Tag: bangla news

bangla news

  • North Bengal Weather: তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, তুষারপাত দার্জিলিঙে

    North Bengal Weather: তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, তুষারপাত দার্জিলিঙে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতে দক্ষিণবঙ্গে যেখানে পারদ ঊর্ধ্বমুখী অপর দিকে উলটো দিকে কাঁপছে গোটা উত্তরবঙ্গ (North Bengal Weather)। আবহাওয়া দফতর থেকে ইতি মধ্যে এই পরিস্থিতিতে ‘কোল্ড ডে’ ঘোষণা করেছে। অপর দিকে দার্জিলিঙের তাপমাত্রা নামল শূন্যের নিচে। দার্জিলিং, কালিম্পং, সিকিমের পাহাড় মেঘাচ্ছন্ন। মাঝে মধ্যে শিলাবৃষ্টি এবং আংশিক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সেই সঙ্গে রয়েছে তুষারপাতের প্রবল সম্ভাবনা।

    উত্তরবঙ্গে তীব্র ঠান্ডা (North Bengal Weather)

    সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এবার মেঘে ঢাকা কালিম্পংকে পেছনে ফেলে দিল কোচবিহার (North Bengal Weather)। বৃহস্পতিবার কালিম্পংকে থেকে ২ ডিগ্রি তাপমাত্রা কম নামল কোচবিহার। কালিম্পংয়ের তাপমাত্রা ছিল ৯.৫ ডিগ্রি এবং কোচবিহারের তাপমাত্রা ছিল ৭.৯ ডিগ্রি তাপমাত্রা। অপর দিকে দার্জিলিঙের তাপমাত্রা ছিল শূন্য ডিগ্রির নিচে। বছরের সব থেকে শীতলতম দিন ছিল এই দিন। এই পরিস্থিতি আরও ২ থেকে ৩ দিন থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আকাশ কুয়াশা এবং আংশিক মেঘলা থাকবে বলে জানা গিয়েছে। রোদের দেখা মিলবে না বললেই হয়। বিক্ষিপ্ত ভাবে দুই এক জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গত বেশ কিছু দিন ধরে কোচবিহারে গত কয়েক দিন থেকেই কুয়াশা এবং মেঘে ঢাকা, সূর্য ওঠেনি। প্রবল শীতের প্রভাব চলছে জেলাগুলিতে। আবার সিকিমের তাদং এলাকার তুলনায় থেকেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কম ছিল কোচবিহারে। কোচবিহারের সঙ্গে গ্যাংটকের তাপমাত্রার পার্থক্য ছিল দু’ডিগ্রিরও কম।

    হাওয়া অফিসের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের সিকিমের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, “কালিম্পংয়ে (North Bengal Weather) মেঘ রয়েছে। সমতলের আরও কিছু জায়গায় কোচবিহার সহ কয়েকটি জেলায় মেঘলা থাকবে। বিকেলের পর থেকে আসামের দিকে সরে যাবে মেঘ। রাতে মেঘ মুক্ত হলে তাপমাত্রা নিচে নামবে।”

    কেমন থাকবে দার্জিলিংয়ের আবহাওয়া?

    দার্জিলিং (North Bengal Weather) এবং উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর। সেই সঙ্গে শুক্র ও শনিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং সিকিমের পাহাড় মেঘাচ্ছন্ন। মাঝে মধ্যে শিলাবৃষ্টি, বৃষ্টিও চলছে। একই ভাবে সান্দাকফু, নাথুলার মতো উঁচু পাহাড়ে চলছে তুষারপাত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Railway: দেশের ৩০০টিরও বেশি রেল স্টেশন নামাঙ্কিত হবে রাম-নামে, পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে ক’টি?

    Railway: দেশের ৩০০টিরও বেশি রেল স্টেশন নামাঙ্কিত হবে রাম-নামে, পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে ক’টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে প্রভু শ্রী রামের নামে নামকরণ করা হবে ৩০০টিরও বেশি রেল স্টেশন (Railway)। বাংলায় ৫০টি রেল স্টেশনের নতুন নামকরণ হবে রামের নামে। এই কথা রেলমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ভারতের কোটি কোটি মানুষের মনে প্রভু শ্রীরামেকে ঘিরে ঐতিহাসিক, পৌরাণিক, সাহিত্যিক এবং মহাকাব্যিক রাম চরিত্রের প্রতি ধর্মীয় আস্থা, বিশ্বাস রয়েছে। প্রভু শ্রীরামের ‘রাম নাম ছাড়া জগতের উদ্ধার নেই’ এই কথা শত শত বছর ধরে ভারতীয়দের মনের গভীরে গেঁথে রয়েছে। এবার দেশের রেল ব্যবস্থার যোগাযোগ মাধ্যমে অত্যাধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেশ কিছু স্টেশনের নব পরিচয় হবে রামচন্দ্রের নামে।

    কী জানা গিয়েছে(Railway)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৪৩টি রেল স্টেশনের (Railway) নতুন নামকরণ করা হবে। জায়গা বা স্থানের নামের সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে পরম্পরায় বাহিত এবং নান্দনিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে এই রেল স্টেশনগুলির নতুন নামকরণ করা হবে। স্টেশনগুলিকে নানা বর্ণের আর্ট, শিল্পকলা, প্রতিচ্ছবি এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ সাজে সাজানো হবে।

    রেলের তরফ থেকে আরও জানা গিয়েছে, আগামী ২২ তারিখ রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে ৮০০০টি রেল স্টেশনে প্রদীপ জ্বালিয়ে দীপাবলি উৎসব পালন করা হবে। একই সঙ্গে ৯০০০টি স্টেশনের এলইডি পর্দায় রেলযাত্রীদের জন্য মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার দেখানো হবে।

    কোন প্রদেশে কটা স্টেশনের নাম হবে?

    দেশের যে যে রাজ্যের যতগুলি রেল স্টেশনকে (Railway) রামের নামে নামাঙ্কিত হবে তা হল— অন্ধ্রপ্রদেশে ৫৫টি, অসমে ১০টি, বিহারে ২৮টি, ছত্তিশগড়ে ৪টি, গুজরাটে ৭টি, হারিয়ানাতে ১টি, হিমাচল প্রদেশে ১টি, জম্মু-কাশ্মীরে ২টি, ঝাড়খণ্ডে ৯টি, কর্নাটকে ১৫টি, কেরলে ১৫টি, মধ্যপ্রদেশে ১৬টি, মহারাষ্ট্রে ৫টি, ওড়িশায় ৭টি, পাঞ্জাবে ৪টি, রাজস্থানে ১৫টি, তামিলনাড়ুতে ৫৪টি, তেলঙ্গানায় ১৭টি, ত্রিপুরায় ১টি, উত্তরপ্রদেশে ২৬টি, উত্তরাখণ্ডে ১টি এবং পশ্চিমবঙ্গে ৫০টি। রাম ভক্তদের কাছে এই খবর আরও উচ্ছ্বাস এবং আবেগের।

    পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক আদান প্রদানের

    সূত্রে জানা গিয়েছে, রেল (Railway) ব্যবস্থা এই স্টেশনের নামকরণে আগামী দিনে পর্যটন শিল্প বিকাশের একটি বিরাট ক্ষেত্রের সম্ভবনা তৈরি করবে। ভারতের হাজার বছরের পুরাতন সমৃদ্ধশীল সংস্কৃতিকে বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি বড় মাধ্যম হবে। পর্যটকরা রেলপথে ভ্রমণের সময় ভারতের বৈচিত্রময় সংস্কৃতির নানা ভাবনার কথা জানতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: আদালতে খারিজ আবেদন, সরকারি বাংলো খালি করলেন বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া

    Mahua Moitra: আদালতে খারিজ আবেদন, সরকারি বাংলো খালি করলেন বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র যাতে সরকারি বাংলো খালি করতে না হয়। কিন্তু মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) আবেদন গতকালই খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। শুক্রবার সকালেই বাংলো খালি করলেন ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগে বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া (Mahua Moitra)। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালেই কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের অধীন ‘ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট’- এর আধিকারিকরা এসে মহুয়ার বাংলো খালি করার প্রক্রিয়া শুরু করেন।

    ডিসেম্বরেই সাংসদ পদ খারিজ হয় মহুয়ার 

    প্রসঙ্গত, গত ৮ ডিসেম্বর লোকসভায় সাংসদ পদ খারিজ হয় মহুয়া মৈত্রর। সে সময় তাঁকে ৮ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো খালি করা নির্দেশ দেয় ‘ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট’। কিন্তু সে পথে হাঁটেননি মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। তাই ফের তাঁর কাছে নোটিশ পাঠানো হয়। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে গেলে সেখানেও তাঁর আবেদন খারিজ হয়। জানা গিয়েছে, দিল্লির টেলিগ্রাফ লেনে ৯বি নম্বর বাংলোটি ছিল মহুয়া মৈত্রর।

    দর্শন হিরানন্দানির কাছে টাকা নিতেন মহুয়া

    মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে দুবাই কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে তিনি সুযোগ-সুবিধা নিতেন। তাঁর কাছ থেকে বিদেশ ট্যুরের টাকাও নেন মহুয়া। এর বিনিময়ে দর্শন হিরানন্দানির সাজিয়ে দেওয়া প্রশ্নগুলোই সংসদে উত্থাপন করতেন তিনি। শুধু তাই নয় সংসদের লগ-ইন আইডিও ছিল দর্শন হিরানন্দানির সংস্থার কাছেই। ওই সংস্থার এক কর্মী মহুয়ার হয়ে সংদের পোর্টালে লগ-ইন করে প্রশ্ন উত্থাপন করতেন। এরপরেই তাঁকে (মহুয়া মৈত্র) সংসদের এথিক্স কমিটি তলব করে। সেখানেও একপ্রস্থ নাটক করেন মহুয়া (Mahua Moitra)। এথিক্স কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করেন। পরবর্তীকালে তাঁর সাংসদ পদ খারিজ হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে কঠোর ‘যম নিয়ম’ পালন করছেন মোদি, কী এর তাৎপর্য?

    Narendra Modi: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে কঠোর ‘যম নিয়ম’ পালন করছেন মোদি, কী এর তাৎপর্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তরের শুদ্ধিকরণে কঠোর নিয়ম পালন করছেন মোদি (Narendra Modi)। রাম মন্দিরের উদ্বোধন এবং প্রাণ প্রতিষ্ঠার ১১ দিন আগে থেকেই এই সংযম করছেন। গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রধান যজমানের ভূমিকা পালন করবেন। তাই খাবার এবং ঘুমে কঠোর নিয়ম পালনে রয়েছেন তিনি। শাস্ত্রের বিধান অনুযায়ী বিধিনিষেধর মধ্যে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারী রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। প্রধান পৌরহিত্য করবেন বারাণসীর লক্ষ্মীকান্ত দীক্ষিত। ভারত এবং ভারতের বাইরে থেকে আমন্ত্রিত অতিথিরা যোগদান করবেন এই অনুষ্ঠানে। গতকাল গর্ভগৃহে বাসনো হয়েছে রামলালার কৃষ্ণশিলা মূর্তি।

    খাবারের তালিকায় কী রয়েছে (Narendra Modi)

    প্রাণ প্রতিষ্ঠার ১১ দিনব্যাপী সংযমের মধ্যে দিয়ে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। খাবারের তালিয়ায় কঠিন নিয়মের পালন করছেন। এই নিয়মকে ‘যম নিয়ম’ বলা হয়েছে। এখানে ‘যম’ মানে হল ‘সংযম’। তিনি ডাবের জল খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। খাবারের তালিকায় রয়েছে কেবল মাত্র ফলাহার। মূলত সাত্ত্বিক আহারে দিনপাত করছেন তিনি। রাতে ঘুমাচ্ছেন মাটিতে কম্বল বিছিয়ে।

    সংযমের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন মোদি

    ‘যম নিয়ম’ এবং অনুশাসনের মধ্যে থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) নিজের দফতরের কাজ সামলাচ্ছেন। সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি মহারাষ্ট্র, কেরল, এবং অন্ধ্রপ্রদেশে বিশেষ যাত্রা করেছেন। একই সঙ্গে একাধিক মন্দিরে ভক্তি নিবেদন করতে যাচ্ছেন। রামের ভজন কীর্তন শ্রবণ এবং জপ করছেন। সূর্য উদয়ের আগেই ঘুম থেকে উঠছেন। ঘুম থেকে উঠেই ধ্যান করছেন। কেরলের এর্নাকুলাম সরকারি গেস্ট হাউসে থাকার সময় রাতে কেবলমাত্র ফলাহার করেছেন।

    যম নিয়ম শাস্ত্রসম্মত

    শাস্ত্রের একটি বড় বিধান হল রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার সময় কঠিন নয়ম পালন করতে হয়। এই যমের সঙ্গে শাস্ত্রের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। অষ্টাঙ্গ যোগের আটটি অঙ্গের মধ্যে প্রথমে যম এবং তারপরে নিয়ম ব্যাখ্যার কথা বলা হয়েছে। আচার মেনে নিয়ম করে যজমানদের স্নান করতে হয়। নিয়মের বাইরে গিয়ে খাওয়া দাওয়া করা যায় না। প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে এই নিয়ম পালন করতে হয়। দৈনিক কাজের ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও নানান সংযম পালন করে এক ধর্মীয় নিষ্ঠার প্রকৃষ্ট উদাহরণ তুলে ধরেছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘রাষ্ট্র বিরোধীরা রামের বিরুদ্ধে মিছিল করবে’’, মমতার সংহতি কর্মসূচিকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘রাষ্ট্র বিরোধীরা রামের বিরুদ্ধে মিছিল করবে’’, মমতার সংহতি কর্মসূচিকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকালেই ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণ করতে গিয়ে ফের মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। মেদিনীপুরের সাংসদ জানান, রাষ্ট্র বিরোধীদের নিয়ে রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে সংহতি মিছিল করছে তৃণমূল। পাশাপাশি দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে উঠে আসে নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মিডলম্যান প্রসন্ন রায়ের কথাও। প্রসঙ্গত, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ এই ‘মিডলম্যান’ নিয়োগ দুর্নীতিতে আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন। সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হন তিনি। এবং বৃহস্পতিবারে তাঁর (প্রসন্ন রায়ের) একাধিক আস্তানায় তল্লাশি চালায় ইডি।

    রাষ্ট্র বিরোধীদের নিয়ে তৃণমূলের মিছিল

    তৃণমূলের সংহতি মিছিল নিয়ে দিলীপের (Dilip Ghosh) মন্তব্য, ‘‘আগে তৃণমূল নিজেদের মধ্যে সংহতি করুক। সংহতির নামে হিন্দু বিরোধীদের এককাট্টা করার চেষ্টা হচ্ছে। আমার মনে হয় না কোনও হিন্দু এই সংহতি মিছিলে যাবে। যারা তৃণমূলের উচ্ছিষ্টভোগী, এই করেই খাচ্ছে আর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, এরকম কিছু লোক যাবে। আর যারা সিএএ পাস হওয়ার পর সারা বাংলায় আগুন জ্বালিয়ে ট্রেন, বাস, রেল, জাতীয় সড়ক অচল করেছিল, সেই সমস্ত রাষ্ট্রবিরোধীদের নিয়ে এখানে রামের বিরুদ্ধে মিছিল হবে।’’ প্রসঙ্গত, মমতার সংহতি মিছিল থেকে সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট হতে পারে এই অভিযোগ আগেই তুলছেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন দিলীপ ঘোষের কথাতেও দেখা গেল বিরোধী দলেনেতারই সুর।

    প্রসঙ্গ নিয়োগ দুর্নীতি ও প্রসন্ন রায়

    নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির তল্লাশি অভিযান নিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘আগে তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই আগের বার তিনি জামিন পেয়েছিলেন। কিন্তু ইডি মনে করছে আরও তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে। তাই ফের তদন্ত হচ্ছে। জাল এতো বড় যে কে যুক্ত আর কে নয়, অনেকে অজান্তে যুক্ত হয়ে পড়েছে। কে সুবিধা পেয়েছে কে পায়নি, এভাবেই বিশাল বিস্তার হয়েছে। তার কিনারা খোঁজার চেষ্টা চলছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন রাজ্যেও ছুটি চাই, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি সুকান্তর

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন রাজ্যেও ছুটি চাই, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন ২২ জানুয়ারি। উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার তো বটেই একাধিক রাজ্যে স্কুল ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারও ইতিমধ্যে কর্মীদের জন্য অর্ধদিবসের ছুটি ঘোষণা করেছে। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। নিজের ফেসবুক ও এক্স হ্যান্ডেলে ওই চিঠি পোস্টও করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    কী লিখলেন সুকান্ত মজুমদার?

    মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে ওই চিঠিতে (Ram Mandir) সুকান্ত মজুমদার লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আমি লিখিত অনুরোধ করেছি যেন উনি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে আগামী ২২ জানুয়ারি ২০২৪-এর পবিত্র দিনে সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করেন। এর ফলে বাংলার নতুন প্রজন্ম ভারতের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠতে পারবে এবং তাদের মন ভারতীয় গরিমায় প্লাবিত হবে যখন তারা রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার সাক্ষী হয়ে থাকবে।’’

    রাম মন্দিরের সরাসরি সম্প্রচার হবে দূরদর্শনে

    জানা গিয়েছে, রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেখানো হবে ডিডি নিউজ এবং ডিডি ন্যাশনাল চ্যানেলে। সেখানে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে অনুষ্ঠান। রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন শুধুমাত্র এএনআই এবং দূরদর্শনকেই সেখানে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনও সংবাদমাধ্যম রাম মন্দির চত্বরে থাকতে পারবে না বলেই জানানো হয়েছে। গত ডিসেম্বরে শেষ সপ্তাহে একথা জানায় রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Temple: রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে বসল রামলালার মূর্তি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    Ayodhya Ram Temple: রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে বসল রামলালার মূর্তি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) গর্ভগৃহে কৃষ্ণশিলায় নির্মিত রামলালার মূর্তি বসানোর ছবি সমানে এল। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ২৮ মিনিটের মাহেন্দ্রক্ষণে মন্দিরে বাসনো হয় এই মূর্তি। গর্ভগৃহের এই মূল বেদিতেই বিরাজমান থাকবেন প্রভু রাম। সংবাদমাধ্যমের কাছে এই ছবি প্রকাশিত হতেই রামভক্তদের মধ্যে বিপুল উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    শোভাযাত্রা করে বসানো হল মূর্তি (Ayodhya Ram Temple)

    বুধবার সন্ধ্যায় শোভাযাত্রা করে অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Temple) নিয়ে আসা হয়েছিল রামলালার মূর্তি। এরপর বৃহস্পতিবার দুপরে শিশু সুলভ সরল বালক রূপী রামের ৫১ ইঞ্চির মূর্তিটি ‘শুভ মুহূর্তে’ গর্ভগৃহে স্থাপন করা হয়। স্থাপনের পর, বৈদিক মতে মূর্তিটির বিশেষ পুজো করেন ব্রাহ্মণ এবং আচার্যরা। ওই পুজোতে অংশ গ্রহণ করেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং ট্রাস্টের সদস্যরা। পবিত্র বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণের মধ্যে এদিন মূর্তির পুজো অনুষ্ঠিত হয়। তার পর রামলালার সেই প্রথম ছবি প্রকাশিত হয়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মিডিয়া ইনচার্জ শরদ শর্মা ছবিটি প্রথম প্রকাশ্যে তুলে ধরেন। তবে মূর্তির মূখমণ্ডল হলুদ কাপড়ের আবরণে আবৃত। গায়ে ছিল সাদা চাদর। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে এই মূর্তি উন্মোচিত হবে।

    ভোটের মাধ্যমে মূর্তি নির্বাচিত হয়

    শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টদের সদস্যরা ভোটদানের মাধ্যমে এই মূর্তিকে মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) গর্ভগৃহের জন্য নির্বাচিত করেন। মূর্তির শিল্পী হলেন কর্নাটকের ভাস্কর অরুণ যোগীরাজ। জানা গিয়েছে, যোগীরাজের পরিবার কয়েক পাঁচ পুরুষ ধরে মূর্তি নির্মাণের কাজ করে থাকেন। মূর্তিটি কৃষ্ণশিলা থেকে খোদাই করে তৈরি করা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই মূর্তিকে আকর্ষণীয়, টেকসই, ভাস্কর্যের বিচারে চমকপ্রদ করতে কৃষ্ণশিলা ব্যবহার করা হয়েছে। মেঙ্গালুরুর কাছেই কারকালা শহরে পাওয়া যায় এই শিলা। 

    ২২ জানুইয়ারি হবে প্রাণ প্রতিষ্ঠা

    আগামী ২২ জানুয়ারি রামমন্দির (Ayodhya Ram Temple) উদ্বোধনের দিন দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে গর্ভগৃহে বাসানো এই মূর্তিটির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রধান যজমানের ভূমিকা পালন করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গোটা আচার-অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধান, সমন্বয় এবং পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন শ্রী গণেশ্বর শাস্ত্রী দ্রাবিড়। প্রধান আচার্য হবেন কাশীর শ্রী লক্ষ্মীকান্ত দীক্ষিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রাণ প্রতিষ্ঠার সময় গর্ভগৃহে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের পরিচালক মোহন ভাগবত, উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দিনে কাঁপছে কলকাতা! রাতে বাড়ল তাপমাত্রা, সপ্তাহান্তে কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    Weather Update: দিনে কাঁপছে কলকাতা! রাতে বাড়ল তাপমাত্রা, সপ্তাহান্তে কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুয়াশা-মাখা সকালেই ঘুম ভাঙল কলকাতার। লেপ-কম্বল ছাড়তেই ইচ্ছে করছে না। তবু স্কুল-অফিস, ছুটি তো নেই! বেলা বাড়তে সূর্যের মুখ দেখা গেলেও অনবরত বইছে ঠান্ডা হাওয়া। তারপর গতকালের বৃষ্টি। যার জেরে কার্যত জুবুথুবু অবস্থা শহরবাসীর। দিন যেন দিন নয়। স্বাভাবিকের অনেকটা নিচে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (Weather Update) । আবার মেঘে ঢাকা আকাশ থাকার জন্যই রাতে পারদপতনে বাধা।

    শীতের আমেজ শহর জুড়ে

    ঠান্ডার মধ্যে মূলত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে অস্বস্তি বাড়ছে। বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৯.২ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের চেয়ে ৭ ডিগ্রি কম। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি বেশি। আবহবিদরা (Weather Update) বলছেন, আজ দক্ষিণবঙ্গের ২ জেলায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া দফতর (IMD) সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবারেও দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি চলবে। শুক্রবার সকালের দিকে শহর কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা। শীতের আমেজ থাকলেও কাঁপন কমেছে।  কলকাতার তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে বলে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস। বৃষ্টির পরেও তাপমাত্রা খুব একটা নামবে না, বরং বাড়তে পারে। 

    আরও পড়ুন: মৃত্যুর পর এল চাকরির চিঠি! ষাটোর্ধ্ব ৬২ জনকেও শিক্ষকের নিয়োগপত্র রাজ্যের

    কুয়াশার দাপট

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে (Weather Update) জানা গিয়েছে, আপাতত আগামী দিন চারেক উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই কুয়াশার (Fog) দাপট থাকবে। এমনিতেই মারাত্মক ঠান্ডায় কাঁপছে শৈলশহর দার্জিলিং (Darjeeling)। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Forecast) বলছে এবার শূন্যের নীচে নেমে যেতে পারে পাহাড়নগরী দার্জিলিঙের পারদ (Darjeeling Weather)। হতে পারে তুষারপাতও। আগামী  দু-তিনদিন ঠান্ডায় কাঁপবে উত্তরবঙ্গে পাহাড়ি এলাকাগুলি। পার্বত্য এলাকাগুলিতে হতে পারে শিলাবৃষ্টিও। জমিয়ে শীত উপভোগ করছেন উত্তরবঙ্গবাসী। আগামী কয়েক দিন একইরকম থাকবে আবহাওয়া।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ‘মিডলম্যান’ প্রসন্ন রায়ের বাড়ি-অফিসে ২১ ঘণ্টা তল্লাশি ইডির, বাজেয়াপ্ত প্রচুর নথি

    Recruitment Scam: ‘মিডলম্যান’ প্রসন্ন রায়ের বাড়ি-অফিসে ২১ ঘণ্টা তল্লাশি ইডির, বাজেয়াপ্ত প্রচুর নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে বৃহস্পতিবার শহরের বিভিন্ন জায়গায় হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। ২০২২ সালে নিয়োগ দুর্নীতিতে ‘মিডলম্যান’ হিসাবে গ্রেফতার (Recruitment Scam) হন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ প্রসন্ন রায়। সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পেয়েছিলেন তিনি। গতকাল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা তাঁরই বিভিন্ন ফ্ল্যাট, বাগানবাড়ি, অফিসে হানা দেয়। সূত্রের খবর, প্রসন্ন রায়ের বিভিন্ন আস্তানা থেকে প্রচুর নথিও উদ্ধার করেছেন গোয়েন্দারা। তদন্তকারীরা প্রায় ২১ ঘণ্টা তল্লাশি চালান বলে খবর। ইডি সূত্রে খবর, প্রসন্ন রায়ের অফিস ছিল টাকা লেনদেনের অন্যতম বড় আস্তানা, প্রসন্ন হয়ে উঠেছিলেন এসএসসি-র অন্যতম ‘মিডলম্যান’। টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের চাকরি করে দেওয়া হতো তাঁর অফিসের মাধ্যমে। সেই টাকা তারপর পৌঁছে যেত নেতা-মন্ত্রীদের কাছে।

    জিজ্ঞাসাবাদ প্রসন্ন রায়ের স্ত্রীকেও

    তদন্তের শেষে তিনটি ট্রাঙ্ক ও তিনটি ট্রলিতে ভর্তি করে কাগজপত্র নিয়ে যায় ইডি। জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত হওয়া নথির মধ্যে বেশ কিছু ব্যাঙ্কের পাস বইও রয়েছে। গতকাল রাতে সস্ত্রীক প্রসন্ন রায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করেন আধিকারিকরা। তদন্তে (Recruitment Scam) নেমে ইডি আধিকারিকরা প্রসন্ন রায়ের অফিসের কর্মচারীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা কেন্দ্রের, রাজ্যের সিদ্ধান্ত কী?

    সাত সকালেই হাজির হয় ইডি 

    জানা গিয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) গ্রেফতার হওয়া পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি ধৃত তৃণমূল বিধায়ক জীবন সাহারও ঘনিষ্ঠ প্রসন্ন রায়। এর আগে প্রসন্ন রায়ের বিভিন্ন আস্তানায় সিবিআই তল্লাশি চালালেও এই প্রথম অভিযানে নামে ইডি। গতকাল সকালেই ইডি আধিকারিকরা নিউটাউনে অবস্থিত প্রসন্ন রায়ের অফিসে প্রথমে পৌঁছান। তবে প্রায় দু’ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর চাবি খুলে ভিতরে প্রবেশ করেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার প্রসন্ন ঘনিষ্ঠ এক পরিবহণ ব্যবসায়ী রোহিত ঝা-এর বাড়িতেও হানা দেন গোয়েন্দারা।

    আরও পড়ুুন: “আমি বাংলা বলতে চাই, আপনারাও বাংলায় বলুন”, বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Centre Guidelines: ১৬ বছরের কম বয়সিদের কোচিংয়ে ভর্তি নয়, নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    Centre Guidelines: ১৬ বছরের কম বয়সিদের কোচিংয়ে ভর্তি নয়, নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ছেলে-মেয়েদের কোচিং সেন্টারে পাঠান অভিভাবকরা। রাজস্থান, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, কলকাতা-সহ সারা দেশ জুড়ে রমরমিয়ে চলছে বেসরকারি কোচিং সেন্টার (Coaching Centres Rules)। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক বা সর্বভারতীয় জয়েন্ট, নেট, সেট-এর মতো পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ছাত্রছাত্রীরা সেখানে ভিড় করে। তবে সম্প্রতি নানা জায়গায় কোচিং সেন্টারগুলিতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। কোথাও কোথাও অতিরিক্ত চাপ না নিতে পেরে নিজের জীবনও শেষ করে দিচ্ছে ছাত্রছাত্রীরা। তাই এবার কোচিং সেন্টারগুলির জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার (Centre Guidelines)। কোচিং সেন্টারে ভর্তির জন্য ছাত্র-ছাত্রীর বয়স বেঁধে দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার নতুন এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। 

    কী বলা হয়েছে নতুন নির্দেশিকায়

    নতুন নির্দেশিকা (Centre Guidelines) অনুযায়ী, ১৬ বছরের কম বয়সি পড়ুয়াদের কোচিংয়ে ভর্তি করা চলবে না। উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পরই পড়ুয়াদের কোচিংয়ে ভর্তি নেওয়া যাবে। কোনও কোচিং সেন্টার পড়ুয়াদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিলে বা অন্য কোনও অসদাচরণে করলে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। প্রয়োজনে ওই কোচিং সেন্টারের রেজিস্ট্রেশন বাতিলও করা হতে পারে। কোনও অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, এমন কোনও শিক্ষককে কোচিং সেন্টারগুলি নিয়োগ করতে পারবে না বলেও নির্দেশিকাতে বলা রয়েছে। আরও জানানো হয়েছে, কোচিং সেন্টারগুলিতে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা না থাকলে সেই সেন্টারের রেজিস্ট্রেশন হবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি জোর দিতে হবে পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর।

    আরও পড়ুন: মৃত্যুর পর এল চাকরির চিঠি! ষাটোর্ধ্ব ৬২ জনকেও শিক্ষকের নিয়োগপত্র রাজ্যের

    কড়া পদক্ষেপ

    এর আগে পড়ুয়াদের আত্মহত্যা, কোচিংয়ের Coaching Centres Rules) মধ্যে উপযুক্ত সুযোগ-সুবিধার অভাব এবং সেখানে শিক্ষার পদ্ধতি নিয়ে বহু অভিযোগ উঠেছে। তার মধ্যেই বৃহস্পতিবার নতুন নির্দেশিকা জারি করল সরকার। শিক্ষামন্ত্রকের ওই নির্দেশিকাতে বলা হয়েছে, স্কুলের সঙ্গে কোচিংয়ের সময় যেন আলাদা হয়। এছাড়া প্রতিদিন কোচিংয়ের নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা, সাপ্তাহিক ছুটি রাখা, পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের অনুপ্রাণিত করতে সহ-পাঠ্যক্রমের ব্যবস্থা করার কথাও নির্দেশিকায় বলা হয়েছে। কোচিং সেন্টারের সমস্ত ব্যবস্থার কথা ওয়েবসাইটে উল্লেখ করতে হবে। শিক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নিত্যনতুন গজিয়ে ওঠা কোচিং সেন্টারগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এবং পুরো বিষয়টিকে একটি আইনি কাঠামোর মধ্যে আনার জন্যই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কোনও সেন্টার এই নির্দেশ (Centre Guidelines) না মানলে তাদের প্রতি কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share