Tag: bangla news

bangla news

  • Suvendu Adhikari: “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড ম্যান মেড”, প্রশাসনের গাফিলতি, ব্যর্থতা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড ম্যান মেড”, প্রশাসনের গাফিলতি, ব্যর্থতা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডকে (Anandapur Fire) ম্যান মেড তত্ত্ব দিয়ে তৃণমূল সরকারের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটলেও রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেন না। সেখানে দেখা গেল বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। এই প্রশ্নই শাসক দলের বিরুদ্ধে জনরোষ এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। সরকার কীভাবে এই রকম একটি অগ্নিকাণ্ড বিষয়ে চুপচাপ বসে থাকতে পারে? অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    জলাভূমির চরিত্র বদলে ফেলা হয়েছে (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড (Anandapur Fire) কোনও দুর্ঘটনা নয়। এই সরকারের গাফিলতির ফল। এটি কোনও সাধারণ দুর্ঘটনা নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের দীর্ঘদিনের গাফিলতি, অযোগ্যতা এবং শাসন ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ব্যর্থতার সরাসরি পরিণতি। প্রশাসনিক নজরদারির অভাবের ফলেই নিয়ম-কানুন উপেক্ষিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত এমন ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পূর্ব কলকাতার জলাভূমির চরিত্র বদলে ফেলা হয়েছে। রাজ্যে কারখানা বলে কিছু নেই। বেআইনি নির্মাণ রুখতে সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ এই সরকার। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নিরীহ শ্রমিকেদের পরিবারগুলোর প্রতি আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আন্তরিক সমবেদনা জানাই। সব মিলিয়ে ৮ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে আগামী সময়ে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ২০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। অনেক মৃত দেহকে সঠিক ভাবে শনাক্ত করা যায়নি।”

    জরুরি বেরনোর পথ ছিল না

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে মৃত ও নিখোঁজ অধিকাংশ পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা। নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন অত্যন্ত তরুণ এবং তাঁদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বড় অংশ তো বড় অংশই পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলার বাসিন্দা। আনন্দপুরের (Anandapur Fire) নাজিরাবাদ এলাকায় এই মানবসৃষ্ট বিপর্যয় ঘটেছে পূর্ব কলকাতা জলাভূমি অঞ্চলে, যেখানে বেআইনিভাবে জমির চরিত্র বদলে দেওয়া হয়েছে। একেরপর অবৈধ শিল্প ইউনিট গড়ে উঠেছে। সরকারি বিধিনিষেধকে অমান্য করে অবৈধ নির্মাণের জন্যই এই বিরাট অগ্নিকাণ্ড। দাহ্য পদার্থে ভর্তি তালাবদ্ধ গুদামের ভেতরে মানুষ আটকে পড়েছিলেন। সেখানে কোনও জরুরি বেরনোর পথ ছিল না, সংকীর্ণ গলির কারণে উদ্ধারকাজে ব্যাহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে আগুন নেভানোর কোনও সরঞ্জামও ছিল না। ফলে প্রশ্ন উঠেছে-এটা কীভাবে সম্ভব হল? কলকাতার একেবারে কাছেই এত বিপজ্জজনক গুদামে শ্রমিকদের রাত কাটাতে বাধ্য করা হল? কেউ কীভাবে কিছু জানতে পারলেন না কেন? রাজ্যের দমকল দফতর, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা কোথায় ছিল? একাধিক নানা প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।”

    ৩০ ঘণ্টার পর কেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দমকলমন্ত্রীকে তোপ দেগে বলেন, “৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। যাঁর বাড়ি ওই এলাকা থেকে মাত্র এক ঘণ্টার দূরত্বে। অথচ তিনি নির্লজ্জভাবে প্রশ্ন তোলেন, কেন মানুষ গুদামের ভেতরে ছিল। লজ্জাজনক! প্রশ্ন তোলার বদলে তাঁর প্রশাসনের উচিত ছিল এর উত্তর দেওয়া। এই ঘটনার সম্পূর্ণ দায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা, দুর্নীতি ও অপশাসনের ওপরই বর্তায়। এএমআরআই হাসপাতাল থেকে বড়বাজার, আর এবার আনন্দপুর (Anandapur Fire)—একটির পর একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে, অথচ কোনও শিক্ষা নেওয়া হচ্ছে না, কোনও দায়ও স্বীকার করা হচ্ছে না। এটাই পশ্চিমবঙ্গের ‘নো গভর্নমেন্ট’-এর প্রমাণ।”

    আগুন লাগিয়ে জমি দখল!

    উল্লেখ্য আনন্দপুরের (Anandapur Fire) মতো রাজ্যে প্রত্যেকবার শীতের মরশুমে ঝুপড়ি, ছোট ছোট গুদাম, কারখানা এবং বস্তি এলাকায় বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি বড়বাজার, বাগরি মার্কেট, গড়িয়াহাট, সখের বাজার, খিদিরপুর, মঙ্গলাহাট সহ একাধিক এলাকায় বড় বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। একই ভাবে বেআইনি নির্মাণের ফলে অধিক ঘন বসতি, বিদ্যুৎ চুরি, শর্ট সার্কিটের ঘটনায় বার বার আগুন লাগানোর ঘটনা পুরসংস্থা, দমকল বাহিনী, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামের ব্যবহার ঠিক ভাবে করা হয় না বলে বিরোধীরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ তুলেছে। একবার আগুন লাগিয়ে এলাকা দখলের গভীর ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও যুক্ত থাকেন তৃণমূলের নেতারা। মুখ্যমন্ত্রী বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা এবং কাজের সঙ্গে মিল নেই বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।

  • Arijit Singh: একই ধাঁচের গানে ক্লান্ত! আর প্লে-ব্যাক নয়, গানের ভেলা এবার মনের স্রোতে ভাসাতে চান অরিজিৎ

    Arijit Singh: একই ধাঁচের গানে ক্লান্ত! আর প্লে-ব্যাক নয়, গানের ভেলা এবার মনের স্রোতে ভাসাতে চান অরিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ক্ষণে গোরাচাঁদ ক্ষণে কালা’ থেকে ‘গেহরা হুয়া’! কখনও ‘বোঝে না সে বোঝে না’ আবার কখনও ‘কেশারিয়া’-বলিউড থেকে টলিউড! হিন্দি, বাংলা, তামিল, তেলুগু সাম্প্রতিক বহু ছবির গানেই তিনি রয়েছেন। বয়স মাত্র ৩৮, এখনও ৪০ পেরোয়নি! সামনে বিস্তীর্ণ সোনালি অধ্যায়! এ হেন সময়ে হঠাতই ঘোষণা প্লেব্যাক করবেন না অরিজিৎ (Arijit Singh)। মঙ্গলবার রাতে সমাজমাধ্যমে নিজেই এই ঘোষণা করে দিলেন অরিজিৎ সিং। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সঙ্গীতমহল যেমন স্বাগত জানিয়েছে, তেমনই হতবাক তাঁর অগণিত ভক্তরা। নিজের বার্তায় অরিজিৎ লেখেন, “নতুন বছরের শুভেচ্ছা সকলকে। শ্রোতা হিসেবে এত বছর ধরে আমায় যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। তবে আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, এ বার থেকে আমি আর প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে কোনও কাজ করব না।” এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।

    কেন এই অবসর?

    অনুরাগীদের এই একটাই প্রশ্ন, কেন গায়ক হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নিলেন। তারই উত্তরে কমেন্টে অরিজিৎ লেখেন, “এর একটা কারণ আছে। নতুন কোনও গায়ক উঠে এসে আমাকে সত্যিকারের অনুপ্রেরণা দেবে, এই অপেক্ষায় আমি রইলাম।” অরিজিতের (Arijit Singh) গান ভালবাসেন না, এমন শ্রোতা খুঁজে পাওয়া সত্যিই কঠিন। তাঁর কণ্ঠের আবেশ মুহূর্তের মধ্যেই শ্রোতাকে টেনে নিয়ে যায় এক অন্য অনুভবের জগতে। ঠিক সেই গায়কই মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান, তিনি আর প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে কাজ করবেন না। ‘মার্ডার ২’ ছবিতে গাওয়া তাঁর ‘ফির মহব্বত’ গানটিই ছিল বলিউডে প্রথম গান। ‘আশিকি ২’ ছবির ‘তুম হি হো’ গানটি অরিজিৎ সিংয়ের জীবনের মোড় বদলে দিয়েছিল। তারপর থেকে গায়ককে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। হিন্দি, বাংলা, তামিল, তেলুগু, মারাঠি এবং কন্নড় ভাষায় গান গেয়েছেন। ৩০০ টিরও বেশি ছবিতে কণ্ঠ দিয়েছেন। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ফিল্মফেয়ার সহ অসংখ্য সম্মান। স্পটিফাই, ইউটিউব এবং অন্যান্য সঙ্গীত প্ল্যাটফর্মে বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক শ্রোতা ভারতীয় শিল্পীদের মধ্যে একজন তিনি।

    কাজ করবেন, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জন্য

    ১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন অরিজিৎ সিং (Arijit Singh)। মাত্র ১৮ বছর বয়সে, ২০০৫ সালে, তিনি অংশ নেন জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘ফেম গুরুকুল’-এ। গুরু রাজেন্দ্র প্রসাদ হাজারির অনুপ্রেরণায় সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। প্রতিযোগিতায় জয়ী না হলেও, এই মঞ্চই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এখান থেকেই সংগীতজগতের দরজা ধীরে ধীরে খুলে যেতে শুরু করে। ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে লড়াই করতে হয়েছিল তাঁকে। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যান যে প্রায় সব সিনেমার গানে তাঁর কণ্ঠ শোনা যেত। কিন্তু আর না, এবার থেকে প্লে-ব্যাক নয়। তবে গান চালিয়ে যাবেন। কাজ করবেন। ভারতের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জন্য। অরিজিৎ বলেন,“ঈশ্বর আমার প্রতি সত্যিই সদয়। আমি সঙ্গীতের একজন ভক্ত। ভবিষ্যতে আরও শিখব এবং একজন ছোট শিল্পী হিসেবে নিজে আরও কাজ করব। আপনাদের সকলের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ। কিছু প্রতিশ্রুতি দেওয়া আছে সেগুলো শেষ করতে হবে। সেগুলি শেষ করব। স্পষ্ট করে বলতে চাই, যে আমি সঙ্গীত তৈরি করা বন্ধ করব না।”

    একই ধাঁচের কাজ করতে করতে তিনি ক্লান্ত

    ‘তুম হি হো… বস তুম হি হো…’, এই গান শুনে থমকে গিয়েছিল গোটা দেশ। কত প্রেমিকের রাত জাগার ওষুধ এই গান। কত অপূর্ণ প্রেম মানে খুঁজে পেয়েছে তাঁর গানে। কিন্তু সবকিছুতে তিনি দাঁড়ি টানলেন। স্বেচ্ছায় প্লে-ব্যাক সঙ্গীতের দুনিয়া থেকে সরে দাঁড়ালেন। যা করতে সাহস লাগে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে অকপট স্বীকারোক্তি দিলেন গায়ক। তাঁর প্লে-ব্যাক ছাড়ার কারণ কোনো বিতর্ক নয়, বরং তাঁর নিজের ‘একঘেয়েমি’। অরিজিৎ নিজের ব্যক্তিগত এক্স হ্য়ান্ডেল-এ জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত তিনি হুট করে নেননি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি প্লে-ব্যাক থেকে বিরতি নেওয়ার কথা ভাবছিলেন। তাঁর এই চরম সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকা প্রধান কারণ তিনি হাঁফিয়ে উঠেছেন। অরিজিৎ বলেন, তিনি খুব দ্রুত একঘেয়েমিতে ভোগেন। একই ধরনের গান বা একই ধাঁচের কাজ করতে করতে তিনি ক্লান্ত। তিনি জানিয়েছেন, একঘেয়েমি কাটানোর জন্যই তিনি মঞ্চে পারফর্ম করার সময় নিজের পুরোনো গানের অ্যারেঞ্জমেন্ট বা সুর বদলে দেন। তাঁর কথায়, ‘আমি বোর হয়ে গিয়েছি। বেঁচে থাকার জন্য আমাকে অন্য ধরনের সঙ্গীত নিয়ে কাজ করতে হবে’।

    মুর্শিদাবাদ থেকে মুম্বই কঠিন যাত্রা

    জিয়াগঞ্জের সেই সাধারণ ছেলেটি যেমন করে নিজের স্বপ্ন ছুতে পেরেছে। তেমন করেই আজও তিনি শিখতে চান, নিজের মতো করে আরও কিছু করতে চান। সংগীতকে নিজের মতো করে ভালবাসতে চান। মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে আজও অরিজিৎ সিংকে (Arijit Singh) দেখা যায় স্কুটি চেপে সাধারণ মানুষের মতোই ঘুরে বেড়াতে। তারকা খ্যাতি, বিশ্বমঞ্চের সাফল্য কিছুই তাঁকে শিকড় থেকে আলাদা করতে পারেনি। তবে এই জিয়াগঞ্জ থেকে মুম্বই পর্যন্ত যাত্রাটা তাঁর মোটেই সহজ ছিল না। ছিল কঠোর পরিশ্রম আর নিরন্তর সংগ্রাম। মুম্বইয়ে দীর্ঘদিন ভাড়া বাড়িতে থেকে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন অরিজিৎ। গায়ক হিসেবে পরিচিত হওয়ার অনেক আগেই তিনি কাজ করতেন মিউজিক প্রোগ্রামার হিসেবে। দিনের পর দিন স্টুডিওতে কাটিয়েছেন, গান বানানোর খুঁটিনাটি শিখেছেন, তৈরি করেছেন নিজের স্টুডিও। কাজের ফাঁকে ফাঁকে শিখতে থেকেছেন সংগীতের নানা দিক। শঙ্কর-এহসান-লয়, মিঠুন, প্রীতম, বিশাল-শেখরের মতো তাবড় সংগীত পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করে নিজের দক্ষতাকে আরও শাণিত করেছেন। ছুঁয়েছেন সাফল্যের শিখর।

    সাহসী ঘোষণা খুব কম শিল্পীই পারেন

    কেরিয়ারের মধ্যগগনে থেকে এমন সাহসী ঘোষণা খুব কম শিল্পীই করতে পারেন। অরিজিৎ জানিয়েছেন, অবশেষে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সাহস সঞ্চয় করেছেন। বাণিজ্যিক গণ্ডি পেরিয়ে তিনি এখন স্বতন্ত্র মিউজিক (Independent Music) এবং নতুন সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করতে চান। অরিজিতের এই স্বীকারোক্তি বুঝিয়ে দিল, তিনি কেবল একজন গায়ক নন, তিনি একজন খাঁটি শিল্পী। জনপ্রিয়তার মোহে অন্ধ না হয়ে তিনি বেছে নিলেন সঙ্গীতের সেই পথ, যা তাঁকে নতুন করে বাঁচার আনন্দ দেবে। গান বাঁচতে শেখায়, ভালবাসাতে শেখায়, জীবনের রসদ জোগায়। তাই হয়তো ‘গানের ভেলায় বেলা অবেলায় প্রাণের আশা’-ই মনের স্রোতে ভাসাতে চান অরিজিৎ।

  • Online Content: অনলাইন কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রের পদক্ষেপ, অশ্লীলতা থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের রক্ষা করতে নয়া উদ্যোগ

    Online Content: অনলাইন কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রের পদক্ষেপ, অশ্লীলতা থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের রক্ষা করতে নয়া উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইন (Online Content) প্ল্যাটফর্মগুলিতে কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণ এবং বিশেষ করে নাবালকদের অশ্লীল কন্টেন্ট থেকে সুরক্ষিত রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে মোদি সরকার। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হল, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলিতে প্রচার হওয়া আপত্তিকর বিষয়বস্তু অবিলম্বে রোধ করা। সামাজিক মাধ্যমে নানা কন্টেন্টকে ভিউজ বাড়িয়ে অধিক প্রচার পেতে এবং টাকা রোজগার করতে অশ্লীলতা এখন একটি বড় শিল্পের মাপকাঠিতে পরিণত হয়েছে। ফলে শিশু-কিশোরদের (Protect Minors) মনে পড়ছে খারাপ প্রভাব। তাই এই ধরনের ডিজিটাল কন্টেন্টকে আটকাতে সরকার ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেছে।

    নাবালকদের সুরক্ষা(Online Content)

    গত মার্চ মাসে সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশ অনুসরণ করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যেখানে সলিসিটর জেনারেলকে সংবিধানের ১৯(১)(ক) অনুচ্ছেদের অধীনে বাকস্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য প্রস্তাবনা তৈরি করতে বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে ১৯(২) অনুচ্ছেদের অধীনে সাংবিধানিকভাবে অনুমোদিত “যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ” নিশ্চিত করা হয়েছিল।

    ইন্টারনেটে ক্রমবর্ধমান অশ্লীলতা এবং হিংসাত্মক কন্টেন্ট (Online Content) থেকে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষা করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সরকার এমন একটি ব্যবস্থা তৈরির পরিকল্পনা করছে যেখানে অপ্রাপ্তবয়স্কদের (Protect Minors) জন্য ক্ষতিকর কন্টেন্ট ব্লক বা ফিল্টার করা সহজ হবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এবং আইটি মন্ত্রক যৌথভাবে অনলাইন কন্টেন্ট স্ট্রিমিং (OTT) প্ল্যাটফর্ম এবং সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলির জন্য আরও কঠোর নির্দেশিকা বা নিয়মাবলী তৈরির কাজ করছে।

    অশ্লীলতার সংজ্ঞা ও কড়াকড়ি

    বর্তমান আইনি কাঠামোর মধ্যে অশ্লীলতার (Online Content) সংজ্ঞা আরও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সেগুলির প্রচার রুখতে প্রযুক্তিগত সমাধান খোঁজার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। আর তাই সরকার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কঠোর ‘এজ গেট’ বা বয়স যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চালু করার কথা ভাবছে, যাতে কোনো শিশু তাদের বয়সের অনুপযুক্ত কন্টেন্ট দেখতে না পারে।

    অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা

    ব্যবহারকারী বা অভিভাবকরা যাতে আপত্তিকর কন্টেন্টের (Online Content) বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযোগ জানাতে পারেন এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার জন্য একটি শক্তিশালী ‘গ্রিভেন্স রিড্রেসাল’ বা অভিযোগ প্রতিকার কাঠামো (Protect Minors) গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলিতে যেভাবে সেন্সরশিপ ছাড়াই বিভিন্ন আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের বিচার ব্যবস্থাও। সেই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্র এই নতুন নিয়মাবলীর মাধ্যমে একটি নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাইছে।

  • Bangladesh: সঙ্কটের সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্প, ভারতের কাছে পৌষমাস! কীভাবে জানেন?

    Bangladesh: সঙ্কটের সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্প, ভারতের কাছে পৌষমাস! কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গভীর সঙ্কটের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) টেক্সটাইল শিল্প। শুল্কমুক্ত সুতো আমদানির প্রতিবাদে দেশটির স্পিনিং মিল মালিকরা দেশব্যাপী (Textile Industry) উৎপাদন বন্ধের হুমকি দিয়েছেন। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের টেক্সটাইল সরবরাহ শৃঙ্খলের দুর্বলতা স্পষ্ট করে তুলেছে এবং বিনিয়োগকারীদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরছে, বাণিজ্য কাঠামোর পরিবর্তন ও ভারতীয় সুতো সরবরাহকারীদের ওপর বাড়তে থাকা নির্ভরতার সুযোগ কি ভারতীয় টেক্সটাইল প্রস্তুতকারীরা নিতে পারবেন?

    স্পিনিং শিল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে (Bangladesh)

    বাংলাদেশের স্পিনিং শিল্প ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশজুড়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে, কারণ সরকার যদি সুতো আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহার না করে, সে ক্ষেত্রে মিল মালিকরা তাঁদের কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। এই সঙ্কটের সূত্রপাত বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যের সুতো আমদানি থেকে, যার বড় অংশই ভারত থেকে আসে। এর ফলে দেশের স্পিনিং শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্যমন্ত্রক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নীতিমালা পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করায় স্পিনিং মিল মালিকদের সঙ্গে সরকারের বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে (Bangladesh)। একই সঙ্গে জ্বালানি সঙ্কটও এই শিল্পকে চাপে ফেলেছে। গত তিন থেকে চার মাস ধরে অনিয়মিত গ্যাস সরবরাহ এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে সরব হয়েছেন টেক্সটাইল মিল মালিকরা (Textile Industry)।

    ৫০টির বেশি স্পিনিং মিল বন্ধ

    এই সঙ্কটের ফলে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে এবং স্পিনিং মিলগুলির উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ৫০টির বেশি স্পিনিং মিল বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার ফলে হাজার হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাজারে সস্তা ভারতীয় সুতোর জোগান বেড়ে যাওয়ায় ১২ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সুতো অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মিল মালিকদের দাবি, জ্বালানি, ঋণের সুদ এবং ভ্যাট অব্যাহতির অভাবের কারণে তাঁরা আমদানি করা সুতোর সঙ্গে দামে এঁটে উঠতে পারছেন না। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে, শুল্কমুক্ত সুতো আমদানি বন্ধ করা, ভর্তুকিমূল্যে গ্যাস সরবরাহ করা, সুদের হার কমানো এবং ট্যাক্স হলিডে দেওয়া।

    রফতানিকারীদের বক্তব্য

    এদিকে, পোশাক রফতানিকারীরা শুল্কমুক্ত আমদানি বন্ধের যে কোনও উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, দেশীয় সুতো, বিশেষ করে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের তুলোর সুতো দামে অনেক বেশি এবং অনেক সময় মানের দিক থেকেও নিম্ন। রফতানিকারীদের মতে, আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ডগুলির কাছে ভারতীয় সুতো বেশি নির্ভরযোগ্য (Bangladesh)। সতর্ক করে দিয়ে তাঁরা বলেন, “যদি আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়, তবে বাংলাদেশের রফতানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশটির প্রতিযোগিতার (Textile Industry) ক্ষমতা কমে যাবে।

    ভারতীয় সুতোর ওপর টিকে বাংলাদেশের বস্ত্র-শিল্প

    ২০২৫ সালে বাংলাদেশ প্রায় ৭০ কোটি কেজি সুতো আমদানি করেছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশই এসেছে ভারত থেকে। এ থেকে এটি স্পষ্ট যে, বাংলাদেশ ভারতীয় সুতোর ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। বাংলাদেশ যদি শুল্কমুক্ত আমদানি বন্ধ করে দেয় বা স্পিনিং মিলগুলি বন্ধ হয়ে যায়, তবে পোশাক শিল্পের জন্য সুতো আমদানির প্রয়োজন থেকেই যাবে। সে ক্ষেত্রে ভারতীয় সুতো, বিশেষ করে তুলো ও ব্লেন্ডেড সুতোর চাহিদা ও দাম উভয়ই বাড়তে পারে। স্বল্পমেয়াদে ভারতীয় টেক্সটাইল সংস্থাগুলি লাভবান হতে পারে। তারা বেশি অর্ডার পেতে পারে এবং ভালো দামে বিক্রি করতে পারে। ভারতের স্পিনিং মিল ও সমন্বিত টেক্সটাইল সংস্থাগুলির উৎপাদন ও বিক্রয়মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সব কিছু নির্ভর করবে এই বিষয়ের ওপর যে, বাংলাদেশ সরকার দেশীয় স্পিনিং শিল্প রক্ষায় আমদানি বন্ধ করে কি না (Textile Industry), নাকি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে সস্তা সুতো আমদানি অব্যাহত রাখে (Bangladesh)।

  • Daily Horoscope 28 January 2026: মনোবল বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 28 January 2026: মনোবল বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ।

    ২) একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) কাজে সতর্ক থাকুন।।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত থাকবেন।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) নিজের কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) কাজে ভালো প্রদর্শন করতে পারবেন, যার ফলে জীবনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) কাজের দুষ্পরিণাম থেকে সতর্ক থাকুন।

    ৩) বিরোধীদের থেকে দূরে থাকুন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) কাজে অধিক সময় কাটাবেন।

    ৩) ব্যবসায়ে কিছু সমস্যা উৎপন্ন হতে পারে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কাজকর্মে সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) বরিষ্ঠরা আপনার কর্মশৈলী দেখে খুশি হবেন, আপনি তাঁদের প্রভাবিত করতে সফল হবেন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) আজ জীবনে একাধিক সুখপূর্ণ ও অদ্ভূত ঘটনা ঘটবে।

    ৩) কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) কাজে মনোনিবেশ করা জরুরি।

    ৩) জীবনযাপন প্রণালী পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কাজে বড়সড় সাফল্য পাবেন।

    ৩) প্রচুর পরিমাণে অর্থ লাভ হবে।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত কঠিন।

    ২) কাজে মনোনিবেশ করুন।

    ৩) ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কাজে সফল হবেন, মনোবল বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সতর্ক থাকুন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) সাধারণ কাজকর্মেও একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 567: “মায়ের ছেলের উপর টান, সতীর পতির উপর টান, বিষয়ীর বিষয়ের উপর টান”

    Ramakrishna 567: “মায়ের ছেলের উপর টান, সতীর পতির উপর টান, বিষয়ীর বিষয়ের উপর টান”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২রা সেপ্টেম্বর
    শ্রীযুক্ত ডাক্তার ভগবান রুদ্র ও ঠাকুর রামকৃষ্ণ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ডাক্তারের প্রতি— আবার এমনি অবস্থা, যদি কেউ বললে, ‘কমে গেছে’ তো অমনি অনেকটা কমে যায়। সেদিন ব্রাহ্মণী বললে, ‘আট-আনা কমে গেছে’ — অমনি নাচতে লাগলুম!

    ঠাকুর ডাক্তারের স্বভাব দেখিয়া সন্তুষ্ট হইয়াছেন। তিনি ডাক্তারকে বলিতেছেন, ‘তোমার স্বভাবটি বেশ। জ্ঞানের দুটি লক্ষণ—শান্ত ভাব, আর অভিমান থাকবে না।”

    মণি—এঁর (ডাক্তারের) স্ত্রী-বিয়োগ হয়েছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি)—আমি বলি, তিন টান হলে ভগবানকে পাওয়া যায়। মায়ের ছেলের উপর টান, সতীর পতির উপর টান, বিষয়ীর বিষয়ের উপর টান।

    “যা হোক, আমার বাবু এটা ভাল করো (Kathamrita)!”

    ডাক্তার এইবার অসুখের স্থানটি দেখিবেন। গোল বারান্দায় একখানি কেদারাতে ঠাকুর বসিলেন। ঠাকুর প্রথমে ডাক্তার সরকারের কথা বলিতেছেন, “শ্যালা, যেন গরুর জিব টিপলে!”

    ভগবান (Ramakrishna)—তিনি বোধ হয় ইচ্ছা করে ওরূপ করেন নাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—না, তা নয় খুব ভাল করে দেখবে বলে টিপেছিল।

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২০শে ও ২৪শে সেপ্টেম্বর

    অসুস্থ শ্রীরামকৃষ্ণ ও ডাক্তার রাখাল—ভক্তসঙ্গে নৃত্য

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে নিজের ঘরে বসিয়া আছেন। রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ; ৫ই আশ্বিন; শুক্লা একাদশী। নবগোপাল, হিন্দু স্কুলের শিক্ষক হরলাল, রাখাল, লাটু প্রভৃতি; কীর্তনীয়া গোস্বামী; অনেকেই উপস্থিত।

    বহুবাজারের রাখাল ডাক্তারকে সঙ্গে করিয়া মাস্টার আসিয়া উপস্থিত; ডাক্তারকে ঠাকুরের অসুখ দেখাইবেন।

    ডাক্তারটি ঠাকুরের গলায় কি অসুখ হইয়াছে দেখিতেছেন (Kathamrita)। তিনি দোহারা লোক; আঙুলগুলি মোটা মোটা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে, ডাক্তারের প্রতি—যারা এমন এমন করে (অর্থাৎ কুস্তি করে) তাদের মতো তোমার আঙুল। মহেন্দ্র সরকার দেখেছিল কিন্তু জিভ এমন জোরে চেপেছিল যে ভারী যন্ত্রণা হয়েছিল; যেমন গরুর জিভ চেপে ধরেছে।

    রাখাল ডাক্তার—আজ্ঞা, আমি দেখছি আপনার কিছু লাগবে না।

  • Calcutta High Court: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজ নিয়ে রাজ্যের গাফিলতিতে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে রাজ্যকে সীমান্তবর্তী ন’টি জেলায় কাঁটাতার বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় জমি বিএসএফের (BSF) হাতে তুলে দিতে হবে। আদালত জানিয়েছে, এই জমি অধিগ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই টাকা মিটিয়ে দিয়েছে এবং অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে। অথচ এখনও পর্যন্ত সেই জমি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। অবিলম্বে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়ে আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার অজুহাত আর গ্রহণযোগ্য নয়।

    জমি অধিগ্রহণ (Calcutta High Court)

    এছাড়া যে সব জমির অধিগ্রহণ এখনও রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, সে সংক্রান্ত বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বক্তব্য শোনার পর আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় জমি অধিগ্রহণ সম্ভব কি না, সে বিষয়ে সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি। এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন প্রাক্তন সেনাকর্মী সুব্রত সাহা। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে অবস্থিত ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের একাংশ দিয়ে অবাধে বেআইনি চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ চলছে এবং সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় তার দায় রাজ্যের ওপরই বর্তায়। এর আগের শুনানিতে রাজ্যের জমি অধিগ্রহণ দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। মঙ্গলবার রাজ্য সরকার জানায়, সীমান্তে জরুরি ভিত্তিতে কাঁটাতার বসানোর জন্য কেন্দ্র যে ১৮১ কিলোমিটার জমির অধিগ্রহণ বাবদ অর্থ দিয়েছে, সেই জমি আগামী মার্চ মাসের মধ্যেই বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত ৩১ মার্চকে ডেডলাইন হিসেবে স্থির করে দেয়।

    আদালতের প্রশ্ন

    এই মামলায় অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী আদালতে জানান, বিষয়টি সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। আইন অনুযায়ী জেলা কালেক্টর জরুরি পরিস্থিতিতে জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মামলাকারীর আইনজীবী তখন উল্লেখ করেন, ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করা যায়। তবে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, “যতই জরুরি অবস্থা হোক, কালেক্টর কি এককভাবে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন? (BSF)” রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান (Calcutta High Court), ২০১৩ সালের নির্দিষ্ট জমি অধিগ্রহণ নীতিকে অগ্রাহ্য করে রাজ্যের পক্ষে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। প্রধান বিচারপতি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা সত্ত্বেও অধিগ্রহণ না হলে কেন ৪০ নম্বর ধারা প্রয়োগ করা হচ্ছে না?”

    জমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ টাকা পাওয়া সত্ত্বেও বিএসএফের হাতে জমি হস্তান্তর না হওয়ার বিষয়ে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। যদিও কিছু জেলায় এক–দু’মাস অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মে মাসে, জলপাইগুড়িতে জুনে এবং মুর্শিদাবাদে জুন মাসের মধ্যে জমি হস্তান্তরের কথা জানানো হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় ঘন ঘন জমির মালিকানা বদলের কারণেই এই বিলম্ব হচ্ছে বলে আদালতে দাবি করে রাজ্য। পাশাপাশি, বাকি যে জমিগুলি অধিগ্রহণ করা প্রয়োজন, সেগুলিও বর্তমানে প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে জানানো হয়েছে (Calcutta High Court)।

     

  • All Party Meet: সর্বদলীয় বৈঠকে বিরোধীদের দাবি উড়িয়ে দিল সরকার

    All Party Meet: সর্বদলীয় বৈঠকে বিরোধীদের দাবি উড়িয়ে দিল সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার শুরু হবে সংসদের বাজেট অধিবেশন। তার ঠিক আগের দিন মঙ্গলবার বিরোধীদের ভি বি-জি রাম জি আইন (VB-G RAM G Act) এবং এসআইআর (SIR) নিয়ে আলোচনার দাবি নাকচ করে দিল সরকার (All Party Meet)। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, “এই দুই বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই সংসদের উভয় কক্ষে আলোচনা হয়েছে এবং এখন আর পিছিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই নেই।” বাজেট অধিবেশনের প্রাক্কালে সরকারের তরফে ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকের পর এমন মন্তব্য করেন রিজিজু।

    বিরোধীদের বক্তব্য (All Party Meet)

    বৈঠকে কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ এবং সিপিআই(এম)-এর জন ব্রিটাস-সহ বিরোধী সদস্যরা অধিবেশনের জন্য সরকারের প্রস্তাবিত কাজের তালিকা এখনও বিলি না হওয়ায় আপত্তি জানান। মন্ত্রী বলেন, “যথাসময়ে তা বিতরণ করা হবে।” সূত্রের খবর, বিরোধীরা পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর, কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা সংক্রান্ত ভি বি-জি রাম জি আইন, যা এমজিএনরেগা প্রকল্পের পরিবর্তে আনা হয়েছে, ভারতীয় পণ্যের ওপর আমেরিকার আরোপিত শুল্ক, বিদেশনীতি, বায়ুদূষণ, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনার দাবি তোলেন। ভি বি-জি রাম জি আইন নিয়ে বিরোধীদের আপত্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “একবার কোনও আইন জাতির সামনে এলে, তা মানতেই হবে। আমরা গিয়ার উল্টো করে আবার পিছনে যেতে পারি না।”

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    তিনি বলেন, “বিরোধী সাংসদরা একাধিক বিষয় উত্থাপন করেছেন এবং সেগুলি রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাজেট নিয়ে আলোচনার সময় তোলা যেতে পারে। এটি বছরের প্রথম অধিবেশন। সাধারণত রাষ্ট্রপতির ভাষণের পরেই সরকারের কাজের তালিকা প্রকাশ করা হয়। তবুও আমি তা প্রকাশ করতে প্রস্তুত এবং আধিকারিকদের নির্দেশও দিয়েছি।” মন্ত্রী জানান, এটি কোনও বড় সমস্যা নয় এবং সংসদ নির্বিঘ্নে চালানোই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর নিয়ে আলাদা আলোচনা চাওয়ার দাবির জবাবে রিজিজু বলেন, “গত অধিবেশনে সংসদের উভয় কক্ষে নির্বাচন সংস্কার নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে এবং তখন বিরোধীরাই এই বিষয়টি তুলেছিলেন। আবার নতুন করে বিতর্কের দাবি তাই অপ্রয়োজনীয় (All Party Meet)।” তিনি সংসদ সদস্যদের আবেদন জানিয়ে বলেন, “সবাই যেন নিজেদের বিষয় তুলে ধরেন, তবে সংসদের কাজকর্মে যেন কোনও বিশৃঙ্খলা না হয় (SIR)।

    সরকারের পক্ষ থেকে সমস্ত সম্মানীয় সদস্যদের কাছে আমার আন্তরিক আবেদন, আমরা সংসদীয় গণতন্ত্রে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি এবং জনগণের হয়ে কথা বলার দায়িত্ব আমাদের। কথা বলার অধিকার প্রয়োগের পাশাপাশি অন্য রাজনৈতিক দলের সদস্যদের কথাও শোনার দায়িত্বও আমাদের রয়েছে।” তিনি জানান, গত অধিবেশনে নির্বাচন সংস্কার নিয়ে আলোচনার সময় এসআইআর বিষয়টি নিয়ে ম্যারাথন আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “সব সদস্যকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল এবং রাজনৈতিক দলগুলি তাদের বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে তুলেও ধরেছিল (All Party Meet)।”

  • Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান! বিহারে গ্রেফতার সরকারি স্কুলের শিক্ষক

    Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান! বিহারে গ্রেফতার সরকারি স্কুলের শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) পাকিস্তানের পক্ষে স্লোগান তুলে গ্রেফতার হলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের (Bihar) সুপৌলের অভুয়ার হাইস্কুলে। ধৃত শিক্ষকের নাম মনসুর আলম। জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের দিয়ে তিনি ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান তুলিয়েছিলেন। এমনকী তিনি নাকি দাবি করেন, পাকিস্তান হল ‘জন্নত’। পরে স্কুলের হেডমাস্টারের অভিযোগের ভিত্তিতে মনসুরকে গ্রেফতার করে।

    কী ঘটেছিল সুপৌলের স্কুলে

    প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে স্কুলের অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত গাইছিল পড়ুয়ারা। এরপরে মনসুর আলম ‘মহম্মদ জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান তোলেন। তাঁকে অনুসরণ করে পড়ুয়ারাও সেই স্লোগান তোলেন। অনুষ্ঠানের সময় স্থানীয় বাসিন্দা এবং স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকরা সেই ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েন। এরপর স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানান তাঁরা। পরে হেডমাস্টার ধনঞ্জয় তিওয়ারি পুলিশ ডাকেন। এদিকে ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে যায় ততক্ষণে। স্কুলে জড়ো হয় আরও মানুষজন। স্টেশন হাউজ অফিসার জ্ঞান রঞ্জন কুমার পুলিশের দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আলমকে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। পরে হেডমাস্টার আনুষ্ঠানিক ভাবে অভিযোগ দায়ের করেন আলমের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় সেই শিক্ষককে। বর্তমানে সেই শিক্ষককে জেরা করা হচ্ছে।

    পড়ুয়াদের প্রাভাবিত করার চেষ্টা

    স্কুলের পড়ুয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, সেই শিক্ষক নাকি পাকিস্তানকে ‘জন্নত’ বলে দাবি করেছিলেন এবং কিছু পড়ুয়াকে প্রাভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন। তদন্তকারীরা জানান, এর আগেও আলমের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের কট্টরপন্থী করার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে বিহারের বিভিন্ন স্থানে স্বাধীনতা দিবস বা প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানপন্থী স্লোগান তোলা হয়েছে। অনেক জায়গায় পাকিস্তানের পতাকা পর্যন্ত তোলা হয়েছে। ২০১৬ সালে নালান্দা জেলার বিহারশরিফ শহরে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। সেই মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে পূর্ণিয়া জেলার মধুবনির একটি বাড়ি থেকে তিনটি পাকিস্তানি পতাকা উদ্ধার করা হয়েছিল। এর আগে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বিহারের ভোজপুরে পাকিস্তানপন্থী স্লোগান তুলে ৫ জন গ্রেফতার হয়েছিল।

  • Bangladesh Cricket: ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গেই! নাজমুলকে ফের সসম্মানে পদে বহাল বিসিবি-র

    Bangladesh Cricket: ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গেই! নাজমুলকে ফের সসম্মানে পদে বহাল বিসিবি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেভাবে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশবাসীর বিশ্বাসভঙ্গ হচ্ছে, তেমনই বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করল বিসিবি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (Bangladesh Cricket Board) বিতর্কিত পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে (M Najmul Islam) ফের আর্থিক কমিটির চেয়ারম্যান পদে ফিরিয়ে আনল বিসিবি। মাত্র কয়েক দিন আগেই তাঁকে সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছিল। এম নাজমুল ইসলাম তামিম ইকবালকে ‘ভারতের দালাল’ বলায় তাঁর পদত্যাগ চেয়েছিলেন সে দেশের ক্রিকেটাররা। প্রতিবাদে এক দিন বন্ধ থাকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খেলা। চাপের মুখে তাঁকে বহিষ্কার করে বিসিবি। সেই নাজমুলকেই আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

    ফিরলেন নাজমুল

    ১৫ জানুয়ারি প্রবল চাপের মুখে এম নাজমুল ইসলামকে আর্থিক কমিটির চেয়ারম্যান-সহ সব দায়িত্ব থেকে অপসারিত করা হয়। সেই সময় বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল (Aminul Islam Bulbul) জানিয়েছিলেন, ‘সংস্থার স্বার্থে এবং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার জন্যই’এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু এরপর নাজমুলের বিরুদ্ধে জারি হওয়া শো-কজ নোটিসের জবাব খতিয়ে দেখে বিসিবির শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। কমিটির মতে, তাঁর ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক’। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ফের দায়িত্বে ফেরানো হয় তাঁকে। আমজাদ হোসেনের কথায়, ‘নাজমুল ইসলাম তাঁর শো-কজের জবাব জমা দিয়েছেন। শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তা খতিয়ে দেখে সন্তুষ্ট!’ এই ঘটনাটি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    বিতর্কের সূত্রপাত

    এই সিদ্ধান্তের শিকড়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য। এম নাজমুল ইসলাম প্রাক্তন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালকে (Tamim Iqbal) ফেসবুক পোস্টে ‘পরীক্ষিত ভারতীয় দালাল’ বলে আক্রমণ করেন। যা চাপের মুখে তিনি মুছেও ফেলেন। অন্যদিকে তামিম জানিয়ে দেন, টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পেলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎকেই অগ্রাধিকার দিতেন। পাশাপাশি উঠতে থাকা বিতর্কের মুখে না থেমে নাজমুল দাবি করেন, বিশ্বকাপ বয়কট হলে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত নয়। এমনকি মাঠে খারাপ খেললে বোর্ডেরও টাকা ফেরত চাওয়ার অধিকার থাকা উচিত। এমন মন্তব্য, স্বভাবতই, আগুনে ঘি ঢালে। মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ দেখান ক্রিকেটাররা। খেলোয়াড়দের সংগঠন সিডব্লিউএবি-এর (CWAB) সভাপতি মহম্মদ মিঠুন (Mohammad Mithun) নাজমুলের পদত্যাগ দাবি করেন। সেই সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্ত (Najmul Hossain Shanto), মেহেদি হাসান মিরাজ-সহ (Mehidy Hasan Miraz) একাধিক তারকা ক্রিকেটার বয়কট করেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (Bangladesh Premier League)। এর জেরে অধিকাংশ ম্যাচ স্থগিত হয়, একসময় বিসিবি অনির্দিষ্টকালের জন্য টুর্নামেন্ট বন্ধের ঘোষণাও করে। পরে বোর্ড ও ক্রিকেটারদের বৈঠকের পর নির্দিষ্ট শর্তে খেলায় ফেরেন ক্রিকেটাররা। সেই সময়ই নাজমুলের বিরুদ্ধে শো-কজ জারি হয়। তবে নাজমুলের পুনর্বহালের পর, বোর্ড প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় ক্রিকেটারদের অসহায় মনে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক খেলোয়াড় নাজমুলের পুনর্বহালের খবর শুনে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘‘এটা তো খুবই ভালো খবর! এতেই বোঝা যাচ্ছে এখানে সব কিছু কীভাবে হচ্ছে।’’ তাঁর কথা থেকেই স্পষ্ট, বিসিবি’র উপর আস্থা হারাচ্ছেন তাঁরা।

LinkedIn
Share