Tag: bangla news

bangla news

  • Arjun Singh: ‘আমার বিরুদ্ধে পুলিশ চক্রান্ত করছে’, কেন বললেন অর্জুন সিং?

    Arjun Singh: ‘আমার বিরুদ্ধে পুলিশ চক্রান্ত করছে’, কেন বললেন অর্জুন সিং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নিষেধ করেছে রাজ্য নেতৃত্ব। দলের রাজ্য নেতা সুব্রত বক্সির নির্দেশ মেনে সোমনাথ ইস্যুতে আপাতত মুখে কুলুপ এঁটেছেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)। তবে, বুধবার বারাকপুর মহকুমা আদালতে এসে ভাইপো পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার ও বার বার হেফাজতে নেওয়া ইস্যুতে পুলিশকে তুলোধনা করলেন তিনি। পাশাপাশি অর্জুন অনুগামীরা এদিন ফের সোমনাথ শ্যামের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন।

    সোমনাথের চক্রান্তেই গ্রেফতার, বিস্ফোরক অর্জুন ভাইপো

    তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) ভাইপো পাপ্পু সিংকে কয়েকদিন আগে পুলিশ গ্রেফতার করে। পাঁচদিন হেফাজতে থাকার পর বুধবার তাঁকে ফের বারাকপুর আদালতে তোলা হয়। দাপুটে এই তৃণমূল নেতাকে আদালতে তোলা হবে বলে এদিন সকাল থেকেই পুলিশি তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। আদালত চত্বরে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ড্রোন দিয়ে গোটা এলাকার নজরদারি করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৯ দিনের পুলিশ হেফাজত চেয়ে আদালতের কাছে দরবার করা হয়। বিচারক ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় পাপ্পু সিং বলেন, সোমনাথ শ্যামের চক্রান্তেই আমাকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবী রাকেশ সিং বলেন, পাঁচ দিন হেফাজতে থাকার পর তার কাছ থেকে কোনও কিছু পুলিশ পায়নি। ভিকি যাদব খুনে ধৃত পঙ্কজের সঙ্গে আটমাস আগে কথা হয়েছিল পাপ্পুর। সেই সূত্র ধরেই পুলিশ এসব করছে। পুলিশের একাংশে চক্রান্তের শিকার হয়েছে পাপ্পু।

    পুলিশকে তুলোধোনা করলেন অর্জুন (Arjun Singh)

    এদিন অর্জুন সিং (Arjun Singh) আদালতে এসে বলেন, আমার উপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য পুলিশ চক্রান্ত করছে। পাঁচ দিনে পাপ্পুর কাছে কিছু পাওয়া যায়নি,  সাত দিন তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হল। চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। আসলে পাপ্পু আমার সমস্ত কিছু দেখাশোনা করত। নির্বাচনটাও করত। ও সামনে আসত না। আমার অফিস ও সামলাত। তাই, এভাবে ওকে হেনস্থা করা হচ্ছে। আমরা উচ্চ আদালতে যাব। সেখানেই আসল সত্য প্রমাণ হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: “নামেই দুয়ারে সরকার, কাজের কাজ কিছুই হয় না”, অভিযোগ তুলে তুমুল বিক্ষোভ, কাজ বন্ধ

    Durgapur: “নামেই দুয়ারে সরকার, কাজের কাজ কিছুই হয় না”, অভিযোগ তুলে তুমুল বিক্ষোভ, কাজ বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামেই দুয়ারে সরকার। কাজের কাজ কিছুই হয় না। এমনই অভিযোগ এলাকাবাসীর। কারণ, এর আগে পর পর দুবার দুয়ারে সরকার শিবিরে সমস্যার কথা জানালেও কোনও সুরাহা হয়নি। এবার দুয়ারে সরকার শিবির বসতেই তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন দুর্গাপুর (Durgapur) নগর নিগমের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের পেয়ালা গ্রামের ওয়ারিয়া পাড়ার বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর বিক্ষোভের জেরে বুধবার বেশ কিছুক্ষণ শিবিরের কাজ ব্যাহত হয়।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Durgapur)

    দুর্গাপুরের (Durgapur) পেয়ালা গ্রামের ওয়ারিয়া পাড়ায় দুই পরিবারের বিবাদের জেরে দুর্গাপুর নগর নিগমের রাস্তার একটা অংশ দখল করার অভিযোগ ওঠে। এমনকী একটি নর্দমাও দখল হয়ে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ‘রাস্তার একটা অংশ দখল হওয়ার জন্য বড় কোনও গাড়ি এলাকায় ঢুকতে পারে না। অ্যাম্বুল্যান্সও ঢুকতে পারে না। ফলে, চরম নাকাল হতে হয়। পর পর দুবার দুয়ারে সরকার শিবিরে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। সুরাহার আশ্বাস মিলেছিল। কিন্তু, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আমাদের প্রশ্ন, দুয়ারে সরকার শিবির করে কোনও অভিযোগ জানিয়েও কাজই হয়নি। আমরা দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।’ এবার পলাশডিহা গ্রামে দুয়ারে সরকার শিবির শুরু হতেই গ্রামবাসীরা জোটবদ্ধ হয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে বিক্ষোভের খবর পেয়ে পলাশডিহার ক্যাম্পে যায় দুর্গাপুর থানার পুলিশ। এরপর পুলিশ যথাযথ জায়গায় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর বিক্ষোভ ওঠে। তবে, বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, অবিলম্বে সমস্যা সমাধান না করা হলে এবার বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

    দুর্গাপুর নগর নিগমের প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য কী বললেন?

    দুর্গাপুর নগর নিগমের প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য রাখি তেওয়ারি বলেন, নিগমের রাস্তা কোনওভাবে দখল করা যায় না। এলাকাবাসী আমাদের কাছে এর আগে অভিযোগ জানাননি। ফলে, বিষয়টি জানা ছিল না। অবিলম্বে এই বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Purba Medinipur: শিশির অধিকারীকে প্রণাম করেই পদ খোয়ালেন তৃণমূল পুরসভার চেয়ারম্যান

    Purba Medinipur: শিশির অধিকারীকে প্রণাম করেই পদ খোয়ালেন তৃণমূল পুরসভার চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা সাংসদ শিশির অধিকারীকে প্রণাম করার কড়া মাশুল দিতে হল তৃণমূল পরিচালিত কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান সুবল মান্নাকে। এক প্রণামেই নিজের পদ খোয়ালেন তিনি। কারণ, দল স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, পদে তাঁকে ইস্তফা দিতে হবে। আর এই নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরে (Purba Medinipur) রাজনীতির আঙ্গিনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঘটনা কেন ঘটল (Purba Medinipur)?

    উল্লেখ্য তৃণমূল দলের তরফ থেকে প্রথমে ঘটনার কারণ দর্শাতে বলা হয়। এরপর তাঁকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিতে বলা হয়। যদিও চেয়ারম্যানের প্রথমে বক্তব্য ছিল, ‘আমি পদত্যগের বিষয়ে কিছুই জানি না’। পরে অবশ্য পদত্যাগ করেছেন। সবটা মিলিয়ে জেলার বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এমনটা করা হয়েছে।

    তৃণমূলের অন্দরে অনেক অভিযোগ

    সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল দলের ভিতরেই এই কাঁথির (Purba Medinipur) পুরপ্রধান সুবল মান্নাকে নিয়ে আগে অনেক অভিযোগ উঠেছে। এলাকায় একনায়কতন্ত্রের অভিযোগে স্থানীয় তৃণমূলের কাউন্সিলররা সরব হয়েছেন। দলের সঙ্গে একপ্রকার দূরত্বও তৈরি হয়েছে মান্নার। এই রকম অবস্থার মধ্যে এক অনুষ্ঠানে হাত উঁচু করে প্রথমে নমস্কার করেন এবং এরপর শিশিরবাবুর পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন তিনি। সেই ছবিকে ঘিরে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এরপর দল এই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় বলে জানা যায়।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের পুরপ্রধান (Purba Medinipur) সুবল বিশ্বাস বলেন, “আমি একজন বয়স্ক মানুষকে সম্মান জানাতে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছি। কেবলমাত্র সম্মান দেখানোর জন্যই আমার এই সৌজন্য। কিন্তু আমার দলের লোকেরা বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। তাই ওই দিন শো-কজ করা হয়েছে আমাকে।” পরে অবশ্য জানা গিয়েছে, সুবলবাবু নিজে দলের নির্দেশে কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি নিজে সংবাদ মাধ্যমকে বিবৃতি দিয়ে আরও বলেন, “দলের প্রত্যেক কথা মেনেছি। দলের বাইরে গিয়ে তেমন কাজ করিনি। দলের কাছে বিনম্র ভাবে বলব, আমার কোনও কাজে ক্ষুন্ন হলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।”

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ১২টি লিফট, ১৪টি চলমান সিঁড়ি! অয্যোধ্যা স্টেশনও হতে চলেছে অন্যতম দর্শনীয় স্থান!

    Ram Mandir: ১২টি লিফট, ১৪টি চলমান সিঁড়ি! অয্যোধ্যা স্টেশনও হতে চলেছে অন্যতম দর্শনীয় স্থান!

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অয্যোধ্যা

    ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন হবে। কিন্তু অয্যোধ্যা এখন থেকেই উৎসবের মেজাজে। সোমবার অযোধ্যায় পা রাখার পর যেখানেই যাচ্ছি, সেখানেই এটা ভালোরকম মালুম হচ্ছে। বুধবার সকালে গিয়েছিলাম অযোধ্যা স্টেশনে। বোঝা গেল, শুধু রাম মন্দির নয়, স্টেশনও হতে চলেছে এখানকার অন্যতম দর্শনীয় স্থান। স্টেশন চত্বরে কথা হচ্ছিল বছর পঞ্চাশের পাপ্পু যাদবের সঙ্গে। ছোট্ট পানের দোকান তাঁর। বললেন, ‘‘লাইনে কাজ চলার কারণে বিগত এক মাস ধরে অযোধ্যায় কোনও ট্রেন ঢুকছে না। তাই বিক্রি নেই বললেই চলে। তবে জানুয়ারিতে ট্রেন চলাচল পুরোদমে চালু হলে বিক্রি অনেকটাই বাড়বে।” এমনই আশায় বুক বেঁধেছেন স্টেশন চত্বরের আরও অনেক দোকানি। সবাই এক নতুন ভোরের আশায় রাতে ঘুমাতে যাচ্ছেন। পেশায় টোটোচালক বছর ছাব্বিশের যুবক রাজকমল যাদব। তাঁর গলায়ও একই আশার কথা। স্টেশন ঘুরে বোঝা গেল, শুধুমাত্র রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরেই বহু খেটে খাওয়া মানুষের রোজগার এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়তে চলেছে।

    কেমন হতে চলেছে স্টেশন? (Ram Mandir)

    ৩ হাজার ২৪০ বর্গমিটারের স্টেশন। মন্দিরের (Ram Mandir) আদলে তৈরি স্টেশনে থাকছে সমস্ত রকমের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। ১২টি লিফট, ১৪টি চলন্ত সিঁড়ি, ২টি ফুট ওভারব্রিজ, আধুনিক ক্যাফেটেরিয়া, রিক্রিয়েশন সেন্টার, পুজোর ডালি কেনার জায়গা, শপিং মল-সমস্ত পরিষেবাই মিলবে পর্যটকদের। মন্দির থেকে অযোধ্যা স্টেশনের দূরত্ব খুব বেশি হলে দেড় কিলোমিটার মতো। নতুন ভাবে নির্মাণকাজ চলছে। আসলে এটি ছিল ফৈজাবাদ ক্যান্টনমেন্ট। এই স্টেশনের নতুন নামকরণ হয় অযোধ্যা জংশন। জানা গেল, পুরনো স্টেশন চত্বরকেও আধুনিক সাজে সাজিয়ে ফেলা হবে। ২৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে এই অযোধ্যা স্টেশন চত্বর।

    বিমান বন্দরের উদ্বোধন ৩০ ডিসেম্বর (Ram Mandir)

    একইরকম ভাবে তৈরি হচ্ছে অযোধ্যার নতুন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর। এখন চলছে ফিনিশিং টাচ। সেখানে পৌঁছাতেই বোঝা গেল এই মুহূর্তে নির্মাণকর্মীদের নাওয়া খাওয়ার সময় নেই। এয়ারপোর্টে ঢোকার রাস্তা সাজিয়ে ফেলা হচ্ছে নিজস্ব স্টাইলে। রাম মন্দিরের আদলে গড়ে উঠছে বিমানবন্দরও। রামমন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের আগে দ্রুত সেই কাজ শেষ করার পথে বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ। গেটের সামনেই রয়েছে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদেরও সেখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। ৩০ ডিসেম্বর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিমান বন্দরের পাশেই গড়ে তোলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলও। সব মিলিয়ে রামের ঘরে ফেরাকে কেন্দ্র করে অযোধ্যা জুড়ে যেন চলছে কর্মযজ্ঞ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Corona: শহরে ফের করোনা সংক্রমণ! আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪ সত্তরোর্ধ্ব

    Corona: শহরে ফের করোনা সংক্রমণ! আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪ সত্তরোর্ধ্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা শহরে আবার করোনার (Corona) আতঙ্ক! ইতিমধ্যে শহরে চারজনের দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে। আক্রান্ত চারজনেই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ইতিমধ্যেই নতুন করে করোনা ফের মানুষের মধ্যে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করেছে। উল্লেখ্যে গত দুবছর আগে কোভিড-১৯ সারা বিশ্বে মহামারি তৈরি করেছিল। ভারতের মত দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। জানা গিয়েছে, বর্তমানে সারা দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫২৯ এবং নতুন জেএন-১ উপ-প্রজাতিতে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১০৯। এর মধ্যে গুজরাটে ৩৬, কর্নাটকে ৩৪, গোয়াতে ১৪, মহারাষ্ট্রে ৯, কেরলে ৬, তেলঙ্গানায় মোট ২ এবং রাজস্থান-তামিলনাড়ুতে একজন করে রোগী আক্রান্ত হয়েছেন।

    আক্রান্ত চার রোগী (Corona)

    জানা গিয়েছে, কলকাতা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনায় (Covid) আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেনে এক বৃদ্ধা। কয়েকদিন আগে তাঁর রিপোর্টে করোনা পজেটিভ আসে। এরপর দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একই ভাবে আরও তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনজনকেই বর্তমানে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তাঁদের হাসপাতলে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসা চলার সময় কোভিডে আক্রান্ত হন। রোগীদের মধ্যে হলেন, একজন বালিগঞ্জের, অপর আরও দুইজন সন্তোষপুর এবং হাওড়ার দানেশ শেখ লেনের বাসিন্দা। তবে আক্রান্ত রোগীদের কোমর্বিটির লক্ষণ রয়েছে।

    হাসপাতাল সূত্রে খবর

    করোনা (Corona) আক্রান্ত রোগীদের সম্পর্কে হাসপাতালের তরফে জানা গিয়েছে, হাওড়ার রোগী কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। বর্তমানে তাঁর শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যাও রয়েছে। সন্তোষপুরের রোগী এখন নিম্ন রক্তচাপ এবং রক্তবমির সমস্যায় চিকিৎসাধীন। আনন্দপুরের রোগী করোনার লক্ষণ নিয়েই ভর্তি হয়েছেন। তাঁর অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তবে যদি কোনও সমস্যা আর না হয় তাহলে তাঁকে ছেড়েও দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইটিআই (স্বাস্থ্য) ডক্টর ভিকে পল বলেছেন, “করোনার নতুন সংস্করণকে বিশেষ ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং সব রাজ্য জুড়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলা হয়েছে।”

    গত সপ্তাহেও আক্রান্ত ছিল ৮

    উল্লেখ্য, শীতের সময় করোনার (Corona) প্রকোপ নতুন করে কলকাতায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। গত সপ্তাহে পরপর দুইদিনে মোট আক্রান্ত হয়েছিল মোট ৮ জন। এর মধ্যে ছিল ছয় মাসের এক শিশুও। তাঁদের প্রত্যেকের নমুনা, বিশেষ পরীক্ষা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। সম্প্রতি করোনার নতুন সংস্করণ জেএন-১ সারা বিশ্বে আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি করেছে। ফলে এখানেও এই রোগের সংস্করণ পাওয়া গেল কিনা তা নিয়ে চিকিৎসকদের কাছ থেকে উদ্বেগের কথা তেমন শোনা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বাড়ির সামনে গাছ কেটে বিজেপি কর্মীকে শিক্ষা! অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: বাড়ির সামনে গাছ কেটে বিজেপি কর্মীকে শিক্ষা! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির সামনে বিজেপি কর্মীর লাগানো গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপ থানার রামগোপালপুর গ্রামে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তৃণমূলের অঞ্চল প্রধান থেকে পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সত্যব্রত মাইতির নামে থানায় অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপি কর্মীর নাম তাপস পট্টনায়ক। ২৫ বছর আগে শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি পেয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) রামগোপালপুর গ্রামে স্ত্রী মনোরমা পট্টনায়ককে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। বাড়ির সামনে জমিতে তিনি গাছ লাগিয়েছিলেন। সেই জমির কিছুটা অংশ খাস জমি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। পঁচিশ বছর ধরে জায়গাটি দখল করে থাকার সুবাদে দুয়ারে সরকারে রেকর্ড সংশোধন ও তাঁদের নামে পাট্টার জন্য আবেদন করেছিলেন। এরই মধ্যে তৃণমূল নেতারা দলবল নিয়ে এসে সব বড় বড় গাছ কেটে নিয়ে চলে যায়। তাপস পট্টনায়ক বলেন, গাছগুলিকে সন্তানের মতো মানুষ করেছি। বিজেপি করি বলেই সব গাছ কেটে নিয়ে চলে গেল। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। এই ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সত্যব্রত মাইতি বলেন, এই ঘটনাটি পুরোটাই পারিবারিক গন্ডগোল। ইচ্ছাকৃতভাবেই রাজনৈতিক হিংসা চরিতার্থ করতে আমার নাম জড়ানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনওভাবেই জড়িত নই। তৃণমূলের অন্যান্য নেতাদের জড়িত থাকার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির কাকদ্বীপ ৩ মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক হরেন্দ্রনাথ কামিল্যা বলেন, বিজেপি করে বলেই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। গাছ কাটার জন্য বন দফতরের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন, সেটাও তৃণমূল নেতারা করেনি। তৃণমূলের অত্যাচারে দলীয় কর্মীরা অতিষ্ঠ। আমরা দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির প্যারেডে যোগ দেবেন আসানসোলের সোনিয়া

    Asansol: প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির প্যারেডে যোগ দেবেন আসানসোলের সোনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দিল্লির রাজপথে প্রতি বছর প্যারেড হয়। ২০২৪ সালের ২৬ জানুয়ারিও সেই রীতি মেনে প্যারেড হবে। এবার সেই প্যারেডে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের (Asansol) সোনিয়া বাউরি। তিনি  রানিগঞ্জের টিডিবি কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। তাঁর বাড়ি জামুড়িয়া থানার চাঁদা স্কুলপাড়া এলাকায়। ন্যাশনাল সোশ্যাল সার্ভিস (এনএসএস) করা কলেজ পড়ুয়া সোনিয়া বাউরি রাজ্যের যে আটজন প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে দিল্লিতে সুযোগ পেয়েছেন, তার মধ্যে অন্যতম।

    কী বললেন সোনিয়া? (Asansol)

    জানা গিয়েছে, সোনিয়া বাউরি এনএসএস কর্মী হিসেবে গত ১৪ নভেম্বর একটি প্রশিক্ষণে অংশ নিতে ওড়িশার ভুবনেশ্বরে যান। ১৫ নভেম্বর থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে তাঁর ১০ দিনের প্রশিক্ষণ হয়। মোট ৪৪ জন সেখানে ছিলেন। ২৫ নভেম্বর তিনি আসানসোলে (Asansol) ফিরে আসেন। দিনকয়েক আগে সোনিয়া জানতে পারেন দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসে প্যারেডে এনএসএস কর্মী হিসেবে অংশ নেওয়ার তিনি সুযোগ পেয়েছেন। সোনিয়া বলেন, ‘এই কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার সময় জানতে পারি যে, এখানে এনএসএসের একটা ইউনিট রয়েছে। পড়াশুনার পাশাপাশি সামাজিক কাজ করার আগ্রহ থেকে ওই ইউনিটে ভর্তি হই। সেখানে প্রথমে কলেজ স্তরে সিলেকশন হয়। তারপর বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে সিলেকশন হওয়ার পরে ভুবনেশ্বরে যাই। খুব ভালোভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছি। যে কাজ দিয়েছে, সেই কাজ মন দিয়ে করেছি। এতবড় সুযোগের বিষয়টি আমি ওখানে কিছু জানতে পারিনি। দিন কয়েক আগে আমাকে মেল করে এই সিলেকশনের কথা জানানো হয়। এমন সুযোগ পেয়ে সত্যি খুব ভালো লাগছে। সবসময় টিভিতে দেখেছি। এবার তাতে অংশ নিতে চলেছি।’

    গর্বিত পরিবারের লোকজন

    সোনিয়ার ২৬ জানুয়ারি প্যারেডে অংশগ্রহণের খবরে তাঁর পরিবারের সদস্য, এলাকার বাসিন্দা থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও সহপাঠী সবাই গর্বিত। তিনি পড়াশুনা করেন মামারবাড়ি থেকে। পরিবারের সদস্যদের বত্তব্য, মেয়ে নিজের যোগ্যতায় প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন রাজপথে হাঁটবে ভেবে গর্বে মন ভরে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: মালদার সোনার দোকানে ডাকাতিতেও বিহার-যোগ! পুলিশ কাউকে ধরতেই পারল না

    Dacoits: মালদার সোনার দোকানে ডাকাতিতেও বিহার-যোগ! পুলিশ কাউকে ধরতেই পারল না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ মিনিট ৩ সেকেন্ডে মালদার চাঁচলে সোনার দোকানে সর্বস্ব লুট করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনার পর দু’দিন পেরিয়ে গেলেও ডাকাতির (Dacoits) কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। দোকানের ম্যানেজারের দাবি, যে পরিমাণ সোনার অলঙ্কার দুষ্কৃতীরা লুট করেছে, তার মূল্য কোটি টাকারও বেশি। আর সিসি ক্যামেরা দেখে দুষ্কৃতীদের চেনার চেষ্টা করা হলেও সকলেই হেলমেট পরে থাকায় তাদের চিনতে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশ কর্তাদের। চাঁচলে ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করে ইতিমধ্যেই থানা ঘেরাও করে বিজেপি। দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান বিজেপি নেতারা।

    ডাকাতির ঘটনায় বিহার-যোগ (Dacoits)  

    গত কয়েক মাসের মধ্যে রাজ্যে একের পর এক ডাকাতির (Dacoits)  ঘটনা ঘটেছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ডাকাতদলের টার্গেট সোনার গয়নার দোকান। নদিয়ার রানাঘাট এবং পুরুলিয়া শহরে সেনকো গোল্ডের শোরুমে ডাকাতিতেও বিহার-যোগ পাওয়া গিয়েছিল। বারাকপুরে সোনার দোকানে ঢুকে দোকানের মালিকের ছেলেকে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় বিহার-যোগ পেয়েছিল পুলিশ। মালদার ডাকাতির ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বিহারের গ্যাং এই ডাকাতির ঘটনায় যুক্ত। সঙ্গে স্থানীয় দুষ্কৃতীরা রয়েছে। দুষ্কৃতীদের ধরতে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে।

    পুলিশের ভূমিকায় সন্তুষ্ট নন সোনার দোকানের মালিক

    চাঁচলের আগেই মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির (Dacoits) ঘটনা ঘটেছিল। মাসখানেকের মধ্যে ফের সেই সোনার দোকান লুট হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। দোকানের মালিক তথা চাঁচল ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তা কর্ণ বিশ্বাস বলেন, এক মাসের ব্যবধানে চাঁচল এবং হরিশ্চন্দ্রপুরে পর পর ডাকাতির ঘটনা ঘটল। দুটোই সোনার দোকানে। এখানে পুলিশের ভূমিকায় আমরা সন্তুষ্ট নই। ডাকাতদল পালিয়ে যেতে পুলিশ ঘটনাস্থলে এল, এটাও কেন হবে? থানা থেকে এই বাজার তো ঢিল ছোড়া দূরত্বে। এখনও পর্যন্ত পুলিশ কাউকে ধরতেও পারল না।

    জেলা পুলিশ সুপার কী বললেন?

    মালদা জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব বলেন, কত টাকার অলঙ্কার লুট হয়েছে, তা ওই দোকানের মালিকের সঙ্গে কথা বলার পর পরিষ্কার করে বলা যাবে। ইতিমধ্যে সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: বাংলার প্রদীপ জ্বলবে অযোধ্যায়! সাইকেলে রাম মন্দিরের উদ্দেশে পাড়ি তিন যুবকের

    Ram Mandir: বাংলার প্রদীপ জ্বলবে অযোধ্যায়! সাইকেলে রাম মন্দিরের উদ্দেশে পাড়ি তিন যুবকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) নিয়ে এখন সাজো সাজো রব। হোটেল বুকিং অনেক আগে থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে। রামলালাকে নিয়ে চলছে এলাহি আয়োজন। আর ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ সাইকেল চালিয়ে রাম মন্দিরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। এরই মধ্যে অযোধ্যার মন্দিরে প্রদীপ জ্বালানো নিয়ে বড় উদ্যোগ গ্রহণ করলেন বীরভূমের তিন যুবক। এই জেলার নলহাটি পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং পুরসভার হিন্দ ক্লাবের সদস্য তিন যুবক নীতেশ সাহানি, সুদীপ মাল ও রাজ মাল একসঙ্গে সাইকেল চালিয়ে রওনা দিলেন অযোধ্যার উদ্দেশে। তাঁদের উদ্যোগকে কুর্ণিশ জানালেন এলাকাবাসী।

    সতীপীঠে পুজো দিয়ে রওনা দিলেন তিন যুবক (Ram Mandir)

    এত দূর পথ অতিক্রম করার আগে নলহাটি শহরের রাম মন্দির এবং ৫১ সতীপীঠের অন্যতম সতীপীঠ নলহাটির নলহাটেশ্বরী মন্দিরে পুজো দিয়ে তাঁরা এই যাত্রার সূচনা করেন। আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন। নিজের হাতেই রামলালাকে নতুন মন্দিরে প্রবেশ করাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি! পুজোর আয়োজনের অনেকটাই তিনি নিজে হাতে করবেন বলে জানা গিয়েছে। রামলালার ৫ ফুটের মূর্তিটি প্রায় ৫০০ মিটার কোলে নিয়ে মূল মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেই কর্মযজ্ঞে সামিল হতে পাড়ি দিয়েছেন বীরভূমের তিন যুবক। নলহাটি শহর থেকে প্রায় ৮০৪ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে আগামী বছর ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করতে চান তাঁরা। আর সেই ইচ্ছাশক্তি নিয়ে সাইকেলে করে রাম নাম করতে করতে অযোধ্যার মন্দিরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন। তিন যুবকের ইচ্ছে, রাম মন্দিরের উদ্বোধনের সন্ধ্যায় তাঁরা সেখানে বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করবেন। নলহাটি থেকে সাইকেলে করে রওনা হওয়ার সময় দীর্ঘ প্রায় দু কিলোমিটার পথ হেঁটে তাঁদের উৎসাহিত করেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah on CAA: ‘সিএএ হবেই দিদি, কেউ ঠেকাতে পারবে না’, বাংলায় এসে মমতাকে বার্তা শাহ-র

    Amit Shah on CAA: ‘সিএএ হবেই দিদি, কেউ ঠেকাতে পারবে না’, বাংলায় এসে মমতাকে বার্তা শাহ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সিএএ নিয়ে হুঙ্কার ছাড়লেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বাংলায় এসে বিজেপির দলীয় বৈঠকে শাহের স্পষ্ট বার্তা, সিএএ দেশের আইন, তা কার্যকর হবেই। এই আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে কেউ বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না। প্রত্যেকে নাগরিকত্ব পাবে। শরণার্থীদের নাগরিকত্ব নিয়ে বারংবার ভুল বোঝানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন শাহ। 

    সিএএ প্রসঙ্গে শাহ

    বড়দিনের রাতে কলকাতায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দু-দিনের সফরে কলকাতা এসেছিলেন শাহ এবং বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এখানে দলীয় নেতাদের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক সারেন তাঁরা। বিজেপি সূত্রে খবর,মঙ্গলবার কলকাতায় দলের আইটি সেলের এক বৈঠকে সিএএ নিয়ে আলোচনা হয়। সেই সময় নাকি দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, “দিদি প্রায়ই আমাদের উদ্বাস্তু ভাইদের সিএএ নিয়ে বিভ্রান্ত করেন। আমি এটা পরিষ্কার করে দিতে চাই সিএএ হল দেশের আইন। এবং এর বাস্তবায়ন কেউ আটকাতে পারবে না। প্রত্যেকে নাগরিকত্ব পাবেন।” 

    সিএএ প্রসঙ্গে সুকান্ত

    এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও বলেন, “সিএএ ভারতের সংবিধান সম্মত আইন। যা ভারতের লোকসভা এবং রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে। এটা আইন। সিএএ লাগু হবে। এবং আমার বিশ্বাস খুব তাড়াতাড়ি লাগু হবে।” প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবর প্রথম থেকে বিরোধিতা করে এসেছেন সিএএ-র। সংসদের দু’কক্ষে (রাজ্যসভা ও লোকসভা) এই বিল পাশ হয়েছে ঠিকই, তবে চারবছর পরও রুল তৈরি না হওয়ায় উদ্বাস্তু সমাজের একাংশের মধ্যে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। তাই দ্রুত এই বিল লাগু করতে চাইছে সরকার।

    আরও পড়ুুন: ইন্ডি জোটে কোন্দল প্রকাশ্যে, মমতার খাড়্গে-প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান পাওয়ারের

    শাহি-বার্তা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর বিজেপির তরফ থেকে শাহের বক্তব্যের অংশ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। তাতে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের জন্য কাজ করতে হবে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে। বাংলায় বিজেপি সরকারের অর্থ হবে গরু পাচার রুখে দেওয়া, সিএএ কার্যকর করা।’ মঙ্গলবার জাতীয় গ্রন্থাগারের ভাষা ভবনে শাহ তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ‘‘দেশের সব রাজ্যে আমাদের ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার তৈরি হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু বাংলা এদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার তৈরির মানে হল হল অনুপ্রবেশকারীদের ঢোকা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অনুপ্রবেশকারীদের ‘সিল’ করে দেওয়া।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share