Tag: bangla news

bangla news

  • Ration Scam case: রেশন দুর্নীতিতে এখনও পর্যন্ত ৮৭টি অভিযোগ দায়ের! আদালতে জানাল রাজ্য

    Ration Scam case: রেশন দুর্নীতিতে এখনও পর্যন্ত ৮৭টি অভিযোগ দায়ের! আদালতে জানাল রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার শিরোনামে রেশন দুর্নীতি। সোমবার রাজ্য পুলিশের তরফে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) রিপোর্ট দিয়ে জানানো হয়েছে রাজ্যে রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam case) এখনও পর্যন্ত ৮৭টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ৬৫টি মামলায় ইতিমধ্যে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে রাজ্য। দুটি মামলায় ত্রুটি আছে। বাকি ২০টি মামলার তদন্ত চলছে বলে ওই রিপোর্টে জানিয়েছে রাজ্য। 

    ৬টি মামলায় রাজ্য পুলিশের তদন্তে স্থগিতাদেশ বহাল 

    অন্যদিকে এই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে আগামী ১৭ জুন আদালতে (Calcutta High Court) জবাব দেবে ইডি। ২৪ জুন পর্যন্ত রেশন দুর্নীতির ৬টি মামলায় রাজ্য পুলিশের তদন্তে স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। গাইঘাটা থানার একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের সব রেশন দুর্নীতির মামলা ইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
    প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতি মামলার (Ration Scam case)  তদন্তভার নিজেদের হাতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় ইডি। সেই প্রেক্ষিতে রাজ্যের কোন কোন থানায়, মোট কয়টি এফআইআর দায়ের হয়েছে, তার একটি তালিকা আদালতে জমা দেওয়ার আবেদন জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির সেই দাবির ভিত্তিতেই সোমবার রাজ্যের আইনজীবী আদালতে রিপোর্ট পেশ করেছেন।

    অভিযোগ পেয়েও চোখ কান বুজে বসেছিল পুলিশ

    এদিকে রেশন দুর্নীতির (Ration Scam case) তদন্তে নেমে ইডির হাতে উঠে এসেছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, ১০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। সেই দুর্নীতির টাকা পাঠানো হয়েছে বিদেশে। এদিকে দুর্নীতির তদন্ত যথাযথ হয়নি। উল্টে মূল এফআইআর রাজ্য পুলিশ নষ্ট করেছে বলে অভিযোগ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। 

    আরও পড়ুন: মুখের মিলেই মিশরে ব্যাপক জনপ্রিয় ভারতীয় গায়ক অভিজিৎ

    প্রসঙ্গত, এর আগে রেশন দুর্নীতি মামলায় (Ration Scam case) গত বছর ২৭ অক্টোবর গ্রেফতার হন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এরপর চলতি বছরে ফেব্রুয়ারি মাসে মন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করা হয় তাঁকে। ইডির দাবি, খাদ্যমন্ত্রী থাকাকালীন রেশন বণ্টনে দুর্নীতির কথা জানতেন জ্য়োতিপ্রিয়। এফআইআর দায়ের থেকে সিআইডি তদন্ত, চালকল-গমকল মালিকদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ, সবই তাঁর নজরে ছিল। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেননি তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে মামলা খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    Delhi High Court: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে মামলা খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী আচরণ বিধিভঙ্গ করে ধর্মীয় ভেদাভেদ সৃষ্টিকারী ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  (PM Narendra Modi)। এই অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর  বিরুদ্ধে দাখিল হওয়া মামলা সোমবার খারিজ করল দিল্লি হাইকোর্টে (Delhi High Court)। ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে এই মামলা করা হয়েছে। এমনই অভিমত দিল্লি হাইকোর্টের। মামলায় কোনও সারবস্তুই নেই, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং ভুল ধারণার উপর ভিত্তি করে এই মামলা দাখিল হয়। তাই মামলা খারিজ করা হল বলে দিলেন বিচারপতি সচিন দত্ত।

    কী বলল আদালত

    ধর্মের নামে ভোট চাওয়া এবং নানা ভাবে অন্য ধর্মকে নিয়ে ঘৃণা ভাষণ দেওয়ার অভিযোগে মোদিকে ৬ বছর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বিরত করার আর্জিতে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন আইনজীবী আনন্দ এস জোন্ধলে। সোমবার সেই মামলাই খারিজ করে দেয় উচ্চ আদালত। এর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেও একই আর্জি জানিয়েছেন মামলাকারী। এ প্রসঙ্গে আদালতের বক্তব্য, কমিশন কী করবে, আদালত (Delhi High Court) তা নিয়ে নির্দেশ দিতে পারে না। কমিশন স্বাধীন, কমিশনই আইন অনুযায়ী যা করার করবে।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপির রোড শোয়ে বোমাবাজি তৃণমূলের! এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন সৌমেন্দু

    কেন মামলা

    মামলাকারী আইনজীবী আনন্দ এস জোন্ধলে মনে করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) মন্তব্যে নির্বাচনী মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘিত হয়েছে। সেটা বিবেচনা করার এক্তিয়ার নির্বাচন কমিশনের। উল্লেখ্য, গত মাসে রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ছাড়াও বিজেপি নেতা জেপি নাড্ডার ট্যুইট ও ভাষণ এবং অনুরাগ ঠাকুরের ভাষণের কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়। মামলাকারী সহ বহু মানুষ এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করা সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয় মামলাতে। এদিন সেই সব অভিযোগই খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: তৃণমূল মন্ত্রীর ভাইয়ের ওয়ার্ডে চলেছে দেদার ছাপ্পা ও ভোট লুট, অভিযোগ বিজেপির

    Asansol: তৃণমূল মন্ত্রীর ভাইয়ের ওয়ার্ডে চলেছে দেদার ছাপ্পা ও ভোট লুট, অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের চতুর্থ দফা নির্বাচনে ছাপ্পার অভিযোগে ফের একবার শোরগোল পড়ল আসানসোলে (Asansol)। এলাকায় ভোটদানে বাধা দিয়ে বলা হয় ভোটদান হয়ে গিয়েছে। ঘটনা ঘটেছে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের চেলিডাঙা ব্যারট ক্লাব এলাকায়। এই এলাকার নেতা মন্ত্রী মলয় ঘটকের ভাই অভিজিৎ ঘটক। বিজেপির অভিযোগ তাঁর নেতৃত্বে এলাকায় দেদার ছাপ্পা হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে পিসাইডিং অফিসার নিজে বলেছেন ভোট হয়ে গিয়েছে। এলাকায় ভুয়ো ভোটার এনে এলাকায় ভোট দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল বলেছে, শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। এলাকায় বিজেপি অশান্তি সৃষ্টি করেছে।

    অপর দিকে নদিয়া, মুর্শিদবাদ এবং বর্ধমানের লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে শাসক দলের বিরুদ্ধে ভোট লুট, বিরোধী এজেন্ট বসতে না দেওয়া, ছাপ্পা সহ একাধিক অভিযোগের কথা জানিয়েছে বিজেপি। ভোটের আগের দিন কেতুগ্রামে এক ব্যক্তিকে খুনের ঘটনা ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য (Asansol)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “এই বুথে (Asansol) মৃত লোকের ভোট দেওয়া হয়েছে। এলাকার সাধারণ ভোটার সুরেশ প্রসাদ বলেছেন তিনি ভোট দিতে এসে শুনেছেন তাঁর ভোট দেওয়া হয়ে গিয়েছে। আমাদের খবর দিলে আমরা এগিয়ে এসেছি এই বুথে। আমরা বলেছি টেন্ডার ভোট করাতে হবে। ইতিমধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার, সেক্টর অফিসারকে জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুনঃ৬৩ শতাংশ মুসলিম ভোটে কেন মুসলিম সাংসদ নয়? হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পাল্টা এলাকার (Asansol) তৃণমূলেরে যুব নেতা পিন্টু কর্মকার বলেছেন, “বিজেপি শান্তিপূর্ণ ভোটকে নষ্ট করার চেষ্টা করেছে। বুথের মধ্যে ঢুকে ঝামেলা করছে তাই এই রকম অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।” ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ালে ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে উপস্থিত হয়। উল্লেখ্য এই ওয়ার্ডের বাসিন্দা হলেন রাজ্যের তৃণমূলের নেতা তথা মন্ত্রী মলয় ঘটকের ভাই অভিজিৎ ঘটক। তাঁর নির্দেশেই এই ভোট লুটের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chabahar Port: চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তি সই ভারত-ইরানের, জানুন বিশদে

    Chabahar Port: চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তি সই ভারত-ইরানের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর চাবাহার (Chabahar Port) পরিচালনার জন্য আজ, সোমবার চুক্তি স্বাক্ষরিত হল ভারত ও ইরানের মধ্যে। চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে ইরানে গিয়েছিলেন জাহাজমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। চুক্তি হল দশ বছরের জন্য। চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ায় আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া ও ইউরেশিয়ান সীমান্তের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ সুগম হল। 

    নয়া চুক্তি কীভাবে আলাদা? (Chabahar Port)

    ২০১৬ সালে যে চুক্তি হয়েছিল, তাতে কেবল চাবাহার বন্দরের শাহিদ বেহেসিট টার্মিনালের অপারেশন করতে পারত ভারত। চুক্তি পুনর্নবীকরণ করতে হত ফি বছর। নয়া চুক্তি হল আপাতত ১০ বছরের জন্য। চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারত এবার পুরো বন্দরের দায়িত্ব পেল। কারণ বন্দর বাড়াতেও অর্থ সাহায্য করেছে ভারত।

    বন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ কেন?

    ভারতের জাহাজমন্ত্রীর ইরান সফর এবং এই চুক্তির একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারণ চুক্তিটি সম্পাদিত হল এমন একটা সময়, যখন ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এই প্রথম ওভারসিজ একটি বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব নিল ভারত (Chabahar Port)।

    ভারত কীভাবে উপকৃত হবে?

    চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারত বন্দরটি পরিচালনা করতে পারবে। শুধু তাই নয়, এই বন্দরটিকে ভারত যুক্ত করতে পারবে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডরের সঙ্গে। যার জেরে পাকিস্তানকে এড়িয়েই আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার সঙ্গে অনায়াস হবে ভারতের যোগাযোগ। যেহেতু স্থলপথে আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যের পথে প্রধান অন্তরায় পাকিস্তান, তাই এই চুক্তি ভারতের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    কেন চাবাহার বন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?

    ভারত ও ইরান দুই দেশের কাছেই চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। ভারত এই বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ায় একদিকে যেমন পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ব্যবসা করতে পারবে ইরান, তেমনি অন্যদিকে পাকিস্তানকে এড়িয়ে একটা বাইপাস রুটও তৈরি হল। পাকিস্তানের গ্বদর বন্দর এবং চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের কাউন্টার ব্যালেন্স হিসেবে কাজ করবে চাবাহার বন্দর (Chabahar Port)।

    চাবাহার বন্দরের তাৎপর্য

    চাবাহার ইরানের প্রথম ডিপওয়াটার বন্দর। ওমান উপসাগরের মুখেই রয়েছে বন্দরটি। এর অবস্থান সিস্টান-বালুচিস্তান প্রভিন্সে। পাকিস্তানের গ্বদর বন্দরের উন্নয়ন করছে চিন। তারই অদূরে চাবাহার বন্দরের উন্নয়ন করছে ভারত।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপির রোড শোয়ে বোমাবাজি তৃণমূলের! এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন সৌমেন্দু

    চাবাহার বন্দরের সঙ্গে ভারতের ইনভলভমেন্ট

    ২০০২ সালে ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ খাতামির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হাসান রুহানির সঙ্গে আলোচনা হয় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রজেশ মিশ্রের। পরে খাতামি ভারত সফরে এসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজয়েপীর সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের রোডম্যাপে স্বাক্ষর করেন (Chabahar Port)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jaisalmer: বালি-পাথর দিয়ে তৈরি কেল্লা সূর্যের আলো পড়লেই সোনার মতো ঝলমল করে ওঠে!

    Jaisalmer: বালি-পাথর দিয়ে তৈরি কেল্লা সূর্যের আলো পড়লেই সোনার মতো ঝলমল করে ওঠে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থর মরুভূমির বুকে সোনালি শহর রাজস্থানের ঐতিহাসিক শহর জয়সলমের (Jaisalmer)। যাদব বংশের রাজপুত রাজা রাওয়াল জয়সল প্রাচীন লোদাবার দূর্গ পরিত্যাগ করে এখানে ত্রিকূট পাহাড়ের ওপর তাঁর রাজধানী নির্মাণ করেন। এই জয়সল নাম থেকেই জায়গাটির নাম হয়েছে ‘জয়সলমের’। তবে আপামর বাঙালির কাছে এর জনপ্রিয়তা বরেণ্য পরিচালক সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ‘সোনার কেল্লা’ ছবির জন্য। জয়সলমেরের এই কেল্লা আগে জয়সলমের ফোর্ট নামে পরিচিত থাকলেও ছবিটি হওয়ার পরেই এর নাম হয় সোনার কেল্লা। ভাট্টি রাজপুত বংশের শাসক রাওয়াল জয়সলএই কেল্লাটি গড়েন।

    সোনার মতো ঝলমলে (Jaisalmer)

    বালি-পাথর দিয়ে তৈরি বলে সূর্যের আলো পড়লে কেল্লার সমগ্র অংশ সোনার মতো ঝলমলে দেখায়। তাই একে অভিহিত করা হয় সোনার কেল্লা নামে। ৮০ মিটার উঁচু, ৯৯টি বুরুজের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এই কেল্লায় প্রবেশের জন্য চারটি বিশাল দরজা আছে। এগুলো হল ১) অক্ষয় পোল ২) গণেশ পোল ৩) হাওয়া পোল এবং ৪) সুরজ পোল। রাজ পরিবারের বর্তমান সদস্যরা বাস করেন বাদল মহল, রানা মহল, গজ বিলাস এবং মোতি মহলে। কেল্লার বাদল মহল থেকেই দেখা যায় এক সুন্দর পাথরের স্তম্ভ। এর মধ্যে রয়েছে বর্ণাঢ্য তাজিয়া। এছাড়াও জয়সলমেরের (Jaisalmer) অন্যতম আকর্ষণ প্রায় ৩০০ বছরের প্রাচীন মহারাজ রাওয়াল গজ সিং-এর হাভেলি, পাটোয়া কি হাভেলি প্রভৃতি। ইচ্ছে হলে একটা দিন বা রাত কাটিয়ে আসতে পারেন প্রায় ৪২ কিমি দূরে মরুভূমির বুকে স্যাম থেকে। উটের পিঠে চড়ে এই স্যামে এসে এক রাত টেন্টে থাকার অভিজ্ঞতাই অন্যরকম।

    কলকাতা থেকে সরাসরি (Jaisalmer)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে সরাসরি যাচ্ছে হাওড়া-জয়সলমের এক্সপ্রেস। ট্রেন এবং বাস আসছে ২৮৫ কিমি দূরের যোধপুর বা বিকানের থেকেও।
    থাকা খাওয়া-এখানে রয়েছে রাজস্থান পর্যটনের দুটি হোটেল ১) হোটেল মুনাল (০২৯৯২-২৫২৩৯২, ০৯৪৬৮৫৫৬৩৬৪) এবং ২) হোটেল শ্যামধানী (০৯৪৬৮৫৫৬৩৩৪)। এছাড়াও আছে স্বয়ং সত্যজিৎ রায় সহ টলিউড, বলিউডের বহু স্বনামধন্য অভিনেতা ও পরিচালকের পদধূলিধন্য হোটেল প্রিন্স। এদের স্যামে নিজস্ব টেন্ট, যাতায়াতের জন্য উটের ব্যবস্থা এবং সম্পূর্ণ বাঙালি খাবারের ব্যবস্থা আছে। যোগাযোগ ০৯৪১৪১৪৯১০৫, ০৭০১৪৩৯৭০০৯, ০৯৯২৮২৭৩০৩০ (Jaisalmer)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijeet Bhattacharya: মুখের মিলেই মিশরে ব্যাপক জনপ্রিয় ভারতীয় গায়ক অভিজিৎ

    Abhijeet Bhattacharya: মুখের মিলেই মিশরে ব্যাপক জনপ্রিয় ভারতীয় গায়ক অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র নিজের দেশেই নয়, এখন পিরামিডের দেশেও জনপ্রিয় এই ভারতীয় গায়ক। কথা হচ্ছে গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্যকে (Abhijeet Bhattacharya) নিয়ে। হঠাৎ করেই তিনি চর্চায়। তবে নিজের দেশে নয়, মরুদেশ মিশরে। ভারত ছেড়ে এবার সুদূর মিশরে সামাজিক মাধ্যমে এখন ট্রেন্ডে তিনি। তবে গানের জন্য জনপ্রিয়তা নয়, এর পেছনে কারন অন্য।  

    কী কারনে জনপ্রিয়তা? (Abhijeet Bhattacharya) 

    মরু দেশ মিশরে সামাজিক মাধ্যমে হঠাৎ আলোচনায় ভারতীয় গায়ক (Indian Singer) অভিজিৎ ভট্টাচার্য। মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের সঙ্গে নাকি মুখের মিল রয়েছে অভিজিতের। এমনটাই মনে করছেন সে দেশের নেটিজেনরা। আর সেই কারণেই তিনি সে দেশে না গিয়েও সেখানে হইচই ফেলে দিয়েছেন। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটাই ঘটেছে। আর এই মিল আবিষ্কার করেই অভিজিৎকে (Abhijeet Bhattacharya) নিয়ে রীতিমতো উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শুধু তাই নয় অভিজিতের কাছে সে দেশ ভ্রমণ করার আবদারও রেখেছেন অনেকে। হোসনির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন অভিজিৎ– এমনটাই দাবি অনেকের।
    সব মিলিয়ে বর্তমানে মিশরে রীতিমত ভাইরাল হয়ে গিয়েছেন অভিজিৎ ভট্টাচার্য। শুধুই কি তাই, মিশরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন অভিজিতের (Abhijeet Bhattacharya) কথা বলা, কণ্ঠস্বর, চলন বলন সবই নাকি হোসনি মোবারকের মতোই। কেউ কেউ তো আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিজিৎ ভট্টাচার্যকেই নিজেদের রাষ্ট্রপতি বলে দাবি করেছেন। বলেছেন, ‘আমাদের রাষ্ট্রপতিকে ফেরত পাঠাও।’

    আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টের পর এ বার হরিদ্বার আদালত! নতুন বিপাকে বাবা রামদেব!

    মিশরেও ট্রেন্ড করছি,দাবি অভিজিতের 

    এই পুরো বিষয়টি বেশ উপভোগ করছেন গায়ক অভিজিৎ। তার ও হোসনির ছবি শেয়ার করে তিনি নিজেও একটি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্টে অভিজিৎ (Abhijeet Bhattacharya) লিখেছেন, “আমি তো মিশরেও ট্রেন্ড করছি। তোমাদের সঙ্গে খুব শিগগিরই দেখা হবে আমার মিশরীয় ভক্তরা। আমার পরিবার ওখানে আছে।” 
    এছাড়াও এক সংবাদমাধ্যমকে গায়ক (Abhijeet Bhattacharya) জানিয়েছেন, “গত তিন সপ্তাহ ধরে আমার সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছে কমেন্টে। প্রথমে আমি ভেবেছিলাম আমাকে নিয়ে বোধহয় মস্করা করা হচ্ছে। আমি তো আরবি ভাষা বুঝিও না। কিন্তু পরে বুঝলাম এরকমটা নয়। যে পরিমাণ ভালবাসা ও সম্মান আচমকাই আমি পাচ্ছি, তাতে ক্রমশই অভিভূত হয়ে পড়ছি।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Team India: বিশ্বকাপের পরেই রোহিত-দ্রাবিড় জমানার ইতি! ভারতের নতুন কোচ কে? 

    Team India: বিশ্বকাপের পরেই রোহিত-দ্রাবিড় জমানার ইতি! ভারতের নতুন কোচ কে? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরে নতুন কোচ পেতে চলেছেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা। সুযোগ থাকলেও আর টিম ইন্ডিয়ার (Team India) কোচ হতে আগ্রহী নন রাহুল দ্রাবিড়ও। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে নিয়েও। রোহিত যতদিন চাইবেন ফেট থাকলে তাঁকে ততদিন খেলতে দেওয়া উচিত বলে মনে করছেনযুবরাজ সিং-এর বাবা যোগরাজ সিংও।

    পরবর্তী কোচের খোঁজে 

    ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে ভারতের কোচ হয়েছিলেন দ্রাবিড়। গত বছর নভেম্বর মাসে দেশের মাটিতে এক দিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তি ছিল তাঁর। বিশ্বকাপ শেষে চুক্তি বৃদ্ধি করা হয় দ্রাবিড়ের। চলতি বছর জুন মাস পর্যন্ত রয়েছে সেই চুক্তি। বিসিসিআই সূত্রে খবর, এরপর দায়িত্বে থাকতে গেলে দ্রাবিড়কে আবেদন করতে হবে। কয়েক দিন আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ জানিয়েছেন, কোচের পদের জন্য আবেদন নেওয়া শুরু করবে বোর্ড। দ্রাবিড় চাইলে আবার আবেদন করতে পারেন। কিন্তু তিনি আর আবেদন করবেন না বলে খবর। সে ক্ষেত্রে নতুন কোচ পাবে ভারতীয় ক্রিকেট দল।

    দীর্ঘমেয়াদী কোচের খোঁজে

    সম্প্রতি বিসিসিআইয়ের (BCCI) হেড কোয়ার্টার থেকে বোর্ড সেক্রেটারি জয় শাহ বলেন, ‘অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন কোচের পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হবে। রাহুল দ্রাবিড়ের চুক্তি শেষের পথে। তিনি যদি কোচের দায়িত্ব চালিয়ে যেতে চান, তা হলে তাঁকে পুনরায় আবেদন করতে হবে। আমরা একজন দীর্ঘমেয়াদী কোচের খোঁজে রয়েছি। তিন বছরের জন্য।’

    বিদেশি কোচ

    এ বার বিদেশি কোচকেও আনা হতে পারে। বোর্ড সচিব জয় বলেন, “আমরা এখনই বলছি না যে নতুন কোচ ভারতীয় না বিদেশি হবেন। এই সিদ্ধান্ত নেবে বোর্ডের উপদেষ্টা পর্ষদ। যদি ক্রিকেট অ্যাডভাইসারি কমিটি বিদেশি কোচ নির্বাচন করে, তা হলে আমি তাতে হস্তক্ষেপ করতে পারি না। একইসঙ্গে সাদা বলে ও টেস্ট ক্রিকেটের জন্য আলাদা ভারতের কোচ হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্তও নেবে ক্রিকেট অ্যাডভাইসরি কমিটি। যদিও ভারতে এমন নজির নেই।” শেষ বার ভারতের বিদেশি কোচ ছিলেন ডানকান ফ্লেচার। ভারত ২০১১ সালে বিশ্বকাপ জেতে বিদেশি কোচের অধীনে। গ্যারি কার্স্টেনের অধীনে দল জেতে। এবার তাই রিকি পন্টিংয়ের নামও ভেসে উঠছে। প্লেয়ার হিসেবে তাঁর যেমন অভিজ্ঞতা আছে তেমনই আছে সাফল্য। তিনি আইপিএল-এর সুবাদে দীর্ঘদিন ভারতে কোচিং করাচ্ছেন। অস্ট্রেলিয়া দলকেও কোচিং করিয়েছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: আইপিএল শেষেই টি২০ বিশ্বকাপ, কবে থেকে প্রস্তুতি, কোথায় কোথায় খেলা ভারতের?

    দায়িত্বে লক্ষ্মণ!

    এখন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমি-র কোচ লক্ষ্মণ কোচের পদে বসার জন্য প্রধান দাবিদার। তিনি রাহুল দ্রাবিড়ের অনুপস্থিতিতে সিনিয়র দলকে কোচিং করিয়েছেন। তাঁর অধীনে ভারতীয় দল দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জিতেছে। এশিয়ান গেমসে নতুন প্লেয়ারদের নিয়ে দল তৈরি করে তিনি সোনা জেতেন। দলকে ভালো করে চেনা লক্ষ্মণেই ভরসা করতে পারে বিসিসিআই।

    রোহিত কত দিন

    কোচের মতোই নয়া অধিনায়কও খুঁজছে ভারতীয় দল। সম্ভবত এটাই শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রোহিত শর্মার। ২০২৬-এ ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর বসলেও ততদিন রোহিত ফিট থাকবেন কি না তা সময় বলবে। তবে ২০-বিশের বিশ্বকাপ না হলেও ২০২৭ এ একদিনের আন্তর্জাতিক বিশ্বকাপ খেলতে চান রোহিত। সেই সময় রোহিতের বয়স হবে ৪০ বছর। সচিনও শেষ বিশ্বকাপ খেলেছিলেন ৪০ বছর বয়সে। ৩৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ খেলেছিলেন মাহি। তাই ফিট থাকলে রোহিতকেও সেই সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার যোগরাজ সিং। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Guarantee: প্রধানমন্ত্রীত্বের ১০ বছর! বারবার মোদি গ্যারান্টিতে কেন ভরসা করেন দেশের মানুষ?

    Modi Guarantee: প্রধানমন্ত্রীত্বের ১০ বছর! বারবার মোদি গ্যারান্টিতে কেন ভরসা করেন দেশের মানুষ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার ১০ বছরে পা রেখেছে। গত এক দশকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি শক্তিশালী,সুস্থিত ও স্বাধীন সরকারকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০২৪ সালে প্রথমবারের জন্য প্রায় ৩০ বছর পরে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ কোন দল ক্ষমতায় (Modi Guarantee) আসে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি যে আস্থা এবং বিশ্বাস ভারতের জনগণ ২০১৪ সালে দেখিয়েছিলেন, ২০১৯ সালেও তা অনেক গুণ বেড়ে যায়। বর্তমান ভারতের তরুণ প্রজন্মও তাই বিশ্বকে বলছে, আমরা পেরিয়ে এসেছি সেই সময়টা, যখন ভারতবর্ষ কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ভরসা রাখা হতো দুর্বল একটি জোট সরকারের ওপর, এখন তবে সময় পাল্টেছে। দেশের মানুষ এখন এখন রাজনৈতিক সুস্থিরতা চান, পাশাপাশি অর্থনৈতিক অগ্রগতিও চান। নরেন্দ্র মোদি এই দুটোই তরুণ প্রজন্মকে দিতে পেরেছেন।

    কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার বিলোপ সাধন 

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অথবা গুজরাটের (Modi Guarantee) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রধান নরেন্দ্র মোদি তাঁর কথা রেখেছেন। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরেই তাঁর দুটি সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ঘটনায় রূপান্তরিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি হল, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার বিলোপ সাধন এবং অপরটি হল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রণয়ন। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অবশ্য ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সংসদে পাস হয়ে গেলেও, তার লাগু করা হয় ২০২৪ সালের মার্চ মাসে তার একটাই কারণ মাঝখানে করোনা মহামারি। 

    রাম মন্দির

    নরেন্দ্র মোদি সরকার ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে যে যে আশ্বাস দিয়েছিল, তার বেশির ভাগই পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে। তার মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য আশ্বাস, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে মোদি সরকার পূরণ করতে পেরেছে। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছেন স্বয়ং ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি। যা একটি আন্তর্জাতিক উৎসবে পরিণত হয়। ৫০০ বছরে হিন্দুদের সংঘর্ষের সফলতাকেই তুলে ধরে রাম মন্দিরের উদ্বোধন। কোটি কোটি  হিন্দুর আস্থা-বিশ্বাস-ভরসাকে মর্যাদা দিয়েছে রাম মন্দিরের উদ্বোধন। রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে স্মরণ করে রাখতে বিভিন্ন কর্মসূচিও (Modi Guarantee) গ্রহণ করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। যেমন দেশের প্রত্যেকটি গ্রামে তারা পৌঁছেছে রাম মন্দিরের অক্ষত চাল নিয়ে। রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিন দেশের প্রত্যেকটি ধর্ম প্রতিষ্ঠানে নাম সংকীর্তন এবং ভজনের আয়োজন করেছেন স্বয়ংসেবকরা। এছাড়া সারা দেশব্যাপী সেই উন্মাদনার একটি আবহাওয়া দেখা গেছে ২২ জানুয়ারি।

    নজরে উত্তরপূর্ব ভারত

    অন্যদিকে কৃষি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গিয়েছে মোদি জমানায়। নতুন আইন যেমন প্রণয়ন হয়েছে এই সময়ের মধ্যে, তেমনই ধানের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য তিনবার বেড়েছে ২০১৪ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে। গমের ক্ষেত্রে এই সময়ের মধ্যে দুবার বেড়েছে সহায়ক মূল্য। বর্তমান ভারতে কৃষকরা সরাসরি ন্যূনতম সহায়ক মূলক পারছেন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এবং মাঝখানে কোনও দালাল ধরতে হচ্ছে না। অর্থাৎ এক্ষেত্রে কোনও দুর্নীতি (Modi Guarantee) হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। যাই হোক, বেসরকারি ক্ষেত্রগুলিতেও যথেষ্ট পরিবর্তনে এসেছে। উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে উৎপাদন ব্যাপক বেড়েছে চাষের ক্ষেত্রে। এর পাশাপাশি রফতানিও উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।  মেঘালয়ের আনারস বর্তমানে রেকর্ড ভাবে পশ্চিম এশিয়াতে রফতানি চলছে। ২০২৩ সালে নভেম্বর মাসে মোদি সরকার রেজিস্ট্রেশন করেছে ৭,৫০০-এরও বেশি ‘ফার্মার প্রডিউসার অর্গানাইজেশন’- এর মাধ্যমে ছোট এবং গরিব চাষিরা তাদের রোজগার বাড়াতে পেরেছেন। সম্প্রতি বিদেশের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে মোদি জমানায় উল্লেখযোগ্য ভাবে ভারতবর্ষের সামাজিক-অর্থনীতির পরিবর্তন হয়েছে। 

    ৪৬ কোটিরও বেশি মুদ্রা লোন ভারতবর্ষে দিয়েছে মোদি সরকার

    ক্ষমতায় আসার পর পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জনধন অ্য়াকাউন্ট খোলার উপরে নজর দেন। দেশে প্রায় ৫২ কোটি জন ধন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। ৪৬ কোটিরও বেশি মুদ্রা লোন (Modi Guarantee) ভারতবর্ষে দিয়েছে মোদি সরকার। এর পাশাপাশি ১১ কোটি মানুষকে বাড়িতে দেওয়া হয়েছে জলের লাইন। তিন কোটি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে ঘর দেওয়া হয়েছে। উজ্জ্বালা গ্যাস যোজনার মাধ্যমে ১০ কোটিরও বেশি পরিবারকে বিনামূল্যে গ্যাস কানেকশনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ৫০ কোটি ভারতীয়কে আয়ুষ্মান ভারত যোজনার আওতায় আনা হয়েছে, যা বর্তমান ভারতের জনসংখ্যা ২৩ শতাংশ। বিগত ১০ বছরে অন্নবস্ত্র বাসস্থানের লড়াইয়ে ভারতবাসী অনেকটাই সফল হয়েছে।

    কংগ্রেসের টোপ গেলেনি দেশবাসী 

    বিগত ১০ বছরে মোদি সরকার ভারতবর্ষের সামাজিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রকে ছুঁয়েছে (Modi Guarantee)। একথা বলা যায়, ভারতবাসীকে আত্মনির্ভর করে তুলতে যথেষ্ট উদ্যোগী হয়েছে সরকার। এর আগে ২০১৯ সালে কংগ্রেস ঘোষণা করেছিল যে ক্ষমতা এলে তারা ৭২ হাজার টাকা করে প্রতি পরিবারকে দেবে। জনগণ তা ছুড়ে ফেলেছে। ২০২-২৩ সালে একাধিক রাজ্যের নির্বাচনেও কংগ্রেসের এ প্রচার ধোপে টেকেনি। অন্যদিকে ২০২৪ সালে কংগ্রেস প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে ক্ষমতা এলে তারা প্রতি পরিবারকে এক লাখ টাকা করে দেবে। এমন প্রচারও মুখ থুবড়ে পড়বে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    করোনা মহামারী সময় ভারতবর্ষের অর্থনীতির দ্রুত বৃদ্ধি

    মোদি সরকারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে মনে করা হচ্ছে করোনা মহামারী সময় ভারতবর্ষের অর্থনীতির দ্রুত বৃদ্ধি। যেখানে দেখা যাচ্ছে বিশ্বের অন্যান্য দেশ এই সময়ে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়েছে সেখানে মোদির নেতৃত্বে ভারত (Modi Guarantee) এগিয়ে চলেছে। ভারতবর্ষ বর্তমানে পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। লকডাউনের সময় প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্য যোজনা মাধ্যমে ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য রেশন সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি দেখে বিশ্বের বড় বড় শিল্পপতিরাও ভারতে বিনিয়োগ করতে চাইছেন। যাঁর মধ্যে অন্যতম হলেন ইলন মাস্ক।

    অ্যাপল ফোনের  রফতানি ছুঁয়েছে টাকার অঙ্কে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার

    মোদি জমানায় স্মার্ট ফোনের রফতানিতে বিপুল সাফল্য মিলছে। হিসাব বলছে, চলতি আর্থিক বছরে অর্থাৎ এপ্রিল মাসেই অ্যাপল ফোনের  রফতানি ছুঁয়েছে টাকার অঙ্কে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার। যা গত বছরের থেকে দ্বিগুণ বলে মনে করা হচ্ছে। আবার বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যাপল ফোনের রফতানি ২০২৫ আর্থিক বছরের এপ্রিল মাসে পৌঁছে যাবে ১ লাখ কোটি টাকায়। প্রসঙ্গত, ভারতেই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অ্যাপল ফোন উৎপাদিত হয়। প্রসঙ্গত, বিশ্বের সর্বোচ্চ অ্যাপল ফোন উৎপাদিত হয় চিনে। এর পাশাপাশি রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে অ্য়াপল-এর ইকো সিস্টেমের মাধ্যমে ভারতে ১ লাখ ৫০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপির রোড শোয়ে বোমাবাজি তৃণমূলের! এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন সৌমেন্দু

    NIA: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপির রোড শোয়ে বোমাবাজি তৃণমূলের! এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন সৌমেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পটাশপুর থানার ভগবানপুরে শুভেন্দু অধিকারীর ভাই তথা বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর রোড শোয়ের সামনে বোমাবাজি করার অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলই এই বোমাবাজি করেছিল বলে বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল। এবার সেই ঘটনায় অবশেষে এনআইএ তদন্তের দাবি তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন সৌমেন্দু অধিকারী। পটাশপুরে বোমাবাজিতে পুলিশি অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন সৌমেন্দু। তাঁর আর্জি তদন্ত এনআইএকে (NIA) হস্তান্তর করা হোক। এই আবেদন জানিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (NIA)

    গত ১১ মে পটাশপুরের ভগবানপুরে বিজেপির মিছিলের আগে বোমা ছোড়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভগবানপুর দুই ব্লকের আড়গোয়াল থেকে ইটাবেড়িয়া যাওয়ার সময় সৌমেন্দু অধিকারীর রোড শোর অদূরে রাস্তায় বোমা ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। আচমকা বোমের আওয়াজে মিছিলে থাকা কর্মী ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলেই অভিযোগ পদ্ম শিবিরের। এলাকা যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে। পরে ক্ষোভে তৃণমূল ও পুলিশকে এরজন্য দায়ী করে রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে পথ অবরোধ করে। জানা যাচ্ছে, ভগবানপুর বিধানসভা এলাকা ও পটাশপুর থানা এলাকায় বোমাবাজির ঘটনাটি ঘটেছে। বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর রোড শো যাওয়ার আগেই বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ প্রার্থীর। সৌমেন্দুর গাড়ি বেশ কিছুটা দূরে একটু ফাঁকা দেখেই বোমা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পরিকল্পিতভাবেই তৃণমূল এই কাজ করেছে। মিছিলের ওপর  বোমা ছোড়া হলে বড় বিপদ হতে পারত। অবিলম্বের অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে। এই ঘটনার পর এবার এনআইএ (NIA) তদন্তের দাবি জানানো হল।

    আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে বিজেপি কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর, রাস্তা অবরোধ, আসানসোলে শাসক দলের দাপাদাপি

    এনআইএ এই ঘটনার তদন্ত করুক

    সৌমেন্দু অধিকারী বলেন,আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাইছি। আর তৃণমূল পায়ে পা লাগিয়ে এভাবে ঝামেলা করতে চাইছে। আমাদের মিছিলের আগে বোমা ছোড়া হল কেন? আসলে তৃণমূল ভয় পেয়েই এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে বলে আমার মনে হয়। ভোটের মুখে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করছে। সৌমেন্দুর আইনজীবীর বক্তব্য, শাসকদলের তরফে বোমা ছোড়া হয় মিছিলের দিকে। মামলাকারীর বক্তব্য, এই ঘটনায় অতি সক্রিয়তা দেখাচ্ছে পুলিশ। এনআইএ (NIA) এই ঘটনার তদন্ত করুক বলে আর্জি মামলাকারীর। ১৭ মে শুনানির সম্ভাবনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ৬৩ শতাংশ মুসলিম ভোটে কেন মুসলিম সাংসদ নয়? হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের

    Murshidabad: ৬৩ শতাংশ মুসলিম ভোটে কেন মুসলিম সাংসদ নয়? হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুরের (Murshidabad) টানা ৫ বারের সাংসদ কংগ্রেসের প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁকে নির্বাচনে হারাতে তৃণমূল ময়দানে নামিয়েছে ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানকে। পাল্টা বিজেপি প্রার্থী করেছে নির্মল কুমার সাহাকে। তৃণমূলও নিজের ভোট ব্যাঙ্ককে লুফে নিতে বাংলার বাইরের মুসলমান প্রার্থীকে দিয়েছে এই কেন্দ্রে। যদিও ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আগেই ৩০-৭০ শতাংশের কথা বলে জেলার হিন্দুদের বিরাট হুমকি দিয়েছিলেন। এবার আজ বলেছেন, “ইসুউফ পাঠান মুসলমান তাই তৃণমূল এজেন্টদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না।” এই বক্তব্যে ফের এরকবার সাম্প্রিদায়িক উস্কানি দিলেন বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    ঠিক কী বললেন হুমায়ুন (Murshidabad)

    আজ বহরমপুরে (Murshidabad) চতুর্থদফা নির্বাচনের দিনে তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, “শক্তিপুর এলাকায় পুরো ভোটটা মেরুকরণ হয়েছে। কারণ যারা হিন্দু তারা বিজেপিতে ভোট দিয়েছেন। এই হিন্দুরা এতদিন অধীর চৌধুরীর শেল্টারে ছিলেন। তাঁর কাছ থেকে সুবিধা নিয়েছেন। লোকসভার ভোটে অধীরকেই ভোট দিতো সকলে। বাকি সময়ে সকলে বিজেপি করত, সিপিএম করত আবার তৃণমূলও করত।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “ইউসুফ পাঠান যেহেতু মুসলমান তাই তৃণমূলের কোনও এজেন্ট বসতে দেবে না। কিন্তু ইউসুফকে যিনি প্রার্থী করেছেন তিনি হিন্দু নেত্রী। ৬৩ শতাংশ মুসলমানদের ভোট নিয়ে কোনও মুসলমান কেন সাংসদ হতে পারবেন না? এটা ভারতের কোন সংবিধানে বসবাস করছি। যদি হিন্দুত্বকে হাতিয়ার করা হয় তাহলে আমরা মুসলমানের মুসলিমত্বকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করব। ৯০ শতাংশ ভোট দিয়ে ইউসুফকে আড়াই লক্ষ ভোটে বিজেপি এবং কংগ্রেসকে হারাব।”

    আরও পড়ুনঃ যে আদালতে ছিলেন ধর্মাবতার, এখন সেখানেই বিচারপ্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    আগে কী বলেছিলেন?

    নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কয়েক দিন আগে হুমায়ুন নিজে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সংখ্যালঘু হিন্দু ভোটারদের তীব্র হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “২ ঘণ্টার মধ্যে যদি তোমাদের ভাগীরথীতে না ফেলতে পারি রাজনীতি থেকে সরে যাব। শক্তিপুর এলাকায় বসবাস করা বন্ধ করে দেব। তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছো? কিন্তু যদি ভেবে থাকো, ৩০ শতাংশ লোক মুর্শিদাবাদ জেলায় আমরা ৭০ শতাংশ। এখানে কামনগরে তোমরা বেশি আছো বলে কাজিপাড়ার মসজিদ ভাঙবে? আর বাকি এলাকায় মুসলিম ভাইয়েরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এটা কোনও দিন হবে না, বিজেপিকে আমি বলছি।” এরপর তাঁকে নির্বাচন কমিশন শোকজ করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share