Tag: bangla news

bangla news

  • Sagar Dutta Hospital: দালালচক্রের মূল পান্ডার টিকি ছুঁতে পারল না পুলিশ! মাথায় কার হাত?

    Sagar Dutta Hospital: দালালচক্রের মূল পান্ডার টিকি ছুঁতে পারল না পুলিশ! মাথায় কার হাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দালাল চক্র নিয়ে তোলপাড় কামারহাটির সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Sagar Dutta Hospital)। হাসপাতালে দাদালচক্রের বিরুদ্ধে পোস্টার দেওয়ার অপরাধে শামসেদ আলি নামে তৃণমূল কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে জাবেদ আলি নামে এক দালাল ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। হাসপাতালে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে নাম জড়ায় জাবেদ আলি এবং মুকিম খানের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই এক মুকিম খান নামে দালাল চক্রের পান্ডাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত দালাল চক্রের মূল পান্ডা জাবেদ আলির টিকি ছুঁতে পারেনি পুলিশ।

    দালালচক্রের মূল পান্ডার মাথায় কার হাত, কামারহাটি জুড়ে চর্চা

    কামারহাটি বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। দাপুটে এই নেতা থাকার পরও এই এলাকায় তৃণমূল গোষ্ঠী কোন্দলে জর্জরিত। গত পুরসভা নির্বাচনে একাধিক আসনে তৃণমূলের অফিসিয়াল প্রার্থীর বিরুদ্ধে খোঁজ প্রার্থী দাঁড়ানোর ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। জানা গিয়েছে, জাবেদ আলি সাগর দত্ত হাসপাতালের (Sagar Dutta Hospital) কর্মী। হাসপাতাল জুড়ে দালাল চক্র চালানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। দুদিন আগে দক্ষিণ দমদমের এক রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করাকে কেন্দ্র করে দালাল চক্রের বিষয়টি সামনে আসে। হাসপাতালে আইসিইউ বেড পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রায় ছয় হাজার টাকা দাবি করা হয়। আর এই অভিযোগ উঠে জাবেদ আলি ও মুকিম খানের বিরুদ্ধে। পরবর্তীকালে বিষয়টি জানতে পেরে মদন মিত্র হস্তক্ষেপ করেন। তিনি ওই রোগীকে আইসিইউ তে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। যদিও পরে, ওই রোগীর মৃত্যু হয়। এরপরই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে মদন মিত্র সরব হন। শামসেদ আলি সাগর দত্ত হাসপাতালে অভিযুক্ত জাবেদ আলির বিরুদ্ধে পোস্টার লাগিয়েছিলেন। এর পরই তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল কর্মীর বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত জাবেদ আলি। এই জাবেদ আলিকে নিয়েই প্রকাশ্যেই তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র সরব হয়েছেন। এত কিছুর পরেও এখনও পর্যন্ত জাবেদ আলির নাগাল পেল না পুলিশ। জাবেদ আলির পিছনে শাসক দলের এক দাপুটে নেতার হাত রয়েছে, যার জন্য জাবেদ আলি মদন মিত্রকেও পাত্তা দিচ্ছে না বলে দলের অন্দরে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। পুলিশও জাবেদকে ঘাঁটাতে সাহস পাচ্ছে না। তবে, এই বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কেউ মুখ খুলতে চাইছে না। হাসপাতালে দালালরাজ নিয়ে গোটা কামারহাটি জুড়়ে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘করোনার থেকেও ভয়াবহ ডেঙ্গি পরিস্থিতি’’! স্বাস্থ্যভবনে শুভেন্দুর বিক্ষোভ, পুলিশের বাধা

    Suvendu Adhikari: ‘‘করোনার থেকেও ভয়াবহ ডেঙ্গি পরিস্থিতি’’! স্বাস্থ্যভবনে শুভেন্দুর বিক্ষোভ, পুলিশের বাধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে স্বাস্থ্য ভবনে বিক্ষোভ দেখালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার বেলার দিকে বিজেপি বিধায়কদের একাংশকে নিয়ে স্বাস্থ্যভবনের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। ‘ডেঙ্গির সরকার, আর নেই দরকার’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগানও দেন বিজেপি বিধায়কেরা। স্বাস্থ্যভবনে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বিরোধী দলনেতাকে। 

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    এদিন শুভেন্দুর নেতৃত্বে স্বাস্থ্য ভবনের গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন ২২ জন বিজেপি বিধায়ক। বিরোধী দলনেতাকে গেটে আটকে দেয় পুলিশ। স্বাস্থ্য ভবনের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাঁদের স্মারকলিপি দিতে বাধা দেওয়া হয়। রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতিকে ‘ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে একশো জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর কাছে সমস্ত তথ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। শুভেন্দু বলেন, “দেশের বাকি সব রাজ্য ডেঙ্গি সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিলেও পশ্চিমবঙ্গ তথ্য লুকোচ্ছে।” 

    স্মারকলিপি দিতেও বাধা

    শুভেন্দুর অভিযোগ, করোনার থেকেও ভয়াবহ রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি। তাঁর কথায়, “কেন ডেঙ্গি মোকাবিলায় উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হয়নি? কেন চিকিৎসকেরা ডেঙ্গি লিখতে ভয় পাচ্ছেন? এই সব জিজ্ঞাসা করতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই স্বাস্থ্যভবনে গিয়েছিলাম।” সরকারের ডেঙ্গি নিয়ে বৈঠককে আইওয়াশ বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। এদিন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘আমরা সচিবের কাছে যাচ্ছি না। স্মারকলিপি রিসিভ করিয়ে চলে যেতাম। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে ডেঙ্গির ভয়াবহতার এই খবর পৌঁছে দিতে চাই। এটা মমতার, তৃণমূলের স্বাস্থ্য ভবন নয়। বিধায়কদের মমতার পুলিশ কীভাবে আটকাতে পারে?’

    আরও পড়ুন: চাপের মুখে ডেঙ্গি-তথ্য প্রকাশ রাজ্যের! ভয় ধরাচ্ছে পরিসংখ্যান, কী আছে তাতে?

    বিজেপির প্রতিবাদ

    এদিনই বিজেপির পক্ষে  কাল থেকে আগামী ৭ দিন রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়। ডেঙ্গি পরিস্থিতির (Dengue Scare) অবনতির প্রতিবাদে এবার রাজ্যজুড়ে আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি (BJP)। একসঙ্গে আন্দোলনে নামছে বিজেপি যুব মোর্চা, টিচার সেল, ডক্টর সেল ও স্বাস্থ্য পরিষেবা সেল। বিভিন্ন পুরসভা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের (Health Centres) সামনে চলবে বিজেপির প্রতিবাদ। ধর্না, অবস্থান বিক্ষোভের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে। ডেঙ্গিতে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে আক্রান্ত ৪০ হাজার ছুঁইছুঁই।

    ফের ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু

    অন্যদিকে, মঙ্গলবারই বাঙুর হাসপাতালে মৃত্যু হল ডেঙ্গি আক্রান্ত ২৮ বছরের এক তরুণীর। তিনি নেতাজি নগরের বাসিন্দা। মৃতার নাম প্রিয়া রায়। সোমবার সঙ্কটজনক অবস্থায় তাঁকে বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সিসিইউতে রাখা হয়েছিল তাঁকে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ওই তরুণীকে সঙ্কটজনক অবস্থায় আনা হয়েছিল। ডেঙ্গি শক সিনড্রোমও ছিল। তাতেই মৃত্যু হয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ইডির বিরুদ্ধে শাহি দরবারে নালিশ জানাতে চলেছেন সুকান্ত! কেন জানেন?

    Sukanta Majumdar: ইডির বিরুদ্ধে শাহি দরবারে নালিশ জানাতে চলেছেন সুকান্ত! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তদন্ত প্রক্রিয়ার সঙ্গে ইডির যে সব কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসার যুক্ত তাঁরা কেউ ২০১৪ সালের পরে জন্মাননি। কিংবা ২০১৪ সালের পর চাকরিতেও যোগ দেননি। বিচারপতির এই পর্যবেক্ষণ আমরা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও জানাব।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি অধ্যাপক-নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    আদালতের কাছে আবেদন সুকান্তর

    তিনি বলেন, “আমরা আদালতের কাছে আবেদন করব যদি কোনও তদন্তকারী ইডি অফিসারের বিরুদ্ধে তাদের কোনও সন্দেহ হয়, তাহলে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক। কংগ্রেস আমলের কোনও তদন্তকারী অফিসার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আড়াল করার চেষ্টা করতেই পারেন। কিন্তু তদন্ত প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে আমাদের সরকার কাউকে বাঁচানোর চেষ্টা করবে না। বিএসএফের একজন অফিসারকেও গ্রেফতার হতে হয়েছে।”

    অসন্তোষ বিচারপতি সিনহার 

    প্রসঙ্গত, তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্যুতে সোমবার অসন্তোষ প্রকাশ করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। অভিষেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, বীমা ও সম্পত্তির বিস্তারিত তথ্য আদালতকে জানিয়েছিল ইডি। সেই (Sukanta Majumdar) রিপোর্টের ভিত্তিতে বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন, আপনারা (ইডি) জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তিনটি বীমা রয়েছে। আর কোনও সম্পত্তি নেই? ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নেই? তিনি সাংসদ, অথচ তাঁর কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নেই? তাঁর বেতন কোন অ্যাকাউন্টে যায়? ইডির তরফে জানানো হয় অভিষেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এর পর বিচারপতি সিনহার পাল্টা প্রশ্ন, তার উল্লেখ করেননি কেন? আপনারা কী পোস্ট অফিস? আপনারাই তথ্য গোপন করেছেন বলে আমার এখন সন্দেহ হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: “ট্রুডো মিথ্যা কথা বলেন”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তোপ শ্রীলঙ্কার

    প্রসঙ্গত, এর আগে ইডি এবং সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে (Sukanta Majumdar) অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টেরই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এদিকে, তদন্তের গতি স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ ইডির। বৃহস্পতিবার আদালতে ইডির দাবি, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সিইও আছেন জানানোর পর থেকেই শুরু হয়েছে হয়রানি। আমাদের বলতে বাধা নেই যে সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের নির্দেশে এসব হচ্ছে।” ইডির অভিযোগ, “বারবার এই নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। তদন্তের গতি স্তব্ধ করার চেষ্টা চলছে। পুলিশকে দিয়ে এই কাজ করানো হচ্ছে। নেপথ্যে হাত রয়েছে প্রভাবশালীদের।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Asian Games 2023: তিতাসদের পর অনুশ! বাংলার হাত ধরেই এশিয়ান গেমসে তৃতীয় সোনা জয় ভারতের

    Asian Games 2023: তিতাসদের পর অনুশ! বাংলার হাত ধরেই এশিয়ান গেমসে তৃতীয় সোনা জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়াডের তৃতীয় দিনে ইকুয়াস্ট্রিয়ানে সোনা জিতল ভারতে। ৪১ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ইকুয়াস্ট্রিয়ান থেকে সোনা জয় ভারতের। এ বারের এশিয়াডে ইকুয়াস্ট্রিয়ানে ভারতের মিক্সড টিম সোনা পেল। এই দলের সদস্যরা হলেন – হৃদয় চেদা, দিব্যাকৃতি সিং, আনুশ আগরওয়াল এবং সুদীপ্তি হাজেলা। সোমবার বাংলার তিতাস সাধু, রিচা ঘোষের হাত ধরে সোনা জিতেছিল ভারত। মঙ্গলবার ভারতকে সোনা এনে দিলেন বাংলার অনুশ।

    তৃতীয় দিনে ভারতের জয়যাত্রা

    ইকুয়াস্ট্রিয়ানে ঘোড়ার পিঠে চড়ে প্রতিযোগীদের বিভিন্ন বাধা টপকাতে হয়। অনেকে এই খেলাকে ‘হর্স রাইডিং’ও বলেন। এদিন এই ইভেন্টে ভারতের পয়েন্ট ২০৯.২০৫। ২০৪.৮৮২ পয়েন্ট নিয়ে রুপো পেয়েছে চিন এবং ২০৪.৮৫২ পয়েন্ট নিয়ে ব্রোঞ্জ পেয়েছে হংকং। শ্যুটিং, ক্রিকেটের পর ১৯তম এশিয়ান গেমসে এটি ভারতের তৃতীয় সোনা। দলগত এই বিভাগে ভারতকে সোনা এনে দিয়েছেন সুদীপ্তি হাজেলা, দিব্যাকৃতী সিং, হৃদয় সেড়া এবং অনুশ আগরওয়াল। এদের মধ্যে অনুশ আবার বাংলা তথা কলকাতার ছেলে। চলতি এশিয়াডে ১০০ পদকের লক্ষ্য নিয়ে নেমেছে ভারত। পদক তালিকায় অন্তত প্রথম পাঁচে শেষ করা ভারতীয় দলের টার্গেট। অশ্বারোহণের মতো খেলা থেকে সোনা জয় সেই টার্গেট পূরণের দিকে এগিয়ে দেবে ভারতীয় দলকে।


    আরও পড়ুন: এশিয়ান গেমসে জোড়া পদকের সামনে বাংলার মেয়ে প্রণতি! হকিতে ১৬ গোল ভারতের

    মঙ্গলবার সেইলরে ভারতের নেহা ঠাকুর রুপো জিতলেন। এশিয়ান গেমসে সেইলিংয়ে পদক জিতলেন তিনি। নেহা মেয়েদের ডিঙ্গি ইভেন্টে রুপো জিতলেন। এবারের এশিয়ান গেমসে সেইলিংয়ে প্রথম পদক এনে দিয়েছেন তিনিই। পরে ইবাদ আলি ব্রোঞ্জ জেতেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রোজগার মেলায় ফের চাকরি বিলি, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে নিয়োগপত্র নিলেন ৫১ হাজার জন

    PM Modi: রোজগার মেলায় ফের চাকরি বিলি, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে নিয়োগপত্র নিলেন ৫১ হাজার জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় যখন হা-চাকরি দশা, তখন রোজগার মেলা করে তরুণদের হাতে চাকরি তুলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার তিনি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন ৫১ হাজার চাকরিপ্রার্থীর হাতে। এর মধ্যে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ১ হাজার চাকরিপ্রার্থীও রয়েছেন।

    বাংলায় হা-শিল্প দশা

    নিয়োগ কেলেঙ্কারির জেরে ল্যাজেগোবরে দশা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের। শিল্প না থাকায় নিয়োগ বন্ধ বললেই চলে। নানা কেলেঙ্কারিতে তৃণমূলের নেতাদের একাংশ ফেঁসে যাওয়ায় সরকারি চাকরিতে নিয়োগও সেভাবে হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এমতাবস্থায় কয়েক মাস ছাড়াই হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীর হাতে চাকরি তুলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন দেশজুড়ে ৪৬টি জায়গায় রোজগার মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। এর মধ্যে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারেও একটি ক্যাম্প করা হয়েছিল।

    নিয়োগপত্র পেলেন ৫১ হাজার

    এই রোজগার মেলা থেকেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের তরুণদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এদিন যাঁরা চাকরি পেলেন তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারি প্রকল্পে প্রযুক্তির ব্যবহার দুর্নীতি, জটিলতা রোধ করেছে। বাড়িয়েছে বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বাচ্ছন্দ্য।” মাস তিনেক আগেও রোজগার মেলার মাধ্যমে ৭০ হাজার চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেবার ২০টি রাজ্যের ৪৩টি জায়গার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছিলেন তিনি। এদিন নিয়োগপত্র দিলেন ৫১ হাজার জনকে।

    আরও পড়ুুন: “ট্রুডো মিথ্যা কথা বলেন”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তোপ শ্রীলঙ্কার

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে আরও বেশি তরুণের কর্মসংস্থান হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেই মতো রোজগার মেলার মাধ্যমে নিয়োগপত্র তুলে দিচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীদের হাতে। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার শপথ নিয়েছে ভারত। আগামী কয়েক বছরেই ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। ভারতের জিডিপি দ্রুত বাড়ছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে সমস্যা থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে চলেছে ভারত। উৎপাদন ও রফতানি ক্ষেত্রে ব্যাপক বৃদ্ধি হয়েছে।” তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারতে যে পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ হচ্ছে, তা আগে কখনও হয়নি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত ৯ বছরে কীভাবে প্রশাসনিক কাজকর্ম অনায়াস হয়েছে, তা তো দেশবাসী চোখেই দেখেছেন।”

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Waheeda Rehman: ২০২১ সালের দাদাসাহেব ফালকে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন ওয়াহিদা রহমান

    Waheeda Rehman: ২০২১ সালের দাদাসাহেব ফালকে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন ওয়াহিদা রহমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিনেমা জগতে দেশের সর্বোচ্চ দাদাসাহেব ফালকে সম্মানে ভূষিত হলেন প্রবীণ তথা কিংবদন্তী অভিনেত্রী ওয়াহিদা রহমান (Waheeda Rehman)। চলচ্চিত্র জগতে তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে ২০২১ সালের দাদাসাহেব ফালকে বিশেষ আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে। মঙ্গলবার, এই ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।

    ওয়াহিদা রহমানের (Waheeda Rehman) অভনীত ‘গাইড’, ‘পেয়াসা’, ‘কাগজনকে ফুল’ ‘চৌধবী কা চাঁদ’ ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অমর হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে ১৯৬৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘গাইড’ ছবি। প্রয়াত কিংবদন্তী অভিনেতা দেব আনন্দের সঙ্গে তাঁর এই ছবি সেই সময়ে দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। প্রসঙ্গক্রমে, আজ প্রয়াত দেব আনন্দের ১০০ তম জন্মদিন। দেব আনন্দ নিজে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেয়েছিলেন ২০০২ সালে। এদিকে, ওয়াহিদা নিজে এর আগে পদ্মভূষণ, পদ্মশ্রী সম্মানের ভূষিত হয়েছেন। 

    মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর কী জানালেন?

    এদিন এই পুরস্কারের ঘোষণা নিজের ট্যুইটার (অধুনা এক্স) হ্যান্ডলে করেন অনুরাগ ঠাকুর। সেখানে তিনি বলেন, “ওয়াহিদা রহমানজিকে (Waheeda Rehman) ভারতীয় চলচ্চিত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য, এই বছর দাদাসাহেব ফালকে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট সম্মাননা প্রদান করা হল। এই ঘোষণায় আমি অত্যন্ত আনন্দ অনুভব করছি। হিন্দি সিনেমায় তাঁর বৃহৎ অবদানের মাধ্যমে বিপুল প্রশংসা অর্জন করেছেন তিনি। যার মধ্যে ‘সাহেব বিবি অউর গোলাম’, ‘খামোশি’, ‘পেয়াসা’, ‘কাগজনকে ফুল’ ‘চৌধবী কা চাঁদ’ সহ আরও অনেক সিনেমার জন্য সুখ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি। পাঁচদশকের বেশি সময় ধরে ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে বিশেষ অবদান রেখেছেন তিনি।”

    মন্ত্রী আরও বলেন, “একদিকে সংসদে যেমন নারী শক্তি বিল পাশ হয়েছে, তেমনি আবার সিনেমা জগতে নারী চরিত্রকে দাদা দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত করা হচ্ছে। এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়। তিনি একজন ভারতীয় নারী শক্তির প্রকৃষ্ট উদাহরণ যিনি, কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে নাম করেছেন পেশাদার দুনিয়াতেও। মানব সমাজের কল্যাণের জন্য সিনেমা জগতে নেতৃত্ব দিয়েছেন ওয়াহিদা রহমান (Waheeda Rehman)। নিজেকে চলচ্চিত্র শিল্পে উৎসর্গ করেছেন তিনি। আমাদের সমাজ জীবনে চলচ্চিত্র একপ্রকার ইতিহাস নির্মাণ করে, আর সেই ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।” আর তাই অভিনেত্রী ওয়াহিদা রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, “আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই এবং সমস্ত কাজের জন্য শুভেচ্ছা জানাই।” 

    সম্মান পেয়ে কী প্রতিক্রিয়া ওয়াহিদা রহমানের?

    অভিনেত্রী (Waheeda Rehman) বলেন, ‘‘এটি একটি বিশাল সম্মানের যে ভারত সরকার আমাকে এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করার জন্য বেছে নিয়েছে। আমার প্রিয় সহ-অভিনেতা প্রয়াত দেব সাবের (দেব আনন্দ)-এর জন্ম শতবর্ষে এই স্বীকৃতি আমার কাছে আসায় আমি খুবই কৃতজ্ঞ। এটি ঘোষণা করার জন্য এর চেয়ে ভালো দিন আর কী হতে পারে! আমি সমগ্র চলচ্চিত্র জগৎ এবং আমার ভক্তদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা সর্বদা আমার কেরিয়ারে আমাকে সমর্থন করেছে এবং আজও একইরকম সম্মান করে। আমি আমার বন্ধু এবং আমার পরিবারের জন্য ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি সত্যিই খুব খুশি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISL 2023-24: আইএসএল-এর শুরুতেই শীর্ষে মোহনবাগান! কত নম্বরে ইস্টবেঙ্গল? 

    ISL 2023-24: আইএসএল-এর শুরুতেই শীর্ষে মোহনবাগান! কত নম্বরে ইস্টবেঙ্গল? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (আইএসএল) প্রথম রাউন্ডের শেষে শীর্ষে মোহনবাগান। দুরন্ত শুরু করেছে সবুজ-মেরুন। মোহনবাগান (Mohun Bagan) দলটিকে দারুণভাবে সাজিয়েছেন কোচ জুয়ান ফেরান্দো। অনবদ্য খেলেছে বাগান জার্সিধারীরা। ঘরের মাঠে সারাক্ষণ চাপে রেখে দিচ্ছে বিপক্ষ দলকে। মাঠের দুটি প্রান্ত ধরে খেলেছে তারা। যদিও দলের রক্ষণ এখনও জমাট নয়। দ্বিতীয় রাউন্ড শুরুর আগে সেদিকেই লক্ষ্য কোচের। 

     শীর্ষে মোহনবাগান

    আইএসএল-এর প্রথম রাউন্ডের সব ম্যাচ হয়ে গিয়েছে। সব দলই একটি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে। ম্যাচ স্থগিত হয়ে যাওয়ায় শুধুমাত্র এফসি গোয়া এবং হায়দরাবাদ এফসি এখনও মাঠে নামেনি। বাকি ১০টি দলের মধ্যে জিতেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট, ওড়িশা এফসি,  কেরল ব্লাস্টার্স এবং মুম্বই সিটি এফসি। ড্র করেছে ইস্টবেঙ্গল এবং জামশেদপুর এফসি। হেরে গিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি, নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড, রাউন্ডগ্লাস পঞ্জাব এফসি এবং চেন্নাইয়িন এফসি। আইএসএলের প্রথম রাউন্ডের শেষে লিগ টেবিলে শীর্ষে রয়েছে মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচ ড্র করে লিগ তালিকায় পাঁচ নম্বরে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ওড়িশা এফসি, কেরল ব্লাস্টার্স, মুম্বই সিটি এফসি।

    ডুরান্ড কাপে রক্ষণভাগে প্রভাবিত করা দুই ইস্টবেঙ্গল তারকা লালচুংনুঙ্গা ও জর্ডন এলসের ইস্টবেঙ্গলের হয়ে আইএসএলের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামেননি। জামশেদপুরের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করেছে লাল হলুদ। একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করলেও, গোল করতে ব্যর্থ হয় ইস্টবেঙ্গল। তবে ড্র করলেও কিন্তু দলের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত (Carles Cuadrat) বেশ খুশি। একাধিক গোলের সুযোগ হাতছাড়া হলেও, সেটা খেলারই অঙ্গ বলেই মনে করেন কুয়াদ্রাত।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khalistani Terrorists: “ট্রুডো মিথ্যা কথা বলেন”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তোপ শ্রীলঙ্কার

    Khalistani Terrorists: “ট্রুডো মিথ্যা কথা বলেন”, কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে তোপ শ্রীলঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের (Khalistani Terrorists) আশ্রয় দিয়ে আরও গাড্ডায় কানাডার ট্রুডো সরকার। এবার শ্রীলঙ্কাও জানিয়ে দিল, জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে কানাডা। খালিস্তানি জঙ্গিরা আশ্রয় নিয়েছে কানাডায়। তা নিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর দেশের। এবার শ্রীলঙ্কার নিশানায়ও ট্রুডো সরকার। যার জেরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ক্রমেই কোণঠাসা হচ্ছে ট্রুডোর দেশ।

    কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা দ্বীপরাষ্ট্রের

    জুন মাসে কানাডায় খুন হয় খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর। ওই ঘটনায় ভারতের হাত রয়েছে বলে সংসদে দাবি করেন ট্রুডো। এ প্রসঙ্গে সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি সাবরি বলেন, “ট্রুডো (Khalistani Terrorists) মিথ্যা কথা বলেন। এর আগে কানাডা সরকার দাবি করেছিল শ্রীলঙ্কায় গণহত্যা হয়েছে বলে। সেটাও সম্পূর্ণ মিথ্যা ছিল। ট্রুডোর অভিযোগ তাই আমাকে অবাক করে না।”

    ‘সন্ত্রাসবাদীদের স্বর্গরাজ্য কানাডা’, বলল শ্রীলঙ্কাও

    তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদীদের স্বর্গরাজ্য কানাডা। কানাডার প্রধানমন্ত্রী কোনও প্রমাণ ছাড়াই আপত্তিকর অভিযোগ তোলেন বারংবার। শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও একই রকম অভিযোগ তুলেছিল কানাডা। শ্রীলঙ্কায় গণহত্যা হয়েছে বলে ভয়ানক ও সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ তুলেছিল কানাডা। সবাই জানে, আমাদের দেশে কোনও গণহত্যা হয়নি।” ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে, শ্রীলঙ্কার বিদায়ী হাইকমিশনার মিলিন্ডা মোরাগোদাও। কানাডার অভিযোগের পর ভারতের প্রতিক্রিয়ার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদীদের কার্যকলাপের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা। তবে সন্ত্রাসবাদ উচ্ছেদে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে শ্রীলঙ্কা সরকার।” তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, এই আবহে ভারতের প্রতিক্রিয়া যথেষ্ট দ্ব্যর্থহীন ও দৃঢ়। পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে, তাতে আমরা ভারতকেই সমর্থন করছি। আমার ৬০ বছরের জীবনে ৪০ বছর শ্রীলঙ্কায় একাধিক সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ হতে দেখেছি। আর এই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের ফলস্বরূপ আমি অনেক বন্ধু ও সহকর্মীকে হারিয়েছি।”

    আরও পড়ুুন: কানাডায় হিন্দু-শিখদের লাগাতার হুমকি খালিস্তানপন্থীদের, গদি বাঁচাতে চুপ ট্রুডো

    রাশিয়ার তোপের মুখেও ট্রুডো প্রশাসন

    এদিকে, হিটলারের নাৎসি বাহিনীর এক বর্ষীয়ান সদস্যকে সম্মান জ্ঞাপন করা হয় কানাডার পার্লামেন্টে (Khalistani Terrorists)। ৯৮ বছরের ওই ব্যক্তি ইউক্রেনের বাসিন্দা। নাৎসি বাহিনীর সদস্যকে ট্রুডো সরকার সম্মান জানানোয় বেজায় চটেছে রাশিয়া। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, “নাৎসির সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিকে যেভাবে সম্মান জানানো হয়েছে, তা উদ্বেগ তৈরি করে। নাৎসি জমানার ভয়াবহ স্মৃতি উসকে দেয়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khalistani Terrorists: কানাডায় হিন্দু-শিখদের লাগাতার হুমকি খালিস্তানপন্থীদের, গদি বাঁচাতে চুপ ট্রুডো

    Khalistani Terrorists: কানাডায় হিন্দু-শিখদের লাগাতার হুমকি খালিস্তানপন্থীদের, গদি বাঁচাতে চুপ ট্রুডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গদি বাঁচাতে মুখে কুলুপ এঁটেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। সেই সুযোগে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কানাডায় আশ্রয় নেওয়া খালিস্তানপন্থী জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা (Khalistani Terrorists)। সে দেশে বসবাসকারী হিন্দুদের হুমকি দিচ্ছে তারা। কেবল তাই নয়, শান্তিপ্রিয় শিখদেরও হুমকি দিচ্ছে খালিস্তানপন্থীরা। জঙ্গি হুমকির ভয়ে কার্যত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন কানাডায় বসবাসাকারী হিন্দু ও শিখরা। হুমকির পাশাপাশি ভারত-বিরোধী অস্ত্রে শান দিতে চলছে হিন্দু-বিরোধী প্রচারও। দেশের আকাশে যখন উড়ছে এহেন বিদ্বেষের বিষবাষ্প, তখনও আশ্চর্যজনকভাবে নীরব ট্রুডো সরকার।

    কানাডায় বাড়ছে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ 

    জুলাই মাসে কানাডায় খুন হয় খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর। মূলত তার পর থেকেই সে দেশে বাড়ছে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ (Khalistani Terrorists)। দিন কয়েক আগে নিজ্জর খুনে ভারতের হাত রয়েছে বলে সংসদে দাবি করেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। এতেই আগুনে ঘি পড়ে। তোল্লাই পেয়ে আগের চেয়েও বেশি করে সক্রিয় হয়ে ওঠে কানাডায় ঘাঁটি গেড়ে বসে থাকা খালিস্তানপন্থী জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। তারা হিন্দুদের সে দেশ ছেড়ে ভারতে ফিরে যেতে বলে। হিন্দুদের পাশাপাশি বহু শিখও বসবাস করছেন কানাডায়। খালিস্তানপন্থীরা তাঁদেরও হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ।

    হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর

    কেবল তাই নয়, গত কয়েক দিন ধরে কানাডায় হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর চালাচ্ছে খালিস্তানপন্থীরা। তা সত্ত্বেও কার্যত চোখে ঠুলি বেঁধে বসে রয়েছে ট্রুডো প্রশাসন। খালিস্তানপন্থীদের আয়ের মূল উৎস তোলাবাজি, মাদক এবং অস্ত্র পাচার। এসব দেখেশুনেও কানাডা সরকার কোনও পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ।

    কানাডার ঘটনার গতিপ্রকৃতির দিকে নজর রাখছেন এমন এক (Khalistani Terrorists) প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “পঞ্জাবে সামান্য কিছু ঘটলেই, হইচই জুড়ে দেয় কানাডা। আর সে দেশে হিংসা, মাদক পাচার এবং জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়লেও কোনও পদক্ষেপ করছে না সে দেশের সরকার।” গোয়েন্দারা জেনেছেন, জঙ্গিরা পাকিস্তান থেকে মাদক নিয়ে যাচ্ছে কানাডায়।

    আরও পড়ুুন: ‘‘অভিষেকের মা লতার সম্পত্তির হিসাব চাই’’! ইডিকে নির্দেশ বিচারপতি সিনহার

    পরে তা বিক্রি করা হচ্ছে ভারতের পঞ্জাবে। কানাডায় বসবাসকারী বহু খালিস্তানি এখন মাদক ব্যবসায় জড়িত। সরকারি প্রবীণ এক আধিকারিক বলেন, “কানাডায় বসবাসকারী হিন্দু এবং ভারতীয় কূটনীতিকদের যে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে উদ্বেগের বিষয়। এটি ভিয়েনা কনভেনশনেরও পরিপন্থী।”  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: চাপের মুখে ডেঙ্গি-তথ্য প্রকাশ রাজ্যের! ভয় ধরাচ্ছে পরিসংখ্যান, কী আছে তাতে?

    Dengue Update: চাপের মুখে ডেঙ্গি-তথ্য প্রকাশ রাজ্যের! ভয় ধরাচ্ছে পরিসংখ্যান, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমনিতেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রকে ডেঙ্গি (Bengal Dengue Report) সংক্রান্ত তথ্য না পাঠানো এবং কোনও পরিসংখ্যান প্রকাশ না করে তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই, সোমবার তড়িঘড়ি একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। আর সেই তথ্য দেখে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় মোট আক্রান্ত ৮ হাজার ৫৩৫ জন। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে ৫ হাজার ৪৪৬ ও গ্রামাঞ্চলে ২ হাজার ৯৫৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। গত এক সপ্তাহে ডেঙ্গিতে (Dengue Update) আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৮৬ জন। বিরোধীদের কটাক্ষ, প্রকাশিত তথ্যই যদি এটা হয়, তাহলে অপ্রকাশিত থেকে যাওয়া পূর্ণ সত্য কতটা ভয়াবহ হবে?

    ডেঙ্গি নামেই আতঙ্ক

    রাজ্যে প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গি (Dengue Update) আক্রান্তের সংখ্যা। ভয় ধরাচ্ছে সরকারি পরিসংখ্যান। রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি, দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনায়। আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে শীর্ষে এই জেলা (Bengal Dengue Report)। উত্তর ২৪ পরগনায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হচ্ছে। গত ২০ তারিখের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই জেলায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ৮ হাজার ৫৩৫ জন।  বিধাননগর পুর-এলাকায় ১ হাজার ৯১৬, দক্ষিণ দমদম পুরসভা এলাকায় ৯১৭, বারাসাত পুর-এলাকায় ২৩৯ জন আক্রান্ত। গ্রামাঞ্চলের মধ্যে আমডাঙা ব্লকে ৪৭৬, বনগাঁ ব্লকে ৬৩২, হাবড়া ২ নম্বর ব্লকে ৩৭৭, রাজারহাট ব্লকে ২৭৯ এবং দেগঙ্গা ব্লকে ১৯৯ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন।

    উত্তর ২৪ পরগনার পর দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছে কলকাতা। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৪২৭। তৃতীয় স্থানে থাকা মুর্শিদাবাদে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২৬৬ জন। নদিয়াতে ৪ হাজার ২৩৩ ও হুগলিতে ৩ হাজার ৮৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ঝাড়গ্রামে ডেঙ্গি আক্রান্ত ১ হাজার ৩৬৩ জন। ৯১৫ জন পশ্চিম মেদিনীপুরে ও ৩৬৯ জন বীরভূমে আক্রান্ত হয়েছেন। 

    তথ্য গোপনের অভিযোগ   

    রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বারবার ডেঙ্গি (Dengue Update) নিয়ে তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলছে বিরোধীরা। কেন্দ্রের তরফেও জানানো হয়েছে কোনও পরিসংখ্যান পাঠায়নি বাংলা। তাই দ্রুত ড্যামেজ কন্ট্রোল হিসেবে রিপোর্ট পেশ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। কিন্তু, স্বাস্থ্য দফতরের তরফে যে রিপোর্ট তুলে ধরা হচ্ছে, তাও যথেষ্ট উদ্বেগের। ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ হাজার ১৮১। শুধু কলকাতা নয়, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বহু জেলার পরিসংখ্যান। মোট আক্রান্তের মধ্যে, উত্তরবঙ্গের ৮ জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭৬ জন। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের ২০টি জেলা ও স্বাস্থ্য জেলা মিলিয়ে সংখ্যাটা ৩৪ হাজার ৯০৫।

    আরও পড়ুন: ‘‘অভিষেকের মা লতার সম্পত্তির হিসাব চাই’’! ইডিকে নির্দেশ বিচারপতি সিনহার

    কী বলছে নবান্ন

    চলতি সপ্তাহেই ডেঙ্গি (Dengue Update) সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে নবান্নই (Nabanna)। গ্রামাঞ্চলেও ডেঙ্গি ছড়িয়ে পড়তে পারে তেমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। সূত্রের খবর, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসকদের সঙ্গে ডেঙ্গি পরিস্থিতি (Bengal Dengue Report) নিয়ে কথা বলেন তিনি। বিরোধীদের দাবি, কেন বারবার, দেরিতে ঘুম ভাঙে সরকারের। কেন প্রতিবছর এক হাল প্রকাশিত তথ্যই যদি এটা হয়, তাহলে অপ্রকাশিত থেকে যাওয়া পূর্ণ সত্য কতটা ভয়াবহ হবে? 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share