Tag: bangla news

bangla news

  • PM Modi: উত্তরপ্রদেশে পুর নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়, যোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি

    PM Modi: উত্তরপ্রদেশে পুর নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়, যোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে পুরসভা নির্বাচনে কার্যত গেরুয়া (BJP) ঝড়। শনিবার ফল বের হয় ওই নির্বাচনের। তার পরেই যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে রাজ্যে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে, এই ফলই তার প্রমাণ। ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের বিজেপি কর্মী এবং পুরভোটে জয়ী দলীয় প্রার্থীদেরও অভিনন্দন জানিয়েছেন। রাজ্যের শাসকদল বিজেপি ১৭টি পুরসভার মধ্যে মেয়র পদে জিতেছে ১৭টিতেই। অযোধ্যা, ঝাঁসি, বরেলি, মথুরা-বৃন্দাবন, মোরদাবাদ, সাহারানপুর, প্রয়াগরাজ, আলিগড়, শাজাহানপুর এবং গাজিয়াবাদে জয়ী হয়েছেন দলীয় প্রার্থীরা।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)…

    উত্তরপ্রদেশে দলের এই বিরাট জয়ের যাবতীয় কৃতিত্ব বিজেপির তরফে দেওয়া হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। নির্বাচনের আগে ১৩ দিনে ৫০টি জনসভা করেছেন তিনি। বস্তুত এ রাজ্যে বিজেপির প্রচারের মুখ ছিলেন তিনিই। তাই প্রধানমন্ত্রীও তাঁর প্রশংসা করেছেন। দু দফায় হয়েছে পুরসভা নির্বাচন। ভোট (PM Modi) হয়েছে মেয়র, নগর পঞ্চায়েত চেয়ারপার্সন এবং নগরপালিকা পরিষদ চেয়ারপার্সন বাছাই করতে। সর্বত্রই ক্লিন বোল্ড হয়ে গিয়েছেন বিরোধীরা। প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী মূলত দুটি বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছিলেন।

    একটি হল, উত্তরপ্রদেশে অপরাধী এবং মাফিয়াদের দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। দ্বিতীয়টি হল, অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বাধীন সমাজবাদী পার্টি। প্রসঙ্গত, ওই নির্বাচনে বিজেপি জিতেছে ১৭টি মেয়র পদে। নগর পঞ্চায়েতের ৫৪৪টি আসন গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে। নগর পালিকা পরিষদ নির্বাচনে ১৯৯টি আসনেও জয়ী হয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুুন: সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরতে ব্যাপক প্রচারে নামতে চলেছে মোদি সরকার

    রাজ্যের যে ১৭টি নগর নিগমে বিজেপি (PM Modi) জিতেছে সেগুলি হল রাজধানী লখনউ, প্রয়াগরাজ, কানপুর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসী, মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ যোগীর শহর গোরক্ষপুর এবং অযোধ্যা। সাহারানপুর, আগ্রা, মোরাদাবাদ, ফিরোজাবাদ, মথুরা, ঝাঁসি, মিরাট, গাজিয়াবাদ, বরেলি, শাহজাহানপুর এবং আলিগড়ও রয়েছে এই তালিকায়। এই নগরনিগমগুলির মেয়রপদের পাশাপাশি ১,৪০১টি ওয়ার্ডের কর্পোরেটর পদের ৫০ শতাংশেরও বেশি আসনও গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • CBI: সিবিআইয়ের নয়া ডিরেক্টর হচ্ছেন প্রবীণ সুদ, জানেন তিনি কে?

    CBI: সিবিআইয়ের নয়া ডিরেক্টর হচ্ছেন প্রবীণ সুদ, জানেন তিনি কে?

    মাধ্যম বাংলা নিউজ: কর্নাটক (Karnataka) ক্যাডারের আইপিএস (IPS) অফিসার প্রবীণ সুদ (Praveen Sood) হতে চলেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের (CBI) নয়া ডিরেক্টর। রবিবার এই পদে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়। মেয়াদ শেষ হতে চলেছে সিবিআইয়ের বর্তমান প্রধানের। সেই কারণেই প্রয়োজন ছিল নয়া সিবিআই প্রধান নির্বাচন। সেই জন্যই শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে হয় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসেবে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ও। এদিন সিবিআই প্রধান পদে তিনজনের নামের সুপারিশ জমা পড়েছিল। এঁরা হলেন, কর্নাটকের ডিজিপি প্রবীণ সুদ, মধ্যপ্রদেশের ডিজিপি সুধীরকুমার সাক্সেনা এবং দমকল পরিষেবা, নাগরিক প্রতিরক্ষা এবং হোমগার্ড বিভাগের তাজ হাসান।

    সিবিআইয়ের (CBI) ডিরেক্টর…

    বর্তমানে সিবিআইয়ের (CBI) ডিরেক্টর পদে রয়েছেন মুম্বই পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার সুবোধকুমার জয়সওয়াল। ২০২১ সালের ২৬ মে সিবিআই ডিরেক্টর পদে উন্নীত হয়েছিলেন তিনি। ২৫ মে শেষ হতে চলেছে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ। তাঁর মেয়াদ বাড়ানো হবে, নাকি নতুন কাউকে নিয়োগ করা হবে, তা ঠিক করতেই শনিবার বসেছিল বৈঠক। রবিবার ঘোষণা করা হল প্রবীণের নাম।

    বস্তুত সিবিআই ডিরেক্টর হওয়ার দৌড়ে প্রথম থেকেই এগিয়েছিলেন প্রবীণ। হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দা প্রবীণ আইআইটি দিল্লির প্রাক্তনী। ১৯৮৬ সালের আইপিএস অফিসার তিনি। এর আগে টানা তিন বছর ধরে কর্নাটকের ডিজিপি হিসেবে কাজ করেছেন প্রবীণ। ২০২৪ সালের মে মাসে অবসর নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। সিবিআই ডিরেক্টর মনোনীত হওয়ায় তাঁকে কাজ করতে হবে কমপক্ষে ২০২৫ সালের মে মাস পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, দুর্নীত ও অর্থনৈতিক নানা অপরাধ থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে হাই প্রোফাইল মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় সিবিআই (CBI)।

    আরও পড়ুুন: সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরতে ব্যাপক প্রচারে নামতে চলেছে মোদি সরকার

    রবিবার যে সরকারি নির্দেশনামা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে জানানো হয়েছে প্রবীণকেই সিবিআইয়ের পরবর্তী ডিরেক্টর হিসেবে বেছে নিয়েছে ভারত সরকার। তাঁর কার্যকালের মেয়াদ হবে দু বছর। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে গঠিত কমিটি নিয়োগ করেন সিবিআই প্রধানকে। এই পদে কাউকে মনোনীত করা হয় দু বছরের জন্য। পরে প্রয়োজনে সর্বাধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে তাঁর মেয়াদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: ৩৬ হাজার চাকরিহারাদের তালিকায় নাম রাজ্যের মন্ত্রীর মেয়ের, জেলাজুড়়ে শোরগোল

    Scam: ৩৬ হাজার চাকরিহারাদের তালিকায় নাম রাজ্যের মন্ত্রীর মেয়ের, জেলাজুড়়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam) জড়িয়ে পড়লেন রাজ্যের আরও এক মন্ত্রী। সম্প্রতি হাইকোর্ট শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ৩৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ জারি করেছে। আর সেই তালিকায় রয়েছে রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী বুলু চিকবরাইকের মেয়ে সুষমা চিকবরাইকের নাম। মন্ত্রী বুলু চিকবরাইকের মেয়ে সুষমা চিকবরাইক ২০১৬ সালে মাল ব্লকের রাঙ্গামাটি চাবাগানের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা পদে কাজে যোগ দেন। শুক্রবার হাইকোর্টের নির্দেশের খবর চাউর হতেই মালবাজার সহ উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলায় শোরগোল পড়ে যায়। এই বাতিলের তালিকায় শিলিগুড়িরও ৩৫০ জন শিক্ষককের নাম রয়েছে। এদের চাকরি পাওয়ার পিছনে তৃণমূলের কোনও নেতা বা মন্ত্রীর হাত রয়েছে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। হাইকোর্টের এই নির্দেশিকা বিবেচনা করার দাবিতে শিলিগুড়ির সেই শিক্ষক-শিক্ষিকারা আন্দোলনে নেমেছেন।

    কী বলছেন এলাকাবাসী?

    রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল। তাই এই দলের কোনও নেতা বা মন্ত্রীর অনৈতিক কাজ নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সাহস নেই সাধারণ মানুষের। মন্ত্রীর মেয়ের নাম চাকরি বাতিলের তালিকায় রয়েছে জেনে সকলেই খুশি। মালবাজারের বিভিন্ন অংশের মানুষ জানিয়েছেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম চোখে পড়লেও তা বলতে পারি না। কেননা প্রতিবাদ করতে গেলে তৃণমূলের চোখরাঙানি ও হুমকির মুখে পড়তে হয়। তাই মন্ত্রী বুলু চিকবরাইকের মেয়ের চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়মের কথা জেনেও আমরা চুপ থেকেছি। খোঁজ নিলে দেখা যাবে রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে প্রভাব খাটিয়ে শুধু মেয়েরই নয়, তার আরও অনেক আত্মীয়স্বজনকে চাকরি করে দিয়েছেন তিনি। হাইকোর্টে নিরপেক্ষ তদন্তে হওয়ায় এই বিষয়টি এবার প্রকাশ্যে এসেছে। আমরা এই দিনটির অপেক্ষাতেই ছিলাম।

    কী বললেন মন্ত্রী?

    চাকরি বাতিলের তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে এখবর আর গোপন নেই। এলাকায় সকলে এই বিষয়ে আলোচনা করছেন। তবুও এনিয়ে সুষমা চিকবরাইক কিছু বলতে চাননি। তাঁর বাবা রাজ্যের মন্ত্রী বুলু চিকবরাইক বলেন, আমার মেয়ের নাম চাকরি বাতিলের তালিকায় রয়েছে। তবে মহামান্য আদালতের রায় নিয়ে আমি কিছু বলব না। আদালতের উপর আমার আস্থা রয়েছে। আমার মেয়ে সুষমা যথেষ্ট যোগ্য ও উপযুক্ত। দু’বার ডবলুবিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় পাশ করেছে। ভাইবাও দিয়েছে। আমার মেয়ে পরীক্ষায় বসেই প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষিকার চাকরি পেয়েছিল। কোনও দুর্নীতি (Scam) হয়নি। আবারও পরীক্ষা হলে বসবে এবং নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দেবে।

    চাকরি বাতিলের নির্দেশ জারি হতেই  শিলিগুড়িতে কেন আতঙ্ক?

    এদিকে শিলিগুড়িতে ৩৫০ জন শিক্ষক- শিক্ষিকা হাইকোর্টের নির্দেশ পুনর্বিবেচনা করার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে। সদ্য চাকরিহারা শিক্ষক অভিজিৎ বিশ্বাস বলেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (Scam) মামলায় সিবিআই এবং ইডি তদন্ত করছে। এই তদন্তে আমরা প্রথম থেকে সবরকম সহযোগিতা করে এসেছি। তদন্তের মূল দিক হলো, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যারা দুর্নীতি (Scam)  করেছে, সেই মূল অপরাধীকে চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়া। মূল অপরাধীকে খুঁজতে গিয়ে এভাবে আমাদের চাকরি বাতিল করা মেনে নিতে পারছি না। এতে আমরা বিপর্যস্ত হয়ে পড়বো। আমাদের পরিবার রয়েছে। অনেকের লোন রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চাকরি হারালে আমরা গভীর সঙ্কটে পড়বো। তবে ফের পরীক্ষায় বসতে নারাজ তারা। অভিজিতবাবু আরও বলেন, সচিন তেন্ডুলকার যেমন রোজ নেমে সেঞ্চুরি করতে পারেনি। সেরকম সবসময় পরীক্ষা বসেই যে আমরা ভাল রেজাল্ট করে পাশ করবো তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। কাজেই আবার পরীক্ষায় বসার বিষয়টি কেন আসছে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mayapur: জীবসেবা এখানে সত্যিই যেন শিবসেবা! মায়াপুরের মন্দিরে পরম আদরে রয়েছে প্রভুভক্ত কুকুররা

    Mayapur: জীবসেবা এখানে সত্যিই যেন শিবসেবা! মায়াপুরের মন্দিরে পরম আদরে রয়েছে প্রভুভক্ত কুকুররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দিরে সাধুসন্ন্যাসী কিংবা ভক্তরা নন, সবসময় থাকে ২০ থেকে ২৫ টি কুকুর। তারাই দেয় মন্দিরের পাহারা, আবার চেয়ারে বসে আরাম করে। এমনকী ঘোরাঘুরি করে মন্দির চত্বরে  মায়াপুরের (Mayapur) এক মন্দিরে প্রবেশ করলে দেখতে পাওয়া যাবে প্রভুভক্ত এইসব কুকুরের ভিড়।

    কোন মন্দিরে প্রভুভক্ত কুকুর?

    মায়াপুরের (Mayapur) গঙ্গা তীরবর্তী শ্রী শ্রী রাধা শ্যামসুন্দর জিউর মন্দিরে গেলেই আপনি দেখতে পাবেন এই দৃশ্য। মায়াপুর ইসকন চন্দ্রোদয় মন্দিরে সারা বছরই ভক্তদের আনাগোনা লেগে থাকে। তবে মায়াপুরে রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় আরও মন্দির। সেই সমস্ত মন্দিরে কমবেশি ভক্তদের ভিড়ও লক্ষ করা যায়। তবে শ্যামসুন্দর জিউর মন্দিরে ভক্তদের তুলনায় প্রভুভক্ত কুকুরের ভিড়ই থাকে বেশি, এমনটাই ভক্তদের মুখে শোনা যায়।

    কীভাবে মন্দিরে এল প্রভুভক্ত কুকুর

    মন্দিরের (Mayapur) সেবাইত স্বামী তৎপর মহারাজ বলেন, ভগবান সর্বত্র বিরাজমান, রাস্তার কুকুরের মধ্যেও ভগবান রয়েছেন। কর্মফল অনুযায়ী আজ এঁরা কুকুর হয়েছেন, এঁরা আগে হয়তো মুনিঋষি ছিলেন। তিনি বলেন, অনেক সময় দেখা যায় কুকুরকে রাস্তায় মারধর করা হয়, গাড়ি চাপা পড়ে পা ভেঙে যায় কিংবা বিভিন্নভাবে তাদেরকে উত্যক্ত করা হয়। মারধরের কারণে পালিয়ে এরা আশ্রয় নেয় এই মন্দিরে। এরপরেই বিভিন্ন জায়গা থেকে কুকুররা এসে এই মন্দিরে থাকতে শুরু করে।

    ভরণপোষণ কীভাবে চলে?

    মহারাজ বলেন, লকডাউনের সময় মায়াপুর (Mayapur) ইস্কন ক্যাম্পের এক বাবু খাবার দিয়ে যেতেন। আবার ইস্কনের মহারাজ নিজে কুকুরদের জন্য খাবার পাঠাতেন। সেই সময় থেকেই কুকুরদের এই মন্দিরে আগমন হয়। কিন্তু লকডাউনের পর খাবারের পরিষেবা কিছুটা বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে বেশ কিছু কুকুরদের খাদ্যের অভাব হয়েছিল বলে জানা যায়। মাসে প্রায় এক কুইন্টাল চাল এবং দশহাজার টাকা খরচ হয় বলে মহারাজ জানান। তাঁদের সমস্ত রকম চিকিৎসা থেকে শুরু করে খাবারের ব্যবস্থা করা হয় এই মন্দির থেকেই। বর্তমানে অর্থসঙ্কট দেখা যাচ্ছে বলে জানা যায় মন্দিরের তরফ থেকে।

    প্রভুভক্ত কুকুরের প্রধান সেবক স্বামীজি

    সমস্ত কুকুরকে রক্ষণাবেক্ষণ এবং তাদের সেবাশুশ্রূষা করার জন্য বেশ কিছু অর্থের প্রয়োজন হয়, যা অতি কষ্টে মিটিয়ে থাকে এই মন্দির (Mayapur)। তবে একার পক্ষে খরচ বহন করা অনেক সময় দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বামী তৎপর মহারাজের মতে, কিছু অনুদান পেলে ভালো হয়। তবে সমস্ত বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করেই মন্দিরে বিগ্রহের মতই কুকুরদেরও দিনের পর দিন সেবাশুশ্রূষা করে আসছেন স্বামীজি। জীবসেবাই যে শিবসেবা, তার বাস্তাব দৃষ্টান্ত যেন এই মন্দিরই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Wine Shop: দোকানে ঢুকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা, আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা

    Wine Shop: দোকানে ঢুকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা, আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোকানে ঢুকে কর্মীকে আগ্নেয়াস্ত্রের বাঁট দিয়ে মেরে অবাধে লুটপাট চালালো দুষ্কৃতীরা। শনিবার রাত ১০ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে আসানসোল দক্ষিণ থানার এসবি গড়াই রোডের একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকানে (Wine Shop)। ক্যাশবাক্স থেকে ৪ লক্ষ টাকা তারা ছিনিয়ে নেয় চলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে দোকানের কর্মীদের কাছে থেকে মোবাইলও কেড়ে নিয়ে যায় তারা। ঘটনার পর পরই দোকানের (Wine Shop) কর্মীরা দুষ্কৃতীদের পিছু ধাওয়া করেন। কিন্তু, ততক্ষণে তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে, পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে ঘটনার তদন্ত শুরু করে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    শনিবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ শাটার বন্ধ করে ভিতরে হিসেব মেলানোর কাজ করছিলেন দোকানের (Wine Shop) কর্মী শ্যামল দত্ত ও তাঁর সহযোগী সন্দীপ পাল। ঠিক সেই সময় শাটার তুলে তিনজন দুষ্কৃতী ভিতরে ঢোকে। দুজনের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। ঢোকার পরই আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সব টাকা বের করে দিতে বলে। কিন্তু, দোকানের কর্মীরা আপত্তি করলেই আগ্নেয়াস্ত্রের বাঁট দিয়ে তাদের ওপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। ক্যাশবাক্স থেকে সমস্ত টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা। সিসিটিভিতে দুষ্কৃতীদের ছবি ধরা পড়েছে। ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। সিসিটিভি-র ফুটেজ পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    কী বললেন দোকানের কর্মীরা?

    দোকানের (Wine Shop)  কর্মী সন্দীপ পাল বলেন, আচমকা শাটার তুলতেই আমরা ভেবেছিলাম কোনও ক্রেতা এসেছে। তিনজনই কোনও কথা না বলে আমাদের দিকে এগিয়ে আসে। আমরা তখন সারাদিনের বিক্রি হিসেব করছিলাম। ওরা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে টাকা দিতে বলে। আমরা আপত্তি করলে ওরা চড়াও হয়। এরপরই ক্যাশবাক্স থেকে সব টাকা নিয়ে নেয়। একজনের মুখে কাপড় বাঁধা ছিল। হিন্দিতে কথা বলছিল। আমাদের মোবাইল সব কেড়ে নেয়। আমরা বাইরে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। সমস্ত টাকা হাতিয়ে নিয়ে ওরা পালায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Standard Time: ভারতের বুকে এমনও গ্রাম আছে, যেখানে ঘড়িতে ১২ টার পর বাজে ১১ টা!

    Indian Standard Time: ভারতের বুকে এমনও গ্রাম আছে, যেখানে ঘড়িতে ১২ টার পর বাজে ১১ টা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিনিয়ত সময় (Indian Standard Time) এগিয়ে চলেছে তার নিজের গতিতে। সবকিছু প্রতি মিনিটে, ঘণ্টায় বদলে যাচ্ছে। জীবনের নির্ধারিত সময় কমে আসছে প্রত্যেক মুহূর্তে। অথচ সময়কে আটকানোর কোনও উপায় নেই। বাড়িতে থাকা ঘড়ি আমাদের সব সময় জানান দেয়, সময় কতটা এগিয়ে গেল। ঘরের দেওয়াল থেকে শুরু করে হাতে ও মোবাইলে সব জায়গায় ঘড়ি তার সময়ের হিসাব দিয়ে চলেছে সব সময়। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে চলেছে সময়ের স্রোতে। কিন্তু কখনও কি মাথায় এসেছে, ঘড়ির কাঁটা যদি উল্টো দিকে ঘোরে? যদি দুপুর ১২ টার পর ১১ টা বাজে? কি, শুনলে হাসিঠাট্টা লাগছে তো? কিন্তু বাস্তবে এমনটাই হয় ভারতের বুকে এক গ্রামে, যেখানে ঘড়ির কাঁটা ঘোরে সময়ের উল্টো দিকে।

    কোথায় এই ধরনের উল্টো ঘড়ি দেখা যায়?

    ভারতের বুকেই আছে এমন এক গ্রাম, যেখানে সময় (Indian Standard Time) চলে তার বিপরীত দিকে। ঘড়ির কাঁটা ঘোরে তার নির্ধারিত সময়ের উল্টোদিকে। যেখানে দুপুর ১ টার পর ২ টো নয়, বাজে ১২ টা, অর্থাৎ একদম উল্টো সময় বলে সেখানকার ঘড়ি। এমনটা হয় ছত্তিসগড়ের কোরবা নামক জেলায়, সেখানে গেলেই এই অদ্ভুত দৃশ্য চোখে পড়ে। শোনা যায়, ছত্তিসগড়ের আরও অনেক জায়গায় এই ঘড়ি প্রচলিত আছে। মধ্য ভারতের এই ছত্তিসগড় রাজ্যের বিচ্ছিন্ন অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একটি উপজাতি হল গোন্ড। এই উপজাতিই সাধারণত ব্যবহার করে এই উল্টো ঘড়ি। এমনকী ভারতের ফৌজদারি আইন ছাড়া আইনকানুন, সমাজব্যবস্থা, অর্থনীতি সব কিছুই আলাদা, সব হয় তাদের নিয়ম অনুযায়ী। যেন ভারতের বুকে এক অন্য পৃথিবী। গ্রামের যে কোনও সমস্যা ও বিষয় পরিচালিত হয় তাদের নিজস্ব গ্রামসভার মাধ্যমে। প্রচলিত নিয়মের বাইরে তাদের নিজস্ব তাত্ত্বিক জীবনদর্শনকেই প্রাধান্য দেয় তারা। আর বহু বছর আগে থেকেই চলে আসছে তাদের এই সময়ের উল্টো স্রোতে ভেসে চলা।

    কেন এমন নিয়ম মানেন তাঁরা?

    গোন্ড উপজাতিদের বিশ্বাস, আমাদের জীবনের সময় (Indian Standard Time) বাড়ে না, বরং ক্রমশ কমে আসছে প্রতিনিয়ত। তাই দুপুর ১ টার পর তাদের সময় কমে ১২ টা হয়। এমনকী চাঁদ পৃথিবীকে এবং পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে ঘড়ির কাঁটার উল্টোদিকেই। এই সব কারণকে সামনে রেখেই তাদের মতানুযায়ী নিজেদের ঘড়ি নির্মাণ করেন, যে ঘড়ি সময়ের উল্টোদিকে চলে। তাদের এই ঘড়িকে অনেকে গণ্ডোয়ানা ঘড়ি বলে নামাঙ্কিত করেছেন।  তাদের মতে, প্রকৃতির নিয়ম মেনে এটিই একমাত্র আদর্শ ঘড়ি যা সঠিক সময় বলে।

    বিয়ের সাতপাকও ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে

    শুধু যে ঘড়ির ক্ষেত্রে কাঁটা উল্টো দিকে ঘোরে তা নয়, এই উপজাতি বস্তির যখন কোনও বিবাহ অনুষ্ঠান থাকে, সেই বিবাহে স্বামী-স্ত্রীর অগ্নিসাক্ষী রেখে সাতপাক ঘোরার সময়ও (Indian Standard Time) তারা সাধারণ নিয়মের উল্টো দিকেই ঘোরে। সব মিলিয়ে জানা গেছে, সেখানে প্রায় দশ হাজারের বেশি পরিবারে ব্যবহৃত হয় এই একই নিয়ম ও এই উল্টো ঘড়ি। গোন্ড উপজাতি ছাড়াও সেখানে আরও প্রায় ২৯ টি সম্প্রদায় আছে যারা এই অদ্ভুত রীতি মেনে চলে।  আর এই অদ্ভুত রীতিনীতির জন্যই এদেরকে সাধারণের থেকে আলাদা হিসাবে গণ্য করা হয়, যা ভারতের বুকে সত্যিই বিচিত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পুরসভার ঝিল দখল করে বিল্ডিং নির্মাণ, দলের কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলছে তৃণমূল

    TMC: পুরসভার ঝিল দখল করে বিল্ডিং নির্মাণ, দলের কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলছে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ার শহরে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই ঝিল দখল করে বিল্ডিং তৈরির অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এনিয়ে শাসকদলের অন্দরেও শোরগোল পড়ে গেছে।  

    কি অভিযোগ?

    আলিপুরদুয়ার শহরে জলাশয় ও ঝিল দখলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। শহরের বহু পুরনো ঝিল এলাকার নেতাদের মাধ্যমে বেদখল হয়ে গিয়েছে, এমনটাই এলাকাবাসীর প্রধান অভিযোগ। তবে ঝিল দখলে এবার নাম জড়িয়েছে খোদ পুরসভার এক কাউন্সিলারের। বিরোধীদের অভিযোগ নয়, খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) প্রাক্তন জেলা সভাপতি প্রশান্তনারায়ণ মজুমদার (জহর) জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে এমনই অভি্যোগ জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, আলিপুরদুয়ার টাউন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসটি তৈরি করা হয়েছে ঝিলের উপরেই। শাসকদলের কাউন্সিলার থেকে নেতারাই যদি এ ধরনের কাজে যুক্ত থাকেন, সাধারণ মানুষ কী করবেন? এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় মানুষের।

    শাসক দলের মন্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) টাউন ব্লক সভাপতি দীপ্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, আলিপুরদুয়ার শহরের টাউন ব্লক পার্টি অফিসটি আমরা নতুন করে তৈরি করিনি। অনেক আগে সেখানে দোকান ছিল। সেই দোকান কিনে নিয়ে পার্টি অফিস চালু করা হয়েছে। শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অরূপা রায় বলেন, যে জমিতে তাঁর বাড়িটি রয়েছে, সেই জমির বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। ঝিল দখলের অভিযোগ তিনি উড়িয়ে দিয়েছেন। প্রশান্ত নারায়ণ মজুমদার (জহর) বলেন, ওনার পুরনো বাড়ি নিয়ে আমার বক্তব্য নেই। তবে ইদানীং ঝিল দখল করে যে অংশ জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে, সেই জলাজমি নিয়েই আমি অভিযোগ প্রশাসনের কাছে জানিয়েছি।

    প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জমা

    এ নিয়ে আলিপুরদুয়ার শহরের প্রবীণ আইনজীবী নারায়ণ মজুমদার (জহর) জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। সেই অভিযোগের প্রতিলিপি পুরসভার চেয়ারম্যানের কাছেও জমা দিয়েছেন জহরবাবু। ঝিল দখলের অভিযোগ ওঠায় আলিপুরদুয়ার পুরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর জানিয়েছেন, কাউন্সিলার বা চেয়ারম্যান যদি কেউ বেআইনিভাবে ঝিল দখল করে থাকেন, তবে তা হলে কেউই আইনের ঊর্ধ্বে যেতে পারবেন না। আইন আইনের পথেই চলবে। এইভাবে জলাজমির উপর অবৈধ নির্মাণ বন্ধে প্রশাসন কবে কার্যকার ভূমিকা পালন করবে, তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Salman Khan: ইস্টবেঙ্গলের অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতালেন সলমন, বললেন, “আই লভ কলকাতা”

    Salman Khan: ইস্টবেঙ্গলের অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতালেন সলমন, বললেন, “আই লভ কলকাতা”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি এলেন। গাইলেন। জয় করলেন। ১৩ বছর বাদে শনিবার ফের কলকাতায় এলেন সলমন খান (Salman Khan)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পূজা হেগড়ে, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ, সোনাক্ষি সিনহার মতো নায়িকারা। মাস কয়েক ধরে ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন সাল্লু মিঞা। শনিবাসরীয় সন্ধ্যায় সেসব উপেক্ষা করেই মঞ্চ মাতালেন তিনি। নিজের হিট গান ‘ও ও জানে জানা’, ‘জিনে কে হ্যায় চার দিন’, ‘মুন্নি বদনাম হুয়ি’ গানের সঙ্গে নাচলেনও।

    সলমন খান (Salman Khan)…

    এদিন দুপুরে কলকাতায় পা রেখেই কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান সলমন। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান মুখ্যমন্ত্রী। নিরাপত্তার কারণে সলমনের থেকে অনেক দূরেই আটকে দেওয়া হয় সলমন ভক্তদের। তবে তাতে কী? কেউ মোবাইল ক্যামেরায় ধরে রাখলেন প্রিয় নায়কের ছবি। কেউ আবার প্রমাণ সাইজের কাটআউটে মালা পরিয়ে স্বাগত জানলেন ভাইজানকে।

    এদিন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বলিউড থেকে উড়ে এসেছিলেন সলমন (Salman Khan)। সেখানেই কখনও নাচে, কখনও গানে মন জয় করলেন ফ্যানদের। অত্যুৎসাহী এক মহিলা ভক্ত মঞ্চ উঠে আচমকাই জড়িয়ে ধরেন প্রিয় নায়ককে। দৃশ্যতই অপ্রস্তুতে পড়ে যান ভাইজান। এদিন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তরফে আজীবন সদস্যপদ দিয়ে সম্মানিত করা হয় সলমনকে। অনুষ্ঠান শেষে ক্লাবের তরফে তাঁকে দেওয়া হয় সম্মাননাও। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী তাঁকে লাল-হলুদ উত্তরীয় পরিয়ে সম্মানিত করেন।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ইমরান খান সন্ত্রাসবাদীদের চেয়ে কম কিছু নয়’’, তোপ পাক প্রধানমন্ত্রীর

    পরে মঞ্চে ওঠেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার। ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের বাকি কর্মকর্তারাও। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের শতবর্ষ উপলক্ষে তৈরি বিশেষ মুদ্রাও দেওয়া হয় স্মারক হিসেবে। সলমনের (Salman Khan) প্রিয় ২৭ নম্বর লাল-হলুদ জার্সিও তুলে দেওয়া হয় সল্লু মিঞার হাতে। প্রতীকী হিসেবে তুলে দেওয়া হয় মাঠের ঘাস এবং মাটি। এদিন মঞ্চে ‘চান্দ ছুপা বাদল’ ও তাঁর ছবি ‘বডিগার্ডে’র বিখ্যাত গান ‘আই লাভ ইউ’তে গলাও মেলালেন সলমন। জ্যাকেট খুলে কাছে টেনে নিলেন জ্যাকলিনকে। নাচলেন। শেষে কলকাতার উদ্দেশে বললেন, “কলকাতা ইজ টু হট…, আই লভ ইট।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের মিটিংয়ে হামলা চালালো দলেরই কর্মীরা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC: তৃণমূলের মিটিংয়ে হামলা চালালো দলেরই কর্মীরা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের মিটিংয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল দলেরই অপর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। হামলায় এক তৃণমূল কর্মী গুরুতর জখম হন। তাঁকে ভগবানপুর হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিত্সা করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর-১ ব্লকের শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। এই ঘটনায় তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    ঠিক কী ঘটেছে ?

    ভগবানপুর-১ ব্লকের শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভীমেশ্বরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃণমূলের (TMC) কর্মী-সমর্থকরা মিটিং করছিলেন। সেই সময় তৃণমূলের (TMC) অন্য গোষ্ঠীর লোকজন এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে এক তৃণমূল কর্মীর মাথা ফেটে যায়। জখম হন সেখ মুত্তালিব নামে এক তৃণমূল কর্মী। তাঁর বাড়ি কিশোরপুর গ্রামে। অভিযোগ, শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান দীপ্তেন্দু   মাইতির নির্দেশে এই হামলা হয়েছে। মিটিংয়ে ডাক না পাওয়ার কারণে দলের বিরুদ্ধ গোষ্ঠী এই হামলা চালিয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের প্রাক্তন সদস্য তৃণমূল (TMC) নেত্রী সবিতা প্রধানও আক্রান্ত হয়েছেন।

    হামলা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কর্মী সেখ মুত্তালিব বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হয়েও দলের ছেলেদের হাতে আক্রান্ত হলাম। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। হামলার ঘটনার নিন্দা করেছেন ভগবানপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি শেখর পন্ডিত। তিনি বলেন, এই হামলা অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মীরা করেনি। করেছে, আমাদের দলের কর্মীরা। দুর্নীতি মুক্ত পঞ্চায়েত গড়তে আমরা উদ্যোগী হয়েছিলাম। তাই এই হামলা হয়েছে। ইনডোর মিটিং চলাকালীন হামলা হয়েছে। হামলা করেছে এলাকারই কয়েকজন তৃণমূল কর্মী। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভগবানপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অর্ধেন্দু মাইতির ভাই দীপ্তেন্দু মাইতি। শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান উপপ্রধান দীপ্তেন্দু মাইতি বলেন, তৃণমূলের কোনও মিটিং ছিল বলে আমার জানা নেই। আমি তো ডাক পাইনি। হামলার কোনও ঘটনা আমার জানা নেই।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি স্বপন রায় বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যে তৃণমূলের (TMC)  নবজোয়ার শুরু হয়েছে। সেখানে তৃণমূল কর্মীরা গোপন ব্যালট নিয়ে প্রকাশ্যে মারামারি করছেন, কোথাও পঞ্চায়েতে চুরির  লাইসেন্স কার হাতে থাকবে তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি হচ্ছে। তৃণমূলের (TMC) মারে তৃণমূল কর্মীদেরই মাথা ফাটছে। আদালতের একের পর এক রায়ে তৃণমূল নেতা কর্মীদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এদের বিদায় আসন্ন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hypertension: চাপ ও অস্থিরতায় বাড়ছে হাইপারটেনশন! কেমন জীবনযাপন কমাতে পারে এই রোগ? 

    Hypertension: চাপ ও অস্থিরতায় বাড়ছে হাইপারটেনশন! কেমন জীবনযাপন কমাতে পারে এই রোগ? 

     তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আধুনিক ব্যস্ত জীবনে উদ্বেগ, মানসিক চাপ আর ব্যস্ততা নিত্যসঙ্গী। আর এসবের সঙ্গে শরীরে নানা রোগের প্রকোপ বাড়ছে। হাইপারটেনশন (Hypertension) তার মধ্যে অন্যতম! ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতি দশজন ভারতীয়র মধ্যে চারজন হাইপারটেনশনে ভোগেন। এরাজ্যেও বাড়ছে হাইপারটেনশনের সমস্যা। বয়স্কদের পাশাপাশি কমবয়সীদের মধ্যেও হাইপারটেনশনের সমস্যা বাড়ছে। তাই দীর্ঘমেয়াদী সুস্থ জীবন কাটাতে জরুরি সচেতনতা। আগামী ১৭ মে ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন ডে! তাই চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বছরভর সতর্ক থাকলে কমতে পারে বিপদ!

    হাইপারটেনশন থাকলে কোন ঝুঁকি বাড়ে? 

    হাইপারটেনশনে (Hypertension) সবচেয়ে ঝুঁকি বাড়ে হার্টের! উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া, মানসিক অস্থিরতা, মানসিক চাপের মতো সমস্যাও তৈরি হয়।

    কীভাবে বুঝবেন আপনার হাইপারটেনশন আছে? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হাইপারটেনশনের (Hypertension) কিছু উপসর্গ আছে। যা থেকে বোঝা যায়, কেউ এই সমস্যায় আক্রান্ত কিনা! চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, হাইপারটেনশনের প্রধান উপসর্গ হল মাথার পিছনে যন্ত্রণা। মাঝেমধ্যেই, কয়েকদিনের ব্যবধানে মাথার পিছনের অংশে অসম্ভব যন্ত্রণা হাইপারটেনশনের অন্যতম উপসর্গ! উচ্চ রক্তচাপ হাইপারটেনশনের উপসর্গ। শরীরে ক্লান্তি, কোনও কাজেই এনার্জি না পাওয়া হাইপারটেনশনের উপসর্গ।হাইপারটেনশন থাকলে বমি হয়। মানসিক অস্থিরতা হাইপারটেনশনের উপসর্গ। যদি মাঝেমধ্যেই অকারণ দুশ্চিন্তা গ্রাস করে, তবে সেটাও হাইপারটেনশনের অন্যতম উপসর্গ।

    কোন কোন খাবার মেনুতে রাখলে হাইপারটেনশনের ঝুঁকি কমবে? 

    সময়মতো চিকিৎসা যত জরুরি, তেমনি জরুরি জীবনযাপনের ধরন। বিশেষত খাবারের দিকে নজর দেওয়া খুব জরুরি। কারণ, সঠিক খাবারের মেনু কমিয়ে দিতে পারে সমস্যা। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, যাদের হাইপারটেনশন রয়েছে, তাদের খাদ্য তালিকায় বাড়তি নজর থাকুক। বিশেষত নিয়মিত পেস্তা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, পেস্তা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। নিয়মিত এই ড্রাই ফ্রুটস কমায় হৃদরোগের ঝুঁকি। তাই হাইপারটেনশনে খুব উপকারী পেস্তা। যে কোনও ভাবে পেস্তা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    উচ্চ রক্তচাপ কমানোর হাইপারটেনশনের (Hypertension) রোগীর খুব জরুরি। তাই নিয়মিত বিনস ও ডাল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিনস ও ডাল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই হাইপারটেনশন রুখতে নিয়মিত খাবারের তালিকায় বিনস ও ডাল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। টমেটো হাইপারটেনশন রুখতে খুব উপকারী। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, টমেটোতে থাকে পটাশিয়াম ও ক্যারোটিনালাইট। আর এই দুই উপাদান হাইপারটেনশন মোকাবিলায় সাহায্য করে। বিশেষত ক্যারোটিনালাইট হার্টের জন্য খুব উপকারী। খাবারের মেনুতে ব্রকোলি ও গাজর রাখলে হাইপারটেনশন কমাতে সাহায্য হবে। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ব্রকোলিতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে। তাই এই সবজি খুব উপকারী। তাছাড়া গাজরে আছে ক্লোরোজোনিক ও ক্যাফেইক। এই উপাদানগুলো রক্তনালিকে ঠিকমতো কার্যকর রাখতে সাহায্য করে। তাই গাজর অত্যন্ত উপকারী। 
    কমলালেবু আর কলার মতো ফলও অত্যন্ত উপকারী। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কমলালেবুতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি থাকে। এই দুই উপদান উচ্চ রক্তচাপ কমাতে এবং হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আবার কলায় থাকে সোডিয়াম। সোডিয়াম হাইপারটেনশন (Hypertension) রুখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত কলা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share