Tag: bangla news

bangla news

  • Biryani: মহাভারতের সেই ‘পলান্ন’ই কি আজকের বিরিয়ানি? কী বলছে ইতিহাস?

    Biryani: মহাভারতের সেই ‘পলান্ন’ই কি আজকের বিরিয়ানি? কী বলছে ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকাল বাইরের খাবার খেতে মানুষ এতটাই পছন্দ করে যে, বাজারে নতুন নতুন খাবারের সন্ধানও মেলে সহজে। নানা পদের খাবার আজ হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়। তবে যে যাই বলুক না কেন, বিরিয়ানির (Biryani) সঙ্গে কিন্তু কোনও খাবারের তুলনাই চলে না। বিখ্যাত কয়েকটি পদের মধ্যে একটি হল বিরিয়ানি। ভারতের কলকাতা, দিল্লি, লক্ষ্নৌ, হায়দরাবাদের বিরিয়ানি আজ বিশ্ববিখ্যাত। যেমন খেতে সুস্বাদু, তেমন এর চাহিদা। গোটা ভারত জুড়ে রমরমিয়ে চলছে এই পদটি। কখনও মটন, কখনও বা চিকেন, যে কোনও বিরিয়ানি আজ এতটাই জনপ্রিয়, যা বিশ্ব দরবারে পৌঁছে গেছে। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, এই বিরিয়ানির উৎপত্তি কোথা থেকে? কী এই বিরিয়ানির ইতিহাস?

    কীভাবে ভারতে জনপ্রিয় হল বিরিয়ানি?

    এই জনপ্রিয় পদটির উৎপত্তি নিয়ে অনেক মতবিরোধ আছে। ইতিহাস ঘাঁটলে এর সম্বন্ধে অনেক মতামত আমাদের চোখে পড়ে। কেউ কেউ বলেন, আরবের ব্যবসায়ীদের হাত ধরেই ভারতে আসে এই বিরিয়ানি (Biryani)। তবে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী ভারতে বিরিয়ানির উৎপত্তি মুঘল বাদশাদের হাত ধরেই। শাহজাহানের শাসনকালে তাঁর স্ত্রী মমতাজ বেগম সৈন্যদের অবস্থা স্বচক্ষে দেখতে চান এবং দেখেন, সৈন্যদের বেশিরভাগ ক্লান্ত, করুণ অবস্থায় রয়েছে তারা। তখন তাঁর মাথায় প্রশ্ন আসে, এরকম হলে তারা বাঁচবে কী করে বা যুদ্ধই করবে কী করে? তখন মমতাজ এক উপায় বের করেন। তিনি রান্নাঘরে খানসামাকে আদেশ দেন, সৈন্যদের জন্য এমন একটি পদ তৈরি করতে হবে, যেটি খেলে তাদের শরীরে শক্তি আসে এবং তারা সুস্থ থাকে। সেই সূত্রেই তিনি বলেন যে মশলা সহযোগে ভাতের সঙ্গে মাংস মিশিয়ে একটি পদ তৈরি করতে, যা খেলে শক্তি তো আসবেই। সঙ্গে পেটও ভরে থাকবে অনেকক্ষণ। আর সেই থেকেই নাকি উৎপত্তি বিরিয়ানির। আধুনিক শেফরা আবার বলছেন, এই বিরিয়ানি নাকি এমন একটি পদ যা দেওয়ান ই আম থেকে দেওয়ান ই খাস-এ পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ মুঘলদের এই পদ রাজ পরিবারে খাস হওয়ার আগে থেকেই সাধারণ মানুষ এবং সৈন্যসামন্তরা এই খাবার খেতেন। মুঘলরা ভারতে আসার ১০০ বছর আগেও এই বিরিয়ানির মতো পদের অস্তিত্ব ছিল।
     
    মহাভারতেও এমন এক পদের নাম পাওয়া যায়, সেটাই কি আজকের বিরিয়ানি?

    মহাভারতের বিভিন্ন ঘটনা আমাদের জানা। এই মহাভারতেরই অনেক জায়গায় একটি শব্দের উল্লেখ পাওয়া যায়। সেটি হল ‘পলান্ন’। কোথাও ধৃতরাষ্ট্র যুধিষ্ঠিরকে এই ‘পলান্ন’ খাওয়ার কথা বলেছেন, আবার কোনও জায়গায় দ্রৌপদী ও পাণ্ডবরাও এই পদ খেতেন। কী এই  পলান্ন? এই শব্দটির সংস্কৃত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পল শব্দের অর্থ মাংস এবং অন্ন শব্দের অর্থ ভাত। অর্থাৎ মাংস মিশ্রিত ভাতকেই পলান্ন বলা হত। তাহলে সেই পলান্নই কি আজকের বিরিয়ানি (Biryani)? এমনটাই মনে করা হয় আজকের দিনে দাঁড়িয়ে। অনেক ঐতিহাসিক একে বিরিয়ানির পূর্ব পদ বলেও অভিহিত করেছেন।  তবে আবার কেউ কেউ বলছেন, ভাত আর মাংস মিশ্রিত করলেই সেটি যে বিরিয়ানি, এমনটা নয়। তাই এই বিরিয়ানির উৎপত্তি নিয়ে আজও মতবিরোধ আছে পুরোমাত্রায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat Road: বাড়িতে জল পৌঁছে দিতে গিয়ে রাস্তা ভেঙে খান খান, ক্ষোভ শহরজুড়ে

    Balurghat Road: বাড়িতে জল পৌঁছে দিতে গিয়ে রাস্তা ভেঙে খান খান, ক্ষোভ শহরজুড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই রাস্তা খারাপ। তার উপর সেই রাস্তা খুঁড়েই দেওয়া হচ্ছে জলের সংযোগ। এইভাবে জল দেওয়া হলেও পরে আর রাস্তার সেই ভাঙা অংশের সংস্কার হচ্ছে না। যার ফলে বালুরঘাট শহরের বহু রাস্তাই (Balurghat Road) ভাঙাচোরা। গর্তের মধ্য দিয়েই চলছে যানবাহন। যা নিয়ে কার্যত গোদের উপর বিষফোঁড়ার দশা বালুরঘাটে। অভিযোগ, শহরের অনেক জায়গায় রাস্তার খোয়া উঠে গিয়েছে। শহরের মূল রাস্তাগুলি দিয়ে চলাচল করা গেলেও অলিগলির রাস্তা একেবারেই বেহাল। ওইসব রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে চরম সমস্যায় পড়ছে মানুষ। যা নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে শহরজুড়ে। 

    কীভাবে হল এই পরিস্থিতি, কী বলছেন বাসিন্দারা?

    জানা গিয়েছে, মাস দুয়েক হল বালুরঘাট শহরে বন্ধ থাকা জলের কানেকশন দেওয়া চালু হয়েছে। তা করতে গিয়ে বহু রাস্তা (Balurghat Road) ফাটিয়ে পাইপগুলি বাড়িতে পৌঁছনো হচ্ছে। কিন্তু রাস্তার ভাঙা অংশ আর সংস্কার করা হচ্ছে না। কোনওরকমে মাটি দিয়ে বোজানো হচ্ছে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই সেই মাটি বেরিয়ে রাস্তার এক হাত পর পর বিশাল গর্ত দেখা যাচ্ছে। যার ফলে সাইকেল, মোটরসাইকেল, টোটো ও রিক্সার চাকা অনেক সময় আটকে পড়ছে কিংবা তীব্র ঝাঁকুনি খেয়ে ঝুঁকি নিয়েই ছুটছে মানুষ। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন আগে থেকেই শহরের এ কে গোপালন কলোনি, চৌরঙ্গি, শিবতলা, রঘুনাথপুর, সত্যজিৎ মঞ্চ থেকে হাসপাতাল মোড় সহ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার অনেক অংশ বেহাল। সেই বেহাল গর্তের রাস্তায় জল জমে থাকে। এমনকী অনেক রাস্তায় গর্ত রয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা অলিগলির রাস্তা। শহরের ২৫টি ওয়ার্ডের নানা জায়গায় রাস্তা বেহাল হয়ে পড়েছে। এদিকে পুরবোর্ড গঠনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও রাস্তা সংস্কার হয়নি। তাই পুরসভার বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছড়িয়েছে শহরজুড়ে। এবিষয়ে বালুরঘাট শহরের এক বাসিন্দা পিকু দাস বলেন, বহু রাস্তার অনেক জায়গায় গর্ত। ভাঙাচোরা হয়ে পড়ে রয়েছে। কোথাও আবার পিচ নেই। এরপর মাঝে আবার রাস্তাগুলি খুঁড়ে জলের পাইপলাইন বসানো হচ্ছে। সেই রাস্তা আর বোজানো হচ্ছে না। যার ফলে রাস্তা দিয়ে একেবারেই চলতে পারছি না। বাইক, সাইকেল নিয়ে চলাচল করাই এখন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে৷ 

    এরা একই কাজ একবারে করতে চায় না, তোপ বিরোধীদের

    এব্যাপারে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। ডিওয়াইএফআই শহর লোকাল কমিটির সম্পাদক ধীরাজ বসু বলেন, এই বোর্ড এমনিতেই শহরের উন্নয়ন করতে পারছে না। যে রাস্তাগুলি খোঁড়া হচ্ছে, তা মাটি দিয়েও ঠিকমতো বন্ধ করা হচ্ছে না। এরা মানুষের সমস্যা বোঝে না। নিজেদের পদ টিকিয়ে রাখার লড়াই চলছে। তাই শহরবাসীর উন্নয়ন, সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে ভাবার সময় নেই।বিজেপির টাউন মন্ডল কমিটির সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত বলেন, জলের কানেকশন দিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই সেই রাস্তার (Balurghat Road) ভাঙা অংশগুলি সংস্কার করা যায়। কিন্তু এরা একই কাজ একবারে করতে চায় না। কারণ দুবারে করলে দুবার টেন্ডার করা যাবে। তাই শহরের ভোগান্তি নজরে আসে না। দীর্ঘদিন ধরেই শহরের অলিগলি থেকে শুরু করে মূল রাস্তা বেহাল। অথচ এসব এই তৃণমূল পুরবোর্ডের নজরে আসছে না। 

    দ্রুত সংস্কার হবে, আশ্বাস চেয়ারম্যানের

    এবিষয়ে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, জলের কানেকশন দেওয়ার পরে ওই পাইপলাইনের উপরে আগেই ঢালাই দেওয়া যায় না। পরবর্তীতে জল যেতে সমস্যাও হতে পারে। তাই কিছুদিন পাইপলাইনের উপরে মাটি দিয়ে বুজিয়ে রাখা হয়। পরে সমস্যা না হলে তা স্থায়ীভাবে ঢালাই দিয়ে দেওয়া হবে। শহরের যে রাস্তাগুলি খারাপ, সেগুলি দ্রুত সংস্কার করা হবে৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Avishek Banerjee: লাল কার্পেট, এলাহি আয়োজন, তবুও তৃণমূল বিধায়কের বাড়িমুখো হলেন না অভিষেক

    Avishek Banerjee: লাল কার্পেট, এলাহি আয়োজন, তবুও তৃণমূল বিধায়কের বাড়িমুখো হলেন না অভিষেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির সামনের রাস্তা লাল কার্পেটে মোড়া। খাওয়ার জন্য এলাহি আয়োজন। সকাল থেকে পিল পিল করে কর্মী- সমর্থক এসে বা়ড়ির সামনে ভিড় করছেন। মোতায়েন পুলিশও। একেবারে সাজ সাজ রব। আর হবে নাই বা কেন, তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Avishek Banerjee) আসার কথা রয়েছে দলের বর্ষীয়ান বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর ইসলামপুর গোলঘরের বাড়িতে। রবিবার দুপুরে তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে খাওয়ার কথা ছিল দলের এই শীর্ষ নেতার। শনিবার তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই কথাও। কিন্তু, সকাল থেকেই কয়েকশো কর্মী-সমর্থককে নিয়ে করিমসাহেব প্রতীক্ষা করলেও কথা রাখেননি অভিষেক।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    তৃণমূলের বর্ষীয়ান বিধায়ক করিমসাহেবের খাসতালুক ইসলামপুরে দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Avishek Banerjee) রবিবার সভা ছিল। সেই সভায় তৃণমূল বিধায়ক আমন্ত্রিত ছিলেন না। যা নিয়ে দলের অন্দরেই চর্চা চলছিল। বিধায়কের অভিমান ভাঙাতে উদ্যোগী হন অভিষেক (Avishek Banerjee) । তিনি রবিবার করিমসাহেবের বাড়িতে দুপুরে খাওয়াদাওয়া করবেন বলে বার্তা পাঠান। ভিভিআইপি যাবেন বলে পুলিশ প্রশাসনের কাছেও একই খবর ছিল। সকাল থেকেই পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ফলে, করিমসাহেব ধরে নিয়েছিলেন অভিষেক তাঁর বাড়িতে আসছেন। এই খবর জানাজানি হতেই তাঁর বাড়িতে প্রচুর কর্মী-সমর্থক ভিড় করতে শুরু করেন। অবশেষে অভিষেক (Avishek Banerjee) করিমসাহেবের বাড়িতে না গিয়ে সোজা ইসলামপুরের কোর্ট ময়দানে দলীয় সভায় যোগ দেন। সভাস্থল থেকে তিন কিলোমিটার দূরে করিমসাহবেবের বাড়ি। তিনি অভিমানে দলের সভায় যোগ দেননি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকশো কর্মী-সমর্থকও এদিন সভামুখো হননি। তৃণমূল নেতা মহম্মদ কফিরুউদ্দিন বলেন, করিমসাহেব আমাদের নেতা। তাঁকে অপমান করা হয়েছে। আমরাও তাই মিটিংয়ে যাইনি।

    অভিষেক (Avishek Banerjee) বাড়িতে না আসায় কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

     এদিন দিনভর অপেক্ষা করার পর অভিষেক (Avishek Banerjee)  না আসায় ক্ষোভ উগরে দিলেন করিমসাহেব। তিনি বলেন, আমি তো অভিষেককে আসতে বলিনি। তিনি নিজেই আসবেন বলেছিলেন। তাই, লাল কার্পেট সহ সব কিছুর আয়োজন করেছিলাম। কয়েক হাজার কর্মী, সমর্থক এখানে জমায়েত হয়েছিলেন। সকলকেই তিনি হতাশ করলেন। আসলে আমি তো তাঁকে চিনি না। উনিও আমাকেও চেনেন না। রাজীব গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলেই আমার আশীর্বাদ নিয়েছেন। অভিষেক (Avishek Banerjee) আমার আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত হলেন। আর দলীয় সভায় আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলেই আমি যাইনি। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিককালে দলীয় বিভিন্ন ইস্যুতে প্রকাশ্যেই নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিধায়ক। এমনকি জেলা নেতৃত্বের প্রতিও তাঁর বিদ্রোহী মনোভাব সকলের জানা। এমনিতেই দলীয় সভায় ডাক না পেয়ে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন তিনি,  এবার অভিষেক (Avishek Banerjee) তাঁর বাড়িতে না আসায় তিনি জেলা রাজনীতিতে কার্যত ব্রাত্য হয়ে গেলেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত বেলেঘাটা, পার্টি অফিসে ভাঙচুর, গুলি চালানোরও অভিযোগ

    TMC Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত বেলেঘাটা, পার্টি অফিসে ভাঙচুর, গুলি চালানোরও অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ (TMC Clash) এবার খাস কলকাতায়। রবিবার ছুটির দিনে শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বেলেঘাটা। পার্টি অফিসে যথেচ্ছ ভাবে ভাঙচুর চালানো হয়। এমনকি গুলিও চলেছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। গুলিবিদ্ধ এক যুবককে ভর্তি করা হয়েছে স্থানীয় একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে। অন্যান্য ক্ষেত্রে যা হয়, এখানেও পুলিশ গুলি চলেছে বলে স্বীকার করেনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইস্ট কুলিয়া রোডে এলাকার নেতা রাজু নস্করের অফিসে মূলত ওই ভাঙচুর চলেছে। অফিসের কাচ থেকে শুরু করে আসবাবপত্রে ভাঙচুর চালানো হয়। ইট মেরে ভেঙে দেওয়া হয় অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িও।

    এলাকায় আতঙ্ক, দোকানপাট বন্ধ

    হাসপাতালে শুয়ে গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী অভিযোগ এনেছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যেভাবে এদিন আচমকা গুলি চালানো হয়েছে, তাতে তিনিও হতবাক। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত এলাকা দখলকে কেন্দ্র করেই এদিন রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বেলেঘাটা। মুহূর্তের মধ্যে এলাকার সমস্ত দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দেন। তবে শুধু গলির মধ্যে তৃণমূল নেতার ওই অফিসকে ঘিরেই যে আতঙ্কের পরিবেশ ছিল, তা নয়। গন্ডগোলের (TMC Clash) রেশ ছড়িয়ে পড়ে মূল রাস্তা বেলেঘাটা মেন রোডেও। সংঘর্ষ চলে সেখানেও। ফলে সেখানেও দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। মেন রোডে দাঁড়িয়ে এখানকার এক বাসিন্দাও জানিয়েছেন যে তিনি বেশ কয়েকটি গুলির আওয়াজ শুনেছেন।

    কী সাফাই দিলেন তৃণমূল নেতা?

    এলাকার তৃণমূল নেতা রাজু নস্করের অভিযোগ, বিজেপির লোকজন তার দলের লোককে পয়সা খাইয়ে তৃণমূলে ঢুকেছে। এছাড়া বেলেঘাটাতে যে সমাজ বিরোধীরাও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, সেকথাও তিনি স্বীকার করেছেন। এটা তৃণমূলের কোনো গোষ্ঠী কোন্দলের (TMC Clash) লড়াই নয় বলে তার দাবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অপরাধে মিলছে না পানীয় জল! রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    BJP: বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অপরাধে মিলছে না পানীয় জল! রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিকে (BJP) ভোট দেওয়ার অপরাধে মিলছে না পানীয় জল। বিস্ফোরক অভিযোগ এলাকাবাসীর। তীব্র দাবদাহের মধ্যে জলের জন্য হাহাকার। জলের দাবিতে রাস্তায় নেমে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী। বালতি, কলসি নিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন এলাকার মহিলারা। এলাকাবাসীর সঙ্গে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন স্থানীয় বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের  তুলসীহাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়োল বাজারের ঘটনা।

    কেন বিক্ষোভ?

    এই এলাকায় স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা বিজেপির (BJP) । যদিও গ্রাম পঞ্চায়েতটি শাসকদল তৃণমূলের দখলে রয়েছে। জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের পক্ষ থেকে এই এলাকায় পানীয় জলের কোনও ব্যবস্থা নেই। এমনকি বসানো হয়নি কোন সাবমার্সিবল পাম্প। ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা গ্রাম। বিজেপি (BJP) নেতা কৌশিকচন্দ্র দাস বলেন, তৃণমূল ইচ্ছাকৃতভাবে এই এলাকায় কোনও উন্নয়নমূলক কাজ করছে না। কিছু দিন আগে একটি সাবমার্সিবল পাম্প বসানো হলেও সেটি বসানো হয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা তৃণমূল নেত্রী সুজাতা সাহার বাড়ির সামনে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সাবমার্সিবল পাম্প না বসিয়ে তৃণমূলের ওই নেত্রীর বাড়ির সামনে পাম্প বসানো হয়েছে। আমার স্ত্রী বিজেপির (BJP) পঞ্চায়েত সদস্যা। এলাকার মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছে বলে তৃণমূল এই শাস্তি দিচ্ছে। এদিন আমরা পানীয় জলের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করেছি। দাবিপূরণ না হলে আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। এলাকাবাসীর বক্তব্য, গরম পড়তেই জলস্তর অনেকটাই নেমে গিয়েছে। ফলে, পানীয় জলের সংকট দেখা দিয়েছে। বিজেপিকে সমর্থন করার জন্যই পরিষেবা থেকে আমরা বঞ্চিত। এই অবস্থায় বিক্ষোভ থেকে এলাকাবাসীর একটাই দাবি দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে হবে।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    ওই এলাকায় জল কষ্টের কথা মেনে নিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক নীহার রঞ্জন ঘোষ। কিন্তু বিজেপি (BJP) করার জন্য কাজ হয়নি এ কথা মানতে নারাজ তিনি। তিনি বলেন, এটা বিজেপির মনগড়া অভিযোগ। ওই এলাকার সমস্যা নিয়ে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতর নিয়ে কথা বলেছি। সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Monorail: নিউটাউনে ছুটবে মনোরেল! বেসরকারি সংস্থার প্রস্তাবে কী সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে হিডকো?

    Monorail: নিউটাউনে ছুটবে মনোরেল! বেসরকারি সংস্থার প্রস্তাবে কী সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে হিডকো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজারহাট-নিউটাউনে যানজট কমাতে বিশেষ অত্যাধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থা মনোরেল (Monorail) চালু করার প্রস্তাব এসেছে। বিশ্ববাংলা গেট (নারকেল বাগান) থেকে নিউটাউন অ্যাকশন এরিয়া থ্রি পর্যন্ত এই বিশেষ অত্যাধুনিক মনোরেল চলবে, এমনটাই আশা করা হচ্ছে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের উপর।

    LTR বা লাইট ট্রানজিট রেল সিস্টেম কী এবং কেন? 

    স্মার্ট সিটির মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অত্যাধুনিক করতে এই বিশেষ লাইট ট্রানজিট রেল সিস্টেমে মনোরেল (Monorail) চালানোর প্রস্তাব এসেছে। একটি বেসরকারি সংস্থা হিডকোকে (হাউসিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেণ্ট কর্পোরেশন) বিশেষ এই যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছে। স্মার্ট সিটির অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য এই মনোরেল সময়ের ব্যবধান কমাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। নিউটাউন অ্যাকশন এরিয়া ওয়ান এবং টু-এর মধ্যে মেট্রো রেল সংযুক্ত হয়েছে। এবার মনোরেলের সংযুক্তিকরণ হবে। স্মার্ট সিটিতে রোপওয়ের মাধ্যমেও যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর সঙ্গে আধুনিক সংযোজন হল মনোরেল। অনেকটা কলকাতার ট্রামের মতোই দেখতে হবে। কিন্তু অত্যাধুনিক, উচ্চগতি এবং শব্দবিহীন হবে মনোরেল। মূলত তথ্যপ্রযুক্তি সিটি অ্যাকশন এরিয়া থ্রি-র সঙ্গে বিশ্ববাংলা সরণীর সংযুক্তিকরণ ঘটবে, এমনটাই বলা হয়েছে প্রস্তাবে। হিডকো বিষয়টি বিশেষজ্ঞদের দিয়ে সরকারের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলেই জানা গেছে।

    প্রস্তাবিত রুট 

    হিডকো যে প্রস্তাব পেয়েছে, তাতে বলা হয়, মনোরেল প্রাথমিকভাবে বিশ্ববাংলা গেট থেকে হাতিশালা পর্যন্ত ১০ কিমি পথে চলবে। এটা হবে প্রধান রাস্তা। এর সঙ্গে বিশ্ববাংলা গেট থেকে মহিষবাথান পর্যন্ত তিন কিমি রাস্তাতেও চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও বিশ্ববাংলা গেট থেকে ইউনিটেক ১ হয়ে ইকোস্পেসের মধ্যে দিয়ে গীতাঞ্জলি পার্ক পর্যন্ত মনোরেলের (Monorail) বিশেষ করিডোর তৈরি হবে। মনোরেলের সঙ্গে হাতিশালার তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান উইপ্রো এবং ইনফোসিসের সরাসরি সংযুক্তিকরণ করা হবে। মূল মনোরেলের ডিপোটি ইনফোসিস কোম্পানির বিপরীতে প্রায় ১৭.৫৪ একর জমির উপর নির্মিত হবে বলে প্রস্তাবনায় রয়েছে। এই বছরে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়লে হিডকো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sita-Navami: সীতা হলেন মা লক্ষ্মীর অবতার, জানুন সীতা নবমীর মাহাত্ম্যকথা

    Sita-Navami: সীতা হলেন মা লক্ষ্মীর অবতার, জানুন সীতা নবমীর মাহাত্ম্যকথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু পঞ্জিকা মতে সীতা নবমী (Sita-Navami) হল হিন্দু সমাজের সীতা মাতার বিশেষ জন্মতিথি। সীতা নবমী অনুষ্ঠিত হয় রাম নবমীর একমাস পরে বৈশাখের শুক্ল নবমী তিথিতে। সনাতনী হিন্দু সমাজের বাড়ির গৃহবধূরা স্বামীর দীর্ঘায়ু কামনা, পরিবারে কল্যাণ কামনা এবং মনের বিশেষ কামনাপূর্ণ সীতা নবমী পালন করে থাকেন।

    সীতার জন্ম ও নামকরণ 

    ভগবান রামচন্দ্র হলেন ভগবান বিষ্ণুর অবতার, আর মাতা সীতা হলেন মা লক্ষ্মীর অবতার। রামায়ণে সীতা শ্রী রামচন্দ্রের অর্ধাঙ্গিনী। সীতার জন্ম নিয়ে বেশ কিছু কিংবদন্তী কথা রয়েছে। তামিল সংকলনের রামায়ণে বলা হয় সীতা মা ভূগর্ভে গ্রথিত ছিলেন। মূল রামায়ণে সীতা হলেন জনক রাজার ঔরসজাত সন্তান। বিহারের মিথিলার কাছে সীতামারি সীতার জন্মস্থান বলে ধরা হয়।ধরিত্রদেবীর কন্যা হলেন সীতা মা। সীতা মায়ের (Sita-Navami) নানান নাম রয়েছে। যেমন জানকী, যিনি জনককন্যা সীতা। জনকাত্মজা, কারণ জনকরাজার আত্মার স্থল হল সীতা। জনকনন্দিনী, জনক রাজার মনের আনন্দ হলেন সীতা মা। সীতা হলেন ভূগর্ভা। মৈথিলী অর্থাৎ মিথিলার রাজকন্যা সীতা। 

    সীতার চরিত্র গুণ

    একজন রামভক্ত প্রভুর সাধারণ ভক্ত হয়েও আদর্শ পূর্ণস্বরূপা হলেন সীতা মাতা। শ্রী রামের সঙ্গে স্বামীর অর্ধাঙ্গিনী হয়ে ১৪ বছর বনবাসে দিন কাটান সীতা। মিথিলার রাজকন্যা এবং অযোধ্যার রাজরানী হয়েও একমাত্র স্বামীর অনুগত হয়ে জীবনের ঐশ্বর্য, ভোগবিলাস ত্যাগ করে জঙ্গলে মাটির বিছানায় অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপনের দৃষ্টান্ত রাখেন মাতা সীতা (Sita-Navami)। পারিবারিক শৃঙ্খলা, স্বামীর প্রতি মূল্যবোধ ও দায়িত্বের প্রতীক হলেন সীতা মা। সীতা স্বামীর সকল যাত্রার সহচরী হন। এটাই দায়িত্ব এবং মূল্যবোধের পরিচয়। পারিবারিক জীবনের আদর্শ চরিত্র সীতা মা। রাবণের শত প্রলোভনে নিজেকে স্থির, ধীর এবং বিশ্বাস অটল রাখেন যে শ্রীরামচন্দ্র এই রাক্ষসকুল থেকে উদ্ধার করবেনই একদিন। আর ভবিতব্য তাই হয়েছিল। ধর্মের জয় হয়েছে।সীতা ছিলেন রামচন্দ্রের শক্তি আর রামচন্দ্র ছিলেন শক্তির আধার। 

    সীতা নবমীর গুরুত্ব

    বিবাহিত নারীরা পরিবারের মঙ্গল সাধনার জন্য মূলত সীতা নবমী পালন করে থাকেন। বাড়িতে গঙ্গা জলে ফুল, ফল দিয়ে নিবেদন করা হয়। কখনও কখনও হনুমানের পূজাও করা হয়ে থাকে। সীতা ধনলক্ষ্মীর প্রতীকও বটে। তাই অর্থ প্রাপ্তির বিষয় থাকে এই নবমীর পুজোতে। জমিতে ফসলের উর্বরতা, দাম্পত্য জীবনের সুখকামনা এবং আদর্শ সহধর্মিণী হওয়ার বাসনা ভক্তের মনে থাকে এই সীতা নবমীতে (Sita-Navami)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

      

  • West Bengal Health: একাধিক নতুন মেডিক্যাল কলেজের ঘোষণা, নেই প্রজেক্টর, স্মার্ট ক্লাসের সুযোগ

    West Bengal Health: একাধিক নতুন মেডিক্যাল কলেজের ঘোষণা, নেই প্রজেক্টর, স্মার্ট ক্লাসের সুযোগ

     

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ক্লাসে নেই প্রজেক্টর! তাই বিভিন্ন গ্রাফিক চার্ট দেখানো যায় না। সাম্প্রতিক তথ্য বা ছবিও পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরতে অসুবিধা হয়। উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে পড়ুয়াদেরও ক্লাসে মনোযোগের অসুবিধা হচ্ছে। শুধু তত্ত্বগত জ্ঞান নয়, হাতে-কলমে কাজ শেখার ক্ষেত্রেও থাকছে ঘাটতি। সব বিভাগ ঠিকমতো চালু না থাকায় অনেক কিছুই শিখতে পারছেন না পড়ুয়ারা। এমনকী কিছু বিভাগে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে কার্যত কিছু বিষয় পড়ানো ও শেখানো থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। না, এই ঘটনাগুলি কোনও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নয়। রাজ্যের একাধিক মেডিক্যাল কলেজের পরিস্থিতি এরকমই। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ, মালদা মেডিক্যাল কলেজ কিংবা উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ-সর্বত্র এই ছবি। কোথাও নেই স্মার্ট ক্লাসের সুবিধা, আবার কোথাও স্নায়ু চিকিৎসার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নেই। তাই ঠিকমতো শিখতেই পারছেন না চিকিৎসক পড়ুয়ারা। পরিকাঠামোর এই ত্রুটিতে বিরক্ত শিক্ষক-চিকিৎসকরাও। ২০১১ সালে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা (West Bengal Health) ঢেলে সাজার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গত কয়েক বছরে প্রত্যেক জেলাতেই প্রায় একটি করে মেডিক্যাল কলেজ খোলা হয়েছে। মেদিনীপুর, আরামবাগ, কোচবিহার সর্বত্র রয়েছে মেডিক্যাল কলেজ। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, পরিকাঠামো রয়েছে কী? 

    সমস্যা কোথায়? 

    রাজ্যের মেডিক্যাল এডুকেশন সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ন্যূনতম পরিকাঠামো গড়ে তোলার আগেই মেডিক্যাল কলেজ হিসাবে ঘোষণা করা হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেই হাসপাতালগুলি জেলা হাসপাতালের ভূমিকা পালনেও ব্যর্থ। স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য বলছে, রাজ্যে এখন ২৩টি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। এই ২৩টি-র মধ্যে ১৬টি মেডিক্যাল কলেজ রাজ্য সরকারের অধীনস্থ। যেখান থেকে প্রতি বছর কয়েকশো নতুন চিকিৎসক তৈরি হয়। কিন্তু এমবিবিএস পড়ানোর পরিকাঠামো আদৌ আছে কি? প্রশ্ন তুলছেন চিকিৎসক মহলের একাংশ।শিক্ষক-চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, ক্লাসগুলোতে ঠিকমতো প্রজেক্টর নেই। ফলে, ক্লাস নেওয়ার সময়ে বিভিন্ন তথ্য দেখানো ও বোঝানোর ক্ষেত্রে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাছাড়া, চিকিৎসা পড়াকালীন হাতে-কলমে শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি। নানান বিভাগের রোগী পরিষেবা (West Bengal Health) দেওয়ার পরেই পরবর্তী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হয়ে ওঠার পথ তৈরি করেন নতুন চিকিৎসকেরা। কিন্তু রাজ্যের অধিকাংশ নতুন মেডিক্যাল কলেজে সব বিভাগ ঠিকমতো চালু নেই। তাই অনেক বিষয়েই তাদের শেখা অসম্পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। 

    শিক্ষক-চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতা কী? 

    এই প্রসঙ্গে মালদা মেডিক্যাল কলেজের এক শিক্ষক-চিকিৎসক বলেন, এমবিবিএস পাশ করেও আধুনিক চিকিৎসার সব শাখা সম্পর্কে জানতে পারছেন না চিকিৎসক-পড়ুয়ারা। অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজেই পরিকাঠামোর অভাবে সব বিভাগ কাজ করতে পারছে না। এর ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসকদের সমস্যা হবে। আর সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বে রোগী পরিষেবা (West Bengal Health)। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের এক শিক্ষক-চিকিৎসক বলেন, অধিকাংশ সময়ে পরিকাঠামোর অভাবে অস্ত্রোপচার হয় না। রোগী রেফার করতে বাধ্য হচ্ছি। এই সব অস্ত্রোপচার থেকেই কিন্তু পড়ুয়ারা অভিজ্ঞতা অর্জন করে। অনেকক্ষেত্রেই সেগুলো ফাঁক থেকে যাচ্ছে। 

    চিকিৎসকদের আশঙ্কা কোথায়? 

    চিকিৎসকদের আশঙ্কা, বছরের পর বছর পরিকাঠামোর অভাব রাজ্যের চিকিৎসা (West Bengal Health) শিক্ষাকেই দুর্বল করছে। কোনও রকমে জোড়াতালি দিয়ে মেডিক্যাল কলেজের তকমা ধরে রাখলেও চিকিৎসা পরিষেবার ভিত্তি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। বছরের পর বছর অসম্পূর্ণ পাঠ কখনোই অভিজ্ঞ চিকিৎসক গড়ে তুলতে পারবে না। তার ফলে সরাসরি রোগী পরিষেবাই ব্যাহত হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Necrophilia cases in Pakistan: মহিলাদের মৃতদেহ তুলে ধর্ষণ! পাকিস্তানে কবরে দেওয়া হচ্ছে তালা

    Necrophilia cases in Pakistan: মহিলাদের মৃতদেহ তুলে ধর্ষণ! পাকিস্তানে কবরে দেওয়া হচ্ছে তালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের মৃতদেহের প্রতিও বিকৃত যৌনাচার বৃদ্ধি পাচ্ছে পাকিস্তানে! শুনতে অবাক এবং ঘৃণা লাগলেও এমন ঘটনাই সেদেশে ঘটছে। সমাজকর্মীদের অভিযোগ, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, পাকিস্তানে মৃত মেয়েদের কবরে তালা লাগিয়ে তাদের শরীর রক্ষা করছে পরিবার। কবর থেকে মৃত যে কোনও বয়সের মেয়ের দেহ খুঁড়ে বের করে যৌন সঙ্গম, ধর্ষণ, অত্যাচার এবং শারীরিক নিগ্রহের ঘটনা (Necrophilia cases in Pakistan) পাকিস্তানের সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ঘটনা ঠিক কী ঘটছে?

    পাকিস্তানের এক সমাজকর্মী সামজিক মাধ্যম ট্যুইটারে মৃত মেয়েদের কবরকে তালাবন্দি করে রাখার ছবি ছড়িয়ে দিয়ে জানান, মৃত মেয়েদের ধর্ষণ Necrophilia cases in Pakisthan আটকাতেই এই তালা। তবে এই ঘটনা আকস্মিক নয়। ২০২২ সালে পাকিস্তানের গুজরাটের চক কমলা গ্রামে এক কিশোরীর মৃতদেহ মাটির নিচ থেকে তুলে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে আসে। ২০২১ সালে উপকূলীয় শহর গোলামুল্লাহতে, ২০২০ সালে পাঞ্জাব শহরে, ২০১৯ সালে করাচির ল্যান্ড টাউনে, ২০১৩ সালে গুজরানওয়ালায় একইভাবে মৃত মহিলার দেহ তুলে নিয়ে সঙ্গম করে বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ পাওয়া যায়। ২০১১ সালে উত্তর জানিমাবাদ থেকে মুহামদ রিজওয়ান নামক এক গোরস্থানের রক্ষীকে গ্রেফতার হয়। এই অভিযুক্ত স্বীকার করে যে প্রায় ৪৮ টি মৃত নারীর দেহ মাটি থেকে তুলে যৌন নির্যাতন (Necrophilia cases in Pakistan) করেছে। পাক প্রশাসন বিভিন্ন সময়ে বিশেষ তদন্ত শুরু করেছিল। কিন্তু কোনও সমাধান না হওয়ায় মৃত মেয়েদের অভিভাবকরা কবরে তালা দিয়ে মৃতের শরীরে যৌনাচার বন্ধের পথে হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন। 

    সমাজ কর্মীদের প্রতিক্রিয়া

    পাকিস্তানের বিশিষ্ট সমাজকর্মী লেখক হারিস সুলতান ট্যুইটারে মৃত মেয়ের কবরে তালাবন্দি ছবি পোস্ট করে বলেন, পাকিস্তানে মৃত মেয়েদের যাতে ধর্ষণ না করা হয়, সেই জন্যই কবরে তালা। তাঁর লেখা একটি বই ‘দ্যা কারসি অফ গড হোয়াই আই লেফট ইসলাম’ তে তিনি পাকিস্তানের সমাজে বিকৃত যৌন আচরণের (Necrophilia cases in Pakisthan) মধ্যে ধর্মীয় অন্ধত্ব এবং গোঁড়ামি বিশেষ কারণ হিসাবে দেখিয়েছেন। পাকিস্তনের সাজিদ ইউসুফ শাহ নামে আরেক সমাজতাত্ত্বিক গবেষক মনে করেছেন, যৌন ক্ষুধা এবং অবদমিত সমাজ জন্ম নিয়েছে পাকিস্তানে। এই ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন নয়, মৃতদেহকে কবর থেকে তুলে এনে যৌন সম্পর্ক, নিগ্রহ ও ধর্ষণের ঘটনা (Necrophilia cases in Pakistan) সামজিক সমস্যা। পাকিস্তানে ন্যাশনাল কমিশন ফর হিউম্যান রাইট বিশেষ রিপোর্টে জানিয়েছে যে, পাকিস্তানে প্রায় ৪০ শতাংশ নারী জীবনে কোনও না কোনও রকম নির্যাতনের শিকার অবশ্যই হয়েছেন। সমাজতাত্ত্বিকরা মনে করছেন, আগামী দিনে পাকিস্তান রাষ্ট্র এই বিকৃত যৌন সমস্যা এবং মৃত শরীরে যৌন নিগ্রহের বিষয়ে কী সদর্থক ভাবনাচিন্তা করে, সেটাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: শিল্পাঞ্চলে ফের শুটআউট! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু বিজেপি নেতার

    BJP: শিল্পাঞ্চলে ফের শুটআউট! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু বিজেপি নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ফের শুটআউটের ঘটনা। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় বিজেপি (BJP) নেতার। শনিবার দুপুরে আসানসোলের জামুড়িয়া থানার বোগড়া কালী মন্দিরের কাছে ২ নং জাতীয় সড়কে একটি স্করপিও গাড়ির ভিতর থেকে ওই বিজেপি (BJP) নেতার গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। মৃত বিজেপি নেতার নাম রাজেন্দ্র সাউ (৪০)। তাঁর বাড়ি আসানসোলের রানিগঞ্জ থানার রানিসায়ের এলাকায়। তিনি আসানসোল পুরনিগমের ৩৩ নং ওয়ার্ডের বিজেপির কনভেনার ছিলেন। গাড়ির পাশে রাস্তায় পড়েছিল একটি খালি কার্তুজ।

    কী বললেন মৃতের পরিবারের লোকজন?

    এই ঘটনায় রানিসায়ের অঞ্চলে রাজেন্দ্রর বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত বিজেপি নেতার আত্মীয় জীতেন্দ্র সাউ বলেন, শনিবার দুপুরে রাজেন্দ্রর কাছে একটি ফোন আসে। ফোনে খুব গালিগালাজ হয়। তবে, কে ফোন করেছিল আমরা জানতে পারিনি। ফোন রেখে বেলা দুটো নাগাদ বেশ কিছু টাকা নিয়ে সে বেরিয়ে যায়। তারপরই এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। মনোজ সাউ নামে এক আত্মীয় বলেন, রাজেন্দ্র আমার ভাইপো ছিল। খুব ভালো ছেলে। সকলের বিপদে সে ঝাঁপিয়ে পড়ত। তাকে এরকম হবে খুন করা হবে তা ভাবতে পারিনি। আমরা দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    দলীয় নেতা খুন হওয়ার প্রতিবাদে বিজেপি-র (BJP) রাস্তা অবরোধ

    শনিবার বিজেপি (BJP) নেতা রাজেন্দ্র সাউয়ের খুন হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত কেউ গ্ৰেফতার হয়নি। পাশাপাশি এই খুনের ঘটনায় দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে রবিবার আসানসোলের রানিসায়ের মোড়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখান। অবরোধকারীদের দাবি, খুনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এদিন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ বাহিনী যায়। বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভ অবরোধ চলার পর অবশেষে অবরোধ ওঠে। অন্যদিকে, এই ঘটনার পিছনে ব্যবসায়িক শত্রুতা আছে বলেই মনে করছে পুলিশ।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    দলের নেতার মৃত্যুর খবর পেয়ে এলাকায় যান বিজেপির (BJP) রাজ্য কমিটির সদস্য কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়। দলের নেতার মৃত্যুতে শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপির (BJP) আসানসোল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দিলীপ দে ও বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। শনিবারও রাস্তা অবরোধ করা হয়। বিজেপি বিধায়ক বলেন, আমাদের কর্মীকে খুন করা হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

LinkedIn
Share