Tag: bangla news

bangla news

  • Mamata Banerjee: মমতা-অভিষেকের ছবি দেওয়া বিল ছাপিয়ে তোলাবাজি তৃণমূলের, জেলা জুড়ে শোরগোল

    Mamata Banerjee: মমতা-অভিষেকের ছবি দেওয়া বিল ছাপিয়ে তোলাবাজি তৃণমূলের, জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলের এখন ল্যাজেগোবরে অবস্থা। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জেলের ঘাঁনি টানছেন। এরমধ্যেই তৃণমূলের কাটমানি খাওয়া আর তোলাবাজি করা নিয়ে সারা রাজ্যে চর্চা চলছে। এবার স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য নিজের দোকান বিক্রি করতে গিয়ে তৃণমূলের তোলাবাজির শিকার হলেন উৎপল বারিক নামে এক গরিব মানুষ। রীতিমতো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে বিল ছাপিয়ে তোলাবাজির অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা ব্লকের শিবরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩১ নম্বর বুথের রাধানগর গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Mamata Banerjee)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাধানগর গ্রামের বাসিন্দা উৎপল বারিকের স্ত্রীর কঠিন অসুখের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ী কমিটি ও এলাকার মানুষের সহযোগিতায়  নিজের দোকান বিক্রি করেছিলেন। আর সেখানেই থাবা বসায় তৃণমূলের বুথ সভাপতি লক্ষ্মীকান্ত পড়ুয়া ও পঞ্চায়েত সদস্যের ভাই পঞ্চানন পড়ুয়া। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিসহ পার্টির বিল ছাপিয়ে একরকম জোর করে ৭ হাজার টাকা তোলা চাওয়া হয় বলে অভিযোগ। ফলে, এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে ওই এলাকার তৃণমূল কর্মী আশরাফিল খানসহ গ্রামের মানুষ। তাঁদের বক্তব্য, এভাবে একজন দোকান বিক্রি করার জন্য কারও কাছে এভাবে তোলা নেওয়া যায়। উৎপলবাবু বলেন, ইচ্ছে না থাকলেও আমাকে টাকা দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা?

    তৃণমূলের বুথ সভাপতি লক্ষ্মীকান্ত পড়ুয়া  বলেন, আমরা কোনও তোলাবাজি করিনি। আমাদের দলের এক সমর্থক পার্টি ফান্ডের জন্য ৭ হাজার টাকা আমাকে দিয়েছেন। আমি সেই টাকা নেওয়ার  পার্টির রসিদ দিয়েছি। রসিদে মমতা (Mamata Banerjee) -অভিষেকের ছবি রয়েছে। ফলে, কোথাও কোনও কারচুপি করা হয়নি। এতে অন্যায় কিছু নেই। তোলাবাজি করলে তো পুরো টাকাটি রসিদ না দিয়ে পকেটে রেখে দিতে পারতাম। সেটা করিনি। ফলে, কেউ আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে অপপ্রচার করছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার নেতা অরুনাভ দাস বলেন, পিসি-ভাইপোর ছবি দেওয়া চালান দিয়ে তোলা আদায়ের কৌশল অভিনব। তৃণমূল দলটাই তো কাটমানি, তোলাবাজিতে ভরে গিয়েছে। তাই, একজন অসহায় মানুষের কাছে থেকে তোলা আদায় করতে এদের হাত কাঁপে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nepal Earthquake: নেপালের ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৪, ভারতীয়দের জন্য চালু হেল্পলাইন নম্বর

    Nepal Earthquake: নেপালের ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৪, ভারতীয়দের জন্য চালু হেল্পলাইন নম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে (Nepal Earthquake) বিধ্বংসী ভূমিকম্পে তছনছ হয়ে গিয়েছে এলাকার পর এলাকা। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে সেখানকার বাড়িঘরগুলি। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের পর থেকে আফটার শক চলেছে আরও ১৫৯ বার। সেদেশে জাতীয় ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের মতে, নেপালের বিস্তীর্ণ অংশের মানুষজন এখনও আতঙ্কিত। নেপালের এমন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় সেদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছে ভারত সরকার। প্রধানমন্ত্রী মোদি ট্যুইট করে নেপালের স্বজনহারা পরিবারগুলিকে সমবদেনা জানিয়েছেন।

    আতঙ্কিত নেপাল, মৃত ১৫৪

    বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী ভূমিকম্প এবং তারপরে আফটার শকের আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন বহু মানুষ। অনেক মানুষ রয়েছেন যাঁরা নিজেদের বাড়িতে প্রবেশ করতেও ভয় পাচ্ছেন এবং খোলা জায়গাতে রাত কাটানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দিনের আলোতেও তাঁরা ঘরে ঢুকতে ভয় পাচ্ছেন (Nepal Earthquake)। সরকারি হিসাব বলছে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৪জন। হাসপাতালগুলিতে লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে রোগী আত্মীয়দের। তবে এখানেই শেষ নয়, মৃতের সংখ্যা যে আরও বাড়তে পারে সে নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করতে শোনা গিয়েছে প্রশাসনকে।

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট 

    ইতিমধ্যে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এই জাতীয় বিপর্যয়ের দিনে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের জন্য ইতিমধ্যে হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে নম্বরটি হল, 977-9851316807  নিজের ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে  তিনি লিখছেন, ‘‘নেপালে হওয়া ভূমিকম্পের কারণে প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতি (Nepal Earthquake) নিয়ে গভীরভাবে শোকাহত। নেপালের জনগণের পাশে আছে ভারত। নেপালকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত ভারত। স্বজনহারা পরিবারগুলির প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি এবং আহতরা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন, সেই কামনা করছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ‘বীরভূম জেলায় জোড়া ফুল ছাড়া অন্য কিছু থাকবে না’, ফের কেষ্ট ঢঙে হুঙ্কার কাজলের

    Birbhum: ‘বীরভূম জেলায় জোড়া ফুল ছাড়া অন্য কিছু থাকবে না’, ফের কেষ্ট ঢঙে হুঙ্কার কাজলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার কাণ্ডে তিহারে রয়েছেন। জেলায় তাঁর অনুগামীরা কার্যত কোণঠাসা। কেষ্ট বিরোধী হিসেবে পরিচিত কাজল সেখ এখন জেলায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু, কেষ্ট কালচার থেকে এখনও বের হত পারল না জেলার নেতারা। জেলা থেকে ব্লক স্তর পর্যন্ত সকলের মুখে কেষ্টর ফাটা ক্যাসেট বাজছে। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। বীরভূমের বেতাজ বাদশার ডায়লগ ব্যবহার করেই কর্মীদের চাঙা করতে চাইছে এই জেলার শাসক দলের নেতারা। এমনই মত রাজনৈতিক মহলের। তাই, দলীয় সভায় বার বার কেষ্টর ঢঙে হুমকি দিচ্ছেন তৃণমূলের বীরভূম (Birbhum) জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল সেখ।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল নেতা? (Birbhum)

    শুক্রবার তারাপীঠে তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে গিয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ হুমকি দিয়ে বলেন, ‘বীরভূম (Birbhum) জেলার বুকে জোড়া ফুল ছাড়া কিছু থাকবে না। দুই কেন্দ্রের সাংসদই হবেন তৃণমূলের। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, পায়ে পা মিলিয়ে সেই কাজই করতে হবে আমাদের।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কাজ আমরা করে যাব। যখনই ডাকবেন আমরা যাব। কিন্তু বীরভূম জেলার বুকে জোড়া ফুল ছাড়া অন্য কিছু থাকবে না। বীরভূম জেলার বুকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া অন্য কেউ থাকবে না। বীরভূম জেলার আমরা সকলে একসঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চব্বিশের নির্বাচনে দুটি লোকসভা আসনে কম করে ২ লক্ষের বেশি ভোটে জিততে হবে।’ এর আগে বহুবার প্রকাশ্যে অনুব্রত বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে কাজল সেখকে। সেই কাজলকে এখন কেষ্ট ঢঙে কথা বলতে দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন। দুদিন আগেই রামপুরহাটে দলীয় সভায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সৈয়দ জিম্মি, বিরোধীদের হাত-পা কেটে ফেলার নিদান দিয়েছিলেন। এদিন আবার কাজল সেখ লোকসভা ভোটে জেলায় বিরোধী শূন্য করার হুঁশিয়ারি দেওয়ায় কেষ্ট হুঙ্কারের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Kali Puja 2023: কার্তিক মাসে ঘরে ঘরে কেন জ্বালানো হয় আকাশ প্রদীপ? জানুন মাহাত্ম্য

    Kali Puja 2023: কার্তিক মাসে ঘরে ঘরে কেন জ্বালানো হয় আকাশ প্রদীপ? জানুন মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লতা মঙ্গেশকরের কণ্ঠে ‘আকাশ প্রদীপ জ্বলে দূরের তারার পানে চেয়ে’ গানটি বাঙালির এক নস্টালজিয়া। এই ‘আকাশ প্রদীপ’ (Akash Pradip) কয়েক বছর  আগেও কার্তিক মাসে বাংলার ঘরে ঘরে জ্বলে উঠত। এখন অবশ্য আধুনিকতার ছোঁয়ায় লোকাচার যেন হারিয়ে যাচ্ছে। তবুও গ্রাম বাংলায় কার্তিক মাসের হালকা শীতের চাদর মোড়ানো সন্ধ্যায় সন্ধান পাওয়া যায় ‘আকাশ প্রদীপ’-এর।

    পুরাণ কী বলছে?

    পুরাণ মতে, দীর্ঘ চার মাসের যোগনিদ্রা শেষে, কার্তিক মাসে (Kartik Masa) জেগে ওঠেন ভগবান বিষ্ণু (Lord Vishnu)। তাঁকে প্রসন্ন রাখতে, ভক্তরা কার্তিক মাসের প্রথম দিন থেকে সংক্রান্তির দিন পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যাবেলায় মাটির প্রদীপে ঘি বা তেল দিয়ে জ্বালিয়ে রাখেন। বাড়ির সব থেকে উঁচু স্থানে উত্তর অথবা পূর্ব দিকে মুখ করে রেখে এই প্রদীপ জ্বালানো হয়। লাঠির ডগায় ছাদের উপরেও এই প্রদীপ দিতে দেখা যায়। বর্তমান সময়ে প্রদীপের বদলে বৈদ্যুতিক বাতিও দেন অনেকে। বিশ্বাস, ভক্তদের আকাশ প্রদীপ (Akash Pradip) অর্পণে সন্তুষ্ট হয়ে ভগবান বিষ্ণু তাঁদের মনস্কামনা পূরণ করেন। সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে ভক্তদের জীবন। আরোগ্য ও আশীর্বাদ প্রদান করেন ভগবান বিষ্ণু।

    রয়েছে আরও বিশ্বাস…

    অন্য একটি বিশ্বাস মতে, আশ্বিন মাসের মহালয়ার দিন পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ করা হয়। তার পরের একটি মাস তাঁরা আনন্দ উৎসবে সামিল হন এবং পরলোকের উদ্দেশে গমন করেন কালীপুজোর (Kali Puja 2023) অমাবস্যায়। এই প্রদীপ জ্বেলে আবাহন করা হয় পিতৃলোকে, প্রেতলোকে অবস্থান করা পূর্বপুরুষদেরও। যাতে তাঁরা আকাশ প্রদীপের আলোয় পথ চিনে আশীর্বাদ দিতে আসতে পারেন উত্তরসূরীদের।

    হিন্দু ধর্মে প্রদীপের তাৎপর্য

    প্রদীপ হিন্দু ধর্মের যে কোনও অনুষ্ঠানের সব থেকে অপরিহার্য এবং গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ধর্মীয় আচার, রীতি সবকিছুই সম্পন্ন হয় প্রদীপের দ্বারা। ভগবান বিষ্ণুর বন্দনা করতে তাই বেছে নেওয়া হয়েছে আকাশ প্রদীপ (Akash Pradip)। ভগবান বিষ্ণুর উদ্দেশে সমর্পিত এই প্রদীপের ধরন আলাদা আলাদা হয় এবং তা ভক্তদের নানা মনোবাঞ্ছা পূরণের লক্ষ্যে জ্বালানো হয়। একনজরে আমরা দেখে নিই আকাশ প্রদীপের ধরনগুলি।

    ১. দ্বিমুখী প্রদীপ: ভগবানের অসীম কৃপা লাভ, আশীর্বাদ লাভ এবং দীর্ঘজীবনের অধিকারী হওয়া যায় দ্বিমুখী প্রদীপ জ্বালালে। এটাই ভক্তদের বিশ্বাস।

    ২. ত্রিমুখী প্রদীপ: লোকবিশ্বাস, এই প্রদীপ জ্বালালে শত্রুর কু-নজর থেকে ভগবান বিষ্ণু ভক্তদের রক্ষা করেন।

    ৩. চতুর্মুখী প্রদীপ: সন্তানের দীর্ঘজীবন কামনা করে মা-বাবারা এই প্রদীপ জ্বালেন।

    কার্তিক মাসব্যাপী সন্ধ্যার সময় অনেক গৃহে তুলসীতলায় প্রদীপ জ্বালানোর রীতি রয়েছে‌। পুকুরে বা নদীতেও অনেক সময় প্রদীপ ভাসানো হয় ভগবানের আশীর্বাদ এবং কৃপা লাভের উদ্দেশ্যে। আকাশ প্রদীপ দেওয়ার মন্ত্রটি হলো-‘‘আকাশে সলক্ষ্মীক বিষ্ণোস্তোষার্থং দীয়মানে প্রদীপঃ শাকব তৎ।’’ আকাশে লক্ষ্মীর সঙ্গে অবস্থান করছেন যে বিষ্ণু, তাঁর উদ্দেশে দেওয়া হল এই প্রদীপ (Kali Puja 2023)।

    দেহের প্রতীক প্রদীপ

    ঘটের মতো প্রদীপকেও অনেক পণ্ডিত দেহেরই প্রতীক বলে মনে করেন। আকাশ প্রদীপও (Akash Pradip) নশ্বর শরীরের মতো ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরুৎ ও ব্যোম-এই পঞ্চভূতে তৈরি। ক্ষিতি অর্থাৎ মাটি, কায়া তৈরি করে। অপ অর্থাৎ জলে আকার পায়। তেজ অর্থাৎ আগুন, আত্মার মতোই স্থিত হয় তার অন্তরে। মরুৎ অর্থাৎ হাওয়া আগুনকে জ্বলতে সাহায্য করে। আর ব্যোম অর্থাৎ অনন্ত শূন্য জেগে থাকে প্রদীপের গর্ভে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে রমরমিয়ে চলছে সারের কালোবাজারি, নাজেহাল কৃষক

    Dakshin Dinajpur: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে রমরমিয়ে চলছে সারের কালোবাজারি, নাজেহাল কৃষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরে (Dakshin Dinajpur) বন্ধ হয়নি সারের কালো বাজারি। ব্যবসায়ীদের সাসপেন্ড ও শোকজ করা হয়েছে। তাতেও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে বন্ধ হয়নি বেআইনি কারবার। নাজেহাল কৃষকরা। আর এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন।

    কৃষকরা কী বললেন? (Dakshin Dinajpur)

    হিলিতে কালোবাজারির অভিযোগে ফের এক সার ব্যবসায়ীকে শোকজ করতেই তুমুল হইচই পরিস্থিতি তৈরি হয় সীমান্ত শহরে। যদিও এই ঘটনাকে তেমন বাড়তি গুরুত্ব দিতে চায়নি জেলা কৃষি দফতর। এদিকে জমির ফসল ঘরে উঠতেই ফের জেলায় অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছে সারের কালোবাজারিদের দৌরাত্ম্য বলে অভিযোগ তুলেছেন কৃষকেরা। যা নিয়ে প্রশাসনিক উদাসীনতাকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, সার বিক্রেতাদের কালোবাজারি নিয়ে প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। চাষের মরশুম শুরু হতেই দক্ষিণ দিনাজপুরে (Dakshin Dinajpur) মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে সারের কালোবাজারি। যা নিয়ে প্রশাসনকে একপ্রকার বুড়ো আঙুল দেখিয়েই চলছে দেদার কারবার। কৃষকদের বক্তব্য, সরকারের বেধে দেওয়া নির্ধারিত দামের থেকে প্রতি প্যাকেটে প্রায় ৫০০ টাকা করে বেশি আদায় করছে অসাধু কারবারীরা। জেলাজুড়ে সর্বত্র এই অব্যবস্থা চললেও তেমন কোনো ভ্রুক্ষেপই নেই প্রশাসনের। মদন বিশ্বাস ও অসীম সরকার নামে দুই কৃষক বলেন, সারের কালোবাজারি কোথাও বন্ধ হয়নি। চাষের মরশুম শুরু হতেই তা লাগামহীন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে। যা নিয়ে প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।আমরা কৃষকেরা চাই সারের এই কালোবাজারি বন্ধ হোক।

    কৃষি দফতরের আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    যদিও কৃষকদের তোলা এই অভিযোগ মানতে নারাজ জেলা কৃষি দফতর। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তাদের দাবি, দক্ষিণ দিনাজপুরে (Dakshin Dinajpur) কালোবাজারির অভিযোগে ইতিমধ্যে ১১৫ জন সার ব্যবসায়ীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে ২৫০ জন সার ব্যবসায়ীকে। শুধু তাই নয়, চাষের মরশুম শুরু হতেই বিভিন্ন এলাকায় কালোবাজারির বিরুদ্ধে নানা অভিযানও শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে। সেই হিসাবেই হিলির এক সার ব্যবসায়ীকে শোকজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি দফতর। কৃষি দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর প্রণব কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, সারের কালোবাজারি রুখতে আমরা বদ্ধপরিকর। এব্যাপারে নানা সচেতনতার পাশাপাশি কোনও অভিযোগ পেলেই অভিযুক্ত সার ব্যবসায়ীদের শোকজ ও সাসপেন্ড করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: রানি রাসমণি প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরের ইতিহাস জানুন

    Kali Puja 2023: রানি রাসমণি প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরের ইতিহাস জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের বিভিন্ন সময়ে অমাবস্যা তিথিতে কালীপুজো দেখা যায়। তবে কার্তিক মাসের দীপান্বিতা কালীপুজো (Kali Puja 2023) সবথেকে প্রসিদ্ধ। আয়োজন, জাঁকজমক, ধুমধাম সবদিক থেকেই বেশ জনপ্রিয় দ্বীপান্বিতা কালীপুজো।  জাগ্রত কালী মন্দিরগুলিতে কার্তিকী অমাবস্যায় ভক্তদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কালী আরধনা বা কালী সাধনা বললেই উঠে আসে দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দির। কামারপুকুরের গদাধর চট্টোপাধ্যায় এখানেই রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব হয়েছিলেন। কথিত আছে, হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত এই দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করেন রানি রাসমণি, সেটা ছিল ১৮৫৫ সালের ৩১ মে।

    দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরের অধিষ্ঠাত্রীদেবী ‘ভবতারিণী’ 

    এখানে কালী মন্দিরের অধিষ্ঠাত্রী দেবী ভবতারিণী নামে প্রসিদ্ধ। জনশ্রুতি রয়েছে, রানি রাসমণি মা কালীর স্বপ্নাদেশ পেয়েই এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন এবং মন্দির প্রতিষ্ঠা কালে রানিকে সব থেকে বেশি সাহায্য করেছিলেন রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের দাদা রামকুমার চট্টোপাধ্যায়। পরবর্তীকালে রামকুমার চট্টোপাধ্যায় দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দিরের (Kali Puja 2023) প্রধান পুরোহিত হন। রামকুমারের হাত ধরেই কামারপুকুরের গদাধর চট্টোপাধ্যায়ের প্রবেশ ঘটে। দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের আকর্ষণে এক মহাতীর্থে পরিণত হয় ভবতারিণী মন্দির।

    তরুণ নরেনের রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সঙ্গে সাক্ষাৎ

    এখানেই আগমন ঘটে নরেন্দ্রনাথ দত্তের যিনি পরবর্তীকালে স্বামী বিবেকানন্দ হবেন। তরুণ নরেন্দ্রনাথ দত্ত সাংসারিক অনটনে ভুগছেন তখন। এমনই সময় রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব তাঁকে পাঠালেন ভবতারিণীর সামনে। অর্থ কষ্ট মেটানোর প্রার্থনা করতে বললেন রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব। ভবতারিণীর সামনে নরেন্দ্রনাথ দত্ত চাইলেন বিবেক, বৈরাগ্য, জ্ঞান এবং ভক্তি। দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দির (Kali Puja 2023) চত্বরে একাধিক দেবদেবীর মন্দিরও রয়েছে। দ্বাদশ শিবমন্দির নামে পরিচিত রয়েছে বারটি আটচালার মন্দির। মন্দিরের উত্তর দিকে রয়েছে রাধাকান্ত মন্দির, দক্ষিণে রয়েছে নাটমন্দির। উত্তর-পশ্চিম কোণে রয়েছে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের বাসগৃহ। বছরের সারাবছর ধরেই ভক্তদের ভিড় লেগেই থাকে মন্দিরে। তবে কালীপুজো এবং কল্পতরু উৎসবে বিপুল জনসমাগম ঘটে এখানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: চুল্লির আগুনে পুড়ছে শব, কেওড়াতলায় “শ্মশানে জাগিছে শ্যামা মা..”

    Kali Puja 2023: চুল্লির আগুনে পুড়ছে শব, কেওড়াতলায় “শ্মশানে জাগিছে শ্যামা মা..”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈদ্যুতিক চুল্লিতে পুড়ছে শবদেহ। পাশেই তন্ত্রমতে পুজো হচ্ছে শ্মশানকালীর (Kali Puja 2023)। ফি বছর কালীপুজোর রাতে এ ছবি দেখা যায় কালীঘাটের কেওড়াতলা মহাশ্মশানে। এক সময় এখানে দেহ দাহ হত কাঠের চুল্লিতে। পরে হয়েছে বৈদ্যুতিক চুল্লি। চুল্লি জ্বলে প্রায় সারাদিনই। কালীপুজোর রাতেও এর বিরাম থাকে না। এই আবহেই এখানে হয় মাতৃ আরাধনা।

    মাতৃমূর্তি করুণাময়ী

    কেওড়াতলায় মাতৃমূর্তি করুণাময়ী। ১৬ ফুট উচ্চতার মাতৃমূর্তি লোলজিহ্বা নয়, হাস্যময়ী। অসুর মুণ্ডমালিনী নয়। দেবীর দুই হাত। ডান হাতে নৈবেদ্যরূপী মাংস, অন্য হাতে মদ। অনেকেই এখানে দেবীকে মদ্য মানত করেন। সেই পানপাত্র থেকে মদ্যের একটা অংশ নিয়ে পুরোহিত দেবীর হাতে থাকা পাত্রে রাখেন। বাকিটা প্রসাদ করে তুলে দেওয়া হয় মানতকারীর হাতে। কালীপুজোয় বলিদান সিদ্ধ। তাই বলিদানের রীতি শুরু থেকেই রয়েছে এখানে। ভক্তদের (Kali Puja 2023) মানত করা ছাগ বলি হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, কেওড়াতলার মা কালী কাউকে শূন্য হাতে ফেরান না।

    রাতভর চলল পুজো-হোম-বলিদান

    এখানে শ্মশানকালী পুজোর একটি ইতিহাস রয়েছে। গভীর জঙ্গলে আকীর্ণ এই এলাকায় এক সময় ছিল শুধুই শ্মশান। মূলত দেহ দাহ করতেই লোকজন আসতেন এখানে। এই জায়গাটিকেই সাধনস্থল হিসেবে বেছে নিলেন জনৈক চন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য ও মতিলাল ভট্টাচার্য। এক অমাবস্যার রাতে এখানে এসে হাজির হন ভিনদেশি এক তান্ত্রিক। হাতে লৌহনির্মিত একটি ছোট্ট কালীমূর্তি। সাধনারত দুই ব্রহ্মণকে তিনি বললেন, “আজকের এই রাত্রির লগ্ন মাতৃপূজার শুভক্ষণ। আমি এখানে দেবীর আরাধনা করতে চাই। আপনারা আমায় সহযোগিতা করুন।” তখনই ব্রাহ্মণরা আয়োজন করলেন মাতৃ আরাধনার। স্থানীয় জনবসতি থেকে জোগাড় হল পুজোর উপকরণ। রাতভর চলল পুজো-হোম-বলিদান। তন্ত্রমতে সাঙ্গ হল দেবী আরাধনা।  

    আরও পড়ুুন: পুরীর জগন্নাথদেবের মহাপ্রসাদের মূল্য একলাফে বেড়ে ৩ গুণ! ভক্তমহলে অসন্তোষ

    আকাশে ভোরের আলো ফোটার আগেই দেবীমূর্তি নিয়ে কোথায় যেন চলে গেলেন তান্ত্রিক। তবে তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আজও হচ্ছে পুজো। যেহেতু তান্ত্রিক তাঁর দেবীমূর্তি নিয়ে চলে গিয়েছেন, তাই এখন মৃণ্ময়ী প্রতিমা গড়ে হয় পুজো। তবে পুজোর নিয়ম অনুসরণ করা হয় সেই তান্ত্রিকের মতোই। জনশ্রুতি এই (Kali Puja 2023) যে, দ্বীপান্বিতা অমাবস্যার রাতে যখন মায়ের আরাধনা হয়, তখনও জ্বলতে থাকে চিতা। কালীপুজোর রাতে এখানে এলে মনে পড়ে কাজী নজরুল ইসলামের সেই কথা কটি, “শ্মশানে জাগিছে শ্যামা মা…।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nepal Earthquake: এটাই শেষ নয়, আরও ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প হতে পারে নেপালে, কেন জানেন?

    Nepal Earthquake: এটাই শেষ নয়, আরও ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প হতে পারে নেপালে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার মাঝরাতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে দুলে ওঠে নেপাল (Nepal Earthquake)। ভূমিকম্পে মৃতের  সংখ্যা ছাড়িয়েছে একশোরও বেশি। ৩ নভেম্বর রাতের এই ভূমিকম্প যেন ২০১৫ সালের নেপালের ভয়াবহতার স্মৃতিকে ফের একবার উস্কে দিল। গত এক মাসে টানা চারবার ভূমিকম্পের (Nepal Earthquake) ঘটনা ঘটল নেপালে। প্রতিবারই নেপালের ভূমিকম্পের আঁচ পড়ে উত্তর ভারত সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। গতকালের ভূমিকম্পেও কেঁপে উঠেছে রাজধানী দিল্লি সহ উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের একাংশ। ভূমিকম্পের আঁচ থেকে বাদ যায়নি তিলোত্তমাও। কম্পন অনুভূত হয়েছে কলকাতাতেও। তবে বিশেষজ্ঞরা আরও আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছেন। 

    ভয়াবহ ভূমিকম্পের আশঙ্কা থাকছেই নেপালে

    এমনিতেই পৃথিবীর মধ্যে ১১তম ভূকম্পনপ্রবণ রাষ্ট্র হল নেপাল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এটাই শেষ নয় এমন কম্পনের আশঙ্কা বজায় থাকবে! তাঁদের মতে, ৩ নভেম্বর নেপালে যে অংশে ভূমিকম্প হয়েছে তার উৎসস্থল দোতি জেলার কাছে। অন্যদিকে, ঠিক এক মাস আগে গত ৩ অক্টোবর ওই জেলারই আশপাশের এলাকায় বেশ কয়েকবার কম্পন অনুভূত হয়েছে। এই জেলা নিয়েই আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ২০২২ সালের নভেম্বর মাসেও ওই একই এলাকায় ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে নেপাল। সেই কম্পনে তিনজনের মৃত্যুর খবরও আসে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৬.৩। বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমালয়ের নিকটবর্তী ভূখণ্ডে যেকোনও সময় ভয়াবহ ভূমিকম্প (Nepal Earthquake) আবার হতে পারে। কারণ ওই অংশে ইন্ডিয়ান টেকটনিক প্লেট এবং ইউরাশিয়ান প্লেটের মধ্যে সংঘর্ষ হতে পারে।

    ইন্ডিয়ান প্লেট সরছে উত্তর দিকে

    সৃষ্টির প্রথমে অর্থাৎ চার থেকে পাঁচ কোটি বছর আগে ভারত মহাসাগর থেকে ইন্ডিয়ান প্লেটের উৎপত্তি হয়। এই ইন্ডিয়ান প্লেট যখন উত্তর দিকে সরতে থাকে তখনই ইউরেশিয়ান প্লেটের সঙ্গে ধাক্কা শুরু হয়। দুটি প্লেটের সংঘর্ষের ফলেই তৈরি হয় হিমালয় পর্বতমালা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ইন্ডিয়ান প্লেট আবার উত্তর দিকে সরতে শুরু করেছে। যার ফলে নতুন করে চাপ তৈরি হচ্ছে। কোনও বড় রকমের ভূমিকম্প (Nepal Earthquake) হওয়ার পরেই এই চাপ মুক্ত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে কখন সেই ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প হবে! তা ঠিক বলতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা। তাই আশঙ্কা থাকছেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: গাড়ির ডিকিতে বান্ডিল বান্ডিল টাকার নোট, তাজ্জব পুলিশ কর্মীরা

    Burdwan: গাড়ির ডিকিতে বান্ডিল বান্ডিল টাকার নোট, তাজ্জব পুলিশ কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার চাকা গাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ টাকা। গাড়ির ডিকির ভিতর কাগজে মোড়ানো অবস্থায় বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার হয়। টাকার পরিমাণ প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান (Burdwan) শহরে। শনিবারও সেই টাকা গোনার কাজ চলছে। এই ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে, এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বর্ধমান (Burdwan) শহরে পুলিশের পক্ষ থেকে রুটিন নাকা চলছিল। গাড়িটি রায়নার দিক থেকে বর্ধমান শহরে যাচ্ছিল। বর্ধমান শহরের তেলিপুকুর এলাকায় কালো রঙের ছোট ওই চারচাকা গাড়িটি আটকায় পুলিশ। গাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় ব্যাগের ভিতরে কাগজে মোড়ানো কিছু জিনিস লক্ষ্য করেন পুলিশ কর্মীরা। কাগজের মোড়ক সরাতেই চক্ষু চড়ক গাছ হয় পুলিশ কর্মীদের। কারণ, ডিকির মধ্যে লক্ষ লক্ষ টাকার বান্ডিল রাখা ছিল।  গাড়িতে করে এই বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। গাড়ির মধ্যে দুজন মহিলা সহ পাঁচজন ছিলেন। এত টাকা নিয়ে কোথায় যাওয়া হচ্ছিল তা পুলিশ কর্মীরা জিজ্ঞাসাবাদ করলে গাড়ির আরোহীরা জানান, রাইস মিলের টাকা। বাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। যদিও গাড়ি আরোহীদের এই বক্তব্যে পুলিশ সন্তুষ্ট হয়নি। তাই আটক করে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক কী বললেন?

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, গাড়ির মধ্যে থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গাড়ির আরোহীরা যে যুক্তি দিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাছাড়া এত টাকা কোথায় থেকে তারা পেল তা স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেনি। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনা তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL: আইপিএল-এ নজর সৌদির রাজার! বিনিয়োগ করতে চান ৫০ হাজার কোটি টাকা

    IPL: আইপিএল-এ নজর সৌদির রাজার! বিনিয়োগ করতে চান ৫০ হাজার কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খেলাধুলার প্রতি সৌদি আরবের আগ্রহ নতুন কিছু নয়। ফুটবল, গলফ এ সমস্ত খেলায় কোটি কোটি টাকা ঢালতে দেখা গিয়েছে সৌদি আরবকে। ফুটবল জগতে রোনাল্ডোর মতো তারকাকেও নিয়ে এসেছেন তাঁরা ঘরের মাঠে। এবার সৌদি আরবের নজরে আইপিএল-এ। প্রসঙ্গত, আইপিএল (IPL) হল বিশ্বের সবথেকে ধনী ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। সেখানেই বিনিয়োগ করবেন সৌদির রাজা প্রিন্স মহম্মদ বিন সলমন। এর পাশাপাশি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (IPL) একটা বড় অংশীদারিত্ব নেওয়ার ভাবনাচিন্তাও তাঁর রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    ভারত সরকারের সঙ্গে কথা সৌদির রাজার

    এ ব্যাপারে ভারত সরকারের সঙ্গে ইতিমধ্যে কথাবার্তাও বলেছে সৌদি আরব। আইপিএলকে (IPL) তারা একটি হোল্ডিং কোম্পানিতে পরিণত করতে চায়। যার বাজার মূল্য হবে প্রায় আড়াই লক্ষ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি আইপিএলের ৫০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতেও রাজি সে দেশের সরকার। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই ভারত সফরে এসেছিলেন প্রিন্স সলমন। সূত্রের খবর সেখানেই সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। জানা গিয়েছে, আইপিএলকে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা রয়েছে সৌদি আরবের। তবে এখনও বিসিসিআইয়ের তরফ থেকে এ নিয়ে কোনও বিশেষ বার্তা তারা পায়নি।

    প্রথমবারের জন্য আইপিএল-এর নিলাম দুবাইয়ে

    প্রথমবারের জন্যই আইপিএলে (IPL) নিলাম হতে চলেছে বিদেশে। শুক্রবারে বিসিসিআই-এর তরফে জানানো হয় যে দুবাইয়ে আইপিএলের নিলাম হবে আগামী বছরের ১৯ ডিসেম্বর।  জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে দুবাইয়ের মিনি নিলামের বিষয়ে আইপিএলের দশটি ফ্রাঞ্চাইজিসকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বিসিসিআই এর তরফে। ওই চিঠি অনুযায়ী ২৬ নভেম্বরের মধ্যে ক্রিকেটারদের ছাড়তে হবে ফ্রাঞ্চাইজিসগুলিকে। এর আগে ক্রিকেটারদের ছাড়ার সময়সীমা ছিল ১৫ নভেম্বর। তা ১১ দিন বাড়ানো হল। প্রতিটি ফ্রাঞ্চাইজিসের কাছে ১০০ কোটি টাকা থাকবে ক্রিকেটারদের কেনার জন্য। প্রসঙ্গত, গত বছর ইস্তানবুলে নিলামের আয়োজন করার কথা ভেবেছিল বিসিসিআই। পরে অবশ্য সেই ভাবনা থেকে সরে আসে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share