Tag: bangla news

bangla news

  • Liver Disease: শুধু মদ্যপান নয়, খাদ্যাভ্যাসও লিভারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে

    Liver Disease: শুধু মদ্যপান নয়, খাদ্যাভ্যাসও লিভারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে

     তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আধুনিক জীবনের নানা অভ্যাস তৈরি করছে নানা ঝুঁকি। শরীরে বাসা বাঁধছে নানা রোগ। তেমনই একটা সমস্যা হল নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার (Liver Disease)। সপ্তাহ জুড়ে চলছে লিভার ডিজিজ অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম! স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, শুধু মদ্যপান নয়, খাওয়ার অভ্যাসও লিভারের রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। 

    কী বলছে সমীক্ষা? 

    এক সর্বভারতীয় সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মদ্যপানের জন্য লিভারের রোগের তুলনায় খাদ্যাভ্যাসের জেরে লিভারের সমস্যায় জর্জরিত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষত মহিলারা নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের (Liver Disease) সমস্যায় বেশি ভুগছেন। ওই সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ৪০ শতাংশ ভারতীয় নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভুগছেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগের বয়স ২৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। অর্থাৎ, খুব কম বয়স থেকেই অনেকে এই লিভারের অসুখে কাবু হচ্ছেন। 

    ফ্যাটি লিভার কী? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, লিভারে ফ্যাট বা অতিরিক্ত চর্বি জমাকেই সহজ ভাষায় ফ্যাটি লিভার (Liver Disease) বলা হয়। অতিরিক্ত চর্বি জমলে লিভারের কার্যশক্তি কমতে থাকে। ফলে নানা শারীরিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। 

    কী করে বুঝবেন ফ্যাটি লিভার হয়েছে? 

    সাধারণত খুব প্রকট উপসর্গ দেখা দেয় না। তবে ফ্যাটি লিভার (Liver Disease) থাকলে ওজন মারাত্মক বাড়ে অথবা কমে। তাছাড়া অনেক সময় খাবার খাওয়ার পরে বমির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। বারবার বমি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। তবে, ফ্যাটি লিভার থাকলে প্রায়ই পেটের যন্ত্রণা হয়। সেটাও অন্যতম উপসর্গ বলেই ধরা হয়। জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। 

    কোন পাঁচ খাবার ফ্যাটি লিভার কমাতে সাহায্য করবে? 

    আধুনিক খাদ্যাভ্যাসের জেরেই বাড়ছে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের (Liver Disease) সমস্যা। বিশেষত অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত ফাস্ট ফুড বিপদ বাড়াচ্ছে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, খাদ্য তালিকায় এই পাঁচটি খাবার নিয়ম করে রাখলে বিপদ করবে। প্রথমেই চিকিৎসকদের পরামর্শ তালিকায় থাকছে, শাক-সবজি। সবুজ সবজি নিয়মিত খেতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, সবুজ সবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ফাইবার। এই দুই উপাদান লিভারে ফ্যাট জমতে দেয় না। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত সবজি খেলে বিপদ কমবে। দ্বিতীয়ত, দানা শস্য খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। ফ্যাটি লিভারের (Liver Disease) সমস্যা কমাতে ওটস, ডালিয়ার মতো কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট খাবার নিয়মিত খাওয়া দরকার। কারণ, এই ধরনের খাবারে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে, ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিও কমে। তৃতীয়ত, নিয়মিত মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাছে থাকে ওমেগা থ্রি, যা লিভারের জন্য খুব উপকারী। যে কোনও মাছ নিয়মিত খেতে বলছেন তাঁরা। তবে, ছোট মাছের উপকার বেশি বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন। ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার ফ্যাটি লিভারের (Liver Disease) সমস্যা রুখতে বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসক মহল। তাই তাদের পরামর্শ, দুধ, পনির, ডিমের মতো খাবার নিয়ম করে থাকুক খাদ্য তালিকায়। সপ্তাহে অন্তত দু’দিন চিকেন খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, চিকেনে শুধু প্রোটিন নয়, থাকে ফাইবার। আর ফাইবার ফ্যাটি লিভার রুখতে বিশেষ সাহায্য করে। তবে, রেড মিট এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, তাতে দেহে চর্বি জমে। যা শরীরে নানা রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের কার্যালয়ে হামলা, জখম ৭, অভিযুক্ত তৃণমূল

    TMC: বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের কার্যালয়ে হামলা, জখম ৭, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুমায়ুন কবীরের বিতর্কিত মন্তব্যের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতে বিধায়ক কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। ১৯ মে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর তৃণমূল কংগ্রেসের একটি সভায় ভরতপুর-১ নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি নজরুল ইসলামকে কার্যত এক হাত নিয়েছিলেন। বিধায়কের বিস্ফোরক এই মন্তব্যের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বিধায়কে কার্যালয়ের হামলার ঘটনা ঘটে। বিধায়কের সামনেই তাঁর অনুগামীদের বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। হামলাকারী সকলেই তৃণমূল কর্মী। পরে, তৃণমূলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। তাতে সাতজন জখম হন।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬:২৫মিনিট নাগাদ ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর তাঁর বিধায়ক কার্যালয়ে তৃণমূল সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি কর্মসূচিতে যোগ দেন। অভিযোগ, তখনই ভরতপুর-১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নজরুল ইসলামের ভাইপো তাজ মহম্মদের নেতৃত্বে ব্লক সভাপতির কিছু অনুগামী গিয়ে অতর্কিতে লাঠি- বাঁশ নিয়ে হামলা চালান। বিধায়ক কার্যালয়ের পাশাপাশি বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা বিধায়কের অনুগামীদের বেধড়ক পেটানো হয়। পাল্টা হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভরতপুর এলাকা। ঘটনার পর ভরতপুর থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে তারজন্য এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC)  বিধায়ক?

    তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, এখানে কোনও দলীয় কোন্দল নেই। আসলে এখানে স্বার্থের দ্বন্দ্ব। আমার নিরাপত্তারক্ষী আজকে ছুটিতে রয়েছে, সেই খবর আগে থেকেই ব্লক সভাপতি জানতো। তাই,  ব্লক সভাপতির অনুগামীরা আমাকে প্রাণনাশের চেষ্টা চালিয়েছে। আমার অনুগামীদের উপর হামলা চালিয়েছে। আমার কার্যালয়ে চড়াও হয়েছে। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করা হলে সোমবার থেকে ভরতপুরে কে রাজ করে তা দেখিয়ে দেব।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি?

    হামলার ঘটনা নিয়ে পাল্টা বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের অনুগামীদের উপর দায় চাপিয়েছেন ভরতপুর-১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমার ভাইপো এবং আমার কিছু অনুগামী হাঁটতে হাঁটতে ব্লকের দিকে যাচ্ছিল তখনই আমার ভাইপো সহ আমার অনুগামীদের উপর চড়াও হয় বিধায়কের অনুগামীরা। আমরা কোনও হামলা চালাইনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: প্রকাশ্যে তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি, কেন জানেন?

    Nadia: প্রকাশ্যে তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাইক চালানো নিয়ে বচসা। সামান্য এই ঘটনা নিয়ে গুলিবিদ্ধ হলেন এক তৃণমূল কর্মী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) কালিগঞ্জ থানার পালিতবেগিয়া এলাকার। গুলিবিদ্ধ ওই তৃণমূল কর্মীর নাম আশরাদুল শেখ। গুলিবিদ্ধ যুবক তৃণমূল কর্মী। হামলাকারীরাও তৃণমূল করে। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার (Nadia)  পালিতবেগিয়া এলাকায় শনিবার বিকালে কয়েকজন যুবক পাড়ার ভিতর দিয়ে প্রচণ্ড গতিতে বাইক চালিয়ে যাচ্ছিল। জানা যায়, ওই যুবকদের বাড়ি পাশের গ্রামে। প্রচণ্ড গতিতে বাইক চালানোর কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করেন। শুরু হয় বচসা। পরে, হাতাহাতি শুরু হলে এলাকাবাসী তা  মিটিয়ে দেন। বাইক আরোহীরা গ্রামে ফিরে গিয়ে দল বেঁধে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ফের চড়াও হয় বলে অভিযোগ। ফের দুপক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। এরপরই আচমকা আশরাদুল শেখ নামে এক যুবককে লক্ষ্য করে আগ্নেয়াস্ত্র বের করে পরপর ২ রাউন্ড গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে বাইক আরোহীদের বিরুদ্ধে।। আশরাদুলের বুকে গুলি লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজন জড়ো হতেই ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত যুবকরা। গুরুতর জখম অবস্থায় আশরাদুলকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর শরীর থেকে একটি গুলি বের করা হলেও আরেকটি গুলি শরীরের ভিতরে রয়ে গেছে। বর্তমানে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে তিনি চিকিত্সাধীন রয়েছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় কালীগঞ্জ থানার পুলিশ। এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানার চেষ্টা করছে, আদতে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    কী বললেন গুলিবিদ্ধ যুবকের দাদা?

    গুলিবিদ্ধ আশরাদুলের দাদা ওসমান গনি শেখ বলেন, মূলত প্রচণ্ড গতিতে বাইক চালানোর প্রতিবাদ করাতেই হামলা চালিয়েছে ওরা। তবে, সামান্য বিষয় নিয়ে এভাবে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটবে তা ভাবতে পারিনি। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি করছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SECL: ভারত সরকারের উদ্যোগে ছত্তিসগড়ের কয়লাখনি এখন এশিয়ার সর্ববৃহৎ!

    SECL: ভারত সরকারের উদ্যোগে ছত্তিসগড়ের কয়লাখনি এখন এশিয়ার সর্ববৃহৎ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোয়েভারা মেগা প্রকল্পের আওতায় ছত্তিসগড়ের সাউথ ইস্টার্ন কোল্ডফিল্ড লিমিটেড (SECL) বছরে প্রায় ৫০ মিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলন করে এশিয়ার সর্ববৃহৎ কয়লাখনি হিসাবে মাইল ফলক ছুঁয়ে ফেলল। সরকারি এই প্রকল্পে আগামী বছরে ৭০ মিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একে ভারতের কয়লা মন্ত্রকের বিরাট সাফল্য বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিলাসপুরে কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রকের সেক্রেটারি, ছত্তিসগড় রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি এবং ভারতীয় রেলের মধ্যে বিশেষ সমন্বয় বৈঠক হয় শনিবার। সেখানে এই প্রকল্পের কাজ আগামী দিনে সুষ্ঠু ভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    কয়লা উত্তোলনে বেঁধে দেওয়া হল সময়সীমা 

    দক্ষিণ পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যনেজার অলোক কুমার এবং সাউথ ইস্টার্ন কোল্ডফিল্ডের সিডিএম প্রেম সাগর মিশ্রের সঙ্গে কয়লা মন্ত্রকের সেক্রেটারির ওই বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় সাউথ ইস্টার্ন কোল্ডফিল্ডের (SECL) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে প্রাকৃতিক সম্পদকে কীভাবে খননকার্যের মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা যায়, সেই বিষয়েই বিস্তৃত আলোচনা করা হয় বৈঠকে। কয়লা উৎপাদনে পরিবেশ, বন ও ভূমি দফতরের বিশেষ ছাড়পত্রের বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি ছত্তিসগড়ে কয়লাখনির মেগা প্রকল্প সাউথ ইস্টার্ন কোল্ডফিল্ড অঞ্চলের মধ্যে থাকা গেভেরা, দিপকা এবং কুশমুণ্ডার মানুষের পুনর্বাসন ও বিশেষ আর্থিক সাহায্যের বিষয়টিও বৈঠকে উঠে আসে বলে জানা যায়। কোল সেক্রেটারি কয়লাখনির কাজকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে রাজ্য সরকার এবং প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সকল অংশগ্রহণকারীকে সময়সীমা নির্ধারণ করে দেন।

    জোর ভারতীয় রেলের সঙ্গে সমন্বয়ে

    কোল সেক্রেটারি দক্ষিণ পূর্ব রেল, পূর্ব রেল এবং পূর্ব-পশ্চিম রেলের সঙ্গে সাউথ ইস্টার্ন কোল্ডফিল্ডের ( SECL) বিশেষ সহযোগিতা ও সমন্বয়ের উপর জোর দেন। রেল লাইনের সুবিধা অনুসারে কোরবা, মাণ্ড-রায়গড় কয়লা অঞ্চল থেকে খনি সরিয়ে নেওয়ার কথাবার্তাও হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই আলোচনা বৃহত্তর কয়লাখনির খননকার্য এবং উত্তোলনের ক্ষেত্রে দারুণ আশা ব্যঞ্জক। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Madrasa: হাই মাদ্রাসার পরীক্ষায় প্রথম পরিযায়ী শ্রমিকের ছেলে, পরিবারে উচ্চ শিক্ষায় দুশ্চিন্তা

    Madrasa: হাই মাদ্রাসার পরীক্ষায় প্রথম পরিযায়ী শ্রমিকের ছেলে, পরিবারে উচ্চ শিক্ষায় দুশ্চিন্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজনের বাবা দিনমজুর অন্যজনের বাবা পরিযায়ী শ্রমিক। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা ব্লকের ভাবতার বাসিন্দা আসিফ ইকবাল ও রানীনগরের বাসিন্দা নাসির উদ্দিন মোল্লা, এরাই এবার পশ্চিমবঙ্গ হাই মাদ্রাসা (Madrasa)পরীক্ষায় প্রথম এবং দ্বিতীয়। আসিফের প্রাপ্ত নম্বর ৭৮০, নাসির উদ্দিনের প্রাপ্ত নম্বর ৭৭৫। দুজনেই বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চান। নুন আনতে পান্তা ফুরানো সংসারে সন্তানদের ভালো ফলে দুশ্চিন্তায় পরিবার, উচ্চশিক্ষায় পাশে দাঁড়াক সরকার, আবেদন উভয় পরিবারের।

    প্রথম হওয়ায় মাদ্রসার (Madrasa) প্রতিক্রিয়া

    ভাবতা আজিজা হাই মাদ্রাসা স্কুলের দায়িত্ব প্রাপ্ত আধিকারিক শিক্ষক মিরাজ শেখ বলেন, এই স্কুলে বিগত কয়েক দশক ধরে প্রথম স্থানে অধিকারী হিসাবে আমরা কাউকে পাইনি। যদিও বিভিন্ন সময় আমাদের স্কুলের ছাত্ররা কখনও চতুর্থ কখনও পঞ্চম স্থানাধিকারীদের মধ্যে ছিল। এই বছর আমাদের খুব আশা ছিল, এই বছর স্কুলে কিছু একটা ফল হবে। আসিফ সবসময় ক্লাসে প্রথম হত। আসিফের ফলাফল আমাদের কাছে ভীষণ প্রত্যাশিত। স্কুলের বিশেষ ছাত্রাবাসে থেকে পড়াশুনা করত আসিফ। ছাত্র সুলভ আচরণে খুব অনুগত ছিল সে। স্কুলের শিক্ষকরা জানান, মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকেও আসিফকে বিশেষ অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

    আসিফের পরিবারের প্রতিক্রিয়া

    আসিফের বাবা ইয়ামিন শেখের আশঙ্কা “ছেলে ভালো ফল করে কি হবে, আমি যদি পড়াতে না পারি!” রাজ্যে প্রথম হয়ে বিতর্কে পটু বাগ্মী আসিফের ক্ষুদ্র প্রতিক্রিয়া “লড়াইটা সবে শুরু, এখন অনেক পথ বাকি। আশা করি সবাই পাশে থাকবে।” আসিফের বাবা আরও জানান, এতদিন দেনা করে পড়াশুনার খরচ যুগিয়েছি। কলকাতায় সাইকেলে করে ভাঙ্গারির ব্যবাসা করি। অর্থের একটা সঙ্কট রয়েছেই। তবে স্কুলের শিক্ষকেরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। শিক্ষকদের (Madrasa) জন্যই আজ ওর এই সাফল্য এসেছে। আগামী দিনে ওর পড়াশুনার জন্য সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন করব। 

    নাসিরের মাদ্রাসার (Madrasa) শিক্ষকের আবেদন

    কোমনগর হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল হালিম জানিয়েছেন, এতটা অভাবের মধ্যে থেকেও পড়াশোনা করার অদম্য জেদ কিভাবে সাফল্য এনে দেয়, সেটা নাসিরের মধ্যে চাক্ষুষ করলাম। আমরা তো আছি, সরকারও ওর উচ্চ শিক্ষায় পাশে দাঁড়াক, এটুকুই আবেদন। আগামী দিনে সরকারী সহায়তা কতটা আসে, সেটাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL: দোকানের আড়ালে চলছে আইপিএলের বেটিং চক্র! কারা জড়িত জানেন?

    IPL: দোকানের আড়ালে চলছে আইপিএলের বেটিং চক্র! কারা জড়িত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে ফের আইপিএল (IPL) বেটিং চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার দুই যুবক। মুদিখানার, সোনার দোকানের পর এবার ধরা পড়লো  মাংসের দোকানের মালিক। এই দোকানের আড়ালে  অনলাইনে আইপিএল বেটিং চলত বলে অভিযোগ। পরপর এভাবে দোকানের আড়ালে বেটিং চালানোর ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    জাল ছড়িয়েছে গোটা শহরে

    গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে ১৮ মে রাতে পুলিশ শিলিগুড়ি শহরের  বাগড়াকোট এলাকায় একটি মাংসের দোকানে অভিযান চালায়। সেখানে হাতেনাতে ধরা পড়ে দুই যুবক। পুলিশ জানিয়েছে,  ধৃতদের নাম মহম্মদ সরফরাজ ও মহম্মদ নাফিস আলম। দু’জনেরই বাড়ি বাগরাকোটে।  ধৃতদের  দুটি মোবাইল ফোন এবং নগদ কয়েক হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গত ১২ মে রাতে শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় সিটি সেন্টারে শপিংমলে একটি সোনার দোকানে হানা দিয়ে আইপিএল (IPL) বেটিং চালানোর অভিযোগে হাতেনাতে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছিল। তারও দুদিন আগে শিলিগুড়ি পুরসভার ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের হায়দারপাড়া এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে আইপিএল বেটিং চালানোর অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সেই ব্যক্তি নিজের মুদিখানার দোকানের আড়ালে আইপিএল (IPL) বেটিং চক্র চালাচ্ছিল। তার কাছ থেকে নগদ ৬ হাজার ৯০০ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন পেয়েছিল পুলিশ।

    বেটিং চক্র নিয়ে কী বললেন পুলিশ আধিকারিক?

    আইপিএল (IPL) শুরু থেকেই  শিলিগুড়িতে বেটিং চক্রের সন্ধান মিলেছে। বিগত বছরগুলিতেও শিলিগুড়িতে রমরমিয়ে আইপিএল বেটিং চলেছে। পুলিশের জালে  অনেকে ধরাও পড়েছে। পুলিশের নজরকে ফাঁকি দিতে এবার  বেটিং চক্র নতুন পন্থা নিয়েছে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের এক পদস্থ অফিসার  বলেন, শিলিগুড়ি শহরে  মুদিখানা দোকান, মাংসের দোকান, সোনার দোকানের পাশাপাশি ছোট ছোট রেস্তোরাঁ, ক্যাফেতেও গোপনে বেটিং চক্র চলছে বলে আমাদের কাছে খবর রয়েছে। আমরা সে মতো ধারাবাহিক নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত যারা ধরা পড়েছে তারা  এই বেটিং চক্রের এজেন্ট। এদের পিছনে আরও অনেক বড় মাথা রয়েছে। শুধু  শিলিগুড়ি বা উত্তরবঙ্গ নয়, এর বাইরেও এই বেটিং চক্রের জাল বিস্তৃত। ধৃত ব্যক্তিরা  মোবাইল অ্যাপের সাহায্যে বিভিন্ন আইডি তৈরি করে আইপিএল বেটিং চালাচ্ছিল। প্রাথমিক তদন্তে এই দিকটি উঠে এসেছে। শিলিগুড়িতে এরকম আরও অনেক এজেন্ট থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তা জানতে ধৃতদের লাগাতার জেরা চলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জে শুভেন্দু অধিকারী, নিহত মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের স্ত্রীকে চাকরির আশ্বাস

    Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জে শুভেন্দু অধিকারী, নিহত মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের স্ত্রীকে চাকরির আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জে (Kaliaganj) গুলিতে নিহত মৃত্যুঞ্জয়ের স্ত্রী গৌরী বর্মণের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, আগামী ৩ দিনের মধ্যেই চাকরির নিয়োগপত্র পাবেন মৃত্যুঞ্জয়ের স্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারী এদিন পুত্রহারা অসীম দেবশর্মাকেও আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। মৃত্যুযন্ত্রণা ও হতাশার মধ্যে আর্থিক অনটনে কিছুটা সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে এভাবেই পরিবারের পাশে থাকলেন বিরোধী দলনেতা। এছাড়া ভারত সেবাশ্রম কর্তৃপক্ষকে স্বর্গরথ কেনার জন্য আর্থিক সাহায্য প্রদান করেন। 

    মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে

    রাধিকাপুরের চাঁদগাঁও গ্রামে গুলিতে মৃত যুবক মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের (Kaliaganj) সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শুভেন্দু অধিকারী। মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে তিনি ঘোষণা করেন, তিনদিনের মধ্যেই চাকরির নিয়োগপত্র পাবেন মৃত মৃত্যুঞ্জয়ের স্ত্রী গৌরী বর্মণ।

    অসীম দেবশর্মার সঙ্গে সাক্ষাৎ

    কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) ডাঙ্গিপাড়ায় সদ্য পাঁচ মাস বয়সের পুত্রহারা অসীম দেবশর্মাকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন বিরোধী দলনেতা। টাকার অভাবে অ্যাম্বুলেন্স জোগাড় করতে না পেরে ব্যাগের ভিতর ভরে পাঁচ মাসের ছেলের মৃতদেহ বাসে করে বাড়ি নিয়ে এসেছিলেন তিনি। প্রশাসনের অমানবিক এবং নির্মম ব্যবহারে সাধারণ মানুষ নির্বাক হয়ে গিয়েছিল। সরকারের অমানবিক আচরণের ঠিক বিপরীত মেরুতে গিয়ে পরিবারের পাশে থাকলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    নাবালিকার পরিবারকে সমবেদনা

    অন্যদিকে, এদিন ভারত সেবাশ্রমের স্বামীজিদের সঙ্গেই শুভেন্দু অধিকারী যান কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) সাহেবঘাটা এলাকায় মৃত নাবালিকার বাড়িতে। সেখানে নাবালিকার সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করার পাশাপাশি শোকার্ত পরিবারকে সমবেদনা জানান তিনি।

    ভারত সেবাশ্রমকে ১২ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান

    শুক্রবার উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে (Kaliaganj) ঝটিকা সফরে গিয়েছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন দুপুরে তিনি প্রথমে যান কুনোর ভারত সেবাশ্রমে। আশ্রমের স্বামী প্রণবানন্দ মহারাজের মন্দিরে পুজোও দেন। এরপর স্বামীজিদের সাথে কথা বলেন তিনি৷ পাশাপাশি কালিয়াগঞ্জের কুনোর ভারত সেবাশ্রমকে ১২ লক্ষ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। স্বর্গরথ কেনার জন্যই এই আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। মূলত মৃতদেহ বহনের জন্য বিনামূল্যে আশ্রমের তরফে পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই অনুদান দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Results: রাজ্যের সরকারি স্কুল থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন শহুরে অভিভাবকরা?

    Madhyamik Results: রাজ্যের সরকারি স্কুল থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন শহুরে অভিভাবকরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হল। সম্ভাব্য মেধা তালিকাও প্রকাশিত হয়েছে। আর তাতে দেখা গেল, কলকাতার কোনও পড়ুয়ার নামই নেই। এই ঘটনায় বিস্মিত শিক্ষা মহল। এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অন্য বছরের তুলনায় এমনিতেই অনেক কম ছিল। বিশেষত কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় বেশ কয়েক বছর ধরেই কমছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। গত বছর মেধা তালিকায় (Madhyamik Results) কলকাতার পড়ুয়া মাত্র একজন ছিল। এবছর তাও নেই। 

    কেন মেধা তালিকায় কমছে কলকাতার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা? 

    শিক্ষা মহলের একাংশ জানাচ্ছে, মেধা তালিকায় (Madhyamik Results) কলকাতার পড়ুয়া না থাকার অন্যতম কারণ, কলকাতার অধিকাংশ বাসিন্দাই আর ছেলেমেয়েদের সরকারি স্কুল বা বলা যায় রাজ্য সরকারের অধীনস্থ স্কুলে ভর্তি করান না। গত কয়েক বছর ধরেই দেখা গিয়েছে, লাগাতার কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সংখ্যাও তাই কমছে। অধিকাংশ ছেলেমেয়ে ভর্তি হয় সিবিএসই ও আইসিএসই বোর্ডের স্কুলে। 

    কেন অভিভাবকদের বড় অংশ রাজ্যের স্কুল থেকে মুখ ফেরাচ্ছে? 

    শিক্ষাবিদদের একাংশ মনে করছে, রাজ্যের শিক্ষা দফতরের সিলেবাসই (Madhyamik Results) এর অন্যতম কারণ। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে যে কোনও পরীক্ষায় পাশ করার উপযুক্ত সিলেবাস এখন পড়ানো হয় না। ইংরেজির মতো ভাষা, যা সর্বভারতীয় পরীক্ষায় অত্যন্ত জরুরি, তাতে গুরুত্ব খুব কম দেওয়া হয়। ইতিহাস, বিজ্ঞান সহ একাধিক বিষয়ের সিলেবাস অপ্রাসঙ্গিক! শিক্ষাবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, ইতিহাসে সিঙ্গুর আন্দোলন পড়ানো হয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বেচারাম মান্নার ভূমিকা পড়ানো হয়। ইউপিএসসি বা অন্য যে কোনও সর্বভারতীয় পরীক্ষায় এই বিষয়ের কোনও প্রশ্ন থাকে না। ফলে, এই বিষয়গুলো পড়ে পড়ুয়াদের বিশেষ সুবিধা হয় না। এমনকী বাংলা ভাষাতেও এমন অনেক অপ্রাসঙ্গিক বিষয় পড়ানো হয়, যা পরবর্তীতে তাদের বিশেষ কাজে লাগবে না। যেমন, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অভিনেতা দেব ও তার ছবি চাঁদের পাহাড় নিয়ে পড়ানো হয়। এই অপ্রাসঙ্গিক সিলেবাস অভিভাবকদের আরও বেশি করে রাজ্য সরকারের অধীনস্থ স্কুলের প্রতি অনীহা তৈরি করছে বলেই মনে করছে শিক্ষাবিদদের একাংশ।
    একদিকে অপ্রাসঙ্গিক সিলেবাস ও পরিকাঠামোহীন শিক্ষা ব্যবস্থা, আরেকদিকে সিবিএসই ও আইসিএসই বোর্ডের একাধিক স্কুল, যেখানে সর্বভারতীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার মতো পাঠ্যক্রম, এই দুইয়ের কারণেই কলকাতা ও তার আশপাশের বাসিন্দারা আরও বেশি রাজ্যের স্কুলগুলো থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kurmi: ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’-এ গিয়ে কুড়মিদের ঘেরাওয়ের মুখে জুন মালিয়া

    Kurmi: ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’-এ গিয়ে কুড়মিদের ঘেরাওয়ের মুখে জুন মালিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কুড়মিদের ‘ঘাঘর ঘেরা’র মুখে তৃণমূল বিধায়িকা জুন মালিয়া। শুক্রবার দুপুরে মেদিনীপুর সদর ব্লকের মালবাঁধি এলাকায় দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যান জুন মালিয়া। ঠিক সেই সময় কুড়মি সমাজের মানুষজন ঘিরে ধরেন তাঁকে। অবিলম্বে রাজ্যের তরফে সিআরআই রিপোর্টের ওপর কমেন্ট পাঠাতে হবে কেন্দ্রের কাছে। মূলত এই দাবি তুলে ধরা হয় বিধায়িকার কাছে। গোটা বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়িকা। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। পরে পুলিশের তৎপরতায় ঘেরাও মুক্ত হন তৃণমূল বিধায়িকা। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গলমহলে কর্মসূচিতে গিয়ে কুড়মিদের (Kurmi) ঘেরাওয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে অনেককেই। এবার ঠিক একই কায়দায় ঘেরাওয়ের মুখে তৃণমূল বিধায়িকা জুন মালিয়া। জঙ্গলমহলে জনপ্রতিনিধিরা এলেই তাঁদের ঘাঘর ঘেরার মুখে পড়তে হবে বলে দাবি করছেন কুড়মি সমাজের মানুষ। উল্লেখ্য, কুড়মালিতে এই ঘাঘর ঘেরার অর্থ হল কোনও রকম ফাঁক না রেখে চারদিক থেকে ঘিরে ধরা। 

    কী কী দাবিতে কুড়মিদের এই আন্দোলন?

    আদিবাসী কুড়মি (kurmi) জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে কুড়মিদের (kurmi)  পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা হচ্ছে। ৫ এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের ডাক দিয়েছিল তারা। তবে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দফায় দফায় বৈঠক করেও কোনও রফাসূত্র মেলেনি। ওই সময় সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে জেলা প্রশাসন, পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকরা বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকেও কোনও রফাসূত্র বের হয়নি। পরে, জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক তাঁদের কাছে একটি চিঠি নিয়ে এসে ১০ এপ্রিল মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দেন। যদিও আন্দোলনকারীরা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। কুড়মিরা দাবি আদায়ে বিভিন্ন দফায় রেল অবরোধ করেছেন। তার জেরে দক্ষিণ পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে প্রায় প্রতিদিনই একের পর এক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এক সময় দেখা গিয়েছিল, চারদিনে প্রায় শতাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

    আন্দোলনের ধরন বদল?

    কুড়মি (kurmi) সংগঠনের নেতা অজিত প্রসাদ মাহাত বরাবরই অভিযোগ করে আসছেন, তাঁদের আন্দোলন দুর্বল করতে প্রশাসন বহু চেষ্টা করছে। মামলার ভয় দেখানো হচ্ছে। মুখ্যসচিবের সঙ্গে এর আগে বৈঠক করে কোনও লাভ হয়নি। তাই, তাঁরা আর বৈঠক করতে রাজি নন। তবে, আগামীদিনে তাঁরা ফের আন্দোলনে নামবেন। বোঝাই যাচ্ছে, দাবি আদায়ে তাঁরা আন্দোলনের ধরন বদলে ফেলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: এগরায় বিস্ফোরণের পর লাভপুরে ১০০ কেজি বাজির মশলা উদ্ধার! গ্রেফতার ৪

    Birbhum: এগরায় বিস্ফোরণের পর লাভপুরে ১০০ কেজি বাজির মশলা উদ্ধার! গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতির পরেই অতিসক্রিয় হয়ে উঠল পুলিশ। বীরভূম (Birbhum) জেলা জুড়ে যৌথভাবে তল্লাশি চালাল পুলিশ ও সিআইডি। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর বাজি তৈরির মশলা এবং সরঞ্জাম। পুলিশ একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করছে। শাসক দল একে পুলিশের সাফল্য বললেও বিরোধীদের দাবি, সবটাই লোক দেখানো।

    বাজি তৈরির মশলা উদ্ধার (Birbhum) 

    এগরার ঘটনার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বাজি কারখানার উপর নজর রাখতে শুরু করেছে প্রশাসন৷ বেআইনি কারখানাগুলিতে তল্লাশি চলবে বলেও জানানো হয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে সমালোচনা শুরু হতেই নড়েচড়ে বসেছে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসন। এদিন বীরভূমের (Birbhum) লাভপুর থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে যৌথ তল্লাশি চালায় সিআইডি৷ লাভপুরের (Lavpur) পূর্ণা গ্রামে একটি বাজি তৈরির কারখানা থেকে ১০০ কেজির বেশি বাজি তৈরির মশলা উদ্ধার করা হয়৷ পাশাপাশি, বাজি তৈরির প্রচুর সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা যায়৷ বেআইনি ভাবে প্রচুর বারুদ মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে৷ এই ঘটনায় ৪ জন অভিযুক্তকে আটক করেছে সিআইডি৷ আরও জানা গেছে, বাজি তৈরির মশলাগুলিকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

    বিরোধীদের অভিযোগ

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার খাদিকুল গ্রামে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ইতিমধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাজি তৈরির আড়ালে বোমা তৈরি হত, এই অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই ঘটনায় এনআইএ তদন্তে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী নেতার অভিযোগ ছিল, পুলিশের কাছে এই বাজি কারখানার খবর ছিল এবং রীতিমতো ওই কারখানা থেকে তোলা আসত। বিরোধী দলের আরও অভিযোগ, বগটুই হত্যাকাণ্ডের পরও অবৈধ অস্ত্র এবং বোমা কারখানায় তল্লাশির কথা পুলিশকে বলেছিলেন স্বয়ং পুলিশমন্ত্রী। যার ফলস্বরূপই লোক দেখানো মাত্র কয়েকটি জায়গাতে তল্লাশি (Birbhum) হচ্ছে। আসল অপরাধীরা শাসক দলের আশ্রয়েই রয়েছে। রাজ্যে সিংহভাগ অবৈধ বাজি কারখানার মালিক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারাই, এমন অভিযোগও উঠেছে। সমানে পঞ্চায়েত ভোট আসছে। তাই দেশি বাজির কারখানায় দেশি বোমা তৈরি হচ্ছে কি না, তা সাধারণ মানুষকে রীতিমতো ভাবাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share