Tag: bangla news

bangla news

  • Malda: ৮০০ কিমি সাইকেল চালিয়ে রামনগরীতে পৌঁছাবেন বঙ্গের দুই যুবক

    Malda: ৮০০ কিমি সাইকেল চালিয়ে রামনগরীতে পৌঁছাবেন বঙ্গের দুই যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনস্কামনা মন্দিরে পুজো দিয়ে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় ঐতিহাসিক রাম মন্দিরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সামিল হতে সাইকেল নিয়ে যাত্রা শুরু করে দিলেন মালদা (Malda) শহরের দুই যুবক। আগামী ২২ জানুয়ারিতে প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতি মধ্যে মন্দির উদ্বোধনের প্রস্তুতি চরম তুঙ্গে। সারা ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর সকল হিন্দুদের নজর এখন এই রাম মন্দিরের দিকেই।

    মালদা থেকে ৮০০ কিমি অযোধ্যা (Malda)

    মালদা থেকে অযোধ্যার দূরত্ব প্রায় ৮০০ কিমি। মালদার (Malda) দুই যুবক হলেন রবি বিশ্বকর্মা (৩০) এবং অভিজিৎ বাসফোর(২২)। তাঁরা আজ স্থানীয় মনস্কামনা কালীমন্দিরে পুজো দিয়ে রওনা হলেন অযোধ্যার উদ্দেশ্যে। দীর্ঘ এই পথ অতিক্রম করে আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে অযোধ্যায় পৌঁছনোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন তাঁরা। প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত সাইকেল চালানোর কথা জানিয়েছেন তাঁরা। যাত্রা শুরুর সময় তাঁদের শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হন প্রচুর রামভক্ত এবং সাধারণ মানুষ।

    কেমন হবে সাইকেলের রুট?

    জানা গিয়েছে মালাদা (Malda) থেকে অযোধ্যায় যাওয়ার পথের রুটটি হবে মালদহ থেকে প্রথমে ডালখোলা। এরপর বিহারের পূর্ণিয়া, দ্বারভাঙ্গা হয়ে উত্তরপ্রদেশের গোরখপুর দিয়ে তাঁরা দু’জনে পৌঁছবেন অযোধ্যায়। যাত্রায় তাঁদের সাইকেলের মধ্যে থাকবে প্রভু শ্রীরামের আঁকা ছবি। সনাতন ধর্মীয় পতাকার পাশাপাশি সাইকেল যাত্রায় সামিল করা হয়েছে ভারতের জাতীয় পতাকাও। এলাকায় রীতিমতো উচ্ছ্বাস নিয়ে তাঁরা যাত্রার শুভ সূচনা করলেন। 

    যুবকদের বক্তব্য

    মালদার (Malda) এই দুই যুবকের বক্তব্য, “আগে দেশ পরে ধর্ম”। এই প্রসঙ্গে রবি বিশ্বকর্মা বলেন, “হিন্দু সমাজের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল অযোধ্যায় রামমন্দির প্রতিষ্ঠা হবে। এবার সেই স্বপ্ন প্রতিষ্ঠা পাবে।” আবার অভিজিৎ বাসফোর বলেন, “এই রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠা পর্বের ঐতিহাসিক সাক্ষী হতেই আমরা সাইকেলে যাত্রার পরিকল্পনা করেছি। শ্রীরাম আমাদের ধর্মীয় সংস্কৃতির পরিচয়। পাশপাশি সমাজে যাতে নেশা কম হয় সেই উদ্দেশ্যে আমরা এই যাত্রায় সচেতনতার বিষয়কেও রেখেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • HSS: আমেরিকার হিন্দু স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সঙ্ঘচালক বেদপ্রকাশ নন্দ প্রয়াত, শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    HSS: আমেরিকার হিন্দু স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সঙ্ঘচালক বেদপ্রকাশ নন্দ প্রয়াত, শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন আমেরিকার হিন্দু স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (HSS) সঙ্ঘচালক অধ্যাপক বেদপ্রকাশ নন্দ। ভারত সরকারের কাছ থেকে পদ্মভূষণ পদকও প্রাপ্ত হয়েছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত তিনি ছিলেন আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ের একজন পণ্ডিত। মঙ্গলবার ২ জানুয়ারি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বেদপ্রকাশ নন্দ।

    শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    হিন্দু স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (HSS)  সঙ্ঘ চালকের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে প্রয়াত বেদপ্রকাশ নন্দের অবদান ও কৃতিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    বেদপ্রকাশ নন্দ একাধিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন

    ২০১৮ সালের ২০ মার্চ সাহিত্য তথা শিক্ষা ক্ষেত্রে পদ্মভূষণ পদকপ্রাপ্ত হয়েছিলেন অধ্যাপক নন্দ (HSS) । কলোরাডোর ডেনভার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ের অধ্যাপক ছিলেন তিনি। এছাড়াও ‘ওয়ার্ল্ড জ্যুরিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে’র প্রাক্তন সভাপতিও ছিলেন বেদপ্রকাশ। এর পাশাপাশি ‘আমেরিকান সোসাইটি অফ ইন্টারন্যাশনাল ল’য়ের প্রাক্তন সহ-সভাপতির দায়িত্বও সামলেছেন তিনি। তাঁর কাছেই আইনি পরামর্শ নিত ‘ইউনাইটেড স্টেট ইনস্টিটিউট অফ হিউম্যান রাইটস’। মার্কিন প্রতিনিধি হিসেবে তিনি ‘ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অফ দ্যা ইউনাইটেড নেশনস অ্যাসোসিয়েশনে’র জেনেভার সম্মেলনেও হাজির ছিলেন এবং সেখানে সহ-সভাপতির আসন অলংকৃত করেন। নিজের জীবনে অসংখ্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন তিনি। তিনি ছিলেন ‘আমেরিকান ল ইনস্টিটিউট’ এর একজন কাউন্সিল মেম্বার। ১৯৯৭ সালেই তাঁকে দেওয়া হয় ‘ইউনাইটেড নেশনস অ্যাসোসিয়েশন’ এর হিউম্যান রাইটসের অ্যাওয়ার্ড। টোকিও-র শোকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঝাঁসির বুন্দেলখন্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাম্মানিক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত করা হয় তাঁকে। একজন অসামান্য লেখকও ছিলেন তিনি (HSS) । কুড়িটি ওপর আন্তর্জাতিক আইনের উপর বই তিনি রচনা করেছিলেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যের নয়া স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনীর ‘অবৈধ নিয়োগে’র বিরুদ্ধে আদালতে শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: রাজ্যের নয়া স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনীর ‘অবৈধ নিয়োগে’র বিরুদ্ধে আদালতে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের নয়া স্বরাষ্ট্রসচিব হলেন নন্দিনী চক্রবর্তী। রবিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে নয়া স্বরাষ্ট্রসচিবের নাম ঘোষণা করা হয়। এদিনই ঘোষণা করা হয় নয়া মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকার নামও। রাজভবন থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর নন্দিনীকে বসানো হয়েছিল পর্যটন দফতরের সচিব পদে। সেখান থেকে তাঁকে করে দেওয়া স্বরাষ্ট্রসচিব।

    শুভেন্দুর দাবি

    সোমবার থেকে নয়া দফতরে এসে কাজও শুরু করে দিয়েছেন নন্দিনী। তাঁর এই নিয়োগকেই ‘অবৈধ’ দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যাবেন বলেও জানান তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “শুধু স্বরাষ্ট্রসচিব পদেই নয়, এর আগেও একাধিক পদে অবৈধভাবে আধিকারিকদের নিয়োগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজীব কুমার আইপিএস হওয়া সত্ত্বেও, তাঁকে তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের সচিব করা হয়েছিল। যা পুরোপুরি অবৈধ।”

    আদালতে যাচ্ছেন শুভেন্দু 

    শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, নন্দিনীকে স্বরাষ্ট্রসচিব পদে নিয়োগের পর আইনগত বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। কেন্দ্রীয় সরকারের কয়েকজন আধিকারিকের কাছ থেকেও নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে জেনেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তার পরেই প্রতিবাদ জানিয়েছেন এক্স হ্যান্ডেলে। সঙ্গে যাবতীয় তথ্য ও নথি সংগ্রহ করে আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতিও নিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, রাজ্য প্রশাসনের ১৩জন অতিরিক্ত মুখ্যসচিব ও ৫ জন প্রধান সচিবকে বাদ দিয়ে স্বরাষ্ট্র দফতর অবৈধভাবে স্বরাষ্ট্রসচিব নিয়োগ করেছে। নন্দিনীর এই অবৈধ নিয়োগের বিষয়টি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গুউবা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভল্লা, প্রশাসনিক ও প্রশিক্ষণ মন্ত্রকের সচিব এস রাধা চৌহানকেও। আইএএস আধিকারিকদের সংগঠনকেও বিষয়টি জানিয়েছেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুুন: “মুষল পর্ব চলছিলই, সেটা প্রকাশ্যে এল”, তৃণমূলকে নিশানা দিলীপের

    প্রসঙ্গত, পর্যটন দফতরে আসার আগে নন্দিনী ছিলেন রাজভবনে। পরে তাঁকে সরিয়ে দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয় পর্যটন দফতরে। সেখান থেকে সোজা স্বরাষ্ট্র দফতরের সচিব পদে। যাকে অবৈধ বলে দাবি করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

  • Suvendu Adhikari: নেতাই গণহত্যার দিন সভা করতে চেয়ে হাইকোর্টে গেলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: নেতাই গণহত্যার দিন সভা করতে চেয়ে হাইকোর্টে গেলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৭ জানুয়ারি নেতাই গণহত্যার দিন। তাই এই দিনে নিহতদের স্মরণে একটি অনুষ্ঠাসভায় যোগদিতে চেয়েছেন রাজ্যের বিধানসভার বিরোধীদল নেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু পুলিশ এলাকায় অনুষ্ঠান করতে অনুমতি দিচ্ছে না বলে বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। এরপর শুভেন্দু হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মামলার শুনানি ৪ জানুয়ারি।

    আদালতে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    ৭ জানুয়ারি নেতাইগ্রামে তৎকালীন বাম আমলে সিপিএমের দুষ্কৃতীরা গুলি করে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে গতবছরও সভা করার জন্য পুলিশি বাঁধার সম্মুখীন হয়েছিলেন শুভেন্দু। এমনকী আদলাতের অনুমতি নিয়ে সভা করতে গেলেও পুলিশ তাঁকে (Suvendu Adhikari) শারীরিক হেনস্থা করে বলে অভিযোগ উঠেছিল। তাই এবছরে যেন ফের এইরকম সমস্যার মধ্যে না পড়তে হয়, তাই আগে থেকেই হাইকোর্টে আবেদন করে রেখেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বেঞ্চে এই সভার জন্য অনুমোদন আবেদন করেছেন। অবশ্য বিচারপতি আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন ।

    গণহত্যা হয়েছিল নেতাই গ্রামে

    সময় টা তখন বামআমলের শেষের দিকে সময়। ২০১১ সালে ৭ জানুয়ারি লালগড় ব্লকের নেতাইগ্রামের সিপিআইএমের নেতা রথীন দন্ডপাটের একেবারে বাড়ি থেকে সাধারণ গ্রামবাসীদের উপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনায় আহত হয়েছিলেন মোট ২৮ জন। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সিপিএম নেতাদের নাম হল- অনুজ পাণ্ডে, ডালিম পাণ্ডে, ফুল্লরা মণ্ডল, চণ্ডী করণ প্রমুখ। ঘটনায় রাজ্যজুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তবে ২০২২ সালে অভিযুক্ত সিপিএম নেতা ফুল্লরা মণ্ডল মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে মুক্তি পান। এই অভিযুক্ত ফুল্লরা ঘটনায় জখমদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাঁধা দিয়েছিল। প্রথমে মামলা সিআইডি শুরু করলেও পরে ২০১৩ সালে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু করে। ২০১৪ সালে মোট ২০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট আদলাতে জমা করে সিবিআই। এবার তাই নেতাইগ্রামে সভা করবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: মঙ্গলবারও হিংসা ছড়াল মণিপুরে, জঙ্গি হামলায় জখম ৭ নিরাপত্তারক্ষী

    Manipur Violence: মঙ্গলবারও হিংসা ছড়াল মণিপুরে, জঙ্গি হামলায় জখম ৭ নিরাপত্তারক্ষী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের পয়লা দিনেই অশান্ত হয়েছিল মণিপুর (Manipur Violence)। গতকালই চারজন সাধারণ মানুষের মৃত্যুর খবর মেলে হিংসায়। মঙ্গলবারও সেই রেশ বজায় থাকল। একজন বিএসএফ জওয়ান সমেত সাতজন পুলিশ কর্মী গুরুতর ভাবে জখম হয়েছেন মণিপুরের হিংসায়। ঘটনাটি ঘটেছে মায়ানমারের সীমান্ত অঞ্চল মোরেহ-তে। শেষ পর্যন্ত খবর মিলেছে, এঁদের মধ্যে পাঁচজনকে ভর্তি করা হয়েছে ইম্ফলের ‘রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স’-এ। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং আহতদের সঙ্গে কথাও বলেন।

    হামলায় বহিরাগত হাত?

    হাসপাতালেই মণিপুরের (Manipur Violence) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গোটা ঘটনায় বহিরাগত শক্তির হাত থাকতে পারে। এই হামলার ঘটনায় সন্দেহ করা হচ্ছে ‘কুকি ন্যাশনাল আর্মি’কে। প্রসঙ্গত, গতকালই মণিপুরে ব্যাপক হিংসা ছড়ায়। এর পরে এদিন যৌথভাবে তল্লাশি অভিযানে নামে বিএসএফ এবং রাজ্যের পুলিশ কর্মীরা, সে সময় মায়ানমারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল থেকেই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। 

    উদ্ধার করতে আসা হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে গুলি

    জানা গিয়েছে, আহতদের উদ্ধার করতে নিরাপত্তারক্ষীরা হেলিকপ্টার নিয়ে যায়। সেই হেলিকপ্টারেও গুলিবর্ষণ করে জঙ্গিরা। প্রসঙ্গত, গত বছরের মে মাস থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। এখনও পর্যন্ত ২০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণ গিয়েছে হিংসায় (Manipur Violence)। গতকালের ঘটনার পরে রাজ্যের পাঁচ জেলায় কারফিউ জারি করে সরকার। কিন্তু মঙ্গলবারেও এড়ানো গেল না হিংসা।

    গতকালের ঘটনার পরে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি

    গতকালের ঘটনার পরে এদিন এক ভিডিও বার্তায় মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নিরপরাধ মানুষদের হত্যার ঘটনায় আমি অপরিসীম দুঃখিত। আমরা অপরাধীদের ধরতে পুলিশের দলগুলিকে একত্রিত করছি। আমি হাত জোড় করে লিলংয়ের বাসিন্দাদের কাছে আবেদন করছি, অপরাধীদের খুঁজে বের করতে সরকারকে সাহায্য করুন। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, সরকার আইনের অধীনে ন্যায়বিচার দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করবে। রাজ্য সরকার ঘটনাটিকে মোটেই সহজভাবে নিচ্ছে না। অপরাধীদের ধরতে এলাকায় আরও পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fire in Flight: ভিতরে ৩৬৭ যাত্রী, রানওয়ে দিয়ে চলছে জ্বলন্ত বিমান, দেখুন ভিডিও

    Fire in Flight: ভিতরে ৩৬৭ যাত্রী, রানওয়ে দিয়ে চলছে জ্বলন্ত বিমান, দেখুন ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্পের রেশ কাটতে না কাটতে এবার জাপানে যাত্রীবাহী বিমানে (Fire in Flight) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দাউদাউ করে জ্বলছে বিমান। সেই নিয়েই বিমানবন্দরের রানওয়ে দিয়ে তা ছুটে চলেছে। বিমানের জানলা দিয়ে রীতিমতো বের হচ্ছে আগুনের লেলিহান শিখা। অন্যদিকে, রানওয়ের অপর প্রান্তে আগুনে জ্বলছে আরও একটি বিমান। এই ছবি সামজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কোনও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Fire in Flight)?

    জাপানি টিভি চ্যানেল এনএইচকের সূত্রে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, টোকিও হানেদা এয়ারপোর্টে অবতরণ করার সময় আগুন লেগে যায় জাপান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে (Fire in Flight)। রীতিমতো রানওয়েতেই জলন্ত অবস্থায় বিমানটিকে ছুটতে দেখা গিয়েছে। তবে সরকারিভাবে আগুন লাগার কারণ নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে একধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রানওয়েতে উপকূলরক্ষী বাহিনীর আরও একটি বিমান দাঁড়িয়ে ছিল। আর অবতরণের সময় দুটি বিমানের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আর তা থেকেই আগুন লেগে যায়। ছবিতে দেখা গিয়েছে বিমানের নীচের অংশে লাগা আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে।

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্লেনের (Fire in Flight) প্রত্যেক যাত্রী নিরাপদে রয়েছেন। যাত্রীবাহী বিমানে যাত্রী এবং ক্রু সদস্য মিলিয়ে মোট যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩৬৭ জন। বিমানটি রানওয়েতে থামার পর অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে জ্বলন্ত বিমান থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। জাপানি সংবাদমাধ্যম সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিমানটি হোক্কাইডো বিমানবন্দর থেকে এসেছিল টোকিওয়। ঘটনায় দমকলের কর্মীরা বিমানের আগুন নেভানোর কাজ তৎপর হয়ে করছে বলে জানা গিয়েছে। নীচের তলা থেকে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা বিমানে। কেউ আহত হয়েছে কিনা এখনও স্পষ্ট হয়নি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Japan Earthquake: ২৪ ঘণ্টায় ১৫৫ বার কম্পন, ভূমিকম্পে জাপানে এখনও পর্যন্ত মৃত ৪৮

    Japan Earthquake: ২৪ ঘণ্টায় ১৫৫ বার কম্পন, ভূমিকম্পে জাপানে এখনও পর্যন্ত মৃত ৪৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংরেজি নববর্ষে প্রথম দিনেই ভূমিকম্প (Japan Earthquake) এবং সুনামির কারণে বিরাট বিপর্যয় নেমে এসেছে জাপানে। ২৪ ঘণ্টায় ভূমিকম্পনের জেরে ১৫৫ বার কেঁপে উঠেছে সূর্যোদয়ের দেশ। ভূমিকম্পে ও তার জেরে আগুন লেগে মৃত্যু হয়েছে অনুমানিক ৪৮ জনের। দেশের সেনাবাহিনী অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। গতকাল রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৬। সামাজিক মাধ্যমে ফুটে উঠছে ভূমিকম্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ছবি ও ভিডিও। যদিও মাধ্যম এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি।

    কী বলেন জাপানের মুখ্যমন্ত্রী (Japan Earthquake)

    ভূমিকম্পের (Japan Earthquake) কারণে প্রচুর বাড়ি-ঘর, দোকান, রাস্তা, জাতীয় সড়কে বড় বড় ফাটলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সমুদ্র উপকূলে সুনামির কারণে জলের স্তর অনেক উপরে উঠে গিয়েছে। বিপর্যয়ের কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে বুলেট ট্রেনের পরিষেবা। দেশের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা বলেছেন, “এই ভূমিকম্পে জাপানে ভীষণ রকমের ক্ষতি হয়েছে। দেশের অসংখ্য মানুষ হতাহত হয়েছেন। বহু বাড়ি ভেঙে পড়েছে। এই কঠিন সময়ের মধ্যে আমাদের লড়াই করতে হবে।”

    জাপান আবহাওয়া দফতরের বক্তব্য

    জাপানের আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, গত সোমাবার দুপুর থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মৃদু এবং মাঝারি মাত্রার কম্পনে (Japan Earthquake) মোট ১৫৫ বার কেঁপে উঠেছে। সব থেকে বেশি কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৬ এবং দ্বিতীয় কম কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। সেইসঙ্গে মৃদু কম্পনের মাত্রাগুলি ছিল ৩ –এর নীচে। অ্যামেরিকার ভূতত্ত্ব বিভাগের তরফের বলা হয়েছে, জাপানের এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল হনসু দ্বীপের ইশিকাওয়া। ভূমিকম্পের কারণে বেশ কয়েকটি উপকূল সংলগ্ন একাধিক শহরে সমুদ্রের জলের উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

    ৩৩ হাজার বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন

    জাপানে প্রবল ভূমিকম্পে (Japan Earthquake) এখনও পর্যন্ত ৩৩ হাজার মানুষের বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। জাপানের প্রতিরক্ষা বিভাগের সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এক হাজার মানুষকে নিরপাদ স্থানে রাখা হয়েছে। যেহেতু রাস্তাঘাট ভেঙেচুরে গিয়েছে, তাই উদ্ধার কাজে অসুবিধা হচ্ছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় দেশের উত্তর প্রান্তের নোটো উপদ্বীপে এখনও পর্যন্ত উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে পারেনি। শহরগুলির মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণে সব থেকে বেশি ওয়াজিমা শহরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “মুষল পর্ব চলছিলই, সেটা প্রকাশ্যে এল”, তৃণমূলকে নিশানা দিলীপের

    Dilip Ghosh: “মুষল পর্ব চলছিলই, সেটা প্রকাশ্যে এল”, তৃণমূলকে নিশানা দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুষল পর্ব আগেই চলছিল। কাল সেটা প্রকাশ্যে এল।” বয়ঃ-তত্ত্ব নিয়ে তৃণমূলের ‘বুয়া-ভাতিজা’র দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশকে মঙ্গলবার এই ভাষাতেই ব্যাখ্যা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    তৃণমূলকে আক্রমণ দিলীপের

    নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে অশান্তি শুরু হয়েছে তৃণমূলে। ঘটনার জেরে বেসামাল ঘাসফুল শিবির। একেই নিশানা করেছেন দিলীপ। বলেন, “কোনও দলের যদি ভাবাদর্শ বা কর্মপদ্ধতি না থাকে, কোনও বড় উদ্দেশ্য না থাকে, তাহলে তা বেশিদিন টেকে না। তৃণমূলের অবস্থাও তা-ই। মানুষ সিপিএমের অত্যাচার থেকে বাঁচার হাতিয়ার হিসেবে এদের এনেছিল। কেবল ক্ষমতা ও টাকা যদি কোনও পার্টির উদ্দেশ্য হয়, তাহলে তার কী পরিণতি হয়, আমরা দেখতে পাচ্ছি।” এর পরেই বিজেপি সাংসদ বলেন, “মুষল পর্ব আগেই চলছিল। কাল সেটা প্রকাশ্যে এল। নেতাদের সঙ্গে স্বার্থের সম্পর্ক। সেটা ফুরিয়ে গেলেই শেষ। তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস যেই থাকুক, তাতে আমাদের সুবিধা-অসুবিধা কিছু নেই। এই দল তো একদিন যাবেই। বিজেপি একটা লক্ষ্য নিয়ে চলে। লক্ষ লক্ষ কর্মী পরিশ্রম করেন। আমরা ভোটে জিতে মানুষকে উন্নয়ন দিই।”

    কটাক্ষ ফিরহাদকেও

    মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ‘বিলম্বিত বোধদয়’কেও এদিন কটাক্ষ করেন দিলীপ। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “ভোট এলে এরকম হয়। একটু ক্ষমা-টমা চায়। সিবিআই, ইডি কাজ করলে বা চোর ধরলে রাস্তায় নামেন কেন? পদ থেকে লোকগুলিকে সরান না কেন? এটা দ্বিচারিতা নয়? দোষীদের আড়াল করা বন্ধ করুন। ওঁনারা নিজেদের মধ্যে আগে বিচার করুন। বেশিরভাগ লোক জেলে। কেউ কেউ বেইলে (জামিনে)। কেউ লিস্টে আছে। তাই উনি কী বললেন, সেটা নিয়ে রাজ্যের মানুষ খুব একটা ভাবিত নন। এগুলো সবই পাবলিক জানে। পরিস্থিতি খারাপ দেখে উনি এখন এগুলি বলছেন।”

    আরও পড়ুুন: গোল্ডি ব্রারকে ‘জঙ্গি’ তকমা কেন্দ্রের, শুনবেন গ্যাংস্টারের কীর্তি?

    তৃণমূলের জনসংযোগ প্রসঙ্গে বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি বলেন, “আগে পার্টি বাঁচান। তারপর তো জনসংযোগ। মানুষ তো এবার এলাকায় গেলে গাছে বেঁধে রাখবে। চাকরির দাবিতে, ডিএ-র দাবিতে সর্বত্র ধর্না চলছে। এরপর আবার উন্নয়ন!” কামদুনি মামলার শুনানি প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “বিজেপি কামদুনির আন্দোলনকারীদের পাশে রয়েছে। আইনি সমর্থন করছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Kamduni Case: জবাব তলব! কামদুনি মামলায় রাজ্য ও অভিযুক্তদের নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট

    Kamduni Case: জবাব তলব! কামদুনি মামলায় রাজ্য ও অভিযুক্তদের নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামদুনি মামলার (Kamduni Case) সঙ্গে জড়িত সবাইকে নোটিশ পাঠিয়ে জবাব তলব করল সুপ্রিম কোর্ট। কামদুনিতে মৃতার পরিবারের পক্ষ থেকে রাজ্য এবং আট অভিযুক্তর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছিল। কামদুনি মামলায় সুবিচার চেয়ে দিল্লি গিয়েছিলেন মৃতার পরিবার এবং প্রতিবাদীরা। মঙ্গলবার সেই মামলার প্রথম শুনানি ছিল। কিন্তু আজ শুনানি বেশি দূর এগোয়নি। কারণ আদালত আজ মামলায় সঙ্গে জড়িত সকলের উদ্দেশে নোটিশ জারি করে।  অভিযুক্ত আট জনের পাশাপাশি, রাজ্য সরকারকেও নোটিশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

    সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ নির্যাতিতার পরিবার 

    ২০১৩ সালের কামদুনি গণধর্ষণ মামলায়  (Kamduni Case) গত ৬ অক্টোবর রায় ঘোষণা করে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, নিম্ন আদালতে যাদের ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছিল, সেই সাজা রদ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, যেসব অভিযুক্তদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছিল নগর দায়রা আদালত, তাদের বেকসুর খালাসের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই কামদুনি গণধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলনের প্রথম সারিতে থাকা মৌসুমী কয়াল, টুম্পা কয়ালরা সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা জানান। নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার কথা জানিয়ে দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে নির্যাতিতার দাদা শীর্ষ আদালতে একটি পৃথক মামলা করেন। মামলাকারীদের দাবি ছিল, নিম্ন আদালত যে রায় দিয়েছে, তা যাতে বহাল থাকে, সে কারণে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: চলতি সপ্তাহের শেষে বৃষ্টি! বছরের শুরুতে নামল পারদ, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    রাজ্যকে নোটিশ শীর্ষ আদালতের

    মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য ও ৮ অভিযুক্ত কাছে জবাব চেয়েছে। আদালত বলেছে, মামলাকারীর আবেদনের ভিত্তিতে সকলকে নিজেদের জবাব হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে। হলফনামা দেওয়ার পরেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর থেকেই সিআইডি তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ তুলে আসছে নির্যাতিতার পরিবার। অন্য দিকে, কামদুনিকাণ্ডে হাইকোর্টের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকারও। সুপ্রিম কোর্ট থেকে সুবিচার মিলবে বলে আশাবাদী নির্যাতিতার পরিবার। দীর্ঘ ১০ বছরের লড়াই চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর পরিবারের সদস্যরা। প্রতিবাদী মৌসুমী কয়াল বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে মামলা গৃহীত হয়েছে। আমাদের আইনজীবী সিদ্ধার্থ রুদ্র আশ্বাস দিয়েছেন যে, কামদুনির নির্যাতিতা তাঁরও বোন। আমরা আশা করছি বিচার পাব। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যে উনি আমাদের এতদূর আসতে সাহায্য করেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Goldy Brar: গোল্ডি ব্রারকে ‘জঙ্গি’ তকমা কেন্দ্রের, শুনবেন গ্যাংস্টারের কীর্তি?

    Goldy Brar: গোল্ডি ব্রারকে ‘জঙ্গি’ তকমা কেন্দ্রের, শুনবেন গ্যাংস্টারের কীর্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য গ্যাংস্টার গোল্ডি ব্রারকে (Goldy Brar) জঙ্গি তকমা দিল কেন্দ্র। পাঞ্জাবের জনপ্রিয় গায়ক সিধু মুসাওয়ালা খুনের অন্যতম অভিযুক্ত গোল্ডি। বলিউড তারকা সলমন খানকেও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    কে এই গোল্ডি? 

    ২০২২ সালে খুন হন পাঞ্জাবি গায়ক সিধু। ওই ঘটনায়ও জড়িয়ে যায় গোল্ডির নাম। কানাডার বাসিন্দা এক গ্যাংস্টারের মদতেই সিধুকে খুন করা হয়। পরে খুনের দায় কবুল করে গোল্ডি। খালিস্তানপন্থী এই নেতার বিরুদ্ধে জারি হয়েছে ইন্টারপোলের নোটিশ। জামিন অযোগ্য ধারায় জারি হয়েছে ওয়ারেন্টও। তার পরেও ছোঁয়া যায়নি বছর সাতাশের এই জঙ্গির টিকি। ১৯৯৪ সালে পাঞ্জাবের ফরিদকোটে জন্ম হয় গোল্ডির। চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। পড়াশোনা করার সময় জড়িয়ে পড়ে ছাত্র রাজনীতিতে। সেই সময়ই রাজস্থানের জয়পুরের গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় গোল্ডির। ২০১৭ সালে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে চলে যায় কানাডায়। তারপর আর ভারতে ফেরেনি। কানাডায় গিয়ে ট্র্যাকার হিসেবে কিছুদিন কাজ করে সে। বর্তমানে এ প্লাস ক্যাটেগরির গ্যাংস্টার গোল্ডি। অপরাধ জগতে তার পরিচয় লরেন্সের ‘ডান হাত’ হিসেবে। অন্তরালে থেকেই দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে বারবার করছে রংবদল।  

    গোল্ডির বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সীমান্তে চোরাচালান, গ্রেনেড-সহ বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক পাচারেও সে যুক্ত বলে অভিযোগ। খুনের সুপারিও দেয় সে। পাঞ্জাবে অশান্তি ছড়ানো, নাশকতা-সহ দেশবিরোধী কার্যকলাপেও সে যুক্ত। এহেন গ্যাংস্টারকে সোমবার জঙ্গি দাগিয়ে দিল কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ইউএপিএ আইনের আওতায় গোল্ডিকে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, নিষিদ্ধ খালিস্তানপন্থী সংগঠন বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে যোগ রয়েছে গোল্ডির (Goldy Brar)।

    ভারতে গোল্ডির বিরুদ্ধে অন্তত ১৩টি মামলা রয়েছে। কানাডা সরকারও তাকে দেশের ২৫ জন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ অপরাধীর একজন বলে চিহ্নিত করেছে। সলমন খানকে হুমকি-মেইল পাঠানোর অভিযোগে বিষ্ণোই ও গোল্ডির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে মুম্বই পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, গোল্ডি ব্রারের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির যোগাযোগ রয়েছে। একাধিক খুনের মাস্টারমাইন্ডও সে। ভারতের একাধিক নেতাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে গোল্ডির (Goldy Brar) বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: এবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ ওড়ানোর হুমকি খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনের মুখে

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share