Tag: bangla news

bangla news

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে ধর্মান্তরিত ব্যক্তির কবরকে ঘিরে বিতর্ক, পালিত হল বনধও

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে ধর্মান্তরিত ব্যক্তির কবরকে ঘিরে বিতর্ক, পালিত হল বনধও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) ধর্মান্তরণ এবং কাঁকর জেলায় ধর্মান্তরিত এক ব্যক্তির কবর দেওয়া(দাফন)-কে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের (Burial Dispute) প্রতিবাদে ২৪ ডিসেম্বর, বুধবার রাজ্যজুড়ে পালিত হল বনধ। দিনব্যাপী ডাকা এই বনধে সমর্থন জানিয়েছে ছত্তিশগড় চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং কনফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স।

    বনধ পালিত (Chhattisgarh)

    বনধের জেরে রাজ্যের অধিকাংশ এলাকায় দোকানপাট বন্ধ ছিল। সবজি বাজারও বসেনি। বন্ধ ছিল যান চলাচলও। যাঁরা বনধ ডেকেছেন, তাঁরা কাঁকর জেলায় একটি মিছিলও করেন। প্রশাসনের কাছে জমা দেন স্মারকলিপি। কাঁকর জেলার আমাবেড়া এলাকায় এক সরপঞ্চের (গ্রামপ্রধান) বাবার দাফনকে ঘিরে বড়সড় বিতর্ক শুরু হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর এই বনধের ডাক দেওয়া হয়। গত ১৬ ডিসেম্বর বাদে তেওদা গ্রামের সরপঞ্চ রাজমান সালাম গ্রামবাসীদের তীব্র আপত্তি উপেক্ষা করে গ্রামের সীমানার মধ্যেই তাঁরই একটি জমিতে তাঁর প্রয়াত বাবার দেহ দাফন দেন, যা থেকেই এই বিতর্কের সূত্রপাত।

    গ্রামের সীমানার মধ্যে ওই দাফনে বিতর্ক

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গ্রামের সীমানার মধ্যে ওই দাফন পঞ্চম তফসিলের অধীন নিয়মকানুন এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সংক্রান্ত প্রথাগত রীতিনীতির লঙ্ঘন। স্থানীয়রা সরপঞ্চের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। অভিযোগ, সরপঞ্চ গ্রামবাসীদের হুমকি দিয়েও দাফন সম্পন্ন করেন। গ্রামবাসীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন এবং দাফন করা দেহটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান। মৃতদেহ দাফনের পরের দিন সকালে কবরের ওপর ইটের গাঁথুনি দেখতে পাওয়ার পর গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। ব্যাপক উত্তেজনা দেখা যায় গ্রামে। শেষ পর্যন্ত শুরু হয় সংঘর্ষ, পাথর ছোড়া। স্থানীয় দু’টি গির্জায় ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। এই সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি জখম হন (Chhattisgarh)। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশকর্মীও ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন শেষ পর্যন্ত ১৮ ডিসেম্বর মৃত ব্যক্তির দেহ কবর থেকে সরিয়ে নেয়।

    উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি

    ২১ ডিসেম্বর এক সাংবাদিক সম্মেলনে সর্ব সমাজের পদাধিকারীরা ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানান। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসনের পদক্ষেপ ছিল বৈষম্যমূলক। তাঁদের দাবি, প্রশাসন প্রথমে গ্রামবাসীদের আবেদন নিতে অস্বীকার করে এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়। এদিকে আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভকারীরা বলেন, বহিরাগতদের আক্রমণে স্থানীয় বাসিন্দারা জখম হয়েছেন। এতে প্রায় ২৪জন জখম হন।গ্রামসভার অনুমতি ছাড়াই ওই ব্যক্তির দাফন করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তাঁদের বক্তব্য, পঞ্চম তফসিলভুক্ত এলাকায় এই ধরনের অনুমতি বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি, অস্থায়ী গির্জাগুলির কার্যকলাপ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। সর্ব সমাজের সদস্যরা হুঁশিয়ারি দেন, প্রশাসন যদি সর্ব সমাজের অধিকার ও সংস্কৃতি রক্ষায় ব্যর্থ হয়, তবে সমাজকে রাস্তায় থেকে আদালত পর্যন্ত নিজের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে নামতে বাধ্য হতে হবে।

    এর আগে সর্ব সমাজের সদস্যরা ধর্মান্তর ও কাঁকেরের দাফন দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে একদিনের বন্‌ধের কথা ঘোষণা করেছিলেন। সদস্যরা জানান, এটি এই ধরনের একমাত্র ঘটনা নয়, রাজ্যের অন্যান্য জনজাতি অধ্যুষিত অঞ্চল থেকেও একই ধরনের ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসছে। তাঁদের অভিযোগ, খ্রিস্টান মিশনারিদের সঙ্গে যুক্ত ধর্মান্তরকারী গোষ্ঠীগুলি পরিকল্পিতভাবে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, যার ফলে সমাজে অশান্তি ও বিভাজন তৈরি হচ্ছে (Burial Dispute)। এদিকে, সোমবার সরকার কাঁকের জেলার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে অশোক কুমার রাখেচাকে। প্রাক্তন কাঁকের এসপি ইন্দিরা কল্যাণ এলেসেলারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি। ইন্দিরা কল্যাণ এলেসেলাকে ছত্তিশগঢ় সশস্ত্র পুলিশের সুরগুজা রেঞ্জের ডিআইজির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে (Chhattisgarh)।

  • ISRO: ৬০০০ কেজির কৃত্রিম উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণ! নতুন রেকর্ড গড়ল ইসরো, অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    ISRO: ৬০০০ কেজির কৃত্রিম উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণ! নতুন রেকর্ড গড়ল ইসরো, অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনের আগে ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ইসরোর (ISRO) মুকুটে যুক্ত হল নয়া পালক। ভারতের ‘বাহুবলী’ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দিল মার্কিন কৃত্রিম উপগ্রহ। বুধবার সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে সফল ভাবে উৎক্ষেপণ করা হল মার্কিন সংস্থা এএসটি স্পেসমোবাইল-এর তৈরি অত্যাধুনিক কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট ‘ব্লু বার্ড ৬’। প্রায় ৬০০০ কেজি ভারী কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়ে ইতিহাস গড়ল ভারতের এলভিএম৩-এম৬ রকেট। ৬,১০০ কেজি ওজনের এই উপগ্রহটি এখনও পর্যন্ত ভারতীয় মাটি থেকে উৎক্ষেপিত সবচেয়ে ভারী বিদেশি উপগ্রহ।

    প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

    এদিন রকেট উৎক্ষেপণের পরই এক্স হ্যান্ডলে উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লেখেন, ‘মহাকাশে ভারতের এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি… এলভিএম৩-এম৬-এর সফল উৎক্ষেপণ, এর মাধ্যমে ভারতের মাটি থেকে উৎক্ষেপিত সবচেয়ে ভারী উপগ্রহ আমেরিকার ব্লুবার্ড ব্লক-২-কে তার নির্ধারিত কক্ষপথে স্থাপন করা হয়েছে। এটি ভারতের মহাকাশ যাত্রায় এক গর্বের মাইলফলক। আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে আমাদের প্রচেষ্টার আরও একটি প্রতিফলন। আমাদের পরিশ্রমী মহাকাশ বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের অভিনন্দন।’

    শ্রীহরিকোটা থেকে সফল উৎক্ষেপণ

    অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় অবস্থিত সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে এই উৎক্ষেপণ সম্পন্ন হয়। বুধবার সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে কৃত্রিম উপগ্রহটি সমেত উৎক্ষেপণের কথা ছিল এলভিএম৩-এম৬ রকেটের। কিন্তু মহাকাশের বর্জ্য কিংবা অন্যান্য স্যাটেলাইটের গতিপথের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়াতে শেষ মুহূর্তে উৎক্ষেপণের সময় ৯০ সেকেন্ড পিছিয়ে দেয় ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। শেষমেশ ৮টা ৫৫ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে ‘বাহুবলী’ রকেটে উৎক্ষেপণ করা হয় উপগ্রহটি। ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, উৎক্ষেপণের প্রায় ১৫ মিনিট পর রকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কথা ব্লু বার্ড ৬-এর। তার পর প্রায় ৫২০ কিলোমিটার উচ্চতায় তার নির্ধারিত কক্ষপথে গিয়ে থিতু হবে সে।

    বাণিজ্যিক চুক্তিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা

    এই মিশনটি সম্পন্ন হয়েছে ইসরোর বাণিজ্যিক শাখা নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড (NSIL) এবং মার্কিন সংস্থা এএসটি স্পেসমোবাইল (AST SpaceMobile)-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যিক চুক্তির আওতায়। ৪৩.৫ মিটার উচ্চতার এলভিএম৩ (LVM3) রকেটটি ইসরোর সবচেয়ে শক্তিশালী উৎক্ষেপণ যান। এই রকেটে রয়েছে তিনটি ধাপ, যার মধ্যে উপরের ধাপটি ক্রায়োজেনিক প্রযুক্তির। ক্রায়োজেনিক স্টেজটি তৈরি করেছে ইসরোর লিকুইড প্রপালশন সিস্টেমস সেন্টার, আর উৎক্ষেপণের সময় প্রয়োজনীয় বিপুল শক্তি জুগিয়েছে দুটি বিশাল এস-২০০ সলিড স্ট্র্যাপ-অন বুস্টার, যা তৈরি করেছে বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার, তিরুবনন্তপুরম।

    ‘বাহুবলী’র সাফল্য

    ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান ভি নারায়ণন জানিয়েছেন, ভারতের মাটি থেকে এর আগে এত ভারী কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ হয়নি। তাই ৪৩.৫ মিটার উঁচু এলভিএম৩-এম৬ রকেটটিকেই এই কাজের জন্য বেছে নেওয়া হয়। ভারী কৃত্রিম উপগ্রহ বহনে সক্ষম এই রকেটকে ইসরোর বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন ‘বাহুবলী’। ভারী কৃত্রিম উপগ্রহ বহনে সক্ষম এলভিএম৩ রকেটগুলির মধ্যে এটি ষষ্ঠ সংস্করণ। ইসরোর তথ্য অনুযায়ী, ব্লুবার্ড ব্লক-২ (BlueBird Block-2) বিশ্বজুড়ে উচ্চগতির মোবাইল সংযোগ প্রদান করতে সক্ষম। এটি ৪জি ও ৫জি নেটওয়ার্ক, ভয়েস কল, ভিডিও কল, মেসেজিং, ডেটা ট্রান্সফার এবং মিডিয়া স্ট্রিমিং-এ সাহায্য করবে। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ২২০০ বর্গমিটারের অ্যারে অ্যান্টেনা। পুরনো কৃত্রিম উপগ্রহগুলির তুলনায় তাই ১০ গুণ বেশি তথ্য মজুত করার ক্ষমতা রয়েছে। এর আগে গত নভেম্বরে এলভিএম৩-এম৫ রকেট চেপে মহাকাশে পাড়ি দেয় ইসরোর সবচেয়ে ভারী উপগ্রহ সিএমএস-০৩। এবার সেই রকেট পেল নয়া সাফল্য। একই সঙ্গে মহাকাশে এগিয়ে চলল আত্মনির্ভর ভারত।

  • Osman Hadi Killed: হাদি হত্যার রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন মৃতের ভাই ওমর

    Osman Hadi Killed: হাদি হত্যার রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন মৃতের ভাই ওমর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই ভরদুপুরে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রকাশ্যে গুলি করা হয় বাংলাদেশি ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদিকে (Osman Hadi Killed)। এর পর সিঙ্গাপুর হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর কয়েক দিন পর তাঁর ভাইয়ের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরের একটি গোষ্ঠী আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিল (Yunus Regime)।

    হাদিকে খুব কাছ থেকে গুলি (Osman Hadi Killed)

    ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর গড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় তাঁর। হাদির হত্যাকাণ্ডের জেরে ফের হিংসা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বাংলাদেশে। উত্তেজিত জনতা একাধিক প্রথম শ্রেণির সংবাদপত্র ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা চালায়। হাদির ভাই শরিফ ওমর হাদি ঢাকার শাহবাগে এক প্রতিবাদ সমাবেশে সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগেন। তিনি বলেন, “আপনারাই ওসমান হাদিকে হত্যা করেছেন। আর এখন এই ঘটনাকে ইস্যু করে নির্বাচন ভণ্ডুল করার চেষ্টা করছেন!”

    ওমরের অভিযোগ

    ওমর বলেন, “ওসমান চেয়েছিলেন ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং নির্বাচনী পরিবেশে কোনও ধরনের বিঘ্ন ঘটতে দেওয়া যাবে না।” তিনি বলেন, “খুনিদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুন, যাতে নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সরকার এখনও পর্যন্ত কোনও চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি তদন্তের ফল আমাদের সামনে তুলে ধরতে পারেনি। যদি ওসমান হাদির মৃত্যুর ন্যায়বিচার না হয়, তাহলে আপনাকেও (ইউনূসকে) একদিন বাংলাদেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হতে হবে।” ওমরের অভিযোগ, তাঁর ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। কারণ তিনি কোনও সংস্থা বা কোনও বিদেশি প্রভুর কাছে মাথা নত করেননি (Osman Hadi Killed)।

    ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের দাবি করেন, ওসমানের হত্যাকাণ্ড জুলাই অভ্যুত্থানের অর্জন এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ধ্বংসের লক্ষ্যে করা একটি ‘গভীর ষড়যন্ত্রে’র অংশ। তাঁর অভিযোগ, দেশের ভেতরে সক্রিয় আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং ‘ফ্যাসিস্ট সহযোগীরা’ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। জাবের আরও দাবি করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের তদন্তের মাধ্যমে সরকার যেন খুনিদের জনসমক্ষে হাজির করে। অন্যথায়, তারা আন্দোলন আরও তীব্র করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিক্ষোভকারীরা জানান, ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকবেন এবং আন্দোলন চালিয়ে যাবেন (Osman Hadi Killed)।

    ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা ২৫ ডিসেম্বর। তাঁরা কোনও কর্মসূচি পালন করবেন না। ওমরদের আশা, তারেক রহমান তাঁদের আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতি জানাবেন (Yunus Regime)।”

  • Bhopal: কাঠ থেকে সন্ত্রাস! এক পাচার চক্রের সন্ধানে নেমে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য, ফাঁস হলো বিশাল নেটওয়ার্ক

    Bhopal: কাঠ থেকে সন্ত্রাস! এক পাচার চক্রের সন্ধানে নেমে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য, ফাঁস হলো বিশাল নেটওয়ার্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঠ পাচারের অর্থ দিয়ে চলত সন্ত্রাস (Terror-Funding Network)। কেনা হত অবৈধ অস্ত্র। মধ্যপ্রদেশের (Bhopal) আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে অবৈধ কাঠ পাচারের একটি সাধারণ মামলার তদন্তে উঠে এল এমনই ভয়ঙ্কর তথ্য। তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মধ্যপ্রদেশের আলিরাজপুর জেলা। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED), ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA), রাজ্য এটিএস এবং একাধিক রাজ্যের বন দফতর এই জেলায় কাঠ পাচারের তদন্তে নেমেছে। দেখা গিয়েছে বেশ কিছু ক্ষেত্রে বন লুণ্ঠনের অর্থ সন্ত্রাসে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়েও।

    ২০০ কোটি টাকার খৈর কাঠ সাম্রাজ্য

    তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, গুজরাটের গোধরার বাসিন্দা মোহন তাহির গত তিন বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার খৈর (কাঠা) কাঠ অবৈধভাবে কেটে পাচার করেছেন। বাজারমূল্য অনুযায়ী, খৈরের ব্যাপক ব্যবহার (কাঠা উৎপাদনে) বিবেচনায় এই অঙ্ক ৭০০ কোটি টাকাতেও পৌঁছতে পারে। অভিযোগ অনুযায়ী, আলিরাজপুরের মালওয়াই গ্রামে ব্যক্তিগত জমিতে ‘শালিমার এন্টারপ্রাইজেস’-এর নামে একটি গোপন কাঠের ডিপো চালাতেন তাহির। ডিপোর দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন আরিফ (আলিফ) আলি মাকরানি, যাঁকে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ২০২৪ সালের জুন মাসে গুজরাটে একটি ট্রাক অবৈধ খৈর কাঠসহ আটক হওয়ার পর এই চক্রের হদিশ মেলে। জেরায় চালক জানায়, কাঠটি আলিরাজপুরের একটি ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে সুরাটের মাণ্ডভি ফরেস্ট ডিভিশনের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান চালিয়ে আলিরাজপুরের ডিপোটি সিল করে তদন্তকারী অফিসাররা।

    বৈধ ব্যবসার আড়ালে চোরাচালান

    বন দফতর পরে জানায়, ওই অঞ্চল থেকে প্রায় ১,৬০০ ঘনমিটার বা ২,০০০ মেট্রিক টনের বেশি খৈর কাঠ উদ্ধার হয়েছে, যা বৈধ ব্যবসার আড়ালে মজুত করা ছিল। মাণ্ডভি (সুরাট) বন বিভাগের আধিকারিক এইচ আর যাদব বলেন, “২০২৪ সালের জুলাইয়ে আমরা মামলা দায়ের করি। আলিরাজপুরের শালিমার এন্টারপ্রাইজেসে যাওয়ার পথে একটি ট্রাক আটক করা হয়। তদন্তে দেখা যায়, এই চক্র গুজরাট, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা হয়ে হরিয়ানা ও দিল্লি পর্যন্ত সক্রিয় ছিল এবং প্রায় দুই বছর ধরে চলছিল।”

    কাঠ থেকে সন্ত্রাস: তদন্তের ভয়াবহ মোড়

    তদন্ত আরও ভয়ঙ্কর মোড় নেয়, যখন কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি আলিরাজপুর ডিপোর সঙ্গে উগ্রপন্থী নেটওয়ার্কের যোগসূত্র খুঁজে পায়। রাজ্য এটিএস-এর এক শীর্ষ কর্তা জানান, “আলিরাজপুরের ডিপো ও খৈর কাঠের মজুতের সঙ্গে আইএসআইএস-প্রভাবিত পদঘা মডিউলের যোগ মিলেছে। অবৈধ কাঠ ব্যবসা থেকে পাওয়া অর্থ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ডিপো পরিচালনাকারীদের সঙ্গে সাকিব নাচানের যোগসূত্রও সামনে এসেছে।” ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর, ইডি মহারাষ্ট্র, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, গুজরাট, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে মোট ৪০টি জায়গায় অভিযান চালায়। পিএমএলএ আইনের আওতায় চালানো এই অভিযানে উদ্ধার হয় ৯.৭০ কোটি টাকা নগদ, ৬.৬ কোটি টাকার সোনা ও গয়না, ২৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয় এবং হাওয়ালা নথি, ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়। মেলে উগ্রপন্থার সঙ্গে জড়িত নানা নথিও। ইডি জানিয়েছে, গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছিল যে হাওয়ালা, অবৈধ গবাদি পশু পাচার এবং খৈর কাঠ ব্যবসা থেকে আয় করা অর্থ চরমপন্থী কার্যকলাপে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ইডি অভিযানে চিহ্নিত অভিযুক্ত সচিন ফাকলে ও খলিল উসমান মুল্লার নাম আলিরাজপুর খৈর কাঠ মামলাতেও রয়েছে, যা সন্ত্রাস-অর্থায়নের অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে। এনআইএ-র দাবি অবৈধ কাঠ পাচারের টাকা জঙ্গি নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সংগ্রহে ব্যবহৃত হতো।

    মূল অভিযুক্ত পলাতক

    আদালতের নির্দেশে ডিপো ডি-সিল করার সময় গুজরাটের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি ড. মহেন্দ্র সিং কচ্ছাওয়া জানান, “ডিপোর মালিক মোহন তাহির পলাতক। ইমিগ্রেশন রেকর্ড অনুযায়ী তিনি হজ করতে দেশ ছেড়েছেন এবং ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ফেরেননি। অবৈধ খৈর কাঠ ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থ দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, ডিপো ম্যানেজারের সঙ্গে যুক্ত হাওয়ালা লেনদেনের তথ্য ইডি-কে দেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রতি ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রায় ৪ কোটি টাকার লেনদেনের হদিশ মিলেছে।

    একাধিক বিষয় নিয়ে প্রশ্ন

    তদন্তকারীরা জানান, ২০২১ সালের পর মধ্যপ্রদেশে খৈরকে সংরক্ষিত প্রজাতির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়, ফলে পরিবহণ ও মজুতের নিয়ম শিথিল হয়। তবে প্রশ্ন উঠছে—গুজরাটে কাটা খৈর কাঠ কেন আলিরাজপুরে এনে মজুত করা হলো? শাল ও সেগুনের জন্য পরিচিত একটি ডিপোতে কেন শুধুই খৈর কাঠ ছিল? বন দপ্তরের কেউ কি জড়িত ছিলেন, নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে নীরবতা পালন করা হয়েছিল? ড. কচ্ছাওয়া স্পষ্ট করে বলেন, “যদি কোনো বন কর্মকর্তা জড়িত থাকেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” একাধিক সংস্থা—বন দফতর, পুলিশ, এটিএস, ইডি ও এনআইএ—তদন্তে নেমেছে। আলিরাজপুরের খৈর কাঠ কেলেঙ্কারি এখন আর শুধু অবৈধ লগিংয়ের মামলা নয়; এটি হয়ে উঠেছে এমন এক ভয়াবহ প্রশ্ন, যেখানে বন লুণ্ঠনের অর্থ সন্ত্রাসে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, এবং বছরের পর বছর ধরে কীভাবে একটি ২০০ কোটি টাকার ছায়া অর্থনীতি নীরবতার সুযোগে বেড়ে উঠল—তার উত্তর খোঁজা হচ্ছে।

  • Andhra Pradesh: নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৪

    Andhra Pradesh: নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর তেরোর এক নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চারজনের বিরুদ্ধে। অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) গুন্টুর জেলার মঙ্গলগিরি শহর এলাকার ওই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে, দায়ের হয়েছে পকসো আইনে মামলাও (Gang Rape Case)।

    গণধর্ষিতা নাবালিকা (Andhra Pradesh)

    পুলিশ সূত্রে খবর, ১৮ ডিসেম্বর রাতে গুন্টুর অঞ্চলের মঙ্গলগিরি রেলস্টেশনের কাছে ঘটনাটি ঘটে। রাত ১০টা নাগাদ নাবালিকাটি তার বন্ধুদের সঙ্গে ছিল। সেই সময় অভিযুক্তরা তাকে প্রলোভন দেখিয়ে একটি অটো-রিকশায় তুলে নেয় এবং শহরের উপকণ্ঠের একাধিক নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে কিশোরীটিকে বারংবার যৌন নিগ্রহ করা হয়। অভিযুক্তরা হল, তাড়েপল্লির কেএল রাও কলোনির বাসিন্দা শেখ খাদর বাশা (৫০), তার ছেলে কামাল সাহেব (২৫), বিজয়ওয়াড়ার প্রকাশ নগরের বাসিন্দা শেখ সেলিম (৪২) এবং অটো-রিকশাচালক শেখ রাব্বানি (৩৯)।

    নির্যাতিতার চিৎকার

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে যখন অটো-রিকশায় করে নিয়ে যাওয়ার সময় নির্যাতিতা চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে আসেন। তারপরেই অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটি বাড়িতে ফিরে মাকে ভয়াবহ এই ঘটনার বিবরণ দেয়। অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায় (Andhra Pradesh)। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ আধিকারিক কে বীরস্বামী ও তাঁর দল অভিযানে নামেন। ২১ ডিসেম্বর বিকেলে ডন বসকো এলাকার কাছে চারজন সন্দেহভাজনকেই গ্রেফতার করা হয়। ডিএসপি নিশ্চিত করেছেন যে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে অভিযুক্তদের রাস্তায় প্যারেড করানো হয়। ডিএসপি মুরলীকৃষ্ণ সংবাদমাধ্যমে বলেন, “এই প্যারেড আমাদের এলাকায় নারী ও শিশুদের লক্ষ্য করে যারা অপরাধ করে, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের বার্তা দেওয়া।”

    পুলিশ জানিয়েছে, চার অভিযুক্তকেই বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে (Gang Rape Case)। এই ঘটনাটি কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত কিনা, কিংবা অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখাতেই হচ্ছে তদন্ত (Andhra Pradesh)।

  • Samserganj Verdict: মুখ্যমন্ত্রীর দ্বিচারিতা! তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন, সামসেরগঞ্জে বাবা–ছেলে খুনের ঘটনায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন

    Samserganj Verdict: মুখ্যমন্ত্রীর দ্বিচারিতা! তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন, সামসেরগঞ্জে বাবা–ছেলে খুনের ঘটনায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ হিংসার মাঝে পড়ে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জাফরাবাদে বাবা-ছেলের হত্যাকাণ্ডে সাজা ঘোষণা করল জঙ্গিপুর মহকুমা আদালত। দোষী ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন বিচারক অমিতাভ মুখোপাধ্যায়। পাশাপাশি মৃত চন্দন দাস ও হরগোবিন্দ দাসের পরিবারকে ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। সোমবার ১৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। নতুন ফৌজদারি আইনের অধীনে গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনায় দেশে এটি দ্বিতীয় দোষী সাব্যস্তের নজির। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য এই সাজায় (Samserganj Verdict) অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মন্তব্য, ফাঁসির রায় হওয়া উচিত ছিল। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

    নিহতদের পরিবারের পাশে বিজেপি

    সামশেরগঞ্জের (Shamsergunj) ঘটনা নিয়ে জঙ্গিপুর মহকুমা আদালত যে রায় শুনিয়েছে তাতে যেমন খুশি নন হরগোবিন্দ দাস (Hargovinda Das) ও চন্দন দাসের (Chandan Das) পরিবার, তেমনই অখুশি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি স্পষ্ট জানান, এই রায়ের বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) যাবেন। পুলিশের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি এও বলেন, তাঁদের জন্যই সর্বোচ্চ সাজা হয়নি দোষীদের। শুভেন্দুর সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত হয়েছিলেন হরগোবিন্দ দাসের স্ত্রী ও চন্দন দাসের মা পারুল দাস। তাঁদের বক্তব্য, বাড়িতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও পুলিশ (WBP) আধিকারিকরা বলে এসেছিলেন যে ফাঁসি হবে, কিন্তু হল না। তাঁরা ফাঁসি ছাড়া কিছু চাইছেন না। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শুভেন্দুর বক্তব্য, পুলিশের সিট (SIT) সবাইকে একই দোষে দোষী দেখিয়েছিল। আসলে লক্ষ্য একটাই – এদের বাড়ির ভাতের বদলে জেলের ভাত খাওয়ানো। এদের বাঁচিয়ে রাখা। বিরোধী দলনেতা এই ইস্যুতে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে পরিবার উচ্চ আদালতে গেলে তাঁরা সর্বোচ্চ আইনি সাহায্য করবেন। দরকারে কলকাতা হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী দিয়ে সাহায্য করা হবে।

    কীভাবে ঘটেছিল নির্মম ঘটনা

    ২০২৪ সালের ১২ এপ্রিল ৭২ বছরের হরগোবিন্দ দাস ও তাঁর ৪০ বছরের ছেলে চন্দন দাসকে তাঁদের বাড়ি থেকে টেনে বের করে উত্তেজিত জনতা জাফরাবাদ এলাকায় হত্যা করে। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে খুন, দাঙ্গা, অবৈধ অনুপ্রবেশ, লুটপাট ও মারাত্মক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ। দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরা হলেন— দিলদার নাদাব, আসমাউল নাদাব ওরফে কালু নাদাব, এনজামুল হক, জিয়াউল হক, ফেকারুল শেখ, আজফারুল শেখ ওরফে বিলাই, মনিরুল শেখ, একবাল শেখ, নুরুল শেখ, সাবা করিম, হাজরত শেখ, হাজরত আলি, আকবর আলি ওরফে একবার শেখ এবং ইউসুফ শেখ। বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি বিভাস চট্টোপাধ্যায় জানান, “এই মামলাটি রাজ্যের অন্যতম দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া দ্বৈত হত্যাকাণ্ডের মামলা। ২৫ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) প্রায় এক হাজার পাতার চার্জশিট জমা দেয়।”

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা

    আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের আগে দুই দফা হামলা প্রতিহত করেছিলেন নিহতরা। তবে তৃতীয়বার হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে ফিরে এসে তাঁদের হত্যা করে। পরিবারের সদস্যরা আদালতে ঘটনার বিবরণ দেন। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার সিবিআই তদন্ত চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে, যা বর্তমানে বিচারাধীন। পরিবারের দাবি, পুলিশের জন্যই দোষীদের ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়নি। তাদের যাবজ্জীবন হয়েছে। নিহতদের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় পুলিশ সময়মতো পৌঁছালে প্রাণহানি এড়ানো যেত। নিহত চন্দন দাসের মা পারুল দাস জানান, হামলার কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। তিনি আরও বলেন, টেলিভিশনে প্রচারিত দৃশ্য দেখে তিনি হামলাকারীদের শনাক্ত করতে পেরেছিলেন। এসআইটি-র চার্জশিট অনুযায়ী, এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

    মুখ্যমন্ত্রীর অনৈতিক দাবি

    ঘটনার সময় রাজ্যে ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে সহিংসতা চলছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সময় এই অশান্তির পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি দাবি করেন, সীমান্ত এলাকায় অশান্তি সৃষ্টির বিষয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির দায়িত্ব খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি ও আরএসএসের বিরুদ্ধেও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ করেন এবং বলেন, এই ধরনের রাজনীতি সমাজে বিভাজন তৈরি করছে। যদিও বিচারচলাকালীন দেখা যায়, গত ১২ এপ্রিল সামশেরগঞ্জের জাফরাবাদে এই ওয়াকফ হিংসার প্রতিবাদের সঙ্গে বিন্দুমাত্র সম্পর্ক না থাকলেও প্রাণ গিয়েছিল স্থানীয় দাস পরিবারের বাবা-ছেলের। অভিযোগ ওঠে, বিক্ষোভের মাঝে পড়ে যাওয়ায় বাবা হরগোবিন্দ দাস ও ছেলে চন্দন দাসকে কুপিয়ে খুন করা হয়। এতে আগুনে নতুন করে ঘি পড়ে। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সিট গড়া হয় জেলা পুলিশের তরফে। একে একে গ্রেপ্তার হতে থাকে অভিযুক্তরা। শুরু হয় বিচারপ্রক্রিয়া। ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ পর্যন্ত জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে চলে শুনানি। ২২ তারিখ, সোমবার রায় ঘোষণা করেন বিচারক অমিতাভ মুখোপাধ্যায়। বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় ১৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। জঙ্গিপুর আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩(২), ৩১০(২), ৩৩১(৫), ১৯১(৩), ১২৫(২), ১২৬(২) , ৩৩২( এ) এবং ৩(৫) ধারায় মঙ্গলবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করলেন বিচারক।

    রাজ্যে নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে

    মুর্শিদাবাদের এই দ্বৈত হত্যাকাণ্ড রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। আদালতের রায়ে দোষীদের অপরাধ প্রমাণিত হলেও, ঘটনার প্রেক্ষাপট, প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং রাজনৈতিক দায় নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। রায়ের পর বিজেপি নেতা অমিত মালব্য সামাজিক মাধ্যমে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এই ঘটনা রাজ্যে নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওয়াকফ সংশোধনী আইন সংক্রান্ত আন্দোলনের সরাসরি যোগ পাওয়া যায়নি।

  • Daily Horoscope 24 December 2025: আর্থিক দিক থেকে দিনটি শুভ এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 24 December 2025: আর্থিক দিক থেকে দিনটি শুভ এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) শুধু শরীর সম্পর্কে আজ আপনাকে একটু সতর্ক থাকতে হবে।

    ২) রোজগার অনেকটাই বাড়বে, নিশ্চিত থাকুন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ অনুকূল থাকছে।
    বৃষ
    ১) অর্থলাভের পক্ষে দিনটি আপনার ভালোই কাটতে চলেছে।
    ২) অপ্রত্যাশিত অর্থলাভের যোগও দেখা যাচ্ছে আজকে।
    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে দিনটি আনন্দে কাটাবেন।
    মিথুন
    ১) শারীরিক ও মানসিক উৎকণ্ঠা আজ আপনাকে পোহাতে হবে।
    ২) কর্মক্ষেত্রেও থাকবে ঝঞ্ঝাট ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ।
    ৩) অর্থলাভের ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হবেন, অন্যদিকে ব্যয়ও বাড়বে।
    কর্কট
    ১) গৃহে বা বন্ধু স্থানীয় কোনও ব্যক্তির সঙ্গে মনোমালিন্যের সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে।
    ২)  কোনও গুণের জন্য সমাজের কাছে সমাদর পাবেন।
    ৩) মানসিক অশান্তি ও দুশ্চিন্তা বৃদ্ধি হবে আজ।
    সিংহ
    ১) উল্টোপাল্টা ঝামেলায় জড়িয়ে পড়বেন, এর ফলে মানসিক শান্তি নষ্ট হতে পারে।
    ২) শারীরিক দিক থেকেও দিনটি ভালো যাবে না, অস্বস্তি বোধ করবেন কোনও কারণে।
    ৩) সতর্ক থাকুন, কারও সাথে অযথা বাদানুবাদ সৃষ্টি হতে পারে।
    কন্যা
    ১) দিনটা খারাপ ভালো মিশিয়েই কাটবে।
    ২) শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে অস্বস্তি আজ আপনাকে বয়ে চলতে হবে।
    ৩) পূর্ব পরিচিত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে দীর্ঘদিন পরে সাক্ষাৎলাভ হবে।
    তুলা
    ১) ছোটখাট ঘটনায় সাময়িক উদ্বেগ হবে, তবে তা ক্ষণস্থায়ী, বাকি দিনটা আনন্দেই কাটবে।
    ২) অপ্রত্যাশিতভাবে অর্থলাভের যোগ রয়েছে আজ।
    ৩) গৃহে অতিথির আগমন হবে, এর ফলে ব্যয় বৃদ্ধি হবে।
    বৃশ্চিক
    ১) আর্থিক দিক থেকে দিনটি শুভ।
    ২) সতর্ক থাকতে হবে, কর্মক্ষেত্রে হঠাৎ কোনও ঝামেলা ও নতুন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
    ৩) শারীরিক সুখ নষ্ট হবে, কোনও রোগের কারণে।
    ধনু
    ১) কোনও শুভ প্রচেষ্টার পক্ষে দিনটি মোটেও ভালো নয়, তাই বিরত থাকুন।
    ২) আয় ও আর্থিক ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই আজকে।
    ৩) বাহ্যিক আনন্দ প্রকাশ পাবে, তবে পুরনো কোনও কারণে মনের দিক থেকে চাপা গুমোট ভাব থাকবে।
    মকর
    ১) কর্মক্ষেত্রে হঠাৎ কোনও ঝামেলা আজকে আপনাকে মোকাবিলা করতে হবে।
    ২) শরীর আপনাকে বিপাকে ফেলতে পারে। তবে আয়ের ক্ষেত্রে শুভ দিন।
    ৩) তুলনামূলকভাবে ব্যবসায়ীদের আয় বাড়বে।
    কুম্ভ
    ১) অযথা অর্থ ব্যয় হবে আজকে।
    ২) কোনও পূর্ব পরিকল্পনা করে থাকলে তা হঠাৎ বানচাল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা।
    ৩) নিজ ভুলে অর্থহানির যোগ রয়েছে।
    মীন
    ১) পূর্বের কোনও ঘটনার জেরে ফের মানসিক আঘাত পেতে পারেন।
    ২) আইন সংক্রান্ত যে কোনও ঝামেলা এড়িয়ে চলুন।
    ৩) কর্মক্ষেত্র ও আর্থিক ব্যাপারে আজকের দিনটা ভালোই কাটবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 541: “তারে কেউ চিনলি না রে! ও সে পাগলের বেশে ফিরছে জীবের ঘরে ঘরে!”

    Ramakrishna 541: “তারে কেউ চিনলি না রে! ও সে পাগলের বেশে ফিরছে জীবের ঘরে ঘরে!”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    গুহ্যকথা—“তিনজনই এক”

    “তখন যীশু বললেন, তোমার দিদিই ধন্য, কেন না মানুষ জীবনের যা প্রয়োজন (অর্থাৎ ঈশ্বরকে ভালবাসা—প্রেম) তা ওঁর হয়েছে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আচ্ছা তোমার এ-সব দেখে কি বোধ হয়?

    মণি—আমার বোধ হয়, তিনজনেই এক বস্তু!—যীশুখ্রীষ্ট, চৈতন্যদেব আর আপনি—একব্যক্তি!

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এক এক! এক বইকি। তিনি (ঈশ্বর),—দেখছ (Kathamrita) না,—যেন এর উপর এমন করে রয়েছে!

    এই বলিয়া ঠাকুর নিজের শরীরের উপর অঙ্গুলি নির্দেশ করিলেন যেন বলছেন, ঈশ্বর তাঁরই শরীরধারণ করে অবতীর্ণ হয়েই রয়েছেন।

    মণি—সেদিন আপনি এই অবতীর্ণ হওয়ার ব্যাপারটি বেশ বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কি বল দেখি।

    মণি—যেন দিগ্‌দিগন্তব্যাপী মাঠ পড়ে রয়েছে! ধু-ধু করছে! সম্মুখে পাঁচিল রয়েছে বলে আমি দেখতে পাচ্ছি না;—সেই পাঁচিলে কেবল একটি ফাঁক!—সেই ফাঁক দিয়ে অনন্ত মাঠের খানিকটা দেখা যায়!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — বল দেখি সে ফাঁকটি কি?

    মণি—সে ফাঁকটি আপনি! আপনার ভিতর দিয়ে সব দেখা যায় (Kathamrita);—সেই দিগ্‌দিগন্তব্যাপী মাঠ দেখা যায়!

    শ্রীরামকৃষ্ণ অতিশয় সন্তুষ্ট, মণির গা চাপড়াতে লাগলেন। আর বললেন, “তুমি যে ওইটে বুঝে ফেলেছ।—বেশ হয়েছে।”

    মণি—ওইটি শক্ত কি না; পূর্ণব্রহ্ম হয়ে ওইটুকুর ভিতর কেমন করে থাকেন, ওইটা বুঝা যায় না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—‘তারে কেউ চিনলি না রে! ও সে পাগলের বেশে (দীনহীন কাঙালের বেশে) ফিরছে জীবের ঘরে ঘরে!’

    মণি—আর আপনি বলেছিলেন যীশুর কথা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কি, কি?

    মণি—যদু মল্লিকের বাগানে যীশুর ছবি দেখে ভাবসমাধি হয়েছিল। আপনি দেখেছিলেন যে যীশুর মূর্তি ছবি থেকে এসে আপনার ভিতর মিশে গেল।

    ঠাকুর কিয়ৎকাল চুপ করিয়া আছেন। তারপর আবার মণিকে বলিতেছেন, “এই যে গলায় এইটে হয়েছে, ওর হয়তো মানে আছে—সব লোকের কাছে পাছে হালকামি করি।—না হলে যেখানে সেখানে নাচা-গাওয়া তো হয়ে যেত।”

    ঠাকুর দ্বিজর কথা কহিতেছেন। বলিতেছেন(Kathamrita), “দ্বিজ এল না?”

    মণি—বলেছিলাম আসতে। আজ আসবার কথা ছিল; কিন্তু কেন এল না, বলতে পারি না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তার খুব অনুরাগ। আচ্ছা, ও এখানকার একটা কেউ হবে (অর্থাৎ সাঙ্গোপাঙ্গের মধ্যে একজন হবে), না?

    মণি—আজ্ঞা হাঁ, তাই হবে, তা না হলে এত অনুরাগ।

    মণি মশারির ভিতর গিয়া ঠাকুরকে বাতাস করিতেছেন।

  • Hindu Minorities: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন, কড়া প্রতিক্রিয়া আমেরিকা- রাশিয়া-কানাডার

    Hindu Minorities: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন, কড়া প্রতিক্রিয়া আমেরিকা- রাশিয়া-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ক্রমেই বাড়ছে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের (Hindu Minorities) ওপর নৃশংস অপরাধের ঘটনা। বর্তমানে পদ্মাপারের এই দেশের রাশ অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে, যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহম্মদ ইউনূস (Bangladesh)। তাঁর জমানায় এই জাতীয় ঘটনা কার্যত নির্বিঘ্নে চলতে থাকায় আন্তর্জাতিক মহলে অমানবিক কার্যকলাপের অভিযোগে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ইউনূস প্রশাসন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার আইনপ্রণেতারা নিরপরাধ এক হিন্দু যুবককে গণপিটুনির ঘটনার কড়া নিন্দে করেছেন। ঢাকায় অবস্থিত রুশ দূতাবাস ইউনূস সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন মহলকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান থেকে অঞ্চলটি বিচ্ছিন্ন করে ‘বাংলাদেশ’ নামের নতুন রাষ্ট্র গঠনের জন্য ভারত ও রাশিয়া যে ত্যাগ স্বীকার করেছিল, তা ভোলার নয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এই কঠোর স্মরণবার্তাগুলি বাংলাদেশের পক্ষে এক সতর্কবার্তাস্বরূপ। দেশটি বর্তমানে রাজনৈতিক হিংসা, গণপিটুনি, লক্ষ্যভিত্তিক হামলা ও হত্যাকাণ্ড এবং উগ্র ইসলামপন্থী মতাদর্শে প্রভাবিত নানা চরমপন্থী নৃশংসতায় ক্রমাগত ডুবে যাচ্ছে।

    মার্কিন সাংসদের তোপ (Hindu Minorities)

    হিংসার এই ধারা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতা জেনিফার রাজকুমার। নিউইয়র্ক স্টেটের প্রতিনিধি ও নাগরিক অধিকার আইনজীবী জেনিফার বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে নির্মমভাবে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনা হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে দেশটিতে ঘটে চলা এক ভয়াবহ লাগাতার হিংসার ইঙ্গিত দেয়।” বিশ্ববাসীর কাছে তাঁর আহ্বান, মানবাধিকার, সংখ্যালঘুদের ন্যায়বিচার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় বিশ্ববাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে। জেনিফার বলেন, “বাংলাদেশের হিন্দু (Hindu Minorities) সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটে চলা হিংসার ঘটনায় আমি গভীরভাবে বিচলিত। সাম্প্রতিক সময়ে এর ভয়াবহ উদাহরণ হল বাংলাদেশি হিন্দু দীপু চন্দ্র দাসকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা। একটি জনতা তাঁকে মারধর করে, আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং তাঁর দেহ একটি হাইওয়েতে ফেলে রেখে গেল!” তিনি বলেন, “এই ঘটনা বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন (Bangladesh) ও লক্ষ্যভিত্তিক হিংসার এক উদ্বেগজনক ধারার অংশ। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের ওপর ২ হাজার ৪৪২টি হিংসা ঘটনা ঘটেছে এবং ১৫০টিরও বেশি মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে।” জেনিফার বলেন, “বিশ্বের উচিত বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। বাংলাদেশের হিন্দুদের যে ভয়, যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা আমাদেরও ভাগ করে নিতে হবে।”

    কানাডার নিশানায় বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার নৃশসংতার সমালোচনা করেছেন কানাডার কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদ শুভ মজুমদারও। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে চালানো ‘পগরোম’ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।” বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে হিন্দুদের  (Hindu Minorities) বিরুদ্ধে সংঘটিত সব লক্ষ্যভিত্তিক হামলা ও জঘন্য অপরাধের জন্য জবাবদিহিও দাবি করেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে শুভ লেখেন, “এমন সময়ে আমাদের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান-সহ সব সংখ্যালঘুর বিরুদ্ধে পগরোম অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানাতে হবে এবং ইউনূস সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি বলেন, “মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতার পক্ষে আমাদের নিরলসভাবে কথা বলতেই হবে। এতে চরমপন্থাকে রাজনৈতিক পরিবর্তনের নামে যারা যুক্তি দেখায়, বাস্তবতা তুলে ধরতে ব্যর্থ গণমাধ্যমের কিছু অংশ এবং হিংসা ও ধর্মীয় চরমপন্থার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিতে না পেরে সমতুল্যতার মোহে আচ্ছন্ন রাষ্ট্রসংঘ যতই অস্বস্তিতে পড়ুক না কেন, তা আমাদের করতেই হবে।”

    বাংলাদেশে শেকড় গেড়েছে ধর্মীয় চরমপন্থা

    এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে (Bangladesh) যে ধর্মীয় চরমপন্থা শেকড় গেড়েছে, তাকেই কটাক্ষ করেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। তিনি বলেন, “২০২৪ সালের অগাস্টে রাজনৈতিক অস্থিরতার পর থেকে বাংলাদেশে হাজার হাজার হিংসার ঘটনা ঘটেছে, যার প্রধান লক্ষ্য ছিল হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়।” কানাডার সাংসদ বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার যখন একদিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনার নিন্দা করছে এবং গ্রেফতারির কথা ঘোষণা করছে, তখনও নিপীড়নের এই ধারাবাহিকতা থামেনি। স্থিতিশীল শাসনব্যবস্থার অনুপস্থিতিতে উগ্রপন্থী শক্তিগুলি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।” সংখ্যালঘুদের ওপর অপরাধ বন্ধে এবং তাঁদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কড়া সমালোচনাও(Hindu Minorities) করেন তিনি।

    সরব কানাডার আরও এক সাংসদও

    কানাডার আর এক সাংসদ মেলিসা ল্যান্টসম্যানও বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দুরা ক্রমবর্ধমান হিংসার শিকার হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে গণহামলা, যৌন নির্যাতন, মন্দির ধ্বংস এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি।” তিনি জানান, ২০২৪ সালেই বাংলাদেশে হিন্দুদের লক্ষ্য করে ২০০০-এরও বেশি সহিংস ও অমানবিক ঘটনা ঘটেছে। মেলিসা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “সময় থাকতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় হস্তক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।”

    রুশ হাই কমিশনের কড়া বার্তা

    বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত রুশ হাই কমিশনও ১৯৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানের হাত থেকে বাংলাদেশের মুক্তিতে ভারতের ভূমিকা ও গুরুত্বের কথা বাংলাদেশকে কড়া ভাষায় স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন বলেন, “১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতে ভারত ও রাশিয়ার ত্যাগের ফলেই বাংলাদেশের(Bangladesh) জন্ম হয়েছে। তাই ঢাকা যেন দেরি না করে নয়াদিল্লির সঙ্গে উত্তেজনা কমায় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভারত ও রাশিয়ার ভূমিকার কথা কখনও ভুলে না যায় (Hindu Minorities)।”

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মত

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে বাংলাদেশকে সতর্কবার্তা পাঠানোর মাধ্যমে রাশিয়া একদিকে যেমন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভূমিকার স্বীকৃতি দিয়েছে, তেমনি অন্যদিকে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে নয়াদিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে যে নিত্য হিংসার ঘটনা ঘটছে, তার যে বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে, এই প্রেক্ষাপটে রুশ রাষ্ট্রদূত আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশে জড়িয়ে পড়া উত্তেজনা দ্রুত কমানোর আহ্বান জানান। রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, “১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারত, বাংলাদেশ(Bangladesh) ও রাশিয়া কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিল। সাম্প্রতিক উত্তেজনা যত দ্রুত সম্ভব কমাতে হবে। কারণ তা ভারত বা বাংলাদেশ, কোনও দেশেরই স্বার্থে নয় (Hindu Minorities)।”

  • Kisan Diwas: ডিজিটাল পেমেন্ট, ফসল বিমা ও পেনশন—ভারতীয় কৃষকদের জন্য নতুন যুগ

    Kisan Diwas: ডিজিটাল পেমেন্ট, ফসল বিমা ও পেনশন—ভারতীয় কৃষকদের জন্য নতুন যুগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ২৩ ডিসেম্বর দেশজুড়ে পালিত হয় কিষাণ দিবস বা জাতীয় কৃষক দিবস। এই দিনটি ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী চরণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী হিসেবে চিহ্নিত, যিনি আজীবন কৃষকস্বার্থের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। কিষাণ দিবস উপলক্ষে দেশ শ্রদ্ধা জানায় সেই কৃষকদের—যাঁরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতির মূল ভরকেন্দ্র। ২০১৪ সালের পর থেকে কৃষক কল্যাণ ও কৃষি উন্নয়ন নরেন্দ্র মোদি সরকারের নীতির কেন্দ্রে রয়েছে। আর্থিক সহায়তা, ঝুঁকি সুরক্ষা, সহজ ঋণপ্রাপ্তি, প্রযুক্তির ব্যবহার ও ভবিষ্যৎ সামাজিক নিরাপত্তা—সব মিলিয়ে একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে কৃষিকাজকে আরও লাভজনক, নিরাপদ ও টেকসই করার চেষ্টা চলছে।

    সরাসরি আয় সহায়তা: পিএম-কিষাণ সম্মান নিধি

    কৃষকদের জন্য অন্যতম জনপ্রিয় প্রকল্প হল প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি (PM-KISAN)। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য কৃষকরা বছরে ৬,০০০ টাকা পান, যা তিনটি কিস্তিতে সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। এই অর্থ কৃষিজ উপকরণ কেনা থেকে শুরু করে পারিবারিক প্রয়োজনে কাজে আসে, ফলে উচ্চ সুদের ঋণের ওপর নির্ভরতা কমে। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এই প্রকল্পে উপকৃত হয়েছেন ১১ কোটিরও বেশি কৃষক এবং মোট বিতরণ করা হয়েছে ৩.২৪ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে পিএম-কিষাণের ২১তম কিস্তি প্রদান করা হয়, যার মধ্যে শুধু হরিয়ানাতেই ৩১৬ কোটি টাকা পৌঁছেছে ১৫.৮ লক্ষের বেশি কৃষকের কাছে।

    কৃষি সুরক্ষা: প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা

    প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলহানির ঝুঁকি থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা (PMFBY)। এই প্রকল্পে খরিফ ফসলের জন্য কৃষকদের মাত্র ২ শতাংশ এবং রবি ফসলের জন্য ১.৫ শতাংশ প্রিমিয়াম দিতে হয়, বাকি অংশ বহন করে সরকার। ২০২৫ সালে উত্তরাখণ্ড-সহ বিভিন্ন রাজ্যে হাজার হাজার কৃষক এই বিমা প্রকল্পের আওতায় ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। শুধু উত্তরাখণ্ডেই ২৮,০০০-এর বেশি কৃষকের অ্যাকাউন্টে সরাসরি ৬২ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে।

    আত্মনির্ভরতার পথে নতুন উদ্যোগ

    ২০২৫ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদি কৃষকদের আত্মনির্ভরতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে দুটি নতুন উদ্যোগের সূচনা করেন—পিএম ধান-ধান্য কৃষি যোজনা এবং ডাল স্বনির্ভরতা মিশন। প্রায় ৩৫,৪৪০ কোটি টাকার এই সম্মিলিত প্রকল্প ১০০টি জেলায় সামগ্রিক কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। উদ্দেশ্য একটাই—কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে কৃষি স্বাস্থ্যের উন্নতি।

    সহজ ঋণ: কিষাণ ক্রেডিট কার্ড

    বীজ, সার, যন্ত্রপাতি ও শ্রমিকের জন্য মূলধনের প্রয়োজন মেটাতে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড (KCC) প্রকল্প কৃষকদের সহজ ও স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা দেয়। ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশে কার্যকর কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা ছিল ৭.৭৫ কোটিরও বেশি। পাশাপাশি সুদের ভর্তুকি কৃষকদের বিনিয়োগে উৎসাহ জোগাচ্ছে। আজীবন কৃষিকাজের পর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালু হয়েছে পিএম কিষাণ মানধন যোজনা। এটি একটি স্বেচ্ছামূলক পেনশন প্রকল্প, যার মাধ্যমে ৬০ বছর বয়সের পর কৃষকরা মাসিক পেনশন পান।

    প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির পথে

    আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি সরকার কৃষিতে প্রযুক্তি ব্যবহারে জোর দিচ্ছে। আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, ফসল ফলন পূর্বাভাস প্রযুক্তি (YES-TECH) এবং উন্নত তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে কৃষকদের সময়োপযোগী সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এই কিষাণ দিবসে মোদি সরকারের কৃষিনীতি এক নতুন ভারতের ছবি তুলে ধরছে—যেখানে ডিজিটাল লেনদেন কৃষকের অ্যাকাউন্টে সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দেয়, বিমা প্রকল্প প্রাকৃতিক ঝুঁকি কমায় এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করে। হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের উর্বর মাঠ থেকে শুরু করে উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ি কৃষিজমি—সর্বত্রই সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে। মোদি সরকারের সহায়তায় অর্থনৈতিক সুরক্ষা ও আত্মনির্ভর কৃষিই শক্তিশালী ভারতের ভিত্তি।

LinkedIn
Share