Tag: bangla news

bangla news

  • I PAC Ed Hearing: এজলাসে চরম বিশৃঙ্খলা, বন্ধ দরবার! ১৪ তারিখেই হবে ইডি-মমতা সংঘাত মামলার শুনানি

    I PAC Ed Hearing: এজলাসে চরম বিশৃঙ্খলা, বন্ধ দরবার! ১৪ তারিখেই হবে ইডি-মমতা সংঘাত মামলার শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এজলাসে তুমুল বাকবিতণ্ডা। আই প্যাকের (I PAC Ed Hearing) ঘটনায় ইডির দায়ের করা মামলা গিয়েছে পিছিয়ে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ এই মামলার শুনানি করবেন আগামী ১৪ জানুয়ারি। তবে সূত্রের খবর, শুক্রবারই মামলার শুনানি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সচিবালয়ে জরুরী বেঞ্চে আবেদন করছে ইডি। লিখিত ভাবে আবেদন করতে চলেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। গোয়েন্দারা চাইছেন, দ্রুত এই মামলার শুনানি হোক। না হলে নথি নষ্ট করার ভয় রয়েছে। প্রয়োজনে এজলাস বদলাতেও আপত্তি নেই গোয়েন্দাদের। তবে, ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করলে আরও অনেক প্রমাণ লোপাট হওয়ার আশঙ্কা করছে তারা। যদিও প্রধান বিচারপতি টি শিবজ্ঞানম জানিয়ে দেন, যেহেতু জুডিশিয়াল অর্ডার হয়েছে, তাই বদল করা সম্ভব নয়। সেই কারণে ১৪ই জানুয়ারিতেই হবে শুনানি।

    এজলাসে চরম বিশৃঙ্খলা

    শুনানির আগেই কলকাতা হাইকোর্টের এজলাসে চরম বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। তার জেরে শুক্রবার জোড়া আইপ্যাক মামলার শুনানিই হল না হাইকোর্টে। প্রাথমিকভাবে যা খবর, আগামী ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সেই মামলার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর সেই পরিস্থিতিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) যে সিবিআই তদন্ত, নথি ফেরতের মতো একগুচ্ছ আর্জি জানিয়েছিল, সেগুলি পূরণ হল না। ফলে বৃহস্পতিবার কলকাতা লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বের করে আনা ‘সবুজ ফাইল’ এবং সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিস থেকে বের করে আনা একগুচ্ছ নথি আরও বেশি সময়ের জন্য নিজের কাছে বা তৃণমূলের কাছে রাখার সুযোগ পেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে ফাইল বা নথির মধ্যে তৃণমূলের প্রার্থীতালিকা, কৌশলের মতো বিভিন্ন বিষয় আছে,বলে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি। কিন্তু ইডির দাবি, এর ফলে সুকৌশলে নথি নষ্ট করা হতে পারে।

    নথি ও ডিভাইস ফেরতের উপরে জোর দেয় ইডি

    এমনিতে হাইকোর্টে যে পিটিশন দাখিল করেছে ইডি, তাতে নথি ফেরতের বিষয়ের উপরে জোর দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে যে তল্লাশি চলছে বলা সত্ত্বেও ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী ঢুকে পড়েন। জোর করে কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে থাকা একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র এবং ডিজিটাল ডিভাইস ছিনিয়ে নেওয়া হয়। জোর করে নিয়ে যাওয়া সেইসব নথি যেন ফিরিয়ে দেওয়া হয় ইডিকে। যতক্ষণ না ইডির হাতে সেই নথি বা ডিভাইস আসছে, ততক্ষণ কোনওরকম তথ্য বিকৃত যাতে না করা হয়, সেই নির্দেশ দেওয়া হোক।

    সিবিআই তদন্তের আর্জি জানায় ইডি

    পাশাপাশি পুরো ঘটনায় সিবিআই তদন্তের আর্জি জানায় ইডি। হাইকোর্টে ইডির তরফে আর্জি জানানো হয় যে দ্রুত সিবিআই এফআইআর দায়ের করুক। দ্রুত তদন্ত শুরু করুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশির সময় যে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য পুলিশ-প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা গিয়েছিলেন, তা নিয়ে তদন্ত করা হোক। যাবতীয় নিয়ম-কানুন মেনেই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছিল বলে ইডির তরফে দাবি করা হয়।

    সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের দাবি তোলে ইডি

    সেইসঙ্গে ইডির তরফে দাবি করা হয়, সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধারের বাড়িতে যে সিসিটিভি ফুটেজ আছে, তা সংরক্ষণ করে রাখা হোক। রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হোক যে ইডির তদন্তে যেন বাধা না দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, আইপ্যাক কাণ্ডে মামলা ও পালটা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করেছে ইডি। আবার পালটা মামলা করেছে তৃণমূল কংগ্রেসও। হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের বেঞ্চে একসঙ্গে দুটি মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আইনজীবীদের প্রবল ভিড়, বিশৃঙ্খলার জেরে শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে।

    ইডি অফিসারদের হুমকি

    ইডি সূত্রে খবর, নথি রাজ্য সরকারের হাতে থাকলে তা বিকৃত করতে সময় লাগবে না। কারণ, ইডির দাবি, আইপ্যাকের থেকে কোনও জিনিস বাজেয়াপ্ত করলে তদন্তকারী অফিসারদের গ্রেফতার করা হবে, বলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার হুঁশিয়ারি দেন। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) সূত্রে জানানো হয়েছে, তল্লাশির সময় ঘটনাস্থলে রাজ্য পুলিশের ডিজি উপস্থিত ছিলেন। তিনি নাকি ইডি আধিকারিকদের বলেন যে পঞ্চনামায় যেন কোনও কিছুর উল্লেখ না করা হয়। কেন্দ্রীয় সংস্থার তিন আধিকারিককে বলেন যে ইডি যেন দেখায় যে তল্লাশি অভিযান থেকে কিছু পাওয়া যায়নি। সেই কাজটা না করলে তাঁদের গ্রেফতার করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। যদিও বিষয়টি নিয়ে রাজ্য পুলিশ বা রাজ্য সরকারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

    এজলাসে কেন এমন অচলাবস্থা

    শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে এই মামলার শুনানি নির্ধারিত ছিল। সকাল থেকেই হাইকোর্ট চত্বরে নিরাপত্তা এবং আইনজীবীদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু শুনানি শুরুর ঠিক পূর্বমুহূর্তে এজলাসের ভেতর আইনজীবীদের একাংশ এবং সাধারণ মানুষের ভিড় এতটাই বেড়ে যায় যে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। ক্রমশ বাড়তে থাকা হট্টগোল এবং ভিড়ের চাপে আদালতের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ স্পষ্ট জানান, এমন বিশৃঙ্খল পরিবেশে আইনি শুনানি চালানো সম্ভব নয়। এরপরই তিনি আসন ছেড়ে উঠে যান। বিরোধীদের দাবি, রাজ্যের শাসকদলের তরফে পরিকল্পনা করে আদালত চত্বরে এই বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়েছিল। এর ফলে নথিগুলি আরও কিছুদিন নিজের কাছে রাখার সুযোগ পেলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের শাসকদল।

  • Border Security Force: বাংলাদেশে অস্থিরতার জেরে সীমান্তে হাই অ্যালার্ট, চিকেন’স নেকে ১২ ফুট উঁচু নতুন বেড়া বসাল বিএসএফ

    Border Security Force: বাংলাদেশে অস্থিরতার জেরে সীমান্তে হাই অ্যালার্ট, চিকেন’স নেকে ১২ ফুট উঁচু নতুন বেড়া বসাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে চলমান অস্থির পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ভারত–বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে (India-Bangladesh Border) উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে মোদি সরকার। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিকেন’স নেক (Chicken’s Neck) বা শিলিগুড়ি করিডর এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (Border Security Force) প্রায় ৭৫ শতাংশ এলাকাজুড়ে নতুন নকশার সীমান্ত বেড়া (নিউ ডিজাইন ফেন্সিং বা এনডিএফ) স্থাপন করেছে।

    বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, বিশেষভাবে সংবেদনশীল সীমান্ত অংশগুলিতে ১২ ফুট উচ্চতার নতুন ধরনের বেড়া বসানো হয়েছে, যা কাটা ও টপকানো অত্যন্ত কঠিন। এই বেড়া কাটতে কয়েক মিনিট সময় লাগে, ফলে অনুপ্রবেশ ও পাচার কার্যকলাপ কার্যকরভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এলাকা আধিপত্য কৌশলে পরিবর্তন

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এলাকা আধিপত্যের লক্ষ্যে বিএসএফ তাদের পরিকল্পনায় বড়সড় বদল এনেছে। নতুন কৌশলের আওতায় সীমান্তের (India-Bangladesh Border) কাছে গবাদিপশু সংগ্রহ ও পাচারের সঙ্গে যুক্ত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সেগুলিকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রয়োজনে পাচার চক্রের মূল শিকড়ে আঘাত হানতে বিএসএফ দলগুলি ভারতের অভ্যন্তরে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত অভিযান চালাচ্ছে বলেও সূত্রের দাবি।

    অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কড়া পদক্ষেপ

    সাম্প্রতিককালে ভুলবশত অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা একাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বিএসএফ (Border Security Force)। পূর্ণাঙ্গ পরিচয় ও পটভূমি যাচাইয়ের পর তাঁদের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাঁদের আঙুলের ছাপ ও ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান করা হয়েছে, যাতে কোনও অপরাধমূলক বা রাষ্ট্রবিরোধী যোগসূত্র রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা যায়।

    পাচারবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বিএসএফ (Border Security Force) প্রায় ৮৫ কোটি টাকার পাচারকৃত সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে গবাদিপশু, সোনা, রুপো, বন্যপ্রাণীর অংশ, অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য নিষিদ্ধ দ্রব্য। এই সময়ে ৪৪০ জন বাংলাদেশি নাগরিক (পাচারকারী ও দালালসহ), ১৫২ জন ভারতীয় এবং ১১ জন অন্যান্য ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে। পাশাপাশি আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ১৮৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    আগামী দিনের পরিকল্পনা

    বিএসএফ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী দিনে সীমান্তে (India-Bangladesh Border) বেড়ার আওতা আরও বাড়ানো হবে, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় সীমান্ত অপরাধ দমনে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। যে কোনও পরিস্থিতিতে চিকেন’স নেক অঞ্চলের নিরাপত্তা আপস করা হবে না বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।

  • I Pac Raid: “এত ভয় কীসের, কী লুকোতে চাইছেন?” লালুর উদাহরণ টেনে মমতাকে কটাক্ষ রবিশঙ্করের

    I Pac Raid: “এত ভয় কীসের, কী লুকোতে চাইছেন?” লালুর উদাহরণ টেনে মমতাকে কটাক্ষ রবিশঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় আইপ্যাকের দফতর (Kolkata I pac Office) ও সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের (Ipac Prateek Jain) বাড়িতে ইডি অভিযানের (ED Raid at Ipac Office) ঘটনার আঁচ পড়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) সরাসরি নিশানা করল বিজেপি (BJP)। কেন্দ্রীয় তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে মমতার সঙ্গে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) তুলনা টানলেন দলের শীর্ষ নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ (Ravi Shankar Prasad)।

    পশ্চিমবঙ্গে যা ঘটেছে, তা নজিরবিহীন

    বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের প্রশ্ন, “যদি কয়লা পাচার মামলার (Coal Smuggle Case) তদন্তে ইডি অভিযান হয়ে থাকে, তাহলে মুখ্যমন্ত্রী এতটা আতঙ্কিত কেন? তিনি কি রাজ্যে কোনও সঠিক তদন্ত হতে দেবেন না?” তাঁর দাবি, বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে যা ঘটেছে, তা নজিরবিহীন। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এমন দৃশ্য আগে দেখা যায়নি। রবিশঙ্করের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর আচরণ অনৈতিক, বেআইনি এবং অসাংবিধানিক। তাঁর মতে, এ ধরনের কাজ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। এই প্রসঙ্গেই তিনি লালু প্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) উদাহরণ টানেন। বলেন, “বিহারে লালু প্রসাদের বাড়িতে তল্লাশি হয়েছিল, পরে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়। কিন্তু তিনি বা তাঁর স্ত্রী কখনও তদন্ত চলাকালীন সিবিআই অফিসে (CBI) ঢুকে পড়েননি।” বিজেপির অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপের প্রবণতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে নতুন নয়। দীর্ঘদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং টানা ১৪ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরেও তিনি কীভাবে এমন আচরণ করতে পারেন, সেই প্রশ্নও তোলেন রবিশঙ্কর প্রসাদ।

    অরাজক শাসনের জবাব মানুষ দেবে

    ভারতীয় জনতা পার্টির জাতীয় মুখপাত্র ও লোকসভা সাংসদ সম্বিত পাত্র পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, দুর্নীতি ও হাওয়ালা সংক্রান্ত একটি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং হস্তক্ষেপ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ইডি যখন রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাক (IPAC)-এর দফতরে অভিযান চালাচ্ছিল, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ নথি, ল্যাপটপ ও পেন ড্রাইভ সরিয়ে নেন। তাঁর দাবি, এর ফলে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে। বিজেপি মুখপাত্রের মতে, ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও কর্মরত মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি ইডির চলমান অভিযানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হলেন। তিনি ঘটনাটিকে “চরম লজ্জাজনক ও উদ্বেগজনক” বলে বর্ণনা করেন। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রীর এই আচরণ থেকে স্পষ্ট যে তাঁর “লুকোনোর মতো অনেক কিছু রয়েছে”। ঘটনার নাটকীয়তা প্রসঙ্গে পাত্র বলেন, “হয়তো হিন্দি সিনেমাতেও এমন দৃশ্য দেখা যায় না।” পাত্র আরও দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ “মাফিয়া-ধাঁচের শাসন” মেনে নেবে না এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “অরাজক শাসনের” জবাব গণতান্ত্রিক পথেই দেওয়া হবে।

  • Samik Bhattacharya: “তৃণমূল ও দুর্নীতি পরস্পরের সমর্থক”, মমতাকে তীব্র আক্রমণ শমীকের

    Samik Bhattacharya: “তৃণমূল ও দুর্নীতি পরস্পরের সমর্থক”, মমতাকে তীব্র আক্রমণ শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) কলকাতায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানে নথি উদ্ধারের বাধা দিয়ে দেশজুড়ে যখন শোরগোল ফেলেছেন। সাংবিধানিক পদে বসে নথি ছিনতাই করেছেন বলে অভিযোগ বিজেপির। অপরদিকে আবার এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুক্রবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসের বাইরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল সাংসদরা। এযেন উলট পুরাণ। একদিকে কয়লা পাচার তদন্তের বাধা দলনেত্রীর, অপর দিকে দলের সাংসদরা দুর্নীতির তদন্ত চাইছেন। দলের সাংসদ এবং দলনেত্রীর কর্মকাণ্ড পরস্পর বিপরীত মুখী। এই ইস্যুতে তীব্র তোপ দেগেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) বলেন, “রাজ্যের মানুষ বুঝে গিয়েছেন কয়লা কেলেঙ্কারিতে তৃণমূল নেতার জড়িত।”

    তৃণমূলের প্রতিবাদে মানুষ হাসবে (Samik Bhattacharya)

    শুক্রবার দিল্লিতে অমিত শাহের দফতরের বাইরে তৃণমূল সদাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, শতাব্দী রায়, কীর্তি আজাদ এবং অন্যান্য নেতার বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। পুলিশ, শতাব্দী, মহুয়া এবং ডেরেককে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় দুর্নীতির সমর্থক তৃণমূল নেত্রী এবং সাংসদদের তোপ দেগে শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) বলেন, “তৃণমূল নেতারা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে পারে না, জনতা টিএমসিপিকে বুঝে গিয়েছে। তৃণমূলের নেতারা দুর্নীতির প্রতিবাদ করলে মানুষ হাসবে। ইডি যখন তদন্ত করছে সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী ফাইল ছিনতাই করে নিচ্ছেন। কোনও রাজনৈতিক অভিযান নয়। তৃণমূলের নেতারা কয়লা কেলেঙ্কারিতে যুক্ত। তৃণমূল এবং দুর্নীতি পরস্পরের সমর্থক।”

    অপ্রত্যাশিত আচরণ

    আইপ্যাক কাণ্ডে ইডির তল্লাশি অভিযানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই নিজেক খুন করেছেন। ঠিক এই ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। তিনি বলেন, “গতকাল ইডির অভিযানকে ঘিরে গোটা দেশ তথা রাজ্য দেখেছে যে একজন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কোথায় নেমে যেতে পারেন। সংবিধানের শপথ নেওয়া কোনও মুখ্যমন্ত্রীর থেকে কোনও সমাজ কোনও সংবিধান কোনও দেশ এই আচরণ প্রত্যশা করে না। তৃণমূল কংগ্রেস দুর্নীতির সমর্থক।” রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, ‘আজ উনি (মমতা) যে কাজ করলেন, তাতে তিনি নিজের ভাবমূর্তির কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দিলেন। নিজেই নিজেক খুন করেছেন।’

    দুর্নীতিকে সমর্থন করেন তা মুখ্যমন্ত্রী

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের কর্নধার প্রতীক জৈনের অফিস এবং বাড়িতে তল্লাশি অভিযানের বিরুদ্ধে সরাসরি ইডির বিরুদ্ধে ময়দানে নামেন। শুধু তাই নয় সেখান থেকে অভিযানকে প্রভাবিত করতে সবুজ ফাইল, ল্যাপটপ এবং হার্ডডিস্ক তুলে নিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ। এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে বিজপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) বলেন, “এইট-বি থেকে শ্যামবাজার, টালা থেকে টালিগঞ্জ মুখ্যমন্ত্রী মিছিল করতেই পারেন। তবে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তকে বন্ধ করতে কখনই পারেন না। তৃণমূল কংগ্রেস যে দুর্নীতিগ্রস্থ এবং দুর্নীতিকে সমর্থন করেন তা মুখ্যমন্ত্রী আরও একবার প্রমাণ করলেন। ইডির তাল্লাশি চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কার্যত ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজের সাংবাদিক পদের প্রভাব খাটিয়ে প্রয়োজনীয় নথি সরিয়ে নিয়েছেন। এইকাজ কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার অধিকার নেই।”

    আগেও মমতা তদন্তে বাধা দিয়েছেন

    ইডির ব্যাখ্যা ও বিবৃতি কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়নি। তবে মমতা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে এই প্রথম বাধা নয়। আগেও সারদা মামলায় রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশি করতে গেলে মমতা ধর্মতলায় ধরনায় বসেছলেন। একই ভাবে নারদ মামলায় ববি হাকিম, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের মতো নেতাদের করা আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেন। তবে বিজেপির বক্তব্য, তারা শুরু থেকেই তদন্তে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং আইন ও সংবিধানের মর্যাদা রক্ষার পক্ষে রয়েছে। এই ঘটনা এবং শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    ইডির বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি তাদের একটি প্রেস রিলিজে স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, এই তল্লাশি কোনও রাজনৈতিক কারণে নয়, বরং অবৈধ কয়লা খনন ও অর্থপাচার সংক্রান্ত একটি দীর্ঘমেয়াদি তদন্তের অংশ হিসেবেই চালানো হয়েছে। মামলাটি আর্থিক দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী তদন্ত চলছিল। সকাল থেকেই শুরু হওয়া এই অভিযানে কলকাতা ও দিল্লির একাধিক স্থানে একযোগে তল্লাশি চালানো হয়। আই প্যাক এর অফিস, প্রতীক জৈনের বাসভবন-সব মিলিয়ে প্রায় ন’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে ইডির এই অভিযান। তবে এই অভিযানকে কোনও রকম ভাবেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় যেন না ভাবা হয়।

  • Iran Protest: ইরানে আরও তীব্র খামেনেই বিরোধী বিক্ষোভ, নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির ডাকে সাড়া

    Iran Protest: ইরানে আরও তীব্র খামেনেই বিরোধী বিক্ষোভ, নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির ডাকে সাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৌলবাদী শাসন ব্যবস্থায় দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় প্রমাণ করছে ইরান। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ইরানজুড়ে (Iran Protest) তীব্র বিক্ষোভ। বিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট এবং টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা। রাজধানী শহর তেহরান সহ বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে অংশ নেন। নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির ডাকে এই গণবিক্ষোভ শুরু হয় বলে জানা গিয়েছে। তেহরানের বহু বাসিন্দা রাস্তায় জড়ো হয়েছেন। এমনকী, ঘর থেকেও স্লোগান দিতে দেখা যায় বহু মানুষকে। দেশজুড়ে যে অস্থিরতা নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে তা ১২ দিনে পড়ল। এই বিক্ষোভের মূলে রয়েছে মূলত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের অভাব এবং জীবনযাত্রার অসম পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ চরমে পৌঁছতেই ইন্টারনেট এবং ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয় ইরান জুড়ে।

    বিক্ষোভের সূত্রপাত

    গত দেড় সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চলছে ইরানে (Iran Protest) । গত ২৭ ডিসেম্বর ইরানের রাজধানী তেহরানে দোকানদারেরা দেশে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি এবং মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ক্রমে দেশের অন্যান্য প্রান্তেও ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভের আঁচ। প্রাথমিক ভাবে দেশের আর্থিক অবস্থার প্রতিবাদে বিক্ষোভ চললেও ক্রমে তা ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের (Anti-Khamenei protests) বিরুদ্ধে সর্বাত্মক বিক্ষোভে পরিণত হয়। ১২ দিন পরেও এই বিক্ষোভ থামার লক্ষণ নেই। বিপর্যস্ত অর্থনীতির মধ্যে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে ক্ষুব্ধ ইরানিরা রাস্তায় নেমে এসে ক্ষমতাসীন ধর্মতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের অধীনে ইরানের সরকার ইন্টারনেট এবং আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। এদিকে, দেশের বিচার বিভাগ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধানরা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অন্তত কয়েকজনকে নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির ডাকা বিক্ষোভে সাড়া দিতে দেখা গিয়েছে। পাহলভির বাবা ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের ঠিক আগে ইরান থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। বিক্ষোভগুলোতে শাহের সমর্থনে স্লোগান দেওয়া হয়েছে, যা অতীতে মৃত্যুদণ্ডের কারণ হতে পারত, কিন্তু এখন ইরানের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পুরনো ক্ষোভকেও তুলে ধরছে।

    রেজা পাহলভির আহ্বান

    রেজা পাহলভি শুক্রবার রাত ৮টায় জনগণকে ফের রাস্তায় জড়ো হয়ে প্রতিবাদে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র নিপাত যাক। স্বৈরাচারী শাসকের পতন হোক। ইরানের মহান জাতি, বিশ্বের চোখ আজ আপনাদের দিকে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামুন। আপনাদের দাবি জোরাল ভাবে তুলে ধরুন। আমি ইসলামি প্রজাতন্ত্র এবং তার নেতা ও বিপ্লবী গার্ডকে সতর্ক করছি। গোটা বিশ্ব এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজর আপনাদের উপর রয়েছে। জনগণের উপর দমন পীড়নের জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।” সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে যুবরাজ পাহলভি খামেনেই প্রশাসনকে তোপ দাগেন। তিনি লেখেন, “লাখ লাখ ইরানবাসী আজ স্বাধীনতা চেয়ে মিছিল করেছেন। তার জবাব দিতে প্রশাসন ইরানে যোগাযোগের সমস্ত মাধ্যম বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।” ওই পোস্টেই নির্বাসিত যুবরাজ ইরানের প্রতিবাদী জনতার পাশে দাঁড়ানোর জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি ইউরোপের দেশগুলিকে নীরবতা ভেঙে এই বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    গোঁড়া ধর্মীয় শাসনতন্ত্রকে কঠোর জবাব

    নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি (প্রাক্তন শাসক রেজা শাহ পাহলভির পুত্র) জনগণকে গণপ্রতিবাদে নামার ডাক দেওয়ার পরেই পশ্চিম এশিয়ার এই দেশে ইন্টারনেট এবং টেলিফোন সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে ইরানের গোঁড়া ধর্মীয় শাসনতন্ত্রকে (Anti-Khamenei protests) অতি কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পরেই ইরানের প্রশাসন ইন্টারনেট এবং টেলিফোন পরিষেবা বন্ধ করে দেয়। তাবরিজ বিমানবন্দরে বিমান চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই সেনা-পুলিশের হামলায় ইরানে ৩৯ জন প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়েছে। ট্রাম্প আগেই হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা চলবে না। বৃহস্পতিবার আরও এক ধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, “যদি তারা (ইরান প্রশাসন) মানুষ মারতে শুরু করে, তা হলে আমরা তাদের উপর খুব কঠিন আঘাত হানব।” ট্রাম্পের ধারাবাহিক হুঁশিয়ারির পর সম্প্রতি সুর নরমের ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীকে জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের দেখামাত্রই তাঁদের উপর কঠোর পদক্ষেপ করা চলবে না।

    ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা

    ইরানের (Iran Protest) ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৫টি প্রদেশে এই বিক্ষোভ চলছে, কিছু প্রদেশে ১০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। বিক্ষোভের মূল কারণ রিয়ালের মার্কিন ডলারের বিরুদ্ধে হঠাৎ পতন ও ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি। এই পরিস্থিতিতে নয়া দিল্লি ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা (India advisory for citizens) জারি করেছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (MEA) জানিয়েছে, “ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরোবেন না।” এছাড়াও ভারতীয় নাগরিক এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের (PIO) সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে বিক্ষোভ বা সশস্ত্র সংঘর্ষের এলাকায় না যাওয়ার জন্য।

    ইরানজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে

    ইরানের শহর ও গ্রামীণ এলাকা জুড়ে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, তা ক্রমশ বাড়ছে। বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে অনেক বাজার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মানবাধিকার কর্মী সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে হিংসায় অন্তত ৪২ জন নিহত হয়েছেন এবং ২,২৭০ জনেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। যার কারণে ঘরেই চাপে রয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই (Anti-Khamenei protests)। ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা ক্লাউডফ্লেয়ার এবং অ্যাডভোকেসি গ্রুপ নেটব্লকস ইন্টারনেট বিভ্রাটের খবর দিয়েছে এবং উভয়ই এর জন্য ইরান সরকারের হস্তক্ষেপকে দায়ী করেছে। দুবাই থেকে ইরানে ল্যান্ডলাইন ও মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ স্থাপন করা যায়নি। অতীতেও এ ধরনের বিভ্রাটের পর সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র দমনপীড়ন চালানো হয়েছে। পাহলভির আহ্বান ভবিষ্যতে বিক্ষোভের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা এখনও অস্পষ্ট।

  • JP Nadda in Bengal: ‘‘রাজনৈতিক নয়, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলায় বিজেপিকে জিততে হবে’’, বঙ্গ ব্রিগেডকে বার্তা নাড্ডার

    JP Nadda in Bengal: ‘‘রাজনৈতিক নয়, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলায় বিজেপিকে জিততে হবে’’, বঙ্গ ব্রিগেডকে বার্তা নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক কারণে নয়, জিততে হবে জাতীয় স্বার্থে। রাজ্য বিজেপিকে বৃহস্পতিবার এমনই বার্তা দিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda in Bengal)। দু’দিনের পশ্চিমবঙ্গ সফরের প্রথম দিনে একগুচ্ছ সাংগঠনিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। জেলা সভাপতি, বিভাগ (কয়েকটি জেলার সমষ্টি) আহ্বায়ক এবং ভিন্‌রাজ্য থেকে আসা বিজেপি নেতাদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে নাড্ডা পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দেন নাড্ডা। একইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এ রাজ্যেও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হবে।

    ‘রাজনৈতিক’ নয়, জিততে হবে ‘জাতীয় স্বার্থে’

    বিজেপি সূত্রের খবর, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গে এ বার বিজেপি-কে জিততেই হবে বলে জানান দলের সর্বভারতীয় সভাপতি। এ বারের নির্বাচন শুধু ‘রাজনৈতিক লড়াই’ নয়, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লড়াই। তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে এত দিন শুধু ‘হবে না, হবে না, হবে না’ চলেছে। এ বার থেকে ‘হবে, হবে, হবে’।’’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হবে না’ সংস্কৃতির অবসান ঘটবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। আর বিধানসভা নির্বাচনে জয় ছাড়া অন্য কোনও কিছু না-ভেবে কাজ করার পরামর্শ দেন। বিধাননগর সেক্টর ফাইভে নাড্ডার বৈঠকে বৃহস্পতিবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, পাঁচ সাধারণ সম্পাদক, দুই সংগঠন সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে জেলা সভাপতি এবং বিভাগ আহ্বায়কদের পরামর্শ দেন নাড্ডা। বিভিন্ন বিজেপিশাসিত রাজ্যের মোট ৪৩ জন মন্ত্রীকে এ রাজ্যে বিজেপির ৪৩টি সাংগঠনিক জেলার ভোট ব্যবস্থাপনা সামলানোর দায়িত্ব দেন নাড্ডা। সে সবের মাঝেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ‘গুরুত্ব’ বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

    বৃহত্তর জনবিন্যাস সংক্রান্ত সঙ্কট

    এক বৃহত্তর জনবিন্যাস সংক্রান্ত সঙ্কটের হাত থেকে ভারতকে রক্ষার লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ জয়ের কথা বলেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ। তিনি বলেছিলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ আমাদের কাছে রাজনৈতিক ক্ষমতার লড়াই নয়। পশ্চিমবঙ্গ আমাদের কাছে সভ্যতা রক্ষার লড়াই। ভারতকে রক্ষা করতে হলে আমাদের পশ্চিমবঙ্গে জিততেই হবে।’’ একই অভিমত ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর-ও। পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থে এবং গোটা দেশের স্বার্থে এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় জরুরি বলে শাহ মন্তব্য করেছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যত দিন থাকবে, তত দিন পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করা যাবে না বলে তোপ দেগেছিলেন শাহ। এই মুহূর্তে অবৈধ অনুপ্রবেশকে দেশের জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হিসাবে ব্যাখ্যা করে শাহ বলেছিলেন যে, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে অনুপ্রবেশ রোখা দরকার। এবং তা রোখা যাবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার তৈরি হলে।

    রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

    সাংগঠনিক বৈঠক সেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নাড্ডা (JP Nadda in Bengal) যোগ দেন চিকিৎসকদের একটি অনুষ্ঠানে। ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি প্রেক্ষাগৃহে বিজেপি-পন্থী চিকিৎসকেরা সে কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বলেন,‘‘আমি এখানে রাজনীতি করতে চাই না, কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় যে পশ্চিমবঙ্গের জনগণ আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা থেকে বঞ্চিত।’’ রাজ্য সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পটি আটকে রেখেছে। এমনকী আয়ুষ্মান কার্ড ছিঁড়ে ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ তাঁর। নাড্ডার কথায়,‘‘আমি মমতাজিকে বলেছিলাম, তাঁদের দোষ কী? তাঁরা গরিব মানুষ এবং এটি একটি বহনযোগ্য ব্যবস্থা। যদি পশ্চিমবঙ্গের কোনও শ্রমিক হিমাচল প্রদেশে অসুস্থ হন, তাহলে তিনি সেখানেই চিকিৎসা পাবেন এবং টাকা বাংলা থেকে সেই প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত হবে।’’ প্রকল্পের সম্প্রসারণের কথা উল্লেখ করে নাড্ডা জানান, ‘‘গত বছর মোদিজি ঘোষণা করেছিলেন যে, ৭০ বছরের বেশি বয়সি সমস্ত ব্যক্তি, তাঁদের অর্থনৈতিক অবস্থা, ধর্ম বা লিঙ্গ নির্বিশেষে, আজীবন প্রতি বছর ৫ লাখ টাকার স্বাস্থ্য বিমা-সহ এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। কিন্তু বাংলার মানুষ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্নছে।’’এরপরই নাড্ডা বলেন, ‘‘আমি আশার আলো দেখতে পাচ্ছি।’’ উদাহরণ হিসেবে তিনি ওডিশা এবং দিল্লির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে প্রথমে আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে বিরোধিতা থাকলেও, পরে তা বাস্তবায়িত হয়। নাড্ডা দৃঢ়ভাবে বলেন, ‘‘বাংলায় এটি শুধু আশার আলো নয়, আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে যে এখানে পদ্ম ফুল ফুটবে এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।’’

    রাজ্যে মাতৃমৃত্যুর হার নিয়ে উদ্বিগ্ন

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda in Bengal) রাজ্যের মাতৃমৃত্যু হারের (MMR) পরিসংখ্যান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘‘আমি বাংলার মাতৃমৃত্যু হার (এমএমআর) নিয়ে উদ্বিগ্ন, যা ১০৪। এটি জাতীয় গড়ের চেয়ে অনেক বেশি।” নাড্ডা আরও জানান, ২০১০-১১ সাল থেকে এটি মাত্র ১১ শতাংশ কমেছে, যেখানে জাতীয়ভাবে এই হার ৩৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তিনি যোগ করেন, “এটি অনেক কিছু বলে দেয়। যদি মায়েদের স্বাস্থ্যের উন্নতি না হয়, তবে এটি প্রমাণ করে যে পরিবার কল্যাণের জন্য যে সমস্ত কর্মসূচি রয়েছে, তা সবার কাছে পৌঁছাচ্ছে না।’’ আজ, ৯ জানুয়ারি চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট কলকাতায় যাবেন। সেইসঙ্গে এইমস কল্যাণীর রেডিয়েশন অঙ্কোলজি, ট্রমা, এমার্জেন্সি মেডিসিন এবং নিউমেটিক টিউব সিস্টেম উদ্বোধন করবেন নাড্ডা।

  • Railways: শতাব্দী এক্সপ্রেসের ভোলবদল, পুরনো চেয়ার কার কোচের জায়গায় বন্দে ভারতের রেক! বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    Railways: শতাব্দী এক্সপ্রেসের ভোলবদল, পুরনো চেয়ার কার কোচের জায়গায় বন্দে ভারতের রেক! বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত (Vande Bharat) চেয়ার কার ট্রেন উৎপাদন বন্ধ করার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল ভারতীয় রেল (Railways)। রেল বোর্ডের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ থেকে ২০২৯-৩০ – এই চার বছরের মধ্যে মোট ১,৫০০টি বন্দে ভারত চেয়ার কার কোচ তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে মোট ৮৮টি ট্রেন রেক প্রস্তুত হবে।

    কোথায় হবে তৈরি (Railways)

    রেল সূত্রে খবর, এই ১,৫০০ কোচের মধ্যে ৭২০টি কোচ চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হবে। বাকি কোচগুলি অন্যান্য উৎপাদন ইউনিটে নির্মিত হবে। রেলের এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, ইন্টার সিটি রুটে চলাচলকারী সমস্ত শতাব্দী এক্সপ্রেস ট্রেন, যেগুলির রেক উৎপাদন ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেগুলিকে ধাপে ধাপে বন্দে ভারত রেকে রূপান্তরিত করা হবে। সে ৮৮টি রেক তৈরি হবে, তার মধ্যে ৬৮টি রেক হবে ১৬ কোচের আর বাকি ২০টি রেক হবে ২০ কোচের ট্রেন সেট। বন্দে ভারত চেয়ার কার ট্রেনগুলির সর্বোচ্চ গতি ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। এগুলি মূলত ব্যবহার করা হবে দিনের বেলায় চলা ইন্টারসিটি পরিষেবার জন্যই। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত, চেন্নাইয়ের আইসিএফ, কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরি এবং রায়বেরেলির মডার্ন কোচ ফ্যাক্টরি – এই তিনটি উৎপাদন কেন্দ্রে মোট ৯৬টি বন্দে ভারত চেয়ার কার রেক তৈরি হয়েছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    এর মধ্যে বর্তমানে ৮২টি রেক পরিষেবায় রয়েছে, আর কয়েকটি কোচ রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছে। এছাড়াও, দক্ষিণ রেল, উত্তর রেল সহ কয়েকটি জোনে আরও কিছু বন্দে ভারত রেক বরাদ্দ করা হয়েছে, যদিও সেগুলি এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি। রেলের এই সিদ্ধান্তে আগামী দিনে দেশের ইন্টারসিটি যাত্রী পরিষেবা আরও আধুনিক ও গতিশীল হবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। রেল বোর্ডের প্রোডাকশন ইউনিট বিভাগের ডিরেক্টরের জারি করা ২ জানুয়ারির এক নির্দেশিকা অনুযায়ী, নয়া উৎপাদন পরিকল্পনায় ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি, রায়বেরেলি কোচ ফ্যাক্টরি, এবং মারাঠওয়াড়া কোচ ফ্যাক্টরি মিলিয়ে মোট ১,৫০০টি কোচ তৈরি করা হবে। এর মধ্যে আইসিএফ তৈরি করবে ৭২০টি, আরসিএফ তৈরি করবে ৩৩৬টি এবং এমসিএফ তৈরি করবে (Vande Bharat) ৪৪৪টি কোচ।

    কোথায়, কত ট্রেনসেট তৈরি হবে

    ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এই (Railways) তিনটি ইউনিট মিলিয়ে মোট ১৬-কোচ বিশিষ্ট ২৩টি ট্রেনসেট তৈরি করা হবে। তবে ২০২৭-২৮ সালে কোনও বন্দে ভারত ট্রেনসেট তৈরির পরিকল্পনা নেই। ২০২৮-২৯ সালে আইসিএফ ২০-কোচ বিশিষ্ট ২০টি ট্রেনসেট তৈরি করবে। এমসিএফ তৈরি করবে ১৬-কোচের ১২টি ট্রেনসেট। ২০২৯-৩০ অর্থবর্ষে আইসিএফ, আরসিএফ এবং এমসিএফ – এই তিনটি ইউনিট মিলিয়ে ১৬-কোচ বিশিষ্ট মোট ৩৩টি বন্দে ভারত ট্রেনসেট তৈরি করা হবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আইসিএফ একাই ৮৮টির বেশি বন্দে ভারত ট্রেনসেট তৈরি করেছে। বর্তমানে ভারতীয় রেল বন্দে ভারতের স্লিপার সংস্করণের উৎপাদনে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই কারণে ২০২৫-২৬ সালে ইন্টারসিটি পরিষেবার জন্য আইসিএফকে মাত্র ১১টি বন্দে ভারত চেয়ার কার ট্রেনসেট তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে অন্যান্য ইউনিটে আরও ২০টি ট্রেনসেট তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে চেয়ার কার বন্দে ভারত ট্রেনের জন্য আর কোনও নতুন পরিকল্পনা না থাকলেও, সাম্প্রতিক নীতিগত পরিবর্তনের ফলে আবারও এই ট্রেনগুলির উৎপাদন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেলের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “বন্দে ভারত চেয়ার কার কোচগুলিই আগামী চার বছরে ধাপে ধাপে শতাব্দী এক্সপ্রেসের পুরানো রেকগুলির জায়গা নেবে। এই (Vande Bharat) সিদ্ধান্ত যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য ও আধুনিকীকরণের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Railways)।”

  • Dehydration During Winter: শীতেও হতে পারে ডিহাইড্রেশন! বাড়তি বিপদ শিশুদের, কীভাবে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন?

    Dehydration During Winter: শীতেও হতে পারে ডিহাইড্রেশন! বাড়তি বিপদ শিশুদের, কীভাবে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

     

    ভোরের আলোর দেখা পাওয়াই মুশকিল। সকালের অনেকটা সময়েই কুয়াশা ঢাকা থাকছে। রাজ্যের সর্বত্র জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। কিন্তু এই আবহাওয়াতেও বিপদ বাড়াচ্ছে ডিহাইড্রেশন। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের আবহাওয়াতেও শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ শিশুর নানান রকম রোগের দাপটের নেপথ্যে থাকছে ডিহাইড্রেশন। তাই শীত পড়লেও সন্তানকে সুস্থ রাখতে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।

    কেন শীতেও ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি থাকছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় জলের পরিমাণ কমে গেলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হয়। শীতের আমেজেও এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তার মূল কারণ কম পরিমাণে জল খাওয়া। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শিশুদের দুই থেকে তিন লিটার জল খাওয়া জরুরি। কিন্তু এই আবহাওয়ায় অনেকেই এই পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাচ্ছেন না। এর ফলে শরীরে জলের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। কিন্তু শিশুরা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি সক্রিয় থাকে। তারা দিনভর ছোটাছুটি করে, নানান রকমের খেলাধুলা করে। তাই তাদের বাড়তি এনার্জি প্রয়োজন। আর শরীরে জলের ঘাটতি হলে সেই এনার্জির ঘাটতি তাড়াতাড়ি হয়। তখন ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

    ডিহাইড্রেশন কোন বিপদ বাড়িয়ে দেয়?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিহাইড্রেশন হলে শরীরে নানান জটিলতা তৈরি হয়। শিশুরা বারবার ডিহাইড্রেশনে আক্রান্ত হলে কিডনিতে পাথর, কিডনির কার্যকারিতা হ্রাসের মতো নানান রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। মূত্রনালীতে সংক্রমণের ভোগান্তিও বাড়ায়।‌ বিশেষত এই শীতের আবহাওয়ায় বহু শিশু ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফরমেশনের মতো রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পর্যাপ্ত জল না খাওয়ার জেরেই এই ধরনের সংক্রমণ হচ্ছে। আবার ডিহাইড্রেশন মস্তিষ্কের উপরেও গভীর প্রভাব ফেলে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের স্নায়ুর কার্যক্ষমতা স্বাভাবিক রাখতে জল খুব জরুরি। জল পর্যাপ্ত খেলে তবেই শরীরের সমস্ত পেশি এবং স্নায়ু সক্রিয় থাকবে। ফলে শরীরে ক্লান্তি বোধ কমবে। ডিহাইড্রেশন হলে তাই বারবার মাথা ঘোরা, চোখ ঝাপসা হয়ে যাওয়া কিংবা স্মৃতিশক্তি হ্রাসের মতো সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সময়েই শিশুদের ডায়রিয়া ও বমির মতো সমস্যা দেখা যায়। যার নেপথ্যে ডিহাইড্রেশন থাকে বলেই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কীভাবে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, এই আবহাওয়াতেও ডিহাইড্রেশন হচ্ছে। তাই এই সমস্যা এড়াতে এবং সন্তানকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়াতে হবে। গরম হোক বা শীতকাল, শরীর সুস্থ রাখতে জল জরুরি। তাই শিশুকে দিনে দুই থেকে তিন লিটার জল খাওয়াতে হবে। প্রতি ঘণ্টায় শিশু কতখানি জল খাচ্ছে, সেদিকে নজরদারি প্রয়োজন। শীতে নিয়মিত স্নান জরুরি। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই শীতে সন্তানকে নিয়মিত স্নান করান না। এটা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। নিয়মিত স্নান করলে শুধু ত্বক পরিষ্কার থাকে এমন নয়। শরীর সুস্থ থাকে। শরীরের শুষ্কতা কমে। জলের পাশপাশি শীতে নানান রকমের স্যুপ খাওয়ায় পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের রাতের কিংবা দুপুরের খাবারের মেনুতে নানান পদের স্যুপ রাখা যেতে পারে। স্যুপে নানান সব্জি থাকে। তরল জাতীয় এই খাবার পুষ্টিকর আবার শরীরে তরলের জোগান দেবে। সবমিলিয়ে একাধিক উপকার পাওয়া যাবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 09 January 2026: বাণীতে সংযম জরুরি এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 09 January 2026: বাণীতে সংযম জরুরি এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) আইনি সমস্যা থেকে মুক্তিলাভ।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

     

     

    মিথুন

    ১) যানবাহন খুব সাবধানে চালাতে হবে, বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) আগুপিছু না ভেবে উপার্জনের রাস্তায় পা দেবেন না।

    ২) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতার যোগ।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) কর্মচারীদের জন্য ব্যবসায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ।

    ২) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    তুলা

    ১) ভালো কথার দ্বারা অন্যকে প্রভাবিত করতে পারবেন।

    ২) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভাল হবে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রিয়জনের কুকর্মের জন্য বাড়িতে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) আশাহত।

    ধনু

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি রক্ষা পাবে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) সন্তান-স্থান শুভ।

    ২) আজ কোনও সুসংবাদ পাওয়ার জন্য মন চঞ্চল থাকবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 552: “সাপ এঁকে বেঁকে চললেও সাপ; আবার চুপ করে কুণ্ডলি পাকিয়ে থাকলেও সাপ”

    Ramakrishna 552: “সাপ এঁকে বেঁকে চললেও সাপ; আবার চুপ করে কুণ্ডলি পাকিয়ে থাকলেও সাপ”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৬ই অগস্ট

     শ্রীরামকৃষ্ণ, গিরিশ, শশধর পণ্ডিত প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    ঠাকুরের অসুখ সংবাদ কলিকাতার ভক্তেরা জানিতে পারিলেন। আলজিভে অসুখ হইয়াছে সকলে বলিতেছেন।

    রবিবার, ১৬ই অগস্ট, ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ; (১লা ভাদ্র, ১২৯২)। শুক্লা ষষ্ঠী। অনেক ভক্ত তাঁহাকে দর্শন করিতে আসিয়াছেন—গিরিশ, রাম, নিত্যগোপাল, মহিমা চক্রবর্তী, কিশোরী (গুপ্ত), পণ্ডিত শশধর তর্কচুড়ামণি প্রভৃতি।

    ঠাকুর পূর্বের ন্যায় আনন্দময়, ভক্তদের সঙ্গে কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—রোগের কথা মাকে বলতে পারি না। বলতে লজ্জা হয়।

    গিরিশ—আমার নারায়ণ ভাল করবেন।

    রাম—ভাল হয়ে যাবে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—(সহাস্যে)—হাঁ, ওই আশীর্বাদ কর। (সকলের হাস্য)

    গিরিশ নূতন নূতন আসিতেছেন, ঠাকুর তাঁহাকে বলিতেছেন, “তোমার অনেক গোলের ভিতর থাকতে হয়, অনেক কাজ; তুমি আর তিনবার এসো।” এইবার শশধরের সঙ্গে কথা কহিতেছেন।

    শশধর পণ্ডিতকে উপোদেশ — ব্রহ্ম ও আদ্যাশক্তি অভেদ 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (শশধরের প্রতি) — তুমি আদ্যাশক্তির কথা কিছু বল।

    শশধর (Kathamrita)— আমি কি জানি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — একজনকে একটি লোক খুব ভক্তি করে। সেই ভক্তকে তামাক সাজার আগুন আনতে বললে; তা সে বললে, আমি কি আপনার আগুন আনবার যোগ্য? আর আগুন আনলেও না! (সকলের হাস্য)

    শশধর—আজ্ঞা, তিনিই নিমিত্ত কারণ, তিনিই উপাদান কারণ। তিনিই জীব জগৎ সৃষ্টি করেছেন, আবার তিনিই জীবজগৎ হয়ে রয়েছেন; যেমন মাকড়সা, নিজে জাল তৈয়ার করলে (নিমিত্ত কারণ); আর সেই জাল নিজের ভিতর থেকে বার করলে (উপাদান কারণ)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আর আছে যিনিই পুরুষ তিনিই প্রকৃতি, যিনিই ব্রহ্ম তিনিই শক্তি। যখন নিষ্ক্রিয়, সৃষ্টি স্থিতি প্রলয় করছেন না, তখন তাঁকে ব্রহ্ম বলি, পুরুষ বলি; আর যখন ওই সব কাজ করেন তখন তাঁকে শক্তি বলি, প্রকৃতি বলি। কিন্তু যিনিই ব্রহ্ম তিনিই শক্তি, যিনিই পুরুষ তিনিই প্রকৃতি হয়ে রয়েছেন। জল স্থির থাকলেও জল, আর হেললে দুললেও জল। সাপ এঁকে বেঁকে চললেও সাপ; আবার চুপ করে কুণ্ডলি পাকিয়ে থাকলেও সাপ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ ব্রহ্মজ্ঞানের কথায় সমাধি — ভোগ ও কর্ম 

    “ব্রহ্ম কি তা মুখে বলা যায় না, মুখ বন্ধ হয়ে যায়। নিতাই আমার মাতা হাতি! নিতাই আমার মাতা হাতি! এই কথা বলতে বলতে শেষে আর কিছুই বলতে পারে না; কেবল বলে হাতি! আবার হাতি হাতি বলতে বলতে ‘হা’। শেষে তাও বলতে পারে না! বাহ্যশূন্য।”

    এই কথা বলিতে (Kathamrita) বলিতে ঠাকুর সমাধিস্থ! দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই সমাধিস্থ।

    সমাধিভঙ্গের পর কিয়ৎকাল পরে বলিতেছেন, ‘ক্ষর’ ‘অক্ষরের’ পারে কি আছে মুখে বলা যায় না। সকলে চুপ করিয়া আছেন, ঠাকুর আবার বলিতেছেন, “যতক্ষণ কিছু ভোগ বাকি থাকে কি কর্ম বাকি থাকে, ততক্ষণ সমাধি হয় না।

    (শশধরের প্রতি)—“এখন ঈশ্বর (Ramakrishna) তোমায় কর্ম করাচ্ছেন, লেকচার দেওয়া ইত্যাদি; এখন তোমায় ওই সব করতে হবে।

    “কর্মটুকু শেষ হয় গেলে আর না। গৃহিণী বাড়ির কাজকর্ম সব সেরে নাইতে গেলে ডাকাডাকি করলেও আর ফেরে না।”

LinkedIn
Share