Tag: bangla news

bangla news

  • Military Grade Explosives: দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহৃত ২ ধরনের ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক! অনুমান তদন্তকারীদের, এগুলি কতটা বিপজ্জনক?

    Military Grade Explosives: দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহৃত ২ ধরনের ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক! অনুমান তদন্তকারীদের, এগুলি কতটা বিপজ্জনক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লা এলাকায় গাড়ি-বিস্ফোরণে (Delhi Red Fort Blast) কী ধরনের রাসয়নিক বা বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। ফরেনসিক রিপোর্ট না আসায় সঠিকভাবে তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেখে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, ‘মিলিটারি-গ্রেড’ (Military Grade Explosives) বা সামরিক মানের শক্তিশালী বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল। যে বিস্ফোরক সেনা জওয়ানদের ব্যবহারের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি হয়, তাই দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ২ ধরনের রাসায়নিকের ব্যবহার?

    একইসঙ্গে তদন্তকারীরা এও জানাচ্ছেন, সম্ভবত ২ ধরনের রাসায়নিকের ব্যবহার করা হয়েছে বিস্ফোরণে (Delhi Red Fort Blast)। তদন্তকারীদের সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ঘটনাস্থল থেকে নুমনা পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে একটি অ্যামেনিয়াম নাইট্রেটের মতো কোনও রায়াসনিক হতে পারে। তবে দ্বিতীয় বিস্ফোরকের (Military Grade Explosives) প্রকৃতি সম্পর্কে কোনও সুস্পষ্ট তথ্য মেলেনি। ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে সুস্পষ্ট হবে।

    এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, ঘটনাস্থল থেকে ৪২টি নমুনা সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। এর মধ্যে রয়েছে আই-২০ গাড়ির টায়ার, চেসিস, সিজিসি সিলিন্ডার, বনেটের অংশ এবং বিভিন্ন অবশেষ। ল্যাবরেটরিতে এই নমুনাগুলো পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সম্ভবত পেন্টেরিথ্রিটল টেট্রানাইট্রেট বা সংক্ষেপে পিইটিএন (PETN), সেমটেক্স (SEMTEX) বা আরডিএক্স (RDX)-এর মতো শক্তিশালী বিস্ফোরক ছিল ওই গাড়িতে।

    পিইটিএন, সেমটেক্স, আরডিএক্স

    পিইটিএন অত্যন্ত শক্তিশালী রাসায়নিক (Military Grade Explosives)। অল্প পরিমাণের সাহায্যেই বড় বিস্ফোরণ ঘটানো সম্ভব। সবচেয়ে বড় কথা, এর বর্ণহীন স্ফটিক আকৃতির জন্য একে সনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন। পিইটিএন শক বা তাপের অধীনে বিস্ফোরণ ঘটায়। ফলে, অতিরিক্ত ধাতব টুকরোর প্রয়োজন হয় না। বিস্ফোরক থেকে প্রাপ্ত বিস্ফোরণ শক্তি একটি যানবাহন ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট। এর উচ্চ ক্ষমতা এবং কম সনাক্তযোগ্য বৈশিষ্ট্যের কারণে, সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রে এটি বহুল ব্যবহৃত।

    সেমটেক্স ও আরডিএক্স-ও সামরিক মানের শক্তিশালী বিস্ফোরক (Military Grade Explosives), যা সন্ত্রাসী হামলায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত। এগুলির কোনও ক্ষেত্রেই বিস্ফোরণে পেলেট কিংবা শার্পনেল প্রয়োজন হয় না। তদন্তে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং ডিটোনেটরের সম্ভাব্য ব্যবহারেরও ইঙ্গিত মিলেছে। অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মিশ্রিত জ্বালানি (ANFO) তেল এবং ডিটোনেটর ব্যবহারের সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। এটি আইইডি তৈরিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়।

    ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক ঠিক কী?

    কী এই ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক (Military Grade Explosives), যা সেনা ব্যবহার করে থাকে? কতটা শক্তিশালী? ‘মিলিটারি-গ্রেড’ রাসায়নিক সাধারণত, সেনাবাহিনীর কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়। সেনার মানদণ্ড ও প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদন হয়। জওয়ানরা তা যুদ্ধ বা প্রতিরক্ষা মিশনে ব্যবহার করেন। এই ধরনের বিস্ফোরক পদার্থের শক্তি অনেক বেশি। কার্যকারিতা রীতিমতো ভয়াবহ। নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার উদ্দেশেই ‘সামরিক মানের’ বিস্ফোরক প্রস্তুত করা হয়। সাধারণত সেনাবাহিনী এবং নির্দিষ্ট কিছু সরকারি সংস্থাই এগুলো ব্যবহার করতে পারে।

    এখন প্রশ্ন হল, কীভাবে এই রাসায়নিক এল জঙ্গিদের হাতে? এটাই ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের।

  • Delhi pollution: মারাত্মক আকার ধারণ করল দিল্লির বায়ু দূষণ, জারি তৃতীয় ধাপের বিধিনিষেধ

    Delhi pollution: মারাত্মক আকার ধারণ করল দিল্লির বায়ু দূষণ, জারি তৃতীয় ধাপের বিধিনিষেধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিস্ফোরণের পরের দিনই বায়ু দূষণ চরম আকার নিয়েছে দিল্লিতে (Delhi pollution)। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, রাজধানীতে বায়ুদূষণ ভয়ঙ্কর মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে। জানা গিয়েছে মঙ্গলবার দিল্লিতে গড় একিউআই ছিল ৩৬২। একদিনের বায়ু দূষণে দিল্লির আকাশ-বাতাস বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। শান্ত বাতাস, স্থিতিশীল আবহাওয়া এবং দূষণের কারণে বাতাসের মান আরও খারাপ হয়ে গিয়েছে। আর এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দিল্লি সরকার তৃতীয় ধাপের বিধিনিষেধ (Grap-3) আরোপ করেছে।

    অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও ভাঙাচোরা কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ (Delhi pollution)

    নতুন পর্যায়ে দিল্লিতে (Delhi pollution) জারি হয়েছে দূষণ সংক্রান্ত তৃতীয় ধাপ। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দিল্লি এবং এনসিআর অঞ্চলে অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও ভাঙাচোরা কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যে পাথর ভাঙা এবং খনন কাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই ভাবে সরকার জানিয়েছে বিএস-৩ পেট্রোল এবং বিএস-৫ ডিজেল গাড়ি রাস্তায় নামানো যাবে না। তবে যেসব নাগরিক প্রতিবন্ধী তাঁদের জন্য অবশ্য এই নিয়ম কার্যকর হবে না। স্কুলের ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে বেশকিছু পরিবর্তন। পঞ্চম শ্রেণি থেকে সমস্ত স্কুলকে হাইব্রিড শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে বলা হয়েছে। তবে অভিভাবকরা চাইলে অনলাইন ক্লাসের বিকল্প বেছে নিতে পারেন।

    তৃতীয় ধাপের কঠিন বিধিনিষেধ কখন জারি হয়

    যদিও শীতকালে দিল্লি (Delhi pollution) এবং এনসিআরে দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই শীতকালে দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তবে বায়ু দূষণের আসল কারণ হল গাড়ির ধোঁয়া এবং দিল্লি সহ হরিয়ানা, পাঞ্জাব এবং উত্তরপ্রদেশে খড় পড়ানোর জন্য। একইভাবে আতসবাজির ধোঁয়া এবং প্রতিকূল আবহাওয়াটাও ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    গ্রেডেড রেস্পন্স অ্যাকশন (Grap-3) প্ল্যান মূলত দিল্লি এনসিআর চারটি পর্যায়ে নির্ধারণ করা হয়। প্রথম ধাপ পুরএকিউআই ২০১-৩০০, দ্বিতীয় ধাপ ভেরি পুর একিউআই ৩০১-৪০০, তৃতীয় ধাপ সিভিয়ার একিউআই ৪০১-৪৫০ এবং চতুর্থ ধাপ সিভিয়ার প্লাস একিউআই ৪৫০–এর উপরে। যদি বায়ুর দূষণকে কোনও ভাবেই নিয়ন্ত্রণ না করা যায় তাহলে তৃতীয় ধাপের কঠিন বিধিনিষেধ আরোপ করতে হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয় তাহলে আগামীদিনে জনজীবনের উপর চরম প্রভাব পড়তে পারে।

  • Bihar Exit Polls: বিহারে ফের ফিরবে এনডিএ সরকার! বিজেপি পেতে পারে ৭২-৭৫টি আসন, বাকিরা কোথায়?

    Bihar Exit Polls: বিহারে ফের ফিরবে এনডিএ সরকার! বিজেপি পেতে পারে ৭২-৭৫টি আসন, বাকিরা কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ) ক্ষমতা ধরে রাখবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে নয়টি এক্সিট পোল। ২০২০ সালের তুলনায় এবারে বিজেপি আরও বড় ম্যান্ডেট পেতে চলেছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। এক্সিট পোলগুলির গড় হিসেব অনুযায়ী, এনডিএ ২৪৩ আসনের মধ্যে ১৪৭টির বেশি আসনে জয় পেতে পারে — যা স্পষ্টভাবেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার (১২২) সীমা অতিক্রম করছে। বিভিন্ন সংস্থার মতে, মহাগঠবন্ধন তিন অঙ্কের ঘর ছুঁতে পারবে না, তাদের সম্ভাব্য আসনসংখ্যা প্রায় ৯০-এর কাছাকাছি।

    পিপলস ইনসাইট-এর এক্সিট পোল

    বিহার নির্বাচনের জন্য পিপলস ইনসাইট-এর এক্সিট পোল বলছে, এনডিএ ১৩৩-১৪৮টি আসন পাবে। বিজেপি ৬৮-৭২টি আসন, জেডিইউ ৫৫-৬০টি আসন, এলজেপি (আর) ৯-১২টি আসন, এইচএএম ১-২টি আসন এবং আরএলএম ০-২টি আসন পাবে। এই এক্সিট পোল ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে, মহাজোট ৮৭-১০২টি আসন পাবে, আরজেডি পাবে ৬৫-৭২, কংগ্রেস ৯-১৩, বামপন্থীরা ১১-১৪ এবং অন্যান্যরা ২-৩ আসন পাবে।

    ম্যাট্রিক্স আইএএনএস-এর এক্সিট পোল

    বিহার নির্বাচনের জন্য ম্যাট্রিক্স আইএএনএস-এর এক্সিট পোল বলছে, এনডিএ ১৪৭-১৬৭টি আসন পাবে। দলীয়ভাবে, বিজেপি ৬৫-৭৩টি আসন, জেডিইউ ৬৭-৭৫টি আসন, এলজেপি (আর) ৭-৯টি আসন, এইচএএম ৪-৫টি আসন এবং আরএলএম ১-২টি আসন পাবে। এই এক্সিট পোল ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে মহাজোট ৭০-৯০টি আসন পাবে, আরজেডি পাবে ৫৩-৫৮টি, কংগ্রেস পাবে ১০-১২টি, বামপন্থীরা পাবে ৯-১৪টি এবং বিজেপি পাবে ১-১৪টি।

    চাণক্য স্ট্র্যাটেজিজের এক্সিট পোল

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের পর, চাণক্য স্ট্র্যাটেজিজের এক্সিট পোল আরজেডির জন্য উল্লেখযোগ্য সুখবর এনেছে। চাণক্যের মতে, আরজেডি ৭৫ থেকে ৮০টি আসন জিতবে এবং বৃহত্তম দল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিজেপি ৭০ থেকে ৭৫টি আসন পাবে, যেখানে জেডিইউ ৫২ থেকে ৫৭টি আসন পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাছাড়া, এনডিএ-র মধ্যে চিরাগ পাসোয়ান ১৪ থেকে ১৯টি আসন জিতবেন বলে আশা করা হচ্ছে। জিতন রাম মাঝির দল ০-২টি আসন জিততে পারে। উপেন্দ্র কুশওয়াহা ২-৩টি আসন জিতবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মহাজোটে কংগ্রেস ১৭-২৩টি আসন পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বামপন্থীরা ১০-১৬টি আসন জিততে পারে। মুকেশ সাহনির দল ৭-৯টি আসন জিততে পারে। অন্যরা ৩-৫টি আসন জিততে পারে।

    অন্যান্য এক্সিট পোল কী বলছে?

    বিহার নির্বাচনের জন্য জেভিসি এক্সিট পোলে, এনডিএ ১৩৫-১৫০ আসন, মহাজোট ৮৮-১০৩ আসন এবং অন্যান্যরা ৩-৬ আসন পাবে বলে পূর্বাভাস। দৈনিক ভাস্কর-এর এক্সটি পোল অনুযায়ী, এনডিএ ১৪৫ থেকে ১৬০টি আসন পাবে। নিউজ ২৪-এর বুথ ফেরত সমীক্ষায় এনডিএ পাবে ১৩৩ থেকে ১৫৯টি আসন। অন্যদিকে, মহাগঠবন্ধনের (INDIA Bloc) জন্য পূর্বাভাস তুলনামূলকভাবে হতাশাজনক — দৈনিক ভাস্কর দিয়েছে ৭৩–৯১ আসন। নির্বাচনের নতুন মুখ প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টি (JSP) ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানাচ্ছে সব এক্সিট পোল। কোনও সংস্থাই প্রশান্ত কিশোরের দলকে দুই অঙ্কের আসনসংখ্যার কাছাকাছি দেখায়নি।

    বিহারকে বদলে দিয়েছেন নীতীশ

    বিহারে এক্সটি পোল প্রসঙ্গে কাটিহারের বিজেপি প্রার্থী তারকিশোর প্রসাদ বলেন, “এই এক্সিট পোলগুলি অবাক করার মতো নয় কারণ আমরা বিশ্বাস করি যে ২০০৫ সাল থেকে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার যেভাবে বিহারকে বদলে দিয়েছেন তাতে মানুষ মুগ্ধ। অনেক বৃত্তি দেওয়া হয়েছে এবং নারীশক্তির প্রতি বিশ্বাস জাগানো হয়েছে। বিহারের ভোটারদের উপর আমাদের আস্থা আছে। আমাদের কাজের উপর আমাদের আস্থা আছে। মা-বোনেরা ভোট দিতে ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছেন। এনডিএ অবশ্যই জিতবে।”

    বিহারের রাজনীতিতে এক যুগ

    এই নির্বাচনকে বিহারের রাজনীতিতে এক যুগের অবসান বলে মনে করা হচ্ছে। প্রায় ১৯ বছর রাজত্বের পর মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের এটি শেষ নির্বাচন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদ যাদব ইতিমধ্যেই দলীয় দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন ছেলে তেজস্বী যাদবের হাতে, যিনি বিরোধী জোটের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী। পুরো নির্বাচনী প্রচারে দেখা গিয়েছে ত্রিমুখী লড়াই — এনডিএ, মহাগঠবন্ধন ও প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টির মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যজুড়ে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে আরজেডির “জঙ্গল রাজ” ইস্যু উত্থাপন করেছেন।

    ভোটারদের একাধিক প্রতিশ্রুতি

    ভোটারদের মন জিততে উভয় পক্ষই একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এনডিএ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে — মহিলাদের জন্য ব্যবসা শুরুতে ₹১০,০০০ সহায়তা, বিনামূল্যে ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ-সহ অনেক কিছু। অন্যদিকে, মহাগঠবন্ধন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে — প্রতিটি পরিবারে এক সরকারি চাকরি, আর্থিকভাবে দুর্বল মহিলাদের ₹৩০,০০০ এককালীন অনুদান। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ভোটার তালিকা সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিজেপির বিরুদ্ধে “ভোট চুরি”র অভিযোগ এনেছেন। এর জবাবে এনডিএ অভিযোগ করেছে, বিরোধী জোট রাজ্য অনুপ্রবেশকারীদের উৎসাহ দিচ্ছে। তবে, আপাতত এক্সিট পোল অনুযায়ী বিহারে আবারও এনডিএ সরকারের প্রত্যাবর্তন প্রায় নিশ্চিত —যদিও চূড়ান্ত রায় জানা যাবে গণনার দিনই।

  • Heart Disease: শীতের শুরুতেই বাড়ছে হৃদরোগের প্রকোপ! কাদের ঝুঁকি বেশি?

    Heart Disease: শীতের শুরুতেই বাড়ছে হৃদরোগের প্রকোপ! কাদের ঝুঁকি বেশি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দরজায় কড়া নাড়ছে শীত (Winter Season)! ভোরের ঠান্ডা হাওয়া জানান দিচ্ছে আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া। দুপুরে রোদের তীব্রতায় ঠান্ডার আমেজ আর থাকছে না। তাই বাড়ছে অস্বস্তিও। এমন পরিস্থিতিতে বিপদ বাড়ছে। হৃদরোগের ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে। প্রৌঢ়দের পাশাপাশি কম বয়সিদের মধ্যেও হৃদরোগের (Heart Disease) প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। বিশেষত শীতের আগে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। তাই যথেষ্ট উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, আগাম সতর্কতা না নিলে বড় বিপদ এড়ানো যাবে না।

    কেন শীতের (Winter Season) শুরুতে হৃদরোগের প্রকোপ বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের শুরুতে হৃদরোগের (Heart Disease) প্রকোপ বাড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতে হৃদরোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও এই রোগের দাপট বাড়ছে। তাই বছরভর সাবধানতা জরুরি। তবে শীতের সময়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরের এই সময়ে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়। বিশেষত তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য বদল ঘটে। তাপমাত্রা বারবার ওঠানামার জেরে রক্তচাপের উপরেও প্রভাব পড়ে। দিনের একটা সময়ে হঠাৎ গরম, আবার কিছুটা সময়ে বেশ ঠান্ডা, এমন তাপমাত্রার বদলের জেরে রক্তচাপ হঠাৎ করেই ওঠানামা করে, এর জন্য হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

    কাদের বিপদ বেশি?

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে হৃদরোগের (Heart Disease) ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই শীতের (Winter Season) শুরুতে তাঁদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কোলেস্টেরল এবং ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্যও বাড়তি ঝুঁকি তৈরি হয়। কারণ, এই সমস্যা থাকলে অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের সমস্যা তৈরি হয়। তাই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে।

    কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে এই আবহাওয়ায় বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। বিশেষত হৃদরোগের (Heart Disease) ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্যকর খাবার নিয়মিত খাওয়া জরুরি। সহজপাচ্য খাবার নিয়মিত খাওয়া দরকার। কম তেল মশলা দিয়ে নিয়মিত সবুজ সব্জি, মাছ, মাংস কিংবা ডিম খাওয়া প্রয়োজন। যাতে শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং প্রোটিন পায়। আবার যাতে কোলেস্টেরলের মাত্রা না বাড়ে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার একেবারেই খাওয়া চলবে না। যাতে শরীরে অতিরিক্ত ওজন না বাড়ে। তাতে কোলেস্টেরলের মাত্রাও‌ বাড়ে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। প্রাণীজ প্রোটিনের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে সবুজ সব্জি, ফাইবার সমৃদ্ধ ফল খেতে হবে। শরীরে প্রোটিনের পাশপাশি ভিটমিন, খনিজ পদার্থের জোগান হলে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। শরীর সুস্থ থাকবে।

    খাবারের পাশপাশি নিয়মিত শারীরিক কসরত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত আধ ঘণ্টা হাঁটা জরুরি।‌ তাতে শরীরে ক্যালোরি ক্ষয় হয়। নিয়মিত আধ ঘণ্টা হাঁটলে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। আবার প্রত্যেক দিন সকালে যোগাভ্যাস করলে স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। শরীরের অন্যান্য হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকবে। শীতে ঘাম কম হয়। তাই অনেক সময়েই ক্যালোরি ক্ষয় কম হয়। তাই ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে‌। এই সময়ে নিয়মিত ব্যায়াম করলে একাধিক রোগের ঝুঁকি কমবে। হৃদরোগের আশঙ্কাও কমবে।

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্তদের নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা দরকার। যাতে তাদের রক্তচাপ অনিয়মিত হচ্ছে কিনা, সেটা নজরে রাখা যায়। তাছাড়া, ডায়াবেটিস কিংবা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে হাতে-পায়ের পেশিতে খিঁচুনি, মাথার পিছনে যন্ত্রণা কিংবা বুকে চিনচিনে ব্যথা, বমি ভাবের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন। প্রথমেই চিকিৎসা শুরু হলে হৃদরোগের (Heart Disease) বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Bangladesh: হাসিনা সরকারের পতনের নেপথ্যে আমেরিকার ইউএসএআইডির লম্বা হাত, দাবি বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রীর

    Bangladesh: হাসিনা সরকারের পতনের নেপথ্যে আমেরিকার ইউএসএআইডির লম্বা হাত, দাবি বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের নেপথ্যে ছিল ইউএসএআইডি। এমনই বিস্ফোরক তথ্য (Yunus Clinton Nexus) ফাঁস করলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। ইউএসএআইডি (দ্য ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট) হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্বশাসিত সংস্থা। এই সংস্থা বিদেশিদের সাহায্য দেয়, বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলিতে। এর ঘোষিত লক্ষ্যই হল শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গণতন্ত্রের বিকাশ-সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অর্থ দেওয়া।

    মুখোশের আড়ালেই মুখ (Bangladesh)

    এহেন ভালোমানুষি মুখোশের আড়ালেই রয়েছে মুখও। সারা বিশ্বই জানে, এই সাহায্য ও উন্নয়নের অছিলায় ইউএসএআইডিকে ব্যবহার করা হয় বিদেশে মার্কিন প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে। এই সংস্থা মূলত আমেরিকার প্রসারবাদী ও আধিপত্যবাদী স্বার্থ পূরণেই কাজ করে। এই প্রেক্ষাপটেই বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রীর সাম্প্রতিক এই বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি ইউএসএআইডির অতীত ইতিহাস ও তার গোপন উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের দাবি

    রাশিয়ার এক সাংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে হাসিনা সরকারের প্রাক্তন নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী দাবি করেন, আকস্মিক ও সহিংস ছাত্র আন্দোলন, যার জেরে পতন ঘটেছিল আওয়ামি লিগ সরকারের, তা ছিল ইউএসএইডের পরিকল্পিত ও তাদের দ্বারা পরিচালিত। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল, রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে চায়নি বাংলাদেশ। বাংলাদেশ রাশিয়ার সমালোচনা করেনি, ইউক্রেনকেও প্রকাশ্যে সমর্থন করেনি। বরং মস্কোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক সম্পর্ক বিবেচনায় রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধে ঢাকা একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছিল। যেখানে বহু দেশ আমেরিকার নির্দেশেই রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিল, সেখানে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করেছে।”

    রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিতে প্রবল লবিং

    মহিবুল বলেন, “রাষ্ট্রসংঘে একটি প্রস্তাব আনা হয়েছিল। বাংলাদেশকে (Bangladesh) রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিতে প্রবল লবিং করা হয়েছিল। আমাদের অবস্থান ছিল, আমরা ভোটদানে বিরত থাকব।” তাঁর দাবি, ঢাকার এই অবস্থানেই ক্ষুব্ধ হয়ে বাংলাদেশে সরকার ফেলে দেওয়ার ছক কষেছিল আমেরিকা (Yunus Clinton Nexus)। তিনি বলেন, “কিছু এনজিওর কাজকর্ম, বিশেষ করে আমেরিকার ইউএসএআইডি বা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট, সেই ২০১৮ সাল থেকে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছিল।”  প্রাক্তন এই মন্ত্রীর প্রশ্ন, “বাংলাদেশের উন্নয়নে ইউএসএআইডি যে তহবিল বরাদ্দ করেছিল, তা কোথায় ব্যয় হল? কারণ বাংলাদেশের কোনও উন্নয়নই তো চোখে পড়েনি!” তিনি বলেন, “ওই অর্থ গায়েব হয়ে গিয়েছে, ব্যবহার করা হয়েছে ‘রেজিম চেঞ্জ অ্যাক্টিভিটির’ জন্য। ওই অর্থ দিয়েই খুব সূক্ষ্মভাবে অরাজকতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, এবং পরবর্তীকালে তা বড়সড় দাঙ্গার রূপ নেয়।”

    মহিবুল চৌধুরী বোমা ফাটিয়েছেন

    এই সাক্ষাৎকারে মহিবুল চৌধুরী কার্যত বোমা ফাটিয়েছেন। তিনি জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের মধ্যে যোগসূত্রও রয়েছে। তিনি বলেন, “ক্লিনটন পরিবার এবং অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকারের মধ্যে বহু পুরানো একটি নেক্সাস রয়েছে। এসব কার্যকলাপ দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল। তবে প্রকাশ্যে ছিল না। গোপনে এনজিওগুলিকে অর্থ সাহায্য করা হচ্ছিল। তারা বাংলাদেশে (Bangladesh) সরকার পরিবর্তনে মরিয়া ছিল। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের আড়ালে ক্লিনটন ফাউন্ডেশন এবং ইউনূসের এই সম্পর্ক আসলে সরকার বদলের গভীরতর প্রচেষ্টারই প্রতিফলন (Yunus Clinton Nexus)।”

    ‘ষড়যন্ত্রে’র ছক

    বাংলাদেশের বর্তমান শাসনব্যবস্থা ও প্রশাসনের অবস্থা নিয়েও গভীর হতাশা ব্যক্ত করেন হাসিনার এই প্রাক্তন সহকর্মী। তাঁর মতে, দেশটি এখন একদল অভিজাত শ্রেণির দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যারা গণতন্ত্রের প্রতি দায়বদ্ধ নয়। তাই বাংলাদেশে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের। প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জানিয়েছিলেন, তিনি ‘সাদা চামড়ার মানুষের চাপে’র মুখে পড়েছিলেন এবং তাঁর সরকার ফেলে দেওয়ার জন্য ‘ষড়যন্ত্রে’র ছক কষা হচ্ছিল (Bangladesh)।

    বড় দাঙ্গা

    এদিন মহিবুলও বলেন, “২০১৮ সালে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকার গড়ার পর থেকেই বাইডেন, ক্লিনটনরা সন্তুষ্ট ছিলেন না। তখন থেকেই তাঁরা বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনে বদ্ধপরিকর ছিলেন। তাঁর দাবি, সেই সময় দুটি এনজিও থেকে ২৯ মিলিয়ন ডলার এসেছিল, র‍্যাপারদের বেতন দেওয়া হচ্ছিল। সাংস্কৃতিক কর্মী এবং হিজড়া সম্প্রদায়কেও বেতন দেওয়া হচ্ছিল সেই অর্থ থেকে।’ প্রাক্তন এই মন্ত্রীর দাবি, ‘বাইডেন, ক্লিনটন, সোরোসেসের পরিবারগুলির সঙ্গে যোগসাজস ছিল মহম্মদ ইউনূসের। দাঙ্গাবাজদের উদ্দেশ্যপূরণে তাদের সাহায্যও করা হয়েছিল।’ মহিবুলের (Bangladesh) কথায়, “সুনিপুণভাবে পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা তৈরি করার ফলে জুলাই মাসের আন্দোলন একটি বড় দাঙ্গায় পরিণত হয়েছিল (Yunus Clinton Nexus)।”

  • Daily Horoscope 12 November 2025: ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 12 November 2025: ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ২) প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) বন্ধুদের দিক থেকে খারাপ কিছু ঘটতে পারে।

    ২) প্রেমে বিবাদ বাধতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় চাপ বাড়লেও আয় বৃদ্ধি পাবে।

    ২) বুদ্ধির দোষে কোনও কাজ পণ্ড হতে পারে।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় নিজের বুদ্ধিতেই আয় বাড়বে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক বাধতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    তুলা

    ১) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়।

    ২) ব্যবসায় বিবাদ থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ২) কর্মস্থানে সম্মানহানির সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) খেলাধুলায় নাম করার ভালো সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) কাজের জায়গায় কথার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ২) দূরে ভ্রমণের জন্য বাড়িতে আলোচনা হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ২) সংসারের জন্য অনেক করেও বদনাম হবে।

    ৩) সমাজে আপনার প্রশংসা বৃদ্ধি পাবে।

  • Ramakrishna 506: “একটি সাপ ব্যাঙকে তাড়া করে আসছে, আর কামড়াতে গিয়ে তার বিষ, ওই খুলির ভিতর পড়ে গেল”

    Ramakrishna 506: “একটি সাপ ব্যাঙকে তাড়া করে আসছে, আর কামড়াতে গিয়ে তার বিষ, ওই খুলির ভিতর পড়ে গেল”

     ৪৮ শ্রীরামকৃষ্ণ কাপ্তেন, নরেন্দ্র প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুন
    অহংকারই বিনাশের কারণ ও ঈশ্বরলাভের বিঘ্ন

    পূর্বকথা—কেশব ও গৌরী—সোঽহম্‌ অবস্থার পর দাসভাব 

    ভক্ত ও পূজাদি—ঈশ্বর ভক্তবৎসল—পূর্ণজ্ঞানী 

    “লোকটি অমনি ব্যাকুল হয়ে সেই ঔষধ খুঁজতে স্বাতী নক্ষত্রে বেরুল! এমন সময়ে বৃষ্টি হচ্ছে। তখন ব্যাকুল হয়ে ঈশ্বরকে বলছে, ঠাকুর (Ramakrishna)! এইবার মরার মাথা জুটিয়ে দাও। খুঁজতে খুঁজতে দেখে, একটি মরার খুলি, তাতে স্বাতী নক্ষত্রের জল পড়েছে; তখন সে আবার প্রার্থনা করে বলতে লাগল, দোহাই ঠাকুর! এইবার আর কটি জুটিয়া দাও—ব্যাঙ ও সাপ! তার যেমন ব্যাকুলতা তেমনি সব জুটে গেল। দেখতে দেখতে একটি সাপ ব্যাঙকে তাড়া করে আসছে, আর কামড়াতে গিয়ে তার বিষ, ওই খুলির ভিতর পড়ে গেল (Kathamrita)।

    “ঈশ্বরের শরণাগত হয়ে, তাঁকে ব্যাকুল হয়ে ডাকলে, তিনি শুনবেনই শুনবেন—সব সুযোগ করে দেবেন।”

    কাপ্তেন—কেয়া দৃষ্টান্ত!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হাঁ, তিনি সুযোগ করে দেন। হয়তো,— বিয়ে হল না, সব মন ঈশ্বরকে দিতে পারলে, হয়তো ভায়েরা রোজগার করতে লাগল বা একটি ছেলে মানুষ হয়ে গেল, তাহলে তোমায় আর সংসার দেখতে হল না। তখন তুমি অনায়াসে ষোল আনা মন ঈশ্বরকে দিতে পার। তবে কামিনী-কাঞ্চন ত্যাগ না হলে হবে না। ত্যাগ হলে তবে অজ্ঞান অবিদ্যা নাশ হয়। আতস কাঁচের উপর সূর্যের কিরণ পড়লে কত জিনিস পুড়ে যায়। কিন্তু ঘরের ভিতর ছায়া, সেখানে আতস কাঁচ লয়ে গেলে ওটি হয় না। ঘর ত্যাগ করে বাহিরে এসে দাঁড়াতে হয়।

    ঈশ্বরলাভের পর সংসার—জনকাদির

    “তবে জ্ঞানলাভের পর কেউ সংসারে থাকে। তারা ঘর-বার দুইই দেখতে পায়। জ্ঞানের আলো সংসারের ভিতর পড়ে, তাই তারা ভাল, মন্দ, নিত্য, অনিত্য,— এ-সব সে আলোতে দেখতে পায়।

    “যারা অজ্ঞান, ঈশ্বরকে (Ramakrishna) মানে না, অথচ সংসারে আছে, তারা যেন মাটির ঘরের ভিতর বাস করে। ক্ষীণ আলোতে শুধু ঘরের ভিতরটি দেখতে পায়! কিন্তু যারা জ্ঞানলাভ করেছে, ঈশ্বরকে জেনেছে, তারপর সংসারে আছে, তারা যেন সার্সীর ঘরের ভিতর বাস করে। ঘরের ভিতরও দেখতে পায়, ঘরের বাহিরের জিনিসও দেখতে (Kathamrita) পায়। জ্ঞান-সূর্যের আলো ঘরের ভিতরে খুব প্রবেশ করে। সে ব্যক্তি ঘরের ভিতরের জিনিস খুব স্পষ্টরূপে দেখতে পায়,—কোন্‌টি ভাল, কোন্‌টি মন্দ, কোন্‌টি নিত্য, কোন্‌টি অনিত্য।

  • Amit Shah: দিল্লি বিস্ফোরণ, আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক শাহের

    Amit Shah: দিল্লি বিস্ফোরণ, আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi Incident) আত্মঘাতী বিস্ফোরণের নেপথ্যে কারা? বিস্ফোরণের পেছনে কারণই বা কী? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি (Amit Shah)। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে একাধিক তদন্তকারী সংস্থা। এহেন আবহে মঙ্গলবার দফায় দফায় তদন্তকারীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ওই বৈঠকে বিস্ফোরণের নেপথ্যে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন তিনি।

    বৈঠকে শাহ (Amit Shah)

    দিল্লি বিস্ফোরণের পর পরই সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন শাহ। জানিয়েছিলেন, তদন্তে যা উঠে আসবে, তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। সোমবার রাতেই প্রথমে হাসপাতাল এবং পরে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কথা বলেন পুলিশের পদস্থ কর্তা ও তদন্তকারীদের সঙ্গে। পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। শাহ বুঝিয়ে দেন, বিস্ফোরণের ঘটনার নেপথ্যে যারা জড়িত, তাদের আনা হবে তদন্তের আওতায়। মঙ্গলবার দিল্লি বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রায় একই ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও।

    শাহি বার্তা

    এদিন সকালে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছিলেন শাহ। সেই বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোবিন্দ মোহন, ইনটেলিজেন্স ব্যুরোর অধিকর্তা তপন ডেকা, দিল্লির পুলিশ কমিশনার সতীশ গোলচা এবং এনআইএর ডিজি সদানন্দ বসন্ত। ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশ প্রধান নলিন প্রভাত। সেই বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা পরে ফের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন শাহ। এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তদন্তকারী বিভিন্ন সংস্থার পদস্থ আধিকারিকরা। পরে শাহ (Amit Shah) স্বয়ং পোস্ট করে দেশবাসীকে জানান বৈঠকের নির্যাস। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “দিল্লির গাড়ি বিস্ফোরণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেছি। এই ঘটনার নেপথ্যে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছি। তারা এবার দেখবে আমাদের সংস্থাগুলির ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রী প্রায় সকলেরই হুঁশিয়ারি, “আমাদের তদন্ত সংস্থাগুলি এই ষড়যন্ত্রের শেকড় পর্যন্ত যাবে। যারা এই ষড়যন্ত্রের জন্য দায়ী, তাদের সকলকে বিচারের আওতায় আনা হবে। একজনকেও ছেড়ে দেওয়া হবে না (Delhi Incident)।”

    তদন্তকারীদের অনুমান

    তদন্তকারীদের অনুমান, সোমবার সন্ধ্যায় লালকেল্লার সামনে একটি হুন্ডাই আই২০ গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। সেই গাড়িটিতে কে ছিল, তা এখনও স্পষ্ট করে জানাননি তদন্তকারীরা। বিস্ফোরণের পরে আশপাশের এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখতে শুরু (Amit Shah) করেছেন তদন্তকারীরা। সিসি ক্যামেরার একটি ফুটেজ ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, দুপুর থেকে সন্ধে পর্যন্ত ঘণ্টা তিনেক ধরে লালকেল্লার কাছে পার্কিংয়ে দাঁড়িয়েছিল গাড়িটি। গাড়িটিতে নীল-কালো রংয়ের টি-শার্ট পরা এক ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছে সিসিটিভির ওই ফুটেজে। তবে ওই ব্যক্তিটি কে, তা এখনও জানাননি তদন্তকারীরা। সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি, সিসি ক্যামেরায় প্রকাশ্যে আসা ফুটেজে দেখা গিয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামার এক চিকিৎসককে। ওই চিকিৎসকের নাম উমর মহম্মদ। তবে এখনও এ ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি।

    বিস্ফোরণের ভয়াবহতা

    প্রসঙ্গত, সোম-সন্ধ্যায় লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের এক নম্বর গেটের কাছে ওই হুন্ডাই গাড়িতে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় ১৩ জনের। জখম হন বহু মানুষ। ঠিক কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তভার ইতিমধ্যেই তুলে দেওয়া হয়েছে এনআইএর হাতে (Delhi Incident)।এই ঘটনার সূত্র ধরেই কাশ্মীরে নড়েচড়ে বসেছে নিরাপত্তা বাহিনীও। একাধিক এলাকায় রাতভর তল্লাশি চালিয়ে ছ’জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন পুলওয়ামার বাসিন্দা পেশায় চিকিৎসক উমর উন নবির তিন আত্মীয়ও (Amit Shah)। পুলিশ সূত্রে খবর, যে গাড়িটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছিল, উমরই তার মালিক। ফারিদাবাদে ধৃত এক জঙ্গি মডিউলের সঙ্গে সে যোগাযোগ রাখত বলে অনুমান। সেই মডিউল থেকেই উদ্ধার হয়েছিল কমবেশি ২ হাজার ৯০০ কেজি বিস্ফোরক। তদন্তকারীদের দাবি, উমর এখনও নিখোঁজ। সে এই বিস্ফোরণকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। তদন্তকারীদের মতে, লালকেল্লার মতো ঐতিহাসিক জায়গার কাছে এই বিস্ফোরণ কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গোটা ঘটনার নেপথ্যে বৃহত্তর জঙ্গি চক্রান্ত রয়েছে বলেই আশঙ্কা গোয়েন্দাদের।

    উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক

    প্রসঙ্গত, দিল্লির বিস্ফোরণের দিনই ফরিদাবাদের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ এবং প্রায় ২ হাজার ৯০০ কেজি আইআইডি তৈরির রাসায়নিক। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার যৌথ অভিযানে ধরা পড়ে জইশ-ই-মহম্মদ ও আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দ যুক্ত মডিউলের এক চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিল। তদন্তকারীদের অনুমান, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত হয়েছিল অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ফুয়েল অয়েল, যা সচরাচর ব্যবহার করা হয় শিল্পক্ষেত্রে (Delhi Incident), জঙ্গিরা তাকে ব্যবহার করে শক্তিশালী বিস্ফোরক হিসেবেই (Amit Shah)।

  • Pakistan: ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে বিস্ফোরণ! মৃত অনন্ত ১২, তালিবানের হামলা?

    Pakistan: ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে বিস্ফোরণ! মৃত অনন্ত ১২, তালিবানের হামলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত অনন্ত ১২। অপর দিকে খাইবার পাখতুনখোয়ায় (Khyber Pakhtunkhwa) পাক সেনার কনভয়েও হামলার ঘটনায় জখম ১৬। জানা গিয়েছে, পাকসেনা এবং ফ্রন্টিয়ার কোর পার্সোনালের সেই কনভয় ফিরছিল ডেরা ইসমাইল খান জেলার লোনি পোস্টে। ফেরার পথেই ঘটে এই হামলার ঘটনা। একদিনে জোড়া হামলার ঘটনায় তোলপাড় পাকিস্তানে (Pakistan)।

    গেটের মুখেই এই বিস্ফোরণ (Pakistan)!

    ইসলামাবাদে (Pakistan) জেলা আদালতের সামনে বোম বিস্ফোরণের ঘটনাকে তুলে ধরে স্থানীয় পত্রিকা ‘ডন’ জানিয়েছে, আদালতের সামনে বিস্ফোরণে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, অনেক দূর পর্যন্ত বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গিয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন। এই বোমা বিস্ফোরণ নিয়ে স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, “আমরা বিস্ফোরণের খবর পেয়েছি। তবে কি থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। আমাদের ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তাঁদের কাছ থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করার পর সমস্ত বিষয়টি সম্পর্কে জানা যাবে। জেলা আদালতের গেটের মুখেই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।”

    তালিবানদের দিকে ইঙ্গিত!

    আফগানিস্তান সীমান্ত লাগোয়া খাইবার পাখতুনখোয়ায় (Khyber Pakhtunkhwa) পাক সেনা কনভয়ে সোমবার রাতে হামলার ঘটনা ঘটে। পাকিস্তান (Pakistan) সেনা এবং ফ্রন্টিইয়ার কোর পার্সোনেলের কনভয় ফিরছিল ডেরা ইসমাইল খান জেলার লোনি পোস্টে। আর তখন সেই সময়েই হয় বিস্ফোরণ। উল্লেখ্য গতকাল সোমবার খাইবার পাখতুনখোয়ার অন্য একদিকে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছিল। দক্ষিণ-পশ্চিম খাইবার পাখতুনখোয়ার আফগান সীমান্ত গ্রামে এক কলেজের গেটে হামলায় ছয়জন আহত হয়েছিলেন। তবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের দাবি ওই হামলার পিছনে রয়েছে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান জঙ্গিরা।

    পাকিস্তানের অতিসক্রিয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে অন্যতম প্রধান হল টিটিপি বা তেহরিক-ই-তালিবান। ২০২১ সালে আফগানিস্তানের মসনদে বসে তালিবান সরকার। পাকিস্তান সরকারের দাবি তালিবানরা এই সংগঠনকে পরোক্ষ মদত দেয়। পাকিস্তানের আফগান সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বেশিরভাগ বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে টিটিপি। তবে তালিবানের তরফে বারবার পাক সরকারের অভিযোগকে অস্বীকার করা হয়েছে।

  • Shaheen Shahid: ফরিদাবাদকাণ্ডে ধৃত চিকিৎসক শাহিন জইশের মহিলা ব্রিগেডের ভারতীয় শাখার প্রধান!

    Shaheen Shahid: ফরিদাবাদকাণ্ডে ধৃত চিকিৎসক শাহিন জইশের মহিলা ব্রিগেডের ভারতীয় শাখার প্রধান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজধানীতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় মহিলা চিকিৎসক শাহিন শাহিদকে (Dr Shaheena Shahid arrested) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, লখনউ-এর ওই চিকিৎসক পাক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ-এর (JeM) মহিলা সংগঠনের ভারতীয় শাখার প্রধান মুখ।

    জইশ-এর মহিলা ব্রিগেড গঠন

    পহেলগাঁও হামলার বদলা নিতে অপারেশন সিঁদুরে জইশের কোমর ভেঙে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। সেই অভিযানে মৃত্যু হয় মাসুদ আজাহারের পরিবারের ১১ সদস্যের। এর ঠিক পরই ভারতের বিরুদ্ধে বদলা নিতে মাসুদ আজাহারের বোন সাদিয়ার নেতৃত্বে নয়া মহিলা ব্রিগেড তৈরির ঘোষণা করে জইশ। ভাওয়ালপুরের মার্কাজ-উসমান-ও-আলি থেকেই এই সংগঠন তৈরি করা শুরু করে জইশ। নতুন এই মহিলা ব্রিগেডের নাম জামাত-উল-মোমিনাত। যার মাথায় বসানো হয় মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়াকে। সূত্রানুসারে, শাহিন শাহিদকেই দেওয়া হয়েছিল এই ব্রিগেডের ভারতীয় শাখার দায়িত্ব। লখনউয়ের লালবাগের বাসিন্দা ছিল শাহিন। তার গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি অ্যাসল্ট রাইফেল। সে চিকিৎসক আল-ফালা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করত।

    শাহিন শাহিদ কে?

    দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, শাহিন শাহিদ ছিল জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়া আজহারের অধীনে। সাদিয়া ‘জমাত উল-মোমিনাত’ নামে (JeM’s women’s wing, Jamaat ul-Mominaat) সংগঠনের মহিলা শাখাকে নেতৃত্ব দেয়। এই শাখাটি তৈরি করা হয় পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে, যেখানে মহিলাদের সংগঠনে নিয়োগের কাজ শুরু হয় গত অক্টোবর মাস থেকেই। জইশ সদস্যদের স্ত্রী ও দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের এই সংগঠনে নেওয়া হচ্ছিল। সাদিয়ার স্বামী ইউসুফ আজদার ছিল কান্দাহার বিমান অপহরণের ‘মাস্টারমাইন্ড’। অপারেশন সিঁদুরে সে খতম হয়। অনুমান করা হচ্ছে, আপাতত জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানার মতো রাজ্যগুলিতে এই মহিলা ব্রিগেড নিজেদের জাল ছড়াতে শুরু করেছে। তবে সে জাল বেশিদূর অগ্রসর হওয়ার আগেই মাসুদের ‘জেনানা জেহাদি’দের সন্ত্রাসকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলতে কোমর বাঁধছে তদন্তকারীরা।

    শাহিনের বাড়ি উত্তরপ্রদেশে

    পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, শাহিন শাহিদের বাড়ি উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের লালবাগে। আগে একটি বারবিকিউ রেস্তরাঁয় কাজ করত। পরে আল-ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং সেখানে থেকেই সংগঠনের হয়ে কাজ শুরু করত বলে পুলিশ জানায়। ফরিদাবাদে (Faridabad Explosive) যখন বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়, তখন পুলিশের হাতে আসে শাহিনের নাম।

    সীমান্তের ওপারের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ

    সূত্রের দাবি, জেইএম প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়া আজহার-ই নাকি এই দায়িত্ব দিয়েছিল শাহিনকে। তদন্তকারীরা বিশ্বাস করছেন, শাহিন সীমান্তের ওপারের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখত এবং সামাজিক মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদী মহিলাদের একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করছিল। ধর্মশিক্ষার পাশাপাশি, জিহাদ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ রাখা হয় সিলেবাসে। সাদিয়ার পাশাপাশি, আর এক বোন সামাইরা আজহারকেও ওই আনলাইন কোর্স চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পুলওয়ামার হামলাকালী উমর ফারুখের স্ত্রী আফরিরা ফারুখও জইশের মহিলা শাখায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে জানা যায়। আইসিস, এলটিটিই-র মতো মেয়েদের ফিদায়েঁ বা আত্মঘাতী বাহিনী তৈরি করাই লক্ষ্য তাদের।

    উদ্দেশ্য ছিল ভারতে আরও মহিলা সদস্য তৈরি করা

    এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, এদিকে ফরিদাবাদ থেকে যে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করার পর গ্রেফতার করা হয়েছে মুজাম্মিল গনি ওরফে মুসাইব নামে সন্দেহভাজন এক জঙ্গিকে। তার ভাড়াবাড়ির দু’টি ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক। উল্লেখ্য, সোমবার লালকেল্লার কাছে হওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় ইউএপিএ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। এটি সন্ত্রাসবিরোধী আইন। দিল্লির কোতোয়ালি থানা UAPA-এর ১৬, ১৮ ধারা, বিস্ফোরক আইন এবং বিএনএসের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মুজাম্মিলকে জেরা করেই উঠে আসে শাহিনের নাম। পরে পুলিশ তাঁর মারুতি সুইফট গাড়িতে (HR 51) তল্লাশি চালিয়ে একটি অ্যাসল্ট রাইফেল, একটি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, শাহিন শাহিদ ভারতে থেকে জইশের মহিলা শাখা গঠনের কাজ করছিলেন। সংগঠনের উদ্দেশ্য ছিল ভারতে আরও মহিলা সদস্য তৈরি করা এবং ছোট ছোট ইউনিট গঠন করা।

LinkedIn
Share