Tag: bangla news

bangla news

  • Daily Horoscope 25 August 2025: পেটের কষ্ট বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 25 August 2025: পেটের কষ্ট বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

     

    মিথুন

     

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

     

    কর্কট

     

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

     

    কন্যা

     

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেখা দেবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

     

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

     

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

     

    ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

     

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 451: ঠাকুর দেবেন্দ্রর বাড়ি যাইতেছেন দক্ষিণেশ্বরে

    Ramakrishna 451: ঠাকুর দেবেন্দ্রর বাড়ি যাইতেছেন দক্ষিণেশ্বরে

    ঠাকুর গাড়ি করিয়া নিমগড়, স্বামীর গলিতে, দেবেন্দ্রর বাড়িতে যাইতেছেন। সঙ্গে ছোট নরেন, মাস্টার, আরও দুই-একজন ভক্ত। পূর্ণর কথা কইতেছেন, পূর্ণর জন্য ব্যাকুল হইয়া আছেন।

    শ্রী রামকৃষ্ণ: খুব আস্থা। তা না হলে ওর জন্য চাকরি জুটিয়ে দিতেন? ও তো এসব কথা জানে না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ মাস্টারের প্রতি “খুব আধার, তা না হলে ওর জন্য জপ করিয়ে নিলে — ও তো এসব কথা জানে না।”

    মাস্টার ও ভক্তেরা অবাক হয়ে শুনিতেছেন যে ঠাকুর পূর্ণর জন্য বীজমন্ত্র জপ করিয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ: “আজ তাকে আনলেই হত, আনলে না কেন?”

    ছোট নরেনের হাসিতে কী আর! ঠাকুর-ভক্তেরা সকলে হেসে উঠিতেছেন। ঠাকুর আনন্দে তাহাকে দেখাইয়া মাস্টারকে বলিতেছেন:

    “দেখো দেখো, ন্যাকা ন্যাকা হাসে, যেন কিছু জানে না — কিন্তু মনের ভিতর কিছু নাই। তিনটি মনে নাই: কামিনী, কাঞ্চন। মন থেকে একেবারে না গেলে ভগবান-লাভ হয় না।”

    ঠাকুর দেবেন্দ্রর বাড়ি যাইতেছেন দক্ষিণেশ্বরে। দেবেন্দ্রকে একদিন বলিতে ছিলেন, “একদিন মনে করেছি তোমার বাড়িতে যাব।” দেবেন্দ্র বলিয়াছিলেন, “আমিও তাই বলবার জন্য আজ এসেছি। এই রবিবারে যেতে হবে।” ঠাকুর বলিলেন, “কিন্তু তোমার আয় কম, বেশি লোক বলো না, আর গাড়িভাড়া বড় বেশি।”

    দেবেন্দ্র হাসিয়া বলিয়াছিলেন, “তাই কম হলেই বা! ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেত্।” অর্থাৎ, ধার করে ঘি খাবে, ঘি খাওয়া চাই।

    ঠাকুর এই কথা শুনিয়া হাসিতে লাগলেন, হাসি আর থামেনা।

    কেউ পরে বাড়িতে পৌঁছাইয়া বলিতেছেন, “দেবেন্দ্র, আমার জন্য খাবার কিছু করো না, অমনি সামান্য শরীর তত ভালো নয়।”

  • Pakistan: “১৯৭১-এর ঘটনা নিয়ে ক্ষমা চাইব না”, বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে সাফ জানিয়ে দিলেন পাক মন্ত্রী

    Pakistan: “১৯৭১-এর ঘটনা নিয়ে ক্ষমা চাইব না”, বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে সাফ জানিয়ে দিলেন পাক মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১-এর (Bangladesh) ঘটনা নিয়ে ক্ষমা চাইবেন না তাঁরা। রবিবার ফের একবার তা স্পষ্ট করে দিলেন পাকিস্তানের (Pakistan) উপপ্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দার। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এসব অতীতেই ফয়সালা হয়ে গিয়েছে। তাই নতুন করে আলোচনার আর সুযোগ নেই। বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়েই দ্ব্যর্থহীনভাবে কথাগুলি বললেন দার।

    মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ বাঙালিকে হত্যা (Pakistan)

    প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ বাঙালিকে হত্যা করেছিল পাক সেনা। সেই বছর শুধু ২৫ মার্চ রাতেই ‘অপারেশন সার্চ লাইটে’র নামে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই খুন করা হয় ২৫ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশিকে। তার পর এতদিন কেটে গেলেও, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের জন্য আজও ক্ষমা চায়নি পাকিস্তান। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে বাংলাদেশের এক মন্ত্রীর সামনে কথাগুলি বললেও, পাক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ দেখা যায়নি বাংলাদেশে। মৃদু প্রতিবাদ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। এই সরকারেরই বিদেশ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, “পাক বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ চায় ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পাক বাহিনীর নৃশংসতার জন্য ক্ষমা চাক পাকিস্তান। আর্থিক ক্ষতিপূরণ করুক।”

    পাক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও প্রতিবাদও হল না!

    বঙ্গভূমে দাঁড়িয়ে ক্ষমা চাওয়ার প্রসঙ্গে দারের সোজাসাপটা জবাব দেওয়ার পরেও, তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামির আমির শফিকুর রহমান। শনিবারই দারের সঙ্গে দেখা করেন বিএনপির প্রথমসারির নেতারা। রবিবার রাতে পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার আগে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার কথা দারের। একাত্তরের গণহত্যার (Bangladesh) জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি নস্যাৎ করায় অনেকেই ভেবেছিলেন ঢাকায় বিক্ষোভের মুখে পড়বেন পাক বিদেশমন্ত্রী। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে সৌজন্য সাক্ষাৎ কর্মসূচি বাতিল করবেন বিএনপি সুপ্রিমো। কিন্তু সেসব কিছুই হল না। শনিবার দু’দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন দার। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি ও পাঁচটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, দার (Pakistan) এদিন সাফ জানিয়ে দেন, ১৯৭১ সালের অমীমাংসিত বিষয়গুলির সমাধান করা হয়েছিল দু’বার – প্রথমবার ১৯৭৪ সালে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে। তিনি বলেন, “পরে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি পারভেজ মোশারফ ঢাকা সফরের সময় প্রকাশ্যে খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে গণহত্যার বিষয়টি ফের নিষ্পত্তি করেছিলেন (Pakistan)।”

  • Sanskrit Language: বিশ্বের বিস্ময় সংস্কৃত, অথচ ভারতেই উপেক্ষিত সেই ভাষা!

    Sanskrit Language: বিশ্বের বিস্ময় সংস্কৃত, অথচ ভারতেই উপেক্ষিত সেই ভাষা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংস্কৃত (Sanskrit Language), অতুলনীয় গণিতিক ও মানসিক পরিপূর্ণতার একটি ভাষা। এটি বিশ্বের সত্যিকারের বিস্ময়গুলির মধ্যে অন্যতম (World)। এর গভীর প্রভাব এবং অনন্য বৈশিষ্ট্য বৈশ্বিক স্বীকৃতি লাভ করেছে। কিন্তু মাতৃভূমি ভারতেই আজও যথাযথ স্বীকৃতির জন্য সংগ্রাম করছে এই ভাষা। মহর্ষি পাণিনি প্রাচীন ভারতের এক খ্যাতনামা সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ, যুক্তিবিদ ও ভাষাবিদ। তিনি ঘোষণা করেছিলেন, “যে আমার ব্যাকরণ জানে, সে ঈশ্বরকেও জানে।” তিনি আরও বলেছিলেন, “যে ভাষার প্রকৃত উৎস পর্যন্ত পৌঁছতে চায়, সে অবশ্যম্ভাবীভাবে সর্বজ্ঞানে পৌঁছবে।” এই ঘোষণার সত্যতা আজও অটল। কারণ কোনও ভাষাই আধুনিক কম্পিউটেশনাল ভাষাবিজ্ঞানের সঙ্গে এত সুসংবদ্ধভাবে খাপ খায়নি, যতটা সংস্কৃত খাপ খায়। এর ব্যাকরণিক গঠন পদ্ধতিগত ও দ্ব্যর্থহীন হওয়ার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে।

    সংস্কৃতের বৈশ্বিক স্বীকৃতি (Sanskrit Language)

    সংস্কৃতের বৈশ্বিক স্বীকৃতি নতুন কিছু নয়। ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনকালে অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রতিভাবান পণ্ডিত স্যার উইলিয়াম জোন্স বাংলার ফোর্ট উইলিয়ামসের সুপ্রিম কোর্ট অফ জুডিকেচারের বিচারপতি হিসেবে ভারতে আসেন। তিনি মাত্র ছ’বছরের মধ্যেই ভাষাটি রপ্ত করে ফেলেছিলেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ, “যে দেবনাগরী অক্ষরে সংস্কৃত লেখা হয়, তা প্রায় সমস্ত ধ্বনির প্রকাশের জন্য উপযুক্ত। প্রতিটি অক্ষরের রয়েছে স্থির এবং পরিবর্তনশীল উচ্চারণ।” সংস্কৃতের প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, “গ্রিকের চেয়ে অধিক পরিপূর্ণ, ল্যাটিনের চেয়ে অধিক সমৃদ্ধ এবং উভয়ের চেয়ে অধিক সূক্ষ্মরূপে শুদ্ধ; তবু এর শেকড় এবং ব্যাকরণিক রূপ উভয়ের সঙ্গেই এমন শক্তিশালী সাদৃশ্য বহন করে যা কেবল কাকতালীয় হতে পারে না। এতটাই শক্তিশালী যে কোনও ভাষাবিদ এদের পরীক্ষা করে এ কথা অস্বীকার করতে পারবেন না যে এদের উৎস সংস্কৃতের সঙ্গেই অভিন্ন।”

    ম্যাক্স মুলারের বক্তব্য

    জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী ও প্রাচ্যবিদ ম্যাক্স মুলার বলেছিলেন, “যদি (Sanskrit Language) আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয় কোন আকাশের নীচে মানব মস্তিষ্ক সর্বাধিক বিকশিত হয়েছে, সর্ববৃহৎ সমস্যাগুলি নিয়ে চিন্তা করেছে এবং তাদের মধ্যে কিছু সমস্যার সমাধানও খুঁজে পেয়েছে— এমনকি যাঁরা প্লেটো ও কান্টকেও অধ্যয়ন করেছেন তাঁদের কাছেও— তবে আমাকে ভারতের দিকেই ইঙ্গিত করতে হবে (World)।” মুলার ঋগ্বেদ অনুবাদ করেছিলেন। রচনা করেছিলেন “প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস”। বর্তমানে সংস্কৃত পড়ানো হয় অস্ট্রেলিয়া, উত্তর আমেরিকা, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ব্রিটেন, ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি, রাশিয়া, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড, জাপান, থাইল্যান্ড এবং চিনেও। এর এই বৈশ্বিক প্রবণতা ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। সেটি হল, দেশে সংস্কৃত প্রচার ও প্রসারে আরও দৃঢ় প্রতিশ্রুতি গড়ে তোলার। ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিকভাবে, সংস্কৃতকে গ্রিক, ল্যাটিন এবং পার্সি ভাষার দিদি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। একে আত্মীয় বলা হয় ইংরেজি, ফরাসি ও রুশ ভাষার।

    জওহরলাল নেহরুর বক্তব্য

    ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু বলেছিলেন, “যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ কী এবং তার সবচেয়ে গৌরবময় ঐতিহ্য কোনটি, তবে আমি নির্দ্বিধায় উত্তর দেব— সেটি হল সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য এবং এর সমস্ত দাবি। এটি এক মহিমান্বিত উত্তরাধিকার, এবং যতদিন এটি টিকে থাকবে ও আমাদের জাতির জীবনে প্রভাব বিস্তার করবে, ততদিন ভারতের মৌলিক প্রতিভা অটুট থাকবে (World)।” সংস্কৃত সমস্ত ইন্দো-আর্য ভাষার জননী (Sanskrit Language)। এই পবিত্র ভাষায়ই রচিত হয়েছিল চারটি বেদ, পুরাণ, উপনিষদ, বাল্মীকির রামায়ণ, বেদব্যাসের মহাভারত এবং ভগবদ্ গীতা। স্বামী বিবেকানন্দ ভগবদ্ গীতা সম্পর্কে বলেছিলেন, “এটি উপনিষদের উদ্যান থেকে তোলা সুন্দর ফুলের তোড়া।” জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী প্রতিদিন ভগবদ্ গীতা পাঠ করতেন। তিনি বলেছিলেন, “যদি আমি গীতা অধ্যয়ন না করতাম, তবে ভারতের স্বাধীনতার সংগ্রামে সাহস না দেখাতে পারায় আমি পাগল হয়ে যেতাম।” কালিদাস, বাণভট্ট ও দণ্ডীর শাস্ত্রীয় রচনাগুলিও সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়েছিল। শঙ্করাচার্য, রামানুজ, মাধবাচার্য এবং বল্লভাচার্যের গভীর শিক্ষাগুলিও প্রকাশ পেয়েছিল সংস্কৃতে।

    কেন বিশ্বের বিস্ময়

    বিশ্বখ্যাত আধ্যাত্মিক নেতা এবং ক্রিয়া যোগের দূত পরমহংস যোগানন্দ সংস্কৃতের মানবদেহের ওপর গভীর প্রভাবের কথা বলতে গিয়ে বলেছিলেন, “সংস্কৃত বর্ণমালার ৫০টি ধ্বনি ‘সহস্রার’ (মস্তিষ্কে অবস্থিত সহস্রদল পদ্ম, যা মহাজাগতিক শক্তি গ্রহণের কেন্দ্র) এর পাপড়িতে বিদ্যমান। সংস্কৃত বর্ণমালার ধ্বনিগুলি আমাদের শারীরিক দেহের ৭২,০০০ ‘নাড়ি’ (স্নায়ু) কে প্রভাবিত করে (Sanskrit Language)।” সংস্কৃতকে কেন বিশ্বের বিস্ময়গুলির মধ্যে একটি বলা হয়, তার উত্তর পেতে গেলে আমাদের পড়তে হবে সপ্তদশ শতকের কাঞ্চিপুরমের কবি ভেঙ্কটাধ্বরির অসাধারণ লেখনীটি। তিনি “রাঘব্যাদ্বীয়ম্” নামে একটি অনন্য গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। বইটিতে মাত্র ৩০টি শ্লোক (দ্বিপদী) ছিল। এই রচনাটি বিস্ময়কর। কারণ, যখন শ্লোকগুলি বাম থেকে ডানদিকে (অনুলোমে) পড়া হয়, তখন সেখানে রামকথা বর্ণিত হয় (World)। আর একই শ্লোকগুলিকে ডান থেকে বাঁদিকে (বিলোমে) পড়া হলে সেখানে কৃষ্ণকথা বর্ণিত হয়। অর্থাৎ, মাত্র ৩০টি শ্লোক থেকে তিনি সৃষ্টি করেছিলেন ৬০টি ভিন্ন কাহিনি (Sanskrit Language)।

  • S Jaishankar: “ওয়াশিংটনের পাকিস্তান সম্পর্কিত তাদের নিজেদের ইতিহাস ভুলে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে,” তোপ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “ওয়াশিংটনের পাকিস্তান সম্পর্কিত তাদের নিজেদের ইতিহাস ভুলে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে,” তোপ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার মার্কিন প্রচেষ্টার তীব্র সমালোচনা করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শনিবার রাজ্যসভার এই সাংসদ বলেন, “ওয়াশিংটনের পাকিস্তান (Pakistan) সম্পর্কিত তাদের নিজেদের ইতিহাস ভুলে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে।” তিনি মনে করিয়ে দেন যে জঙ্গি ওসামা বিন লাদেনকে ২০১১ সালে পাকিস্তানের সামরিক শহর অ্যাবোটাবাদে পাওয়া গিয়েছিল। তিনি আরও একবার সাফ জানিয়ে দেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার যে দাবি করছেন অপারেশন সিঁদুরের সময় তিনিই ‘পারমাণবিক যুদ্ধ’ ঠেকিয়েছিলেন, তা ঠিক নয়।

    কী বললেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)

    জয়শঙ্কর বলেন, “তাদের মধ্যে একটি ইতিহাস আছে। এবং তারা সেই ইতিহাসকে উপেক্ষা করারও ইতিহাস রাখে। এটা প্রথমবার নয় যে আমরা এই ধরনের ঘটনা দেখছি। মজার বিষয় হল, যখন আপনি কখনও কখনও সেই সার্টিফিকেটগুলি দেখেন যা কেউ সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দেয়, তখন মনে রাখতে হবে, এটাই সেই একই সেনাবাহিনী যারা অ্যাবোটাবাদে গিয়ে আপনি জানেন কাকে খুঁজে পেয়েছিল। আসল বিষয় হল, এই দেশগুলি কেবল সুবিধার রাজনীতি করতে মনোযোগী হয়। তারা বারবার এমনটা করার চেষ্টা করে। এর কিছুটা কৌশলগত হতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে অন্য সুবিধা বা হিসেব-নিকেশও থাকতে পারে।”

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের সম্পর্ক কী বললেন জয়শঙ্কর

    এদিন ইটি ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরামে যোগ দিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)। সেখানে তিনি বলেন, “গত কয়েক মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।  ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তেলের মজুত উন্নয়নের জন্য একটি বড় চুক্তিও ঘোষণা করেছিলেন এবং আরও অনেক কিছু।” তিনি জানান, ট্রাম্প প্রশাসন সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের ভূমিকার স্বীকৃতি দিতে বারবার উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে ইসলামাবাদে (Pakistan) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান সন্ত্রাসবিরোধী আলাপ-আলোচনাও হয়েছে। সেখানে ফের একবার “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যৌথ অঙ্গীকার” করা হয়েছে (S Jaishankar)।

  • Kiren Rijiju: “বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন রাহুল গান্ধী,” তোপ কিরেন রিজিজুর

    Kiren Rijiju: “বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন রাহুল গান্ধী,” তোপ কিরেন রিজিজুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাহুল গান্ধী ( Rahul Gandhi) একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন।” শনিবার কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতিকে এই ভাষায়ই আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুলের বিরুদ্ধে “ভারত-বিরোধী” হিসেবে পরিচিত জর্জ সোরোসের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে কাজ করার অভিযোগও করেন। তিনি অবশ্য এও জানিয়ে দেন, এসব ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশ নিরাপদেই রয়েছে।

    রিজিজুর অভিযোগ (Kiren Rijiju)

    সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিজিজু বলেন, “রাহুল গান্ধী একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন। জর্জ সোরোস বলেছেন যে ভারত সরকারকে অস্থির করতে এক ট্রিলিয়ন ডলার রাখা হয়েছে। কানাডা, আমেরিকা, ব্রিটেন এবং বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠনে বসে থাকা ভারত-বিরোধী খালিস্তানপন্থী শক্তিগুলি দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে। রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস তাদের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে দেশকে দুর্বল করছে। এটি খুবই উদ্বেগজনক। তবে মোদীজির নেতৃত্বে কেউই দেশকে অস্থিতিশীল করতে পারবে না।”

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর তোপ

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর (Kiren Rijiju) অভিযোগ, কংগ্রেস যখনই নির্বাচনে জিততে ব্যর্থ হয়, তখনই তারা ভারত-বিরোধী গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে মিলে যায়। তিনি বলেন, “যখন কংগ্রেস ভোটে জিততে পারে না, তখন তারা এবং ভারতবিরোধী শক্তি মিলে সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আক্রমণ করতে শুরু করে, যাতে সাধারণ মানুষ এই দেশের প্রতিষ্ঠানগুলির ওপর আস্থা হারায়। তারা বারবার বলে এসেছে যে বিচারব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশন বিক্রি হয়ে গিয়েছে, তাদের দুর্বল করার জন্য।” রিজিজু বলেন, “এই ধরনের কাজকর্মের উদ্দেশ্য ছিল দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করা। যখন তারা জাতিকে দুর্বল করার জন্য এবং সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য ষড়যন্ত্র করে, তখন তার ফলশ্রুতিতে আন্দোলন শুরু হয়। তারা বামপন্থী মানসিকতা নিয়ে কাজ করছে।” তিনি (Kiren Rijiju) বলেন, “রাহুল গান্ধী যখন কিছু বলেন, তখন তাঁর দলের সব সাংসদ খুব অস্বস্তি বোধ করেন। তাঁরা ভয় পান, উনি (Rahul Gandhi) হয়তো উল্টোপাল্টা কোনও কথা বলে বসবেন, আর তার ফল ভুগতে হবে পুরো দলকে।”

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দুধর্মের ওপর আক্রমণের ঘটনা, দেখুন এক সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দুধর্মের ওপর আক্রমণের ঘটনা, দেখুন এক সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দুধর্মের ওপর আক্রমণ। পৃথিবীর অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক প্রকার গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ববাসী এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপকতাকে উপেক্ষা করেছে, যার খেসারত দিতে হচ্ছে হিন্দুদের। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত – সব ক্ষেত্রেই বিদ্বেষের শিকার হিন্দুরা। গত ১৭ অগাস্ট থেকে ২৩ অগাস্ট পর্যন্ত সময়ে আমরা এক ঝলকে দেখে নিই বিশ্বজুড়ে ‘ধর্মসংকটে’র ছবিটা (Roundup Week)।

    ছেলেকে খুন (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই আসা যাক ভারতের ক্ষেত্রে। পুলিশ বারাণসীর রামনগর এলাকায় ১০ বছর বয়সি একটি ছেলের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর্দা ফাঁস করেছে। অভিযোগ, প্রেমিক ফয়জানের সাহায্যে ছেলেটিকে খুন করেছে ছেলেটিরই নিজের মা। বাংলাদেশি লেখক আহমেদ হোসেনের একটি লেখায় পাকিস্তানের আন্দোলনকে ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতাবাদ নয়, বরং কৃষক ও নিপীড়িত শ্রেণির জমিদার ও ঔপনিবেশিক শোষণের বিরুদ্ধে “শ্রেণিসংগ্রাম” হিসেবেই দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের পুলিশ কনস্টেবল সোহেল খানের একটি ভিডিও ফুটেজের জেরে বিতর্ক ছড়িয়েছে। জন্মাষ্টমীতে একটি মন্দিরে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে সেলফি তুলে সেটি হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে আপলোড করেন। ছবির ক্যাপশনে লেখা, “আল্লাহ ছাড়া কোনও উপাস্য নেই, তিনিই একমাত্র উপাসনার যোগ্য।”

    হিন্দু মেয়েকে ধর্ষণ

    সকাল হিন্দু সমাজ এক হিন্দু কন্যার দুর্দশার ছবি তুলে ধরেছে, যাকে তার মুসলিম মহিলা ‘বন্ধু’ ওকিনাওয়া ফিটনেসে যোগ দিতে রাজি করিয়েছিল। জনৈক শিফা শেখ ওই হিন্দু মেয়েটিকে জিমে ভর্তি করিয়েছিল। এরপর জিম ট্রেনার জামিল খান মেয়েটির সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। জিম ট্রেনিং দেওয়ার পাশাপাশি সে তাকে মার্শাল আর্টও শেখাত। অভিযোগ, একদিন ট্রেনিংয়ের সময় জামিল মেয়েটিকে চেঞ্জিং রুমে নিয়ে গিয়ে যৌন নিপীড়ন করে। তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপও দেওয়া হয়েছিল। অসমের শ্রীভূমি জেলায় এক নাবালিকা বধির ও বোবা হিন্দু মেয়েকে অপহরণ করে ধর্ষণ করে চারজন মুসলিম যুবক। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ইসলাম উদ্দিন, মোনির উদ্দিন, দিলাওয়ার হোসেন এবং এক নাবালক মুসলিম ছেলে। বিহারের রাজধানী পাটনা থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে, রাষ্ট্র জ্যোতি একটি ফিল্ড তদন্ত চালায়। সেখানে একটি অবৈধ খ্রিস্টান ধর্মান্তর চক্রের হদিশ মেলে। এরা কোচিং সেন্টার চালানোর ছদ্মবেশে গ্রামে ঢুকেছিল (Roundup Week)।

    লাভ জিহাদের  ঘটনা

    হায়দরাবাদের বানজারা হিলস এলাকায় প্রকাশ্যে লাভ জিহাদের  ঘটনা। এখানে ফাহাদ নামে এক পাক বংশোদ্ভূত ব্যক্তি ভুয়ো নথি ব্যবহার করে কীর্তি নামে এক মহিলার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে (Hindus Under Attack)। বারাণসীর সারনাথ পুলিশ  গ্রেফতার করেছে বছর সাতাশের এক মুসলিম যুবককে। তার নাম মহম্মদ শরাফ রিজভি। অভিযোগ, সে বিয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হিন্দু মেয়েদের ফাঁদে ফেলত, পরে তাদের ব্ল্যাকমেল করে টাকা আদায় করত এবং শেষে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করত। সে সম্রাট সিংহ  নামে ভুয়ো প্রোফাইল বানিয়ে ফাঁদ পেতেছিল। আহমেদাবাদের সেভেন্থ-ডে অ্যাডভেন্টিস্ট স্কুলে  সিন্ধি সম্প্রদায়ের দশম শ্রেণির ছাত্র নয়নকে ছুরি দিয়ে খুন করে অষ্টম শ্রেণির এক মুসলিম ছাত্র। খোদ দিল্লিতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই মহিলাকে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় দিল্লি পুলিশ উত্তরপ্রদেশের বদায়ুঁ জেলার বছর ছাব্বিশের মহম্মদ সোহিল ওরফে সোনুকে গ্রেফতার করেছে। শুধু তাই নয়, সে ওই মহিলার সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও তুলে তা ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে দেয়। পুলিশ ঘটনাটিকে “লাভ জিহাদের” দৃষ্টিকোণ থেকেও তদন্ত করছে (Roundup Week)।

    হিন্দু পরিবারের নিরাপত্তা ও মর্যাদা লঙ্ঘিত

    বারাণসীর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় আবারও এক হিন্দু পরিবারের নিরাপত্তা ও মর্যাদা লঙ্ঘিত হয়েছে। রাউনক আলি নামের এক মুসলিম যুবক যে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করার জন্য কুখ্যাত, জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই ফের একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এর আগেও সে এক কিশোরীকে অপহরণের দায়ে গ্রেফতার ও জেল খেটেছিল। এদিকে, শুক্রবার মহারাষ্ট্রের কোলাপুরে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসা ছড়ায়। এলাকায় ব্যাপক পাথর ছোঁড়াছুঁড়ি হয়। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় রাস্তায় পার্ক করা একাধিক গাড়িতে (Hindus Under Attack)।

    পড়শি দেশ বাংলাদেশেও অব্যাহত হিন্দুদের ওপর হামলা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক ও সংগঠিত নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দুই অবশিষ্ট থাকবে না। বাংলাদেশে একটি উগ্র ইসলামি গোষ্ঠী পবিত্র সীতাকুণ্ড পাহাড়ে মসজিদ নির্মাণের কথা ঘোষণা করলে উত্তেজনা দেখা দেয়। মুন্সিগঞ্জ জেলার মেঘনা নদী থেকে জনপ্রিয় (Roundup Week) হিন্দু সাংবাদিক বিভু রঞ্জন সরকারের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে খুন করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

  • RSS: শতবর্ষে আরএসএস, বিজয়াদশমীতে নাগপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির থাকবেন রামনাথ কোবিন্দ

    RSS: শতবর্ষে আরএসএস, বিজয়াদশমীতে নাগপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির থাকবেন রামনাথ কোবিন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)। এই সংগঠন চলতি বছরের বিজয়া দশমীর দিনে ১০০ বছরে পা দিচ্ছে। এই দিনটি পড়েছে ২ অক্টোবর ২০২৫। ১০০ বছর উপলক্ষে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে আরএসএস। জানা যাচ্ছে, অক্টোবরের ২ তারিখে বিজয়া দশমী উৎসব সংঘটিত হবে ঠিক সকাল সাতটা চল্লিশ মিনিটে, নাগপুরের (Nagpur) রেশিমবাগ মাঠে। এখানেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯২৫ সালে এবং তা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডঃ কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার(RSS)।

    হাজির থাকবেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ রামনাথ কোবিন্দ

    এই উপলক্ষে সেখানে হাজির থাকবেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ রামনাথ কোবিন্দ এবং তিনি এই বিজয়া দশমীর সম্মেলনের প্রধান অতিথি হবেন। অন্যদিকে, শততম বর্ষে স্বয়ংসেবকদের (RSS) উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন মোহন ভাগবতজি এবং তিনি ব্যাখ্যা করবেন আগামী শতকে সংঘের কাজ। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের কাছে বিজয়া দশমী সর্বদাই একটি আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে। এটাই সেই দিন যেদিন ডঃ কেশব বালিরাম হেডগেওয়ার এই সংগঠনের স্থাপন করেছিলেন (Nagpur)। তিনি চেয়েছিলেন একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ এবং সাংস্কৃতিক ভারত নির্মাণ করতে।

    জাগরণের বার্তা পৌঁছায় সংঘ

    ১০০ বছর ধরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) সমাজের প্রত্যেকটি স্তরে কাজ করে চলেছে—তা সে শিক্ষা হোক, স্বাস্থ্য হোক, গ্রামীণ উন্নয়ন হোক, দুর্যোগ মোকাবিলা হোক কিংবা সমাজ সংস্কার হোক। প্রতিবছর আরএসএস-এর বিজয়া দশমী কেবলমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান হিসেবে পালন করা হয় না বরং এই দিনের মাধ্যমে সারা দেশজুড়ে একটি গভীর ও শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়। এই বার্তা শুধুমাত্র একটি উৎসবের আবহ নয়—এটি এক জাতীয় চেতনার আহ্বান। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় জাতীয় জাগরণের গুরুত্ব, নিজেদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা, সাংগঠনিক শক্তির মাধ্যমে সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার তাগিদ এবং মাতৃভূমির প্রতি আত্মনিবেদনের মহান আদর্শ।

  • Ramakrishna 450: ঠাকুর আনন্দে তাহাকে দেখাইয়া মাস্টারকে বলিতেছেন, দেখো দেখো, ন্যাকা ন্যাকা হাসে

    Ramakrishna 450: ঠাকুর আনন্দে তাহাকে দেখাইয়া মাস্টারকে বলিতেছেন, দেখো দেখো, ন্যাকা ন্যাকা হাসে

    ছোট নরেন পশ্চিমের বারান্দার উত্তর কোণে ঠাকুরের পা ধুয়ে দিচ্ছেন। কাছে মাস্টার দাঁড়িয়ে আছেন।

    শ্রী রামকৃষ্ণ: তুমি কেমন করে ওই টুকুর ভিতর থাকো? উপরের ঘরে গরম হয় না?

    মাস্টার: আজ্ঞে হ্যাঁ, খুব গরম হয়।

    শ্রী রামকৃষ্ণ: তাতে পরিবারের মাথার অসুখ। ঠান্ডায় রাখবে?

    মাস্টার: আজ্ঞে হ্যাঁ, বলে দিয়েছি নিচের ঘরে শুতে।

    ঠাকুর বৈঠকখানার ঘরে আবার আসিয়া বসে আছেন ও মাস্টারকে বলিতেছেন— “তুমি এ রবিবারেও যাও নাই কেন?”

    মাস্টার:আগে বাড়িতে তো আর কেউ নাই। তাতে আবার ব্যারাম, কেউ দেখবার নেই।

    ঠাকুর গাড়ি করিয়া নিমগড়, স্বামীর গলিতে, দেবেন্দ্রর বাড়িতে যাইতেছেন। সঙ্গে ছোট নরেন, মাস্টার, আরও দুই-একজন ভক্ত। পূর্ণর কথা কইতেছেন, পূর্ণর জন্য ব্যাকুল হইয়া আছেন।

    শ্রী রামকৃষ্ণ: খুব আস্থা। তা না হলে ওর জন্য চাকরি জুটিয়ে দিতেন? ও তো এসব কথা জানে না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ মাস্টারের প্রতি
    “খুব আধার, তা না হলে ওর জন্য জপ করিয়ে নিলে — ও তো এসব কথা জানে না।”

    মাস্টার ও ভক্তেরা অবাক হয়ে শুনিতেছেন যে ঠাকুর পূর্ণর জন্য বীজমন্ত্র জপ করিয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ: “আজ তাকে আনলেই হত, আনলে না কেন?”

    ছোট নরেনের হাসিতে কী আর! ঠাকুর-ভক্তেরা সকলে হেসে উঠিতেছেন। ঠাকুর আনন্দে তাহাকে দেখাইয়া মাস্টারকে বলিতেছেন:

    “দেখো দেখো, ন্যাকা ন্যাকা হাসে, যেন কিছু জানে না — কিন্তু মনের ভিতর কিছু নাই।
    তিনটি মনে নাই: কামিনী, কাঞ্চন। মন থেকে একেবারে না গেলে ভগবান-লাভ হয় না।”

  • Daily Horoscope 24 August 2025: কুচক্রে পড়ে ক্ষতি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 24 August 2025: কুচক্রে পড়ে ক্ষতি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে। সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ২) সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সাবধান থাকুন।

    কর্কট

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুচক্রে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    সিংহ

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কন্যা

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    তুলা

    ১) কোনও ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ।

    ২) কাজের জন্য বাড়ির কেউ বাইরে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    বৃশ্চিক

    ১) সুন্দর কথা বলায় সুনাম পেতে পারেন।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ রয়েছে।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    ধনু

    ১) পড়াশোনার ব্যাপারে ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য শান্তি পাবেন না।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা আসতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) কোনও মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে আরও বেশি।

LinkedIn
Share