Tag: bangla news

bangla news

  • Social Media: দিনরাত চোখ শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায়! কোন রোগের কবলে পড়ছেন জানেন কি?

    Social Media: দিনরাত চোখ শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায়! কোন রোগের কবলে পড়ছেন জানেন কি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে, সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) চোখ না রাখলে দিন যেন সম্পূর্ণ হয় না। দিনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় যেমন দেওয়া হয়, তেমন আবার নিজের দিনভর নানা কাজের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়ার অভ্যাস তরুণ প্রজন্মের বড় অংশের। অফিস কিংবা ক্লাসের মাঝেও সময় পেলেই অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকেন। আবার অনেকের সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রোল করতে করতে সময়ের হিসেব রাখাই কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু, চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই অভ্যাস বিপদ বাড়াচ্ছে। দিনের অধিকাংশ সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটানোর অভ্যাস, একাধিক রোগের কারণ হয়ে উঠছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। তবেই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব।

    কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ায়? (Social Media)

    বিশ্ব জুড়েই জনপ্রিয়তা বাড়ছে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের। মূলত তরুণ প্রজন্মের কাছেই বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে এই সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মগুলো। আমেরিকার একদল গবেষক বিশ্ব জুড়ে তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় অভ্যস্ত প্রজন্ম নিয়ে এক গবেষণা চালিয়েছেন। আর সেখানেই উঠে এসেছে একাধিক বিপদের ঝুঁকির আশঙ্কা। তাঁদের গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, অতিরিক্ত সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটালে শরীর ও মনের একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এই অভ্যাসে তাদের নানা কাজের মধ্যে গভীর প্রভাব পড়ছে। তাই এবিষয়ে সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    আসক্তি বাড়ায় সোশ্যাল মিডিয়া

    মনোরোগ‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) অতিরিক্ত সময় কাটানোর অভ্যাস আসক্তি বাড়ায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় দিনের অধিকাংশ সময় কাটানোর অভ্যাস মস্তিষ্কে এক ধরনের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। তার জেরেই এক ধরনের আসক্তি বাড়ায়। আর এই আসক্তির জেরে যে কোনও বিষয়ে আসক্তির প্রবৃত্তি বাড়ায়। এর জেরে সামাজিক জীবনে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে অন্যদের সঙ্গে মেশা ও মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা কমে। ক্রমাগত লাইক, কমেন্ট এবং ফলোয়ার বাড়ানোর ইচ্ছে এই আসক্তিকে আরও বাড়িয়ে তোলে‌। ফলে জটিলতা আরও বাড়ে।

    মনঃসংযোগ নষ্ট করে (Social Media)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দিনের অধিকাংশ সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটালে মনোসংযোগ নষ্ট হয়। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়ায় অধিকাংশ ভিডিও খুব কম সময়ের হয়। তার জেরে বড় কোনও ছবি দেখা কিংবা দীর্ঘ সময় একটি বই পড়ার জন্য যে‌ ধরনের ধৈর্য্য দরকার তা থাকে না। দীর্ঘ সময় ধরে একটা কাজ যত্ন করে করার জন্য যে ধরনের ক্ষমতা প্রয়োজন হয়, মস্তিষ্কের সেই ক্ষমতা কমতে থাকে। যে কোনও কাজে মনঃসংযোগ হারায়। কোনও কাজ দীর্ঘ সময় ধরে করতে হলে এক ধরনের বিরক্তি তৈরি হয়। যার প্রভাব কাজে পড়ে।

    ড্রাই আইয়ের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে

    সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) অতিরিক্ত সময় কাটানোর ফলে চোখের শুষ্কতার মতো রোগের প্রকোপ বাড়ে। এমনই জানাচ্ছেন চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ড্রাই আই কিংবা চোখের শুষ্কতার মতো রোগ অর্থাৎ, চোখ দিয়ে লাগাতার জল পড়া, চোখ জ্বালা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া আর চোখে এক ধরনের যন্ত্রণা অনুভব হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মোবাইলের স্ক্রিনের আলো দীর্ঘ সময় চোখে পড়ার জেরে বিশেষত রাতে অন্ধকার ঘরে দীর্ঘ সময় মোবাইল দেখার জেরে এই চোখের শুষ্কতার সমস্যা বাড়ে।

    সমস্যা এড়াতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল? (Social Media)

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়া এখন জীবনের ওতোপ্রোত অংশ। কোনও ভাবেই তাকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া যাবে না। বিনোদন এবং সামাজিক যোগাযোগ ছাড়াও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ঘোষণা, সরকারি তথ্যও অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জানতে পারা যায়। তাই এই প্ল্যাটফর্মগুলো বাদ দেওয়া যাবে না। তবে কতটা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাদ্দ থাকবে, সে নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ সতর্ক না থাকলে একাধিক শারীরিক ও মানসিক জটিলতা বাড়বে। কখনই একটানা আধঘণ্টার বেশি সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটানো যাবে না। পাশপাশি , কোনও জরুরি কাজের মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) সময় কাটানোর অভ্যাস বাদ দিতে হবে। তবেই মনঃসংযোগ নষ্ট হওয়ার মতো সমস্যা কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে থাকতে পারবেন না নেতা–মন্ত্রীরা‌! কড়া সিদ্ধান্ত কমিশনের

    Election Commission: রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে থাকতে পারবেন না নেতা–মন্ত্রীরা‌! কড়া সিদ্ধান্ত কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রবীন্দ্র জয়ন্তী (Rabindra Jayanti)। আপামর বাঙালির কাছে এই দিনের গুরুত্ব অপরিসীম। এবছর ভোটের আবহের মধ্যেই পড়েছে রবীন্দ্র জয়ন্তী। আর সেই কারনেই এবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানেও রাশ টানল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থাকতে পারবেন না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে। কেবল মুখ্যসচিব-সহ সরকারি স্তরের আধিকারিকরা সরকারিভাবে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন করতে পারবেন।

    কমিশনের নির্দেশ (Election Commission)

    ২৫ বৈশাখ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন উপলক্ষে সাধারণ বাঙালি, স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে নেতা–মন্ত্রীরা কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে থাকেন। কিন্তু এবার কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানাতে বা রবীন্দ্র জয়ন্তীর কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না নেতা–মন্ত্রীরা। রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে রাজ্যের কোনও মন্ত্রী বুধবার রবীন্দ্র সদনে থাকতে পারবেন না। এমনকী মুখ্যমন্ত্রীও এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না বলেই জানিয়েছে কমিশন (Election Commission)। 

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    প্রসঙ্গত, প্রত্যেক বছরের মত এই বছরও রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষ্যে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে অনুষ্ঠান হবে রবীন্দ্র সদনে। প্রত্যেক বছরের এই অনুষ্ঠানে হাজির থাকেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ রাজ্যের মন্ত্রীরা। তবে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নির্দেশে এবার সেটি আর হচ্ছে না। কমিশন আরও জানিয়েছে, কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তির ছবি রবীন্দ্র জয়ন্তী সংক্রান্ত ব্যানার বা হোর্ডিং ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনী আচরণ বিধি জারি থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। 

    আরও পড়ুন:সিট বেল্ট বেঁধেও মহাকাশে যাওয়া হল না! শেষ মুহূর্তে বাতিল সুনীতার মহাকাশযাত্রা

    আগেও দেখা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের প্রাক মুহূর্তে রাজ্য সরকারকে শর্তসাপেক্ষে ‘‌বাংলা দিবস’‌ পালনের অনুমতি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। পয়লা বৈশাখ পালন করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ ছিল, সেই অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্বে থাকবেন শুধুমাত্র সরকারি অফিসাররাই। ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট ছিল রাজ্যে। তার আগে ১৪ এপ্রিল ছিল পয়লা বৈশাখ। কিন্তু তাতেও নিষেধাজ্ঞা ছিল। এমনকী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল বিজ্ঞাপন ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও। আর পয়লা বৈশাখের পর এবার নিষেধাজ্ঞা জারি হল রবীন্দ্র জয়ন্তী (Rabindra Jayanti) পালনের ক্ষেত্রেও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “আত্মনির্ভর হোন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন”, মুসলিমদের উদ্দেশে বললেন মোদি

    PM Modi: “আত্মনির্ভর হোন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন”, মুসলিমদের উদ্দেশে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনারা আত্মনির্ভর হোন। আপনাদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ভারতীয় মুসলমানদের উদ্দেশে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আজ আমি এই প্রথমবারের জন্য আপনাদের বলছি, আমি ভারতীয় মুসলমানদের বলছি, দয়া করে আত্মনির্ভর হোন। এ ব্যাপারে ভাবুন। দেশ দ্রুত এগোচ্ছে। কী কারণে ভারতীয় মুসলমানরা অগ্রগতির সঙ্গে পা মেলাতে পারছেন না? কেন কংগ্রেসের শাসনকালে সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা আপনারা নেননি? কংগ্রেসের রাজত্বকালে আপনারা কি এর শিকার হয়েছিলেন? আত্মমন্থন করুন। এখনই সিদ্ধান্ত নিন। সবার কথা ভাবুন।”

    ভবিষ্যৎ নষ্ট করছেন! (PM Modi)

    তিনি বলেন, “আপনারা আপনাদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছেন। যাঁরা ক্ষমতার অলিন্দে রয়েছেন, তাঁরা অন্যদের দমন করছেন। তামাম বিশ্বেই মুসলমান সম্প্রদায় নিজেদের বদলাচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যখন আমি গলফ দেশগুলিতে যাই, ব্যক্তি মানুষ হিসেবে তখন তাঁরা আমায় ভীষণ শ্রদ্ধা করেন। সৌদি আরবের সিলেবাসে যোগা রয়েছে। আমি যদি ভারতে যোগা নিয়ে আলোচনা করি, তখন তাকে মুসলমান-বিরোধী বলে দেগে দেওয়া হয়।” তিনি (PM Modi) বলেন, “গলফ দেশগুলিতে আমি ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তাঁরা আমায় প্রায়ই জিজ্ঞাসা করেন লাঞ্চ না ডিনারের পর কখন তাঁরা যোগা করবেন? কখনও কখনও তাঁরা আমায় জিজ্ঞাসা করেন যোগার কোনও একটি নির্দিষ্ট ফর্ম শেখার জন্য কোনও ট্রেনিং হয় কিনা। ওঁদেরই কেউ কেউ আমায় বলেন তাঁদের স্ত্রীয়েরা যোগা শিখতে ভারতে যেতে চান। যোগা শেখার জন্য তাঁরা ভারতে এক মাস থাকতে চান। আমি বলছি, আরব আমিরশাহির আমিরদের (শাসক) স্ত্রী ও তাঁদের পরিবারের কথা।”

    আরও পড়ুুন: সমাজ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়! মুখ্যমন্ত্রীর মিম-বিতর্কে পিছু হটল কলকাতা পুলিশ

    হিন্দু-মুসলিম বিতর্কের জন্ম

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আর এখানে, ভারতে যোগার ধারণা হিন্দু-মুসলিম বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যাঁরা এটা করছেন, আমি সেই সব মুসলমানদের বলছি, আপনারা আপনাদের এবং আপনাদের শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন।” তিনি বলেন, “আমি চাই না কোনও সম্প্রদায় এভাবে ক্রীতদাসের মতো বাঁচুক। এর একমাত্র কারণ কেউ একজন তাদের ভয় দেখাতে চাইছে। দ্বিতীয়ত, অনেক মুসলমান রয়েছেন যাঁরা বিজেপিকে ভয় করেন। আমি তাঁদের বলছি, যান বিজেপির ৫০জন কর্মীর সঙ্গে বসুন। তাঁরা কী আপনাদের সেখান থেকে ছুড়ে ফেলে দেবে? আমি বলছি, আপনারা বিজেপির হেড কোয়ার্টারে যান, কেউ আপনাদের আটকাবে না (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hybrid Pitch: ধর্মশালায় তৈরি হল দেশের প্রথম হাইব্রিড ক্রিকেট পিচ! নয়া প্রযুক্তিতে কার লাভ?

    Hybrid Pitch: ধর্মশালায় তৈরি হল দেশের প্রথম হাইব্রিড ক্রিকেট পিচ! নয়া প্রযুক্তিতে কার লাভ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের ধর্মশালা মাঠে বসল হাইব্রিড পিচ। সোমবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হল জাঁকজমক করে। হাইব্রিড পিচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইপিএল চেয়ারম্যান অরুন ধুমল, ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা আইসিসি কর্তা পল টেলার সহ ভারতীয় ক্রিকেট প্রশাসনের একাধিক নামি ব্যক্তিত্ব।

    হাইব্রিড পিচ আসলে কী?

    ৫ শতাংশ সিন্থেটিক ফাইবারের সঙ্গে আসল ঘাস মিশিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই পিচ। এর উদ্দেশ্য, টানা বর্ষা কিংবা টানা খেলা হলে যাতে পিচের চরিত্র বদলে না যায়। আইসিসির অনুমোদন নিয়েই এই ধরনের পিচ ব্যবহার হচ্ছে। ধর্মশালা স্টেডিয়াম প্রসঙ্গ পাঞ্জাব কিংসের হোম গ্রাউন্ড। ৯ মে রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে এই মাঠেই খেলা রয়েছে। সেদিন হাইব্রিড পিচে খেলায় কী তফাৎ তা বোঝা যাবে।

    ক্রিকেট প্রশাসকের বক্তব্য

    আইপিএল চেয়ারম্যান আনন্দ ধুমল জানিয়েছেন, “ইংল্যান্ডে  লর্ডস এবং ওভাল স্টেডিয়ামে হাইব্রিড পিচে আগেও খেলা হয়েছে। এবং কোন সমস্যা আসেনি। এই দুটি মাঠে সাফল্যের পর এবার ভারতেও হাইব্রিড পিচের ব্যবহার করার চিন্তাভাবনা শুরু হয়। প্রাকৃতিক টার্ফ এবং কৃত্রিম ফাইবার মিশিয়ে হাইব্রিড পিচ তৈরি করা হয়। এর ফলে যারা মাঠ তৈরি করেন তাদের উপর চাপ কমবে। একই সঙ্গে খেলার পরিস্থিতি বৃষ্টি হওয়ার পরেও অনেকটাই সমান থাকবে। ফলে বৃষ্টির পর পিচের চরিত্র কম বদলাবে। বৃষ্টির পর পিচ স্লো হওয়ার সমস্যা থেকে বাঁচা যাবে। বর্তমানে বৃষ্টির পর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পিচে বোলার ও ব্যাটসম্যান উভয়ের কিছু অসুবিধা হয়। সাধারণত বোলিং টিম অতিরিক্ত সুবিধা পায়। অনেক ক্ষেত্রেই একটি টিম বাড়তি অসুবিধা কিংবা সুবিধা পেয়ে যায় এই ধরনের অভিযোগ ওঠে।  হাইব্রিড পিচে এই অভিযোগ কমবে।

    কবে থেকে এই পিচের ব্যবহার শুরু

    জানা গিয়েছে ২০১৭ সালে এসআইএস গ্রাস এবং ইউনিভার্সাল মেশিন সংস্থার মাধ্যমে এই ধরনের পিচ তৈরি করা হয়েছিল। প্রথমে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটের মাঠগুলিতে এই পিচ ব্যবহার করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে ম্যাচে হাইব্রিড পিচ ব্যবহার করার স্বীকৃতি দিয়েছে। চার দিনের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপেও এই পিচ ব্যবহার করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। প্রসঙ্গত ক্রিকেট এমন একটি খেলা যা নতুন প্রযুক্তি এবং নতুনত্বের ব্যবহারে কখনওই বাধা হয়নি। রিভিউ প্রথা ফুটবলে ব্যবহারের অনেক আগে থেকে ক্রিকেটে ব্যবহার হচ্ছে। ফলে এই হাইব্রিড পিচের ব্যবহারেও ক্রিকেট সংস্থাগুলির তরফে কোন ধরনের রক্ষণশীলতা নেই।

    কারা তৈরি করে হাইব্রিড পিচ

    জানা গিয়েছে, ব্রিটেনে অবস্থিত এসআইএস গ্রাস নামে একটি সংস্থা এই ধরনের পিচ তৈরি করে থাকে। তাঁরা সাফল্যের সঙ্গে বহু মাঠে এই পিচ তৈরি করেছে। হাইব্রিড পিচে আর্দ্রতা এবং ঘাসজনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আয়োজক যে ধরনের পিচ চাইবেন ঠিক সেই ধরনের পিচ তৈরি করা সম্ভব।

    টি-২০ বিশ্বকাপে জঙ্গি হামলার হুঁশিয়ারি! নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    হাইব্রিড পিচে অতিরিক্ত স্পিন ও বাউন্স পাওয়া যাবে

    হাইব্রিড পিচে অতিরিক্ত বাউন্স পাওয়া যায় যা বোলারদের সাহায্য করবে। বর্তমানে যে ধরনের বল ব্যবহার হয় তাতে ভারতীয় পরিস্থিতিতেও স্পিন কম হয়। কিন্তু হাইব্রিড স্পিন সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হবে না। স্পিনারদের সোনালি দিন ফিরে আসবে হাইব্রিডের পিচের সৌজন্যে। সৌরভ গাঙ্গুলির আমলে তিন জন রেগুলার এবং আরো দুই থেকে তিনজন পার্ট টাইম স্পিনার খেলানোর চল ছিল। হাইব্রিড পিচে স্পিনারদের গুরুত্ব বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন হাইব্রিড পিচে গ্রাউন্ড স্টাফদের নিজের মত পিচ তৈরি করার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kokata Police: সমাজ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়! মুখ্যমন্ত্রীর মিম-বিতর্কে পিছু হটল কলকাতা পুলিশ

    Kokata Police: সমাজ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়! মুখ্যমন্ত্রীর মিম-বিতর্কে পিছু হটল কলকাতা পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়ে পিছু হটল কলকাতা পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীর মিম কে বানিয়েছে? তার উত্তর জানতে চায় পুলিশ। এ নিয়ে নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে পুলিশ।  রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে (Mamata Banerjee) নিয়ে মিম (Meme) বানানোয় কড়া হাতে ব্যবস্থা নেয় কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। ভোটের মাঝেই মমতাকে নিয়ে একটি মিম ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে স্পিটিং ফাক্টস নামে এক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে। যা রীতিমতো ভাইরাল। ওই ভিডিয়ো কলকাতা পুলিশের নজরে পড়তেই বিপত্তি। 

    পুলিশের পদক্ষেপ

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর, অমর্যাদাকর ভিডিও বানানোর জেরে লালবাজারের সাইবার ক্রাইম বিভাগের তরফে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জারি করা হয় নোটিস। সংশ্লিষ্ট ভিডিয়োটি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেরার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুলিশ তরফে। ওই ভিডিয়ো ডিলিট করার পাশাপাশি, আসল নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশ না করা হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। বলা হয়েছে, ‘যদি আপনি না জানান তবে ৪২ সিআরপিসিতে আপনার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ এ সংক্রান্ত একটি পোস্টও করা হয়।

    এরপরই কলকাতা পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এমনকী, পোস্টকর্তাদের আসল নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়ে যে হুমকি-ট্যুইট করেছিল কলকাতা পুলিশ, তার  জবাবে একজন পোস্ট করেন এই বার্তা—

    একপ্রকার বাধ্য হয়ে নিজেদের পোস্ট সরিয়ে নেয় কলকাতা পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “নিজেকে নাচতে দেখে আনন্দ পেয়েছি”, ভোট আবহে ভিডিও শেয়ার করে মমতাকে বার্তা মোদির

    মোদির সহনশীলতা

    বাংলায় যখন এমন ভিডিওকে ঘিরে পদক্ষেপ চলছে তখনই ভাইরাল হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এমনই এক ভিডিও। এক যুবক সেই ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘আমি এই ভিডিও পোস্ট করছি কারণ আমি জানি ‘একনায়ক’ এই ভিডিওর জন্য আমায় গ্রেফতার করাবেন না।’ পোস্টদাতার ওই বার্তার নাম না করে কটাক্ষ ছিল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নরেন্দ্র মোদিকে ‘একনায়ক’ বলে আক্রমণ শানান প্রায়শই। সেই ভিডিও পোস্ট হওয়ার পর তা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে ক্যাপশনে লেখেন, ‘নিজেকে নাচতে দেখে আপনাদের মতো আমিও সেই নাচ উপভোগ করেছি। নির্বাচনের মরশুমে এমন ‘শিল্প’ সত্যিই মনকে আনন্দ দেয়।’ এরপর যেন সমালোচনা আরও তীব্র হয়। 

    মালব্যর কটাক্ষ

    প্রধানমন্ত্রী নিজের নাচের ভিডিও শেয়ার করার পরই সরব হন বিজেপির আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্য। তিনি মমতা ও মোদির দুটি ভিডিও এবং কলকাতা পুলিশের পোস্ট ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পোস্টের একটি কোলাজ বানিয়ে তা পোস্ট করেন এক্স হ্যান্ডেলে। সেই সঙ্গে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘স্পট ‘দি ডিক্টেটর’। 

    এই প্রথম নয়

    তবে এই প্রথমবার নয়। বাংলার মুখ্য়মন্ত্রীকে নিয়ে নানারকম কার্টুন ও মিম তৈরির বিরুদ্ধে এর আগেও কড়া পদক্ষেপ করেছে কলকাতা পুলিশ। ২০২২ সালে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে মিম বানানোয় একজন ইউটিউবারকে নদিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই অভিযোগে আরও সাতজনের নাম ছিল।

    ২০১৯ সালে মুখ্য়মন্ত্রীর একটি বিকৃত ছবি ফেসবুকে পোস্ট করায় গ্রেফতার হয়েছিলেন বিজেপির এক যুবনেতা। ২০১২ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের প্রফেসর অম্বিকেশ মহাপাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছিল মুখ্য়মন্ত্রী সম্পর্কিত একটি কার্টুনকে ফরোয়ার্ড করায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বুথে গিয়ে হতবাক! প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ মুর্শিদাবাদের বিজেপি প্রার্থীর

    Murshidabad: বুথে গিয়ে হতবাক! প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ মুর্শিদাবাদের বিজেপি প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠল প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপির মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গৌরীশঙ্কর ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ লোকসভার আজিমগঞ্জ শহরের রায় বাহাদুর সিংহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ নম্বর বুথে।

    প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ (Murshidabad)

    আজিমগঞ্জ (Murshidabad) শহরের রায় বাহাদুর সিংহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ নম্বর বুথে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী গৌরীশঙ্কর ঘোষ  হতবাক হয়ে যান। তিনি বুথে গিয়ে দেখেন, ওই বুথের মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার রুবিনা খাতুন ওই বিদ্যালয়েরই প্রধান শিক্ষিকা। তিনি বলেন, কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী যেই বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সেই বিদ্যালয়ে তিনি ডিউটি করতে পারবেন না, তাও কীভাবে ডিউটি করছেন? সেই বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তথা প্রিসাইডিং অফিসার রুবিনা খাতুন বলেন, কেন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হল তা বুঝতে পারছি না।

    আরও পড়ুন: ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা! পুলিশ আধিকারিককে ধমক দিলেন মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী

    বিরোধী এজেন্টকে মারধর

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ডোমকল দক্ষিণ নগর মাঠপাড়া ১৪৫ নম্বর বুথে ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। খবর শুনেই পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছায় ঘটনাস্থলে। বর্তমানে পরিস্থিতি রয়েছে নিয়ন্ত্রণে। রানিনগরের ৩৪ নম্বর বুথে সিপিএমের এজেন্টকে মারধর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মারধরের কারণে এজেন্ট বুথ ছেড়ে কলা বাগানে আশ্রয় নিয়েছেন। অন্যদিকে, রানিনগরের মরিচা নিচুপাড়ায় পিয়ারুল ইসলামের বাড়ির পিছনে জোট প্রার্থীর অনুগামীদের বিরুদ্ধে বোমাবাজি করার অভিযোগ ওঠে। গোপীনাথপুর শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে এদিন সকালে পরিদর্শনে যান সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম। তিনি বুথে ঢুকে জাল এজেন্ট বের করে দেন।

    মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের হামলায় আক্রান্ত বাম ও কংগ্রেস কর্মী

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভার আমডহরা এলাকায় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের হামলায় আক্রান্ত হন বাম ও কংগ্রেস কর্মী। জানা গিয়েছে, এসরাফিল সেখ নামে এক বিরোধী দলের সমর্থক মঙ্গলবার সকাল সকাল বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভোট দিতে যাচ্ছিলেন। আর সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটায় বলে অভিযোগ। এই কারণেই এসরাফিল সেখ আক্রান্ত হন। তাঁর হাত ভেঙে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের ৭৩ নম্বর রমনা বসন্তপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৭০ এবং ১৭১ নম্বর বুথে ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ফলে, এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে, বুথ জ্যাম করার অভিযোগে বিশাল পুলিশ বাহিনী ধাওয়া করে দুষ্কৃতীদের ছত্রভঙ্গ করেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Relation: ‘মলদ্বীপে বেড়াতে আসুন’, ভারতীয়দের কাতর আর্জি দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটনমন্ত্রীর

    India Maldives Relation: ‘মলদ্বীপে বেড়াতে আসুন’, ভারতীয়দের কাতর আর্জি দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটনমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন ভারতীয় পর্যটকরা। তার জেরে টান পড়েছে পর্যটনের পেটে। যেহেতু দেশটির বাসিন্দাদের রোজগারের প্রধান উৎস পর্যটন, তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই ভারতীয় পর্যটকদের মলদ্বীপে বেড়াতে যাওয়ার অনুরোধ করলেন দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটনমন্ত্রী (India Maldives Relation)। সোমবার মলদ্বীপের তরফে ভারতীয়দের কাছে এই অনুরোধ করেন সে দেশের মন্ত্রী।

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে অবনতি (India Maldives Relation)

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করেন মলদ্বীপের চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু সরকারের তিন জুনিয়র মন্ত্রী। তার জেরে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে চিড় ধরে। তিন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করে মুইজ্জ প্রশাসন। তাতেও গলেনি সম্পর্কের বরফ। এই ঘটনার কিছুদিন পরেই বরখাস্ত হওয়া তিন মন্ত্রীর একজন আবার ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান করেন বলে অভিযোগ। তা নিয়েও একপ্রস্ত দূরত্ব তৈরি হয় ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের। এসবের জেরে মলদ্বীপের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন ভারতীয় পর্যটকরা। বিপাকে পড়ে যান দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন (India Maldives Relation)।

    মুখ থুবড়ে পড়েছে পর্যটন শিল্প

    কারণ ফি বছর যত পর্যটক মলদ্বীপ ঘুরতে যান, তাঁর আশি শতাংশই ভারতীয়। এই বিপুল সংখ্যক পর্যটক মলদ্বীপে না যাওয়ায় মুখ থুবড়ে পড়ে সে দেশের পর্যটন শিল্প। মলদ্বীপের পর্যটন মন্ত্রী ইব্রাহিম ফয়সল বলেন, “ভারত ও মলদ্বীপের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের নয়া সরকার ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে কাজও করতে চায়। আমরা সর্বদা শান্তি ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ প্রোমোট করি। আমাদের সরকার এবং নাগরিকরা ভারতীয় পর্যটকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবে। পর্যটনমন্ত্রী হিসেবে আমি ভারতীয়দের বলতে চাই, দয়া করে মলদ্বীপে আসুন, মলদ্বীপ পর্যটনের অংশীদার হোন।” কাতর কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতি পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল।”

    আরও পড়ুুন: “ক্ষমতায় এলেই এক দেশ, এক নির্বাচন চালু করবে এনডিএ”, আশ্বাস রাজনাথের

    পর্যটনমন্ত্রকের পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, চলতি বছর ৪ মে পর্যন্ত মলদ্বীপে বেড়াতে এসেছেন ৪৩ হাজার ৯৯১ জন পর্যটক। অথচ গত বছর জানুয়ারি থেকে এপ্রিল এই চার মাসে মলদ্বীপে ঘুরতে এসেছিলেন ৭৩ হাজার ৭৮৫ জন পর্যটক। চলতি বছর এই চার মাসে দ্বীপরাষ্ট্রে এসেছিলেন ৪২ হাজার ৬৩৮ জন (India Maldives Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sunita Williams: সিট বেল্ট বেঁধেও মহাকাশে যাওয়া হল না! শেষ মুহূর্তে বাতিল সুনীতার মহাকাশযাত্রা

    Sunita Williams: সিট বেল্ট বেঁধেও মহাকাশে যাওয়া হল না! শেষ মুহূর্তে বাতিল সুনীতার মহাকাশযাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার তৃতীয় বারের জন্য মহাকাশে পাড়ি (Sunita Williams third space mission) দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। সেই মত সিট বেল্ট বেঁধে ‘স্পেস ট্যাক্সি’র মধ্যে বসে ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান নভশ্চর সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams)। কিন্তু কিন্তু মহাকাশে ওড়ার আগেই স্থগিত হয়ে গেল সুনীতার যাত্রা। সূত্রের খবর, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই আপাতত স্থগিত করা হয়েছে এই অভিযান। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Sunita Williams)

    ভারতীয় সময় অনুযায়ী ৭ মে মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৪ মিনিটে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে পৃথিবী ছেড়ে ওড়ার কথা ছিল সুনীতা এবং আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মহাকাশচারী ব্যারি উইলমোরের। অত্যাধুনিক সিএসটি-২০০ বোয়িং স্টারলাইনারের স্পেস ক্যাপসুলে চেপে মহাকাশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল তাদের। কিন্তু উড়ানের লিফ্ট-অফের ঠিক ৯০ মিনিট আগে আগে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়, তার জেরেই অভিযান স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। 

    ২৪ ঘণ্টার জন্য অভিযান স্থগিদ 

    এরপর শুরু হয় মেরামতির কাজ। তবে শেষ পর্যন্ত ওই যানের মেরামতি সম্ভব হয়নি। তাই আপাতত ২৪ ঘণ্টার জন্য অভিযান পিছিয়ে দিতে বাধ্য হয় নাসা। তার পরই স্পেস ট্যাক্সি থেকে বেরিয়ে আসেন সুনীতারা (Sunita Williams)। নাসার তরফে জানানো হয়েছে, রকেটের দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি ভাল্‌‌ভ খারাপ হয়ে গেছে। সেই সমস্যা মেরামত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অভিযান বাতিল করতে হল। মঙ্গলবার রাতে ফের অভিযান শুরু হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে নয়া দিন ক্ষণের ঘোষণা হয়নি এখনও।   

    আরও পড়ুন:গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল প্রধানমন্ত্রী মোদি, ভোট দিলেন, সঙ্গে বার্তাও

    উল্লেখ্য, ব্যবসায়িক দিক থেকে ইলন মাস্কের স্পেস এক্স-কে পাল্লা দিতে নয়া এই স্পেস ক্যাপসুলটিতে করে সুনীতা (Sunita Williams) এবং ব্যারিকে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে (ISS) পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল নাসার। দুবছর আগে বোয়িং স্টারলাইনারের স্পেস ক্যাপসুলটির পরীক্ষামূলক উড়ান সম্পন্ন হয়। সেবার যদিও মানুষ পাঠানো হয়নি। তবে এবার তাতে মহাকাশচারীদের চাপিয়ে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনা ভেস্তে গেল।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mosquito Bites: মশা তাড়াতে আর দাগতে হবে না কামান, এই নিয়ম মেনে চললেই কেল্লা ফতে

    Mosquito Bites: মশা তাড়াতে আর দাগতে হবে না কামান, এই নিয়ম মেনে চললেই কেল্লা ফতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একে প্রচণ্ড গরম। ঘন ঘন লোডশেডিং। রাতে ঘুমের দেখা নেই। তার উপর মশার বাড়াবাড়ি। অনেকেই মশার ধুপ কিংবা স্প্রে (Mosquito Repellent) ব্যবহার করেন। কিন্তু রাসায়নিক দেওয়া মশা তাড়ানোর উপায়ে শরীরের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। অনেকেরই এসবে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য এই সকল রাসায়নিক দেওয়া মশা তাড়ানোর উপায়ে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। আগে অনেকেই ধুপ ব্যবহার করতেন। কিন্তু তাতেও বহু মানুষের নিঃশ্বাসের কষ্ট দেখা দেয়। তাহলে মশা তাড়াবার বিকল্প উপায় কী?

    কর্পূর

    কর্পূর (Camphor) একেবারে প্রাকৃতিক উপাদান। মশার ধুপের গন্ধে অনেকেরই কষ্ট হয়। তাঁরা বিকল্প হিসেবে কর্পূর জ্বালাতে পারেন। কর্পূর জ্বালালে ঘরে তেমন ধোঁয়া হয় না। যাঁদের নিঃশ্বাসের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য কর্পূর একেবারে নিরাপদ। বর্তমানে ভেষজ তেল মিশ্রিত কর্পূরের মশা তাড়ানোর তরল পাওয়া যায়। সেগুলি বিশেষজ্ঞের পরামর্শক্রমে ব্যবহার করতে পারেন।

    পোশাক

    হাত পা ঢাকা পোশাক পড়লে মশা থেকে বাঁচার সম্ভাবনা বেড়ে যায় শরীরের অনাবৃত অংশে মশা বেশি কামড়ায়। তাই খোলামেলা পোশাকের পরিবর্তে শরীরের যতটা অংশ ঢেকে রাখা যায় ততটাই ভাল।

    মশারি

    রাতে শোওয়ার সময় মশারির ব্যবহার করলে ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহার করতে হয় না। মশারি (Mosquito Net) ব্যবহার করলে শুধু সাধারণ মশা নয় ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ার মশা থেকেও নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব।

    বাড়ির আশেপাশে পরিষ্কার রাখা

    বাড়ির আশেপাশে আগাছা থাকলে মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। তাই এক সপ্তাহ বা ১৫ দিন অন্তর বাড়ির আশেপাশে আগাছা ছেঁটে ফেলাই ভাল। বাড়ির আশেপাশে যাতে জল না জমে এবং মশা যাতে বংশবিস্তার না করে সেদিকেও খেয়াল রাখা দরকার। প্রয়োজনে নর্দমার যে সকল জায়গায় জল জমা হয় সেখানে কেরোসিন তেল ছড়ালে বসার লার্ভা মরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে মশা বংশবিস্তার করতে পারে না।

    আরও পড়ুন: গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এসি ঘরে! সাময়িক আরাম কি শরীরের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে?

    সঠিক আলোর ব্যবহার

    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন হলুদ আলো মশার বড়ই প্রিয়। তাই ঘরে হলদেটে আলো কিংবা চড়া আলো থেকে বিরত থাকা উচিত। এর পরিবর্তে সাদা আলোতে মশার দাপট অনেকটাই কমে।

    প্রাকৃতিক উপায়

    নিম, সিনামন, ল্যাভেন্ডার ও ইউক্লিপ্টাস ও থাইমের তেল জাতীয় বেশ কিছু প্রাকৃতিক তেলের গন্ধে মশা পালিয়ে যায়। এই তেল তুলোয় মিশিয়ে ঘরের চারকোণে রেখে দিলে মশা পালিয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: জঙ্গিপুরে বিজেপি প্রার্থীকে মারধরের পর হুমকি তৃণমূল নেতার

    Lok Sabha Election 2024: জঙ্গিপুরে বিজেপি প্রার্থীকে মারধরের পর হুমকি তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গিপুর লোকসভায় (Lok Sabha Election 2024) তৃণমূলের ব্লক সভাপতির হাতে আক্রান্ত হলেন বিজেপি প্রার্থী ধনঞ্জয় ঘোষ। পুলিশের সামনেই মারধর করার পাশাপাশি হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার সকালে জঙ্গিপুরের সূতি এলাকায় মীরগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৪ নম্বর বুথের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই বিজেপি প্রার্থী রঘুনাথগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।  বিজেপির পক্ষ থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরির অভিযোগ করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Lok Sabha Election 2024)

    মঙ্গলবার সকালে নিজের কেন্দ্রে ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিয়ে জঙ্গিপুর লোকসভার বিভিন্ন ভোটগ্রহণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেছিলেন বিজেপি প্রার্থী ধনঞ্জয় ঘোষ। জঙ্গিপুর লোকসভায় সূতির ৪৪ নম্বর বুথ পরিদর্শনের সময় দেখেন বুথের মধ্যে ঢুকে ভোটারদের লাইনের পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি গৌতম ঘোষ। বিজেপি প্রার্থী প্রশ্ন করেন, ভোটারদের পাশে কী করছেন? সে কথা শুনে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বলেন, আমি এখানকার ভোটার। তখনই বিজেপি প্রার্থী প্রশ্ন করেন, “আপনার লাইন কোথায়?”এরপরই দুপক্ষের বচসা শুরু হয়। বিজেপি প্রার্থীর ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। পরে, তৃণমূল নেতা হুমকি দেয়, “আমার গায়ে হাত দিলে, পরিণাম বুঝবে।”

    আরও পড়ুন: ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা! পুলিশ আধিকারিককে ধমক দিলেন মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী ধনঞ্জয় ঘোষ বলেন, পুলিশের সামনেই তৃণমূলের ওই নেতা ভোটারদের প্রভাবিত করছিলেন। আমি আপত্তি জানাতেই তিনি আমার ওপর চড়াও হন। পুলিশের সামনেই আমাকে মারধর করে। আমি সমস্ত বিষয়টি রঘুনাথগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে, শুধু একটি বুথে নয়, এই লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) অধিকাংশ বুথে তৃণমূল বুথের ১০০ মিটারের অনেক ভিতরে জমায়েত করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। ভয় দেখানো হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।  অন্যদিকে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি গৌতম ঘোষ বলেন, বুথে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হচ্ছিল, বিজেপি প্রার্থী এসে গন্ডগোল করেছেন। আমরা কোনও হামলা চালাইনি। এসবই মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share