Tag: bangla news

bangla news

  • NIA:  ভূপতিনগরে হামলায় জখম এনআইএ আধিকারিকের স্বাস্থ্য রিপোর্ট চাইল পুলিশ

    NIA: ভূপতিনগরে হামলায় জখম এনআইএ আধিকারিকের স্বাস্থ্য রিপোর্ট চাইল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরে ভূপতিনগরে অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন এনআইএ-র আধিকারিক। ভাঙচুর করা হয় তাঁদের গাড়ি। হামলার ঘটনার জের থানা পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্তু, এখনও পুলিশ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ওপর যারা হামলা করেছিলেন, সেই হামলাকারীদের কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানা যায়নি। তবে, এনআইএ (NIA) আধিকারিক কতটা জখম হয়েছে তা নিয়ে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত রিপোর্ট চাইল পুলিশ।

    পুলিশের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (NIA)

    এমনিতেই এই হামলার ঘটনা নিয়ে লোকসভার মুখে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জলপাইগুড়ির সভায় এসে এই হামলার জন্য তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। এই ঘটনার সঙ্গে সন্দেশখালির ঘটনার তুলনা করে দোষীদের কড়া শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। আর পাল্টা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার পর হামলাকারীদের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। এনআইএ কেন গ্রামে তদন্ত করতে গেল তা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্তদের ভোটের মুখে কেন গ্রেফতার করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। স্বাভাবিকভাবে, রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা যখন এনআইএ-র (NIA) গতিবিধি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, হামলাকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছেন। সেখানে পুলিশের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা অসম্ভব বলে গেরুয়া শিবিরের কর্তারা মনে করছেন। তাই, স্বাস্থ্য রিপোর্ট চেয়ে আদৌ হামলা হয়েছে কি না তা পুলিশ জানার চেষ্টা করছে। এমনটাই মনে করছে বিরোধীরা।

    আরও পড়ুন: নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    সন্দেশখালির পর তিন মাসের মধ্যে প্রায় একই ঘটনা ঘটার অভিযোগ উঠেছে ভূপতিনগরে। এনআইএ (NIA) তাদের বিবৃতিতে দাবি করে, শনিবার অভিযানে গিয়ে তাদের এক আধিকারিক অল্প আহত হয়েছেন। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। অভিযোগ,অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য যাতে থানায় যেতে তাঁরা না পারেন, তাই ওই হামলা হয়। এ নিয়ে এনআইএ একটি এফআইআর দায়ের করে ভূপতিনগর থানায়। শনিবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে ওই থানায় ফোন আসে। পুলিশ জানায়, তারা তদন্ত শুরু করেছে। এ নিয়ে এনআইএর তরফে কী প্রতিক্রিয়া এসেছে, তা জানা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “তদন্তের নিয়ম অনুসরণ করেই এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। আপাতত এর চেয়ে বেশি কিছু বলা যাবে না।”

    বিস্ফোরণের তদন্তে গ্রামে এনআইএ

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ভূপতিনগরের নাড়ুয়াবিলা গ্রামে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রাজকুমার মান্নার বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ ওঠে। তিন জনের মৃত্যু হয়। আদালতের নির্দেশে ২০২৩ সালে ওই ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় এনআইএ। ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানাকে একাধিক বার নোটিস পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, বার বারই হাজিরা তাঁরা এড়িয়ে যান। তার পরই শনিবার অভিযান চালায় এনআইএ (NIA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: তাপমাত্রার হেরফেরে‌ বাড়ছে ডেঙ্গির আশঙ্কা! রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

    Dengue: তাপমাত্রার হেরফেরে‌ বাড়ছে ডেঙ্গির আশঙ্কা! রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের আঁচে পুড়ছিল গোটা রাজ্য। কিন্তু দিন দুয়েকের মেঘলা আকাশ আর বৃষ্টি অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছিল। তাপমাত্রার পারদও তাই ওঠানামা করছে। আর তার জেরেই রাজ্য জুড়ে আবহাওয়া বেশ খামখেয়ালী। আর এই পরিস্থিতিতেই উদ্বেগ‌ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গির প্রকোপ রয়েছে। শীতকালে কিছুটা সংক্রমণ কমলেও একেবারে বন্ধ হয়নি। গরম পড়তেই কলকাতার মতো বড় শহর থেকে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল, সর্বত্র মশার দাপট শুরু হয়েছে। তার সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গি। আর এই তাপমাত্রার রকমফের সেই বিপদ আরও বাড়াচ্ছে।

    কেন‌ এই আবহাওয়ায় ডেঙ্গির বিপদ‌ বাড়ছে? (Dengue)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শহর থেকে গ্রাম, সর্বত্র নিকাশি প্রক্রিয়া ভালো নয়। তার জেরে বৃষ্টি হলেই জল জমে যাচ্ছে। জমা জলে মশা বংশবিস্তার করে। আর গরমে মশার উপদ্রব আরও বাড়ে। আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, বৃষ্টি এই সময়ে লাগাতার হবে না।‌ কিন্তু দিন কয়েকের বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন জায়গায় জমা জলের সমস্যা থাকবে। আর তার জেরেই বাড়বে‌ ডেঙ্গি। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগী ভর্তি অব্যাহত। তাই এই পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক‌ হবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি নিয়ে বিশেষ সক্রিয় না‌ হলে চলতি বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ডেঙ্গি সংক্রমণ রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। এই বছরে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষত যাঁরা একবার আক্রান্ত হয়েছেন, ফের তাঁরা ভিন্ন প্রজাতির ডেঙ্গি (Dengue) ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন।‌ আর তার জেরে তাঁদের শারীরিক পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হবে। প্রথম থেকেই ডেঙ্গি নিয়ে প্রশাসন কড়া মনোভাব না দেখালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে না বলেই আশঙ্কা করছেন‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বাসিন্দাদের একাংশের ক্ষোভ (Dengue)

    হাওড়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, কলকাতা সহ একাধিক জেলার বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রশাসনের ভূমিকা‌ একেবারেই চোখে পড়ে না। তাদের অভিযোগ, চলতি বছরের শুরু থেকেই প্রশাসনের ঢিলেঢালা মনোভাব। নর্দমা পরিষ্কার কিংবা মশানিধন কর্মসূচি, কিছুই চোখে পড়ে না। এমনকি সময় মতো এলাকা পরিষ্কার করে না পুরসভা। এমন অভিযোগ হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ দমদম সহ একাধিক পুর এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের। যার ফলে তাদের ডেঙ্গির ভোগান্তি লেগেই আছে বলে জানাচ্ছেন এই সব এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ।

    কী বলছেন প্রশাসনিক কর্তারা?

    রাজ্য প্রশাসন অবশ্য জানাচ্ছে, ডেঙ্গি (Dengue) রুখতে প্রশাসন‌ যথেষ্ট সক্রিয়। বছরভর কর্মসূচি চলছে। বাড়ি-বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করার কাজও চলছে। তবে ডেঙ্গি নির্মূল সম্ভব নয়। প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, “প্রশাসন যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। ডেঙ্গি রুখতে সব রকম কর্মসূচি চলছে। তারপরেও কোথাও কোনও অভিযোগ থাকলে সরাসরি পুরসভা কিংবা স্বাস্থ্য দফতরে জানানো যায়। অভিযোগ খতিয়ে দেখে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Prawns: জলের পোকা বলে শুধুই ‘বদনাম’! কোন‌ শারীরিক সমস্যার সহজে মোকাবিলা করে চিংড়ি?

    Prawns: জলের পোকা বলে শুধুই ‘বদনাম’! কোন‌ শারীরিক সমস্যার সহজে মোকাবিলা করে চিংড়ি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    খাদ্য রসিকদের অনেকেরই পছন্দের পদ! তবুও জলের পোকা বলে বদনাম তার আছেই! চিংড়ি (Prawns) নিয়ে তাই নানা লোকের নানা মত! অনেকেই মনে করেন, চিংড়ি খেলেই পেটের সমস্যা হতে পারে। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গিয়েছে, চিংড়ির উপকার একাধিক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাধিক শারীরিক সমস্যা চিংড়ি খেলে সহজেই মোকাবিলা করা যায়। অ্যালার্জির সমস্যা না থাকলে, চিংড়ির পুষ্টিগুণ শরীরের জন্য খুবই উপকারী। দেখা যাক, কোন ধরনের শারীরিক সমস্যার সমাধানে সাহায্য করে চিংড়ি?

    সহজে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে, তাই পেশির সমস্যা কমে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিংড়ি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। তাই চিংড়ি খেলে দেহের প্রোটিনের চাহিদা সহজেই‌ পূরণ হয়। দেহের ৪২ শতাংশ প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম চিংড়ি। দেহে প্রোটিনের চাহিদা ঠিকমতো সহজে পূরণ হলে একাধিক শারীরিক সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। বিশেষত পেশির সমস্যা সহজেই কমানো‌ যায়। প্রোটিনের ঘাটতি থেকেই পেশিতে ব্যথা ও দুর্বলতা তৈরি হয়। চিংড়ি (Prawns) প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করায় সহজেই পেশির সমস্যা কমে।

    মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখে, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিংড়িতে (Prawns) রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস এবং আয়োডিন। এই দুই উপাদান মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। আয়োডিন স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। তাই কম বয়সি থেকে বয়স্ক, অনেকেই এখন স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যায় ভুগছেন। চিংড়ি খেলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়বে। ফলে স্মৃতিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যাও কমবে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    হাড়ের শক্তি বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে (Prawns)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিংড়ি মাছে ক্যালসিয়াম, ওমেগা থ্রি এবং ফ্যাটি অ্যাসিড প্রচুর পরিমাণে আছে। এই উপাদানগুলো হাড়ের জন্য বিশেষ উপকারী। দেশজুড়ে মহিলাদের হাড় ক্ষয়ের সমস্যা বাড়ছে। তাই চিংড়ি মাছ খেলে হাড় মজবুত হবে। হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি কমবে। এমনই মনে করছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।

    রক্তাল্পতার সমস্যা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে (Prawns)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিংড়ি মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি১২, মিনারেল। এই উপাদানগুলো শরীরে রক্তের ঘাটতি পূরণ করে। ফলে রক্তাল্পতার সমস্যা দূর হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: কংগ্রেসের ইস্তাহারে মিথ্যার বেসাতি, মার্গ দর্শন কোথায়?

    Lok Sabha Election 2024: কংগ্রেসের ইস্তাহারে মিথ্যার বেসাতি, মার্গ দর্শন কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৪ সালের আগে পর্যন্ত পর্বে দীর্ঘ সময় দেশ শাসন করেছে কংগ্রেস। ফি বার নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) আগে নিয়ম করে প্রকাশ করেছে ইস্তাহারও। তবে সেসবই মিথ্যার ফুলঝুরি। কংগ্রেসকে বিশ্বাস করে হাত উপুড় করে ভোট দিয়েছে জনতা। এতে লাভ হয়েছে একটা। বছরের পর বছর রাজত্ব করে গিয়েছে গান্ধী পরিবার। বাবার পর মেয়ে, মেয়ের পর তাঁর ছেলে… রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পরে অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছেন গান্ধী পরিবারের বাইরের নেতা। তবে তাঁদের প্রত্যেকের টিকি বাঁধা ছিল গান্ধী পরিবারের কাছে। তাই দীর্ঘ সময় কংগ্রেস চালকের আসনে বসলেও ফুলেফেঁপে উঠেছেন নেতারা। দেশ এগোয়নি এক পা-ও।

    মানুষের বিশ্বাস হারিয়েছে কংগ্রেস (Lok Sabha Election 2024)

    বারংবার ঠকতে ঠকতে কংগ্রেসের ওপর বিশ্বাসটাই হারিয়ে ফেলেছেন দেশবাসী। তাই ২০১৪ সালে দেশের চালকের আসনে মানুষ বসায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএকে। যে সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৪ সালে মানুষ কংগ্রেস নয়, ভরসা করেছে বিজেপির ইস্তাহারের ওপর। কারণ তার আগে প্রত্যেকবার কংগ্রেসের ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দেওয়া হলেও, তা কীভাবে পূরণ করা হবে তার কোনও দিশা দেখানো হয়নি। কখনও তোষণের রাজনীতি, কখনও আবার জোটের নামে ঘোঁট পাকিয়ে কংগ্রেস শাসন করে গিয়েছে দেশ। ভোট সর্বস্ব রাজনীতি (Lok Sabha Election 2024) করতে গিয়ে ভারতকে কীভাবে জগৎ সভায় ফের শ্রেষ্ঠ আসনে বসানো যায়, তা ভাবতে ভুলেই গিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। যার জেরে কংগ্রেসের আমলে রাশিয়ার বাইরে ভারতকে সেভাবে কেউ চিনত বলে মনে হয় না। এর এক এবং একমাত্র কারণ, কীভাবে বছরের পর বছর ক্ষমতায় থাকা যাবে তা নিয়ে ভেবেছে কংগ্রেস, দেশের কী হবে, গরিবের কী হবে তা কখনও ভাবেননি ইন্দিরা গান্ধী কিংবা তাঁর উত্তরসূরিরা। যার জেরে ক্রমেই পিছিয়ে পড়েছিল দেশ।

    ইস্তাহার রয়েছে, দিশা নেই

    আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে কংগ্রেস যে ইস্তাহার প্রকাশ করেছে, তার পোশাকি নাম ‘ন্যায়পত্র’। তাতে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদহীন স্বাস্থ্যবিমা, অগ্নিপথ তুলে দেওয়া, জাতগণনা সহ গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্যবিমার টাকা কোথা থেকে আসবে, অগ্নিপথ কীভাবে তোলা যাবে, বিকল্পই বা কী, এত বড় একটা দেশে জাতগণনাই বা কীভাবে সম্ভব, তার কোনও দিশা নেই গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির ‘ন্যায়পত্রে’।  দেখেশুনে মনে হচ্ছে, কংগ্রেস জনমোহিনী ইস্তাহার তৈরি করেছে তো বটে, কিন্তু, বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও মিল নেই। গোটাটাই আষাঢ়ে গল্প ছাড়া কিছুই নয়। এই সমস্ত ফাঁকা প্রতিশ্রুতি কেবলমাত্র যে এক শ্রেণির ভোটারকে কেন্দ্র করেই, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। উদ্দেশ্যটা স্পষ্ট— দেশের উন্নতি, প্রগতি রসাতলে যাক, জনমোহিনীর ধোঁয়া দিয়ে নিজেদের আখেরেটা গোছাতে পারলেই হল।

    কংগ্রেসের পদাঙ্ক অনুসরণ তৃণমূলেরও

    কংগ্রেসের ডিএনএ থেকে জন্ম নেওয়া তৃণমূলের দশাও তাই। সর্বভারতীয় দল বলে নিজেদের দাবি করলেও, আদতে ক্ষমতায় রয়েছে কেবল পশ্চিমবঙ্গে। ক্ষমতায় থাকতে কংগ্রেসের মতো তারাও বেছে নিয়েছে সস্তার রাজনীতি। তাদেরও লক্ষ্য হল, দান-খয়রাতি এবং তোষণের রাজনীতি করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে হবে যেন-তেন-প্রকারেন। এই হাটুরে রাজনীতি (Lok Sabha Election 2024) করতে গিয়ে কেন্দ্রের দেওয়া সরকারি নানা প্রকল্পের টাকা অকাতরে বিলানো হয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কিংবা ‘শ্রী’-যুক্ত (যুবশ্রী ইত্যাদি) কোনও প্রকল্পে। খয়রাতির পয়সা পেয়ে জনগণও উজাড় করে ভোট দিয়েছেন তৃণমূলকে। যার জেরে আক্ষরিক অর্থেই ধরাকে সরা জ্ঞান করে কার্যত লুটে খাওয়ার রাজনীতি করে গিয়েছে ঘাসফুল শিবিরের অনেক নেতাই। সামান্য মাছ বিক্রেতা থেকে কেউ বনে গিয়েছেন কোটিপতি, কেউ আবার কালীঘাটের কমবেশি ৪০টি প্লটের মালিক হয়েছেন স্রেফ ‘রাজনীতি’ করে। রাজ্যে শিল্প নেই। বাম রাজত্বের পর যে ক’টা কলকারখানায় সাতসকালে ভোঁ বাজত, শ্রমিক-কর্মচারিরা ডিউটি ধরতে ছুটতেন, তৃণমূলের শাসনে সেক’টিতেও তালা ঝুলেছে। কলকারখানার চিমনি থেকে ধোঁয়া বের না হওয়ায় হয়তো দূষণ খানিক কমেছে, তবে পেটে গামছা দিয়ে পরিবার নিয়ে পড়ে ছিলেন শ্রমিকরা।

    (ঢপের) চপ শিল্প

    মোদি সরকার গত পাঁচ বছর ধরে রেশনে মুফতে চাল দিচ্ছে, তাই দু’বেলা খাবার জুটছে এই সব পরিবারে। না হলে যে কী হত! অবশ্য রোজগারের (Lok Sabha Election 2024) উপায় বের করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী স্বয়ং। তাঁর পরামর্শ, চপ শিল্প করুন। তিনি আউড়ে গিয়েছেন, সেই অমোঘ সত্যবাণী, কোনও কাজই ছোট নয়। হক কথা। তবে কেন তাঁর দলের নেতারা রাজনীতি করে ‘কামাই’ করছেন? কেন চপের দোকান খুলছেন না? আর সবাই (ঢপের) চপ শিল্প চালালে ক্রেতাই বা জুটবে কোত্থুকে? তার দিশা নেই এই সর্বজ্ঞের কাছে। তাই বাংলার অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। ঘরে ঘরে শিক্ষিত বেকার। হা-চাকরি দশা। বিরাট বিরাট ডিগ্রিধারীরাও পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে ভিন রাজ্য চলে যাচ্ছেন সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজে!

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেস গরিবদের উপোসে রেখে জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি”, তোপ যোগীর

    ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    এবার তাকানো যাক মুদ্রার উল্টো পিঠে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে উন্নয়নের বিজয়রথ টেনে নিয়ে যাচ্ছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার। পদ্ম-ইস্তাহারে মিথ্যার বেসাতি নেই, রয়েছে নির্ভেজাল আশ্বাস, নিশ্চিত দিশা। যার জেরে গত ১০ বছরে দেশ এগিয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের গতিতে। এখন আর মানুষকে পিঁপড়ের ডিম খেতে হয় না। খিদের জ্বালায় কাঁদতে থাকা ছেলেকে ভোলাতে এখন আর দেশের কোনও মাকে হাঁড়িতে কেবলই জল গরম করতে হয় না। রেশনে পাওয়া চালেই হয় ভাত। কাঠের জ্বালের বদলে হেঁসেলে চলে এসেছে সস্তার উজালা গ্যাস। এখন দ্রুত রান্না সেরে, ছেলে মেয়েকে খাইয়ে স্কুলে পাঠিয়ে ভারতের কোনও এক অখ্যাত গাঁয়ের বধূও হাতে ফাইভ জি মোবাইল নিয়ে চন্দ্রাভিযানের লাইভ শো দেখেন।

    ভারত যে এখন নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে! পূরণ হয়েছে আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্ন (Lok Sabha Election 2024)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Cooch Behar: নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    Cooch Behar: নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কোচবিহারে (Cooch Behar) এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঝড় তুলে দিয়েছেন। এই জেলায় তৃণমূল ছে়ড়ে বিজেপিতে যোগদান পর্ব লেগেই রয়েছে। প্রচারেও অনেকটাই এগিয়ে দলীয় প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। এমনই দাবি গেরুয়া শিবিরের। এই আবহের মধ্যে এবার কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের সভার আগে মঞ্চ ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের আগে এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    সোমবার কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা-২ ব্লকের কিসামঠ গ্রাম পঞ্চায়েতের খেরবাড়ি হাট এলাকায় বিজেপি প্রার্থী নিশীথের সভার প্রস্তুতি চলছিল। এলাকার উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ওই সভামঞ্চ তৈরি করা হয়। সোমবার বিকালে সেখানে সভা করার কথা ছিল। মিটিং শুরু হওয়ার আগেই মঞ্চে ভাঙচুর চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পরে, সেখানে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে, বিজেপি নেতৃত্ব সভাস্থলে এসে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে, থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে, নতুন করে মঞ্চ করে বিজেপি নেতৃত্ব সেখানে সভাও করে।

    আরও পড়ুন: ভোটে মূল প্রতিপক্ষ পুলিশ! নিয়ন্ত্রণের আর্জি শুভেন্দুর, পুলিশ পর্যবেক্ষকের দ্বারস্থ বিজেপি

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক অজয় রায় বলেন,  “আমাদের এলাকায় বহু তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেছে। তাতেই ভয় পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেরা রাতের অন্ধকারে মঞ্চ ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসব করে কোনও লাভ হবে না। মানুষ বিজেপি-র পক্ষে রয়েছে।” তৃণমূলের দিনহাটা-২ ব্লকের ব্লক সভাপতি দীপককুমার ভট্টাচার্য বলেন, “বিজেপির সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। আসলে বিজেপি প্রার্থী বুঝে গিয়েছেন যে, এই নির্বাচনে তিনি হেরে যাচ্ছেন। তাই নিজেদের অনুষ্ঠানের মঞ্চে নিজেরাই আগুন ধরিয়ে দিয়ে তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন ওঁরা। এ ভাবে মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে, মানুষ সবই জানে। এ সব মিথ্যা অভিযোগ করে কোনও লাভ হবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindu New Year: শুরু হল হিন্দু নববর্ষ ‘বিক্রম সংবত ২০৮১’, জানেন এর তাৎপর্য?

    Hindu New Year: শুরু হল হিন্দু নববর্ষ ‘বিক্রম সংবত ২০৮১’, জানেন এর তাৎপর্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি থেকে হিন্দু নববর্ষ (Hindu New Year) বিক্রম সংবত ২০৮১ শুরু হল। ৫৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই বিক্রম সংবত শুরু করেন মহারাজা বিক্রমাদিত্য। এই বছর ৯ এপ্রিল ২০২৪ থেকে শুরু হল চৈত্র নবরাত্রি। আর এই দিনটি থেকেই শুরু হল নতুন হিন্দু বছর বিক্রম সংবত ২০৮১ (Vikram Samvat 2081)। পুরাণ মতে, এই দিনেই শ্রী রামচন্দ্রের রাজ্যাভিষেক হয়েছিল। আর এই দিন থেকেই শুরু হয় চৈত্র নবরাত্রি। ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু এবং শিখরা এই ক্যালেন্ডার পদ্ধতি অনুসরণ করেন। এখানে সংবত শব্দের অর্থ হল বছর। 

    চলতি বছরে বিক্রম সংবতের তাৎপর্য

    জ্যোতিষ শাস্ত্রে হিন্দু নববর্ষের (Hindu New Year) রাজা ও মন্ত্রীর উল্লেখ পাওয়া যায়। সম্বৎ কার্যকরী হওয়ার নিয়ম অনুযায়ী যে সময় যে তিথি লাগে, সেই সময় থেকে সংবত বা নববর্ষের অধিপতি বা রাজা নির্ধারিত হয়। বৈদিক পঞ্জিকা অনুযায়ী চলতি বছর ৮ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে প্রতিপদ তিথি শুরু হচ্ছে। এ সময় থেকেই শুরু হচ্ছে বিক্রম সম্বৎ ২০৮১। এই নববর্ষের রাজা চাঁদ না-মঙ্গল, তা নিয়ে অনেকের মনে বিভ্রান্তি রয়েছে। কিছু পঞ্জিকা উদয়া তিথি গণনা করে এ বছরের রাজার পদে মঙ্গলকে বসাচ্ছেন এবং মন্ত্রী হবেন শনি। কিন্তু কিছু জ্যোতিষীদের মতে, যেহেতু চৈত্র শুক্ল প্রতিপদ তিথি ৮ তারিখ রাতে ১২টার আগে শুরু হচ্ছে, তাই বিক্রম সংবত ২০৮১-র রাজা হবে চন্দ্র। চলতি বছর গ্রহের এমন পরিস্থিতির কারণে নববর্ষে ভালো বৃষ্টি হবে, বলে মনে করছেন জ্যোতিষবিদরা। এর ফলে প্রজা সুখী ও সম্পন্ন থাকবে। রসযুক্ত পদার্থের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। দেশে অধিক পরিমাণে ধর্ম-কর্মের কাজ হবে। জনতার প্রভাব বৃদ্ধি পাবে। এমনকি শাসনক্ষমতার ওপর জনতার প্রভাব থাকবে। জনহিতকর কাজে প্রধানের অধিক নজর থাকবে। মহিলাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কোনও বড় ও লাভজনক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহিলাদের প্রভাব বাড়বে। 

    হিন্দু ক্যালেন্ডারে কটা মাস

    বাংলা বা ইংরেজির মতো হিন্দু ক্যালেন্ডারেও রয়েছে ১২টি মাস, যার মধ্যে প্রথম মাস হল চৈত্র। এরপর বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্রপদ, আশ্বিন, কার্তিক, মার্গশীর্ষ, পৌষ, মাঘ এবং শেষ মাস হল ফাল্গুন। ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী যেমন জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে শুরু হয় নতুন বছর, তেমনই চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি থেকে শুরু হয় হিন্দু নববর্ষ। ইংরেজি ক্যালেন্ডারের ২০২৪ সাল হল হিন্দু ক্যালেন্ডারের নতুন বছর ২০৮১ বর্ষ।

    প্রকৃতি দেবীর প্রভাব

    ভারতীয় কালগণনা প্রকৃতিদেবীর (Hindu New Year) উপর ভিত্তি করেই তৈরি হয়েছে। বসন্ত ঋতু প্রাকৃতিক কারণে নবজীবনের বার্তা বয়ে আনে। এই সময় প্রকৃতিও নবরূপ ধারণ করে। তাই এই দিনটি সমগ্র মানবজাতির নতুন বছরের প্রথম দিন। গোটা দেশেই এই সময়টায় নানা নামে নতুন বছরের প্রথম দিন হিসাবে পালিত হয়। শুধু ভারতে নয় নেপাল সরকার তার সরকারী ক্যালেন্ডার হিসাবে বিক্রম সংবত ( Vikram Samvat 2081) ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে। এই ক্যালেন্ডারটি নেপালের একটি ঐতিহ্যবাহী ক্যালেন্ডার, মূলত সূর্যের অবস্থান পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে এবং ঐতিহ্যবাহী উৎসব এবং জাতীয় ছুটির দিন সহ বিভিন্ন জাতীয় কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়। 

    আরও পড়ুুন: পদ্মকাননে মাধবীলতা! কে এই মহীয়সী, যাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ খোদ মোদি?

    হিন্দু নববর্ষ পালনের ঐতিহাসিক কারণ

    হিন্দু নববর্ষ পালনের পিছনে কয়েকটি ঐতিহাসিক কারণও রয়েছে। ব্রহ্মপুরাণ মতে, এই দিনেই প্রজাপতি ব্রহ্মা জগৎ সৃষ্টি করেন। তাই পৃথিবীতে এটি কালগণনার প্রথম দিন। কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধের শেষে যে যুগাব্দ গণনা শুরু হয়েছিল তা এই দিনটি থেকেই। এ বার শুরু হতে চলেছে ৫১২৬ যুগাব্দ। আবার উজ্জয়িনীর সম্রাট অত্যাচারী শকদের পরাজিত ও বিতাড়িত করে ‘শকারি বিক্রমাদিত্য’ উপাধি গ্রহণ করে ‘বিক্রম সংবত’ প্রবর্তন করেন এই দিন থেকেই। এ বার ২০৮১ বিক্রমাব্দের সূচনা হবে। এখানেই শেষ নয়। চৈত্র মাসের শুক্লা প্রতিপদ তিথিতেই যুধিষ্ঠিরের রাজ্যাভিষেক হয়েছিল। আবার এই দিন থেকেই চৈত্র নবরাত্রির সূচনা হয়। এই দিনেই শ্রী রামচন্দ্রের রাজ্যাভিষেক হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোটের মুখে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, প্রকাশ্যে চলল গুলি, গুলিবিদ্ধ ৪

    Murshidabad: ভোটের মুখে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, প্রকাশ্যে চলল গুলি, গুলিবিদ্ধ ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে জমি নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ। আর তার জেরেই গ্রামের মধ্যে প্রকাশ্যেই চলল গুলি। ধারালো অস্ত্র নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্রামে সাদল গ্রামে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন সমিরুল শেখ এবং মন্তাজ শেখ সহ নামে মোট চারজন। মারামারি করে আহত হলেন আরও সাত জন। জেলা পুলিশ সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব বলেন, জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই ওই ঘটনা। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি জমির দখলদারিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন ধরে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্রাম থানার সাদল গ্রামে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ চলছিল। সোমবার বিকেলে নদীর চরে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সেখানে লাটু শেখ, আবুল শেখ, সারুল শেখ এবং কবীর শেখ আগ্নেয়াস্ত্র বার করে শূন্যে গুলি চালাতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। এরপরই পাল্টা হামলার চেষ্টা করে তৃণমূলের অন্য পক্ষ। তখন ওই পক্ষের দিকে গুলি ছোড়া হয়। তাতে চার জন জখম হন। পাশাপাশি অস্ত্র নিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করা হলে দুই পক্ষের আরও কয়েক জন জখম হন। তাঁদের আরও দাবি, গোলাগুলি থেকে নিজেদের বাঁচাতে দু’জন স্থানীয় মসজিদে আশ্রয় নেন। সেখানেও তাঁদের উপরের আক্রমণ চালানো হয়। পুলিশ পৌঁছে মসজিদের ভিতর থেকে তাঁদের উদ্ধার করেছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, জমি সংক্রান্ত বিবাদে এই অশান্তি হয়েছে।। সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ভোটে মূল প্রতিপক্ষ পুলিশ! নিয়ন্ত্রণের আর্জি শুভেন্দুর, পুলিশ পর্যবেক্ষকের দ্বারস্থ বিজেপি

     ১৮ রাউন্ড গুলি চলে!

    গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী সামিরুল শেখ বলেন, “স্থানীয় নদী বাঁধে অবৈধ ভাবে মাটি কাটা শুরু করে এলাকার দুষ্কৃতীরা। গ্রামের সবাই মিলে প্রতিরোধ করতে গেলে আমাদের ঘিরে ধরে গুলি চালায়। বাঁশ, লোহার রড ও হাঁসুয়া দিয়ে আক্রমণ করা হয় আমাদের। প্রায় ১৮ রাউন্ড গুলি চালায়। মোট চারজন গুলিবিদ্ধ হয়েছি। বেশ কয়েক জন জখম হয়েছে। আমরা তৃণমূল দল করি, ওরাও তৃণমূলের কর্মী এবং সমর্থক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Enforcement Directorate: ‘হাজিরা দিতে এসেছি’! ইডি দফতরে শিল্পপতি হর্ষ নেওটিয়া, কোন মামলায়?

    Enforcement Directorate: ‘হাজিরা দিতে এসেছি’! ইডি দফতরে শিল্পপতি হর্ষ নেওটিয়া, কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিল্পপতি হর্ষ নেওটিয়াকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। মঙ্গলবার, সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে থামে তাঁর গাড়ি। নেমেই ইডি দফতরে প্রবেশ করেন হর্ষ (Harsh Neotia)। সূত্রের খবর, সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। তার আগেই তিনি পৌঁছে যান ইডির দফতরে। ঢোকার মুখে সংবাদমাধ্যম তাঁকে ঘিরে ধরলে, তিনি জানান, তাঁকে ডাকা হয়েছে, তাই তিনি হাজিরা দিতে এসেছেন। যদিও, কোন মামলা বা ঠিক কী কারণে তলব, সেই বিষয়ে মুখ খোলেননি শিল্পপতি। শুধু জানান, বেরিয়ে সব বলবেন। 

     

    আরও পড়ুন: ভোটে ব্যবহৃত গাড়িতে জিপিএস ট্র্যাকিং, আরও চার আয়-ব্যয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ কমিশনের

    আর্থিক লেনদেনে তলব শিল্পপতিকে?

    একটা বিষয় পরিষ্কার। তা হল, ইডি (Enforcement Directorate) ডেকেছে যখন, তখন কোনও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তদন্তের প্রক্ষিতে তলব করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতি সহ একাধিক মামলায় বিভিন্ন নির্মাণ সংস্থার নাম প্রকাশ্যে এসেছিল। উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের দেওয়া চার্জশিটে একাধিক নির্মাণকারী সংস্থার নাম উঠে এসেছে। নিয়োগের কালো টাকা এই সংস্থাগুলির মাধ্যমে সাদা করা হত বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই সূত্রেই হর্ষ নেওটিয়াকে (Harsh Neotia) তলব করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে।

    ২০১৫ সালেও তলব করেছিল ইডি

    এই প্রথম নয়। এর আগেও একবার হর্ষবর্ধন নেওটিয়াকে তলব করেছিল ইডি (Enforcement Directorate)। সেটা ছিল ২০১৫ সালে। সেবার সারদা মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছিলেন হর্ষ (Harsh Neotia)। তবে, এবার তাঁর হাজিরা বাংলার শিল্পমহলে আলোড়নের সৃষ্টি করেছে। কারণ, কলকাতা তথা বাংলার শিল্পমহলে যথেষ্ট জনপ্রিয় তিনি। অম্বুজা নেওটিয়া গ্রুপের কর্ণধার হর্ষ মূলত নির্মাণ ব্যবসার সঙ্গেই জড়িত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: ব্যাটে-বলে নির্বিষ কেকেআর, চেন্নাইয়ের কাছে ৭ উইকেটে হার নাইটদের

    IPL 2024: ব্যাটে-বলে নির্বিষ কেকেআর, চেন্নাইয়ের কাছে ৭ উইকেটে হার নাইটদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হার মানল নাইটরা। চেন্নাইয়ের কাছে সোমবার ব্যাটে-বলে সব বিভাগেই ব্যর্থ কেকেআর। চলতি টুর্নামেন্টে প্রথমবার মাথা নীচু করে মাঠ ছাড়তে হল নাইটদের। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে কলকাতা নাইট রাইডার্স তোলে ৯ উইকেটে ১৩৭ রান। জবাবে চেন্নাই সুপার কিংস করল ১৭.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ১৪১ রান করে। কলকাতা হারল সাত উইকেটে। 

    চিপকের রঙ হলুদ

    ঘরের মাঠে অপরাজিতই থাকল চেন্নাই। শুরু থেকেই এদিন চিপকের রঙ ছিল হলুদ। ইনিংসের প্রথম বলেই আউট ফিল সল্ট (শূন্য)। তুষার দেশপান্ডের প্রথম বলটাই যেন বলে দিল দিনটা কেমন যাবে নাইটদের। দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বাঁধলেন নারিন-রঘুবংশী তুললেন ৫৬ রান। নারিন করলেন ২০ বলে ২৭। মারলেন ৩টি চার এবং ২টি ছয়। রঘুবংশীর ব্যাট থেকে এল ১৮ বলে ২৪। তিনি মারলেন ৩টি চার, ১টি ছক্কা। সপ্তম ওভারে এই জুটি ভাঙলেন জাদেজা। আর উঠে দাঁড়াতে পারেনি কেকেআর। এই জুটি ভাঙার পর কার্যত খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে এগোল কেকেআরের ইনিংস। রবীন্দ্র জাদেজা, মুস্তাফিজুর রহমানদের বলের সামনে অস্বস্তিতে থাকলেন সকলেই। চাপের মুখে পিচের এক দিক আগলে রেখে দলকে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছে দিলেন শ্রেয়স আয়ার। ৩২ বলে ৩৪ করলেন ৩টি চারের সাহায্যে। কিন্তু তাঁর ইনিংস এতাটাই ধীর গতিতে এগোল যে স্কোর বোর্ড থেমে রইল বলা যায়। রান পেলেন না রিঙ্কু রাসেলরা।

    মন জিতলেন মাহি

    জয়ের জন্য ১৩৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধরে খেলে চেন্নাই। উইকেটের এক প্রান্তে এদিন দায়িত্বশীল ইনিংস খেললেন চেন্নাই অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। তাঁকে সঙ্গ দিলেন ডারিল মিচেল। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে স্বচ্ছন্দে ব্যাট করলেন তাঁরা। মিচেল করেন ১৯ বলে ২৫ রান। একটি করে চার এবং ছক্কা মারেন। ভরসা দিলেন চার নম্বরে নামা শিবম দুবেও। তিনি করলেন ১৮ বলে ২৮ রান। মারলেন ১টি চার, ৩টি ছয়। ঋতুরাজ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন ৫৮ বলে ৬৭ রানে। তাঁর ব্যাট থেকে এল ৯টি চার।

    শেষ ৩ রান বাকি থাকতে ব্যাট হাতে মাঠে নামলেন ধোনি। মুহূর্তেই মাহি-মাহি রবে মেতে উঠল গ্যালারি। হোক না ৩ রান যেন তাঁর ব্যাট থেকেই জয়সূচক বাউন্জারি দেখতে চায় চিপক। ক্যাপ্টেন-ব্যান্ড তাঁ হাতে না থাকলেও তিনিই যে নেতা। কিন্তু জোড়া বিশ্বকাপজয়ী ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও জয়ের রান নিলেন না। ১ রানের অপরাজিত থাকলেন তিনি। ঋতুরাজকে জয়ের রান নেওয়ার সুযোগ করে দিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মন জিতে নিলেন মাহি। নতুনদের কীভাবে জায়গা ছাড়তে হয় তা দেখিয়ে দিলেন ধোনি। রাসেল-রিঙ্কু থেকে গম্ভীর প্রতিপক্ষ শিবিরও কুর্নিশ জানালেন বাইশ গজে ভারতের সফলতম অধিনায়ককে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: “কংগ্রেস গরিবদের উপোসে রেখে জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি”, তোপ যোগীর

    Lok Sabha Elections 2024: “কংগ্রেস গরিবদের উপোসে রেখে জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি”, তোপ যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস গরিবদের উপোস করিয়ে রাখত, আর জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি।” লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) প্রচারে বেরিয়ে কংগ্রেসকে এই ভাষায়ই আক্রমণ শানালেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথ।

    ‘জঙ্গিদের বিরিয়ানি খাওয়াত’ (Lok Sabha Elections 2024)

    দ্য গার্ডিয়ানের একটি রিপোর্টের কথা তুলে ধরে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “একদিকে গার্ডিয়ানের রিপোর্ট দেখুন, যেখানে বলা হচ্ছে, পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গিদের বেছে বেছে নিকেশ করা হচ্ছে। অন্যদিকে কংগ্রেস তাদের সরকারের আমলে জঙ্গিদের বিরিয়ানি খাওয়াত।” তার পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেস গরিবদের উপোস করিয়ে রাখত, আর জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে (Lok Sabha Elections 2024) যে ভারত আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন নিতে যাচ্ছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘ভারতের সম্মান বেড়েছে’

    তিনি বলেন, “মোদিজির নেতৃত্বে গোটা বিশ্বের কাছে ভারতের সম্মান বেড়েছে। এখন ভারতে কেউ সন্ত্রাসবাদ, নকশালবাদকে প্রশ্রয় দিতে পারবে না। অন্যদিকে কংগ্রেসের লোকজন চুপচাপ বসে থাকতেন, কিছুই করতে পারতেন না।” আদিত্যনাথ বলেন, “এটাই হল নয়া ভারত। আজকের দিনে যে কোনও ভারতীয় বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে গেলে যোগ্য সম্মান পান। দেশের সীমানা এখন সুরক্ষিত। নকশালবাদ, উগ্রবাদের দিন শেষ হয়েছে।” মোদি জমানায় গত চার বছর ধরে দেশের আশি কোটি মানুষকে যে নিখরচায় রেশন সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে, এদিন তারও উল্লেখ করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিষেবা আরও পাঁচ বছর মিলবে বলেও আশ্বাস দেন আদিত্যনাথ।

    আরও পড়ুুন: পদ্মকাননে মাধবীলতা! কে এই মহীয়সী, যাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ খোদ মোদি?

    কংগ্রেসকে নিশানা করতে গিয়ে বিজেপির এই তারকা প্রচারক বলেন, “কংগ্রেস সরকারের আমলে কোনও নীতি ছিল না, নেতা ছিলেন না, সিদ্ধান্তও ছিল না। কিন্তু মোদি সরকারের আমলে দেশে গরিবদের জন্য প্রকল্পের কোনও অভাব নেই।” কংগ্রেসই যে দেশের ‘বড় সমস্যা’ সেকথা মনে করিয়ে দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “কংগ্রেসের ডিএনএতে রয়েছে কারফিউ জারি করা।” রাম মন্দিরের প্রসঙ্গ টেনে আদিত্যনাথ বলেন, “কংগ্রেস কোনও কালে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ করতে পারত না। তারা বলত রামের কোনও অস্তিত্বই নেই। ভরতপুরের পর রয়েছে মথুরা, বৃন্দাবল, গোকুল, বর্ষণা, নন্দগাঁও এবং গোবর্ধন। তার পরেও কংগ্রেস বলছে ভগবান কৃষ্ণ বলে কেউ ছিলেন না। কংগ্রেস আমাদের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share