Tag: bangla news

bangla news

  • Dev: চাকরি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত দেবের প্রতিনিধি, টাকা ফেরত পেলেন অভিযোগকারী

    Dev: চাকরি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত দেবের প্রতিনিধি, টাকা ফেরত পেলেন অভিযোগকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ দেবের (Dev) প্রতিনিধি রামপদ মান্নাকে আশা কর্মীর চাকরির জন্য ২ লক্ষ দিয়েছিলেন ঘাটালের ক্ষীরপাই এলাকার বাসিন্দা গঙ্গেশ সাঁতরা। মেয়ে মৌসুমী সাঁতরার চাকরির জন্য তিনটি কিস্তিতে সেই টাকা দিয়েছিলেন। ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের কর্মী সত্য ঘোষের মাধ্যমে রামপদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছিল। কিন্তু দেড় বছর হয়ে গেলেও চাকরি পাননি মৌসুমী। তা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টেও মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শোরগোল হতেই অভিযোগকারী দাবি করলেন, ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা তিনি ফেরত পেয়ে গিয়েছেন।

    ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছেন অভিযোগকারী

    চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চেয়েছিলেন। তা-ও পাননি। এই অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ হন গঙ্গেশ। হাইকোর্টে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চেও মামলা হয়। ভোটের আবহে এই বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় হয় ঘাটালের রাজনীতি। শোরগোলের মধ্যেই শুক্রবার গঙ্গেশ দাবি করলেন, চাকরির জন্য দেওয়া টাকা ফেরত পেয়েছেন তিনি। ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা আমি হাতে পেয়েছি। আমি খুবই খুশি।  বাড়ির সকলেই খুশি।’ কিন্তু টাকা ফেরত দিলেন কে? গঙ্গেশের দাবি, সত্য ঘোষই তাঁর টাকা ফেরত দিয়ে গিয়েছেন। মৌসুমীর স্বামী নির্মল হাজরাও বলেন, “সত্য ঘোষ আমাদের টাকা ফেরত দিয়ে গিয়েছেন। আমাদের আর কোনও অভিযোগ নেই। আদালত থেকে মামলা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি চলছে।”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    দেবের (Dev) প্রতিনিধি কী বললেন?

    গঙ্গেশের টাকা ফেরত পাওয়ার ব্যাপারে অবশ্য কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন রামপদ। তিনি বলেন, “আমি জানি না কার থেকে কে টাকা নিয়েছিল আর কে কাকে ফেরত দিয়েছে। আমার নাম করে কেউ কিছু করেছে কি না, সেটা জানব কী করে! ওই ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানা নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: নৌবাহিনীতে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে তথ্যপাচার, পাক এজেন্টের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ এনআইএ-র

    NIA: নৌবাহিনীতে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে তথ্যপাচার, পাক এজেন্টের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর আধিকারিকদের হানি ট্র্যাপে ফেলার কাজ করত আমন সালিম শেখ। পাকিস্তানের আইএসআই নিযুক্ত এই গুপ্তচরকে গত বছরের ২০ নভেম্বর গ্রেফতার করে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। জানা গিয়েছে, তার কাজ ছিল হানি ট্র্যাপের মাধ্যমে ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন গোপন তথ্য আদায় করে তা পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া। গ্রেফতার হওয়া এই পাকিস্তানি গুপ্তচরের বিরুদ্ধে আদালতে শুক্রবার চার্জশিট পেশ করল এনআইএ (NIA)।

    শেখ আমন সালিমের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় অভিযোগ

    জানা গিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা করা হয় গত বৃহস্পতিবারই বিশাখাপত্তনমে এনআইয়ের বিশেষ আদালতে। এই চার্জশিটে গ্রেফতার হওয়া শেখ আমন সালিমের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পাশাপাশি তাকে ‘আনলফুল অ্যাক্টিভিটিস প্রিভেনশন অ্যাক্ট’-এর বিভিন্ন ধারাও দেওয়া হয়েছে। এনআইএ-র (NIA) সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে, পাকিস্তানের গুপ্তচররা যে সিম কার্ড ব্যবহার করত। তা অ্যাকটিভ করার কাজ ছিল সালিমে ওপরেই। অর্থাৎ হানি ট্র্যাপের পাশাপাশি পাকিস্তানের গুপ্তচরদের ফোনের সিমও সাপ্লাই করত সে। তার এই কার্যকলাপ প্রথম সামনে আসে ২০২১ সালেই।, সে সময়ে অর্থাৎ ১২ জানুয়ারি ২০২১ সালে, পাকিস্তানি গুপ্তচরদের এই সিম অ্য়াক্টিভেট কার্যকলাপ ধরা পড়ে যায়। এরপরেই নাম সামনে আসে আমন সালিম শেখের।

    টাকার বিনিময়ে এমন কাজ করত সালিম

    এনআইএ (NIA) সূত্রে আরও তথ্য মিলেছে, টাকার বিনিময়ে এমন কাজ করত সে। পাকিস্তানের আইএসআই তাকে (সালিম) পরিচালনা করত। এর পাশাপাশি পাকিস্তানের আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করা আরও কয়েকজন এজেন্টের নাম সামনে এসেছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মীর বালাজ খান ও অলভিন। প্রসঙ্গত, মীর বালাজ খান একজন পাকিস্তানি নাগরিক। ক্রিপ্টো চ্যানেলের মাধ্যমে পাকিস্তানের আইএসআই তাকে যে কাজ দিত তা সে সম্পন্ন করতো। গত বছরের ৬ নভেম্বর ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি একটি সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা করে দুজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। এরা হল মনমোহন সুরেন্দ্র পান্ডা এবং আলভেন। প্রসঙ্গত, মনমোহন সুরেন্দ্র পান্ডাকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল পাকিস্তানের গুপ্তচর হওয়ার অপরাধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raebareli: নির্বাচনী এলাকার বিধায়কের বিজেপিতে যোগ, চিন্তায় রাহুল

    Raebareli: নির্বাচনী এলাকার বিধায়কের বিজেপিতে যোগ, চিন্তায় রাহুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মরশুমে ইন্ডি (India Alliance) জোটে ভাঙন অব্যাহত। জোটের শরিক দলের নেতারা যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে। এবার সেই ধারায় নাম লেখালেন সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক মনোজ পান্ডে। অভিযোগ তিন মাস ধরে বিজেপির (BJP) সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন সাইকেল বাহিনীর বিদ্রোহী বিধায়ক। রায়বরেলি (Raebareli) লোকসভার অন্তর্গত উঁচাহর কেন্দ্রের বিধায়ক মনোজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) উপস্থিতিতে এদিন বিজেপিতে যোগ দেন।

    ফেব্রুয়ারিতে থেকেই শুরু গোলমাল

    খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে রাজ্যসভা ভোটের আগে ফেব্রুয়ারিতে সমাজবাদী পার্টির (Samajwadi Party) বিধায়ক দলের মুখ্য সচেতক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন মনোজ। এরপর ক্রস ভোটিং করে হারিয়ে দিয়েছিলেন অখিলেশের (Akhilesh Yadav) দলের তৃতীয় প্রার্থীকে। এদিকে সোমবার রায়বেরেলি (Raebareli) লোকসভা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে। বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার প্রার্থী সোনিয়া পুত্র রাহুল গান্ধি (Rahul Gandhi)। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি টিকিট দিয়েছে যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকারের মন্ত্রী দীনেশ প্রতাপ সিংহকে। শেষ দিন শনিবার বিজেপির প্রচারে দেখা যেতে পারে মনোজ পান্ডেকে।

    মনোজের সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক ইতিহাস

    ৯০ এর দশকের শেষে সমাজবাদী পার্টির যুব শাখায় যোগ দিয়েছিলেন মনোজ। প্রয়াত মুলায়ম সিংহ যাদবের নজরে পড়ে অচিরেই হয়ে ওঠেন দলের অন্যতম উচ্চবর্ণের মুখ। উত্তরপ্রদেশে রাজনীতিতে জাতপাত কেন্দ্রিক ভোট পলিটিক্স একটা বড় ফ্যাক্টর। মনোজ পান্ডেকে ব্রাহ্মণমুখ হিসেবে ব্যবহার করত সমাজবাদী পার্টি। ২০০০ সালেও অল্প কিছু দিনের জন্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে ফের ফিরে আসেন সমাজবাদী পার্টিতে।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের পর এবার বিহারে সীতার মন্দির! নির্বাচনের মধ্যেই বড় ঘোষণা শাহের

    ২০১২ সালে অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বে সমাজবাদী পার্টি উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় এলে তাঁকে কৃষি প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিল। অখিলেশও তাঁর উপরে আস্থা রেখেছিলেন। দলের প্রবীণ নেতাদের উপেক্ষা করে ২০২২ সালে নির্বাচনে বিধানসভায় তাঁকেই মুখ্য সচেতক করা হয় সমাজবাদী পার্টির তরফে। উঁচাহর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তিনবার সমাজবাদী পার্টির টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন মনোজ।  রায়বরেলির (Raebareli) রাজনীতিতে তাঁর আধিপত্য না থকলেও যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। মনোজের বিজেপিতে যোগ রাহুলের জন্য যথষ্ট চিন্তার কারণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের মহিলাদের বিক্ষোভ, তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারের দাবি

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের মহিলাদের বিক্ষোভ, তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগে এক আন্দোলনকারী মহিলাকে রাতের অন্ধকারে বাড়ি থেকে মুখে ঢেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার এই ঘটনা নিয়ে দিনভর উত্তেজনা ছিল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali)। থানায় তৃণমূল নেতাদের নামে অভিযোগও জমা পড়ে। এবার সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই শুক্রবারও আন্দোলনকারী মহিলারা সন্দেশখালির বেড়মজুর এলাকায় বিক্ষোভ দেখান। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    সন্দেশখালিতে ফের বিক্ষোভ (Sandeshkhali)

    শুক্রবার নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুর বটতলা এলাকায়। পুলিশ ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করলেন গ্রামের মহিলারা। বিক্ষোভকারীরা বলেন, “দিনের পর দিন পুলিশ সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে নানান ধরনের জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে জেলে ভরছে। অথচ যে সমস্ত তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা দিনের পর এলাকায় অত্যাচার চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। অভিযুক্তদের আড়াল করতে পুলিশ নিরীহ মানুষের ওপর মিথ্যা মামলা চাপাচ্ছে। অন্যদিকে রাত হলেই বাড়িতে হানা দিচ্ছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা।” অবিলম্বে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারী মহিলারা।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারের দাবি

    ঘটনা সূত্রপাত, বুধবার রাতে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এক প্রতিবাদী মহিলাকে বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় তৃণমূল নেতা দিলীপ মল্লিক-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবারই থানায় অভিযোগও দায়ের করেন ওই মহিলা। পুলিশ ইতিমধ্যেই তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষার পর বসিরহাট আদালতে তাঁর গোপন জবানবন্দি নিয়েছে। তারপরও অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতার করা হয়নি কেন, এই প্রশ্ন তুলে এদিন সন্দেশখালির বেড়মজুর বটতলা এলাকার মহিলারা বিক্ষোভ শুরু করেন। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, বিজেপি এলাকায় নতুন করে গোলমাল তৈরি করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali News: বহাল গঙ্গাধর কয়ালের রক্ষাকবচ, মামলা গেল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে

    Sandeshkhali News: বহাল গঙ্গাধর কয়ালের রক্ষাকবচ, মামলা গেল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে পিয়ালী দাসের ওরফে মাম্পির জামিন। অন্যদিকে গঙ্গাধর কয়ালের রক্ষাকবচ বহাল। একই দিনে জোড়া ধাক্কা খেল রাজ্য। মামলার সুবিধার্থে গঙ্গাধর কয়ালের মামলা প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে পাঠালেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

    বহাল রইল গঙ্গাধরের রক্ষাকবচ

    প্রসঙ্গত তাঁর ছবি ব্যবহার করে সঙ্গে কাল্পনিক সংলাপ জুড়ে দিয়ে ভিডিও (Sandeshkhali News) বানানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গঙ্গাধর কয়াল। কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি ছিল শুক্রবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর বেঞ্চে। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের বক্তব্যের আশ্বাস মত গঙ্গাধর কয়ালের রক্ষাকবচ বহাল থাকবে বলে মৌখিকভাবে জানান বিচারপতি। একইসঙ্গে তিনি এই মামলাটি আর শুনবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন। বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, “যেহেতু হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে সন্দেশখালির ঘটনা সংক্রান্ত মামলাগুলি শুনানি হচ্ছে তাই গঙ্গাধর কয়ালের মামলা ওই বেঞ্চেই যাওয়া উচিত। সন্দেশখালির ঘটনায় সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই বেঞ্চেই গঙ্গাধর কয়ালের মামলা শুনানি হওয়া উচিত। তাই মামলাটি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হল। পরবর্তী শুনানি কবে হবে, তিনিই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।”

    কীভাবে মামলায় জড়ালেন গঙ্গাধর

    প্রসঙ্গত সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও কাণ্ডে ১০মে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। অভিযোগ ছিল তাঁর ছবি ব্যবহার করে ভুয়ো ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজ সহ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার দাবি তোলেন ওই বিজেপি নেতা।  

    আরও পড়ুন: সপাটে চড় খেল রাজ্য! পিয়ালির গেফতারিতে ষড়যন্ত্র খুঁজে পেল হাইকোর্ট

    এদিন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত সন্দেশখালির (Sandeshkhali News) বিজেপি নেত্রী পিয়ালি দাস (PIyali Das) ওরফে মাম্পিকেও জামিন দেন। অবিলম্বে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি। যেভাবে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা নিয়েও হাইকোর্টের কড়া প্রশ্নের মুখে রাজ্য। মাম্পির গ্রেফতারির ক্ষেত্রে মাস্টারমাইন্ড কে? প্রশ্ন বিচারকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: দেগঙ্গায় নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত বিজেপির নেতা-কর্মীরা

    Lok Sabha Election 2024: দেগঙ্গায় নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত বিজেপির নেতা-কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যদের হুমকির মুখে পড়লেন বিজেপির নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা। শুধু তাই নয় এলাকা ছাড়ার হুমকি দিয়ে গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তৃণমূল দুষ্কৃতীরা। আক্রন্ত বিজেপি কর্মীদের পক্ষ থেকে সামজিক মাধ্যমে সেই ভিডিও বিনিময় করায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ। ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (Lok Sabha Election 2024) দেগঙ্গায়।

    ঘটনা কীভাবে ঘটেছে (Lok Sabha Election 2024)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেগঙ্গার (Lok Sabha Election 2024) ২ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি চন্দনা দাস অভিযোগ করে জানিয়েছেন, “বেড়াচাঁপা এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ইয়াজপুর দাসপাড়া এলাকায় বারাসতের বিজেপি প্রার্থী স্বপন মজুমদারের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলাম আমরা। এলাকার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য আকতারুল মোল্লা প্রথমে হুমকি দেন। এরপর তিনি বলেন, এখানে ১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে রেখেছে বিজেপি। তাই বেরিয়ে যান। এরপর আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর জনমুখী প্রকল্পের কথা প্রচার করতে গেলে আমাদের আটকে দেওয়া হয়। এরপর হার্মাদ বাহিনী আমাদের ঘিরে ধরে মারধর করে। গাড়িতে করা হয় ব্যাপক ভাঙচুর। কোনও ক্রমে আমরা পালিয়ে প্রাণে বাঁচি। ইতিমধ্যে আমরা দেগঙ্গা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।”

    আরও পড়ুনঃ নিয়োগ-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত দেব! অডিও প্রকাশ করে মারাত্মক অভিযোগ হিরণের

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বিজেপির অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে দেগঙ্গা (Lok Sabha Election 2024) বিধানসভার তৃণমূল নির্বাচনী কমিটির সদস্য তুষার কান্তি দাস বলেন, “এলাকায় বিজেপির পক্ষ থেকে একটা প্রচার অভিযান চালানো হয়েছিল ঠিক। কিন্তু প্রচারে এসে তাঁরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে অপপ্রচার করছিলেন। তৃণমূল সরকারের দেওয়া প্রকল্প সম্পর্কে কুৎসা করা হচ্ছিল। এই জন্য তৃণমূলের স্থানীয় সদস্যরা প্রতিবাদ করেছিলেন। তবে মারধর বা হুমকির কোনও রকম ঘটনা ঘটেনি। লোকসভার ভোটে বিজেপি হার বুঝতে পেরেই এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: “বড় শিল্প তো আসেই না”- ব্যর্থতার অভিযোগে সরকারকে বিঁধলেন নির্মলা

    Nirmala Sitharaman: “বড় শিল্প তো আসেই না”- ব্যর্থতার অভিযোগে সরকারকে বিঁধলেন নির্মলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে কলকাতায় দাঁড়িয়ে সরকারকে ব্যর্থতার অভিযোগে বিঁধলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতায় দাঁড়িয়ে শিল্পায়নের প্রসঙ্গ তুলে পূর্বতন বাম এবং বর্তমান তৃণমূল সরকারকে একাধারে ব্যর্থতার অভিযোগে বিঁধলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। 

    সীতারামনের মন্তব্য  (Nirmala Sitharaman)

    এদিন এক সংগঠনের আয়োজিত নাগরিক সম্মেলনে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন নির্মলা। সেখানেই সীতারামনের দাবি করেন, এক সময় বাংলা শিল্পের নিরিখে দেশের প্রথম সারির রাজ্যগুলির অন্যতম হিসেবে গণ্য হত। কিন্তু গত ৫০ বছরে পরিস্থিতি লাগাতার অবনতির দিকে অগ্রসর হয়েছে। যদিও বর্তমান সরকারকে একটু বেশি দুষলেন নির্মলা। তিনি বলেন, “শিল্পের হাল এখন বামফ্রন্ট জমানার থেকেও অনেক বেশি খারাপ হয়েছে। বড় শিল্প তো আসেই না। বরং যারা ছিল তাদের অনেকে রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছে।” এছাড়াও এদিন  তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, তোলাবাজি এবং গুন্ডাগিরির অভিযোগ তুলে তাঁর মন্তব্য, এই সব কারণেই বড় সংস্থা থাকছে না। শিল্প তৈরির অনুকূল পরিবেশই নেই। 

    সন্দেশখালি ইস্যুতেও আক্রমণ  

    এবারের লোকসভা ভোটে বিজেপির অন্যতম অস্ত্র সন্দেশখালি (Sandeshkhali Issues)। নারী নির্যাতনের অভিযোগ থেকে ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে এই এলাকার নাম। বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি ইস্যুতেও আক্রমণ শানান নির্মলা। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) বলেন, “সন্দেশখালিতে ভিক্টিম শেমিং করছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেও করেছেন। পার্ক স্ট্রিটের সময়।’’

    মূলধন তৈরির নিরিখেও পিছিয়ে রাজ্য 

    মূলধন তৈরির নিরিখেও রাজ্য পিছিয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন নির্মলা (Nirmala Sitharaman)। তাঁর দাবি, এখানে এক সময়ে মূলধন সৃষ্টির হার ছিল ৬.৭%। এখন তা ২.৬%। এ প্রসঙ্গে তাঁর অভিযোগ রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধির এটি অন্যতম কারণ। 

    আরও পড়ুন: ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে, চিকিৎসার গাফিলতি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    কুণাল ঘোষের মন্তব্য

    নির্মলার মন্তব্যের প্রসঙ্গে তৃণমূলের নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘নির্মলা সীতারামন যে পরিবেশে থাকেন, সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি বোঝা সম্ভব নয়। এখানে গত ১০ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বিকল্প অর্থনৈতিক ভাবনা প্রতিষ্ঠা করেছেন। শুধু শিল্প লগ্নি হয়নি, তার বিকেন্দ্রীকরণ হয়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বহু মানুষ যুক্ত হয়েছেন।’’  কুণালের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিকে মূল্যায়ন করতে করোনার সময় লকডাউন চলাকালীন দেশের বিভিন্ন রাজ্যের আর্থিক অবস্থার সঙ্গে এ রাজ্যের তুলনা করলেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) তা বুঝতে পারতেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • High Court: সপাটে চড় খেল রাজ্য! পিয়ালির গ্রেফতারিতে ষড়যন্ত্র খুঁজে পেল হাইকোর্ট

    High Court: সপাটে চড় খেল রাজ্য! পিয়ালির গ্রেফতারিতে ষড়যন্ত্র খুঁজে পেল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টে (High Court) ফের ধাক্কা খেল রাজ্য। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বিজেপি নেত্রী পিয়ালি দাস (PIyali Das) ওরফে মাম্পিকে জামিন দিল আদালত। অবিলম্বে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিল বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর বেঞ্চ। যেভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে তা নিয়েও হাইকোর্টের কড়া প্রশ্নের মুখে রাজ্য। মাম্পির গ্রেফতারির ক্ষেত্রে মাস্টারমাইন্ড কে? প্রশ্ন বিচারকের।

    পিয়ালির গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন আদালতের

    ১৪ মে বসিরহাট আদালতে জামিন নিতে গিয়ে গ্রেফতারি বরণ করতে হয়েছিল বিজেপি নেত্রী পিয়ালি দাস ওরফে মাম্পিকে। নিম্ন আদালত (Basirhat Court) জামিন তো দেয়নি, উল্টে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। প্রতিবাদে মাম্পি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। বিজেপি (BJP) নেত্রীর গ্রেফতারি বেআইনি বলে দাবি করেন বিচারক। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত ব্যক্তিগত বন্ডে মামলাকারিকে অবিলম্বে হেফাজত থেকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে বিচারক মন্তব্য করেন, “নিম্ন আদালতে বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীন কেউ যদি অভিযোগকারী বা সাক্ষীদের মিথ্যা বলার জন্য হুমকি দেয় শুধুমাত্র সেই ক্ষেত্রেই ১৯৫(এ) প্রযোজ্য। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এটা স্পষ্ট বলা আছে। যদি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখেও কেউ চোখ বন্ধ করে বসে থাকে তাহলে সেটা আদালত অবমাননার শামিল।” পিয়ালির বিরুদ্ধে ১৯৫(এ) ধারায় যে অভিযোগ হয়েছে তাও স্থগিত করে দেন বিচারপতি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ভোটের পর ১৯ জুন।

    হাইকোর্টে কড়া ধমক খেল রাজ্য

    এদিন শুনানি চলাকালীন বিচারপতি পিয়ালি দাসের গ্রেফতারি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। বিশেষ করে ১৯৫(এ) ধারা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি বলে রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি। বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “ম্যাজিস্ট্রেট কি করেছেন? ১৯৫(এ) ধারা নিয়ে সুপ্রিম (SC) কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। তার পরেও তিনি কীভাবে এই নির্দেশ দিলেন? এই মামলাটি কোন অফিসার দেখছেন?

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে ফের মহিলাদের বিক্ষোভ, তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারের দাবি

    রাজ্যের উদ্দেশ্যে বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, “এভাবে কাউকে গ্রেফতার করা যায় না। আপনারা হয়ত এই কোর্টকে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশগুলি অন্তত মেনে চলুন। পিয়ালিকে ফাঁসানো হয়েছে বলে মন্তব্য করে আদালত। আদালতের (High Court) এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    কীভাবে গ্রেফতার করা হয় পিয়ালি দাসকে

    প্রসঙ্গত সন্দেশখালির আন্দোলন পর্বে সক্রিয় ভূমিকায় ছিলেন পিয়ালী দাস ওরফে মাম্পি। রেখা পাত্র’র সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শাসকদলের অবিচারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন তিনি। এর পরেই শাসকদলের রোষে পড়ে যান তিনি। সন্দেশখালির যে ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তাতেও মাম্পির নাম নেওয়া হয়। এরপরেই জামিনযোগ্য ধারায় এফআইআর হয় তাঁর নামে। দুদিন পরে পুলিশ ৪১(এ) ধারায় নোটিশ দেয়। “১৪ই মে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনযোগ্য ধারা থাকায় জামিন নিতে গেলে তাঁকে গ্রেফতার করে ফেলে। নতুন মামলায় নতুন ধারা পুলিশ জুড়ে দেয়। নতুন মামলায় জামিন অযোগ্য ধারা থাকায় জামিন দিতে অস্বীকার করে মহকুমা আদালত। এমনকি পুলিশের কেস ডায়েরি না দেখেই হেফাজতে পাঠিয়েছিল নিম্ন আদালত।” সওয়াল জওয়াবের সময় এই অভিযোগ করেন পিয়ালির আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার।

  • Lok Sabha Election 2024: লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ ভোট, পঞ্চম দফায় রাজ্যে বাড়ল কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা

    Lok Sabha Election 2024: লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ ভোট, পঞ্চম দফায় রাজ্যে বাড়ল কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপাতত রাজ্যে প্রথম চার দফার ভোট (Lok Sabha Election 2024) শেষ হয়েছে। বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি ছাড়া প্রায় নির্বিঘ্নেই কেটেছে নির্বাচন। বাকি রয়েছে এখনো পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম দফার ভোট। তাই ভোটে যাতে কোনরকম অশান্তির ছবি না উঠে আসে তার জন্য আরো আটোসাঁটো নিরাপত্তায় রাজ্যকে মুড়ছে নির্বাচন কমিশন। জানা গেছে প্রথম চার দফার থেকে আরো বেশি পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন হবে বাকি তিন দফার ভোটে।

    ধাপে ধাপে বারবে বাহিনীর সংখ্যা 

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়ছে পঞ্চম দফা থেকে। বাংলায় শেষ তিন দফায় (Lok Sabha Election 2024) কমিশনের প্রস্তাবিত বাহিনীর থেকেও অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানা গেছে। পঞ্চম দফার পর ষষ্ঠ দফায় তা আরও বাড়বে। আর সপ্তম তথা শেষ দফায় আরও বৃদ্ধি করা হবে বাহিনী।

    কী কারনে এই সিদ্ধান্ত? 

    চতুর্থ দফার ভোটে (Lok Sabha Election 2024) বিক্ষিপ্ত কিছু হিংসার ঘটনা সামনে এসেছে৷ আর তার জেরেই পঞ্চম দফায় বাড়ানো হলো কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলিতে ৮৫ শতাংশ এবং আরামবাগে ৮৭ শতাংশ বুথ স্পর্শকাতর। মূলত সেই কারণেই পঞ্চম দফা ভোটের আগে বাড়ানো হল কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আগে বাহিনী ছিল ৭৬২ কোম্পানি৷ আর এবার থাকছে ৭৯৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ অর্থাৎ রাজ্যে আরও অতিরিক্ত ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে। এই ৩৭ সংখ্যার মধ্যে ২০ কোম্পানি আসছে মণিপুর থেকে, ১৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে মধ্যপ্রদেশ থেকে। প্রসঙ্গত পঞ্চম দফায় মোট ৫৬৭ সেকশন কিউআরটি থাকবে বলে খবর কমিশন সূত্রে। 

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানি শরণার্থীরা পেলেন ভারতীয় নাগরিকত্ব, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

    পঞ্চম দফা থেকে ভোট (Lok Sabha Election 2024) শুরু হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গে৷ আগামী সোমবার অর্থাৎ ২০ মে রাজ্যে পঞ্চম দফার নির্বাচন। হাওড়া, হুগলি, উলুবেরিয়া, বনগাঁ, ব্যারাকপুর, শ্রীরামপুর ও আরামবাগ এই সাতটি আসনে নির্বাচন হবে পঞ্চম দফায়৷ যেহেতু এবার কেন্দ্রের সংখ্যা  বেশি তাই সেই অনুয়ায়ী শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়তে চলেছে কমিশন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Takshila University: রামায়ণেও উল্লেখ মেলে! জানুন প্রাচীন ভারতের তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে

    Takshila University: রামায়ণেও উল্লেখ মেলে! জানুন প্রাচীন ভারতের তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল তক্ষশীলা। অনেক ঐতিহাসিক একে পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ও বলে থাকেন। সিন্ধু নদীর পূর্ব দিকে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখ পাওয়া যায় বিভিন্ন বৌদ্ধশাস্ত্রে, জাতকের কাহিনীতে। রামায়ণ-মহাভারতেও উল্লেখ মেলে তক্ষশীলার। উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বিখ্যাত প্রত্নতাত্বিক স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম তক্ষশীলার ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেন। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়টি সিন্ধু নদীর পূর্ব তীরে তক্ষশীলা শহরে অবস্থিত ছিল জানা যায়। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্তিত্ব সম্পর্কে প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে কিছু কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, তক্ষশীলা খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তীকালে জাতকের কাহিনীতে অর্থাৎ খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে এর বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়। খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী পর্যন্ত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্তিত্ব ছিল বলে জানা যায়। জানা যায়, তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে (Takshila University) ১০,৫০০ জনেরও বেশি ছাত্র পড়াশোনা করতেন।

    আরও পড়ুন: বিদ্যাচর্চার উৎকর্ষ কেন্দ্র ছিল প্রাচীন ভারতের বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয়

    সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ও ভাব বিনিময়ের কেন্দ্র

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় ভারতবর্ষের সঙ্গে বহির্বিশ্বের যে বাণিজ্যিক পথ সেখানেই অবস্থিত ছিল। অর্থাৎ তৎকালীন পারস্য এবং মধ্যপ্রাচ্যকে যুক্ত করে যে বাণিজ্য পথ সেখানেই এর অবস্থান ছিল। এমন অবস্থানের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে বহু ছাত্র এবং পণ্ডিত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতেন। যার ফলে তক্ষশীলা একটি সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ও ভাব বিনিময়ের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।

    কোন কোন বিষয় পড়ানো হতো?

    বিভিন্ন ঐতিহাসিকদের মত অনুসারে, তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত, চিকিৎসা, দর্শন, সাহিত্য, ভাষাবিজ্ঞান, ধর্মতত্ত্ব, স্থাপত্য, অর্থনীতি, রাজনীতি এবং যুদ্ধবিদ্যার মতো বিষয়গুলিতে পঠন পাঠন চলত। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষণ পদ্ধতি ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং সেখানকার অধ্যাপকরা ছাত্রদের বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করাতেন। পড়ুয়ারা বিতর্কে অংশগ্রহণ করতেন। এর পাশাপাশি শিক্ষার ব্যবহারিক দিকেও ছাত্ররা পারদর্শী হয়ে উঠতেন। ছাত্রদের মধ্যে বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা এই সমস্ত কিছুই বাড়ানো হতো পঠন-পাঠনের মাধ্যমে।

    ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর সবথেকে প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় 

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর সবথেকে প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় যা নালন্দা এবং বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকেও অনেকটাই প্রাচীন ছিল। সেখানে ছিল একটি বিশাল আকারের গ্রন্থাগার। এখানে বিভিন্ন সাহিত্যের পান্ডুলিপি সংরক্ষণ করা ছিল। ছাত্র এবং অধ্যাপকরা এই লাইব্রেরীতে আসতেন। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে গুরুকুল পদ্ধতিতে শিক্ষাদান করা হতো। যেখানে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপকদের সঙ্গেই থাকতেন। তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধন গড়ে উঠত। এইভাবে ছাত্রদের শারীরিক, মানসিক এবং আধ্যাত্মিক বিকাশ সম্পূর্ণ হতো। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় খ্যাতি তৎকালীন দিনে দূরদূরান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল।

    প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে উল্লেখ

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখ প্রাচীন ভারতের বিভিন্ন গ্রন্থে পাওয়া যায়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- 

    অর্থশাস্ত্র: প্রাচীন ভারতীয় পণ্ডিত কৌটিল্য বা চাণক্য বা বিষ্ণুগুপ্ত অর্থশাস্ত্র রচনা করেছিলেন এখানে বসেই। তাঁর গ্রন্থে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা ও জ্ঞান চর্চার এক খ্যাতনামা কেন্দ্র হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন।

    মহাভারত: বহু শতাব্দী আগে রচিত মহাকাব্য মহাভারত। সেখানেও তক্ষশীলা নগর সমেত তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।

    রামায়ণ: জ্ঞান চর্চার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পীঠস্থান হিসেবে রামায়ণে তক্ষশীলার উল্লেখ পাওয়া যায়। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় (Takshila University) প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব রামায়ণ অনুসারে কৈকেয়ীর পুত্র তথা ভগবান রামের ভাই ভরতকে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। জানা যায়, ভরত তাঁর পুত্র তক্ষকে ওই নগর শাসনের জন্য নিযুক্ত করেছিলেন। সেখান থেকেই তাঁর নামানুসারে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় নামটি এসেছে বলে মনে করা হয়।

    জাতকের কাহিনী: বৌদ্ধ ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য হল জাতকের কাহিনী। এই জাতকের কাহিনীতে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখ পাওয়া যায়।

    বিভিন্ন গ্রিক ও চিনা সাহিত্য: মেগাস্থিনিস সমেত অন্যান্য পরিব্রাজকদের বিভিন্ন লেখায় উঠে এসেছে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়। এ থেকেই বোঝা যায় তক্ষশীলা কতটা খ্যাতিসম্পন্ন ছিল। সে সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখ পাওয়া যায় চীনা পরিব্রাজকদের লেখাতেও।

    মনুস্মৃতি: মনুস্মৃতি, কথাসরিত সাগর প্রভৃতি প্রাচীন ভারতীয় গ্রন্থে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখ পাওয়া যায়। 

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য দিক

    কঠিন প্রতিযোগিতা: জানা যায় সে সময় ছাত্ররা সহজেই তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেতেন না। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য তাঁদেরকে একটি কঠিন প্রবেশিকা পরীক্ষার দিতে হতো এবং তার মাধ্যমেই সুযোগ মিলতো সেখানে পড়াশোনা করার।

    আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়: ভারতীয় বিভিন্ন সাহিত্য, চিনা এবং গ্রিক পরিব্রাজকদের লেখা থেকে জানতে পারা যায় যে এটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে উঠেছিল। কারণ এখানে পারস্য, গ্রিস, মধ্য এশিয়া প্রভৃতি দেশ থেকে ছাত্ররা পড়তে আসতেন।

    বৃত্তি: বিভিন্ন ঐতিহাসিকদের গবেষণা থেকে জানতে পারা যায় তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় যোগ্য ছাত্রদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা ছিল।

    ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর জোর: তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকরা ছাত্রদের ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর জোর দিতেন বলে জানা যায়। তাঁদেরকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও চলত।

    কারা পড়াতেন?

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতেন পাণিনির খ্যাতনামা সংস্কৃত পণ্ডিত। পাণিনির অষ্ট্যাধ্যায়ী তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় বসেই রচিত হয় বলে জানা যায়। এটি সংস্কৃতের জটিল এবং নিয়মভিত্তিক ব্যাকরণ ছিল। অন্যদিকে মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী চাণক্যও তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপনা করতেন বলে জানা যায়। ভারতীয় চিকিৎসার জনক বলে পরিচিত চরক তক্ষশীলায় অধ্যাপনা করতেন। অন্যদিকে গৌতম বুদ্ধের ব্যক্তিগত ডাক্তার বলে পরিচিত ছিলেন জিবক, তিনিও তক্ষশীলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য পাটনায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিন্তু কিছু বৌদ্ধ সাহিত্য দাবি করে যে চাণক্য চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে অধ্যয়ন ও শিক্ষার জন্য তক্ষশীলায় নিয়ে গেছিলেন।

    আরও পড়ুন: অক্সফোর্ড প্রতিষ্ঠার পাঁচশো বছরেরও আগে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি ছিল বিশ্বজুড়ে

    পতনের কারণ 

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় (Takshila University) শেষ পর্যন্ত ধ্বংসের সম্মুখীন হয়। এর পতনের অনেক কারণ রয়েছে। রাজনৈতিক এবং আর্থসামাজিক কারণও বেশ কতকগুলি রয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় আক্রমণ: মনে করা হয় খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে হুণ শাসক তোরমান এই বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা করেন। যার ফলে তক্ষশীলার শিক্ষাগত এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন: মনে করা হয় উত্তর ভারতে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনও তক্ষশীলা (Takshila University) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share