নির্দেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “জাতীয় নির্বাচন কমিশন বুথ লেভেল এজেন্ট (BLA) নিয়োগে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সময়োপযোগী এই সিদ্ধান্তকে আমি স্বাগত জানাই। পুরোনো নির্দেশিকাতে বর্ণিত ছিল যে শুধুমাত্র উক্ত বুথের ভোটারই ওই বুথের বিএলএ হতে পারবেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নতুন নির্দেশিকাতে উল্লেখ করেছেন যদি কোনও বুথে বিএলএ নিয়োগ করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হয় তবে ওই বিধানসভা কেন্দ্রের অন্য যে কোনও বুথের ভোটার অন্য কোনও বুথেও বিএলএ হতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনের বিএলএ নিয়োগের এই পরিধি বৃদ্ধিতে সকল রাজনৈতিক দল উপকৃত হবেন। এতে অনুপ্রবেশকারী ও মৃত ভোটারদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে আরও সুবিধা হবে। নতুন এই নির্দেশিকা শক্তিশালী ও স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরিতে আরও বেশি কার্যকর হবে বলে আশা করা যায়। বাস্তব পরিস্থিতিকে বিচার করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপের জন্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে আমি ধন্যবাদ জানাই।”

    বিএলওদের কাজে নজর রাখতে পরাবেন বিএলএরা

    উল্লেখ্য রাজ্যে এসআইআর (SIR) করার ক্ষেত্রে বিএলও-দের পাশাপাশি বিএলএ-দের ভূমিকা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ভোট কেন্দ্র অনুসারে নিযুক্ত বিএলএরা থাকবেন বিএলওদের সঙ্গে। তাঁরা এবার থেকে নজর রাখতে পরাবেন বিএলওদের কাজে। কমিশন ৮ দিনের সময় দিয়েছিল। এই সময়ে মোট ৬ কোটি ৫৬ লক্ষের বেশি ভোটারের কাছে এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছে দিয়েছে বিএলওরা। মোট ভোটারের ৮৫.৭১ শতাংশ ফর্ম বিলি হয়েছে। তবে এখনও ১৫ শতাংশ ভোটার এনুমারেশন ফর্ম পাননি। তবে ১১ নভেম্বরের মধ্যে প্রত্যেক ভোটারের কাছে ওই ফর্ম পৌঁছে দেওয়া হবে। এরপর নেওয়া হবে ফর্ম গ্রহণ, আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। রাজ্যে এই মুহূর্তে ভোটার রয়েছেন ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫২৯।

  • Delhi Blast: দু’বছর ধরে বিস্ফোরক সংগ্রহ! দেশের নানা জায়গায় হামলার পরিকল্পনার কথা স্বীকার শাহিনের?

    Delhi Blast: দু’বছর ধরে বিস্ফোরক সংগ্রহ! দেশের নানা জায়গায় হামলার পরিকল্পনার কথা স্বীকার শাহিনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণের (Delhi Blast) নেপথ্যে ফরিদাবাদ ‘ডক্টর-মডিউল’! এমনই আভাস মিলেছে ফরিদাবাদের বিস্ফোরক এবং অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া মহিলা চিকিৎসক শাহিন শহিদকে জেরা করে। উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের বাসিন্দা শাহিন। তবে কর্মসূত্রে থাকত ফরিদাবাদে। আল-ফালাহ্‌ মেডিক্যাল কলেজে অধ্যাপক-চিকিৎসক ছিল। ওই হাসপাতালে তার সহকর্মীদের দাবি, তাঁরা কেউই বুঝতে পারেননি, শাহিন এ ধরনের কোনও চক্রের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু খুবই অনিয়মিত জীবনযাপন করত শাহিন, যা ইচ্ছে তাই করত, এমনটাই মত সহকর্মীদের।

    কোনও শৃঙ্খলা ছিল না শাহিনের

    ফরিদাবাদে সোমবার ২৯০০ কেজির বেশি বিস্ফোরক উদ্ধার কাণ্ডে নাম উঠে আসে চিকিৎসক শাহিন শাহিদের (Shaheen Sahid)। ঘটনা ঘিরে একাধিক চিকিৎসক ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে। জানা গিয়েছে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা শাহিন, মূলত পাকিস্তানের জইশ-এ-মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর মহিলা উইং-র সদস্য। যে উইং চালায় খোদ জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়া আজহার। এই কুখ্যাত জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য শাহিন আপাতত বন্দি। তার বিরুদ্ধে জঙ্গিদের ফান্ড যোগানের অভিযোগও রয়েছে। তার এক চিকিৎসক সহকর্মীর দাবি, কোনও শৃঙ্খলা ছিল না শাহিনের। প্রায়ই কাউকে কিছু না-জানিয়ে হাসপাতাল থেকে চলে যেত। তাঁর বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগও করা হয়েছিল। তবে শাহিন কোনও ‘সন্ত্রাসমূলক’ কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে, সন্দেহ করেননি কেউই।

    শাহিনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল উমরের

    সোমবার দিল্লির অদূরে হরিয়ানার ফরিদাবাদে ৩৬০ কেজি আরডিএক্স তৈরির মশলা (অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট) উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ জানায়, উত্তর ভারতের বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন হাজার কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। তদন্তকারীদের একাংশের দাবি, ভারতে কোনও বড়সড় নাশকতার ছক কষা হচ্ছিল! দিল্লি বিস্ফোরণ, তারই অঙ্গ। তদন্তের স্বার্থে লালকেল্লা এবং তার আশপাশের অনেক জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। তার মধ্যে একটি ফুটেজ ঘিরেই রহস্য দানা বাঁধছে। সেই ফুটেজে দেখা গিয়েছে, লালকেল্লার সামনে যে গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়, সেই গাড়ি চালাতে দেখা যায় এক জনকে। বিভিন্ন সূত্রে দাবি, ওই চালকই উমর। বিস্ফোরণের কিছু ক্ষণ আগেও তাকেই গাড়ি চালাতে দেখা যায়। এই উমরও পেশায় একজন চিকিৎসক। তার সঙ্গে নাকি যোগাযোগ ছিল ধৃত আদিল মাজিদ রাথর, মুজাম্মিল আহমেদের! জেরায় শাহিন এমনই জানিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সূত্রের। শুধু তাদের সঙ্গে নয়, শাহিনের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল উমরের। খোঁজ নিয়ে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন যে, মুজাম্মিলের সূত্র ধরেই আল-ফালাহ্‌ কলেজে কাজে যোগ দেয় শাহিন। বিবাহবিচ্ছিন্না শাহিনের সঙ্গে নাকি মুজাম্মিলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।

    দেশে একাধিক বিস্ফোরণের পরিকল্পনা

    শাহিন, উমর, আদিল এবং মুজাম্মিল— চার জনই পেশায় চিকিৎসক। তাদের যোগসূত্র গড়ে ওঠে ফরিদাবাদের আল-ফালাহ্‌ মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালকে কেন্দ্র করে! গোয়েন্দা সূত্রে খবর, শাহিন জেরায় জানিয়েছে, হাসপাতালের কাজ শেষে প্রায়ই উমরের সঙ্গে দেখা হত তার। যখনই দেখা হত উমর নাকি ‘দেশে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটানোর’ কথা বলত। গত দু’বছর ধরে নাকি বিস্ফোরণ বা বিস্ফোরণের মালমশলা সংগ্রহের কাজ চলছিল। শাহিনের দাবি, আদিল এবং মুজাম্মিলের সঙ্গে মিলে উমর অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট জাতীয় বিস্ফোরক বোঝাই করছিল। সেই বিস্ফোরক দিল্লির বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। উল্লেখ্য লালকেল্লার কাছে গাড়িতে বিস্ফোরণের পরেই কমলা রঙের আগুন দেখা গিয়েছে। তদন্তকারীদের একটি সূত্রের দাবি, সাধারণত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট থেকে বিস্ফোরণ ঘটলে এই ধরনের আগুন দেখা যায়।

    শাহিনের সঙ্গে অনেকে দেখা করতে আসত

    যে আল-ফালাহ্‌ বিশ্ববিদ্যালয়ে শাহিন কর্মরত ছিল, সেখানের এক সহকর্মী তার সম্পর্কে মুখ খুলেছেন। মুখ খুলেছেন শাহিনের বাবাও। হরিয়ানার ওই বিশ্ববিদ্যালয় দিল্লি থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। দিল্লিতে সোমবারের বিস্ফোরণের পর মঙ্গলের সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে জোরদার তল্লাশি চলেছে। একাধিক জনের সঙ্গে কথা বলেছে পুলিশ। আটকও হয়েছে একাধিক। এদিকে, শাহিন সম্পর্কে বলতে গিয়ে তার আর এক সহকর্মী আরও বড় তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলছেন, ‘ওর (শাহিন) সঙ্গে অনেকেই দেখা করতে আসত কলেজে। ও কখনও কখনও অদ্ভূত ব্যবহার করত। ওর বিরুদ্ধে ম্যানেজমেন্টে অভিযোগও দায়ের হয়।’ প্রশ্ন যায়, শাহিনকে নিয়ে কি কখনও সন্দেহ হয়েছে সন্ত্রাস যোগ ঘিরে? শাহিনের সহকর্মী বলছেন,’ওই দিক দিয়ে কখনওই সন্দেহ হয়নি।’

    শাহিনের বাড়িতে তল্লাশি

    এদিকে, উত্তরপ্রদেশের লখনউতে শাহিনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। সেখানে শাহিনের বাবা বলেন, ‘আমার তিন ছেলেমেয়েদের মধ্যে শাহিন দ্বিতীয় সন্তান। শাহিন এলাহাবাদ থেকে এমবিবিএস ও এমডি করেছে।’ তিনি জানান, দেড় বছর আগে শাহিনকে দেখেছেন তিনি। আর মেয়ে শাহিনের সঙ্গে কথা হয়েছে এক মাস আগে। তিনি জানান বড় ছেলে তাঁর সঙ্গেই থাকেন। আর ছোট ছেলে দূরে থাকেন। ছোট ছেলের সঙ্গে প্রতি সপ্তাহে কথা হয়। এদিকে, শাহিনের সঙ্গে নাম জুড়েছে বিস্ফোরক উদ্ধার মামলায় ধৃত চিকিৎসক মুজাম্মিলের। মুজাম্মিল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করায়, শাহিনের বাবা জানান, তিনি এই নাম কখনওই শাহিনের থেকে শোনেননি।

  • Winter Update: সিউরিতে ১৪, কলকাতায় ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দ্রুত রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত!

    Winter Update: সিউরিতে ১৪, কলকাতায় ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দ্রুত রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতর যা ইঙ্গিত দিয়েছিল, সেই মতো এবার শীত (Winter Update) পড়তে শুরু করেছে। ধীরে ধীরে গোটা রাজ্যে এবার জাঁকিয়ে শীত পড়বে। উত্তরের ঠান্ডা হাওয়া এবার বইতে শুরু করেছে। কলকাতার তাপমাত্রা নামতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে কলকাতার পারদ নেমে দাঁড়িয়েছে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিন কলকাতার তাপমাত্রা ১৮ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। মঙ্গলবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৪১ থেকে ৮৯ শতাংশের মধ্যে।

    হালকা কুয়াশার প্রভাব থাকবে (Winter Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা আপাতত শুষ্ক থাকবে। আগামী ৪ থেকে ৫ দিন তাপমাত্রার খুব একটা পরিবর্তন হবে না। কম বেশি সব জায়গাতে স্বাভাবিকের তলনায় দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকবে তাপমাত্রা। ধীরে ধীরে পশ্চিমী হাওয়ার দাপট বাড়বে। আর তাই শীতের তিব্রতাও বাড়বে। সকালে হালকা কুয়াশার প্রভাব থাকবে তবে ঘন কুয়াশার আপাতত কোনও সতর্কতা নেই। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঠান্ডার বিচারে বীরভূমের সিউরিতে তাপমাত্রা (Winter Update) ছিল সব থেকে কম। সেখানে তাপমাত্রা নেমে যায় ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম।

    কেমন উত্তরের আবহাওয়া?

    তবে উত্তরবঙ্গেও আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী ৪ থেকে ৫ দিন তাপমাত্রার বিশেষ কোনও পরিবর্তন থাকছে না। মোটামুটি সব জেলাতেই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কম থাকবে। গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকাগুলির মধ্যে দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা (Winter Update) সবথেকে কম ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল।

    অপরে উত্তর ও মধ্যে ভারতে চরম শৈত্য (Weather Update) প্রবাহ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে মধ্যপ্রদেশে গতকাল পর্যন্ত ছিল চরম শীত। রাজধানী দিল্লিতেই প্রবল শীত পড়েছে। হরিয়ানা, ছত্তিশগড়, রাজস্থানে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত শৈত্য প্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আগামিকাল থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশে শৈত্য প্রবাহের পরিস্থিতি থাকবে। তামিলনাড়ু, পন্ডিচেরি এবং করাইকালে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কোনও কোনও এলাকায় আবার বজ্র বৃষ্টিসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Military Grade Explosives: দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহৃত ২ ধরনের ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক! অনুমান তদন্তকারীদের, এগুলি কতটা বিপজ্জনক?

    Military Grade Explosives: দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহৃত ২ ধরনের ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক! অনুমান তদন্তকারীদের, এগুলি কতটা বিপজ্জনক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লা এলাকায় গাড়ি-বিস্ফোরণে (Delhi Red Fort Blast) কী ধরনের রাসয়নিক বা বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। ফরেনসিক রিপোর্ট না আসায় সঠিকভাবে তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেখে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, ‘মিলিটারি-গ্রেড’ (Military Grade Explosives) বা সামরিক মানের শক্তিশালী বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল। যে বিস্ফোরক সেনা জওয়ানদের ব্যবহারের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি হয়, তাই দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ২ ধরনের রাসায়নিকের ব্যবহার?

    একইসঙ্গে তদন্তকারীরা এও জানাচ্ছেন, সম্ভবত ২ ধরনের রাসায়নিকের ব্যবহার করা হয়েছে বিস্ফোরণে (Delhi Red Fort Blast)। তদন্তকারীদের সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ঘটনাস্থল থেকে নুমনা পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে একটি অ্যামেনিয়াম নাইট্রেটের মতো কোনও রায়াসনিক হতে পারে। তবে দ্বিতীয় বিস্ফোরকের (Military Grade Explosives) প্রকৃতি সম্পর্কে কোনও সুস্পষ্ট তথ্য মেলেনি। ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে সুস্পষ্ট হবে।

    এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, ঘটনাস্থল থেকে ৪২টি নমুনা সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। এর মধ্যে রয়েছে আই-২০ গাড়ির টায়ার, চেসিস, সিজিসি সিলিন্ডার, বনেটের অংশ এবং বিভিন্ন অবশেষ। ল্যাবরেটরিতে এই নমুনাগুলো পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সম্ভবত পেন্টেরিথ্রিটল টেট্রানাইট্রেট বা সংক্ষেপে পিইটিএন (PETN), সেমটেক্স (SEMTEX) বা আরডিএক্স (RDX)-এর মতো শক্তিশালী বিস্ফোরক ছিল ওই গাড়িতে।

    পিইটিএন, সেমটেক্স, আরডিএক্স

    পিইটিএন অত্যন্ত শক্তিশালী রাসায়নিক (Military Grade Explosives)। অল্প পরিমাণের সাহায্যেই বড় বিস্ফোরণ ঘটানো সম্ভব। সবচেয়ে বড় কথা, এর বর্ণহীন স্ফটিক আকৃতির জন্য একে সনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন। পিইটিএন শক বা তাপের অধীনে বিস্ফোরণ ঘটায়। ফলে, অতিরিক্ত ধাতব টুকরোর প্রয়োজন হয় না। বিস্ফোরক থেকে প্রাপ্ত বিস্ফোরণ শক্তি একটি যানবাহন ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট। এর উচ্চ ক্ষমতা এবং কম সনাক্তযোগ্য বৈশিষ্ট্যের কারণে, সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রে এটি বহুল ব্যবহৃত।

    সেমটেক্স ও আরডিএক্স-ও সামরিক মানের শক্তিশালী বিস্ফোরক (Military Grade Explosives), যা সন্ত্রাসী হামলায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত। এগুলির কোনও ক্ষেত্রেই বিস্ফোরণে পেলেট কিংবা শার্পনেল প্রয়োজন হয় না। তদন্তে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং ডিটোনেটরের সম্ভাব্য ব্যবহারেরও ইঙ্গিত মিলেছে। অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মিশ্রিত জ্বালানি (ANFO) তেল এবং ডিটোনেটর ব্যবহারের সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। এটি আইইডি তৈরিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়।

    ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক ঠিক কী?

    কী এই ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক (Military Grade Explosives), যা সেনা ব্যবহার করে থাকে? কতটা শক্তিশালী? ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক সাধারণত, সেনাবাহিনীর কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়। সেনার মানদণ্ড ও প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদন হয়। জওয়ানরা তা যুদ্ধ বা প্রতিরক্ষা মিশনে ব্যবহার করেন। এই ধরনের বিস্ফোরক পদার্থের শক্তি অনেক বেশি। কার্যকারিতা রীতিমতো ভয়াবহ। নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার উদ্দেশেই ‘সামরিক মানের’ বিস্ফোরক প্রস্তুত করা হয়। সাধারণত সেনাবাহিনী এবং নির্দিষ্ট কিছু সরকারি সংস্থাই এগুলো ব্যবহার করতে পারে।

    এখন প্রশ্ন হল, কীভাবে এই রাসায়নিক এল জঙ্গিদের হাতে? এটাই ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের।

  • Delhi pollution: মারাত্মক আকার ধারণ করল দিল্লির বায়ু দূষণ, জারি তৃতীয় ধাপের বিধিনিষেধ

    Delhi pollution: মারাত্মক আকার ধারণ করল দিল্লির বায়ু দূষণ, জারি তৃতীয় ধাপের বিধিনিষেধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিস্ফোরণের পরের দিনই বায়ু দূষণ চরম আকার নিয়েছে দিল্লিতে (Delhi pollution)। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, রাজধানীতে বায়ুদূষণ ভয়ঙ্কর মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে। জানা গিয়েছে মঙ্গলবার দিল্লিতে গড় একিউআই ছিল ৩৬২। একদিনের বায়ু দূষণে দিল্লির আকাশ-বাতাস বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। শান্ত বাতাস, স্থিতিশীল আবহাওয়া এবং দূষণের কারণে বাতাসের মান আরও খারাপ হয়ে গিয়েছে। আর এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দিল্লি সরকার তৃতীয় ধাপের বিধিনিষেধ (Grap-3) আরোপ করেছে।

    অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও ভাঙাচোরা কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ (Delhi pollution)

    নতুন পর্যায়ে দিল্লিতে (Delhi pollution) জারি হয়েছে দূষণ সংক্রান্ত তৃতীয় ধাপ। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দিল্লি এবং এনসিআর অঞ্চলে অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও ভাঙাচোরা কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যে পাথর ভাঙা এবং খনন কাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই ভাবে সরকার জানিয়েছে বিএস-৩ পেট্রোল এবং বিএস-৫ ডিজেল গাড়ি রাস্তায় নামানো যাবে না। তবে যেসব নাগরিক প্রতিবন্ধী তাঁদের জন্য অবশ্য এই নিয়ম কার্যকর হবে না। স্কুলের ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে বেশকিছু পরিবর্তন। পঞ্চম শ্রেণি থেকে সমস্ত স্কুলকে হাইব্রিড শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে বলা হয়েছে। তবে অভিভাবকরা চাইলে অনলাইন ক্লাসের বিকল্প বেছে নিতে পারেন।

    তৃতীয় ধাপের কঠিন বিধিনিষেধ কখন জারি হয়

    যদিও শীতকালে দিল্লি (Delhi pollution) এবং এনসিআরে দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই শীতকালে দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তবে বায়ু দূষণের আসল কারণ হল গাড়ির ধোঁয়া এবং দিল্লি সহ হরিয়ানা, পাঞ্জাব এবং উত্তরপ্রদেশে খড় পড়ানোর জন্য। একইভাবে আতসবাজির ধোঁয়া এবং প্রতিকূল আবহাওয়াটাও ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    গ্রেডেড রেস্পন্স অ্যাকশন (Grap-3) প্ল্যান মূলত দিল্লি এনসিআর চারটি পর্যায়ে নির্ধারণ করা হয়। প্রথম ধাপ পুরএকিউআই ২০১-৩০০, দ্বিতীয় ধাপ ভেরি পুর একিউআই ৩০১-৪০০, তৃতীয় ধাপ সিভিয়ার একিউআই ৪০১-৪৫০ এবং চতুর্থ ধাপ সিভিয়ার প্লাস একিউআই ৪৫০–এর উপরে। যদি বায়ুর দূষণকে কোনও ভাবেই নিয়ন্ত্রণ না করা যায় তাহলে তৃতীয় ধাপের কঠিন বিধিনিষেধ আরোপ করতে হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয় তাহলে আগামীদিনে জনজীবনের উপর চরম প্রভাব পড়তে পারে।

LinkedIn
Share