Tag: bangla news

bangla news

  • Malda: “রাম সকলের”, বিজেপির শোভাযাত্রায় গেরুয়া পোশাকে লাল তিলক কেটে তৃণমূল নেতারাও!

    Malda: “রাম সকলের”, বিজেপির শোভাযাত্রায় গেরুয়া পোশাকে লাল তিলক কেটে তৃণমূল নেতারাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিনে গেরুয়া পোশাক পরে বিজেপির সঙ্গে শোভাযাত্রায় পা মেলালেন তৃণমূল কর্মীরাও। এমনই ঘটনা ঘটেছে মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুরে। সেখানকার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে আরও তৃণমূল নেতা নিজে থেকেই যোগদান করেন শোভাযাত্রায়। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। রাজ্যে যেখানে রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনে তৃণমূল সুপ্রিমো বিজেপিকে লক্ষ্য করে পাল্টা সংহতি যাত্রা করেছেন, সেখানে তাঁরই দলের সাংসদ, বিধায়ক, পঞ্চায়েত সদস্য এবং কর্মীরা রাম মন্দির উদ্বোধনের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠলেন! দলের মধ্যেই এখন তাই চরম অস্বস্তি।

    তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য

    প্রায় ৫০০ বছর অপেক্ষার পর আজ অযোধ্যায় শ্রীরামের জন্মস্থানেই নবনির্মিত গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ হিন্দু সমাজের কাছে উচ্ছ্বাসের দিন। তাই এদিন বিজেপির মিছিলে যোগদান করে মালদার (Malda) তৃণমূলের কর্মীরা বলেন, “রামলালাকে ঘিরে মানুষের আবেগকে অস্বীকার করা যাবে না। আমরা হিন্দু, এখানে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। সকলে আমরা রামভক্ত। রাম সকলের, কোনও দলের সঙ্গে যোগ নেই শ্রীরামের। আমরা আমাদের মতো সমাজের জন্য কাজ করব।”

    বিজেপির গৈরিক পতাকার নীচে তৃণমূল (Malda)

    মালদায় (Malda) বিজেপির সঙ্গে গৈরিক পতাকার নীচে তৃণমূলের কর্মীরা। একই সঙ্গে পরনে গেরুয়া বস্ত্র, গেরুয়া উত্তরীয়, কপালে লাল তিলক, মাথায় গেরুয়া কাপড় বাঁধা। একই সঙ্গে হাত উঁচু করে কণ্ঠে ‘জয় শ্রীরাম ধ্বনি’ দিয়ে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে মিছিল করেছেন। এই মিছিলে যোগ দিয়েছেন এলাকার শত শত হিন্দু ধর্মের মানুষ।

    পুজোর স্থান কোথায় ছিল?

    আজ যখন অযোধ্যার রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রধানমন্ত্রীর হাতে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছে, ঠিক তেমনি বাংলার জেলায় জেলায় হিন্দু সমাজের মন্দিরে মন্দিরে পুজো-অর্চনা অনুষ্ঠিত হয়। আজ একই ভাবে মালাদার হরিশ্চন্দ্রপুরের কিরণবালা বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে একটি অস্থায়ী মন্দির বানিয়ে প্রভু রামের একটি মূর্তি নির্মাণ করে তাতেই পুজো করা হয়। এরপর একটি বিরাট শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। হরিশ্চন্দ্রপুর (Malda) থেকে এলাকার গড়াগড়ি পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সম্পন্ন করা হয়। এই শোভাযাত্রার শুরু এবং শেষ স্থানে ব্যাপক রামভক্তদের সমাগম হয়। একই ভাবে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে যোগদান করেন এলাকার তৃণমূল কর্মীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: কৃত্তিবাসের ভিটেতে রাম-সীতা মন্দিরে পুজোয় মাতলেন সাংসদ জগন্নাথ

    Ram Mandir: কৃত্তিবাসের ভিটেতে রাম-সীতা মন্দিরে পুজোয় মাতলেন সাংসদ জগন্নাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার উপলক্ষে সারা দেশজুড়ে চলছে নাম যজ্ঞ। লক্ষ লক্ষ ভক্ত এদিন অযোধ্যার রাম মন্দিরে উপস্থিত হয়েছেন। সারা দেশের মানুষ সাড়ম্বরে পালন করছেন এই শুভ দিনটি। গোটা ভারতবর্ষের এক বিশেষ দিন। সনাতন ধর্মের সাফল্যের দিন। সোমবার শান্তিপুরের ফুলিয়ায় কৃত্তিবাস ওঝার জন্মস্থানে উপস্থিত হয়ে এমনটাই জানালেন নদিয়ার রানাঘাটের  বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। নাম সংকীর্তনের মধ্য দিয়ে মেতে ওঠেন তিনি।

    ভারতের সংস্কৃতিকে নষ্ট করছে রাষ্ট্র বিরোধী দল! (Ram Mandir)

    রামায়ণ বাংলায় রচনা করেছিলেন কৃত্তিবাস ওঝা। এদিন রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে নদিয়ার শান্তিপুরের ফুলিয়ায় কৃত্তিবাসের রামসীতা মন্দিরে বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। এদিন সেই মন্দিরে হাজির হন সাংসদ সহ একাধিক বিজেপি কর্মীরা। সেখানে বিশেয পুজো হয়। বিজেপি কর্মীদের পাশাপাশি বহু ভক্ত পুজো দিতে সেই মন্দিরে সামিল হন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বিজেপি সাংসদ হাজির হন। তিনি বলেন, গোটা দেশজুড়ে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) রামলালার জয়জয়কার হচ্ছে। রামময় জগৎ, রামময় ভারত। রাম আমাদের আত্মা, রাম আমাদের স্বরূপ। রামের যে নীতি সেই নীতিতেই চলে গোটা জগৎ। রামচন্দ্রের আদর্শ মেনেই আমরা চলি। আর ভারতের যে সংস্কৃতি যে ধর্ম তাকে নষ্ট করার জন্য  উঠে পড়ে লেগেছে এক রাষ্ট্রবিরোধী দল। এই শুভদিনে সেই নাম করছি না। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর গোটা ভারতবর্ষ এক গৌরবময় দেশ হয়ে উঠবে। আরও উন্নয়ন ঘটবে এই দেশের। রামচন্দ্র সব হিংসা দূর করে মানুষের মধ্যে শুভ বোধ জাগ্রত করবে।

    কৃষ্ণনগরে বিশেষ ষজ্ঞের আয়োজন

    এক মাস ধরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে নানান অনুষ্ঠান চলছে। এদিন মহাসাড়ম্বরে সেই শুভ দিন পালিত হচ্ছে। সারা দেশের সঙ্গে সারা রাজ্যের মানুষ রাম নামে মেতে উঠেছেন। নাম সংকীর্তন করছেন মানুষ। এদিন ফুলিয়ার কৃত্তিবাসে রাম সীতা মন্দিরে দাঁড়িয়ে সাংসদ এবং আরও বিজেপি কর্মীরা সকলে রামের নামে মেতে ওঠেন। পাশাপাশি কৃষ্ণনগরের নৃসিংহদেবতলা মন্দিরে ১০৮টি ধুনুচি এবং ১০০৮টি প্রদীপ জ্বালিয়ে বিশেষ যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। উদ্যোক্তারা কয়েক হাজার ভক্তের জন্য ভোগের ব্যবস্থা করেন। যজ্ঞ শেষে ভোগ বিতরণ করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: রাম-লক্ষ্মণ-সীতা-হনুমানের মূর্তি নির্মাণ করে পুজো, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সনাতনী সমাজের

    Murshidabad: রাম-লক্ষ্মণ-সীতা-হনুমানের মূর্তি নির্মাণ করে পুজো, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সনাতনী সমাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২২ শে জানুয়ারি অযোধ্যায় প্রভু শ্রীরামের মন্দিরের উদ্বোধন হল। এই উপলক্ষে বহরমপুরের গোরাবাজার সনাতনী সমাজের উদ্যোগে শ্রীরাম পুজোর আয়োজন করা হয় মহা সাড়ম্বরে। সোমবার সকালে এই পুজোকে কেন্দ্র করে হাজির হন সনাতনী সমাজের প্রত্যেক সদস্য, বহু ভক্ত এবং শহরের বহু সাধারণ মানুষ। সেখান থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে গঙ্গার জল আনতে যাওয়া হয় বহরমপুরের গোরাবাজার ঘাটে। আজকের দিনে বহরমপুরে (Murshidabad) গোরাবাজার সনাতনী সমাজের উদ্যোগে এই শ্রীরাম পুজোর আয়োজনে নেতৃত্ব দেন বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র কাঞ্চন।

    শ্রীরাম, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের মূর্তিতে পুজো (Murshidabad)

    অযোধ্যায় আজ মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে মন্দিরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গোটা ভারতবর্ষের সনাতনীরা এই দিনটির জন্যই অপেক্ষায় ছিল। আজ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অযোধ্যার সঙ্গে বাংলাও শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তি নির্মাণ করে পুজোতে মেতেছে। বহরমপুর (Murshidabad) সায়দাবাদে রাম, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের মূর্তি তৈরি করে পুজো-অর্চনার আয়োজন করা হয়। সেই সঙ্গে চলেছে আগত ভক্তদের মধ্যে লাড্ডু ও ভোগের প্রসাদ বিতরণ। পাশাপাশি চলে ভজন-কীর্তন। একই সঙ্গে আয়োজকদের উদ্যোগে ২০০ জন গরিব মানুষকে প্রদান করা হয় শীতবস্ত্র।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বহরমপুরের (Murshidabad) বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র বলেন, “রামায়ণে প্রভু রামের ১৪ বছর বনবাস হয়েছিল। কিন্তু আমাদের সনাতনীদের কাছে ৫০০ বছর ধরে অজ্ঞতাবাসে রাখা হয়েছে রামলালাকে। আজ অযোধ্যায় যুগাবতার রামচন্দ্রের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই মন্দিরের জন্য অনেক রাম ভক্তদের রক্ত ঝরেছে। দেশে অনেক সরকার এসেছে, কিন্তু কেউ প্রভু রামের মন্দির নির্মাণ নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেনি। দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের একান্ত চেষ্টায় মন্দির নির্মাণ-উদ্বোধন হয়। আজ আমরা সকল হিন্দু সংগঠন হিসাবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ, সনাতনী সমাজের পক্ষ থেকে প্রভু রামের পুজো করছি। আজকের দিন আমাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের এবং গৌরবের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ramlala: হীরের মুকুট, গলায় হার, ফুলের মালায় সুসজ্জিত হয়ে দেশবাসীর সামনে এলেন রামলালা

    Ramlala: হীরের মুকুট, গলায় হার, ফুলের মালায় সুসজ্জিত হয়ে দেশবাসীর সামনে এলেন রামলালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ৫০০ বছরের আন্দোলনের পরে প্রতীক্ষার অবসান। রামলালার (Ramlala) মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করলেন প্রধানমন্ত্রী। অরুণ যোগীরাজের হাতে তৈরি রামলালার মূর্তিই এখন চর্চার বিষয়। রাজা রামের মাথায় হীরের মুকুট, কপালে টিকা, গলায় হার। ফুলের মালায় সুসজ্জিত হয়ে ২২ জানুয়ারি বিশ্ববাসীর সামনে আবির্ভূত হলেন তিনি।

    রামলালার সাজের বর্ণনা

    বালক রাম বা রামলালার হাতে রয়েছে সোনার ধনুক। সোনা, রুপো এবং হীরের গয়নায় বালক রামকে সাজানো হয়। বাল্মিকী রামায়ণের ভগবান রামচন্দ্রের যে মুকুট বর্ণনা করা হয়েছে, সেই ধাঁচের তৈরি মুকুটই পরানো হয়েছে রামলালাকে (Ramlala)। হীরের মুকুটে সোনার সঙ্গে সবুজ রঙের রত্নও নজরে পড়ছে। মুকুটের একেবারে মাথায় তিনটে পানের মত মূর্তি রয়েছে। যেখানে লাল এবং সবুজ মণি দেখা যাচ্ছে। মুকুটের মাঝখানেও একটি সবুজ রঙের মণি রয়েছে। রামলালার কানেও রয়েছে সোনার অলঙ্কার। রামলালার গলার চারপাশে বড় নেকলেসও দেখা যাচ্ছে। কোমরে রয়েছে কোমর বন্ধনী, যা হীরে সমেত লাল এবং সবুজ রঙের অন্যান্য রত্ন দিয়ে তৈরি হয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী গর্ভগৃহে প্রবেশের পরেই খোলা হয় বিগ্রহের আবরণ। তার পরে হয় প্রাণপ্রতিষ্ঠা। রামলালাকে যে মুকুট পরানো হয়, মন্দিরে সেটি নিয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

    আরও পড়ুন: প্রতীক্ষার অবসান, রামলালা প্রতিষ্ঠিত হলেন জন্মভূমিতেই

    রামলালার মূর্তির বর্ণনা

    এই রামলালার (Ramlala) মূর্তিটি ৫১ ইঞ্চি লম্বা, চওড়া ৩ ফুট। ওজন প্রায় ২০০ কেজি। ভগবান রামকে দাঁড়িয়ে থাকা ভঙ্গিতে পাঁচ বছরের শিশু হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। কালো পাথরের তৈরি এই মূর্তিটি তৈরি করেছেন মহীশূরের শিল্পী অরুণ যোগীরাজ। মূর্তির চালচিত্রে রয়েছে বিষ্ণুর দশাবতার–মৎস্য, কুর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ ও কল্কি। মূর্তির একদিকে হনুমান ও অপর দিকে গরুড়। শুধু তাই নয়, মূর্তির যে মুকুট রয়েছে তাতে সূর্য, শঙ্খ, স্বস্তিক, চক্র ও গদা রাখা হয়েছে। মূর্তির প্রধান বিশেষত্ব হল, একটি কৃষ্ণশিলা দিয়েই এটি গড়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে তারাপীঠে হল মহাযজ্ঞ, করা হল ভোগ বিতরণ

    Tarapith: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে তারাপীঠে হল মহাযজ্ঞ, করা হল ভোগ বিতরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল রামলালার। আর অযোধ্যার এই রামলালাকে ঘিরে দেশজুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। সারা বাংলাজুড়়ে চলছে রামপুজো। বিশেষ এই দিনটিতে বীরভূমের শক্তিপীঠ তারাপীঠেও (Tarapith) বিশেষ যজ্ঞের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারাপীঠে মা তারার মন্দির চত্বরে এদিন মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। মন্দিরের সেবাইতদের একাংশের উদ্যোগে এই ষজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে।

    ২০ কেজি ঘি, ১০৮টি প্রদীপ জ্বালিয়ে হয় মহাযজ্ঞ (Tarapith)

    রাম মন্দির উদ্বোধনে বীরভূমের তারপীঠের এক সেবাইত তন্ময় চট্টোপাধ্যায় অযোধ্যায় গিয়েছেন। তারপীঠ মন্দির (Tarapith) চত্বরে বিশেষ পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। হোমের জন্য চারজন পুরোহিত রয়েছে। আর একজন রামের পুজো করছেন। অন্য একজন পুরোহিত হনুমান চালিশা পাঠ করবেন। রাম মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে তারাপীঠে তোরণ তৈরি করা হয়েছে। মন্দিরের এক সেবাইত পুলক চট্টোপাধ্যায় বলেন, রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনটিকে স্মরণে রাখতে সেবাইতরা এদিন একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করে। মন্দির চত্বরে মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। আর সেই যজ্ঞ দেখতে প্রচুর ভক্ত এদিন মন্দির চত্বরে ভিড়় করেন। জানা গিয়েছে, এ দিন সকাল এগারোটা থেকে শুরু হয় মহাযজ্ঞ। তার আগে চলছে চূড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতি। উপস্থিত রয়েছেন তারাপীঠের সমস্ত সেবাইতরা। মহাযজ্ঞের পর দুই হাজার ভক্তকে অন্ন প্রসাদ খাওয়ানোর আয়োজন রাখা হয়েছে। এদিন এই মহাযজ্ঞের জন্য ব্যবহার করা হয় ১৫ থেকে ২০ কেজি ঘি, ১০৮ টি প্রদীপ। প্রসাদের জন্য রয়েছে কুড়ি থেকে বাইশ রকমের ফল ও নানা সামগ্রী।

    জেলায় ১৫০টি মন্দিরে বিশেষ পুজো হয়

    তারাপীঠের (Tarapith) পাশাপাশি নলহাটি, ময়ূরেশ্বর, কলেশ্বর সহ বীরভূম জেলার ১৫০টি মন্দিরে এদিন পুজো করা হয়। রামপুরহাট পুরসভার মাঠে রামের মূর্তি পুজো হয়। হোম হয়। কীর্তনের সঙ্গে শোভাযাত্রা বের হয়। ভোগ বিতরণও করা হয়। নলহাটি শহরে পাঁচটি রাম মন্দির আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে। এমনকী নলাটেশ্বরী মন্দিরকেও সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Depression: মানসিক অবসাদ ৫৮ শতাংশ রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে! কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    Depression: মানসিক অবসাদ ৫৮ শতাংশ রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে! কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শরীরের পাশপাশি বাড়ছে মনের রোগ। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শরীরের রোগ সম্পর্কে সতর্ক হওয়ার পাশপাশি মনের অসুখ নিয়েও সচেতনতা জরুরি। না হলে সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব নয়। সাম্প্রতিক সমীক্ষা জানাচ্ছে, মনের অসুখ বাড়িয়ে দিচ্ছে শরীরের একাধিক রোগ। তাই মানসিক রোগ (Depression) নিয়ে আরও বেশি সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বলছে সাম্প্রতিক সমীক্ষা? (Depression)

    সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় জানা‌ গিয়েছে, বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে মানসিক অবসাদ।‌ গোটা বিশ্বের প্রায় ৩৩ শতাংশ মানুষ মানসিক অবসাদে ভুগছেন।‌ অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে একাকিত্ব থেকেই অবসাদ হচ্ছে। বিশ্বের প্রথম তিন অবসাদে (Depression) ভোগা দেশের মধ্যে রয়েছে ভারত। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন ভারতীয় মানসিক অবসাদের শিকার। আর এই অবসাদের অন্যতম কারণ একাকিত্ব। 
    ওই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মানসিক অবসাদে ভুগলে শরীরে একাধিক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষত, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের মতো সমস্যা বাড়ছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মানসিক অবসাদগ্রস্থের এই ধরনের রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি ৫৮ শতাংশ বেশি থাকে। অধিকাংশ মানসিক অবসাদগ্রস্থের নানান শারীরিক সমস্যা থাকে। যার অধিকাংশই জীবনযাপনের ধরনের জন্য হয়।

    কেন বাড়ছে মানসিক অবসাদ? (Depression)

    মনোরোগ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে মানসিক অবসাদের সমস্যা বাড়ছে। তার প্রধান‌ কারণ একাকিত্ব। তাঁরা জানাচ্ছেন, একাকিত্ব মানে একা থাকা নয়। একাকিত্ব হল এমন এক মানসিক অবস্থা, যখন একজন ভাবেন, তিনি একা (Depression)। তাঁর পাশে কেউ নেই। তাঁর সমস্যা, তাঁর ভাবনা‌ বলার মতো কেউ তাঁর কাছে নেই। সেখান থেকেই অবসাদের সমস্যা তৈরি হয়। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে অধিকাংশ মানুষ পরিবারের সঙ্গেও‌ ঠিকমতো সময় কাটাতে পারেন না।‌ ফলে, নিজের মনের কথা ভাগ করে‌ নেওয়ার সুযোগ ক্রমশ কমছে। সেখান থেকেই অবসাদের মতো মানসিক সমস্যা বাড়ছে।

    কীভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব? (Depression)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাকিত্ব দূর করতে পারলেই অনেকটা সমস্যা মোকাবিলা হবে। মনোরোগ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মানসিক অবসাদ কমলে একাধিক শারীরিক সমস্যা কমে। এটা একাধিকবার প্রমাণ হয়েছে। তাই উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা কমাতে মানসিক স্বাস্থ্য (Depression) সুস্থ রাখতেই হবে। তবেই সুস্থ দীর্ঘ জীবনযাপন সম্ভব। তাই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে।‌ দিনে অন্তত একবার পরিবারের সকলে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করা দরকার। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, একসঙ্গে বসে খাওয়ার সময় একে অপরের সঙ্গে কথা বলে সারাদিনে কে কী করল, বিভিন্ন ঘটনা একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেয়। এতে মানসিক চাপ কমে। এছাড়া নিয়মিত বন্ধুদের সঙ্গে‌ যোগাযোগ করা জরুরি। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়া হোক কিংবা সরাসরি বসে কথা বলা, নিয়মিত বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ একাকিত্ব কাটাতে বিশেষ সাহায্য করে। স্কুল জীবন বা কর্ম জীবনের বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে একাকিত্ব কমে‌। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন কিছুটা সময় সমবয়সীদের সঙ্গে কাটানোর পরামর্শ‌ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 
    তবে, মানসিক অবসাদের সমস্যা জটিল হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, অনেক সময় নির্দিষ্ট ওষুধ আর থেরাপির প্রয়োজন হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন রামের পুজোয় মাতলেন আসানসোলের মানুষ

    Asansol: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন রামের পুজোয় মাতলেন আসানসোলের মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ‍্যার রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠাকে ঘিরে সেজে উঠেছে আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের ৯৯ নং ওয়ার্ডের কুলটির ভরতচক গ্রাম। সেখানে রয়েছে শতাব্দী প্রাচীন রামের মন্দির। সেই মন্দিরে সোমবার বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। এমনিতেই এই মন্দিরে বছরে একবার মূর্তি গড়ে পুজো করা হয়। তবে, এখন খড়ের কাঠামোতেই জাঁকজমকভাবে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে।

    প্রাচীন মন্দিরে হয় রামের বিশেষ পুজো (Asansol)

    এদিন সকালে আসানসোলের (Asansol) ভরতচক গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, রাম মন্দিরে রাম-সীতা-ভরত-লক্ষণ-শত্রুঘ্ন -হনুমান-জাম্বুবানের খড়ের কাঠামো রয়েছে। এই গ্রামে ১৫০ বছরের বেশি সময় ধরে রামের পুজো হয়ে আসছে। মূলত মাঘী পূর্ণিমাতে প্রতি বছর মূর্তি গড়ে আট দিন ধরে রামের পুজোর আয়োজন করা হয়। সেই সময় হাজার হাজার ভক্ত প্রতি বছর সামিল হন। তবে, এদিন ৫৫০ বছরের লড়াইয়ের শেষে অযোধ‍্যায় রামলালা ফিরেছেন। বিশাল পুজোর মাধ্যমে এদিন সেখানে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়। তাই, এই মুহূর্তকে স্মরণে রেখে পূণ্য তিথি অনুসারে ভরতচক গ্রামে প্রাচীন রাম মন্দিরেও পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। আর এদিন এই পুজোয় প্রচুর ভক্ত সামিল হন।

    ভোগ বিতরণ করা হয়

    বিজেপি অমিত গড়াই বলেন, আমাদের কাছে এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই, সকাল থেকেই রাম মন্দির সাজানো হয়। নিয়ম মেনে মন্দিরে খড়ের কাঠামোতেই বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে ভক্তদের এদিন ভোগপ্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই মতো এদিন সকাল থেকে ভোগ রান্না করা হয়। আর এদিন রামের মন্দিরে পুজো দিতে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে।

    শোভাযাত্রায় সামিল বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল

    রাম মন্দির উদ্বোধনের সঙ্গে আসানসোলের (Asansol) বার্ণপুরে আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হয়। দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে তিনি নিজে খঞ্জনি বাজিয়ে নগর প্ররিক্রমা করেন। রামলালার ছবি মাথায় নিয়ে তিনি শোভাযাত্রায় পা মেলান। এদিন শোভাযাত্রায় বহু কর্মী-সমর্থক সামিল হন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনেই সাত সকালে রাম মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু

    Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনেই সাত সকালে রাম মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে সাত সকালে কাঁথির রাম মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। আজ ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Temple) গর্ভগৃহে শ্রী রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এদিন সকালে কাঁথির রাম মন্দিরের সামনে থেকে পুজোর উপাচার কিনে পুজো দিলেন এবং সকলের জন্য মঙ্গল কামনা করলেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। এভাবেই সারা দেশ আজ রাম নামে মেতে উঠেছে।

    সাংসদের স্ত্রী পুজো দিলেন (Ram Temple)

    প্রায় ৫০০ বছরের ঐতিহাসিক আন্দোলনের সময় অতিক্রম করে আজ সেই শুভ মাহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হয়। নিজের জন্মভূমিতে নির্মিত মন্দিরের (Ram Temple) গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে রামলালার। উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঠিক আজকের দিনেই সাত সকালে প্রবল শীতকে উপেক্ষা করে মন্দিরে গেলেন সাংসদ দিব্যন্দু অধিকারী এবং তাঁর স্ত্রী। আজকের শুভক্ষণে প্রভু রামকে পুজো করলেন তাঁর স্ত্রী। আর অপর দিকে সাংসদ মন্দিরের ঘণ্টা বাজিয়ে প্রভু রামের চরণে ভক্তি অর্পণ করলেন। পাশাপাশি একই ভাবে মন্দিরের শিবের মাথায় জল ঢেলে পুজো দিলেন। অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে বাংলার অলিগলি, গ্রামগঞ্জের মন্দিরগুলি অপূর্ব সাজে সজ্জিত হয়ে উঠেছে। অযোধ্যার সঙ্গে বাংলাও রাম নামে আজ মুখরিত।

    কী বললেন সাংসদ দিব্যেন্দু?      

    এদিন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “এখন সকালে পুজো দিয়ে গেলাম। আবার প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Ram Temple) অনুষ্ঠান শুরু হলে পুজো দিতে আসব। সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্য মঙ্গল কামনা করছি। বিশ্ববাসীর জীবন শান্তিময় এবং সুখকর হোক। আজ রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর ঐতিহাসিক দিনের সূচনা হবে। দেশের উন্নয়ন এবং কল্যাণে শ্রী রামচন্দ্রের আশীর্বাদ বর্ষিত হোক।” অপর দিকে আজ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিকেলে হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত সংহতি মিছিলের ডাক দিয়েছেন। এই সংহতি মিছিল সম্পর্কে সাংসদে দিব্যন্দু আরও বলেন, “উচ্চ আদালতের নির্দেশে এই মিছিল হবে। সবার নিজের কাজ করার অধিকার রয়েছে। নির্দেশ মেনেই করতে হবে, তাই আমি স্বাগত জানাই।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধন স্মরণে শান্তিপুরের গির্জায়-মসজিদে জ্বলবে প্রদীপ

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধন স্মরণে শান্তিপুরের গির্জায়-মসজিদে জ্বলবে প্রদীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনে সারা দেশ মেতে উঠেছে। মন্দিরে মন্দিরে চলছে পুজো। এই আবহের মধ্যে নদিয়ার শান্তিপুরে শুধু মন্দিরগুলিতে পুজো হচ্ছে এমন নয়, এই দিনটিকে স্মরণে রাখতে সোমবার সন্ধ্যায় মসজিদ এবং গির্জায় জ্বালানো হবে মোমবাতি এবং প্রদীপ। এমনটাই জানালেন নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের আরবান্দি-২ নম্বর পঞ্চায়েতের পাঁচপোতা পূর্বপাড়া জামে মসজিদ কমিটির অন্যতম সদস্য আশরাফ শেখ এবং শান্তিপুর ব্লকের আরবান্দি-১ নম্বর পঞ্চায়েতের চাদরা ক্যাথলিক চার্চ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা জোসেফ মণ্ডল। আজকের দিনটিকে সনাতনী হিন্দু ধর্মের অত্যন্ত পবিত্র একটি দিন বলে মনে করছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে, সনাতনী হিন্দু ধর্মের পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরাও যে একইভাবে আনন্দে উচ্ছ্বাসিত তা বলাই বাহুল্য।

    গীর্জা ও মসজিদে জ্বালানো হবে প্রদীপ-মোমবাতি (Ram Mandir)

    সোমবার সকাল থেকেই অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir)  দিকে নজর ছিল সকলের। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  আর বিশেষ এই দিনটিকে স্মরণে রাখতে উদ্যোগী হয়েছেন শান্তিপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা। এদিন সন্ধ্যায় গির্জা এবং মসজিদে মোমবাতি, প্রদীপ জ্বালানো হবে। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু হিন্দু ধর্মের মানুষেরাই নয়, সংখ্যালঘু সকল সম্প্রদায়ের মানুষেরাই তাতে খুশি। আর সেই কারণেই  মন্দিরের পাশাপাশি শান্তিপুরের এই জামে মসজিদ এবং ক্যাথলিক চার্চেও জ্বলে উঠবে প্রদীপ এবং মোমবাতি। ক্যাথলিক চার্চের দায়িত্বে থাকা জোসেফ মণ্ডল বলেন, ইতিমধ্যেই আমরা প্রত্যেক বাড়িতে বাড়িতে অক্ষত প্রসাদ বিতরণ করেছি। সকলকেই প্রদীপ বা মোমবাতি জ্বালানোর জন্য বলেছি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরাও এই দিনটিকে স্মরণ রাখতে প্রদীপ জ্বালাবে। আর গির্জাও সাজানো হয়েছে।

    জামে মসজিদ কমিটির সদস্য কী বললেন?

    জামে মসজিদ কমিটির সদস্য আশরাফ শেখ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমস্ত জাতিকেই শ্রদ্ধা ও সম্মান করেন। আর তাতেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মসজিদ পরিষ্কার করেছি। সকলে উদ্যোগী হয়ে এই কাজ করছেন। আমরা এদিন সকাল থেকে সমস্ত রকম প্রস্তুত গ্রহণ করেছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের রামলালার সঙ্গে কালনাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা হবে ১৪ ফুটের রাম

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের রামলালার সঙ্গে কালনাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা হবে ১৪ ফুটের রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধন নিয়ে সারা বিশ্বজুড়ে এখন চর্চা চলছে। ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে অযোধ্যায়। দেশ জুড়ে ওই দিন নানা অনুষ্ঠান হবে। এই আবহের মধ্যেই পূর্ব বর্ধমানের কালনায় ১৪ ফুটের রামচন্দ্রের মূর্তি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। সমীর দাস নামে এক যুবকের উদ্যোগে এই মূর্তি তৈরির কাজ চলছে। ২২ জানুয়ারি জাঁকজমকভাবে পুজো করে এই মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    ১৪ ফুটের রাম মূর্তি কেন? (Ram Mandir)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেড় মাস আগে কালনা চড়কতলার শিল্পী জগৎ মণ্ডলকে এই মূর্তি তৈরির জন্য বরাত দেন সমীরবাবু। শিল্পী ৬ জনকে নিয়ে মূর্তি তৈরির কাজ শুরু করেন। শিল্পীর কথায়, দেড় মাস ধরে মূর্তি তৈরির কাজ চলছে। ১৪ বছর রামচন্দ্র বনবাসে ছিলেন, আর সেই কারণে ১৪ ফুটের এই রামমূর্তি তৈরি করা হয়েছে। ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি কালনার আরএমসি মার্কেট সংলগ্ন এলাকাতে এই রামচন্দ্রের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই, আরএমসি মার্কেট চত্বরকে সাজানো হয়েছে। সেখানে মূর্তি বসানোর জন্য বেদি তৈরি করা হয়েছে। সেখানে বিশেষ পুজোর মাধ্যমে মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    মূর্তি তৈরির মূল উদ্যোক্তা কী বললেন?

    মূর্তি তৈরির মূল উদ্যোক্তা সমীর দাস বলেন, রামচন্দ্রের একনিষ্ঠ ভক্ত। তাঁর মূর্তি তৈরি করার জন্য বেশ কয়েকমাস ধরে পরিকল্পনা নিয়েছিলাম। এবার নিজের উদ্যোগে মূর্তি তৈরির জন্য এক শিল্পীকে বলি। প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ করে মূর্তি তৈরি করা হচ্ছে। প্রথমে আমার পাশে কেউ ছিল না। তবে, এখন সকলেই আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আর এই উদ্যোগের পিছনে কোনও রাজনৈতিক দল নেই। ব্যক্তিগত উদ্যোগে আমি মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন যজ্ঞ করা হবে। আগামীদিনে সেখানে একটি মন্দির তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share