Tag: bangla news

bangla news

  • Iran Blast: ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপল ইরানের শহর, মৃত্যু মিছিলে শতাধিক লাশ

    Iran Blast: ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপল ইরানের শহর, মৃত্যু মিছিলে শতাধিক লাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ বিস্ফোরণে (Iran Blast) কেঁপে উঠল ইরানের কেরমান শহর। বিস্ফোরণের অভিঘাতে মৃত্যু হয়েছে ১০৩ জনের। জখম হয়েছেন ১৪১ জন। সাম্প্রতিক অতীতে এমন ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণের সাক্ষী হয়নি এ শহর। বুধবার বিস্ফোরণটি ঘটে নিহত কমান্ডার কাসেম সোলেইমানির কবরস্থানের কাছে।

    সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ!

    রাজধানী তেহরান থেকে অকুস্থলের দূরত্ব ৮২০ কিলোমিটার। ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ বলে অভিহিত করেছেন কেরমান প্রভিন্সের ডেপুটি গভর্নর রাহাম জালানি। মঙ্গলবারই হামাসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা সেলে আল আরুরি-র মৃত্যু হয়। বেইরুট ড্রোন হামলায় মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনায় ইজরায়েলকেই দায়ি করেছে লেবানন। এই হামাসের পাশে দাঁড়িয়েছে ইরান। তার পরে পরেই ইরানে এই বিস্ফোরণের ঘটনায় শঙ্কিত কেরমানের বাসিন্দারা। ইরানের (Iran Blast) সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, দু ব্যাগ বোমা বিস্ফোরণ ঘটনো হয়েছে। বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে। কেরমান শহরের মেয়র সঈদ তাবরিজি জানান, বোমার ব্যাগগুলিতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয় ১০ মিনিট ছাড়া।

    বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন দেহ

    প্রসঙ্গত, ইরানের কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সুলেমানি, ইসলামিক রিভলিউশনারি গার্ডস কর্পসের কুদস ফোর্সের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের ঘায়ে নিহত হন তিনি। এদিন প্রয়াত এই কমান্ডারের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বহু মানুষ। আচমকা বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন হয়ে যান তাঁদের অনেকই।

    ইরানে প্রয়াত এই কমান্ডারের জনপ্রিয়তা খুব কম নয়। ২০১৮ সালের এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছিল, ইরানের ৮৩ শতাংশ মানুষ সোলেইমানির পক্ষে রয়েছেন। যা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হাসান রউহানি এবং বিদেশমন্ত্রী মহম্মদ জাভেদ জারফির চেয়ে ঢের বেশি।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব, নবীন-প্রবীণ কারা, ছবি এঁকে বুঝিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধে হামাসের পক্ষেই দাঁড়িয়েছে ইরান। স্বাভাবিকভাবেই তারা রয়েছে ইজরায়েলের বিষ নজরে। দিন কয়েক আগেই ইরান জানিয়েছিল, যারা ইজরায়েলের পাশে রয়েছে, তাদের যথোচিত শিক্ষা দেওয়া হবে। তার পরেই ঘটল এদিনের বিস্ফোরণের ঘটনা (Iran Blast)।

    নিছকই কাকতালীয়, নাকি ঘটনার পরম্পরা!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব, নবীন-প্রবীণ কারা, ছবি এঁকে বুঝিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব, নবীন-প্রবীণ কারা, ছবি এঁকে বুঝিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়ঃ-তত্ত্বকে কেন্দ্র করে অশান্তি চরমে তৃণমূলে। রবিবার পার্টির জন্মদিন থেকেই চলছে গৃহযুদ্ধ। সন্ধিস্থাপনে বৈঠকে বসেছিলেন বুয়া-ভাতিজা। তার পরেও যে দ্বন্দ্বের অবসান হয়নি, বুধবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ তাপস রায়ের মমতা-বৃত্তের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাঁদমারি করাই তার প্রমাণ।

    শুভেন্দুর চিত্র-তত্ত্ব

    তবে তৃণমূলে কারা নবীন, প্রবীণই বা কারা এক্স হ্যান্ডেলে একটি ব্যঙ্গচিত্রের মাধ্যমে তা তুলে ধরলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। চিত্রে দেখা যাচ্ছে, নবীন-বৃত্তে রয়েছেন কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হওয়া নেতারা। আর প্রবীণ-বলয়ে রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল, মানিক ভট্টাচার্য এবং জ্যোতিপ্রিয়র মতো গ্রেফতার হওয়া নেতারা। ওপরে লেখা, “তোলামূলের দুই ভাগ, তবে একটি বিষয় পরিষ্কার, তোলামূলের আপাদমস্তক সবাই চোর।”

    গা বাঁচানোর চেষ্টা তৃণমূল নেতাদের!

    তৃণমূলের এই নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে যাতে গর্দান না যায়, তারও চেষ্টা করছেন অনেকে। এই (Suvendu Adhikari) যেমন ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া উদয়ন গুহু। কোচবিহারের এই নেতা বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর তৃণমূলে অভিষেকের ধারেকাছে কেউ নেই। নতুন প্রজন্মকে মানতেই হবে। আর যাঁরা নতুন প্রজন্মকে তৈরি করতে পারেন না, তাঁদের চেয়ে ব্যর্থ আর কেউ নেই।” অনেকে আবার ‘ধরি মাছ, না ছুঁই পানি’র মতো আচরণ করছেন। দলের এই অংশটি অন্তর্দ্বন্দ্বের কথা স্বীকারই করছেন না। কেউ কেউ আবার মমতা না অভিষেক কোন ফ্যান ক্লাবে ঢুকবেন, তা বুঝতে না পেরে আপাতত জল মাপছেন। তবে দলে অভিষেকের উত্থান যে স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ভালোভাবে নেননি, তার প্রমাণ মিলেছে আগেই।

    ঘনিষ্ঠ মহলে অভিষেক বলেছিলেন, তিনি শুধু তাঁর কেন্দ্রটি (ডায়মন্ড হারবার লোকসভা) নিয়েই ব্যস্ত থাকবেন, অন্য কেন্দ্রগুলি নিয়ে নয়। নবীন-প্রবীণের দ্বন্দ্বের জল যে অনেক দূর গড়াতে চলেছে, তা আঁচ করে অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক করেন কুণাল ঘোষ, তাপস রায় সহ তাঁর ফ্যান ক্লাবের কয়েকজন। তার পরের দিনই হয় বুয়া-ভাতিজা বৈঠক। তার পরেও অবশ্য নেভেনি তৃণমূলের গৃহযুদ্ধের আগুন (Suvendu Adhikari)।

    আরও পড়ুুন: বুধেও জারি তৃণমূলের অন্তর্কলহ, সুদীপকে ফের নিশানা তাপসের, এবার কী বললেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs South Africa: সিরাজ-সাইক্লোন! একাই নিলেন ৬ উইকেট, ৫৫ রানে শেষ দক্ষিণ আফ্রিকা

    India vs South Africa: সিরাজ-সাইক্লোন! একাই নিলেন ৬ উইকেট, ৫৫ রানে শেষ দক্ষিণ আফ্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  এক, দুই বা তিন নয়, একাই ৬টি উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নিজের সেরা স্পেল উপহার দিলেন মহম্মদ সিরাজ (Mohammed Siraj)। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইন আপ। আরও চমকপ্রদ হল, সিরাজ-বুমরা-মুকেশ ত্রয়ীতে মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে গেল প্রোটিয়াদের প্রথম ইনিংস। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এটাই ভারতের বিরুদ্ধে সর্বনিম্ন স্কোর দক্ষিণ আফ্রিকার।

    দুরন্ত বোলিং ভারতের

    কেপ টাউনে দ্বিতীয় টেস্টে শুরু থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকার উপর চেপে বসে ভারত। একের পর এক ব্যাটার আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। এডেন মার্করামকে ফিরিয়ে শুরুটা করেছিলেন সিরাজই। এর পর ডিন এলগার, টোনি ডি জর্জি, ডেভিড বেডিংহ্যাম, কাইল ভেরেইনে এবং মার্কো জানসেনকে আউট করেন তিনি। প্রথম ইনিংসে সিরাজ ৯ ওভারে ১৫ রান দিয়ে নেন ৬ উইকেট। সিরাজ ছাড়াও উইকেট নিয়েছেন যশপ্রীত বুমরা এবং মুকেশ কুমার। দু’টি করে উইকেট নিয়েছেন তাঁরা। শার্দূল ঠাকুরকে বসিয়ে এই ম্যাচে মুকেশকে দলে নেয় ভারত। সেই ম্যাচে কোনও রান না দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন বাংলার পেসার।

    এলিট ক্লাসে সিরাজ

    এদিন টস হেরে প্রথমে ফিল্ডিং করে ভারত। তাতে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরবোর্ডের যা অবস্থা ভারতীয় সমর্থকরা এখন বলতে শুরু করেছেন, শুরুতে বোলিং করে লাভবান হয়েছে টিম ইন্ডিয়া। শুরু থেকেই বল হাতে আগুন ঝরালেন সিরাজ। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়া বোলারদের তালিকায় তিনে পৌঁছে গেলেন সিরাজ। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন শার্দূল ঠাকুর। ২ বছর আগে আজকের দিনে শার্দূল ঠাকুর জোহানেসবার্গে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন। অল্পের জন্য এই রেকর্ড ভাঙা হল না সিরাজের। ভারতীয় প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিংও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন। ভারতীয় কিংবদন্তি অনিল কুম্বলে ২০০৪ সালে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে এক ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। এদিন দক্ষিণ আফ্রিকার ৫৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে চা বিরতি পর্যন্ত ভারত ৪ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান করে। রোহিত শর্মা ৩৯ রানে আউট হন। শুভমন গিল করেন ৩৬ রান। শ্রেয়স আইয়ার ও যশস্বী জয়সওয়াল কোনও রান পাননি। তাঁরা দুজনেই শূন্য হাতে ফেরেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Inner Clash: বুধেও জারি তৃণমূলের অন্তর্কলহ, সুদীপকে ফের নিশানা তাপসের, এবার কী বললেন?

    TMC Inner Clash: বুধেও জারি তৃণমূলের অন্তর্কলহ, সুদীপকে ফের নিশানা তাপসের, এবার কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলের পর বুধবারও গড়াল তৃণমূলের দ্বন্দ্বের (TMC Inner Clash) জের। এদিন প্রবীণ বিধায়ক তাপস রায় নিশানা করলেন দলেরই প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবার সুদীপকে আক্রমণ শানিয়ে তাপস বলেছিলেন, “রাজনীতি না করে অভিনয় করলে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেতেন সুদীপ”। বুধবার ফের তাপস বলেন, “যারা মমতাপন্থী, যারা তৃণমূলপন্থী, যারা অভিষেকপন্থী, সুদীপ তাদের পছন্দ করে না।”

    সুদীপের জবাব

    মঙ্গলবারই তাপসের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সুদীপ বলেছিলেন, “একটা কথাই বলব, হাতি চলে বাজার…। আর কিছু বলব না।” তিনি বলেন, “কে, কী বলবেন, সেটা তাঁদের নিজের রুচির ব্যাপার। মানুষ বিচার করবেন।” পাল্টা (TMC Inner Clash) জবাবে তাপস বলেন, “ও নিজেকে হাতি ভাবে, কিন্তু ও মোটেই হাতি নয়। আর যদি হাতি হয়, সেটাও সাদা হাতি, সব ক্ষেত্রেই অনুৎপাদক।” তাপস বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য তৃণমূল করি। কিন্তু যদি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুষ্ট করে চলতে হয়, তাহলে নিশ্চয়ই আমাকে ভাবতে হবে।”

    তাপসের পাল্টা

    তিনি বলেন, “দলে কিছু লোক বিভাজন করতে চাইছে। তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুদীপ ভুলে গিয়েছে ওর থেকে বেশি দিন তৃণমূল করি। উত্তর কলকাতাজুড়ে গোষ্ঠীবাজি করছে।” তাপস বলেন, “উনি (সুদীপ)ছ’-সাত বছর দলে ছিলেন না। বলেছিলেন, দলটা ছ’ মাস থাকবে তো! এরপর স্বামী-স্ত্রী মিলে কী করেছিল, তার সব কাগজপত্র আমার কাছে আছে। প্রয়োজনে সব তুলে ধরব। এক সময় বলেছিলেন, আমি হেরেছি তো কী হয়েছে, তৃণমূলকে তো হারিয়েছি। এত বছর ধরে আমার ওপরে যে অন্যায় হয়েছে, তার বিচার হোক।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভা নির্বাচনের আগেই লাগু হচ্ছে সিএএ! নাগরিকত্ব পাচ্ছেন কারা?

    প্রসঙ্গত, রবিবার তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে জাতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে সুদীপ বলেছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেদিন থাকবেন না, সেদিন বাংলার অবস্থা ছাগলের তৃতীয় সন্তানের মতো হয়ে যাবে।” এর প্রেক্ষিতেই তাপস নিশানা করেন সুদীপকে।

    প্রসঙ্গত, বয়ঃ-তত্ত্ব নিয়ে তৃণমূলে শুরু হয়েছে নবীন-প্রবীণের দ্বন্দ্ব। যার জেরে খোদ তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে তাঁরই ভাইপো তথা দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছিল। পরে অবশ্য ধামাচাপা দেওয়া হয় নবীনের ক্ষোভের আগুনে। এই দ্বন্দ্বেরই জের তাপস-সুদীপের বাক-যুদ্ধ। তাপস ও সুদীপ দুজনেই প্রবীণ হলেও, তাপস অভিষেক ঘনিষ্ঠ বলে তৃণমূলে (TMC Inner Clash) পরিচিত। আর সুদীপ মমতা-বৃত্তের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mohun Bagan: মোহনবাগান কোচের পদ থেকে সরলেন ফেরান্দো, দায়িত্বে আন্তোনিও হাবাস 

    Mohun Bagan: মোহনবাগান কোচের পদ থেকে সরলেন ফেরান্দো, দায়িত্বে আন্তোনিও হাবাস 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই মোহনবাগানের (Mohun Bagan) কোচের পদ থেকে সরে গেলেন জুয়ান ফেরান্দো (Juan Ferrando)। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হল টেকনিক্যাল ডিরেক্টর আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে। তাঁর কোচিংয়েই সুপার কাপ এবং মরসুমের বাকি ম্যাচ খেলবে মোহনবাগান। এর আগে হাবাস সবুজ-মেরুনের কোচ ছিলেন। এ মরসুমের শুরুতে তাঁকে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর করে দলের সঙ্গে রাখা হয়েছিল। এবার ফেরান্দোকে সরিয়ে আবার কোচ হিসেবে ফিরিয়ে আনা হল হাবাসকে।

    ফেরান্দোর সাফল্য

    ২০২১ সালে কোচ করা হয়েছিল ফেরান্দোকে (Juan Ferrando)। সে বার হাবাসের কোচিংয়ে আইএসএলে সাফল্য আসছিল না। ওই মরসুমেই গোয়ার কোচ হিসেবে ডুরান্ড কাপ জিতেছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। ওই সাফল্যের কথা মাথায় রেখে মরসুমের মাঝপথে হাবাসকে সরিয়ে বাগানের (Mohun Bagan) কোচ হয়েছিলেন ফেরান্দো। দু’বছর পর সেই ফেরান্দোকে সরিয়ে আবার বাগানের হটসিটে এলেন হাবাস। এএফসি কাপে ব্যর্থতা, আইএসএলে পরপর তিন ম্যাচে হার, এর জেরেই ফেরান্দোর ওপর অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। মোহনবাগান এ বারের আইএসএলে এখনও পর্যন্ত ১০টি ম্যাচে ৬টি জিতেছে। পেয়েছে ১৯ পয়েন্ট। গত বারের চ্যাম্পিয়ন দল রয়েছে পাঁচ নম্বরে।

    হাবাসেই ভরসা

    দু’বছরে সবুজ-মেরুনের ৭৭টি ম্যাচে কোচ ছিলেন ফেরান্দো (Juan Ferrando)। এর মধ্যে ৪২টি ম্যাচে জিতেছিল দল। হেরেছিল ২০টিতে। বাকি ১৫টি ম্যাচ ড্র হয়। ফেরান্দোর প্রশিক্ষণেই গত মরসুমে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয় মোহনবাগান (Mohun Bagan)। তার পরে জেতে ডুরান্ড কাপও। কিন্তু এ বারের আইএসএলে টানা তিনটি ম্যাচে হারের পরেই দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন ফেরান্দো। ৯ জানুয়ারি থেকে শুরু কলিঙ্গ সুপার কাপ। এক সপ্তাহ সময় পাবেন হাবাস দল গোছানোর জন্য। হাবাসেই আপাতত ভরসা রাখছেন কর্তারা। আশা করা হচ্ছে, হাবাসের হাত ধরেই মোহনবাগান আবার জয়ে ফিরবে।

     

    আরও পড়ুন: বিশেষ ক্লাস কিংবদন্তি বোরার! এশিয়ান কাপে সুনীলদের ট্রেনিং ট্রেভরের

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sadvhi Niranjan Jyoti: ‘‘কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরোবে’’! বকেয়া ইস্যুতে মমতাকে নিশানা সাধ্বী নিরঞ্জনের

    Sadvhi Niranjan Jyoti: ‘‘কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরোবে’’! বকেয়া ইস্যুতে মমতাকে নিশানা সাধ্বী নিরঞ্জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পা পড়েছে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত মন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির (Sadvhi Niranjan Jyoti)। মঙ্গলবারই ১০০ দিনের কাজের টাকা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘‘আমরা আজও বলছি, যাঁরা মনরেগাতে দুর্নীতি করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করুন, আমরা দিতে প্রস্তুত। কিন্তু জানি না কেন মমতাদি করতে চাইছেন না। ক্ষতি এখানকার মানুষের হচ্ছে। হতে পারে যেখানে দুর্নীতি হয়েছে, সেখানে হয়ত তাঁর কেউ নিজের লোক রয়েছেন।’’

    তৃণমূলকে তোপ মন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, আজ বুধবার কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Sadvhi Niranjan Jyoti) এবং সেখানেই তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা টাকা আটকাইনি। আমরা কারও টাকা বন্ধ করিনি। যদি টাকা বন্ধ করাই লক্ষ্য হত, তাহলে অন্যান্য প্রকল্পের সব টাকা বন্ধ করে দেওয়া হত। যে বিষয়টি আছে, সেটা আগে বসে সমাধান করুন। আমাদের ২ জন আধিকারক রয়েছেন, আর উনি ২ জন আধিকারিককে দিয়েছেন। যেখানে যেখানে গণ্ডগোল রয়েছে সেগুলি আগে বসে দেখা হবে।’’ এর সঙ্গেই মন্ত্রীর তোপ, হয়ত কেঁচো খুড়তে কেউটে বেরিয়ে পড়তে পারে বলেই রাজ্য আলোচনায় বসতে চাইছে না। সাধ্বী নিরঞ্জন বলেন, ‘‘কেন্দ্র প্রস্তুত থাকলেও কিন্তু উনি এখনও কেন এই সমস্যার সমাধান করতে চাইছেন না আমি জানি না। হয়ত কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে পড়বে বলেই আলোচনায় বসতে চাইছেন না।’’

    গত বছরের অগাস্ট মাসে অভিষেকের ধর্না নিয়ে কী বললেন? 

    প্রসঙ্গত, গত বছরের অগাস্ট মাসেই অভিষেক ও তাঁর দলবল দিল্লিতে গিয়ে নাটক শুরু করে। বাংলা বঞ্চিত এই বলে। পরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর অফিসেই ধর্নায় বসে। এ নিয়ে এদিন মন্ত্রী (Sadvhi Niranjan Jyoti) বলেন, ‘‘ওরা প্রথমে বলেছিল, ৫ জন দেখা করবে, তারপর বলল ১০ জন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যাবেন বলেছিলেন, আমি রাজিও হয়েছিলাম দেখা করতে। তারপর ওরা বলল, প্রতিনিধি নয়, জনতার সঙ্গে দেখা করতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলার মানুষের ভালো করা নয়, ধর্না দেওয়াই তৃণমূলের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল।’’

    আরও পড়ুন: পাখির চোখ লোকসভা ভোট! উত্তরবঙ্গ জুড়ে ম্যারাথন কর্মসূচি সুকান্তর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: “অপরাধীর মতো পালাচ্ছেন”, ইডির সমন এড়ানোয় কেজরিওয়ালকে তোপ বিজেপির

    Arvind Kejriwal: “অপরাধীর মতো পালাচ্ছেন”, ইডির সমন এড়ানোয় কেজরিওয়ালকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ইডির ডাকে সাড়া দিলেন না দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। আজ, ৩ জানুয়ারি তাঁকে ইডির দফতরে দেখা করতে বলে সমন পাঠানো হয় ২২ ডিসেম্বর। ৩ জানুয়ারি, বুধবার সকালেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, ইডির দফতরে আসছেন না তিনি। ইডির দফতরে আসতে না পারার কারণও দর্শিয়েছেন আপ সুপ্রিমো। তবে দলের তরফে বলা হয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের আগে কেজরিওয়ালকে সমন পাঠানো হচ্ছে গ্রেফতার করার জন্য। আপের দাবি, ‘ওরা (বিজেপি) চায় না, উনি (কেজরিওয়াল) নির্বাচনে প্রচার করুন। কেজিরওয়ালকে থামাতেই এই নোটিশ।’

    ইডির সমন এড়ালেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, এনিয়ে তৃতীয়বার ইডির সমন এড়ালেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে তাঁকে তলব করা হয়েছিল প্রথমে ২ নভেম্বর ও পরে ২১ ডিসেম্বর। দু’ বারই ইডির সমন এড়িয়েছেন তিনি। প্রথমবার কেজরিওয়াল গিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশে নির্বাচনী প্রচারের কাজে। আর দ্বিতীয়বার কারণ হিসেবে তাঁর দলের তরফে জানানো হয়েছিল, যোগাভ্যাস অনুশীলনের জন্য। ওই দু’বারই আপের তরফে বলা হয়েছিল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ডেকে পাঠানো হচ্ছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে (Arvind Kejriwal)।

    কেজরিওয়ালকে ইডি যে সমন পাঠাচ্ছে, তা আইনত বৈধ নয় বলেও দাবি আপের। এদিনও ইডিকে অনুপস্থিতির কারণ দর্শাতে গিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁকে পাঠানো ইডির সমন বেআইনি। তদন্তে সব রকমের সাহায্য করতে প্রস্তুত তিনি। যে কোনও আইনত বৈধ সমনেরও জবাব দিতে রাজি তিনি। তবে তার আগে সরাতে হবে বেআইনি সমনগুলি।

    বিজেপির নিশানায় কেজরি

    বারংবার ইডির সমন এড়ানোয় কেজরিওয়ালকে নিশানা করেছে বিজেপি। পদ্ম পার্টির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “আজ, আবারও অরবিন্দ কেজরিওয়াল তৃতীয় সমন এড়িয়ে গিয়েছেন। তিনি একজন অপরাধীর মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এ নিয়ে তৃতীয়বার ইডির সমন এড়ালেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এ থেকে প্রমাণ হয়, তিনি কিছু লুকোচ্ছেন। তাই তিনি (Arvind Kejriwal) অপরাধীর মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আদালত মণীশ সিসোদিয়া ও সঞ্জয় সিংহকে জামিন দেয়নি। আদালত এটা প্রতিষ্ঠা করেছে যে, অর্থ তছরুপের ঘটনা ঘটেছে। তারা একই ভিক্টিম কার্ড খেলছে।” প্রসঙ্গত, দিল্লির আবগারি কেলেঙ্কারির সূত্রে ইডি সমন পাঠিয়েছে কেজিরিওয়ালকে।

     

    আরও পড়ুুন: ‘অব কি বার চারশো পার’, নয়া স্লোগান বিজেপির

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরের ১০০ দিনে ১ হাজার বিশেষ ট্রেন ছুটবে অযোধ্যায়

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরের ১০০ দিনে ১ হাজার বিশেষ ট্রেন ছুটবে অযোধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরে (Ram Mandir) উদ্বোধন হতে হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। শুরু হয়েছে কাউন্ট ডাউন। প্রশাসন জানিয়েছে মন্দির উদ্বোধনের পরে প্রতিদিন গড়ে তিন লাখ মানুষের পা পড়বে রাম নগরী (Ram Mandir) অযোধ্যাতে। ইতিমধ্যে জোর কদমে চলছে স্টেশন পুনর্গঠনের কাজ। স্টেশনের নামকরণ হয়ে গিয়েছে অযোধ্যা ধাম। যাতায়াতে যাতে তীর্থযাত্রীদের কোনও অসুবিধা না হয় সে কারণে ভারতীয় রেল অযোধ্যা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিল। জানা গিয়েছে মন্দির উদ্বোধনের (Ram Mandir) তিন দিন আগে থেকে পরের ১০০ দিন পর্যন্ত ১ হাজার ট্রেন চালাবে ভারতীয় রেল। বিশেষ ট্রেনগুলি ছুটবে ১৯ জানুয়ারি থেকেই।

    রাম ভক্তদের সুবিধায় বিশেষ উদ্যোগ ভারতীয় রেলের 

    রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা ২২ জানুয়ারি। ২৩ জানুয়ারি থেকেই সাধারণ পুণ্যার্থীদের জন্য খুলে যাবে মন্দিরের দরজা। ইতিমধ্যে কোন কোন জায়গা থেকে ট্রেনগুলি অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা হবে, তার একটা মোটামুটি তালিকা সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, রাম ভক্তদের (Ram Mandir) অযোধ্যা পৌঁছাতে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় এবং বারবার রেল বদল না করতে হয় সে কারণেই এই বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে রেল।

    কোন কোন জায়গা থেকে ছাড়বে ট্রেন?

    বিশেষ ট্রেনগুলি ছাড়বে যেখান থেকে সেই স্থানগুলি হল, দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, পুণে, কলকাতা, নাগপুর, লখনউ ও জম্মু-কাশ্মীর। এর পাশাপাশি আরও অন্যান্য ছোট বড় শহর থেকেও অযোধ্যার উদ্দেশে পাড়ি দেবে ট্রেন। এই ট্রেনগুলির ছাড়ার সময়, যাত্রীদের দাবি অনুযায়ী নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ট্রেনের সংখ্যাও বাড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে। অযোধ্যা স্টেশন ১৫ জানুয়ারি থেকে ফের খুলে যাবে। তখন থেকে প্রতিদিন গড়ে পঞ্চাশ হাজার মানুষের পা পড়বে প্ল্যাটফর্মে। অযোধ্যার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ঢেলে সাজানো হচ্ছে। অযোধ্যা (Ram Mandir) জোনের আইজি প্রবীণ কুমার বলেন, ‘‘আমাদের কাছে যত লোকবল আছে, তার পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য আমরা প্রযুক্তিরও সাহায্য নিচ্ছি। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ড্রোনও নজরদারি চালাচ্ছে। অযোধ্যা শহরের চারিদিকে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Unnatural Death: বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার বাবা, মা, ছেলের ঝুলন্ত দেহ! চাঞ্চল্য গড়িয়ায়

    Unnatural Death: বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার বাবা, মা, ছেলের ঝুলন্ত দেহ! চাঞ্চল্য গড়িয়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গড়িয়া স্টেশন এলাকার একটি বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে একই পরিবারের তিন জনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। মৃত্যু হয়েছে স্বপন মৈত্র (৭৫), অপর্ণা মৈত্র (৬৯) ও তাঁদের ছেলে সুমন রাজ মৈত্রর (৩৯)। তিনজনেই আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অনুমান পুলিশের। কিন্তু, কেন আচমকা বাড়ির সবাই একযোগে আত্মহত্যা করতে গেলেন তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। মৃত্যুর পিছনে আর অন্য কোনও কারণ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে আবাসনের অন্যান্য বাসিন্দাদের। 

    কী বলছেন বাসিন্দারা

    নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার গড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন অঞ্চলের একটি আবাসনে, তিন জনের পচা-গলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দুর্গন্ধ পেয়ে প্রতিবেশীরাই প্রথমে পুলিশে খবর দেন। পরে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে দেহগুলি উদ্ধার করে। পাশের ফ্ল্যাটের এক মহিলা বলেন, “এক জন বয়স্ক মানুষ, তাঁর স্ত্রী এবং কমবয়সি ছেলে থাকতেন। আমার বাড়ি গঙ্গাসাগর। শনিবার আমি এখানে এসেছি। তখন থেকেই দরজাটা বন্ধ। গত পরশু থেকে গন্ধটা পাওয়া যাচ্ছে। মনে করেছিলাম, ইদুঁর মরেছে বোধ হয়। এত গন্ধ। তার পরে আমার মেয়েও বলছে কোথা থেকে গন্ধটা আসছে! আমরা শনিবার থেকে এসেই ওঁদের দেখতে পাইনি।” 

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে পারদ মাইনাস ৫ ডিগ্রির নীচে! তাপমাত্রা কমল কলকাতাতেও

    মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

    ঘটনার আকস্মিকতায় শোকে পাথর অপর্ণা মৈত্রের ভাই দেবাশিস ঘোষ। তিনি বলেন, “আমার দিদি জামাইবাবু ২ জনেই অসুস্থ ছিলেন। জামাইবাবুর কয়েক বছর আগে বাইপাস সার্জারিও হয়। তারপর থেকে শরীরটা বিশেষ ভাল ছিল না। ওদেরকে দেখার জন্যই আমার ভাগ্নে পুরোপুরি বাড়িতে থাকত। আমি তো শেষ ২৮ তারিখ এসেছিলাম। তখনও কিছু বুঝিনি। কোনও অস্বাভাবিকতা দেখা যায়নি। নিজের হাতে কেক বানিয়ে খাইয়েছিল আমার ভাগ্নে। আজ খবর পেয়ে এসে দেখি এই ঘটনা। কেন করল, কী করল কিছুই বুঝতে পারছি না।” পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত স্বপন মৈত্র পেশায় ইঞ্জিনিয়র ছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, গত তিন দিন ধরে স্বপন মৈত্র বা তাঁর পরিবারের কাউকে দেখা যায়নি। এদিন আবাসনের তিনটি আলাদা জায়গায় তিন জনের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে এখনও পর্যন্ত সেখান থেকে কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি। ফলে কী কারণে মৃত্যু তা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Teesta River: উত্তরবঙ্গের ‘লাইফ লাইন’ তিস্তার গতিপথ এভাবে বদলে গেল কেন?

    Teesta River: উত্তরবঙ্গের ‘লাইফ লাইন’ তিস্তার গতিপথ এভাবে বদলে গেল কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অক্টোবরে সিকিমের ভয়াবহ হড়পা বানের জেরে বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই আরও এক নতুন এবং অভাবনীয় বিপত্তি হাজির। আর তা হল, দুটি রাজ্য এবং দুটি দেশের মধ্যে দিয়ে আঁকাবাঁকা পথে এগিয়ে চলা তিস্তা নদীর (Teesta River) গতিপথই বদলে গিয়েছে। এ হল উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়া ছবি। এই দৃশ্য সামনে আসতেই সেচ দফতরের কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কারণ, এ শুধু নিছকই পথ পরিবর্তন, এমনটা নয়। এর সঙ্গে তিস্তার দীর্ঘ পথের দুপাশের মানুষের জীবন-জীবিকা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহ বিভিন্ন বিষয় জড়িত। সেই কারণেই উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান এই নদীকে বলা হয়ে থাকে উত্তরের ‘জীবন রেখা’। রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের কাছে এই গতিপথ বদলের খবর পৌঁছে গিয়েছে। ঠিক কী হয়েছে, আপাতত তা পরীক্ষা করার কাজ চলছে। ঘটনাস্থলে আসছেন রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধিরাও। মনে রাখতে হবে তিস্তা আদপে একটি আন্তর্জাতিক নদী। ফলে বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরেও যে আলাপ-আলোচনা এবং সমীক্ষা শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

    পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক? (Teesta River)

    সেচ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, উপগ্রহ চিত্রে পাওয়া চিত্রের সঙ্গে বাস্তবের পরিস্থিতি আরও বেশি বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ দূর থেকে ছবি তোলার কারণে খুবই ছোট ছোট পরিবর্তন হয়তো নজরে পড়ছে না। কেবলমাত্র বড় বড় বাঁকাচোরা বা সরে যাওয়ার বিষয়গুলিই উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে। যেমন ওই চিত্র অনুযায়ী টোটোগাঁও ছেড়ে নদী ডান দিকে লালটং বস্তির দিকে চলে গেছে। গজলডোবা ব্যারাজের পরে নদী (Teesta River) আবার ডান দিক থেকে সরে গিয়েছে বাঁদিকে। ধর্মপুর এবং বাকালিতে ঘটেছে উল্টো ঘটনা। সিকিম বিপর্যয়ের পরেই যে এই ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সে কথা স্বীকার করেছেন সেচ দফতরের উত্তর-পূর্ব বিভাগের মুখ্য বাস্তুকার কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক। এই পরিবর্তনের বিষয়টি দফতরের শীর্ষ কর্তাদের নজরে আনা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

    কেন এমন হল? (Teesta River)

    বিভিন্ন জায়গায় নদীর গতিপথ কেন এভাবে বদলে গেল, তার যে ব্যাখ্যা মিলেছে, তা অবশ্য খুবই সহজ। হড়পা বান চলাকালীন নদীর বিরাট স্রোতের সঙ্গে পাহাড়ের উপর থেকে সমতলের বিভিন্ন জায়গায় আছড়ে পড়েছে বালি, পাথর ইত্যাদি। প্রকৃতি শান্ত হওয়ার পর এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে জল নেমে যাওয়ার পর এই সমস্ত বালি এবং পাথর ডাঁই হয়ে বিভিন্ন জায়গায় জমে গেছে। এইসব জায়গাতেই নদী এসে বাধা পাচ্ছে এবং তার স্বাভাবিক প্রবাহ (Teesta River) বজায় রাখতে অন্যদিকে ঘুরে যাচ্ছে। বহু চাষযোগ্য জমির কাছাকাছি নদী চলে আসার ফলে সেখানকার মানুষ নতুন করে বন্যার আশঙ্কায় ভুগতে শুরু করেছেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share