Tag: bangla news

bangla news

  • S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত জেনোফোবিক (যারা বিদেশিদের ভয় পায়)। কারণ তারা অভিবাসীদের স্বাগত জানায় না।” দিন কয়েক আগে একথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্যই খোলা রয়েছে ভারতের দ্বার।”

    জয়শঙ্করের জবাব (S Jaishankar)

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট এও বলেছিলেন, “ভারতের অর্থনীতির ভিত নড়বড়ে। খুব ভালো করছে না। যদিও মার্কিন অর্থনীতির নিত্য শ্রীবৃদ্ধি হচ্ছে।” এরও উত্তর দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “প্রথমত, আমাদের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হচ্ছে না। ভারত সব সময়ই একটি অনন্য দেশ। তার আতিথেয়তার জন্য পরিচিত। বিশ্বের ইতিহাসে ভারতই এমন একটি দেশ, যা সর্বদা অভিবাসীদের সাহায্য করেছে। বিভিন্ন সমাজের মানুষ ভারতে আসেন।” ভারত যে বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান দেশ, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বর্ধনশীল। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের ঠাঁই হয়েছে পঞ্চম স্থানে। এই দশকের শেষের মধ্যেই ভারত উঠে আসবে এই তালিকার তিন নম্বরে।”

    কী বলেছিলেন বাইডেন?

    ২ মে এক নির্বাচনী জনসভায় আমেরিকার অর্থনৈতিক বিকাশ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বাইডেন বলেছিলেন, “আমাদের অর্থনীতির বিকাশের অন্যতম কারণ হলেন আপনারা এবং আরও অনেকে। কেন? কারণ আমরা বিদেশিদের স্বাগত জানাই। আমরা এটা নিয়ে ভাবি। কিন্ত চিনের অর্থনীতি কেন এভাবে থমকে গেল? কেন জাপান সমস্যার মুখে পড়ছে? কেন রাশিয়া? কেন ভারত? কারণ তারা জেনোফোবিক। তারা বিদেশিদের চায় না।”

    আরও পড়ুুন: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সপাটে এরই উত্তর দিয়েছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “তামাম বিশ্বে ভারতীয় সমাজ এমন একটি সমাজ, যেটা ভীষণ মুক্তমনা। ভিন্ন ভিন্ন সমাজ থেকে মানুষ ভারতে আসেন।” সিএএ-র প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “এই আইনের মাধ্যমে পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ এবং পারসিদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।” বিদেশিদের এ দেশে স্বাগত জানাতেই যে এহেন বড় পদক্ষেপ, তাও মনে করিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Back Pain: সন্তানের পিঠের ব্যথা নিয়ে দুশ্চিন্তা? খেলার পরেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে? কীভাবে কমবে সমস্যা? 

    Back Pain: সন্তানের পিঠের ব্যথা নিয়ে দুশ্চিন্তা? খেলার পরেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে? কীভাবে কমবে সমস্যা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সাঁতার কেটে ফেরার পরে কিংবা বিকেলে মাঠে খেলাধুলোর শেষে বাড়িতে ফিরতেই ক্লান্তি গ্রাস করে। একরত্তির চোখ বুজে আসে। টানটান করে পড়তে বসতে চায় না পরিবারের সবচেয়ে খুদে সদস্য। আবার, মাঝেমধ্যেই কোমরে কিংবা পিঠের ব্যথায় কষ্ট হয়। স্কুল পড়ুয়াদের অনেকেই পিঠে ব্যথার (Back Pain) সমস্যায় ভুগছে।‌ এমনকি হাতে-পায়ের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে অনেক শিশু। দুশ্চিন্তা বাড়ছে অভিভাবকদের। তবে, চিকিৎসকদের পরামর্শ, বাবা-মায়েরা সতর্ক না হলে পরবর্তীতে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই সন্তানের ক্লান্তিভাব বাড়লে, অতিরিক্ত হাত-পায়ের যন্ত্রণা কিংবা ঘনঘন কোমরে আর পিঠে ব্যথায় কষ্ট পেলে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। শিশু ক্যালসিয়ামের ঘাটতিতে ভুগছে কিনা, সেদিকে নজর রাখতে হবে। ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিলে এই ধরনের সমস্যা আরও বাড়বে। এমনকি খুব কম বয়স থেকেই অস্ট্রিয় পোরেসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ও বাড়বে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। পাশাপাশি হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে, আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    অভিভাবকেরা কীভাবে সতর্ক হবেন? (Back Pain)

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাচ্চারা অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে পড়লে অভিভাবকদের বাড়তি নজরদারি দরকার। মাঠে খুব বেশি খেলাধুলো করলে বা দীর্ঘ সময় সাঁতার কাটার মতো শারীরিক কসরত করলে ক্লান্ত হয়ে পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ সব সময় থাকলে তা বিপজ্জনক। একেবারেই পড়াশোনায় মনোযোগ করতে না পারলে বুঝতে হবে, সমস্যা বাড়ছে। পাশপাশি, পিঠ টানটান করে বসতে না পারলে, লাগাতার পিঠে ও কোমরে যন্ত্রণা অনুভব করলে অভিভাবকদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তবে তাঁরা জানাচ্ছেন, দশ বছরের কম বয়সি শিশুদের অনেক সময়েই হাতে-পায়ে গ্রোইং পেন হয়। অর্থাৎ, এই বয়সের ছেলেমেয়েদের শরীর বড় হয়। তাই পেশিতে তার প্রভাব পড়ে (Back Pain)। তাই অনেক সময়েই বিশেষ করে রাতে হাতে ও পায়ে যন্ত্রণা অনুভব হয়। তবে যদি হাতে-পায়ে লাগাতার যন্ত্রণা অনুভব হয়, তাহলে কিন্তু বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁদের পরামর্শ, চিকিৎসকের কাছে দ্রুত যাওয়া জরুরি। সন্তানের ক্যালসিয়ামের ঘাটতি রয়েছে কিনা, তা নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা সম্ভব। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো সেই ঘাটতি পূরণ করা যেতে পারে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কীভাবে ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ সম্ভব? (Back Pain)

    শিশুদের শরীরে বাড়তি ক্যালসিয়াম সব সময় জরুরি। কারণ বাড়ন্ত শরীরে প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের চাহিদা বেশি থাকে। তাই শিশুদের পুষ্টিতে বাড়তি নজরদারি দরকার। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ শিশু স্থূলতার সমস্যায় ভুগছে। আবার ক্যালসিয়ামের ঘাটতিও দেখা দিচ্ছে। অর্থাৎ, শিশুদের খাদ্যাভ্যাসে সমস্যা রয়েছে (Back Pain)। অধিকাংশ শিশু চটজলদি খাবারে অভ্যস্ত। আবার প্রয়োজনের তুলনায় অধিক ফ্যাটজাতীয় খাবার খাওয়ায় বাড়ছে স্থূলতার সমস্যা। তাই সন্তানের ডায়েট নিয়ে সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 

    ১) পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, সন্তানকে নিয়মিত দুধ খাওয়াতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে দুধ। তাই নিয়মিত দুধ খেলে হাড়ের জোর বাড়ে। হাড় মজবুত হয়। আবার ক্লান্তি কমে। তাই নিয়মিত ডায়েটে রাখতে হবে দুধ। 
    ২) দুধের পাশপাশি ছানা এবং পনির খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পনীরের একাধিক পদ তৈরি করা যায় (Back Pain)। তাই শিশুদের একঘেয়ে লাগবে না। নিয়মিত পনীর খেলে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ হবে। এছাড়া ছানা‌ ক্যালসিয়ামের জোগান দেওয়ার পাশপাশি এনার্জি জোগাতে বাড়তি সাহায্য করবে। 
    ৩) নিয়মিত অন্তত একটা ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিমে রয়েছে একাধিক ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম। তবে ডিম সিদ্ধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, সিদ্ধ ডিম সহজপাচ্য। তাই শরীরের জন্য বেশি উপকারী। 
    ৪) মুসুর গাল, মটর, ছোলার মতো দানাশস্য নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন এই ধরনের খাবারে শরীরে ক্যালসিয়ামের পাশপাশি ফাইবারের ঘাটতিও পূরণ করে। তাই পেশি ও হাড় মজবুত হয়। 
    ৫) সন্ধ্যা কিংবা সকালের জলখাবারে সন্তানকে চাউমিন, এগরোলের পরিবর্তে সিদ্ধ ডাল, ভিজে ছোলা খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। এতে শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব সহজেই পূরণ হবে (Back Pain)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Economist Surjit Bhalla: “মোদি সরকারের আমলেই সব চেয়ে বেশি চাকরি হয়েছে”, দাবি অর্থনীতিবিদের

    Economist Surjit Bhalla: “মোদি সরকারের আমলেই সব চেয়ে বেশি চাকরি হয়েছে”, দাবি অর্থনীতিবিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮-র ডিসেম্বর – ব্যবধান মাত্র ১৬ মাস। এই সময়সীমায় চাকরি হয়েছে প্রায় দু’কোটি (Economist Surjit Bhalla)। ২০১৯ সালেই এই দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর দাবি যে নিছক দাবিই নয়, তা জানিয়ে দিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ তথা আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (আইএমএফ) ভূতপূর্ব এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সুরজিত ভাল্লা। তাঁর দাবি, নরেন্দ্র মোদির জমানায় ব্যাপক চাকরির সৃষ্টি হয়েছে। গত সাত-আট বছরে সংখ্যাটা ছুঁয়েছে প্রায় ১০ মিলিয়ন।

    দুই জমানার তুলনা (Economist Surjit Bhalla)

    ইউপিএ জমানার তুলনায় এনডিএ আমলে যে বেশি চাকরি হয়েছে, তাও মনে করিয়ে দেন এই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ (Economist Surjit Bhalla)। তিনি বলেন, “২০০৪ সাল থেকে ২০১৩ পর্যন্ত ইউপিএ জমানায় খুব কম চাকরি হয়েছিল।” সেই সময়টাকে তিনি ভূষিত করেছেন ‘জবলেস গ্রোথ’ পর্ব হিসেবে। 

    কী বললেন অর্থনীতিবিদ?

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ভাল্লা বলেন, “চাকরি সৃষ্টির ক্ষেত্রে মোদি সরকার রেকর্ড ছুঁয়েছে। ভারতের ইতিহাসে এর আগে পর্যন্ত এত কর্মসংস্থানের রেকর্ড নেই।” এর পরেই তিনি বলেন, “গত সাত-আট বছরে চাকরি হয়েছে ১০ মিলিয়নেরও বেশি।” ভাল্লা প্রধানমন্ত্রীর ইকনমিক অ্যাডভাইসরি কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। তিনি বলেন, “অটল বিহারী বাজপেয়ীর জমানা এবং নরেন্দ্র মোদির আমল এই দুই প্রধানমন্ত্রীর কার্যকালেই দেশে সব চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে।” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক লেবার অর্গানাইজেশনের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২২ সালে ভারতে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮৩ শতাংশ তরুণই বেকার।

    আরও পড়ুুন: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    ভাল্লা বলেন, “আপনারা যদি ২৯ বছরের ঊর্ধ্বে তরুণদের ডেটা দেখেন, ভারতে বেকারত্বের হারের দিকে তাকান, যে দেশ বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ, দেখবেন যেখানে ওয়ার্কফোর্সও প্রায় এক শতাংশ, একে বেকারত্ব বলা যায় না।” তিনি বলেন, “বিশ্বের সর্বত্রই তরুণদের মধ্যে ফ্রিকশনাল বেকারত্ব উচ্চতর। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে বিজেপি। উনিশের সাধারণ নির্বাচনেও আবারও ক্ষমতায় আসে মোদি সরকার। তাঁর আমল থেকেই বাড়ছে কর্মসংস্থান (Economist Surjit Bhalla)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jharkhand ED Raid: ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রীর পিএ-র পরিচারকের বাড়ি থেকে ২৫ কোটি টাকা উদ্ধার ইডির!

    Jharkhand ED Raid: ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রীর পিএ-র পরিচারকের বাড়ি থেকে ২৫ কোটি টাকা উদ্ধার ইডির!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) কংগ্রেসের (Congress) গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিবের পরিচারকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল টাকার পাহাড়। ইডির (ED Raid) অভিযানে কমপক্ষে ২৫ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হওয়া নগদ গণনার কাজ চলছে।

    কেন তল্লাশি

    জানা গিয়েছে রাঁচি (Ranchi) শহরের একাধিক জায়গায় রবিবার তল্লাশি চালানো হয়। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের রাঁচি এলাকা আজমগড়ের (Azamgarh) বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ২০২৩ সালে প্রথম টেন্ডার দুর্নীতি (Jharkhand Tender Scam) মামলায় অভিযান চালায়। এই মামলাতেই ঝাড়খণ্ডের গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী আলমগির আলমের (MLA Alamgir Alam) আপ্তসহায়ক সঞ্জীব লালের পরিচারকের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে বিপুল পরিমাণ নগদ। ঝাড়খণ্ডের মোট ন’টি জায়গায় তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুনঃ “আগুন নিয়ে খেলছে কংগ্রেস”, বিস্ফোরক রাজনাথ

    কোন মামলায় তদন্ত

    ২০২৩ সালে টেন্ডার দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গ্রামোউন্নয়ন দপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার বীরেন্দ্র রামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি আধিকারিকরা। এবার এই মামলার গ্রেফতার হলেন সঞ্জীব লাল। ভোটের আবহে এই বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তোলপাড় হয়েছে জাতীয় রাজনীতি। প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিজেপি শিবির। ঝাড়খণ্ডের বিজেপি মুখপাত্র প্রতুল সাহু বলেন, “রাজ্যে দুর্নীতির শেষ নেই। এই পরিমাণ নগদ উদ্ধারের ঘটনা ইঙ্গিত দেয় চলমান লোকসভা নির্বাচনে তারা এই টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের উচিত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া।”

    আলমগির আলমের পরিচয়

    আলমগির আলম ঝাড়খণ্ডের পাকুর বিধানসভা থেকে চারবারের কংগ্রেসের বিধায়ক। ঝাড়খন্ড সরকারের তিনি সংসদীয় বিভাগ ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী ছিলেন। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঝাড়খণ্ড বিধানসভার অধ্যক্ষ ছিলেন। নিজের রাজনৈতিক জীবন পঞ্চায়েত প্রধান (সরপঞ্চ) হিসেবে শুরু করেছিলেন। তিনি ২০০০ সালে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত গত বছরের ডিসেম্বরে ঝাড়খণ্ডে প্রচুর মাত্রায় টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ এবং ব্যবসায়ী ধীরাজ সাহুর বেশ কয়েকটি ঠিকানা থেকে ইনকাম ট্যাক্স ৩৫০ কোটি টাকার বেশি নগদ বাজেয়াপ্ত করেছিল। ধীরাজ জানিয়েছিলেন, “যে পরিমাণ নগদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে তা তাঁর মদের ব্যবসার টাকা। কংগ্রেস পার্টির সঙ্গে এই টাকার কোন সম্পর্ক নেই।” এই ঘটনার এক বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ফের ঝারখন থেকে বাজেয়াপ্ত হল টাকার পাহাড়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ভোটের আগে আবাসের টাকা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তৃণমূলের, কমিশনে যাবে বিজেপি

    South 24 Parganas: ভোটের আগে আবাসের টাকা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তৃণমূলের, কমিশনে যাবে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির কারণে আবাস যোজনার টাকা আটকে দিয়েছে কেন্দ্র। আর তাতেই চরম ব্যাকফুটে পড়েছে তৃণমূল। কারণ, বহু উপভোক্তা টাকা না পাওয়ার কারণে বা়ড়ি তৈরি করতে পারেননি। ফলে, ভোটের মুখে ক্ষোভ বাড়ছে। আর তাই, দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মথুরাপুর লোকসভা এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের নাম এবং ফোন নম্বর সংগ্রহ করে আবাস যোজনার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছে তৃণমূল। আর এটা নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবে বিজেপি।

    বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে কমিশনে বিজেপি (South 24 Parganas)

    বিগত বছরগুলিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) সুন্দরবন বারবার আক্রান্ত হয়েছে ঘূর্ণিঝড়ে। গরিব মানুষের বাড়ির চাল উড়েছে। ভেঙে গিয়েছে বাড়ির দেওয়াল। সেই মানুষের মাথা গোঁজার জন্যে রাজ্য সরকার যে ত্রিপল দিয়েছে তা ‘চুরি’ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধেই। এমনকী সরকারের দেওয়া ক্ষতিপূরণের টাকা নিয়েও নয়- ছয় হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই আবহে সুন্দরবনের ভোটাররা যাতে তৃণমূলের থেকে মুখ না ফিরিয়ে নেয়, তাই আবাস যোজনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে নাকি স্থানীয় নেতারা বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের কাকদ্বীপ, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, সাগর, মথুরাপুর এক নম্বর ও মথুরাপুর দু’নম্বর, কুলপি ব্লকের বহু বাসিন্দার আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকলেও তাঁরা টাকা পাননি। অনেকের আবার আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে। এই সব নিয়ে চরমে উঠেছে দুর্নীতি। তৃণমূলের নীচুতলার নেতাদের বিরুদ্ধে সেই দুর্নীতির অভিযোগ। ভোটের আগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের নাম এবং ফোন নম্বর সংগ্রহ করে আবাস যোজনার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছে তৃণমূল। আদতে এসব করে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করা হচ্ছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে কমিশনে অভিযোগ জানাবো।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের সভার দিনই বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু কিশোরের, উড়ল হাত, শোরগোল

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    নির্বাচনের মুখে নতুন করে আবাসের বাড়ি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে উঠেছে বিধি ভঙ্গের অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগ প্রসঙ্গে পাথরপ্রতিমার তৃণমূল বিধায়ক সমীর জানা বলেন, “আবাস যোজনার টাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার দিয়ে দেবে। মানুষকে তা জানানো হচ্ছে। এতে বিধি ভঙ্গের কিছু নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Water under moon surface: চাঁদের মাটিতে আরও জলের সন্ধান! গবেষণায় বড় দাবি ইসরোর

    Water under moon surface: চাঁদের মাটিতে আরও জলের সন্ধান! গবেষণায় বড় দাবি ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদে এত পরিমাণ জল (Water under moon surface) রয়েছে যে তা ভেবে কল্পনা করা কঠিন। সম্প্রতি আবারও চাঁদের মাটিতে জলের সন্ধান পেল ইসরো। আইআইটি কানপুর, ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া, জেট প্রপালশন ল্যাব এবং আইআইটি ধানবাদের গবেষকদের সহায়তায় স্পেস অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার, ইসরোর (ISRO) বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন চাঁদের গর্তগুলিতে জমে রয়েছে বরফ। ইসরোর প্রকাশিত এক জার্নালে বলা হয়েছে, যে ভূপৃষ্ঠের কয়েক মিটার নীচে বরফের পরিমাণ ভূপৃষ্ঠের তুলনায় ৫ থেকে ৮ গুণ বেশি। সেই কারণেই অনুমান, চাঁদে ঠিক এতটা পরিমাণ জল রয়েছে যা কল্পনারও বাইরে।  

    প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ জলের হদিশ (Water under moon surface) 

    যদিও চাঁদের মাটিতে জলের সন্ধান আগেই পাওয়া গিয়েছিল। এ বার বিজ্ঞানীরা আগের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণ জলের সন্ধান পেয়েছেন। গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ মেরুর তুলনায় উত্তর মেরুতে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ জল বরফ আকারে সঞ্চিত রয়েছে। চাঁদে এই বিপুল পরিমাণ জলের হদিশ পেয়ে উৎসাহিত বিজ্ঞানীরা। 
    এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা সাতটি যন্ত্রের ব্যবহার করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে র‍্যাডার, লেজার, অপটিক্যাল, নিউট্রন স্পেক্ট্রোমিটার, আলট্রাভায়োলেট স্পেক্ট্রোমিটার এভং থার্মাল রেডিওমিটার। তবে চাঁদের মাটিতে জলের সন্ধান পেতে সাহায্য করেছে ভারতের পাঠানো চন্দ্রযান ২-ও। 

    চাঁদের মাটিতে কীভাবে জমল বরফ?

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে ৩.৮৫ বিলিয়ন বছর আগে ইমব্রিয়ান সময়কালে ঘটে যাওয়া আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের কারণে চাঁদের গর্তগুলিতে জল জমেছিল। সেই জলই (Water under moon surface) এখন বরফে পরিনত হয়েছে। মনে করা হচ্ছে পরবর্তীকালে ইসরো বা অন্যান্য মহাকাশ সংস্থাগুলি চাঁদে জল খোঁজার জন্য ড্রিলিং মেশিন পাঠাতে পারে।

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    ভবিষ্যতে চন্দ্র অভিযানে সহায়ক হবে এই বরফ 

    ইসরো বলেছে যে এই তথ্য ভবিষ্যতের চন্দ্র অভিযান মিশনে বরফের নমুনা সংগ্রহ করতে বা চাঁদে মানুষের দীর্ঘমেয়াদী উপস্থিতির জন্য সহায়তা করবে। এমনকি এই বরফের (Water under moon surface) উপর নির্ভর করে, ভবিষ্যতে চাঁদে অবতরণের জন্য সঠিক স্থান এবং সঠিক নমুনা সংগ্রহের পয়েন্ট নির্বাচন করাও সহজ হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    Weather Update: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপপ্রবাহ কমেছে। গরমের দহন জ্বালা জুড়োতে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী (Weather Update)। আজ, সোমবার রাজ্যের আট জেলায় হতে পারে কালবৈশাখী ঝড়। আগামী কয়েকদিন রাজ্যজুড়ে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। স্বাভাবিকভাবেই তাপমাত্রা কমতে পারে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতল হবে শরীর।

    আসছে কালবৈশাখী (Weather Update)

    দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে দাবদাহে পুড়ছিল দক্ষিণবঙ্গ। খাস কলকাতায় তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছিল ৪২ ডিগ্রি। রাজ্যের কোথাও কোথাও পারা চড়েছিল ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। চাতকের মতো ফটিক জল করে কাল কাটাচ্ছিলেন বঙ্গবাসী। শেষমেশ তাঁদের সে আশা পূরণ হতে চলেছে, ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী (Weather Update)। এদিন কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, হুগলি এবং দুই চব্বিশ পরগনায়। বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে ঘণ্টায় হাওয়া বইতে পারে ৬০ কিলোমিটার বেগে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গেই বইবে দমকা হাওয়া।

    মঙ্গলেও শান্তি বারি

    সোমের পর মঙ্গলবারেও হবে বৃষ্টি। এদিন ভারী বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় জেলায়। এই দুই জেলায় বৃষ্টি হতে পারে ১০০ মিলিমিটার কিংবা তারও বেশি। বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে হবে বজ্রপাতও। দুই মেদিনীপুরে প্রতি ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বইবে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে। কেবল এই দু’দিনই নয়, শনিবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। বীরভূম, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের কিছু জায়গায় ঘণ্টায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবারও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, দুই চব্বিশ পরগনা, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম এবং দুই মেদিনীপুরে। এদিন কলকাতায়ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলে অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টি হবে।

    আরও পড়ুুন: “আগুন নিয়ে খেলছে কংগ্রেস”, বিস্ফোরক রাজনাথ

    রবিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩৬ ডিগ্রি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। মার্চে ছ’দিনে কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছিল  মোট ২৮ মিলিমিটার। এপ্রিলে শহরে হালকা বৃষ্টি হয়েছিল মাত্র একদিন। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, বুধবার উত্তরের পার্বত্য জেলায় বেশি বৃষ্টি হবে। উত্তরের সমতলের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে (Weather Update)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Good Sleep Benefits: বসে কাজ নয়! প্রতিদিন ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুমই সুস্থ থাকার রসায়ন

    Good Sleep Benefits: বসে কাজ নয়! প্রতিদিন ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুমই সুস্থ থাকার রসায়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীর ও মনের সার্বিক সুস্থতায় পর্যাপ্ত ঘুমের গুরুত্ব (Good Sleep Benefits) অপরিসীম। এক জন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে প্রতি দিন অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা নিরবিচ্ছিন্ন ঘুমের প্রয়োজন। ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়া। প্রতিটি মানুষের সুস্থ জীবন ও দীর্ঘ জীবনীশক্তির জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন অনস্বীকার্য। বলা হয়ে থাকে ঘুম আর ব্যায়াম যথার্থ শয্যাসঙ্গী। ভালো ঘুম শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারে। আর ব্যায়াম শরীর এবং পেশী মজবুত রাখে। ঘুম কম হলে একজনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হতে পারে।

    ঘুম ও ব্যায়াম

    ব্রেন বা মস্তিষ্কে বেশি পরিমাণে অ্যাডনোসিন তৈরির ক্ষেত্রে ব্যায়ামের একটি রাসায়নিক প্রভাব রয়েছে, আর অ্যাডেনোসিন আমাদের মধ্যে  ঘুমের ভাব (Good Sleep Benefits) তৈরি করে। কয়েকটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে উচ্চ-তীব্রতার (হাই ইনটেনসিটি)ব্যায়ামের ফলে ঘুমবর্ধনকারী হরমোন অ্যাডেনোসিন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। গবেষণায় প্রমাণিত, ব্যায়াম শরীরকে ক্লান্ত করে দেয় আর ঘুম বাড়ায়। শরীর সক্রিয় থাকলে সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ওয়ার্কআউট করলে আর পরিমিত ঘুমোলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও কমে যায়।

    বসে থেকে কাজ নয়

    দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস এখন সবার মধ্যেই তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কর্মজীবীরা বাধ্য হয়েই বসে কাজ করেন। শুধু অফিসের কারণেই নয়, অনেক তরুণরাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ব্যবহার করেন। একটানা বা দিনের বেশিরভাগ সময় বসে থাকার ফলে নিজের অজান্তেই নানা রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন অনেকেই। জানলে অবাক হবেন, মাত্রাতিরিক্ত বসে থাকার কারণে আয়ু কমে যেতে পারে। এ ছাড়াও আক্রান্ত হতে পারেন হৃদরোগ, ডায়াবেটি-সহ স্থূলতায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত বসে থাকার কারণে আয়ু অনেকখানি কমে যায়। এর মূল কারণ হলো কঠিন ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত হওয়া। এটা ঠিক নয় যে, ওয়ার্ক আউট বা এক্সারসাইজ করলে আয়ু বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে শরীর সুস্থ রাখতে অনেকখানি সাহায্য করে শরীরচর্চা। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, টানা বসে থাকার কারণে অনেকেরই ডিমেনশিয়া বা ভুলে যাওয়ার রোগ দেখা দেয়। এ ছাড়া হার্টের অসুখ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস এসব রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই দীর্ঘক্ষণ না বসে একটু হাঁটাচলা করুন। টানা বসে থাকায় আপনার মেরুদণ্ড, পিঠ ও ঘাড়ে চাপ পড়ে। তাই পিঠ ও কোমরে ব্যথা শুরু হয়। এক্ষেত্রে যতো আরামদায়ক চেয়ারই বেছে নেওয়া হোক না কেন, দিন শেষে এই ব্যথা থাকবেই। তাই চেষ্টা করুন টানা বসে না থেকে আধা ঘণ্টা পরপর উঠে হাঁটাচলা করা।

    কতক্ষণ ওয়ার্কআউট করবেন

     সারা দিনে আপনার ঘুমনোর সময়, বসে থাকার সময় হিসেব করে সেই অনুপাতে ওয়ার্কআউট করুন। বর্তমানে অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে সবার মধ্যেই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ছে। সেই সঙ্গে একটানা বসে থাকার ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এর কারণ হলো শরীর থেকে কোনো ক্যালরি বা ফ্যাট না ঝরানো। যে কারণে ইনসুলিন হরমোন ক্ষরণ কম হয় ও রক্তে চিনি ও কোলেস্টেরল এর মাত্রা বেড়ে যায়। তাই পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম প্রয়োজন। আপনার যদি টানা বসে থাকেন; তাহলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়াও শরীরের নিম্নাঙ্গে মেদ জমে। এজন্য অতিরিক্ত ওজন যাতে না বেড়ে যায়, এজন্য নিয়মিত ওয়ার্ক আউট করুন। পাশাপাশি বসে থাকার পরিমাণ কমাতে হবে। মাত্রাতিরিক্ত বসে কাজ করার কারণে অনেকেরই ঠিকমতো ঘুম হয় না। এক্ষেত্রে ঘুমের ব্যাঘাতের কারণে দুশ্চিন্তার মাত্রা বেড়ে যায়। নিয়মিত শরীরচর্চা বার্ধক্য ঠেকাতে পারে।

    আরও পড়ুন: শিক্ষকদের আদর্শ আচরণবিধি নিয়ে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    কতক্ষণ ঘুমোবেন

    যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন বলছে, বয়স অনুযায়ী মানুষের ঘুমের (Good Sleep Benefits) সময়টাও ভিন্ন হবে। শৈশবে, কৈশোরে, তারুণ্যে, যৌবনে আর বার্ধক্যে ঘুমের চাহিদাও আলাদা আলাদা। যেমন শিশুদের একটু বেশি ঘুমাতে হয় প্রবীণ ও প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায়। শূন্য থেকে ৩ মাস বয়সি শিশুদের ১৪ থেকে ১৭ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। ৪ মাস থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের জন্য ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা ঘুম দরকার হয়।  ১ থেকে ২ বছর বয়সি শিশুদের দরকার হয় ১১ থেকে ১৪ ঘণ্টার ঘুম। ৩ থেকে ৫ বছর বয়সিদের জন্য ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা। ৬ থেকে ১৩ বছর বয়সি শিশুদের রাতে অন্তত ৯-১১ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। তবে নিয়মিত ৭-৮ ঘণ্টা ঠিকঠাক ঘুমাতে পারলেও ওরা নিজেকে চালিয়ে নিতে পারে।  ৮-১০ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সিদের। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি মানুষের রাতে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। ২৬ থেকে ৬৪ বছর বয়সি মানুষের রাতে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। ৬৫ বছরের চেয়ে বেশি বয়সিদের জন্য ঘুমানো প্রয়োজন ৭-৮ ঘণ্টা। স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বলছে, অনশনে মানুষ ১৪ দিন বাঁচতে পারে। না ঘুমিয়ে ১০ দিনের বেশি বাঁচা যায় না। তাই শরীর সুস্থ রাখতে, কাজ ভালো করতে ও মগজকে রিচার্জ করতে ঘুম অত্যন্ত জরুরি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dilip Ghosh: “মহিলাদেরকে অসম্মানজনক কাজে লাগিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছে তৃণমূল”,  তোপ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “মহিলাদেরকে অসম্মানজনক কাজে লাগিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছে তৃণমূল”, তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মহিলাদেরকে অসম্মানজনক কাজে লাগিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছে তৃণমূল।” সোমবার সকালে কাঁকসার গোপালপুর এলাকায় প্রাতঃভ্রমণ ও চা চক্রে যোগ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগ নিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। মূলত, ভোটের আবহে সন্দেশখালি, নিয়োগ দুর্নীতিতে অনেকটাই ব্যাকফুটে তৃণমূল। তাই, এই ধরনের ইস্যু তৈরি করে ভোটে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    মহিলাদের দিয়ে অসম্মানজনক কাজে করিয়ে ক্ষমতায় থাকতে চাইছে তৃণমূল (Dilip Ghosh)

    এদিন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) রাজ্যপালের হয়ে সওয়াল করলেন। শুধু পাশে দাঁড়ানো নয়, এই ইস্যুতে কার্যত তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন। তিনি বলেন, রাজ্যপাল একজন শিক্ষিত মানুষ। তিনি যেহেতু তৃণমূলের বশ্যতা স্বীকার করেনি তাই তাঁর বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কখনো তাকে কালো পতাকা দেখানো এবং নানাভাবে অসম্মান করার কাজ করছে। এখন আবার মহিলাদের দিয়ে অসম্মানজনক কাজে লাগিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় থাকতে চাইছে তৃণমূল। সমাজ এর জবাব দেবে। শুধুমাত্র ক্ষমতা এবং টাকার জন্য তৃণমূল এই ধরনের কাজ করছে। তিনি বলেন, বর্তমানে তৃণমূল এতটাই বদনাম হয়ে গিয়েছে যে কোথাও কোনও পোস্টারে তৃণমূল লেখা থাকছে না, শুধুমাত্র জোড়া ফুল চিহ্ন দেওয়া হচ্ছে পোস্টারে। কারণ, তৃণমূল শব্দ তাই বদনাম হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের সভার দিনই বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু কিশোরের, উড়ল হাত, শোরগোল

    সন্দেশখালি ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ

    সন্দেশখালি প্রসঙ্গে তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, সন্দেশখালিতে যে ঘটনা ঘটেছে সেটা একজন দুজন মহিলার সঙ্গে নয় অনেক মহিলাকে অসম্মান করা হয়েছে, যার কারণে হাজার হাজার মহিলা রাস্তায় ঝাঁটা নিয়ে প্রতিবাদ করেছেন। আর এই সন্দেশখালিতে ইস্যুতে তৃণমূল কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। মানুষ আর ওদের চাইছে না। আর সন্দেশখালিতে বিজেপি নেতার ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সত্য উদঘাটন হবে। মানুষ সবই দেখতে পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • International No Diet Day 2024: কম ক্যালোরির চেয়ে পুষ্টি বেশি জরুরি, বলছেন চিকিৎসকরা

    International No Diet Day 2024: কম ক্যালোরির চেয়ে পুষ্টি বেশি জরুরি, বলছেন চিকিৎসকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার খেয়াল খুশি মত খাওয়ার দিন। এই দিনটি সারা বিশ্বে ‘নো ডায়েট ডে’ (International No Diet Day 2024) হিসেবে পরিচিত। স্বাস্থ্য সচেতন যুগে অনেকেই ডায়েটের নামে শীর্ণকায় শরীরে অবতীর্ণ হচ্ছে। তাঁদের জন্য আজ পেট পুরে খাওয়ার দিন। কয়েক বছর ধরে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে টিভির পর্দা খুললেই দেখা যায় কীভাবে ওজন ঝরাতে হবে তার আইডিয়ায় ভর্তি। আমাদের মস্তিষ্ক ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে কঠিন ডায়েট পরিশ্রম ও ব্যায়াম, ক্যালরি কমানোর (Balanced Diet Chart) হরেক রকম আইডিয়া দিয়ে। দিনের পর দিন ক্যালোরি ও ভিটামিন কম নিয়ে আমরা নিজের শরীরকে রোগা করার তুলনায় বেশি অসুস্থ করে ফেলি। নো ডায়েট দিবসে জেনে নিন ক্যালোরি কমানো দরকার নাকি সঠিক পরিমাণে সুষম খাবার খাওয়া দরকার।

    ক্যালোরি কম বনাম সুষম খাদ্য

    আজকাল অনেক ক্ষেত্রেই পুষ্টিবিদরা বলেন, সঠিক পরিমানে ক্যালোরি (Calorie) নেওয়া দরকার। তাঁরা ডায়েট চার্ট (Diet Chart) দিয়ে থাকেন। ক্যালোরির দিকে না ঝুঁকে সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণে খাওয়া প্রয়োজন। তাতে সঠিক ক্যালোরি এমনিতেই দেহে পৌঁছবে। ক্যালোরির চিন্তা না করে সঠিক সময়ে ও সঠিক পরিমাণে পুষ্টিকর (Balanced Diet Chart) খাবার খাওয়া দরকার। তাতে শরীর ভালো থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে এবার ইলিশ মিলবে কম দামে, হিলিতে চালু হবে ‘ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট’

    শরীরেরও জ্বালানি প্রয়োজন

    গাড়ি যেভাবে চার্জ কিংবা জ্বালানি ছাড়া চলতে পারে না। একই ভাবে শরীরের জ্বালানি হল খাবার। ওজন বৃদ্ধি বা ওজন কমের জন্য শুধুমাত্র খাওয়া-দাওয়া (Balanced Diet Chart) দায়ী থাকে না। অনেকগুলি কারণ রয়েছে যার ফলে আমাদের শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায় কিংবা ওজন কমে যায়। কিছু ক্ষেত্রে রোগের কারণে ওজন বাড়ে-কমে। আবার প্রয়োজন রয়েছে সঠিক পরিমাণে পরিশ্রম করার। চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে ব্যায়াম করা খুবই জরুরি। অল্প খেলেও শুয়ে বসে থাকলে ওজন বাড়তে পারে। সঠিক পরিমাণে পরিশ্রম করলে শরীরে এক ধরনের হরমোন বের হয় যাকে বলা হয় ‘হাঙ্গার হরমোন’ খিদে পেলে খাবার খাওয়া দরকার। এর ফলে আমরা মেটাবলিজম ভালো রাখতে পারি।

    পেশি নির্মাণ বনাম চর্বি কমানো

    সুষম খাদ্য ও পুষ্টি (Balanced Diet Chart) শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড না খেয়ে এবং কম চর্বি জাতীয় খাবার কম খেয়ে আমরা আমাদের শরীর ঠিক রাখতে পারি। তবে শরীরে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, চর্বি ভিটামিন সবকিছুরই প্রয়োজন আছে। চর্বি একেবারে বাদ দিলেও শরীরের ক্ষতি হতে পারে। অন্যদিকে সুষম খাদ্য গ্রহণ করে আমরা দীর্ঘস্থায়ীভাবে সুস্থ থাকতে পারি। অনেকে মনে করেন পেশি নির্মাণ সুস্থতার লক্ষণ। পেশি নির্মাণের সঙ্গে সুস্থতার কোন সম্পর্ক নেই। সুঠাম শরীর দেখতে ভাল লাগতেই পারে। কিন্তু অতিরিক্ত পেশি নির্মাণও নানান ধরনের সমস্যা বয়ে নিয়ে আসতে পারে। অতিরিক্ত পেশি নির্মাণ করে পরে ব্যায়াম ছেড়ে দিলে শরীর আবার স্থুল হয়ে পড়তে পারে। ফলে আপনি আপনার প্রয়োজন বুঝে রোগা থাকবেন নাকি পেশি নির্মাণ করবেন সেটি নির্ণয় আপনাকেই করতে হবে। তবে একটি দিন চিন্তা ভুলে খেয়ে নিন।

    ইতিহাস

    আন্তর্জাতিক নো ডায়েট দিবস (International No Diet Day 2024) প্রথম পালিত হয় ব্রিটেনে। ব্রিটিশ নাগরিক মেরি ইভান্স ইয়াংকে এই আন্দোলন শুরু করার কৃতিত্ব দেওয়া হয়। প্রথম নো ডায়েট দিবসটি ৫ মে ১০১২ খ্রিষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। লন্ডনের হাইড পার্কে এক ডজন মহিলা পিকনিক করে এই দিন উদযাপন করেছিলেন।  সকলেই একটি স্টিকার পরতেন তাতে লেখা ছিল ” ডিচ দ্যাট ডায়েট”। তিনি এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক ছুটির দিন (International No Diet Day 2024) করার চেষ্টা করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share