Tag: bangla news

bangla news

  • Agitation: তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের জেরে বাতিল হয়ে গেল দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি! কোথায় জানেন?

    Agitation: তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের জেরে বাতিল হয়ে গেল দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত ভোটের আগে এলাকার মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতে শাসক দলের পক্ষ থেকে গোটা রাজ্য জুড়ে দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দলীয় নির্দেশ মেনে তৃণমূলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্ব এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে যান। এলাকাবাসীর অভাব অভিযোগ শোনার আগেই দলীয় কর্মীদের প্রবল বিক্ষোভের (Agitation) মুখে পড়ে কর্মসূচি বাতিল হয়ে যায়। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে হুগলি জেলার আরামবাগ মহকুমার খানাকুলের রাজহাটি এলাকায়। পঞ্চায়েত ভোটের আগেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    জেলা নেতৃত্বকে দেখে কেন বিক্ষোভ দেখালেন কর্মীরা? Agitation

    শুক্রবার সকালে খানাকুলের রাজহাটি এলাকায় দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি পালন করতে গিয়েছিলেন আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান জয়দেব জানা, ব্লক সভাপতি অনুপ মাইতি সহ অন্যান্য নেতা কর্মীরা। কর্মসূচি শুরু করার আগেই স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা তাঁদের ঘিরে ধরেন। কী কারণে তাঁরা না জানিয়ে এলাকায় ঢুকেছেন তা তাঁরা জানতে চান। এরপরই দলীয় কর্মসূচির কথা বলতেই তাঁরা নেতাদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভে (Agitation)  ফেটে পড়েন। প্রকাশ্যে দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভের (Agitation) জেরে জেলা নেতৃত্ব কর্মসূচি বন্ধ রেখে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন। বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মী অনুপ মান্না বলেন, গত এক মাস ধরে আমরা এলাকায় মানুষের সঙ্গে নিবিড় জনসংযোগ গড়ে তুলে দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি পালন করছি। আর আমাদের মতো কর্মীদের না জানিয়ে জেলা নেতৃত্ব আর ব্লক নেতৃত্ব জনসংযোগ করতে এসেছিল। আর সঙ্গে কয়েকজনকে নিয়ে এসেছিল, যাদের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। ব্লক সভাপতির সঙ্গে কেউ নেই। যে কজন রয়েছে সব দুর্নীতিগ্রস্ত। ব্লক সভাপতি নিজেও দুর্নীতিগ্রস্ত। এসব লোকজন নিয়ে এলাকায় জনসংযোগ করলে দলের ভাবমূর্তি খারাপ হবে। আমরা তৃণমূল দলকে ভালোবাসি। তাই, দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের জন্য দলের ক্ষতি হোক আমরা চাই না। দলীয় কর্মীরা দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের সামনে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।

    দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভ নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান? Agitation

    কোনও বিক্ষোভই (Agitation) হয়নি বলে দাবি করলেন তৃণমূলের আরামবাগ সাংগঠনির জেলার চেয়ারম্যান জয়দেব জানা। তিনি বলেন, রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ মতো আমি দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসেছিলাম। আমার বিরুদ্ধে কেউ কোনও অভিযোগ করেনি। কোনও বিক্ষোভ (Agitation) হয়নি। তবে, কর্মসূচি বন্ধ রেখে কেন তাঁরা ফিরে গেলেন সেই বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কোনও কিছু বলেননি।

    কী বললেন বিজেপির জেলা সভাপতি? Agitation

    বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুশান্ত বেরা বলেন, তৃণমূল দলটাই দুর্নীতিগ্রস্ত। এই ঘটনা সারা বাংলা জুড়ে ঘটছে। আরও ঘটবে। এখন তো দলীয় কর্মীরা প্রকাশ্যে নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখাচ্ছে। আগামীদিনে এই ক্ষোভ জনরোষের আকার নেবে। সাধারণ মানুষ তৃণমূল দলটাকে আর সহ্য করতে পারছে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mukul Rohatgi: মুকুল কতবড় আইনজীবী দেখতে হবে তো! বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Mukul Rohatgi: মুকুল কতবড় আইনজীবী দেখতে হবে তো! বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে চাকরি খোয়ানো কর্মপ্রার্থীদের একাংশের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সওয়াল করছেন আইনজীবী মুকুল রোহতগি (Mukul Rohatgi)। প্রবীণ এই আইনজীবী এক সময় কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলায় সওয়াল করতে গিয়ে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) বিরুদ্ধে রুলিংয়ের দাবি জানিয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, মুকুল রোহতগি কে? তাঁকে একবার দেখতে চাই। তিনি কত বড় আইনজীবী দেখতে হবে তো!

    মুকুল রোহতগি (Mukul Rohatgi)…

    প্রসঙ্গত, বুধবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুর এজলাসে মুকুল রোহতগি (Mukul Rohatgi) বলেন, কলকাতা হাইকোর্টে একজন মহামান্য বিচারপতি রয়েছেন। যিনি কথায় কথায় দু হাজার, পাঁচ হাজার জনকে চাকরি থেকে ছাঁটাইয়ের নির্দেশ দিচ্ছেন। সকালে নির্দেশ দিয়ে বলছেন, বিকেলের মধ্যে বরখাস্ত করতে হবে। যাঁদের চাকরি যাচ্ছে, তাঁদের কথা শোনা হচ্ছে না। উনি কলকাতা হাইকোর্টের কোনও রোস্টারও মানছেন না। সংবাদ মাধ্যমে ইন্টারভিউ দিয়ে রুল জারির হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের রুলিং দেওয়া উচিত। সুপ্রিম কোর্ট অবশ্য সেই দাবি মানেনি।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টের দারস্থ শুভেন্দু

    এদিকে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ২০২০ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর সিবিআই-ইডির যৌথ তদন্তের যে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্ট দিয়েছিল, তার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশের পর প্রশ্ন তুললেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিলই হল না। শুধুমাত্র ডায়েরি নম্বরের ভিত্তিতে তদন্তে স্থগিতাদেশ দিয়ে দেওয়া হল। এর পরেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বলে কি যা ইচ্ছা করা যায়? জমিদারি নাকি? প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর গত ২ মার্চ সিবিআই ও ইডির যৌথ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চ। ঘটনাটি অবশ্য ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার। ওই বছর টেটের ফলের ভিত্তিতে ২০২০ সালে নিয়োগ তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথ নিয়ম মেনে হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখার জন্য ইডি ও সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: স্বেচ্ছাবসর চান নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গঠিত সিট কর্তা, আদালতের দ্বারস্থ সিবিআই

    SSC Scam: স্বেচ্ছাবসর চান নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গঠিত সিট কর্তা, আদালতের দ্বারস্থ সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক কেলেঙ্কারি (SSC Scam) মামলায় গঠিত হয়েছিল সিবিআইয়ের (CBI) সিট। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশেই গঠিত হয়েছিল সিট। এবার সেই সিটেরই সদস্য ধরমবীর সিংহ (Dharambir Singh) চাইলেন স্বেচ্ছাবসর নিতে। ঘটনার জেরে শুক্রবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। ধরমবীর সিবিআইয়ের এসপি পদমর্যাদার এক আধিকারিক। তিনিই জানিয়েছেন স্বেচ্ছাবসরের আর্জি। কিন্তু যেহেতু সিট গঠন করেছে কলকাতা হাইকোর্ট, তাই আদালতের অনুমতি ছাড়া ধরমবীরের এই আবেদনে সাড়া দেওয়া সম্ভব নয় সিবিআইয়ের। বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সিটে কয়েকজন বাঙালি অফিসার রাখার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলেও এদিন আদালতে জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী।

    প্রাথমিক কেলেঙ্কারি (SSC Scam) মামলা…

    সিবিআইয়ের প্রাক্তন অতিরিক্ত অধিকর্তা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন বিশ্বাসের সুপারিশ মেনে প্রাথমিক শিক্ষক কেলেঙ্কারির (SSC Scam) তদন্তে সিবিআইকে সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই সময় উপেন জানিয়েছিলেন, সিট গঠিত হলে সিটের সদস্যরা কেবল এই মামলারই তদন্ত করবেন। তাঁরা অন্য কোনও মামলায় ব্যস্ত হতে পারবেন না। আদালতের নজরদারিতে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তাহলে প্রধানমন্ত্রীও প্রভাব খাটাতে পারবেন না। উপেন এও জানিয়েছিলেন, এই কেলেঙ্কারির তদন্তে তিনি সিবিআইকে সব রকম সহযোগিতা করবেন। এর পরেই উপেনের সুপারিশ মেনে গঠন করা হয় সিট।

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষক কেলেঙ্কারির দুই মামলায় তদন্তের জন্য একটি সিট গঠন করতে হবে সিবিআইকে। সিবিআই আদালতকে জানিয়ে দেবে, সিটের সদস্য কারা। প্রাথমিক শিক্ষক কেলেঙ্কারি মামলায় তদন্ত চলাকালীন সিটের কোনও সদস্য অন্য কোনও মামলার তদন্ত করতে পারবেন না। আদালতের অনুমতি ছাড়া এই মামলা থেকে বেরিয়েও যেতে পারবেন না তাঁরা। আদালতের নজরদারিতে হবে পুরো মামলার তদন্ত (SSC Scam)। তাই ধরমবীর চাইলেই স্বেচ্ছাবসর নিতে পারবেন না। সেই কারণেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: স্বস্তিতে জিতেন্দ্র তেওয়ারি! কয়লাকাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে সিআইডি তদন্তে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    প্রসঙ্গত, আদালতের নির্দেশ মতো আগেই সিটের সদস্যদের নাম জমা দিয়েছিল সিবিআই। তারা জানিয়েছিল, ছয় আধিকারিককে নিয়ে সিট গঠন করা হয়েছে। সিবিআই জানিয়েছিল, তদন্তকারী দলের মাথায় রয়েছেন এসপি পদমর্যাদার আধিকারিক। একজন পুলিশ সুপার, দুজন ডিএসপি এবং তিনজন ইনস্পেক্টর। তদন্তে কলকাতা শাখার প্রধান রাজীব মিশ্র ও পূর্বাঞ্চলের যুগ্ম অধিকর্তা বেণুগোপাল নজরদারি করবেন বলেও জানিয়েছিল সিবিআই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Suvendu Adhikari: ‘পথই পথ দেখাবে, আন্দোলন চালিয়ে যান’, ডিএ আন্দোলনকারীদের বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘পথই পথ দেখাবে, আন্দোলন চালিয়ে যান’, ডিএ আন্দোলনকারীদের বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথই পথ দেখাবে। তাই আপনারা পথ ছাড়বেন না। আন্দোলন চালিয়ে যান। বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বকেয়া ডিএর (DA) দাবিতে মাস দুয়েক ধরে আন্দোলন করছেন সরকারি কর্মীরা। শহিদ মিনারে অবস্থান করছেন তাঁরা। এদিন হয় মহাসমাবেশ। এই মঞ্চেই ফের গেলেন শুভেন্দু। দিলেন আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার আশ্বাসও। ওই মঞ্চে শুভেন্দু বলেন, পথই পথ দেখাবে। তাই আপনারা পথ ছাড়বেন না। আন্দোলন চালিয়ে যান।

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন…

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, এই আন্দোলনে আমরা আপনাদের পাশে আছি। আপনারা যাতে জিততে পারেন, তার জন্য ভাল ভাল আইনজীবী দিয়েছি। আরও ভাল আইনজীবী দেব। আপনাদের জয় নিশ্চিত। আপনারা নিজেদের দাবি থেকে সরবেন না। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, এই সরকার দেউলিয়া। ৬ লক্ষ কোটি টাকার দেনা রয়েছে। সরকার আপনাদের ডিএ আটকানোর জন্য আইনজীবীদের পিছনে খরচ করছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, রেড রোডের আওয়াজ বেড়ে গিয়েছে। দিন শেষ হয়ে এসেছে। আপনাদের মেরুদণ্ড যে বিক্রি নেই, তা প্রমাণ করে দিয়েছেন আপনারা। আমার সামনে ক্যাবিনেটে ৬ লক্ষ স্থায়ী পদের অবলুপ্তি ঘটানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী এ কাজ করেছেন। এসএসসি পাঁচটা জোনে ভাগ ছিল। সেটাকে কালীঘাট কেন্দ্রিক ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘তিহাড়ই হবে তৃণমূলের পার্টি অফিস’! কেন একথা বললেন সুকান্ত?

    নন্দীগ্রামের (Suvendu Adhikari) বিধায়ক বলেন, প্রশাসনিক কাজ সামলাতে ৬০ হাজার পদে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। এই সব অস্থায়ী পদে তৃণমূলের লোকজনকে বসানো হয়েছে। সিভিকদের দিয়ে রাজ্য চলছে। শুভেন্দু বলেন, সরকার যদি বলে ডিএ দেওয়ার মতো পয়সা নেই, তবে বলুন পয়সা জোগানোর দায়িত্ব আমাদের নয়। তিনি বলেন, এ রাজ্যের একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে বলছি, আপনারা ট্রাইব্যুনালে যেমন জয় পেয়েছেন, যেমন পেয়েছেন হাইকোর্টে, তেমনই নিশ্চিতভাবেই সুপ্রিম কোর্টেও জয় পাবেন।

    বুধবার ধর্নামঞ্চ থেকে ডিএর দাবিতে বিক্ষোভ দেখানো সরকারি কর্মীদের চোর ডাকাত বলে কটাক্ষ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের জেরে ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা। কয়েকজন আন্দোলনকারী বলেন, আমাদের চোর-ডাকাত বলার যোগ্য জবাব পাবেন। উনি আমাদের প্রতি অশালীন মন্তব্য করেছেন। ওঁর রাজ্যের কর্মীরা চোর ডাকাত হলে উনি তো পুলিশমন্ত্রী। আমাদের গ্রেফতার করছেন না কেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indore Madhya Pradesh: মধ্যপ্রদেশে কুয়ো দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫, মিলতে পারে আরও দেহ?

    Indore Madhya Pradesh: মধ্যপ্রদেশে কুয়ো দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫, মিলতে পারে আরও দেহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে (Indore Madhya Pradesh) কুয়ো দুর্ঘটনায় (Well Tragedy) মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৫। কুয়ো থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ১৮ জনকে। তাঁদের মধ্যে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে দুজনকে। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৬ জন। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত খোঁজ মেলেনি দুজনের। ইন্দোরের কালেক্টর ইলায়ারাজা টি জানান, ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার পর সেনা, এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ যৌথভাবে উদ্ধারকাজে নামে। ইন্দোর ডিভিশনের কমিশনার পবন শর্মা বলেন, এখনও অবধি ৩৫টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। ১৮ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ জন চিকিৎসাধীন। তিনি জানান, উদ্ধারকাজে নেমেছেন ১৪০ জনের একটি দল। এর মধ্যে রয়েছেন ৭৫ জন সেনা জওয়ানও।

    ইন্দোরে (Indore Madhya Pradesh) লাশের পর লাশ…

    সেনা সূত্রে খবর, কুয়োয় (Indore Madhya Pradesh) এখনও বেশ কয়েকজন আটকে রয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এক সেনা আধিকারিক জানান, কুয়োয় নেমে উদ্ধার কাজ খুবই কঠিন হয়ে পড়ছে। ভিতরের একটি অংশ দিয়ে ক্রমাগত জল বেরিয়ে আসছে। তাছাড়া নীচে পড়ে যাওয়া পুণ্যার্থীরা বিরাট চাঙড়ের তলায় চাপা পড়ে গিয়েছেন।

    চাঙড়ের একাংশ কেটেই বৃহস্পতিবার গভীর রাতে একের পর এক মৃতদেহ বের করে আনা হয়। মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। আহতদের দ্রুত আরোগ্যও কামনা করেছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: ‘সনাতন ধর্মের কোনও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই’,বললেন মোহন ভাগবত

    প্রসঙ্গত, রামনবমী উপলক্ষে বিশেষ পুজো হচ্ছিল বেলেশ্বর মহাদেব ঝুলেলাল (Indore Madhya Pradesh) মন্দিরে। পুজো দেখতে ভিড় করেছিলেন শয়ে শয়ে ভক্ত। পুজো ভাল করে দেখবেন বলে মন্দির চত্বরে থাকা একটি অব্যবহৃত কুয়োর কংক্রিটের স্ল্যাবের ওপরেও উঠে যান দর্শনার্থীরা। আচমকাই ঘটে দুর্ঘটনা। কুয়োর স্ল্যাব ভেঙে ৫০ ফুট নীচে পড়ে যান বহু পুণ্যার্থী।

    সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় উদ্ধার কাজ। তার পরেই আসতে থাকে একের পর এক মৃত্যু সংবাদ। স্বজনহারার কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে মন্দির চত্বরের বাতাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Railway: নববর্ষে আরেকটি বন্দে ভারত পেতে চলেছে বাংলা! কোন রুটে চলবে এই ট্রেন?

    Railway: নববর্ষে আরেকটি বন্দে ভারত পেতে চলেছে বাংলা! কোন রুটে চলবে এই ট্রেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সামনে বাংলা নববর্ষ, আর এই নববর্ষে উপহার হিসাবে বঙ্গবাসী পেতে চলেছে আরও একটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। উদ্যোগী রেল (Railway) মন্ত্রক। নিউ জলপাইগুড়ি-হাওড়া প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এই রাজ্যে আগেই চালু হয়েছে। এবার চালু হতে চলেছে নিউ জলপাইগুড়ি – গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এমনটাই জানিয়েছেন জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ ডা: জয়ন্ত রায়। তিনি বলেন, নতুন এই এক্সপ্রেস চালু হয়ে গেলে অনেক কম সময়ের মধ্যে গুয়াহাটি যাওয়া সম্ভব হবে।

    কবে চালু হতে চলেছে এই ট্রেন? Railway

    উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে বলেন “এনজেপি-গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালানোর প্রস্তাব আমরা রেল (Railway) মন্ত্রকের কাছে পাঠিয়েছিলাম। সেই মতো আলোচনা এগিয়েছে। তবে, কবে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হবে সে ব্যাপারে রেল (Railway) মন্ত্রকের থেকে এখনও কোনও নোটিশ পাইনি। তবে, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চলার জন্য উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের (Railway) প্রস্তুতি শেষের পথে। আশা করছি, খুব শীঘ্রই এই ট্রেন চালু হতে চলেছে।”

     কোন কোন স্টেশনে থামবে নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস? Railway

    নিউ জলপাইগুড়ি-গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, সকাল ৬ টা ১৫ মিনিটে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ছাড়বে। বেলা ১২ টা ৩০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছাবে। সব মিলিয়ে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গুয়াহাটি যেতে ৬ ঘণ্টা ১৫ মিনিট লাগবে। অন্যদিকে, দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে গুয়াহাটি থেকে ছাড়বে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। নিউ জলপাইগুড়িতে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৭ টা ৪৫ মিনিটে। তাই, ফিরতি পথেও ৬ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় লাগবে। রেল (Railway) সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেনটি নিউ জলপাইগুড়ি ও গুয়াহাটি যাত্রাপথে মোট ৪টি স্টেশনে দাঁড়াবে। সেই স্টেশনগুলি হল, নিউ কোচবিহার, কোকরাঝাড়, নিউ বঙ্গাইগাঁও এবং রঙ্গিয়া জংশন। পাশাপাশি, এ বছরের মধ্যে শুরু হতে চলেছে সেবক – রংপো রেল (Railway) প্রকল্প। তার কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। ফলে, পর্যটনের এক বিশাল পরিবর্তন আসতে চলেছে, যা ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য খুশির খবর ।

    নতুন প্রকল্প নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব? Railway

    এই নতুন রেল (Railway) প্রকল্পের শুরু নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও কম হয়নি। তৃণমূলের দার্জিলিং জেলার সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ বলেন, “বিজেপি রেলের ঢালাও কর্মসূচি নিয়ে কৃতিত্ব দাবি করলে আমাদের পাল্টা প্রশ্ন থাকবে, সেবক রংপো (Railway) রেল প্রকল্প নিয়ে বিজেপি কৃতিত্ব দাবি করতে পারে কি? কেননা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকার সময় এই প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন। এতে বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। বরং, তাদের জবাবদিহি করতে হবে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করতে এতদিন লাগলো কেন?”

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব? Railway

    বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা মাটিগাড়া – নকশালবাড়ির বিধায়ক আনন্দময় বর্মন বলেছেন “তৃণমূল এই প্রচার করলে মানুষ তাতে প্রভাবিত হবে না। কেননা সকলেই চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন, সারা দেশের সঙ্গে উত্তরবঙ্গ রেল পরিষদের উন্নয়নে বিজেপির সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে চলেছে। নতুন বন্দে ভারত তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আর সেবক রংপো রেল (Railway) প্রকল্পের কাজ বিজেপি ইচ্ছা করে দেরি করেনি, বিভিন্ন জায়গায় ধস নামার কারণে দেরি হয়েছে কাজ শুরু হতে। সবকিছু স্বাভাবিক হতেই আবার কাজ শুরু হয়েছে। বিজেপি উন্নয়ন নিয়ে রাজনীতি করে না। তৃণমূল অপপ্রচার করছে ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘তিহাড়ই হবে তৃণমূলের পার্টি অফিস’! কেন একথা বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: ‘তিহাড়ই হবে তৃণমূলের পার্টি অফিস’! কেন একথা বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিহাড়ই হবে তৃণমূলের (TMC) পার্টি অফিস। অপেক্ষা করুন। সেই দিন আর বেশি দূরে নেই। বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। নিয়োগ কেলেঙ্কারি ও কেন্দ্রীয় বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়ে দু দিনের অবস্থান বিক্ষোভ করে বঙ্গ বিজেপি। এই কর্মসূচিতে সুকান্তের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং দলের অন্য নেতানেত্রীরা।

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) উবাচ…

    এদিন সেখানেই ভাষণ দেন সুকান্ত। বুধবারই রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে শহিদ মিনারের সভা থেকে দিল্লি অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রসঙ্গেই সুকান্ত বলেন, অনুব্রত মণ্ডল ইতিমধ্যেই তিহাড় গিয়েছেন। এরপর বাকিরাও যাবেন। তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, এবার তিহাড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের একটা ইউনিট খুলতে হবে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, তিহাড়ই হবে তৃণমূলের পার্টি অফিস। অপেক্ষা করুন। সেই দিন আর বেশি দূরে নেই। আপাতত তিহাড় জেলে রয়েছেন অনুব্রত। পরিস্থিতি যা, তাতে মাস চারেক তাঁকে থাকতে হবে তিহাড়েই। বিভিন্ন কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াচ্ছে তৃণমূলের নেতাদের। এদিন সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস আগামিদিনে তিহাড় কংগ্রেসে পরিণত হবে।

    কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে দু দিন ধরে রেড রোড ধর্নায় বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মঞ্চ তৈরি করেছে রাজ্য পূর্ত দফতর। অথচ পিছনে তৃণমূলের প্রতীক জ্বলজ্বল করছে। ওটা দলের নাকি সরকারের বোঝা যাচ্ছে না। পুরো মাখামাখি হয়ে ঘেঁটে ঘ হয়ে গিয়েছে। ভাইপোর মঞ্চ কারা করেছে, জানি না। শুধু এটুকু বুঝতে পারছি, নন্দলালের চুরির টাকায় মঞ্চ করে সাধু সাজার ভান। সুকান্ত বলেন, তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা, ধুন্ধুমার হাওড়ায়

    তাঁর প্রশ্ন, কেন্দ্র নাকি টাকা দিচ্ছে না? কেন দেবে? আপনার নেতার বান্ধবীর বাড়িতে ৫০ কোটি করে জমাবেন, সেই চুরির জন্য টাকা দেওয়া হবে? সুকান্ত বলেন, সাদা শাড়ি আর হাওয়াই চটি পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষকে বোকা বানিয়েছেন। এদিনের মঞ্চে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকায় পুকুর চুরি যাঁরা করেছেন, যাঁরা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা কেউই ছাড় পাবেন না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madan Mitra: মদন মিত্র ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কর্মীর নির্মীয়মাণ আবাসন থেকে উদ্ধার বোমা! কোথায় জানেন?

    Madan Mitra: মদন মিত্র ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কর্মীর নির্মীয়মাণ আবাসন থেকে উদ্ধার বোমা! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত ভোটের আগে শাসক দলের পক্ষ থেকে বোমা, গুলি মজুত করা হচ্ছে বলে বার বার অভিযোগ করছে বিরোধীরা। এবার বিরোধীদের আনা সেই অভিযোগই প্রমাণিত হল কামারহাটিতে। কামারহাটির ষষ্ঠীতলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra) ঘনিষ্ঠ দলীয় কর্মীর নির্মীয়মাণ আবাসন থেকে তাজা বোমা উদ্ধার করল কামারহাটি থানার পুলিশ। যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী পলাতক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বিধায়ক ঘনিষ্ঠ দলীয় কর্মীর ওই আবাসনের মধ্যে কী করে বোমা এল তা নিয়ে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ওই নির্মীয়মাণ আবাসনের আশেপাশে প্রচুর বসতি রয়েছে। ফলে, বোমা ফেটে গেলে অনেক দুর্ঘটনা ঘটনার সম্ভাবনা ছিল। তাই, এই বিষয়ে প্রশাসনের কড়া হাতে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এই ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, বোমাগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    কতগুলি বোমা উদ্ধার করল পুলিশ? Madan Mitra

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কামারহাটি ষষ্ঠীতলায় একটি আবাসন তৈরির কাজ চলছে। আবাসনটি মদন মিত্রের ঘনিষ্ঠ রিন্টু নামে এক তৃণমূল কর্মীর। বুধবার রাতে পুলিশ সেই নির্মীয়মাণ আবাসনে হানা দেয়। সেখান থেকে চারটি তাজা বোমা উদ্ধার করে কামারহাটি থানার পুলিশ। এই বিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর কোনওরকম প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি। ঘটনার পর থেকে পলাতক ওই তৃণমূল কর্মী।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব? Madan Mitra

    এই বিষয়ে তৃণমূল নেতা কমল দাস বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। মদন মিত্র (Madan Mitra) আমাদের জননেতা। তাঁর সঙ্গে অনেকেই ছবি তোলেন। মদন মিত্রের (Madan Mitra) সঙ্গে কারও ছবি থাকলে সে তাঁর ঘনিষ্ঠ হবে এটা সম্ভব নয়। আমাদের বিধায়কের নাম জড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়। পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্তে সঠিক সত্য বেরিয়ে আসবে। অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী রিন্টু জানিয়েছেন, তাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব? Madan Mitra

    এই বিষয়ে বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, কামারহাটিতে মদন মিত্র (Madan Mitra) এই ধরনের দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে ঘোরাফেরা করেন। তাই, এই ধরনের ঘটনা ঘটবে, এটাই স্বাভাবিক। এসব দেখে কেউ আর তৃণমূল কংগ্রেস করতে চাইছে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Army: প্রশিক্ষণ চলাকালীন বারাকপুর সেনা ছাউনিতে মৃত্যু দুই জওয়ানের! কী করে ঘটল দুর্ঘটনা?

    Army: প্রশিক্ষণ চলাকালীন বারাকপুর সেনা ছাউনিতে মৃত্যু দুই জওয়ানের! কী করে ঘটল দুর্ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে প্রশিক্ষণ চলার সময় জলে ডুবে মৃত্যু হল দুই জওয়ানের। এছাড়াও আরও এক জওয়ান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করে সেনা (Army) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম লেংখোলাল এবং অলড্রিন হিমিংথানজুয়ালা। লেংখোলাল নায়েক পদে কর্মরত ছিলেন। আর সিপাই পদে কর্মরত ছিলেন অলড্রিন। দুজনেই ১৬ নম্বর আসাম রেজিমেন্টে কর্মরত ছিলেন। একজনের বাড়ি নাগাল্যান্ড। অন্যজনের বাড়ি মিজোরাম। ইতিমধ্যেই দুই সেনা (Army) জওয়ানের দেহ ময়না তদন্ত করা হয়েছে। নিয়ম মেনে মৃতদের পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে। তবে, প্রশিক্ষণ চলাকালীন এই ঘটনা কী করে ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    কী করে মৃত্যু হল দুই সেনা জওয়ানের? Army

    বুধবার বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে অ্যাসল্ট রিভার প্রশিক্ষণ নামে বিশেষ প্রশিক্ষণ চলছিল। মূলত, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেনা জওয়ানদের দড়ি ধরে জলাশয়ের ওপর দিয়ে পারাপার হতে হয়। সেনা (Army) সূত্রে জানা গিয়েছে, আসাম রেজিমেন্ট থেকে ওই জওয়ানরা এই বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলেন। ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে বিশাল জলাশয়ের ওপর চলছিল এই প্রশিক্ষণ। নিয়মিত এই প্রশিক্ষণ করা হয়। দুর্ঘটনার দিন ৬ জন জওয়ানকে নিয়ে প্রশিক্ষণ চলছিল। প্রথম তিনজন নিয়ম মেনেই দড়ি ধরে জলাশয় পারাপার করেন। কারও কোনও সমস্যা হয়নি। পরের তিনজন দড়ি ধরে ওই জলাশয়ের ওপর দিয়ে পারাপার করতে গিয়ে বিপত্তি ঘটে। দড়ি ছিঁড়ে তিনজন জওয়ান জলাশয়ে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা তলিয়ে যান। যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রশিক্ষকের উদ্যোগে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনজনকে জলাশয় থেকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর দুজনের মৃত্যু হয়। অন্যজন এখনও হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। তবে, এই ধরনের দুর্ঘটনা এর আগে কখনও হয়নি। তাই, প্রশিক্ষণ করতে এসে দুই সেনা জওয়ানের মৃত্যুতে বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami: রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা, ধুন্ধুমার হাওড়ায়

    Ram Navami: রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা, ধুন্ধুমার হাওড়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রাকে ঘিরে ধুন্ধুমার হাওড়ার (Howrah) কাজিপাড়ায়। শোভাযাত্রায় ছোড়া হল বোমা, পেট্রল বোমা। রাস্তার ধারের দোকান ভাঙচুর। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল ফুটপাতের কয়েকটি দোকানেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ছিল রামনবমী। এদিন সন্ধ্যায় হাওড়ার সন্ধ্যাবাজারের কাছে শোভাযাত্রায় আয়োজন করেছিল অঞ্জনীপুত্র সেনা। শোভাযাত্রা যখন কাজিপাড়া এলাকায় আসে তখন আচমকাই হামলা চালানো হয়। শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে ছোড়া হয় বোমা, পেট্রল বোমা। বিয়ারের বোতল, কাচের বোতলও ছোড়া হয়। জখম হন প্রায় ১৫ জন।

    রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রাকে ঘিরে অশান্তি…

    ঘটনার জেরে মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা তল্লাট। আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন অঞ্জনীপুত্র সেনারা। অভিযোগ, তাঁদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। আয়োজকদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রায় যারা হামলা চালাল, তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।

    অঞ্জনীপুত্র সেনার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক সুরেন্দ্র বাবা বলেন, প্রশাসনের সুবিধার্থে এদিন অঞ্জনীপুত্র সেনা, বিশ্বহিন্দু পরিষদ সহ ৪২টি সংগঠন এক সঙ্গে এই শোভাযাত্রা (Ram Navami) বের করে। পুলিশ প্রশাসনকে এই শান্তিপূর্ণ মিছিলের সুরক্ষার জন্য আগাম জানানো হয়েছিল। যদিও গত বছরের মতো এবারও সন্ধ্যা বাজার এলাকায় মিছিল প্রবেশের পরেই হামলা হয়। তাঁর প্রশ্ন, হিন্দুরা শান্তিপূর্ণ মিছিল করলে কীসের সমস্যা আক্রমণকারীদের?

    আরও পড়ুুন: স্ল্যাব ভেঙে ৫০ ফুট গভীর কুয়োয় পড়লেন পুণ্যার্থীরা, মধ্যপ্রদেশে মৃত ১৩

    প্রসঙ্গত, গত বছরও এই সন্ধ্যাবাজার এলাকায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় ইট ও কাচের বোতল ছোড়া হয়েছিল। বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, তৃণমূলের উসকানি আর পুলিশের অতিসক্রিতায় এই ঘটনা ঘটেছে। এদিন হাওড়া ময়দান ও শিবপুর সংলগ্ন এলাকায়ও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর এসেছে। বিরাট পুলিশ বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    ঘটনার জেরে নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন উদ্যোক্তাদের একাংশ। রেড রোডের ধর্নামঞ্চ থেকে তিনি বলেছিলেন, রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রা নিয়ে কোনও আপত্তি নেই। সবার নিজের নিজের ধর্মাচরণের অধিকার রয়েছে। কিন্তু মিছিলের নামে একটাও মুসলিম এলাকায় হামলা হলে ছেড়ে কথা বলব না। এদিকে, এদিন হাওড়ার রামরাজাতলা এলাকায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় যোগ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, উনিই (মুখ্যমন্ত্রী) অশান্তির কারণ। এদিন গুজরাটের ভাদোদরার ফতেপুরার একটি শোভাযাত্রায়ও পাথর ছোড়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share