Tag: bangla news

bangla news

  • Canada: ভারত মাতা মন্দিরের পর কানাডার ‘খালিস্তান গড়ে’ বসছে ৫৫ ফুট হনুমানজির মূর্তি

    Canada: ভারত মাতা মন্দিরের পর কানাডার ‘খালিস্তান গড়ে’ বসছে ৫৫ ফুট হনুমানজির মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডায় হরদীপ সিং নিজ্জর খুনের জেরে ঘটেছিল ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতি। তবে সম্পর্কে সুসময় বোধহয় ফিরছে। খুব শীঘ্রই কানাডায় (Canada) বসতে চলেছে ৫৫ ফুট উঁচু হনুমানজির মূর্তি। আগামী বছরের এপ্রিলে ওই মূর্তি বসবে। রাজস্থানের ভাস্কর নরেশ কুমায়ত তৈরি করছেন মূর্তিটি। খরচ জোগাবে স্থানীয় মন্দির কর্তৃপক্ষ। কানাডার ব্রাম্পটনে রয়েছে হিন্দু সভা মন্দির। ২৩ এপ্রিল হনুমান জয়ন্তী। এদিনই একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন হবে নরেশের হাতে গড়া ওই মূর্তির।

    খালিস্তানপন্থী কার্যকলাপ

    ব্রাম্পটন এলাকাটি গ্রেটার টরন্টো এরিয়ার অন্তর্ভুক্ত। এলাকাটি সম্প্রতি পরিচিতি পেয়েছে খালিস্তানপন্থীদের কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়ায়। দীপাবলি পালনকে কেন্দ্র করে দীপান্বিতা অমাবস্যার দিন স্থানীয় হিন্দুদের সঙ্গে খালিস্তানপন্থীদের মধ্যে উত্তেজনাও ছড়িয়েছিল (Canada)। তার আগে ভারত মাতা মন্দির চত্বরে ভারতীয় কূটনীতিক ও গৌরী শঙ্কর মন্দিরের গায়ে ভারত বিরোধী স্লোগান লেখাকে কেন্দ্র করেও উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। কানাডার এই হনুমানজির মূর্তিই শুধু নয়, রাজস্থানের নরেশের রয়েছে আরও একাধিক উল্লেখযোগ্য কীর্তি। বিশ্বের ৮০টি দেশে ২০০-র বেশি স্থাপত্যকীর্তি ছড়িয়ে রয়েছে তাঁর।

    নরেশের কীর্তি 

    কানাডারই ‘ভয়েস অফ বেদাস’ মন্দিরে রয়েছে নরেশেরই গড়া ৫০ ফুটের হনুমানজির একটি স্ট্যাচু। সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টে দিল্লিতে ৭৫ ফুট উঁচু সমুদ্র মন্থনের যে ম্যুরাল রয়েছে, সেটিও নরেশেরই তৈরি। স্বামী বিবেকানন্দ, ডঃ সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ইন্দিরা গান্ধী, মহাত্মা গান্ধী, মার্টিন লুথার কিং এবং নেলসন ম্যান্ডেলার মূর্তিও তৈরি করেছেন রাজস্থানের এই শিল্পী। রাজস্থানের নাথওয়াড়ায় শোভা পাচ্ছে তাঁর তৈরি ৩৬৯ ফুটের শিবের স্ট্যাচু। এই মূর্তির নাম লেখা হয়েছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। হিমাচল প্রদেশের সোলানের ১৫৬ ফুটের হনমানজির মূর্তিটিও তৈরি নরেশের হাতে।

    আরও পড়ুুন: সংসদের বাইরে গায়ে আগুন লাগানোর ছক কষেছিল লোকসভাকাণ্ডে ধৃত সাগর!

    লিমকা বুক অফ রেকর্ডসে ঠাঁই করে নিয়েছে নরেশের এই কীর্তি। শিমলার জাকু মন্দিরে রয়েছে নরেশেরই হাতে গড়া ১০৮ ফুটের হনুমানজির মূর্তি। কেবল স্বদেশ নয়, রাজস্থানের এই শিল্পীর ভাস্কর্য শোভা পাচ্ছে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, পোল্যান্ড, সিসিলিস, মরিশাস, দুবাই, ওমান এবং রাশিয়ায়ও। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকুলামে রয়েছে ১৮০ ফুট হনুমানজির মূর্তি। এটিরও (Canada) রূপদান করেছেন নরেশ। প্রসঙ্গত, কানাডায় খুন হন নিজ্জর। অভিযোগের আঙুল ওঠে ভারতের দিকে। তার পরেই অবনতি হয় ভারত-কানাডা সম্পর্কে।

    ভারত-কানাডা তলিয়ে যাওয়া সম্পর্কে সুদিন ফিরছে নরেশের হাত ধরে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • North 24 Parganas: ডিসেম্বরের শীতেও ডেঙ্গির থাবা! বারাসতে মৃত এক ডাক্তারি পড়ুয়া

    North 24 Parganas: ডিসেম্বরের শীতেও ডেঙ্গির থাবা! বারাসতে মৃত এক ডাক্তারি পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শীতের ডিসেম্বরেও ডেঙ্গির থাবা! মশা বাহিত রোগে প্রাণ গেল এক ডাক্তারি পড়ুয়ার। ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতে। এই ঘটনায় এলাকায় ফের একবার ডেঙ্গির প্রকোপে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যে পুরসভার বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য, বর্ষার পর হেমন্ত হয়ে শীত এসে গেলেও রাজ্যে থামছে না ডেঙ্গির আতঙ্ক। পুজোর পরেও নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দমদম, দক্ষিণ কলকাতায় ডেঙ্গির প্রভাব ছিল ব্যাপক। এপর্যন্ত মৃত্যু হিয়েছে অনেকের। রাজ্যের শাসক বনাম বিরোধীদের এই ডেঙ্গির সংক্রমণ নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তবুও ভাঙছে না প্রশাসনের ঘুম।

    মৃতের পরিচয় (North 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেঙ্গির সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে বারসতের (North 24 Parganas) রথতালার বাসিন্দা পৃথ্বীরাজ দাসের। তিনি ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। জানা গিয়েছে এই পড়ুয়া কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। এরপর তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই হাসপাতালে মৃত্যু হয় ছাত্রের। ওই ছাত্রের মৃত্যুর কারণ হিসাবে ডেঙ্গির শক সিনড্রোমের কথা বলে জানানো হয়েছে। এলাকার প্রতিবেশীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, “এলাকায় প্রচুর মশার উৎপাত। পুরসভা থেকে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। আমরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।”

    স্বাস্থ্য ভবনের বক্তব্য

    স্বাস্থ্য ভবনের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে কোনও রোগীদের অকারণে অপ্রয়োজনে প্লেটলেট দেওয়ার কারণে অসংখ্য রোগীদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। আর এর ফলে রোগীদের প্রাণ সঙ্কটাপন্ন হচ্ছে। আরও জানা গিয়েছে, এর প্রভাবে রোগীদের মধ্যে অনেকের হার্টে অ্যাটাক হচ্ছে। সেই সঙ্গে ফুসফুসে জল জমে মারাও যাচ্ছে অনেক মানুষ। উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য ভবন আরও জানিয়েছে ঘটনাগুলির বেশির ভাগটাই বেসরকারি হাসপাতালেই ঘটছে।

    বিশেজ্ঞদের বক্তব্য

    চিকিৎসক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গি রোগীদের ক্ষেত্রে শরীরে জল শূন্যতা একটি প্রধান সমস্যা। ডেঙ্গিতে রক্তের মধ্যে অণুচক্রিকা প্রবল হারে কমে যায়। রক্ত বাহিকা থেকে রক্তরস বা প্লাজমা লিক করে বের হলে রক্ত আরও ঘন হয়ে যায়। আর ফলে রোগীকে স্যালাইন দিতে হয়। তবে রোগীকে কখন প্লেটলেট দিতে হবে এই বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে সরকারি নির্দেশিকাকে মান্যতা দেওয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন জেলার জনস্বাস্থ্য আধিকারিক। বারসতের (North 24 Parganas) রোগীর ক্ষেত্রে তাই ঘটতে পারে বলে জানান তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Aishwarya Rai Bachchan: বচ্চন পরিবারে বিচ্ছেদের মেঘ! মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ছাড়লেন ঐশ্বর্য

    Aishwarya Rai Bachchan: বচ্চন পরিবারে বিচ্ছেদের মেঘ! মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ছাড়লেন ঐশ্বর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খবর নাকি সত্যি। সত্যিই বচ্চন পরিবারের বাড়ি ছেড়ে মেয়েকে নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। বচ্চন পরিবারের এক ঘনিষ্ঠের সূত্রে জানা গিয়েছে, পারিবারিক কলহের কারণেই নাকি মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে ‘জলসা’ ছেড়েছেন ঐশ্বর্য (Aishwarya Rai Bachchan)। শাশুড়ি জয়া বচ্চন নিজের নাতিনী এবং বৌমার সঙ্গে বহু বছর ধরে নাকি কথা বলেন না। এমনকি একে অপরের সামনে উপস্থিতও হন না। বাবা হিসাবে অভিষেক কন্যা এবং স্ত্রীর প্রতি নাকি খুব একটা আনুগত্য নন। তাই মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে বাড়ি ছাড়লেন গেলেন বিশ্বসুন্দরী। তাহলে কি এবার বচ্চন পরিবারে বিচ্ছেদের মেঘ সঞ্চার হল? ঠিক ভক্তদের মনে এই কথাই উঠছে বারবার। 

    জন্মদিন একাই কাটিয়েছেন ঐশ্বর্য(Aishwarya Rai Bachchan)?

    গত ১ নভেম্বর নিজের জন্মদিন একাই কাটিয়েছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন (Aishwarya Rai Bachchan)। পরিবারের বাকি লোকজন তাঁর জন্মদিনে খুব একটা উচ্ছ্বাস দেখায়নি বলে খবর। সামজিক মাধ্যমে অভিষেক শুভ জন্মদিন লিখে কেবল মাত্র দায় সেরেছেন। সেই সময় থেকেই ঐশ্বর্য এবং অভিষেকের সম্পর্কের মধ্যে তিক্ততা ধরা পড়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সম্প্রতি অমিতাভ বচ্চন নিজের মেয়ে শ্বেতাকে ‘প্রতীক্ষা’ বাংলো লিখে দেন। এরপর থেকেই জানা যায় ঐশ্বর্য এবং শ্বেতার সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়। তবে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা প্রকাশ্যে আসলেও ঐশ্বর্য-অভিষেকের মধ্যে সম্পর্ক খুব একটা ভাল নয়, ফলে মনোমালিন্য স্পষ্টত।

    ১৬ বছরের দাম্পত্য

    ২০০৭ সাল থেকে ঐশ্বর্য এবং অভিষেকের মধ্যে বিবাহ সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। নিজের পরিচয়ের সঙ্গে ঐশ্বর্য বচ্চন পরিবারের ‘বচ্চন বহু’ নামে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। আজ পর্যন্ত ১৬ বছর হয়ে গেল বলিউডের কোনও অনুষ্ঠানে একক ভাবে ঐশ্বর্যকে দেখা যায়নি। সবসময় অভিষেককে দেখা যেত। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরেই সেই ছন্দের পতন ঘটেছে। ঐশ্বর্য-অভিষেকের ভক্তরা এবার নিশ্চিন্তে থাকতে পারছেন না কারণ শোনা যাচ্ছে দিল্লি থেকে ননদ শ্বেতা বচ্চন এবার থেকে বচ্চন পরিবারের মধ্যে থাকতে শুরু করেছেন। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে গত একবছর ধরে জয়া বচ্চনের সঙ্গে সম্পর্ক একদম ভাল নেই ঐশ্বর্যর। ‘জলসা’য় চলেছে চরম অশান্তি। তবে সম্পর্ক তালানিতে ঠেকলেও পরিবারের প্রতি যে বৌয়ের দায়িত্ব পালনে অভাব রাখছেন না ঐশ্বর্য। গত শুক্রবার সকালে ধীরুভাই অম্বানির স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে স্বামী এবং শ্বশুরের সঙ্গে এক সঙ্গেই দেখা গিয়েছে ঐশ্বর্যকে। উল্লেখ্য শ্বেতার ছেলে অভিনীত ‘দ্য আর্চিজ’ ছবির প্রিমিয়ামে গোটা পরিবারকে দেখা গেলেও, ঐশ্বর্যর (Aishwarya Rai Bachchan) সঙ্গে পরিবারের কথাবার্তা, আলাপচারিতার মধ্যে দূরত্ব লক্ষ্য করা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: শেষ হল ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডরের কাজ, জানুন বিশদে  

    Indian Railways: শেষ হল ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডরের কাজ, জানুন বিশদে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলের (Indian Railways) মাথায় নয়া তাজ। তৈরি হয়ে গেল ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর। স্বাভাবিকভাই এই করিডর চালু হয়ে গেলে আয় বাড়বে ভারতীয় রেলের। পণ্য পরিবহণ করে সব চেয়ে বেশি আয় করে ভারতীয় রেল। তবে লাইনে জটের জেরে মালগাড়ি গন্তব্যে পৌঁছায় দেরিতে। এতে ক্ষতি হয় দু’তরফেই। একদিকে যেমন ট্রিপ কমে যায় গাড়ির, তেমনি অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হন তাঁরা, যাঁরা পণ্য আমদানি-রফতানি করেন। তার জেরে পণ্য পরিবহণ বাবদ আয় কমে গিয়েছে রেলের। সেই কারণেই ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় রেল। সেই কাজই শেষ হয়েছে।

    দুই করিডর

    রেল (Indian Railways) সূত্রে খবর, দুটি করিডর তৈরি হবে। একটি ইস্টার্ন ফ্রেট করিডর, অন্যটি ওয়েস্টার্ন ফ্রেট করিডর। এই দুই করিডর ক্রস করবে একটি জায়গায়। পঞ্জাবের লুধিয়ানা থেকে পশ্চিমবঙ্গে সন্নাগর পর্যন্ত যে করিডর, সেটি হল ইস্টার্ন করিডর। আর উত্তরপ্রদেশের রেওয়ারি থেকে মুম্বইয়ের জওহরলাল নেহরু বিমানবন্দর পর্যন্ত যে করিডর, সেটি ওয়েস্টার্ন করিডর। রেওয়ারি থেকে দাদরি পর্যন্তও ট্রেন নিয়ে যাওয়া যাবে এই করিডরের মাধ্যমে। কাজ শেষ হয়েছে এই ইস্টার্ন করিডরের। এই করিডরের দৈর্ঘ ১ হাজার ৩৩৭ কিমি। ওয়েস্টার্ন করিডরের দৈর্ঘ ১ হাজার ৫০৬ কিমি। রেল সূত্রে খবর, এই করিডরের কাজ শেষ হয়েছে ৭৮ শতাংশ।

    গতিশক্তি কার্গো টার্মিনাল

    এর পাশাপাশি গতিশক্তি কার্গো টার্মিনালের বিকাশেও নয়া নীতি নির্ধারণ করেছে রেলমন্ত্রক। এর ফলে রেলের মাধ্যমে রেলের পাশাপাশি সড়ক এবং জলপথেও পণ্য নিয়ে যাওয়া যাবে এক স্থান থেকে অন্যত্র। ইতিমধ্যেই ১৫টি গতিশক্তি কার্গো টার্মিনাল গড়ে উঠেছে। গতিশক্তি কার্গো টার্মিনাল গড়ে তুলতে আরও ৯৬টি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: চার রাজ্যে পিএলএফআইয়ের ডেরায় হানা এনআইএ-র, কী ছক কষেছিল জঙ্গিরা?

    জানা গিয়েছে, ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর ও গতিশক্তি কার্গো টার্মিনালের লক্ষ্যই হল লজিস্টিক সেক্টরে ভারতে গ্লোবাল লিডার হিসেবে গড়ে তোলা। এতে একই সঙ্গে বৃদ্ধি এবং বিকাশ হবে ভারতীয় অর্থনীতির। এর পাশাপাশি (Indian Railways) বাড়বে কাজের সুযোগও। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগও বাড়বে। উৎপাদন, কৃষি এবং খনির মতো ক্ষেতেই মূলত বাড়বে বিনিয়োগ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saigal Hossain: সায়গল হোসেনকে জেরা এনআইএ-র! বিস্ফোরকের কারবারিদের সঙ্গেও যুক্ত অনুব্রত-র দেহরক্ষী

    Saigal Hossain: সায়গল হোসেনকে জেরা এনআইএ-র! বিস্ফোরকের কারবারিদের সঙ্গেও যুক্ত অনুব্রত-র দেহরক্ষী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদা বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে (Saigal Hossain) জেরা করল এনআইএ (NIA)। বীরভূমের মহম্মদবাজারে জিলেটিন স্টিক উদ্ধারকাণ্ডে তিহাড় জেলে বন্দি সায়গলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গরু পাচার কাণ্ডে আপাতত তিহাড় জেলে রয়েছেন সায়গল ও অনুব্রত। সিবিআই, ইডির পর এবার বিস্ফোরকের কারবারিদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে এনআইএ-র জেরার মুখে পড়লেন সায়গল।

    কেন জেরা

    এনআইএ সূত্রের দাবি, বীরভূমের মহম্মদবাজারে জিলেটিন স্টিক-সহ ডিটনেটর উদ্ধারের তদন্তে সায়গল হোসেনকে জেরা করে মিলতে পারে বিভিন্ন তথ্য। ২০২২ সালে মুরারই থেকে উদ্ধার হয়েছিল ৮১ হাজার ডিটোনেটর। গাড়ির চালককে আটক করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ২৭ হাজার কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং ১ হাজার ৯২৫ কেজি জিলেটিন স্টিক ও আরও ২ হাজার ৩২৫টি ডিটোনেটর উদ্ধার হয়। বিপুল এই বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তভার নেয় এনআইএ। পুলিশের একাংশের মদতে বিস্ফোরক সরবরাহকারীরা ডিটোনেটর-জিলেটিন স্টিক হাত বদল করতেন। তদন্তে এমনই তথ্য পেয়েছে এনআইএ। এই ঘটনায় ধৃতদের জেরা করেই সায়গলের তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি এনআইএর। যে জায়গায় মজুত করে রাখা হয়েছিল ওই ডিটোনেটর, তার মালিক সায়গলের অত্যন্ত ঘনিষ্ট বলেই দাবি এনআইএ-র। 

    আরও পড়ুন: চার রাজ্যে পিএলএফআইয়ের ডেরায় হানা এনআইএ-র, কী ছক কষেছিল জঙ্গিরা?

    এনআইএ-র জিজ্ঞাসাবাদ

    ২০১০ সালে কনস্টেবল পদে চাকরি পান সায়গল হোসেন। ২০১৬ থেকে অনুব্রতর ছায়াসঙ্গী হিসেবে সর্বত্র দেখা যেতে থাকে সায়গল হোসেনকে। আর তারপরই তাঁর এই উত্থান। গরু পাচার, কয়লা পাচার-এর পর এবার জিলেটিন স্টিক উদ্ধার। বিস্ফোরকের কারবারিদের সঙ্গেও কি সায়গল হোসেনের (Saigal Hossain) যোগাযোগ ছিল? প্রভাবশালী যোগ ছাড়া কি এই বিস্ফোরকের কারবার চলতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই সায়গলকে জেরা করে এনআইএ। ৫ ঘণ্টা ধরে চলে সেই জেরা-পর্ব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: সংসদের বাইরে গায়ে আগুন লাগানোর ছক কষেছিল লোকসভাকাণ্ডে ধৃত সাগর!

    Parliament Security Breach: সংসদের বাইরে গায়ে আগুন লাগানোর ছক কষেছিল লোকসভাকাণ্ডে ধৃত সাগর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমজনতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সংসদের বাইরে গায়ে আগুন লাগানোর ছক কষেছিল লোকসভাকাণ্ডে (Parliament Security Breach) ধৃত সাগর। তবে পুড়ে মরতে চায়নি সে। সেজন্য গায়ে মাখতে চেয়েছিল এক বিশেষ ধরনের জেল। অনলাইনে পেমেন্ট করতে না পারায় কেনা হয়নি জেল। তাই একেবারে শেষমূহুর্তে গিয়ে বাতিল করা হয় এই পরিকল্পনা। দিল্লি পুলিশের ম্যারাথন জেরায় এমনই দাবি করেছে ধৃত সাগর শর্মা।

    সাগরের বিস্ফোরক ছক

    লোকসভাকাণ্ডে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে সাগরও। লোকসভার দর্শক গ্যালারি থেকে অধিবেশ কক্ষ ঝাঁপ দিয়ে পড়েছিল যে দুজন, তাদেরই একজন সাগর। সংসদ চত্বরে গায়ে আগুন দিয়ে আমজনতার দৃষ্টি আকর্ষণ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সে-ই। অধিবেশন চলাকালীন কীভাবে স্মোক-ক্যান হামলা করা হবে, তারও ছক কষা হয়েছিল (Parliament Security Breach) আগেই। সংসদ ভবনে কীভাবে তারা ঢুকবে, তা জানতে সংসদ ভবনের নিরাপত্তার পুরনো ভিডিও খুঁটিয়ে দেখেছিল সাগররা। ইন্টারনেট থেকে নয়া সংসদ ভবনের নকশা সহ যাবতীয় তথ্য সংগ্রহের চেষ্টাও করেছিল হানাদারেরা। তরুণদের আকৃষ্ট করতে ‘ভগৎ সিং ফ্যান পেজ’ নামে একটি পেজও সে খুলেছিল বলে পুলিশি জেরায় জানিয়েছে সাগর।

    রেইকি করে এসেছিল সাগর!

    এর পাশাপাশি খোলা হয়েছিল হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপও। ফেসবুকে যারা যোগ দিত, তাদের মধ্যে সমমনস্ক তরুণদের বেছে নিয়ে করা হত হোয়াটস গ্রুপের সদস্য। পুলিশি নজরদারি এড়িয়ে কীভাবে নিখুঁতভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা যায়, সেজন্য সিগন্যাল অ্যাপের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে চ্যাট করত হানাদাররা। সাগর নিজেও একবার গিয়ে রেইকি করে এসেছিল। জেরায় সে স্বীকার করেছে, সাতটি স্মোক ক্যান নিয়ে সেদিন সংসদের অন্দরে ঢুকে পড়েছিল তারা।

    আরও পড়ুুন: চার রাজ্যে পিএলএফআইয়ের ডেরায় হানা এনআইএ-র, কী ছক কষেছিল জঙ্গিরা?

    পাতিয়ালা হাউস কোর্টে দিল্লি পুলিশের দাবি, দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতেই এই ছক কষেছিল হানাদারেরা। সরকার যাতে তাদের সব দাবি-দাওয়া মেনে নেয়, সেজন্যই এই হামলা। পুলিশের আশঙ্কা, এই পুরো পরিকল্পনাটার নেপথ্যে বিদেশি কোনও শত্রু দেশের আর্থিক সহযোগিতা থাকতে পারে। প্রসঙ্গত, বুধবার লোকসভার (Parliament Security Breach) দর্শক গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দিয়ে অধিবেশন কক্ষে পড়ে দুজন। জুতোয় লুকিয়ে রাখা স্মোক ক্যানে চাপ দেওয়ায় রঙিন ধোঁয়ায় ভরে যায় অধিবেশন কক্ষ। পরে দুই হানাদারকে ধরে ফেলেন দুই সাংসদ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Gita Path: মোদির উপস্থিতিতে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ কি এবার গিনেস বুকে রেকর্ড গড়বে?

    Gita Path: মোদির উপস্থিতিতে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ কি এবার গিনেস বুকে রেকর্ড গড়বে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে ২৪ ডিসেম্বর কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ (Gita Path) বঙ্গের জন্য ব্যাপক চমক। সারাসরি কোনও রাজনৈতিক যোগ না থাকলেও এই কর্মসূচির মাধ্যমে বঙ্গে হিন্দুত্ব জাগরণের এক নয়া ফলক নির্মিত হতে চলেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। গীতাপাঠের আসরে যোগদান করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিশেষ ভাবে থাকবেন দ্বারকা মঠের বর্তমান শঙ্করাচার্য স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী। এছাড়াও থাকবেন অন্য রাজ্যের আরও বিশিষ্ট প্রতিনিধিরা।

    ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠে’র আসরকে ঘিরে বিশ্ব রেকর্ডের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, উপস্থিত থাকবেন ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’-এর প্রতিনিধিরা। সেই সঙ্গে নজর রাখতে উপস্থিত থাকবেন আরও কিছু বিদেশী সংস্থা। এক সঙ্গে এত মানুষের সমাগমে গীতাপাঠ আগে হয়েছে কি না, কেউ মনে করতে পারছেন না। ফলে সার্বিক ভাবে সাফল্য পেলে বিশ্ব রেকর্ড গড়বে বঙ্গের এই গীতাপাঠ।

    কী বললেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি?

    আয়োজক সংগঠনের সভাপতি স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ বলেন, “ওই দিন ব্রিগেডে যে গীতাপাঠ অনুষ্ঠিত হবে, তা বিশ্বের কোথাও কোনও দিন হয়নি। এই বিপুল মানুষের সমাগমে গীতাপাঠ (Gita Path) বিশ্ব রেকর্ড তৈরি করবে।” আবার আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বসন্ত শেঠিয়া বলেন, “গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-সহ আরও বেশ কিছু সংস্থার কাছে আবেদন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু সংস্থা আসবে বলে আমাদের নিশ্চিতও করেছে। বিশ্ব রেকর্ড তৈরি হবে, তাই তাকে পরীক্ষা করাবার জন্য আমেরিকা সহ আরও নানা দেশ থেকেও প্রতিনিধিরা আসবেন।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রেকর্ড প্রমাণের জন্য আগে থেকে আবেদন করতে হয়। আর তাই আয়োজকরা ইতিমধ্যে ছয় মাস আগেই সমস্ত নিয়ম মেনে রেকর্ডের বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করার কাজ করে আসছেন। এখন সাফল্যের অপেক্ষা মাত্র।

    গীতাপাঠের সঙ্গে আর কী কী হবে (Gita Path)

    অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদ, সংস্কৃতি সংসদ এবং মতিলাল ভারত তীর্থ সেবা মিশনের যৌথ উদ্যোগে এই গীতাপাঠের (Gita Path) অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানের প্রথমে লক্ষ কণ্ঠে গীতার শ্লোক পাঠ হবে, এরপর ২০ হাজারের বেশি শঙ্খ একসঙ্গে বাজানো হবে। এক লক্ষ কণ্ঠে গাওয়া হবে নজরুলের গান। অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেড় হাজারেরে বেশি সাধুসন্ত উপস্থিত থাকবেন গীতাপাঠের আসরে। এই পাঠ বিশ্ব রেকর্ডের তকমা পেতেও পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • NIA: চার রাজ্যে পিএলএফআইয়ের ডেরায় হানা এনআইএ-র, কী ছক কষেছিল জঙ্গিরা?

    NIA: চার রাজ্যে পিএলএফআইয়ের ডেরায় হানা এনআইএ-র, কী ছক কষেছিল জঙ্গিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ মাওবাদী সংগঠন পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (plfi) ডেরায় হানা এনআইএ-র (NIA)। সূত্র মারফত খবর পেয়ে চার রাজ্যে অভিযান চালায় এনআইএ। উদ্ধার হয়েছে ভারতীয় সেনার উর্দি এবং আগ্নেয়াস্ত্র। গ্রেফতার করা হয়েছে সন্দেহভাজন দুই মাওবাদীকে। ঝাড়খণ্ড লিবারেশন টাইগার্স নামে পরিচিত পিএলএফআই আদতে মাওবাদীদের দলছুট একটি গোষ্ঠী। এদের বিরুদ্ধে তোলা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

    কী কী মিলল?

    শুক্রবার ঘণ্টা চারেক ধরে অভিযান চলে। বিহারে এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন এনআইএ-র ডিএসপি মহেন্দ্র সিংহ রানা। উদ্ধার হয় ভারতীয় সেনার একটি উর্দি, দুটি বেআইনি অস্ত্র, প্রচুর নথিপত্র, নগদ টাকা এবং সোনার গয়না। চলতি বছর ১১ অক্টোবর পিএলএফআইয়ের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা দায়ের করেছে এনআইএ। এর পরেই পিএলএফআইয়ের ডেরায় হানা দেওয়ার পরিকল্পনা করে এনআইএ। সেই মতো শুক্রবার চার রাজ্যের ২৩টি জায়গায় একই সময়ে হানা দেয় এনআইএ। জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডে জঙ্গি কার্যকলাপ করার পরিকল্পনা করেছিল পিএলএফআই। তাদের বিরুদ্ধে জুলুম ও তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে।

    কোথায় কোথায় হানা? 

    এনআইএ (NIA) সূত্রে খবর, এদিন ঝাড়খণ্ড, বিহার, মধ্যপ্রদেশ ও দিল্লির মোট ২৩টি জায়গায় হানা দেয় এনআইএ। সব মিলিয়ে বাজেয়াপ্ত হয়েছে দুটি পিস্তল, কিছু কার্তুজ এবং বিস্ফোরকের পাশাপাশি সোনার গয়না, নগদ তিন লক্ষ টাকা, বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম এবং নথিপত্র। এনআইএ (NIA) সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডের গুমলা, রাঁচি, সিমডেগা, খুঁটি, পালামু, পশ্চিম সিংভূম জেলার ১৯টি ডেরায় অভিযান চালিয়েছে এনআইএ। অভিযান চালানো হয়েছে, মধ্যপ্রদেশের সিধি, বিহারের পাটনা এবং দিল্লির দুটি ডেরায়।

    আরও পড়ুুন: চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ললিত ঝা-র, কী বলল লোকসভাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড?

    ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস। তার আগে মাওবাদীদের ডেরায় ভারতীয় সেনার উর্দি মেলায় জঙ্গিরা নাশকতার ছক কষেছিল কিনা, তাও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা (NIA)। ফি বার প্রজাতন্ত্র দিবসে জাতির উদ্দেশ্যে লালকেল্লায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন দেশ-বিদেশের প্রচুর অতিথি-অভ্যাগত উপস্থিত থাকেন। তদন্তকারীদের একাংশের ধারণা, সেনার উর্দি পরে সেদিনই সেনার ভিড়ে মিশে গিয়ে হামলার ছক কষেছিল জঙ্গিরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: ‘চিরদিনের অধিনায়ক’ রোহিতকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট! মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের নয়া নেতা হার্দিক

    IPL 2024: ‘চিরদিনের অধিনায়ক’ রোহিতকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট! মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের নয়া নেতা হার্দিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোহিত শর্মাকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নতুন অধিনায়ক হিসেবে হার্দিক পান্ডিয়ার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। যা তোলপাড় ফেলেছে ক্রিকেট মহলে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই রোহিতের পাশে দাঁড়িয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সমালোচনায় মুখর। প্রশ্ন উঠছে, এমন কী ঘটল রোহিতকে সরিয়ে অধিনায়ক করা হল হার্দিককে? যদিও রোহিতকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট করেছে মুম্বই-ও। সোশ্যাল সাইটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের তরফে একটি ভিডিও পোস্ট করে রোহিতের উদ্দেশে লেখা হয়েছে,’তুমি আমাদের চিরদিনের অধিনায়ক’ ।

    ভবিষ্যত পরিকল্পনা

    আসলে পুরো ব্যাপারটি পূর্ব পরিকল্পিত এবং ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে। রোহিতকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে বা রোহিতের সরে দাঁড়ানোর স্ক্রিপ্ট লেখা হয়ে গিয়েছিল ওয়ান ডে বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারত হারার পরেই। কারণ, রোহিতের বয়স এখন ৩৬। তিনি আর একদিনের ক্রিকেটে খেলবে বলে মনে হয় না। অনিশ্চিত টি-২০ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারও। জুনে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলে তিনি সাদা বলের ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে পারেন। এমনকী শোনা যাচ্ছে, ২০২৪-এ তাঁর শেষ আইপিএল। তাই সময়ে থাকতেই নেতৃত্বের ব্যাটন হাত বদল হওয়াই স্বাভাবিক। যা প্রবল ভাবেই চাইছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। কিন্তু লোক চক্ষুরও তো ব্যাপার থাকে। রোহিতের নেতৃত্বেই মুম্বই পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন। এমন এক সফল নেতাতে এভাবে অধিনায়কের পদ থেকে এক তরফাভাবে সরানোর সাহস কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি চাইবে না। 

    সরতে চাইছিলেন রোহিত!

    আসলে রোহিত নিজেই কি সরতে চাইছিলেন? বিশেষজ্ঞদের অনুমান, সম্মান থাকতেই রাজ্যপাট অন্য কারও হাতে তুলে দিতে চাইছিলেন রোহিত। আর সেক্ষেত্রে হার্দিকই ছিল সেরা বিকল্প। তাই গুজরাট থেকে হার্দিককে ফিরিয়ে আনা ছিল এই পরিকল্পনারই অঙ্গ। কারণ, হার্দিক ছিলেন গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক। ১৫ কোটির বিনিময়ে তিনি মুম্বই ইনিডয়ান্সে ফিরলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁকে নেতৃত্ব তো ছাড়তে হবে। তাই হার্দিকের সঙেগ চুক্তিতেই বলা হয়েছিল রোহিতের পরেই তিনি হবেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক। রোহিত থাকতেই তাঁর হাতে নেতৃত্বভার এভাবে সঁপে দেওয়া বড়ই দৃষ্টিকটূ। কিন্তু পেশাদার ক্রিকেটে সবই সম্ভব। একদিন হার্দিক আইপিএলে শুরু করেছিলেন রোহিতের নেতৃত্বে। কালের নিয়মে এবার হার্দিকের নেতৃত্ব খেলবেন রোহিত। 

    আরও পড়ুন: আর কেউ পরতে পারবেন না ধোনির জার্সি! মাহির ৭ নম্বর জার্সি সংরক্ষণ বিসিসিআই-এর

    নেতা হার্দিক

    হার্দিকের মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হওয়ার পিছনে রয়েছে আরও একটি অঙ্ক রয়েছে। ফিট থাকলে আগামীতে সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হওয়ার সম্ভাবনা হার্দিকেরই। আর যে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি চাইবে ভারতীয় দলের অধিনায়ক খেলুক তাঁর দলেই। তাতে ব্র্যান্ড ভ্যালু যে অনেকটাই বাড়বে। আখেরে, আবেগ, ভালো ক্রিকেটের থেকে কোটিপতি লিগে অর্থই সবার আগে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mumbai Mail: কাপলিং খুলে বিপত্তি মুম্বই মেলে, দুটি কামরা নিয়ে ছুটল ইঞ্জিন

    Mumbai Mail: কাপলিং খুলে বিপত্তি মুম্বই মেলে, দুটি কামরা নিয়ে ছুটল ইঞ্জিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে ফরাক্কা স্টেশনের কাছে রাধিকাপুর এক্সপ্রেস চালকের তৎপরতায় বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায়। রেল লাইনের ওপরে উঠে যায় ট্রাক। চালক জুরুরি ব্রেক কষায় চাকায় আগুল লেগে যায়। তবে, এই ঘটনার জের মিটতে মিটতেই অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল মুম্বই মেল (Mumbai Mail)। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া-খড়্গপুর শাখার বীরশিবপুর স্টেশনে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Mumbai Mail)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত প্রায় সাড়ে ন’টা নাগাদ দক্ষিণ-পূর্ব রেলে উলুবেড়িয়া স্টেশন থেকে আপ মুম্বই মেল (Mumbai Mail) ছাড়ে। ছাড়ার ঠিক পরেই ট্রেনের কাপলিং খুলে যায় বীরশিবপুর স্টেশনের কাছে। ট্রেনের কাপলিং খুলে দু’টি কামরা নিয়েই গন্তব্যের দিকে রওনা দেয় মুম্বই মেল। বাকি কামরা পড়ে থাকে বীরশিবপুর স্টেশনেই। এই দুর্ঘটনার ফলে হাওড়া-খড়্গপুর শাখার আপ লাইনে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। যাত্রী দুর্ভোগ চূড়ান্ত। অবশেষে চার ঘণ্টারও বেশি সময়ের প্রচেষ্টার পর রাত দেড়টা নাগাদ গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেয় মুম্বই মেলটি। যাত্রীরা বলেন, জোরে শব্দ করে ট্রেনটি কিছু দূর গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। আচমকা ট্রেন কেন দাঁড়িয়ে গেল দেখতে দেখি, ট্রেনের দুটি কামরা সহ ইঞ্জিন নেই। যদিও  দু’টি কোচ নিয়ে ইঞ্জিন এগিয়ে গিয়ে থেমে গিয়েছে। বাকি কামরাগুলো পিছনেই রয়ে গিয়েছে। ফলে, চরম আতঙ্কিয় হয়ে পড়েছিলাম। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে খবর পেয়ে দক্ষিণ পূর্ব রেলের আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়াররা ঘটনাস্থলে এসে কাপলিং মেরামতের কাজ শুরু করেন।

    রেল আধিকারিক কী বললেন?

    দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারি আদিত্য কুমার চৌধুরী বলেন,  এই দুর্ঘটনার ফলে ট্রেন চলাচলে খুব বেশি প্রভাব পড়েনি। আর কাপলিং খুলে গেলেও বড় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কম থাকে। কারণ অটোমেটিক ব্রেক লক হয়ে যায়। রেল কর্মীরা গিয়ে দ্রুত মেরামতির কাজ করেছেন। তবে কী ভাবে এবং কেন এই ঘটনা ঘটল তা জানতে বিভাগীয় তদন্ত করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share