Tag: bangla news

bangla news

  • Primary Recruitment Case: ৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীর জন্য নয়া প্যানেল, প্রাথমিক মামলায় পর্ষদকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Primary Recruitment Case: ৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীর জন্য নয়া প্যানেল, প্রাথমিক মামলায় পর্ষদকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকের একটি মামলার শুনানিতে ৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ করার জন্য নতুন প্যানেল প্রকাশ করার কথা বলল কলকাতা হাইকোর্ট।  শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে বলেছেন, ৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ করার জন্য নতুন প্যানেল প্রকাশ করতে হবে। এই মামলায় ৯,৫৩৩ জনের নিয়োগের একটি প্যানেল প্রকাশ করার নির্দেশ আগেই দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। 

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    মামলাকারী চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, তাঁরা ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তাঁদের ওই প্রশিক্ষণের শংসাপত্র যদি গ্রাহ্য হয়, তবে সুপ্রিম কোর্টের প্যানেলের ৯,৫৩৩ জন চাকরিপ্রার্থীর চেয়েও তাঁদের প্রাপ্য নম্বর বেশি। এর পরেই হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে যে প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে, তা স্পর্শ করা যাবে না। তবে এই ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের জন্য নতুন প্যানেল তৈরি করতে হবে। বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, ৩৯ জন প্রার্থীর ডিএলএড প্রশিক্ষণের শংসাপত্র আগে যাচাই করতে হবে। তাঁরা পাশ করেছেন কি না, দেখতে হবে। যদি দেখা যায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তৈরি প্যানেলের অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীদের থেকে মামলকারীরা বেশি নম্বর পেয়েছেন, তা হলে এঁদের জন্য আলাদা প্যানেল করতে হবে। সেই মতো নিয়োগ করবে পর্ষদ। আদালতে মামলাকারীদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম।

    আরও পড়ুন: ভোররাত পর্যন্ত বৈঠকে মোদি, লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত

    এর আগে অন্য ১২ জন চাকরিপ্রার্থীকে একই ভাবে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চ আদালত। ২০২২ সালে প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে ১২ জন চাকরিপ্রার্থী ডিএলএড, বিএড দু’রকম প্রশিক্ষণই নিয়েছিলেন। তাঁদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিএড প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করেই প্রাথমিক নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন তাঁরা। পরে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, প্রাথমিক স্কুলে পড়াতে পারবেন শুধু মাত্র ডিএলএড প্রশিক্ষিতেরাই। ফলে বিএড প্রশিক্ষিতেরা বাদ চলে যান। পরবর্তী সময়ে ডিএলএড প্রশিক্ষিত আরও ৩৯ জনও আলাদা করে মামলা করেন। ১২ জনের জন্য আলাদা মেধাতালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ আগেই দিয়েছিলেন বিচারপতি মান্থা। এবার ৩৯ জনের জন্য এল একই নির্দেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডের প্রতিবাদে দিল্লির বঙ্গ ভবনে বিজেপির বিক্ষোভ, মমতার পদত্যাগ দাবি 

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডের প্রতিবাদে দিল্লির বঙ্গ ভবনে বিজেপির বিক্ষোভ, মমতার পদত্যাগ দাবি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বলছে সন্দেশখালি! জ্বলছে বাংলা! তার আঁচ গিয়ে পড়ল রাজধানী দিল্লিতে। শুক্রবার সন্দেশখালির ঘটনার প্রতিবাদে দিল্লির বঙ্গভবন অভিযান করল বিজেপি। বঙ্গভবনের সামনেই জমায়েত থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবি উঠল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে দিল্লির ওই চত্বরে। 

    বঙ্গভবন অভিযান

    শুক্রবার সন্দেশখালির ঘটনা ও মহিলাদের উপরে অত্যাচার-নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে নামে বিজেপি। দিল্লি বিজেপির তরফে বঙ্গভবন অভিযানের ঘোষণা করা হয়। চাণক্যপুরীর তিনমূর্তি ভবনের সামনেও বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মীরা। যেহেতু দিল্লির এই অঞ্চলে একাধিক রাজ্য সরকারের ভবন, দূতাবাস ও প্রশাসনিক দফতর রয়েছে, তাই এটি হাই সিকিউরিটি জোন। এখানে বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয় না স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে। তবুও বিজেপি সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশি ব্যারিকেড টপকে এগোনোর চেষ্টা করে বিজেপির মিছিল। বাধা দেয় পুলিশ, শুরু হয় ধস্তাধস্তি। 

    পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

    বাংলায় এসে সন্দেশখালি কাণ্ড নিয়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও৷ এমনকি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি৷ একইভাবে সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের ঘটনায় দোষীকে আড়াল করা নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলেছে বিজেপি। এদিন দিল্লিতে বঙ্গভবনের সামনে বিজেপির প্রতিবাদের সময় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিজেপি কর্মীদের আটকাতে কয়েক ধাপে ব্যারিকেড দেয় পুলিশ। ব্যারিকেডের উপরে উঠে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মীরা। প্রথম ব্যারিকেড  টপকে দ্বিতীয় ব্যারিকেডও পার করার চেষ্টা করে তারা। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ওই চত্বরে।

    আরও পড়ুন: ভোররাত পর্যন্ত বৈঠকে মোদি, লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Seikh Shajahan: সিআইডির হেফাজতে শেখ শাহজাহান, জেরার মুখে কী বললেন জানেন?

    Seikh Shajahan: সিআইডির হেফাজতে শেখ শাহজাহান, জেরার মুখে কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তদন্তকারীদের প্রশ্নের সামনে মুখে যেন কুলুপ এঁটেছেন একদা সন্দেশখালির স্বঘোষিত বাঘ। শারীরিক ভাষায় ঝরে পড়ছে সেই এক ঔদ্ধত্য। ভেড়ি দখল, জমি দখল, শ্লীলতাহানি, ইডির ওপর হামলা, খুনের অভিযোগ যাঁর বিরুদ্ধে তাঁকে গতকালই দেখা গিয়েছিল পুলিশের সামনে স্পর্ধার সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে কোর্টে ঢুকছেন। সিআইডি অফিসারদের সামনে এমনই স্পর্ধা দেখাচ্ছেন তিনি, খবর সূত্রে। শুধুই উত্তর দিচ্ছেন, ‘‘এক কথা বারবার বলব না।’’

    আরও জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সারারাত ঘুমোননি তিনি। খাননি রাতের খাবারও। গত ৫ জানুয়ারি ইডির উপর হামলার ঘটনা ঘটে। তোলপাড় হয় সারা রাজ্য। এখানে নিজের ভূমিকার কথা মেনে নিয়েছেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে স্বীকার করেছেন যে, ইডির বিরুদ্ধে জনতাকে উস্কানি দিয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার পুলিশ সূত্রে এমনটাই জানানো হয়েছিল। এর পাশাপাশি সিআইডি-এর সঙ্গে অসহযোগিতা করছেন বলেই সূত্রের খবর রয়েছে। 

    লোকদেখানো সাসপেন্ড!  

    বৃহস্পতিবার ভোররাতেই মিঁনাখা থেকে সন্দেশখালির ‘ত্রাস’ শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে বসিরহাট মহকুমা আদালত গতকালই দশ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবারই সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল ভবন থেকে শাহজাহানকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এটা নিছকই লোকদেখানো। শাহজাহানের এতদিনের অপকর্মের খতিয়ান রাজ্য নেতাদের কাছে নেই, এমনটা হতে পারেনা।

    কী বলছে বিজেপি?

    বিজেপি তরফ থেকে গতকালই দাবি করা হয়েছে, গ্রেফতারির পর রাজকীয় কায়দায় আদালতে ঢুকতে দেখা যায় সন্দেশখালির কালপ্রিট শাহজাহানকে। তৃণমূল নেতার শারীরিক ভঙ্গি, পোশাক দেখলে মনে হবে না তিনি গ্রেফতার হয়েছেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি  সুকান্ত মজুমদার এনিয়ে বলেন, ‘‘পুলিশ মাথা নীচু করে হাঁটছে, আর শাহজাহান তাঁদের মাঝখান দিয়ে গটগট করে মাথা উঁচু করে এজলাসে ঢুকলেন! যেন অলিম্পিকে পদক জিতে এসেছেন।’’ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, ‘‘পুলিশ যে শাহজাহানের কথাতেই চলে, তা এই দিন ওঁর আদালতে ঢোকা বা বেরনোর ছবি থেকেই স্পষ্ট। পুলিশই এতদিন শেল্টার দিয়ে রেখেছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: লোকসভার আগে দুই তৃণমূল সাংসদ শিশির-দিব্যেন্দু কি পদ্ম শিবিরে?

    Purba Medinipur: লোকসভার আগে দুই তৃণমূল সাংসদ শিশির-দিব্যেন্দু কি পদ্ম শিবিরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলে শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) বিজেপি বিধায়ক। অপর দিকে বাবা সাংসদ শিশির অধিকারী আনুষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূল ছাড়েননি। লোকসভার আগে এই তৃণমূল কাঁথির সাংসদকে নিয়ে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। তিনি যে তৃণমূলের সঙ্গে নেই সেই কথাও খুব স্পষ্ট করে জানিয়েছেন। অপর দিকে তমলুকের তৃণমূলের সাংসদ দিব্যেন্দু বললেন, “আমি দাদাকে নিয়ে গর্বিত, সুযোগ পেলেই বিজেপিতে যোগদান করব।” আগামী ৭ মার্চ বিজেপির মেগা জয়েনিং কর্মসূচি রয়েছে। তাই এই যোগদান সভায় দুই তৃণমূল সাংসদ যোগদান করবেন কিনা তা নিয়ে রাজনীতির আঙ্গিনায় জল্পনা তৈরি হয়েছে। লোকসভার আগে দুজন তৃণমূল কি তাহলে পদ্ম শিবিরে?

    কী বললেন শিশির অধিকারী (Purba Medinipur)?

    কাঁথির (Purba Medinipur) এই বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারী বলেন, “তৃণমূল করার জন্য আক্ষেপ তো অবশ্যই হয়। ভুল, একপ্রকার ভুল সিদ্ধান্তই নিয়েছিলাম। সে দিন যদি আর একটু এগিয়ে-পিছিয়ে ভেবে এগোতাম, তাহলে হয়ত অনেকের রাজনীতিতে জন্ম হত না। অনেকেই বিদায় নিত। এই জিনিস দেখতে হত না।” একই সঙ্গে  রাজ্যের দুর্নীতি সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, “এই বালু সেই বালু! এই পার্থ সেই পার্থ! ভাবতে পারিনা। লোকসভায় বিজেপির ৪২ আসনে ৪২ পাবে। ঠিক করে নির্বাচন হলে তৃণমূল একটিও আসন পাবে না। তৃণমূলের পাতা বড় বড় ফাঁদ ফাঁস হয়ে গিয়েছে। সাধারণ মানুষ আর তৃণমূলে নেই।”

    দিব্যেন্দুর বক্তব্য

    লোকসভার আগেই পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) তমলুকের তৃণমূল সাংসদ দিব্যান্দু অধিকারী বলেন, “আর তো মাত্র কয়েকটা দিন। কারা যোগ দেবে আর কারা যোগ দেবে না তা ৭ তারিখেই স্পষ্ট হবে। আমি তৃণমূল দলে নেই ধরে নিতে পারেন। সাংসদ আছি। যতদিন মেয়াদ আছে আমি সাংসদ থাকব। দাদা আমাদের কাছে গর্বের দাদা। তাঁর জন্য আমাদের বুকটা সবসময় চওড়া হয়ে থাকে। সুযোগ পেলে অবশ্যই বিজেপিতে যোগদান করব। আগামীকাল হলদিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবো। সাংসদ হিসাবে আমাকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রাজ্যে এসে ৭২০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের সূচনা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: রাজ্যে এসে ৭২০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের সূচনা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাজ্যে এসে ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় সরকারের এই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে একই মঞ্চে হাজির ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ওই মঞ্চে ছিলেন।

    কোন কোন প্রকল্পের উদ্বোধন 

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) এদিনের সরকারি কর্মসূচির তালিকায় ছিল সিলিন্ডারে এলপিজি গ্যাস ভরার প্রকল্প (এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট), কলকাতা বন্দরের নতুন বেশ কয়েকটি প্রকল্প, কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের আধুনিকীকরণের প্রকল্প। এদিন রাজ্যের তিনটি রেল প্রকল্পেরও সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    সরকারি প্রকল্প উদ্বোধন করার পরে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘বাংলায় রেলের উন্নয়ন এমন হওয়া দরকার, যেমনটা দেশের অন্য রাজ্যে হয়েছে।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘বিকশিত ভারত গড়ার যে পরিকল্পনা রয়েছে তাতে গরিব, মহিলা এবং যুবদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা থাকবে। দেশের ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র সীমার উপরে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের বিকাশের জন্য সাত হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস হয়েছে। এর ফলে রেল, পেট্রল এবং জলশক্তির উন্নতি হবে।’’

    বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হবে বাংলায়

    পশ্চিম মেদিনীপুরে এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট চালু হলে রাজ্যে বিপুল কর্মসংস্থান হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। হাওড়া, হুগলি, কামারহাটি, বরানগর প্রভৃতি এলাকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে কেন্দ্রের উদ্যোগে চালু হতে চলা প্রকল্পগুলিতে। এমনটাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রেলের উন্নয়ন সম্পর্কে মোদি বলেন, ‘‘বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরাদ্দ অতীতের তুলনায় তিন গুণ বেড়েছে। বাংলায় ১০০ স্টেশনকে নতুন করে সাজানো হচ্ছে।’’ পশ্চিমবঙ্গ পাঁচটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পেয়েছে বলেও নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সহযোগিতায় বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্য পূর্ণ হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Make in India: ‘মেক-ইন-ইন্ডিয়া’র বড় সাফল্য, দেশেই তৈরি হবে সেমিকন্ডাক্টর চিপ, ৩টি প্ল্যান্টের অনুমোদন কেন্দ্রের

    Make in India: ‘মেক-ইন-ইন্ডিয়া’র বড় সাফল্য, দেশেই তৈরি হবে সেমিকন্ডাক্টর চিপ, ৩টি প্ল্যান্টের অনুমোদন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কম্পিউটার অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর চিপ তৈরিতে এতদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন এই সমস্ত দেশগুলির একচেটিয়া আধিপত্য ছিল। তবে মোদি সরকারের মেক-ইন-ইন্ডিয়া (Make in India) কর্মসূচিতে এবার সফ্টওয়ারের পাশাপাশি হার্ডওয়ারেও দিশা দেখাবে ভারত। এবার দেশেই তৈরি হবে চিপ। গতকাল বৃহস্পতিবারই ৩টি সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্ল্যান্টের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মোদি সরকার।

    ১.২৬ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি চিপ ফ্যাবরিকেশন প্লান্ট

    জানা গিয়েছে, এই ৩টি প্ল্যান্ট “ডেভেলপমেন্ট অফ সেমিকন্ডাক্টরস অ্যান্ড ডিসপ্লে ম্যানুফ্যাকচারিং ইকোসিস্টেম ইন ইন্ডিয়া”-র অধীনে অনুমোদিত হয়েছে। তিনটি প্ল্যান্টের মধ্যে দু’টি হবে পশ্চিম ভারতের গুজরাটে এবং অপরটি উত্তর পূর্ব ভারতের ১টি অসমে। ৩টি চিপ প্ল্যান্টের জন্য আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে ১.২৬ লক্ষ কোটি টাকা। এই চিপ প্রকল্পে প্রত্যক্ষভাবে ২৬ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান ১ লাখ মানুষের হবে বলেই জানা গিয়েছে (Make in India)। এনিয়ে ট্যুইট সামনে এসেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও। তিনি এটিকে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ভারতের আত্মনির্ভরতা বলে উল্লেখ করেছেন।

    গুজরাটে ২টি প্ল্যান্ট কোথায় কোথায় হবে?

    জানা গিয়েছে, টাটা ইলেকট্রনিক্স এবং তাইওয়ানের পাওয়ার চিপ সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে ৯১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে গুজরাটের ধলেরাতে (Make in India) একটি চিপ ফ্যাব্রিকেশন প্ল্যান্ট তৈরি করবে। টাটা গ্রুপ ছাড়াও, সিজি পাওয়ার, জাপানের রেনেসাস ইলেকট্রনিক্স কর্পোরেশন এবং থাইল্যান্ডের স্টার মাইক্রো ইলেকট্রনিক্সের যৌথ উদ্যোগে গুজরাটের সানন্দ অপর প্ল্যান্টটি তৈরি হবে। সানন্দের সেমিকন্ডাক্টর প্ল্যান্টটি ৭,৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হবে বলে জানা গিয়েছে।

    অসমের মরিগাঁওয়ে হবে প্ল্যান্ট

    এছাড়াও টাটা গ্রুপের অধীনে থাকা টাটা সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি অ্যান্ড টেস্ট প্রাইভেট লিমিটেড অসমের (Make in India) মরিগাঁওয়ে ২৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে একটি প্ল্যান্ট তৈরি করবে। এটির প্রতিদিন ৪.৮ কোটি চিপ উৎপাদন করবে। এনিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ‘‘আজ প্রধানমন্ত্রী দেশে সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাব স্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রথম বাণিজ্যিক সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাবরিকেশন প্ল্যান্টটি টাটা এবং পাওয়ারচিপ-তাইওয়ানের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি হবে। যার কারখানা হবে গুজরাটের ধলেরাতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার বৃহস্পতিবার দেশে তিনটি সেমিকন্ডাক্টর প্ল্যান্ট স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। আগামী ১০০ দিনের মধ্যে তাদের নির্মাণ কাজ শুরু হবে। টাটা ইলেকট্রনিক্স প্রাইভেট লিমিটেড তাইওয়ানের পাওয়ারচিপ সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কর্পোরেশনের সঙ্গে সহযোগিতায় গুজরাটে একটি সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট স্থাপন করবে। যেটি হবে ধলেরায়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: তৃতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির হার সর্বকালের সেরা ৮.৪ শতাংশ,  উচ্ছ্বসিত পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: তৃতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির হার সর্বকালের সেরা ৮.৪ শতাংশ, উচ্ছ্বসিত পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তড়তড়িয়ে এগিয়ে চলেছে ভারতের অর্থনীতি। আর্থিক বৃদ্ধির হারে ক্রমশ উন্নতি করছে ভারত। জাতীয় পরিসংখ্যান দফতরের (এনএসও) তরফে বৃহস্পতিবার যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে, ২০২৩-’২৪ অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিক অর্থাৎ অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৪ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান সামনে আসতেই এক্স হ্যান্ডেলে উচ্ছ্বসিত পোস্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পোস্টের মধ্য দিয়েই জিডিপির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দেশবাসীকে শুভেচ্ছাবার্তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার দেখে খুশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সমাজ মাধ্যমে তিনি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, ‘‘২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি ৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি আদপে ভারতের অর্থনীতির শক্তি ও ক্ষমতারই প্রতিফলন। আরও অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য আমাদের সর্বক্ষণের চেষ্টা চলছে। আমাদের চেষ্টা চলছে বিকশিত ভারতের হাত ধরে ১৪০ কোটি ভারতবাসীকে আরও উন্নত জীবন উপহার দেওযার। সেই লক্ষ্যে আমরা আরও দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতির চেষ্টা করব।’’ কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন, ভারত শীঘ্রই বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে চলেছে। ২০২৭ সালের মধ্যে দেশকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি করার লক্ষ্যমাত্রাও নিয়ে ফেলেছে ভারত সরকার। দেশে জিডিপি বৃদ্ধির হার তারই প্রমাণ বলে মনে করছে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

    ভারতীয় অর্থনীতির বিজয়রথ অব্যাহত

    অতিমারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অনিশ্চিত হয়ে পড়া বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারত যে ব্যতিক্রমী, দু’বছর আগেই সে কথা জানিয়েছিল, বিশ্ব ব্যাঙ্ক, আইএমএফ, ব্লুমবার্গ ইকনমিক্স-সহ বিভিন্ন আর্থিক ও পরামর্শদাতা সংস্থা। এই পরিস্থিতিতে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ ছুঁতে পারবে কি না, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। কিন্তু গত বছরের মে মাসে প্রকাশিত সরকারি রিপোর্ট জানায়, জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭.২ শতাংশ। এ বার তা আরও বাড়তে চলেছে। ভরতীয় অর্থনীতির বিজয়রথ যে শীঘ্রই নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে চলেছে সেই পূর্বাভাস দিচ্ছে আর্থিক উপদেষ্টা মরগান স্ট্যানলির একটি রিপোর্টও। মরগান স্ট্যানলি তাদের ‘দ্য ইন্ডিয়া অপর্চুনিটি’ রিপোর্টে বলেছে, ২০২২ সালে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ছিল ২৪০০ ডলার। যা আগামী ১০ বছরে ৩৬০০ ডলারে পরিণত হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Fire: ঢাকায় বহুতলে আগুন, মৃত অন্তত ৪৩! অগ্নিবিধি না মানার জন্যই কি দুর্ঘটনা?

    Bangladesh Fire: ঢাকায় বহুতলে আগুন, মৃত অন্তত ৪৩! অগ্নিবিধি না মানার জন্যই কি দুর্ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকায় (Bangladesh Fire) একটি বহুতলে আগুন লেগে অন্তত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত কমপক্ষে ৪০ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। 

    কীভাবে ঘটল ভয়াবহ ঘটনা

    ঢাকার (Bangladesh Fire) দমকল বিভাগের আধিকারিক জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ বেইলি রোডের একটি বহুতলে আগুন লাগে। বাড়িট সাত তলা। ওই ভবনের নিচের তলায় একটি কফির দোকান আছে। সেখান থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন সিআইডি আধিকারিক মোহাম্মদ আলী মিয়া। ওই বহুতলটি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হত। সেখানে খাবারের দোকান ছাড়াও জামাকাপড়, মোবাইল এবং অন্যান্য দোকান ছিল। বহুতলটির দ্বিতলে একটি বিরিয়ানির দোকান ছিল। সেখানেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আগুন ক্রমে উপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। নীচ থেকে উপরের দিকে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় বাড়িটির মধ্যেই অনেকে আটকে পড়েন। আগুন এবং ধোঁয়ার হাত থেকে বাঁচতে অনেকে ছাদে গিয়ে আশ্রয় নেন। বহুতলটির ভিতর থেকে মোট ৭৫ জনকে জীবিত অবস্থায় বাইরে বার করে আনা গিয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। 

    আরও পড়ুন: ভোররাত পর্যন্ত বৈঠকে মোদি, লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    অগ্নিবিধি লঙ্ঘন করার ফলে বাংলাদেশের বহুতলে বা কারখানয় আগুন লাগার ঘটনা নতুন কিছু নয়। বারবার এই ধরনের ঘটনার সাক্ষী থাকে ওপার বাংলা। এদিনের এই ভয়াবহ ঘটনার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্তলাল সেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করে এএফপিকে বলেন, “এখনও পর্যন্ত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংখ্যাটি আরও বাড়তেও পারে। আহতদের চিকিৎসা চলছে।” এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আহতদের যাতে ঠিকমত চিকিৎসা হয় তা নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছন তিনি। এই ঘটনার কারণ জানতে ৫সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোররাত পর্যন্ত বৈঠকে মোদি, লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত

    Lok Sabha Election 2024: ভোররাত পর্যন্ত বৈঠকে মোদি, লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের প্রথম প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শুরু হয়ে, শুক্রবারভোর ৩টে পর্যন্ত চলে এই বৈঠক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বৈঠকে বসে বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ এবং রাজনাথ সিং। বাংলায় আসার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বৈঠকে বসলেও এখানে বাংলার জন্য কোনও প্রার্থী নির্বাচিত হয়নি বলেই খবর। প্রাথমিকভাবে ২০টি রাজ্যের প্রার্থীতালিকা নিয়ে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক সেরেছেন বলে খবর। মিলেছে তাঁর সবুজ সংকেতও। ফলে পদ্ম শিবিরের প্রথম ধাপের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা এখন কেবলমাত্র সময়ের অপেক্ষা।

    বৈঠকে পর্যালোচনা

    প্রাথমিক ভাবে এদিন গোটা কুড়ি রাজ্যের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকায় সবুজ সঙ্কেত দেয় বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। সূত্রের মতে, আগামী ১০ মার্চের মধ্যে প্রায় সাড়ে তিনশো আসনে প্রার্থী ঘোষণার কাজ সেরে ফেলতে চান বিজেপি নেতৃত্ব। রাত ১১টা নাগাদ বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, এদিন যে আসনগুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে বারাণসী। যেখান থেকে লড়বেন নরেন্দ্র মোদি। এ ছাড়া অমিত শাহ (গান্ধীনগর), রাজনাথ সিং (লখনউ)-দের মতো হেভিওয়েটদের আসন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে শীঘ্রই প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিলে বিরোধী মঞ্চ ‘ইন্ডি’র উপরে চাপ তৈরি করবে বিজেপি। এছাড়া, প্রার্থী ঘোষণা হলে প্রচারের ক্ষেত্রে কিছুটা এগিয়ে থাকবেন গেরুয়া প্রার্থীরা। সূত্রের খবর, প্রথম দফায় দেড়শোর মতো আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারে বিজেপি।

    বৈঠকে কারা কারা

    বৃহস্পতিবার রাতের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীস, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব, ছত্তীসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এবং গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত-সহ আরও অনেকে। সূত্রের খবর, উত্তর প্রদেশে এনডিএ শরিকদের ৬টি আসন ছাড়তে চলেছে বিজেপি। ২টি আসন বরাদ্দ করা হবে রাষ্ট্রীয় লোকদল বা আরএলডি-কে। মির্জাপুর এবং রবার্টসগঞ্জ আসনদুটি ছাড়া হবে আপনা দল (এস)-কে। আর ঘোসি এবং সন্ত কবির নগর আসনদুটি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে যথাক্রমে সুভাষা এবং নিষাদ পার্টি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Koustav Bagchi Joins BJP: বিজেপিতে যোগ দিলেন কৌস্তভ, জানালেন কেন ছাড়লেন কংগ্রেস? 

    Koustav Bagchi Joins BJP: বিজেপিতে যোগ দিলেন কৌস্তভ, জানালেন কেন ছাড়লেন কংগ্রেস? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে যোগ দিলেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী (Koustav Bagchi)। বৃহস্পতিবার বিজেপি কার্যালয়ে গিয়ে পদ্মপতাকা হাতে নেন তিনি। একদিন আগেই কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দেন কৌস্তভ। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগ দিলেন বিজেপিতে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে হাতে তুলে নিলেন পদ্ম-পতাকা। 

    কেন বিজেপিতে

    বিজেপিতে যোগ দিয়েই কৌস্তভ বাগচী বলেন, “মানুষের চাহিদা পূরণ না করলে তো রাজনীতি করার কোনও অর্থ নেই। যেখানে প্রদেশ কংগ্রেসের গুরুত্ব নেই। সেখানে সে দলের সঙ্গে থাকার কোনও অর্থ নেই। সন্দেশখালি নিয়ে কংগ্রেসের উচ্চ নেতৃত্ব চুপ। আমার মনে হচ্ছে দিনের পর দিন কংগ্রেস যেভাবে তৃণমূল নিয়ে নরম মনোভাব দেখাচ্ছে, সেখানে আত্ম মর্যাদা নিয়ে সেই দলে থাকা যায় না।” কৌস্তভের বক্তব্য, “সন্দেশখালিকাণ্ডে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। অথচ কংগ্রেসের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দলের মধ্যেও এ নিয়ে অসন্তোষের জায়গা আছে। কেউ বলছে কেউ বলছে না। আমার মনে হয় এখানে থাকাটা নিজের আত্মমর্যাদার সঙ্গে সমঝোতা করা। এই তৃণমূলের প্রতি নরম অবস্থান নিয়ে রাজ্যে তৃণমূলকে উৎখাত করা যাবে না।” সেই লড়াই লড়তেই তিনি বিজেপিতে যোগ দিলেন বলে জানান।

    কংগ্রেস ছাড়লেন কেন

    কৌস্তভ বলেন, “কংগ্রেস কেউই ছাড়ে না, ছাড়তে বাধ্য করা হয়। কংগ্রেস হাইকমান্ডের কাছে রাজ্য তৃণমূলই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রদেশ কংগ্রেসের কোনও গুরুত্ব নেই। কংগ্রেস তার রাজনৈতিক সত্তা হারিয়েছে। সেই কারণেই পদত্যাগ বলে দাবি করেছেন কৌস্তভ। অনেক দিন ধরেই দলে কিছু জিনিস ঠিক চলছিল না। বার বার সেগুলি তুলে ধরেছিলাম। কিন্তু দল যে কোনও পরামর্শ চায় না, তা স্পষ্ট হয়ে যায়।” কৌস্তভের প্রশংসা করে এদিন শুভেন্দু বলেন, “গত দু’আড়াই বছরে জ্বলন্ত ইস্যুগুলির ক্ষেত্রে, দলের বাইরে গিয়ে, বাংলার মানুষের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। সশরীরে বিভিন্ন এলাকাতেও গিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার তাঁকে গ্রেফতার করে, অনেক আইনি লড়াইও করতে হয় তাঁকে। মোদিজি-কে ৪০০-র বেশি আসন দিয়ে তৃতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী করব আমরা। গৃহমন্ত্রী যে ৩৫ আসনের লক্ষ্য দিয়েছেন বাংলা থেকে, বাংলার একটা বড় অবদান থাকবে। সেই লক্ষ্যে অবিচল থেকে, দায়িত্বশীল কর্মী হিসেবে কাজ করব আমরা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share