Tag: bangla news

bangla news

  • Rashtriya e-Pustakalaya: ৬০০০-এর বেশি ই-বুক, রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের বিরাট মাইল ফলক

    Rashtriya e-Pustakalaya: ৬০০০-এর বেশি ই-বুক, রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের বিরাট মাইল ফলক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা মন্ত্রকের (Minister of Education) বিনামূল্যে ডিজিটাল লাইব্রেরি রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় (Rashtriya e-Pustakalaya) ৬,০০০-এরও বেশি ই-বুকের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বয়সের শিশু ও যুবকদের জন্য বহুভাষিক সাহিত্যে অফুরন্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতীয় ডিজিটাল লাইব্রেরি শিক্ষা মন্ত্রকের এক বড় পদক্ষেপ। এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, আনন্দময় এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত শিক্ষার প্রতি ভারত সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রমাণ দেয়।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (Minister of Education) ধর্মেন্দ্র প্রধান কর্তৃক চালু করা রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় শিক্ষা মন্ত্রকের স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের অধীনে তৈরি করা হয়েছে এবং এর মূল লক্ষ্য দেশের শিশু ও যুব সমাজ। এটি কেবল একটি ডিজিটাল ভান্ডার নয়, বরং পড়ার আনন্দকে পুনরায় জাগিয়ে তুলতে, কৌতূহল বাড়াতে এবং ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক ঐতিহ্যের প্রতি গর্ববোধ জাগানোর জন্য একটি জাতীয় আন্দোলন হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    অ্যাপে পড়া যায় (Rashtriya e-Pustakalaya)

    ২০২৬ সালের নতুন দিল্লি বিশ্ব বইমেলায় এই প্ল্যাটফর্মটি তার বইয়ের ক্রমবর্ধমান সংগ্রহ প্রদর্শন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতিমধ্যে রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়গুলি কল্পনা, আবিষ্কার এবং শেখার প্রবেশদ্বারে রূপান্তরিত করেছে। একটি সাধারণ অ্যাপ ডাউনলোডের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এমন এক জগতে প্রবেশ করতে পারে যেখানে গল্প, জ্ঞান এবং সৃজনশীলতা যে কোনো সময়, যে কোনো জায়গায় এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

    রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় (Rashtriya e-Pustakalaya) একটি বিরাট ডিজিটাল লাইব্রেরি হিসেবে কাজ করছে। তাতে কল্পকাহিনি, অলৌকিক কাহিনি, কমিকস, ছড়া, ছবির বই এবং শিল্প ও সংস্কৃতি, ভ্রমণ ও অন্বেষণ ইত্যাদি বিষয়ের উপর বিস্তৃত বইগুলিতে সীমাহীন প্রবেশাধিকার সরবরাহ করে। পড়ুয়াদের আগ্রহ এবং পড়ার প্রতি যত্ন সহকারে তৈরি করা এই প্ল্যাটফর্মটি শিক্ষা কেবল শ্রেণীকক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে না। প্রতিটি হৃদয়ে প্রসারিত হয়। জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) ২০২০-এর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, লাইব্রেরিটি সুচিন্তিতভাবে চারটি বয়স-নির্দিষ্ট বিভাগে সাজানো হয়েছে: ৩-৮ বছর, ৮-১১ বছর, ১১-১৪ বছর এবং ১৪ বছরের বেশি। এটি বয়স-উপযোগী বিষয়বস্তু নিশ্চিত করে যা জ্ঞানীয়, আবেগগত এবং সৃজনশীল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

    রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি হলো এর গ্রহণ যোগ্যতা। ওয়েব, অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উপলব্ধ এই অ্যাপটিতে ২০০টিরও বেশি নামকরা প্রকাশকের ৫,০০০টিরও বেশি প্রবন্ধ রয়েছে। এগুলি ২২টি ভারতীয় ভাষা এবং ইংরেজিতে বিস্তৃত। ভাষাগত ও ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে, রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় নিশ্চিত করে যে প্রতিটি শিশু, তার অবস্থান বা মাতৃভাষা নির্বিশেষে, মানসম্পন্ন সাহিত্যের আনন্দ উপভোগ করতে পারে।

    জীবনব্যাপী আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলে

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের (Minister of Education) রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের (Rashtriya e-Pustakalaya) মূল উদ্দেশ্য হল, পড়ার প্রতি জীবনব্যাপী আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলা। এই উদ্যোগটি কেবল পাঠক তৈরি করতেই চায় না, বরং তরুণ মনকে সমালোচনামূলকভাবে চিন্তা করতে, অবাধে স্বপ্ন দেখতে এবং অর্থপূর্ণভাবে বেড়ে উঠতে ক্ষমতা দিতে চায়। বিষয়বস্তুকে ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সঙ্গে যুক্ত রেখে এবং একই সাথে বৈশ্বিক ধারণার দুয়ার খুলে দিয়ে, এই প্ল্যাটফর্মটি বিজ্ঞ, আত্মবিশ্বাসী এবং কল্পনাপ্রবণ ভবিষ্যৎ নাগরিক তৈরি করার লক্ষ্য রাখে।

  • Rajasthan: ভারতেই মিলল লিথিয়ামের বৃহত্তম ভাণ্ডারের খোঁজ, পরিমাণ কত জানেন?

    Rajasthan: ভারতেই মিলল লিথিয়ামের বৃহত্তম ভাণ্ডারের খোঁজ, পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের খনিজ মানচিত্রে যুক্ত হল এক ঐতিহাসিক মাইল ফলক। রাজস্থানের (Rajasthan) নাগৌর জেলার দেগানা অঞ্চলে বিপুল পরিমাণ লিথিয়ামের (Lithium) সন্ধান মিলেছে। এই আবিষ্কার ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। কারণ, এর ফলে লিথিয়ামের জন্য চিনের ওপর ভারতের দীর্ঘদিনের নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।লিথিয়াম ভাণ্ডারের খবর প্রকাশ্যে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় খনিমন্ত্রক। ইতিমধ্যেই ওই অঞ্চলে খনিজ উত্তোলনের জন্য নিলাম প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের অনুমান, এটি হতে পারে ভারতে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় লিথিয়াম ভাণ্ডার।

    কত লিথিয়াম মিলেছে দেগানায়?

    ভারতীয় ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষা সংস্থা (GSI)-এর তথ্য অনুযায়ী, দেগানা অঞ্চলে আনুমানিক ১ কোটি ৪০ লাখ টন লিথিয়াম মজুত রয়েছে। এই ভাণ্ডার ভারতের মোট লিথিয়াম চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম হতে পারে বলে অনুমান। বর্তমানে ৭০–৮০ শতাংশ লিথিয়াম আমদানির জন্য চিনের ওপর নির্ভর করতে হয় ভারতকে। দেগানার এই ভাণ্ডার যদি বাণিজ্যিকভাবে সফলভাবে উন্নয়ন করা যায়, তাহলে তা ভারতের খনিজ ও শক্তি নিরাপত্তায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে।

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ লিথিয়াম?

    লিথিয়াম আধুনিক প্রযুক্তির একটি অপরিহার্য কাঁচামাল। বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যাটারি উৎপাদন, শক্তি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-সহ বিভিন্ন উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পে এই খনিজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতের পরিচ্ছন্ন শক্তি রূপান্তরের ক্ষেত্রে লিথিয়ামকে ‘স্ট্র্যাটেজিক মিনারেল’ হিসেবেই ধরা হয় (Rajasthan)। বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ডেগানা অঞ্চলে প্রায় ২৬,০০০ মিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত ড্রিলিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এই সমীক্ষা শুধু লিথিয়ামেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে টাংস্টেন, বিসমাথ, টিন এবং কোবাল্টের মতো অন্যান্য মূল্যবান খনিজের উপস্থিতিও পরীক্ষা করা হয়েছে। এর ফলে রাজস্থানের সামগ্রিক খনিজ সম্ভাবনা নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আবিষ্কার ভারতের খনিজ নিরাপত্তা, বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যাটারি শিল্প এবং ভবিষ্যৎ শক্তি পরিকল্পনার ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে (Lithium)। রাজস্থানের ডেগানা অঞ্চলের রেভান্ত পাহাড়ে খনিজ অনুসন্ধানের ইতিহাস নতুন নয়। ব্রিটিশ রাজত্বে ১৯১৪ সালে এখানে প্রথম টাংস্টেনের সন্ধান মিলেছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এই টাংস্টেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কাজে (Rajasthan) ব্যবহৃত হয়। পরবর্তী কয়েক দশক ধরে এলাকাটিতে খনন কার্য চললেও এক পর্যায়ে এসে তা বন্ধ হয়ে যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে লিথিয়ামের সম্ভাব্য সন্ধান আবারও ডেগানাকে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। ডেগানা শুধু রাজস্থানের জন্য নয়, বরং ভারতের ক্রমবর্ধমান খনিজ কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিথিয়ামের মজুত পাওয়া গেলে এটি রাজ্যের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।

    দেশের একাধিক রাজ্যেও লিথিয়ামের ভাণ্ডার

    রাজস্থান ছাড়াও দেশের একাধিক রাজ্যে লিথিয়ামের ভাণ্ডার চিহ্নিত হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলার সালাল-হামানা এলাকায় প্রায় ৫.৯ মিলিয়ন টন লিথিয়াম মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, যা এখনও পর্যন্ত ভারতের সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য ভাণ্ডার হিসেবে বিবেচিত হয়।ছত্তিশগড়ের কোরবা জেলায় ইতিমধ্যেই দেশের প্রথম লিথিয়াম ব্লকের নিলাম সম্পন্ন হয়েছে এবং শীঘ্রই সেখানে খনন কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্নাটকের মান্ড্যা জেলায় তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও প্রায় ১৪,১০০ টন লিথিয়ামের ভাণ্ডার চিহ্নিত হয়েছে (Rajasthan)।বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ (Lithium) এবং গুজরাটেও লিথিয়ামের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষায় ইঙ্গিত মিলেছে, যদিও এসব রাজ্যে এখনও বাণিজ্যিকভাবে খনন কার্য শুরু হয়নি।

    লিথিয়ামের অভ্যন্তরীণ চাহিদা

    ভারতে বৈদ্যুতিক যান বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হওয়ায় লিথিয়ামের অভ্যন্তরীণ চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছে। ব্যাটারি উৎপাদনে লিথিয়াম একটি অপরিহার্য কাঁচামাল হওয়ায় ভবিষ্যতের জ্বালানি কৌশলে এই খনিজের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে (Rajasthan)। ডেগানায় লিথিয়াম খনন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজস্থানের জন্য উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয়ের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এই প্রকল্প দেশের আমদানি নির্ভরতা কমাতে, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং বৈশ্বিক লিথিয়াম বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হতে পারে (Lithium)। বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদন শুরু হলে ডেগানার এই প্রকল্প শুধু একটি রাজ্যের নয়, বরং গোটা দেশের খনিজ ও জ্বালানি নীতিতে এক রূপান্তরকারী অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে (Rajasthan)।

  • Sonam Yeshey: ৭ রানে ৮ উইকেট, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নজির ভুটানের সোনমের

    Sonam Yeshey: ৭ রানে ৮ উইকেট, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নজির ভুটানের সোনমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭ রানে ৮ উইকেট নয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন ভুটানের সোনম ইয়েশি। গত শুক্রবার ক্রিকেট দুনিয়ার নজর যখন ছিল অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অ্যাশেজ সিরিজের টেস্টে তখনই বাইশ গজে নয়া ইতিহাস রচনা করলেন ভুটানের তরুণ। নিঃশব্দে মায়ানমারের বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড গড়েন ২২ বছর বয়সি বাঁ-হাতি স্পিনার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এর আগে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের নজির ছিল মালয়েশিয়ার সিয়াজরুল ইদ্রুসের দখলে। ২০২৩ সালে চিনের বিরুদ্ধে তিনি ৮ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন।

    সোনমের দুরন্ত ঘূর্ণি

    চলতি বছরের শুরুতে বাহরিনের আলি দাউদ ১৯ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন ভুটানের বিরুদ্ধে। শুক্রবার ৭ রানে ৮ উইকেট নিয়ে সকলকে ছাপিয়ে গেলেন সোনম। গোলফু আন্তর্জাতিক মাঠে টস জিতে ভুটানকে ব্যাট করতে পাঠায় মায়ানমার। ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তারা ১২৭ রান তোলে। ১২৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সোনমের দুরন্ত ঘূর্ণিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে প্রথম চারটি বলের মধ্যে তিনটিতেই উইকেট তুলে নেন সোনম। নিজের দ্বিতীয় ওভারে নেন চতুর্থ উইকেট। শেষ দুই ওভারে নেন আরও চারটি উইকেট। সোনমের ধাক্কায় মাত্র ৪৫ রানে শেষ হয়ে যায় মায়ানমারের লড়াই। ৮২ রানে জয়ী হয় ভুটান।

    অভিষেক ম্যাচেই ১৬ রানে ৩ উইকেট নেন সোনম 

    ২০২২ সালের জুলাই মাসে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় সোনাম ইয়েশির। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নিজের প্রতিভার জানান দিয়ে আসছেন তিনি। অভিষেক ম্যাচেই ১৬ রান খরচ করে ৩ উইকেট শিকার করেছিলেন এই বাঁহাতি স্পিনার। এখন পর্যন্ত খেলা ৩৪টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তার মোট উইকেট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭-এ। ভুটান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (International Cricket Council) সহযোগী সদস্য। এই স্তরের বহু দেশের ক্রিকেটার এখনও অপেশাদার। তবে ভুটান ব্যতিক্রম। পুরুষ ও মহিলা জাতীয় দল মিলিয়ে ৩৬ জন ক্রিকেটার কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় বেতন পান। বর্তমানে ভুটান পুরুষদের টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে ৭৭ নম্বরে, মায়ানমার রয়েছে ৯৫ নম্বরে।

     

     

     

     

     

     

  • Bangladesh Polls 2025: তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র দাখিল: ঢাকা-১৭ আসন, ২০২৬ নির্বাচন

    Bangladesh Polls 2025: তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র দাখিল: ঢাকা-১৭ আসন, ২০২৬ নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Bangladesh Polls 2025) আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, অরাজকতা, সহিংসতা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চরমে পৌঁছে গিয়েছে। তাই আসন্ন নির্বাচনকে দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা (Bangladesh Polls 2025)

    ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarique Rahman) ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিতারিত করার পর দেশের ইতিহাসে এটি একটি বড় রাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রহমান তাঁর স্ত্রী জোবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে আসেন। তাঁর হয়ে দলের নেতারা ২৯ ডিসেম্বর, সোমবার আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারেক রহমান আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (Bangladesh Polls 2025) ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানা গিয়েছে। বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রধান উপদেষ্টা ফরহাদ হালিম ডোনার তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়নপত্রটি সেগুনবাগিচা ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২৮ ডিসেম্বর, শনিবার তারেক ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার হিসেবে নিজের নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। এরপরেই বিএনপি নেতারা তাকে এই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অনুরোধ করেন।

    মাতৃভূমির মাটিতে ফিরে পরিবর্তনের ডাক

    তারেক রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ রাষ্ট্র (Bangladesh Polls 2025) হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছেন। ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে নিজ দেশে তিনি যে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন, তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি এক্স‘ হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে বলেন, “প্রিয় বন্ধু, বোন ও ভাইয়েরা, সারা বাংলাদেশে, গত বৃহস্পতিবার এমন একটি দিন ছিল যা আমি চিরকাল হৃদয়ে ধরে রাখব, যেদিন ১৭টি দীর্ঘ বছর পর আমি আমার মাতৃভূমির মাটিতে ফিরে এসেছি। আপনাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, ঢাকার রাস্তা ধরে মুখচ্ছবিগুলোর সমুদ্র এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রার্থনা—এসব মুহূর্ত আমি কখনো ভুলব না। আমার গভীরতম ধন্যবাদ সবাইকে। শব্দে পুরোপুরি প্রকাশ করা সম্ভব নয় আমাদের পরিবার এবং আমার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের জন্য কেমন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অনুভব করছি। আমাদের সেইসব সমর্থকদের প্রতি, যারা প্রতিটি কঠিন সময়ে আমাদের পাশে ছিলেন এবং কখনও আশা হারাননি, আপনাদের সাহস আমাকে শক্তি জুগিয়ে চলেছে।”

    সব মামলায় মুক্ত তারেক

    তারেক রহমান (Tarique Rahman) ২০০৭-০৮ সালের সামরিক-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেফতার হয়েছিলেন। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি সপরিবারে লন্ডনে যান এবং দেশে ফিরে আসেননি। ২০১৮ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর পর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রহমানকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। গত সাত বছর ধরে তিনি লন্ডন থেকে ভিডিও কলের মাধ্যমে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এবার লড়বেন নির্বাচনে (Bangladesh Polls 2025)।

    হিন্দু নির্যাতন কি কমবে?

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতা পরিবর্তনের পর, আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আমলে দায়ের করা মামলাগুলি থেকে তারেক (Tarique Rahman) একে একে মুক্তি পেয়েছেন। এরপর দেশে ফেরার পথ প্রশস্ত হয়েছে। বিএনপি এর আগে ১৩তম সংসদ নির্বাচনের জন্য আংশিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছিল, যেখানে বলা হয়েছিল তারেক রহমান প্রথমবারের মতো বগুড়া-৬ আসন থেকে ভোট দেবেন।

    তবে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে (Bangladesh Polls 2025) ঘিরে দেশের অভ্যন্তরে হিন্দুদের উপর কট্টর মৌলবাদীদের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেই চলছে। ভালুকা, রাজশাহী, পিরোজপুরে লাগাতার হিন্দুদের টার্গেট করা হচ্ছে। কাউকে ধর্মীয় অবমাননার মিথ্যা অপবাদ পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে আবার কোথাও বাইরে থাকে ঘরে তালা লাগিয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার কর্মকাণ্ড চলছে। সবটা মিলিয়ে নির্বাচনকে ঘিরে সংখ্যা লঘুদের উপর ফের একবার বিপর্যয় নেমে এসেছে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব ঢাকার, কারণ কী?

    Bangladesh: বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব ঢাকার, কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া মোড় নিচ্ছে ভারত-বাংলাদেশের (Bangladesh) সম্পর্ক! দিন কয়েক আগে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে (Reaz Hamidullah) তলব করেছিল নয়াদিল্লি। তার পরপরই ঢাকায় জরুরি তলব করা হয় হামিদুল্লাহকে। ডাক পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকা পৌঁছন তিনি। গত বছরের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অপসারণ এবং মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। তবে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশে নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ায় সেই উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক (Bangladesh)

    বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, “ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় ডাকা হয়েছে।” জানা গিয়েছে, বিদেশমন্ত্রকের এক ‘দায়িত্বশীল সূত্রে’র উদ্ধৃতি দিয়ে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তলবের প্রেক্ষিতে হামিদুল্লাহ সোমবার রাতে ঢাকায় পৌঁছন। প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছ, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্যই তাঁকে ঢাকায় ডাকা হয়েছে।” শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশজুড়ে (Bangladesh) ব্যাপক বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই নতুন অস্থিরতার মধ্যেই একদল বিক্ষোভকারী চট্টগ্রামে ভারতের উপ রাষ্ট্রদূতের অফিসে হামলার চেষ্টা করে। সেই প্রেক্ষিতেই ভারত ওই মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করে। এর আগে ভারত বাংলাদেশে নিযুক্ত দূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করে এবং ঢাকায় ভারতীয় মিশনের চারপাশে নিরাপত্তাজনিত অস্থিরতা তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করা কিছু চরমপন্থীকে নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত

    এর পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ নয়াদিল্লিতে অবস্থিত সে দেশের হাইকমিশন এবং ত্রিপুরায় অবস্থিত মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করে দেয়। পাশাপাশি, ভারতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের বাইরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে (Reaz Hamidullah)। তবে, একাধিক মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত এবং উভয় (Bangladesh) পক্ষের কূটনীতিকদের তলবের পরেও ঢাকা যে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে সাজাতে আগ্রহী, তারই ইঙ্গিত মিলল। গত সপ্তাহে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করছেন এবং এ বিষয়ে তিনি নিজেও বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে কথা বলছেন।”

    সালেহউদ্দিন আহমেদ

    গত সপ্তাহে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছিলেন, প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা দুই দেশের মধ্যে কোনও তিক্ততা চাই না। বাইরে থেকে যদি কেউ সমস্যা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে, তা কোনও দেশের স্বার্থেই ভালো নয় (Bangladesh)।” এদিকে, বাংলাদেশ ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল আমদানির একটি প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে। সালেহউদ্দিন আহমেদ একে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার একটি পন্থা বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই চাল আমদানি বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হবে, কারণ ভারত ছাড়া আর একটি বড় বিকল্প ভিয়েতনাম থেকে চাল আনতে হলে প্রতি কেজিতে ১০ বাংলাদেশি টাকা বেশি খরচ পড়বে। সালেহউদ্দিন বলেন, “আমাদের বাণিজ্যনীতি রাজনৈতিক বিবেচনায় (Reaz Hamidullah) পরিচালিত নয়। যদি ভিয়েতনাম বা অন্য কোনও দেশ থেকে চাল আনার তুলনায় ভারত থেকে চাল আমদানি সস্তা হয়, তাহলে অর্থনৈতিক দিক থেকে ভারত থেকেই এই প্রধান খাদ্যশস্য কেনাই যুক্তিসঙ্গত (Bangladesh)।”

  • Bengal Assembly Election: ‘আমি আমার কাজ করতে এসেছি’: বিএলএ ইস্যুতে অচল শুনানি, নির্বাচনী আধিকারিকের গাড়িতে হামলা

    Bengal Assembly Election: ‘আমি আমার কাজ করতে এসেছি’: বিএলএ ইস্যুতে অচল শুনানি, নির্বাচনী আধিকারিকের গাড়িতে হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথ-লেভেল এজেন্টদের (BLA) শুনানিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সোমবার পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) সংক্রান্ত শুনানি বন্ধ রাখতে হয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটে বিশেষ রোল অবজারভার সি মুরুগানের গাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কলকাতা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রের এসআইআর পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা আইএএস অফিসার সি মুরুগান মগরাহাট ১ ও ২ ব্লকে পরিদর্শনে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়েন। বিক্ষোভকারীরা তাঁর গাড়িতে ধাক্কা দেয় এবং একটি দরজার হাতল ভেঙে যায়। ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন মুরুগানকে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে।

    ভয় পাওয়ার কিছু নেই

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল জানান, এই ঘটনার বিষয়ে রাজ্যের ডিজিপি রাজীব কুমার এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককেও রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। বিশেষ রোল অবজারভার সুব্রত গুপ্ত জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। এই উত্তেজনার সূত্রপাত নির্বাচন কমিশনের একটি সিদ্ধান্ত থেকে। যেখানে কমিসন সূত্রে বলা হয় এসআইআর শুনানিতে রাজনৈতিক দল মনোনীত বিএলএদের উপস্থিতি অনুমোদিত নয়। বিক্ষোভ সত্ত্বেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন মুরুগান। তিনি বলেন, “আমি আমার কাজ করতে এসেছি এবং তা করবই। আমার ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি একজন আইএএস অফিসার এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশেই এখানে এসেছি। আমাকে নিরাপত্তা দেওয়া প্রশাসনের দায়িত্ব।”

    শুনানি হতে দেব না

    একই সময়ে হুগলি ও মেদিনীপুরেও অনুরূপ পরিস্থিতি তৈরি হয়। হুগলির চুঁচুড়া-মগরা ব্লক অফিসে তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার বিএলএদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে আপত্তি জানালে শুনানি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। তিনি বলেন, “বিএলএদের অনুমতি না দিলে বা লিখিতভাবে জানানো না হলে আমরা শুনানি হতে দেব না।” এরপর ব্লক অফিসের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে জেলাশাসক ও অন্যান্য আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শুনানি পুনরায় চালু করেন। মেদিনীপুরে জেলাশাসকের দফতরে শুনানির সময় বিএলএরা ঢুকে পড়ে এবং ভিতরে থাকার দাবি জানায়। তাঁদের সরানো সম্ভব না হওয়ায় প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য শুনানি বন্ধ রাখতে হয়।

    নিজের অবস্থানে অনড় কমিশন

    তবে নির্বাচন কমিশন নিজের অবস্থানে অনড়। সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, “শুনানি কক্ষে বিএলএদের প্রবেশাধিকার নেই। বিহার বা অন্যান্য রাজ্যেও এসআইআর চলাকালীন এই নিয়মই মানা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, শুধুমাত্র ইআরও, এইআরও, বিএলও, বিএলও সুপারভাইজার, মাইক্রো অবজারভার এবং সংশ্লিষ্ট ভোটারই শুনানি কক্ষে থাকতে পারবেন। ভার্চুয়াল শুনানির কোনও বিধানও নেই বলে স্পষ্ট করেন তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন প্রসঙ্গে আগরওয়াল বলেন, প্রয়োজন হলে রাজ্য সরকারই সেই অনুরোধ জানাবে।

  • Amit Shah: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য বিজেপির প্রস্তুতির হিসেব নিলেন শাহ, আজ সংঘ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক

    Amit Shah: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য বিজেপির প্রস্তুতির হিসেব নিলেন শাহ, আজ সংঘ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় এখনও পর্যন্ত মরসুমের শীতলতম দিন। ১২ ডিগ্রিতে নেমেছে তাপমাত্রা। তবে ভোটের পারদ ক্রমশ চড়ছে বাংলায়। তিনদিনের সফরে সোমবারই শহরে পৌঁছেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। পাশাপাশি মঙ্গলবার দুপুরেই সাংবাদিক বৈঠক করার কথাও আছে তাঁর। সামনেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। সব রাজনৈতিক দলই নিজেদের মতো ঘুঁটি সাজাচ্ছে। সেই আবহে ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে এ রাজ্যের বিজেপির প্রথম সারির নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রে খবর, ভোটের আগে রাজ্য জুড়ে পথসভা, জনসভা বা রথযাত্রার যে পরিকল্পনা রয়েছে পদ্মশিবিরের, তার প্রস্তুতি বা ভাবনা সম্পর্কে শাহ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জেনেছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের কাছে।

    তিন দিনের সফরে কলকাতায় শাহ

    বছরশেষে তিন দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন শাহ। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর বিমান পৌঁছোয় দমদম বিমানবন্দরে। সেখান থেকে তিনি সোজা পৌঁছে যান সল্টলেকে বিজেপির দফতরে। রাতেই সেখানে রাজ্য বিজেপির নেতাদের সঙ্গে একটি সাংগঠনিক বৈঠক সারেন তিনি। রাজ্য বিজেপির প্রথম সারির নেতারা ছাড়াও ওই বৈঠকে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারাও। প্রায় ঘণ্টাখানেক রুদ্ধদ্বার বৈঠক চলে। বিজেপি সূত্রে খবর, এই বৈঠকে মূলত জনসংযোগের বিষয় আলোচনা হয়েছে। জনসংযোগের ক্ষেত্রে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব কী কী পরিকল্পনা করেছেন, সেই সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে— সেই সব সম্পর্কে জানতে চান শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সেই হিসেবই তুলে ধরেন তুলে ধরেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। সোমবারের বৈঠক মূলত ছিল রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক বিষয়ে। এ ছাড়াও, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জেনেছেন শাহ।

    রথযাত্রার পরিকল্পনা রাজ্যে

    রাজ্যে ভোটের দামামা বাজার অনেক আগে থেকেই জনসংযোগের দিকে মনোনিবেশ করেছে রাজ্য বিজেপি। সদস্য সংগ্রহ থেকে মণ্ডলে মণ্ডলে পথসভা করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির কাজ করছে তারা। সূত্রের খবর, সেই সব বিষয়ে খোঁজখবর নেন শাহ। কোন কোন মণ্ডলে পথসভা হয়েছে, কাদের ডাকা হয়েছে, কারা এসেছিলেন, কেমন প্রতিক্রিয়া— এমন নানা প্রশ্নের উত্তর রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের থেকে জেনে নিতে চান শাহ। জনসংযোগ হিসেবে এ রাজ্যে রথযাত্রারও আয়োজন করবে বিজেপি। পাঁচ দিক থেকে রথ এসে জড়ো হবে এক জায়গায়। সেই কর্মসূচির প্রস্তুতি সম্পর্কেও শাহ জেনেছেন।

    মঙ্গলবার দলের কোর গ্রুপের সঙ্গে বৈঠক

    মঙ্গলবার দলের কোর গ্রুপের বৈঠকে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে এবং সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক ও কলকাতার দলের কর্মীদের সঙ্গে তাঁর মত বিনিময় হবে বলেও এক্স হ্যান্ডলে লেখেন শাহ। শাহর নেতৃত্বে রাতের বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদাররা উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরাও। রাজ্য নেতারা দলের সংগঠনিক প্রস্তুতি, প্রচার ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন শাহকে। সরকার গঠন হচ্ছেই, বৈঠকে জানান প্রত্যয়ী শাহ। প্রচারে কোন বিষয় জোর দিতে হবে সেটা ঠিক করে দিয়েছেন। অনুপ্রবেশ, ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি যেমন রয়েছে তেমনই শিল্প কৃষি, সড়ক পরিবহন, মহিলাদের ক্ষমতায়নের মতো বিকল্প উন্নয়নের মডেল প্রচারে আনার কথা বলেছেন বলে খবর। আজ মধ্যাহ্নভোজনের পর হোটেলে নির্দিষ্ট কয়েকজন শীর্ষনেতার সঙ্গেও বৈঠক করার কথা।

    সংঘের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে

    মঙ্গলবার বিকেলে সংঘের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ। কেশব ভবনে হবে সেই বৈঠক। এর আগেও একাধিক নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির নির্বাচনী প্রচারে এবং প্রচারের অভিমুখ নির্ধারণে নেতৃত্ব দিয়েছেন শাহ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের জন‍্য আলাদা করে সংঘ নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক আগে কখনও করেননি তিনি। এবার নির্বাচনী প্রচারে সর্বাত্মক ভাবে ঝাঁপানোর আগে সংঘের সঙ্গে সমন্বয় সেরে নিতে চাইছেন তিনি। শাহের কর্মসূচিতে সংঘের সঙ্গে এই বিশেষ বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। কাল বুধবার সায়েন্স সিটিতে কলকাতা মহানগরীর মণ্ডল, জোন, জেলা এবং রাজ্যস্তরের নেতৃত্বদের নিয়ে সভা করবেন শাহ। তার আগে যাবেন ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে।

     

     

     

     

     

  • Khaleda Zia: প্রয়াত খালেদা জিয়া, বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কেমন ছিল ভারতের সম্পর্ক?

    Khaleda Zia: প্রয়াত খালেদা জিয়া, বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কেমন ছিল ভারতের সম্পর্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি-এর চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৮০। অশীতিপর বিএনপি নেত্রীর শারীরিক পরিস্থিতি গত কয়েক দিন ধরেই সঙ্কটজনক ছিল। রাজধানী ঢাকার হাসপাতালে সিসিইউ-তে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বাংলাদেশে।

    বাংলাদেশ প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী

    শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা হিসাবে যেমন বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন হাসিনা, তেমনই খালেদার পরিচিতি ছিল জিয়াউর রহমানের স্ত্রী হিসাবে। স্বামীর মৃত্যুর পর অবশ্য নিজেই নিজের পরিচিতি তৈরি করেছিলেন খালেদা। হাল ধরেছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পার্টি (বিএনপি)-র। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম মহিলা হিসাবে প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা। তাঁর কিডনির সমস্যা অনেক পুরনো। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্টের কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। পরীক্ষার পর ফুসফুসে সংক্রমণ এবং নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। সূত্রের খবর, বয়সজনিত কারণে পরিস্থিতি অনেক জটিল হয়ে উঠেছিল। কারণ, তাঁর শরীরে আগে থেকেই একাধিক সমস্যা ছিল। একটির চিকিৎসা করতে গেলে অন্য রোগের উপর তার বিরূপ প্রভাব পড়ছিল। কিডনির কার্যকারিতাও অনেকটা কমে গিয়েছিল খালেদার।

    ছোটবেলায় খালেদা

    ১৯৪৫ সালের ১৫ অগাস্ট দিনাজপুর শহরের মুদিপাড়া এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন খালেদা। নাম ছিল খালেদা খানম পুতুল। তাঁর বাবা জনাব ইস্কান্দর মজুমদার এবং মা বেগম তৈয়বা মজুমদার। তাঁরা তিন বোন এবং দুই ভাই। জনাব ইস্কান্দর মজুমদার ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। খালেদা একদম ছোট বয়সে মিশন স্কুলে পড়াশোনা করেন। ৫ বছরেই সেখানে ভর্তি হন। এরপর দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাশ করেন ১৯৬০ সালে। সেই বছরই তাঁর বিয়ে হয় জিয়াউর রহমানের সঙ্গে। তখনই তাঁর নাম হয় খালেদা জিয়া বা বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর স্বামী জিয়াউর রহমান ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন ক্যাপ্টেন। পরবর্তী সময় তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।

    স্বামীর হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ

    ১৯৮১ সালে খালেদার জীবন এক কঠিন সময় আসে। সেই বছর ৩০ মে সামরিক অভ্যুত্থানে প্রাণ হারান জিয়াউর রহমান। এরপরই খালেদার রাজনীতিতে প্রবেশ। তিনি ১৯৮২ সালে বিএনপি-তে যোগ দেন। ১৯৮৪ সালের ১০ মে দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। এরপরই তাঁর জীবন নতুন মোড় নেয়। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলনের জেরে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা নেন তিনি।

    ১৯৯১ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী

    সালটা ছিল ১৯৯১। সেই বছরই প্রথমবারের জন্য নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া। তারপর আবার ১৯৯৬ সালে তাঁর মাথায় চাপে একই দায়িত্ব। তবে সেই দফায় রাজনৈতিক চাপে তিনি প্রধানমন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। এরপর আবার তিনি ২০০১ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব সামলেছেন। তবে ২০০৭ সাল থেকে খালেদা জিয়ার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। এই সময় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। ১ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তাঁকে দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার করা হয়। এই সময় তিনি এক বছরের বেশি সময় কারাগারে ছিলেন। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে আদালতের নির্দেশে জামিনে মুক্তি পান। শুধু তাই নয়, ২০১৮ সালে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জিয়াকে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে শক্তিশালী এবং বিতর্কিত এক ব্যক্তিত্ব খালেদা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হাত ধরেই জমি শক্ত করেছিল তাঁর দল বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি)। তাঁর আমলেই মহাশক্তিশালী হয়ে ওঠে জামাত-ই-ইসলামি-সহ অন্যান্য মৌলবাদী সংগঠন। ভারতের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক যে খুব একটা মধুর ছিল না তা সবার জানা। মুজিব হত্যার পর রাজাকারদের আশ্রয় দিয়েছিলেন তাঁর স্বামী সেনাশাসক জেনারেল জিয়াউর রহমান। তাঁর মৃত্যুর পর একই কাজ করে গিয়েছেন খালেদা। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বাংলাদেশে বিএনপি সরকারের আমলে আরও অশান্ত হয়ে উঠেছিল ভারতের ‘সেভেন সিস্টারস’ বা ‘সাত বোন’। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অশান্তির মূল কারিগর ছিলেন তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। জানা যায়, উত্তর–পূর্ব ভারতে আলফা, এনডিএফবি, এনএলএফটি, এটিটিএফ–এর মতো সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলি সেই সময়ে অনেকটাই শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। অভিযোগ ওঠে, ওই সংগঠনগুলির নেতাদের বেশিরভাগই আশ্রয়স্থল ছিল বাংলাদেশ। সেদেশের মাটি ব্যবহার করেই ভারতে একের পর এক হামলার ষড়যন্ত্র করেছিল তারা।

    দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশ

    ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয় খালেদার দল বিএনপি। প্রথমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন জিয়াউর পত্নি খালেদা। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে এসেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের দিকে খালেদা নজর দেন কিন্তু বিতর্ক তাঁর পিছু ছাড়েনি। তাঁর শাসনে বাংলাদেশে মৌলবাদ চরম আকার নেয়। সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন, হিংসা মাত্রাছাড়া হয়ে ওঠে। যার ফলস্বরূপ পরের নির্বাচনে আওয়ামি লিগের কাছে হারের মুখ দেখতে হয় মুজিব চেতনাকে দুরমুশ করা পাকপন্থী বিএনপিকে। ক্ষমতা হারালেও বিরোধী নেত্রী হিসেবে দাপটের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যান তিনি। ২০০১ সালে ফের ক্ষমতায় আসে তার দল। আবারও প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া। কিন্তু পরিস্থিতি বদলায়নি। সমস্ত ক্ষমতার রাশ নিজের হাতে নিয়ে ফের শুরু হয় খালেদার দাপট। গণআন্দোলন, জনমত এবং জনপ্রিয়তাকে ভিত্তি করে ক্ষমতায় এলেও অচিরেই তাঁর শাসনে অরাজকতা ও দুর্নীতি ভয়াবহ আকার নেয়। সাম্প্রদায়িক হিংসা ব্যাপক বাড়ে বাংলাদেশে। মৌলবাদ ও রাজনৈতিক হিংসার ঘটনাও লাগামছাড়া আকার নেয়। তার মেয়াদকালে দুর্নীতির সূচকে (২০০১-২০০৫) বাংলাদেশ টানা পাঁচ বছর বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে উঠে আসে।

     

     

     

     

     

  • Daily Horoscope 29 December 2025: শত্রুভয় কাটাতে পারবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 29 December 2025: শত্রুভয় কাটাতে পারবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) যে কোনও কাজে সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় সহকর্মীর দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    বৃষ

    ১) স্ত্রীর কারণে শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পরে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কর্কট

    ১) শত্রুভয় কাটাতে পারবেন।

    ২) ব্যবসায় ফল নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে আরও বেশি।

    সিংহ

    ১) কাজের ব্যাপারে দুশ্চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ক্ষেত্রে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ ঘটতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) বাড়িতে অশান্তির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে পারবে না।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    তুলা

    ১) আর্থিক টানাটানির যোগ।

    ২) কর্মস্থলে পদন্নোতির যোগ রয়েছে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভাল হবে।

    ২) ভ্রমণে গেলে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) সতর্কতা অবলম্বন করুন সব কাজে।

    ধনু

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের উপদেশে কর্মে উন্নতি।

    ৩) অলসতা ত্যাগ করুন।

    মকর

    ১) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি ও দারুণ অর্থপ্রাপ্তির যোগ।

    ২) গুরুজনের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় শুভ ইঙ্গিত।

    ৩) বড়দের কথা মেনে চলুন।

    মীন

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভপ্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে একটু কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 544: “জোর করে আপনি কি বারণ করতে পারবেন? যার যা (সংস্কার) আছে তাই হবে”

    Ramakrishna 544: “জোর করে আপনি কি বারণ করতে পারবেন? যার যা (সংস্কার) আছে তাই হবে”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৯ই অগস্ট
    দক্ষিণেশ্বরে রাখাল, মাস্টার, মহিমাচরণ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    দ্বিজ, দ্বিজের পিতা ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ—মাতৃঋণ ও পিতৃঋণ

    “আমি (Ramakrishna) এদের বলি, সংসারও কর, আবার ভগবানেতেও মন রাখ।—সংসার ছাড়তে বলি না;—এও কর, ও-ও কর।”

    পিতা—আমি বলি, পড়াশুনা তো চাই,—আপনার এখানে আসতে বারণ করি না। তবে ছেলেদের সঙ্গে ইয়ারকি দিয়ে সময় না কাটে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—এর (দ্বিজর) অবশ্য সংস্কার ছিল। এ দুই ভায়ের হল না কেন? আর এরই বা হল কেন?

    “জোর করে আপনি কি বারণ করতে পারবেন? যার যা (সংস্কার) আছে তাই হবে।”

    পিতা—হাঁ, তা বটে।

    ঠাকুর (Kathamrita) মেঝেতে দ্বিজর পিতার কাছে আসিয়া মাদুরের উপর বসিয়াছেন। কথা কহিতে কহিতে এক-একবার তাঁহার গায়ে হাত দিতেছেন।

    সন্ধ্যা আগতপ্রায়। ঠাকুর মাস্টার প্রভৃতিকে বলিতেছেন, “এদের সব ঠাকুর দেখিয়ে আনো—আমি ভাল থাকলে সঙ্গে যেতাম।”

    ছেলেদের সন্দেশ দিতে বলিলেন। দ্বিজর পিতাকে বলিলেন, “এরা একটু খাবে; মিষ্টমুখ করতে হয়।”

    দ্বিজর বাবা দেবালয় ও ঠাকুরদের দর্শন করিয়া বাগানে একটু বেড়াইতেছেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ নিজের ঘরে দক্ষিণ-পূর্ব বারান্দায় ভূপেন, দ্বিজ, মাস্টার প্রভৃতির সহিত আনন্দে কথা কহিতেছেন। ক্রীড়াচ্ছলে ভূপেন ও মাস্টারের পিঠে চাপড় মারিলেন। দ্বিজকে সহাস্যে বলিতেছেন, “তোর বাপকে কেমন বললাম।”

    সন্ধ্যার পর দ্বিজর পিতা আবার ঠাকুরের ঘরে আসিলেন (Kathamrita)। কিয়ৎক্ষণ পরেই বিদায় লইবেন।

    দ্বিজের পিতার গরম বোধ হইয়াছে—ঠাকুর নিজে হাতে করিয়া পাখা দিতেছেন।

    পিতা বিদায় লইলেন—ঠাকুর (Ramakrishna) নিজে উঠিয়া দাঁড়াইলেন।

LinkedIn
Share