Tag: bangla news

bangla news

  • PM Modi: নয়া তিন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করতে ফের রাজ্য আসছেন প্রধানমন্ত্রী, কবে জানেন?

    PM Modi: নয়া তিন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করতে ফের রাজ্য আসছেন প্রধানমন্ত্রী, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গবাসীকে দুর্গাপুজোর বড় উপহার দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। যেমন তেমন কোনও উপহার নয়, ঐতিহাসিক উপহার। নয়া তিন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করতেই চলতি মাসেই কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২২ অগাস্ট দমদমে প্রশাসনিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকেই নয়া তিন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী (New Metro Routes)।

    সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য (PM Modi)

    খবরটি সংবাদ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ইতিমধ্যেই রেলের তরফে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণপত্র পাঠানোও শুরু হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের তরফ থেকে সেই আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি ফাঁস করেন সুকান্ত। তিনি একে দুর্গাপুজোর আগে পশ্চিমবঙ্গের জন্য এক ঐতিহাসিক উপহার বলেও উল্লেখ করেছেন। জানা গিয়েছে, ওই দিন প্রধানমন্ত্রী যে তিনটি নয়া রুটের মেট্রোর উদ্বোধন করবেন, সেগুলি হল, শিয়ালদা-এসপ্ল্যানেড, বেলেঘাটা-হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি) এবং নোয়াপাড়া-জয়হিন্দ (বিমানবন্দর) স্টেশন।

    উদ্বোধন মেট্রো স্টেশনের সাবওয়েরও

    তিনটি নয়া মেট্রো রুটের পাশাপাশি আগামী ২২ তারিখে হাওড়া মেট্রো স্টেশনের সাবওয়েরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, রেল সংক্রান্ত নানা উন্নয়নমূলক কাজের জন্য শুধুমাত্র চলতি বছরের বাজেটেই ১৩ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা পেয়েছে বাংলা। এই মুহূর্তে রেল পরিষেবা এবং পরিকাঠামোর উন্নতির জন্য সব মিলিয়ে ৮৩ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকার কাজ চলছে পশ্চিমবঙ্গে। ১০১টি স্টেশনকে বিশ্বমানের রেলস্টেশন হিসেবে পুনর্নির্মাণ করার কাজ চলছে (PM Modi)। ইতিমধ্যেই ৯টি বন্দে ভারত ও ২টি অমৃত ভারত ট্রেনের যাত্রাও শুরু হয়েছে। এহেন আবহে এবার মেট্রো পরিষেবার পরিসর আরও বাড়ানোর পথে হাঁটল রেল।

    কোন লাইনে কোন কোন স্টেশন

    জানা গিয়েছে, ইয়োলো লাইনে নোয়াপাড়া থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত মেট্রোর সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে (New Metro Routes)। ১৬ অগাস্ট শনিবার এই রুট পরিদর্শনে আসবেন কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি। তার পরেই প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে সূচনা হবে মেট্রোর নিত্য যাত্রা। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতেই প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার প্রস্তুতি করতে মেট্রো রেলের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সবাইকে। নিউ গড়িয়া বিমানবন্দর মেট্রো করিডরের (ভায়া রাজারহাট) রুবি থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত অংশ দীর্ঘদিন ধরেই তৈরি হয়ে পড়ে রয়েছে। সিআরএস অনুমোদনও হয়ে গিয়েছে। তার পরেও চালু হয়নি। এদিন সেই অংশও চালু হবে। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি) থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত মোট মেট্রো স্টেশনের সংখ্যা পাঁচটি। ট্রেন রুবি ছাড়লেই প্রথম স্টেশন ভিআইপি বাজার, তারপর ঋত্বিক ঘটক, তারপর বরুণ সেনগুপ্ত (এটি সায়েন্স সিটি এলাকায়), এর পরেই সটান বেলেঘাটা স্টেশন (PM Modi)।

    নিউ গড়িয়া রুবি রুট

    এদিকে নিউ গড়িয়া থেকে রুবি রুটের মধ্যেও রয়েছে পাঁচটি স্টেশন। এগুলি হল, কবি সুভাষ (নিউ গড়িয়া), সত্যজিৎ রায় (এসআরএফটিআই সংলগ্ন এলাকা), জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী (অজয়নগর এলাকা), কবি সুভাষ (কালিকাপুর) এবং হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি)। রেল সূত্রে খবর, নিউ গড়িয়া থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত রুটটি চালু হয়ে গেলে এই লাইনেও যাত্রিসংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়ে যাবে অনেকখানিই। এদিনই সূচনা হবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর এসপ্ল্যানেড-শিয়ালদা অংশের পরিষেবা (New Metro Routes)। এই অংশের পরিষেবা শুরু হলে মেট্রো পথে জুড়ে যাবে সল্টলেক-হাওড়া। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার খবরটি শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, কলকাতার মেট্রো পরিষেবায় এক নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে। ২২ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করবেন তিনটি নতুন মেট্রো রুটের। এর মধ্যে রয়েছে গ্রিন লাইন ১ ও ২ এর সংযোগ, যা বহুদিনের দাবি পূরণ করবে (PM Modi)।

    গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো করিডর

    গ্রিন লাইন ১ বর্তমানে শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো করিডর, যা বহু অফিসপাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক কেন্দ্রকে যুক্ত করে। গ্রিন লাইন ২ যুক্ত হলে যাত্রীদের সময় ও খরচ – দুই বাঁচবে। একসঙ্গে জুড়ে যাবে হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশন। হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত ১৬.৬ কিমি পূর্ণ করিডরেই যাত্রী চলাচল সম্ভব হবে। সব চেয়ে বেশি উপকৃত হবেন কর্মজীবীরা। কারণ এখন থেকে তাঁরা মাত্র একটি ট্রেনে করেই হাওড়া থেকে শিয়ালদা পৌঁছে যেতে পারবেন (New Metro Routes)। হাওড়া–শিয়ালদার মধ্যে সময় লাগবে মাত্র ১২ মিনিট। ব্যস্ত সময়ে প্রতি ৮ মিনিট অন্তর এবং অন্য সময়ে প্রতি ১০ মিনিট অন্তর ট্রেন চলবে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি লোকসভায় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, ১৯৭২ সালে চালু হওয়ার পর থেকে কলকাতা মেট্রোর যাত্রাপথ বাড়তে বাড়তে এখন দাঁড়িয়েছে ৬৯ কিলোমিটারে। ১৯৭২ থেকে ২০১৪ এই ৪২ বছরে কলকাতা মেট্রোর ২৮ কিলোমিটার ট্র্যাক তৈরিতে রেলের তরফে বরাদ্দ করা হয় ৫ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা। ২০১৪ থেকে ২০২৫ – এই ১১ বছরে কলকাতা মেট্রোর ৪১ কিলোমিটার ট্র্যাক তৈরিতে বরাদ্দ করা হয়েছে ২৫ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা (PM Modi)।

  • India: বাংলাদেশ থেকে পাটভিত্তিক পণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ ভারতের

    India: বাংলাদেশ থেকে পাটভিত্তিক পণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) সরকার বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে নির্দিষ্ট কিছু পাটভিত্তিক পণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রক এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের ডিরেক্টর জেনারেল ২০২৫ সালের ১১ অগাস্ট জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানিয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আইটিসি (এইচএস), ২০২২ সালের শিডিউল ১ অনুযায়ী বর্তমানে যে আমদানি নীতিতে সংশোধন করা হয়েছে এবং তা সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হয়েছে।

    নিষেধাজ্ঞার বিজ্ঞপ্তি (India)

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ব্লিচ করা এবং আনব্লিচ করা বোনা পাটের কাপড়, সুতো, দড়ি, রশি, পাটের কেবল এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ এসব পণ্য আর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কোনও স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ঢুকতে পারবে না। এই সামগ্রীগুলি এখন থেকে কেবলমাত্র মহারাষ্ট্রের নাভা শেভা সমুদ্র বন্দর দিয়েই প্রবেশের অনুমতি পাবে। জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্য কোনও স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অতিক্রম করতে পারবে না। এগুলি কেবলমাত্র নাভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়েই প্রবেশ করতে পারবে।

    কী বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে

    ডিজিএফটির বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই বিধিনিষেধগুলি ১৯৯২ সালের বৈদেশিক বাণিজ্য (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) আইনের অধীনে কার্যকর করা হচ্ছে এবং এগুলি ২০২৫ সালের মে ও জুন মাসে চালু হওয়া আগের (Bangladesh) পদক্ষেপগুলির ধারাবাহিকতা। যদিও (India) এই সর্বশেষ সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। সাধারণত এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয় গুণমান নিয়ন্ত্রণ, বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবিলা, অথবা দেশীয় শিল্পকে মূল্যচাপ ও অন্যায্য প্রতিযোগিতা থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ জুনের বিজ্ঞপ্তি নম্বর ২১/২০২৫-২৬ -এ বর্ণিত অন্যান্য সমস্ত শর্ত ও বিধান অপরিবর্তিত থাকবে। ভারত সরকারের অতিরিক্ত সচিব এবং ডিরেক্টর (বিদেশি বাণিজ্য) অজয় ভাদু স্বাক্ষরিত এই নির্দেশটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। ফলে উল্লিখিত পণ্যের যে কোনও চালানকে এখন থেকেই নতুন বন্দর–সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে (India)।

  • Independence Day 2025: এবারের থিম “নয়া ভারত”, স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    Independence Day 2025: এবারের থিম “নয়া ভারত”, স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day 2025) ৭৯তম উদযাপনের এবারের থিম হবে “নয়া ভারত”। ১৩ অগাস্ট জারি করা সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই থিম ভারতের এক সমৃদ্ধ, সুরক্ষিত ও আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে গড়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে, যা ২০৪৭ সালের মধ্যে “বিকশিত ভারত” গঠনের সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    ‘অপারেশন সিন্দুর’ (Independence Day 2025)

    এ বছরের এই উদযাপন সফল ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করবে, যা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা শক্তিশালী করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঐতিহাসিক লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন এবং দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। লালকেল্লায় পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানাবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ এবং প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং। এরপর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে দিল্লি অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভবনীশ কুমারের, যিনি তাঁকে মঞ্চে নিয়ে যাবেন গার্ড অব অনার পরিদর্শনের জন্য।

    গার্ড অফ অনার

    ভারতে এই গার্ড অফ অনারের নেতৃত্ব দেবেন উইং কমান্ডার এএস সেখোঁ। এতে থাকবেন মোট ৯৬ জন সদস্য। একজন আধিকারিক ও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় নৌবাহিনী, ভারতীয় বায়ুসেনা ও দিল্লি পুলিশের ২৪ জন করে সদস্য। গার্ড অব অনার পরিদর্শন করার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লালকেল্লার প্রাচীরের দিকে অগ্রসর হবেন, যেখানে তিন বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা প্রধান তাঁকে স্বাগত জানাবেন। ফ্লাইং অফিসার রাশিকা শর্মা প্রধানমন্ত্রীকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনে সহায়তা করবেন, যা দেশীয় ১০৫ মিমি লাইট ফিল্ড গান ব্যবহার করে ১৭২১ ফিল্ড ব্যাটারি কর্তৃক ২১ বার তোপধ্বনির সঙ্গে সম্পন্ন হবে (Independence Day 2025)।

    ‘রাষ্ট্রীয় স্যালুট’

    পতাকা উত্তোলনের পর তিরঙ্গা পাবে ‘রাষ্ট্রীয় স্যালুট’, এবং সেই সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর ব্যান্ড জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করবে। আনুষ্ঠানিকভাবে ফুলের পাপড়ির বর্ষণ করার পর প্রধানমন্ত্রী মোদি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ভাষণ শেষে ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের ক্যাডেট এবং ‘মাই ভারত’ স্বেচ্ছাসেবীরা এক সঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত গাইবেন। সব মিলিয়ে মোট ২,৫০০ ছেলে ও মেয়ে, যাঁরা সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর এনসিসি শাখা থেকে আসবেন, তাঁরা উৎসবে অংশ নেবেন ‘মাই ভারত’ স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে। তাঁরা লালকেল্লার প্রাচীরের উল্টোদিকে জ্ঞানপথে বসে ‘নয়া ভারত’ লোগো তৈরি করবেন।

    দেশপ্রেমমূলক ব্যান্ড

    এই প্রথমবারের মতো স্বাধীনতা দিবসের সন্ধ্যায় সারা দেশে দেশপ্রেমমূলক ব্যান্ড পরিবেশনের আয়োজন করা হবে, যা জাতীয়তাবাদের চেতনা ও ‘অপারেশন সিঁদুর’ সাফল্য উদ্‌যাপনের জন্য অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নেবে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, ভারতীয় কোস্ট গার্ড, এনসিসি, সিআরপিএফ, আইটিবিপি, সিআইএসএফ, এসএসবি, বিএসএফ, আইডিএস, আরপিএফ এবং অসম রাইফেলসের ব্যান্ড। এটি দেশের ১৪০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অনুষ্ঠিত হবে (Independence Day 2025)। এ বছর লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের উদ্‌যাপনে প্রায় ৫,০০০ বিশেষ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যারা বিভিন্ন পটভূমি থেকে আসবেন। এছাড়াও, বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে আসা ১,৫০০-রও বেশি ব্যক্তি, যারা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান করবেন, তাঁরা এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকবেন।

    গ্যালান্ট্রি পুরস্কার ঘোষণা

    এদিকে, স্বাধীনতা দিবসে অসাধারণ সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য স্বীকৃত প্রতিরক্ষা কর্মীদের গ্যালান্ট্রি পুরস্কার ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন এক প্রবীণ আধিকারিক। অপারেশন সিঁদুরের সাফল্যকে এ বছরের স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে বিশেষভাবে উদযাপন করা হবে। এর লোগো জ্ঞানপথে রাখা ভিউ কাটারে প্রদর্শিত হবে এবং থিমভিত্তিক ফুলের সাজসজ্জায়ও ব্যবহার করা হবে। যেসব প্রতিরক্ষা কর্মী সাহসিকতা পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হবেন, তাঁরা লালকেল্লার প্রাচীরে আসন পাবেন, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। তাঁর ভাষণে অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য এবং সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Independence Day 2025)।

    জানা গিয়েছে, এ বছরের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হবে “সমৃদ্ধ, সুরক্ষিত ও সাহসী ‘নয়া ভারতে’র অব্যাহত জয়যাত্রা”-কে স্মরণ করার জন্য, যা ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে। মন্ত্রকের তরফে আরও জানানো হয়েছে, এই উদযাপনের লক্ষ্য হল “অগ্রগতির পথে আরও দূর এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন করে শক্তি জোগানো।” বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে লালকেল্লার ওপর দিয়ে ভারতীয় বিমানবাহিনীর উড়ান প্রদর্শনী, যেখানে তিনটি হেলিকপ্টার সারিবদ্ধভাবে উড়বে, বহন করবে জাতীয় পতাকা এবং অপারেশন সিঁদুরের পতাকা। সমবেত দর্শকদের ওপর ছড়ানো হবে ফুলের পাপড়ি (Independence Day 2025)।

  • India: ‘এদের এক্তিয়ারই নেই’, সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে স্থায়ী সালিশি আদালতের রায় প্রত্যাখ্যান ভারতের

    India: ‘এদের এক্তিয়ারই নেই’, সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে স্থায়ী সালিশি আদালতের রায় প্রত্যাখ্যান ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের ৮ অগাস্ট সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির (Indus Waters Treaty) বিষয়ে হেগের স্থায়ী সালিশি আদালতের (PCA) রায়কে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত (India)। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কিষানগঙ্গা ও রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষেত্রে তারা কখনওই এই আদালতের এক্তিয়ার স্বীকার করে না। ভারত স্পষ্ট করে জানিয়েও দিয়েছে, নয়াদিল্লি আদালতের এক্তিয়ার স্বীকার করে না এবং পাকিস্তান সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যাচাইযোগ্য পদক্ষেপ না করা পর্যন্ত চুক্তির বাস্তবায়নও ফের শুরু করা হবে না। ভারতের এই দৃঢ় অবস্থান এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমানোর হুমকিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে এবং তার জেরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফের একপ্রস্ত শুল্ক আরোপ করেছে ভারতীয় পণ্যের ওপর। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বহিঃচাপের মুখে নয়াদিল্লির এই অবস্থান ক্রমবর্ধমান কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের ইঙ্গিত দেয়।

    সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির বিরোধ নিষ্পত্তি (India)

    নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তান একতরফাভাবে সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে এই সালিশি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই ঘটনা দ্বিপাক্ষিক সমাধানের সুযোগকে ক্ষুণ্ণ করেছে। সরকার জানিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানের জোরাজুরিতে বিশ্বব্যাংক ২০২২ সালে একইসঙ্গে একজন নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ এবং সালিশি আদালত সক্রিয় করার পদক্ষেপ নিয়েছিল, যা বাস্তব ও আইনি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে এবং চুক্তির কাঠামোর অধীনে সেটি গ্রহণযোগ্যও নয়। ভারত সরকারের তরফে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি স্থগতি রাখা হয়েছে। পাকিস্তান সীমান্তপারের সন্ত্রাস নেটওয়ার্ক ভাঙতে বিশ্বাসযোগ্য ও যাচাইযোগ্য পদক্ষেপ না করা পর্যন্ত এটি ফের কার্যকর হবে না (India)।

    স্থায়ী সালিশি আদালতের রায়

    স্থায়ী সালিশি আদালতের রায় পাকিস্তানের ব্যাখ্যার পক্ষে গিয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, সিন্ধু, ঝিলাম এবং চেনাবের মতো (Indus Waters Treaty) পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীগুলিকে ‘রান-অফ-দ্য-রিভার’ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নকশায় ভারতকে চুক্তির ধারা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে এবং নিজস্ব কোন মানদণ্ড চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। আদালতের নির্দেশ, ভারতকে জলের প্রবাহ এমনভাবে রাখতে হবে (Indus Waters Treaty) যাতে পাকিস্তান অবাধে তা ব্যবহার করতে পারে। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের দাবি, ভারতীয় প্রকল্পগুলি নিম্নপ্রবাহের জলের প্রবাহ কমিয়ে দিচ্ছে। শাহবাজ শরিফের দেশের এই অভিযোগ ভারত ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে বারংবার উড়িয়ে দিয়েছে (India)।

  • Commonwealth Games 2030: অলিম্পিক্স-স্বপ্নের পথে দেশ, ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের দাবি জানাল ভারত

    Commonwealth Games 2030: অলিম্পিক্স-স্বপ্নের পথে দেশ, ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের দাবি জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগে ভারতের ক্রীড়া মহলে খুশির হাওয়া। ক্রীড়াক্ষেত্রে অমৃতকালের পথে এগিয়ে চলেছে ভারত। মিলেছে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০ বছর পর আবার ভারতে বসতে চলেছে কমনওয়েলথ গেমসের আসর। ভারতীয় অলিম্পিক্স অ্যাসোসিয়েশনের অনুমতি মেলায় আনুষ্ঠানিক ভাবে এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রস্তাব দিল ভারত। আমেদাবাদ শহরে কমনওয়েলথ গেমস (Commonwealth Games 2030) আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। চূড়ান্ত প্রস্তাব জমা করতে হবে ৩১ অগাস্টের মধ্যে। কমনওয়েলথ গেমসের খরচ বহন করবে কেন্দ্রের মোদি সরকার।

    ভারতের সম্ভাবনা উজ্জ্বল

    ২০৩৬ সালে ভারতে অলিম্পিক্স আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে আগেই। তার আগে ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমসের (Commonwealth Games 2030) আসর ভারতে বসার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। ২০৩০ সালের গেমস আয়োজনের দায়িত্বে ছিল কানাডার। কিন্তু তারা সরে দাঁড়ানোয় ভারতের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। যেহেতু ২০১০ সালে ভারত কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করেছিল, তাই অভিজ্ঞতার বিচারে ভারত সুযোগ পেতে পারে। ভারতের লড়াই নাইজেরিয়ার সঙ্গে। এ ছাড়া আয়োজনের প্রস্তাব দিতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকাও। তবে, সম্প্রতি কমনওয়েলথ স্পোর্টসের ডিরেক্টর অফ গেমস ড্যারেন হল আমেদাবাদে গিয়ে ভেন্যুগুলো ঘুরে দেখেন। এর পর গুজরাট সরকারের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় তাঁদের। চলতি মাসের শেষের দিকে আরও বড় দল আমেদাবাদে যেতে পারেন বলে খবর।

    দ্রুত প্রস্তুতি শুরু

    ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস (Commonwealth Games 2030) আয়োজন করতে আগেই আগ্রহ দেখিয়েছিল ভারত। বুধবার ভারতীয় অলিম্পিক্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভায় সেই প্রস্তাব পাশ হয়ে যায়। এবার গেমস আয়োজনের পুরোদস্তুর প্রস্তুতি দ্রুত শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন ভারতের অলিম্পিক্স কমিটির (আইওএ) যুগ্ম সচিব কল্যাণ চৌবে। ভারতে ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমসের আসর বসবে কি না, তা জানা যাবে নভেম্বর মাসে। কমনওয়েলথ স্পোর্টের জেনারেল অ্যাসেম্বলি গ্লাসগো থেকে ঘোষণা করবেন সে কথা। ভারতে কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজন হলে সমস্ত খরচ বহন করতে হবে সরকারকে। সূত্রের খবর, দেশের মাটিতেই যাতে কমনওয়েলথের আসর বসে, সেই কারণে এখন থেকেই পরিকাঠামো ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে গুজরাট সরকার।

    কমনওয়েলথ দেশে হলে বেশি পদকের সম্ভাবনা

    অলিম্পিক্স কর্মসমিতির সদস্য রোহিত রাজপাল বলেছেন, “২০৩০-এর কমনওয়েলথ গেমস হবে পূর্ণাঙ্গ মাপের। আমরা যে খেলাধুলোয় ভাল সেগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে যাতে পদকের সংখ্যা অনেকটাই বাড়ে।” উল্লেখ্য, ২০২৬-এর গ্লাসগো গেমসে হকি, ব্যাডমিন্টন, কুস্তি এবং শুটিংয়ের মতো ইভেন্ট নেই, যেগুলো থেকে ভারত নিয়মিত পদক জিতেছে। রাজপাল আরও বলেছেন, “গেমসে তিন ধরনের খেলা থাকে। প্রথমত, কমনওয়েলথ গেমসের মূল খেলা যা প্রতি বারই হয়। দ্বিতীয় ভাগে থাকে আয়োজক দেশের পছন্দের খেলা এবং তৃতীয় ভাগে অতিরিক্ত খেলা। ২০৩০-এর কমনওয়েলথ গেমসে (Commonwealth Games 2030) ঐতিহ্যশালী এবং স্বদেশি খেলাধুলো রাখব আমরা। শুটিং, তিরন্দাজি, কুস্তি, কবাডি, খো খো-র মতো খেলা থাকবে।”

    দুর্নীতি-মুক্ত স্বচ্ছ্ব গেমস

    এখনও পর্যন্ত ভারত এক বারই কমনওয়েলথ গেমস (Commonwealth Games 2030) আয়োজন করেছে। সেটা ২০১০ সালে। সে বার খেলাধুলো ছাপিয়ে শিরোনামে এসেছিল অব্যবস্থা এবং আর্থিক দুর্নীতি। অ্যাথলিটস্‌ ভিলেজ, স্টেডিয়াম–সহ একাধিক পরিকাঠামো তৈরিতে অনেক দেরি হয়, বাজেট বেড়ে যায়, নেহরু স্টেডিয়ামে ফুটব্রিজ ভাঙায় অনেক শ্রমিক আহত হন। এ সব দেখে অনেক খেলোয়াড় নাম তুলে নিয়েছিলেন। এর পাশাপাশি বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছিল সে বার। আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান সুরেশ কালমাডিকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছিল। স্কটল্যান্ড, কানাডার মতো দেশ অব্যবস্থা দেখে দেরিতে ক্রীড়াবিদদের পাঠিয়েছিল। গেমস আয়োজনের জন্য যেই সরঞ্জাম আনা হয়েছিল সেগুলো বাজারের থেকে অনেক বেশি টাকার বিনিময়ে বেনামি সংস্থার মাধ্যমে কেনা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, একদম সাধারণ জিনিস যেমন টয়লেট পেপার কিনতেও দুর্নীতি করা হয়েছিল। আলোচনায় এসেছিল পরিকাঠামোও। গেমস ভিলেজ থেকে হোটেল ছিল অনেক দূরে। পাশাপাশি গেমস ভিলেজে ন্যূনতম পরিকাঠামো ছিল না। অ্যাথলিটদের ভিলেজেও ছিল পরিকাঠামোর অভাব। দিল্লিতে যেখানে অ্যাথলিট ও তাঁদের কোচদের রাখা হয়েছিল সেখানে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব ছিল। সব মিলিয়ে দুর্নীতি থেকে বিতর্ক সবকিছুতেই ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে নাক কেটেছিল ভারতের। এ বার ভালো করে আয়োজন করে সেই ছবি বদলানোই লক্ষ্য। আর তাই খুব সাবধানে ২০৩০ সালের জন্য পা ফেলতে চাইছে ভারত।

    অলিম্পিকের পথে

    ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্সও আয়োজন করতে চায় ভারত। সেটাও গুজরাটের আমেদাবাদে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অলিম্পিক্স কমিটির সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় অলিম্পিক্স সংস্থার প্রতিনিধিরা। সরকারি ভাবে আবেদন করা হয়েছে। ২০২৮ সালে আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলস এবং ২০৩২ সালের অলিম্পিক্স হবে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে। তার পরের অলিম্পিক্স নিজেদের দেশে করতে চায় ভারত। সেই চেষ্টাই চলছে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, কমনওয়েলথ-এর দায়িত্ব পেলে অলিম্পিক্স আয়োজন করার ক্ষেত্রে ভারতের দাবি আরও জোরাল হবে।

  • S Jaishankar: ডোভালের পর এবার রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর, কেন জানেন?

    S Jaishankar: ডোভালের পর এবার রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মস্কো (Moscow) সফরে গিয়ে ‘নান্দীমুখ’টা সেরে এসেছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। এবার ভারত-রাশিয়ার সম্পর্ক আরও মজবুত করতে মস্কো যাচ্ছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। আগামী ২১ অগাস্ট রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই সাভরভের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথাও রয়েছে তাঁর। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হবে দুই দেশের দুই বিদেশমন্ত্রীর। আমেরিকার সঙ্গে যখন ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন তুঙ্গে, তখন রাশিয়ার সঙ্গে নয়াদিল্লির এই ঘনিষ্ঠতায় ভূরাজনৈতিক চিত্র বদলের ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

    ডোভালের রাশিয়া সফর (S Jaishankar)

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। এর ঠিক একদিন আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত রাশিয়ান তেল কেনা অব্যাহত রাখায় ভারতীয় পণ্যের ওপর ফের ২৫ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেছিলেন। যার জেরে মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। শুধু তাই নয়, রাশিয়া এবং ভারতকে একই বন্ধনীভুক্ত করে উভয় দেশের অর্থনীতিকেই মৃত বলেও কটাক্ষ করেছিলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    ট্রাম্পের শুল্ক-হুমকিকে উপেক্ষা

    তবে ট্রাম্পের শুল্ক-হুমকির পরেও অবশ্য রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বন্ধ করেনি ভারত। বরং স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর আমলের বন্ধুকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ঝামা ঘষে দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ডোভালের মস্কো সফরের পর এবার যাচ্ছেন জয়শঙ্কর। আগামী ২০ থেকে ২১ অগাস্ট রাশিয়া সফর করবেন তিনি। ২১ অগাস্ট মস্কোয় বৈঠকে বসবেন দুই দেশের বিদেশমন্ত্রী। রাশিয়ান সংবাদসংস্থা ‘ইন্টারফ্যাক্স’ ডোভালকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, অগাস্ট মাসের শেষেই ভারত সফরে আসছেন পুতিন। যদিও নির্দিষ্টভাবে কোনও তারিখ এখনও জানা যায়নি (S Jaishankar)।

    প্রসঙ্গত, মার্কিন হুমকির পরে ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, দেশের স্বার্থের সঙ্গে কোনও আপস করা (Moscow) হবে না। কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়ালও জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত এখন অনেক শক্তিশালী রাষ্ট্র এবং কোনওভাবেই মাথা নত করবে না (S Jaishankar)।

  • Independence Day 2025: স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন ভাবছেন, সঠিক নিয়ম জানেন তো?

    Independence Day 2025: স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন ভাবছেন, সঠিক নিয়ম জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই স্বাধীনতা দিবস (Independence Day)। ২০২৫ সালে ভারত তার ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করতে চলেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই উদযাপন শুরু হবে দেশজুড়ে। শুক্রবার, সকাল থেকে চলবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন সহ বিভিন্ন দেশাত্মবোধক কর্মসূচি পালন। স্বাধীনতা দিবস মানে অনুষ্ঠান-উৎসব, নাচ-গানের মাধ্যমে দেশের বীর যোদ্ধাদের স্মরণ করা। দেশাত্মবোধ ও জাতীয়তাবাদের এক আলাদা পরিবেশ দেখা যায় শহক থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে প্রান্তিক জনপদগুলিতেও। বাড়ি থেকে ক্লাব, সর্বত্র দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন নাগরিকরা। বিগত কয়েক বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকারও ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি নিয়েছে, যার মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে খোদ প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন পতাকা উত্তোলন করার।

    দ্য ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্স এবং দ্য ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়ার নির্দেশিকা

    পতাকা উত্তোলন (Independence Day) তো সর্বত্রই হবে, কিন্তু জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রয়েছে সেই ব্যাপারে কয়েকটি নিয়মাবলি ও নির্দেশিকাও (National Flag Hoisting Rules)। দ্য ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্স এবং দ্য ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়া বেশ কিছু নিয়মাবলী বেঁধে দিয়েছে এবিষয়ে। এই দুই বিধিতেই শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কথা বলা হয়েছে। এমন ভাবে তা তুলতে হবে যেন তা কোনওভাবেই মাটিতে স্পর্শ না করে বা কখনও জাতীয় পতাকাকে কেউ যেন পোশাক হিসেবে ব্যবহার না করেন।

    কী কী করতে হবে?

    – ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়ার (Independence Day) ২ নং ধারা অনুযায়ী, প্রত্যেক স্বাধীন নাগরিকের অধিকার রয়েছে তাঁর বাড়ি, ব্যবসায়িক জায়গায় অথবা কর্মস্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার।

    – যে কোনও সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও প্রতিদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে পারে।

    – জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছাত্রদের শপথ বাক্য পাঠ করানোরও কথা বলা হয়েছে।

    – জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় মনে রাখতে হবে যে এই পতাকা আমাদের দেশের গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক।

    – জাতীয় পতাকা কোনওভাবেই উল্টো করে উত্তোলন করা যাবে না, সর্বদাই গেরুয়া অংশ ওপরে থাকবে এবং সবুজ অংশ নীচে থাকবে।

    – জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সময় অথবা নামিয়ে নেওয়ার সময় সর্বদাই স্যালুট করতে হবে।

    – জাতীয় পতাকা সর্বোচ্চ স্থানে থাকবে।

    কী কী করা যাবে না (National Flag Hoisting Rules)

    – কোনও সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে না, কাপড় হিসেবে জাতীয় পতাকাকে ব্যবহার করা যাবে না। টেবিল ক্লথ, রুমাল হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে না।

    – সূর্যাস্তের পরে তিরঙ্গা নামিয়ে নিতে হবে।

    – জাতীয় পতাকার প্রতি কোনও অবস্থাতেই অসম্মান প্রদর্শন করা যাবে না, এতে পা দেওয়া যাবে না, ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে বা মেঝেতে স্পর্শ করানো যাবে না।

    – ফুল-মালা বা অন্য কোন বস্তু জাতীয় পতাকার ওপরে রাখা যাবে না।

    – জাতীয় পতাকা ফেস্টুন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

    – নষ্ট হয়ে যাওয়া জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে না।

    – জাতীয় পতাকার ওপর কোনও ধরনের স্লোগান বা নকশা আঁকা যাবে না।

  • West Bengal Weather Update: বঙ্গোপসাগরে দানা বেঁধেছে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায় জারি হলুদ সতর্কতা

    West Bengal Weather Update: বঙ্গোপসাগরে দানা বেঁধেছে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায় জারি হলুদ সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে দানা বেঁধেছে নিম্নচাপ। তার জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হচ্ছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হচ্ছে বিক্ষিপ্ত মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি। এই পরিস্থিতিতে, আগামী কয়েকদিনের পূর্বাভাস (West Bengal Weather Update) জানাল আলিপুর আবহওয়া দফতর।

    প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে বাংলায়, তাতেই বৃষ্টি

    বঙ্গোপাসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হবে সেই পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া অফিস। সেই পূর্বাভাস মিলে গেছে। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। এরপর সেটি শক্তি বাড়িয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হবে। আগামী দু’দিনের মধ্যে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের স্থলভাগে প্রবেশ করবে এটি। এর সরাসরি প্রভাব বাংলায় না পড়লেও, প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে বাংলায়। তার জেরেই আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি হবে (Rain Alert)।

    দক্ষিণবঙ্গের ১৫টি জেলায় হলুদ সতর্কতা

    আলিপুর আবহাওয়া অফিসের রিপোর্ট অনুয়ায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টা হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের ১৫টি জেলায়। সেগুলি হল— কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া। বৃহস্পতিবার দক্ষিণের সব জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি ও শুক্রবার উপকূল ও পশ্চিমের জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। শুক্রবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইবে। তবে সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গে হলুদ সতর্কতা জারি থাকলেও, তা সীমাবদ্ধ রয়েছে কেবল ৭ জেলায়।

    উত্তরের ৫ জেলায় হলুদ সতর্কতা

    অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের উপরের ৫ জেলায় আগামী ৫ দিন হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। যেখানে ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদায় হলুদ সতর্কতা রয়েছে।

  • Pak F-16: নীরব স্বীকারোক্তি? অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানের এফ-১৬ ধ্বংস নিয়ে প্রশ্নে এড়ালো আমেরিকা

    Pak F-16: নীরব স্বীকারোক্তি? অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানের এফ-১৬ ধ্বংস নিয়ে প্রশ্নে এড়ালো আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তান তাদের একটি এফ-১৬ (Pak F-16) যুদ্ধবিমান হারিয়েছে কিনা এই প্রশ্নে সম্পূর্ণ নীরব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ৭ মে থেকে ১০ মে পর্যন্ত চলা ৮৮ ঘণ্টার ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর তিন মাস কেটে গেলেও, এই প্রসঙ্গে মুখ খুলছে না ওয়াশিংটন। এ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন বিদেশ দফতর সংক্ষিপ্ত উত্তর দেয়, “এ বিষয়ে যা বলার পাকিস্তান সরকারই বলতে পারবে।”

    আমেরিকার কাছে তথ্য রয়েছে

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের এফ-১৬ (Pak F-16) ব্যবহার নিয়ে কঠোর চুক্তি রয়েছে। যার অধীনে মার্কিন “টেকনিক্যাল সাপোর্ট টিম” সব সময় পাকিস্তানে থাকে। এই দল পাক এফ-১৬ (F-16) বিমানের অবস্থান, সংখ্যা এবং কার্যক্ষমতা সবসময় নজরদারিতে রাখে। এর ফলে আমেরিকার কাছে প্রতিটি বিমানের তথ্য থাকে। ২০১৯ সালে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর ভারতের এফ-১৬ (F-16) ভূপাতিত করার দাবিকে আমেরিকা সরাসরি অস্বীকার করেছিল। তবে এবার, অপারেশন সিঁদুরের তিন মাস পর, এ নিয়ে ভারতের দাবিকে সরাসরি খন্ডন করেনি আমেরিকা।

    কেন কিছু বলছে না আমেরিকা

    সম্প্রতি, ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং এক বিবৃতিতে বলেন, “শাহবাজ জ্যাকোবাবাদ বিমানঘাঁটি ছিল আমাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু। ওখানে একটি এফ-১৬ (Pak F-16) হ্যাঙ্গার ছিল, যার অর্ধেক ধ্বংস হয়েছে। আমি নিশ্চিত, সেখানে কিছু বিমান থাকতেই পারে।” ভারতের বায়ুসেনা (IAF) দাবি করছে, এই যুদ্ধে তারা ছয়টি পাকিস্তানি বিমান গুলি করে নামিয়েছে — যার মধ্যে পাঁচটি যুদ্ধবিমান এবং একটি বড় ইলেকট্রনিক বিমান রয়েছে। পাকিস্তান অবশ্য এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেছে। তবে পেন্টাগন ও মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের মুখপাত্রদের কাছে এই বিষয়ে প্রশ্ন পাঠানো হলেও কোনও জবাব মেলেনি। ফলে এখনও পর্যন্ত, অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তান আদৌ এফ-১৬ (F-16) হারিয়েছে কিনা — সেটি নিশ্চিত নয়। তবে, আমেরিকার কাছে সমস্ত তথ্য থাকার কথা, কিন্তু তারা এই নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলছে না। এ থেকে কূটনৈতিক মহলের অনুমান, পরোক্ষে চুপ থেকে ভারতের দাবিকে মৌন সম্মতি জানাচ্ছে ওয়াশিংটন।

  • Janmashtami 2025: ১৫ না ১৬ তারিখ, এ বছর ঠিক কবে পড়েছে জন্মাষ্টমী? কী বলছে পঞ্জিকা?

    Janmashtami 2025: ১৫ না ১৬ তারিখ, এ বছর ঠিক কবে পড়েছে জন্মাষ্টমী? কী বলছে পঞ্জিকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে পালিত উৎসবগুলির মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হল জন্মাষ্টমী। শ্রীকৃষ্ণের জন্ম তিথিতেই দেশজুড়ে পালন করা হয় জন্মাষ্টমী (Janmashtami)। এটি হিন্দু ধর্মের কাছে খুবই পূণ্যের তিথি। এই শুভ তিথিতে শ্রীবিষ্ণুর অষ্টম অবতার হিসাবে শ্রীকৃষ্ণকে পুজো করা হয়। বাসুদেব ও দেবকীর অষ্টম সন্তান এবং বিষ্ণুর অষ্টম অবতার কৃষ্ণ কংসের কারাগৃহে জন্ম হয়। ভাদ্রপদ মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে (Janmashtami 2025 Tithi) ও রোহিণী নক্ষত্রে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল। প্রতি বছর এই তিথিতে কৃষ্ণের ছোটবেলার রূপ, ননীগোপালের পুজো করা হয়। জন্মাষ্টমীর অপর নাম কৃষ্ণাষ্টমী, গোকুলাষ্টমী, অষ্টমী রোহিণী, শ্রীকৃষ্ণজয়ন্তী। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, এ বছরটি শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫১তম জন্মদিন।

    কবে কখন পড়ছে তিথি? কী বলছে বিভিন্ন মত?

    চলতি বছর, জন্মাষ্টমী ১৬ অগাস্ট। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্তমতে জন্মাষ্টমীর অষ্টমী তিথি আরম্ভ হচ্ছে শুক্রবার ১৫ অগাস্ট। সেদিন রাত ১১টা ৫১ মিনিটে এই তিথি শুরু হবে। আর অষ্টমী তিথি শেষ হবে শনিবার ১৬ অগাস্ট। সেদিন রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে তিথি শেষ হবে। অন্যদিকে, গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকামতে শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর অষ্টমী তিথি আরম্ভ হচ্ছে, শুক্রবার ১৫ অগাস্ট। সেদিন (গভীর) রাত ১টা ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডে জন্মাষ্টমীর অষ্টমী তিথি শুরু হবে। অষ্টমী তিথি শেষ হবে শনিবার। পঞ্জিকা বলছে, সেদিন রাত ১০টা ৪৮ মিনিট ৩ সেকেন্ডে অষ্টমী তিথি শেষ হচ্ছে।

    তবে, উপবাস তিথিটি পড়েছে ১৫ থেকে ১৬ অগাস্টের মধ্যে। নিশীথপুজোর সময়টা হল– ১৬ অগাস্ট রাত ১২টা ০১ মিনিট থেকে ১২টা ৪৬ মিনিট। রোহিণী নক্ষত্রে অষ্টমী তিথি শেষ হলে তবেই উপবাসভঙ্গ করার বিধি। ব্রহ্ম মুহূর্ত পড়ছে ভোর ৪টে ২৪ মিনিট থেকে ভোর ৫টা ০৭ মিনিট পর্যন্ত। স্মার্ত ও বৈষ্ণব ঐতিহ্যে জন্মাষ্টমী দুদিন মানা হয়। ইসকন-ই এখন বলতে গেলে বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বে। তারা ১৬ অগাস্ট দিনটিকেই জন্মাষ্টমীর মূলতিথি হিসেবে ধরছে। অন্যদিকে, ১৫ অগাস্ট স্মার্ত সম্প্রদায় পালন করবে জন্মাষ্টমী। এই সম্প্রদায় রোহিনী নক্ষত্র অনুসারে তাঁদের জন্মাষ্টমী তিথি পালন করে থাকে। এই সম্প্রদায় নিশীথকালকেই অগ্রাধিকার দেয়। অষ্টমীতিথিটা কতক্ষণ থাকছে– এটাই তাঁদের কাছে সব জরুরি। জ্যোতিষশাস্ত্রের গ্রহনক্ষত্র দিন-তিথি অনুযায়ী কখন এই মহাপুণ্যমুহূর্ত আসছে, সেটা দেখেই তারা জন্মাষ্টমী পালন করে।

    ১৭ তারিখ পালিত হবে নন্দোৎসব

    জন্মাষ্টমীর পরের দিন, অর্থাৎ ১৭ অগাস্ট পালিত হবে নন্দোৎসব। এটি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মোৎসবের আনন্দ উদযাপন করে, যেখানে নন্দ মহারাজ (কৃষ্ণের পালক পিতা) তার পুত্রের জন্ম উপলক্ষে এই উৎসব পালন করেন। নন্দোৎসব, যা নন্দনন্দন উৎসব নামেও পরিচিত, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের নবমী তিথিতে অনুষ্ঠিত হয়। এদিন, ভক্তরা নন্দ মহারাজ এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পুজো করে এবং তাদের প্রতি ভক্তি জানায়। নন্দোৎসব ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মোৎসবের আনন্দ ও উল্লাসের উদযাপন। এই দিনে, ভক্তরা নন্দ মহারাজ এবং শ্রীকৃষ্ণের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। এটি ভক্তদের মধ্যে আনন্দ, প্রেম এবং ভক্তির বার্তা ছড়িয়ে দেয়। এই উৎসবটি বৃন্দাবনের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই বিশেষ দিনে কৃষ্ণের প্রিয় ভোগ নিবেদন করা হয়। অনেক বাড়িতে জন্মাষ্টমীর থেকেও বেশি বড় করে নন্দোৎসব পালন করা হয়।

LinkedIn
Share