Tag: bangla news

bangla news

  • Bangladesh MP Murder: শ্বাসরোধ করেই খুন বাংলাদেশি সাংসদকে, টুকরো করে লোপাট করা হয় দেহাংশ!

    Bangladesh MP Murder: শ্বাসরোধ করেই খুন বাংলাদেশি সাংসদকে, টুকরো করে লোপাট করা হয় দেহাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ন’দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর শেষমেশ জানা যায় কলকাতার নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে খুন করা হয়েছে বাংলাদেশের সাংসদ আনায়ার-উল-আজিমকে (Bangladesh MP Murder)। বাংলাদেশের শাসক দল আওয়ামি লিগের এই সাংসদ চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন ১২ মে। দর্শনা সীমান্ত দিয়ে কলকাতায় এসেছিলেন ঝিনাইদহ-৪ এর এই সাংসদ। বুধবার তাঁর খুনের বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

    নৃশংসভাবে খুন (Bangladesh MP Murder)

    চিকিৎসা করাতে ভারতে এসে খুন হওয়া বাংলাদেশি সাংসদের মৃত্যু রহস্য উন্মোচন করতে তদন্ত করেছে সিআইডি। তদন্তকারীদের দাবি, প্রথমে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় ওই সাংসদকে। পরে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয় দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, ১২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গে আসার পরের দিনই বন্ধুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান আনোয়ার। সেদিনই নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে খুন করা হয় তাঁকে। শ্বাসরোধ করে খুন করার পর মৃত্যু নিশ্চিত করে মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়। এরপর দেহ টুকরো টুকরো করে ১৪, ১৫ ও ১৮ তারিখে দেহাংশগুলি লোপাট করে দেয় খুনিরা (Bangladesh MP Murder)।

    দেহাংশ লোপাট করেছিল যারা…

    দেহাংশ লোপাট করতে যে দু’জনকে কাজে লাগানো হয়েছিল, ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক। তাই বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্তও উদ্ধার হয়নি সাংসদের দেহাংশ। তবে প্লাস্টিকের যে ব্যাগে করে দেহাংশগুলি লোপাট করা হয়েছিল, সেই ব্যাগটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। সিআইডির আইজি অখিলেশ চতুর্বেদী বলেন, “বুধবারই জানা গিয়েছে সাংসদকে খুন করা হয়েছে। রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য জোরকদমে চলছে তদন্ত। শীঘ্রই বিষয়টি প্রকাশ করা হবে। নিউ টাউনের ওই ফ্ল্যাটটিতে দু’জন পুরুষ ও এক মহিলাও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সাংসদের সঙ্গে ফ্ল্যাটে আসা তিনজনের মধ্যে দু’জন পরে বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছেন।

    আর পড়ুন: “অনেক জাতিকেই নিয়ম বিরুদ্ধভাবে ওবিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে”, তোপ কমিশনের

    বুধবারই বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিক বৈঠকে বলেছিলেন, “১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের সাংসদ আনোয়ার ভারতে গিয়েছিলেন। তার দু’দিন পর থেকে আর ওঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। ওঁর উদ্বিগ্ন পরিবার আমাদের কাছে সাহায্য চান। তারপর থেকে আমাদের পুলিশ ভারতের পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। এদিনই আমাদের কাছে খবর এসেছে খুন করা হয়েছে সাংসদকে।”

    বিদেশে এসে কেন খুন (Bangladesh MP Murder) হতে হল আনোয়ারকে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। রহস্যময়ী ওই নারীই বা কে? তাঁর সঙ্গে যে পুরুষটি বাংলাদেশে চলে গিয়েছেন, তিনিই বা কে? সাংসদের দেহাংশগুলিই বা কোথায় গেল? আপাতত এই প্রশ্নগুলিরই উত্তর হাতড়াচ্ছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: অভিষেকের সভার পরই বিজেপির মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Lok Sabha Election 2024: অভিষেকের সভার পরই বিজেপির মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করে চলে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিজেপি মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন করার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া এলাকায়। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। হামলার জেরে মহিলা কর্মী খুনের পাশাপাশি ৮ জন বিজেপি কর্মী জখম হয়েছেন। ষষ্ঠদফা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Lok Sabha Election 2024)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটপ্রচারের (Lok Sabha Election 2024) শেষ লগ্নে সোনাচূড়ার মনসাপুকুর বাজার এলাকায় রাতে পাহারা দিচ্ছিলেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। সেই সময়ই বাইকে করে আসা এক দল দুষ্কৃতী ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। রখিবালা আড়ি নামে ওই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কোপ চালাতে থাকে দুষ্কৃতীরা। রক্তাক্ত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। মাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হন রাখিবালার ছেলে সঞ্জয় আড়িও। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় রাখিবালাসহ অন্যদের নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা রখিবালাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। রাখিবালার ছেলে সঞ্জয়বাবুকে  অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এছাড়াও এই ঘটনায় জখম আরও প্রায় ৭ জন বিজেপি কর্মীর নন্দীগ্রাম হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছে বলে খবর। এই ঘটনার পর থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে গোটা এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা নন্দীগ্রাম জুড়ে। তৃণমূলে বিরুদ্ধে সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। যদিও এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে তৃণমূল। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেও পুলিশ সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা মেঘনাদ পাল বলেন, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) মুখে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়াতে এই হামলা চালিয়েছে। অভিষেকের সভার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপি কর্মীদের ওপর যে ভাবে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। এই হামলা জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024:  অধরা আইপিএল! চোখে জল কোহলি-কার্তিকের, রাজস্থানের কাছে হেরে বিদায় বেঙ্গালুরুর

    IPL 2024: অধরা আইপিএল! চোখে জল কোহলি-কার্তিকের, রাজস্থানের কাছে হেরে বিদায় বেঙ্গালুরুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশা জাগিয়েও পারলেন না কাপ আর ঠোঁটের দূরত্ব রয়েই গেল কিং কোহলির। বিশ্বকাপে চুম্বন করেছেন। কিন্তু আইপিএল (IPL 2024) এখনও অধরা রইল তাঁর কাছে। এলিমিনেটরে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হার মেনে এ বারের মতো আইপিএল সফর শেষ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (RR vs RCB)। ধোনির মতোই চোখের জলকে সঙ্গী করেই ক্রিকেট কেরিয়ারে ইতি দীনেশ কার্তিকেরও। বুধবার এলিমিনেটরে আরসিবিকে ৬ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে হারিয়ে কোয়ালিফায়ার-টু-তে পৌঁছে গিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। একদিকে উৎসবের মেতেছিল আরআর, অন্যদিকে শোকের পরিবেশ বেঙ্গালুরু শিবিরে।

    বাড়ল কোহলির অপেক্ষা

    প্রথম আট ম্যাচে মাত্র একটি জয়। কেউ ভাবেনি আরসিবি প্লে-অফ (IPL 2024) অবধি পৌঁছতে পারে। তবে বিরাটের সেই মন্তব্য, ‘অনেক সময়, ১ শতাংশ সুযোগই যথেষ্ঠ।’ সেই মন্ত্রেই যেন টানা আধডজন ম্যাচ জিতে প্লে-অফ। এর পরের সফরটা আর পেরনো হল না। আইপিএলের জন্মলগ্ন থেকে আরসিবিতেই খেলছেন বিরাট কোহলি। একবারও ট্রফির স্বাদ পাননি। প্লেয়ার, ক্যাপ্টেন দুই ভূমিকাতেই নজর কেড়েছেন। কিন্তু দলকে ট্রফি এনে দিতে পারেননি। তাই কোথাও যেন একটা বিষাদ লুকিয়ে থাকে সাম্প্রতিক ক্রিকেটের রাজার মধ্যে। একটা না পাওয়ার খিদে পরের আইপিএলেও থাকবে কোহলির মধ্যে। 

    কার্তিকের বিদায়

    চলতি আইপিএলে (IPL 2024) দুরন্ত বেশ কয়েকটি ইনিংস খেলিছিলেন দীনেশ কার্তিক। শুরু থেকে এমন কিছু ইনিংস খেলেছিলেন, যার ফলে তাঁকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেওয়ার দাবিও উঠেছিল। কিন্তু বয়স কোথাও দাঁড়ি টানে। তারুণ্যের জোয়ারে হারিয়ে যায় অভিজ্ঞতাও। তাই বিশ্বকাপের দলে জায়গা মেলেনি। আইপিএল থেকেও এবার বিদায়। বিরাটের আলিঙ্গন, টিমের গার্ড অব অনার,চোখের কোনটা চিকচিক করে উঠল কার্তিকের। আর ক্রিকেটার হিসাবে নয়, এবার হয়তো অন্য ভূমিকায় মাঠে আসবেন দীনেশ কার্তিক। 

    ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ে ক্ষুব্ধ

    বহু লড়াই করে প্লে অফে (IPL 2024) পৌঁছে ছিটকে যাওয়ার পর হতাশা চেপে রাখতে পারলেন না আরসিবি (RR vs RCB) অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার পর ফ্যাফ ডু’প্লেসি বলেন, ‘মাঠে শিশির পড়ছিল। আমাদের মনে হয়েছে, ব্যাট হাতে আমরা কিছুটা কম রান করেছিল। আমি মনে করি, ২০ রান মতো আমরা কম করেছি এই পিচে। ২০ রান আরও করতে পারলে, এখানে ভালো স্কোর হতো। তবে এবার ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মের জন্য দেখছি কোনও স্কোরই যথেষ্ট নয়। তবে কৃতিত্ব খেলোয়াড়দেরই যায়, তারা ভালো লড়াই করেছে।’ 

    আরও পড়ুন: গোটা দেশে সময় একটাই! আইএসটি নির্ধারণে রেল ও সর্দার প্যাটেলের ভূমিকা জানেন?

    নতুন লড়াই রাজস্থানের

    টানা পরাজয়ের পর রাজস্থান (RR vs RCB) প্লে-অফে (IPL 2024) এসে ফের জয়ে ফেরে। টানা চার ম্যাচ হারের পরে দুর্দান্ত জয়ে আইপিএল খেতাবি দৌড়ে থেকে যেন পায়ের নীচে শক্ত জমি ফিরে পেলেন সঞ্জু স্যামসনরা। বুধবার ম্যাচের পরে রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক জানিয়ে গেলেন, নতুন ভাবে লড়াই করার আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে দল। সঞ্জু বলেন, ‘‘কিছু ভাল দিন যেমন গিয়েছে, কিছু খারাপ দিনের সাক্ষীও হতে হয়েছে। কিন্তু প্রতিকূলতা অতিক্রম করে ঘুরে দাঁড়ানোটাই গুরুত্বপূর্ণ। অসুস্থতার জন্য আমাদের দলে অনেকেই নিজেদের একশো শতাংশ সেরা ক্রিকেট খেলতে পারেনি, তার পরেও কোচ সঙ্গকারা স্যর ম্যাচের যে নকশা তৈরি করেছিলেন, তা ঠিক ভাবে প্রয়োগ করেছি। তার জন্য সতীর্থদের কাছে কৃতজ্ঞ।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • OBC Reservation Case: “অনেক জাতিকেই নিয়ম বিরুদ্ধভাবে ওবিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে”, তোপ কমিশনের

    OBC Reservation Case: “অনেক জাতিকেই নিয়ম বিরুদ্ধভাবে ওবিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে”, তোপ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে এক বছরে অনেক জাতিকে ওবিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়ম বিরুদ্ধ।” বুধবার সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন জাতীয় ওবিসি কমিশনের চেয়ারম্যান হংসরাজ গঙ্গারাম আহির (OBC Reservation Case)।

    বিস্ফোরক দাবি জাতীয় ওবিসি কমিশনের (OBC Reservation Case)

    তিনি বলেন, “ওবিসি তালিকায় কোনও জাতিকে জুড়তে গেলে যে যে নিয়ম মানতে হয়, যেভাবে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়, তার কোনও কিছুই করা হয়নি। সেটাই এখন সামনে এসেছে। হাইকোর্ট মেনে নিয়েছে। কোনও জাতিকে ওবিসি তালিকায় আনতে গেলে তার একটা সার্ভে করতে হয়, রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।” ওবিসি কমিশনের (OBC Reservation Case) চেয়ারম্যান বলেন, “এই কাজটা করে কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট। কিন্তু ওরা ঠিকভাবে কাজ করে না। এদিকে, ওদের রিপোর্ট এখানকার ওবিসি কমিশন মানে, সেটাই আবার এখানকার সরকার মানে। এটা ঠিক নয়।” তিনি বলেন, “আমরা ১০ থেকে ১২ বার রিপোর্ট দিতে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিলাম। এক বছর হয়ে গেল, রিপোর্ট দেয়নি। কেউ আসেনি দেখা করতে। আমরা দ্রুত অ্যাকশন নেব।”

    নিশানা মুখ্য সচিবকেও

    এদিন রাজ্যের মুখ্য সচিবকেও নিশানা করেছেন হংসরাজ। বলেন, “এখানকার মুখ্যসচিব কোনও সহযোগিতা করেন না। আমরা রাজ্যের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করব। কতবার রিপোর্ট চেয়েছি, পাইনি। এরা অসম্মান করে।” তিনি বলেন, “একশোর বেশি মুসলিম জাতি আর ৬১টি হিন্দু জাতির মানুষ এখানকার ওবিসির তালিকায়। এখানকার কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট একদম খারাপ সার্ভে করে। কতবার রিপোর্ট চেয়েছি, দেয়নি।”

    আর পড়ুন: “ইন্ডি জোটকে বড় থাপ্পড় কলকাতা হাইকোর্টের”, ওবিসি রায় প্রসঙ্গে মোদি

    প্রসঙ্গত, বুধবার ২০১০ সালের পরে রাজ্যে তৈরি হওয়া ওবিসি তালিকা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাস কমিশন অ্যাক্ট, ১৯৯৩ অনুযায়ী নতুন করে তালিকা তৈরি করে বিধানসভায় পেশ করে চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে।

    এদিকে, আদালতের নির্দেশের জেরে বাতিল হতে চলেছে প্রায় ৫ লাখ ওবিসি সার্টিফিকেট। শুধু ৫ লাখ সার্টিফিকেট নয়, ৩৭টি শ্রেণির ওবিসি সংরক্ষণও বাতিল করেছে আদালত। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মুসলমানদের ৭৭টি শ্রেণিকে ওবিসি সংরক্ষণ দেওয়া গোটা মুসলিম সমাজ ও গণতন্ত্রের অপমান। তবে হাইকোর্টের রায় মানবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দমদম লোকসভা কেন্দ্রের খড়দহের এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, “কাউকে দিয়ে একটা অর্ডার করিয়েছে। তাঁর রায় আমি মানি না। এটা বিজেপির রায়। আমরা মানব না (OBC Reservation Case)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় আমফানের মতো সোজা কলকাতা শহরের ওপর দিয়ে যেতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় রেমালও (Cyclone Remal)। বুধবার বিকেলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসের (Weather Update) একাধিক মডেলে তেমনই জানানো হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যার পর ঘণ্টায় ৮০ – ১০০ কিলোমিটার গতিতে কলকাতায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়। তবে, এখনই এ নিয়ে কোনও সতর্কতা দেয়নি আলিপুর হাওয়া অফিস। শুক্রবার বিকেলের পর চিত্রটা পরিষ্কার বোঝা যাবে বলে জানানো হয়েছে।

    কোথায় অবস্থান

    দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চল। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ এবং উত্তর তামিলনাড়ুর উপকূলের কাছে চলছে এই প্রক্রিয়া। ক্রমে এটি উত্তর-পূর্ব দিকে এগোচ্ছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানিয়েছে, সব ঠিকঠাক চললে শুক্রবার সকালে এই নিম্নচাপ অঞ্চল গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তার পর তা বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে এগোবে। ২৫ তারিখ, শনিবার সন্ধ্যায় উত্তর-পূর্ব এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে পৌঁছে যাবে গভীর নিম্নচাপ।

    কলকাতায় প্রভাব

    আবহাওয়ার পূর্বাভাসের (Weather Update) সব থেকে ব্যবহৃত ২টি মডেল বুধবার বিকেলে বলছে, প্রায় ঘূর্ণিঝড় আমফানের পথ ধরেই এগোবে ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Cyclone Remal)। শনি বা রবিবার তৃতীয় শ্রেণির ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে সেটি। রবিবার সন্ধ্যার পর সাগরের কাছাকাছি কোনও জায়গা দিয়ে ভূভাগে প্রবেশ করবে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। এর পর ক্রমশ উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাবে ঝড়ের কেন্দ্র। এই গতিপথ অপরিবর্তিত থাকলে কলকাতা শহরে ঝড়ের ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকছে। যাঁরা সমুদ্রে গিয়েছেন, তাঁদের বৃহস্পতিবারের মধ্যে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। সুন্দরবন ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভাঙতে পারে সমুদ্র বা নদীবাঁধ। মধ্য এবং দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে বৃহস্পতিবার থেকে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে শুক্রবার থেকে মৎস্যজীবীদের যেতে বারণ করা হয়েছে। ২৬ মে, রবিবার পর্যন্ত জারি থাকবে নিষেধাজ্ঞা।

    আরও পড়ুন: গোটা দেশে সময় একটাই! আইএসটি নির্ধারণে রেল ও সর্দার প্যাটেলের ভূমিকা জানেন?

    কবে থেকে বৃষ্টি

    বঙ্গোপসাগরের উপর যে ঘূর্ণাবর্ত ছিল, তা শক্তি বৃদ্ধি করে পরিণত হয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চলে। সাগরের উপর দিয়ে সেই নিম্নচাপ অঞ্চল ক্রমেই এগোচ্ছে উত্তর-পূর্ব দিকে। শুক্রবার তা পরিণত হতে পারে গভীর নিম্নচাপে। তার সঙ্গেই দোসর হিসাবে রয়েছে আর একটি ঘূর্ণাবর্ত (Cyclone Remal)। বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের উপর বিস্তৃত রয়েছে সেটি। এই জোড়া ফলার প্রভাবেই বুধ থেকে রবিবার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। ভিজেছে কলকাতাও। বৃহস্পতিবারও দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুরে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার দক্ষিণের সব জেলায় হতে পারে ঝড়বৃষ্টি। এর মধ্যে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। রবিবারও এই তিন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) রয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “ইন্ডি জোটকে বড় থাপ্পড় কলকাতা হাইকোর্টের”, ওবিসি রায় প্রসঙ্গে মোদি

    PM Modi: “ইন্ডি জোটকে বড় থাপ্পড় কলকাতা হাইকোর্টের”, ওবিসি রায় প্রসঙ্গে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ ‘ইন্ডি’ জোটকে একটা বড় থাপ্পড় মেরেছে কলকাতা হাইকোর্ট।” ওবিসি সার্টিফিকেট নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় প্রসঙ্গে বুধবার এক নির্বাচনী জনসভায় এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    মোদির নিশানায় ‘ইন্ডিয়া’ ব্লক (PM Modi)

    তিনি বলেন, “২০১০ সালের পর থেকে জারি হওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করে দিয়েছে আদালত। পশ্চিমবঙ্গের সরকার মুসলমানদের ভোটব্যাঙ্কের জন্য যাচাই না করেই তাঁদের ওবিসি সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছে। এই ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি, তুষ্টিকরণের রাজনীতি সব সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আজ আদালত থাপ্পড় মেরেছে।” কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডি জোটকেও নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন (PM Modi), “এরাই বলে দেশের সম্পদের ওপর প্রথম অধিকার মুসলমানদের। এরাই লাগাতার সরকারি জমি ওয়াকফ বোর্ডকে দিচ্ছে, পরিবর্তে ভোট চাইছে। এরা ধর্মের ভিত্তিতে সরকারি টেন্ডার দিতে চাইছে।”

    কী বললেন শাহ?

    কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়ের পর কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভোটব্যাঙ্কের জন্য মুসলমানদের ওবিসি সংরক্ষণ দিতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তিনি হাইকোর্টের রায় মানেন না। বাংলার মানুষের কাছে আমার প্রশ্ন, এমন কোনও মুখ্যমন্ত্রী কি হতে পারেন, যিনি বলেন আদালতের নির্দেশ মানেন না? এতেই স্পষ্ট, বাংলায় গণতন্ত্র কী অবস্থায় রয়েছে!” এনিয়ে একটি ট্যুইটও করেন শাহ।

    আর পড়ুন: ভারতভুক্তির দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে, নেপথ্যে কোন কারণ?

    বিজেপি যে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ চায় না, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, “হাইকোর্টের রায় যাতে কার্যকর হয়, তা আমরা সুনিশ্চিত করব। যাঁরা পিছিয়ে পড়া শ্রেণির, তাঁরা যাতে নিজেদের অধিকার পান, তা আমরা নিশ্চিত করব। যাঁরা ওবিসি নন, তুষ্টিকরণের নীতি ও ভোটব্যাঙ্কের নীতির জন্য তাঁদের ওবিসির সুবিধা পাইয়ে দেওয়া যাবে না।”

    প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের পরে তৈরি হওয়া ওবিসি তালিকা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ, ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাস কমিশন অ্যাক্ট, ১৯৯৩ অনুযায়ী নতুন করে তালিকা তৈরি করে বিধানসভায় পেশ করে চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ২৩/০৫/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ২৩/০৫/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) অসম্পূর্ণ ইচ্ছাপূরণ হতে পারে।

    ৩) মনে আনন্দ থাকবে।

    বৃষ

    ১) কাজকর্মে ধৈর্য বজায় রাখুন।

    ২) বরিষ্ঠদের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ভালো সময় কাটাবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কাজে সাফল্য লাভ।

    ৩) কাজকর্মে দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান খুঁজে পাবেন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কাটবে।

    ২) নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখুন।

    ৩) সাবধানে কাজ করতে হবে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত কঠিন।

    ২) সমস্যা মোকাবিলার জন্য কঠিন পরিশ্রম করতে হবে।

    ৩) ব্যবসাতে সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) অসম্পূর্ণ ইচ্ছাপূরণ হতে পারে।

    ৩) নিজের কাজে ব্যস্ত থাকবেন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কাজে সফল হবেন।

    ৩) পরিশ্রমের ফল পাবেন হাতেনাতে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত কঠিন।

    ২) দৈনন্দিন কাজকর্ম সম্পন্ন করতে সতর্কতা অবলম্বন করুন।

    ৩) হঠাৎই কোনও সমস্যায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।

    ধনু

    ১) আজ নিজের কাজে সতর্কতা অবলম্বন জরুরি।

    ২) কোনও বড় লগ্নির দ্বারা ভালো রিটার্ন পেতে পারেন।

    ৩) চাকরিজীবী জাতকদের পদোন্নতি ও বেতনবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অসাধারণ কাটবে।

    ২) নিজের কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ সম্ভব।

    ৩) নিজের স্বপ্নপূরণের সুযোগ পেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) লাভ অর্জন করতে পারবেন।

    ৩) চাকরি ও ব্যবসাতে ধন লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) প্রতিদিনের কাজকর্মে নানান সমস্যায় জড়াতে পারেন।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • POJK: ভারতভুক্তির দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে, নেপথ্যে কোন কারণ?

    POJK: ভারতভুক্তির দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে, নেপথ্যে কোন কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর। পাক সেনার অত্যাচারে জেরবার এই এলাকার বাসিন্দারা চান মুক্তি। তবে স্বতন্ত্র কোনও দেশ কিংবা স্বায়ত্ত্ব শাসন তাঁরা চান না। তাঁরা চান এই অঞ্চলকে জুড়ে দেওয়া হোক ভারতের সঙ্গে। ভারতভুক্তিই এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের প্রধান দাবি। যে দাবিতে পাক অধিকৃত এই অঞ্চলে জ্বলছে অশান্তির আগুন। যে আগুন নেভানোর ছলে আন্দোলনকারীদের দমন করতে কোমর কষে নেমে পড়েছে পাক সেনা। স্থানীয় বাসিন্দাদের চোখ খুলে দিয়েছে মোদি সরকারের জমানায় জম্মু-কাশ্মীরের চোখ ধাঁধানো উন্নয়ন। ভারতের অংশে যেখানে বয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের জোয়ার, সেখানে পাক অধিকৃত অংশের সর্বাঙ্গে স্পষ্ট অনুন্নয়নের ছাপ।

    ভারতভুক্তির দাবি (POJK)

    প্রত্যাশিতভাবেই তাঁরা দাবি তুলেছেন আজাদির, আরও স্পষ্ট করে বললে ভারতভুক্তির। ২০১৯ সালের ১৪ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীরে রদ হয় ৩৭০ ধারা। তার পর থেকে ভূস্বর্গে আক্ষরিক অর্থেই নেমে এসেছে কাঙ্খিত শান্তি। বুক ভরে তাজা শ্বাস নিচ্ছেন কাশ্মীরের মানুষ। এর ঠিক উল্টো ছবি পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। তাই ২০২৩ সাল থেকে ভারতভুক্তির দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলন চলছে পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন পকেটে। এহেন পরিস্থিতিতে হাত গুটিয়ে বসে নেই পাক সেনা। আন্দোলনকারীদের ডাণ্ডা মেরে ঠান্ডা করতে মাঠে নেমে পড়েছে তারা। তাদের মারে জখম হয়েছেন গিলগিট-বাল্টিস্তানের পর্যটনমন্ত্রীও। তার পরেও ভারতভুক্তির দাবি থেকে একচুলও সরেননি এই এলাকার মানুষ। ভারতের জাতীয় পতাকা ওড়ানোর পাশাপাশি ‘পাকিস্তানি সেনা মুর্দাবাদ’ স্লোগানও দিয়েছেন তাঁরা। আন্দোলন দমন করতে গুলিও ছুড়েছে পাক সেনা। বেশ কয়েকজন জখম হওয়ার পাশাপাশি নিহত হয়েছেন জাকির হুসেন, গাজি আনওয়ার এবং আশিক মির।

    আর পড়ুন: নদিয়ায় হরিনাম বন্ধে ফতোয়া বাংলাদেশের! বিএসএফের উদ্যোগে হচ্ছে নাম সংকীর্তন

    ধ্বংস করছে পাকিস্তান

    সেই ১৯৯০ সাল থেকে পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দারা মনে করেন তাঁরা জম্মু-কাশ্মীরের নাগরিক, পাকিস্তান তাঁদের শোষণ করছে। তাই জীবন বাজি রেখেই তাঁরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন চিনা-পাকিস্তানিদের শোষণ থেকে নিজেদের মুক্ত করতে (POJK)। এর খেসারতও দিয়ে হয়েছে তাঁদের কাউকে কাউকে। নওয়াজ নাজি, বাবা জান, আবদুল হামিদ খান এবং আরও অনেককে জেলে পচিয়ে মারছে পাক সরকার। এঁদের দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তার পরেও পুরোপুরি নেভানো যায়নি স্থানীয়দের বুকে জমে থাকা ক্ষোভের আগুন। পাক রাজনীতির টালমাটাল দশা আর তার সঙ্গে দেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হালের কারণেই তাঁরা আরও বেশি করে ঝুঁকছেন ভারতের দিকে। তাই জোরালো হচ্ছে ভারতভুক্তি দাবি।

    দখলদারির রাজত্ব

    ১৯৪৭ সালে রাজন্য-শাসিত রাজ্যগুলিকে হয় পাকিস্তান নয় ভারতের সঙ্গে যোগ দিতে বলা হয়। তখন কাশ্মীরের মহারাজা হরি সিং জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে জুড়ে দেন। এরই একটা অংশ আগেই দখল করে নিয়েছিল পাকিস্তান, উপজাতির ছদ্মবেশে। সেই অংশই পাক অধিকৃত কাশ্মীর।

    আরএসএসের ভূমিকা

    হরি সিং যখন ভারত না পাকিস্তান কোন দিকে যাবেন তা নিয়ে দোটানায়, তখনই আরএসএসের তৎকালীন সরসঙ্ঘচালক গুরুজি সাক্ষাৎ করেন কাশ্মীরের মহারাজের সঙ্গে। এর পরেই ভারতের সঙ্গে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন হরি সিং। সে খবর (POJK) পেয়েই কাশ্মীরে উড়ে যান ভিপি মেনন। ১৯৪৭ সালের ২৬ অক্টোবর জম্মু-কাশ্মীরের ভারতভুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মহারাজা। এর ঠিক দু’মাসের মাথায়ই মঙ্গলা, আলিবেগ, মিরপুর, ভীমবের, দেবা এবং বাটালা অঞ্চল, রাজৌরি ও নৌসেরা, ঝাঁগার এবং কোটলির পুরো অঞ্চলটা দখল করে নেয় পাকিস্তান। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় ভারতের এই অংশগুলোও। গিলগিট-বাল্টিস্তানের রাশও হরি সিং ভারতের হাতে তুলে দেন। যদিও সেখানকার নিরাপত্তার দায়িত্বে তখনও ছিলেন গিলগিট স্কাউটরা। এঁদের নেতৃত্বে ছিলেন মেজর ডব্লিউ ব্রাউন। তিনি মুসলমান কিছু অফিসার ও জম্মু-কাশ্মীরের সৈন্যদের নিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত করেন। এর পরেই তাঁরা পৌঁছে যান গিলগিটে, আশ্রয় নেন রাজ্যপাল ঘনসারা সিংয়ের বাসভবনে। পরে তাঁকে বাধ্য করেন সারেন্ডার করতে। সৈন্যদের মধ্যে যাঁরা শিখ এবং হিন্দু ছিলেন, তাঁদের হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রসংঘের নির্দেশে যুদ্ধ বিরতি হয় ১৯৪৮ সালে। ততক্ষণে গিলগিট-বাল্টিস্তানের রাশ জোর করে দখল করে নিয়েছে পাকিস্তান (POJK)।

    জনসংখ্যার বদল

    বস্তুত তার পর থেকেই ধীরে ধীরে শুরু হয়েছে দমন পীড়ন। পাক প্রশাসনের মূল লক্ষ্যই হল, এই অঞ্চলের জনসংখ্যা ধ্বংস করা, লুটে নেওয়া মাটির নীচে সঞ্চিত প্রাকৃতিক সম্পদ। এলাকার জনসংখ্যার হার বদল করতে পাঞ্জাব এবং নর্থ-ওয়েস্ট ফ্রন্টিয়ার প্রভিন্স থেকে সুন্নি মুসলমানদের এনে এখানে বসতি স্থাপন করতে দেওয়া হয়। পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের বাসিন্দারা কলোনি জীবন যাপন করেন। পণ্ডিতরা যাকে ‘বিশ্বের শেষ কলোনি’ আখ্যা দিয়েছেন। মিরপুর মুজফ্ফরাবাদ কিংবা গিলগিট-বাল্টিস্তানের লোকজনের প্রতিবাদের অধিকারেও লাগাম পরানো হয়েছে। তাই এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের মুখ বুঝে সহ্য করতে হয় অপহরণ, খুন-জখম-রাহাজানি। পাক সেনা জোর করে জমি দখল করে নিলেও টুঁ শব্দটি করার জো নেই এই এলাকার বাসিন্দাদের। পাক শাসকরা কৌশলে ধ্বংস করছে এই এলাকার ভাষা, লিপি, জঙ্গল, উৎসব। বাসিন্দাদের তাঁদের মূল থেকেও উপড়ে ফেলার নিরন্তর চেষ্টা করে চলেছে পাক সেনা। অথচ এই এলাকাটি যেন পাকিস্তানের সোনার ডিম দেওয়া সেই হাঁস। বিদেশ থেকে যাঁরা পাকিস্তানে বেড়াতে আসেন, তাঁদের প্রায় ৭০ শতাংশই আসেন গিলগিট-বাল্টিস্তানে। তাই রোজগার হয় কাঁড়ি কাঁড়ি বিদেশি মুদ্রা। মিরপুর-মুজফফরাবাদ অঞ্চলে মাটির নীচে রয়েছে দামী ধাতু-পাথর। আর গিলগিট-বাল্টিস্তানের পেটে লুকানো রয়েছে ১ হাজার ৪৮০টি সোনার খনি। এসব থেকে রোজগার হলেও, এলাকায় উন্নয়ন থেকে যায় অধরা।

    অবহেলায় শারদা পীঠ

    প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে ১৭ মাইল দূরে রয়েছে শারদা পীঠ। জ্ঞানের দেবী শারদার মন্দির রয়েছে এখানেই। সনাতনীদের কাছে এক সময় যে জায়গা ছিল তীর্থক্ষেত্র, যে মন্দিরে নিত্য বাজত ঘণ্টা, নৈসর্গিক পরিবেশে অবস্থিত মন্দিরের ধূপ-দীপের গন্ধে যেখানে তৈরি হত স্বর্গীয় পরিবেশ, সেখানে আজ শুধুই শ্মশানের স্তব্ধতা। দাঁড়িয়ে রয়েছে ভগ্নপ্রায় এক মন্দিরের কাঠামো। বিগ্রহ? কে জানে কোথায়!

    ভারত বরাবর দাবি করে আসছে অখণ্ড জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অংশ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও বহুবার বলেছেন এই অঞ্চলের দখল পেতে আমরা জীবন বলি দিতেও প্রস্তুত (POJK)।

    ফিরিয়ে দাও, ফিরিয়ে দাও আমাদের ভূস্বর্গ…পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাতাসে ভাসছে এমনই আর্তি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sisir Adhikari: অমিতের সভামঞ্চে তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদ শিশির, আক্রমণ শানালেন শাসকদলকে

    Sisir Adhikari: অমিতের সভামঞ্চে তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদ শিশির, আক্রমণ শানালেন শাসকদলকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও খাতায় কলমে তৃণমূলের কাঁথির বিদায়ী সাংসদ শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari)। বিজেপিতে অফিসিয়ালি যোগদান করেননি তিনি। তাঁর ছেলে সৌমেন্দু অধিকারী এবার বিজেপির প্রার্থী। সৌমেন্দুর হয়ে প্রচারে বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর সেই সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কাঁথির বিদায়ী তৃণমূল সাংসদ শিশির অধিকারী। শুধু উপস্থিতই থাকলেন না, বক্তৃতাও করলেন তিনি। আক্রমণ শানালেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, তৃণমূল থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। দুর্নীতি মুক্ত বাংলা গড়তে  পারে একমাত্র বিজেপি। 

    বিজেপির মঞ্চে একসঙ্গে দেখা গেল তিন অধিকারীকে (Sisir Adhikari)

    বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে ছেলে সৌমেন্দুর হয়ে প্রথম থেকেই তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদ শিশির (Sisir Adhikari) নিজের আসনে প্রচারে নেমেছিলেন। বুধবারও কাঁথিতে বিজেপির জনসভায় প্রথম থেকে উপস্থিত ছিলেন শিশির। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মঞ্চে নিয়ে ওঠেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় শাহকে স্বাগত জানাতে এগিয়ে যান শিশির। করজোড়ে প্রণাম করে কাঁথিতে শাহকে স্বাগত জানান তিনি। সৌমেন্দুকে বিজেপির যুবনেতা অ্যাখ্যা দিয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী করার পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে শিশির-পুত্র শুভেন্দুর লড়াইকে যখন কুর্নিশ করেন শাহ, তখন মঞ্চে বসে হাততালি দিতে দেখা যায় শিশিরকে। সৌমেন্দুর পাশাপাশি ওই সভাতে পিতার সঙ্গে মঞ্চে হাজির ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এই প্রথম বিজেপির মঞ্চে একসঙ্গে দেখা গেল তিন অধিকারীকে।

    আরও পড়ুন: আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু-হিরণ, কোলাঘাটকাণ্ডের কথা জানানো হল শাহকেও

    গেরুয়া রঙের উত্তরীয় পরে সারাক্ষণ মঞ্চে থেকেছেন শিশির

    এদিনের সভায় বিজেপির পতাকা হাতে তুলে না-নিলেও গেরুয়া রঙের উত্তরীয় পরে সারা ক্ষণ মঞ্চে থেকেছেন তিনি। এর আগে ২০২১ সালেও শাহের সভায় দেখা গিয়েছিল শিশিরকে (Sisir Adhikari) । সে বছরের ১ মার্চ এগরার জনসভায় শাহের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নিয়ে তৃণমূল সরকারকে উৎখাতের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। যদিও সে দিন পদ্ম প্রতীকের পতাকা হাতে তুলে নেননি। তবে, ২০২০ সালের ১৯ডিসেম্বর মেদিনীপুরের সভায় যে দিন শাহের হাত ধরে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, সে দিনই কাঁথির ‘শান্তিকুঞ্জ’ তৃণমূলের সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করে দিয়েছিল। শিশির সরাসরি বিজেপিতে যোগ না দিলেও, তিনি যে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল তৃণমূল শীর্ষনেতৃত্বের কাছেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramkrisha Mission: জমির মালিক মিশনই, তবুও কেন গ্রেফতার হলনা প্রদীপ? প্রশ্ন পুলিশের বিরুদ্ধে

    Ramkrisha Mission: জমির মালিক মিশনই, তবুও কেন গ্রেফতার হলনা প্রদীপ? প্রশ্ন পুলিশের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে (Ramkrisha Mission) হামলার তদন্তে আজবকাণ্ড! ১৫ বছরের আগে অন্যত্র চলে যাওয়া মহারাজের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। এই মহারাজের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে হামলায় প্রধান অভিযুক্ত প্রদীপ রায়। আবার শিলিগুড়ি ডিসিপি সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, মূল অভি যুক্ত প্রদীপ ‘বেপাত্তা’। তবে কেন তার বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে লঘু ধারা? উত্তর দিতে পারেনি পুলিশ। অপরদিকে মিশনের হামলায় অভিযুক্ত যাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাদের আজ আদালতে তোলা হলে, বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলে, “আমাদের ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে”।

    পুলিশের বক্তব্য (Ramkrisha Mission)

    বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, “১৯ মে মাঝ রাতে সাড়ে তিনটে নাগাদ প্রদীপ রায় আরও ১০-১২ জন মিশনে (Ramkrisha Mission) ঘরে ঢুকে হামলা করে। মিশনের কর্মীদের ভয় দেখানো হয় এবং মারধর করে মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজও নষ্ট করে দেওয়া হয়। প্রদীপ রায় একটি কেস করেছে। তার দাবি, রামকৃষ্ণ মিশনের জমির মালিক সে। উত্তরাধিকার সূত্রে টুকা সিংয়ের কাছ থেকে এই জমি পেয়েছে প্রদীপ। কিন্তু তদন্তে জানা গিয়েছে, এই টুকা সিং অনেক আগে জমি বিক্রি করে দিয়েছে হরদুয়াল সিং গিল বলে এক ভদ্রলোকের কাছে। সে আবার বিক্রি করেছে এসকে রায়ের কাছে। এসকে রায় আবার জমিদান করেছে রামকৃষ্ণের কাছে। ফলে আদলাতের নির্দেশ অনুযায়ী জমির মালিক রামকৃষ্ণ মিশনই। তবে ল্যান্ড রেকর্ড অনুযায়ী জমি রয়েছে টুকা সিংয়ের নামেই। মিউটেশন হয়নি।”

    অধরা মূল অভিযুক্ত!

    রামকৃষ্ণ মিশনে (Ramkrisha Mission) হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা। কেন গ্রেফতার করা হয়নি প্রশ্ন করলে পুলিশ তার উত্তর ঠিক করে দিতে পারেননি। অথচ সেই মিশনের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে। এমনকি এফআইআর কপিতে ১৫ বছর আগে জলপাইগুড়ি থেকে চলে যাওয়া স্বামী অক্ষয়ানন্দ মহারাজের নাম রয়েছে। তিনি বর্তমানে প্রয়াগেরাজে থাকেন। তাঁর বিরুদ্ধে কীভাবে এফআইআর করল পুলিশ? আবার মিশনের পক্ষ থেকে যে এফআইআর করা হয়েছে সেখানে অভিযুক্তের নামের প্রদীপ রায়ের নাম থাকলেও, অস্ত্র আইনের মামলা রুজু করেনি পুলিশ। সবটা মিলিয়তে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠেছে অনেক।

    গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের বক্তব্য

    রামকৃষ্ণ মিশনে (Ramkrisha Mission) হামলা থাকার সন্দেহে যে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে আজ বুধবার তাদের আদালতে তোলা হয়েছে। অভিযুক্তদের বক্তব্য, “আমাদের জোর করে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা নির্দোষ। আমারা কেউ হামলার সঙ্গে যুক্ত নই।

    আরও পড়ুনঃহাজি নুরুলের নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূলের আদি-নব্যের গোষ্ঠী সংঘর্ষ! উত্তাল হাড়োয়া

    ঘটনা কী ঘটেছিল?

    শিলিগুড়ির ‘সেবক হাউস’ নামে একটি বাড়িতে শনিবার ১৯ মে রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ ৩৫ জনের একটি বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রামকৃষ্ণ মিশনের (Ramkrisha Mission)  ঘরে ঢুকে হামলা করে। একই সঙ্গে সন্ন্যাসীদের উপর চড়াও হয়। এরপর মিশনের সন্ন্যাসীদের শারীরিক ভাবে নিগ্রহ করে বাড়ি থেকে বাইরে করে দেওয়া হয়। একই ভাবে পাঁচ সন্ন্যাসী ও বাড়ির নিরাপত্তারক্ষীদের তুলে নিয়ে গিয়ে নিউজলপাইগুড়ি রেলস্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ফলে পরিস্থিতি ব্যাপক উত্তাল হয়ে ওঠে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share