Tag: bangla news

bangla news

  • Mukul Roy Demise: প্রয়াত মুকুল রায়, কেন তাঁকে বলা হত ‘বাংলার রাজনীতির চাণক্য’?

    Mukul Roy Demise: প্রয়াত মুকুল রায়, কেন তাঁকে বলা হত ‘বাংলার রাজনীতির চাণক্য’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন রেলমন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের মৃত্যুতে এক দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল রাজনৈতিক অধ্যায়ের অবসান ঘটল। রবিবার গভীর রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭১ বছর বয়সে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর প্রয়ান কেবল একজন নেতার মৃত্যু নয়, বরং এমন এক রাজনৈতিক কৌশলবিদের অবসান, যিনি তিন দশক ধরে রাজ্যের ক্ষমতার সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলেছিলেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী থেকে বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ কৌশলবিদ হয়ে ওঠেন এবং পরে আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন মুকুল রায়।

    সংগঠক থেকে ক্ষমতার কুশীলব

    মুকুল রায়ের রাজনৈতিক উত্থান ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক বিস্তারের সঙ্গে। ১৯৯৮ সালে দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম হয়ে তিনি জাতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেন এবং বামফ্রন্টের দীর্ঘ শাসনের বিরুদ্ধে তৃণমূলের সাংগঠনিক ভিত শক্ত করেন। তাঁর কৌশলগত দক্ষতার জন্যই তিনি “বাংলার রাজনীতির চাণক্য” নামে পরিচিত হন। জেলা স্তরে দলের সাংগঠনিক কাঠামো মজবুত করতে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল। দলবদল করানো, জোট গঠন এবং ভোটের অঙ্ক কষায় তাঁর পারদর্শিতা ছিল অসাধারণ। ২০১১ সালে বামফ্রন্ট সরকারের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষমতায় আসার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ও প্রশাসনিক পর্ব

    দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় তাঁর অন্তর্ভুক্তি তাঁকে রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে জাতীয় স্তরে পরিচিতি দেয়। প্রথমে জাহাজ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী এবং পরে ২০১২ সালে রেলমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। তবে এই সময় থেকেই তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে শুরু করে, যা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভাঙনের ভিত্তি তৈরি করে।

    বিজেপিতে যোগ ও বিরোধী শক্তির উত্থান

    ২০১৭ সালে তাঁর বিজেপিতে যোগদান রাজ্য রাজনীতিতে বড় মোড় আনে। এই সিদ্ধান্ত রাজ্য রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলে। তিনি বিজেপির অন্যতম প্রধান কৌশলবিদ হয়ে ওঠেন। রাজ্যে বিজেপির সাংগঠনিক বিস্তার দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করেন। তাঁর সংগঠন গড়ার অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কাঠামো সম্পর্কে গভীর জ্ঞান বিজেপিকে দ্রুত শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এর ফল ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে স্পষ্ট হয়, যখন বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে জয়লাভ করে এবং তৃণমূলের প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসে। এই সাফল্যের নেপথ্যে মুকুল রায়ের কৌশলগত ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রভাব হ্রাস ও তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপিতে তাঁর রাজনৈতিক গুরুত্ব কমতে থাকে। সেবারের নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে কৃষ্ণনগর থেকে জয়ী হন মুকুল। তবে, শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অল্প ব্যবধানে পরাজিত করে বিরোধী দলনেতা হওয়ার এক মাসের মধ্যেই মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে আবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। এই ঘটনাই প্রমাণ করে, তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা আদর্শের চেয়ে প্রভাব ও অবস্থানের উপর বেশি নির্ভরশীল ছিল।

    অবসর ও অসুস্থতা

    শেষ কয়েক বছরে গুরুতর অসুস্থতা ও ডিমেনশিয়ার কারণে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে সরে যান। বারবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ও শারীরিক অবনতিই তাঁর জীবনের শেষ অধ্যায়কে চিহ্নিত করে। মুকুল রায়কে মনে রাখা হবে একজন দক্ষ রাজনৈতিক কৌশলবিদ হিসেবে, যিনি তৃণমূলের উত্থান, বিজেপির বিস্তার এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির পরিবর্তনশীল চরিত্র—এই তিন পর্বেরই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ও নির্মাতা ছিলেন।

  • Daily Horoscope 23 February 2026: প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 23 February 2026: প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি ব্যবসা থাকলে বিনিয়োগ করবেন না।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে জরুরি আলোচনা হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের সঙ্গে বিবাদে যাবেন না।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কর্কট

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মানসিক চাপ বৃদ্ধি।

    ২) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) সপরিবার ভ্রমণে বাধা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের চক্রান্তে সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    তুলা

    ১) মনে দুর্বুদ্ধির উদয় হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্র পরিবর্তনের সুযোগ।

    ২) আর্থিক উন্নতির জন্য খুব ভালো সময়।

    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান।

    মকর

    ১) বিষয়সম্পত্তি কেনাবেচা নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে বাড়িতে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য পরিবারে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) সখ পূরণ হবে।

    কুম্ভ

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথা নিয়ে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কিছু কেনার জন্য খরচ হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) সপরিবার ভ্রমণে যাওয়ার আলোচনা এখন বন্ধ রাখাই ভালো।

    ২) সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 588: “ঘোড়ার চক্ষের দুইদিকে ঠুলি না দিলে, ঘোড়া কি এগুতে চায়? রিপু বশ না হলে কি ঈশ্বরকে পাওয়া যায়?”

    Ramakrishna 588: “ঘোড়ার চক্ষের দুইদিকে ঠুলি না দিলে, ঘোড়া কি এগুতে চায়? রিপু বশ না হলে কি ঈশ্বরকে পাওয়া যায়?”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    যুগধর্ম কথাপ্রসঙ্গে—জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ

    ডাক্তার—কিন্তু বাপ ছেলের হাত ধরা ভাল নয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তা নয়। মহাপুরুষদের বালক স্বভাব। ঈশ্বরের কাছে তারা সর্বদাই বালক, তাদের অহংকার থাকে না। তাদের সব শক্তি ঈশ্বরের শক্তি, বাপের শক্তি, নিজের কিছুই নয়। এইটি তাদের দৃঢ় বিশ্বাস (Kathamrita)।

    বিচারপথ ও আনন্দপথ—জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ

    ডাক্তার—আগে ঘোড়ার চক্ষের দুইদিকে ঠুলি না দিলে, ঘোড়া কি এগুতে চায়? রিপু বশ না হলে কি ঈশ্বরকে পাওয়া যায়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তুমি যা বলছো, ওকে বিচারপথ বলে—জ্ঞানযোগ বলে। ও-পথেও ঈশ্বরকে পাওয়া যায়। জ্ঞানীরা বলে, আগে চিত্তশুদ্ধি হওয়া দরকার। আগে সাধন চাই, তবে জ্ঞান হবে।

    “ভক্তিপথেও তাঁকে পাওয়া যায়। যদি ঈশ্বরের পাদপদ্মে একবার ভক্তি হয়, যদি তাঁর নামগূনগান করতে ভাল লাগে (Kathamrita), ইন্দ্রিয় সংযম আর চেষ্টা করে করতে হয় না। রিপুবশ আপনা-আপনি হয়ে যায়।

    “যদি কারও পুত্রশোক হয়, সেদিন সে কি আর লোকের সঙ্গে ঝগড়া করতে পারে, না, নিমন্ত্রণে গিয়ে খেতে পারে? সে কি লোকের সামনে অহংকার করে বেড়াতে পারে, না, সুখ সম্ভোগ করতে পারে?

    “বাদুলে পোকা যদি একবার আলো দেখতে পায়, তাহলে কি সে আর অন্ধকারে থাকে? ডাক্তার (সহাস্যে)—তা পুড়েই মরুক সেও স্বীকার।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— না গো! ভক্ত কিন্তু বাদুলে পোকার মতো পুড়ে মরে না। ভক্ত যে আলো দেখে ছুটে যায়, সে যে মণির আলো! মণির আলো খুব উজ্জ্বল বটে, কিন্তু স্নিগ্ধ আর শীতল। এ-আলোতে গা পুড়ে না, এ-আলোতে শান্তি হয়, আনন্দ হয়।

    জ্ঞানযোগ বড় কঠিন

    “বিচারপথে জ্ঞানযোগের পথে, তাঁকে পাওয়া যায়। কিন্তু এ-পথ বড় কঠিন। আমি শরীর নই, মন নই, বুদ্ধি নই। আমার রোগ নাই, শোক নাই, অশান্তি নাই; আমি সচ্চিদানন্দস্বরূপ, আমি সুখ-দুঃখের অতীত, আমি ইন্দ্রিয়ের বশ নই, এ-সব কথা মুখে বলা খুব সোজা। কাজে করা, ধারণা হওয়া বড় কঠিন। কাঁটাতে হাত কেটে যাচ্ছে, দরদর করে রক্ত পড়ছে, অথচ বলছি, কই কাঁটায় আমার হাত কাটে নাই, আমি বেশ আছি। এ-সব বলা সাজে না। আগে ওই কাঁটাকে জ্ঞানাগ্নিতে পোড়াতে হবে তো।”

    বইপড়া জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য—ঠাকুরের শিক্ষাপ্রণালী

    “অনেকে মনে করে, বই না পড়ে বুঝি জ্ঞান হয় না, বিদ্যা হয় না। কিন্তু পড়ার চেয়ে শুনা ভাল, শুনার চেয়ে দেখা ভাল। কাশীর (Ramakrishna) বিষয় পড়া, কাশীর বিষয় শুনা, আর কাশীদর্শন অনেক তফাত।

  • Maoist Leaders: তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ দুই মাও শীর্ষ নেতার

    Maoist Leaders: তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ দুই মাও শীর্ষ নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ মাওবাদী নেতা দেবজি এবং মল্লা রাজু রেড্ডি, যিনি ‘সংগ্রাম’ নামেও পরিচিত, তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। রবিবার একথা জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজয় শর্মা। নকশালবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটিকে তিনি একটি বড় সাফল্য বলেই উল্লেখ করেন। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শর্মা জানান, বসভারাজুর পর দেবজি সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব নেন এবং তিনি বহু বছর ধরে সক্রিয় ছিলেন। শর্মা বলেন, “প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বসভারাজুর পর সাধারণ সম্পাদক হওয়া দেবজি তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।”

    শীর্ষ মাওবাদী নেতা (Maoist Leaders)

    তিনি আরও বলেন, “মল্লা রাজু রেড্ডিও ছত্তিশগড়ের আবুজমাড় অঞ্চলে এবং পার্শ্ববর্তী গড়চিরোলি এলাকায় বহু দশক ধরে সক্রিয় শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।” এই আত্মসমর্পণকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য আখ্যা দিয়ে শর্মা বলেন, “নকশালবিরোধী অভিযান এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমার বিশ্বাস, নকশালবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে আমরা পৌঁছে গিয়েছি। শীর্ষ পর্যায়ের মাত্র একজন নেতা বাকি রয়েছেন, যিনি অত্যন্ত বয়স্ক। তাঁকে বাদ দিলে আরও এক-দু’জন আছেন, কিন্তু তাঁরা এই দু’জনের মতো সক্রিয় নন। বাকি ব্যক্তিদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চলছে।”

    অভিযানের প্রসঙ্গ

    করেগুট্টায় চলমান অভিযানের প্রসঙ্গ তুলে শর্মা জানান, তল্লাশি অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী ৮৯টি আইইডি (তাৎক্ষণিক বিস্ফোরক যন্ত্র) উদ্ধার করেছে। তিনি বলেন, “সেখানে নকশালদের যে ঘাঁটি গড়ে উঠেছিল, তা ভেঙে পড়ার মুখে। আমরা সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী যে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যেই নকশালবাদ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হবে।” এ পর্যন্ত অগ্রগতির জন্য তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রণীত কৌশল এবং মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাইয়ের দেওয়া কার্যকরী স্বাধীনতাকে কৃতিত্ব দেন।

     

  • PM Modi: এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে সদ্য সমাপ্ত এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের ‘শার্টবিহীন’ প্রতিবাদের কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার তিনি একে দেশের সম্মানহানি ঘটানো লজ্জাজনক প্রদর্শন বলে অভিহিত করেন। সংবাদমাধ্যমকে সঠিকভাবে প্রতিবেদন (AI Summit) করার আহ্বানও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী এআই সম্মেলনে তাঁর বিরুদ্ধে এবং ভারত–মার্কিন অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় যুব কংগ্রেসের প্রতিবাদের নিন্দে করেন।

    কংগ্রেস পার্টির সঙ্গেই যুক্ত (PM Modi)

    মীরাটে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেখুন কী দুর্ভাগ্য। এত পুরানো একটি দলের নেতারা লজ্জা পাওয়ার বদলে, যারা দেশের অসম্মান করছে তাদের নির্লজ্জভাবে সমর্থন করছেন। এই বিষয়টি কংগ্রেস পার্টির সঙ্গেই যুক্ত।” প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সংবাদমাধ্যমকে নিরপেক্ষভাবে প্রতিবেদন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সব সময় প্রার্থনা করি ঈশ্বর যেন আমাকে সংবাদমাধ্যমকে সবরকমভাবে সহ্য করার শক্তি দেন। কিন্তু আজ আমি সংবাদমাধ্যমকে অনুরোধ করছি— যখন আমরা এ ধরনের কাজের সমালোচনা করি, তখন দয়া করে এমন শিরোনাম করবেন না যে মোদি বিরোধীদের পরাজিত করেছেন। কংগ্রেসকে বাঁচানোর এই কৌশল বন্ধ করুন।”

    কংগ্রেসের পাপ রক্ষার কাজ

    নির্বাচিত প্রতিবেদন এবং কংগ্রেসের পাপ রক্ষার কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বিরোধীরা বিরোধী সেজে কংগ্রেসকে রক্ষা করছে। পাপ করে কংগ্রেস, ফল ভোগ করতে হয় তাদেরই। কিন্তু মিডিয়া ‘কংগ্রেস’ শব্দটি দেখে না, শুধু ‘বিরোধী’ শব্দটি দেখে। কেন? কেন কংগ্রেসকে রক্ষা করছেন (PM Modi)?” তিনি জানান, অন্য বিরোধী দলগুলি এই ঘটনায় অংশ নেয়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কেউ কি এই পাপ করেছে? না (AI Summit)। ডিএমকে সদস্যরা? বিএসপি সদস্যরা? ফারুক আবদুল্লার দল? না। শুধু এবং শুধু ‘সিরফিরা’ (উন্মাদ) ও ‘বেলাগাম’ (বেপরোয়া) কংগ্রেস নেতারাই দেশ ধ্বংসে উঠেপড়ে লেগেছে।”

    বিরোধী সহকর্মীদের ধন্যবাদ

    প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে দেশের ওপর বোঝা বলে উল্লেখ করেন এবং প্রতিবাদটির নিন্দে করার জন্য অন্যান্য বিরোধী সহযোগীদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “আমি প্রকাশ্যে এই বিরোধী সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানাই, যাঁরা সত্য ও দেশের মর্যাদার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে হলে মানুষের হৃদয় জয় করতে হয়, মহিলা সাংসদদের পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করানো নয় (PM Modi)। বাজেট অধিবেশনের সময় লোকসভায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মধ্যে কংগ্রেস মহিলা সাংসদদের তাঁর আসন ও ট্রেজারি বেঞ্চের কাছে পাঠিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, দলটি গঠনমূলক ভূমিকা নেওয়ার বদলে কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে (AI Summit)।

    কংগ্রেসের মিত্রদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “তাঁরা নিজেরাই সংসদে কার্যকর হতে পারেন না, তাই সহকর্মীদেরও কথা বলার সুযোগ দেন না। তাঁরা সংসদ চলতে দেয় না। এতে কংগ্রেসের মিত্রদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে, এবং তারা তা বুঝেছে। দিল্লিতে তারা যে নগ্নতা প্রদর্শন করেছে, তাতে তাদের সব মিত্র স্তম্ভিত হয়ে দূরত্ব বজায় রেখেছে।” এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী মোদি শতাব্দী নগর নমো ভারত স্টেশনে মিরাট মেট্রো ও নমো ভারত ট্রেনের উদ্বোধন করেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, উত্তরপ্রদেশ বিজেপি সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী-সহ অন্য আধিকারিকরা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী মিরাটে প্রায় ১২,৯৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং সেগুলি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন (AI Summit)।

     

  • US Military Strike Threat: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে, সংঘর্ষ

    US Military Strike Threat: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে, সংঘর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে (Iran)। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা পাল্টা গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছে (US Military Strike Threat)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং স্থগিত পারমাণবিক আলোচনা ঘিরে এই অস্থিরতা নতুন করে সামনে এসেছে। অর্থনৈতিক সংকট ও অতীতের বিক্ষোভ দমন অভিযানের ক্ষোভই এই আন্দোলনের মূল কারণ।

    সরকারবিরোধী স্লোগান (US Military Strike Threat)

    শনিবার ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান শোনা যায়। পরে শিক্ষার্থীরা পাল্টা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটে দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এটি ছিল সাম্প্রতিক ক্ষোভের প্রকাশ। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তেহরানের শীর্ষ টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিড়ের মধ্যে মারামারি শুরু হয় এবং মানুষ “বি শরাফ” (ফারসি ভাষায় যার অর্থ ‘লজ্জাজনক’) বলে চিৎকার করে। পার্সিয়ান ভাষার টিভি চ্যানেল ‘ইরান ইন্টারন্যাশনালে’ প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে বড় একটি জনতা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে। পরে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, ওই প্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষে কয়েকজন জখম হয়েছে বলে খবর।

    “খামেনেইর মৃত্যু হোক”

    বিক্ষোভকারীদের “খামেনেইর মৃত্যু হোক” এবং “কাজ শেষ করো” ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়। তারা প্রাক্তন শাহের প্রশংসা করে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিও জানায়। ফার্স প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একদল মানুষ ইরানের পতাকা নাড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছে এবং মুখোশ পরা আর একটি দলের মুখোমুখি অবস্থান করছে। স্যুট পরিহিত ব্যক্তিরা বিক্ষোভকারীদের আটকে রাখার চেষ্টা করছে (US Military Strike Threat)। ১৮ ফেব্রুয়ারিতেও এএফপি যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানিরা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। তারা সারা দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের সময় নিহতদের স্মরণে জড়ো হয়েছিল।

    উত্তেজনা চরমে

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বর্তমানে চরমে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সীমিত হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান- ওমানের মধ্যস্থতায় সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করলেও, ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ত্যাগ করতে হবে, এ বিষয়ে এখনও কোনও সমঝোতা হয়নি (Iran)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে।

    ইরানে বিক্ষোভ

    ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়, যখন অর্থনীতি ভেঙে পড়ার প্রতিবাদে দোকানদার ও ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামে। পরে আন্দোলন বিস্তৃত হয়ে ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার অবসান দাবি পর্যন্ত পৌঁছে যায়। খামেনেই নেতৃত্বাধীন সরকার কঠোর দমনপীড়নের মাধ্যমে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করে (US Military Strike Threat)। ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ ৩,০০০-এরও বেশি মৃত্যুর কথা স্বীকার করলেও দাবি করেছে, এই হিংসা “জঙ্গি কার্যকলাপ” এবং ইরানের শত্রুদের প্ররোচনায় ঘটেছে (Iran)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৭,০০০-এরও বেশি। ইরানি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের অর্থনৈতিক দাবির বৈধতা স্বীকার করলেও “চিরশত্রু” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঙ্গা উসকে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে (US Military Strike Threat)।

    ট্রাম্পের নির্দেশ

    ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম এশিয়ায় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড পাঠিয়েছে। পাশাপাশি আরও কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে গভর্নরদের সঙ্গে নৈশভোজে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তেহরান যদি চুক্তিতে না পৌঁছায়, তাহলে “খারাপ কিছু” ঘটবে। চুক্তির জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা দিয়েছেন। গত বছর ব্যর্থ পারমাণবিক কূটনীতি ও ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছিল (Iran)।

    ইরানের বক্তব্য

    ইরান জানিয়েছে, তারা শিগগিরই একটি খসড়া প্রস্তাব জমা দেবে। তবে ‘অ্যাক্সিওস’ এক প্রবীণ মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন এমন একটি চুক্তি বিবেচনা করতে প্রস্তুত, যেখানে “সীমিত, প্রতীকী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ” অনুমোদিত হতে পারে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র শূন্য মাত্রার সমৃদ্ধকরণের দাবি করেনি।” খামেনেই সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানে হামলা চালালে তা আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে (US Military Strike Threat)। তাহলে কি শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প ইরানে হামলা করবেন? তা হয়তো কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হবে (Iran)।

     

  • Yogi Adityanath: লগ্নি টানতে সিঙ্গাপুর-জাপানের উদ্দেশে রওনা যোগী আদিত্যনাথের

    Yogi Adityanath: লগ্নি টানতে সিঙ্গাপুর-জাপানের উদ্দেশে রওনা যোগী আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ দিনের সফরে রবিবার সিঙ্গাপুর ও জাপানের উদ্দেশে রওনা দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। এই সফরের লক্ষ্য হল বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার (PM Modi) করা এবং উত্তরপ্রদেশকে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনৈতিক শক্তিকেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপন করা। একই সঙ্গে এই সফরকে সাংস্কৃতিক কূটনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবেও দেখা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর লক্ষ্য ২০২৭ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশকে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা। গত আট বছরে রাজ্যে এক্সপ্রেসওয়ে, বিমানবন্দর, ডিফেন্স করিডর ও শিল্পকেন্দ্র-সহ দ্রুত পরিকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। এখন লক্ষ্য হল, আরও বেশি করে বিদেশি সংস্থা ও উন্নত প্রযুক্তি আনা, যাতে উন্নয়নের গতি বাড়ানো যায়।

    কী বলছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা (Yogi Adityanath)

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই উদ্যোগ অনেকের কাছে মনে করিয়ে দেয় ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির কৌশলের কথা। বৈশ্বিক সফর ও ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সম্মেলনের মাধ্যমে মোদি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানান এবং গুজরাটে বিদেশি বিভিন্ন সংস্থাকে আকৃষ্ট করেন। সুজুকি, হোন্ডা ও টয়োটার মতো জাপানি অটোমোবাইল সংস্থাগুলি সেই সময় গুজরাটে লগ্নি করে। সিঙ্গাপুরের নগর পরিকল্পনার ধারণাও অধ্যয়ন ও প্রয়োগ করা হয়। মোদি একবার বলেছিলেন, তিনি গুজরাটের মুখ হয়ে বিদেশে গিয়ে বিনিয়োগ ফিরিয়ে আনতেন। যোগী আদিত্যনাথও উত্তরপ্রদেশের জন্য একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করছেন—সরাসরি বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রাজ্যকে উৎপাদন, প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোর জন্য প্রস্তুত গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরছেন (Yogi Adityanath)।

    রোডশোর আয়োজন

    মুখ্যমন্ত্রী ২২ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুরে পৌঁছবেন এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সেখানে থাকবেন। এই পর্যায়ে স্মার্ট সিটি উন্নয়ন, নগর পরিবহণ ব্যবস্থা, জল ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিনিয়োগকারী রোডশোর আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে উত্তরপ্রদেশকে বিনিয়োগবান্ধব রাজ্য হিসেবে তুলে ধরা হবে। সিঙ্গাপুর চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (SICCI) এবং ভারতের ফিকি (FICCI)-র মতো ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে (PM Modi)। পরিকাঠামো, লজিস্টিকস, আবাসন ও ডিজিটাল পরিষেবা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হতে পারে (Yogi Adityanath)। প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গাপুরে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন, বিশেষত যাঁদের শেকড় উত্তরপ্রদেশে। আধিকারিকরা মনে করেন, প্রবাসী ভারতীয়রা বৈশ্বিক সংস্থা ও দেশের সুযোগের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে পারেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহর, আধুনিক আবাসন ও দক্ষ জনপরিষেবার জন্য সিঙ্গাপুর সুপরিচিত—এই মডেল থেকে শিক্ষা নিতে চায় উত্তরপ্রদেশ।

    সফর করবেন জাপানও

    ২৪ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যোগী আদিত্যনাথ জাপানের টোকিও, ইয়ামানাশি, ওসাকা ও কিয়োটো সফর করবেন। টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে “জাপান-উত্তরপ্রদেশ পার্টনারশিপ ফর ম্যানুফ্যাকচারিং, মবিলিটি, অ্যান্ড টেকনোলজি” শীর্ষক এক বড় ব্যবসায়িক সম্মেলন। অটোমোবাইল, বৈদ্যুতিক যান, ইলেকট্রনিক্স, রেল, রাসায়নিক ও লজিস্টিকস খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন (Yogi Adityanath)। জাপান ভারতের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। উত্তরপ্রদেশের ইতিমধ্যে ইয়ামানাশি প্রিফেকচারের সঙ্গে একটি সমঝোতা রয়েছে। শিল্প সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বৌদ্ধ পর্যটন, যোগ ও আয়ুর্বেদ নিয়ে আলোচনা হতে পারে (PM Modi)। সবচেয়ে আলোচিত অংশগুলির একটি হল জাপানের উচ্চগতির ম্যাগলেভ ট্রেনে মুখ্যমন্ত্রীর ১০০ কিলোমিটারের পরীক্ষামূলক যাত্রা। এই ট্রেন চৌম্বকীয় লেভিটেশন প্রযুক্তিতে ঘণ্টায় প্রায় ৬০০ কিলোমিটার বেগে চলে এবং রেললাইনের স্পর্শ ছাড়াই চলাচল করে। উত্তরপ্রদেশ যেহেতু উন্নত পরিবহণ ব্যবস্থা নিয়ে ভাবছে, এই অভিজ্ঞতা উচ্চগতির রেল সম্ভাবনা বুঝতে সহায়ক হবে (Yogi Adityanath)।

    বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে

    যোগীর এই সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল হতে পারে গ্রেটার নয়ডায় যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (YEIDA) অধীনে ‘জাপান সিটি’ ও ‘সিঙ্গাপুর সিটি’ গড়ে তোলার অগ্রগতি। জাপান সিটি ৫০০ একর জমিতে সেক্টর ৫এ-তে এবং সিঙ্গাপুর সিটি ৫০০ একর জমিতে সেক্টর ৭-এ গড়ে তোলা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৭০ শতাংশ জমি শিল্পের জন্য, ১২ শতাংশ আবাসনের জন্য, ১৩ শতাংশ বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য এবং ৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক কাজে ব্যবহৃত হবে। এই প্রকল্পগুলি ইপিসি মডেলে বাস্তবায়িত হবে। জাপান ও সিঙ্গাপুরের পরিকল্পনা মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে। দুই দেশের সংস্থাগুলিকে কারখানা ও অফিস তৈরির জন্য জমি দেওয়া হতে পারে। সফল হলে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে (Yogi Adityanath)। এই সফরে যোগী আদিত্যনাথ তাঁর ঐতিহ্যবাহী গেরুয়া কুর্তা-চোলা পরিধান করবেন। নাথ সম্প্রদায়ের প্রধান পুরোহিত হিসেবে গেরুয়া তাঁর নিয়মিত পোশাক। তবে এই প্রথম কোনও ভারতীয় সাংবিধানিক পদাধিকারী সরকারি সফরে গেরুয়া পোশাকে বিদেশ সফর করবেন (PM Modi)।

    গেরুয়া ত্যাগ ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক

    সমর্থকদের মতে, এটি ভারতের সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন। ভারতীয় ঐতিহ্যে গেরুয়া ত্যাগ ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক। জাপান, যা বৌদ্ধ মন্দির ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত, ভারতের সঙ্গে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক শেয়ার করে। উত্তরপ্রদেশে সারনাথ ও কুশীনগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ তীর্থস্থান রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বৌদ্ধ পর্যটন বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী টোকিও থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরের একটি শান্ত মন্দিরেও যেতে পারেন। অনেকে মনে করেন, অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বন্ধনও এতে দৃঢ় হবে। যোগী সরকার জানিয়েছে, পরিকাঠামো ও ব্যবসার সুবিধার ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তবে প্রায় ২৩ কোটি জনসংখ্যার এই রাজ্যে দ্রুত শিল্পোন্নয়ন অপরিহার্য (Yogi Adityanath)।

    জাপান থেকে বৈদ্যুতিক যান, সেমিকন্ডাক্টর, উন্নত উৎপাদন ও উচ্চগতির রেল ব্যবস্থায় বিনিয়োগ আকর্ষণের আশা করা হচ্ছে। সিঙ্গাপুর থেকে স্মার্ট সিটি, জল পরিশোধন ও লজিস্টিক পার্কে দক্ষতা আনার লক্ষ্য রয়েছে (PM Modi)। এই বিদেশ সফর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নজর থাকবে স্বাক্ষরিত চুক্তি ও বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির ওপর। সফল হলে এটি ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্যের পথে বড় পদক্ষেপ হতে পারে। একই সঙ্গে গেরুয়া পোশাক পরিহিত এক মুখ্যমন্ত্রীর বৈশ্বিক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতের উন্নয়নের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক শেকড়ে দৃঢ় থাকার বার্তাও বহন করতে পারে (Yogi Adityanath)।

     

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন আমাদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে (Roundup Week) সংঘটিত এক প্রকার গণহত্যার মতো (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তারকে উপেক্ষা করেছে, যার নেপথ্যে কাজ করছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন ঘৃণার মুখোমুখি হচ্ছেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এই সপ্তাহে আমরা এমন ঘটনাগুলির একটি চিত্র তুলে ধরছি, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন।

    পশ্চিমবঙ্গের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার জামালদহ এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, দীর্ঘদিনের হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের পর ১৫ বছরের এক কিশোরী আত্মহত্যা করে। মৃতা শেফালি বর্মন, জামালদহের বাসিন্দা ও জামালদহ তুলসী দেবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। পরিবারের অভিযোগ, হুমায়ুন কবির মিঞা নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং সত্য প্রকাশ পাওয়ার পর বিচ্ছেদের জেরে শেফালিকে হুমকি দিতে থাকে (Hindus Under Attack)। দিল্লির পীরাগড়ি এলাকায় একটি পার্ক করা গাড়ির ভেতর তিন হিন্দুর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক স্বঘোষিত মুসলিম তান্ত্রিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে আরও পাঁচটি অনুরূপ মৃত্যুর সঙ্গে তার যোগ থাকতে পারে (Roundup Week)।

    কর্নাটকের ঘটনা

    কর্নাটকের শিবমোগা জেলার ভদ্রাবতীতে জোরপূর্বক খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরের অভিযোগ উঠেছে। বি বিনয় নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী প্রিয়াথা আর খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে তাঁকে ও তাঁদের দুই নাবালিকা কন্যাকে একই ধর্ম অনুসরণে চাপ দিচ্ছেন। পেপার টাউন থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত (Hindus Under Attack)। বিজয়পুরায় আর একটি ঘটনা সামনে আসে। নিশা চৌহান নামে এক তরুণী বাড়ি ছেড়ে ফিরে এসে পুলিশের সামনে জানান, তিনি তাঁর স্বামী মহম্মদ সেলিম সুতারের সঙ্গেই থাকবেন। গান্ধী চক থানার বাইরে তাঁর বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়ে মেয়েকে বাড়ি ফেরার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি। কর্নাটকের গদাগ জেলার মুন্দারগি তালুকের শিংগাতালুর গ্রামের ঐতিহাসিক শ্রী রামালিঙ্গেশ্বর মন্দিরে মহাশিবরাত্রির সকালে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় স্থানীয় ভক্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়ায় (Hindus Under Attack)।

    খবরে উত্তরপ্রদেশও

    উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় মহাশিবরাত্রির প্রাক্কালে কানওয়ার যাত্রার শিবিরের কাছে সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন জখম হন, যার মধ্যে এক পুলিশ কনস্টেবলও রয়েছেন। অভিযোগ, মুসলিম যুবকেরা পাথর নিক্ষেপ করে। ২৯ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে (Roundup Week)। কংগ্রেস মুখপাত্র লক্ষ্মী রামচন্দ্রন তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্টালিনের সনাতন ধর্ম সম্পর্কিত বিতর্কিত মন্তব্যকে সমর্থন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দেন।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে সে দেশে হিন্দুরা বিলুপ্ত হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় এমনই দাবি করা হয়েছে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মদ্রোহের অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর—এসবের মাধ্যমে হিন্দুদের দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। নোয়াখালির হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একাধিক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে হয় মানববন্ধন (Roundup Week)।

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন। পিটারবরো শহরের একমাত্র মন্দির ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে ভারত হিন্দু সমাজের অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে জায়গাটি একটি ইসলামিক সংস্থাকে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা। সম্প্রদায়ের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন (Hindus Under Attack)। হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশন ব্রাম্পটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন ও ন্যাশনাল পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে কানাডায় তোলাবাজি সংক্রান্ত একটি নিবন্ধে হিন্দু ধর্মীয় চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কহীন।

    লেখাটিতে বলা হয়েছে, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত ও কিছু ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতাদর্শ কাজ করে। ইসলামিক দেশগুলিতে প্রকাশ্য হিন্দুবিরোধী মনোভাবের পাশাপাশি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রেও সূক্ষ্ম বৈষম্য বিদ্যমান বলে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ (Roundup Week) তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Karan Adani: ‘বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত করণ আদানি

    Karan Adani: ‘বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত করণ আদানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের ‘ম্যানেজিং ইন্ডিয়া অ্যাওয়ার্ডসে’ ‘বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন করণ আদানি (Karan Adani)। পোর্টস অ্যান্ড এসইজেড লিমিটেড এবং আদানি সিমেন্ট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর করণকে (Aima Awards) এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে অল ইন্ডিয়া ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (এআইএমএ) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে।

    সম্মান প্রদান (Karan Adani)

    নয়াদিল্লির তাজ প্যালেস হোটেলে অনুষ্ঠিত এআইএমএর প্লাটিনাম জয়ন্তী উদ্‌যাপনের সময় এই সম্মান প্রদান করা হয়। এদিন সংস্থাটির ৭০তম প্রতিষ্ঠা দিবস এবং ২০তম ন্যাশনাল ম্যানেজমেন্ট ডে পালিত হয়। এই ব্যবসায়ী তাঁর প্রাপ্ত পুরস্কারটি আদানি গ্রুপের কর্মীদের উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, “এই পুরস্কারে আমি সত্যিই অভিভূত। আমি এটি আদানি গ্রুপের কর্মীদের উৎসর্গ করছি। তাঁরা দিন-রাত এক করে পরিশ্রম করছেন। এটি আসলে তাদেরই পুরস্কার।”

    কী বললেন করণ

    করণ আদানি এও বলেন, “আমি আমার বাবাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি প্রতিদিন তাঁর কাছ থেকে শিখি। তাঁকে প্রতিদিন কাজ করতে দেখা আমার জন্য সৌভাগ্যের। আমার মাকেও ধন্যবাদ, তাঁর কাছ থেকে আমি সহমর্মিতা ও সততা শিখেছি। আমার তিন ভাইকেও ধন্যবাদ—আমরা একসঙ্গে কাজ করি এবং বাবার উত্তরাধিকার এগিয়ে নিয়ে যাব। আমার স্ত্রীকে ধন্যবাদ, তিনি সব সময় আমাকে সমর্থন করেন এবং এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেন। আর আমার মেয়েকে ধন্যবাদ, যে আমাকে প্রতিদিন আরও ভালো মানুষ হতে সাহায্য করছে।”

    কে, কোন পুরস্কার পেলেন

    এই অনুষ্ঠানে শিল্পপতি, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের দূরদর্শীরা একত্রিত হয়ে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ভারতের অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। করণ আদানির পুরস্কারের উদ্ধৃতি পাঠ করেন কিরলস্কর ব্রাদার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সঞ্জয় কিরলস্কর (Aima Awards)। ২০১০ সালে চালু হওয়া ‘এআইএমএ ম্যানেজিং ইন্ডিয়া অ্যাওয়ার্ডস ব্যবসা’, মিডিয়া, শিল্পকলা ও সমাজসেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎকর্ষকে পুরস্কার দেয়(Karan Adani)। করণ ছাড়াও অন্যান্য যাঁরা পুরস্কার পেয়েছেন, তাঁরা হলেন, রোপেন ট্রান্সপোর্টেশন সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও অরবিন্দ সাংকা, সহ-প্রতিষ্ঠাতা পবন গুণ্টুপল্লি এবং এসআর ঋষিকেশ। এঁরা পেয়েছেন এন্টারপ্রেনার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার। ডিরেক্টর অব দ্য ইয়ার পুরস্কার পেয়েছেন ‘সাইয়ারা’র পরিচালক মোহিত সূরি। আউটস্ট্যান্ডিং কন্ট্রিবিউশন টু জার্নালিজম পুরস্কার পেয়েছেন এনডিটিভির সিইও তথা এডিটর-ইন-চিফ রাহুল কানওয়াল।

    আউটস্ট্যান্ডিং পিএসইউ অব দ্য ইয়ার পুরস্কার

    আউটস্ট্যান্ডিং পিএসইউ অব দ্য ইয়ার পুরস্কার দেওয়া হয়েছে কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের কর্তাকে। তাঁর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন পরিচালক (অপারেশনস) হরিকৃষ্ণন এস। ট্রান্সফরমেশনাল বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার পেয়েছেন আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক লিমিটেডের এমডি তথা সিইও ভি বৈদ্যনাথন। ইয়াং বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন  অনন্যা বিড়লা। তিনি স্বতন্ত্রা মাইক্রোফিন প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা, বিড়লা কসমেটিকস প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা তথা এমডি, আদিত্য বিড়লা ম্যানেজমেন্ট কর্পোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক (Karan Adani)। এআইএমএ এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন সুনীল কান্ত মুঞ্জাল, চেয়ারম্যান, হিরো এন্টারপ্রাইজ (Aima Awards)। এমএনসি ইন ইন্ডিয়া অব দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন মাইক্রন টেকনোলজি অপারেশনস ইন্ডিয়া এলএলপি। পুরস্কার নেন সঞ্জয় মেহরোত্রা, চেয়ারম্যান, প্রেসিডেন্ট ও সিইও, মাইক্রন টেকনোলজি। ইন্ডিয়ান এমএনসি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার দেওয়া হয় মাদারসন গ্রুপকে। তাদের পক্ষে পুরস্কার নেন চেয়ারম্যান বিবেক চাঁদ সেহগল।

    লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন

    লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন টু মিডিয়া পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বেনেট কোলম্যান অ্যান্ড কোং লিমিটেড কর্তা বিনীত জৈনকে। লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে মারিকো লিমিটেডের চেয়ারম্যান হর্ষ মারিওয়ালাকে বিজনেস লিডার অব দ্য ডিকেড পুরস্কার পেয়েছেন ভারতী এন্টারপ্রাইজেসের প্রতিষ্ঠাতা তথা চেয়ারম্যান সুনীল ভারতী মিত্তল। প্রসঙ্গত, বছরের পর বছর এই পুরস্কার ব্যবসা, চলচ্চিত্র, ক্রীড়া (Aima Awards) ও গণমাধ্যম জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করে আসছে (Karan Adani)।

     

  • T-20 World Cup 2026: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না মধুর প্রতিশোধ! আমেদাবাদে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা

    T-20 World Cup 2026: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না মধুর প্রতিশোধ! আমেদাবাদে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূর্যের বিজয়রথ ছুটছে। সুপার এইট তো হল, এবার লক্ষ্য সেমিফাইনাল! ভারতীয় দল আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) চারটি ম্যাচের চারটিতেই জিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সুপার এইটে উঠেছে। সেমিফাইনালের লক্ষ্যে সুপার এইটে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছেন সূর্যরা। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। দু’বছর আগে বার্বাডোজে বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারত প্রোটিয়াদের হারিয়েই বিশ্বকাপ জিতেছিল। প্রোটিয়াদের সামনে মধুর প্রতিশোধের সুযোগ।

    লড়াই যেন আরও কঠিন

    গ্ৰুপ লিগে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পেয়েছিল ভারত (India vs South Africa)। এবার লড়াই যেন আরও কঠিন। একমাত্র পাকিস্তান ছাড়া সে ভাবে কোনও দলই দাগ কাটতে পারেনি। এ বার লড়াই আলাদা। সুপার এইটে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে চলেছে জিম্বাবোয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সূর্যকুমার যাদবের লক্ষ্য থাকবে তিন প্রতিপক্ষকে জয় করে তার অপ্রতিরোধ্য রথকে সেমিফাইনালে নিয়ে যাওয়া। তবে, এটা এত সহজ হবে না। তিনটি দলই শক্তিশালী, এবং এটি একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচটিকে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে মনে করা হচ্ছে। জিম্বাবোয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজও শক্তিশালী চ্যালেঞ্জ খাড়া করে দেবে৷

    নেট রান-রেট গুরুত্বপূর্ণ

    টিম ইন্ডিয়া এই রাউন্ডে তাদের তিনটি ম্যাচের তিনটিতেই জয়লাভ করে, তাহলে তারা সরাসরি সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে। ভারত তিনটি ম্যাচের মধ্যে দুটি জিতলেও সেমিফাইনালে উঠতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে গ্রুপের বাকি দলগুলির থেকে নেট রান রেট ভাল রাখতে হবে। শেষ চারে যাওয়ার জন্য প্রতিটি দলকে কমপক্ষে দুটি ম্যাচ জিততে হবে। সেক্ষেত্রে নেট রান রেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। ভারতীয় দল এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচই জিতেছে এবং এই গ্রুপে তাদের নেট রান রেটই সেরা। ভারতের নেট রান রেট ২.৫ এর উপরে, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই পয়েন্টেরও কম।

    কাঁটে কে টক্কর

    প্রোটিয়াদের সামনে বদলার চ্যালেঞ্জ, আর ভারতের সামনে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির সুযোগ। সেই কারণেই রবিবারের এই ম্যাচে যে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে, তা একবায়ে বলা যায়। গ্রুপ পর্বে দুই দলকেই দুর্দান্ত ছন্দে দেখা গিয়েছে। ভারত চার ম্যাচের চারটিতেই জয় পেয়েছে। পর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নামিবিয়া, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসকে হারিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকাও সমান দাপট দেখিয়ে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ‘সুপার–৮’–এ পৌঁছেছে। এর আগে আমেদাবাদের মাটিতেই নিজের তিন ম্যাচ খেলে ফেলেছে প্রোটিয়ারা। ফলত, পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন মহারাজরা। অন্যদিকে একমাত্র নেদারল্যান্ডস ম্যাচ বাদ দিয়ে কোনও ম্যাচেই ‘কালো মাটি’র পিচ পায়নি ভারত।

    পরিসংখ্যানে কে কতটা এগিয়ে

    তবে পরিসংখ্যানের নিরিখে প্রোটিয়াদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ভারত। টি-২০ বিশ্বকাপে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে মোট ৭ ম্যাচে ৫ বার জিতেছে ভারত, ২ বার দক্ষিণ আফ্রিকা। এই প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর ১৮৬, সর্বনিম্ন ১১৮। অন্যদিকে, ভারতের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ ১৭২, সর্বনিম্ন ১১৬ রান। এদিকে সামগ্রিকভাবে টি-২০ ক্রিকেটে দুই দলের মধ্যে ৩১টি ম্যাচ হয়েছে। সেখানে ভারত জিতেছে ১৮টি, দক্ষিণ আফ্রিকা ১২টি, আর একটি ম্যাচের ফল হয়নি।

    স্পিন মন্ত্রেই সাফল্যের রসায়ন

    এই পিচে স্পিনের সাহায্য নিতে দেখা যেতে পারে দুই অধিনায়ককে। এমনিতেও স্পিন মন্ত্রে ভর করেই ভারতের তারকা ওপেনার অভিষেক শর্মাকে আউট করে চলেছেন বিপক্ষের খেলোয়াড়রা। তিন ম্যাচ খেলে ফেললেও অভিষেকের রানের খাতা খোলেনি। তাঁকে নিয়ে চিন্তায় থাকবে ভারতীয় শিবির। শুক্রবার তাঁর সঙ্গে অনেকক্ষন আলোচনা করতে দেখা গেল কোচ গৌতম গম্ভীরকে। বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল যতই বলুন, অভিষেককে নিয়ে দল চিন্তিত নয়,ভারতীয় দলকে দেখে সেটা মনে হওয়ার উপায় নেই। স্পিনের বিরুদ্ধেই আগামিকাল শুরু করবে দুই দল। একদিকে ভারতের হাতে রয়েছেন বরুন চক্রবর্তী, অক্ষর প্যাটেলের মতো তারকারা। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছেন কেশব মহারাজ, ট্রিস্টান স্টাব্সরা। ফলত, যতই রানের আশা করা যায়, ততই স্পিন জুজু যেন আঁকড়ে বসছে দুই দলকে।

    ভারতের চিন্তা অভিষেক

    অভিষেক শর্মা টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়েছেন। মাত্র সপ্তাহ দুয়েক আগেও ফর্মের ভিত্তিতে অভিষেকের সঙ্গে কিষানকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। স্যামসন ও অভিষেক— দু’জনই ২০২৪ সালে দারুণ ফর্মে ছিলেন। কিন্তু ২০২৫-এর শেষে স্যামসন বেঞ্চে চলে যান, আর অভিষেক বিশ্বের শীর্ষ র‌্যাঙ্কিং ব্যাটসম্যান হন। যদিও শুভমান গিলকে জায়গা দিতে স্যামসনকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু অভিষেককে বিশ্রাম দেওয়ার মতো কারণ তখন ছিল না। ভারতের সহকারী কোচ মর্নে মর্কেল (Morne Morkel) অবশ্য জানিয়েছেন, অভিষেকের জায়গায় স্যামসনকে আনার কোনও পরিকল্পনা আপাতত নেই। তিনি বলেন, ‘অভিষেক বিশ্বমানের খেলোয়াড় এবং ও খুব তাড়াতাড়িই ভালো খেলবে।’ শুধু অভিষেক নয়, ভারতের বড় চিন্তা ফিল্ডিংও। টানা ক্যাচ মিস করে চলেছে দল। ইতিমধ্যেই ভারত ফেলেছে মোট ৯ ক্যাচ। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধেই ৩টি। যদি গ্ৰুপ পর্যায়ের মতো সুপার এইটেও ক্যাচ ফেলতে শুরু করে দল, কপালে দুর্ভোগ অপেক্ষা করবে ভারতের জন্য।

    দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ

    অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষান (উইকেটকিপার), তিলক বর্মা, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অক্ষর প্যাটেল (সহ-অধিনায়ক), শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, রিঙ্কু সিং, অর্শদীপ সিং, বরুণ চক্রবর্তী এবং জশপ্রীত বুমরা।

LinkedIn
Share