Tag: bangla news

bangla news

  • Tribal People: ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে আদিবাসীরা, কেন জানেন?

    Tribal People: ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে আদিবাসীরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ দাবি এখনও পূরণ হয়নি। রাজ্যকে বিঁধে কুড়মিদের (Tribal People) নতুন করে আন্দোলন শুরু হল। মঙ্গলবার বেলা ১০টা নাগাদ অনির্দিষ্টকালের জন্য খড়গপুর গ্রামীণের খেমাশুলিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। যার জেরে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। তবে, মঙ্গলবার তাদের আন্দোলন জাতীয় সড়কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে। গত বছর দাবি আদায়ে কুড়মিরা (Tribal People) লাগাতার রেল অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। যার জেরে হাজার হাজার যাত্রীদের চরম নাকাল হতে হয়েছিল। গতবারের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ৫ এপ্রিল দক্ষিণ পূর্ব রেলের মুম্বই এবং আদ্রা শাখার বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। তাই, দাবি আদায়ে বুধবার থেকে জাতীয় সড়ক এবং রেল যোগাযোগ বন্ধ হ‌লে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠবে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

    কী কারণে আন্দোলনে কুড়মি সমাজ? Tribal People

    আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফশিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে ১ এপ্রিল থেকে জঙ্গলমহলে শুরু হয়েছে ‘ঘাঘর ঘেরা’ নামে অবরোধ কর্মসূচি। ‘কুড়মি সমাজ পশ্চিমবঙ্গ’ সংগঠনের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত আগেই পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলি-তে সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিলেন, ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যের ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া সহ বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা রাজ্যের জঙ্গলমহল এলাকা জুড়ে ‘ঘাঘর ঘেরা’ নামে লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এতদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ চলেছে। ৪ঠা এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য খড়গপুর গ্রামীণের খেমাশুলিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। পূর্ব ঘোষণা মত এদিন সংগঠনের সদস্যরা (Tribal People) জাতীয় সড়কে জমায়েত হয়। পরে, লাগাতার আন্দোলন শুরু করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA News: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ফের কর্মবিরতির ডাক আন্দোলনকারীদের, ধর্না দিল্লিতেও

    DA News: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ফের কর্মবিরতির ডাক আন্দোলনকারীদের, ধর্না দিল্লিতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় হারে বকেয়া ডিএর (DA News) দাবিতে ফের কর্মবিরতির পথে হাঁটছেন এ রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। ৬ এপ্রিল হবে কর্মবিরতি। তার পরেই দিল্লির (Delhi) যন্তর মন্তরে হবে অবস্থান ধর্না। মঙ্গলবার সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, ১০ ও ১১ এপ্রিল দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান ধর্না হবে। তার পর দেশের রাষ্ট্রপতি (President), উপরাষ্ট্রপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের স্মারকলিপিও দেওয়া হবে। ৬ এপ্রিল পালন করা হবে একদিনের কর্মবিরতি।

    বকেয়া ডিএর (DA News) দাবি…

    প্রসঙ্গত, ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যজুড়ে দু দিনের কর্ম বিরতি পালন করেছেন সরকারি কর্মীরা। ১০ মার্চ পালন করেছেন প্রশাসনিক ধর্মঘট। শহিদ মিনারে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ব্যানারে চলছে ধর্না। তার আগে পালিত হয়েছে অনশন কর্মসূচিও। এদিকে, ডিএ (DA News) আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর চোর ডাকাত মন্তব্যের বিরোধিতা করে ও কেন্দ্রীয় হারে বকেয়া ডিএর দাবিতে ৬ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্ট সহ রাজ্যের সব আদালতে পেন ডাউনের ডাক দিয়েছে কর্মী সংগঠনগুলি। এই মর্মে তারা চিঠি দিয়েছে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দফতরেও।

    অন্যদিকে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৪২ শতাংশ ডিএ পাবেন। সোমবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে এ কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বছর ৩ অক্টোবর অর্থমন্ত্রক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, রাষ্ট্রপতি সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার সম্মতি দিয়েছেন। তাই চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৩৮ শতাংশের বদলে ৪২ শতাংশ ডিএ পাবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের এহেন ঘোষণার পরে এ রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ক্ষোভের আগুনে ঘি পড়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘দুর্বৃত্তদের রেয়াত নয়’’! উত্তরবঙ্গে জি-২০ বৈঠক বাতিল করে রিষড়ায় রাজ্যপাল

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম এবং রাজস্থান সরকারও। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের তরফে তাপস চক্রবর্তী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে ৪২ শতাংশ ডিএ (DA News) দেওয়ার কথা ঘোষণা করল। একই সঙ্গে রাজস্থান ও অসম সরকারও ৪২ শতাংশ ডিএ দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের জন্য ডিয়ারনেস রিলিফও দেওয়া হচ্ছে। কেবল পশ্চিমবঙ্গ সরকারই রাজ্য সরকারি কর্মীদের দাবি মেটাতে অক্ষম। তিনি বলেন, তাই আমাদের আন্দোলন চলছে, চলবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।     

  • Arunachal Pradesh: ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ১১ জায়গার নাম বদলে দিল চিন!

    Arunachal Pradesh: ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ১১ জায়গার নাম বদলে দিল চিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতারাতি অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) ১১টি জায়গার নাম বদলে দিল চিন (China)। ভারত (India) বরাবরই জানিয়ে আসছে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য এবং অখণ্ড অংশ। অথচ কয়েক দশক ধরেই অরুণাচল প্রদেশকে দক্ষিণ তিব্বত বলে দাবি করে আসছে ড্রাগনের দেশ। চিনের এহেন পদক্ষেপের জেরে ভারত-চিন সম্পর্ক আরও তলানিতে ঠেকল বলে দাবি আন্তর্জাতিক মহলের। চিনের এই পদক্ষেপের জেরে অবশ্য মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি ভারত।

    অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) নিয়ে চিনের দাবি…

    এক বিবৃতিতে চিনের অসামরিক প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, দক্ষিণ তিব্বতের কিছু ভৌগোলিক এলাকার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি উদ্ধৃত করে চিনের সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, রবিবার অসামরিক প্রতিরক্ষা মন্ত্রক আনুষ্ঠানিকভাবে ১১টি এলাকার নাম পরিবর্তন করেছে। যার মধ্যে রয়েছে দুটি বিস্তীর্ণ ভূমি এলাকা, দুটি আবাসিক এলাকা, দুটি নদী ও পাঁচটি পর্বতশৃঙ্গ। কেবল নাম বদলই নয়, রবিবার চিনের তরফে একটি মানচিত্রও প্রকাশ করা হয়েছে। ওই মানচিত্রে অরুণাচল প্রদেশের কিছু অংশকে চিনের বলে দাবি করা হয়েছে।

    রবিবার চিনা ও তিব্বতি সহ মোট তিনটি ভাষায় সরকারি বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে বেজিংয়ের তরফে। জানা গিয়েছে, এবার থেকে চিনের মানচিত্রে অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) ওই জায়গাগুলির নাম মান্দারিন হরফে লেখা থাকবে। গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদনে চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সোশ্যাল সায়েন্সস, ইনস্টিটিউট অফ চাইনিজ বর্ডারল্যান্ড স্টাডিজের ঝ্যাং ইয়ংপ্যান দাবি করেছেন, যে এলাকাগুলির নামকরণ করা হয়েছে, সেগুলি চিনের সার্বভৌমত্বের মধ্যে পড়ে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘রিষড়া জ্বলছে, আর রাজ্য প্রশাসন দিঘায় ছুটি কাটাচ্ছে’’! ট্যুইটে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও দুবার অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) বিভিন্ন জায়গার নাম বদলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল চিন। একবার ২০১৭ সালের এপ্রিলে ও অন্যটি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে। চিনের কমিউনিস্ট সরকারের তরফে এও দাবি করা হয়েছিল, ওই এলাকাগুলি চিনের বলে দাবি করার যথেষ্ট ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক ভিত্তি রয়েছে। দুবারই চিনের ওই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছিল ভারত। দুবারই ভারতের তরফে বেজিংকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য এবং অখণ্ড অংশ।

    প্রসঙ্গত, মাস কয়েক আগে গলওয়ানে সংঘর্ষ হয় ভারত ও চিনের সেনাদের মধ্যে। ঘটনায় শহিদ হন ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। চিনেরও বেশ কয়েকজন সেনার মৃত্যু হয়। পরে দু দেশের কূটনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ের বৈঠকের পর কয়েকটি এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে নেয় চিন। এহেন আবহে ফের অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) ১১টি জায়গার নাম বদল করেছে ড্রাগনের দেশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।     

     
     
  • Mother-in-law: পাত্রী দেখতে এসে হবু শাশুড়িকে নিয়ে পালাল  যুবক! কোথায় জানেন?

    Mother-in-law: পাত্রী দেখতে এসে হবু শাশুড়িকে নিয়ে পালাল যুবক! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পাত্রী দেখতে এসে পাত্রীর মা’‌কে পছন্দ হয়ে যায় পাত্রের। এক দেখাতেই তাঁকে বিয়ে করার মনস্থ করেন হবু পাত্র। বাড়ির সকলের মধ্যেই হবু শাশুড়ির (Mother-in-law) সঙ্গে মন দেওয়া নেওয়া হয়ে যায় তাঁর। আর সুযোগ বুঝে পাত্রীর মাকে নিয়ে চম্পট দেয় হবু পাত্র। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে গাজোল থানার করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিপ্লবী পাড়ায়। ইতিমধ্যেই স্ত্রীর খোঁজে তাঁর ছবি হাতে নিয়ে গাজোল থানার দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁর স্বামী অমল সাউরিয়া। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? Mother-in-law

    গত ২৫ মার্চ অতুল বর্মন নামে এক যুবক গাজোল থেকে করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিপ্লবী পাড়ায় পাত্রী দেখতে আসেন। দেখাশোনার সময় মেয়ের পাশে বসেছিলেন মা। হবু শাশুড়িকে (Mother-in-law) দেখেই মন মজে যায় অতুলের। হবু পাত্রের চোখের ইশারাও বুঝতে অসুবিধা হয়নি পাত্রীর মা সরলা সাউরিয়ার। এক ঘর লোকজনের মাঝে হবু শাশুড়ির (Mother-in-law) সঙ্গে অতুল বেশ কিছুক্ষণ কথাও বলেন। পাত্রীর মায়ের সঙ্গে হবু বর কথা বলাতে দুই বাড়ির কেউ তেমন সন্দেহ করেনি। দেখাশোনা শেষ হওয়ার পর পাত্রের বাড়ির লোকজন ফিরে যান। কিছুক্ষণ পর বাজারে যাচ্ছি বলে সরলাদেবী বাড়ি থেকে বের হন। আর তিনি বাড়ি ফিরে আসেননি। প্রথমে বাড়ির লোকজন চারিদিকে খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু, কোথাও তাঁর হদিশ পাননি। পরে, হবু পাত্র তাঁকে নিয়ে গিয়েছে বলে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন।

    কী বললেন নিখোঁজ হওয়া স্ত্রীর স্বামী? Mother-in-law

    ইতিমধ্যেই পুলিশ প্রশাসনের কাছে স্ত্রীর ছবি দেখিয়ে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তাঁর স্বামী অমল সাউরিয়া। অমলবাবু বলেন, আমাদের তিন সন্তান রয়েছে। মেয়ে বিবাহযোগ্য। মেয়ের বিয়ের জন্যই আমরা চারিদিকে পাত্রের খোঁজ করছিলাম। মেয়ের দেখাশোনা পর্ব অনেকটাই এগিয়েছিল। পাত্রপক্ষ বাড়ি ফিরে যায়। পরে, স্ত্রী বাজারে যাওয়ার পর আর না ফেরায় চারিদিকে খোঁজ করি। কয়েকদিন পর জানতে পারি, হবু পাত্র আমার স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়েছে। জানা গিয়েছে, তাঁরা ভিন রাজ্যে রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rishra: বোমাবাজি, ইটবৃষ্টি, স্তব্ধ ট্রেন চলাচল! সোমবার রাতে ফের অগ্নিগর্ভ রিষড়া, থমথমে মঙ্গলবার সকালেও

    Rishra: বোমাবাজি, ইটবৃষ্টি, স্তব্ধ ট্রেন চলাচল! সোমবার রাতে ফের অগ্নিগর্ভ রিষড়া, থমথমে মঙ্গলবার সকালেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাতের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির পর মঙ্গলবার সকালে থমথমে রিষড়া। সকাল থেকে এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশ। হাওড়া-ব্যান্ডেল শাখার ট্রেনগুলি কার্যত খালি ছিল সকালে। ট্রেন চলাচল যাতে স্বাভাবিক থাকে তার জন্য লাইনের ধারে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল আরপিএফ বাহিনী। এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা। যদিও, মানুষের মধ্যে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট।

    দু’দিন আগেই রাম নবমীর শোভাযাত্রায় হামলাকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল রিষড়ায় (Rishra)। সোমবার রাত নামতেই ফের অশান্তি ছড়াল রিষড়া স্টেশনের আশপাশের এলাকায়। কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। আর তার জেরেই সোমবার রাত থেকে হাওড়া-ব্যান্ডেল শাখায় প্রায় তিন ঘণ্টা আপ ও ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ঘটনার সময় আপ ব্যান্ডেল লোকাল রিষড়া (Rishra) স্টেশনে এসে দাঁড়িয়েছিল। ৪ নম্বর রেল গেটের কাছে অশান্তির জেরে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ট্রেনের ভিতরে তখন অফিস ফেরত নিত্যযাত্রীতে ঠাসা।

    বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে রেল লাইন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। যার জেরে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে ট্রেনের অধিকাংশ দরজা, জানলা বন্ধ করে দেন। ট্রেনের ভিতরেই তিন ঘণ্টা চরম আতঙ্কের মধ্যে তাঁরা কাটান। যাত্রীদের বক্তব্য, স্টেশনে প্রথম দিকে হাতে গোনা কয়েকজন পুলিশ কর্মী ছিলেন। ফলে, চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম। আর বাইরে ব্যাপক বোমবাজি, চিৎকার, আগুন দেখে কেউ ট্রেন থেকে নামার সাহস পাইনি।

    রিষড়ায় (Rishra) কেন ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়

    এমনিতেই দুদিন আগে রামনবমীর শোভাযাত্রায় গন্ডগোলের জেরে উত্তেজনা রয়েছে রিষড়া (Rishra) এলাকায়। সম্ভবত সেই ঘটনার জের আছড়ে পড়ে সোমবার রাতে। রিষড়া (Rishra) স্টেশনের আশেপাশে নতুন করে অশান্তি শুরু হয়। জানা গিয়েছে, স্টেশনের আশপাশে ব্যাপক বোমাবাজি হয়। নতুন করে গন্ডগোলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। এলাকায় তখন বিশাল জমায়েত ছিল। পুলিশকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ইট, পাথর ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে।

    পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয় যে তা সামাল দিয়ে এডিজি (সাউথ বেঙ্গল) সিদ্ধিনাথ গুপ্তা, ডিআইজি (বর্ধমান রেঞ্জ) শ্যাম সিং, চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগির নেতৃত্বে প্রচুর পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। একইসঙ্গে আরপিএফের পদস্থ কর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ এবং আরপিএফ এক যোগে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে।

    জানা গিয়েছে, হামলাকারীরা পুলিশের একটি গাড়ি পুড়িয়ে দেয়। রেল লাইন লাগোয়া একটি গুমটির দোকান জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে একাধিক কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটাতে হয়। পরে, পুলিশের উপস্থিতিতে রাত ১টা ৮ মিনিট নাগাদ ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। পূর্ব রেলের এক আধিকারিক বলেন, বিক্ষোভকারীরা রিষড়ার (Rishra) ৪ নম্বর রেল গেট বন্ধ করতে দিচ্ছিল না। ফলে, ট্রেন চালানো সম্ভব ছিল না। আপ ও ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। রেল বর্হিভূত কোনও অশান্তির জেরে এই ঘটনা ঘটেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aadhaar Card: কাবাড়ির দোকানে মিলল বস্তা বস্তা আধারকার্ড, একাধিক ব্যাঙ্কের এটিএম, কোথায় জানেন?

    Aadhaar Card: কাবাড়ির দোকানে মিলল বস্তা বস্তা আধারকার্ড, একাধিক ব্যাঙ্কের এটিএম, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বস্তার মধ্যে থরে থরে সাজানো রয়েছে আধার কার্ড (Aadhaar Card)। একটি বা দুটি নয়, এক সঙ্গে ১৪টি বস্তা রয়েছে। একই সঙ্গে রয়েছে ব্যাঙ্কের একাধিক এটিএম। এই চিত্র কোনও সরকারি অফিসে বা ব্যাঙ্কের মধ্যে নয়, পুরুলিয়া শহরের ১৫নম্বর ওয়ার্ডের ভগতসিং মোড়ে একটি কাবাড়ি দোকানের। সেখানে ডাক বিভাগের ছাপ দেওয়া প্রায় ১৪টি বস্তায় আধার কার্ড (Aadhaar Card), ব্যাঙ্কের এটিএম কার্ড ও ব্যাঙ্কের কাগজ সহ সরকারি চিঠি উদ্ধার হয়েছে। সোমবার এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। কী ভাবে এই আধার কার্ড (Aadhaar Card) আবেদনকারীর কাছে না পৌঁছে কাবাড়ির দোকানে পৌঁছে গেল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    কী বললেন ডাক বিভাগের আধিকারিক? Aadhaar Card

    সরকারি নিয়ম অনুসারে আধার কার্ড (Aadhaar Card) আবেদন করার পর, সেই কার্ড তৈরি হয়ে গেলে কার্ডগুলি ডাক বিভাগের কর্মীরা গ্রাহকদের ঠিকানায় পৌঁছে দেন। ‌কিন্তু, এই ক্ষেত্রে আবেদনকারীর ঠিকানার পরিবর্তে কাবাড়ির দোকানে পৌঁছে যাওয়ায় ডাক বিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই বিষয়ে ডাক বিভাগের সুপারিনটেনডেন্ট নিমাইচন্দ্র সরেন বলেন, এটিএম তো স্পিড পোস্টে আসে। সেটা যার নামে অ্যাকাউন্ট রয়েছে তার কাছে যাবে, না হলে ফিরে যাবে। কাবাড়ির দোকানে যাওয়ার কথা নয়। আর অত আধার কার্ড (Aadhaar Card) ওই দোকানে কী করে গেল তা তদন্ত করে দেখা হবে।

    কী বললেন কাবা়ড়ি দোকানের মালিক? Aadhaar Card

    দোকানে বস্তার মধ্যে ডাঁই হয়ে আধার কার্ড (Aadhaar Card) পড়ে রয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই দোকানের মালিক চাপে পড়ে যান। কাবাড়ি দোকানের মালিক মূকাররাম আলি বলেন, আমার পুরানো জিনিস কেনার লাইসেন্স রয়েছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে বই, খাতা কেনা হয়। বস্তার মধ্যেই আধার কার্ডগুলি (Aadhaar Card) রাখা ছিল। আমরা তা দেখিনি। দোকানের একপাশে ডাঁই করে বস্তাগুলি রাখা ছিল। বস্তার মুখ খোলার পরই বিষয়টি সামনে আসে। আমরা বিষয়টি জানতাম না।

    কী পদক্ষেপ নিল ডাক বিভাগ? Aadhaar Card

    জানা গিয়েছে, ডাক বিভাগের আধিকারিকরা বিষয়টি জানার পরই ডাক বিভাগের দুই আধিকারিক ওই কাবাড়ি দোকানে হানা দেন। উদ্ধার করা হয়েছে ১৪ বস্তা আধার কার্ড (Aadhaar Card) সহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে বস্তাসহ দোকানের দুই কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সদর থানায় নিয়ে আসে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami: রাম নবমীর মিছিলে হামলা, শুভেন্দুর মামলায় রাজ্যের রিপোর্ট তলব করল হাইকোর্ট

    Ram Navami: রাম নবমীর মিছিলে হামলা, শুভেন্দুর মামলায় রাজ্যের রিপোর্ট তলব করল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) মিছিলে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা রাজ্যে ঘটেই চলেছে। সেসব ঘিরে অশান্তিও কম হচ্ছে না। সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। হাওড়ার ঘটনার পরই কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সেই আবেদনের জেরেই কড়া পদক্ষেপ করল হাইকোর্ট। হাওড়া, হুগলি ও উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায় অশান্তির ব্যাপারে ৫ এপ্রিল, বুধবারের মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করল ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ।

    সিসিটিভি এবং অন্যান্য সমস্ত ভিডিও ফুটেজও জমা করতে হবে বলে হাইকোর্ট পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে। তবে শুধু রিপোর্ট তলব করেই আদালত থেমে থাকেনি। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। এদিনও মামলাকারী অবশ্য ঘটনার এনআইএ তদন্ত এবং অশান্ত এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার দাবি জানিয়েছেন। আগামী ৬ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানি।

    রামনবমীর (Ram Navami) মিছিল নিয়ে আবেদনকারীর আইনজীবী সৌম্য মজুমদার কী বললেন?

    সোমবার শুভেন্দুবাবুর আবেদনটি শুনানির জন্য ওঠে। আবেদনকারীর আইনজীবী সৌম্য মজুমদারের সাফ কথা, ৩০ মার্চ হাওড়া এবং ডালখোলায় রামনবমীর (Ram Navami) যে মিছিল করা হয়েছিল, তাতে পুলিশের অনুমতি আগেভাগেই নেওয়া ছিল। তাহলে সেইসব মিছিলে হামলা হল কী করে? রাজ্য সরকারের উদাসীনতার পাশাপাশি  রাজভবন এবং কেন্দ্রীয় সরকার যেভাবে এগিয়ে এসেছে, সে কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এতকিছুর পরেও রবিবার হুগলির রিষড়াতেও যে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে, জানিয়ে দেন সেকথাও। তাঁর অভিযোগ, ওই সব এলাকার পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক নয়। 

    রামনবমীর (Ram Navami) মিছিল নিয়ে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের জবাব—

    হাইকোর্টের একের পর এক প্রশ্নবাণের মুখে পড়ে আদালতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, শিবপুরে শান্তিপূর্ণ মিছিল করার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু মিছিল শুরুর ৩০ মিনিটের মধ্যেই মিছিলকারীরা পুলিশের সেই নির্দেশ মানেনি। তারা হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। হাওড়ার পরিস্থিতি আপাতত পুলিসের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করে তিনি জানান, ঘটনায় ৩৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আদালত এদিন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলে রাজ্য সরকারকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই ধরনের ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্যও পদক্ষেপ নিতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Priyank Kanoongo: ‘হাওড়ায় শিশুদের দিয়ে হিংসা ছড়ানো হয়’, বিস্ফোরক অভিযোগ এনসিপিসিআর কর্তার

    Priyank Kanoongo: ‘হাওড়ায় শিশুদের দিয়ে হিংসা ছড়ানো হয়’, বিস্ফোরক অভিযোগ এনসিপিসিআর কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ায় (Howrah) শিশুদের দিয়ে হিংসা ছড়ানো হয়, পাথর ছোড়ায় ব্যবহার করা হয় শিশুদের। হাওড়ায় অশান্তির ঘটনায় এই অভিযোগই করেছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন (NCPCR)। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হাওড়ার পুলিশ কমিশনার প্রবীণ ত্রিপাঠীকে। নির্দেশ দেন এনসিপিসিআরের চেয়ারম্যান প্রিয়ঙ্ক কানুনগো (Priyank Kanoongo)। ওই ঘটনায় কী পদক্ষেপ নিল পুলিশ, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তার রিপোর্ট তলবও করেছে এনসিপিসিআর। 

    প্রিয়ঙ্ক কানুনগোর (Priyank Kanoongo) অভিযোগ…

    শুক্রবার রামনবমী উপলক্ষে হাওড়ায় শোভাযাত্রা বের করে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। শোভাযাত্রা কাজিপাড়ার কাছে গেলেই হয় হামলা। দুষ্কৃতীরা শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। ছোড়া হয় বোমাও। অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা হয়েছে হাওড়ারই শিবপুরেও। রবিবার রামনবমীর শোভাযাত্রা বের হয় হুগলির রিষড়ায়। সেখানেও হামলা হয়েছে শোভাযাত্রায়। সোমবার হাওড়ার সিপি প্রবীণ ত্রিপাঠিকে লেখা চিঠিতে প্রিয়ঙ্ক (Priyank Kanoongo) লিখেছেন, দিন দুয়েক আগে হাওড়ার শিবপুরে যে হিংসার ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তাতে শিশুদেরও অংশ নিতে দেখা গিয়েছে। ইটপাটকেল ছুড়তে দেখা গিয়েছে তাদেরও। প্রমাণ হিসেবে প্রিয়ঙ্ক ওই ঘটনার ভিডিও ফুটেজের ট্যুইটার লিঙ্কও দিয়েছেন চিঠিতে। তলব করা হয়েছে রিপোর্টও।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ন্যায় বিচারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর’’! সিবিআইকে দরাজ সার্টিফিকেট প্রধানমন্ত্রীর

    তিলজলায় বছর সাতেকের এক শিশুকন্যাকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। ওই ঘটনার তদন্তে কলকাতায় এসে প্রিয়ঙ্ক তিলজলা থানার ওসি বিশ্বক মুখোপাধ্যায়ের হাতে প্রহৃত হন বলে অভিযোগ। রাজ্যের শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন সুদেষ্ণা রায়ের সঙ্গে বচসায়ও জড়িয়ে পড়েন এনসিপিসিআর চেয়ারম্যান। পুলিশি তদন্তে ঢিলেঢালা ভাব দেখে তিনি বলেওছিলেন, কলকাতার পুলিশ মনে হয় না খুনিকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারবে। ফরেন্সিক তথ্যপ্রমাণ জোগাড়েও ওরা তৎপর নয়।

    মালদহে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। স্কুলের মধ্যেই গণধর্ষণ করা হয় ওই নাবালিকাকে। ওই ঘটনার তদন্তে গিয়েও সুদেষ্ণার সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন প্রিয়ঙ্ক (Priyank Kanoongo)। বাংলা সফরের অভিজ্ঞতা যে প্রিয়ঙ্কর খুব একটা সুখের হয়নি, দিল্লি যাওয়ার আগেই তা জানিয়েছিলেন এনসিপিসিআর চেয়ারম্যান। তার পরেই রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে শিবপুরে অশান্তির ঘটনায় হাওড়ার সিপিকে চিঠি দিলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রিষড়াকাণ্ডে রাস্তায় বসে অবস্থান বিক্ষোভে বিজেপির রাজ্য সভাপতি! কেন জানেন?

    Suvendu Adhikari: রিষড়াকাণ্ডে রাস্তায় বসে অবস্থান বিক্ষোভে বিজেপির রাজ্য সভাপতি! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রিষড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সোমবার নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হল কোন্নগরের বিশালাক্ষী মোড় এলাকায়। পুলিশ ব্যারিকেড করে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের আটকায়। এমনকী বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার রিষড়ায় যেতে চাইলে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। তাঁকে বেশ কিছুক্ষণ গাড়ি থেকে নামতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, রাম নবমীর শোভাযাত্রায় মিছিলে হাঁটার সময় পুরশুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ জখম হন। তিনি হিন্দমোটরে একটি নার্সিংহোমে ভর্তি রয়েছেন। এদিন সকালে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সেখানে দলীয় বিধায়কের সঙ্গে দেখা করতে যান। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) চলে যাওয়ার পরই সেই বেসরকারি  হাসপাতালে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এরপর সুকান্তের গন্তব্য হয় রিষড়া। কিন্তু, সেখানে ঢোকার আগেই পুলিশের পক্ষ থেকে কোন্নগরে গাড়ি থেকে নামতে বাধা দেওয়া হয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে আটকানো হয়। পুলিশ ব্যারিকেড করে আটকায় সুকান্তের গাড়ি। সঙ্গে ছিলেন সাংসদ জ্যোর্তিময় সিং মাহাত। এরপর বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের কার্যত ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করে বিজেপি কর্মীরা। ওঠে স্লোগান। প্রতিবাদে রাস্তায় বসে পড়ে বিজেপি সমর্থকরা। পুলিশের দাবি, ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তাই তাঁকে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। পুলিশি বাধার প্রতিবাদে বিজেপির রাজ্য সভাপতি, বিজেপির সাংসদ জ্যোর্তিময় সিং মাহাত রাস্তায় বসে অবস্থান বিক্ষোভ করেন।

    গন্ডগোলের পরই কেমন আছে আজ রিষড়া ? Suvendu Adhikari

    রাম নবমীর মিছিল ঘিরে অশান্তির পর সোমবার থমথমে ছিল রিষড়া। এদিন সকালে রিষড়ায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হল। জটলা হঠাতে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করে পুলিশ। সরানো হয় জমায়েত। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এদিন এলাকায় অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। রিষড়ার বিভিন্ন এলাকায় চলছে পুলিশি টহলদারি। সকালে চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগির নেতৃত্বে এলাকায় রুট মার্চ করা হয়। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনোর জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকে প্রচার করা হয়। এলাকায় জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। আজ রাত ১০টা পর্যন্ত রিষড়া ও মাহেশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। গতকালের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদিন তাদের আদালতে তোলা হলে বিচারক ৩ জনের ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত এবং ৯ জনের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

    রিষড়াকাণ্ড নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী? Suvendu Adhikari

    রিষাড়াকাণ্ডে আক্রান্ত দলীয় বিধায়ক বিমান ঘোষকে দেখার পর রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, হাওড়ার শিবপুরকাণ্ডে তৃণমূল কাউন্সিলারের স্বামী সামিম আহমেদ। তিনি তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতি। আর রিষড়ার ঘটনায় জড়িত রয়েছেন তৃণমূল কাউন্সিলর সাকির আলি এবং পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান জাহিদ হাসান খান। রাম নবমীর শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা চালায় ওরা।

    পুলিশি বাধা নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি? Suvendu Adhikari

    কোন্নগরে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ১১৪ ধারা জারি রয়েছে বলে আমাকে যেতে দেওয়া হল না। অথচ সেখানে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ দলদাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে রাজ্য পালের সঙ্গে কথা বলেছি। রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে আমরা যাব।

    কী বললেন তৃণমূল সাংসদ? Suvendu Adhikari

    তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাম নবমীর মিছিলে বাইরে থেকে লোকজন নিয়ে আসা হয়েছিল। মিছিল থেকে এই ঘটনার প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে।

    রবিবার রিষড়ার বাঙুর পার্ক থেকে রাম নবমীর মিছিলে যোগ দেন দিলীপ ঘোষ সহ একাধিক বিজেপি নেতা। মিছিল ওয়েলিংটন জুটমিলের কাছে পৌঁছতেই অশান্তি শুরু হয়। ইটবৃষ্টি, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরে চন্দননগরের পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।              

  • Rahul Gandhi: মোদি পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, রাহুলের মাথায় ঝুলেই রইল শাস্তির খাঁড়া

    Rahul Gandhi: মোদি পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, রাহুলের মাথায় ঝুলেই রইল শাস্তির খাঁড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি (Modi) পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার দায়ে কংগ্রেসের (Congress) প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) দু বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল গুজরাটের সুরাটের ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাহুল। তাঁকে জামিন দিল ওই আদালত। আদালতের এই রায়ের পরে পরবর্তী শুনানির দিন ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত রাহুলের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ করা যাবে না। রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন বিজেপি নেতা পূর্ণেশ মোদি। সেই পূর্ণেশকেও এদিন আদালত তাঁর বক্তব্য জানানোর নির্দেশ দিয়েছে ১০ এপ্রিলের মধ্যে।

    রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)…

    কংগ্রেস সূত্রে খবর, এদিন রাহুলের (Rahul Gandhi) পক্ষে আদালতে সওয়াল করেন তাঁর আইনজীবী আরএস চিমা। আদালতে উপস্থিত ছিলেন রাহুল, তাঁর বোন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, কংগ্রেস শাসিত তিন রাজ্য রাজস্থান, ছত্তীসগঢ় ও হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীরা। রাহুলের আদালতে উপস্থিত থাকা নিয়ে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু ট্যুইট-বার্তায় লেখেন, একজন অভিযুক্ত উচ্চ আদালতে আবেদন জানানোর জন্য নিজে যান না, যাওয়ার প্রয়োজনও পড়ে না। কিন্তু রাহুল গান্ধী দলবল নিয়ে ওখানে নাটক করতে গিয়েছেন। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী বলেন, কেন কংগ্রেস বিচারবিভাগের ওপর এই ধরনের অবাঞ্ছিত চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে? আইনি বিষয়গুলি মোকাবিলা করার পদ্ধতি ও উপায় রয়েছে। কিন্তু এমনভাবে কেন? তিনি বলেন, কংগ্রেসের কাছে দেশের চেয়েও একটি পরিবার বড়।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ন্যায় বিচারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর’’! সিবিআইকে দরাজ সার্টিফিকেট প্রধানমন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, কর্নাটকের একটি জনসভায় মোদি পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন রাহুল (Rahul Gandhi)। এই মন্তব্যের দায়ে তাঁকে দু বছরের কারাদণ্ড দেয় সুরাটের ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। তার জেরে ২৪ মার্চ রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ করে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সোমবার ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুরাটেরই দায়রা আদালতে আবেদন জানান রাহুল। বিচারক তা গ্রহণ করে জামিন বহাল রাখার নির্দেশ দেন। প্রসঙ্গত, জনপ্রতিনিধি আইন অনুযায়ী, দেশের আইনসভার কোনও সদস্য দুই বা ততোধিক বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হলে ৬ বছরের জন্য তাঁর সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাবে। ওই সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনও নির্বাচনেও দাঁড়াতে পারবেন না। তবে উচ্চ আদালত নিম্ন আদালতের রায়ে স্থগিতাদেশ দিলে বা পুরনো রায় খারিজ করে দিলে অভিযুক্তকে আইনসভার সদস্যপদ ফিরিয়ে দিতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share