Tag: bangla news

bangla news

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই ইডি-র সঙ্গে অসহযোগিতা করেছেন সুকন্যা, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই ইডি-র সঙ্গে অসহযোগিতা করেছেন সুকন্যা, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে অসহযোগিতা করেছিল অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। বৃহস্পতিবার কেষ্ট গড়ে একটি অরাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে একটি প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এর আগে সুকন্যার বাবা অনুব্রতকে ডুবিয়েছিলেন। একজন বিধায়ক, সাংসদ না হয়েও এই জেলার তাকে সম্রাট তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল। জেলাশাসক, পুলিশ সুপারদের কেষ্টর কথা শোনার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল। দুর্নীতির তদন্তে সুকন্যা সহযোগিতা করলে কেন্দ্রীয় এজেন্সি তাঁকে নিয়ে হয়তো ভাবনা চিন্তা করত। আসলে তিনি তা করেননি। তিনি বাবার কাছে থাকতে চেয়েছিলেন, তাঁর ইচ্ছা পূর্ণ হল। তবে, এটা বলতে পারি, সুকন্যার ফোনের কললিস্ট খতিয়ে দেখলে বোঝা যাবে, মুখ্যমন্ত্রী নিজে বা ফিরহাদ হাকিম, রানা সিংহ, বিকাশ রায়চৌধুরীকে দিয়ে হোক কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাছে না যাওয়ার জন্য সুকন্যাকে বলেছিলেন। নিজে তো ডুববেন, অন্যদের তিনি এভাবে ডুবিয়ে ছাড়বেন। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, বাবার পাপের ফল মেয়েকে ভুগতে হচ্ছে। আসলে দুর্নীতির জন্য মানিক ভট্টাচার্য এবং অনুব্রত মণ্ডলের গোটা পরিবার জেলে রয়েছেন। রাজ্যে এই ধরনের সংস্কৃতি নতুন। এই লজ্জা রাখার জায়গা নেই।

    সন্ন্যাসীর মৃত্যু নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    কয়েকদিন আগেই বীরভূমের সিউড়ির পুরন্দরপুরে বাহিরি কালীতলা এলাকায় ভুবন ব্রহ্মচারী নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পরে, ময়না তদন্তের রিপোর্টে ওই সন্ন্যাসী আত্মহত্যা করেছে বলে উল্লেখ রয়েছে। যদিও গ্রামবাসীরা ওই সন্ন্যাসী আত্মহত্যা করেছে বলে মানতে নারাজ। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের একাধিক মঠের মহারাজ, সন্ন্যাসীরা বৃহস্পতিবার হাজির হন। প্রতিবাদ মিছিল করেন। সেই কর্মসূচিতে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সামিল হয়েছিলেন। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, যে ভাবে তাঁর দেহ ঝুলছিল তাতে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে মনে হয় না। আমরা তাঁর ওই মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি। এদিন একজন সনাতনী হিসেবে ওই সন্ন্যাসীকে শ্রদ্ধা জানাতেই এখানে হাজির হয়েছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Anubrata Mondal: সুকন্যা গ্রেফতার হতেই জামিনের জন্য কাকুতিমিনতি অনুব্রতর

    Anubrata Mondal: সুকন্যা গ্রেফতার হতেই জামিনের জন্য কাকুতিমিনতি অনুব্রতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসাধিককাল তিহাড় জেলে বন্দি রয়েছেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। গরু পাচার কেলেঙ্কারিতে অন্যতম অভিযুক্ত তিনি। তাঁকে গ্রেফতার করে দিল্লি নিয়ে যায় ইডি (ED)। কিন্তু আসানসোল আদালতে এখনও চলছে তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া সিবিআইয়ের মামলা। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় আসানসোল আদালতে ভার্চুয়ালি পেশ করা হয়েছিল অনুব্রতকে। পেশ করা হয়েছিল তাঁর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকেও। বুধবার সন্ধ্যায় ইডি গ্রেফতার করে কেষ্ট-কন্যাকে। তার পর এদিন শুনানির সময় কার্যত ভেঙে পড়েন অনুব্রত। ভার্চুয়াল শুনানিতে জামিনের জন্য বিচারকের কাছে কাকুতিমিনতি করেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি। সিবিআইয়ের মামলা থেকে অব্যাহতিও চেয়েছেন তিনি।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) বলেন…

    এদিন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসা করেন, অনুব্রতবাবু, কেমন আছেন? অনুব্রত বলেন, শরীর ভাল নেই। অনেক সমস্যাও রয়েছে। বিচারকের প্রশ্ন, আপনি যে আসানসোল জেলে ফেরার আবেদন করেছিলেন দিল্লি হাইকোর্টে, তার স্ট্যাটাস কী?  অনুব্রত বলেন, স্যার, এখনও সেটা চলছে। আমাকে আসানসোল জেলে ফেরত চেয়ে নিন। বিচারক বলেন, ওটা তো হাইকোর্টের বিষয়। আমার হাতে নেই। বিচারক ফের প্রশ্ন করেন, এমনি কেমন আছেন? অনুব্রতর (Anubrata Mondal) সংক্ষিপ্ত উত্তর, ঠিক আছি। পরে অনুব্রত বলেন, সিবিআই মামলায় এবার আমায় বেল দিয়ে দিন। ওটা ফলস কেস। বিচারক বলেন, আমরা সরকারি লোকজন। কাগজপত্র, ডকুমেন্ট সব দেখেই বিচার করতে হয়। আমি কী জানি, সেটা বড় কথা নয়। আর আপনার মামলা তো দিল্লি হাইকোর্টে রয়েছে। সেটা কী হল জেনে আসানসোল জেলে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত হবে।  

    আরও পড়ুুন: অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে তিন দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    বিচারক এও বলেন, তিহাড় জেলে কেমন (Anubrata Mondal) আছেন? যদি কোনও অসুবিধা হয় জেল সুপারকে জানাবেন। ওখানে পরিবেশ তো একটু আলাদা। কোনওরকম দ্বিধা-সংকোচ করবেন না। তিনি জানান, সিবিআই সমস্ত নথির কপি অনুব্রতর আইনজীবীর হাতে দিয়ে দিয়েছেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ মে।

    এদিকে, এদিনই সুকন্যাকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে পেশ করবে ইডি। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার দাবি, আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল ছিলেন সুকন্যা। আর্থিক লেনদেনে সরাসরি যুক্তও ছিলেন তিনি। ইডির দাবি, তদন্তে দেড়শো-দুশো ব্যাঙ্কে নগদ জমার রশিদ মেলে। টাকার অঙ্ক ১০ কোটিও বেশি। ওই টাকা নগদে জমা পড়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manoj Pande: সাইবার যুদ্ধে চিন-পাকিস্তানের মোকাবিলা করতে নতুন ইউনিট গঠন ভারতীয় সেনার

    Manoj Pande: সাইবার যুদ্ধে চিন-পাকিস্তানের মোকাবিলা করতে নতুন ইউনিট গঠন ভারতীয় সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাহিনীর একটি নয়া ইউনিট খুলতে চলেছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)। মোদি জমানায় ভারতকে হাতে মারতে না পেরে সাইবার ওয়ারফেয়ারে টক্কর দিতে চাইছে চিন (China) ও পাকিস্তান (Pakistan)। এমতাবস্থায় এই দুই শত্রু দেশের মোকাবিলা করতে প্রয়োজন ছিল নয়া ইউনিটের। সেই ইউনিটই খুলতে চলেছে ভারতীয় সেনা। চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হয় আর্মি কমান্ডারর্স কনফারেন্স। উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে (Manoj Pande)। সেই কনফারন্সেই সিদ্ধান্ত হয়েছে নয়া ইউনিট খোলার ব্যাপারে।

    কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের প্রয়োজন…

    সরকারি সূত্রে খবর, কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক যাতে ভেঙে না পড়ে, সেজন্য ভারতীয় সেনায় কমান্ড সাইবার অপারেশনস অ্যান্ড সাপোর্ট উইংস খোলা হচ্ছে। ওই সূত্র জানায়, বর্তমানে সেনায় সাইবার স্পেশ দিন দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। যুদ্ধক্ষেত্রেও এর প্রয়োজন রয়েছে। স্পেশালিস্ট ইউনিটের ওপর আলোকপাত এবং প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ওই সূত্র জানিয়েছে, আমাদের শত্রু দেশগুলি সাইবার ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি করেছে। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে গেলে এই ইউনিট খোলা খুবই প্রয়োজন। ভারতীয় সেনা দ্রুত নেট নির্ভর হয়ে পড়ছে। সেই কারণেই সব ক্ষেত্রেই আমাদের কমিউনিকেশন সিস্টেমের ব্যাপক উন্নতি ঘটাতে হবে। এই সূত্রই জানিয়েছে, এই নয়া ইউনিট ভারতীয় সেনার সাইবার সিকিউরিটি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

    আরও পড়ুুন: রামনবমী কাণ্ডে তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যেতেই মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দু-সুকান্তর

    এই কনফারেন্সে ভারতীয় সেনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে (Manoj Pande) দেখা হয়। অপারেশনাল প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখা হয়। অগ্নিপথ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কেও আলোচনা হয় এই কনফারেন্সে। কয়েকটি ক্ষেত্রে সমন্বয় সাধনের প্রয়োজন রয়েছে বলেও চিহ্নিত করেছেন সেনার শীর্ষ কর্তারা। সে সম্পর্কেও আলোচনা হয়। বাহিনীর কল্যাণ সাধনেও বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কমান্ড সাইবার অপারেশসন অ্যান্ড সাপোর্ট উইংস নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাহিনীর পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাহিনীর জওয়ানদের কল্যাণেও নানা (Manoj Pande) আলোচনা হয়। যেসব সন্তান বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তাঁদের সেনা জওয়ান বাবা যদি শহিদ হন, তবে তাঁদের প্রাপ্য দ্বিগুণ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: শুক্রবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি, কেন?

    BJP: শুক্রবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় চাপ বাড়াচ্ছে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবারই রায়গঞ্জ হাসপাতালে বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী মৃত যুবকের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে এবং পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবিতে রায়গঞ্জ শহরের শিলিগুড়ি মোড় এলাকায় অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি নেতৃত্ব।  রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী, বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার সহ বিজেপি নেতৃত্বরা এই অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সামিল হন। গুলিকাণ্ডে অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার সহ কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি-র কঠোরতম শাস্তির দাবি তুলেছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন দিনভর অবস্থান বিক্ষোভ করা হয়। বিকেলের (BJP) পর বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, কালিয়াগঞ্জে ছাত্রীর মৃত্যুর উপযুক্ত তদন্ত এবং পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর প্রতিবাদে শুক্রবার ১২ ঘণ্টা উত্তরবঙ্গ বনধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বনধ সফল করার জন্য উত্তরবঙ্গবাসীর কাছে আমরা আবেদন জানাচ্ছি।

    পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যু নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    বৃহস্পতিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একটি অরাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে বীরভূমে যান। সেখানে কালিয়াগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজবংশী, নমশূদ্র এবং পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের ওপর বারে বারে এই ধরনের আক্রমণ হচ্ছে। এটা নিন্দার কোনও ভাষা নেই। কালিয়াগঞ্জ থানায় তাণ্ডবের পর মুখ্যমন্ত্রী দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। তারপরই ওদের রেজিস্ট্রার গুন্ডা পুলিশ এই কাজ করেছে। যে অভিযোগে বিজেপি-র (BJP) সদস্য বিষ্ণু বর্মনকে গ্রেফতার করতে গিয়েছিল পুলিশ, সে সেদিন থানার ওই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ছিল না। তৃণমূলের উপ প্রধানই সে কথা সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেছেন। এটা নিন্দনীয় ঘটনা। বিজেপি (BJP) এর বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও তীব্রতর করবে। আর রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সার্বিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার। এনআইএ তদন্ত হলে ভাল হয়। আর দলীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিষ্ণু বর্মনের যেখানে বাড়়ি, সেখানে কাঁটাতার পেরিয়ে যেতে হয়। পুলিশ বিএসএফের অনুমতি নিয়ে সেখানে গিয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Badrinath: খুলে গেল বদ্রীনাথ মন্দিরের দরজাও, শুরু চার ধাম যাত্রা

    Badrinath: খুলে গেল বদ্রীনাথ মন্দিরের দরজাও, শুরু চার ধাম যাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সাত সকালে ভক্তদের জন্য খুলে গেল চার ধামের শেষ ধাম বদ্রীনাথ (Badrinath) মন্দিরের দরজা। এর আগেই খুলেছিল গঙ্গোত্রী, যমুনেত্রীর মন্দিরের দরজা। অক্ষয় তৃতীয়ার পরের দিন ভক্তদের জন্য খুলে গিয়েছিল কেদারনাথের দরজাও। এবার খুলল বদ্রীনাথের দরজাও। এদিন সকাল ৭টা ১০ মিনিট নাগাদ বৈদিক (Vedic) মন্ত্রোচ্চারণ ও পুষ্পবৃষ্টির মধ্যে খোলা হল মন্দিরের (Temple) দ্বার। সেই সঙ্গে এদিন থেকেই শুরু হয়ে গেল চলতি বছরের চার ধাম যাত্রাও।

    বদ্রীনাথে (Badrinath) ব্যাপক ভিড়…

    বুধবার থেকে প্রবল তুষারপাত হচ্ছিল বদ্রীনাথে। সেসব উপেক্ষা করেই শুভ মুহূর্তের সাক্ষী হতে মন্দির চত্বরে ভিড় করেন হাজার হাজার ভক্ত। জয় বদ্রী বিশাল ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে মন্দির চত্বর। এদিন দর্শনার্থীদের জন্য মন্দির খোলার আগে প্রায় ১৫ ক্যুইন্টাল ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল মন্দির। ভক্তদের পাশাপাশি এদিন মন্দির চত্বরে ভিড় করেছিলেন আইটিবিপি ব্যান্ডের সদস্যরা। অংশ নিয়েছিলেন গাড়ওয়াল স্কাউটসও। এদিন দরজা (Badrinath) খোলার আগেই আভিমুক্তেশ্বরানন্দ মন্দিরে পৌঁছে গিয়েছিলেন শঙ্করাচার্য। শুভ মুহূর্তে খোলে মন্দিরের দ্বার। প্রতি বছরের মতো এবারও প্রথম পুজো হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামে। হয় আরতিও।

    জানা গিয়েছে, পুণ্যার্থীরা অক্ষয় তৃতীয়ার দিন যমুনেত্রী ধাম থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন। শনিবার তীর্থযাত্রীদের প্রথম দলটি হরিদ্বার ছেড়েছে। বদ্রীনাথে পৌঁছে তাঁরা পাবেন ভগবান বিষ্ণুর দর্শন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামি বলেন, উত্তরাখণ্ডের চার ধাম যাত্রাকে সহজ ও নিরাপদ করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সামাজিক সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিও যাত্রার জন্য পূর্ণ সহযোগিতা করেছে। বিগত বছরগুলির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এই তীর্থযাত্রার ব্যবস্থাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার কাজও করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘এই চোরদের হাত থেকে বাংলাকে বাঁচাতে হবে’, জামালপুরের সভায় বললেন শুভেন্দু

    তিনি জানান, গঙ্গোত্রী ও যমুনেত্রী ধামে যাত্রা চলছে নির্বিঘ্নে। বদ্রী (Badrinath) বিশালের দরজাও ভক্তদের দর্শনের জন্য খুলে দেওয়ার পর প্রশাসন সব দিক খেয়াল রাখবে যাতে মানুষের কোনও অসুবিধা না হয়। এদিন বদ্রীনাথে ভক্তদের স্বাগত জানান মুখ্যমন্ত্রী। পরে ঘুরে দেখেন মন্দির চত্বর। মন্দিরের মুখ্য সেবকরা এদিন যে ভাণ্ডারার আয়োজন করেছিলেন, তাও ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayet Road: বর্ষাকালে কর্দমাক্ত আলপথে পড়ুয়াদের হাতে ওঠে জুতো, চলে না সবুজসাথীর সাইকেলও

    Panchayet Road: বর্ষাকালে কর্দমাক্ত আলপথে পড়ুয়াদের হাতে ওঠে জুতো, চলে না সবুজসাথীর সাইকেলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি পালিত হয়ে গেল দেশজুড়ে। দুর্গাপুরের বুদবুদ থানার আউশগ্রাম ব্লকের আমানিডাঙার বাসিন্দারা পেলেন না সামান্য রাস্তাটুকুও। একাধিকবার ভোট বয়কট করেও মেলেনি সুরাহা। পথশ্রী, রাস্তাশ্রী ইত্যাদি নিয়ে গোটা বাংলা যখন মাতোয়ারা, তখনও চরম বঞ্চনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন পূর্ব-বর্ধমান জেলার অন্তর্গত আউশগ্রামের আমানিডাঙা, বাবলাবনি, ধডাঙা গ্রামের বাসিন্দারা। রাস্তার (Panchayet Road) দাবিতে বিগত ৮ বছর ধরে ভোট বয়কট করছেন গ্রামবাসীরা। তাতে রাস্তা আংশিক কংক্রিট হলেও, জমিজটে উধাও প্রায় ৩ হাজার ফুট রাস্তা। ফলে দুর্ভোগ মেটেনি। সমস্যা সেই তিমিরেই রয়েছে। শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষায় কাদামাখা আলপথই ভরসা। এমনই পরিস্থিতিতে আবার আসছে পঞ্চায়েত নির্বাচন!

    সদর বাজারে যেতে হলে কর্দমাক্ত আলপথই ভরসা

    কুনুর নদীর পাড়ে বহু পুরনো গ্রাম আমানিডাঙা, বাবলাবনি, ধডাঙা। আউশগ্রামের দেবশালা পঞ্চায়েতের ওই গ্রাম তিনটিতে ৬৫টি পরিবারের বসবাস। বেশিরভাগই আদিবাসী সম্প্রদায়ের দিনমজুর। গ্রামের ভিতর রাস্তার অবস্থা বেহাল। মোরামের দানাটুকুও পড়েনি। গ্রাম থেকে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে কাঁকসার পিয়ারিগঞ্জ। সদর বাজারে যেতে হলে কর্দমাক্ত আলপথই ভরসা। বছর কয়েক আগে বীরভুম থেকে ফেরার পথে পিয়ারিগঞ্জ স্কুলের সামনে ক্ষুদে পড়ুয়াদের দেখে দাঁড়িয়ে পড়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়। সেখান থেকেই রাজ্যে ক্ষুদে পড়ুয়াদের জুতো দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো জুতো পেলেও বর্ষাকালে মেঠো আলপথে হাতে জুতো নিয়ে স্কুলে যেতে হয় পড়ুয়াদের। পায়ে পরার উপায় নেই। পড়ুয়াদের সবুজসাথীর সাইকেলও জুটেছে। তবে বর্ষাকালে সেটা চালিয়ে স্কুলে যাওয়ার উপায় নেই। কাদামাখা মেঠো আলপথে সাইকেল চালানোও দায়। গ্রামের মধ্যে মোটরগাড়ি তো দূর অস্ত, সাইকেল বা রিকশ যাতায়াতের রাস্তাটুকু (Panchayet Road) নেই।

    ভোট বয়কটেও সমস্যা মেটেনি

    গত ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে রাস্তার (Panchayet Road) দাবিতে ভোট বয়কট করেছিলেন গ্রামবাসীরা। ২০১৯ ও ২০২১ সালেও ভোট বয়কট করেন গ্রামবাসীরা। তারপর কুনুর নদী দিয়ে বয়ে গেছে অনেক জল। যদিও খবর চাউর হতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে সাংসদ তহবিলের টাকায় প্রায় ১৪০০ ফুট রাস্তা কংক্রিট করা হয়। তবে গ্রামের রাস্তা আগের মতোই বেহাল রয়েছে। তারপরও প্রায় ৪ হাজার ফুট মেটো আলপথ রয়েছে। ফলে সমস্যা সেই তিমিরেই রয়েছে। 

    উন্নয়নের ফিরিস্তি শুনে ক্লান্ত, বলছেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা

    উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পথশ্রী ও রাস্তাশ্রী প্রকল্পে ১২ হাজার কিলোমিটার রাস্তার নতুন করে নির্মাণ ও পুনরায় সংস্কারের সূচনা করেন। তাছাড়াও গ্রামীণ সড়ক তৈরিতে রাজ্য ও কেন্দ্র উভয় সরকারই তৎপর। আদিবাসী গ্রামে ঢালাও উন্নয়নের ফিরিস্তি শোনা যায়। কিন্তু তারপরও কেন দুর্দশায় আমানিডাঙা, বাবলাবনি, ধডাঙার গ্রামবাসীরা? প্রশ্ন থেকেই যায়। স্থানীয় বাসিন্দা তাপস সোরেন, সনাতন সোরেন প্রমুখ তরুণরা জানান, “উন্নয়নের ফিরিস্তি শুনে ক্লান্ত। ২০১৬ সালে ভোট বয়কটের পর বছর খানেক হল বিদ্যুৎ পেয়েছি। রাস্তার (Panchayet Road) দাবিতে বহুবার আবেদন করেছি। এক-চতুর্থাংশ রাস্তা ঢালাই হয়েছে। এখনও অনেকটাই রাস্তা নেই। মেঠো পথ। বর্ষায় চরম সমস্যায় পড়তে হয়। গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে খাটিয়াতে করে নিয়ে যেতে হয়। ছেলে মেয়েদের স্কুলে যেতে অসুবিধা হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজবংশী যুবকের মৃত্যু, অভিযোগের তিরে পুলিশ

    Kaliaganj: কালিয়াগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজবংশী যুবকের মৃত্যু, অভিযোগের তিরে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বাদশ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj)। আর এই ঘটনার জেরে দুদিন আগেই থানায় রাজবংশী ও আদিবাসী সংগঠনের ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়। থানায় আগুন লাগানো থেকে শুরু করে পুলিশের গাড়ি জ্বালানোর ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে বুধবার রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক রাজবংশী যুবকের মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) রাধিকাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদগাঁ গ্রামে। জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম মৃত্যুঞ্জয় বর্মন (৩৩)। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু, কিভাবে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই ঘটনা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই ঘটনা নিয়ে টুইটও করেছেন।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বিষ্ণু বর্মন কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) বিজেপি-র পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানায় তাণ্ডব চালানোর ঘটনার সূত্র ধরে বুধবার রাতে তাঁর বাড়িতে পুলিশ হানা দেয়। কিন্তু, তাঁকে না পেয়ে তাঁর বৃদ্ধ বাবাকে টেনে হিঁচড়ে মারতে মারতে পুলিশ গাড়িতে তোলে বলে অভিযোগ। চোখের সামনে এই ঘটনা দেখে বিষ্ণুর ভাইপো মৃত্যুঞ্জয় এর প্রতিবাদ করেন। এরপরই পুলিশ গুলি চালায়। তাতে মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু হয়।

    কী বললেন মৃত যুবকের পরিবারের লোকজন?

    মৃত্যুঞ্জয়ের বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, ছেলে শিলিগুড়িতে একটি কোম্পানিতে চাকরি করত। সেখানেই পরিবার নিয়ে সে থাকত। খুড়তুতো ভাইয়ের বিয়ের জন্য সে সপরিবারে এসেছিল। বৃহস্পতিবারই ট্রেনে করে তাদের শিলিগুড়ি ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। তার আগেই বুধবার রাতে পুলিশ পাশের বাড়িতে একজনকে ধরতে আসে। আমার দুই ছেলে প্রতিবাদ করতে গিয়েছিল। পুলিশের গুলিতে আমার ছোট ছেলের মৃত্যু হয়।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের বক্তব্য, এলাকার কেউ কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানায় গণ্ডগোলের ঘটনায় যায়নি। তাহলে পুলিশ কেন এই এলাকায় অভিযান চালাল? একজনকে ধরে নিয়ে গেল? একজন নিরীহ যুবককে পুলিশ গুলি করে খুন করল। মৃত যুবকের পরিবারের লোকজনকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আমরা আবেদন জানাচ্ছি। একইসঙ্গে দোষী পুলিশের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান?

    স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান বলেন, কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানায় গণ্ডগোলের দিন গ্রামে বিয়ে ছিল। সেদিন গ্রাম থেকে কেউ সেখানে যায়নি। পুলিশ কেন এই গ্রামে অভিযান চালাতে এসেছিল তা জানি না। আর পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনাকে আমরা সমর্থন করি না।

    পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনা নিয়ে সরব হলেন বিজেপি সাংসদ

    বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জ হাসপাতালে যান বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। সেখানে তিনি মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, এই ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ বিজেপি কার্যকর্তাদের ওপর অত্যাচার ও গ্রেফতার করছে। কালিয়াগঞ্জে (Kaliaganj) থানা জ্বালানো কিংবা পুলিশের ওপর আক্রমণের ঘটনার সঙ্গে কোথাও বিজেপি যুক্ত নেই। বিজেপি-র এস পি অফিস ঘেরাওয়ের আলাদা কর্মসূচি ছিল। সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতার, অত্যাচার, গুলি করে, খুন করে বিজেপিকে শেষ করতে চাইছে। যদি তিনি মনে করেন এভাবে বিজেপিকে শেষ করা যাবে তা কোনওদিনই সম্ভব না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘এই চোরদের হাত থেকে বাংলাকে বাঁচাতে হবে’, জামালপুরের সভায় বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘এই চোরদের হাত থেকে বাংলাকে বাঁচাতে হবে’, জামালপুরের সভায় বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী এক বছরের মধ্যে রাজ্যে দুটো নির্বাচন। মোকাবিলা করতে হবে। এই চোরদের হাত থেকে বাংলাকে বাঁচাতে হবে। জামালপুরের জনসভায় এ কথা বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, এক বছরের মধ্যেই পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচন। আর ২০১৮ সালের মতো লুঠ নয়। এবার গণতান্ত্রিক পরিবেশে, মানুষের পঞ্চায়েত গড়ার লক্ষ্যে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলবে। তিনি বলেন, এ রাজ্যে বিজেপিই একমাত্র বিরোধী দল। সেই বিরোধী দল হিসাবেই আমরা বাংলাজুড়ে কাজ করছি। দলের প্রত্যেক নেতা-কর্মী জেলায় জেলায় নির্বাচনের আগে লাগাতার আন্দোলন চালাবেন। বিজেপির মিটিং-মিছিল টানা চলবে।

    পিসি-ভাইপো সম্পর্কে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)…

    শুভেন্দু বলেন, পিসি-ভাইপোর দুর্নীতির আঁতুড়ঘর ভেঙে দিতে হবে। সিপিএমের প্রসঙ্গ টেনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, জামালপুরে ২০১৬ সালে সিপিএমের প্রার্থীকে আপনারা জিতিয়েছিলেন। তৃণমূলকে হারিয়েছিলেন। সূর্যকান্ত মিশ্র হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। সেই সময় বিরোধী দল সিপিএমের ভূমিকা ও বর্তমানে ৭৭টি সিট জেতা রাজ্যের আসল বিরোধী দল বিজেপির ভূমিকা আপনারা বলুন। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ওটা ছিল সেটিং অপজিশন। শুভেন্দু বলেন, তৃণমূলের সঙ্গে সেটিং করে একেবারে ঘরে ঢুকে গিয়েছিল। এখন মাঝেমধ্যে ঝান্ডা হাতে বেরিয়ে পড়ে। দুনিয়ার মজদুর এক হও বলে গলা ছাড়ে। শুভেন্দু বলেন, ওদের ফাঁদে পা দেবেন না। রাষ্ট্রবাদী ডবল ইঞ্জিন সরকার ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের পরিত্রাণ নেই। কারণ ৩৪ বছরের সিপিএম নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের চাকরি দিয়েছে। আর প্রতি মাসে আড়াই শতাংশ করে লেভি নিয়েছে। তৃণমূল চাকরি নিয়ে বেচে দিচ্ছে। এখন শুধু পচা দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: ‘তিহাড় জেলে তৈরি হবে তৃণমূলের নয়া ইউনিট টিটিএমসি’, ফের বললেন সুকান্ত

    পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে তৃণমূল যে ভয় পেয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ২০০-র বেশি আসন নিয়েও ভীত তৃণমূল। তাই কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রাসাদের মতো বাস নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন। সেখানে আবার ব্যালটবাক্স উল্টে দিয়েছে এক দল। তিনি বলেন, ভাইপো ব্যালটবাক্স নিয়ে গিয়েছিল। সিতাই ও সাহেবগঞ্জে ব্যালটবাক্স ভেঙে দিয়েছে। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, মোদিজি বাংলায় ৫০ লক্ষ বাড়ি দিয়েছে। যতক্ষণ না হিসেব দেবে রাজ্য, ততক্ষণ পর্যন্ত ভারত সরকার টাকা দেবে না। তিনি বলেন, ধেড়ে ইঁদুর, জনজোয়ার যাত্রা হবে না, হবে তিহাড় যাত্রা। কয়লা ঝেড়ে শেষ তৃণমূল। তাই তো তৃণমূল ভয় পেয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ‘তিহাড় জেলে তৈরি হবে তৃণমূলের নয়া ইউনিট টিটিএমসি’, ফের বললেন সুকান্ত  

    Anubrata Mondal: ‘তিহাড় জেলে তৈরি হবে তৃণমূলের নয়া ইউনিট টিটিএমসি’, ফের বললেন সুকান্ত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কেলেঙ্কারিতে (Cattle Smuggling Scam) যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। বুধবার ওই মামলায়ই গ্রেফতার হয়েছেন কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা। প্রত্যাশিতভাবেই খুশি বিরোধীরা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আগেই ভবিদ্ব্যাণী করেছিলাম। বলেছিলাম, শুধু সময়ের অপেক্ষা। তিনি বলেন, এবার তিহাড়েই নয়া ইউনিট খুলবে তৃণমূল।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal ) সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী…

    সাংবাদিক বৈঠকে সুকান্ত বলেন, আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলাম। বলেছিলাম, শুধু সময়ের অপেক্ষা। কারণ বারবার ইডি, সিবিআই ডাকলেও তিনি যাননি। তাঁর কাছ থেকে কোনওরকম সহযোগিতা পাননি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। বিশেষত ইডি। বারবার উচ্চ আদালতে গিয়ে সেটাকে বাইপাস করার চেষ্টা করেছেন। ফলে ইডি এখন বাধ্য হয়েছে তাঁকে গ্রেফতার করতে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, তাঁর নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। যদিও ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন প্রাইমারি স্কুল শিক্ষিকা। খুব অল্প বয়স্কা। ফলে তাঁর এত বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি থাকতে পারে না। তিনি বলেন, অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) রোজগারের কোনও হদিশ আমরা পাইনি। যদিও সম্পত্তির হদিশ পেয়েছি। আয়ের দিক থেকে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কোথা থেকে এল, তাঁকে উত্তর দিতে হবে।

    সুকান্ত বলেন, অনুব্রত মণ্ডল একজন জেলা সভাপতি। একজন জেলা সভাপতির পক্ষে এত বড় পাচারের মতো ঘটনা, গরু পাচার বা কয়লা পাচারের মতো বিষয়কে পুরোপুরি সামলানো সম্ভব নয়। স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসের কালীঘাটের নেতাদের সঙ্গে এর যোগাযোগ রয়েছে। তাই ততক্ষণ পর্যন্ত এই বৃত্ত সম্পূর্ণ হচ্ছে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত এই মাথাগুলো ধরা পড়ে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, খুব তাড়াতাড়ি এই রাঘব বোয়ালরা ধরা পড়বে। তিহাড় জেলে তৈরি হবে তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন ইউনিট টিটিএমসি।

    আরও পড়ুুন: কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু রাজবংশী যুবকের! ‘‘দায় নিতে হবে মমতাকে’’, ট্যুইট শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, বুধবার সন্ধ্যায় ইডি  গ্রেফতার করে সুকন্যাকে। এই মামলায় আট মাস আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। তার পর থেকেই সুকন্যাকে তলব করা হচ্ছিল। প্রথমবার হাজিরা দিলেও, পরে নানা অছিলায় হাজিরা এড়িয়ে যান সুকন্যা। বুধবার সকালেই ডেকে পাঠানো হয় অনুব্রত-কন্যাকে। চলে টানা জেরা। সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ইডি সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসহযোগিতা করছিলেন সুকন্যা। তাই করা হয়েছে গ্রেফতার।

    বিজেপি নেতা তথা দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা বলেন, এই গ্রেফতার একদম সঠিক গ্রেফতার। এর মাধ্যমে আরও অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে। এই দুর্নীতির মূলোচ্ছেদ সারা বাংলার মানুষ চাইছেন। যত এজেন্ট আছে, গ্রেফতার হোক। আর এদেজেন্টদের নেতাও গ্রেফতার হোক। এটাই বাংলার মানুষের আকাঙ্খা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: এবার গরু পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডল

    Anubrata Mondal: এবার গরু পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা গ্রেফতার হয়েছিলেন আগেই। এবার গ্রেফতার হলেন অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) মেয়ে সুকন্যা (Sukanya Mondal)। বুধবার সন্ধ্যায় ইডি (ED) গ্রেফতার করে তাঁকে। এই মামলায় আট মাস আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তার পর থেকেই সুকন্যাকে তলব করা হচ্ছিল। প্রথমবার হাজিরা দিলেও, পরে নানা অছিলায় হাজিরা এড়িয়ে যান সুকন্যা। বুধবার সকালেই ডেকে পাঠানো হয় অনুব্রত-কন্যাকে। চলে টানা জেরা। তার পর সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ইডি সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসহযোগিতা করছিলেন সুকন্যা।

    অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) মেয়েকে জেরা…

    কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিপুল সম্পত্তি সম্পর্কে সুকন্যাকে প্রশ্ন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। যদিও তিনি কোনও সদুত্তর দেননি। সুকন্যা জানিয়ে দেন, ওই সব প্রশ্নের উত্তর তাঁর বাবা ও হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিই দিতে পারবেন। ইডি সূত্রে খবর, সেই কারণেই অনুব্রত (Anubrata Mondal) ও সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার কথা ভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    সুকন্যা পেশায় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা। আয়ের সঙ্গে মিল নেই তাঁর বিপুল সম্পত্তির। এর পরেই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি সুকৌশলে গরু পাচারের টাকা রাখা হচ্ছিল সুকন্যার ভাণ্ডারে? কেবল অনুব্রত নন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ওই মামলায় একে একে গ্রেফতার করে অনুব্রতর সঙ্গীদের। অনুব্রতর (Anubrata Mondal) দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকেও গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার করা হয় অনুব্রতর হিসাবরক্ষক মণীশকে। এবার গ্রেফতার করা হয় কেষ্ট-কন্যাকে।

    আরও পড়ুুন: অভিষেকের ‘এক রাতের তাঁবু তৈরির খরচ ৯২ লক্ষ টাকা’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    এদিকে, বাবা-মেয়ে দুজনেই গ্রেফতার হয়ে যাওয়ায় খাঁ খাঁ করছে বীরভূমে অনুব্রতর (Anubrata Mondal) বাড়ি। বাড়ির প্রহরায় রয়েছেন রাজ্য পুলিশের কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী। কিছুদিন আগেই দলীয় কর্মীদের সুকন্যার খোঁজ-খবর নিতে বলেছিলেন খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও পার্টির কেউ পাশে না থাকায় ঘনিষ্ঠ মহলে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন সুকন্যা। এবার তিনিও চলে গেলেন গারদের অন্তরালে। পার্টির লোকজন কি তবে বিপদ আঁচ করে আগেই কেটে পড়ে ছিলেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share