Tag: bangla news

bangla news

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শনিবার ২০/০৪/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শনিবার ২০/০৪/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

    ২) ব্যবসায় লাভ-ক্ষতি নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    বৃষ

    ১)  কাজের ক্ষেত্রে প্রচুর চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রম ঘটতে পারে।

    মিথুন

    ১) বাড়িতে অশান্তির কারণে আপনার সম্মানহানি হতে পারে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

    কর্কট

    ১) নম্র স্বভাবের জন্য কর্মস্থলে সুনাম বৃদ্ধি।

    ২) আর্থিক টানাপড়েন থাকতে পারে।

    সিংহ

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভাল হবে। 

    ২) ভ্রমণে সমস্যা বাড়তে পারে, একটু সাবধান থাকুন।

    কন্যা

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের সদুপদেশে কর্মে উন্নতি।

    তুলা

    ১) ব্যবসায় দারুণ অর্থপ্রাপ্তির যোগ রয়েছে।

    ২) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি।

    বৃশ্চিক

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুর সাহায্যে ব্যবসায় উন্নতি।

    ধনু

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভপ্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে কষ্ট বাড়তে পারে।

    মকর

    ১) সব কাজেই সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় ক্ষতির সম্ভাবনা।

    কুম্ভ

    ১) স্ত্রীর কারণে উদ্বেগ দেখা দিতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পরে।

    মীন

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: বাংলায় গড় ভোটদান ৭৭.৫৭ শতাংশ, দেশে ৫৯.৭১ শতাংশ, জানাল কমিশন

    Loksabha Election 2024: বাংলায় গড় ভোটদান ৭৭.৫৭ শতাংশ, দেশে ৫৯.৭১ শতাংশ, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষিপ্ত হিংসার মধ্যেই মিটল বাংলার তিন আসন সমেত দেশের ১০২ লোকসভা কেন্দ্রের (Loksabha Election 2024) ভোটপর্ব। এই পর্বে ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফার ভোটে ১৬০০ জনেরও বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে জানা গিয়েছে। এই পর্বে নয়জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং একজন প্রাক্তন রাজ্যপালের ভাগ্য নির্ধারণ হতে চলেছে। আজ সকাল ৭টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। বাংলায় গড় ভোটদান ৭৭.৫৭ শতাংশ। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুসারে ২১ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১০২ আসনে লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election 2024) প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৯.৭১ শতাংশ।

    ১৬.৬৩ কোটিরও বেশি ভোটার ছিল প্রথম দফায়

    বাংলায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে, ৭৭.৫৭ শতাংশ। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের প্রথম দফায় ভোটের হার ছিল ৬৯.৪৩ শতাংশ।
    নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুসারে প্রথম দফায় ১৬.৬৩ কোটিরও বেশি ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের (Loksabha Election 2024) মাধ্যেম সরকার নির্বাচন করবেন। এর মধ্যে ৮.৪ কোটি পুরুষ এবং ৮.২৩ কোটি মহিলা ভোটার রয়েছেন। ৩৫.৬৭ লাখ ভোটার প্রথমবারের জন্য তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। যেখানে ২০ থেকে ২৩ বছর বয়সী ভোটারের সংখ্যা ৩.৫১ কোটি। এর জন্য ১ লাখ ৮৭ হাজার ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুসারে বাংলা এবং মণিপুরের কিছু অংশে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ঘটেছে।

    বিহারে ভোট সর্বনিম্ন

    মণিপুরে, থামানপোকপিতে একটি ভোটকেন্দ্রের (Loksabha Election 2024) কাছে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষিপ্ত হিংসা সত্ত্বেও, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার সময় মণিপুরে ৬৭.৪৬% ভোট পড়েছে। সমীক্ষাতে দেখা যাচ্ছে এনডিএ জোট টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছে। অন্যদিকে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া বিজেপির বিরুদ্ধে ময়দানে সেভাবে দাগ কাটতে পারছে না মানুষের মনে। সকলের নজর এবার তামিলনাড়ুর দিকেই রয়েছে। সেখানে ৩৯ লোকসভা আসনে ভোট চলছে। বিজেপি দক্ষিণের রাজ্যে বেশ ভাল ভোটের আশা করছে। এদিন বিহারে সর্বনিম্ন ৪৬.৩২% ভোট পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কলকাতার পারদ ছুঁল ৪০ ডিগ্রি! আরও বাড়বে তাপমাত্রা, কবে মিলবে স্বস্তি?

    Weather Update: কলকাতার পারদ ছুঁল ৪০ ডিগ্রি! আরও বাড়বে তাপমাত্রা, কবে মিলবে স্বস্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সল্টলেক, দমদমের মতো এবার কলকাতার (Kolkata Summer) পারদ ছুঁল ৪০ ডিগ্রি। শুক্রবার বেলা আড়াইটে পর্যন্ত কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল থেকেই সূর্যের তেজে বাইরে বেরনো দায় ছিল। সন্ধ্যে নামলেও বইছিল গরম হলকানি (Weather Update)। আগামী সাত দিনে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে।

    কোথায়, কত তাপমাত্রা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) পরিসংখ্যান বলছে, শুক্রবার বেলা আড়াইটে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা রয়েছে বাঁকুড়ায়। সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর পরেই আছে আসানসোল। সেখানকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছে ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। এ ছাড়া, শ্রীনিকেতনে শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছে ৪১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ক্যানিংয়ে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দমদমে ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সল্টলেকে ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পারদ উঠেছে।

    কবে মিলবে স্বস্তি

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, আপাতত দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র তাপপ্রবাহ জারি থাকবে। গরমের অস্বস্তি থেকে এখনই রেহাই মিলবে না। আগামী মঙ্গলবার থেকে কালবৈশাখীর দেখা মিলতে পারে। বিকেলের দিকে হালকা বৃষ্টি গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। তবে তার জেরে দক্ষিণবঙ্গে এখন অস্বস্তিকর গরম কমার সম্ভাবনা নেই। উল্টে আগামী তিন দিন তাপমাত্রা এক থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মঙ্গলবার পর্যন্ত গোটা দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    গরমে জোব্বা পরতে হবে না 

    শুক্রবার একটি বিশেষ বিবৃতি জারি করে কলকাতা হাই কোর্ট জানিয়েছে আইনজীবীদের আপাতত এই আবহাওয়ায় কালো জোব্বা পরতে হবে না। আদালতে সাধারণত নির্দিষ্ট পোশাকবিধি মেনেই পোশাক পরতে হয় আইনজীবীদের। তার মধ্যে অন্যতম ওই সিল্ক বা মোটা কাপড়ের কালো জোব্বা। আদালত চত্বরে যা-ও বা অনেকে জোব্বা খুলে হাতে রাখেন, এজলাসে গেলে তা না পরে উপায় নেই। কিন্তু গরমে ওই পোশাক বার বার খোলা-পরার যেমন অনুপযোগী, তেমনই অস্বস্তিকর গরমের মধ্যে ওই জোব্বা পরে এজলাস থেকে এজলাসে ছুটে বেড়ানো। আদালতকে এই অস্বস্তির কথা জানিয়ে দরবার করেছিলেন বহু আইনজীবী। অবশেষে সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে আগামী জুন মাসে আদালতের গ্রীষ্মাবকাশ শেষ হওয়া পর্যন্ত।

    স্কুলে ছুটি ঘোষণা

    একই সঙ্গে এই গরমের ফলে স্কুলগুলির ছুটি এগিয়ে আনা হয়েছে। সরকারি স্কুল সবই বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধআন্ত নিয়ে শিক্ষা দফতর। বেসরকারি স্কুলগুলিকেও গরমের ছুটি এগিয়ে আনার জন্য আবেদন করা হয়েছে। সেই মতো কলকাতা-সহ জেলার বিভিন্ন স্কুল হয় ছুটি দিয়েছে নতুবা স্কুল বন্ধ করে অনলাইন মোডে ক্লাস করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: ডায়াবেটিক কেজরিওয়াল জেলে আম খাচ্ছেন! মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে জামিন পেতে, দাবি ইডির

    Arvind Kejriwal: ডায়াবেটিক কেজরিওয়াল জেলে আম খাচ্ছেন! মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে জামিন পেতে, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো (Arvind Kejriwal) জড়ালেন আম-বিতর্কে। ইডির দাবি, ডায়াবেটিক হওয়া সত্ত্বেও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জেলে বসে আম খাচ্ছেন। ইচ্ছাকৃত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে চাইছেন, যাতে মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে জামিন পেতে পারেন। বৃহস্পতিবার সকালেই কেজরিওয়াল তাঁর চিকিৎসকের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলতে চেয়েছিলেন বলে জানা যায়। রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে তাঁর রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করানোর আবেদনও করেন গত ২১ মার্চ ইডির হাতে ধৃত কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)।

    ইচ্ছাকৃতভাবে জেলে আম মিষ্টি খাচ্ছেন কেজরিওয়াল

    আদালতে ইডি জানায়, কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) রোজ বাড়ি থেকে আনা আলু পুরি, আম, মিষ্টি খান। আর তাতে তাঁর রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি হবেই। ইডি দাবি করে, মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে জামিন পেতে এই কৌশল নিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। এদিন আদালত তিহাড় সংশোধনাগারের কাছে কেজরীর ডায়েট চার্ট চায়। ১৯ এপ্রিল ফের এই মামলার শুনানি হবে।

    আরও পড়ুন: নৌসেনার পরবর্তী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠি, নাম ঘোষণা কেন্দ্রের

    আপ নেত্রীর দাবি ও দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের মন্তব্য

    আপ নেত্রী আতিশী দাবি করেন, “সকলেই জানেন অরবিন্দ কেজরীবাল ৩০ বছর ধরে ডায়াবেটিক। প্রতিদিন ৫৪ ইউনিট ইনসুলিন নিতে হয় তাঁকে। যে কোনও ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করুন। আর সে কারণেই আদালত তাঁর বাড়ির খাবারের অনুমতি দিয়েছে। বাড়িতে রান্না করা খাবার খান তিনি। সব খাবারই ডাক্তারের প্রেসক্রাইব করা।” একইসঙ্গে ইডি কেজরীর আম খাওয়ার যে দাবি করেছেন, আতিশী তা উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, চায়ে যে মিষ্টি খান সেটাও ডাক্তারের মেপে দেওয়া। আপের এমন দাবির পরেই দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনা সমাজ মাধ্যমের পাতায় জানান, আপের এমন দাবির তদন্ত হওয়া উচিত। এর পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টার মধ্য়ে জেল কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্টও চেয়ে পাঠিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindu In Bangladesh: রাম নবমীতেও হামলা, বাংলাদেশের মন্দিরে ভাঙচুর করা হল মূর্তি

    Hindu In Bangladesh: রাম নবমীতেও হামলা, বাংলাদেশের মন্দিরে ভাঙচুর করা হল মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ বাংলাদেশের হিন্দুদের (Hindu In Bangladesh)মন্দিরগুলি নিরাপদ নয়। একের পর এক হিন্দু মন্দিরে হামলা এবং বিগ্রহ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেই চলেছে। গত কয়েক মাসে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা এবং উপজেলায় একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি সে দেশের গাইবন্ধ জেলায় মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গত ১৭ এপ্রিল এই ঘটনাটি ঘটে গাইবন্ধ জেলার পলাশবাড়ী এলাকাতে। যেখানে রাতে দুষ্কৃতীরা হামলা করে মূর্তি ভাঙচুর করে।

    রাম নবমীতে হিন্দু মন্দিরে হামলা

    প্রসঙ্গত চলতি সপ্তাহেই শেষ হয়েছে চৈত্র নবরাত্রি। রাম নবমীর উদযাপনের মধ্য দিয়ে তা সমাপ্ত হয়েছে। বাসন্তী পুজোর রাম নবমীর দিনই এই হামলার ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, স্থানীয় হিন্দুরা বাসন্তী পূজার আয়োজন করে মন্দিরে। ধর্মীয় বিভিন্ন গান সেখানে মাইকে বাজানো হচ্ছিল। এতেই উগ্র মৌলবাদী ইসলামিক কিছু গোষ্ঠী আপত্তি জানায় (Hindu In Bangladesh)। তারা হুমকি দেয় যে মাইক বন্ধ করতে হবে। কিন্তু স্থানীয় হিন্দুরা তাদের কথায় সম্মতি জানায়নি। মাইকে চলতে থাকে ধর্মীয় গান। এতেই সে দেশের উগ্র ইসলামিক গোষ্ঠী লাউডস্পিকার এর মাধ্যমে স্থানীয় মসজিদ থেকে ঘোষণা করতে থাকে। তাদের সম্প্রদায়কে জমায়েত হওয়ার আহ্বান জানায়। কয়েক মিনিটের মধ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি ভিড় এরপরেই মন্দিরে হামলা চালায়। বাসন্তী পূজায় দেবী দুর্গার মূর্তিকে ভাঙচুর করা হয়। মন্দির প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে থাকা হিন্দুদের ওপরেও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

    গতমাসেও হামলা চালানো হয়

    গত মাসেই বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলায় হিন্দু মন্দিরে (Hindu In Bangladesh) দুষ্কৃতীরা তান্ডব চালায়। রাতের অন্ধকারে হিন্দু মন্দির আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। গত মাসের ১৮ তারিখে এই ঘটনা ঘটে। তারপরে এক মাসের মাথায় ফের একবার রাম নবমীর দিনে  দেবী দুর্গার মূর্তি ভাঙার ঘটনা ঘটল। গত মাসের ঘটনায় মন্দিরের ভিতরে থাকা কালী মাতা এবং ভগবান শিবের প্রতিমাকে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • BrahMos Missiles: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    BrahMos Missiles: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনৈতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ করল ভারত। চিনকে চাপে রাখতে ইতিমধ্যেই ফিলিপিন্সের সঙ্গে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই চুক্তির আওতায় শুক্রবার সকালেই ফিলিপিন্সে প্রথম দফায় পৌঁছল ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র (BrahMos Missiles)। ইতিমধ্যেই চিনকে নিশানায় রেখে লাদাখ ও অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র বসিয়েছে ভারত। এবার এই জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র চলে গেল ফিলিপিন্সের নৌ বাহিনীর হাতেও।

    সর্ববৃহৎ সামরিক রফতানি চুক্তি 

    ফিলিপিন্সের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত সর্ববৃহৎ সামরিক রফতানি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত (India-Philippines Relations)। শুক্রবার ভোরেই ফিলিপিন্সে পৌঁছে যায় ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র। ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF C-17) বিমানে চাপিয়ে ফিলিপিন্সে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে নাগপুর থেকে রওনা দেয় বায়ুসেনার ওই বিমান। শুক্রবার ভোরে ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলায় পৌঁছয়। এর সঙ্গে ছিল তিনটি সাধারণ বিমানও। যাতে ছিল অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম এবং ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের সহায়ক যন্ত্রাংশ।

    কেন ফিলিপিন্সে ব্রহ্মস

    ফিলিপিন্সের উপকূলীয় নিরাপত্তার কাজে ভারতে তৈরি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হবে। পশ্চিম ফিলিপিন্স সাগরে আধিপত্য নিয়ে চিনের সঙ্গে সংঘাত রয়েছে ফিলিপিন্সের। সেই আবহে ভারতের সঙ্গে ফিলিপিন্সের এই সামরিক চুক্তিতে চিনের উপর চাপ বাড়বে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে যৌথ উদ্যোগে গঠিত ব্রহ্মস এরোস্পেস সংস্থায় তৈরি ব্রহ্মস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়েও দ্রুতগামী। স্থলভূমির পাশাপাশি ডুবোজাহাজ, জাহাজ, যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া সম্ভব। এই ক্ষেপণাস্ত্রই এবার শোভা পাবে ফিলিপিন্সের নৌ বাহিনীর সমর সম্ভারে। 

    কবে হয়েছিল চুক্তি

    ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ফিলিপিন্সের সঙ্গে সামরিক চুক্তির ঘোষণা করে ভারত। চুক্তি যদিও ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বরই স্বাক্ষরিত হয়।  বিদেশে সামরিক সরঞ্জাম রফতানির ক্ষেত্রে ফিলিপিন্সের সঙ্গে এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রথম অন্য দেশের সঙ্গে সামরিক সরঞ্জাম রফতানির এত বড় চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ভারত।  যা শুক্রবার বাস্তব রূপ পেল। মোট ২,৭০০ কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের সঙ্গে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ফিলিপিন্স। ওই চুক্তির আওতায় ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র  প্রযুক্তি কিনছে তারা। ক্ষেপণাস্ত্রের তিনটি ব্যাটারিও তাদের বিক্রি করছে ভারত। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ফিলিপিন্স নৌসেনার ২১ সৈনিককে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মহম্মদ শামিকে ‘ভাই’ সম্বোধন, ভারতীয় পেসারের আরোগ্যও কামনা করলেন মোদি

    PM Modi: মহম্মদ শামিকে ‘ভাই’ সম্বোধন, ভারতীয় পেসারের আরোগ্যও কামনা করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ১০২ কেন্দ্রে যখন চলছে লোকসভা নির্বাচন, তখন উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় প্রচারে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রচার চলাকালীন হঠাৎই তাঁর মুখে শোনা যায় ক্রিকেটার মহম্মদ শামির নাম। ওয়ার্ল্ড কাপের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী বললেন, “কামাল পারফরমেন্স দেখিয়েছেন ভাই মহম্মদ শামি।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    বিজেপি আয়োজিত এই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরোহার ঢোলক জিআই ট্যাগ পেয়েছে। আর শামি বাজিয়ে দিয়েছেন দেশের ডঙ্কা। এই ঢোলকের শব্দ যেন বারংবার বলে দিচ্ছে কমলে ছাপ।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরোহা কেবল ঢোল নয়, দেশের ডঙ্কাও বাজিয়ে দেবে। ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভাই মহম্মদ শামি যে কামাল দেখিয়েছিলেন, তা উপভোগ করেছিল তামাম বিশ্ব। দুর্দান্ত পারফরমেন্সের জন্য কেন্দ্র তাঁকে অর্জুন খেলরত্ন পুরস্কারে ভূষিত করেছে। যোগ আদিত্যনাথের সরকার তাঁর জেলায় একটি স্টেডিয়াম বানিয়ে দিয়েছে।”

    শামিকে জড়িয়ে ধরেছিলেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রীর মুখে আগেও শোনা গিয়েছে শামির নাম। বিশ্বকাপের ফাইনালে হেরে গিয়েছিল ভারত। মুষড়ে পড়েছিল টিম ইন্ডিয়া। সেই সময় সটান ড্রেসিং রুমে চলে যান প্রধানমন্ত্রী। শামিকে বুকে টেনে নেন। তারপর আর চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি এই বোলার। এদিনের সভায় ফের আরও বেশি করে জনতাকে মতদান করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে আপনাদের মূল্যবান ভোটের ওপর। অ-বিজেপি সরকারের আমলে আমরোহার তেমন উন্নতি হয়নি। তবে উত্তরপ্রদেশে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে আমরোহায়।”

    আরও পড়ুুন: কোথাও তৃণমূলের বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, হামলা! ভোটে অশান্ত উত্তরবঙ্গ

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু শামির হাতে তুলে দেন অর্জুন পুরস্কার। খ্যাতনামা এই পেসার চলতি বছরের আইপিএল থেকে ছিটকে গিয়েছেন। গোড়ালিতে অস্ত্রোপচার হওয়ায় আপাতত সেপ্টেম্বরের আগে বাইশ গজে ফিরতে পারবেন না তিনি। গোড়ালিতে অস্ত্রোপচারের ছবি সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন শামি। সেই ছবি দেখে প্রধানমন্ত্রী এই পেসারের উদ্দেশে লেখেন, “আপনি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন, এই কামনা করি। আমি আশাবাদী, আপনার এই চোট দ্রুত সেরে যাবে। সাহসের সঙ্গে আপনি এই সময়ের মোকাবিলা করবেন (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Poll 2024: ভোটের দিন সকালেই কমিশনে জমা পড়ল ৩৮৩টি অভিযোগ, কী বললেন রাজ্যপাল

    Lok Sabha Poll 2024: ভোটের দিন সকালেই কমিশনে জমা পড়ল ৩৮৩টি অভিযোগ, কী বললেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রথম দফায় রাজ্যে তিন জেলায় ভোট গ্রহণ হচ্ছে। সকাল পেরিয়ে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই নানা জায়গা থেকে অভিযোগের পাহাড় জমা পড়েছে। সকালে নির্বাচন কমিশনের অফিসে ৩৮৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে। কমিশন জানিয়েছে, সব মিলিয়ে ১৯৫টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়েছে এখনও। রাজভবনের পিস রুমেও আসছে একের পর এক অভিযোগ। সূত্রের খবর, কমিশনের দিল্লির অফিস থেকে এ ব্যাপারে রাজ্য এবং জেলা নির্বাচনী দফতরের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। 

    রাজভবনের পিসরুমে অভিযোগ

    শুক্রবার সকাল ১০.৩০ মিনিট নাগাদ কলকাতার রাজভবনের পক্ষ থেকে পিস রুম খোলা হয়েছে ৷ লোকসভা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যদি কোনও অভিযোগ থাকে সাধারণ মানুষের, তাহলে তাঁরা ফোন করে সরাসরি সেই অভিযোগ জানাতে পারবেন রাজভবনে। রাজ্যপাল এদিন নিজে পিস রুমে ছিলেন। তাঁর সামনেই বেশ কিছু অভিযোগ আসে। রাজ্যপাল বলেন,’রাজনৈতিক অশান্তির অভিযোগ আসছে, পুলিশের বিরুদ্ধেও আসছে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ।’ রাজভবনের পিস রুমে সকাল থেকে এখনও পর্যন্ত ১৮৭টি অভিযোগ এসেছে ই-মেলের মাধ্যমে। কোচবিহার থেকে ভুয়ো ভোটের অভিযোগও এসেছে রাজভবনে৷

    কমিশনে জমা পড়া অভিযোগ

    এখনও পর্যন্ত কমিশনে মোট অভিযোগ জমা পড়েছে ৩৮৩ টি। তারমধ্যে ১৯৫ টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে কমিশনের দাবি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে কোচবিহারে, প্রায় ১৩২ টি। আলিপুরদুয়ার এ ৮৩ টি ও জলপাইগুড়ি তে ৫৯ টি।‌ এছাড়া কমিশনের সি-ভিজিল অ্যাপের মধ্যমে আলিপুরদুয়ার এ ৫০ টি, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি তে যথাক্রমে ১৫ ও ১৬ টি করে অভিযোগ জমা পড়েছে। পাশাপাশি সিএম‌এস (CMS) পোর্টালে আলিপুরদুয়ারে ২ টি, কোচবিহারে ২৫ টি ও জলপাইগুড়ি তে ১ টি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন।

    অশান্ত কোচবিহার

    আজ সকাল থেকেই কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গা থেকে হিংসার ঘটনা সামনে এসেছে। কোচবিহার জেনকিন্স স্কুলের বুথে উত্তেজনা দেখা যায় সকাল সকাল। অভিযোগ, নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করে বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি ও তৃণমূলের পতাকা লাগানো হয়েছে। এই বিষয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি। পরে ছবি-পতাকা সরিয়ে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। কোচবিহারের শীতকুচিতেও একাধিক হিংসার ঘটনা ঘটে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি কর্মীকে হাঁসুয়ার কোপ মারারও অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির পোলিং এজেন্টকে অপহরণের অভিযোগও উঠেছে। ২২১ নম্বর বুথের পোলিং এজেন্ট বিশ্বনাথ পালকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের বাইক বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে বিজেপি। এ বিষয়েও রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুন: ভোট-হিংসা ঠেকাতে কমিশনকে বার্তা রাজ্যপালের, কালীঘাট মন্দিরে দিলেন পুজো

    নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট তলব

    কোথাও বুথ থেকে এজেন্টকে বের করে দেওয়া, কোথাও বা বুথের সামনেই বিজেপি-তৃণমূলের সংঘর্ষ, আবার কোথাও বুথের অদূরে বোমা উদ্ধার- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা। এ বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। এত ফোর্সের পরও কোচবিহারে কীভাবে একের পর এক বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা, তা জানতে চেয়েই রিপোর্ট চাইল কমিশন। ১০০ শতাংশ বুথে ওয়েবকাস্টিং এবং প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকার পরেও কেন ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার নীতেশ ব্যাস (Deputy Election Commissioner Nitesh Vyas) রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবকে ফোন করে উদ্বিগ্নতার কথা প্রকাশ করেছেন। বুথের বাইরে কেন এরকম অশান্তি হচ্ছে। অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে নির্দেশ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • JNU: জেএনইউকে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছেন ‘সঙ্ঘী ভিসি’ শান্তিশ্রী, চেনেন তাঁকে?

    JNU: জেএনইউকে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছেন ‘সঙ্ঘী ভিসি’ শান্তিশ্রী, চেনেন তাঁকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) উপাচার্য নিয়োগ করার পরেই মোদি সরকারের মুণ্ডপাত করেছিলেন বিজেপি-বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতারা। অথচ মাত্র দু’বছরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোল বদলে দিয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে গিয়েছেন উন্নতমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকার এক নম্বরে। এখন তাঁর নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছেন এক সময়কার সমালোচকরাও। পুণের সাবিত্রীবাই ফুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন শান্তিশ্রী ধুলিপুড়ি পণ্ডিত। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে নিয়োগ করা হয় জেএনইউয়ের উপাচার্য হিসেবে।

    জেএনইউয়েরই প্রাক্তনী শান্তিশ্রী (JNU)

    শান্তিশ্রী জেএনইউয়েরই প্রাক্তনী। এমফিল এবং পিএইচডিও করেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল, ‘নেহরুর আমলে ভারতের সংসদ ও বিদেশনীতি’। তাঁকেই বসানো হয় জেএনইউয়ের উপাচার্য পদে। তারপরেই দেশজুড়ে শুরু হয় সমালোচনা। সেসব পাত্তা না দিয়েই দায়িত্ব নিয়েছিলেন শান্তিশ্রী। বিশ্ববিদ্যালয়কে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়ে তিনি বলছেন, “জেএনইউ (JNU) কখনওই দেশ-বিরোধী ছিল না, টুকরে টুকরে গ্যাং ছিল না। এই বিশ্ববিদ্যালয় চিরকালই ভিন্নমত, বিতর্ক এবং গণতন্ত্রকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছে।” শান্তিশ্রী জেএনইউয়ের প্রথম মহিলা উপাচার্য। তিনি বলেন, “জেএনইউতে গৈরিকীকরণ হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এ নিয়ে কোনও চাপও নেই।” উপাচার্য বলেন, “আরএসএসের সঙ্গে আমার যে যোগ রয়েছে, তা নিয়ে আমি দুঃখিত নই, এই পরিচয় আমি লুকোতেও চাই না।”

    ‘জেএনইউয়ের নির্দিষ্ট কোনও পরিচয় নেই’

    শান্তিশ্রীর জন্ম রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে। ছোটবেলায় মা মারা যাওয়ার পরে তিনি ফিরে আসেন চেন্নাইয়ে দেশের বাড়িতে। মধ্যবিত্ত সাউথ ইন্ডিয়ান পরিবারে বেড়ে ওঠা তাঁর। আরএসএসের সঙ্গে যোগ থাকায় পড়ুয়ারা তাঁকে আবডালে ‘সঙ্ঘী ভিসি’ বলে ডাকেন। সেই তিনিই হাল ফিরিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU)। QS ranking-এ বিশ্ববিদ্যালয়কে তুলে নিয়ে গিয়েছেন শীর্ষস্থানে। উপাচার্য বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমাদের উচিত এসবের (গৈরিকীকরণ) উর্ধ্বে ওঠা। জেএনইউ দেশের প্রতিষ্ঠান, তার নির্দিষ্ট কোনও পরিচয় নেই। জেএনইউ অন্তর্ভুক্তি ও বিকাশের প্রতীক। আমি সব সময়ই বলি, এই বিশ্ববিদ্যালয় সাত ‘ডি’-এর প্রতীক। এই সাত ‘ডি’ হল ডেভেলপমেন্ট, ডেমোক্রেসি, ডিসেন্ট, ডাইভার্সিটি, ডিবেট ও ডিসকাশন, ডিফারেন্স এবং ডেলিবারেশন।”

    দু’তরফেই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল

    শান্তিশ্রী যখন জেএনইউয়ের দায়িত্ব নেন, তখন ছাত্রবিক্ষোভ তুঙ্গে। দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল ছাত্রদের একাংশের বিরুদ্ধে। দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ায় যাঁরা জড়িত ছিলেন, তাঁরা ‘টুকরে গ্যাং’য়ের সদস্য বলে দেগে দেওয়া হয়েছিল। সে প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, “সেটা একটা ফেজ ছিল। দু’তরফেই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। আমার মনে হয়, নেতারা আন্দোলনকারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি।” তিনি বলেন, “যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু অন্যধারার পড়ুয়া থাকেন, কেবল জেএনইউতেই (JNU) নয়। সেক্ষেত্রে নেতাদেরই দায়িত্ব বর্তায় কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করবেন। কিন্তু আমি মনে করি না যে আমরা দেশ-বিরোধী অথবা টুকরে টুকরে গ্যাং।”

    কী বললেন সঙ্ঘী ভিসি?

    সঙ্ঘী ভিসি বলেন, “আমি মনে করি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই পর্বটা খারাপ ছিল। দু’তরফেই কিছু ভুল হয়েছিল। এর কারণ মেরুকরণ এবং নেতৃত্বের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব। আপনাদের বুঝতে হবে প্রতিটি মানুষ আলাদা। তাঁদের যুক্তিও আলাদা হবে। তবে এই বিশ্ববিদ্যালয় কখনওই দেশ-বিরোধী ছিল না।” তিনি বলেন, “আমি যখন এখানে পড়াশোনা করতাম, তখন এখানে বামেরা রাজত্ব করত। তখনও কেউ দেশ-বিরোধী ছিলেন না। তাঁরা সমালোচক। সমালোচক ও ভিন্নমত পোষণ করলেই কাউকে দেশ-বিরোধী বলে দেগে দেওয়া যায় না।” উপাচার্য বলেন, “আমার মনে হয়, প্রশাসন জেএনইউকে বুঝতে পারেনি। তাই বিশ্ববিদ্যালয়কে পার হতে হয়েছে দুর্ভাগ্যের সেই পর্ব।”

    আরও পড়ুুন: প্রত্যাঘাত করল ইজরায়েল, ইরানের ‘লক্ষ্যবস্তু’তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তেল আভিভের

    স্কুলে বরাবরই প্রথম হতেন শান্তিশ্রী। মেডিক্যাল জয়েন্ট পাশ করে নয়াদিল্লির এইমসে যোগ দিয়েছিলেন। তিন মাস পরে চিকিৎসাশাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনা ছেড়ে দেন। কারণ তাঁকে বলা হয়েছিল হয় গাইনোকোলজি নয়ত চাইল্ড স্পেশালিস্ট হতে হবে। নিউরোলজি নৈব নৈব চ। এইমসের পড়া ছেড়ে শান্তিশ্রী ভর্তি হন কলেজে। পরে হন পুণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন। তাঁর বাবাই আরএসএস অনুমোদিত সেবিকা সমিতির সামার ক্যাম্পে পাঠিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তাঁর আরএসএসের সঙ্গে সখ্যতা। শান্তিশ্রী বলেন, “আমার জীবনে সংঘের সদর্থক প্রভাব রয়েছে। তবে জেএনইউয়ে (JNU) আমাদের গৈরিকীকরণ হয়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে ভোটের (Loksabha Election 2024) প্রচারে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ভূমিকায় যে একেবারে খুশি নন, তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি। তাঁর মতে, একাধিক বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ আরও কঠোর হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা হয়নি। রাম নবমীর অশান্তির কারণ মমতা। তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল। ঠিক এমনটাই জানান শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), মমতার উস্কানিমূলক ভাষণ প্রসঙ্গে বলেন, “সংখ্যালঘু ভোট হারাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। অশান্তি ছড়ানো হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গোলমাল পাকানোর চেষ্টা হচ্ছে। পুলিশ যদি আগেভাগে ব্যবস্থা নিত, তাহলে এই ঘটনা ঘটার কথাই নয়। হিংসা নিয়ে সাত দিন ধরে চিৎকার করে গেছেন মমতা। নির্বাচন কমিশনের সাহস থাকলে তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” রাম নবমীর অশান্তির কারণ হিসেবে মমতার ষড়যন্ত্রকেই দায়ী করেছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি রাজ্যপালের উত্তরবঙ্গ সফর প্রসঙ্গে বলেন, “রাজ্যপালকে যে ভাবে উত্তরবঙ্গে আসা থেকে আটকেছে নির্বাচন কমিশন, সেটা সমর্থনযোগ্য নয়।”

    আরও পড়ুনঃ প্রথম দফা লোকসভা ভোটের আগেই কোচবিহারে কর্তব্যরত জওয়ানের মৃত্যু

    ফাঁসিদেওয়া ব্লকে নির্বাচনী প্রচারে শুভেন্দু

    বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের ফাঁসিদেওয়া ব্লকে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দার্জিলিং-এর বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার (Raju Bista) সমর্থনে প্রচার কর্মসূচি ছিল তাঁর। সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতৃত্বকে কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর ভাষণে উঠে আসে রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গ। আগেভাগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন রাম নবমীতে হিংসা হবে। এরপরই দেখা যায় বুধবার রাম নবমীর দিন মুর্শিদাবাদে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অগ্নিসংযোগ করা হয়। আশপাশের বাড়ি থেকে মিছিলকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share