Tag: bangla news

bangla news

  • Maruti Suzuki: নিজেদের প্রথম ব্যাটারি-চালিত গাড়ি আনল মারুতি সুজুকি, তৈরি হবে ভারতে, যাবে বিদেশেও

    Maruti Suzuki: নিজেদের প্রথম ব্যাটারি-চালিত গাড়ি আনল মারুতি সুজুকি, তৈরি হবে ভারতে, যাবে বিদেশেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি ভারত মোবিলিটি শো-তে নিজেদের প্রথম বৈদ্যুতিন বা ব্যাটারি-চালিত গাড়ি ইভিটারা (eVITARA) প্রকাশ করল মারুতি সুজুকি (Maruti Suzuki) সংস্থা। আগামীদিনে ভারতের বাইরে আরও ১০০টি দেশে এই গাড়ি রফতানি করার লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইভিটারা উৎপাদনের জন্য ভারতকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। এর জন্য গুজরাটে কারখানা গড়তে মোট ২১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য, করোনার পর থেকে আত্মনির্ভর ভারত এবং মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্প বাস্তবায়নে ভীষণভাবে উৎসাহী হয়েছে মোদি সরকার। ভারতকে বিশ্বের বাজারে উৎপাদনকারী দেশ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ভরকেন্দ্র হিসেবে মেলে ধরতে এই উৎপাদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    উৎপাদনে ভারত কেন্দ্রীক মনোনিবেশের উপর জোর (Maruti Suzuki)

    বিশ্বের বাজারে ভারত এখন অটোমোবাইল শিল্পের জন্য বিশেষ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। মারুতি সুজুকি ইন্ডিয়া ভারত মোবিলিটি শো-র অটো এক্সপোতে তাদের প্রথম ব্যাটারি চালিত বৈদ্যুতিক যান ইভিটারা (eVITARA) উদ্বোধন করেছে। এই কোম্পানির নির্দেশক এবং সভাপতি তোশিহিরো সুজুকি (Maruti Suzuki) বলেন, “ভারতকে এখন ইভিটারার উৎপাদনের জন্য বিশ্বব্যাপী কেন্দ্র হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী মাস থেকে মারুতি সুজুকি গুজরাটের উৎপাদন কেন্দ্রে কাজ শুরু করা হবে। পরিষেবার সর্বোত্তম ব্যবস্থা, নির্দিষ্ট একটি চাহিদার বাজার এবং উৎপাদনে ভারত কেন্দ্রিক মনোনিবেশের উপর জোর দেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। ভারতে নির্মিত এই গাড়ি জাপান এবং ইউরোপে রফতানি করা হবে।”

    আরও পড়ুনঃ একদিনে ৬৫ লাখের বেশি সম্পত্তি কার্ড বিলি, অভিনব রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    ১০০টির বেশি শহরে দ্রুত চার্জিং স্টেশন গড়া হবে

    আবার মারুতি সুজুকির (Maruti Suzuki) ভারতের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সইও হিসাশি তাকুচি বলেন, “আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হল, কোম্পানির পরিকাঠামোর উপর জোর দেওয়া। আমরা ভারতে ইভিটারা (eVITARA) তৈরির জন্য ২১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করেছি। গ্রাহকদের জন্য টেকসই এবং দ্রুতগতি সম্পন্ন বৈদ্যুতিক গাড়ির ভাবনা রয়েছে। প্রথমে ১০০টির বেশি শহরে দ্রুত চার্জিং স্টেশন গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। প্রতি ৫ থেকে ১০ কিমির মধ্যে একটি করে এই ধরনের স্টেশন নির্মাণ করা হবে। একই ভাবে ১০০০টির বেশি শহরে আরও ১৫০০টির বেশি বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদন কারখানা নির্মাণ করা হবে। কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তির উন্নত ব্যবহার শিখিয়ে আরও দক্ষ করা হবে। এই ইভিটারা দুটি ব্যাটারির সঙ্গে ৪৯ কিলোওয়াট আওয়ার এবং ৬১ কিলোওয়াট আওয়ার চার্জ করার ব্যবস্থা দেয়া হবে। ফলে গ্রাহক একবার চার্জ করে ৫০০ কিমি পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh: মাথায় ‘বাসা বেঁধেছে’ পায়রা! সব সময়ের সঙ্গী সেই হরিপুরী, মহাকুম্ভে ভাইরাল ‘কবুতর বাবা’

    Mahakumbh: মাথায় ‘বাসা বেঁধেছে’ পায়রা! সব সময়ের সঙ্গী সেই হরিপুরী, মহাকুম্ভে ভাইরাল ‘কবুতর বাবা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভে (Mahakumbh) ভক্তদের নজর কাড়ছেন ‘কবুতর বাবা’। ইতমধ্যে জোর চর্চা চলেছে ‘চাওয়ালা বাবা’, ‘আইআইটি বাবা’, ‘মাসকিউলার বাবা’কে নিয়ে। এবার প্রয়াগরাজের মহাপূর্ণকুম্ভে নজরে ‘কবুতর বাবা’। তাঁকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল তুঙ্গে। ‘কবুতর বাবা’ আসলে মহন্ত রাজপুরীজি মহারাজ। তাঁর মাথার ওপরে সর্বদা বসে থাকে সাদা রঙের একটি পায়রা। ‘কবুতর বাবা’র মাথায় রয়েছে জটা। সেখানেই ‘বাসা বেঁধেছে’ ওই পায়রা। জানা গিয়েছে, বিগত ন’বছর ধরে এভাবেই রাজপুরীজি মহারাজের মাথায় রয়েছে পায়রাটি। আর ঠিক এই কারণেই মহাকুম্ভে তিনি পরিচিত হয়েছেন ‘কবুতর বাবা’ (Kabutar Baba) নামে।

    কী বলছেন ‘কবুতর বাবা’ (Mahakumbh)? 

    ‘কবুতর বাবা’ (Kabutar Baba) সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁর পায়রার নাম হরিপুরী। তাঁর কথায়, ‘‘আট-ন’বছর ধরে এই পায়রাই আমার সব সময়ের সঙ্গী।’’ সর্বক্ষণ ‘কবুতর বাবা’র মাথাতেই বসে থাকতে দেখা যায় পায়রাটিকে। দেখে মনে হবে যেন, মাথাতেই বাসা বেঁধেছে ওই পায়রা। ‘বাবা’র মতে, পায়রা প্রেম আর সদ্ভাবের প্রতীক।

    ‘চাওয়ালা বাবা’ চা খেয়েই কাটান সারাদিন (Mahakumbh)

    প্রসঙ্গত, কুম্ভ শুরু হতেই বেশ কয়েক জন (Mahakumbh) ‘বাবা’কে ঘিরে কৌতূহল আর উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। তার মধ্যে রয়েছেন এক ‘চাওয়ালা বাবা’। চা বিক্রি করেন না। তবে চা খেয়েই থাকেন সারাদিন। সে কারণেই তাঁর ‘চাওয়ালা বাবা’ নামে পরিচিত। জানা গিয়েছে, তিনি ৪১ বছর ধরে মৌনী রয়েছেন। মহাকুম্ভে তিনি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে অনলাইনে শিক্ষাদান করছেন।

    সম্প্রতি, চর্চায় উঠে এসেছে ‘আইআইটি বাবা’র নাম 

    সম্প্রতি, চর্চায় উঠে এসেছে ‘আইআইটি বাবা’র নাম (Mahakumbh)। কুম্ভ মেলায় যাওয়া ভক্তরা তেমনটাই নাম দিয়েছেন এঁকে। এই সাধু পড়াশোনা করেছেন দেশের নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি) থেকে। তার পরেই তিনি বেছে নিয়েছেন আধ্যাত্মিকতার পথ। অন্যদিকে রাশিয়ার ৭ ফুট উচ্চতার পেশিবহুল ‘মাসকিউলার বাবা’ও সকলের নজরে এসেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: একদিনে ৬৫ লাখের বেশি সম্পত্তি কার্ড বিলি, অভিনব রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: একদিনে ৬৫ লাখের বেশি সম্পত্তি কার্ড বিলি, অভিনব রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিনে ৬৫ লাখের বেশি সম্পত্তি কার্ড (SVAMITVA Scheme) বিলি করে রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দেশের দশটি রাজ্য ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কার্ড বিলি করা হল। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সম্পত্তি কার্ড বা জমির পাট্টা দেওয়া হল যে প্রকল্পে, তার নাম ‘স্বমিত্ব’।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের দিনটা গ্রামীণ নাগরিকদের জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন রাজ্যে এই সম্পত্তি কার্ডের বিভিন্ন নাম, তবে কাজ একটাই। গত এক বছরে ১ কোটি সম্পত্তি কার্ড বিলি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে।” তিনি বলেন, “আজ দেশের গ্রামগুলি এবং দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। এই অনুষ্ঠানে অনেক রাজ্যের রাজ্যপাল যোগদান করেছেন। ওডিশা, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীরাও আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। স্বত্ব প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের সহকর্মী এবং লক্ষ লক্ষ উপভোক্তা এই উদ্যোগের শরিক হয়েছেন। এটি নিজের মধ্যেই একটি বিশাল এবং বিস্তৃত প্রকল্প এবং আপনারা সবাই এতে বড় উৎসাহের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। আমি আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন জানাই।”

    জাতীয় পঞ্চায়েত দিবসে সূচনা

    ২০২০ সালে জাতীয় পঞ্চায়েত দিবসে গ্রামীণ নাগরিকদের জন্য এই প্রকল্পের সূচনা করে কেন্দ্রের মোদি সরকার (PM Modi)।লপ্রথম দফায় মহারাষ্ট্রের পুণে জেলায় সোনারি গ্রামে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সূচনা হয়েছিল এই প্রকল্পের। পরে তা ছড়িয়ে দেওয়া হয় গোটা দেশে।

    আরও পড়ুন: সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে আপস নয়, ইউনূস প্রশাসনকে সাফ জানিয়ে দিল ভারত

    এই প্রকল্পের আওতায় ড্রোনের মাধ্যমে গ্রামীণ নাগরিকদের জমি-জিরেতের সম্পূর্ণ মানচিত্র তৈরি করা হয়। সেই মানচিত্রের ভিত্তিতেই দেওয়া হয় সম্পত্তি কার্ড। জমি-বাড়ি বিক্রি কিংবা কার্ড (SVAMITVA Scheme) বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই কার্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ (PM Modi)।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Champions Trophy 2025: ফিরলেন শামি, রোহিতের ডেপুটি গিল! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভারতীয় দলে আর কী কী চমক?

    Champions Trophy 2025: ফিরলেন শামি, রোহিতের ডেপুটি গিল! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভারতীয় দলে আর কী কী চমক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy 2025) দল ঘোষণা করল ভারত (Team India)। ১৫ জনের দলে অধিনায়কত্ব করবেন যে রোহিত শর্মা, তা এক দিন আগে শুক্রবারই জানিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সহ-অধিনায়ক শুভমন গিল। শনিবার রোহিত এবং নির্বাচক কমিটির প্রধান অজিত আগরকর সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতের দল ঘোষণা করলেন। দীর্ঘদিন পর চোট সারিয়ে দলে ফিরলেন মহম্মদ শামি। ভারতের এক দিনের দলে প্রথম বার ডাক পেলেন যশস্বী জয়সওয়াল। এই দলই খেলবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে। বাড়তি হিসেবে দলে থাকছেন হর্ষিত রানা। 

    দলে ফিরলেন শামি, বাদ সিরাজ

    একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পরই বাইশ গজ থেকে বিরতি নিয়েছিলেন মহম্মদ শামি। চোটের জন্য হয়েছিল অস্ত্রোপচার। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দলে ফিরলেন বাংলার পেসার শামি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দল ঘোষণার আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন মূলত দুজন। মহম্মদ শামি ও জশপ্রীত বুমরা। প্রথমজন চোটের জন্য দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে। দ্বিতীয়জন সদ্য চোট পেয়েছেন। ফলে দুজনের খেলা নিয়েই সংশয় ছিল। যদিও ১৫ সদস্যের দলে জায়গা পেলেন দুজনেই। বুমরার চোট নিয়ে অবশ্য ধোঁয়াশা মেটেনি। সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিসিসিআইয়ের মেডিক্যাল টিম। তবে, শামির উপর ভরসা রাখছে বিসিসিআই। তিন পেসার নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে যাচ্ছে ভারত। জসপ্রীত বুমরা, মহম্মদ শামি এবং আরশদীপ সিং-এর উপর থাকবে পেস বিভাগের দায়িত্ব। বাদ পড়েছেন সিরাজ।

    অধিনায়ক রোহিত

    অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পর রোহিত শর্মার ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটেও দলে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এমনকী আদৌ তিনি অধিনায়ক থাকবেন কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। হিটম্যানের সঙ্গে বৈঠকেও বসেন কোচ গৌতম গম্ভীর ও নির্বাচক প্রধান অজিত আগারকর। সেখানেই নাকি রোহিত বলে দিয়েছিলেন যে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পর্যন্ত তাঁকে সময় দিতে। এরপরই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল যে রোহিত শর্মার নেতৃত্বেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (Champions Trophy 2025) খেলতে নামবে টিম ইন্ডিয়া। সেই মতোই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দলনেতা রোহিত। সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুভমন গিলকে। সাম্প্রতিক সময়ে সেভাবে ছন্দে নেই। তাঁকে সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়ায় কি প্রথম একাদশে তাঁর জায়গা একপ্রকার পাকা হয়ে গেল। সেক্ষেত্রে একদিনের বিশ্বকাপের মতো তাঁকে ওপেন করতে দেখা যাবে রোহিতের সঙ্গে।

    এক দিনের সিরিজে অভিষেক যশস্বীর

    ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজে অভিষেক হতে পারে যশস্বী জয়সওয়ালের। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে তাঁকে দেখে নেওয়া হতে পারে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে রোহিতের সঙ্গে ওপেন করার জন্য শুভমন গিল রয়েছেন। তিনি দলের সহ-অধিনায়ক। তৃতীয় ওপেনার হিসেবে থাকবেন যশস্বী। তিন নম্বরে খেলার বিরাট কোহলি রয়েছেন। সেই সঙ্গে শ্রেয়স আইয়ার এবং লোকেশ রাহুলের মতো ব্যাটারকে দলে রাখা হয়েছে। শ্রেয়স আইয়ার ধারাবাহিকভাবে ঘরোয়া টুর্নামেন্টে ভাল পারফরম্য়ান্স করার পুরস্কার পেলেন। উইকেটরক্ষক হিসাবে দলে ঋষভ পন্থ রয়েছেন। দ্বিতীয় উইকেটরক্ষক হিসাবে রাহুলের উপর ভরসা রাখছে দল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে একাধিক অলরাউন্ডারকে নেওয়া হয়েছে। হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর পটেলের সঙ্গে রাখা হয়েছে ওয়াশিংটন সুন্দরকেও। 

    ৮ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি

    ৮ বছর পর প্রত্যাবর্তন ঘটতে চলেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy 2025)। এবারের টুর্নামেন্টে খেলবে মোট ৮টি টিম। গ্রুপ এ-তে রয়েছে পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ এবং নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ বি-তে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, আফগানিস্তান। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরু হবে ২০২৫-এর ১৯ ফেব্রুয়ারি। সেমিফাইনাল হবে ৪ মার্চ ও ৫ মার্চ। ফাইনাল ৯ মার্চ।

    ভারতের খেলা কবে-কোথায়

    ভারতের (Team India) প্রথম ম্যাচ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। ম্যাচটি হবে ২০ ফেব্রুয়ারি। আর ভারত-পাকিস্তান মহারণ ২৩ ফেব্রুয়ারি। ২ মার্চ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্য়াচ খেলবে ভারত। ভারতের সব ম্যাচ হবে দুবাইয়ে। বাকি দলগুলির ম্যাচ হবে পাকিস্তানে। ভারত যদি সেমিফাইনালে ওঠে, তা হলে সেই ম্যাচও হবে দুবাইয়ে। ভারত ফাইনালে উঠলেও সেই ম্যাচ হবে ওখানে। ২০১৩ সালে শেষবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (Champions Trophy 2025) জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ভারত। সেবার মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে ফাইনালে হারিয়ে দিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। এবার পালা রোহিতদের।

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের ভারতীয় দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমন গিল (সহ অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়ার, লোকেশ রাহুল (উইকেটকিপার), ঋষভ পন্ত (উইকেটকিপার), হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, রবীন্দ্র জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দর, কুলদীপ যাদব, জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ শামি, যশস্বী জসওয়াল ও আর্শদীপ সিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Case: আরজি কর মামলার রায় ঘোষণা, দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয়, কী প্রতিক্রিয়া দিলেন সুকান্ত?

    RG Kar Case: আরজি কর মামলার রায় ঘোষণা, দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয়, কী প্রতিক্রিয়া দিলেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার আরজি কর মামলায় (RG Kar Case) রায় ঘোষণা হল শিয়ালদা আদালতে (Sealdah Court)। এই মামলায় বিচারক অনির্বাণ দাস দোষী সাব্যস্ত করেন অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সাজা ঘোষণা করা হবে। যদিও এদিন আদালত কক্ষে ফের একবার নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছে সঞ্জয়। দোষী সঞ্জয়ের বক্তব্য, এই কাজ একার পক্ষে করার সম্ভব নয়। কিন্তু বিচারক জানিয়েছেন, সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে সব অভিযোগের প্রমাণ রয়েছে। রায় ঘোষণা হতেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার প্রতিক্রিয়া দেন, ‘‘প্রথম থেকেই বলেছি ৫ দিন কলকাতা পুলিশের হাতে তদন্তভার ছিল সেই সময় কী কী তথ্য-প্রমাণ কোথায় গিয়েছে তা নিয়ে আমাদের সন্দেহ রয়েছে। ফলে আপাতত সঞ্জয় রায় ধরা পড়েছে। কিন্তু সঠিক তথ্য-প্রমাণ হাতে থাকলে কী হত সেটা বোঝা যেত। কিন্তু, এই মুহূর্তে তো সেই পরিস্থিতি নেই। তবে সঞ্জয় (RG Kar Case) যদি দোষী সাব্যস্ত হয় তাহলে ওর সর্বোচ্চ সাজা হোক আমরা চাইব।’’

    ৫ মাস ৯ দিন পরে সম্পন্ন হল রায়দান (RG Kar Case)

    শনিবার শিয়ালদা আদালতের বিচারপতি সঞ্জয় রায়কে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪ (ধর্ষণ), ৬৬ (ধর্ষণের পর মৃত্যু) এবং ১০৩ (১) (খুন) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সিবিআই প্রথম থেকেই অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের ফাঁসির আবেদন করেছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চার্জশিটেও সঞ্জয়কে একা দোষী হিসেবে দাবি করেছিল। গত বছরের ৯ অগাস্ট কলকাতার আরজি কর (RG kar Case) হাসপাতালে এমন নারকীয় ঘটনাটি সামনে আসে। শনিবার সেই মামলারই রায় ঘোষণা করল শিয়ালদা আদালত। মূল ঘটনার ৫ মাস ৯ দিন পরে সম্পন্ন হল রায়দান।  

    বায়োলজিক্যাল প্রমাণের উপরে নির্ভর করেছে সিবিআই

    শিয়ালদা আদালতে ‘ইন-ক্যামেরা ট্রায়াল’-এর সময় (রুদ্ধদ্বার বিচারপ্রক্রিয়া) বায়োলজিক্যাল প্রমাণের উপরে নির্ভর করে সিবিআই। ডিএনএ নমুনা, ভিসেরা রিপোর্ট, টক্সিলজি রিপোর্ট, লেয়ারড ভয়েস অ্যানালিসিসের মতো বিভিন্ন প্রমাণ আদালতের সামনে পেশ করে সিবিআই। এই প্রমাণের ওপর ভিত্তি করেই সঞ্জয়কে মূল অভিযুক্ত হিসেবে তুলে ধরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: বইমেলায় স্টল দেওয়া হল না কেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে! গিল্ডকে তীব্র ভৎর্সনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বইমেলায় স্টল দেওয়া হল না কেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে! গিল্ডকে তীব্র ভৎর্সনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বইমেলায় স্টল দেওয়া হচ্ছে না বিশ্বহিন্দু পরিষদকে (Vishwa Hindu Parishad)। এই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হা তীব্র ভৎর্সনা করলেন আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডকে। রাজ্য প্রশাসন এবং আয়োজকদের উদ্দেশে বিচারপতি বললেন, “আগের বছর মনে হয়নি স্পর্শকাতর, তাই অনুমতি দিয়েছিলেন, এইবারে বিতর্কিত মনে হয়েছে? কিন্তু কেন?”

    মামলা যায় বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হার বেঞ্চে (Calcutta High Court)

    হাতে মাত্র আর কটাদিন বাকি, সামনেই কলকাতা আন্তর্জাতিক পুস্তক মেলায়। বই মেলার আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স এন্ড বুকসেলার্স গিল্ড বুক স্টল দেয়নি হিন্দু সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে (Vishwa Hindu Parishad)। তাই অভিযোগ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে এই হিন্দু সংগঠন। এরপর মামলা যায় বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হার বেঞ্চে। শুনানিতে বিশ্বহিন্দু পরিষদের (Vishwa Hindu Parishad) আইনজীবী (Calcutta High Court) বলেন, “গিল্ডের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে একাধিক শর্ত আরোপ করেছে। বিভিন্ন শর্ত মেনে ৬০০ স্কোয়ার ফুট জায়গার কথা বলে সংগঠনের তরফে আবেদন করা হয়েছে। এরপর ১০ জানুয়ারি ইমেল করে জানতে চাওয়া হয় কিন্তু গিল্ডের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কিছুই জানানো হয়নি। আর সেই জন্য তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।”

    কী বললেন বিচারপতি?

    অপর দিকে গিল্ডের আইনজীবী বলেন, “বিশ্ব হিন্দু পরিষদের লেখা ভীষণ ভাবে স্পর্শকাতর।” এটা শুনে রীতিমতো ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি সিন্‌হা। রাজ্যের যুক্তির প্রেক্ষিতে বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হা (Calcutta High Court) তখন রাজ্যকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, “এত বছর ধরে স্টলের অনুমতি দিয়ে আসা হচ্ছে। তাহলে তখন এই সংগঠনের (Vishwa Hindu Parishad) লেখা স্পর্শকাতর মনে হয়নি কেন? তখন তাহলে কেন অনুমতি দেওয়া হয়েছিল? আর সেক্ষেত্রে এবছরই বা কেন অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না?” 

    তখন গিল্ডের আইনজীবী বলেন, “বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নামে আবেদন করা হয়েছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Vishwa Hindu Parishad) কোনও পাবলিশার্স নয়, কোনও বুকসেলার্সও নয়। এদের পত্রিকা রয়েছে। যার নাম হল বিশ্ব হিন্দু বার্তা।” তখন (Calcutta High Court) বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘‘আপনারা কি জানতেন যে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নিজস্ব পাবলিকেশন হাউস আছে?’’ এর পর আপাতত মৌখিক ভাবে স্টলের জায়গা দেওয়ার কথা বলেন বিচারপতি। পরবর্তী মামলার শুনানি ২০ জানুয়ারি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukraine conflict: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হত ১২ ভারতীয়, জীবিতদের ফেরানোর উদ্যোগ কেন্দ্রের

    Russia Ukraine conflict: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হত ১২ ভারতীয়, জীবিতদের ফেরানোর উদ্যোগ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে (Russia Ukraine conflict) হত ১২ ভারতীয়। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ১৬ জন। শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এমনই জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে (Ukraine) ভারতীয়দের নিয়ে যাচ্ছে রাশিয়ার সংস্থা। পরে তাঁদেরই ট্রেনিং দিয়ে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (Russia Ukraine conflict)

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। এই মুহূর্তে রাশিয়ায় অবরুদ্ধ ও বাধ্য হয়ে যুদ্ধে অংশ নেওয়া সব ভারতীয়কে অবিলম্বে মুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।” জানা গিয়েছে, ভারত থেকে রাশিয়ায় যুদ্ধ করতে গিয়েছিলেন ১২৬ জন। এঁদের মধ্যে ৯৬ জনই ফিরে এসেছেন। বাকি ৩০ জনের মধ্যে ১২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। অবশিষ্ট ১৬ জনকে রাশিয়া নিখোঁজ ঘোষণা করেছে।

    বিনিল বাবুর মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক

    রাশিয়ান এক এজেন্টের দেওয়া চাকরির টোপ গিলে সে দেশে গিয়েছিলেন কেরলের বছর একত্রিশের বিনিল বাবু। ড্রোন হামলায় মৃত্যু হয় তাঁর। সে প্রসঙ্গে জয়সওয়াল বলেন, “বিনিল বাবুর মৃত্যু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমরা ওঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছি। যত দ্রুত বিনিলের দেহ এদেশে আনা যায়, তা নিশ্চিত করতে রুশ প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি আমরা।” তিনি জানান, মস্কোয় চিকিৎসাধীন (Russia Ukraine conflict) আর এক ভারতীয়কেও দ্রুত দেশে ফেরানো হবে। তিনি বলেন, “মস্কোর দূতাবাস এই দুই ভারতীয় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছে এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আমরা কেরলের এক ভারতীয় নাগরিকের দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুর বিষয়ে জানতে পেরেছি, যাঁকে স্পষ্টতই রুশ সেনাবাহিনীতে চাকরি করার জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল।”

    আরও পড়ুন: সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে আপস নয়, ইউনূস প্রশাসনকে সাফ জানিয়ে দিল ভারত

    প্রসঙ্গত, গত জুলাইয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ওই সময় তিনি পুতিনকে ভারতীয়দের ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান। অক্টোবরে কাজান ব্রিকস সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ফের একপ্রস্ত কথা বলেন রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে (Ukraine)। সেই সময়ও মোদিকে পুতিন আশ্বস্ত করেছিলেন এই বলে যে, যেসব ভারতীয়কে রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল রাশিয়া তাঁদের সবাইকে অব্যাহতি দেবে (Russia Ukraine conflict)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: ‘‘আমাকে হত্যার চক্রান্ত করা হয়, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছি”, অডিও বার্তায় বিস্ফোরক হাসিনা

    Sheikh Hasina: ‘‘আমাকে হত্যার চক্রান্ত করা হয়, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছি”, অডিও বার্তায় বিস্ফোরক হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং তার পরবর্তী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে আওয়ামি লিগের সরকারের পতন হয় গত বছরের অগাস্টে। গত ৫ অগাস্ট বোন রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। চলে আসেন ভারতে। সাময়িক আশ্রয় নেন এ দেশে। সেদিনের ঘটনা নিয়ে আওয়ামি লিগের সমর্থকদের উদ্দেশে এক অডিও বার্তায় কেঁদে ফেললেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)।

    হত্যার চক্রান্ত করা হয়েছিল (Sheikh Hasina)

    হাসিনা (Sheikh Hasina) বলেন, ‘‘আমাকে হত্যার চক্রান্ত করা হয়েছিল। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছি।” শুক্রবার রাতে আওয়ামি লিগের ভেরিফায়েড সমাজমাধ্যম হ্যান্ডল থেকে হাসিনার একটি ছোট অডিও ক্লিপ পোস্ট করা হয়। ৪৯ সেকেন্ডের ওই অডিও ক্লিপে ৫ অগাস্ট দেশ ছাড়ার সময়ের কথা বর্ণনা করছিলেন তিনি। সেখানে হাসিনা জানান, ২০-২৫ মিনিটের ব্যবধানে তিনি এবং তাঁর বোন শেখ রেহানা মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘মাত্র ২০-২৫ মিনিটের ব্যবধানে আমরা (হাসিনা এবং রেহানা) মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি।” সেখানে হাসিনা আরও জানিয়েছেন, এ বারে তাঁর ‘বেঁচে যাওয়ার’ কথা ছিল না এবং তাঁকে ‘হত্যার পরিকল্পনা’ করা হয়েছিল। এর পরেই দেশছাড়া হওয়ার দুঃখের কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন হাসিনা। তিনি বলেন, ‘‘আমার কষ্ট হচ্ছে, আমি আমার দেশছাড়া, ঘরছাড়া। সব কিছু জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভ নাকি অন্ধবিশ্বাস! মেলা প্রাঙ্গণে হিন্দু-বিরোধী পোস্টার ছিঁড়ে জ্বালিয়ে দিলেন নাগা সাধুরা

    হাসিনাকে প্রত্যর্পণ নিয়ে দিল্লির অবস্থান

    এ দিকে আওয়ামি লিগের সরকারের (Sheikh Hasina) পতনের পর দেশজুড়ে হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে। ভারত দখলের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে মৌলবাদীরা। একইসঙ্গে আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের ওপর নৃশংস অত্যাচার করা হয়েছে। দেশে হাসিনা-সহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। এই অবস্থায় হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে বিচার সম্পন্ন করতে চাইছে অন্তর্বর্তী সরকার। হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য নয়াদিল্লিতে কূটনৈতিক বার্তা (নোট ভার্বাল)-ও পাঠিয়েছে ঢাকা। কূটনৈতিক বার্তার প্রাপ্তিস্বীকার করলেও, হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত এখনও দিল্লির তরফে জানানো হয়নি। 

    হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার আগে কেমন ছিল গণভবন?

    হাসিনা (Sheikh Hasina) বাংলাদেশ ছাড়ার আগের কয়েক ঘণ্টা কেমন ছিল গণভবনের (বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন) পরিস্থিতি, তা নিয়ে গত বছরের অগাস্টে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল সে দেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’। ওই প্রতিবেদন অনুসারে, হাসিনা চেয়েছিলেন দেশ ছাড়ার আগে জাতির উদ্দেশে একটি ভাষণ সম্প্রচার করতে। কিন্তু, ততক্ষণে আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ ‘গণভবন’-এর দিকে এগোতে শুরু করে দিয়েছিলেন। শাহবাগ, উত্তরা থেকে কাতারে কাতারে ছাত্র-যুব আন্দোলনকারীর ভিড় এগিয়ে আসছিল। গোয়েন্দা সূত্রে সে খবর যায় গণভবনে থাকা বাহিনীর শীর্ষকর্তাদের কাছে। ওই প্রতিবেদন অনুসারে, উন্মত্ত জনতার দূরত্ব যা ছিল, তাতে আনুমানিক ৪৫ মিনিটের মধ্যেই ওই ভিড় গণভবনে পৌঁছে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাই সম্প্রচার করার জন্য হাসিনার ভাষণ রেকর্ডের আর ঝুঁকি নিতে চাননি বাহিনীর শীর্ষকর্তারা। তাঁদের সংশয় ছিল, হাসিনাকে ভাষণ রেকর্ড করার সময় দেওয়া হলে, পালানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় তিনি পেতেন না। তাই ৪৫ মিনিটের মধ্যেই হাসিনাকে দেশ ছাড়ার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল বলে ‘প্রথম আলো’-য় প্রকাশ। হাসিনা রাজি হওয়ার পর যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তাঁদের প্রথমে হেলিকপ্টার ও পরে বিমানে করে ভারতে পাঠানো হয়।

    হাসিনার রেসিডেন্ট পারমিটের মেয়াদ বৃদ্ধি

    এদিকে সম্প্রতি বাংলাদেশ (Bangladesh) সকারের তরফ থেকে জানানো হয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) সহ ৯৭ জনের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়। আর এরই মাঝে রিপোর্টে দাবি করা হয়, সম্প্রতি নাকি ভারতে থাকার জন্যে শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে ভারত সরকার। জানা গিয়েছে, শেখ হাসিনার রেসিডেন্ট পারমিটের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এরই মাঝে হাসিনাকে সরকারি ভাবে ভারতে ‘রাজনৈতিক আশ্রয়’ দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। কারণ, এই সংক্রান্ত কোনও নির্দিষ্ট আইন নেই ভারতে। তবে, হাসিনার ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করে বৈধভাবে তাঁকে ভারতে থাকতে দিতে সম্মত মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নাকি ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধিতে সবুজ সংকেত দেয়। এরপরই স্থানীয় ফরেন রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের মাধ্যমে হাসিনার ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: বিগত ১০০ বছরে সব’কটি কুম্ভে হাজির হয়েছেন শিবানন্দ বাবা, দাবি শিষ্যদের

    Mahakumbh 2025: বিগত ১০০ বছরে সব’কটি কুম্ভে হাজির হয়েছেন শিবানন্দ বাবা, দাবি শিষ্যদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ্মশ্রী প্রাপক যোগ প্রশিক্ষক স্বামী শিবানন্দ। তাঁর শিষ্যদের দাবি, বিগত ১০০ বছরে প্রয়াগরাজ, নাসিক, উজ্জয়িনী এবং হরিদ্বারে যতগুলি কুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে, প্রত্যেকটিতেই অংশগ্রহণ করেছেন শিবানন্দ বাবা (Mahakumbh 2025)। প্রসঙ্গত ২০২২ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছ থেকে পদ্মশ্রী পুরস্কার নেন স্বামী শিবানন্দ। রাষ্ট্রপতি ভবন সূত্রে তখনই জানানো হয়, তাঁর বয়স ১২৫ বছর।

    জন্ম ১৮৯৬ সালে (Mahakumbh 2025)

    জানা গিয়েছে, ১৮৯৬ সালের ৮ অগাস্ট তাঁর জন্ম হয়। এখনও পর্যন্ত স্বামী শিবানন্দ যোগ-প্রাণায়াম-ধ্যানের মাধ্যমে নিজেকে তরতাজা রেখেছেন। প্রতিদিন সকালে তিনি এর অনুশীলন করেন। প্রতি সকালে তাঁর শিষ্যরা গুরুদেবের দর্শনের জন্য হাজির হন। ১২৮ বছর বয়সি বাবার পূর্বতন জীবন সম্পর্কে বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা ফাল্গুন ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন, বাবা খুবই গরিব পরিবারের জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বাবার যখন চার বছর বয়স, তখনই তাঁকে হস্তান্তর করা হয় ওমকারানন্দ গোস্বামীর হাতে। তারপরে সেই সাধুর নির্দেশেই স্বামী শিবানন্দ তাঁর পরিবারকে দেখতে আসেন। তখন তাঁর বয়স ছয় বছর। ছোটবেলাতেই স্বামী শিবানন্দের বোন এবং পিতামাতা মারা যান বলেও জানান ফাল্গুন ভট্টাচার্য।

    যুবদের প্রতি কী বার্তা দেন স্বামী শিবানন্দ ?

    তাঁর শিষ্যদের মধ্যে অন্যতম হলেন হিরামন বিশ্বাস। তিনি জানালেন যে পদ্মশ্রী পাওয়ার জন্য তিনি কোথাও আবেদন পত্র জমা করেননি। মোদি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁর শিষ্য, তাঁর গুরুকে পদ্মশ্রী দেওয়ার জন্য জানিয়েছেন। বর্তমানে বাবা বারাণসীর দুর্গাকুণ্ডে থাকেন বলে জানিয়েছেন তাঁর শিষ্যরা। সম্প্রতি তিনি মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) শিবির থেকে ফিরেছেন। যুবদের প্রতি বার্তা হিসেবে স্বামী শিবানন্দ প্রায় বলেন, ‘‘প্রতিদিন খুব সকালে তোমরা ঘুম থেকে ওঠো এবং অন্তত আধঘণ্টা সময় দাও যোগ ও প্রাণায়ামের জন্য। সঠিকভাবে জীবন পদ্ধতি মেনে চলো এবং যা কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস সেগুলিকে ছেড়ে দাও।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে আপস নয়, ইউনূস প্রশাসনকে সাফ জানিয়ে দিল ভারত

    India Bangladesh Relation: সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে আপস নয়, ইউনূস প্রশাসনকে সাফ জানিয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তের (Border Issue) নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশের ইউনূস প্রশাসনকে ফের একবার কড়া বার্তা দিল নয়াদিল্লি (India Bangladesh Relation)। এ নিয়ে ছ’দিনের মধ্যে দু’বার।

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের বক্তব্য (India Bangladesh Relation)

    পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি। বিশদে জানতে আমরা নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী হাইকমিশনারকে তলব করেছিলাম। আজ সেই অবস্থানেরই পুনরাবৃত্তি করছি।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে অপরাধমুক্ত সীমান্ত তৈরি করতে আমরা দায়বদ্ধ। সে ক্ষেত্রে আন্তঃসীমান্ত অপরাধমূলক কার্যকলাপ, চোরাচালান, মানব পাচারের মতো বিষয় যাতে বন্ধ করা যায়, তার চেষ্টা করতে হবে। সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়া, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা, প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।”

    ভারতের আশা

    জয়সওয়াল বলেন, “ভারত আশা করে, প্রতিটি বিষয়কে বাংলাদেশ বাস্তবায়িত করবে।” বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া, সীমান্তে আলোর ব্যবস্থা করা, প্রযুক্তিগত যন্ত্রপাতি স্থাপন এবং গবাদি পশু প্রতিরোধক বেড়া তৈরি – এসব ব্যবস্থাগুলো সীমান্ত সুরক্ষিত করতে গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের আশা, এই বিষয়ে আগের মতো সব সমঝোতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটা সহযোগিতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে এই ধরনের অপরাধ মোকাবিলার ব্যবস্থা করবে (India Bangladesh Relation)।”

    আরও পড়ুন: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ছত্তিশগড়ের বাইগারা, কী বলছেন ‘পিছিয়ে পড়া’রা?

    প্রসঙ্গত, এই সপ্তাহ শুরুর দিকে ভারতের সাউথ ব্লকে তলব করা হয়েছিল বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার নুরুল ইসলামকে। সীমান্ত নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই ডাকা হয়েছিল তাঁকে। বৈঠকের সময়, ভারতীয় সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য পূর্বে সমঝোতা হওয়া সমস্ত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়। ভারতও সীমান্তে বেড়া এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রোটোকল ও চুক্তিগুলো মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দেয়। এই চুক্তি দুই দেশের সরকার (Border Issue) এবং বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে হয়েছিল (India Bangladesh Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share