Tag: bangla news

bangla news

  • Makar Sankranti Weather: মাঘের শুরুতেই বৃষ্টি! মকর সংক্রান্তিতে ঠান্ডার দাপট, বাংলায় শূন্যে নামল দৃশ্যমানতা

    Makar Sankranti Weather: মাঘের শুরুতেই বৃষ্টি! মকর সংক্রান্তিতে ঠান্ডার দাপট, বাংলায় শূন্যে নামল দৃশ্যমানতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মকর সংক্রান্তির (Makar Sankranti) সকালে ঘন কুয়াশায় ঢাকল জেলা থেকে শহর। কোথাও কোথাও দৃশ্যমানতা পৌঁছল শূন্যতেও। কনকনে ঠান্ডাতেই রাজ্য জুড়ে গঙ্গায় পুণ্যস্নানে ব্যস্ত হাজার হাজার মানুষ। পুরুলিয়া সহ পশ্চিমের কিছু অংশে শৈত্য প্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে এরই মধ্যে রয়েছে বৃষ্টির ভ্রূকুটি। মাঘের শুরুতেই ভিজবে বঙ্গ, বলছে আবহাওয়া দফতর (Weather Office)। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে হবে বৃষ্টি।

    কুয়াশার দাপট সর্বত্র

    সোমবার, ঘন কুয়াশার (West Bengal Fog) চাদরে ঢাকল উত্তর থেকে দক্ষিণ। রাস্তায় একটি গাড়ি থেকে সামনের গাড়িকেও দেখা যাচ্ছে না, এমনই পরিস্থিতি। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি থেকে কলকাতা সর্বত্র একই অবস্থা। সকাল ৯ টার পরও সূর্যের দেখা মেলেনি। শিলিগুড়িতে দৃশ্যমানতা নেমেছে শূন্যে, কলকাতায় দৃশ্যমানতা ২৫ মিটার, ডায়মন্ড হারবার দৃশ্যমানতা ৫০ মিটার, কোচবিহার দৃশ্যমানতা ২০০ মিটার। ঘন কুয়াশা চাদরে ঢেকেছে কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও। রাত আড়াইটায় দৃশ্যমানতা নেমে যায় ২৫ মিটারে। ভোর সাড়ে পাঁচটায় দৃশ্যমানতা পৌঁছয় ১৫০ মিটারে। সকাল ৮ টায় দৃশ্যমানতা ৩০০ মিটারে পৌঁছে যায়।

    আরও পড়ুন: আজ ‘মকর সংক্রান্তি’, জানুন এই পুণ্য তিথির মাহাত্ম্য

    হাড় কাঁপানো ঠান্ডা

    উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে পৌষ সংক্রান্তিতে (Makar Sankranti Weather) শীতের দাপট। শীতের স্পেল আরো ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা থাকবে। পশ্চিমের পুরুলিয়া জেলায় আজও শৈত্য প্রবাহের সতর্কবার্তা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়া পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।  ২-৩ দিনে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। মঙ্গলবার বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে। বুধবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং নদীয়া জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ বঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বিক্ষিপ্তভাবে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India-Maldives Relationship: মলদ্বীপ থেকে সেনা সরানো নিয়ে কী জানাল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক?

    India-Maldives Relationship: মলদ্বীপ থেকে সেনা সরানো নিয়ে কী জানাল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপে বিমান চলাচল করতে পারে এমন পরিস্থিতি বজায় রাখতে পারস্পরিক সমাধানসূত্র খোঁজার চেষ্টা করছে ভারত। মলদ্বীপ (India-Maldives Relationship) থেকে সেনা সরানো নিয়ে এমনই বিবৃতি দিল ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক। চিন ঘেঁষা দ্বীপ রাষ্ট্রের মহম্মদ মুইজ্জুর সরকার মলদ্বীপ থেকে সেনা সরানোর জন্য ভারতকে ‘আর্জি’ জানিয়েছে। রীতিমতো সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

    নয়াদিল্লির বিবৃতি 

    মলদ্বীপ (India-Maldives Relationship) থেকে ভারতের সেনা সরানোর বিষয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে আলোচনা করতে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। নয়াদিল্লির তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে,  “মলদ্বীপের মানুষের কাছে মানবিক সাহায্য পৌঁছে দিতে ভারতীয় বিমানগুলির চলাচল জারি রাখা জরুরি। এই কাজের পরিবেশ বজায় রাখতে উভয় পক্ষই একটি সমাধানসূত্রে পৌঁছনোর চেষ্টা করছে।” মলদ্বীপ এবং ভারতের সম্মতিক্রমে একটি নির্দিষ্ট দিন বেছে নিয়ে পরবর্তী আলোচনা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে ওই বিবৃতিতে। নভেম্বর মাসে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই মুইজ্জু বলেছিলেন, ‘‘আমাদের দেশের মাটি থেকে সমস্ত বিদেশি সেনাকে আমরা ফেরত পাঠাব।’’ এ ক্ষেত্রে মুইজ্জু নাম না-করলেও স্পষ্ট ভাবেই ভারতকে নিশানা করেন। কারণ, ভারত মহাসাগরের ওই দ্বীপরাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এবং শিল্পক্ষেত্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল ভারতীয় সেনা।

    আরও পড়ুুন: “বাবর একদিনে ১ লক্ষ ৮০ হাজার হিন্দুকে খুন করেছিল” মন্দির ইস্যুতে তোপ শুভেন্দুর

    মলদ্বীপ প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর

    মলদ্বীপ (India-Maldives Relationship) প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, ‘পলিটিক্স ইস পলিটিক্স। আমরা এটা গ্যারান্টি দিতে পারি না যে রোজ প্রতিটি দেশ আমাদের সমর্থন করবে অথবা আমাদের কথায় একমত হবে। কখনও এটা ভালো না হতে পারে।’ বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই চলছে ‘মলদ্বীপ বনাম লাক্ষাদ্বীপ’ বিতর্ক। সম্প্রতি লাক্ষাদ্বীপে ঘুরতে গিয়ে বেশ কিছু ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপরই মোদি এবং ভারতকে নিয়ে আপত্তিজনক কিছু মন্তব্য করেছিলেন মলদ্বীপের কয়েকজন মন্ত্রী। এরপর থেকেই ওঠে মলদ্বীপ বয়কটের রব। এই আবহে চিন সফরে যান মুইজ্জুর। চিন থেকে দেশে ফিরেই শনিবার মুইজ্জু হুঁশিয়ারির সুরে জানিয়েছিলেন, কাউকে ধমকানোর ছাড়পত্র দেয়নি তার সরকার। এমনকী ১৫ মার্চের মধ্য়ে ভারতকে সমস্ত সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথাও বলা হয়। তারপরই পদক্ষেপ করল দিল্লি। বিদেশমন্ত্রী জানান, কোনও দেশের সরকারের সঙ্গে মতবরোধ হলেও ভারত সে দেশের জনগণের কথা চিন্তা করেই কাজ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: এবার ভুতুড়ে চাকরির হদিশ! ৫৮ শিক্ষকের নিয়োগ সম্পর্কে জানে না খোদ এসএসসি

    Recruitment Scam: এবার ভুতুড়ে চাকরির হদিশ! ৫৮ শিক্ষকের নিয়োগ সম্পর্কে জানে না খোদ এসএসসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় নয়া ‘চাঞ্চল্যকর’ তথ্য সামনে এল। এবার ভুতুড়ে চাকরি ধরা পড়ল। যে চাকরি গুলি সম্পর্কে এসএসসি নিজেই জানে না। অথচ বহাল তবিয়তে মাস পোহালে বেতনও তুলছেন ওই ভুতুড়ে শিক্ষকরাও। জানা গিয়েছে ৫৮ জন শিক্ষকের চাকরি পাওয়া নিয়ে ‘ধোঁয়াশা’ রয়েছে খোদ এসএসসির কাছে। কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট দিয়ে এসএসসি জানিয়েছে, ওই ৫৮ জন শিক্ষকের কোনও তথ্য তাদের কাছে নেই। ওই শিক্ষকদের পার্সোনালিটি টেস্ট, ইন্টারভিউ নেওয়া হয়নি। এমনকি নিয়োগের প্যানেলও তাঁদের নাম ছিল না। ফলে তাঁরা কী ভাবে চাকরি পেলেন তা নাকি এসএসসি জানেনা।

    কীভাবে পাওয়া গেল ৫৮ জনের সন্ধান?

    স্কুলের নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam)  মামলায় তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই এবং ইডি। শাসকদলে বেশ কিছু রাঘববোয়াল থেকে মন্ত্রী-বিধায়ক এই মামলায় বর্তমানে গারদের অন্দরে। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে আদালতের নির্দেশ মতো তদন্তে উঠে আসা তথ্য এসএসসিকে পাঠানো হয় সিবিআই-এর তরফে। ওই তথ্য যাচাই করে বেআইনি নিয়োগ সম্পর্কে নিজেদের অবস্থান কোর্টকে জানায় এসএসসি। গত সপ্তাহে হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে এসএসসি ৫৮ জন শিক্ষকের নাম আদালতে রিপোর্ট আকারে জমা দেয়। সেখানেই এসএসসি জানায়, নবম-দশম শ্রেণিতে ৪০ জন এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে ১৮ জন শিক্ষক রয়েছেন। তাঁরা কী ভাবে চাকরি (Recruitment Scam)  পেয়েছেন তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তাঁদের কোনও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

    মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী সপ্তাহে

    এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam)  সাদা খাতা জমা দিয়েও চাকরি পাওয়ার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে । পরীক্ষা না দিয়েও অনেক অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ। এবার উঠল নতুন অভিযোগ। ৫৮ জনের ভুতুড়ে চাকরি। কী ভাবে তাঁরা চাকরির সুপারিশপত্র পেলেন তা খুঁজছে খোদ এসএসসিও। আগামী সপ্তাহে আবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং মহম্মদ শব্বর রসিদির ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Makar Sankranti 2024: আজ ‘মকর সংক্রান্তি’, জানুন এই পুণ্য তিথির মাহাত্ম্য

    Makar Sankranti 2024: আজ ‘মকর সংক্রান্তি’, জানুন এই পুণ্য তিথির মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার মকর সংক্রান্তি বা পৌষ সংক্রান্তি (Makar Sankranti 2024)। সারা দেশজুড়েই পালন করা হয় এই উৎসব। মকর সংক্রান্তির দিন থেকে নতুন চাষ শুরুও হয় সারা দেশে। তবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আলাদা আলাদা নামে উৎসবটির উদযাপন চলে।  তামিলনাডুতে উৎসবটির নাম ‘পোঙ্গল’। পাঞ্জাবে উৎসবটির নাম ‘লোহরি’। চলতি বছরে অবশ্য লোহরির একদিন পরে পালন করা হচ্ছে মকর সংক্রান্তি। উত্তরপ্রদেশে এই উৎসব ‘খিচড়ি উৎসব’ নামে পরিচিত। এদিন ভক্তরা গঙ্গাস্নান করেন। মাঘ মেলার শুরু হয় সেখানে। গুজরাটে এদিন ঘুড়ি ওড়ানোর রীতি দেখা যায়, বড়রা ছোটদের উপহার দেয়। গুজরাটে এই উৎসব ‘উত্তরায়ণ’ নামে প্রসিদ্ধ। অসমে, মকর সংক্রান্তি (Makar Sankranti 2024) উৎসব ‘মাঘ বিহু’ এবং ‘ভোগালী বিহু’ নামে পরিচিত। মকর সংক্রান্তিতে (Makar Sankranti 2024) সূর্য দক্ষিণায়ন থেকে উত্তরায়ণে যায়। হিন্দু ধর্ম শাস্ত্রে দক্ষিণায়ণ হল দেবতাদের রাত এবং উত্তরায়ণ হল দেবতাদের দিন। এই দিনে পুজো ও দান করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে, এই দিনে দান করলে এর ফল বহুগুণ হয়।

    মকর সংক্রান্তি পৌরাণিক কথা

    মকর সংক্রান্তি (Makar Sankranti 2024) দিনটি নিয়ে নানারকম পৌরাণিক ব্যাখ্যা রয়েছে। পুরাণ অনুযায়ী, শনি মহারাজ সূর্যদেবের সন্তান। কিন্তু কৃষ্ণবর্ণ হওয়ায় শনি মহারাজ ও স্ত্রী ছায়াকে ত্যাগ করেন সূর্যদেব। এর পর এক সময় তিনি (সূর্য) কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হন। সেই সময় তাঁর আরেক স্ত্রী সঞ্জনার সন্তান যমরাজ উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন পিতার অসুখে। যমরাজের চেষ্টায় সূর্যদেবের কুষ্ঠ সেরে যায়। সূর্যদেব সুস্থ হতেই তাঁর সমস্ত জ্যোতি গিয়ে পড়ে মকরের উপর। সেখানেই থাকতেন তাঁর ত্যাজ্য স্ত্রী ছায়া ও সন্তান শনিদেব। তাঁদের বাড়িঘর পুড়ে যায় সেই তেজে। সৎমা ও সৎভাইয়ের এই অবস্থা দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন যমরাজ। তিনি সূর্যদেবের কাছে গিয়ে অনুরোধ করেন তাঁদের ক্ষমা করতে। এই সময় সূর্যদেব এগিয়ে যান সেই উদ্দেশ্যেই (ক্ষমা করতে)। সেই সময় সব পুড়ে গেলেও শনিদেবের ঘরে কিছু তিল অবশ্য বাকি ছিল। ঘরে রাখা সেই তিল দিয়েই তিনি সূর্যদেবকে বরণ করে নেন। শনিদেবের এই শ্রদ্ধা নিবেদন দেখে তুষ্ট হন পিতা সূর্যদেব। সেই সময় তিনি একটি নতুন ঘর দেন শনিদেবকে। যার নাম ‘মকর’। এর পর সন্তানের সেই ঘরে প্রবেশ করেন তিনি। সেই ক্ষণকেই মকর সংক্রান্তির (Makar Sankranti 2024) সূচক বলে মনে করা হয় হয়। মনে করা হয়, এই দিনই রাজা সগরের ষাট হাজার মৃত পুত্রের প্রাণ দানের কারণে গঙ্গাদেবীর মর্ত্যে তথা কপিল মুনির আশ্রমে আগমনের তিথি এই মকর সংক্রান্তি।   

    জ্যোতিষশাস্ত্র ও ভূগোলে মকর সংক্রান্তি

    জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, সূর্য প্রত্যেক রাশিতে এক মাস অর্থাৎ ৩০ দিন করে অবস্থান করে। রাশিচক্রে মোট ১২টি রাশির অবস্থান রয়েছে। প্রত্যেক রাশি ৩০ ডিগ্রি। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রত্যেক ৩০ ডিগ্রি অন্তর রাশির পরিবর্তনকাল বিভিন্ন সংক্রান্তি হিসাবে চিহ্নিত।  বাংলার প্রথম মাস বৈশাখে সূর্য অবস্থান করে মেষ রাশিতে, জ্যৈষ্ঠ মাসে বৃষ রাশিতে। এইরূপে ধনু রাশিতে ৩০ দিনের অবস্থানের পর মকর রাশিতে গমনকাল ‘মকর সংক্রান্তি’ নামে পরিচিত। এই তিথি ‘উত্তরায়ণ সংক্রান্তি’ (Makar Sankranti 2024) নামেও পরিচিত। মকর সংক্রান্তি থেকে দিনের দৈর্ঘ্য বড় হতে থাকে। তাই দিনটির ভৌগোলিক গুরুত্বও রয়েছে।

    মকর সংক্রান্তির উদযাপন

    মকর সংক্রান্তির (Makar Sankranti 2024) দিন সাধারণত সূর্যদেবতার উপাসনা করা হয়। এই দিন ভক্তরা নদী, সমুদ্রে স্নান করে শুদ্ধ হন। এরপর ভক্তরা সূর্য দেবতার কাছে মন্ত্রপাঠ করে প্রার্থনা করেন। সংক্রান্তির বিশেষ ক্ষণে দানধ্যানের মতো পুণ্যকর্ম করার প্রচলনও রয়েছে। তিল, গুড়, দিয়ে পিঠে পুলি, সন্দেশ তৈরির রীতি তো রয়েছেই। এই দিন তিলের সন্দেশ তৈরি করার পিছনে বিশেষ কারণ রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TET 2014: পিঠে চাবুক মেরে বিক্ষোভ চাকরিপ্রার্থীদের, কবে টনক নড়বে সরকারের?

    TET 2014: পিঠে চাবুক মেরে বিক্ষোভ চাকরিপ্রার্থীদের, কবে টনক নড়বে সরকারের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরির দাবিতে পথেই কাটিয়ে ফেলেছেন ৫০০ দিন। বিক্ষোভ দেখিয়েছেন একাধিকবার। তার পরেও টনক নড়েনি সরকারের। অগত্যা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে অভিনব উপায় বের করলেন ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণ প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরিপ্রার্থীরা (TET 2014)।

    চাবুক মেরে বিক্ষোভ

    রবিবার মুখে কালি মেখে, পিঠে চাবুক মেরে বিক্ষোভ দেখালেন তাঁরা। বিক্ষোভকারীদের দাবি, রোদ-জল-ঝড় উপেক্ষা করে আন্দোলন করছেন তাঁরা। চাকরির জন্য মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর কাছে দরবারও করেছেন (TET 2014)। তার পরেও সদর্থক কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। সেই কারণেই এদিন পাঁচশো দিনের মাথায় কষাঘাত করে সরকারের উদাসীনতার প্রতিবাদ জানালেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের মধ্যে একজন বলেন, “আমরা বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করে চলেছি। আর কবে চাকরি পাব? সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে আমরা ক্লান্ত। এখন এই পন্থা ছাড়া আমাদের কাছে অন্য কোনও উপায় ছিল না।”

    চাকরিপ্রার্থীদের বক্তব্য

    আর এক আন্দোলনকারী বলেন, “জানি না আর কতদিন এভাবে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। আর কতদিন চোখের জল ফেলতে হবে। দুর্নীতি করে স্কুল দখল করে বসে রয়েছে, আর আমরা রাস্তায় বসে প্রাপ্য চাকরির জন্য হাহাকার করছি।” কষাঘাত কেন? চাকরি প্রার্থীদের (TET 2014) মধ্যে একজন বলেন, “আমাদের জীবনে আর আঘাতের কী বাকি আছে? ন’টা বছর তো এমনই কেড়ে নিয়েছে। আমরা বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে পারি না। এই চাবুকের আঘাত আসলে সরকারের চাবুকের আঘাত, যা দেখা যায় না।” আর এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, “মুখের কালি প্রতীকী। সংগঠিত অপরাধীদের কালি এটা। গত কয়েক দিনে বারংবার চাকরির প্রসঙ্গে রাজ্যের শাসকদল বলছে আইনি জটিলতা রয়েছে। যা কাটলে তারা চাকরি দিতে প্রস্তুত।” তিনি বলেন, “দুর্নীতি হয়েছে। আর আমরা কেন তার পেনাল্টি দেব?”

    আরও পড়ুুন: “চোরেদের এনার্জি অভিষেক ব্যানার্জি”, বিশাল জনসভায় তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    গান্ধী মূর্তির পাদদেশে চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীরা। হাজার বছর পূর্ণ হওয়ার দিন প্রতিবাদ জানাতে চুল কামিয়ে নেড়া হয়েছিলেন এক মহিলা আন্দোলনকারী। ক্ষোভের আগুনে ধামাচাপা দিতে দ্রুত তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সেই সমস্যার সুরাহা হয়নি এখনও। তার মধ্যেই কষাঘাত করে আন্দোলনের আঁচ উসকে দিলেন প্রাইমারি টেট চাকরিপ্রার্থীরা। 

    আন্দোলনকারীদের (TET 2014) পিঠে নয়, এ চাবুকের ঘা বুঝি এসে পড়ল সমাজের বিবেকের পিঠে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: “ভগবান আমায় ডেকেছেন, তাই যাব”, অযোধ্যায় ডাক পেয়ে বললেন সাফাইকর্মী দুর্গা

    Ram Mandir: “ভগবান আমায় ডেকেছেন, তাই যাব”, অযোধ্যায় ডাক পেয়ে বললেন সাফাইকর্মী দুর্গা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজ করছেন আঠারো বছর ধরে। কাটাছেঁড়া করেছেন ৭০০-র বেশি লাশ। তিনি সন্তোষী দুর্গা, ছত্তিশগড়ের নরহরপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যেকেন্দ্রে জীবনদীপ কমিটির সাফাইকর্মী। অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনে আমন্ত্রিত তিনিও। দুর্গার বিশ্বাস, ভগবান তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি যাবেন।

    দুর্গার সেরা প্রাপ্তি

    অস্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে ব্যবচ্ছিন্ন করা হয় শব। মৃত্যুর পরে দেহের ঠাঁই হয় মর্গে। সেই দেহ কাটাছেঁড়া করেন দুর্গার মতো কর্মীরা। আর মৃত্যুর কারণ খুঁজে বের করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। নরহরপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যেকেন্দ্রে এই কাজই করেন দুর্গা। সমাজে অবদানের জন্য পেয়েছেন নানা স্বীকৃতি। তবে অযোধ্যা থেকে আমন্ত্রণ আসাই তাঁর সেরা প্রাপ্তি বলে মনে করেন বছর চল্লিশের এই মহিলা। দুর্গা বলেন (Ram Mandir), “সারা জীবনে আমি কখনও ভাবিনি আমায় অযোধ্যা থেকে ডাকা হবে। কিন্তু ভগবান রাম আমায় আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়ে ডেকেছেন।”

    আনন্দে চোখে জল

    তিনি জানান, রাম মন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের চিঠি পেয়ে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। ভগবানের আহ্বানে আনন্দে চোখে জল এসে গিয়েছিল তাঁর। বিরাট এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না দুর্গা। ১৮ জানুয়ারি তিনি রওনা দেবেন অযোধ্যার উদ্দেশে। রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নরহরপুরের বাসিন্দাদের সুখ-শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করবেন তিনি। মর্যাদা পুরুষোত্তমের এমন মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন দুর্গা। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এক সাফাই কর্মী অযোধ্যায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে ডাক পাওয়ায় গর্ব ঝরে পড়ছে নরহরপুরের ব্লক মেডিক্যাল অফিসার প্রশান্ত কুমার সিংহের গলায়। দুর্গাকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, “অযোধ্যা থেকে ওঁর আমন্ত্রণপত্র পাওয়া আমাদের সকলের জন্য গর্বের।”

    আরও পড়ুুন: “বাবর একদিনে ১ লক্ষ ৮০ হাজার হিন্দুকে খুন করেছিল” মন্দির ইস্যুতে তোপ শুভেন্দুর

    অযোধ্যায় মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ৭ হাজার জনকে। এঁদের মধ্যে ৩ হাজার জন ভিভিআইপি। বাকি যে ৪ হাজার জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দুর্গাও। যাঁরা নাগরিক কোনও সম্মান পেয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এবং রাম মন্দির আন্দোলনে যোগ দিয়ে মারা গিয়েছিলেন যেসব করসেবক তাঁদের পরিবারকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ২২ জানুয়ারির মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তাঁদেরও, যাঁদের সওয়াল জবাবের জেরে আদালতে জয় হয়েছিল ‘যুদ্ধ’। আমন্ত্রিতের তালিকায় রয়েছেন হিন্দু সাধু-সন্ন্যাসী, শিখ, জৈন এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও। নোবেল পুরস্কার প্রাপক, ভারতরত্ন, পরমবীর চক্র এবং পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদেরও জানানো হয়েছে আমন্ত্রণ। এহেন চাঁদের হাটে দেখা যাবে দুর্গার (Ram Mandir) মতো প্রান্তিক মানুষদেরও।

    রামলালার কাছে যে সবাই সমান!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: লাখো প্রদীপের রঙিন আলোয় ভেসে উঠলেন ধনুর্ধর রাম-মন্দির-মোদি

    Ram Mandir: লাখো প্রদীপের রঙিন আলোয় ভেসে উঠলেন ধনুর্ধর রাম-মন্দির-মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজনের রাজত্বে সমাধান হয়েছে বিতর্কের। গড়ে উঠছে মন্দির। আর যাঁর জন্য তৈরি হচ্ছে মন্দির, তিনি প্রতিষ্ঠিত হবেন ওই মন্দিরে। তাই অযোধ্যার রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুজনেই সমান গুরুত্বপূর্ণ। দুজনের মধ্যে অবশ্য ফারাক রয়েছে। একজন ভক্ত, অন্যজন ভগবান। একজন পার্থিব, অন্যজন অপার্থিব। অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে রং-বেরঙের মাটির প্রদীপ দিয়ে তৈরি হচ্ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রামলালার ছবি (Ram Mandir)। আলোকমালায় দেখা যাবে রাম জন্মভূমি মন্দিরের ছবিও।

    রাম মন্দির উদ্বোধন

    ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। এদিনই গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হবেন রামলালার বিগ্রহ। মন্দির প্রতিষ্ঠার এই পুণ্যলগ্নের সপ্তাহখানেক আগেই শুরু হয়ে যাচ্ছে অনুষ্ঠান। ১৬ তারিখ থেকেই এই অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ভক্তরা সার দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছেন মাটির প্রদীপ (স্থানীয় ভাষায় দিয়া) হাতে (Ram Mandir)। তীর-ধনুক হাতে রাম এবং হিন্দিতে জয় শ্রীরাম লেখা জায়গায় প্রদীপ জ্বালিয়েছিলেন তাঁরা। প্রদীপ দিয়েই সাজানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ছবিও।

    রাম, রাম জন্মভূমি মন্দির…

    রাম, রাম জন্মভূমি মন্দির, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও জয় শ্রীরামের ছবি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ১৪ লাখ প্রদীপ। এঁদের আঁকা ছবির রেখা বরাবরই জ্বালানো হয়েছিল প্রদীপ। ‘রাম পরাক্রমী রথযাত্রা’ শুরু হয়েছিল বিহার থেকে। রবিবার সেটি এসে পৌঁছানোর কথা অযোধ্যায়। এই সময় উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে। রাম জন্মভূমি মন্দিরে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যাবে ১৬ জানুয়ারি থেকে।

    আরও পড়ুুন: “বাবর একদিনে ১ লক্ষ ৮০ হাজার হিন্দুকে খুন করেছিল” মন্দির ইস্যুতে তোপ শুভেন্দুর

    অযোধ্যার চিত্রটা বদলাতে শুরু করেছে ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট থেকে। এদিনই ভূমি পূজন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যার পর থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে রাম মন্দির। রাম মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দেশ-বিদেশের সাত হাজার মানুষ। এঁদের মধ্যে তিন হাজার জনই ভিভিআইপি। দশকের পর দশক ধরে যে অযোধ্যা পড়েছিল নিতান্তই অবহেলিত, সেই অযোধ্যারই ভোল বদলাচ্ছে রাতারাতি। যার মূলে রয়েছেন সেই ভগবান রাম (Ram Mandir)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দিল্লির চেয়েও উষ্ণ কাশ্মীর, মার খেল পর্যটন ব্যবসা

    Weather Update: দিল্লির চেয়েও উষ্ণ কাশ্মীর, মার খেল পর্যটন ব্যবসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফলতে শুরু করেছে বিশ্ব উষ্ণায়ন নামক বিষ বৃক্ষের ফল। যার জেরে দিল্লির চেয়েও বেশি উষ্ণ কাশ্মীর (Weather Update)। শনিবার কাশ্মীরের শ্রীনগরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত দু’ দশকে জানুয়ারি মাসে এটাই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

    ভূস্বর্গের আবহাওয়া চিত্র

    বদলে গিয়েছে ভূস্বর্গের আবহাওয়া চিত্র। এ বছর জানুয়ারিতে একদিনও তুষারপাত হয়নি। তুষারপাত না হওয়ায় কাশ্মীর উপত্যকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে। চলতি শীতের মরশুমে রবিবার দিল্লিতে শীতলতম সকাল রেকর্ড হয়েছে। তাপমাত্রা নেমেছে সাড়ে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২১ ডিসেম্বর থেকে ২৯ জানুয়ারি সময়কালকে কাশ্মীরে বলা হয় ‘চিল্লাই কালান’ বা তীব্র ঠান্ডার চল্লিশ দিন। এর পর ২০ দিনের ‘চিল্লাই খুর্দ’ বা কম ঠান্ডা। ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী ১০ দিন ‘চিল্লাই বাছা’ বা শিশু ঠান্ডা।

    পশ্চিমী ঝঞ্ঝা

    আবহাওয়াবিদদের মতে, শীতের (Weather Update) এই সময়টা তাপমাত্রার ওঠাপড়া খুবই সাধারণ একটি ঘটনা। গ্রীষ্মেও এই ছবি দেখা যায়। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, অচিরেই জম্মু-কাশ্মীরে আবারও আঘাত হানবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। তখন প্রচুর তুষারপাত হতে পারে। চলতি মরশুমেই উপত্যকায় দেখা যেতে পারে তুষারপাত। তুষারপাত না হওয়ায় হতাশ কাশ্মীরে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরা। স্কিয়িং, স্নোবোর্ডিং এবং ক্রশ-কান্ট্রি স্কিইংয়ের মতো যেসব রাইড পর্যটকদের টানে, সেগুলেতোও হা-পর্যটক দশা। কাশ্মীরে তুষারপাত হচ্ছে না জেনে গুলমার্গের বহু হোটেলের বুকিং বাতিল করেছেন পর্যটকরা।

    আরও পড়ুুন: এআই ব্যবহার করে বের করা হল রোগীর ফুসফুসের জমাট বাঁধা রক্ত!

    এদিকে, এখনও দূষণ-জালে রয়েছে দিল্লি। গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যানের স্টেজ থ্রি নিয়ম আরোপ করেছে কেন্দ্র। দূষণ নিয়ন্ত্রণেই এটা করা হয়েছে। বায়ু দূষণের মাত্রা কমাতে রাজধানীজুড়ে স্টেজ থ্রি অ্যাকশন প্ল্যান রূপায়ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে কেন্দ্র। পাথর গুঁড়ো করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। খনি এবং খনি সম্পর্কিত কাজকর্মের লাগাম পরানো হচ্ছে। বহুতল নির্মাণ ও পুরানো বাড়ি ভাঙার কাজেও আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দিল্লির রাজ্য সরকারও গুচ্ছ নির্দেশিকায় জারি করেছে (Weather Update)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • AI Technology: এআই ব্যবহার করে বের করা হল রোগীর ফুসফুসের জমাট বাঁধা রক্ত!

    AI Technology: এআই ব্যবহার করে বের করা হল রোগীর ফুসফুসের জমাট বাঁধা রক্ত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোগীর বয়স ৬২। ফুসফুসে রক্ত জমে গিয়েছে। রক্ত জমাট বেঁধেছে পায়ের শিরায়ও। এই অবস্থায় রোগীকে নিয়ে এসে ভর্তি করা হল হরিয়ানার গুরগাঁওয়ের মেদান্ত হাসপাতালে। রোগীর অবস্থা দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছেন তাঁর আত্মীয়রা। তবে অভয় দিলেন চিকিৎসকরা।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি (AI Technology) ব্যবহার করে শরীর থেকে বের করলেন জমাট বাঁধা রক্ত। নয়া জীবন পেলেন রোগী। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন মরণাপন্ন রোগীর আত্মীয়রা। মেদান্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, দেশের মধ্যে প্রথম এই হাসপাতালেই এআই টেকনোলজি (AI Technology) কাজে লাগিয়ে চিকিৎসা করা হল কোনও রোগীর। হাসপাতাল সূত্রে খবর, এআই-চালিত ডিভাইস পেনুম্ব্রা ফ্ল্যাশ ১২ এফ ক্যাথিটার ব্যবহার করা হয়েছিল রোগীর শরীর থেকে জমাট বাঁধা রক্ত বের করতে।

    কী বলছেন চিকিৎসকরা?

    ২০২৩ সালের জুলাই মাস থেকে এ পর্যন্ত মেদান্ত হাসপাতালে পালমোনারি এমবলিজমের ২৫টি অপারেশন হয়েছে। এই রোগে রোগীর ফুসফুসে জমাট বেঁধে যায় রক্ত। চিকিৎসকদের মতে, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করলে রক্ত কম নষ্ট হয়, অ্যানিমিয়ার মতো জটিলতাও দেখা দেয় না। রোগীও সুস্থ হয়ে ওঠেন তাড়াতাড়ি। মেদান্ত হাসপাতালের চেয়ারম্যান তথা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ নরেশ ত্রেহান বলেন, “বুক ও আর্টারি খোলার চেয়ে জমাট বাঁধা রক্ত সাক করে নেওয়া ভালো। এআই আসপেক্টের সাহায্যে জমাট বাঁধা রক্ত সাক করে নিতে পারেন, রক্ত বের না করেই। অতীতে আমাদের যেসব বড়সড় অপারেশন করতে হয়েছে, সেখানে ঝুঁকিও ছিল অনেক বেশি। এখন সেটা অনেক কমেছে।”

    আরও পড়ুুন: জঙ্গি বিনাশে ভূস্বর্গে চলবে অপারেশন সর্বশক্তি, কীভাবে লড়বে সেনা?

    চিকিৎসক তরুণ গ্রোভার বলেন, “পেনুম্ব্রা ফ্ল্যাশ ১২ এফ ক্যাথিটার ব্যবহার করে এক বিমান চালকের জমাট বাঁধা রক্ত বের করা হয়েছে শরীর থেকে। অপারেশনের পর পরই রোগীর যন্ত্রণা কমে যায়, কমতে থাকে ফোলা ভাবও।” তিনি বলেন, “আগে অপারেশন করতে হলে রোগীকে পুরোপুরি অ্যানাস্থেশিয়া করতে হত। এই পদ্ধতিতে আর তা করতে হয় না। লোকাল অ্যানাস্থেশিয়া করতে হয়। রোগী নিজেই চাক্ষুষ করতে পারেন পুরো অপারেশন প্রক্রিয়াটা।” এআই (AI Technology) ব্যবহার করে কলঙ্কিত করা হয়েছে খ্যাতনামাদের। এআইয়ের কারণেই চাকরি গিয়েছে বহু মানুষের। সেই এআই ব্যবহার করেই নবজীবন দেওয়া হচ্ছে মরণাপন্ন রোগীদের।

    একই অঙ্গে দুই রূপ এআইয়েরও!   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Operation Sarvashakti: জঙ্গি বিনাশে ভূস্বর্গে চলবে অপারেশন সর্বশক্তি, কীভাবে লড়বে সেনা?

    Operation Sarvashakti: জঙ্গি বিনাশে ভূস্বর্গে চলবে অপারেশন সর্বশক্তি, কীভাবে লড়বে সেনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে রদ হয়েছে ৩৭০ ধারা। তার পর ক্রমেই ছন্দে ফিরছিল ভূস্বর্গ। ছবির মতো সাজানো এই উপত্যকায় শান্তি বিরাজ করুক, তা কখনওই চায়নি পাকিস্তান। প্রতিবেশী দেশটির এই অংশে নিত্য অশান্তি জিইয়ে রাখতে চায় ইসলামাবাদ। সেই কারণেই ভূস্বর্গে ফের বেড়েছে জঙ্গি উপদ্রব। জঙ্গিদের এই বাড়বাড়ন্তে পাকিস্তান ইন্ধন জুগিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এমতাবস্থায় ভূস্বর্গে শান্তি ফেরাতে ‘অপারেশন সর্বশক্তি’ (Operation Sarvashakti) চালু করতে চলেছে সেনা বাহিনী। দু’ দশক আগে কাশ্মীরে শান্তি ফেরাতে চালু হয়েছিল অপারেশন সর্বশক্তি। ভূস্বর্গে জঙ্গি নির্মূলে এবার সেই ধাঁচেই চালু হচ্ছে অপারেশন সর্বশক্তি।

    ভূস্বর্গে ফের মাথাচাড়া দিয়েছে সন্ত্রাসবাদ

    ইদানিং পাকিস্তানের মদতে ভূস্বর্গে ফের মাথাচাড়া দিয়েছে সন্ত্রাসবাদ। বিশেষত, রাজৌরি পুঞ্চ সেক্টরের দক্ষিণ পির পাঞ্জাল রেঞ্জ এলাকায়। এই অঞ্চলে শহিদ হয়েছেন প্রায় ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। সর্বশেষ জঙ্গি-সেনা লড়াইয়ের ঘটনাটি ঘটে ডিসেম্বরের ২১ তারিখে, ডেরা কি গলি এলাকায়। সেদিন শহিদ হন চার জওয়ান (Operation Sarvashakti)। সেনা সূত্রে খবর, ২০০৩ থেকে ২০২১ এর অক্টোবর পর্যন্ত এই এলাকায় জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেনি।  

    কী বলছেন সেনাকর্তা?

    নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্তা বলেন, “পির পাঞ্জাল রেঞ্জের দক্ষিণে বিশেষ করে রাজৌরি পুঞ্চ সেক্টরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ ঠেকাতে এবার আমরা চালু করছি অপারেশন সর্বশক্তি। আশা করছি, ২০০৩ সালের মতো এবারও সাফল্য পাব আমরা।” ভূস্বর্গে শান্তি ফেরাতে এবং জঙ্গিদের সমূলে বিনাশ করতে শুক্রবার পুঞ্চে বৈঠকে বসেছিলেন সেনার পদস্থ কর্তারা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সেনার নর্দার্ন কমান্ডের জিওসি-ইন-সি লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী সহ পদস্থ কর্তারা। বাহিনীর এক পদস্থ কর্তা বলেন, “কাশ্মীরে যেভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়ছে তাতে এই ধরনের অপারেশন ছাড়া জঙ্গিদের নির্মূল করা অসম্ভব। তাই এই পদক্ষেপ।”

    আরও পড়ুুন: “সংবিধানেই রামরাজ্যের ধারণা নিশ্চিত করা হয়েছে”, বললেন ধনখড়

    অন্য এক সেনাকর্তা বলেন, “জঙ্গি দমনে পির পাঞ্জাল রেঞ্জের দু’দিক থেকেই চালানো হবে ‘অপারেশন সর্বশক্তি’। এই অভিযানে শামিল হবে শ্রীনগরস্থিত সেনার চিনার কোর এবং নাগরোটায় স্থিত হেডকোয়ার্টারের হোয়াইট নাইট কোর।” সেনার তরফে জানানো হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ, স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলি একযোগে চালাবে অভিযান (Operation Sarvashakti)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share