Tag: bangla news

bangla news

  • Lok Sabha Elections 2024: প্রধানমন্ত্রী পদে রাহুলের নাম কংগ্রেসের, “বিপর্যয়ের টিকিট”, কটাক্ষ-বাণ বিজেপির

    Lok Sabha Elections 2024: প্রধানমন্ত্রী পদে রাহুলের নাম কংগ্রেসের, “বিপর্যয়ের টিকিট”, কটাক্ষ-বাণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিকে (BJP) মাত দিতে জোট গড়েছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। সংগঠনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA)। সেই ‘ইন্ডিয়া’কে পাশ কাটিয়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী বলে জানিয়ে দিলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের অশোক গেহলট। তিনি বলেন, “কংগ্রেসের তরফে রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী (Lok Sabha Elections 2024) পদপ্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিরোধী জোটের সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

    বিজেপির কটাক্ষ-বাণ 

    রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর এহেন ঘোষণার পর রাহুলকে কটাক্ষ-বাণ হেনেছে বিজেপি। অফিসিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে সোমবার সকালে রাহুলের একটি কার্টুন শেয়ার করে বিজেপি লিখেছে, “প্রধানমন্ত্রী পদে বিপর্যয়ের টিকিট।” রাহুলের পাশাপাশি নিশানা করা হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’-কেও। রবিবার সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর (Lok Sabha Elections 2024) ছবি সম্বলিত একটি পোস্টার শেয়ার করে বিজেপি বলেছিল, “কিছু লঞ্চ ইসরোকে ছাড়িয়ে গিয়েছে।”

    গেহলটের বক্তব্য

    একটি বেসরকারি চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে গেহলট বলেন, “প্রত্যেক নির্বাচনেই (Lok Sabha Elections 2024) স্থানীয় ঘটনাবলী গুরুত্ব রাখে। বর্তমানে দেশের যা পরিস্থিতি, তাতে সব দলের ওপর ক্রমশ চাপ বাড়ছে। মানুষই চাপ সৃষ্টি করেছেন। তারই ফলশ্রুতি এই ‘ইন্ডিয়া’ জোট।” রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা দ্রুত নামছে। বিরোধী জোট অবশ্যই সফল হবে। রাহুল গান্ধী আমাদের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী। আসন্ন নির্বাচনে আমরা সফল হবই।” তিনি বলেন, “২০১৪ সালে মাত্র ৩১ শতাংশ ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি। বাকি ৬৯ শতাংশই ওঁর বিরুদ্ধে ছিল। তাই প্রধানমন্ত্রীর এত অহঙ্কার থাকাই উচিত নয়।” তাঁর দাবি, বিজেপি নেতৃত্বাধীন ‘এনডিএ’ এখন থেকেই ‘ইন্ডিয়া’কে ভয় পেতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যপাল দত্তপুকুরে যেতে পারেন আর মুখ্যমন্ত্রী পারেন না?” প্রশ্ন শুভেন্দুর

    ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) এনডিএ ৫০ শতাংশ ভোট পাবে বলে বিভিন্ন সমীক্ষায় প্রকাশ। এ প্রসঙ্গে গেহলট বলেন, “কোনওদিন সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পাববেন না মোদি। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকাকালীনই তিনি ৫০ শতাংশ ভোট পাননি। এবার ভোট আরও কমবে। ২০২৪ সালের নির্বাচনী ফলই বলে দেবে, কে প্রধানমন্ত্রী হবেন। শেষ পর্যন্ত মানুষই সিদ্ধান্ত নেবেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Duttapukur Blast: “রাজ্যপাল দত্তপুকুরে যেতে পারেন আর মুখ্যমন্ত্রী পারেন না?” প্রশ্ন শুভেন্দুর   

    Duttapukur Blast: “রাজ্যপাল দত্তপুকুরে যেতে পারেন আর মুখ্যমন্ত্রী পারেন না?” প্রশ্ন শুভেন্দুর   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উত্তরবঙ্গ থেকে এসে রাজ্যপাল দত্তপুকুরে যেতে পারেন আর মুখ্যমন্ত্রী পারেন না?”  সোমবার এ প্রশ্ন করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর পরেই এ বিষয়ে (Duttapukur Blast) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জবাব চেয়ে শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিধানসভা ত্যাগ করেন বিজেপি বিধায়করা। দত্তপুকুরে বিস্ফোরণ হয় রবিবার সকালে। সোমবার বসে বিধানসভার অধিবেশন। এই অধিবেশনেই বিজেপি প্রশ্ন তোলে, “কলকাতা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। অথচ এখনও অকুস্থল পরিদর্শনে যাননি মুখ্যমন্ত্রী?” এর পরেই রাজ্যপালের প্রসঙ্গ টানেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব

    শুভেন্দু বলেন, “মানুষের জীবন রক্ষা করার যে প্রতিশ্রুতি, সে বিষয়ে আমরা সরকারের কাছ থেকে অবিলম্বে বিবৃতি দাবি করি। সেই কারণে আমরা বিধানসভার (Duttapukur Blast) ভেতরে মুলতুবি প্রস্তাব রেখে বাইরে শাউটিং স্লোগান করেছি। পশ্চিমবাংলার জনগণের নিরাপত্তার প্রশ্নে ভারতীয় জনতা পার্টি অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই লড়াইটা আমরা হাউসের ভেতরে দিচ্ছি। কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি এনআইএ দিতে পারে না। এফআইআরে সেই ধারা থাকলে তবে তারা তদন্ত করতে পারে। এরা সেটা করবে না। তাই আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছি। আশা রাখি, হাইকোর্ট ব্যবস্থা নেবে এবং এই মামলার তদন্ত এনআইএর হাতে যাবে।” তিনি বলেন, “এই সরকার স্বচ্ছতা নিয়ে চলে না। মুখ্যমন্ত্রী অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট ১০ মিনিটে বিধানসভায় জানিয়ে তারপর বক্তৃতা করতে পারতেন না? তাঁর কাছে বক্তৃতা করাটা, কখন তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, সেটা তাঁর কাছে প্রথম প্রায়োরিটি।” 

    মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “গত কয়েক মাসে রাজ্যে (Duttapukur Blast) একশোরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, রাজ্যে বেআইনি বাজি কারখানা বন্ধ করা হবে। তারপরেও একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটেছে। ওখানে আরডিএক্স ব্যবহার করা হয়েছে। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই।” দত্তপুকুরকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগও দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বিস্ফোরণকাণ্ডে ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু। এদিনও তিনি ফের দাবি করেন, প্রমাণ লোপাটের আগেই দত্তপুকুরকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক।

    আরও পড়ুুন: সিবিআই, এনআইএ দাবিতে দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে জোড়া মামলা দায়ের বিজেপির

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Murshidabad: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃতদের মধ্যে মুর্শিদাবাদের ৪, নিখোঁজ আরও কতজন?

    Murshidabad: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃতদের মধ্যে মুর্শিদাবাদের ৪, নিখোঁজ আরও কতজন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের মোচপোলে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে সোমবার দুপুর পর্যন্ত মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সূতি থানার নতুন চাঁদরা এলাকার চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলেই খবর। নিখোঁজ আরও বেশ কয়েকজন শ্রমিক। মৃত্যুর খবর পৌঁছাতেই কার্যত কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। সোমবার সকাল থেকে নতুন চাঁদরা গ্রাম কার্যত থমথমে পরিস্থিতি রয়েছে।

    কী বললেন বিস্ফোরণে মৃতের পরিবারের লোকজন? (Murshidabad)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন আগেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সূতি থানার নতুন চাঁদরা গ্রাম থেকে প্রায় দশজন শ্রমিক দত্তপুকুরে যান। মোটা টাকার বিনিময়ে সকলকেই বাজি কারখানায় কাজ করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে খবর। তাদের কাজে নিয়ে গিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের উপর বোমা হামলা কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া ঈশা শেখের দাদা জেরাত আলি। রবিবার দত্তপুকুরে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় নতুন চাঁদরা গ্রামেরই চারজন বাসিন্দার। তাঁদের নাম কলেজ শেখ, রণি শেখ, আন্দাজ শেখ এবং ছোটন শেখ। এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন জেরাত আলি সহ ৬ জন। উল্লেখ করা যেতে পারে, তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের উপর বোমা হামলাকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া ঈশা শেখের বড় দাদা জেরাত আলি। সম্প্রতি মাস কয়েক আগে একই মামলায় জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে জেরাত আলিও। মুক্তি পাওয়ার পরেই গ্রামের শ্রমিকদের নিয়ে মোটা টাকার অফার দিয়ে বাজি কারখানায় নিয়ে যায় সে। তারপরেই সেখানেই কার্যত বিস্ফোরণে মৃত্যু হল চার শ্রমিকের। এর আগেও পিংলায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল নতুন চাঁদরা গ্রামের ১১ জন শ্রমিকের। ফের একবার একই গ্রাম থেকে আরও চার শ্রমিকের মৃত্যু এবং কয়েকজন শ্রমিকের নিখোঁজের ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, রাজমিস্ত্রির কাজ করানোর নাম করেই নিয়ে যাওয়া হয়ছিল। পরে, তাঁদের দিয়ে বাজি তৈরি করানো হত। এভাবে অকালে চলে যাবে তা আমরা ভাবতে পারিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur Blast: সিবিআই, এনআইএ দাবিতে দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে জোড়া মামলা দায়ের বিজেপির

    Duttapukur Blast: সিবিআই, এনআইএ দাবিতে দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে জোড়া মামলা দায়ের বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে (Duttapukur Blast) এবার জোড়া মামলা দায়ের করল বিজেপি (BJP)। সিবিআই এবং এনআইএ তদন্তের দাবিতে সরব রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী ও রাজর্ষি লাহিড়ি। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    বিজেপির দাবি

    রবিবার বিস্ফোরণের পরে পরেই এনআইএ তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছিল বিজেপি। পদ্ম শিবিরের নেতা শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্ন ছিল, “কোন শব্দ তৈরি করতে গেলে স্টোনচিপস লাগে?” তিনি দাবি করেছিলেন, ওই এলাকায় স্টোন চিপস সহ একাধিক রাসায়নিকের সন্ধান মিলেছে। ওই এলাকায় লুকিয়ে বোমা তৈরি হত, মারণাস্ত্র তৈরি হত। আর জেলায় জেলায় এই বোমা তৈরি হচ্ছে। তার পরেই এনআইএ তদন্তের দাবি জানান শমীক। 

    সোমবার আদালতের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, এর আগে বহু ক্ষেত্রে এনআইএর হাতে তদন্তভার গেলেও, রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ সামনে এসেছে। তাই এবার আদালতের নজরদারিতে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    শুভেন্দুর পোস্ট

    বিস্ফোরণকাণ্ডের (Duttapukur Blast) পর একটি পোস্টে শুভেন্দু লেখেন, ‘উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের দত্তপুকুরে একটি বাড়িতে বিস্ফোরণ। ৮ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংখ্যাটা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি লেখেন, “এটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। কারণ এটি পশ্চিমবঙ্গে সিরিয়াল বিস্ফোরণের সিরিজে নতুন সংযোজন। মে মাসে তালিকায় ছিল এগরা, বজবজ ও দুবরাজপুর। এরপর গত ১ জুন নদিয়ার জেলার মহেশনগর এমনই বিস্ফোরণের সাক্ষী হয়। পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমি রাজ্যের পরিস্থিতি ও বিস্ফোরণের পুনরাবৃত্তির ঘটনা নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। তাই আমি কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    আরও পড়ুুন: বিস্ফোরণস্থল থেকে ৩০০ মিটার দূরে ফের ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী

    শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, “আমি একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে এই বিষয়ে এনআইএ তদন্তের (Duttapukur Blast) জন্য কলকাতা হাইকোর্টে যাব। আমি বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব উত্থাপন করব, যাতে কেন সরকার এই ধরনের অবৈধ বাজি ইউনিট নিয়ন্ত্রণে এতটা নিষ্ক্রিয় সেই বিষয়ে উত্তর চাইতে পারি। এর পরে বিজেপি বিধায়কদের একটি প্রতিনিধি দল বিধানসভা থেকে দত্তপুকুরের বিস্ফোরণস্থলের উদ্দেশে যাত্রা করবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: এবার নার্কোটিক্স ডিটেকশনে প্রযুক্তি ব্যবহারের চিন্তাভাবনা যাদবপুরে!

    Jadavpur University: এবার নার্কোটিক্স ডিটেকশনে প্রযুক্তি ব্যবহারের চিন্তাভাবনা যাদবপুরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারকোটিক্স ডিটেকশনের সাহায্যে হস্টেল ও বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে মাদক রোখার ভাবনাচিন্তা চলছে। সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে নজরদারিও, জানালেন যাদবপুরের উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ। অ্যান্টি র‌্যাগিং যে স্কোয়াড আছে, তাতে কম করে ৪০ থেকে ৫০ জনকে রাখা হবে বলেও জানান উপাচার্য। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালেয়র ক্যাম্পাসের ভিতরে ওপেন এয়ার থিয়েটার পরিষ্কার করতে গিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বস্তা বস্তা মদের বোতল উদ্ধার করেন। এই খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে কী হয়েছে বলতে পারব না। তবে এবার থেকে পরিস্থিতি বদলাবে।’

    নিরাপত্তার স্বার্থে পদক্ষেপ

    বিবার উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ বলেন, “নিরাপত্তার জন্য এক্স সার্ভিসম্যানদের কথা যেমন ভাবা হয়েছে। সিসিটিভিও বসানো হচ্ছে। পরে আরও দু’টো প্রযুক্তি নিয়ে ভাবছি। অ্যালকোহল ডিটেক্ট করবে বা নার্কোটিক্স ডিটেক্ট করার জন্য যদি কিছু ব্যবস্থা থেকে থাকে। তবে সেটাও আমাদের দেশের আইনের মধ্যে থেকেই করতে হবে। নার্কোটিক্স কন্ট্রোল করেন যারা তাদের থেকে সাজেশন নিতে হবে। প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে কী কী নির্ণয় করা যায় সেটাও দেখার বিষয়। সবই ভাবনাচিন্তার পর্যায়ে এখন।” সিসিটিভি বসানো প্রসঙ্গেও এদিন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ বলেন, “আমরা ওয়েবেলকে অর্ডার পাঠিয়ে দিয়েছি। আমি দু’দিনের মধ্যে কাজ শুরু করতে বলেছি। ওয়েবলের লজিস্টিক এবং পরিকাঠামো কী আছে আমি জানি না। কী নিয়ম তাও জানি না। তবে যে কোনও পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। নিরাপত্তায় একটা গাফিলতি তো ছিল। না হলে এত বড় ঘটনা ঘটতে পারে না। সরকারও নিশ্চয়ই চাইছে ইউজিসির সমস্ত নিয়ম যেন মেনে চলা হয়। আমাদের আচার্যও বলেছেন, নিরাপত্তা ও অ্যান্টি র‌্যাগিং যে নিয়ম তা মেনে এগোতে হবে। এখন ওয়েবল বরাত দেওয়ার পরও যদি দেরি করে, এটা তো কোনও সাধারণ সংস্থা নয়।”

    আরও পড়ুন: ‘‘প্রাণ হাতে করে গ্রামে বাস করছি’’, দত্তপুকুরে রাজ্যপালকে নালিশ মহিলাদের

    দিলীপের অভিযোগ

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়ে সেখানে (Jadavpur University) ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় বাম সমর্থকদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুললেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। অভিযোগের কাঠগড়ায় তুলেছেন ডিন এবং অধ্যাপকদেরও। তাঁর কথায়, “যাদবপুরে কিছু বাম এবং অতি বাম সমর্থক পড়ুয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে নষ্ট করছে। এদের মদত দিচ্ছেন ডিন এবং কিছু অধ্যাপক।” রবিবার বিকালে মহেশতলার মোল্লার গেটের দলীয় জনসভায় যান বিজেপি সাংসদ। সেখানেই নিজের বক্তব্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চন্দ্রযানের প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মান তুলে ধরে দিলীপ ঘোষ একদিকে যেমন বাম ও অতি বাম সমর্থকদের কটাক্ষ করেন, তেমনই শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, “ঐতিহ্যশালী ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কত প্রতিভাবান ছেলে-মেয়ে পড়েন। গরিব পরিবারের ছেলে-মেয়েরা পড়েন। সেই বিশ্ববিদ্যালয়কে নষ্ট করতে সাহায্য করছে তৃণমূলও।” দিলীপের প্রশ্ন, যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর পর প্রশাসনের সক্রিয়তা বেড়েছে এতদিন সরকার কোথায় ছিল?

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Student Death: কোটায় জোড়া ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা, এক মাস পরীক্ষা বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রশাসনের

    Student Death: কোটায় জোড়া ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা, এক মাস পরীক্ষা বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ছাত্র মৃত্যুর (Student Death) ঘটনা রাজস্থানের কোটায়। রবিবার আত্মহত্যা করেছেন দুই পড়ুয়া। সব মিলিয়ে চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ২৪ জন পড়ুয়ার মৃত্যু হল কোটায়। রবিবার এক দিনে আত্মহত্যা করেন দুই ছাত্র। একজনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় হস্টেলের ঘর থেকে। অন্যজন একটি পরীক্ষাকেন্দ্রের ছ’ তলা থেকে ঝাঁপ দেন। এক দিনে জোড়া ছাত্রের আত্মহত্যায় নড়েচড়ে বসেছে কোটার জেলা প্রশাসন। কোটার জেলাশাসক ওমপ্রকাশ বুনকার কোচিং সেন্টারগুলিকে এক মাসের জন্য পক্ষীক্ষা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। জারি হয়েছে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও।

    ছ’ তলা থেকে ঝাঁপ

    কোটার পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন দুপুরে কোটার একটি কোচিং সেন্টারে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন মহারাষ্ট্রের আবিষ্কার শুভাঙ্গী। তিনি মেডিক্যালের প্রবেশিকা পরীক্ষা নিটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরীক্ষা শেষ হওয়ার মিনিট পাঁচেক আগে হল থেকে বেরিয়ে ছ’ তলা থেকে ঝাঁপ দেন শুভাঙ্গী (Student Death)। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ডেপুটি পুলিশ সুপার ধরমবীর সিংহ বলেন, “আবিষ্কার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। তিনি কোটায় নিটের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। রবিবার তাঁর একটি পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষাকেন্দ্রের ছ’ তলা থেকে ঝাঁপ দেন তিনি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।”

    ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার 

    এই ঘটনার রেশ কাটার আগেই ফের আসে ছাত্রের আত্মহননের ঘটনার খবর। এদিন বিকেলে এলাকার একটি হস্টেলে নিজের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বিহারের বাসিন্দা আদর্শের দেহ। তিনিও নিটের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এদিনের এই জোড়া আত্মহননের আগে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছিল ১৫ অগাস্ট। সেদিন কোটারই একটি হস্টেলের ঘর থেকে উদ্ধার হয় বিহারের গয়ার বাল্মিকী জাঙ্গিদের দেহ (Student Death)।

    আরও পড়ুুন: বিস্ফোরণস্থল থেকে ৩০০ মিটার দূরে ফের ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী

    আত্মহননের ঘটনায় লাগাম টানতে জেলা প্রশাসনের তরফে হস্টেলে সিলিং ফ্যানে স্প্রিং লাগানো এবং বারান্দায় জাল লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল হস্টেল কর্তৃপক্ষকে। সেই মতো ব্যবস্থাও নেন হস্টেল কর্তৃপক্ষ। পড়ুয়াদের নিয়মিত কাউন্সেলিং করানোর ব্যবস্থাও নিয়েছেন তাঁরা। তার পরেও রাশ টানা যাচ্ছে না আত্মহত্যার প্রবণতায়। পুলিশের তথ্যই বলছে, গত বছর কোটায় ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল ১৫টি। ২০১৮ সালে এই সংখ্যা ছিল ২০।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Neeraj Chopra: ‘‘সবকিছু করতে পারি…’’! বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সে সোনা জিতে আরও কঠোর প্রতিজ্ঞা নীরজের

    Neeraj Chopra: ‘‘সবকিছু করতে পারি…’’! বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সে সোনা জিতে আরও কঠোর প্রতিজ্ঞা নীরজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা, অলিম্পিক্সে সোনার পদক, ডায়মন্ড লিগ ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন, কমনওয়েলথ গেমসে সোনা, এশিয়ান গেমসে সোনা জ্যাভলিনে একের পর এক পদক জিতে ইতিহাস গড়েছেন নীরজ চোপড়া। কিন্তু খিদে এখনও কমেনি নীরজের। তাঁর পরের লক্ষ্যও জানিয়ে দিয়েছেন ভারতের ‘সোনার ছেলে’। সোনা জিতে নীরজ বলেন, ‘‘সবাই বলছিল এই একটা পদকই জেতা আমার বাকি। সেটাও হয়ে গেল। এ বার লক্ষ্য ৯০ মিটারের বেশি জ্যাভলিন ছোড়া। এই প্রতিযোগিতায় সোনা জেতা খুব জরুরি ছিল। সামনে আরও অনেক প্রতিযোগিতা আসছে। সেখানেও নিজের সেরাটা দেব।’’

    দেশবাসীর জন্য এই পদক

    রবিবার ভারতীয় সময় রাত ১২টা হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সে ৮৮.১৭ মিটার জ্যাভলিন ছুড়ে সোনা জিতেছেন নীরজ। দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে নীরজ বলেন, ‘‘ভারতবাসীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। রাতে জেগে আপনারা আমায় সমর্থন করেছেন। এই পদকটা পুরো ভারতের জন্য। অলিম্পিক্সে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। এবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। সবকিছু করতে পারি (আমরা)। আপনারাও নিজেদের ক্ষেত্রে এরকমভাবে পরিশ্রম করে যান। পুরো বিশ্বে আমাদের নাম ছড়াতে হবে।’’ নীরজের সাফল্যে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আরও ফিট হতে হবে

    শুভেচ্ছাবার্তা এসেছে রাষ্ট্রপতির তরফেও। তবে নিজের ধারাবাহিকতা নিয়ে এখনও সন্তুষ্ট নন নীরজ। তিনি বলেন, ‘‘আমি তাড়াহুড়ো করিনি। কারণ, এখনও ১০০ শতাংশ ফিট হতে পারিনি। দৌড়ের গতি কম। তাই জ্যাভলিন ছোড়ার উপরেই পুরো জোর দিয়েছিলাম। দ্বিতীয় থ্রোয়ে সেটা করতে পেরেছি। আমায় আরও ফিট হতে হবে এবং রান-আপে ১০০ শতাংশ গতিতে দৌড়াতে হবে। নিজেকে উজাড় করে দিতে হবে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pro Khalistan Slogans: ‘দিল্লি বনেগা খালিস্তান’! রাজধানীর মেট্রো স্টেশনের দেওয়ালে দেশবিরোধী স্লোগান

    Pro Khalistan Slogans: ‘দিল্লি বনেগা খালিস্তান’! রাজধানীর মেট্রো স্টেশনের দেওয়ালে দেশবিরোধী স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী মাসেই জি২০ শীর্ষ সম্মেলন হবে রাজধানীতে (New Delhi)। তার আগে দিল্লির পাঁচটি মেট্রো স্টেশনে ‘দিল্লি বনেগা খালিস্তান’ স্লোগান (Pro Khalistan Slogans) লিখল খালিস্তানপন্থী ‘শিখস ফর জাস্টিস’ সংগঠন। তাদের নেতা গুরুপতয়ন্ত সিং পান্নুন ভিডিয়োতে দাবি করেছেন, ‘‘প্রগতি ময়দানে জি২০ সম্মেলন ব্যাহত করার লড়াই শুরু হল। এ ভাবেই আমরা জি২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলিকেও বার্তা দিচ্ছি। পাঞ্জাব ভারতের অংশ নয়।’’

    কারা লিখল স্লোগান

    দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শিবাজি পার্ক থেকে পাঞ্জাবি বাগ পর্যন্ত বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনের দেওয়ালে লেখা হয়েছে খালিস্তান পন্থী স্লোগান। তবে ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ সেই স্লোগান ঢেকে দেয়। পাঞ্জাবি বাগ, শিবাজি পার্ক, পশ্চিম বিহার, উদ্যোগনগর, মহারাজা সুরযমল স্টেশন সহ পশ্চিম দিল্লির বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনের দেওয়ালে স্প্রে করে এসব লেখা হয়েছে। জি২০ শীর্ষ বৈঠকের সময়ে খালিস্তানের দাবিতে খালিস্তানপন্থীরা কানাডায় ‘গণভোট’ নেবে বলে দাবি ‘শিখস ফর জাস্টিস’-এর। ‘শিখস ফর জাস্টিস’ সংগঠন ভারতে ইউএপিএ আইনের অধীনে নিষিদ্ধ। তারাই যে এই ঘটনার পিছনে রয়েছে, তা স্বীকার করেছে দিল্লি পুলিশও। তারা জানিয়েছে, এ নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ। স্লোগান লেখা মেট্রো স্টেশনের ফুটেজও ওই সংগঠনের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: দত্তপুকুরকাণ্ডে এনআইএ তদন্ত চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি সুকান্তর

    তদন্তে দিল্লি পুলিশ

    সেপ্টেম্বরের ৯-১০ দিল্লিতে জি-২০ সম্মেলন হবে। জি২০ শীর্ষ বৈঠক উপলক্ষে আপাতত সাজো সাজো রব রাজধানীতে। ওই শীর্ষ বৈঠক উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ-র কয়েক দিন দিল্লিতে থাকার কথা। তার আগে এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ইতিমধ্য়েই তদন্তে নেমে পড়েছে। কারা এর পেছনে রয়েছে, তাদের কী ধরনের মতলব রয়েছে সবটা দেখার চেষ্টা করছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। মেট্রো স্টেশনের ফুটেজ পরীক্ষা করে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ। ফুটেজ পরীক্ষা করার জন্য মেট্রো স্টেশনগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ-এর সাহায্য নিচ্ছেন দিল্লি পুলিশের গোয়েন্দারা। দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার জ্ঞানবন্ত নাইকের বক্তব্য, ‘‘নাঙ্গলোইয়ে স্লোগান লেখার কথা আমরা আজ সকাল ১১টায় জানতে পেরেছি। তদন্ত শুরু হয়েছে।’’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “ভারতে আজ যাঁরা গরিব, আগামিকাল তাঁরাই হবেন মধ্যবিত্ত”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতে আজ যাঁরা গরিব, আগামিকাল তাঁরাই হবেন মধ্যবিত্ত”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ যাঁরা গরিব রয়েছেন, আগামিকাল তাঁরাই হবেন মধ্যবিত্ত।” রবিবার দিল্লিতে বি-২০ সম্মেলনে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “কেন্দ্রের দরিদ্র-মুখী নীতি দেশে একটা বিরাট সংখ্যক মধ্যবিত্ত তৈরি করবে কয়েক বছরের মধ্যেই। এঁরাই হবেন ভারতের অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধির চালিকা শক্তি।”

    ‘এঁরাই বৃহত্তম ক্রেতা’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নিত্য বহু মানুষ দারিদ্রের গণ্ডি ছেড়ে বের হচ্ছেন। তাঁরা ঢুকে পড়ছেন নয়া মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে। এর অর্থ হল, দারিদ্র দূরীকরণে সরকার যে নীতি নিয়েছে, তা ঠিকঠাকভাবেই কাজ করছে।” তিনি (PM Modi) বলেন, “যাঁরা নয়া মধ্যবিত্ত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন, এঁরাই বৃহত্তম ক্রেতা। তাঁরা নয়া উচ্চাকাঙ্খা নিয়ে আসছেন। তাঁরাই ভারতকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাচ্ছেন। দরিদ্রদের তুলে ধরতে সরকার যেসব কাজ করছে, তার সুবিধা আসলে ভোগ করছে মধ্যবিত্ত শ্রেণি, এমএসএমইএস। দরিদ্রমুখী নীতির জন্য আপনারা দেখতে পাবেন আগামী পাঁচ-সাত বছরের মধ্যেই দেশে বেড়ে গিয়েছে মধ্যবিত্ত জনসংখ্যা।”

    ‘সকলকেই সমান অংশ নিতে হবে’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রয় ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের সাহায্য করে। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য যদি আত্মকেন্দ্রিক হয়, আমি মনে করি না যে, আমরা আমাদের কিংবা বিশ্বের কোনও ভাল করতে পারব।” তিনি (PM Modi) বলেন, “লাভজনক ব্যবসা টিকে থাকবে তখনই, যখন ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকবে। এটা একটা দেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আমরা যদি বাজারে কেবল অন্য দেশকেই দেখি, তাহলে আমাদের উৎপাদন আজ হোক কিংবা কাল মার খাবেই। সামনের দিকে এগনোর মন্ত্রই হল, অগ্রগামিতায় সকলকেই সমান অংশ নিতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: “পুরো রাজ্যটাই বেআইনিভাবে চলছে”, বারাসতকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা শুভেন্দুর

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “৪.০ শিল্প বিপ্লবের মুখ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারত। বিশ্ব সমৃদ্ধি নির্ভর করবে বাণিজ্যের ভবিষ্যতের ওপর।” তিনি বলেন, “কোভিড অতিমারি পর্বে বিশ্বের নানা সমস্যার সমাধান ছিল ভারত। কোভিড অতিমারি-উত্তর পর্বেও ভারত বিশ্ব গ্লোবাল সাপ্লাই চেনকে উন্নত করছে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “গ্লোবাল সাপ্লাই চেনকে বিশ্ব কখনও একভাবে দেখে না। প্রয়োজনের সময় যদি কাজ না করতে পারে, তাহলে কী সেই সাপ্লাই চেনকে দক্ষ বলা যেতে পারে? ভারত হচ্ছে এর সমাধান। দক্ষ এবং বিশ্বাসযোগ্য গ্লোবাল সাপ্লাই চেন ঠিক রাখতে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

     

  • PM Modi: “ইসরোর মিশন ভারতের নারী ক্ষমতায়নের জ্বলন্ত প্রমাণ”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ইসরোর মিশন ভারতের নারী ক্ষমতায়নের জ্বলন্ত প্রমাণ”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ইসরোর এই মিশন ভারতের নারী ক্ষমতায়নের জ্বলন্ত প্রমাণ। আমি লালকেল্লা থেকে বলেছিলাম, দেশকে শক্তিশালী করতে মহিলা নির্ভর উন্নয়নকে আরও মজবুত করতে হবে। মহিলাদের ক্ষমতাই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। চন্দ্রযান মিশন তারই প্রমাণ। এই মিশনে বহু মহিলা বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়র সরাসরি যুক্ত ছিলেন।” রবিবার মন কি বাতের অনুষ্ঠানে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    মহিলাদের ক্ষমতায়ন

    তিনি বলেন, “যখন কোনও একটি দেশের মহিলারা এত উচ্চাকাঙ্খী হন, তখন সেই দেশের উন্নতি কে আটকাতে পারে? চন্দ্রযান-৩ মিশনের সাফল্যের জন্য আমি ইসরোর বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। তাঁদের কঠোর পরিশ্রমেই এই স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। চন্দ্রযান মিশন নতুন ভারতের প্রতীক হয়ে উঠেছে। এই নতুন ভারত যে কোনও পরিস্থিতিতে জয়লাভ করতে জানে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবে চন্দ্রযান-৩-র সাফল্য আমাদের উদযাপনকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনদিন হয়ে গেল আমরা চাঁদে পা রেখেছি। এই সাফল্য এত বড় যে যতই আলোচনা করা হোক, তা কম বলেই মনে হয়।” 

    জি-২০ সম্মেলেন

    এদিনের ‘মন কি বাতে’ জি-২০ সম্মেলনের প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। গত বছর নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে আয়োজিত জি-২০ সম্মেলেনে চলতি বছরের জি-২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পায় ভারত। সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের জি-২০-র নেতৃত্ব, ভারতবাসীর নেতৃত্বে পরিণত হয়েছে। একে একটি অন্তর্ভুক্তিকরণ ফোরামে পরিণত করেছে।”

    আরও পড়ুুন: “ভারতের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধির প্রধান কারণ আধার”, বললেন ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে’র প্রেসিডেন্ট

    আগামী মাসে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জি-২০ সম্মেলন। এই সম্মেলনে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশের প্রধানরা যোগ দেবেন। তাঁদের সঙ্গে থাকবেন ওই দেশগুলির পদস্থ আধিকারিকরাও। থাকবেন আমন্ত্রিত দেশগুলির সদস্যরাও। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার ১৪ জন প্রধানও উপস্থিত থাকবেন ওই সম্মেলনে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সেপ্টেম্বর মাসে শক্তিশালী ভারতের সাক্ষী হতে চলেছে দেশ। জি-২০ লিডার্স সম্মেলনের জন্য ভারত পুরোপুরি প্রস্তুত। এই সম্মেলনে যোগ দিতে ৪০টি দেশের প্রধান ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রধানরা আসবেন। জি-২০ সম্মেলনের ইতিহাসে এটি হবে বৃহত্তম সম্মেলন।” ৩১ অগাস্ট বিশ্ব সংস্কৃত দিবস। এ জন্য দেশবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। শুভেচ্ছা জানান আসন্ন রাখিপূর্ণিমা উপলক্ষেও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share