Tag: bangla news

bangla news

  • Heart Attack Stroke Risks: ৮ মিনিটের রাগে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়, বলছে গবেষণা

    Heart Attack Stroke Risks: ৮ মিনিটের রাগে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়, বলছে গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রবল রাগ ওঠামাত্র শরীরে প্রচুর স্ট্রেস হরমোন তথা নিউরোকেমিক্যাল বেরোতে শুরু করে। তাদের প্রভাবে হার্টরেট ও প্রেশার বাড়ে। করোনারি আর্টারি সঙ্কুচিত হয়। আবার করোনারি আর্টারিতে যদি কোনও চর্বির প্লাক জমে থাকে তা ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বাড়ে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি (Heart Attack Stroke Risks)। সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, মাত্র ৮ মিনিট ধরে যদি কেউ রেগে থাকেন, তাহলে তাঁর হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। ‘জার্নাল অফ দ্য আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন’- এ প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণাটি। যেখানে দেখানো হয়েছে রাগ এবং হার্ট অ্যাটাকের সম্পর্ক।

    গবেষণা

    এই গবেষণাটিতে যুক্ত ছিল কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরভিং মেডিক্যাল সেন্টার, নিউইয়র্কের ‘সেন্ট জনস ইউনিভার্সিটি’ সমেত অন্যান্য বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। ২৮০ জনের ওপরে এই গবেষণাটি চালানো হয়। যাঁরা প্রত্যেকেই ছিলেন স্বাস্থ্যবান প্রাপ্তবয়স্ক। অংশগ্রহণকারীদের চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। তারপর তাঁদেরকে এমন কিছু ঘটনাক্রমের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রাগ, দুঃখ এবং উদ্বেগের অনুভূতিগুলি কাজ করতে থাকে। অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের মনকে শান্ত ও আবেগহীন রেখে ৮ মিনিট ধরে উচ্চস্বরে ১-১০০ গোনে। এদের প্রত্যেকের রক্তের নমুনা নেওয়া হয় এবং তাদের ব্লাড প্রেশারও মাপা হয়। সেখানেই উঠে আসে এই তথ্য। ৮ মিনিট ধরে রেগে থাকলে বাড়ে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের (Heart Attack Stroke Risks) ঝুঁকি। প্রসঙ্গত, গবেষণার আগেও একইভাবে তাদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ব্লাড প্রেশার মাপা হয়। দুই ক্ষেত্রে ফারাক লক্ষ্য করা যায়। গবেষণাটিকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডক্টর ডাইচি শিম্বো, তিনি জানান, অতীতে বেশ কিছু এ ধরনের গবেষণা চালানো হয় যেখানে দেখা গিয়েছে, রাগের অনুভূতি, উদ্বেগের অনুভূতি, দুঃখের অনুভূতির সঙ্গে হৃদরোগের সম্পর্ক থাকে ভবিষ্যতে। গবেষণায় দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের রক্তনালী সংকুচিত হয়ে যায়। এর পাশাপাশি যাঁরা দুঃখ এবং উদ্বেগে ছিলেন তাঁদেরও রক্তনালী সংকুচিত হয়। রক্তনালীর সংকোচন এবং প্রসারণের ফলেই শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি বা হ্রাস হয়।

    স্ট্রোক  এবং হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack Stroke Risks)

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে যখন রক্ত সরবরাহ বন্ধ বা হ্রাস পায়, তখনই মস্তিষ্কের বিভিন্ন কোষগুলি অক্সিজেন এবং পুষ্টি পায় না। মস্তিষ্কের কোষগুলি তখন মারা যেতে শুরু করে। এই সময়ে স্ট্রোক হয়। আর এক ধরনের স্ট্রোক হয়, যখন মস্তিষ্কের রক্তনালী ফুটো হয়ে যায়। ফেটে যায় এবং সেখানে রক্তক্ষরণ ঘটে। অন্যদিকে, হার্ট অ্যাটাক তখনই হয় যখন মানুষের হৃদপিণ্ডতে রক্ত চলাচল কমে যায়, অথবা হৃদপিণ্ড ব্লক হয়ে যায়।

    রাগ কমানোর দশ মহাবিদ্যা 

    (১) আপনার রাগ বেশি সেটা বুঝুন। এজন্য আপনি ছাড়া আর কেউ দায়ী নয়। কারণ যে ঘটনায় আপনি রেগে যান, তাতে অন্য অনেকেই দিব্যি মাথা ঠান্ডা রাখতে পারেন।

    (২) এ বার ঠিক করুন রাগ কমাবেন এবং সেরকম প্রস্তুতি নিন।

    (৩) কোন কোন ঘটনায় আপনি রেগে যান তা বুঝুন। সে রকম পরিস্থিতি যাতে না হয় সে চেষ্টা করুন। তার জন্য যদি নত হতে হয় সে-ও ভাল।

    (৪) নত হতে হয়েছে বলে যদি খারাপ লাগে, ভেবে দেখুন এর বিনিময়ে আপনার শরীর, মানসিক শান্তি, সম্পর্ক সবই কিন্তু রক্ষা পেল।

    (৫) চেষ্টা করেও পরিস্থিতি এড়াতে না পারলে প্রতিজ্ঞা করুন, যা-ই ঘটুক আপনি শুধু শুনে বা দেখে যাবেন, রাগবেন না৷ এমন কথা বলবেন না যাতে পরিস্থিতি জটিল হয়।

    (৬) ধৈর্য ধরুন। মুখ বন্ধ রাখুন। সম্ভব হলে সে জায়গা থেকে সরে যান। হনহন করে হেঁটে আসুন, মাথায় জল ঢালুন, ঘরের কাজ করুন বা কারও সঙ্গে কথা বলে মাথা ঠান্ডা করে নিন।

    (৭) এ সব কোনওটাই সম্ভব না হলে কাজে আসবে সুইচ অফ–সুইচ অন মেকানিজ্ম এবং ভিস্যুয়াল ইমেজারি, এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এ হল পরিস্থিতির মাঝখানে বসে গভীর ভাবে অন্য পছন্দের কিছু ভাবা যাতে মন চলে যায় অন্য কোনও রাজ্যে। বিশেষজ্ঞের কাছে শিখে ঘরে প্র্যাকটিস করলে বিপদের সময় কাজে লাগবে।

    (৮) ডিপ বেলি ব্রিদিং, যোগাসন, মেডিটেশনে শরীর–মন ঠান্ডা থাকে। চট করে রাগ ওঠে না। বা উঠলেও সহজে নেমে যায়। নিয়মিত প্রশিক্ষকের কাছে যোগা প্রাকটিস করুন।

    (৯) জীবনের চাহিদা কমিয়ে ফেলুন, দেখবেন এতে রাগও কমে যাবে। নিজের মধ্যে কোনও রকমের ইগো রাখবেন না।

    (১০) আধ্যাত্মিকতার বিভিন্ন বই পড়ুন। মহাপুরুষদের বাণী পড়ুন, এতে মন শান্ত থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: অভিষেকের গড়ে একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: অভিষেকের গড়ে একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় বিজেপি কর্মীদের ওপর বেলাগাম সন্ত্রাস শুরু করেছে তৃণমূল। বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর করার পাশাপাশি মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা হয়। আর ধর্ষণ করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) ডায়মন্ড হারবার লোকসভার বিষ্ণুপুর থানার আন্ধারমানিক গ্রাম পঞ্চায়েতের আলতা বেরিয়া গ্রামে। ভোটের আগে অভিষেকের গ়়ড়ে এই ধরনের ঘটনা সামনে আসতেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব প্রশ্ন সুলতে শুরু করেছে।

    বাড়ি ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত তৃণমূল (South 24 Parganas)

    ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) লোকসভার বিষ্ণুপুর থানার আন্ধারমানিক গ্রাম পঞ্চায়েতের আলতা বেরিয়া গ্রামে বিজেপির ভাল সংগঠন রয়েছে। বিজেপির করার অপরাধে বেছে বেছেই বিজেপির কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে মদ্যপ অবস্থায় তৃণমূলের লোকজন চড়াও হয়। তারা বিজেপি কর্মীদের একাধিক বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি ধর্ষণ করার হুমকি দেয়। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, হামলাকারীরা সকলেই তৃণমূলের লোকজন। এলাকায় বিজেপি করা যাবে না বলে জানিয়ে দেয়। আমরা প্রতিবাদ করলেই ওরা বাড়ি ভাঙচুর করে। এই এলাকায় আমাদের ৬টি বাড়ি ভাঙচুর করেছে। মহিলাদের শ্লীলতাহানি করেছে। হামলার ঘটনার পর আমরা চরম আতঙ্কিত। শনিবার আমাদের সঙ্গে দেখা করতে দলীয় প্রার্থী এসেছিলেন। সমস্ত বিষয়টি আমরা জানিয়েছি। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল নেতার নির্দেশে বাড়িতে মজুত বোমা তৈরির মশলা-আগ্নেয়াস্ত্র”, জানালো ধৃত দুষ্কৃতী

    শুরু হয়েছে রাজৈনৈতিক তরজা

    বিজেপির প্রার্থী অভিজিত দাস (ববি) বলেন, মোট আটটি বাড়িতে এমন ঘটনা ঘটেছে। ৬টি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা নির্বাচন কমিশন অভিযোগ জানিয়েছি। এরপর এছাড়াও তিনি চাঁচাছোলা ভাষায় বলেন, ডায়মন্ড হারবারের (South 24 Parganas) বুক থেকে ভাইরাসকে হটাতে হবে। এখানে যে যেই দল করুক তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে দিতে হবে। এসব সন্ত্রাস আমরা মেনে নেব না। স্থানীয় তৃণমূল নেতা পিন্টু সর্দার বলেন, এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল জড়িত নই। বিরোধীরা মিথ্যা অভিযোগ করে রাজনৈতিক ফয়দা তোলার চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lakshadweep Tourism: দ্রুত গতিসম্পন্ন ফেরি পরিষেবা চালু লাক্ষাদ্বীপ-ম্যাঙ্গালোরের মধ্যে, সময় বাঁচবে ৫ ঘণ্টা

    Lakshadweep Tourism: দ্রুত গতিসম্পন্ন ফেরি পরিষেবা চালু লাক্ষাদ্বীপ-ম্যাঙ্গালোরের মধ্যে, সময় বাঁচবে ৫ ঘণ্টা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্রুত গতির ফেরি পরিষেবা চালু হল লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep Tourism) এবং ম্যাঙ্গালোরের মধ্যে। এই ফেরি পরিষেবার পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘পাড়ালি’। পরিষেবা চালুর ফলে যাত্রী এবং পর্যটকদের সময় অনেকটাই বাঁচবে। যাতায়াতের সময় কমবে পাঁচ ঘন্টা। ৩ মে শুক্রবারই নতুন ফেরি পরিষেবার উদ্বোধন হয়। ১৬০ জন যাত্রীকে নিয়ে লাক্ষাদ্বীপ থেকে ম্যাঙ্গালোরের উদ্দেশে পাড়ি দেয় পাড়ালি। পৌঁছে যায় মাত্র সাত ঘণ্টায়। সাধারণভাবে আগে এই যাত্রাপথে সময় লাগত প্রায় ১৩ ঘণ্টার কাছাকাছি। পরিষেবা চালু হতে শুক্রবারই যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    ‘দ্য লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’ 

    প্রসঙ্গত মোদি সরকার লাক্ষাদ্বীপকে (Lakshadweep Tourism) পর্যটনে ঢেলে সাজিয়েছে। কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের অধীনে তৈরি করা হয়েছে ‘দ্য লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’ এই সংস্থার উদ্যোগেই ম্যাঙ্গালোর থেকে লাক্ষাদ্বীপ পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য জলপথে ফেরি সার্ভিস চালু হল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাক্ষাদ্বীপ পরিভ্রমণ করেন চলতি বছরের শুরুতেই। তারপর থেকেই সেখানকার প্রশাসন ঢেলে সাজিয়েছে ভারতের এই দ্বীপের পর্যটন ব্যবস্থাকে। মূল ভূখণ্ড কোচি এবং বেঙ্গালুরর সঙ্গে লাক্ষাদ্বীপকে জুড়তে নানা রকমের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হল এই দ্রুতগতির ফেরি সার্ভিস চালু। প্রসঙ্গত পর্যটন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে, পশ্চিমঘাটে ইকো ট্যুরিজম, শিক্ষামূলক ভ্রমণ, স্বাস্থ্য বিষয়ক ভ্রমণ ইত্যাদি।

    আরও পড়ুন: “যোগ্য অযোগ্য বাছাই সম্ভব”, শীর্ষ আদালতে জানাল কমিশন, নজর সোমবারের শুনানিতে

    ৩৬ দ্বীপের সমাহার লাক্ষাদ্বীপ 

    ৩৬ দ্বীপের সমাহার হল লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep Tourism)। ৩২ বর্গ কিলোমিটারের জুড়ে অবস্থান করছে এই দ্বীপগুলি। এর আশেপাশের সমুদ্র সীমা হল ৪,২০০ বর্গ কিলোমিটার। প্রকৃতিপ্রেমিক, অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় মানুষদের জন্য লাক্ষাদ্বীপ প্রতিনিয়তই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। লাক্ষাদ্বীপে মিলছে নানারকমের পর্যটনের সুবিধাও। ভ্রমণকারীর এখানে স্কুবা ডাইভিং সমেত অন্যান্য ওয়াটার স্পোর্টসেরও সুবিধা পাবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “তৃণমূল নেতার নির্দেশে বাড়িতে মজুত বোমা তৈরির মশলা-আগ্নেয়াস্ত্র”, জানালো ধৃত দুষ্কৃতী

    Birbhum: “তৃণমূল নেতার নির্দেশে বাড়িতে মজুত বোমা তৈরির মশলা-আগ্নেয়াস্ত্র”, জানালো ধৃত দুষ্কৃতী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করার ঘটনা নতুন নয়। শাসক দলের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ বার বার করে বিরোধীরা। ভোটের আগে তৃণমূল নেতাদের নির্দেশে বীরভূমে (Birbhum) বোমা তৈরির মশলা মজুত করার ঘটনা সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।

    তৃণমূল নেতার নির্দেশে বাড়িতে বোমা তৈরির মশলা-আগ্নেয়াস্ত্র মজুত! (Birbhum)

    ভোটের আগেই বীরভূমের (Birbhum) সদাইপুর থানার সাহাপুর গ্রামে একটি বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে সদাইপুর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ শেখ সবুর নামে এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে। তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা তৈরির মশলা বাজেয়াপ্ত করা হয়। জানা গিয়েছে,  পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় ওই দুষ্কৃতীর ‘ডেরায়’। তার বাড়ির গোপন জায়গা থেকে উদ্ধার হয় স্থানীয় তৈরি এক নলা বন্দুক (পাইপ গান), এক রাউন্ড গুলি ও বোমা তৈরির মশলা। আর পুলিশের হাতে গ্রেফতার হতেই সে বলল, “তৃণমূল নেতাদের নির্দেশে বাড়িতে বোমা তৈরির মশলা ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করেছিলাম।” এমনকী কোন তৃণমূল নেতার নির্দেশে  সে বোমা মজুত করেছিল পুলিশের কাছে তার নামও সে করে দেয়। সে বলে, “স্থানীয় তৃণমূল নেতা আতাই ও স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা ও তাঁর সঙ্গী রাকিবুল আমাকে বাড়িতে মালগুলি রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। তাই, আমি রেখেছিলাম।”

    আরও পড়ুন: অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, বীরভূমে যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকে নম্বরও সমান

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য বিকাশ রায়চৌধুরী বলেন, “আমি এই কথা প্রথম শুনলাম। বোমা-বারুদ অস্ত্র নিয়ে যাঁরা খেলছে পুলিশ তাঁদের নিয়ে ধরছে। তদন্ত করবে। কেউ যদি সত্যিই এমন করে থাকে তাহলে সে শাস্তি পাবে। এসবের সঙ্গে তৃণমূল নেই।” বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, সন্ত্রাস করবে বলেই ভোটের আগেই বোমা তৈরির মশলা মজুত করেছে তৃণমূল, এবার তা প্রমাণ হয়ে গেল। যে তৃণমূল নেতার নির্দেশে বোমা মজুত করা হয়েছিল, আমরা তাদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Laughter Day 2024: আজ ‘বিশ্ব হাসি দিবস’! জেনে নিন হাসির সুফলগুলি

    World Laughter Day 2024: আজ ‘বিশ্ব হাসি দিবস’! জেনে নিন হাসির সুফলগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কত রকমের হাসি আছে! কেউ হাসে হি হি করে, কেউ বা হা হা করে। কেউ হো হো করে। হাসির কবিতা, নাটক গল্প সবকিছু স্থান পেয়েছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সাহিত্যে। সুকুমার রায়ের আবোল-তাবোল পড়লে তো পেটে হাত দিয়ে হাসতে হয়। যোগাসন বা যে কোনও থেরাপির অন্যতম উপাদান হল হাসি। প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন একদল লোক যোগাসন করছে, আর হো হো করে হাসছে। আসলে হাসলে শরীর-মন সুস্থ থাকে, কাজে আগ্রহ, একাগ্রতা বাড়ে।

    ‘বিশ্ব হাসি দিবস’ (World Laughter Day 2024)

    প্রতিবছর মে মাসের প্রথম রবিবার পৃথিবীব্যাপী পালিত হয় ‘বিশ্ব হাসি দিবস’ (World Laughter Day 2024)। চলতি বছরে আজ সেই দিন, অর্থাৎ ৫ মে। এই দিনটির তাৎপর্য হল বিশ্বজুড়ে সচেতনতা ছড়ানো হাসির সুফল নিয়ে, এর পাশাপাশি এই দিনে সচেতনতা ছড়ানো হয়, খুশি থাকলে মানুষের রোগ অনেক গুণে কমে যায়, অথবা রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়। বিশ্ব হাসি দিবস চালু হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। এর নেপথ্যে ছিলেন ডঃ মদন কাটারিয়া, যিনি ছিলেন বিশ্বব্যাপী ‘হাসি-যোগা আন্দোলনে’র অন্যতম উদ্যোক্তা। ‘বিশ্ব হাসি দিবসে’র (World Laughter Day 2024) অন্যতম লক্ষ্য হল, পৃথিবীব্যাপী সংস্কৃতিভেদে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক ও বন্ধুত্ব স্থাপন। এই দিনটিতে প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় দেখানো হয় যে হাসলে চাপমুক্ত হওয়া যায়, টেনশন কমানো যায় এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপক উন্নতি ঘটে।

    হাসির (World Laughter Day 2024) সুফলগুলি কী কী

    – কাজে দক্ষতা বাড়ে:  একজন মানুষ যখন সারাক্ষণ হাসিখুশিতে থাকেন তখন সাধারণভাবে প্রতিটা কাজেই তিনি উৎসাহ পান। একাগ্রতার সঙ্গে সেই কাজটি সম্পন্ন করতে পারেন। যার ফলে কাজের দক্ষতা আপনাআপনি বেড়ে যায়। বিশ্বব্যাপী অনেক সংস্থা রয়েছে যারা তাদের কর্মচারীদের মধ্যে প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে হাসির অনুশীলন করায়।

    – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী: বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসলে স্ট্রেস ব্যাপকভাবে কমে যায় এবং হাসি (World Laughter Day 2024) সাহায্য করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে। এর ফলে কোনও মানুষের রোগ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

    – হাসলে বিভিন্ন হ্যাপি হরমোন নিঃসৃত হয়: বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসলে এন্ড্রোফিন হরমোন ভালোমতো নিঃসৃত হয় এবং এর পাশাপাশি স্ট্রেস হরমোন যেমন অ্যাড্রিনালিন কমতে থাকে। হাসি, ক্যালরি পোড়াতেও সাহায্য করে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    – মন এবং শরীরে পরিবর্তন আনে হাসি: হাসি মানুষকে তৃপ্তি দেয় এবং এই অনুভূতি যে কোনও কাজে আগ্রহ বাড়ায়। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোনও সমস্যাকেও সমাধান করতে পারে হাসি। হাসলে ডিপ্রেশন, উদ্বেগ কমে যায় এবং এটি যে কোনও মানুষকে সবকিছুতে ইতিবাচক করে তোলে। এর প্রভাব দেখা যায় শরীরেও। 

    – হাসলে জীবন অনেক সহজ সরল হয়ে যায়: বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনি যত বেশি হাসবেন তত আপনার জীবনের সমস্যাগুলি কমতে শুরু করবে। খুব তাড়াতাড়ি ইতিবাচক মানসিকতায় সেগুলিকে সমাধান করে ফেলবেন। হাসি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং জীবনকে সহজ সরল করে তুলবে।

    – হাসি মুড ভালো রাখে: হাসি সব সময় আপনার মুড ভালো রাখবে এবং যেকোনও রকমের অস্বস্তি শরীর এবং মনে আসতে দেবে না।

    – যে কোনও অনুভূতির ভারসাম্য বজায় থাকে: হাসলে আপনার মন সব সময় আশাবাদী থাকবে। আপনি ইতিবাচক হবেন। আপনার একাগ্রতা বাড়বে। মনে এক গভীর শান্তি অনুভব করবেন। তৃপ্তি পাবেন। যার ফলে আপনাকে যে কোনও রকমের খারাপ অনুভূতি বিব্রত করতে পারবেনা।

    – হাসি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলে:  যে কোন মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হাসির বিকল্প নেই। হাসিখুশিতে থেকে কথাবার্তা বললে সামনের জন সহজেই আপনার প্রতি ইমপ্রেস হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: রাজ্যে তৃতীয় দফা নির্বাচনে ফের প্রচারে ঝড় তুলতে আসছেন অমিত শাহ

    Lok Sabha Election 2024: রাজ্যে তৃতীয় দফা নির্বাচনে ফের প্রচারে ঝড় তুলতে আসছেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ফের লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে আসছেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা অমিত শাহ। এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের আসনে আগামী ৫ মে রাজ্যে এসে প্রথমে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন। এরপরের দিন ৬ তারিখ সোমবার এই কেন্দ্রে সভা করবেন। তবে ওই দিন কৃষ্ণনগরে রানিমা অমৃতা রায়ের সমর্থনে রোড শো করবেন বলে জানা গিয়েছে। ভোট প্রচারে বিজেপি ব্যাপক তৎপর। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে একাধিকবার তৃণমূল শাসনের দুর্নীতি এবং সন্দেশখালি ইস্যুতে তোপ দেগেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। 

    বর্ধমানে সভা করবেন অমিত শাহ (Lok Sabha Election 2024)

    গতকাল শুক্রবার বর্ধমানে রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সমর্থনে নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) প্রচার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, “বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে জয়ী করুন। তাঁকে একটা ভোট মানে হল মোদিকে ভোট দেওয়া।” এবার মোদির সভার পরেই আবার অমিত শাহের সভা। ফলে এই কেন্দ্রকে হাত ছাড়া করতে নারাজ বিজেপি। রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভাকে ঘিরে যে সাধারণ মানুষের মনে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে সেই বিষয়ে বিজেপি জয় নিশ্চিত মনে করছে।

    আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুকে সঙ্গে নিয়ে তমলুকে মনোনয়ন জমা করলেন অভিজিৎ, জনজোয়ারে ভাসল গোটা শহর

    কৃষ্ণনগরে রোড শো করবেন অমিত শাহ

    একই ভাবে গতকাল নদিয়ায় (Lok Sabha Election 2024) সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়ের জন্য মানুষের কাছে ভোট চান। কিন্তু মাত্র তিন দিন পরেই আবার কৃষ্ণনগরে যাচ্ছেন অমিত শাহ। বাংলার কোনও আসন যে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ নয়, এমনটা কেন্দ্রীয় নেতার মনে করেন না। তাই প্রত্যকে দফা নির্বাচনের আগে প্রচারে নেমে পড়েছেন মোদি, অমিত শাহ। আগামী ১০ মে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফের রাজ্যে আসবেন। তিনি রানাঘাট, বীরভূম, এবং হাওড়ায় সভা-রোড শো করবেন বলে জানা গিয়েছে। বাংলা থেকে বেশি সংখ্যায় আসনে যাতে বিজেপি জয়ী হয় সেই বিষয়কে মাথায় রেখে নির্বাচনী প্রচারে ভোটারদের মন জয় করতে ব্যাপক প্রস্তুতি লক্ষ্য করা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: শুভেন্দুকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা করলেন অভিজিৎ, জনজোয়ারে ভাসল তমলুক

    Abhijit Ganguly: শুভেন্দুকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা করলেন অভিজিৎ, জনজোয়ারে ভাসল তমলুক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) মনোনয়নে জনজোয়ারে ভাসল গোটা শহর। তমলুকের রাজ ময়দান থেকে হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত তিন কিলোমিটারের পদযাত্রা করতে দেখা গিয়েছে বিজেপি কর্মী সমর্থদের। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য, ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্দা। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে মনোনয়ন দাখিল করলেন এই বিজেপি প্রার্থী।

    কী বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)?

    মনোনয়ন জমা করতে গিয়ে অভিজিৎবাবু (Abhijit Ganguly) বলেন, “অসম্ভব একটা জনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, একটা স্রোত তৈরি হয়েছে। এই স্রোতে তৃণমূলকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। মানুষ ৩৪ বছর যে ভুল করেছেন সেই ভুল আর করবেন না। মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন।” অপর দিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সকল ভোটারদের কাছে বিজেপির জন্য ভোট চাইলেন। সন্দেশখালির অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষকে ভোট প্রদানের জন্য আহ্বান জানালেন। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে বিজেপির জন্য ভোটারদের কাছে ভোট প্রদানের জন্য আবেদন করলেন। 

    বিজেপির দাবি

    তমলুক জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, লোকসভার ভোটে দুই লক্ষের বেশি ভোটে অভিজিৎবাবুর (Abhijit Ganguly) জয় নিশ্চিত হবে। এই রাজ্যে বিজেপি জয়ী হলে শিল্পায়ন হবে। রাজ্যে মানুষের কর্ম সংস্থান হবে। গোটা তমলুক শহর এখন গেরুয়া হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল এখন বামেদের অক্সিজেন দিচ্ছে। বিজেপির ভোট কাটতে সিপিএমকে কাজে লাগানো হচ্ছে। ২৫ মে ষষ্ঠ দফা নির্বাচনে ভোট হবে এই কেন্দ্রে।”

    আরও পড়ুনঃটেস্টে খারাপ ফলে বকা খেয়েছিল শিক্ষকের, মনের জেদেই দশম স্থানে নীলাঙ্কন

    তৃণমূল দুষ্কৃতীদের আক্রমণ

    প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) মনোনয়নকে ঘিরে ব্যাপক তুলকালাম বাধে আজ তমলুকে। ইতিমধ্যে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিকাণ্ডে তৃণমূল সমর্থিত চাকরি হারাদের একাংশ মঞ্চ করে ধরনা প্রদর্শন চলছিল শহরে। আজ বিজেপি প্রার্থী মনোনয়ন দিতে গেলে তৃণমূল সমর্থকেরা এই মঞ্চ থেকে চোর চোর শ্লোগান দেয় এবং সেই সঙ্গে জুতো দেখায়। এই ঘটনার প্রতিবাদে পাল্টা বিজেপি কর্মীরাও চোর চোর স্লোগান দেয়। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে হয় বচসা। এরপর মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে। বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের চাকরি চোরেরা এই গোলমালের পিছন থেকে মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অপচেষ্টা করেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC: “যোগ্য অযোগ্য বাছাই সম্ভব”, শীর্ষ আদালতে জানাল কমিশন, নজর সোমবারের শুনানিতে

    SSC: “যোগ্য অযোগ্য বাছাই সম্ভব”, শীর্ষ আদালতে জানাল কমিশন, নজর সোমবারের শুনানিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  এসএসসি’র (SSC) বক্তব্যে চাকরি হারাদের মধ্যে ফুটল আশার আলো। একই সঙ্গে তৈরি হল বিতর্ক। এসএসসি’র বক্তব্য, “অভিযোগহীন চাকরি প্রার্থীদের চিহ্নিত করা সম্ভব।”

    যোগ্য অযোগ্য বাছাই সম্ভব?

    সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় অভিযোগহীন শিক্ষকদের তালিকা দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন কমিশনের (SSC) সভাপতি সিদ্ধার্থ মজুমদার। তবে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা কমিশন আদালতে জমা দিবে কি না সেই প্রশ্ন আপাতত এড়িয়ে গিয়েছেন সিদ্ধার্থ বাবু। কমিশনের অবস্থান সুপ্রিম কোর্টের (SC) কতটা গ্রহণযোগ্য হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে আন্দোলনকারীদের মনে। একই সঙ্গে সিদ্ধার্থ বাবুর বক্তব্যে এই প্রশ্ন উঠেছে যে যদি কমিশনের কাছে অভিযোগহীন শিক্ষকদের তালিকা থাকে অর্থাৎ কমিশন যদি যোগ্য এববগ অযোগ্য শিক্ষক বাছাই করতে সক্ষম হয় তাহলে এতদিন সে বিষয়ে কেন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি কেন? এমনকি সেই তালিকা কলকাতা হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয়নি কেন?

    কমিশনের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত শুক্রবার চাকরিহারা শিক্ষকরা এসএসসি দফতরের (Acharya sadan) সামনে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় চাকরিপ্রার্থীদের। কমিশনের দপ্তরের সামনে তুমুল বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এদিনই কমিশনের দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সিদ্ধার্থবাবু বলেন, “আদালতে (Calcutta Highcourt) সাম্প্রতিক একটা রায়কে কেন্দ্র করে এসএসসি দফতরের সামনে একটা বড় জমায়েত হয়েছে। ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করেছে আদালত। তাদের একটা অংশ যাদের সম্পর্কে কোন অভিযোগ নেই তাঁরা আজ জমায়েত হয়েছেন এবং আমার সঙ্গে ওদের আলোচনা হয়েছে। আমি তাঁদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছি। যারা যোগ্য তাদের পাশে রয়েছে কমিশন (Recruitment Scam)।”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাকরির প্রতিশ্রুতি

    প্রসঙ্গত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সকলের জন্য চাকরি তৈরি রয়েছে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন ২ লক্ষ চাকরি তৈরি রয়েছে। একইসঙ্গে প্যানেল বাতিলের জন্য আদালত ও বিজেপিকে (BJP) দায়ী করেছিলেন তিনি। কিন্তু ওএমআর শিট কেন খোয়া গেল এনিয়ে কমিশন কিংবা মুখ্যমন্ত্রী কেউ রা কাটেনি। কমিশনের সভাপতি দাবি করেন, তাঁরা সুপ্রিমকোর্টকে আশ্বস্ত করতে একটি তালিকা প্রকাশ করবেন। যেই তালিকাতে যোগ্য ও অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব (Recruitment Scam)। কিন্তু সেই যোগ্য অযোগ্য বিচারের ক্ষেত্রে কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এবং এই বাছাই পর্ব কিভাবে করা হবে সে বিষয়ে কমিশনের তরফে কিন্তু কোন উত্তর মেলেনি।

    প্রকাশিত হল মেডিক্যালে প্রবেশিকা পরীক্ষার নির্দেশিকা, পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে কী কী মাথায় রাখতে হবে ?

    বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের প্রতিক্রিয়া

    এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন আন্দোলনকারীদের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর প্রশ্ন, “ওদের কাছে যদি যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা থাকে, তাহলে কলকাতা হাইকোর্টে কেন ওরা জমা দেয়নি। সেই তালিকা ডিভিশন বেঞ্চ বারংবার জমা দিতে বলেছিল। অযোগ্যদের রক্ষা করতে গিয়ে যোগ্যদের বিপদের মুখে ঠেলেছে রাজ্য সরকার (Recruitment Scam)। এখন বিপদ বুঝে একটা তালিকা দেওয়ার কথা বলছেন” মন্তব্য আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের। প্রসঙ্গত শীর্ষ আদালত জানতে চেয়েছিল যেহেতু ওএমআর শিট নষ্ট হয়ে গেছে তাই কী উপায়ে যোগ্য ও অযোগ্যদের বাছাই করা সম্ভব।  আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি রয়েছে। সেদিন আদালতে কী বক্তব্য পেশ করে কমিশন সেদিকেই তাকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “পাকিস্তান চায় রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন”, তোপ মোদির

    PM Modi: “পাকিস্তান চায় রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শান্তির আশায় পাকিস্তানকে প্রেমপত্র পাঠাত কংগ্রেস। কিন্তু সেই সব চিঠির প্রেক্ষিতে আরও বেশি করে জঙ্গি পাঠাত ভারতের প্রতিবেশী দেশটি।” শনিবার ঝাড়খণ্ডের পালামৌয়ের নির্বাচনী জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার গঠিত হওয়ার পর সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে পাকিস্তানের প্রতি যে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী বদলেছে, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর মোক্ষম বাণ (PM Modi)

    এর পরেই মোক্ষম বাণটি নিক্ষেপ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “এই লোকসভা নির্বাচনে জিতে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে আশা করছেন পাকিস্তানি নেতারা। এক সময় নিরীহ পর্যটককে খুন করত সন্ত্রাসবাদীরা। তার পরেও সরকার পাকিস্তানকে প্রায়ই প্রেমপত্র পাঠাত। তার প্রেক্ষিতে পাকিস্তান আরও বেশি করে জঙ্গি পাঠাত। কিন্তু আপনাদের মূল্যবান একটি ভোটের শক্তিতে আমি বললাম, ঢের হয়েছে। আজকের নয়া ভারত আর কোনও দলিল পাঠাবে না পাকিস্তানকে। এই হল নয়া ভারত – ‘ঘর মে ঘুষ কে মারতা হ্যায়’ (ঘরে ঢুকে গিয়ে মারছে)।” তিনি (PM Modi) বলেন, “একটা সময় ছিল যখন বিহার ও ঝাড়খণ্ডের লোকজন আমাদের দেশকে রক্ষা করতে যেতেন। সীমান্তে তাঁরা দেশের জন্য প্রাণ দিতেন। এ ছবি প্রায় প্রতি মাসেরই ছিল। কংগ্রেসের ভীরু সরকার গোটা বিশ্বে এনিয়ে কান্নাকাটি করত।”

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে কানাডায় ধৃত ৩ শিখ, নেপথ্যে বিষ্ণোই গ্যাং?

    দুই স্ট্রাইকের ‘গল্প’

    প্রধানমন্ত্রীর এদিনের বক্তৃতায় অনিবার্যভাবে উঠে আসে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোট স্ট্রাইকের প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোট স্ট্রাইক পাকিস্তানকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এখন পাকিস্তান বিশ্বের দরবারে গিয়ে কাঁদছে আর বলছে, বাঁচাও, বাঁচাও। তাই পাকিস্তানের নেতারা প্রার্থনা করছেন যাতে কংগ্রেসের শাহাজাদা প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। কিন্তু শক্তিশালী ভারত এখন একটা শক্তিশালী সরকার চায়।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের মন্ত্রী ফুয়াদ চৌধুরী রাহুল গান্ধীর প্রশংসা করছেন এই বলে যে তাঁর মধ্যে সোশ্যালিস্টিক ইডিওলজি রয়েছে।” এদিনের জনসভায় ফুয়াদের এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে যে নকশালবাদ, সন্ত্রাসবাদের অবসান হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে রদ হয়েছে ৩৭০ ধারা, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Candidate: তৃতীয় দফা ভোটের আগে সাত বিজেপি প্রার্থী পাচ্ছেন এক্স ক্যাটাগরি নিরাপত্তা

    BJP Candidate: তৃতীয় দফা ভোটের আগে সাত বিজেপি প্রার্থী পাচ্ছেন এক্স ক্যাটাগরি নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম, দ্বিতীয় দফার পর এবার তৃতীয় দফার ভোটের জন্য সেজে উঠছে গোটা দেশ। ভোটের তাপে ফুটছে বাংলাও। ৭ মে ভোট রয়েছে জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণে। তৃতীয় দফা ভোটের আগে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্য সফর করে গিয়েছেন। তবে, তৃতীয় দফায় যে সব এলাকায় ভোট রয়েছে, আগেই প্রধানমন্ত্রী সভা করে গিয়েছেন। ভোটের এই আবহের মধ্যে এবার আরও সাতজন বিজেপি প্রার্থীর (BJP Candidate) নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    তালিকায় বিজেপির কোন কোন প্রার্থী রয়েছেন? (BJP Candidate)

    রাজ্যে বিজেপির প্রার্থী (BJP Candidate) পদ ঘোষণা হওয়ার পর পরই সন্দেশখালির রেখা পাত্রের পাশাপাশি বহরমপুরের নির্মল সাহা, মথুরাপুরের অশোক পুরকাইত, জয়নগরের অশোক কান্ডারী, রায়গঞ্জের কার্তিক পাল, ঝাড়গ্রামের প্রনথ টুডু-র কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল। সন্দেশখালির রেখা পাত্র প্রচারে গিয়ে তৃণমূলের হামলার মুখে পড়েছিলেন। তাঁর গাড়িতেও হামলা হয়েছিল। ঘটনাচক্রে রেখা পাত্র আক্রান্ত হওয়ার পর পরই তাঁর নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। ফলে, ভোট যত এগিয়ে আসছে তৃণমূলের সন্ত্রাসও চারিদিকে বাড়ছে। ফলে, প্রার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই আরও সাতজন প্রার্থীর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভোটের সুরক্ষায় মাঠে নেমে পড়েছে আধা সেনা। দিকে দিকে চলছে টহল। এদিকে শেষবেলার প্রচারে ঝাঁপিয়েছে শাসক বিরোধী সব রাজনৈতিক দলই। এবার আরও সাতজন প্রার্থীর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, তালিকায় নাম রয়েছে, বোলপুরের পিয়া সাহা, আরামবাগের অরূপ দিগার, উলুবেড়িয়ার অরুণ উদয় পাল চৌধুরী, দমদমের শীলভদ্র দত্ত, কৃষ্ণনগরের অমৃতা রায়, দক্ষিণ কলকাতার দেবশ্রী চৌধুরী এবং উত্তর কলকাতার বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়। এক্স ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হবে এই প্রার্থীদের। জানা যাচ্ছে, পাঁচ জন করে সিআইএসএফ জওয়ানরা ঘিরে থাকবেন বিজেপি প্রার্থীদের। শনিবার থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার কথা রয়েছে বিজেপির সাত প্রার্থীর।  

    আরও পড়ুন: অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, বীরভূমে যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকে নম্বরও সমান

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share