Tag: bangla news

bangla news

  • Lawrence Bishnoi: নিজ্জর খুনে কানাডায় ধৃত ৩ শিখ, নেপথ্যে বিষ্ণোই গ্যাং?

    Lawrence Bishnoi: নিজ্জর খুনে কানাডায় ধৃত ৩ শিখ, নেপথ্যে বিষ্ণোই গ্যাং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে নয়া মোড়। তিনজনকে গ্রেফতার করল কানাডার পুলিশ। ধৃতদের নাম কমলপ্রীত সিং, করণপ্রীত সিং এবং করণ ব্রার। উল্লেখ্য যে, নিজ্জর নিজেও (Lawrence Bishnoi) শিখ সম্প্রদায়ের। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারাও শিখ। জানা গিয়েছে, ধৃতেরা গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত। এনআইএ জানিয়েছে, লরেন্স বিষ্ণোই, গোল্ডি ব্রার ও আরও কিছু গ্যংস্টারের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে বব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনালের।

    বিষ্ণোই এবং ব্রারের যোগ! (Lawrence Bishnoi)

    খালিস্তানপন্থী আরও কয়েকটি জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গেও যোগ রয়েছে বিষ্ণোই এবং ব্রারের। শিখ সম্প্রদায়ের তিনজন গ্রেফতার হওয়ায় এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, নিজ্জর খুন আসলে খালিস্তানপন্থীদের উপদলীয় কোন্দল। অথচ, নিজ্জর খুনে সংসদে দাঁড়িয়ে কোনও প্রমাণ ছাড়াই খোদ কানাডার প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো বলেছিলেন, এই ঘটনায় ভারতের হাত রয়েছে। জানা গিয়েছে, তদন্তকারীরা অভিযুক্তদের চিহ্নিত (Lawrence Bishnoi) করার পর তাঁদের ওপর কড়া নজর রাখছিলেন। শেষমেশ শুক্রবার গ্রেফতার করা হয় তাদের। পুলিশ জানিয়েছে, হিট স্কোয়াডের এই সদস্যরা অন্তত তিনটি খুনের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে এডমন্টন নামে বছর এগারোর এক বালকও রয়েছে। নির্জ্জর খুনে আদালতে ধৃতদের বিরুদ্ধে ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার এবং ষড়যন্ত্রের চার্জ জমা দিয়েছে পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: হামিদা বানুর লড়াইকে কুর্নিশ গুগল ডুডুলের, চেনেন এই মহিয়সীকে?

    স্টুডেন্ট ভিসায় ধৃতেরা কানাডায় 

    ধৃতেরা তিনজনই ভারতীয় নাগরিক। ২০২১ সালে তারা কানাডায় গিয়েছিল। এদের মধ্যে কেউ কেউ আবার স্টুডেন্ট ভিসায় সে দেশে গিয়েছিল। যদিও কানাডায় পৌঁছে তারা আর কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়নি। সে দেশের স্থায়ী বাসিন্দাও হয়নি। গত বছর ১৮ জুন খুন হন নিজ্জর। গুরু নানক শিখ গুরুদ্বার সাহিবের প্রধান ছিলেন তিনি। ভারতে তিনি ছিলেন মোস্ট ওয়ান্টেড খালিস্তানি জঙ্গি। কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশের সারে এলাকায় খুন হন তিনি। এই ঘটনার তিন মাস পরে ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন ট্রুডো। যার জেরে তলানিতে ঠেকে দুই দেশের সম্পর্ক। যদিও ভারত সরকার প্রথম থেকেই দাবি করে আসছিল এই ঘটনায় নয়াদিল্লির কোনও হাত নেই। এর পাশাপাশি সে দেশে বেড়ে চলা ভারত-বিরোধী আন্দোলনে রাশ টানতেও কানাডা প্রশাসনকে বলেছিল ভারত (Lawrence Bishnoi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: শাহের ভুয়ো ভিডিও-কাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার আরও ১, ধৃত কংগ্রেস নেতা

    Amit Shah: শাহের ভুয়ো ভিডিও-কাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার আরও ১, ধৃত কংগ্রেস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) নিয়ে ভুয়ো ভিডিও ছড়ানো মামলায় কংগ্রেস নেতা অরুণ রেড্ডিকে (Arun Reddy) গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৩ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত। জানা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে তাঁকে জেরা করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। এই ভুয়ো ভিডিও (Fake Video) বানাতে তাঁকে আর কারা সাহায্য করেছিল সেটা জানার চেষ্টা করছে দিল্লি পুলিশ।

    কেন গ্রেফতার

    সূত্রের খবর, ধৃত ব্যক্তি সমাজমাধ্যমে কংগ্রেসের সমর্থনে একটি পেজ চালান। তাঁর পেজের নাম ‘স্পিরিট অফ কংগ্রেস’। ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। জানা যাচ্ছে, কয়েকদিন আগে একটি জনসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) সংরক্ষণ নিয়ে একটি বক্তব্য পেশ করেছিলেন। সেই বক্তব্যকে বিকৃত করার অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। সেই নিয়ে দিল্লি পুলিশে এফআইআর দায়ের করা হলে শুরু হয় তদন্ত। সেই মামলাতেই গ্রেফতার হন অখিল ভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সোশ্যাল মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর অরুণ রেড্ডি।

    বিতর্কের সূত্র

    সমাজমাধ্যমে শাহের (Amit Shah) একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। সেই ভিডিয়োয় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘তফসিলি জাতি (এসসি), তফসিলি জনজাতি (এসটি) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি)-র জন্য যে সংরক্ষণ চালু আছে, তা আর আগামী দিনে থাকবে না!’’ বিরোধীরা এই ভিডিয়োকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে শুরু করে। বিজেপি পাল্টা এই ভিডিয়োর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। বিজেপি অভিযোগ করেছিল, কেউ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিডিয়ো ‘ডিপ ফেক’ প্রযুক্তিতে বিকৃত করে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়েছে। তিনি কখনওই এমন কথা বলেননি। ভিডিয়োটি ভুয়ো। 

    ‘ভুয়ো’ ভিডিয়ো (Fake Video) নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অমিত শাহও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘কংগ্রেস ভুয়ো খবর রটাচ্ছে যে, বিজেপি ৪০০-র বেশি আসন পেলে সংরক্ষণ তুলে দেবে। আমি পরিষ্কার বলে দিতে চাই যে, বিজেপি এসসি, এসটি, ওবিসিদের সংরক্ষণ দেওয়াকে সমর্থন করে এবং সর্বদা তাঁদের রক্ষক হিসাবে থাকবে আমাদের দল।” বিজেপির পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: টেস্টে খারাপ ফলে বকা খেয়েছিল শিক্ষকের, মনের জেদেই দশম স্থানে নীলাঙ্কন

    Hooghly: টেস্টে খারাপ ফলে বকা খেয়েছিল শিক্ষকের, মনের জেদেই দশম স্থানে নীলাঙ্কন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেস্ট পরীক্ষায় ভালো ফল করতে পারেনি কিন্তু নিজের কঠিন শ্রম এবং অদম্য ইচ্ছায় মাধ্যমিকে (Madhyamik Result 2024) দশমস্থান অধিকারলাভ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে হুগলি (Hooghly) জেলার মেধাবী ছাত্র। এই কৃতী ছাত্রের নাম নীলাঙ্কন। তার প্রাপ্ত নম্বর হল ৬৮৪। ব্যান্ডেলের এলিট কো এডুকেশন স্কুলের ছাত্র এই পড়ুয়া। পরিবারে খুশির আবহ। তার ইচ্ছে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে পদার্থ বিজ্ঞানে গবেষণা করবে। তবে স্কুলের টেস্ট পরীক্ষায় খুব একটা ভালো ফলাফল আসেনি। কথাও শুনতে হয়েছিল তাকে। এরপর ব্যাপক পরিশ্রম করে ৯৭.৭১ শতাংশ নম্বর নিয়ে সকলের নজর কেড়ে নিয়েছে এই পড়ুয়া।

    পদার্থ বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করতে চায় (Hooghly)

    হুগলির (Hooghly) পাণ্ডুয়া স্টেশন রোডের বাসিন্দা হল নীলাঙ্কন। তার বাবার নাম পার্থসারথি মণ্ডল এবং মা হলেন সুজাতা মণ্ডল। বাবা হলেন কালনা শ্রীশ্রী নিগমানন্দ বিদ্যামন্দিরের পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষক। মা হলেন গৃহবধূ। ছোটবেলা থেকেই গল্পের বই, গিটার বাজানোর সখ রয়েছে তার। বাংলা এবং পদার্থ বিজ্ঞান ছাড়া বাকি বিষয়ে তাঁর আলাদা আলাদা শিক্ষক ছিল তার। বাবার মতো পদার্থ বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা করতে চায় নীলাঙ্কন। পরবর্তী কালে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে গবেষক হতে চায় সে।

    আরও পড়ুনঃ এবার ডায়মন্ড হারবার ও আনন্দপুর থানার ওসিকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    টেস্টে থেকে টার্নিং পয়েন্টয়

    নীলাঙ্কন নিজের পড়াশুনা এবং সাফল্য নিয়ে জানিয়েছে, “টেস্টের আগে পড়াশুনা নিয়ে এতটা মনোযোগী ছিল না, আর তাই টেস্টের ফলাফল একদম ভালো হয়নি। কিন্তু সেখান থেকেই জীবনের টার্নিং শুরু হয়েছিল। স্কুল (Hooghly) থেকে তাকে এবং পরিবারের বাবা-মাকে ডেকে বলা হয় স্কুল তাকে নিয়ে বেশ আশাবাদী। এমন কী বকাও খেয়েছিল সে। এরপর জেদ চাপে ভালো করে পড়তে হবে। এরপর থেকে রাত জেগে পড়াশুনা শুরু করে সে। তবে এই ভাবে প্রথম দশমস্থান অধিকারী হবো তা কল্পনার বাইরে ছিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum:  অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, বীরভূমে যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকে নম্বরও সমান

    Birbhum: অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, বীরভূমে যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকে নম্বরও সমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাটের দুই যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকের ফল দেখে হতবাক হয়ে যান এলাকাবাসী। কারণ, যমজ পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর সমান। আর দু’জনের নম্বর এক হওয়ায় স্কুলের মধ্যে যুগ্মভাবে প্রথম হয়েছে তারা। এই ঘটনাই অবাক করেছে অভিভাবক, প্রতিবেশী থেকে শুরু করে স্কুল শিক্ষকদেরও। ফল বের হওয়ার পর দুই ভাইয়ের নম্বর একই হওয়ায় পাড়া প্রতিবেশী স্বচক্ষে তাদের মার্কশিট দেখতে বাড়়িতে হাজির হয়েছিলেন। অনেকে আবার দুজনের ছবিও মোবাইলবন্দি করেছেন। তবে, কোনও অঙ্কে তারা দুজনেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় এক নম্বর পেল তা তারা নিজেরাও জানে না।

    যমজদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৭ (Birbhum)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই পড়ুয়ার নাম মহম্মদ মোক্তার নাবিল এবং মহম্মদ মোক্তার জাহিন। তারা যমজ ভাই। দু’জনের জন্মের সময়ের পার্থক্য মাত্র এক মিনিটের। দুই ভাই দেখতেও হুবহু এক। রামপুরহাট (Birbhum) এক নম্বর ব্লকের কাষ্ঠগড়া রামকৃষ্ণ নেতাজি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র তারা দুজনেই। আর এই দুই ছাত্রই এবার দিয়েছিল মাধ্যমিক পরীক্ষা। ফলাফল প্রকাশ হতেই কার্যত চোখ ছানাবড়া হয়েছে অভিভাবক থেকে প্রতিবেশীদের। কারণ, জমজ এই দুই ভাইয়ের ঝুলিতে এসেছে যমজ নম্বর। তাদের দু’জনেরই মোট প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৭। দুই যমজ ভাইয়ের বক্তব্য, আমরা একসঙ্গে নিময় মেনে পড়াশুনা করতাম এমন নয়। তবে, দুজনেই যতটুকু পড়তাম মন দিয়ে পড়তাম। আমরা ভাল ফল করার আশা করেছিলাম। তবে, দুই ভাই একই নম্বর পাব তা আশা করিনি। আমরাও অবাক হয়ে গিয়েছি।

    স্কুলের শিক্ষকরা কী বললেন?

    স্কুলের শিক্ষকদের বক্তব্য, জন্মসূত্রে তারা যমজ। এটা ওদের দুজনকে দেখলেই সবাই বলে দেবে। একসঙ্গেই বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা দুই ভাইয়ের একই স্কুলে। পড়াশুনায় দুজনেই ভাল।  যমজ হওয়ায় দুইজনের একাধিক মিল রয়েছে। দুজনে ভাল ফল করবে তা আমরা আশা করেছিলাম। তবে, দুজনেই যে একই নম্বর পাবে আমরা ভাবতে পারছি না। এটা আমাদের সকলকে অবাক করেছে।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: “শীর্ষ পদে পৌঁছানোর আগে রায়বরেলিতে জিতুন”, রাহুলকে ‘পরামর্শ’ কাসপারভের

    Rahul Gandhi: “শীর্ষ পদে পৌঁছানোর আগে রায়বরেলিতে জিতুন”, রাহুলকে ‘পরামর্শ’ কাসপারভের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শীর্ষ পদে পৌঁছানোর আগে রায়বরেলি কেন্দ্র থেকে জিতুন।” এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) এমনই ‘পরামর্শ’ দিয়েছেন কিংবদন্তী সুপার গ্রান্ডমাস্টার গ্যারি কাসপারভ। পরে অবশ্য এই দাবাড়ু জানান, নিছক মজার করার উদ্দেশেই এই মন্তব্য করেছেন তিনি। একে মজা হিসেবেই দেখা উচিত।

    কী বললেন কাসপারভ? (Rahul Gandhi)

    একেবারে শেষ মুহূর্তে উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে রাহুলের নাম ঘোষণা করে কংগ্রেস। শুক্রবারই মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছেন তিনি। এদিনই রাহুলকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন দাবাখেলার প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় এক সাক্ষাৎকারে দাবা খেলার প্রতি আকর্ষণের কথা জানিয়ে কাসপারভকে প্রিয় দাবাড়ু বলে বর্ণনা করেছিলেন রাহুল (Rahul Gandhi)। দাবা ও রাজনীতির তুলনাও করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, “প্রতিপক্ষের ওপর কাসপারভ যে চাপের কৌশল প্রয়োগ করেন, তা অত্যন্ত কার্যকরী।”

    রাহুলের দাবা-প্রেম!

    দাবায় বিশ্বজয় করতে পারলেও, রাজনীতির ময়দানে চূড়ান্ত ব্যর্থ কাসপারভ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরোধিতায় আন্দোলনে নেমে গ্রেফতার হওয়ার পরে দেশ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। সম্প্রতি তাঁকে জঙ্গি তকমাও দিয়েছে পুতিনের সরকার। সেই তিনিই রাহুলকে দিয়েছেন ‘পরামর্শ’! সম্প্রতি কংগ্রেসের তরফে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। তাতে দেখা যায়, প্রচারের ফাঁকে মোবাইলে দাবা খেলছেন রাহুল। এখানে উল্লেখ করা হয় রাহুলের প্রিয় খেলা এবং প্রিয় দাবাড়ুর নাম। এই ভিডিওতে রাহুল নিজেকে রাজনীতিকদের মধ্যে সেরা দাবা খেলোয়াড় বলেও উল্লেখ করেন।

    আরও পড়ুুন: হামিদা বানুর লড়াইকে কুর্নিশ গুগল ডুডুলের, চেনেন এই মহিয়সীকে?

    রাহুল দাবা ও রাজনীতিকে সমানভাবে দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। এ ব্যাপারে কাসপারভ বলেন, “গান্ধী বলেছিলেন দাবায় কেউ কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ করছে, তা ধারণা করে নেওয়া যায়। কিন্তু যদি কেউ কেন্দ্রকে না বোঝে, তাহলে সে সঠিকভাবে চাপ প্রয়োগ করতে পারে না। একইভাবে রাজনীতিতে কেউই কী করতে চলেছে, সে সম্পর্কে যদি পরিষ্কার ধারণা না থাকে, তাহলে বলা যায় তিনি কেন্দ্রকে বুঝতে পারছেন না।” প্রসঙ্গত, বয়সের কারণে এবার রায়বরেলিতে প্রার্থী হচ্ছেন না সোনিয়া গান্ধী। তাঁর বদলে প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল। এর পাশাপাশি রাহুল (Rahul Gandhi) প্রার্থী হয়েছেন কেরলের ওয়েনাড়েও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: দফার সঙ্গে বাড়বে বাহিনীর সংখ্যা, পঞ্চম দফায় ৭৫০ কোম্পানি

    Loksabha Election 2024: দফার সঙ্গে বাড়বে বাহিনীর সংখ্যা, পঞ্চম দফায় ৭৫০ কোম্পানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন (Loksabha Election 2024) দক্ষিণবঙ্গের দিকে এগোতেই বাড়তে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা। রাজ্যের তৃতীয় দফায় ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্র বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। চতুর্থ দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা কাছাকাছি ৬০০ কাছাকাছি পৌঁছতে চলেছে এমনই তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এবং পঞ্চম দফায় রাজ্যে প্রায় ৭৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পঞ্চম দফায় অন্তত ১২৬ কোম্পানি অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    তৃতীয় দফায় রাজ্যে মোতায়েন থাকবে ৩৩৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    আগামী ১৭ ই মে মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণ, জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) আসনে নির্বাচন (Loksabha Election 2024)  হবে। এই দফায় দুটি জেলাতেই প্রচুর সংখ্যায় সংবেদনশীল কেন্দ্র। প্রত্যেকটি সংবেদনশীল বুথ ধরে পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই মত বাহিনী মোতায়নের চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তৃতীয় দফায় জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হবে ৬৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ। সঙ্গে থাকবেন রাজ্য পুলিশের ২৬২৮ জন জওয়ান। কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা জুড়ে ভোটের সময় ডিউটি করবে ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় মোতায়েন হবে ১১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ৪৭২৪ জন রাজ্য পুলিশের কর্মী। অর্থাৎ তৃতীয় দফায় রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে মোট ৩৩৪ কোম্পানি ও রাজ্য পুলিশের ১৩ হাজারের পাশাপাশি আশেপাশে পুলিশ কর্মী।

    “রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল,” বীরভূমে ভোট প্রচারে বিস্ফোরক মোদি

    (Loksabha Election 2024) চতুর্থ দফায় আটটি কেন্দ্রে নির্বাচন

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে চতুর্থ দফায় (Loksabha Election 2024)  যে আটটি কেন্দ্রে নির্বাচন হবে তাতে সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে প্রথম পূর্ব বর্ধমানে। এখানে ১৫২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও বীরভূমে ১৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ঠিক পিছনেই রয়েছে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট। এখানে ৮৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। কৃষ্ণনগরে ৮১, মুর্শিদাবাদে ৭৩ ও রানাঘাটে ৫৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও সবমিলিয়ে রাজ্য পুলিশের তরফে থাকছেন ২২ হাজার ৬৭৬ জন। কুইক রেসপন্স টিম টিমের সংখ্যা থাকবে ১৫০-এর কাছাকাছি।

    ষষ্ঠ ও সপ্তম দফায় বাহিনী সংখ্যা

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগের পরিকল্পনা (Loksabha Election 2024)  অনুযায়ী ষষ্ঠ ও সপ্তম দফায় ৬৮৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার প্রস্তাব ছিল। বর্তমানে এই পরিস্থিতিতে সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ রাজ্যে যে পরিমাণ বোমা গুলি উদ্ধার হচ্ছে এবং কমিশন কমিশনের যে গোয়েন্দা রিপোর্ট এসেছে তাতে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করাতে আগেভাগে কোমর বেঁধে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: এবার ডায়মন্ড হারবার ও আনন্দপুর থানার ওসিকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: এবার ডায়মন্ড হারবার ও আনন্দপুর থানার ওসিকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে তৃতীয় দফা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) আগেই ফের ২ পুলিশ আধিকারিকের বদলি। এবার নির্বাচন কমিশন ডায়মন্ড হারবার এবং আনন্দপুর থানার ওসিকে বদল করল। গতকাল শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এক নির্দেশিকায় এই বদলির কথা জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই দুই ওসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগে বিজেপি আগেই সরব হয়েছে। তবে এই প্রথম নয় ইতিপূর্বে মুর্শিদবাদে অশান্তির ঘটনায় পুলিশ আধিকারিকে বদল করছে নির্বাচন কমিশন। আগেও একাধিক জেলার জেলা শাসককেও বদলি করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন।

    তৃণমূলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ ছিল (Lok Sabha Election 2024)!

    নির্বাচন কমিশন রাজ্য প্রশাসনের কর্তব্য বিষয়ে যথেষ্ট তৎপর। এই দুই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে পক্ষপাত দোষের অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Election 2024)  সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই পুলিশ অফিসারকে নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত নয় এমন পদে বদলি করা হবে। তাঁদের পরিবর্তে ৩ জন পুলিশ আধিকারিকের নাম রাজ্যের কাছ থেকে জানতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই ডায়মন্ড হারবার থানার ওসির নাম হল শুভাশিস ঘোষ এবং আনন্দপুর থানার ওসির নাম হল সুমন কুমার দে। বিজেপি অবশ্য আগেই তাঁদের বিরুদ্ধে কমিশনের কাছে তৃণমূলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ জানিয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ প্রকাশ্যে “হিন্দু বিরোধী” মন্তব্য হুমায়ুনের, শক্তিপুর থানায় এফআইআর বিজেপির

    কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ

    উল্লেখ্য এই সপ্তাহেই আনন্দপুর থানা এলাকায় বিজেপির মহিলা বুথ সভাপতিকে ব্যাপক মারধর করেছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এলাকায় বিজেপির পতাকা লাগানোকে ঘিরে তৃণমূলের বেশ কিছু গুন্ডা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে ওঁই মহিলাকে। এরপর মহিলা কর্মীর মাথা ফেটে প্রচুর রক্তাক্ত হয়। প্রতিবাদে দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরী, আক্রান্ত মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে আনন্দপুর থানায় অবস্থান বিক্ষোভ করেন। ওসির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন বিজেপি প্রার্থী। এরপর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ঘটনার জল গড়ায় নির্বাচন কমিশনে (Lok Sabha Election 2024)। অপর দিকে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র হল ডায়মন্ড হারবার। সেখানেও পুলিশ আধিকারিক নিরপেক্ষ নয় বলে বিজেপি অভিযোগ জানিয়েছে আগেই। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ ছিল দুই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। এই দুই কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ আগামী ১ জুন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: প্রকাশ্যে “হিন্দু বিরোধী” মন্তব্য হুমায়ুনের, শক্তিপুর থানায় এফআইআর বিজেপির

    Murshidabad: প্রকাশ্যে “হিন্দু বিরোধী” মন্তব্য হুমায়ুনের, শক্তিপুর থানায় এফআইআর বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী জনসভায় প্রকাশ্যে “হিন্দু বিরোধী” বক্তব্য রেখেছিলেন মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। সেই ভিডিও রাজ্যজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। খোদ প্রধানমন্ত্রী বঙ্গ সফরে এসে তৃণমূল বিধায়কের ওই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। এবার “হিন্দু বিদ্বেষমূলক” মন্তব্য করার অভিযোগে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল বিজেপি।

    ঠিক কী বলেছিলেন হুমায়ুন?

    পয়লা মে সন্ধ্যায় শক্তিপুরের তৃণমূলের নির্বাচী সভায় হুমায়ুন কবীরকে বলতে শোনা যায়, ‘২ ঘণ্টার মধ্যে যদি তোমাদের ভাগীরথীতে না ফেলতে পারি রাজনীতি থেকে সরে যাব। শক্তিপুর এলাকায় বসবাস করা বন্ধ করে দেব। তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছো? কিন্তু যদি ভেবে থাকো, ৩০ শতাংশ লোক মুর্শিদাবাদ জেলায় আমরা ৭০ শতাংশ। এখানে কামনগরে তোমরা বেশি আছো বলে কাজিপাড়ার মসজিদ ভাঙবে? আর বাকি এলাকায় মুসলিম ভাইয়েরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এটা কোনও দিন হবে না, বিজেপিকে আমি বলছি’।

    বাংলায় হিন্দুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক করে রেখেছে তৃণমূল

    গত ১ মে সন্ধ্যার ওই বক্তব্যকে হাতিয়ার করে শুক্রবার ভোটপ্রচারে রাজ্যে এসে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘আমি কাল টিভিতে দেখলাম, এখানে বাংলায় তৃণমূলের এক বিধায়ক প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। তিনি বলছিলেন, হিন্দুদের ২ ঘণ্টায় ভাগীরথিতে ভাসিয়ে দেব। এটা কী ধরণের ভাষা? কী ধরণের রাজনৈতিক সংস্কৃতি? হিন্দুদের ভাসিয়ে দেবে? সত্যিই, কী হাল হয়েছে! বাংলায় হিন্দুদের সঙ্গে কী হচ্ছে? মনে হচ্ছে বাংলায় হিন্দুদের তৃণমূলের সরকার দ্বিতীয় স্তরের নাগরিক করে রেখেছে’।

    হুমায়ুনের ভিডিও শেয়ার করে ট্যুইট করেছেন অমিত মালব্য

    হুমায়ুন কবীরের ভিডিও শেয়ার করে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য লেখেন, “শক্তিপুরে বুথ ওয়ার্কার সম্মেলনে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘দু’ঘণ্টার মধ্যে আমি যদি বিজেপিকে ভাগীরথী নদীতে না ফেলতে পারি, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব। আমি তোমাদের শক্তিপুর এলাকায় থাকতে দেব না (এই এলাকার বেশিরভাগ হিন্দুরাই উদ্বাস্তু। ধর্মীয় উৎপীড়ন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। মুর্শিদাবাদে হিন্দুরা হলেন সংখ্যালঘিষ্ঠ। মাত্র ২৮%। আর তাঁদের এসব কথা বলা হচ্ছে। তাহলে ভাবুন যদি গোটা বাংলায় তাঁরা সংখ্যালঘিষ্ঠ হয়ে যান, তাহলে তাঁদের সঙ্গে কী হবে। পশ্চিমবঙ্গে তোষণের রাজনীতি এখন আরও নীচে নেমে গিয়েছে। সৌজন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকদের থেকেও খারাপ দশা বাংলার হিন্দুদের। এই বিধায়ককে দল থেকে বের করে দেওয়ার সাহস কি উনি দেখাবেন? যে সকল বুদ্ধিজীবীরা নিয়মিত হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিষ ওগড়ান, তাঁরা কি এবার একটাও শব্দ বলবেন?”

    </


    >

    হুমায়ুনের নামে শক্তিপুর থানায় অভিযোগ বিজেপির

    বিজেপির তরফে অভিযোগ দায়ের করেছেন শক্তিপুরে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গোকুল বিহারী ঘোষ। অভিযোগপত্রে তিনি জানিয়েছেন, “গত ১ মে সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা নাগাদ শক্তিপুর সবজি মার্কেটে এক সভায় ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর যে বক্তব্য রেখেছেন, তাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিঘ্ন ঘটতে পারে। তিনি ২ ঘণ্টার মধ্যে হিন্দুদের ভাগীরথীতে ফেলে দেবেন বলে হুমকি দিয়েছেন। তাই অবিলম্বে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hamida Banu: হামিদা বানুর লড়াইকে কুর্নিশ গুগল ডুডুলের, চেনেন এই মহিয়সীকে?

    Hamida Banu: হামিদা বানুর লড়াইকে কুর্নিশ গুগল ডুডুলের, চেনেন এই মহিয়সীকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামিদা বানুকে (Hamida Banu) মনে আছে? মনে না থাকলেও অবশ্য ক্ষতি নেই। ভারতীয় এই মহিয়সীকে মনে করিয়ে দিচ্ছে গুগলের ডুডুল (Google Doodle)। পুরুষ-দাপিত মল্লযুদ্ধের যুগে তিনিই প্রথম ভারতীয় মহিলা, যিনি দাপিয়ে বেড়িয়েছেন চার-পাঁচের দশক। তিনি ভারতের প্রথম প্রফেশনাল মহিলা মল্লযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত। চার-পাঁচের দশকে ভারতের মতো পুরুষ-শাসিত সমাজে বেড়া ভাঙার কাজটা সহজ ছিল না। এই কঠিন কাজটাই করে দেখিয়েছেন হামিদা।

    হামিদার চ্যালেঞ্জ (Hamida Banu)

    ১৯৫৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বছর তিরিশের হামিদা (Hamida Banu) জানিয়েছিলেন, যে পুরুষ মল্লযুদ্ধে হারাতে পারবেন তাঁকে, তাঁরই গলায় বরমাল্য দেবেন তিনি। কেবল বলাই নয়, তিনি যে পুরুষের কাছেও অপরাজেয়, কাজেও তা করিয়ে দেখিয়েছিলেন হামিদা। দুই পুরুষ পদকজয়ীকে আক্ষরিক অর্থেই ধরাশায়ী করেছিলেন হামিদা। এঁদের মধ্যে একজন পাতিয়ালা থেকে, অন্যজন খাস কলকাতার। সেই বছরই ভাদোদরায় তৃতীয় ম্যাচে হামিদা লড়েছিলেন বাবা পালোয়ানের সঙ্গে। মাত্র ১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডে তাঁকেও ধরাশায়ী করেছিলেন হামিদা।

    হামিদার দৈনিক খাদ্য তালিকা (Hamida Banu)

    অন্য এক প্রতিদ্বন্দ্বী তো আবার মহিলা বলে হামিদার (Hamida Banu) সঙ্গে লড়াই করতেই চাননি! প্রায় এক দশক ধরে অপরাজেয়ই ছিলেন হামিদা। খবরের কাগজগুলো তাঁকে ‘আমাজন অফ আলিগড়’ অভিধায় ভূষিত করেছিল। ১৯৫৪ সালে হামিদা (Hamida Banu) হারিয়েছিলেন ভেরা চিস্তিলিনকে। তাঁকে বলা হত রাশিয়ার ‘মহিলা ভালুক’। সেই ভালুককেই হামিদা মাত দিয়েছিলেন এক মিনিটেরও কম সময়ে। হামিদার জয়ের কাহিনি বারংবার হেডলাইন হয়েছে খবরের কাগজগুলোতে। তাঁর উচ্চতা ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি, ওজন ১০৮ কেজি। শক্তি ধরে রাখতে প্রতিদিন ৫.৬ লিটার দুধ খেতেন তিনি। ফলের রস খেতেন ১.৮ লিটার। স্যুপ খেতেন ২.৮ লিটার।

    আরও পড়ুুন: প্রার্থী হতে পারলেও, ভোট দিতে পারবেন না বন্দিরা, কেন জানেন?

    খাসির মাংস আর আমন্ড খেতেন প্রায় এক কিলো করে। একটা করে মুরগিও খেতেন, আর খেতেন দুটো করে পাঁউরুটি। তাঁর দৈনিক খাদ্য তালিকায় ছিল ৫০০ গ্রাম বাটার, ৬টি ডিম এবং দু’প্লেট বিরিয়ানি। প্রতিদিন ঘুমোতেন ৯ ঘণ্টা করে। অনুশীলন করতেন ৬ ঘণ্টা ধরে। এই অনুশীলনই তাঁকে পৌঁছে দিয়েছিল সাফল্যের শিখরে। যে সাফল্য এবং লড়াইকে কুর্নিশ করল গুগল, ডুডুলে ছবি দিয়ে (Google Doodle)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IPL 2024: বোলারদের দিনে ৪ উইকেট নিয়ে জবাব স্টার্কের, এক যুগ পর ওয়াংখেড়েতে জয় কলকাতার

    IPL 2024: বোলারদের দিনে ৪ উইকেট নিয়ে জবাব স্টার্কের, এক যুগ পর ওয়াংখেড়েতে জয় কলকাতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ এক যুগ পর ওয়াংখেড়েতে জয়ের খরা কাটল কলকাতার। ১২ বছর পরে ওয়াংখেড়েতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারাল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ২০১২ আইপিএলে এক বারই গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বে ওয়াংখেড়েতে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে সাফল্য পেয়েছিল নাইটরা। সেই রাত ফিরে এল, এখন মাঠে নয় ডাগ আউটে বসে গৌতম গম্ভীর। ম্যাচ শেষে নাইট মেন্টরের মুখে তৃপ্তির হাসি। তৃপ্ত ২০১২তে ম্যাচ জেতানোর নায়ক সুনীল নারিন। সে বার ৪ উইকেট নিয়েছিলেন নারিন। এবার ৪ উইকেট নিলেন চলতি আইপিএলে সবচেয়ে দামি প্লেয়ার মিচেল স্টার্ক। 

    ম্যাচ আপডেট

    টসে জিতে শুক্রবার প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। সেই সিদ্ধান্ত কাজে লাগে। ১৬৯ রানে কলকাতাকে বেঁধে ফেলে জসপ্রীত বুমরারা ৷ কলকাতার ভেঙ্কটেশ আইয়ার ৭০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন ৷ ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে নেমে ৪২ রান করেন মনীশ পাণ্ডে ৷ পালটা রান তাড়া করতে নেমে মুম্বইয়ের একমাত্র সূর্যকুমারের ব্যাট চলে ৷ ৫৬ রান করে আউট হন স্কাই ৷ আর ২৪ রান করেন টিম ডেভিড ৷ বাকি টপ থেকে মিডল ও টেল-এন্ডার ব্যাটারের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অবদান ১৩ রান ৷ কলকাতার হয়ে এদিন সফল বোলার স্টার্ক। ৩.৫ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি। ৪ ওভার বল করে ২২ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী ও সুনীল নারিন। ৩০ রান দিয়ে রাসেলও নিয়েছেন ২ উইকেট। ১৮.৫ ওভারে ১৪৫ রানে অলআউট হয়ে যায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ২৪ রানে ম্যাচ জিতে প্লে-অফের একেবারে কাছে পৌঁছে যায় কেকেআর। 

    সফল স্টার্ক

    বিশ্বকাপের সফল বোলার কেকেআর-এর হয়ে সব সমালোচনার জবাব দিলেন মিচেল স্টার্ক। বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ে কেনা মিচেল স্টার্ক টুর্নামেন্টের শুরুতে একেবারেই ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেননি। সেই স্টার্ককে শুক্রবার রাতে পাওয়া গেল অন্য রকম ফর্মে। ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে গড়ে ফেললেন এক অনন্য নজির। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ইতিহাসে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে যেসব বোলাররা এক ম্যাচে চার বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার নজির গড়েছেন তাদের তালিকায় নাম নথিভুক্ত করালেন স্টার্ক। স্টার্ক‌ ছাড়া এই তালিকায় রয়েছেন আর মাত্র দুই জন। একজন সুনীল নারিন। যিনি আবার এই তালিকায় দু’বার জায়গা পেয়েছেন। অপর জন জনপ্রিয় অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল। এদিন গ্যালারি থেকে স্বামী স্টার্কের প্রত্যাবর্তন দেখলেন স্ত্রী তথা অজি মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক অ্যালিসা হিলি৷ 

    প্লে অফের পথে কলকাতা

    শুক্রবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ঘরের মাঠে, তাদের হারিয়েই প্লে-অফের রাস্তা একেবারে মজবুত করে ফেলল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ১০ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট এখন ১৪। রাজস্থানের ঘাড়েই এবার নিঃশ্বাস ফেলছে কেকেআর। ১০টির মধ্যে ৭টিতে জিতেছে কলকাতার দল। তিনটি ম্যাচে তারা হেরেছে। পয়েন্ট টেবলের দুই নম্বরেই রয়েছে নাইটরা। শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দলের নেট রানরেট +১.০৯৮। এক নম্বর জায়গা ধরে রেখেছেন সঞ্জু স্যামসনরা। ১০ ম্যাচ খেলে আটটিতেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে রাজস্থান। দু’টি ম্যাচ হেরেছে তারা। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের শীর্ষস্থানের দখল রেখেছে সঞ্জুর দল। তাদের নেট রানরেট +০.৬২২। একই সঙ্গে এদিন ম্যাচ হেরে আইপিএল থেকে বিদায়ের ঘণ্টা প্রায় নিশ্চিত হার্দিকের মুম্বইয়ের। 


    দুই দলই অল আউট

    চলতি আইপিএলে যেন প্রতি ম্যাচেই রান‌ বন্যার সাক্ষী থেকেছেন দর্শকেরা। এক এক ম্যাচে তৈরি হয়েছে এক একটি ব্যাটিং রেকর্ড। প্রতি ম্যাচেই বোলারদের কপালে জুটেছে বেদম পেটানি। উল্টো ছবি দেখা গেল কেকেআর বনাম মুম্বই ম্যাচে। এদিন অল আউট হয়েছে দুই দল। ১৭ বছরের আইপিএল ইতিহাসে মাত্র চারটি ম্যাচে দুই দলই অল আউট হয়ে গিয়েছে। প্রথমবার এই ঘটনা ঘটেছিল আইপিএল শুরুর বছর দুই পরে। ২০১০ সালে এই ঘটনা প্রথম ঘটে নাগপুরে দিল্লি বনাম রাজস্থান ম্যাচে। দ্বিতীয় ঘটনা ঘটে প্রথম ঘটনার ৭ বছর বাদে। ২০১৭ সালে এই ঘটনা ঘটেছিল কলকাতাতে নাইট রাইডার্স বনাম আরিসিবি ম্যাচে। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে এই ঘটনা ফের ঘটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ম্যাচে। তালিকায় সর্বশেষ জায়গা করে নিল ২০২৪ সালে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুম্বই বনাম কলকাতার ম্যাচটি।

    কী বললেন অধিনায়করা

    এদিন ম্যাচে হেরে নিজের হতাশা প্রকাশ করেন মুম্বই দলের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। ম্যাচের পরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ক্যাপ্টেন বলেন, ‘আমি বলতে চাই যে, ব্যাটিং ইনিংসে আমরা পার্টনারশিপ গড়তে পারিনি এবং পরপর উইকেট হারাচ্ছিলাম, টি-টোয়েন্টিতে আপনি যদি পার্টনারশিপ না করেন, তাহলে আপনার ক্ষতি হবেই।’ ম্যাচ শেষে তৃপ্ত নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার বলেন, ‘আমরা আপাতত প্লে-অফের দরজায় রয়েছি। এই ম্যাচে অনেক কিছুই মাথায় ঘুরছিল। হারলে কী হতে পারে, এসবও ঘুরছিল। এক যুগ পর এখানে জিতলাম, এই পরিসংখ্যান আমার জানা ছিল না।’ আইপিএলে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মেরও প্রশংসা শোনা যায় শ্রেয়সের কথায়। এদিন ব্যাটিংয়ে বিপর্যয়ের সামনে পড়েছিল কেকেআর। মণীশ পান্ডেকে ইমপ্যাক্টে নামানো হয়। ভেঙ্কটেশ আইয়ার ও মণীশ পান্ডে জুটিতে ৮৩ রান যোগ হয়। কেকেআর ইনিংসে সেটাই টার্নিং পয়েন্ট। শ্রেয়সের কথায়, ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম এই ম্যাচে আমাদের দারুণ ভাবে সাহায্য করেছে। প্রথম ম্যাচ থেকেই মণীশ সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। ওর জন্যই লড়াই করার মতো স্কোরে পৌঁছতে পেরেছি।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share