Tag: bangla news

bangla news

  • RTI: আরটিআই নিয়ে অভিযোগ, কংগ্রেসের ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিল মোদি সরকার, কীভাবে জানেন?

    RTI: আরটিআই নিয়ে অভিযোগ, কংগ্রেসের ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিল মোদি সরকার, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় গণতন্ত্রের মেরুদণ্ড হল তথ্য জানার অধিকার আইন, সংক্ষেপে আরটিআই (RTI)। চলতি মাসে ২০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করছে এই আইন। এই সময়ই আইনটিকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। কংগ্রেসের অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকার আরটিআইকে দুর্বল করে দিচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করছে এবং স্বচ্ছতাকে ফেলছে হুমকির মুখে। রাহুলের এহেন মন্তব্যের জোরালো জবাব দিয়েছে সরকার। বিভিন্ন সরকারি প্রতিবেদন তুলে ধরে তারা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, আরটিআই এখন আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী, দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৯৫ শতাংশ মামলারই নিষ্পত্তি হচ্ছে। এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

    কংগ্রেসের অভিযোগ (RTI)

    কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “মোদি সরকার ধীরে ধীরে আরটিআই আইনকে ফাঁপা করে দিচ্ছে।” তাঁর অভিযোগ, নয়া আইনগুলি, যেমন ডেটা প্রোটেকশন আইন, সাধারণ মানুষের কাছে তথ্য প্রকাশে বাধা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশের দাবি, সরকার আরটিআইয়ের মাধ্যমে স্বচ্ছতা এড়িয়ে যাচ্ছে। এই মামলাগুলির মধ্যে রয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির বিস্তারিত তথ্যের দাবি, ভুয়ো রেশন কার্ড সংক্রান্ত অভিযোগ, রাফাল যুদ্ধবিমান চুক্তি, নোটবন্দি নীতি এবং বাতিল হওয়া ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প। তাঁর বক্তব্য, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য গোপন করছে এবং আরটিআই ব্যবস্থাকে দুর্বল করছে। কংগ্রেসের বক্তব্য হল, সরকার এই বিষয়গুলিতে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে ভয় পেয়ে ২০১৯ সালে আরটিআইয়ে একটি সংশোধনী পাশ করে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনকে দুর্বল করা হয়েছে। কারণ এতে সরকারকে কমিশনারদের বেতন ও মেয়াদের ওপর বেশি নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে, যা কমিশনের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলল কেন্দ্র

    কংগ্রেসের এহেন ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের প্রতিবেদন এবং সংসদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের দেওয়া তথ্য কংগ্রেসের দাবির উল্টো ছবিই তুলে ধরেছে। এই সংখ্যাগুলি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আরটিআই ব্যবস্থার কার্যকারিতায় নাটকীয় উন্নতি নির্দেশ করছে। উদাহরণস্বরূপ, মামলার নিষ্পত্তির হার আগের ইউপিএ সরকারের সময় ছিল ৮১ শতাংশ। সেটা এখন হয়েছে ৯৪ শতাংশেরও বেশি। এই উচ্চ হার বজায় ছিল কোভিড-১৯ অতিমারির কঠিন সময়েও (RTI)।

    চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল মোদি সরকার

    এহ বাহ্য। আবেদনকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় হতাশার কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় মুলতবি মামলার জট। বর্তমানে এই জট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে প্রায় অর্ধেক (PM Modi) হয়েছে। ২০২০-২১ সালে সিআইসিতে মুলতবি মামলার সংখ্যা ছিল ৩৮ হাজার ১১৬টি। ২০২৩-২৪ সালে এটাই কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৯ হাজার ২৩৩টিতে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ব্যবস্থাটির প্রতি জনসাধারণের আস্থা এখন পৌঁছেছে সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে। জানা গিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১৭.৫ লাখেরও বেশি আরটিআই আবেদন দাখিল করা হয়েছে। এটি এক দশক আগের সংখ্যার দ্বিগুণ। এ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট, আরও বেশি নাগরিক এখন মনে করছেন আরটিআই একটি কার্যকরী হাতিয়ার এবং তাঁরা আত্মবিশ্বাসী যে এর মাধ্যমে তাঁরা সঠিক উত্তর পাবেন (RTI)।

    চোখধাঁধানো সাফল্যের সূত্র

    প্রশ্ন হল, কীভাবে মিলল এহেন চোখধাঁধানো সাফল্য? সরকারি সূত্রে খবর, সব চেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে একটি নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টাল চালুর মাধ্যমে। এখন দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে নাগরিকরা ২৪ ঘণ্টা আরটিআই আবেদন জমা দিতে পারেন। এতে একদিকে যেমন কাগজপত্রের ঝামেলা দূর হয়েছে, তেমনি অন্যদিকে প্রক্রিয়াটি হয়েছে অত্যন্ত সহজ। অনলাইন ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী যে, অতিমারির সময় দেশজুড়ে পূর্ণ লকডাউন থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের কাজ একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি। দ্বিতীয়ত, সিআইসি চালু করেছে হাইব্রিড শুনানির ব্যবস্থা (PM Modi)। এর মাধ্যমে আবেদনকারী ও সরকারি আধিকারিকরা অডিও এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারেন (RTI)। ফলে কমিশন প্রতিদিন আগের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারছে। তৃতীয়ত, সরকার আরটিআই প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে কঠোর সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। প্রথম আপিলের জন্য ৩০ দিনের এবং দ্বিতীয় আপিলের জন্য ৪৫ দিনের সীমা নির্ধারিত রয়েছে। কোনও আধিকারিক তথ্য দিতে দেরি করলে তাঁর জরিমানা হতে পারে।

    সর্বোপরি রয়েছে সিআইসির বাজেট বৃদ্ধি। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এটি পৌঁছেছে ১২০ কোটি টাকায়। সরকার সময় মতো কমিশনারদের শূন্যপদ পূরণের দিকেও সচেষ্ট রয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানটি সর্বদা পূর্ণ শক্তি নিয়ে দ্রুত কাজ করতে পারে। আরটিআইয়ের ধরন বিশ্লেষণ করতে এবং ভুয়ো বা পুনরাবৃত্তি হওয়া আবেদন (PM Modi) দ্রুত বাছাই করতে সিআইসি এখন এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারও শুরু করেছে। সব মিলিয়েই এসেছে সাফল্য (RTI)।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ ব্রিটেনের সংসদে, পেশ হল নিন্দা-প্রস্তাব

    Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ ব্রিটেনের সংসদে, পেশ হল নিন্দা-প্রস্তাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচারের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে ব্রিটিশ সরকার (United Kingdom MP)। দীপান্বিতা কালী পুজো এবং দীপাবলি আলোর উৎসবে সারা বিশ্বের হিন্দুরা যেখানে মেতে উঠেছে, সেখানে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের সমস্ত অনুষ্ঠান যেন মাটিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের ছবিটা সম্পূর্ণ ভাবে ভিন্ন। গত বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্ম সম্প্রদায়ের ওপর নিপীড়নের বাস্তব চিত্র নিয়ে অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেন ব্রিটেনের বিরোধী দলের সাংসদ। শুধু তাই নয় হাউজ অফ কমন্স-এ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর হিংসার নিন্দায় একটি বিবৃতিও পেশ করা হয়। গত ৫ অগাস্ট ২০২৪ সালে হাসিনাকে বিতাড়িত করার পর থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার ধর্মীয় নিপীড়ন চলছে। অথচ প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস এইসব অত্যাচারের ঘটনাকে সংবাদ মাধ্যমের ভুয়ো তথ্য বলে উল্লেখ করেছেন।

    হিন্দুদের কোন অধিকার নেই (United Kingdom MP)!

    সারা বিশ্বে হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পার্সি সমাজের মানুষ দীপাবলি পালন করেন। কিন্তু বাংলাদেশে (Bangladesh) সংখ্যালঘু হিন্দুদের জন্য এই উৎসব অন্ধকারে পরিণত হয়েছে। হিন্দুদের ধর্মীয় রীতিনীতি পালনে বাংলাদেশে কোনও অধিকার নেই। ব্রিটেনের সংসদের নিম্নকক্ষ হাউজ অফ কমন্স-এ এই বিষয়টি উত্থাপন করেছেন বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান। তিনি ব্রিটিশ হিন্দুদের ‘অলপার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ’-এর প্রধান। এই সাংসদ বাংলাদেশে হিন্দু-সহ অন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন তুলে ধরেন৷ ‘ইনসাইট ইউকে’ নামের একটি ব্রিটিশ সংস্থার (United Kingdom MP) এই সাম্প্রতিক রিপোর্টে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর কীভাবে অমানবিক অত্যাচার চালানো হয়েছে তা প্রকাশ করেছে ৷

    ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার্থে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান (United Kingdom MP) বলেন, “দীপাবলি পালনের সময় যেখানে অন্ধকারকে ছাপিয়ে আলোর জয় হয় সেখানে বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুরা এই উৎসব থেকে বঞ্চিত। তাঁরা এই উৎসব উদযাপন করতে পারবেন না৷ তাঁদের উপর নিপীড়ন চলছে ৷ হিন্দুদের সঙ্গে হিংসার ঘটনা ঘটছে ৷ মন্দির থেকে বাড়িঘর সবকিছু ধ্বংস করা হচ্ছে ৷ আমি এই বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি, যেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

    হিংসার ঘটনার তীব্র ধিক্কার

    আবার লেবার পার্টি সরকারের তরফে হাউজ অফ কমন্স-এর নেতা স্যার অ্যালান ক্যাম্পবেল (United Kingdom MP) বলেন, “আমরা সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপর এই ধরনের হিংসার ঘটনার তীব্র ধিক্কার জানাই ৷ বাংলাদেশের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে সক্রিয় ভাবে কাজ করছি ৷ একটি শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক সরকার গড়ার জন্য আমরা অন্তর্বর্তী প্রশাসনকে সমর্থন জানাই ৷ বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার্থে আমরা গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ৷” একই ভাবে বিজনেস অফ দ্য হাউজ-এর সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান বলেন, “আগামী সপ্তাহে, হিন্দু, শিখ, জৈন ও বৌদ্ধরা দীপাবলি উদযাপন করবেন ৷ হিন্দুদের নতুন বছরের সূচনা হবে ৷ এটা একটা উৎসবের সময় ৷ সবাই আনন্দ করবে ৷ কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশে তা হবে না ৷ বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হিংসার ঘটনার কথা বলা হয়েছে ৷ তাদের মেরে ফেলা হচ্ছে ৷ মন্দিরগুলি ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের সম্পত্তি জ্বালিয়ে দিচ্ছে ৷”

    মাতৃশক্তি আরাধনার ক্ষেত্র বাংলাদেশ

    সম্প্রতি ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সুপ্রাচীন কালীপুজো। দুর্গাপুজো যেমন হিন্দু বাঙালির সবচেয়ে বড় পুজো ঠিক তেমনি গোটা হিন্দু সমাজের কাছে সারা বিশ্বে দীপাবলি আলোর উৎসব হল আন্তর্জাতিক ভাবে বড় উৎসব। বাঙালিরা এই সময় ঘরে ঘরে প্রদীপ জ্বালান, গ্রাম বাংলায় চলে মা কালীর সাধনা। রক্ষাকালী, শ্মাশান কালী, শ্যাম কালীর পুজোতে মেতে ওঠে গ্রামবাংলা। এই পুজোর মধ্যে রয়েছে সুপ্রাচীন কাল হতে চলে আসা তন্ত্রের প্রভাব। অমাবস্যার জাগ্রতপীঠে সাধকরা সম্মিলিত হন চলে যজ্ঞ, বলি এবং তান্ত্রিক সাধনা। উত্তরপূর্ব ভারত এবং পূর্ব ভারতের অংশ হিসেবে বাংলার আদি সংস্কৃতি ও কৃষ্টির পরিচয় হল মাতৃশক্তি কালী মাতার সাধনা। বাংলাদেশও (Bangladesh) গত কয়েক হাজার বছর ধরে হিন্দু সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বিরাট ভাবে ছিল। কিন্তু ইসলাম ধর্মপ্রধান দেশ বাংলাদেশ হওয়ায় গত ৭০ বছরে সেই সনাতনী প্রবাহে বিরাট নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে সবটাই ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ঘটছে বলে মনে করছেন সমাজতাত্ত্বিকেরা।

  • Daily Horoscope 21 October 2025: ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 21 October 2025: ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) কাজের জায়গায় কথার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ২) দূরে ভ্রমণের জন্য বাড়িতে আলোচনা হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ২) সংসারের জন্য অনেক করেও বদনাম হবে।

    ৩) সাবধানতা অবলম্বন করুন।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ২) প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) বন্ধুদের দিক থেকে খারাপ কিছু ঘটতে পারে।

    ২) প্রেমে বিবাদ বাধতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) ব্যবসায় চাপ থাকলেও আয় বৃদ্ধি পাবে।

    ২) বুদ্ধির দোষে কোনও কাজ পণ্ড হতে পারে।

    ৩) পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় নিজের বুদ্ধিতেই আয় বাড়বে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    ধনু

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক বাধতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মকর

    ১) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়।

    ২) ব্যবসায় বিবাদ থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ৩) দিনটি কম বেশি ভালোই কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ২) কর্মস্থানে সম্মানহানির সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) খেলাধুলায় নাম করার ভালো সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 485: “নদে টলমল টলমল করে গৌরপ্রেমের হিল্লোলে রে”

    Ramakrishna 485: “নদে টলমল টলমল করে গৌরপ্রেমের হিল্লোলে রে”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল
    সংকীর্তনানন্দে ভক্তসঙ্গে

    ঠাকুর ঘরের মধ্যে ফিরিয়া আসিয়া ত্রৈলোক্যকে বলিতেছেন,—একটু আনন্দময়ীর গান,—ত্রৈলোক্য গাইতেছেন:

       কত ভালবাস গো মা মানব সন্তানে,
    মনে হলে প্রেমধারা বহে দুনয়নে (গো মা)।
    তব পদে অপরাধী, আছি আমি জন্মাবধি,
    তবু চেয়ে মুখপানে প্রেমনয়নে, ডাকিছ মধুর বচনে,
    মনে হলে প্রেমধারা বহে দুনয়নে।
    তোমার প্রেমের ভার, বহিতে পারি না গো আর,
    প্রাণ উঠিছে কাঁদিয়া, হৃদয় ভেদিয়া, তব স্নেহ দরশনে,
    লইনু শরণ মা গো তব শ্রীচরণে (গো মা) ॥

    গান শুনিতে শুনিতে ছোট নরেন গভীর ধ্যানে নিমগ্ন হইয়াছেন, যেন কাষ্ঠবৎ! ঠাকুর মাস্টারকে বলিতেছেন, “দেখ, দেখ, কি গভীর ধ্যান! একেবারে বাহ্যশূন্য! (Kathamrita)”

    গান সমাপ্ত হইল। ঠাকুর (Ramakrishna) ত্রৈলোক্যকে এই গানটি গাইতে বলিলেন—‘দে মা পাগল করে, আর কাজ নাই জ্ঞান বিচারে।’

    রাম বলিতেছেন, কিছু হরিনাম হোক! ত্রৈলোক্য গাইতেছেন:

    মন একবার হরি বল হরি বল হরি বল।
    হরি হরি হরি বলে, ভবসিন্ধু পারে চল।

    মাস্টার আস্তে আস্তে বলিতেছেন, ‘গৌর-নিতাই তোমরা দুভাই।’

    ঠাকুরও (Ramakrishna) ওই গানটি গাইতে বলিতেছেন। ত্রৈলোক্য ও ভক্তেরা সকলে মিলিয়া গাইতেছেন:

    গৌর নিতাই তোমরা দুভাই পরম দয়াল হে প্রভু!

    ঠাকুরও যোগদান করিলেন। সমাপ্ত হইলে আর একটি ধরিলেন:

    যাদের হরি বলতে নয়ন ঝরে তারা দুভাই এসেছে রে।
    যারা মার খেয়ে প্রেম যাচে তারা তারা দুভাই এসেছে রে।
    যারা ব্রজের কানাই বলাই তারা তারা দুভাই এসেছে রে।
    যারা আচণ্ডালে কোল দেয় তারা তারা দুভাই এসেছে রে।

    ওই গানের সঙ্গে ঠাকুর আর একটা গান গাহিতেছেন:

    নদে টলমল টলমল করে গৌরপ্রেমের হিল্লোলে রে।

    ঠাকুর আবার ধরিলেন (Kathamrita):

    কে হরিবোল হরিবোল বলিয়ে যায়?
    যা রে মাধাই জেনে আয়।
    বুঝি গৌর যায় আর নিতাই যায় রে।
    যাদের সোনার নূপুর রাঙা পায়।
    যাদের নেড়া মাথা ছেঁড়া কাঁথা রে।
    যেন দেখি পাগলেরই প্রায়।

    ছোট নরেন বিদায় লইতেছেন —

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তুই বাপ-মাকে খুব ভক্তি করবি।—কিন্তু ঈশ্বরের পথে বাধা দিলে মানবিনি। খুব রোখ আনবি—শালার বাপ!

    ছোট নরেন—কে জানে, আমার কিছু ভয় হয় না।

    গিরিশ বাড়ি হইতে আবার আসিয়া উপস্থিত। ঠাকুর ত্রৈলোক্যের সহিত আলাপ করিয়া দিতেছেন; আর বলিতেছেন, ‘একটু আলাপ তোমরা কর।’ একটু আলাপের পর ত্রৈলোক্যকে বলিতেছেন, ‘সেই গানটি আর একবার,’—ত্রৈলোক্য গাইতেছেন (Kathamrita):

    ঝিঁঝিট খাম্বাজ—ঠুংরী

       জয় শচীনন্দন, গৌর গুণাকার, প্রেম-পরশমণি, ভাব-রস-সাগর।
    কিবা সুন্দর মুরতিমোহন আঁখিরঞ্জন কনকবরণ

  • IDF: ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির বেলুন ফুটো! ফের সংঘর্ষ শুরু ইজরায়েল-হামাসের

    IDF: ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির বেলুন ফুটো! ফের সংঘর্ষ শুরু ইজরায়েল-হামাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল ইজরায়েল ও হামাসের সঙ্গে। সেই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রচার করেছিলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি। তাঁর সেই অগ্রগতির বেলুন ফেঁসে গেল চুক্তির সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ গাজার রাফাহ এলাকায় প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র জঙ্গিরা (Hamas) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)-এর (IDF) ওপর হামলা চালায়। আইডিএফ এই ঘটনাকে চুক্তি লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে। হামলায় আরপিজি ও স্নাইপার গুলি ব্যবহার করা হয়। এগুলি চালানো হয় তথাকথিত ইয়েলো লাইনের পূর্ব দিকে মোতায়েন করা সেনাদের লক্ষ্য করে। জানা গিয়েছে, শান্তি চুক্তি অনুযায়ী এই এলাকাটি ইজরায়েলের নিয়ন্ত্রণেই রয়ে গিয়েছে।

    জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে ব্যাপক হামলা আইডিএফের (IDF)

    জঙ্গি হামলার পর অবশ্য হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি ইজরায়েল। জঙ্গিদের জবাব দিতে দক্ষিণ গাজায় হামাসের জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে ব্যাপক বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করে আইডিএফ। ২০টিরও বেশি জায়গায় হামলা হয়। এর মধ্যে সুড়ঙ্গপথ ও জঙ্গিদের ডেরাগুলিও ছিল। এই সংঘর্ষ এমন একটা সময়ে হল যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গাজার অসামরিক নাগরিকদের ওপর হামাসের আসন্ন আক্রমণের বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছিল। জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে যখন এই হামলার ঘটনা ঘটে, তখন জঙ্গিরা পূর্ব রাফাহ অঞ্চলে থাকা আইডিএফ সেনাদের লক্ষ্য করে আরপিজি এবং স্নাইপার গুলি চালায়। আইডিএফ জানিয়েছে, যে সব সেনা হামলার শিকার হয়েছেন, তাঁরা ইয়োলো লাইনের পূর্ব পাশে হামাসের সঙ্গে সমঝোতা অনুযায়ী ওই এলাকায় জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংসের অভিযান চালাচ্ছিলেন।

    আইডিএফের উপযুক্ত জবাব

    ইজরায়েলি পক্ষে হতাহতের কোনও (IDF) খবর মেলেনি। তবে এই ঘটনা শুক্রবারের হামলার মতোই। সেদিনও রাফাহর একটি টানেল থেকে গুলিবর্ষণ এবং খান ইউনিস এলাকায় জঙ্গিদের এগিয়ে আসার ঘটনা ঘটেছিল। দুটি ক্ষেত্রেই বিমান হামলা চালিয়ে জবাব দেয় আইডিএফ।যদিও এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে হামাস। প্যালেস্তাইনের এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর দাবি, ঘটনাটি ইজরায়েলি নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ঘটেছে। ওই অঞ্চলে কয়েক মাস ধরে আটকে থাকা তাদের সদস্যদের সঙ্গে তাদের কোনও যোগাযোগই নেই (Hamas)। হামাসের প্রবীণ কর্তা ইজ্জাত আল-রিশেক ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁর জোটের চাপের মুখে পড়ে প্রতিশ্রুতি এড়িয়ে যাচ্ছেন। হামাস-ঘনিষ্ঠ কিছু গণমাধ্যমের দাবি, এই হামলার লক্ষ্য ছিলেন ইয়াসির আবু শাবাব — যিনি কথিতভাবে ইজরায়েল-সমর্থিত একটি মিলিশিয়ার নেতা এবং নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ছিলেন।

    সিভিল ডিফেন্স সংস্থার দাবি

    দক্ষিণ কমান্ডের নেতৃত্বে ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ গাজায় হামাসের ঘাঁটিগুলিতে পাল্টা বিমান হামলা চালায়। রাফাহ অঞ্চলে হুমকি দূরীকরণে ফোকাস করে এই অভিযান পরিচালিত হয় এবং তা দেইর আল-বালাহ সংলগ্ন এলাকায়ও সম্প্রসারিত হয়। অভিযানের সময় বেশ কয়েকটি সুড়ঙ্গ ও জঙ্গি তৎপরতায় ব্যবহৃত ভবন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়। ইজরায়েল ২০টিরও বেশি টার্গেটে আঘাত হানে (IDF)। গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা জানিয়েছে, রবিবার সারা দিনে ইজরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছে, এর মধ্যে ছ’জন উত্তরাঞ্চলে। নেতানিয়াহু জঙ্গি টার্গেটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ সতর্ক করে বলেন, “হামাস কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করলে তাদের কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং প্রয়োজনে এর জবাবে ধাপে ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Hamas)।”

    ইয়েলো লাইন চিহ্নিতকরণ শুরু

    একই সময়ে কাটজের নির্দেশ, আইডিএফ ইয়েলো লাইন চিহ্নিত করা শুরু করেছে, হলুদ কংক্রিটের ব্লক ও সাইনবোর্ড স্থাপন করে, যাতে সীমানা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত থাকে এবং কেউ যেন সীমা অতিক্রম না করে সেই সতর্কবার্তা দেওয়া যায়। গত কয়েক দিনে আইডিএফ বাহিনী এই রেখা অতিক্রম করে হুমকি সৃষ্টির অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্যালেস্তাইনিকে হত্যা করে (IDF)। সাম্প্রতিক এই উত্তেজনা ইঙ্গিত দেয়, যদিও হামাস শান্তিচুক্তির পর বন্দিদের ফিরিয়ে দিয়েছে, তবুও এ অঞ্চলে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ এখনও অনেক দূর (Hamas)। হামাস ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি ফর্মুলার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ধারা, যেমন, সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ ও গাজায় রাজনৈতিক ক্ষমতা থেকে দূরে থাকা প্রত্যাখ্যান করেছে। এদিকে, ইজরায়েল সাফ জানিয়েছে, হামাস যদি চুক্তির সব ধারা মেনে না চলে, তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাবে (IDF)।

    প্রসঙ্গত, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী হামাস জীবিত সব বন্দিকে মুক্তি দেয় এবং নিহত বন্দিদের দেহাবশেষ ফেরত দিতে শুরু করে। এর বিনিময়ে ইজরায়েল প্রায় ২ হাজার প্যালেস্তাইন বন্দি ও আটক ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়। এর মধ্যে ২৫০ জন সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত অপরাধে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ছিল। শনিবার ১৮ অক্টোবরের (Hamas) শেষ নাগাদ ২৮ জন নিহত বন্দির মধ্যে ১০ জনের দেহাবশেষ ফেরত এসেছে। ওই দিন আরও দু’জনের দেহাবশেষ পাওয়া গিয়েছে, যেগুলির আনুষ্ঠানিক শনাক্তকরণ বাকি ছিল (IDF)।

  • Brahmos Missile Latest: ঘুম উড়বে পাকিস্তানের! ৮০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মস মিসাইলের পরীক্ষা চালাচ্ছে ভারত

    Brahmos Missile Latest: ঘুম উড়বে পাকিস্তানের! ৮০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মস মিসাইলের পরীক্ষা চালাচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আরও দূরে আঘাত হানতে পারবে ভারতের সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মস (Brahmos Missile Latest)। পাকিস্তান সহ শত্রুদেশগুলির ঘুম উড়বে অচিরেই। ব্রহ্মস মিসাইলের নতুন সংস্করণ আসতে চলেছে। নতুন ব্রহ্মসের পাল্লা বাড়িয়ে ৮০০ কিলোমিটার করা হচ্ছে। যা এখন পরীক্ষাধীন রয়েছে। এই মিসাইলে একটি নতুন ইঞ্জিন থাকবে। সেই সঙ্গে আরও একাধিক ধরনের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি আগামী ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ ভাবে প্রস্তুত হয়ে যাবে। উল্লেখ্য পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সীমাকে অতিক্রম করে মোট ৯টি জঙ্গি শিবিরে আঘাত হেনেছিল ভারত। সেই সময় দেশীয় ব্রহ্মস দারুণ কার্যকর আঘাত হেনেছিল। এবার এই  ক্ষেপণাস্ত্রকে আরও উন্নীত করা হচ্ছে।

    সুখোই-৩০ বিমান থেকে পাকিস্তানে হয়েছিল আক্রমণ (Brahmos Missile Latest)

    দুই বছরের মধ্যেই ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে চলে আসবে আরও উন্নত এবং আধুনিক ব্রহ্মস (Brahmos Missile Latest)। সেই সঙ্গে ২০০ কিমির বেশি পাল্লার ‘অস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন ২০২৬-২৭ থেকে শুরু হবে। বর্তমানে ব্রহ্মস ক্ষেপাস্ত্রগুলি ৪৫০ কিমি রেঞ্জের। খুব উচ্চগতি সম্পন্ন এবং দ্রুত লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ব্রহ্মস। কয়েকমাস আগে অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) সময় সুখোই-৩০ বিমান থেকে পাকিস্তানে আক্রমণ করতে ব্যবহার হয়েছিল এই ব্রহ্মস। এবার এই মিসাইলের সফটওয়্যারকে আরও উন্নত করা হয়েছে। একইসঙ্গে, কিছু কিছু প্রযুক্তিগত উন্নতির জন্য গতিতে পরিবর্তন করা হয়েছে। সেইসঙ্গে তথ্যসূত্রে জানা গিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের স্থল ও নৌ সংস্করণটি প্রথমে তৈরি হবে। বায়ুসেনার জন্য এয়ার-লঞ্চ ক্ষেপনাস্ত্রটি প্রস্তুত হতে আরও কিছু সময় লাগবে।

    ১৬০ কিমি থেকে ২০০ কিমির বেশি

    ‘অস্ত্র মার্ক-২’ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়িয়ে ১৬০ কিমি থেকে ২০০ কিমি করা হচ্ছে। ভারতীয় বিমান বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে ২৮০টির বেশি অস্ত্র মার্ক-১ ক্ষেপণাস্ত্রকে (Brahmos Missile Latest) যুক্ত করেছে। বর্তমানে এই মিসাইলগুলি ১০০ কিমি পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। ‘অস্ত্র মার্ক-২’ মিসাইলগুলির পরীক্ষা সফল হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মিসাইলের উৎপাদন শুরু হতে পারে। ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০ এবং তেজস বিমানের জন্য ৭০০টি ‘অস্ত্র’ মার্ক-২ ক্ষেপনাস্ত্র কেনার পরিকল্পনা করা হেয়েছে। সেই সঙ্গে ৩৫০ কিমি পাল্লার মার্ক-৩ সংস্করণ নির্মাণের কাজ করছে যা আগামী বছর তিনেকের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যাবে।

    অপারেশন সিঁদুর ট্রেলার ছিল

    দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং গত ১৮ অক্টোবর আত্মনির্ভর ভারত মিশন প্রকল্পের প্রথম ব্যাচ ব্রহ্মস মিসাইলের উদ্বোধন করেছেন উত্তরপ্রদেশে। এখানে ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস প্রোডাকশন ইউনিটে তৈরি হবে জানিয়েছেন তিনি। একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজনাথ সিং বলেছেন, “দেশ আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের প্রতিপক্ষরা আর কোনও ভাবেই ব্রহ্মসের আঘাত থেকে পালাতে পারবে না। অপারেশন সিঁদুরে (Operation Sindoor) যা হেয়েছে তা কবেল মাত্র একটি ট্রেলার ছিল। সেই ট্রেলার বুঝেছে পাকিস্তান। ভারত যদি পাকিস্তানের জন্ম দিতে পারে তাহলে আগামীদিনে ভারত আর কী কী করতে পারে তাও বুঝে নেওয়া উচিত।” শুধু তাই নয় ভারতীয় অস্ত্রের গুরুত্ব এবং উৎপাদন ক্ষমতা ইতিমধ্যে বিশ্বের বাজারে বিরাট চাহিদা বৃদ্ধি করেছে। সেই সঙ্গে নিরাপত্তা এবং আঘাতহানার ক্ষমতা কতটা মজবুত তাও গোটা বিশ্বের মানুষ বুঝতে সক্ষম হয়েছে। ব্রহ্মসের (Brahmos Missile Latest) আধুনিক ক্ষমতা আরও কতটা শক্তিশালী হবে তা খুব সহজেই অনুমেয়।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বিশেষ অনুদান

    বেসরকারি সংবাদ সংস্থার একটি প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, ভারত-রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেসের চুক্তি ৫৮০০০ কোটি টাকা ছাপিয়ে গিয়েছে। গত বছরের মার্চে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক নৌবাহিনীর জন্য ২২০ টির বেশি ব্রহ্মস ক্ষেপনাস্ত্র কেনার জন্য ১৯৫১৯ কোটি টাকার বৃহত্তম চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। সর্বশেষ ডেস্টায়ার এবং ফ্রিগেট সহপ্রায় ২০টি যুদ্ধজাহাজ ইতিমধ্যে এই অস্ত্র দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে। অপারেশন সিঁদুরের জন্য রাজনাথ সিং ভারতীয় বায়ু সেনার জন্য ১০৮০০ কোটি টাকায় ১১০টি এয়ার লঞ্চ করা ব্রহ্মস (Brahmos Missile Latest) ক্ষেপনাস্ত্রের জন্য অনুমোদন করেছে।

  • PM Modi on INS Vikrant: ‘পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়েছিল আইএনএস বিক্রান্ত’, নৌসেনার সঙ্গে গোয়ায় দীপাবলি মোদির

    PM Modi on INS Vikrant: ‘পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়েছিল আইএনএস বিক্রান্ত’, নৌসেনার সঙ্গে গোয়ায় দীপাবলি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছিল ভারতীয় রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত।’ দীপাবলির সকালে গোয়ায় আইএনএস বিক্রান্তে (PM Modi on INS Vikrant) বসে এমনটাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতি বছরের মতো এ বছরও ভারতের সশস্ত্রবাহিনীর সঙ্গে দীপাবলি (Diwali 2025) পালন করছেন প্রধানমন্ত্রী। আত্মনির্ভর ভারতের অন্যতম গর্ব আইএনএস বিক্রান্তে দাঁড়িয়ে শত্রু পাকিস্তানকে আবারও মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের এই যুদ্ধজাহাজ কীভাবে পাক বাহিনীর ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছিল। এখনও সমুদ্রের তরঙ্গের মাধ্যমে পাকিস্তানে আতঙ্ক ধরায় বিক্রান্ত, হুঙ্কার মোদির (PM Narendra Modi)।

    সশস্ত্র বাহিনীকে আত্মনির্ভরতার বার্তা

    প্রতি বছরই দীপাবলি ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) সঙ্গে কাটান প্রধানমন্ত্রী। এবার নৌবাহিনীর (Indian Navy) সঙ্গে কাটালেন। গোয়া ও কারওয়ার উপকূলে আইএনএস বিক্রান্ত-এ (INS Vikrant) রবিবার রাত্রিযাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার সেখান থেকেই দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা দেন। বিশেষ এই অনুষ্ঠানের জন্য সোমবার সকালে সেনার পোশাকেই দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। সঙ্গে ভারতের তিন সশস্ত্র বাহিনীকে আত্মনির্ভরতার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘আজ থেকে মাত্র কয়েক মাস আগে আইএনএস বিক্রান্ত-এর নাম শুনেই গোটা পাকিস্তানের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছিল।’’ ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর (Operation Sindoor) কথা মনে করিয়ে দিয়ে মোদি বলেন, ‘‘ভারতের তিন সশস্ত্রবাহিনীর সমন্বিত শক্তিই সে সময় পাকিস্তানকে নতজানু হতে বাধ্য করেছিল। ব্রহ্মস এবং আকাশের মতো ক্ষেপণাস্ত্রগুলিও অপারেশন সিঁদুরের সময় নিজের ক্ষমতা প্রদর্শন করেছিল।’’

    বিক্রান্ত-এর নাম শুনে ভয়ে কাঁপে শত্রুরা

    প্রধানমন্ত্রীর কথায়, আইএনএস বিক্রান্ত যে দিন থেকে ভারতীয় নৌসেনার হাতে এসেছে, সে দিন থেকেই নতুন বল পেয়েছে তারা। শুধু তা-ই নয়, আত্মনির্ভর ভারত এবং মেড ইন ইন্ডিয়ার প্রতীকও হয়ে উঠেছে এই রণতরী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘মহাসাগরের বুক চিরে এগোনো স্বদেশি এই রণতরী ভারতীয় বাহিনীর শক্তির প্রতীক, যার নাম শুনেই শত্রুরা ভয়ে কাঁপে।’’ মোদি বলেন, ‘‘সেনার আত্মনির্ভর হওয়া প্রয়োজন। বীর জওয়ানেরাও এই দেশের মাটিতেই জন্মেছেন। যে দিন আমাদের সমস্ত অস্ত্র, যানও দেশের মাটিতে তৈরি হবে, তখনই সেনা আত্মনির্ভরতার দিকে এগিয়ে যাবে।’’ তবে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, এখন সশস্ত্রবাহিনীর বেশির ভাগ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভারতেই তৈরি হয়। গত ১১ বছরে প্রতিরক্ষা খাতে উৎপাদন ৩০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। প্রতি ৪০ দিনে একটি করে যুদ্ধজাহাজ কিংবা সাবমেরিন ভারতীয় নৌসেনায় যোগদান করছে। মোদির দাবি, এই হারে চলতে থাকলে অচিরেই বিশ্বের শীর্ষ প্রতিরক্ষা রফতানিকারকদের অন্যতম হয়ে উঠবে ভারত।

    শক্তির প্রতীক আইএনএস বিক্রান্ত

    প্রসঙ্গত, ‘ব্রহ্মস’ও ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি দূরপাল্লার সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী সময়ে গত মে মাসে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নির্দিষ্ট কিছু জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে যে আক্রমণ চালিয়েছিল ভারত, তাতে নিজের ক্ষমতা দেখিয়েছিল ব্রহ্মস। আইএনএস বিক্রান্ত-এর বুকে দাঁড়িয়ে নৌসেনার সাহস ও শৃঙ্খলাকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদিকে সীমাহীন আকাশ, অন্যদিকে অন্তহীন সাগর – তার মাঝে দাঁড়িয়ে আমাদের শক্তির প্রতীক আইএনএস বিক্রান্ত।” মোদির সংযোজন, “এই রণতরীতে কাটানো সময় আমাকে শিখিয়েছে বাঁচার গুরুত্ব। তোমাদের নিষ্ঠা এত গভীর যে আমি তার সামান্যই অনুভব করতে পেরেছি। কিন্তু বুঝতে পেরেছি, প্রতিদিন এইভাবে দায়িত্ব পালন করা কতটা কঠিন।”

    গভীর সমুদ্রের নিস্তব্ধতা আর ভোরের সূর্যোদয়

    প্রধানমন্ত্রী জানান, গভীর সমুদ্রের নিস্তব্ধতা আর ভোরের সূর্যোদয়ের দৃশ্য এই বছরের দীপাবলিকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে তাঁর কাছে। নৌসেনার সদস্যদের দেশপ্রেমের সঙ্গীত ও সিঁদুর অভিযানের মঞ্চায়ন দেখে প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “যুদ্ধক্ষেত্রে একজন সৈনিকের মনের অবস্থা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আজ তোমাদের চোখে সেই জেদ, সেই গর্ব দেখলাম।” প্রধানমন্ত্রী মোদির এই সফরকে কেন্দ্র করে নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে উৎসবের আবহ। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, দেশের প্রথম স্বদেশী রণতরীতে প্রধানমন্ত্রীকে দীপাবলিতে স্বাগত জানানো তাদের কাছে গর্বের বিষয়। দীপাবলি উপলক্ষে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিশেষ গান লিখে তা প্রধানমন্ত্রীকে শোনান আইএনএস বিক্রান্তের জওয়ানরা। সেই গান শুনে মুগ্ধ মোদি।

  • Suvendu Adhikari: ‘অভারতীয়রা টাটা বাইবাই…’, কালীপুজোয় রাজ্যে হিন্দুদের একজোট হওয়ার বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘অভারতীয়রা টাটা বাইবাই…’, কালীপুজোয় রাজ্যে হিন্দুদের একজোট হওয়ার বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ফের রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ে সরব হলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রবিবার, কালীপুজোর উদ্বোধনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায় গিয়েছিলেন শুভেন্দু (Suvendu on President Rule)। সেখান থেকেই সমস্ত বাঙালি হিন্দুদের একজোট হওয়ার কথা বলেন তিনি। তাঁর কথায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার আদি বাসিন্দারা ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন। বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস। প্রতিদিন রাতের অন্ধকারে ঘটছে অনুপ্রবেশ। নির্বাচনের আগে এসআইআর হলেই তা স্পষ্ট হবে, বলে জানান শুভেন্দু।

    অনুপ্রবেশ রুখতেই হবে

    রবিবার আমতলায় একটি কালীপুজোর উদ্বোধনে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “যাঁরা দক্ষিণ ২৪ পরগনার মূল নিবাসী তাদের সংখ্যা কমছে। অন্যরা দখল করে নিয়েছে। ভারতীয় মুসলমানদের নিয়ে আমার কোনও বক্তব্য নেই। কিন্তু বাংলাদেশি মুসলিমরা অনুপ্রবেশকারী। তাঁরা ভারতীয় নয়। আপনারা যাঁরা ভারতকে ভালবাসেন আমি জানি তাঁরাও চান অভারতীয়রা টাটা বাইবাই।” তিনি আরও বলেন, “এখানে গণতন্ত্র নেই। ভোট কাকে দেবেন আপনার ব্যাপার। কালীমাতার মঞ্চে আমি বলব না আমাদের দিন কিন্তু মনে রাখবেন আপনাদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। ইভিএম-এ সেলোটেপ। আমার কাছে কয়েকশো ভিডিয়ো আছে। ক্যামেরা বন্ধ ছিল। ডায়মন্ড হারবারের ক্যামেরার লিঙ্ক যাদবপুরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ৪ নভেম্বরের পর দেখিয়ে দেব প্রমাণ সহ।”

    জিহাদিদের জন্য নন্দীগ্রামের শুভেন্দু যথেষ্ট

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কথায়, “আমি রায়দিঘিতে গিয়েছি ২০০০ হাজার লোক ছিল। আমায় অনেকে প্রশ্ন করে আপনাদের দলের লোক কেন লড়ে না? আমি বলি, কর্মীদের দিয়ে আর কত লড়াব? মিথ্যা মামলা আর মার খেতে খেতে আপনাদের পিঠও দেওয়ালে ঠেকে গেছে। জিহাদিদের জন্য নন্দীগ্রামের শুভেন্দু যথেষ্ট।” এদিন, রায়দিঘি ও পাথরপ্রতিমা যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিরোধী দলনেতা। রায়দিঘিতে কালীপুজোর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। সেখানে যাওয়ার পথে তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। গাড়িতে চাপড় মারা হয়। এই নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নয়। কালীপুজোর অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন তিনি। তারপরও তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করা হল। শুভেন্দু বলেন, “এটা একটা প্রীতিপূর্ণ অনুষ্ঠান। সব হিন্দুরা এসেছেন অনুষ্ঠানে। আমি হিন্দু হিসাবে এসেছি। দলের ঝান্ডা নিয়ে আসিনি। আমায় রাস্তার উপর আটকানো চেষ্টা করছে। গাড়িতে ধাক্কা মারছে। গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে পড়ছে। আমি ধর্ম পালন করতে এসেছি। আমি আজ বিজেপি করতে আসিনি। আমি হিন্দু ধর্ম পালন করতে এসেছিলাম। মায়ের দর্শন করতে এসেছি।”

    বাংলায় হিন্দুরা এক হোন

    এরপরই হিন্দুদের একজোট হওয়ার ডাক দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যে সকল হিন্দু তৃণমূল বা সিপিএম করেন, তাঁরা এখনও ভাবুন। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে জিততে হলে হিন্দুদের একজোট হতে হবে বলে গত কয়েকমাস ধরে বলে আসছেন শুভেন্দু। এদিন ফের সেকথা শোনা গেল তাঁর কণ্ঠে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “বাংলাদেশে যে ভাবে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে, হিন্দুরা হারিয়ে যাওয়ার পথে। আজ পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই, সব থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বেশি করে হচ্ছে। আমি এখনও বলব যে সকল হিন্দুরা তৃণমূল বা সিপিএম করছেন, বলব ভাবুন আপনাদের অবস্থাও যোগেন মণ্ডলের মতো হবে।”

    বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি

    পাথরপ্রতিমার সভা থেকে এদিন রাষ্ট্রপতি শাসনের (Suvendu on President Rule) দাবি ওঠে। সেখান থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “জনগণ আওয়াজ তুলুন। আমার হাতে তো ওটা নেই। আমার হাতে থাকলে ওটা এক ঘণ্টা লাগত না।” এর আগে আরামবাগের সভা থেকে শুভেন্দু নিজেই রাষ্ট্রপতি শাসনের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। সুর চড়িয়েছিলেন এসআইআরের পক্ষে। তৃণমূলের তুলোধনা করে স্পষ্ট বলেছিলেন, “নো এসআইআর, নো ইলেকশন। আর রাষ্ট্রপতি শাসন হলে সিপিএম তো তাও টিকে আছে কিন্তু এদের তো অস্তিত্বই থাকবে না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বালি মাফিয়া আর পুলিশ নির্ভর এই তৃণমূল কংগ্রেস হাওয়াতে উবে যাবে। আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।” কিছুদিন আগেই দুর্গাপুরে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকেও। সাফ বলেছিলেন বাংলার মানুষ চাইছে রাজ্যে ৩৫৬ ধারা লাঘু হোক। এবার ফের বিরোধী দলনেতার সামনেও একই দাবি উঠল।

  • PM Modi on Diwali: ‘স্বদেশি জিনিসের প্রতি গর্ব করুন’, দীপাবলিতে দেশবাসীকে আত্মনির্ভরতার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi on Diwali: ‘স্বদেশি জিনিসের প্রতি গর্ব করুন’, দীপাবলিতে দেশবাসীকে আত্মনির্ভরতার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির প্রাক্কালে দেশবাসীকে স্বনির্ভরতা ও দেশি পণ্যের প্রতি সমর্থন জানাতে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi on Diwali)। স্বদেশি জিনিস নিয়ে গর্ব করার কথা বললেন। সোমবার সকালে দেশবাসীকে দীপাবলির আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে এই উৎসবকে “ইতিবাচকতা ও সমৃদ্ধিতে ভরপুর” করে তোলার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবছরের মতো এবারও ভারতীয় সেনার সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এবছর তিনি সম্ভবত ভারতের যুদ্ধজাহাজ আইএনএস বিক্রান্ত-এ গিয়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করবেন। দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদি মুর্মুও।

    রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছাবার্তা

    দীপাবলি আলোর উৎসব হিসেবে পরিচিত, যা অধর্মের উপর ধর্মের, অন্ধকারের উপর আলোর, মন্দের উপর ভালোর এবং অজ্ঞতার উপর জ্ঞানের আধ্যাত্মিক বিজয়ের প্রতীক। এই উৎসব দেশজুড়ে অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে পালিত হয়। মানুষ প্রদীপ এবং মোমবাতি জ্বালায় এবং দেবী লক্ষ্মীর কাছে প্রার্থনা করে। এক্স হ্যান্ডেলে নিজের বিবৃতিতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদি মুর্মু বলেন, “শুভ দীপাবলি উপলক্ষে, আমি ভারত এবং বিশ্বজুড়ে সকল ভারতীয়কে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং শুভকামনা জানাই।” তিনি আরও বলেন, ‘দেশজুড়ে প্রচুর উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উদযাপিত দীপাবলি পারস্পরিক স্নেহ এবং ভ্রাতৃত্বের বার্তা দেয়। এই দিনে ভক্তরা সম্পদ ও সমৃদ্ধির দেবী লক্ষ্মীর পূজা করেন।’ নিজের পোস্টে সতর্কতার বার্তা দিয়ে রাষ্ট্রপতি লিখেছেন, ‘আমি সকলকে নিরাপদে, দায়িত্বশীলভাবে এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে দীপাবলি উদযাপন করার আহ্বান জানাচ্ছি। এই দীপাবলি সকলের জন্য সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি বয়ে আনুক।’ তিনি প্রবাসী ভারতীয়দেরও এই আলোর উৎসবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, ‘দীপাবলিতে সকলকে শুভেচ্ছা। এই আলোর উৎসব জীবনকে সুখী এবং সমৃদ্ধ করুক। আমাদের চারপাশে ইতিবাচক চেতনা অবস্থান করুক। এই উৎসব হোক ১৪০ কোটির পরিশ্রম, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনের উদযাপন। চলুন দেশীয় পণ্য কিনে বলি — গর্ব সহকারে বলুন, এটি স্বদেশি।’ প্রধানমন্ত্রী আরও অনুরোধ করেন, মানুষ যেন সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের কেনাকাটার ছবি শেয়ার করে অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করেন। তাঁর কথায়, “আপনি কী কিনলেন, তা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন। এতে অন্যরাও উৎসাহিত হবেন দেশি পণ্য কেনার জন্য।” ইতিমধ্যেই দীপাবলির আনন্দে মেতেছে গোটা দেশ। রাস্তাঘাট, বাড়ি সেজে উঠেছে আলোয়। তবে কোনও ভাবেই যাতে বায়ুদূষণ না হয়, সেই জন্য একগুচ্ছ পদক্ষেপ করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। সুপ্রিম কোর্টও দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকার জন্য বাজি সংক্রান্ত একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে।

    নৌসেনার সঙ্গে দীপাবলি পালন প্রধানমন্ত্রীর

    উল্লেখ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সৃজনশীলতা এবং স্বনির্ভরতার সমর্থনে দেশীয় পণ্য়ের উপর বরাবরই জোর দিয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী ৷ প্রতিরক্ষা, কৃষি, প্রযুক্তি প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বনির্ভরতার কথা বলেন তিনি ৷ এদিন আলোর উৎসব উদযাপনে দেশবাসীকে সেই কথা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন মোদি ৷ এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে একটি ভিডিয়োও পোস্ট করেন তিনি ৷ সেখানে দেশের কারিগরদের সহযোগিতার জন্য সকলকে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ৷ ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মোদি প্রতি বছরই সীমান্তে ও দুর্গম এলাকায় মোতায়েন জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করছেন। প্রথম বছরে তিনি লাদাখের সিয়াচেন হিমবাহে মোতায়েন সৈনিকদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করেন। পরের বছর যান পাঞ্জাবের অমৃতসরে ডোগরাই ওয়ার মেমোরিয়ালে, যেখানে তিনি ১৯৬৫ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানান। এবার নৌসেনার সঙ্গে দীপাবলি পালন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির।

  • Dhanteras 2025: ভারতীয় অর্থনীতি নাকি ‘ডেড ইকোনমি’! ট্রাম্প-রাহুলের মুখে ঝামা ঘষে দিল ধনতেরাসের বাজার

    Dhanteras 2025: ভারতীয় অর্থনীতি নাকি ‘ডেড ইকোনমি’! ট্রাম্প-রাহুলের মুখে ঝামা ঘষে দিল ধনতেরাসের বাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় অর্থনীতিকে ‘ডেড ইকোনমি’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কথায় সায় (Indian Economy) দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীও। তবে দিন দুয়েক আগে ধনতেরাসের (Dhanteras 2025) কেনাকাটার বাজার শুনলে চোখ কপালে উঠবে ট্রাম্প এবং গান্ধীরও। যদিও ধনতেরাসের বিকিকিনির হিসেব শুনে আর রা কাড়েননি কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল। বাণিজ্য সংগঠনের অনুমান, চলতি বছর ধনতেরাসে বিপুল কেনাকাটা করেছেন দেশবাসী। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের প্রাথমিক অনুমান, এই ধনতেরাসে সারা দেশে মানুষ প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার কেনাকাটা করেছেন। এর মধ্যে কেবল সোনা ও রুপো বিক্রি হয়েছে ৬০ কোটি টাকারও বেশি। বাকি টাকার অন্যান্য সামগ্রী। প্রসঙ্গত, ধনতেরাসের দিন কোনও কিছু কিনলে সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায় বলেই বিশ্বাস ভারতীয়দের।

    ব্যাপক বিক্রি (Dhanteras 2025)

    ধনতেরাসে ভারতবাসী সাধারণত কেনেন সোনা, রুপোর পাশাপাশি বাসনকোসন, ইলেকট্রিক জিনিসপত্র, লক্ষ্মী-গণেশের মূর্তি, মাটির প্রদীপ, মোমবাতি এবং পুজোর অন্যান্য সামগ্রী। অনেকে আবার এই দিনেই কেনেন মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটের মতো ইলেকট্রনিক গ্যাজেটও। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের সম্পাদক প্রবীণ খাণ্ডেলওয়াল বলেন, “ধনতেরাসে দেশজুড়ে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য শুভ জিনিসপত্রের মোট ব্যবসা ১ লাখ কোটি টাকারও বেশি হবে বলে অনুমান।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি (Dhanteras 2025) বলেন, “গত দু’দিনে সোনার বাজারে ব্যাপক ভিড় দেখা গিয়েছে। প্রাথমিক অনুমান, কেবল সোনা ও রুপোর লেনদেন হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকারও বেশি (Indian Economy)।” এবার দিল্লিতে সোনা বিক্রি হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এটি একটি রেকর্ড। গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রি হয়েছে ২৫ গুণ বেশি।

    সোনার দাম

    জানা গিয়েছে, দেশে সোনার দামের লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী। গত বছর ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল প্রায় ৮০ হাজার টাকা। এবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকারও বেশি। শতাংশের বিচারে বৃদ্ধির হার ৬০-এর কাছাকাছি। ২০২৪ সালে রুপোর দাম ছিল কিলো প্রতি ৯৮ হাজার টাকা। এবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। বৃদ্ধির হার ৫৫ শতাংশ। তা সত্ত্বেও ধনতেরাসে এই দুই মূল্যবান ধাতু কিনতে পিছপা হননি ভারতীয় ক্রেতারা। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের তরফে জানানো হয়েছে, সোনা ও রুপো ছাড়াও ব্যাপক বিক্রিবাটা হয়েছে অন্যান্য সামগ্রীও। এর মধ্যে রয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকার রান্নাঘরের জিনিসপত্র, ১০ হাজার কোটি টাকার ইলেকট্রনিক্স গুডস, সাজসজ্জার জিনিসপত্র, প্রদীপ এবং পুজোর অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকার (Dhanteras 2025)। শুকনো ফল, মিষ্টি, পোশাক, যানবাহন এবং অন্যান্য জিনিসপত্র বিক্রি হয়েছে (Indian Economy) ১২ হাজার কোটি টাকার।

    রুপোর বিক্রিবাটা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে

    ওই বাণিজ্য সংগঠনের দাবি, এবার ব্যাপক কেনাকাটার নেপথ্যে রয়েছে মূলত জিএসটি সংস্কার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভোকাল ফর লোকাল’ প্রচার। এর ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উপকৃত হয়েছেন ছোট ব্যবসায়ী এবং পণ্য উৎপাদনকারীরা। এই দু’দিনে মানুষ যেমন দোকানে গিয়ে জিনিসপত্র কিনেছেন, তেমনি ব্যবসা হয়েছে অনলাইনেও। ইন্ডিয়া বুলিয়ন অ্যান্ড জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সচিব সুরেন্দ্র মেহতা জানান, মুম্বইয়ের জাভেরি বাজারে সোনা ও রুপোর কয়েন কেনার জন্য ভিড় উপচে পড়েছিল। জানা গিয়েছে, সোনার চড়া দামের কারণে এবার রুপোর বিক্রিবাটা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সোনা যাঁদের নাগালের বাইরে, তাঁরা ঝাঁপিয়েছেন রুপো কিনতে। এর জেরে রুপোর জিনিসের বিক্রি বেড়েছে গত বছরের তুলনায় ঢের বেশি।

    গয়না ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    কল্যাণ জুয়েলার্সের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রমেশ কল্যাণরামন বলেন, “অনেক জায়গায় সোনা-রুপোর মুদ্রার সরবরাহের চেয়ে চাহিদা বেড়েছে (Indian Economy)। কারণ খুচরো বিক্রেতারা উচ্চ মূল্যের প্রতিকূল প্রভাবের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না (Dhanteras 2025)।” ভারতীয় সংস্কৃতিতে ধনতেরাসের সময় সোনা কেনা শুভ বলে বিবেচিত হয়। গয়না ব্যবসায়ীদের মতে, এই উৎসবের মরশুমে ভারতীয় সোনার বাজারে যে অর্থনৈতিক সঞ্চালন ঘটেছে, তা শুধু খুচরো ব্যবসাকেই চাঙা করেনি, বরং ভারতের অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এক ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।

    ট্রাম্প-রাহুলের মুখে ঝামা!

    প্রসঙ্গত, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেও রাশিয়া থেকে তেল কেনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। সে প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে মাস কয়েক আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, “ভারত রাশিয়ার সঙ্গে কী করে, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। তারা তাদের মৃত অর্থনীতিকে এক সঙ্গে ধ্বংস করতে পারে।” ট্রাম্পের এহেন মন্তব্যে যারপরনাই খুশি হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সুরে সুর মিলিয়ে তিনি বলেছিলেন, “উনি (ট্রাম্প) ঠিকই বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী ছাড়া এটা সবাই জানেন। সবাই জানেন যে ভারতীয় অর্থনীতি একটি মৃত অর্থনীতি। আমি খুশি যে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প একটি সত্য কথা বলেছেন (Indian Economy)।”

    ধনতেরাসের বাজার কি তবে এঁদের মুখে ঝামা ঘষে দিল (Dhanteras 2025)?

LinkedIn
Share