Tag: bangla news

bangla news

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে নয়া মোড়, সুপ্রিম দুয়ারে যোগ্য হয়েও চাকরিহারারা, ধর্না শহিদ মিনারে 

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে নয়া মোড়, সুপ্রিম দুয়ারে যোগ্য হয়েও চাকরিহারারা, ধর্না শহিদ মিনারে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) নতুন নতুন রূপ দেখছে রাজ্যবাসী। এতদিন চাকরিপ্রার্থীরা ধর্নামঞ্চে নিজেদের দাবি জানাতেন এবার চাকরিহারারাও শহিদ মিনারে ধর্না দিতে চলেছেন। সুপ্রমি কোর্টেও আবেদন জানানোর কথা জানিয়েছেন যোগ্যতার বলে চাকরি পাওয়া ব্যক্তিরা। তাঁদের কথায়, “ঘুষ তো দিইনি, যোগ্যতার বলেই চাকরি পেয়েছিলাম। আমাদের দোষ কোথায়? এর দায় রাজ্য সরকারকে নিতে হবে।”

    কী বলছেন চাকরিহারারা

    মঙ্গলবার সকালেই চাকরিচ্যুতদের (SSC Scam) একাংশ শহিদ মিনার চত্বরে জমায়েত শুরু করেন। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ধর্নায় বসে নিজেদের প্রতিবাদ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আদালতের দ্বারস্থও হওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা। সে ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের সোমবারের চাকরি বাতিলের নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন তাঁরা। চাকরিচ্যুতদের বক্তব্য, তাঁরা অবৈধ উপায়ে চাকরি পাননি। তা হলে কেন অবৈধ উপায়ে চাকরি পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য তাঁদেরও শাস্তি পেতে হবে? তাঁদের দাবি, এর দায় নিতে হবে সকলকে। এসএসসি বা সরকারের ভুলের খেসারত তারা কেন গুনবেন?

    আরও পড়ুন: জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    কী বলেছে হাইকোর্ট

    ২০১৬ সালের এসএসসির সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া (SSC Scam) বাতিল করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। শিক্ষক পদের পাশাপাশি গ্রুপ-সি এবং গ্রুপ-ডি মিলিয়ে বাতিল হয়েছে মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি। যাঁরা নিজেদের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেরই দাবি, ‘আইনি পদক্ষেপ’ করার কথা ভাবছেন তাঁরা। যাঁরা মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছিল, তাঁরা স্বাভাবিক কারণেই এই রায়ে হতাশ। কিন্তু হাইকোর্ট জানিয়েছে এছাড়া কোনও উপায় নেই। একজন যোগ্য শিক্ষকের কথায়, “যোগ্য বলে চাকরি পেলাম। নিয়ম মেনে বেতন পাচ্ছিলাম। যারা দালালের হাত ধরে চাকরি পেল, তাদের সঙ্গে একই বন্ধনীতে ফেলে দেওয়া হল আমাদের। এটা অমানবিক। এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: ভোটের তিনদিন আগেই পাহাড়ে শিবির বদল! রাজুকে সমর্থনের বার্তা বিনয় তামাংয়ের

    Darjeeling: ভোটের তিনদিন আগেই পাহাড়ে শিবির বদল! রাজুকে সমর্থনের বার্তা বিনয় তামাংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ২৬ এপ্রিল দার্জিলিং-এ (Darjeeling) ভোটগ্রহণ। তার আগে বিজেপিকে (BJP) সমর্থন জানালেন পাহাড়ের নেতা বিনয় তামাং (Binay Tamang)। শেষ পাঁচ মাস তিনি কংগ্রেস দলের সদস্য ছিলেন। এরই মাঝে কংগ্রেস (Congress) দলের সঙ্গে তার সম্পর্ক চুকিয়ে দিলেন বিনয়। ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে তিনি জানালেন দার্জিলিং কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তাকে (Raju Bista) তিনি সমর্থন করবেন।

    কী বললেন বিনয় তামাং?

    একটি ভিডিও বার্তা জারি করে বিনয় তামাং বলেছেন, “এখন দুর্নীতি আর স্বজনপোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময়। এই প্রেক্ষিতে আমি সমর্থন করছি বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তাকে। পাহাড়ের মানুষের কাছে বলব আপনারাও তাঁকে সমর্থন করুন। যা পরিস্থিতি তাতে দিল্লিতে আবার নরেন্দ্র মোদির সরকার আসবে। এ কথা নিশ্চিত দুবছর পর রাজ্য ক্ষমতায় আসতে পারে বিজেপি। তাই সব দিক বিবেচনা করে রাজু বিস্তাকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা অনেকদিন আগেই খন্ড খন্ড হয়ে গেছে। সোমবার রাতে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন বিনয়। সমর্থকরা তাঁকেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ্রহ জানান। এরপরই বিনয় জানান, “আমি রাজু বিস্তাকে সমর্থন করবো। সংগঠনের নেতারা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিল। তাঁদের বক্তব্য ছিল তৃণমূল ছাড়া যাকে খুশি সমর্থন করা যেতে পারে।”

    টিকিট না পেয়ে কি কংগ্রেস ত্যাগ?

    প্রসঙ্গত পাহাড়ে আন্দোলন চলাকালীন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সদস্য ছিলেন বিনায় তামাং। তিনি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার তৎকালীন সুপ্রিমো বিমল গুরুং-এর অনুগামী বলে পরিচিত ছিলেন। পাহাড় থেকে বিমলের পলায়ন পর্বের পর উত্থান হয় বিনয় তামাং-এর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদে হন জিটিএ প্রধান। তবে তৃণমূলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বেশিদিন টেকেনি তাঁর। মাস পাঁচেক আগে অধীর চৌধুরীর হাত থেকে পতাকা নিয়ে কংগ্রেসে যোগদান করেন তিনি। অবশেষে কংগ্রেসের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিন্ন হল তাঁর। অন্যদিকে বিনয় কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর মনে করা হচ্ছিল তাঁকে দার্জিলিং কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করতে পারে। কিন্তু তা হয়নি। হামরো পার্টির নেতা অজয় এডওয়ার্ডের ঘনিষ্ঠ তথা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক মুনীশ তামাংকে প্রার্থী করে কংগ্রেস। মুনীশকে প্রার্থী করার পরেই ক্ষোভের কথা জানিয়েছিলেন বিনয়। শেষ পর্যন্ত তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে দিয়ে বিজেপিকে সমর্থন করলেন।

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালিকাণ্ডে ফের বসিরহাট এসপি অফিসে সিবিআই হানা

    রাজু বিস্তারের জয়ের সম্ভাবনা আরও বাড়ল

    কংগ্রেস সূত্রের খবর পাহাড় এবং সমতলের পরিচিত মুখ বিনয়কে প্রার্থী চেয়ে দিল্লিতে প্রস্তাব পাঠান হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে পরিস্থিতিতে বদল আসে। হামরো পার্টির অজয়ের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা ভিপি সিং, পবন খেরা এবং গোলাম আহমেদ মীর। মুনীশ গোর্খা পরিসংঘের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে কংগ্রেসের যোগ দেওয়ার পরেই অজয় ইন্ডিয়া জোটের শরিক হয়ে যান। এই পরিস্থিতিতে বিনয় শিবির তখনই কংগ্রেসের থেকে নিজেদের দূরত্ব বৃদ্ধি করতে শুরু করেছিল। এমনিতেই প্রত্যেকবার পাহাড়ে কংগ্রেসের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। বিনয় তামাং কংগ্রেস থেকে সরে আসায় কংগ্রেসের ভোট নোটার তুলনায় কমে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রথমদিকের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ধাক্কা কাটিয়ে রাজু বিস্তা পাহাড়ের রাজনীতির বেশ কয়েকটি মুখকে সঙ্গী করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন বিনয় শিবির রাজু বিস্তারের সমর্থন করায় রাজুর জয়ের সম্ভাবনা আরও বৃদ্ধি পেল বলেই মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “বাংলায় দুর্নীতির শাসন চলছে, চাকরি দিতে ঘুষ নিচ্ছে সরকার,” তোপ দাগলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “বাংলায় দুর্নীতির শাসন চলছে, চাকরি দিতে ঘুষ নিচ্ছে সরকার,” তোপ দাগলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় দুর্নীতির শাসন চলছে। চাকরি দিতে ঘুষ নিচ্ছে সরকার।” মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের করণদিঘিতে সভা করে এভাবে তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “হাইকোর্ট চাকরি বাতিল করেছে সোমবার। ওঁদের এক মন্ত্রীর বাড়ি থেকে ৫১ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। কাটমানি, চাকরি নিয়ে দুর্নীতি বাংলায় আটকানো প্রয়োজন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা হয় বাংলায়, এর কারণ তৃণমূল কংগ্রেস।”

    সন্দেশখালির অভিযুক্তদের শাস্তি দিতে পারে মোদি (Amit Shah)

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “মা, মাটি, মানুষের স্লোগান দিয়ে তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছিল। আর ক্ষমতায় এসে সন্দেশখালিতে মাকে অপমান করেছে। আর বাংলার মাটি অনুপ্রবেশকারীদের হাতে মমতা দিদি তুলে দিয়েছে। আর বাংলার মানুষকে অত্যাচার, বঞ্চনা করেই চলেছে তৃণমূল সরকার।” এরপর কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “সন্দেশখালির মহিলাদের ওপর যে অবিচার হয়েছে তাদের শাস্তি পাওয়া প্রয়োজন নয় কি? তৃণমূল থাকলে অভিযুক্তরা উপযুক্ত শাস্তি পাবে না। অভিযুক্তদের শাস্তি দিতে পারে একমাত্র মোদি। আর সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে। আমরা বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ শরনার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। আর মমতা দিদি অনুপ্রবেশকারীদের এই বাংলায় জায়গা করে দিচ্ছে। অনুপ্রবেশ আটকাতে পারবেন না মমতা। বাংলাকে হিংসা থেকে মুক্ত করতে হলে নরেন্দ্র মোদিকে দরকার। তৃণমূলের নেতাদের ঘর দেখুন, যাঁরা ঝুপড়িতে থাকতেন, তাঁরা এখন চার তলায় থাকেন। বড় বড় গাড়িতে ঘোরেন। এই টাকা আপনাদের। বাংলাকে যদি হিংসা থেকে মুক্ত করতে হয়, অনুপ্রবেশ রুখতে হয়, শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে হয়, তবে একমাত্র রাস্তা হল নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী বানানো।”

    আরও পড়ুন: “রড, লাঠি ও টাঙি নিয়ে ব্যাপক হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মালদায় অমিত শাহ রোড শোয়ে জনজোয়ার

    গত লোকসভা নির্বাচনে মালদা দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে খুব কম ভোটের ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। আর এবার ফের ওই কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী হয়েছেন শ্রীরূপা। তাঁর প্রচারে রাজ্যে এসেছেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। প্রার্থীকে পাশে বসিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে রোড শো করেন শাহ। বিপুল সমর্থকদের ভিড় চোখে পড়ে সেই রোড শো-তে। দলীয় কর্মী-সমর্থদের উদ্দেশে শাহ বলেছেন, “ইংরেজবাজার থেকে দেড় লক্ষেরও বেশি লিড দিতে হবে।”ভোট ঘোষণার পর রাজ্যে এক বারই এসেছেন শাহ। লোকসভার নির্বাচনী প্রচারে প্রায়ই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কেউ না কেউ আসছেন। লোকসভা ভোট ঘোষণার পর রাজ্যে তিন দিন এসে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভোট ঘোষণার আগেও এসেছেন তিনি। অনুরাগ ঠাকুর থেকে রাজনাথ সিং- কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা একাধিক সভা করছেন বাংলায়। তবে, ভোট ঘোষণার পর শাহ এক বারই রাজ্যে এসেছিলেন। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে সভা করে গিয়েছেন তিনি। এবার দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে এসে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shahjahan Sheikh: পালাতে পারে বিদেশে, সন্দেশখালির শাহজাহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ ইডির

    Shahjahan Sheikh: পালাতে পারে বিদেশে, সন্দেশখালির শাহজাহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিকবার সমন পাঠিয়ে হাজিরা দিতে বলেছিল ইডি। তার পরেও বারংবার হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছে সন্দেশখালিকাণ্ডে অভিযুক্ত শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh) ভাই সিরাজউদ্দিন শেখ। ঘটনার পঞ্চান্ন দিন পরে গ্রেফতার করা হয় মূল অভিযুক্ত শাহজাহানকে। এবার সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করল ইডি।

    বিদেশে পালাতে পারে সিরাজউদ্দিন (Shahjahan Sheikh)

    তদন্ত এড়াতে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করতে পারে সিরাজউদ্দিন। সে যাতে পালাতে না পারে, সেজন্য দেশের সব বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছে ইডি। সিরাজউদ্দিনের ছবি ও তার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্যও পাঠানো হয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে। শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) আর এক ভাই আলমগিরকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। রবিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করে ইডিও। গ্রেফতার করা হয় তৎকালীন তৃণমূল নেতা শাহজাহানের (গ্রেফতার হতেই দায় ঝেড়ে ফেলতে সাসপেন্ড করা হয় শাহজাহানকে) দুই শাগরেদ শিবু হাজরা ও দিদারবক্স মোল্লাকে।

    সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, মহিলা নির্যাতন, জমি জবরদখল, স্থানীয়দের ওপর জুলুমবাজির যেসব অভিযোগ সন্দেশখালি ও ন্যাজাট থানায় দায়ের হয়েছিল আঠারো থেকে চব্বিশ সালের মধ্যে, সেই অভিযোগগুলিতে নাম রয়েছে শাহজাহান-সহ অন্যদের। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর এলাকাবাসীর অভিযোগ নেওয়ার জন্য যে পুলিশ ক্যাম্প করা হয়েছিল, সেখানে সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে অন্তত ১০০টি অভিযোগ জমা পড়েছিল। এতে যেমন ছিল জমি দখলের অভিযোগ, তেমন ছিল অকারণে মারধর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও।

    আরও পড়ুুন: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দা হরিপদ সর্দার পুলিশ ক্যাম্পে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, ‘এক আদিবাসী মহিলার ৩৩ শতক চাষের জমি দখল করে মার্কেট তৈরি করেছে সিরাজউদ্দিন। টাকার জন্য সিরাজউদ্দিনের দোরে ঘুরেও ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। গাড়ি করে বসিরহাটে তুলে নিয়ে গিয়ে জমি লিখিয়ে নিয়েছে, ভয়ে কারও কাছে মুখ খুলতে পারিনি।’ ইডি সূত্রে খবর, এসব মামলার তদন্ত সূত্রেই সিরাজউদ্দিনকে তলব করেছিল ইডি।

    প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের তদন্তে শাহজাহানের সন্দেশখালির বাড়িতে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডির আধিকারিকরা। আক্রান্ত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ান মায় সংবাদমাধ্যমের কর্মীরাও। অভিযোগের আঙুল ওঠে শাহজাহান অনুগামীদের দিকে। তার পর থেকেই নিত্য খবরের শিরোনামে রয়েছে শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) অ্যান্ড কোং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jihadi Tactics Decoded: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    Jihadi Tactics Decoded: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেহাদিদের (Jihadi Tactics Decoded) হাতে হিন্দু জনগোষ্ঠী যখন আক্রান্ত হয় তখন তারা হতবাক হয়ে যায়। ভাবতে থাকে যে কীভাবে এত সংগঠিত আঘাত জেহাদিরা হানতে পারে! আসলে জেহাদী আক্রমণ কোনও প্রতিক্রিয়া স্বরূপ হয় না, বরং তা দীর্ঘদিনের পরিকল্পনারই ফসল। মাসের পর মাস নিখুঁতভাবে এই পরিকল্পনা চলে। তারপরে দক্ষতার সঙ্গেই এটাকে তারা প্রয়োগ করে। তার আগে তারা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ইকো-সিস্টেমটাকে ভালোমতো অনুধাবন করে। সেটাকে বিশ্লেষণ করে। এছাড়া সেই ইকো-সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে হিন্দুদের মানসিকভাবে প্রথম থেকেই আঘাত করা, জেহাদি আক্রমণের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক। জেহাদিদের এই আক্রমণ সংঘটিত হয় বেশ কতগুলি ধাপে। ইসলামিক রীতি-নিয়মকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য জেহাদীদের এই আক্রমণ হয়ে থাকে। এই আক্রমণের পদ্ধতি জানা আমাদের দরকার।

    আবর্জনা সংগ্রহকারী সেজে জেহাদিরা 

    প্রথমেই জেহাদিরা (Jihadi Tactics Decoded) হিন্দু জনগোষ্ঠীর অঞ্চলগুলিতে প্রবেশ করে আবর্জনা সংগ্রহকারী সেজে। এর মাধ্যমে ওই অঞ্চলের হিন্দু জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থা, তাদের গতিবিধি- এই সমস্ত কিছুই নখদর্পণে নিতে থাকে আবর্জনা সংগ্রহকারী বেশে থাকা জেহাদিরা। জেহাদীদের কাছে এটা একটা বড় সুযোগ হয়। তার কারণ, তারা এই ভাবেই প্রথমে হিন্দু জনগোষ্ঠীর একেবারে বাড়িতেও পৌঁছে যেতে পারে। হিন্দুদের সামাজিক সদ্ভাবনার বাস্তব চিত্র, আর্থিক অবস্থা, ওই নির্দিষ্ট অঞ্চলে হিন্দু জনগোষ্ঠীর মধ্যে একতা, এই সবকিছুই অনুধাবন করতে থাকে জেহাদিরা। সেই মতো তথ্য সরবরাহ করতে থাকে তারা। এর পাশাপাশি ওই অঞ্চলে থাকা হিন্দু মহিলাদের গতিবিধিও অনুসরণের কাজ চালাতে থাকে এই আবর্জন সংগ্রহকারীরা।

    সুফি ভিখারির বেশে জেহাদিরা

    পরবর্তীকালে জেহাদিদের (Jihadi Tactics Decoded) বেশে হিন্দু অঞ্চলে প্রবেশ করে সুফি ভিখারিরা। নিজেদের গায়ে সবুজ চাদর জড়িয়ে তারা হিন্দু বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তাদের (হিন্দু) কোনওরকমের সমস্যা রয়েছে কিনা তা জানার চেষ্টা করে। যদি থাকে তাহলে সেই মতো ঝাড়ফুক করতে থাকে তারা। এতে কী হয় অনেক কুসংস্কারগ্রস্থ হিন্দু ওই সুফিদের কথায় বিশ্বাস করে নেয় এবং নিজেদের সমস্যার কথাগুলি জানাতে থাকে। এই ভাবেই হিন্দুরা জেহাদিদের ফাঁদে পা দেয়।

    লাভ জেহাদ সবচেয়ে বড় আঘাত

    জেহাদিদের (Jihadi Tactics Decoded) আক্রমণের সব থেকে বড় পদ্ধতি হল লাভ জেহাদ। হিন্দু মহিলাদের তারা সব থেকে বেশি টার্গেট করে। এ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মৌলবীরা হিন্দু মহিলাদের বর্ণ অনুযায়ী তাদের সেরকম মূল্য নির্ধারণ করে দিচ্ছে। হিন্দু জনগোষ্ঠী অঞ্চলে জেহাদিরা বিভিন্ন ধরনের দোকান খুলতে শুরু করে। যেমন টেলারিং দোকান, বিউটি পার্লার ইত্যাদি। যার ফলে সেগুলিতে হিন্দু মহিলাদের আনাগোনা শুরু হয় এবং সহজেই তারা ফাঁদে পা দিতে থাকে। এভাবেই শুরু হয় লাভ জেহাদ। লাভ জেহাদের এই পদ্ধতি খুবই ধীরগতিতে চলে কিন্তু তার প্রভাব অনেকটা বেশি। লাভ জেহাদের করুণ পরিণতি ইতিমধ্যেই আমাদের সামনে এসেছে একাধিক ঘটনায়। গত বছরে শ্রদ্ধা ওয়ালকরের পরিণতি সকলের জানা। সম্প্রতি কর্নাটকে কংগ্রেস নেতার কন্যাকেও চরম মূল্য দিতে হয় লাভ জেহাদের।

    কমমূল্যে জিনিসপত্র বিক্রি, ধ্বংস হয় হিন্দু অর্থনীতি

    জেহাদের (Jihadi Tactics Decoded) অন্যতম পদ্ধতি হল বেআইনিভাবে জায়গা দখল করে সেখানে দোকান দেওয়া এবং অত্যন্ত কম মূল্যে জিনিসপত্র বিক্রি করা। যাতে হিন্দুদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলা যায়। হিন্দু জনগোষ্ঠী ক্রমশই কম দামে জিনিস নেওয়ার প্রলোভনে পা দিয়ে ওই মুসলিম জেহাদিদের দোকানগুলি থেকে জিনিসপত্র কিনতে শুরু করে, যার ফলে হিন্দু দোকানদাররা মার খায় এবং হিন্দু অর্থনীতি ভেঙে পড়ে ওই অঞ্চলের।

    হিন্দু এলাকায় বাড়ি তৈরি

    এটাও দেখা গিয়েছে যে হালাল দোকানগুলি থেকে যে অর্থ লাভ হয় সেগুলি সন্ত্রাসে ফান্ডিং-এর কাজে লাগে। হিন্দুরাও হালাল মাংস কেনে এবং পরোক্ষভাবে তাদের টাকায় জেহাদীদের সন্ত্রাসের ফান্ডিং-এর কাজে লাগে। এর পাশাপাশি জেহাদিরা হিন্দু জনগোষ্ঠীর অঞ্চলে বাড়ি তৈরি করে অথবা ভাড়াতে থাকতে শুরু করে হিন্দুদের গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্য।

    জেহাদিরা হিন্দু ছেলেদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে

    জেহাদিরা হিন্দু ছেলেদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে এবং এর মাধ্যমে তাদের বাড়িতে যাতায়ত শুরু করে। যার করুণ পরিণতি হয় সেই বাড়িতে থাকা হিন্দু নাবালিকারা ওই জেহাদীদের লাভ জেহাদে ফেঁসে যায়। ওই হিন্দু নাবালিকাদের তারা বোঝাতে থাকে ইসলামের উদ্দেশ্য আদর্শ। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলে কি কি সুবিধা মিলবে সে বিষয়েও বোঝাতে থাকে জেহাদিরা। এর পাশাপাশি অন্যান্য দিকও দেখা গিয়েছে যে বাড়িতে প্রবেশ করার পরেই ওই হিন্দু নাবালিকার ছবি তুলে ফটোশপের মাধ্যমে তাকে ব্ল্যাকমেলিং করা শুরু হয়। অনেক ক্ষেত্রে এতটা মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে হিন্দু মেয়েরা আত্মহত্যা করে।

    হিন্দু এলাকায় কবরস্থান

    জেহাদিদের (Jihadi Tactics Decoded) পরের পদক্ষেপ হল তারা ছোটখাটো কবরস্থান তৈরি করতে থাকে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে। সাধারণ মানুষকে তারা বোঝাতে থাকে সেখানে এলে তারা ঠিক কতটা শান্তি পাবে। এভাবে হিন্দুরা সেই সমস্ত স্থান পরিদর্শন করতে থাকে। যখনই তারা বুঝতে পারে যে এই সমাধিস্থল সত্যিই ভালো, তখন তারা মানে জেহাদিরা আরো বড় রকমের অনুষ্ঠান সেখানে চালাতে থাকে। যা ওই হিন্দু জনগোষ্ঠীর অঞ্চলে একটি বড় রকমের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি এরকম একটি ঘটনা সামনে এসেছে ছত্তিশগড়ে। রাজ্যের ১২৫টি ঘর বেআইনিভাবে নেয় মুসলিম জনগোষ্ঠী। এই ঘরগুলি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাতে বানানো এবং এর সবগুলিতেই প্রথমে সমাধিস্থল চালু করা হয়। পরবর্তীকালে তা মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়। এই মসজিদগুলিতে হিন্দু মেয়েদের ছবি পাওয়া যায়। যে ছবিগুলির উপরে ক্রস চিহ্ন এবং সার্কেল করা ছিল। এরাই হল জেহাদীদের টার্গেট।

    জেহাদি আক্রমণ

    যখনই উপরিউক্ত সমস্ত জালে জড়িয়ে পড়ে হিন্দুরা, তখনই জেহাদিরা হিন্দুদেরকে নানাভাবে হেনস্তা করার প্রয়াস চালাতে শুরু করে। হিন্দুদের যেকোনও ধরনের অনুষ্ঠানে রামনবমী হোক, জন্মাষ্টমী হোক অথবা যে কোন শোভাযাত্রাতে পরবর্তীকালে হিংসাত্মক আক্রমণ দেখা যায়। বিগত বছরগুলি সমেত চলতি বছরেও পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় এ ধরনের ঘটনা সামনে এসেছে। হিন্দুদের শোভাযাত্রার উপর হামলার ঘটনা দেখা গিয়েছে। সম্ভাজিনগরে, গুজরাটের ভদোদরাতে সেই একই ছবি দেখা গিয়েছে। এই হামলার বেশিরভাগটাই সংঘটিত হয়েছে যখন হিন্দুদের ওই শোভাযাত্রা মসজিদকে অতিক্রম করেছে।

    সতর্ক থাকা উচিত 

    এই ধরনের বিভিন্ন জেহাদি (Jihadi Tactics Decoded) কার্যকলাপ যা হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয় তা থেকে হিন্দু জনগোষ্ঠীকে সদা সতর্ক থাকতে হবে এবং কারণ খুঁজে বার করতে হবে। বর্তমানে তারা উপরের বলা কোন স্তরে রয়েছে, এছাড়া জেহাদিরা কীভাবে তাদের ওপরে, তাদের অঞ্চলে রেইকি করে চলেছে এবং সেই মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Liver Day: নিয়মিত কুকিজ, চকোলেট কিংবা ঠান্ডা পানীয়? কোন‌ বিপদ হতে পারে জানেন? 

    World Liver Day: নিয়মিত কুকিজ, চকোলেট কিংবা ঠান্ডা পানীয়? কোন‌ বিপদ হতে পারে জানেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হজমের গোলমাল নিত্যসঙ্গী? প্রায় দিন‌ খাওয়ার পরে বমি হয়? চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সতর্ক হতে হবে। পরবর্তীতে বাড়তে পারে বিপদ। লিভারের রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। নন অ্যালকোহলিক লিভারের অসুখ ভারতে আরও বাড়ছে বলেই জানাচ্ছে একাধিক সর্বভারতীয় সমীক্ষা। দেশের সাম্প্রতিক এক স্বাস্থ্য সমীক্ষায় জানা‌ গিয়েছে, নন অ্যালকোহলিক লিভারের রোগ এ দেশে কয়েকগুণ বেড়েছে। ১৯৯০ সালে এ দেশে নন অ্যালকোহলিক লিভারের রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪০ লাখ। সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, এখন দেশে ৯৮ লাখ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হন। মদ্যপান না করেও লিভারের একাধিক রোগে ভুগছেন পুরুষ, মহিলা। এমনকী শিশুরাও লিভারের নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে (World Liver Day)। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, প্রথম থেকেই সতর্কতা জরুরি। তবেই লিভারের রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। ঠিকমতো‌ খাদ্যাভ্যাস থাকলে‌ এই রোগের প্রকোপ কমানো সম্ভব বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

    লিভারের বিপদ কে বাড়াচ্ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মদ্যপানে লিভারের রোগের বিপদ বাড়ে। এই কথা অনেকেই জানেন। সে নিয়ে সচেতনতাও রয়েছে। কিন্তু মদ্যপান না করেও লিভারের একাধিক রোগ হতে পারে। আর তার জন্য কিছু খাদ্যাভ্যাস দায়ী। একথা অবশ্য অনেকেই জানেন না। তাই দেশজুড়ে নন অ্যালকোহলিক লিভারের রোগের প্রকোপ বাড়ছে (World Liver Day)। এমনকী শিশুরাও এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই ওয়ার্ল্ড লিভার ডে উপলক্ষে একাধিক কর্মশালায় চিকিৎসকেরা এই বিষয় সম্পর্কে সচেতন করেছেন।

    চিনি খাওয়ার অভ্যাসে বদল জরুরি (World Liver Day)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিনি লিভারের জন্য ক্ষতিকারক। তাঁরা জানাচ্ছেন, সরাসরি চিনি খাওয়ার অভ্যাস শরীরে একাধিক রোগের কারণ হয়। পাশপাশি ক্যান্ডি, ললিপপ জাতীয় খাবার, যা মূলত চিনি দিয়েই তৈরি করা হয়, সেগুলোও লিভারের ক্ষতি করে।‌ তাই নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণ চিনি কিংবা ক্যান্ডি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে, তা বদল জরুরি। না হলে লিভারের অসুখ হতে পারে।

    অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবারে ‘না’ (World Liver Day)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশজুড়ে নন অ্যালকোহলিক লিভারের রোগ বাড়ার অন্যতম কারণ এই অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবারের অভ্যাস। তরুণ প্রজন্মের একাংশ বিরিয়ানি, মোগলাই কিংবা চাইনিজ খাবারে অভ্যস্ত। জলখাবার কিংবা সন্ধ্যার খাবার বলতে অনেকেই বোঝে ফাস্টফুড। এমনকী কলেজ বা অফিস ফেরত খাবারের তালিকায় থাকে চাউমিন, এগরোল কিংবা পিৎজা, ফ্রেঞ্চফ্রাইয়ের মতো খাবার‌। এই ধরনের খাবার একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। এগুলো লিভারে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই রকম অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবারে ‘না’ বলা জরুরি।

    কুকিজ, পেস্ট্রিতে লাগাম জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, যে কোনও ধরনের বেকড করা খাবার অতিরিক্ত খেলে লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়ে। তাই কুকিজ, পেস্ট্রির মতো খাবারে লাগাম জরুরি।‌ নিয়মিত কখনই এই ধরনের খাবার খাওয়া উচিত নয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ (World Liver Day)।

    নরম পানীয় সবচেয়ে বিপজ্জনক

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মদ্যপানে লিভারের ক্ষতি হয়, এই নিয়ে সচেতনতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু সোডামিশ্রিত নরম পানীয় যে একই রকম ক্ষতিকারক, সে নিয়ে সচেতনতা খুবই কম। তাই গরম হোক কিংবা যে কোনও উৎসব উদযাপনের আনন্দে, এই ধরনের সোডামিশ্রিত ঠান্ডা পানীয় লাগাতার খাওয়া হয়। এমনকী পরিবারের খুদে সদস্যেও এই ধরনের পানীয় খায়। তাই লিভারের রোগের বিপদ বাড়ে।

    কীভাবে সুস্থ থাকবে লিভার?

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কিছু খাবার বাদ দেওয়ার পাশপাশি লিভার সুস্থ রাখতে কিছু খাবার নিয়মিত খাওয়া জরুরি। তবেই রোগের ঝুঁকি কমবে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়মিত সবুজ সবজি খেতে হবে।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রাণীজ প্রোটিনের তুলনায় সবজির থেকে শরীর প্রোটিন পেলে লিভারের রোগের ঝুঁকি কমে। কারণ সবুজ সবজি থেকে পাওয়া প্রোটিন সহজপাচ্য হয়। তাই পালং শাক, লাউ, ব্রোকলির মতো সবজি নিয়মিত খাওয়া জরুরি। এতে লিভার ভালো থাকে।

    তাছাড়া নিয়মিত লেবু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ লেবুতে ভিটামিন সি থাকে। ভিটামিন সি লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে (World Liver Day)।

    প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন লিভার সুস্থ রাখতে শরীরে পর্যাপ্ত জল জরুরি। তাই নিয়মিত ৫-৬ লিটার জল খেতে হবে। পাশপাশি ডাবের জল, ফলের রস খেলে লিভারের রোগের ঝুঁকি কমে। কারণ এগুলো‌ শরীরে জলের চাহিদা মেটায়। আবার প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থের জোগান দেয়। ফলে লিভার সুস্থ থাকে।

    লিভার সুস্থ রাখতে এবং কার্যক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ বাদামে থাকে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো উপাদান। এগুলো‌ লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

    ওমেগা থ্রি ও ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত মাছ লিভারের জন্য উপকারী। তাই লিভার সুস্থ রাখতে বড় মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ (World Liver Day)।‌

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC: অনলাইন, ডিস্ট্য়ান্সে উচ্চশিক্ষায় আর প্রয়োজন নেই এআইসিটিই-র অনুমোদন, জানাল ইউজিসি

    UGC: অনলাইন, ডিস্ট্য়ান্সে উচ্চশিক্ষায় আর প্রয়োজন নেই এআইসিটিই-র অনুমোদন, জানাল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে ওপেন অ্যান্ড ডিস্ট্যান্স লার্নিং (ODL) এবং অনলাইনে প্রোগ্রামের মাধ্যমে কোনও বিষয়ে পঠনপাঠন শুরু করার জন্য বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এমনই জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন (UGC)।

    ইউজিসির বক্তব্য (UGC)

    এর আগে অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন বা এআইসিটিই (AICTE )-এর অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সবিস্তার একটি চিঠি পাঠানো হয় ইউজিসিকে (UGC)। এবার ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই ১৩ মার্চ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমিশনের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইউজিসি-র জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “এবার থেকে এআইসিটিই-এর অনুমোদন ছাড়াই কোনও বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজমেন্ট শাখার যেকোনও বিষয় সংশ্লিষ্ট পদ্ধতিতে পড়াতে পারবে।” এছাড়াও ইউজিসি-র (University Grants Commission) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “সরকারি হোক বা বেসরকারি, যেকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই এবার থেকে এআইসিটিই (All India Council of Technical Education)-এর অনুমোদন ছাড়াই টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজমেন্ট শাখার যেকোনও বিষয়ে দূরশিক্ষা এবং অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর স্তরে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করতে পারবে পড়ুয়াদের।” জানা গেছে এই সুবিধার আওতায় রয়েছে ম্যানেজমেন্ট, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন ও ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজমের মত বিষয়গুলি। অর্থাৎ উল্লিখিত বিষয়গুলি নিয়ে অনলাইন (online mode) প্রোগ্রাম কিংবা দূরশিক্ষার মাধ্যমে পড়াশোনা করতে পারবেন পড়ুয়ারা।

    আরও পড়ুনঃশাহজাহানের ভাই সিরাজের বিরুদ্ধে এবার লুক আউট নোটিশ জারি করল ইডি

    ভুয়ো বিষয়ে পঠনপাঠনে সতর্কতা

    তবে ইউজিসির (UGC) তরফে জারি হওয়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র ‘ডিমড টু বি ইউনিভার্সিটিজ’-এর ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমোদন ছাড়া উল্লিখিত বিষয়ে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করা যাবে না। উল্লেখ্য, দূরশিক্ষার মাধ্যমে ভুয়ো বিষয়ে পঠনপাঠন নিয়ে আগেই সতর্কতা জারি করেছিল ইউজিসি। এবার কোন কোন বিষয় দূরশিক্ষা কিংবা অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে পড়ানো যাবে এবং তার জন্য আলাদা করে কোনও অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে কী না, সেই বিষয়ে ইউজিসি-র ওয়েবসাইটে সম্প্রতি এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    SSC Scam: জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় ধৃত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়ে আবারও কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়লেন রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। নিজের অবস্থান জানানোর জন্য তাঁকে শেষ সুযোগ দিল আদালত। এই নিয়ে চতুর্থ বার সময় দেওয়া হল। এবার যদি আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে মুখ্যসচিব পদক্ষেপ না করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করা হবে বলেও মঙ্গলবার জানায় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ২ মে মামলার পরবর্তী শুনানি।

    কী বলল আদালত

    মঙ্গলবার নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্য-সহ শিক্ষা দফতরের কয়েক জন প্রাক্তন আধিকারিকের জামিনের মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। সিবিআইয়ের অভিযোগ ছিল, রাজ্যের মুখ্যসচিবের অনুমতি না পাওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি। এই সংক্রান্ত মামলার গত শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর পর্যবেক্ষণ ছিল, মুখ্যসচিব তাঁর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। ২৩ এপ্রিল অর্থাৎ মঙ্গলবারই এই বিষয়ে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারকে। কিন্তু মঙ্গলবারও মুখ্যসচিব কোনও রিপোর্ট জমা দেননি। গোটা বিষয়টি নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত তাঁকে আর মাত্র ১০ দিন সময় দিয়েছে। এরপর মুখ্যসচিবের রিপোর্ট না পেলে রুল ইস্যুর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।  

    আরও পড়ুন: ১৭টি বিভিন্ন উপায়ে নিয়োগে দুর্নীতি করেছে এসএসসি! কী বলল হাইকোর্ট?

    রাজ্যের যুক্তি

    মঙ্গলবারও আগের শুনানির (SSC Scam) মতো একই যুক্তি দেখায় রাজ্য সরকার। বলা হয়, লোকসভা ভোটের কাজে ব্যস্ত মুখ্যসচিব। তাই তিনি জবাব দিতে পারেননি। রাজ্যের যুক্তি শুনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি বাগচী। তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া মসৃণ ভাবে চলছে কি না, সেটা দেখা আদালতের কাজ। যদি দেখা যায় সেখানে কোনও বাধা আসছে, তবে তা সরানোর কাজ করতে হবে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘নির্বাচনের সঙ্গে মুখ্যসচিবের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনও সম্পর্ক নেই। অযথা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তিনি দেরি করছেন। তিনি হয় এই মামলার গুরুত্ব বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। নতুবা আমাদের কি এটা ধরে নিতে হবে যে এই অভিযুক্তরা এতই প্রভাবশালী যে, রাজ্যের মুখ্যসচিবও বিচার শুরু করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না?’’  বিচারের কাজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্যসচিবকে প্রভাবমুক্ত থাকার নির্দেশ দেয় আদালত। মুখ্যসচিবকে তাঁর বিধবদ্ধ দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের

    Sandeshkhali: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বিভিন্ন অভিযোগের সিবিআই তদন্তে মামলার সংখ্যা শতাধিক হয়ে যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এক দশকের বেশি সময় ধরে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ও আশপাশের অঞ্চলে ত্রাস হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan)। মহিলাদের আন্দোলনের চাপে গ্রেফতার হয়েছেন শাহজাহান এবং অনুগামী শিবু-উত্তম সহ আরও কয়েকজন দুষ্কৃতী। একই সঙ্গে শতাধিক অভিযোগের মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। উল্লেখ্য বেআইনি অর্থ লগ্নী সংস্থা সারদার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রাজ্যজুড়ে ১৯৬টি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। কিন্তু এবার সন্দেশখালিতেই মোট মামলা এখনই শতাধিক। আগামী দিনে আরও মামলা দায়ের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  

    শতাধিক অভিযোগ জমা

    প্রসঙ্গত সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাসিন্দাদের কাছ থেকে সিবিআইকে সরাসরি অভিযোগ নিতে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে সিবিআইকে ইমেইল আইডি এবং অ্যাপের মাধ্যমে এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে সরাসরি অভিযোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার এই ইমেইল আইডি ও অ্যাপ থেকে নেওয়া অভিযোগ মিলিয়ে মামলার সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    তদন্তকারী অফিসারের বক্তব্য

    সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali) তদন্তে এক তদন্তকারী অফিসার বলেছেন, “৫ জানুয়ারি ইডির (ed) অফিসার ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের উপরে হামলার ঘটনার পর ফেরার হয়ে গিয়েছিলেন সন্দেশখালির ত্রাস শেখ শাহজাহান ও তাঁর সঙ্গীরা। তখন থেকেই সন্দেশখালীর এই তৃণমূল নেতা ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল, খুন, খুনের চেষ্টা, মারধর, রাজনৈতিক সন্ত্রাস, শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের মতো অভিযোগ দায়ের হতে শুরু করে। এমনকী বিভিন্ন গ্রামে শিবির খুলে বসিরহাট জেলা পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করা শুরু করেছিল। কিছু অভিযোগের নিষ্পত্তি অবশ্য পুলিশ এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফে তৎক্ষণাৎ করা হয়েছিল।” অন্যদিকে সিবিআই এর হাতে গ্রেফতার শেখ শাহজাহানের ভাই আলমগীর শাহজাহানের দুই সাগরেদ শিবু হাজরা ও দিদার বক্স মোল্লাকে হেফাজতে নিলেন ইডি আধিকারিকেরা। যেহেতু তিনজনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাই তাঁদের ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানো হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা ও বিভিন্ন সম্পত্তিগত বিষয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    আরও পড়ুনঃ এই ৫টি উপায় মেনে চললেই এসির বিদ্যুতের খরচ কম হবে

    সারদা মামলার সঙ্গে যোগ

    প্রসঙ্গত বছর দশেক আগে বেআইনি অর্থ লগ্নী সংস্থা সারদার ২৪০০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রাজ্যজুড়ে ১৯৬টি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেখানে শুধু সন্দেশখালিতেই (Sandeshkhali) শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বর্তমানে। তবে এত মামলা একসঙ্গে হলে তদন্তকারী সংস্থার বেশ কিছু সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে তদন্ত দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সারদার ক্ষেত্রে ১৯৬টি মামলা একজোট করে পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই। ১১ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও সারদার পাঁচটি মামলা এখনও চলছে। এই মামলাগুলিতে এখনও চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আরও জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একজন ডিআইজির নেতৃত্বে সিট গঠন করা হয়েছে এবং আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছে।

    লুক আউট নোটিশ (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালি (Sandeshkhali) মামলায় এবার শেখ শাহজাহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করল ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তকারী অফিসারেরা জানিয়েছেন, “আমাদের আশঙ্কা তাঁর ভাই সিরাজউদ্দিন দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে পারেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করে দেশের সমস্ত বিমানবন্দরকে সতর্ক করা হয়েছে। সিরাজের বিরুদ্ধে জমি দখল করে ভেড়ি বানানো, সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন সহ শেখ শাহজাহানকে বিভিন্ন মামলায় সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তদন্তকারীরা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সিরাজুদ্দিনের খোঁজ পাওয়া যায়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    Love Jihad: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন আরও এক ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে আরও এক হিন্দু তরুণী। এবারের ঘটনাস্থল বিহার। এখানকার এক দলিত হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করে নেপালে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সমীর আলম নামে এক বিবাহিত যুবককে (Love Jihad)।

    লাভ জিহাদ (Love Jihad)

    জানা গিয়েছে, বিহারের নারকাটিয়াগঞ্জের বছর ছাব্বিশের সমীর মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে জোর করে সিঁদুর পরিয়ে দেয় বছর সতেরোর মেয়েটির সিঁথিতে। পরে নাবালিকা বুঝতে পারে, পরিচয় গোপন করে তার সঙ্গে প্রতারণা করেছে সমীর। এরপর সমীর মেয়েটিকে কার্যত ঘরবন্দি করে রাখে। বার দুয়েক পালানোর চেষ্টা করলেও, সফল হয়নি সে (Love Jihad)। এর পরেই মেয়েটিকে নেপালে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সমীর। সেই মতো মেয়েটিকে নিয়ে সে রওনা দেয় নেপালের উদ্দেশে। সীমান্তে সমীরকে জেরা করেন সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানরা।

    পাচারে যুক্ত অভিযুক্ত আলম!

    এই প্রথম নয়, সমীর আগেও মিথ্যা পরিচয় দিয়ে হিন্দু তরুণীদের বিয়ে করে ধর্মান্তরিত করে নেপালে বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ। সমীর এবং ওই মেয়েটিকে নিয়ে থানায় যান সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানরা। সেখানেই গ্রেফতার করা হয় সমীরকে। তদন্ত চালাতে গিয়ে পুলিশ সমীরের মোবাইল থেকে আপত্তিকর কিছু ভিডিও এবং ছবিও উদ্ধার করেছে। সমীর যে নারী পাচারে যুক্ত, তাও জেনেছেন তদন্তকারীরা। ২০২২ সালের ১১ মে-ও এক হিন্দু দলিত মেয়েকে পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: “শেষ জীবনেও মুখ্যমন্ত্রীকে চোর চোর শুনতে হবে”, কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

    হিন্দু মহিলাকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ কর্নাটকে

    এদিকে, বছর আঠাশের এক বিবাহিত মহিলাকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরণ করার অভিযোগ উঠল তাঁর স্বামী-সহ সাতজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল কর্নাটক। ওই মহিলার অভিযোগ, রফিক নামের এক ব্যক্তির খপ্পরে পড়েন তিনি। নিজের স্ত্রীর সামনেই রফিক তাঁকে ধর্ষণ করে। তাঁকে বোরখা পরতেও বাধ্য করে। নিষেধ করা হয় সিঁদুর পরতেও। এমনকী, রফিকের স্ত্রী ওই মহিলাকে রফিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে উৎসাহ দেয়। পরে ওই মহিলার ছবি তুলে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করে রফিক। সিঁদুর পরতে না দেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে পাঁচ ওয়াক্ত নমাজ আদায় করতেও বলে রফিক। ইসলামে ধর্মান্তরিত হতেও দেওয়া হয় চাপ। গ্রেফতার করা হয়েছে রফিককে (Love Jihad)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share