Tag: bangla news

bangla news

  • India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যাগুরু হিন্দুদের সংখ্যা (India Hindu Population) দ্রুত কমছে। আর যারা সংখ্যালঘু তাদের বংশলতিকা বাড়ছে বর্ষার লবঙ্গলতিকার মতো। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে ভারতের জনসংখ্যার এই ছবি। প্রধানমন্ত্রীর ইকনোমিক অ্যাডভাইসরি কাউন্সিলের (EAC-PM Study) প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, ১৯৫০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ভারতে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের সংখ্যা কমেছে ৭.৮ শতাংশ। অথচ এই সময়সীমায় ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতে সংখ্যাগুরু (পড়ুন মুসলমান) জনসংখ্যা বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

    বেড়েছে সংখ্যালঘু (India Hindu Population) 

    কেবল প্রতিবেশী দেশগুলিতে নয়, ভারতেও যেখানে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে, সেখানেও সংখ্যালঘু মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং শিখ সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বাড়ছে। আর উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে জৈন ও পার্শিদের সংখ্যা। ১৯৫০ থেকে ২০১৫ এই পঁয়ষট্টি বছরে (India Hindu Population) ভারতে মুসলমান জনসংখ্যার হার বেড়েছে ৪৩.১৫ শতাংশ। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বেড়েছে ৫.৩৮ শতাংশ। জনসংখ্যা বেড়েছে শিখ এবং বৌদ্ধদেরও। শিখদের জনসংখ্যা বেড়েছে ৬.৫৮ শতাংশ। বৌদ্ধদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে সামান্য।

    কমেছে হিন্দুর হার

    সংখ্যালঘুদের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তার চেয়ে তুলনায় ঢের কমছে সংখ্যাগুরু হিন্দু জনসংখ্যা (India Hindu Population)। ১৯৫০ সাল থেকে ২০১৫ এই পর্বে ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার ভাগ ৮৪ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৭৮ শতাংশ। এই সময় মুসলমানদের ভাগ ৯.৮৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪.০৯ শতাংশ। ভারতে হিন্দুদের জনসংখ্যা যে হারে কমছে, সেদিক থেকে ভারতের স্থান হয়েছে পড়শি দেশ মায়ানমারের পরেই। এখানে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে ১০ শতাংশ। ভারতে এই হার ৭.৮ শতাংশ। হিন্দুর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে ভারতের আর এক প্রতিবেশী দেশ নেপালেও। এখানেও হিন্দুরাই সংখ্যা গরিষ্ঠ। তবে তাদের বৃদ্ধির হার মাত্রই ৩.৬ শতাংশ। যে রিপোর্টের ভিত্তিতে এসব বলা হচ্ছে, তা সংগ্রহ করা হয়েছে বিশ্বের ১৬৭টি দেশ থেকে। গবেষণাপত্রটির লেখকদের মতে, বিভিন্ন দিক থেকে বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা কেবল নিরাপদেই রয়েছেন তা নয়, তাঁরা ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশে (India Hindu Population)।

    এগিয়ে বাংলাদেশ

    সংখ্যাগুরু হওয়া সত্ত্বেও ভারতে যেখানে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে, সেখানে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে সংখ্যাগুরু মুসলমানদের সংখ্যা বাড়ছে তরতরিয়ে। সব চেয়ে বেশি বেড়েছে বাংলাদেশে। এদেশে মুসলমান বেড়েছে ১৮.৫ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে পাকিস্তান। সেখানে বেড়েছে ৩.৭৫ শতাংশ। এই তালিকার একেবারে শেষে রয়েছে আফগানিস্তান। সেখানে বেড়েছে মাত্রই ০.২৯ শতাংশ। গবেষণাপত্রটির লেখক শমিকা রবি, আব্রাহাম জোশ এবং অপূর্বকুমার মিশ্র। তাঁরা বলছেন, পাকিস্তানে হানিফ মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ৩.৭৫ শতাংশ। এদেশে সামগ্রিকভাবে মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ১০ শতাংশ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে গিয়ে বাংলাদেশ আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পরেও পাকিস্তানে অব্যাহত মুসলমান জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার। ভারতের পূর্ব দিকের প্রতিবেশী মায়ানমার। সেখানে জনসংখ্যার হার কমেছে ব্যাপকভাবে। ১৯৫০ থেকে ২০১৫ এই সময়সীমায় সে দেশে থেরাভাদা বৌদ্ধদের সংখ্যা কমে গিয়েছে ১০ শতাংশ। এদেশে এরাই সংখ্যাগুরু (India Hindu Population)। গবেষণায় জানা গিয়েছে, ভারত এবং মায়ানমারের পরে নেপালে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের জনসংখ্যা কমেছে ৩.৬ শতাংশ।

    পিছিয়ে মলদ্বীপও

    ভারত মহাসাগরের বুকে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র মলদ্বীপ। এখানেও মুসলমানেরাই সংখ্যাগুরু। তবে এঁরা সফি সুন্নি সম্প্রদায়ের মুসলমান। কমেছে এঁদের হারও। সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে ১.৪৭ শতাংশ। ভারতের আরও দুই প্রতিবেশী দেশে বৌদ্ধরা সংখ্যাগুরু। এই দুই দেশের একটি হল ভুটান, অন্যটি শ্রীলঙ্কা। চলতি বছরের মে মাসে যে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভুটানে বৌদ্ধ জনসংখ্যার হার বেড়েছে ১৭.৬ শতাংশ। আর শ্রীলঙ্কায় এই হার ৫.২৫ শতাংশ। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে সংখ্যালঘুদের মোট জনসংখ্যার শেয়ারের পরিবর্তন থেকে ওই দেশের সংখ্যালঘুদের স্টেটাস কী, তা বোঝা যায়।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

    বিশ্বেও হ্রাস পাচ্ছে সংখ্যাগুরুরা

    ওই গবেষণা থেকে আরও জানা গিয়েছে, কেবল ভারতেই (India Hindu Population) নয়, গোটা বিশ্বেই কমছে সংখ্যাগুরুদের বৃদ্ধির হার। চিন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড এবং পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশের কথা অবশ্য আলাদা। এই দেশগুলিতে ভারতের চেয়ে বেশি বেড়েছেন সংখ্যালঘুরা। বিশ্বের যে ১৬৭টি দেশে ধর্মীয় জনগণনা করা হয়েছিল, সেখানে গড়ে জনসংখ্যা কমেছে ২২ শতাংশ (১৯৫০-২০১৫ এই সময় সীমায়)। লাইবেরিয়ায় কমেছে ৯৯ শতাংশ। আর নাবিমিয়ায় বেড়েছে ৮০ শতাংশ। ১২৩টি দেশে সংখ্যাগুরুদের সংখ্যা কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

    ভারতে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ

    কী কারণে ভারতে বাড়ছে সংখ্যালঘুরা? গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা যে নিরাপদেই রয়েছেন, এটা তার একটা বড় প্রমাণ। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, সংখ্যাগুরুদের জনসংখ্যা হ্রাসের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রমাণ করে দেশের নীতি রয়েছে সঠিক পথে। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও রয়েছে ঠিকঠাক। তার জেরেই জনসংখ্যা বাড়ছে সংখ্যালঘুদের। ভারতের যে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের বাতাবরণ রয়েছে, তাও যে সত্য, তা প্রমাণিত এ দেশে সংখ্যালঘুদের বাড়বাড়ন্তে (India Hindu Population)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mithun Chakraborty: “নদিয়ার সৌন্দর্য ফেরাতে রানিমাকে জেতাতে হবে,” রোড শো থেকে আর্জি জানালেন মিঠুন

    Mithun Chakraborty: “নদিয়ার সৌন্দর্য ফেরাতে রানিমাকে জেতাতে হবে,” রোড শো থেকে আর্জি জানালেন মিঠুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাখির চোখ কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র। তাই, বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়ের সমর্থনে ভোট প্রচার করতে একের পর এক হেভিওয়েট নেতারা আসছেন কৃষ্ণনগর লোকসভায়। বৃহস্পতিবার বলিউড সুপারস্টার তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থী রানি মা অমৃতা রায়ের হয়ে কালীগঞ্জ বিধানসভার দেবগ্রাম মণ্ডল ২ এলাকায় রোড শো করলেন।

     মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার (Mithun Chakraborty)

    এদিন এই রোড শো তে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায় সহ একাধিক বিজেপি কর্মকর্তারা। তবে, মিঠুনকে (Mithun Chakraborty) একবার চোখের দেখা দেখতে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। রোড শোয়ে সাধারণ মানুষের ভিড়় উপচে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা পার্থ ঘোষ বলেন, “আমার বাড়ির সামনে দিয়ে মিঠুন গেলেন। তাঁকে এত কাছে থেকে দেখব তা ভাবতে পারিনি।” এর আগে, অমৃতা রায়ের সমর্থনে ইতিমধ্যে দু দুটি সভা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অপরদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একাধিক সভা করেছেন। কিছুদিন আগেই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রার্থীর সমর্থনে এসে রোড শো করে  প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন। অপরদিকে জমি ছাড়তে নারাজ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  দু -দুটি সভা করেছেন তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্র সমর্থনে। তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ইতিমধ্যে সভা করে মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা করেছেন,কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রর হয়ে।এতে করেই বোঝা যাচ্ছে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র পাখির চোখ করে এগোচ্ছে শাসক-বিরোধী দুই শিবির। এক চুলও জমি ছাড়তে নারাজ রাজ্যের প্রধান দুই প্রতিপক্ষ।

    আরও পড়ুন: শাহজাহান বাহিনীর হাতে খুন হন বাবা, ঘরছাড়া হয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮৩ পেলেন প্রীতম

    নদিয়ার সৌন্দর্য ফেরাতে রানিমাকে জেতাতে হবে

    এদিন দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে এলাকায় চষে বেড়ান মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) । তিনি এদিন রোড শোয়ে খুব বেশি বক্তব্য রাখেননি। গাড়ি থেকে হাত নেড়ে সৌজন্য বিনিময় করেছেন সকলের সঙ্গে। মিঠুন এদিন শুধু বলেন, নদিয়ার সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে গেলে রানিমাকে জেতাতে হবে। সকলের কাছে তিনি এই আর্জি জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Poonch IAF Convoy Attack: পুঞ্চে বিমানবাহিনীর কনভয়ে হামলায় জড়িত তিন জঙ্গির নাম ও ছবি প্রকাশ

    Poonch IAF Convoy Attack: পুঞ্চে বিমানবাহিনীর কনভয়ে হামলায় জড়িত তিন জঙ্গির নাম ও ছবি প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরের পুঞ্চে (Poonch IAF Convoy Attack) বিমানবাহিনীর কনভয়ে হামলায় জড়িত তিন জঙ্গির নাম ও ছবি প্রকাশ করল নিরাপত্তা বাহিনী। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে তিনজন জঙ্গির পরিচয় জানা গিয়েছে। এদের মধ্যে একজন পাকিস্তানি সেনার এসএসজি-তে কর্মরত ছিলেন। চাকরি থেকে অবসর নিয়ে জম্মু কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) সন্ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টায় যুক্ত হয় হরদুন ইলিয়াস ফৌজি নামে ওই ব্যাক্তি।

    জঙ্গিদের পরিচয় প্রকাশ

    গত ৫ মে পুঞ্চে (Poonch IAF Convoy Attack) বিমানবাহিনী কনভয়ে জঙ্গি হামলায় কর্পোরাল ভিকি পাহাড়ির মৃত্যু হয়। তাঁর চার সহকর্মী জখম হন। এই ঘটনায় যুক্ত ৩ জঙ্গির পরিচয় প্রকাশ্যে এসেছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনজনই আমেরিকায় তৈরি এম ফোর এস এবং রুশ স্বয়ংক্রিয় রাইফেল একে ৪৭ ব্যবহার করেছিল। যে তিনজনের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে তারা হল, ইলিয়াস। সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রাক্তন কমান্ডো। পাকিস্তানি জঙ্গি হাদুন এবং আবু হামজা। এই নামগুলি আসল নাও হতে পারে। বিশেষত আবু হামজার নামটি ছদ্মনাম বলেই ধারণা। কারণ, লস্কর-ই-তোইবা জঙ্গি অপারেশনের কমান্ডারের নাম গোপন রাখার জন্য সাংকেতিক নাম ব্যবহার করে থাকে।

    জম্মু-কাশ্মীর (Jammu And Kashmir) পুলিশ এর আগে হামজার আঁকা ছবি প্রকাশ করেছিল। তাতে দেখা গিয়েছিল, হামজার বয়স আনুমানিক ৩০-৩২ বছর। মাঝারি স্বাস্থ্য এবং ফরসা। ছোট ছাঁটের চুল কাটা। শেষবার তাকে একটি পাঠানি স্যুটের উপর বাদামি রঙের শাল গায়ে দেখা গিয়েছিল। একটি কমলা রঙের ব্যাগ ছিল তার সঙ্গে। তাকে গ্রেফতারের জন্য ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ। পুঞ্চ (Poonch IAF Convoy Attack) সেক্টরে গতবছর বেশ কয়েকটি জঙ্গি হামলা হলেও এ বছর এটাই ছিল প্রথম রক্তক্ষয়ী ঘটনা। 

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • HS Result 2024: শাহজাহান বাহিনীর হাতে খুন হন বাবা, ঘরছাড়া হয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮৩ পেলেন প্রীতম

    HS Result 2024: শাহজাহান বাহিনীর হাতে খুন হন বাবা, ঘরছাড়া হয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮৩ পেলেন প্রীতম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শত প্রতিকূলতাকে জয় করে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র প্রীতম মণ্ডল এবার উচ্চ মাধ্যমিকে (HS Result 2024) ৪৮৩ পেয়ে পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। আর মেধাবী ছাত্রের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে সন্দেশখালির শাহজাহানের। অনেকের মনে হতে পারে, মেধাবী এই পড়ুয়ার সঙ্গে শাহজাহানের কী সম্পর্ক? আসলে এই প্রীতমের বাবা প্রদীপ মণ্ডলকে খুন করার অভিযোগ রয়েছে শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই প্রীতমকে সকলেই কুর্ণিশ জানিয়েছেন।

    বাবাকে গুলিকে খুন করে শাহজাহান বাহিনী (HS Result 2024)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেশখালি-১ ব্লকে সপরিবারে থাকতেন প্রীতমরা। তাঁরা দুই ভাই। ছোট ভাই অনুভব মণ্ডল এবার দ্বাদশ শ্রেণিতে উঠলেন। গ্রামে তাঁর বাবা প্রদীপ মণ্ডলের একটা দোকান ছিল। কিছু জমিজমা, ভেড়িও ছিল তাঁদের। তা দিয়েই সংসার ভালোভাবে চলে যাচ্ছিল। প্রীতমদের ভালো স্কুলেও ভর্তি করিয়েছিলেন। কিন্তু, ২০১৯ সালে শাহজাহান এবং তাঁর বাহিনীর হাতে খুন হয়েছিলেন প্রদীপবাবু। গুলি করে খুন করা হয় তাঁকে। এরপরই তাঁর মা পদ্মা মণ্ডল দুই সন্তানকে নিয়ে সন্দেশখালি ছেড়ে চলে যান। পরে, প্রীতমকে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে ভর্তি করেন। বাবাকে হারিয়েও নিজের লক্ষ্যে অটল ছিলেন তিনি। উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির সেই প্রীতম এবার উচ্চ মাধ্যমিকে (HS Result 2024) ৪৮৩ নম্বর পেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। প্রীতমের স্বপ্ন আইপিএস হওয়ার। আর সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়াই এখন তাঁর লক্ষ্য। তাই তিনি ইউপিএসসির জন্য প্রস্তুতি নিতে চাইছেন।

    বড় হয়ে আইপিএস হতে চান প্রীতম

    প্রীতমের মা পদ্মা মণ্ডল বলেন, “স্বামী খুন হওয়ায় আর্থিক অনটনের মধ্যে সংসার চালাতে হচ্ছে। ২০২১ সালে বাড়িতে হামলা চালানো হয়। দোকান ভাঙচুর চালানো হয়। সব কিছু লুটপাট করে নেওয়া হয়। দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে ঝুঁকি নিয়ে গ্রাম ছাড়তে হয়। খুব কষ্ট করে আমি সন্তানদের মানুষ করেছি। প্রীতমের এই রেজাল্ট (HS Result 2024) হওয়ায় খুব ভালো লাগছে। ওর বাবা বেঁচে থাকলে আরও গর্বিত হত। প্রীতমের প্রথম থেকেই লক্ষ্য ছিল আইপিএস হওয়ার। বার বারই এ কথা আমাকে জানিয়েছে সে। প্রীতমকে ইউপিএসসি পড়ানোর জন্য দিল্লিতে পাঠানোর ব্যবস্থা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • HS Result 2024: পায়ে লিখেই উচ্চ মাধ্যমিকে ৮০ শতাংশ! বিরাট সাফল্য মুর্শিদাবাদের ছাত্রের

    HS Result 2024: পায়ে লিখেই উচ্চ মাধ্যমিকে ৮০ শতাংশ! বিরাট সাফল্য মুর্শিদাবাদের ছাত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকেও (HS Result 2024) সকলকে তাক লাগিয়ে ফের একবার অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখালেন মুর্শিদাবাদের আলম। উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল বেরোতেই যখন প্রথম দশের তালিকা নিয়ে মাতামাতি সারা বাংলায়, তখন পায়ে লিখেই ৮০% নম্বর পেয়ে সকলের মাঝে আলাদা স্থান করে নিলেন মুর্শিদাবাদের ছাত্র। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মাধ্যমিকে ৬২৫ পেয়েছিল আর এবারে ফের উচ্চমাধ্যমিকেও বিজ্ঞান বিভাগে ৪০২ নম্বর পেয়ে পেয়ে নজির গড়লেন এই জেলার বড়ঞা ব্লকের বৈদনাথপুর গ্ৰামের মেধাবী ছাত্র এম.ডি আলম রহমান। পরিবারে বিরাট উচ্ছ্বাসের আবহ।

    দারিদ্র পরিবারের সন্তান আলম (HS Result 2024) 

    বুধবার দুপুরে উচ্চ মাধ্যমিকের (HS Result 2024) ফল প্রকাশ হতেই আলমের নম্বর জানতে পারে প্রতিবেশী ও‌ এলাকাবাসীরা। পরে তাদের মুখেই নিজের ছেলের সাফল্যের কথাটি আরও একবার শুনতে পেয়ে খুশির হাসি ফুটে ওঠে আলমের মা-বাবার মুখে। অত্যন্ত দারিদ্র পরিবারের সন্তান আলম রহমানের সাফল্যে খুশি হয়ে তাঁকে সংবর্ধনা জানাতে বাড়িতে এসে পৌঁছান গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সহ নেতৃত্বরা।

    স্বপ্ন মহাকাশ বিজ্ঞানী হবে আলম

    মুদি দোকান ব্যবসায়ী বাবার আর্থিক সামর্থ্য খুব বেশি নয়, সাথে রয়েছে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা! তবুও আলমের স্বপ্ন মহাকাশ বিজ্ঞানী হওয়ার। তবে তাঁর এই স্বপ্ন যে কতটা বাস্তব হবে তা নিয়ে যথেষ্টই অনিশ্চয়তার প্রতিচ্ছবি আলমের চোখের মুখে। তবে তাঁর অদম্য জেদই তাঁকে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক (HS Result 2024) জীবনে দুটি বড় পরীক্ষাতেই অভূতপূর্ব সাফল্য এনে দিয়েছে। কিন্তু স্বপ্ন পূরণের পথে বাকি সফর তাঁকে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। মহম্মদ আলমের মতো যোদ্ধারা জয়ী যাওয়ার মন্ত্র শেখায়, তাই তাঁর স্বপ্নের উড়ান যেন থেমে না যায়।

    আরও পড়ুনঃ“তৃণমূল অপপ্রচার করতে এই সব ফেক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে”, তোপ সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: কেন পাকিস্তানের নয়নমণি রাহুল! ব্যাখ্যা দিলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: কেন পাকিস্তানের নয়নমণি রাহুল! ব্যাখ্যা দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান কেন রাহুল গান্ধিকে (Rahul Gandhi) সমর্থন করে তার ব্যাখ্যা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে যেহেতু রাহুল গান্ধি পাকিস্তানের অ্যাজেন্ডাকে সমর্থন করেন তাই পাকিস্তান তাঁকে সমর্থন করে।

    রাহুল গান্ধিকে পাকিস্তানের সমর্থনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

    বুধবার রাহুল গান্ধিকে পাকিস্তানের সমর্থনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । তিনি বলেন, “এখন পাকিস্তান রাহুল বাবার খুব প্রশংসা করছে। একজন সাংবাদিক আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন কেন এমনটা হচ্ছে? আমি তাঁকে বলেছি, এমনটা তো হওয়ারই কথা। কারণ যখন সার্জিক্যাল হয়েছিল রাহুল বাবা প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেনাবাহিনীকে নকশালপন্থীরা হত্যা করলে রাহুল বাবা চুপ থাকেন। কিন্তু সেনাবাহিনী যখন নকশালদের উপরে অভিযান চালায় রাহুল বাবা তার বিরোধিতা করেন। তখন রাহুল বাবার মানবাধিকারের কথা মনে পড়ে যায়। আগে যে ঘটনাগুলি বললাম সব ক্ষেত্রে পাকিস্তানও বিরোধিতা করেছিল। ফলে রাহুল বাবা এবং পাকিস্তানের অ্যাজেন্ডা মিলে যাচ্ছে। এর জন্যই পাকিস্তানের নেতাদের নয়নমনি হয়ে উঠেছেন রাহুল বাবা।”

    আরও পড়ুন: https://www.madhyom.com/india/india-russia-relation-russia-says-us-trying-to-destabilize-india-during-lok-sabha-polls-24988

    ফওয়াদ চৌধুরীর মন্তব্যের পর ঘটনার সূত্রপাত 

    প্রসঙ্গত ২ মে গুজরাটে ভোট প্রচারে গিয়ে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) । তিনিও রাহুলের পাক সমর্থক যোগ উস্কে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “কংগ্রেসের (Congress) শাহজাদাকে জেতাতে পাকিস্তান উতলা হয়ে পড়েছে। বিজেপি (BJP) মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদীও চলতি সপ্তাহে দাবি করেছিলেন পাকিস্তান নাকি রাহুল গান্ধীকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেখতে চায়। প্রসঙ্গত এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল ইমরান খানের (Imran Khan) ক্যাবিনেটে থাকা মন্ত্রী ফওয়াদ চৌধুরীর মন্তব্যের পর। ফওয়াদ গত মাসে বলেছিলেন রাহুল গান্ধীর তোলা ইস্যুগুলিকে তিনি সমর্থন করেন। তিনি ভারতে যে কেউই সঠিক ইস্যু (পাকিস্তানের মতে) তুলবে তাঁকে তাঁরা সমর্থন করবেন। ভারতের মসনদে তিনি রাহুল গান্ধীকে দেখতে চান। প্রসঙ্গত ফওয়াদ চৌধুরীকে এর আগেও বহুবার ভারত সরকার এবং ভারতীয় মন্ত্রীদের কটাক্ষ করতে দেখা গেছে। কিন্তু কংগ্রেস বা রাহুল গান্ধীর বিষয়ে তিনি কখনও কুমন্তব্য করেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: বাংলায় তিন দফায় ‘শান্তিপূর্ণ’ ভোট, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের প্রশংসা কমিশনের

    Election Commission: বাংলায় তিন দফায় ‘শান্তিপূর্ণ’ ভোট, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের প্রশংসা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যেই রাজ্যে প্রথম তিন দফার ভোট (Lok Sabha Vote 2024) শেষ হয়েছে। তবে বলা ভালো নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে যে ভাবে ভোট হয়েছে, তাতে খুশি নির্বাচন কমিশন। কিছু কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা ছাড়া তেমন কোনও বড় ঘটনা এখনও পর্যন্ত ঘটেনি। হয়নি কোনও মৃত্যুও। বাংলায় ভোট মানেই হিংসা—এই অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে বারবার তুলেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। লোকসভা ভোট হোক বা পঞ্চায়েত নির্বাচন, যে কোনও ভোটেই পশ্চিমবঙ্গে হিংসার ইতিহাস রয়েছে। তবে এবছর লোকসভা ভোটে তিন দফা পেড়িয়ে গেলেও সেরম উল্লেখযোগ্য কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই আশার আলো দেখছেন নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কর্তারা। 

    মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের প্রশংসা

    বাংলায় যে এবার শান্তিপূর্ণ ভোট (Lok Sabha Vote 2024) হবে সেই বিষয়ে আগেই আশ্বস্ত করেছিল নির্বাচন কমিশন। শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ভোট শুরু হওয়ার আগে থেকেই একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন (Election Commission)। আপাতত রাজ্যে প্রথম তিন দফার ভোট নির্বিঘ্নে সমাপ্ত হয়েছে। কোথায় কেমন ভোট হচ্ছে, কী ভাবে ভোট পরিচালনা হচ্ছে, সেইসব নিয়ে আলোচনা করতে বুধবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে ভোট নিয়ে একটি বৈঠক করে। সূত্রের খবর, সেখানেই বাংলার ভোট পরিস্থিতি নিয়ে প্রশংসা করে কমিশন। সঙ্গে প্রশংসায় ভরাল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিফ আফতাবকে। এদিনের বৈঠকে তিন দফা ভোটের মধ্যে বাংলাকে যে ‘শান্তিপূর্ণ’ রাখা গেছে সে বিষয়ে  আশ্বস্ত হয়েছে কমিশন। তবে বাকি চার দফার ভোটও যেন এমন শান্তিপূর্ণ হয়, সেই দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে কমিশনের (Election Commission) তরফে।  

    নির্বাচন কমিশনের দাবি (Election Commission) 

    এ প্রসঙ্গে কমিশনের কর্তারা জানিয়েছেন, “এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রথম তিনটি দফায় বাংলায় সে অর্থে বড়সড় কোনও গোলমালই হয়নি। কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে বুথ দখল, রিগিংয়ের বড় কোনও অভিযোগও ওঠেনি।” কমিশনের (Election Commission) দাবি, প্রথম দফার ভোটে কোচবিহারে কিছু বিক্ষিপ্ত গোলমাল হলেও ভোটকেন্দ্রে তার কোনও আঁচ পড়েনি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফাতেও ভোট ছিল শান্তিপূর্ণ।  

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল অপপ্রচার করতে এই সব ফেক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে”, তোপ সুকান্তর

    যদিও তৃতীয় দফার ভোটে সবথেকে বেশি ক্রিটিক্যাল বুথ ছিল মুর্শিদাবাদে। যার মধ্যে পড়ে ডোমকল বিধানসভা। অতীতে প্রায় প্রতিটি ভোটে ডোমকলে রক্তারক্তি এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সেকারনেই এই কেন্দ্রের ভোট নিয়ে আশঙ্কা ছিল কমিশনের (Election Commission)। এছাড়াও ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদে পরপর অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। ভোটের দিন সকাল থেকেও উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এই কেন্দ্রে। বাকি কেন্দ্রগুলি থেকেও অল্পবিস্তর অশান্তির খবর এসেছে ঠিকই, কিন্তু কোনওটাই বড় আকার নিতে পারেনি। ফলে এবার সেখানেও নির্বিঘ্নে ভোট হয়েছে। 
    প্রসঙ্গত, আগামী ১৩ মে চতুর্থ দফার ভোট (Lok Sabha Vote 2024) রয়েছে বাংলায়। সেদিন বোলপুর, বীরভূম, বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান দুর্গাপুর এবং আসানসোলে ভোট হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Cooking Oil: ওজন কমাতে রান্নায় তেল একেবারেই বাদ দিচ্ছেন? জানেন কী রোগ হতে পারে?

    Cooking Oil: ওজন কমাতে রান্নায় তেল একেবারেই বাদ দিচ্ছেন? জানেন কী রোগ হতে পারে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দ্রুত ওজন ঝরাতে অনেকেই মরিয়া হয়ে ওঠেন। স্থূলতা রুখতে অনেকেই রান্নায় তেল (Cooking Oil) একেবারেই ব্যবহার করেন না। অনেকই আবার এয়ার ফ্রায়ারেই অধিকাংশ রান্না করেন। কিন্তু পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই অভ্যাস একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। রান্নায় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার যেমন অস্বাস্থ্যকর, তেমনি ভালো নয় একেবারেই তেল ব্যবহার না করা, যাকে বলে নো-অয়েল কুকিং। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দীর্ঘ দিন একেবারেই তেলবিহীন রান্না খেলে, এর জেরে শরীরে একাধিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত তেল যেমন শরীরের জন্য ক্ষতিকারক, তেমনি তাঁরা বলছেন, তেল খাওয়ার কিছু উপকার রয়েছে। তাই ন্যূনতম তেল অবশ্যই রান্নায় ব্যবহার করতে হবে।

    রান্নায় তেলের ব্যবহার কেন উপকারী? (Cooking Oil)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে রান্নায় যে ধরনের তেল ব্যবহার করা হয়, সেগুলো অধিকাংশ শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই অল্প পরিমাণ তেল নিয়মিত রান্নায় দেওয়া দরকার।

    সর্ষের তেলের উপকার

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সর্ষের তেলের তৈরি খাবার খেলে, শরীরে ওমেগা থ্রি এবং ওমেগা সিক্সের দারুণ ভারসাম্য তৈরি হয়। এর জেরে ত্বক ভালো থাকে। পাশপাশি চুল পড়ার মতো সমস্যা কমে। একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। সর্ষের তেলে (Cooking Oil) অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। ফলে ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ প্রতিরোধেও রান্নার এই উপকরণ বিশেষ সাহায্য করে।

    সূর্যমুখী তেলের উপকার (Cooking Oil)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় ফ্যাটের জোগান জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, মানুষের শরীরের প্রয়োজনীয় উপকারি ফ্যাট সহজেই পাওয়া যায় সূর্যমুখী তেল থেকে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সূর্যমুখী তেলে ম্যানুস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এছাড়াও থাকে ওমেগা থ্রি। তাই এই তেল হার্টের জন্য উপকারী। এছাড়াও থাকে ভিটামিন ই। যা শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই রান্নায় পরিমিত সূর্যমুখী তেলের ব্যবহার শরীরের পক্ষে ভালো বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    রাইস অয়েল থেকে বিশেষ উপকার 

    রান্নায় রাইস অয়েলের (Cooking Oil) ব্যবহার বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই তেল হৃদপিণ্ডের জন্য বিশেষ উপকারী। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই তেলে হার্টের জন্য উপকারী চর্বি থাকে। স্যাচুরেটেড ফ্যাট একেবারেই থাকে না। তাই এই তেল দিয়ে রান্না করলে বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে। পাশপাশি ডায়বেটিস আক্রান্তদের জন্যও এই তেল উপকারী। কারণ এই তেল রক্তে অতিরিক্ত শকর্রার পরিমাণ বৃদ্ধিতে নিয়ন্ত্রণ আনে।

    তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রান্নায় ন্যূনতম তেল অবশ্যই নিয়মিত ব্যবহার জরুরি। তবে ভিন্ন রকমের তেল মিশিয়ে রান্না করলে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, সূর্যমুখী তেল, রাইস অয়েল কিংবা সর্ষের তেল (Cooking Oil) মিশিয়ে রান্না করলে শরীরে বিভিন্ন উপাদানের জোগান ঠিকমতো হয়। ভারসাম্যও বজায় থাকে।

    তেলবিহীন রান্না খেলে কী সমস্যা হতে পারে? (Cooking Oil)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তেলবিহীন রান্না দিনের পর দিন খেলে একাধিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর জেরে শরীরে একেবারেই উপকারী ফ্যাটের জোগান‌ বন্ধ হতে পারে। এর জন্য হার্টের রোগ দেখা দিতে পারে। একাধিক হাড়ের সমস্যাও হতে পারে। পাশপাশি ভিটামিন ই-র অভাব শরীরে নানা রোগের কারণ হতে পারে। শরীরে ভিটামিন ই-র জোগান মূলত তেল থেকেই পাওয়া যায়। এর ফলে চুল ও ত্বকের নানান সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ঠিকমতো জোগান পাওয়া যাবে না। ফলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমতে পারে (Cooking Oil)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: সন্দেশখালির মতো আমারও ‘জাল ভিডিও’ বাজারে ছাড়া হবে, আশঙ্কা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Abhijit Ganguly: সন্দেশখালির মতো আমারও ‘জাল ভিডিও’ বাজারে ছাড়া হবে, আশঙ্কা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির আসন থেকে পদত্যাগ করে একেবারে রাজনৈতিক ময়দানে বিজেপির প্রার্থী হয়ে লড়াই করতে নেমেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক ছিলেন তিনি। বিচারকের আসনে বসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। রাজ্যের তৃণমূল শাসকের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর সিদ্ধান্তেই একাধিক দুর্নীতিগ্রস্থ তৃণমূল মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতা আজ জেলে পৌঁছে গিয়েছেন। এবার এই বিচারপতি রাজ্যের নির্বাচনী আবহে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল চক্রান্ত করে ফেক ভিডিও প্রকাশ করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর এই কথায় রাজনীতির আঙ্গিনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কি বলেছেন অভিজিৎ (Abhijit Ganguly)?

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) এদিন সাংবাদিক সম্মলেন করে বলেন, “সন্দেশখালি নিয়ে যেমন জাল ভিডিও তৈরি করা হয়েছে, সেরকম জাল ভিডিও কাঁথি এবং তমলুকের প্রার্থীদের সম্পর্কে তৈরি করা হয়েছে। কাঁথির সৌমেন্দু অধিকারী এবং তমলুকের প্রার্থী আমি… আমাদের বিরুদ্ধে তৃণমূল চক্রান্ত করছে। সম্ভবত এটা খুব দ্রুত বাজারে ছেড়ে দেওয়া হবে। মানুষকে বিভ্রান্ত করাই তৃণমূলের একমাত্র কাজ। এই রকম ভিডিও এলে কেউ যেন গুরুত্ব না দেন।”

    আরও পড়ুনঃ “তৃণমূল অপপ্রচার করতে এই সব ফেক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে”, তোপ সুকান্তর

    আর কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে তমলুক বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) আরও বলেন, “যদি ভিডিও দেখার পর কোনও ব্যক্তির মনে যদি সংশয় হয় তাহলে আমার কাছে আসবেন, আমাকে জিজ্ঞেস করবেন। আমি পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দেবো। এই ভিডিও কীভাবে জাল তা আমি বুঝিয়ে দেবো।” এই তমলুক এবং কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রের ভোট হল আগামী ২৫ মে, ষষ্ঠ দফায়। কিন্তু বিজেপি প্রার্থীর এমন আশঙ্কার কথায় রীতিমতো শোরগোল পরে গিয়েছে গোটা জেলায়।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hospital scam: তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার দিল্লির বিশিষ্ট হাসপাতালের দুই কার্ডিওলজিস্ট সহ নয় কর্মী

    Hospital scam: তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার দিল্লির বিশিষ্ট হাসপাতালের দুই কার্ডিওলজিস্ট সহ নয় কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা হাসপাতালই যেন দুর্নীতির আখড়া। চিকিৎসক, ল্যাব বিভাগ, হাসপাতালের কর্মচারি থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম সররাহকারী সংস্থার কর্মী। সকলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির (Hospital scam) অভিযোগ। এমনই দুর্নীতির মাকড়জাল সামনে এল। দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতাল থেকে দুই চিকিৎসক সহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করল সেন্ট্রাল বিউরো অফ ইনভেস্টিগেশন। বুধবার হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের আদালতে তোলা হলে ১৪ই মে পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    গ্রেপ্তার কার্ডিওলজি বিভাগের দুই চিকিৎসক (Hospital scam)

    জানা গিয়েছে গ্রেফতার হওয়া ৯ জনের মধ্যে দুজন কার্ডিওলজি বিভাগের নাম করা চিকিৎসক। তাদের নাম অজয় রাজ এবং পার্বতাগৌড়া চেনাপ্পাগৌড়া। এছাড়াও ভুবল জয়সওয়াল (ক্লার্ক), সঞ্জয় কুমার (ক্লার্ক), রজনীশ কুমার (ক্যাথ ল্যাব ইঞ্চার্জ), বিকাশ কুমার(দালাল), নরেশ নাগপাল (চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী), ভরত সিং ((চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী), আবরার আহমদকে (চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী) গ্রেফতার করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর মোট ১১ জন ব্যক্তি ও চারটি সংস্থার নামে এফআইআর হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন ৬ জন হাসপাতালে কর্মী, একজন মধ্যস্থতাকারী ও চারজন চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী। এরা সকলের হাসপাতালে তোলাবাজির (Hospital scam) রাজত্ব কায়েম করেছিলেন বলে অভিযোগ। চিকিৎসকরা ও হাসপাতালের ল্যাব বিভাগের কর্মীরা ওষুধ ও  চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারীদয়ের কাছ থেকে অনৈতিক উপায়ে টাকা আদায় করছিলেন বলে অভিযোগ। অন্যদিকে হাসপাতালের কর্মীরা রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধে পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তোলা আদায় থেকে শুরু করে অনেকক্ষেত্রে ভয় দেখিয়ে টাকা তুলছিলেন বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে নার্সদেরও যুক্ত থাকার অভিযোগ পেয়েছে সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা।

    ৫০ বছর পর মথুরার গোবর্ধন পাহাড়ে ফের খনন শুরু এএসআই-এর, কেন জানেন?

    ইউরোপ টুরে যাওয়ার আগে দিয়ে ঘুষ দেওয়ার অনুরোধ করেন চিকিৎসক 

    অজয় রাজ এবং পার্বতাগৌড়া বিরুদ্ধে অভিযোগ যে তিনি স্টেন্ট সরবরাহ সংস্থার কাছ থেকে টাকা নিয়ে নির্দিষ্ট কোম্পানির স্টেন্ট কেনার জন্য রোগীদের পরিবারের উপর চাপ সৃষ্টি করতেন। হৃদরোগে অস্ত্রোপচারে স্টেন্টের প্রয়োজন হয়। প্রসঙ্গত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় হৃদরোগে আক্রন্ত হলে তাঁর হৃদযন্ত্রে স্টেন্ট বসানো হয়েছিল। অভিযুক্ত দুই হৃদরোগ বিষেষজ্ঞ চিকিৎসক ঘুষ নিয়ে নির্দিষ্ট কোম্পানির সরঞ্জাম ব্যবহার করার জন্য রোগীর পরিবারের উপর চাপ দিতেন।  সিবিআই সূত্রে খবর পার্বতাগৌড়া আহমেদ নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল ঘুষ বাবদ ২লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা প্রদেয় অর্থ গরমের ছুটিতে ইউরোপ টুরে যাওয়ার আগে দিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। এর আগে আহমেদ নামে ঐ ব্যক্তি ওই চিকিৎসকের পিতা বসন্ত গৌড়ার কাছে ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা নগদ দিয়েছিল। এফআইআরে কথা উল্লেখ আছে যে কার্ডিয়োলজিস্ট অজয় রাজকে ভারতী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এর তরফ থেকে ভরত সিং দালাল বেশ কয়েক দফায় লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। এমনকি হাসপাতালের কেরানি সঞ্জয় কুমারের  বিরুদ্ধে অভিযোগ যে সে ভুয়ো মেডিকেল সার্টিফিকেট বিক্রি করত। বিভিন্ন সংস্থায় ছুটির আবেদন কিংবা অফিসিয়াল দরকারে যাদের মেডিকেল সার্টিফিকেট প্রয়োজন হত তাঁদের কাছ টাকা থেকে ভুয়ো মেডিকেল সার্টিফিকেট দেওয়া হত। প্রয়োজন বুঝে মোতা টাকাও আদায় হত বলে অভিযোগ। এভাবে বাজার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা সঞ্জয় তুলেছিল।

    রোগীদের কাছ থেকে চলত তোলা আদায় (Hospital scam)

    শুধু তাই নয় রোগীদেরকে ভয় দেখিয়েও রীতিমত চলত তোলা আদায়(Hospital scam) । জানা গিয়েছে ভুবল জয়সওয়াল নামে এক কেরানি এবং শালু নামে এক নার্সও তোলাবাজির ঘটনায় (Hospital scam) জড়িত বলে অভিযোগ। তাঁরা এক অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও তাঁর স্বামীকে ভয় দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা আদায় করেছিল অভিযোগ ওঠে ওই ব্যক্তিকে ভয় দেখানো হয় যদি কুড়ি হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ওই ব্যক্তিকে বলা হয় টাকা না দিলে তাঁর স্ত্রীকে হাসপাতাল থেকে ছুঁড়ে ফেলা হবে। ভয় পেয়ে ওই ব্যক্তি অনলাইনের মাধ্যমে ভুবলকে কুড়ি হাজার টাকায় ইউপিআই পেমেন্ট করেন। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং অতিরিক্ত সুবিধায় পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তোলা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। হাসপাতালে দুর্নীতি এখানেই সীমিত ছিল না হাসপাতালে ল্যাবরেটরি বিভাগের রজনিশ কুমার এবং আব্রার আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা বেশ কয়েকটি কোম্পানির সরঞ্জাম রোগীদের সুপারিশ করার নাম করে ঘুষ নিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share