Tag: bangla news

bangla news

  • Post Poll Violence: নবান্নে বিজেপির সরকার, ভাবমূর্তি নষ্ট করতে বঙ্গে হিংসা চালিয়ে যাচ্ছে হেরো পার্টি তৃণমূল!

    Post Poll Violence: নবান্নে বিজেপির সরকার, ভাবমূর্তি নষ্ট করতে বঙ্গে হিংসা চালিয়ে যাচ্ছে হেরো পার্টি তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবাসী ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে (Post Poll Violence)! পরাজয়ের গ্লানি মেনে নিতে পারেনি দলের সর্বময় কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড কোং (TMC)! অভিযোগ, এহেন আবহে দিব্যি বাংলায় নির্বাচনোত্তর হিংসা চালিয়ে যাচ্ছে মমতার সাধের তৃণমূল। মমতার হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়ে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর অরাজকতা ও সংঘর্ষ সৃষ্টি করতে তৃণমূল গুন্ডা-বদমায়েশদের মাঠে নামিয়েছে বলে অভিযোগ। গোহারা হেরে গিয়েও পদত্যাগ করতে অস্বীকার করেছিলেন মমতা। তাঁর দেখাদেখি লাফাতে থাকে তৃণমূলের গুন্ডারা। অভিযোগ, তারা বিজেপি কর্মীদের হত্যা, সম্পত্তি ধ্বংস এবং সাধারণ মানুষকে হিংসার মাধ্যমে ভয় দেখাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, ৪ মে থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা এমন ঘটনার তালিকা।

    বিজেপির ওপর হামলা (Post Poll Violence)

    ৪ মে, সোমবার রাতে, হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর এলাকায় বছর পঁয়তাল্লিশের বিজেপি কর্মী যাদব বরকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ। বিজেপির জয় উদযাপন শুরুর কিছুক্ষণ পরেই ঘটে এই ঘটনা। পরিবারের সদস্যদের দাবি, যাদব অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে রং খেলতে বাইরে বেরিয়েছিলেন। বাড়ি ফিরে কিছুক্ষণ পরে কাছাকাছি একটি পুকুরে স্নান করতে যান। সেই সময় একদল লোক তাঁর ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ, তাঁর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালায়। উদয়নারায়ণপুর হাসপাতালে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন যাদবকে। এদিন রাতে উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙা বিধানসভা এলাকায় বিজেপি সমর্থক মদন মোড়লের বাড়িতে তৃণমূল মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। মদন বলেন, “আমরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছি। তাই গভীর রাতে তৃণমূলের ৪০-৫০ জন দুষ্কৃতী এসে আমাদের বাড়ি ভাঙচুর করে, আমাদের মারধরও করে। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। আমি খুব ভয়ে ভয়ে আছি।”

    টালিগঞ্জের পেট্রোল পাম্পে হামলা

    এদিনই, কলকাতার টালিগঞ্জ এলাকার একটি পেট্রোল পাম্পের মালিক শালিনী সেন অভিযোগ করেন, তৃণমূল আশ্রিত ৩০-৪০ জন দুষ্কৃতী তাঁর পাম্পে গিয়ে থ্রেট করে। তিনি বলেন, “ওরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এসে আমার ম্যানেজারকে হুমকি দেয়। বলে ১০ মিনিটের মধ্যে ট্যাঙ্কার সরাতে হবে, না হলে অশান্তি করবে।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ শেষমেশ নির্ভয়ে বাঁচার সুযোগ পাচ্ছেন (Post Poll Violence)।

    বিজেপি নেতাকে পিটিয়ে খুন

    ৫ মে, মঙ্গলবার নিউ টাউনের বালিগুড়ি এলাকায় বিজয় মিছিলে যাওয়ায় বিজেপি নেতা মধু মণ্ডলকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ। তাঁর দেহ কাদায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই ঘটনায় পুলিশ তৃণমূল নেতা কমল মণ্ডল ও তার ৪ সহযোগীকে গ্রেফতার করে (TMC)। রাজারহাট-নিউ টাউন বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিজেপির পীযূষ কানৌডিয়া বলেন, “আমি বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছি, চার ঘণ্টাও হয়নি। আর আমাকেই মালা দিতে হচ্ছে আমার ভাইয়ের মৃতদেহে! আমি পুলিশকে বলেছি, যারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, তাদের কাউকে যেন রেহাই না দেওয়া হয়।” এদিনই দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে বছর ছেষট্টির বিজেপি কর্মী জগদীশ বসাক ও তাঁর ছেলে জয়ন্ত আক্রান্ত হন। অভিযোগ, তাঁর নাতি বিজেপির জয় উদযাপন করে বাজি ফাটায়, স্লোগান দেয় ‘জয় শ্রীরাম’। এরপর তৃণমূলের লোকজন তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। জগদীশের মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়, গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় জয়ন্তকে। ৯ মে মৃত্যু হয় জগদীশের (Post Poll Violence)।

    তৃণমূলের হামলা অন্যত্রও

    ৬ মে, বুধবার বিজেপি নেতা (বর্তমানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী) শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন করা হয় উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে। একটি কালো স্করপিও গাড়িতে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি (TMC)। দুই বাইক আরোহী তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি লাগে চন্দ্রনাথের মাথা, বুক ও পেটে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। গুলির ঘায়ে গুরুতর জখম হন চন্দ্রনাথের গাড়ির চালক বুদ্ধদেব বেরা। তদন্তের জন্য গঠন করা হয়েছে সিট(SIT)। এদিনই বসিরহাটে বিজেপি কর্মী রোহিত রায়কে লক্ষ্য করে তৃণমূল কর্মীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ। বিজেপির জয় উদযাপন করতে তিনি এলাকায় টাঙাচ্ছিলেন দলীয় ঝান্ডা। সেই সময় ৮-১০ জন তৃণমূল কর্মী তাঁকে ঘিরে ধরে। তাদের মধ্যে থেকে কয়েকজন গুলি চালায়। বসিরহাট স্টেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোহিত। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক হলেও, স্থিতিশীল। এই দিনই উত্তর ২৪ পরগনার বরানগরে বিজেপির বুথ সভাপতি সোমনাথ ধরের ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালানো হয়। জখম হন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও। পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূলের রঞ্জিত ধর ও শুভঙ্কর ধর দীর্ঘদিন ধরে তাঁর পৈতৃক বাড়ি দখল করার চেষ্টা করছিল (TMC)। সম্পত্তি ছাড়তে অস্বীকার করায় হামলা চালানো হয় (Post Poll Violence)।

    ছোড়া হল তাজা বোমা 

    এদিনই উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে তাজা বোমা ছোড়া হয়। ওই ঘটনায় ৫ জন গুরুতর জখম হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাইকে চড়ে কয়েকজন এসে ৩টি বোমা ছুড়ে পালিয়ে যায়। আহতদের আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিনই সন্দেশখালির বামনঘেরিয়া এলাকায় টহলদারি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ওপরও হামলা হয়। দুষ্কৃতীরা গুলি চালালে জখম হন পুলিশ আধিকারিক ভারত পুরকায়েত, ভাস্বত গোস্বামী, এক মহিলা পুলিশ অফিসার এবং ২ সিআরপিএফ জওয়ান। তাঁদের কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ৭ মে, হাওড়ার শিবপুর এলাকায় তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী শামিম আহমেদের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। ভিডিও ফুটেজে দেখা (TMC) গিয়েছে, হামলাকারীরা ৭-১৫টি তাজা বোমা ছোড়ে, গুলি চালায় ৭-৮ রাউন্ড। তাদের টার্গেট ছিলেন বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি মনোজ খান। ওই ঘটনায় জখম হন বিজেপি নেতা মুন্না খান এবং সিকন্দর খানও (Post Poll Violence)।

     

  • Ramakrishna 646: “কি বৈরাগ্য! কিন্তু এ-দিকে ব্যাসদেবের আচরণ দেখুন, — শুকদেবকে বারণ করে বললেন, পুত্র! সংসারে থেকে ধর্ম কর!”

    Ramakrishna 646: “কি বৈরাগ্য! কিন্তু এ-দিকে ব্যাসদেবের আচরণ দেখুন, — শুকদেবকে বারণ করে বললেন, পুত্র! সংসারে থেকে ধর্ম কর!”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ৯ই এপ্রিল

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কাশীপুরের বাগানে নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে
    বুদ্ধদেব ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    নরেন্দ্র — আজ্ঞে হাঁ। এদের তিন শ্রেণী আছে, — বুদ্ধ, অর্হৎ আর বোধিসত্ত্ব।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — এ তাঁরই খেলা, — নূতন একটা লীলা।

    “নাস্তিক কেন হতে যাবে! যেখানে স্বরূপকে বোধ হয়, সেখানে অস্তি-নাস্তির মধ্যের অবস্থা।”

    নরেন্দ্র (মাস্টারের প্রতি) — যে অবস্থায় contradictions meet, যে হাইড্রোজেন আর অক্সিজেন-এ শীতল জল তৈয়ার হয়, সেই হাইড্রোজেন আর অক্সিজেন দিয়ে Oxyhydrogen-blowpipe (জ্বলন্ত অত্যুষ্ণ অগ্নিশিখা) উৎপন্ন হয়।

    “যে অবস্থায় কর্ম, কর্মত্যাগ দুইই সম্ভবে, অর্থাৎ নিষ্কাম কর্ম (Kathamrita)।

    “যারা সংসারী, ইন্দ্রিয়ের বিষয় নিয়ে রয়েছে, তারা বলেছে, সব ‘অস্তি’; আবার মায়াবাদীরা বলছে, — ‘নাস্তি’; বুদ্ধের অবস্থা এই ‘অস্তি’ ‘নাস্তির’ পরে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ — এ অস্তি নাস্তি প্রকৃতির গুণ। যেখানে ঠিক ঠিক সেখানে অস্তি নাস্তি ছাড়া।

    ভক্তেরা কিয়ৎক্ষণ সকলে চুপ করিয়া আছেন। ঠাকুর আবার কথা কহিতেছেন।

    বুদ্ধদেবের দয়া ও বৈরাগ্য ও নরেন্দ্র 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নরেন্দ্রের প্রতি) — ওদের (বুদ্ধদেবের) কি মত?

    নরেন্দ্র (Ramakrishna)— ঈশ্বর আছেন, কি, না আছেন, এ-সব কথা বুদ্ধ বলতেন (Kathamrita) না। তবে দয়া নিয়ে ছিলেন।

    “একটা বাজ পক্ষী শিকারকে ধরে তাকে খেতে যাচ্ছিল, বুদ্ধ শিকারটির প্রাণ বাঁচাবার জন্য নিজের গায়ের মাংস তাকে দিয়েছিলেন।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ চুপ করিয়া আছেন। নরেন্দ্র উৎসাহের সহিত বুদ্ধদেবের কথা আরও বলিতেছেন।

    নরেন্দ্র — কি বৈরাগ্য! রাজার ছেলে হয়ে সব ত্যাগ করলে! যাদের কিছু নাই — কোনও ঐশ্বর্য নাই, তারা আর কি ত্যাগ করবে।

    “যখন বুদ্ধ হয়ে নির্বাণলাভ করে বাড়িতে একবার এলেন, তখন স্ত্রীকে, ছেলেকে — রাজ বংশের অনেককে — বৈরাগ্য অবলম্বন করতে বললেন। কি বৈরাগ্য! কিন্তু এ-দিকে ব্যাসদেবের আচরণ দেখুন, — শুকদেবকে বারণ করে বললেন, পুত্র! সংসারে থেকে ধর্ম কর!”

    ঠাকুর চুপ করিয়া আছেন। এখনও কোন কথা বলিতেছেন (Kathamrita)  না।

    নরেন্দ্র — শক্তি-ফক্তি কিছু (বুদ্ধ) মানতেন না। — কেবল নির্বাণ। কি বৈরাগ্য! গাছতলায় তপস্যা করতে বসলেন, আর বললেন — ইহৈব শুষ্যতু মে শরীরম্‌! অর্থাৎ যদি নির্বাণলাভ না করি, তাহলে আমার শরীর এইখানে শুকিয়ে যাক — এই দৃঢ় প্রতিজ্ঞা!

    “শরীরই তো বদমাইস! — ওকে জব্দ না করলে কি কিছু! —”

    শশী — তবে যে তুমি বল, মাংস খেলে সত্ত্বগুণ হয়। — মাংস খাওয়া উচিত, এ-কথা তো বল।

  • Daily Horoscope 14 May 2026: কাজকর্মে একাধিক বাধার সম্মুখীন হবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 14 May 2026: কাজকর্মে একাধিক বাধার সম্মুখীন হবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) নিজের চিন্তাভাবনা উন্নত করুন।

    বৃষ

    ১) আজ ভালো ফল পাবেন।

    ২) আধিকারিকরা কাজের প্রশংসা করবে।

    ৩) কর্মশৈলীর দ্বারা বরিষ্ঠদের প্রভাবিত করতে সফল হবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি প্রতিকূল প্রমাণিত হবে।

    ২) কাজকর্মে একাধিক বাধার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) বন্ধু ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারেন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কর্মক্ষেত্রে উৎসাহের সঙ্গে কাজ করুন।

    ৩) নিজের কাজে অঢেল সাফল্য লাভ করতে পারবেন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) সতর্ক থাকুন।

    ৩) আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি প্রতিকূলতায় কাটবে।

    ২) ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক জীবনে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।

    ৩) ধৈর্য ধরে কাজ করুন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো কাটবে।

    ২) কাজে সফল হবেন।

    ৩) মেজাজ ভালো থাকবে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি আপনার জন্য ভালো।

    ২) কাজে সফল হবেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে উৎসাহের সঙ্গে কাজ করবেন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) ব্যবসায়ে নতুন প্রকল্পে লগ্নি করতে পারেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অশুভ পরিণাম নিয়ে আসছে।

    ২) অনিয়ন্ত্রিত কিছু ঘটনার মুখোমুখি হতে পারেন।

    ৩) নিজের কাজে সতর্ক থাকুন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো পরিণাম নিয়ে আসছে।

    ২) নিজের কার্যশৈলীর দ্বারা বরিষ্ঠদের প্রভাবিত করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) আধিকারিকরা আপনার কাজের প্রশংসা করবেন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) নতুন সম্ভাবনা আপনার সামনে প্রকাশিত হবে, তা স্বীকার করার জন্য প্রস্তুত থাকুন।

    ৩) নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য সময় ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • NEET UG 2026: নিট ইউজি ২০২৬-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য, জানুন বিশদে

    NEET UG 2026: নিট ইউজি ২০২৬-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট ইউজি ২০২৬ (NEET UG 2026)-এর কথিত প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ৩ মে, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) পরিচালিত এই পরীক্ষায় বসেছিলেন ২২ লাখেরও বেশি ছাত্রছাত্রী। “লিক-প্রুফ” পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, এনটিএ এমন একটি “গেস পেপার” রুখতে পারেনি, যার সঙ্গে আসল প্রশ্নপত্রের (Sikar Coaching Hub) অনেক মিল ছিল। পরীক্ষার কয়েকদিন আগেই হোয়াটস অ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে বিক্রি হচ্ছিল ওই গেস পেপার।

    “গেস পেপারে”ই কারিকুরি! (NEET UG 2026)

    কেলেঙ্কারির সূত্রপাত হয় তখন, যখন একটি হাতে লেখা “গেস পেপারে”র সঙ্গে আসল প্রশ্নপত্রের বিশেষ করে বায়োলজি ও কেমিস্ট্রির অংশের উল্লেখযোগ্য মিল দেখা যায়। প্রায় ৪১০টি প্রশ্ন-সহ একটি নোট, যার মধ্যে ২৮১টি প্রশ্নের সেট ছিল, তা হোয়াটস অ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে এবং কোচিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে রাজস্থানের সিকার ও উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে। সিবিআই তদন্তভার নেওয়ার আগে রাজস্থান পুলিশের এসওজি (SOG) দেখতে পায়, আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে গেস পেপারের ১২০–১৪০টি প্রশ্ন হুবহু এক। প্রায় ১৩৫টি প্রশ্ন মিলে যাওয়ায় মোট ৭২০ নম্বরের মধ্যে প্রায় ৬০০ নম্বর নিশ্চিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কারণ প্রতিটি প্রশ্নের মান ৪ নম্বর।

    কীভাবে ছড়াল প্রশ্নপত্র?

    প্রশ্ন হল, কীভাবে ছড়াল প্রশ্নপত্র? জানা গিয়েছে, “প্রাইভেট মাফিয়া” (Private Mafia) নামের হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে সদস্যপদ পেতে ৫,০০০ টাকা নেওয়া হত (NEET UG 2026)। সদস্যদের প্রশ্নপত্র শেয়ার করতে না বলা হলেও, সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভরকেন্দ্র হতে পারে মহারাষ্ট্রের নাসিক। পরে নাসিক পুলিশ শুবহম খৈরনার নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তাকে তুলে দেওয়া হয় সিবিআইয়ের হাতে। কে এই শুবহম খৈরনার? জানা গিয়েছে, সে ভোপালের এক বিএএমএসের ছাত্র। পুণে থেকে প্রশ্নপত্র জোগাড় করে হার্ড কপি থেকে হোয়াটসঅ্যাপে সফট কপি ছড়ায়। ১০ লাখে প্রশ্ন কিনে সে ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ। সে গুরগাঁও-সহ বিভিন্ন জায়গায় প্রশ্নপত্র পাঠায়। সেখান থেকেই তা ছড়িয়ে পড়ে রাজস্থান, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে (NEET UG 2026)। প্রসঙ্গত, রাজস্থানের সিকার (যা এখন “মিনি-কোটা” নামে পরিচিত) এই কাণ্ডের মূল কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। এখানে অসংখ্য নিট/জেইই (NEET/JEE) কোচিং সেন্টার, পিজি ও হস্টেল রয়েছে।

    এনটিএর ডিরেক্টরের দাবি

    তদন্তে জানা গিয়েছে, এমবিবিএস কাউন্সেলর রাকেশ মাণ্ডাওয়ারিয়া প্রশ্নপত্র বিক্রি করতেন ৩০,০০০ টাকায়। বিভিন্ন কোচিং নেটওয়ার্ক ও দালালরা এতে জড়িত ছিল। ২০২৪ সালের নিটে রেজাল্টেও সন্দেহের (Sikar Coaching Hub) কেন্দ্রে ছিল সিকার। ২০২৪ সালে ৬৫০-এর বেশি নম্বর পাওয়া পড়ুয়ার মধ্যে বিপুল সংখ্যক ছিল সিকার থেকে। ১৪৯ জন পরীক্ষার্থী ৭০০-এর বেশি নম্বর পেয়েছিল। এক ছাত্র পেয়েছিল পুরোপুরি ৭২০ নম্বরই। ১২ মে এনটিএ নিট ইউজি ২০২৬ পরীক্ষা বাতিল করে। জানিয়ে দেয়, ফের পরীক্ষা নেওয়া হবে (NEET UG 2026)।এনটিএর ডিরেক্টর অভিষেক সিং বলেন, “সম্পূর্ণ প্রশ্নপত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হয়নি।” তবে তিনি স্বীকার করেন যে কিছু প্রশ্ন আগে থেকেই সার্কুলেটিং গেস পেপারে ছিল, যা পরীক্ষার বৈধতাই নষ্ট করেছে।

    গুচ্ছের প্রশ্ন

    এর পরেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ফেডারেল অফ অল ইন্ডিয়া মেডিক্যাল অ্যাসোশিয়েশন। তাদের দাবি, এটিএকে পুনর্গঠন করতে হবে বা বদলে দিতে হবে, বিচারপতির তত্ত্বাবধানে নিতে হবে ফের পরীক্ষা, চালু করতে হবে কম্পিউটার-বেসড টেস্ট এবং প্রয়োগ করতে হবে ডিজিটাল লকিং সিস্টেম (NEET UG 2026)। প্রশ্ন হল, কীভাবে বাইলে এল প্রশ্নপত্র? ভেতরের কেউ জড়িত ছিল কি? প্রিন্টিং পর্যায় থেকেই কি ফাঁস হয়? কেন এখনও সিবিটি চালু করা হয়নি? কবে বন্ধ হবে প্রশ্নফাঁস–বাতিল–পুনঃপরীক্ষার চক্র (Sikar Coaching Hub)?

     

  • Union Cabinet: ‘সারফেস কয়লা/লিগনাইট গ্যাসিফিকেশন প্রকল্প প্রসার স্কিমে’ বরাদ্দ ৩৭,৫০০ কোটি টাকা

    Union Cabinet: ‘সারফেস কয়লা/লিগনাইট গ্যাসিফিকেশন প্রকল্প প্রসার স্কিমে’ বরাদ্দ ৩৭,৫০০ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট এবং হরমুজ প্রণালী অবরোধের জেরে বিশ্বজুড়ে ব্যাহত হয়েছে তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা। এমতাবস্থায় ভারতের জ্বালানি স্বনির্ভরতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Union Cabinet) বুধবার অনুমোদন করল ৩৭,৫০০ কোটি টাকার “সারফেস কয়লা/লিগনাইট গ্যাসিফিকেশন প্রকল্প প্রসার স্কিম”। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল ভারতের বিপুল পরিমাণ (Coal Lignite Gasification Scheme) কয়লা ও লিগনাইট ভান্ডার কাজে লাগিয়ে দেশীয়ভাবে সিনগ্যাস উৎপাদন বাড়ানো, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ মিলিয়ন টন কয়লার গ্যাসিফিকেশন করা এবং আমদানি করা এলএনজি, ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ও মিথানলের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো।

    এই স্কিমের সুবিধা (Union Cabinet)

    এই স্কিমের আওতায় নয়া সারফেস কয়লা ও লিগনাইট গ্যাসিফিকেশন প্রকল্পগুলিকে স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক নিলাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎসাহ দেওয়া হবে। প্ল্যান্ট ও যন্ত্রপাতির খরচের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য করা হবে। প্রকল্পের অগ্রগতির বিভিন্ন ধাপের সঙ্গে যুক্ত চারটি সমান কিস্তিতে এই সাহায্য দেওয়া হবে। অংশগ্রহণে ভারসাম্য বজায় রাখতে নির্দিষ্ট সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি প্রকল্পের জন্য সর্বোচ্চ ৫,০০০ কোটি টাকা, একটি পণ্যের জন্য (সিন্থেটিক ন্যাচারাল গ্যাস ও ইউরিয়া বাদে) ৯,০০০ কোটি টাকা এবং একটি কর্পোরেট গোষ্ঠীর জন্য ১২,০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত সাহায্য দেওয়া যাবে। সরকার “প্রোডাকশন অব সিনগ্যাস লিডিং টু কোল গ্যাসিফিকেশন” উপ-ক্ষেত্রের অধীনে নন-রেগুলেটেড সেক্টর লিংকেজ অকশন কাঠামোয় কয়লা সংযোগের মেয়াদ ৩০ বছর পর্যন্ত বাড়িয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত নিশ্চয়তা দেবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রযুক্তি-নিরপেক্ষ এবং দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    “আত্মনির্ভর ভারত”

    সরকার এই সিদ্ধান্তকে জ্বালানি ক্ষেত্রে “আত্মনির্ভর ভারতে”র দিকে একটি বড় পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেছে। ভারতের কাছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কয়লা ভান্ডার থাকলেও, বর্তমানে দেশটি তার এলএনজির ৫০ শতাংশের বেশি, প্রায় সমস্ত অ্যামোনিয়া এবং ৮০-৯০ শতাংশ মিথানল আমদানি করে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এই বিকল্পযোগ্য পণ্যগুলির মোট আমদানি ব্যয় প্রায় ২.৭৭ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। পশ্চিম এশিয়ার চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে মার্কিন-ইরান সংঘাতের ফলে এ বছরের শুরুতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়া, ভারতের এই দুর্বলতাকে স্পষ্টভাবে সামনে এনে দিয়েছে। এই অবরোধের জেরে বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপথে তেল ও এলএনজি বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশকে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। ফলে ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে বিকল্প সরবরাহের জন্য হিমশিম খেতে হয়েছে, অপরিশোধিত তেলের আমদানি ব্যয় (Union Cabinet) বেড়েছে এবং সার ও পেট্রোকেমিক্যাল কাঁচামালের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে কৃষক ও শিল্পক্ষেত্রের ওপর।

    কয়লাকে সিনগ্যাসে রূপান্তর

    দেশীয় কয়লাকে সিনগ্যাসে রূপান্তর করার মাধ্যমে, যা থেকে সিন্থেটিক ন্যাচারাল গ্যাস, ইউরিয়া, মিথানল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক উৎপাদন করা যায়, এই প্রকল্প অর্থনীতিকে ভবিষ্যতের এমনতর ধাক্কা থেকে সুরক্ষা দেবে। ভারতের কাছে প্রায় ৪০১ বিলিয়ন টন কয়লা এবং প্রায় ৪৭ বিলিয়ন টন লিগনাইট মজুত রয়েছে। তাই ভারত গ্যাসিফিকেশন আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে। সরকারের অনুমান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২.৫-৩ লাখ কোটি টাকার বেসরকারি বিনিয়োগ আসবে, কয়লাভিত্তিক অঞ্চলে প্রায় ৫০,০০০ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং ৭৫ মিলিয়ন টন কয়লার গ্যাসিফিকেশন থেকে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার বছরে প্রায় ৬,৩০০ কোটি টাকা আয় করবে। বাড়বে জিএসটি আদায়ের (Coal Lignite Gasification Scheme) পরিমাণও।

    ন্যাশনাল কোল গ্যাসিফিকেশন মিশন

    এই পদক্ষেপটি ২০২১ সালে চালু হওয়া ন্যাশনাল কোল গ্যাসিফিকেশন মিশন এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুমোদিত ৮,৫০০ কোটি টাকার পূর্ববর্তী স্কিমের ধারাবাহিকতা, যার অধীনে ইতিমধ্যেই আটটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসেছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে অত্যন্ত সীমিত থাকায় কমে গিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানি। নয়াদিল্লিকে রাশিয়া ও অন্যান্য দূরবর্তী দেশ থেকে পরিবহণ খরচ বাবদ বেশি টাকা খরচ করে তেল কিনতে হচ্ছে (Union Cabinet)।

    নয়া গ্যাসিফিকেশন কর্মসূচির সুবিধা

    নয়া গ্যাসিফিকেশন কর্মসূচি শুধু দীর্ঘমেয়াদে এই আমদানির বিকল্প তৈরি করবে না, বরং বিশ্ব জ্বালানি বাজারে ভারতের দরকষাকষির ক্ষমতাও বাড়াবে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা, আমদানি হ্রাস ও “মেক ইন ইন্ডিয়া” উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে। এই ঘোষণা এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে বৈদেশিক মুদ্রার অপচয় কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন (Coal Lignite Gasification Scheme)।

     

  • Pakistan: পাকিস্তানের ১৫,০০০ শ্রমিকের পাসপোর্টে ‘জেল খাটা’ ও ‘পলাতক’ তকমা, ফেরত পাঠাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত

    Pakistan: পাকিস্তানের ১৫,০০০ শ্রমিকের পাসপোর্টে ‘জেল খাটা’ ও ‘পলাতক’ তকমা, ফেরত পাঠাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) থেকে গণহারে পাকিস্তানি শ্রমিকদের ফেরত পাঠানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ এবং অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমে প্রায় ১৫,০০০ পাকিস্তানি (Pakistan) শ্রমিককে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে জানা গিয়েছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হল, এই শ্রমিকদের পাসপোর্টে ‘জেল খাটা’ (Jailed) এবং ‘পলাতক’ (Absconding)-এর মতো নেতিবাচক সিল মেরে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে ভবিষ্যতে তাঁদের অন্য কোনও দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই নিয়ে বিশ্বদরবারে পাকনাগরিকদের ফের আরও একবার মুখপুড়ল।

    ঘটনার নেপথ্যে আসিম মুনিরের ইরান নীতি(Pakistan)?

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গণ-ডিপোর্টেশনের পেছনে শুধুমাত্র প্রশাসনিক কারণ নেই, বরং এর গভীরে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ। পাকিস্তানের (Pakistan) সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সাম্প্রতিক ইরান নীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের (UAE) দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন এর অন্যতম কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরান ও পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    শ্রমিকদের ওপর প্রভাব

    যেসব শ্রমিকদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের অধিকাংশেরই অভিযোগ যে তাঁদের কোনও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। পাসপোর্টে ‘পলাতক’ বা ‘অপরাধী’ তকমা লাগিয়ে দেওয়ার ফলে এই বিশাল সংখ্যক মানুষ এখন কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। পাকিস্তানের (Pakistan) বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম উৎস হল রেমিট্যান্স, আর মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা এই অর্থ। এবার সেই অর্থ কমে গেলে পাকিস্তানের (UAE) নড়বড়ে অর্থনীতি আরও বড় সংকটের মুখে পড়বে।

    নিরাপত্তা ও আইনি জটিলতা

    সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিসার নিয়ম লঙ্ঘন এবং নিরাপত্তার কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান যেভাবে ইরানের সঙ্গে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বৃদ্ধি করছে, তার পাল্টা জবাব হিসেবেই আমিরাত এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের (UAE) দেশগুলো এখন পাকিস্তানের (Pakistan) ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে তাদের বিদেশ নীতি পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে।

    পাকিস্তান সরকারের নীরবতা

    এই বিশাল সংকটের মুখেও পাকিস্তান (Pakistan) সরকার বা সে দেশের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও জোরালো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। লক্ষাধিক শ্রমিকের ভবিষ্যৎ যখন অন্ধকারে, তখন সেনাপ্রধানের কৌশলগত অবস্থান পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের রুটিরুজিতে টান দিচ্ছে বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল (UAE)। এই পরিস্থিতি পাকিস্তান ও আরব বিশ্বের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর এক বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছ।

  • Prateek Yadavs Death: ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার কারণেই অখিলেশের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের মৃত্যু, জানাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

    Prateek Yadavs Death: ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার কারণেই অখিলেশের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের মৃত্যু, জানাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লখনউতে (Lucknow)সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত মুলায়ম সিং যাদবের ছোট ছেলে এবং অখিলেশ যাদবের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের (৩৮) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই মৃত্যুর (Prateek Yadavs Death) প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তে স্পষ্ট হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে তাঁর ফুসফুসের ধমনীতে বড় ধরনের রক্ত জমাট বাঁধার (Pulmonary Thromboembolism) ফলে হৃদযন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্র বিকল হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সপা নেতা অখিলেশের ভাইয়ের মত্যু নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    মৃত্যুর কারণ (Prateek Yadavs Death)

    চিকিৎসকদের মতে, একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘কার্ডিওরেসপিরেটরি কলাপ্স’ বলা হয়। ফুসফুসের রক্তনালীতে বড় কোনও বাধা বা রক্ত জমাট বাঁধার কারণে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে প্রতীকের (Prateek Yadavs Death) মুহূর্তের মধ্যে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং হৃদস্পন্দন থেমে যায়। এরপর মৃত্যু হয় প্রতীকের।

    অ্যান্টিমর্টেম ইনজুরি

    ময়নাতদন্তে প্রতীকের শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা মৃত্যুর আগের (Antemortem)। তবে সেই আঘাতগুলি কতটা গুরুতর বা মৃত্যুর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কি না, তা চূড়ান্ত ফরেনসিক পরীক্ষার পরই জানা যাবে।

    নমুনা সংরক্ষণ

    প্রতীকের হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুস থেকে পাওয়া জমাটবদ্ধ রক্ত বিশেষ রাসায়নিকের (Formalin) মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়েছে বিশদ পরীক্ষার (Histopathological Examination) জন্য। এছাড়া বিষক্রিয়া বা অন্য কোনও অভ্যন্তরীণ কারণ ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে ‘ভিসেরা’ (Viscera) নমুনাও ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

    ফিটনেস সচেতন ছিলেন

    বুধবার ভোরে লখনউতে (Lucknow) প্রতীকের শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হলে প্রতীককে (Prateek Yadavs Death) সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ফিটনেস সচেতন হিসেবে পরিচিত প্রতীকের এই আকস্মিক মৃত্যুতে উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে শাসক বিরোধীদের তকমায় রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলেও আপতত মৃত্যুর কারণে ময়নাতদন্তের রিপোর্টকেই সব পক্ষকে মান্যতা দিতে হবে।

  • Old Age Allowance: ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা! রাজ্যে বাড়ছে বার্ধক্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

    Old Age Allowance: ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা! রাজ্যে বাড়ছে বার্ধক্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্ধক্য ভাতার (Old Age Allowance) পরিমাণ বাড়িয়ে দিল রাজ্যের নতুন সরকার। নারী, শিশু ও সমাজ কল্যাণ দফতর সূত্রে খবর, বার্ধক্য ভাতা ১০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে রাজ্যে প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধি পাবে। তবে কবে থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শীঘ্রই সরকারের তরফে তা ঘোষণা করা হতে পারে। রাজ্যের নারী, শিশুকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর দফতরই বার্ধক্য এবং প্রতিবন্ধী ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত সব স্কুলে গরমের ছুটি বৃদ্ধি করা হল। জানানো হয়েছে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত সব স্কুল বন্ধ থাকবে। স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে স্কুলশিক্ষা দফতরের সচিবের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    বার্ধক্য ভাতা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর

    রাজ্যে বার্ধক্য ভাতা (Old Age Allowance) আগে থেকেই চালু ছিল। পূর্বতন সরকারের আমলে মহিলারা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পের অধীনে মাসে এক হাজার টাকা করে পেতেন। ভোটের আগে অর্থের পরিমাণ বাড়িয়ে করা হয় ১৫০০ টাকা। তফসিলি জাতি-জনজাতির মহিলাদের ক্ষেত্রে ভাতার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১৭০০ টাকা। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলারা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর সুবিধা পাবেন। যাঁদের ৬০ বছর পেরিয়ে যাবে, তাঁরা বার্ধক্য ভাতার আওতায় চলে আসবেন। ওই একই পরিমাণ টাকা বার্ধক্য ভাতা হিসাবে পাবেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে বিতর্ক ছিল। ভোটের মুখে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর অর্থবৃদ্ধি করা হলেও বার্ধক্য ভাতার কথা উল্লেখ করা হয়নি আলাদা করে। ওই বর্ধিত অর্থ ষাটোর্ধ্ব মহিলারা পাবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

    প্রতিবন্ধী ভাতাও বাড়ছে

    বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তারা ভোটের আগেই ঘোষণা করেছিল ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর কথা। ওই প্রকল্পের অধীনে মহিলাদের মাসিক ৩০০০ টাকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, চালু থাকা কোনও সরকারি প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হবে না। তবে মৃত বা অভারতীয়েরা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। তা যাচাই করে দেখা হবে। ১ জুন থেকেই ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর টাকা রাজ্যবাসী পেয়ে যাবেন বলে জানায় বিজেপি সরকার। এ বার বার্ধক্য ভাতা সংক্রান্ত বিভ্রান্তিও দূর করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে প্রতিবন্ধী ভাতাও।

  • Kazakhstan: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে কাজাখস্তান-নাইজেরিয়ার প্রতিনিধিরা

    Kazakhstan: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে কাজাখস্তান-নাইজেরিয়ার প্রতিনিধিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে পৌঁছলেন কাজাখস্তানের (Kazakhstan) প্রথম উপ-বিদেশমন্ত্রী ইয়েরঝান আশিকবায়েভ এবং নাইজেরিয়ার বিদেশমন্ত্রকের স্থায়ী সচিব দুনোমা উমর আহমেদ। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছন (Nigeria) তাঁরা। উল্লেখ্য, ১৪ থেকে ১৫ মে নয়াদিল্লিতে হবে ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক। ভারতের বিদেশমন্ত্রক এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে অতিথিদের স্বাগত জানিয়েছে। পোস্টে লেখা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা কাজাখস্তানের প্রথম উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মি ইয়েরঝান আশিকবায়েভকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।”

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের পোস্ট (Kazakhstan)

    অন্য এক পোস্টে লেখা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা নাইজেরিয়ার ফেডারেল রিপাবলিকের বিদেশমন্ত্রকের স্থায়ী সচিব রাষ্ট্রদূত দুনোমা উমর আহমেদকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত।” ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের এই বৈঠকে সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির শীর্ষ নেতা ও কূটনীতিকরা অংশ নেবেন। বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বহুপাক্ষিকতা, বৈশ্বিক প্রশাসনিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা-সহ গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। মঙ্গলবারই ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছন ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সুগিওনো। এক্স-এ পোস্ট করে বিদেশমন্ত্রক তাঁকেও ‘উষ্ণ অভ্যর্থনা’ জানিয়েছে। পোস্টে বলা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সুগিওনোকে আন্তরিক স্বাগত (Nigeria)।”

    বিশ্ব কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ভারত

    আগামী কয়েক দিনের জন্য ভারত বিশ্ব কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে। কারণ ব্রিকস সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীরা ১৪ ও ১৫ মে হতে চলা বৈঠকে যোগ দিতে আসছেন ভারতে। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও মঙ্গলবারই ভারতে এসেছেন। আজ, ১৩ মে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের বৈঠক করার কথা তাঁর। আলোচনায় ভারত-রাশিয়া সহযোগিতার অগ্রাধিকারের বিভিন্ন বিষয়গুলি উঠে আসবে (Kazakhstan)। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, দুই মন্ত্রী ডিসেম্বর ২০২৫-এ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফরের সময় হওয়া চুক্তিগুলির বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করবেন। রাশিয়ায় আসন্ন শীর্ষ বৈঠক এবং রুশ-ভারত আন্তঃসরকারি বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা কমিশনের পরবর্তী বৈঠকের প্রস্তুতিও আলোচ্যসূচিতে থাকবে।

    বহুপাক্ষিক জোটে নেতৃত্ব ভারতের

    ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচিরও এই বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে আসার কথা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ১৪ ও ১৫ মে নয়াদিল্লি আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি ২০২৬ সালের জন্য ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের একটি প্রধান অংশ, যা সম্প্রসারিত বহুপাক্ষিক জোটে ভারতের নেতৃত্বকে তুলে ধরছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসের সভাপতিত্ব গ্রহণ করে ভারত। ব্রাজিলের কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির দেশ। এর (Nigeria) আগে ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে ভারত প্রভাবশালী এই গোষ্ঠীর (ব্রিকস) শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল (Kazakhstan)।

     

     

  • RSS: “পরিবারই হল সেই পাঠশালা, যেখানে একজন শিশু প্রথম সামাজিক দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতার শিক্ষা পায়”, বললেন দত্তাত্রেয় হোসবলে

    RSS: “পরিবারই হল সেই পাঠশালা, যেখানে একজন শিশু প্রথম সামাজিক দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতার শিক্ষা পায়”, বললেন দত্তাত্রেয় হোসবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধুনিকতা বা প্রগতির নামে পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণ করতে গিয়ে আমরা যেন আমাদের নিজস্ব পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাকে বিসর্জন না দিই— এই ভাষাতেই দেশবাসীকে সতর্ক করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবলে (Dattatreya Hosabale)। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি ভারতীয় সমাজব্যবস্থায় পরিবারের গুরুত্ব এবং বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জগুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

    পরিবারই সংস্কৃতির রক্ষাকবচ (Dattatreya Hosabale)

    আরএসএস-এর সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় (Dattatreya Hosabale) হোসবলে তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করে বলেন, “ভারতীয় সভ্যতায় পরিবার শুধুমাত্র এক ছাদের তলায় বসবাসকারী কিছু মানুষের সমষ্টি নয়, বরং এটি একটি পবিত্র প্রতিষ্ঠান। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাবে বর্তমানে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ চরম আকার ধারণ করছে। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, পরিবারই হল সেই পাঠশালা যেখানে একজন শিশু প্রথম সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং নৈতিকতার শিক্ষা পায়।”

    আধুনিকতা বনাম পশ্চিমীকরণ

    হোসবলে (Dattatreya Hosabale) স্পষ্ট করে দেন যে, তিনি আধুনিকতার বিরোধী নন। তবে ‘আধুনিক হওয়া’ এবং ‘পাশ্চাত্যকরণ’—এই দুটির মধ্যে যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে, তা বোঝা জরুরি। তিনি বলেন, “বিজ্ঞানের অগ্রগতি এবং নতুন চিন্তাধারাকে গ্রহণ করা আধুনিকতা, কিন্তু নিজের শিকড় ভুলে বিজাতীয় জীবনধারা আপন করে নেওয়া যা পরিবারের ভাঙন ধরায়, তা কখনোই কাম্য নয়।”

    সামাজিক দায়িত্বের অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ

    বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু তা যেন সমাজ বা পরিবারের স্বার্থকে বিঘ্নিত না করে। সমাজ আজ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছে, যেখানে পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটলে গোটা সামাজিক কাঠামো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে পারে।”

    মূল্যবোধ ভিত্তিক শিক্ষার আহ্বান

    অনুষ্ঠানে তিনি (Dattatreya Hosabale) অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান যাতে তাঁরা সন্তানদের মধ্যে শৈশব থেকেই ভারতীয় কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করেন। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, সুস্থ সমাজ গঠনের মূল চাবিকাঠি নিহিত রয়েছে শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধনের মধ্যে।

    দত্তাত্রেয় হোসবলের (Dattatreya Hosabale) এই বার্তা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে বিশ্বায়নের যুগে ভারতীয় সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার যে চ্যালেঞ্জ, তার মোকাবিলায় তাঁর এই বক্তব্য নতুন দিশা দেখাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

LinkedIn
Share