Tag: bangla news

bangla news

  • Barrackpore: নিজের নামে ব্যাঙ্কে ৬০ লক্ষ টাকা ঋণ, আছে লাক্সারি বাস! জানেনই না ভাটপাড়ার জয়ন্ত

    Barrackpore: নিজের নামে ব্যাঙ্কে ৬০ লক্ষ টাকা ঋণ, আছে লাক্সারি বাস! জানেনই না ভাটপাড়ার জয়ন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাবারের দোকান চালিয়ে কোনও রকমে সংসার চলে বারাকপুর (Barrackpore) মহকুমার ভাটপাড়ার জয়ন্ত ভট্টাচার্যের। কাজের স্বার্থে কিস্তিতে বাইক কেনার তিনি সিদ্ধান্ত নেন। কিস্তিতে বাইক কিনতে গিয়েই যত বিপত্তি। ব্যাংকের নথি ঘেঁটে জানানো হয় তাঁর নামে ৬০ লক্ষ টাকা ব্যাংকে ঋণ রয়েছে। যা শুনে আকাশ থেকে পড়েন জয়ন্তবাবু। কারণ, তিনি এই ধরনের ঋণ কোনও ব্যাংক থেকেই নেননি। পরে, তিনি খোঁজখবর করে জানতে পারেন, আসাম, দার্জিলিং, পুনে এবং বেঙ্গালুরু থেকে তাঁর ভোটার কার্ড, আধার কার্ড ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে লোন নেওয়া হয়েছে।

    প্রতারণা নিয়ে কী বললেন জয়ন্তবাবু? (Barrackpore)

    জয়ন্তবাবু বলেন, আমার নামে পাসপোর্ট রয়েছে। অথচ আমি পাসপোর্ট এর জন্য জীবনে কোথাও আবেদন করিনি। আমার নামে রয়েছে লাক্সারি বাস। অথচ আমি কখনও তা দেখিনি। কারণ, কিস্তি ছাড়া বাইক কেনার মতো আমার ক্ষমতা নেই। আমি যে প্রতারিত হয়েছি তা বুঝতে পারি। কারণ, যে সব জায়গা থেকে আমার নাম করে ব্যাঙ্ক থেকে লোন নেওয়া হয়েছে, সেই সব জায়গায় আমি জীবনে যাইনি। তবে, এটা ঠিক কিস্তিতে বাইক কিনতে না গেলে আমি এই চক্রের হদিশ পেতাম না। প্রশাসনের কাছে বিষয়টি জানিয়ে ছিলাম। কিন্তু, তারা কোনও সাহায্য করেনি। ফলে, চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। পরে, এ বিষয়ে তদন্তের জন্য বারাকপুরের (Barrackpore) আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। আদালত এ বিষয়ে তদন্তে নির্দেশ দিয়েছে।

    কী বললেন প্রতারিত ব্যক্তির আইনজীবী?

    জয়ন্তবাবুর আইনজীবী বলেন, জয়ন্তবাবুর নামে ১৪টি ব্যাঙ্ক থেকে ধাপে ধাপে এই ৬০ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে। আসলে, যেটা জানা গিয়েছে,  আসামে জয়ন্ত ভট্টাচার্য নামে কোনও এক ব্যক্তি ভাটপাড়ার জয়ন্তবাবুর কাগজপত্র নিয়েই এই প্রতারণা কারবার চালাচ্ছে। বারাকপুর (Barrackpore) আদালত বিষয়টি তো তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। জয়ন্তবাবু বলেন, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। আর আমার বিরুদ্ধে ব্যাঙ্কে যে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে তা মকুব করা হোক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WB Govt Job: রাজ্য পুলিশে সাব ইন্সপেক্টর পদে চাকরির ব্যাপক সুযোগ, আজই আবেদন করুন

    WB Govt Job: রাজ্য পুলিশে সাব ইন্সপেক্টর পদে চাকরির ব্যাপক সুযোগ, আজই আবেদন করুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কি সরকারি চাকরি (WB Govt Job) করতে চান? তাহলে আজই নজর রাখুন এই বিজ্ঞপ্তিতে। রাজ্য পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগ শুরু হয়েছে। সব কিছু জেনে আবেদন করুন। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গত অগাস্টের ২৯ তারিখ থেকে। তাই দেরি না করে আজই আবেদন করুন।

    কোন সাইটে আবেদন করতে হবে (WB Govt Job)?

    পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা যাবে। আগ্রহী প্রার্থীরা wbpolice.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

    বিজ্ঞাপনে কী বলা হয়েছে?

    রাজ্য পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর পদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাব ইন্সপেক্টর, সাব ইন্সপেকট্রেস আনআর্মড ব্রাঞ্চ এবং কলকাতা পুলিশের সার্জেন্ট পদে কর্মী নিয়োগ (WB Govt Job) করা হবে। মোট শূন্য পদের সংখ্যা হল ১৬৯। এই আবেদন জমা করার শেষ তারিখ হল ১৮ সেপ্টেম্বর। বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই পদে আবেদন করছেন, এমন প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ২০ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে। এছাড়াও সংরক্ষিত পদের জন্য বয়সে কিছুটা ছাড় মিলবে। শূন্য পদের জন্য প্রতিমাসে বেতন হবে ৩২১০০ থেকে ৮২৯০০ টাকা পর্যন্ত। জেনারেল বিভাগের জন্য আবেদন ফি ২৭০ টাকা এবং তফশিলি জাতি এবং উপজাতির জন্য ফি ২০ টাকা।

    যোগ্যতা

    আবেদনকারী (WB Govt Job) প্রার্থীদের যোগ্যতা হিসাবে বলা হয়েছে, যে কোনও বিষয়ে স্নাতক হতে হবে। ভারতীয় নাগরিক হতে হবে আবেদনকারীকে। বাংলা ভাষায় লিখতে পড়তে জানতে হবে। শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকতে হবে। কলকাতা পুলিশের আনআর্মড শাখায় কেবল মহিলা আবেদনকারীদের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    কীভাবে হবে নিয়োগ?

    শূন্য পদের নিয়োগের জন্য প্রথমে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষা হবে মোট ৯০ মিনিটে ২০০ নম্বরের। পরীক্ষা বাংলা এবং ইংরেজি মাধ্যমে নেওয়া হবে। পাশ করলে শরীরিক পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে  নিয়োগপত্র (WB Govt Job) দেওয়া হবে।

    আবেদনের পদ্ধতি

    আবেদনকারী পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েবসাইট ttps://wbpolice.gov.in, কলকাতা পুলিশের ওয়েবসাইট kolkatapolice.gov.in এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে https://prb.wb.gov.in আবেদন (WB Govt Job) করতে পারবেন।

    নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে আবেদন করতে পরবেন

    প্রথেম ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

    এরপর হোমপেজে রিক্রুটমেন্ট বাটনে ক্লিক করতে হবে।

    এরপর নিয়োগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে হবে।

    এরপর একটি নতুন পেজে যেতে হবে।

    তারপর আবেদনপত্র ক্লিক করে সব পূরণ হবে।

    প্রয়োজনীয় একধিক তথ্য আপলোড করতে হবে।

    এবার আবেদনের টাকা জমা করতে হবে।

    এরপর জমা করে চূড়ান্ত প্রিন্ট আউট নিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সাংসদ শিশির অধিকারীর উপর হামলা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর, কী বললেন?

    Suvendu Adhikari: সাংসদ শিশির অধিকারীর উপর হামলা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর, কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রবীণদের গায়ে পাথর ছুড়ল তৃণমূল। বুধবার দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনে রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম সংঘের কৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংসদ শিশির অধিকারীর গাড়িতে হামলার প্রেক্ষিতে একথা বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ৮৬ বছরের প্রবীণ রাজনীতিবিদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রতিষ্ঠা করার জন্য যাঁর অন্যতম অবদান রয়েছে, তাঁর গায়ে পাথর ছোড়া মানে পশ্চিমবাংলার সমস্ত প্রবীণদের গায়ে পাথর ছোড়া।

    জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপনের রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম সংঘের কৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওড়িশার জগন্নাথ মন্দিরের প্রধান পুরোহিত ও সভাপতি ভবানী প্রসাদ দৈতাপতি প্রভু সহ তপন বিধানসভার বিধায়ক বুধরাই টুডু, গঙ্গারামপুর বিধানসভার বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায়। জন্মাষ্টমীর তিথিতে তপন রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রম সংঘের নতুন মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপনে এসেছিলেন। বুধবার তপনে এসে জগন্নাথ দেবের বর্ণাঢ্য পদযাত্রায় যোগদান করেন তিনি। এরপর তপন এলাকার প্রধান রাস্তা পরিক্রমা করে রাধাগোবিন্দ মন্দিরে প্রবেশ করেন। বিভিন্ন ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগদান করেন তিনি। এই বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আজ আমরা তপনের রাধাগোবিন্দ মন্দিরে উপস্থিত হয়েছি। এখানে জগন্নাথ মন্দিরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হবে। আজকের এই পূর্ণ দিনে আমরা সবাই মিলিত হয়ে হাজার হাজার বছরের পুরনো সনাতন ধর্ম যাতে আরও বেশি প্রসারিত হয়, সেজন্য আজকে আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।

    মুখ্যমন্ত্রীর উপাচার্যর বেতন বন্ধের হুমকি নিয়ে ফের সরব শুভেন্দু

    এছাড়াও বিধানসভায় আগামীকাল গান সংক্রান্ত প্রস্তাব নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, কাল বিধানসভায় বলব। সেখানে দেখতে পাবেন বিরোধী দলনেতার ভূমিকা কী। উপচার্যের বেতন বন্ধের হুমকি প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বেতন বন্ধ করে দেখুক। একজনের বেতন বন্ধ করেছিল হাইকোর্ট, কান মুলে দিয়েছে। লেকচার কম মেরে বেতন বন্ধ করে দেখুক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Surendranath College: সুরেন্দ্রনাথ কলেজের পড়ুয়ার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার পাঁশকুড়ায়, রহস্য ঘনীভূত

    Surendranath College: সুরেন্দ্রনাথ কলেজের পড়ুয়ার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার পাঁশকুড়ায়, রহস্য ঘনীভূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় রেললাইনের ধার থেকে এক কলেজ পড়ুয়ার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হল। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম স্বাগত বণিক। তিনি কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজের (Surendranath College) প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায়। হাবড়া নয়, পাঁশকুড়ায় কী করে কলকাতার কলেজ পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হল, তা নিয়ে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Surendranath College)

    গত ৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শিয়ালদা যাচ্ছেন বলে হাবড়ার বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন সুরেন্দ্রনাথ কলেজের (Surendranath College) স্ট্যাটিস্টিক্স বিভাগের পড়ুয়া স্বাগত। তার পর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ নেই। মোবাইলটিও বাড়িতে ফেলে যান তিনি। কোনও খোঁজখবর না পেয়ে স্বাগতর বাড়ির লোকেরা হাবড়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। রবিবার গভীর রাতে পুলিশ জানায়, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার কাছে ক্ষীরাই স্টেশনে রেললাইনের পাশ থেকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় একটি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে দেখা যায়, সেই দেহটিই স্বাগতর। এ খবর বাড়িতে আসতেই সকলে ভেঙে পড়েন। বাড়িতে শিয়ালদা যাচ্ছি বলে বেরিয়ে পাঁশকুড়ায় কেন তিনি পৌঁছেছিলেন, তা নিয়ে দানা বাঁধছে রহস্য। মেধাবী ওই ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় বন্ধুদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলছেন স্বাগতর বাড়ির লোকজন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, পাঁশকুড়ায় তাঁদের কোনও আত্মীয়-পরিজনও থাকেন না। স্বাগতর কোনও বন্ধুর বাড়িও ওই এলাকায় নয়। তা হলে শিয়ালদা থেকে প্রজেক্টের ‘বাইন্ডিং’ নিয়ে আসার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্বাগত পাশকুঁড়ায় কী করে গেলেন? যদি আত্মহত্যার উদ্দেশ্য থাকত, তা হলে তো হাবড়া থেকে শিয়ালদা যাওয়ার পথেই করতে পারত। পাঁশকুড়ায় তাঁকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা চাই, প্রশাসন দয়া করে সত্যিটা বার করুক। তাঁদের আরও বক্তব্য, এর পিছনে ওর বন্ধুবান্ধবের কোনও পরিকল্পনা আছে। ও তো চলে গিয়েছে, আর ফিরবে না। কিন্তু, ভবিষ্যতে যাতে আর কোনও মা-বাবাকে এই পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে না হয়, সে জন্য প্রশাসনকে সজাগ থাকতে হবে। প্রশাসনের পক্ষেই একমাত্র সত্য বের করা সম্ভব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nitin Godse: সবজি বিক্রেতা থেকে প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি! নিতিন গডসের যাত্রাপথ কেমন ছিল?

    Nitin Godse: সবজি বিক্রেতা থেকে প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি! নিতিন গডসের যাত্রাপথ কেমন ছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  নিতিন গডসে (Nitin Godse) হলেন একজন প্রথম প্রজন্মের একজন বিনিয়োগকারী। তিনি এক্সেল গ্যাস অ্যান্ড ইকুইপমেন্টস-এর এমডি। পরিশ্রম দিয়ে নিজেকে সমাজের সামনে উপস্থাপন করছেন। সবজি বিক্রেতা থেকে আজ দেশের বড় মাপের একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন তিনি। স্বনির্ভর হতে গেলে কীভাবে পরিশ্রম করতে হয়, তা তাঁকে দেখেই জানা যায়।

    প্রথম জীবন (Nitin Godse) কেটেছে কীভাবে?

    নিতিন (Nitin Godse) একজন সাধারণ গরিব পরিবারের ছেলে ছিলেন। মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরের আকোলে গ্রামে তাঁর বসবাস ছিল। বাবা একটি সংস্থায় মাসে ৪০০ টাকার বেতনে কাজ করতেন। নিতিন পড়াশুনার জন্য নিজেই সবজি বিক্রি করে আয় করতেন। জীবনের শুরুটা করছেন খুব ছোট থেকে। স্নাতক স্তরের পড়াশুনা করে তিনি একটি কারখানায় সুপারভাইজার হিসাবে প্রথম জীবনে চাকরি করেন। এক বছর কাজ করে নিতিন টেকনোভা ইমেজিং সিস্টেমে যোগ দেন। এরপর অনুভব করেন পড়াশুনা ভালো করে না করলে উন্নতি সম্ভব নয়। এরপর তিনি পুণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ পাশ করেন ১৯৯৪-৯৬ সালে। এরপর তিনি বিষ্ণুপ্রিয়া আরগো শিল্পকারখানায় তাজা শাকসবজির মার্কেটিং-এর উপর কাজে মন দেন। নিজে ব্যবসা করতে গেলে টাকার সমস্যা ছিল। সেই সময় এক পরিচিত ব্যক্তি ৫ লাখ টাকা ধার দিয়ে ব্যবসা করার জন্য সহযোগিতা করেন। এরপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি তাঁকে। অত্যন্ত পরিশ্রম করে সবজি বাজারে এনে, পরিষ্কার করে নিজের মার্কেটিং করতেন। প্রথম প্রথম সেভাবে লাভের মুখই দেখতে পেতেন না বললেই চলে।

    সাফল্যের শিখরে পৌঁছালেন কীভাবে?

    ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিতিন (Nitin Godse) নিজে এক্সেল গ্যাস অ্যান্ড ইকুইপমেন্টস প্রাইভেট কোম্পানির সূচনা করেন। অল্প কিছু দিনের মধ্যে বিরাট সাফল্য পেলেন। এই কোম্পানির বর্তমানে বার্ষিক টার্নওভার দাঁড়িয়েছে ২৫ কোটি টাকা। বর্তমানে তাঁর সংস্থায় কর্মচারী রয়েছেন প্রায় ১৫০ জন। গত ১৩ বছরে এক্সেল গ্যাস কোম্পানি বাজারে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। তাঁর বাজার শুধু ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়, ইতিমধ্যে মধ্যেপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি ইতিমধ্যে সৌদি আরব, আফ্রিকা এবং দুবাইতে একটি অফিস স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর কোম্পানির উৎপাদন এবং তার গুণমানের পরিষেবা প্রদানের জন্য এক্সেল গ্যাস ২০১৬-১৭ সালের মধ্যে ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। ভারতের ৫ টি শহরে প্রায় ২০টি গ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করার পরিকল্পনা করেছেন তিনি৷ এছাড়াও ২০১৭-১৮ সালে, তাঁর কোম্পানি গুজরাটে একটি সীমলেস টিউব উৎপাদন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। এই ভাবেই একজন সবজি বিক্রেতা থেকে প্রথম সারির বিনিয়োগপতি হয়েছেন নিতিন গডসে।

    নিতিন গডসের প্রতিক্রিয়া

    নিতিন (Nitin Godse)  নিজের জীবনের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে বলেন, আমার স্পষ্ট মনে রয়েছে যে দিন আমি ব্যবসা শুরু করি, সেদিন আমার বড় ছেলের জন্ম হয়েছিল। আমার ছোট বেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল, আমি ব্যবসা করে স্বনির্ভর হবো। তিনি আরও বলেন, পরিশ্রমের কারণে আজ আমাদের কোম্পানি আইএসও সার্টিফিকেট অর্জন করেছে। তাঁদের বাজার এখন ভারত ছাপিয়ে মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকে ভারতীয় কোভিড ভ্যাকসিনের কোনও প্রভাব নেই, জানিয়ে দিল গবেষণা

    Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকে ভারতীয় কোভিড ভ্যাকসিনের কোনও প্রভাব নেই, জানিয়ে দিল গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কোভিড ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) কোনও সম্পর্ক নেই। সম্প্রতি পিএলওএস ওয়ান নামক একটি গবেষণপত্রে বলা হয়েছে, হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে ভারতীয় কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনের কোনও প্রভাব নেই। গবেষণায় আরও জানা গেছে, ভারতীয় কোভ্যাক্সিন এবং কোভিশিল্ড অনেক বেশি করোনা নিয়ন্ত্রণে সক্ষম। হৃদরোগের সম্ভাবনাকে কোনও ভাবেই বাড়িয়ে তোলে না এই টিকা। সম্প্রতি একটি খবর সামজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে যে, করোনা সংক্রমণ এবং পরবর্তীকালে কোভিড ভ্যাকসিনের প্রভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। এই রোগ আচমকা হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতাকে বৃদ্ধি করছিল বলে জানা গিয়েছিল। করোনা টিকা হৃদরোগকে বাড়িয়ে তোলে-ভারতীয় এই গবেষণা ওই মতকে ভুল বলে জানিয়ে দিয়েছে। তারা পরিষ্কার বলেছে, ভারতীয় ভ্যাকসিন পুরোপুরি নিরাপদ।

    হার্ট অ্যাটাক নিয়ে কী বলছেন ডাক্তাররা, যা নিয়ে উদ্বেগ?

    হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) যে ঘটনাগুলির কথা সামনে এসেছে, তাতে সেই সব রোগীদের অধিকাংশরই ইসিজিতে এস এবং টি বিন্দু দু’টি নাকি খানিকটা উঁচু। আরও জানা গেছে, এই সব রোগীরা মূলত মধ্য এবং কম বয়সের। উল্লেখ্য, যাঁদের আগে কোনও রোগ ছিল না, এমন কেসও পাওয়া গেছে। এম পি বিড়লা হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অঞ্জন সিওটিয়া বলেন, গত তিন মাসে স্টেমি রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪০ থেকে ৭০ বয়সের সংখ্যা অনেক বেশি। তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক রোগীই হৃদপেশিতে রক্ত সঞ্চালন ঠিকঠাক না হওয়ার কারণে মারাত্মক চাপ, যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আবার কল্যাণী গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অর্ণব রায় বলেন, স্টেমি আগেও পাওয়া যেত, তবে এখন অনেকটা বেড়ে গেছে। পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই হার্টের রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে অনেক বেশি। অতিমারির পর থেকে এই সমস্যার প্রবণতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।  

    গবেষণা নিয়ে ডাক্তাররা কী বলছেন (Heart Attack)?

    যদিও দিল্লির জি বি পন্ত হাসপাতালের ডাক্তার এবং বিশিষ্ট গবেষক মোহিত গুপ্ত বলেন, আমাদের সমীক্ষায় দেখা গেছে, ভারতে ব্যবহৃত ভ্যাকসিন নিরাপদ। ভারতে করোনার টিকা দেওয়ার সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) কোনও সম্পর্ক নেই। প্রকৃতপক্ষে সমীক্ষায় দেখা গেছে, টিকা দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের পরে মৃত্যুর সম্ভাবনা কম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাঁরা হার্ট অ্যাটাকের সঙ্গে ভারতীয় কোভিড ভ্যাকসিনের সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করছেন, তাঁদের তথ্য ভুল। তিনি আরও বলেন, ভ্যাকসিনের প্রতিকূল প্রভাব বেশিরভাগইটাই হাল্কা, ক্ষণস্থায়ী। তাই হৃদরোগ এবং মৃত্যুর সঙ্গে এর তেমন সম্পর্ক নেই। ভ্যাকসিনগুলির কার্ডিওভাসকুলার বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগজনক কথা বলে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে। গবেষকরা আরও বলেন, আমাদের গবেষণার ফলাফলগুলি দেখিয়েছে, টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা অনেক কম হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ইডির আবেদনে আসানসোল থেকে গরুপাচার মামলা সরল দিল্লিতে, চাপ বাড়ল কেষ্টর

    Anubrata Mondal: ইডির আবেদনে আসানসোল থেকে গরুপাচার মামলা সরল দিল্লিতে, চাপ বাড়ল কেষ্টর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলে সিবিআই-এর বিশেষ আদালত থেকে গরুপাচার মামলা এবার সরল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে। এর ফলে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধে যাবতীয় গরু পাচার সংক্রান্ত মামলার শুনানি দিল্লিতে হবে। বুধবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে আসানসোলের বিশেষ আদালত।

    ২৮ জুলাই মামলা স্থানান্তরের আবেদন জানিয়েছিল ইডি

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৮ জুলাই আসানসোলের আদালত থেকে মামলা সরানোর আবেদন জানিয়েছিল ইডি সেই আবেদনই দিন মঞ্জুর করলেন সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। এরফলে মামলার যাবতীয় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব দিল্লিতেই হবে। প্রসঙ্গত, এর আগে পশ্চিমবঙ্গেই তার বিচার প্রক্রিয়ার চলুক এনিয়ে আবেদন করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal), তা খারিজ হয়ে যায় দিল্লি রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে। কেন এই মামলা আসানসোল থেকে দিল্লিতে সরিয়ে নিয়ে যেতে যান?  বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীর এই প্রশ্নের জবাবে ২০০৫ সালে অর্থমন্ত্রকে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তিকে তুলে ধরে ইডি। ঐ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আর্থিক দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে ৪৪/১/সি ধারায় মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে ইডি।

    গরুপাচার মামলায় গত মার্চ থেকে তিহাড়ে বন্দি রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)

    প্রসঙ্গত, গরুপাচার মামলায় একযোগে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি এবং সিবিআই। সিবিআই এর হাতে ২০২২ সালের ১১ অগাস্ট গ্রেফতার হন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। সেই মামলার শুনানি শুরু হয় আসানসলের সিবিআই আদালতে। যদিও পরবর্তীকালে ইডি তাঁকে (Anubrata Mondal) গ্রেফতার করে এবং দিল্লির তিহাড় জেলে নিয়ে যায়। গত মার্চ থেকেই দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) দেহরক্ষী সায়গল হোসেন এবং তাঁর কন্যা সুকন্যা মণ্ডলও বর্তমানে তিহাড় জেলে রয়েছেন। এই মামলায় আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন এনামুল হক এবং বিএসএফের কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমার। মামলা আসানসোল থেকে দিল্লিতে সরাতে চেয়ে এর আগেও দুবার আবেদন করেছিল ইডি তবে তৃতীয়বারের আবেদন গ্রহণ করেছে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: গোঘাটে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, উড়ে গেল চালাঘরের একাংশ

    Arambagh: গোঘাটে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, উড়ে গেল চালাঘরের একাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের পর এবার আরামবাগের (Arambagh) গোঘাটে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ। বাড়ির মধ্যেই বাজি তৈরি হত বলে জানা গেছে। সেখানেই বুধবার আনমানিক দুপুর ১২টা নাগাদ বাজি তৈরি করতে গিয়ে এই বিস্ফোরণে ঘটে বলে অনুমান।

    বিস্ফোরণের জেরে উড়ে যায় চালা ঘরের একাংশ (Arambagh)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগের (Arambagh) গোঘাটের মান্দারণ পঞ্চায়েতের মোষপুর এলাকার বাসিন্দা সেখ লাল্টু নিজের বাড়িতেই বেআইনিভাবে গোপনে বাজি কারখানা চালাতো। সেখানে হঠাৎই এই বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছে। আগুন লেগে যায় চালা ঘরে। ঘটনা জেনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। যদিও নিজেরাই সাবমার্সিবল চালিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় গোঘাট থানার পুলিশ। ঘটনার পর এলাকায় প্রচুর মানুষ জমায়েত হয়। যদিও প্রকাশ্যে কেউ ভয়ে এবিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। তবে, ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে ওই চালাঘরের অ্যাসবেস্টস ও টিন। এদিক ওদিক পরে রয়েছে বাজি তৈরির সরঞ্জাম, বাজির খোলসহ অন্যান্য জিনিসপত্র। এমনকী বারুদে ভরা বাজি তৈরির মেশিন পড়ে রয়েছে পরিত্যক্ত জায়গায়। ঘটনার পর পলাতক বাড়ির মালিক সেখ লাল্টু।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    প্রায় দশ বছর আগে বোমা তৈরি করতে গিয়ে এই বাড়িতেই বড়সড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় উড়ে গিয়েছিল বাড়ির চাল। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল প্রতিবেশীদের বাড়িও। এমনকী মৃত্যু হয়েছিল বাড়ির এক মহিলার। সেই ঘটনার পর ফের এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকা জুড়ে। অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে না চাইলেও প্রতিবেশী কয়েকজন বলেন, আগের ঘটনার অভিজ্ঞতা ও আতঙ্কের কথা। তাদের ধারণা বাজি তৈরি করতে গিয়েই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন দত্তপুকুরের ঘটনার পরেও কেন শিক্ষা নিচ্ছে না প্রশাসন? তাহলে কি প্রশাসন কোনও খোঁজখবর রাখেনি নাকি পুলিশ প্রশাসনের মদতেই এই বাজি তৈরির কারখানা চলতো। যদি ফের বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতো তার দায় কে নিত?

    বিস্ফোরণ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষের বক্তব্য, দত্তপুকুর ও এগরার ঘটনার পরেও পুলিশ প্রশাসন নাকে তেল দিয়ে ঘুমায় আর তৃণমূল নেতাদের মদতে রাজ্যে তৈরি হচ্ছে বারুদের স্তুপ। এতে সাধারণ মানুষের আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়ে গেছে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাদের যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Viral Video: ঠেলা গাড়িতে ফল বিক্রির সঙ্গে সন্তানদের পড়াশোনা! মায়ের সংগ্রামে আপ্লুত নেটদুনিয়া

    Viral Video: ঠেলা গাড়িতে ফল বিক্রির সঙ্গে সন্তানদের পড়াশোনা! মায়ের সংগ্রামে আপ্লুত নেটদুনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তায় ফল বিক্রি করে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মা। সেই সঙ্গে মায়ের ভালোবাসার কথায় চোখ ভেজালেন নেটপাড়ার নাগরিকরা। রাস্তায় ফল বিক্রি করতে করতেই মায়ের কাছে পড়াশোনা করছে সন্তানরা, এই ভিডিওকে ঘিরে সামাজিক গণমাধ্যম ব্যাপক সরগরম। ভিডিও ভাইরাল (Viral Video) হতেই আবেগে ভাসছেন নেট নাগরিকরা। কেউ কেউ জানিয়েছেন স্যালুট।

    ঘটনা কী ঘটছে (Viral Video)?

    ঠেলা গাড়িতে বিক্রি করতে হয় ফল। তার পাশেই প্লাস্টিক পেতে পড়াশুনা করতে দেখা যাচ্ছে দুই সন্তানকে। হাতে ধরে স্লেটে লেখাপড়া শেখাচ্ছেন মা। এক দিকে সন্তানদের পড়াশোনা, অপর দিকে ফল বিক্রি, দুই কাজেই জীবনের কঠিন লড়াই করছেন মা-সন্তানরা। এই দৃশ্য (Viral Video) নেটপাড়ার নাগরিকদের মন ছুঁয়ে গেছে। জীবনের কঠিন বাস্তবতায় মানুষের মনকে অত্যন্ত ভাবুক করে তুলেছে।

    সংগ্রামী মা

    আমরা সবাই জানি, পণ্ডিত বিদ্যাসাগর মশাই রাস্তার পাশে ল্যাম্প পোস্টের আলোতে কত কষ্ট করে পড়াশুনা করছেন। নানা গল্প, উপন্যাস, সিনেমার মধ্যেও দেখা গেছে মায়েদের জীবন সংগ্রাম কতটা কঠিন হয়। মা তাঁর নিজের সর্বস্ব সন্তানের জন্য উজার করে দেন। সন্তানকে বড় করতে মা সকল দুঃখ-কষ্টকে সাদরে গ্রহণ করেন। সন্তানের জন্য দু’ বেলা অন্নের সংস্থান করা এবং পড়াশুনা করিয়ে তাঁদের ভবিষ্যতে জীবনকে সহজ-সুন্দর করতে সব রকম চেষ্টা করেন মা। আজকের দিনে পড়াশুনা না জানলে, আগামীদিনের জীবন কতটা কঠিন হতে পারে, সেই কথা ভেবেই মা ঠেলার মধ্যে ফল বিক্রি করতে করতে সন্তানদের পড়াশুনার পাঠ দিচ্ছেন। এই দৃশ্য মানুষের মনকে সিক্ত করেছে। চোখে জল এনে দিয়েছে অনেকের। এমন ভিডিও ভাইরাল (Viral Video) হতেই মানবিক মন সত্যই আপ্লুত হয়ে পড়ে।

    কোথায় বিনিময় করা হয়েছে?

    জানা গেছে @dc_sanjay_jas নামে একটি ট্যুইটার পেজ থেকে ভিডিওটি (Viral Video) বিনিময় করা হয়েছে। ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, আমার কাছে কোনও শব্দ নেই! কীভাবে মায়ের জীবন সংগ্রামকে উপস্থাপন করবো! এই নিয়ে কোনও ভাষা হয় না। এখনও পর্যন্ত ভিডিওটি ১ লাখের বেশি মানুষ দেখেছেন। নেট নাগরিকদের মধ্যে থেকে এসেছে নানা মতামত। কেউ কেউ দেখেই প্রণাম, স্যালুট এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন। সন্তানের ভালোবাসায় মা কতটা আত্মত্যাগী হতে পারেন, সেই দৃষ্টান্ত যেন চোখে পড়ল এই ভিডিওতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ‘হাফ মার্ডার, না ফুল মার্ডার!’ ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে রেট ঘোষণা ‘সুপারি কিলারের’

    South 24 Parganas: ‘হাফ মার্ডার, না ফুল মার্ডার!’ ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে রেট ঘোষণা ‘সুপারি কিলারের’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবাক কাণ্ড! এরকম বিজ্ঞাপন আগে দেখেছেন বলে মনে হয় না। রীতিমতো ভিজিটিং কার্ড ছেপে হাফ মার্ডার না ফুল মার্ডারের সুপারি চেয়ে আবদেন জানানো হচ্ছে। এলাকায় পোস্টারও দেওয়া হয়েছে। এমনই অবাক করা ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Paraganas) ক্যানিং এলাকায়। এরকম ভিজিটিং কার্ড দেখে চোখ কপালে উঠেছে পুলিশেরও। তবে, স্বঘোষিত সুপারি কিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেরি করেনি পুলিশ। ক্যানিংয়ের ধর্মতলা গ্রাম থেকে স্বঘোষিত মস্তান মোরসেলিম মোল্লা ওরফে বুলেটকে গ্রেফতার করা হয়।

    ঠিক কী ঘটেছে? (South 24 Paraganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিগত দু-তিন দিন ধরেই এলাকার বিভিন্ন সূত্র মারফৎ এই ভিজিটিং কার্ডের খবর মিলছিল। পাশাপাশি সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Paraganas) ক্যানিংয়ের ধর্মতলা এলাকা সহ আশপাশের বেশ কয়েকটি জায়গায় এ সম্পর্কে পোস্টারও চোখে পড়ে অনেকের। পোস্টারে কার্ড ছাপিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়ার অভিযোগ ওঠে এক দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। রীতিমত নিজের ছবি, ফোন নম্বর দিয়ে মানুষ মারার জন্য ‘সুপারি কিলিং’এর বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। রেটও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। হাফ মার্ডার করলে ৫০ হাজার এবং ফুল মার্ডার করলে ১ লক্ষ টাকা। ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে এলাকায় পোস্টারিং করে চলছে প্রচার। বিষয়টি জানতে পেরেই ক্যানিং থানার বিশেষ তদন্তকারী দল সাব ইন্সপেক্টর রঞ্জিত চক্রবর্তীর নেতৃত্বে সোমবার দুপুরে হানা দেয় ধর্মতলা গ্রামে। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে একটি দেশি বন্দুক ও দু রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধৃতকে মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

    ধৃতের বিরুদ্ধে আর কী কী অভিযোগ রয়েছে?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগেও বেআইনি অস্ত্র পাচারের অভিযোগে গত বছর অগাস্ট মাসে গ্রেফতার হয়েছিল এই মোরসেলিম। এক বছর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Paraganas) ক্যানিংয়ের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পঞ্চায়েত সদস্য সহ তিনজনকে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রফিকুল সর্দারের ভাগ্নে ওই যুবক। খুনের ঘটনার তদন্তে নেমেও ক্যানিং থানার পুলিশ এই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। কিন্তু, সেই সময় নাবালক হওয়ার কারণে জামিন পেয়ে যায় মোরসেলিম।

     স্থানীয় বাসিন্দারা কী বলছেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকেই কার্যত এলাকার মানুষকে মাঝে মধ্যেই ভয় দেখাত এই অভিযুক্ত। গত কয়েকদিন ধরে মানুষ খুন করার জন্য সুপারি নেওয়ার বিজ্ঞাপন দিতে শুরু করে সে। পুলিশি জেরায় নিজের অভিযোগ শিকার করেছে অভিযুক্ত। ধৃতের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি মানুষ মারার বিজ্ঞাপনের ভিজিটিং কার্ডও উদ্ধার হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share