Tag: bangla news

bangla news

  • Ramakrishna 29: “বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ…দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর”

    Ramakrishna 29: “বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ…দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর”

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    বিদ্যাসাগর

    সিঁড়ি দিয়া উঠিয়া একেবারে প্রথম কামারাটিতে (উঠিবার পর ঠিক উত্তরের কামরাটিতে) ঠাকুর ভক্তগণসঙ্গে প্রবেশ করিতেছেন। বিদ্যাসাগর কামরার উত্তরপার্শ্বে দক্ষিণাস্য হইয়া বসিয়া আছেন; সম্মুখে একটি চারকোণা লম্বা পালিশ করা টেবিল। টেবিলের পূর্বধারে একখানি পেছন দিকে হেলান-দেওয়া বেঞ্চ। টেবিলের দক্ষিণপার্শ্বে ও পশ্চিমপার্শ্বে কয়েকখানি চেয়ার। বিদ্যাসাগর দু-একটি বন্ধুর সহিত কথা কহিতেছিলেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) প্রবেশ করিলেন পর বিদ্যাসাগর দণ্ডায়মান হইয়া অভ্যর্থনা করিলেন। ঠাকুর পশ্চিমাস্য, টেবিলের পূর্বপার্শ্বে দাঁড়াইয়া আছেন। বামহস্ত টেবিলের উপর। পশ্চাতে বেঞ্চখানি। বিদ্যাসাগরকে পূর্বপরিচিতের ন্যায় একদৃষ্টে দেখিতেছেন ও ভাবে হাসিতেছেন।

    বিদ্যাসাগরের বয়স আন্দাজ ৬২/৬৩, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) অপেক্ষা ১৬/১৭ বৎসর বড় হইবেন। পরনে থান কাপড়, পায়ে চটি জুতা, গায়ে একটি হাত-কাটা ফ্লানেলের জামা। মাথার চতুপার্শ্বে উড়িষ্যাবাসীদের মতো কামানো। কথা কহিবার সময় দাঁতগুলি উজ্জ্বল দেখিতে পাওয়া যায়,–দাঁতগুলি সমস্ত বাঁধানো। মাথাটি খুব বড়। উন্নত ললাট ও একটু খর্বাকৃতি। ব্রাহ্মণ—তাই গলায় উপবীত।

    বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ। প্রথম—বিদ্যানুরাগ। একদিন মাস্টার কাছে এই বলতে বলতে সত্য সত্য কেঁদেছিলেন, আমার তো খুব ইচ্ছা ছিল যে, পড়াশুনা করি, কিন্তু কই তা হল! সংসারে পড়ে কিছুই পেলাম না। দ্বিতীয়—দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর। বাছুরেরা মায়ের দুধ পায় না দেখিয়া নিজেকে কয়েক বৎসরের ধরিয়া দুধ খাওয়া বন্ধ করিয়াছিলেন, শেষে শরীর অতিশয় অসুস্থ হওয়াতে অনেকদিন পর আবার ধরিয়াছিলেন। গাড়িতে চড়িতেন না– ঘোড়া নিজের কষ্ট বলিতে পারে না। একদিন দেখলেন, একটি মুটে কলেরা রোগে আক্রান্ত হইয়া রাস্তায় পড়িয়া আছে। দেখিয়া নিজের কোলে করিয়া তাহাকে বাড়িতে আনিলেন ও সেবা করিতে লাগিলেন। তৃতীয়–স্বাধীনতাপ্রিয়তা। কর্তৃপক্ষদের সঙ্গে একমত না হওয়াতে, সংস্কৃত কলেজের প্রধান অধ্যক্ষের (প্রিন্সিপ্যাল) কাজ ছাড়িয়া দিলেন। চতুর্থ—লোকাপেক্ষা করিতেন না। একটি শিক্ষককে ভালবাসিতেন; তাঁহার কন্যার বিবাহের সময়ে নিজে আইবুড়ো ভাতের কাপড় বগলে করে এসে উপস্থিত। পঞ্চম—মাতৃভক্তি ও মনের বল। মা বলিয়াছেন, ঈশ্বর তুমি যদি এই বিবাহে (ভ্রাতার বিবাহে) না আস তাহলে আমরা ভারী মন খারাপ হবে, তাই কলিকাতা হইতে হাঁটিয়া গেলেন। পথে দামোদর নদী, নৌকা নাই, সাঁতার দিয়া পার হইয়া গেলেন। সেই ভিজা কাপড়ে বিবাহ রাত্রেই বীরসিংহায় মার কাছে গিয়া উপস্থিত! বলিলেন মা এসেছি!

    আরও পড়ুন: “আমাকে বিদ্যাসাগরের কাছে কি লইয়া যাইবে? আমার দেখিবার বড় সাধ হয়”

    আরও পড়ুনঃ “সব ত্যাগ করে ভগবানকে ডাক–তিনিই সত্য আর সব অনিত্য”

    আরও পড়ুনঃ“এই স্থানে নরেন্দ্রের গান ঠাকুর প্রথমে শুনেন ও তাঁহাকে দক্ষিণেশ্বরে যাইতে বলেন”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Remal: ঘূর্ণিঝড় রেমালের দাপটে সোমবার বিকেলেও বৃষ্টি শহরে, কবে কাটবে দুর্যোগ?

    Cyclone Remal: ঘূর্ণিঝড় রেমালের দাপটে সোমবার বিকেলেও বৃষ্টি শহরে, কবে কাটবে দুর্যোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অঝোরে বৃষ্টি (Rain in Kolkata) হচ্ছে শহর কলকাতায়। রবিবার দুপুর থেকে শুরু হয়ে সোমবার বিকেল এখনও থামার নাম নেই। ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Cyclone Remal) প্রভাবে সপ্তাহের প্রথম দিনে কার্যত অবরুদ্ধ শহর। ঘর বন্দি সাধারণ মানুষ। যাঁরা বেরিয়েছেন, তাঁরা দুর্ভোগের শিকার। উত্তর কলকাতার বেশিরভাগ এলাকাই কার্যত জলে ভাসছে। ক্যামাকস্ট্রিট, বালিগঞ্জ, পার্ক সার্কাস সহ জলমগ্ন শহরের একাধিক এলাকা।  

    কী বলছে হাওয়া অফিস

    আলিপুরের তরফে জানানো হয়েছে, শক্তি খুইয়ে ক্রমশ উত্তর এবং উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে যাচ্ছে রেমাল (Cyclone Remal)। প্রতি ঘণ্টায় ঝড়টির গতিবেগ মাত্র ১৫ কিলোমিটার। সোমবার বিকেলের দিকে ঝড়টি আরও খানিকটা শক্তি কমিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন আবহবিদেরা। রাতের দিকে গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তর-পূর্বে অগ্রসর হয়ে সাধারণ নিম্নচাপে পরিণত হবে। তবে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজ্যের মধ্যবর্তী জেলাগুলির উপর দিয়ে যাওয়ার সময় দুর্যোগ ঘটাবে রেমাল।

    কবে কমবে বৃষ্টি

    আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ অংশে ভারী থেকে অতিভারী (৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার) বৃষ্টি হবে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির (Rain in Kolkata) কারণে সোমবার সারা দিন গেরুয়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, দুই ২৪ পরগনায়। ভারী বৃষ্টির কারণে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান এবং দুই মেদিনীপুরে। তবে উপকূলবর্তী জেলাগুলির তুলনায় এবার দক্ষিণবঙ্গের উপর দিকের জেলাগুলিতে ঝড়বৃষ্টির (Cyclone Remal) প্রাবল্য বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মঙ্গলবার থেকে আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    পুনরায় চালু মেট্রো পরিষেবা

    ট্রেন ও বিমান পরিষেবার মতোই রেমালের জেরে আংশিক ব্যাহত হয় মেট্রো পরিষেবা। সপ্তাহের প্রথম কর্মব্যস্ত দিনে মেট্রো চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় বিপাকে পড়তে হয় বহু যাত্রীদের। এদিন সকালে প্রায় ৪ ঘণ্টা ১৫ মিনিট বন্ধ ছিল পরিষেবা। এদিন পার্ক স্ট্রিট এবং এসপ্ল্যানেড স্টেশনের মধ্যবর্তী ট্র্যাকগুলিতে জল জমার খবর সামনে আসে। এরফলে আংশিকভাবে বিঘ্নিত হয় পরিষেবা। সকাল ৭টা ৫১ মিনিট নাগাদ দক্ষিণেশ্বর থেকে গিরিশ পার্ক এবং কবি সুভাষ থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার পর্যন্ত মেট্রো চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মধ্যবর্তী স্টেশনগুলিতে মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকার ফলে বিপাকে পড়েন বহু যাত্রী। এরপর ১২টা ৫ মিনিট নাগাদ পরিষেবা স্বাভাবিক হয় এবং কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর মেট্রো চলাচল শুরু হয়। 

    আরও পড়ুন:রেমালের প্রকোপে প্রায় দশ ঘণ্টা পর শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় চলল ট্রেন

    রাস্তায় যানবাহন কম

    এদিন ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয় নিত্যযাত্রীদের। একাধিক রাস্তায় গাছ পড়ে থাকার কারণে গাড়ির গতি স্লথ ছিল। তার উপর বৃষ্টি (Rain in Kolkata)। সুযোগ বুঝে অ্যাপ ক্যাবগুলিও ভাড়া বাড়িয়েছিল কয়েকগুণ। রাস্তাঘাটে এদিন বাস এবং ট্যাক্সির সংখ্যাও ছিল হাতে গোনা। শেয়ার ক্যাবগুলিও এদিন চড়া দাম হাঁকিয় পরিস্থিতির সুযোগ নেয়, অভিযোগ যাত্রীদের।

    বেশি বৃষ্টি বেহালা-বালিগঞ্জে

    ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Cyclone Remal) দাপটে রবিবার রাতে শহরে নানা জায়গায় রাস্তায় ছিঁড়ে পড়ে রয়েছে বিদ্যুতের তার। শহরের একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ায় অবরুদ্ধ বিভিন্ন রাস্তা। কলকাতা পুরসভার  হিসেব অনুযায়ী সব থেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছে বেহালা ও বালিগঞ্জে। কলকাতা পুলিশ ও কলকাতা পুরসভা গাছ সরানোর কাজ চালাচ্ছে। তবে বৃষ্টির কারণে ভেঙে পড়া গাছ সরাতে বেগ পেতে হচ্ছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghar Wapsi: বাংলা ও অসমে ‘ঘর ওয়াপসি’, হিন্দু ধর্মে ফিরে এলেন তিন কন্যা

    Ghar Wapsi: বাংলা ও অসমে ‘ঘর ওয়াপসি’, হিন্দু ধর্মে ফিরে এলেন তিন কন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মুসলিমরা ধর্মান্তকরণের মাধ্যমেই হিন্দু থেকে ইসলামকে গ্রহণ করেছেন – এ তত্ত্ব আজ প্রতিষ্ঠিত। হিন্দু সংস্কৃতিকে ভালোবেসে তাই অনেকেই ফিরে আসছেন সনাতন ধর্মে। সাম্প্রতিক সময়ে এমনই ঘটনা দেখা দেল পূর্ব ভারতের অসম ও পশ্চিমবঙ্গে। ‘ঘর ওয়াপসি’-র পরে মুসলিম মেয়েদের নামকরণও বদলে গেল (Ghar Wapsi)। বিবাহ বন্ধনে প্রত্যেকেই আবদ্ধ হলেন হিন্দু ছেলের সঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গের বানু খাতুন হলেন অনু এবং অনীশা খাতুন হলেন অন্বেষা। অন্যদিকে অসম রাজ্যের আমিনা হলেন রাধা রবিদাস।

    পশ্চিমবঙ্গের ‘ঘর ওয়াপসি’ (Ghar Wapsi)

    তবে ‘ঘর ওয়াপসি’-র এই কাজ যে খুব সহজে হয়েছে এমনটা নয়। তাঁদেরকে প্রবল বাধার মুখে পড়তে হয়। কোনও ভাবেই দুই কন্যার বাড়ির লোকজন চায়নি এমন সম্পর্ক মেনে নিতে। এই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু সংহতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রীতিমতো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে তাঁদেরকে হিন্দু সমাজে স্বাগত জানানো হয়। ‘ঘর ওয়াপসি’-র মাধ্যমে হিন্দু ধর্মে ফিরে আসা প্রত্যেকেই মনে করছেন, এই ধর্মে মেয়েদের জন্য রয়েছে ব্যাপক স্বাধীনতা ও সম্মান। ‘ঘর ওয়াপসি’-র পরপরই প্রত্যেকে নিজেদের পরিচয়কে গোপন রেখেছিলেন তাঁদের নিজস্ব নিরাপত্তার কারণেই। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে আরও একটি ‘ঘর ওয়াপসি’র ঘটনা সামনে এসেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার মহকুমার লুৎফন্নেসা খাতুন হিন্দু ধর্মকে গ্রহণ করেছেন।

    অসমের ‘ঘর ওয়াপসি’ (Ghar Wapsi)

    অন্যদিকে অসমের ‘ঘর ওয়াপসি’-র (Ghar Wapsi) ঘটনাটি ঘটেছে সেখানকার করিমগঞ্জ জেলাতে। সেখানে নতুনভাবে ঘর বেঁধেছেন ইসলাম ত্যাগ করে আসা আমিনা। তাঁকেও স্বাগত জানাতে রীতিমতো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত ২৬ মে আমিনাকে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাগত জানায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। জানা যায়, ২০২০ সালেই প্রেমিক শ্যাম রবিদাসকে বিয়ে করেন আমিনা। জানা গিয়েছে, শ্যামের পরিবার আমিনার পরিবারের সঙ্গে বিবাদে যেতে চায়নি। তাই তারা মানেনি এই বিয়ে। কিন্তু দম্পতি বিশেষ বিবাহ আইনে স্বামী-স্ত্রী হয়ে যায়, তাই তাদের পরিবার তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতেও পারেনি। চার বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরতে থাকে তারা। এই সময়ের মধ্যে আমিনা একটি সন্তানের মা হয়। সন্তানের জন্ম দেওয়ার পরে শ্যাম এবং আমিনা ফিরে আসার কথা চিন্তা করে। এরপরেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদে এগিয়ে আসে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে ২০ জন অসুস্থ, সরব বিজেপি

    Bankura: পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে ২০ জন অসুস্থ, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এলাকায় পাইপ লাইন বসানো হয়েছে। তবে, এখনও পানীয় জল পরিষেবা শুরু হয়নি। এমনিতেই টিউবওয়েল থেকে জল ঠিক মতো বের না হওয়ায় জল সঙ্কট দেখা দিয়েছে বাঁকুড়ার (Bankura) সিমলাপাল ব্লকের লক্ষ্মীসাগর এলাকায়। আর জলের পরিষেবা দিতে গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পাঠানো পানীয় জলের ট্যাঙ্ক পাঠানো। সেই জল খেয়ে বিপত্তি।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) সিমলাপাল ব্লকের লক্ষ্মীসাগর দাসপাড়া পানীয় জলের সমস্যার কারণে স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েত থেকে ট্যাঙ্কারে পানীয় জল পাঠিয়েছিল। সেই জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন প্রায় ২০ জন। এরইমধ্যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনজন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোটের দিন স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েতের তরফে ট্যাঙ্কার পাঠানো হয়। সেখান থেকেই জলপান করেন গ্রামের লোকেরা। অভিযোগ, সেই জল খেয়েই অসুস্থ হতে শুরু করেন লোকজন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেটে ব্যথা, পাতলা পায়খানা, বমির উপসর্গ দেখা হয়। একজন বা দুজন নয়। এলাকায় ওই জল যাঁরা খেয়েছেন, তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ফলে, পঞ্চায়েতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে ২০ জন অসুস্থ

    হাসপাতালে ভর্তি থাকা এক গ্রামবাসী বলেন, “পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে এরকম হয়েছে। ট্যাঙ্কের জল আসে এখানে। ওই জল খেয়ে ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি। বমি, পায়খানা, পেটে ব্যথা। বাচ্চাদেরও হয়েছে।” জানা গিয়েছে, একের পর এক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁদের সিমলাপাল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনজনের অবস্থার অবনতি হলে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এলাকার বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পাইপ লাইন থাকলেও জলের বালাই নেই। ভোটের আগে জলের ট্যাঙ্কার এনে পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তাতেই এমন কাণ্ড! আমরা এই ঘটনার তদন্ত দাবি করছি। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কেউ কোনও কথা বলতে চাননি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NCBC: ইউপিএ জমানায় ৩৫ মুসলিম শ্রেণি ওবিসি তালিকাভুক্ত হয়েছিল মমতার সুপারিশে!

    NCBC: ইউপিএ জমানায় ৩৫ মুসলিম শ্রেণি ওবিসি তালিকাভুক্ত হয়েছিল মমতার সুপারিশে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বাতিল হয়েছে ৭৭ শ্রেণির ওবিসি শংসাপত্র। এর মধ্যে রয়েছে ৭৫টি মুসলমান শ্রেণি। কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়ের পরে গা ঝাড়া দিয়ে উঠল ন্যাশনাল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস বা এনসিবিসি (NCBC)। তালিকা থেকে আরও কিছু শ্রেণিকে বাদ দেওয়া যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা করছে তারা।

    কী বললেন এনসিবিসির চেয়ারম্যান? (NCBC)

    এনসিবিসির চেয়ারম্যান হংসরাজ গঙ্গারাম আহির বলেন, “২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ইউপিএ সরকার ওবিসি তালিকায় এমন কোনও শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল কিনা, যারা ওই শ্রেণিগুলোর (কলকাতা হাইকোর্ট যাদের বাতিল করেছে) মতো, তা খতিয়ে দেখা হবে।” তিনি জানান, ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেন্ট্রাল ওবিসি তালিকায় ৪৬টি শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করতে সুপারিশ করেছিল তৎকালীন কংগ্রেস পরিচালিত ইউপিএ সরকারকে। এদের মধ্যে ৯টি বাতিল করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল ৩৭টি শ্রেণি।

    ৩৭ এর মধ্যে ৩৫টিই মুসলমান শ্রেণি

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “৩৭টি শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য নোটিশ জারি করেছিল সরকার। এর মধ্যে ৩৫টি শ্রেণিই মুসলমান সম্প্রদায়ের। কেবল বাংলা থেকেই অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ৩৭টি শ্রেণি। সেই তালিকাই এখন পরীক্ষা করব আমরা।” তিনি বলেন (NCBC), “যদি দেখা যায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে যেসব শংসাপত্র বাতিল হয়েছে, তাদের কোনও শ্রেণি ওই তালিকায় রয়ে গিয়েছে, তাহলে ওই শ্রেণিকে বাদ দেওয়ার জন্য এনসিবিসি সোশ্যাল জাস্টিস মিনিস্ট্রিকে রেকমেন্ড করবে।”

    আর পড়ুন: ২৮ তারিখ কলকাতায় রোড-শো মোদির, আগে যাবেন বাগবাজারে সারদা মায়ের বাড়ি

    প্রসঙ্গত, এর আগে এনসিবিসি রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশিদের ওই তালিকা থেকে বাদ দিয়েছিল। অভিযোগ, এদের ওবিসি সার্টিফিকেট পাইয়ে দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারই এদের এই শংসাপত্র দিয়েছিল। এনসিবিসি কর্তা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার যেসব মুসলমান শ্রেণিকে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট তাদের বাদ দিয়েছে, এটা দুঃখজনক। শুনানির সময়ই আমার খারাপ লেগেছিল – হোন না তাঁরা বাঙালি কিংবা বাংলাদেশি। এভাবে চলতে থাকলে যাঁরা প্রকৃতই ওবিসি, তালিকায় ঠাঁই হবে না তাঁদের। উল্লেখ্য, গোটা মুসলমান সমাজকে ওবিসি তালিকার অন্তর্ভুক্ত করায় কর্নাটকের মুখ্যসচিবকে গত মাসে তলব করেছিল এনসিবিসি (NCBC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bank Holiday June 2024: জুনের প্রথম দিনেই ছুটি ব্যাঙ্ক! পরিষেবা ব্যাহত আরও ১২ দিন  

    Bank Holiday June 2024: জুনের প্রথম দিনেই ছুটি ব্যাঙ্ক! পরিষেবা ব্যাহত আরও ১২ দিন  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) ছুটির তালিকা অনুযায়ী জুনেও অনেকদিন ছুটি থাকবে ব্যাঙ্ক (Bank Holiday June 2024) । ফলে বিভিন্ন ধর্মীয় ছুটি, আঞ্চলিক উৎসব ও সপ্তাহান্তের ছুটির কারণে জুন মাসে মোট ১২ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্কগুলি। যদিও বিভিন্ন রাজ্যে এই ছুটির তালিকায় ভিন্নতা রয়েছে। ফলে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে অন্য রাজ্যের ব্যাঙ্ক ছুটির তালিকার ভিন্নতা রয়েছে। মাসের প্রথম দিনই ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে কলকাতায়। কারণ এদিন ভোট রয়েছে কলকাতা ও শহরতলী এলাকায়। জুন মাসে আর কবে কবে ছুটি? দেখে নিন একনজরে…

    কবে কোথায় ব্যাঙ্ক বন্ধ (Bank Holiday June 2024)

    ১ জুন: সপ্তম দফার লোকসভা নির্বাচন (Loksabha Election 2024) । ৮ রাজ্যের ৫৭টি কেন্দ্রে স্থানীয়ভাবে বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক। এরাজ্যে কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনায় বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক।

    ৯ জুন: হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা এবং রাজস্থান রাজ্যে মহারানা প্রতাপ জয়ন্তীর কারণে ছুটি।

    ১০ জুন: পাঞ্জাবের শ্রী গুরু অর্জুন দেবের শহিদ দিবসের কারণে ছুটি।

    ১৪ জুন: ওড়িশার ব্যাঙ্কগুলি এই দিনে পহিলি রজর জন্য বন্ধ থাকবে।

    ১৫ জুন: উত্তর-পূর্ব রাজ্য মিজোরামের ব্যাঙ্কগুলি ওয়াইএমএ দিবসের জন্য বন্ধ থাকবে; এবং ওড়িশার ব্যাঙ্কগুলি রজ সংক্রান্তির জন্য বন্ধ থাকবে।

    ১৭ জুন: বকরি-ইদ বা ইদুজ্জোহা উপলক্ষে কিছু রাজ্য ছাড়া ভারতজুড়ে ব্যাঙ্কগুলি বন্ধ থাকবে।

    ২১ জুন: বতঁ সাবিত্রী ব্রতের জন্য অনেক রাজ্যের ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে।

    সপ্তাহ শেষের ব্যাঙ্ক ছুটির তালিকা

    ৮ জুন দ্বিতীয় শনিবার ভারত জুড়ে ব্যাঙ্কগুলি বন্ধ থাকবে।

    ২২ জুন চতুর্থ শনিবার ভারত জুড়ে ব্যাঙ্কগুলি বন্ধ থাকবে।

    ২, ৯, ১৬, ২৩ এবং ৩০ জুন মাসের পাঁচ রবিবার ভারত জুড়ে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে।

    ব্যাঙ্কের শাখা বন্ধ থাকলেও ব্যাহত হবে না অনলাইন পরিষেবা

    ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় এখন দুটি দিক। একটি শাখার কাজকর্ম, অন্যটি অনলাইন (Online Banking) পরিষেবা। মোবাইল ব্যাঙ্কিং বা নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে লেনদেনের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই।

    আরও পড়ুন: রেমালের প্রকোপে প্রায় দশ ঘণ্টা পর শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় চলল ট্রেন

    যেদিন ব্যাঙ্কের শাখা আপনার এলাকায় বন্ধ থাকবে সেদিন UPI-এর মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতে পারেন। এছাড়াও আপনি নগদ তোলার জন্য এটিএম ব্যবহার করতে পারেন। এখন ডিজিটাল ব্যাঙ্কিংয়ের জমানায় ঘরে বসেই টাকা পাঠানো যায়। তবে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের শাখায় যেতেই হয়। সেই কাজের জন্য আগামী দিনে ব্যাঙ্কে যাওয়ার আগে আপনার এলাকায় ছুটির (Bank Holiday June 2024) তালিকা দেখে নিন। না হলে ব্যাঙ্কে গিয়েও খালি হাতে ফিরে আসতে হবে আপনাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Drone Technology: বিশ্বজুড়ে সামরিক ড্রোনের চাহিদা তুঙ্গে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিপুল উৎপাদন ভারতেই

    Drone Technology: বিশ্বজুড়ে সামরিক ড্রোনের চাহিদা তুঙ্গে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিপুল উৎপাদন ভারতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনুষ্যবিহীন আকাশযান হল ড্রোন। বর্তমানে পৃথিবীব্যাপী যুদ্ধে ড্রোন প্রযুক্তি (Drone Technology) ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, নজরদারি চালানোর কাজে এর জুড়ি নেই। সাম্প্রতিক সময়ে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলিতে আক্রমণ শানাতে হুথি জঙ্গিগোষ্ঠী ব্যবহার করে ড্রোন। ড্রোন হামলা, তাই আজ অতি পরিচিত শব্দ হয়ে উঠেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও এর ব্যাপক ব্যবহার দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে, তুর্কি সেনা আরবের বিরুদ্ধেও সফলভাবে ড্রোন ব্যবহার করেছে। অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও নিরাপত্তার কাজে ড্রোন ব্যবহার করা হয়। দেশে মোদি জমানায় বাড়ছে ড্রোনের উৎপাদনও। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যেই কয়েক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ড্রোন উৎপাদন করতে সক্ষম হবে আমাদের দেশ। আজকে আমাদের এই প্রতিবেদনে ড্রোনের উৎপত্তি, তার সামরিক প্রয়োগ, ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ড্রোনের ব্যবহার এই সমস্ত কিছু নিয়েই আলোচনা করা হবে।

    গত ২০ বছরে ড্রোন প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বিগত ২০ বছরেই ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগেই বলা হয়েছে, ড্রোন হল মনুষ্যবিহীন আকাশ যান (Drone Technology)। যেটি কোনও মানুষকে অপারেট করতে হয় না। প্রযুক্তি ও সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে তা উড়তে পারে। বহু দূর থেকে পরিচালিত হতে পারে। আবার যে কোনও প্রাণঘাতী বিস্ফোরক ও ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতেও সক্ষম হল ড্রোন। নানা ক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায় যথা— কৃষি, প্রাকৃতিক বিপর্যয়, খনিতে কাজ, আবহাওয়া, জমি জরিপ, নির্মাণ, এই সমস্ত ক্ষেত্রেই ড্রোনের উল্লেখযোগ্য অসামরিক ব্যবহার রয়েছে। তাই একথা বলাই যায় ড্রোনের ব্যবহার দুই ধরনের সামরিক ও অসামরিক। সশস্ত্র ড্রোন ও নিরস্ত্র ড্রোন। সাধারণভাবে নিরস্ত্র ড্রোনগুলি নজরদারি চালানোর কাজে ব্যবহার করা হয় অন্যদিকে সশস্ত্র ড্রোন প্রাণঘাতী হামলাও চালাতে সক্ষম।

    ড্রোনের জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি

    বিংশ শতাব্দীর একেবারে শুরুর দিকে সামরিক কাজে প্রথম ড্রোনের ব্যাপকভাবে বিকাশ শুরু হয়। তবে প্রযুক্তির কারণে সে সময় ড্রোনের ব্যবহারে ব্যাপক বাধা আসে তবুও বিভিন্ন কাজে ড্রোনের জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি। ইয়েমেন, পাকিস্তান, সোমালিয়ার মত বেশ কতগুলি দেশ যুদ্ধক্ষেত্রের (Drone Technology) বাইরেও শুধুমাত্র গোপন অভিযানে চালাতে সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহার করেছিল। ২০১৯ সালে ড্রোন নিয়ে একটি গবেষণা হয় এবং এটি করে নিউইয়র্কের বার্ড কলেজ। ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ দ্য ড্রোন’-এর গবেষকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ১০০টিরও বেশি দেশ সামরিক কাজে ড্রোন ব্যবহার করে এবং সারা বিশ্বে বিভিন্ন সামরিক কাজে বর্তমানে ৩০,০০০-এরও বেশি উন্নত মানের ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। ওই গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে সামরিক কাজে ১৭১ ধরনের ড্রোন ব্যবহার করা হয়। ৫৮টি দেশে রয়েছে ২৬৮টি ড্রোন তৈরির ইউনিট। অর্থাৎ, এখান থেকে ড্রোন উৎপাদন হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ড্রোনের মডেলও বদলেছে, বেড়েছে তার ক্ষমতা এবং আকার। অনেক বেশি উচ্চতায় আজ তা উড়তে সক্ষম। গবেষকরা বলছেন, ড্রোনের ব্যবহার কমছেই না, বরং পৃথিবীব্যাপী ক্রমশ তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পৃথিবীর মধ্যে বৃহত্তম ড্রোন উৎপাদনকারী ও বিক্রেতা দেশ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইজরায়েল এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে চিন। এর পাশাপাশি, তুরস্ক ও ইরানের মতো দেশগুলিও ড্রোন উৎপাদনে পিছিয়ে নেই। গবেষণা তে দেখা যাচ্ছে যে ভারত এবং ব্রিটেন সারা পৃথিবীর মধ্যে ড্রোনের সবথেকে বড় আমদানিকারক দেশ।

    ড্রোনের ব্যবহার বৃদ্ধির ২টি দিক রয়েছে (Drone Technology)

    যে কোনও দেশে বিদ্রোহ হোক অথবা দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ, সামরিক ড্রোনের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রোন ব্যবহারের বৃদ্ধির দুটি দিক রয়েছে। সরবরাহের দিক এবং অন্যটি হচ্ছে চাহিদার দিক। ড্রোনের ব্যাপক চাহিদা যেমন বাড়ছে সেই রকমের রপ্তানিকারক দেশগুলি ভালো মতোই সরবরাহ করতে পারছে। কারণ ড্রোন তৈরি করা তাদের পক্ষে বেশ লাভজনক হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে উৎপাদনের ক্ষমতাও অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। কম সময়ে অনেক বেশি ড্রোন উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। সারা পৃথিবীর দিকে নজর দিলে আমরা দেখতে পাবো যে, দুটি দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ, কোনও দেশের ওপর সন্ত্রাসবাদী হামলা বা দেশের আভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ— এই সমস্ত কিছুতে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।

    ভারতে ড্রোনের ব্যবহার ও ড্রোন উৎপাদন

    আমাদের নিজেদের দেশের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাবো যে, চিন এবং ভারতের মধ্যে যে ধরনের সীমান্ত বিবাদ চলছে, সেখানে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ড্রোন বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাকিস্তান থেকে জঙ্গি অনুপ্রবেশ সমেত সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার কাজ চলে। তাই সীমান্তে নিখুঁত নিশানা করতে ভারতের সেনারা ড্রোনের ব্যবহার করেই থাকে। এছাড়াও বিশেষ করে পাঞ্জাবে এবং জম্মু-কাশ্মীরে অস্ত্র গোলাবারুদ, মাদক কারবারের কাজে সন্ত্রাসবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ড্রোন ব্যবহার করে। এমন খবর প্রায় শিরোনামে আসে। আগেই বলা হয়েছে, ভারত ড্রোনের অন্যতম বড় আমদানিকারক। সাধারণভাবে ভারতে বেশিরভাগ ড্রোন আমদানি করা হয় ইজরায়েল থেকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৯০ সাল থেকেই ভারতে সামরিক কাজে ড্রোন গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উঠে এসেছে। শুরুতে ডিআরডিও মানববিহীন এই যানকে পরিচালিত করত। বর্তমানে মোদি জমানায় ভারতে দেশীয় প্রযুক্তিতে ড্রোন তৈরিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃষ্টিভঙ্গি এক্ষেত্রে খুব পরিষ্কার। তিনি ভারতীয় সংস্থাগুলির ওপর ভরসা করেন ড্রোন উৎপাদনে। ড্রোন ইকোসিস্টেম আগামী দিনে ভারতবর্ষে আরও উন্নত হতে চলেছে এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে ‘ড্রোন রুলস’ আনে মোদি সরকার। সেখানে দেশীয় সংস্থাগুলিকে ড্রোন প্রযুক্তির কাজে প্রোমোট করার কথা বলা হয়। ২০২১-এর পরবর্তী সময় থেকেই দেখা যাচ্ছে ভারতে ড্রোন নির্মাতা (Drone Technology) সংস্থাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ড্রোন নির্মাতা সংস্থাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ideaForge, Aarav Unmanned System (AUS), Asteria aerospace, IOTech, এবং Hubbal Fly. আগামীদিনে ড্রোনের দুনিয়ায় ভারত শীর্ষস্থানীয় দেশ হতে চলেছে একথা বলাই যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Narendra Modi: ২৮ মে অশোকনগরে মোদির সভা, ঘূর্ণিঝড়কে উপেক্ষা করেই কর্মীদের প্রস্তুতি তুঙ্গে

    PM Narendra Modi: ২৮ মে অশোকনগরে মোদির সভা, ঘূর্ণিঝড়কে উপেক্ষা করেই কর্মীদের প্রস্তুতি তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল ২৮ মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) জনসভা করতে আসছেন রাজ্যে। ১ জুন হল শেষ দফা তথা সপ্তম দফা লোকসভা নির্বাচন। এই শেষ দফা নির্বাচনের আগে তিনি সভা করবেন উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে। কিন্তু রাজ্যে ইতিমধ্যে আছড়ে পড়ছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। সভার প্রস্তুতি ঘিরে ইতিমধ্যে ব্যাপক বেগ পেতে হচ্ছে। কিন্তু বিজেপির বক্তব্য যে সভার প্রস্তুতি তুঙ্গে, লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে মোদির সভায়। অপর দিকে বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী রাজ্যে উপকূলবর্তী এলাকায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করে চলেছে। ২৮ তারিখ কলকাতায় একটি রোড শো করার কথাও রয়েছে মোদির। 

    ৩৭ বছর পর ফের প্রধানমন্ত্রীর সভা (PM Narendra Modi)

    জানা গিয়েছে, আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) সভাকে ঘিরে অশোকনগরে তৈরি করা হচ্ছে হেলিপ্যাড। অন্যদিকে কাজ চলছে সভমঞ্চ তৈরি করার। প্রায় ৩৭ বছর পর এই এলাকায় পা রাখতে চলেছেন দেশের আরও এক প্রধানমন্ত্রী। ১৯৮৭ সালে শেষবারের জন্য এসছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী, এবার আসবেন মোদি। এখন তাই হরিপুর ময়দানে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সভাস্থলের কাজ চলছে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কি বড় বাধা হবে? এটা বড় প্রশ্ন। ইতিমধ্যে মাঠে জমেছে জল। কিন্তু সব বাধাকে অতিক্রম করে বিজেপির কর্মীরা ময়দানে নেমে পড়েছেন।

    আরও পড়ুন: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    রেন কোট পরে কাজ চলছে

    সভার প্রস্তুতির কাজ শেষ করতে ইতিমধ্যে বিজেপির কর্মীরা রেন কোট পরে কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর সভার কয়েক কিলোমিটার দূরে করা হয়েছে দুটি হেলিপ্যাড গ্রাউন্ড, এখানেই নামবেন প্রধানমন্ত্রী। খারাপ আবহাওয়ার জন্য ইতিমধ্যে বায়ুসেনা মহড়া দিতে শুরু করেছে। তবে আবহাওয়া কেমন থাকে, সেটা একটা দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। হেলিপ্যাডের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা বেশ চিন্তিত। কাজ আজকের মধ্যেই শেষ করতে হবে। বিজেপির দাবি, এই সভায় লক্ষাধিক মানুষের জমায়েত হবে। তবে নিরাপত্তার বিষয়ে খামতি রাখছে না প্রশাসন। মোদি (PM Narendra Modi) নামবেন বিধানচন্দ্র ক্রীড়াঙ্গনে, এখান থেকে সভাস্থল পর্যন্ত দুই ধারে কয়েক কিমি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ব্যারিকেড। এলাকায় বিজেপির কর্মীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সভাকে ঘিরে রয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gautam Gambhir: এবার কি জাতীয় দলের দায়িত্বে? গম্ভীর-জয় শাহ আলাপ বাড়াল জল্পনা

    Gautam Gambhir: এবার কি জাতীয় দলের দায়িত্বে? গম্ভীর-জয় শাহ আলাপ বাড়াল জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারিয়ে তৃতীয়বার আইপিএল ট্রফি জেতার পর আনন্দে আত্মহারা নাইট রাইডার্সের ক্রিকেটাররা। চিপক জুড়ে চলছে সেলিব্রেশন। একে অপরকে জড়িয়ে ধরছেন। শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। দলের মালিক শাহরুখ খানের সঙ্গে কেউ কেউ তখন সেলফি তুলতে ব্যস্ত। এই ভিড়ে তখন একজনই অনুপস্থিতি। তিনি গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir)। কেকেআরের মেন্টর। তিনি ব্যস্ত ছিলেন বোর্ড সচিব জয় শাহর (Jay Shah) সঙ্গে সাক্ষাতে। যে খবর সামনে আসতেই জল্পনা শুরু হয়েছে। তাহলে কি বিরাট কোহলিদের হেড স্যার হতে চলেছেন প্রাক্তন ওপেনার?

    এবার কি জাতীয় দলের কোচ?

    আসলে রাহুল দ্রাবিড়ের জায়গায় নতুন কোচ খোঁজা শুরু করেছে বিসিসিআই। দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞাপন। এখনও পর্যন্ত যে দু’জনের নাম নিয়ে সবচেয়ে বেশি চর্চা চলছে, তাঁর একজন হলেন চেন্নাই সুপার কিংসের কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। শোনা যাচ্ছে, প্রাক্তন কিউই অধিনায়ককে রাজি করাতে বোর্ড কর্তারা নাকি খোদ মহেন্দ্র সিং ধোনির সাহায্য নিতে পারেন। তবে জয় শাহ কয়েকদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ভারতীয় ক্রিকেট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রয়েছে এমন কাউকেই টিম ইন্ডিয়ার কোচ করা হবে। সেক্ষেত্রে গম্ভীর (Gautam Gambhir) অবশ্যই সেরা পছন্দ হতে পারেন। আইপিএলের মাঝেই তাঁর সঙ্গে বোর্ড কর্তাদের একপ্রস্থ কথা হয়েছিল। রবিবার আইপিএল ফাইনালের মঞ্চে জয় শাহ ও গম্ভীরের সাক্ষাৎকার জল্পনা আরও তীব্র করেছে।

    আরও পড়ুন: ট্রফি জিতে গম্ভীর-মুখে ফুটল হাসি, গৌতিকে কোলে তুললেন সহাস্য নারিন

    গম্ভীর কি কলকাতা নাইট রাইডার্স ছাড়বেন?

    ২০১১ সালের বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন গম্ভীর (Gautam Gambhir)। সফল ক্রিকেটার। মেন্টর অর্থাৎ কোচিংয়েও তিনি ছাপ ফেলেছেন। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ক্যাপেটন হিসেবে দু’বার আইপিএল জিতেছিলেন তিনি। মেন্টর হিসেবে আবার ট্রফির স্বাদ পেলেন। এমন নজির আর কারও নেই। তাই গম্ভীরকে ভীষণভাবেই চাইছে বোর্ড। প্রশ্ন হচ্ছ, তিনি কি কলকাতা নাইট রাইডার্স ছাড়বেন? কারণ, শাহরুখ খান তাঁকে রীতিমতো ব্ল্যাঙ্ক চেক দিয়ে রেখেছেন। তাঁর পারিশ্রমিক নিয়ে যাতে কোনও সমস্যা না হয়। আর গম্ভীরও জানেন, আইপিএলের মতো জনপ্রিয় টুর্নামেনেট কোচিং করালে যশ ও প্রতিপত্তি দু’টো পাওয়া যাবে।

    রাজা হওয়ার সাধ কোনওদিনই ছিল না তাঁর। চেয়েছিলেন শুধু দেশের জয়, দলের জয়। সেসব তাঁর অর্জন করা হয়ে গিয়েছে বহু আগেই। দুটো বিশ্বকাপ ফাইনালে তাঁর দুর্ধর্ষ ইনিংসের কথা নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার দরকার নেই। ক্রিকেটীয় কর্তব্য তাঁর কাছে সবার আগে। তবে এবার তিনি দোটানায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: “বিজেপি নেতা গ্রামে এলে পিছমোড়া করে বেঁধে রাখুন”, নিদান তৃণমূল নেতার

    Lok Sabha Election 2024: “বিজেপি নেতা গ্রামে এলে পিছমোড়া করে বেঁধে রাখুন”, নিদান তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও শেষ দফা ভোট (Lok Sabha Election 2024) বাকি রয়েছে। ১ জুন বারাসত লোকসভা কেন্দ্রে ভোট। সপ্তমদফা ভোটের আগে বিজেপির জেলা সভাপতিকে তীব্র আক্রমণ করলেন বনগাঁর তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস। তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল প্রার্থী? (Lok Sabha Election 2024)

    গত ২০ মে বনগাঁ লোকসভায় ভোটের (Lok Sabha Election 2024) দিন মালিদা ১১৭ নম্বর বুথে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ঝামেলা হয়। হামলা এবং পাল্টা হামলার জেরে দুপক্ষের কর্মী-সমর্থক জখম হন। তবে, তৃণমূলের হামলায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী জখম হন। জখম কর্মীদের দেখতে গিয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি দেবদাস মণ্ডল তৃণমূলের হামলার প্রতিবাদ করেছিলেন। কর্মীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে শাসক দলকে আক্রমণ করেছিলেন তিনি। বিজেপির জেলা সভাপতি ঘুরে যাওয়ার পর আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীদের দেখতে যান তৃণমূল প্রার্থী তথা বনগাঁর জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস। ভোটপ্রচারে বেরিয়ে তাঁর মতো তৃণমূল নেতার মুখে শোনা গেল বিতর্কিত মন্তব্য। তিনি বলেন, “বিজেপির জেলা সভাপতি গ্রামে এলে পিছমোড়া করে তাঁকে বেঁধে রাখবেন।” কর্মীদের এই নিদান দেওয়ায় তৃণমূলের জেলা সভাপতির সমালোচনায় মুখর হয়েছে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    বিজেপির জেলা সভাপতি কী বললেন?

    যদিও এ নিয়ে বনগাঁ জেলা বিজেপি সভাপতি দেবদাস মণ্ডলও পাল্টা এক হাত নেন বিশ্বজিৎ দাসকে। তিনি বলেন, তৃণমূলের কাজ হল হুমকি দিয়ে ভয় দেখানো। এসব বলে কোনও লাভ নেই। মানুষ আর ওদের সঙ্গে নেই। সেটা ওরা বুঝতে পেরেছে। তাই, এই ধরনের আওয়াজ দিচ্ছে। আমি দলীয় কর্মীদের ওপর হামলার পর ওই এলাকা. গিয়েছিলাম। আবারও যাব। আমি ওইসব হুমকি কে ভয় পাই না। তবে, এটুকু বলতে পারি, ৪ জুনের পর সাধারণ মানুষই বিশ্বজিৎ দাসকে বেঁধে রাখবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share