Tag: bangla news

bangla news

  • SIR: খসড়া তালিকায় নাম থাকা দেড় কোটি ভোটারের তথ্যে অসঙ্গতি! প্রত্যেককেই কি নোটিশ পাঠাবে কমিশন?

    SIR: খসড়া তালিকায় নাম থাকা দেড় কোটি ভোটারের তথ্যে অসঙ্গতি! প্রত্যেককেই কি নোটিশ পাঠাবে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকা। কমিশনের (Election Commission) তরফে বলা হয়েছে তালিকায় প্রকাশিত মোট ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭৩ জনের ক্ষেত্রে তথ্যে গোলমাল রয়েছে। ফলে তালিকায় অসঙ্গতি থাকলেই যে আবার হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে এমনটাও নয়। কমিশনের আবার জানিয়েছে, অসঙ্গতি থাকলেই নোটিশ যে পাঠানো হবে এমনটাও নয়। তবে অসঙ্গতির প্রেক্ষিত এবং পর্যাপ্ত তথ্য না পাওয়ার কারণে হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে।

    কী কী ক্ষেত্রে অসঙ্গতি (SIR)?

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট সংখ্যা ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭৩ জনের প্রকাশ (SIR) করা হলেও সংখ্যাটা শেষ পর্যন্ত ১ লক্ষ ৩৬ হাজারের আশেপাশে থাকতে পারে। তবে চেক হওয়ার পর কিছুটা কমতে পারে। ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে যাদের নাম নেই, এমন ২৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩০ জনের নামে অসঙ্গতি রয়েছে। যাদের বয়স ৪৫ বছরের বেশি এমন ১৯ লক্ষ ৩৯ হাজার ২৫০ জনের ক্ষেত্রেও অসঙ্গতি রয়েছে। বাবার নামে অসঙ্গতি রয়েছে এমন ৮৫ লক্ষ ১ হাজার ৪৮৬ জনের ক্ষেত্রে গোলমাল রয়েছে। বাবার বয়স নিয়ে ধন্দ রয়েছে এমন ভোটারের সংখ্যা ১৯ লক্ষের বেশি। তার মধ্যে ১০ লক্ষ ৭৬ হাজার ৯৮১ জন ভোটারের ক্ষেত্রে বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক মাত্র ১৫ বছর। একই ভাবে বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক ৫০ বছর এমন ভোটারের সংখ্যা ৮ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৭৫। এগুলিকে তথ্য দিয়ে যাচাই করবে কমিশন।

    সবচেয়ে বেশি কোথায় বাদ পড়েছে?

    কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে হেয়ারিংয়ে (SIR) ডাকা মানে নাম বাদ পড়বে এমন বিষয় নয়। যাদের ডাকা হবে তাদের ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সমস্যার জন্য ডাকা হচ্ছে। যাদের নথি সংক্রান্ত সমস্যা থাকবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিতে পারবে না তাদের নাম বাদ যাবে। একইভাবে যদি কেউ ভুয়ো তথ্য দিয়ে থাকে তাহলে শাস্তির মুখে পড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ জনের নাম খসড়ায় ভোটার তালিকায় বাতিল হয়েছে। শতাংশের হারে সব থেকে কম বাদ গেছে পূর্ব মেদিনীপুরের। যার শতাংশ ৩.৩১ শতাংশ। আর সব থেকে বেশি নাম বাদ গেছে উত্তর কলকাতায়। যার শতাংশের হার ২৫.৯২ শতাংশ।

  • PM Modi: দুই দেশের বন্ধুত্বের মাইল ফলক! ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: দুই দেশের বন্ধুত্বের মাইল ফলক! ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইথিওপিয়ার (Ethiopia) সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত হলেন নরেন্দ্র মোদি। সেদেশের রাজধানী আদিস আবাবায় সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এই সম্মানিত পুরস্কারের নাম “দ্য গ্রেট অনার নিশান অফ ইথিওপিয়া”। নরেন্দ্র মোদি হলেন প্রথম ভিনদেশি রাষ্ট্রনেতা যিনি এই পুরস্কার পেলেন। মোদির এই সম্মান প্রাপ্তিকে অভিনন্দন জানিয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, “এটা হল ভারত এবং ইথিওপিয়ার মধ্যে বন্ধুত্বের একটি মাইল ফলক সম্মান।”

    কূটনৈতিক সম্পর্কের সাফল্যের (PM Modi)

    ত্রিদেশীয় সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে ইথিওপিয়ায় রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিজের দেশের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলি। ইথিওপিয়ার সম্মান ধরে এখনও পর্যন্ত ২৮টি দেশের সর্বোচ্চ সম্মানের প্রাপক হলেন নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মানে ভূষিত হওয়ায় মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ পুরস্কার হল ইথিওপিয়ার মহাসম্মানের প্রতীক। এই সম্মানে ভূষিত হওয়ার জন্য তাঁকে অনেক অনেক অভিন্দন জানাই। এই সম্মান নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) দ্বারা বিদেশি সম্মানের বিশ্ব নেতৃত্বের বিশেষ সম্মান। ভারতের আন্তর্জাতিক বিশ্বে লাগাতার কূটনৈতিক সম্পর্কের মাত্রাকে সাফল্যের বড় পদক্ষেপ হিসেবে ভাবা হয় এই পুরস্কারকে।”

    মোদির এই সম্মানকে বিশেষ ভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “ইথিওপিয়ার এই সম্মান ওই দেশের সবথেকে বড় পুরস্কার। বিশ্ব জুড়ে ভারতীয়দের কাছে এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়। গ্লোবাল সাউথের প্রতি এই সম্মান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্লোবাল সাউথের প্রতি অটল প্রতিশ্রুতি এবং বন্ধুত্বের প্রতীক। বিশ্ব মঞ্চে এই সম্মান অত্যন্ত গর্বের প্রতীক। এই সম্মান ১৪০ কোটি ভারতীয়দের জন্য অত্যন্ত গর্বের।”

    প্রত্যেক দেশবাসীর উদ্দেশে এই সম্মান

    সম্মান (Ethiopia) পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, “এই মাত্র আমাকে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং সমৃদ্ধশালী সভ্যতার দেশ থেকে এই সম্মান পাওয়া আমার কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সমস্ত ভারতীয়দের হয়ে আমি এই সম্মান গ্রহণ করছি। এই সম্মানের সঠিক উত্তরসূরী অসংখ্য ভারতীয়। আমি প্রত্যেক দেশবাসীর উদ্দেশে এই সম্মান অর্পণ করলাম। এই সম্মানের জন্য আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলির প্রতিও আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় আমরা জি২০ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলাম। তখন আপনি আমাকে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তাই আপনার আমন্ত্রণকে স্বীকার করেছি। প্রথম সুযোগেই এই সুযোগ আমি হাতছাড়া করতে পারিনি।”

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আর ভোট ব্যবধান নেই”, এসআইআর নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আর ভোট ব্যবধান নেই”, এসআইআর নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরে খসড়া তালিকা প্রকাশ হতেই ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই আবহে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তাঁর সাফ কথা, “নিবিড় সংশোধনীর খসড়া ভোটার তালিকা (SIR) প্রকাশিত হওয়ার পর তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির খুব বেশি পার্থক্য রইল না। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চূড়ান্ত তালিকায় আরও বাদ যাবে।” বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। ফলে ভোটের বিচারে তৃণমূলের সঙ্গে ভোটের ফারাক খব কম, ফলে এসআইআরে মৃত, ঠিকানা বদল বা একাধিক জায়গায় নাম এবং জাল ভোটারদের নাম বাদ গেলে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে বিরাট প্রভাব ফেলবে। আর তাহলেই বাজিমাত করবে বিজেপি।

    ব্যবধান ছিল ২১ লক্ষ (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু এদিন বলনে, “২০২৪ এর লোকসভা ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির ভোট ব্যবধান ছিল ২১ লক্ষ। আমরা পেয়েছিলাম ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ২৭ হাজার। আর ওরা ২ কোটি ৭৫ লক্ষের আশপাশে। অর্থাৎ ৪১ লক্ষের মতো ভোটারের গ্যাপ ছিল। সরাসরি লড়াইয়ে সিপিএম, কংগ্রেস ভোট কাটার কাজটা করে। মূলত, তৃণমূল ভার্সেস-বিজেপির যে লড়াই বাংলায় হচ্ছে তাতে আমাদের সঙ্গে ওদের তফাৎ ২১ লক্ষ। ৫৮ লক্ষ ভোট বাদ দেওয়ার মধ্যে থেকে প্রমাণ হয়েছে বিজেপির সঙ্গে ওদের কোনও তফাৎ এই মুহূর্তে নেই। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (SIR) বেরলে আরও তালিকা বাদ যাবে। আগে যে বাদ যাওয়ার সংখ্যা বলেছিলাম তার থেকেও বাড়বে।”

    কোথায় কোথায় দেখা যাবে তালিকা?

    গত ২০২৪ সালের লোকসভায় তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ২১ লক্ষ। এখন তা কমে গিয়েছে। এসআইআরের ফলে তৈরি হওয়া খসড়া তালিকা দেখা যাচ্ছে স্থানীয় বুথ, পঞ্চায়েত অফিস, পুরসভা দফতর, মহকুমা শাসক, জেলা শাসক, বিডিও-র অফিসে। সর্বত্র লিস্ট (SIR) দেখা যাবে। এছাড়াও ন্যাশনাল ভোটার সার্ভিস পোর্টালে ভোটার তালিকায় পাওয়া যাবে। তবে আগামী বিধানসভার নির্বাচন নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অবশ্য বিশেষ ভাবে আশাবাদী।

  • Constipation Problem: শীত এলেই বেড়ে যায় কোষ্ঠকাঠিন্য! কীভাবে সমস্যা এড়াবেন?

    Constipation Problem: শীত এলেই বেড়ে যায় কোষ্ঠকাঠিন্য! কীভাবে সমস্যা এড়াবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ কমছে! সকালের কুয়াশা আর সন্ধ্যার ঠান্ডা হাওয়ায় কাবু বঙ্গবাসী। তবে শীতের মরশুমে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীত পড়তেই অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন। বয়স্কদের পাশপাশি শিশুরাও এই সমস্যায় জেরবার। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে। তার উপরে সঠিক খাদ্যাভ্যাস না থাকলে সমস্যা আরও জটিল হয়ে যায়। তাই এই সময়ে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা মোকাবিলায় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

    কেন শীতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে?

    জল পর্যাপ্ত পরিমাণে না খাওয়া!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের মরশুমে জল তেষ্টা কম পায়। তাই অনেকেই ফি-দিনের জল খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেন। শরীর সুস্থ রাখতে, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা এড়াতে শরীরে পর্যাপ্ত জল প্রয়োজন। নিয়মিত কমপক্ষে চার লিটার জল খাওয়া দরকার। শিশুদের নিয়মিত দুই থেকে তিন লিটার জল খাওয়া জরুরি। কিন্তু শীতে অনেকেই এই পর্যাপ্ত জল খায় না। তার জেরেই কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা বাড়ে।

    অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা এড়াতে শরীরে ফাইবারের জোগান ঠিকমতো থাকা জরুরি। কিন্তু শীতের মরশুমে অনেকেই নানান উৎসব উদযাপন করেন। পারিবারিক অনুষ্ঠান হোক কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক, বিভিন্ন উদযাপনেই থাকে দেদার খানাপিনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই ধরনের অনুষ্ঠানের খাবারের মেনুতে পর্যাপ্ত ফাইবার থাকে না। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় শাক-সব্জি থাকে না। শরীর সবুজ শাক-সব্জি থেকেই প্রয়োজনীয় ফাইবার সংগ্রহ করে। এই ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।

    শারীরিক কসরতের অভাব!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের মরশুমে ক্লান্তিভাব বাড়ে। অনেকেই বছরভর শারীরিক কসরত করলেও, শীতে নিয়মিত যোগাভ্যাস কিংবা নিয়ম মাফিক হাঁটাচলা করেন না। এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা বাড়ে। শারীরিক কসরত করলে এই ধরনের সমস্যা এড়ানো সহজ হয়।

    হজমের সমস্যা!

    হজম ঠিকমতো না হলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়বে। শীতের মরশুমে হজমের সমস্যা বাড়ে‌। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে অনেকেই অতিরিক্ত তেল মশলা জাতীয় খাবার কিংবা তেলেভাজা বেশি খান। আর এর ফলেই হজমের সমস্যা হয়। যার জেরেই এই মরশুমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে‌।

    কীভাবে সমস্যা কমবে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কয়েকটি বিষয়ে নজরদারি করলেই কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ভোগান্তিও কমবে।

    ফাইবার জাতীয় খাবার জরুরি!

    পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, শীতের মরশুমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা এড়াতে শিশু থেকে বয়স্ক, সকলের নিয়মিত ফাইবার জাতীয় ফল ও সব্জি খাওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন পালং শাক, গাজর, ব্রোকলির মতো সব্জি, কলা, কমলালেবুর মতো ফল নিয়মিত খাওয়ার পাশাপাশি ওটস কিংবা বাজরার মতো দানাশস্য নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমবে।

    নিয়মিত অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা জরুরি!

    শরীর সুস্থ থাকলে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। শীতের মরশুমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করবে এই অভ্যাস। বিশেষত বয়স্কদের জন্য এই অভ্যাস খুব উপকারি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত ৩০ মিনিট হাঁটতে হবে। এর ফলে হজম ভালো হবে। অন্ত্র, পাকস্থলী, লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়বে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমবে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে শিশুদের নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    জল পর্যাপ্ত খাওয়া হচ্ছে কিনা সে দিকে নজর জরুরি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতেও শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত জল খেতে হবে। নিয়ম মাফিক প্রতিদিন প্রয়োজনীয় জল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Ramakrishna 535: “কল্পতরুর কাছে গিয়ে প্রার্থনা করতে হয়, তবে ফল পাওয়া যায়,—তবে ফল তরুর মূলে পড়ে”

    Ramakrishna 535: “কল্পতরুর কাছে গিয়ে প্রার্থনা করতে হয়, তবে ফল পাওয়া যায়,—তবে ফল তরুর মূলে পড়ে”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    শ্রীরামকৃষ্ণ ও গৃহস্থের মঙ্গলকামনা—রজোগুণের চিহ্ন

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বিরক্ত হইয়া—ওই এক তোমাদের কথা;—সকল লোকের শক্তি কি সমান হতে পারে? বিভুরূপে তিনি সর্বভূতে এক হয়ে আছেন বটে, কিন্তু শক্তিবিশেষ!

    “বিদ্যাসাগরও ওই কথা বলছিল,—‘তিনি কি কারুকে বেশি শক্তি কারুকে কম শক্তি দিয়েছেন?’ তখন আমি বললাম—যদি শক্তি ভিন্ন না হয়, তাহলে তোমাকে আমরা কেন দেখতে এসেছি? তোমার মাথায় কি দুটো শিং বেরিয়েছে?”

    ঠাকুর গাত্রোত্থান করিলেন। ভক্তেরাও সঙ্গে সঙ্গে উঠিলেন। পশুপতি সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যুদগমন করিয়া দ্বারদেশে পৌঁছাইয়া দিলেন।

    পাপ ও পরলোক—মৃত্যুকালে ঈশ্বরচিন্তা—ভরত রাজা 

    “আমাদের কি বিকার যাবে!’—‘আমাদের আর কি হবে’–‘আমরা পাপী’—এ-সব বুদ্ধি ত্যাগ করো। (নন্দ বসুর প্রতি) আর এই চাই—একবার রাম বলেছি, আমার আবার পাপ!”

    নন্দ বসু—পরলোকে কি আছে? পাপের শাস্তি?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তুমি আম খাও না! তোমার ও-সব হিসাবে দরকার কি? পরলোক আছে কি না — তাতে কি হয় — এ-সব খবর!

    “আম খাও। ‘আম’ প্রয়োজন,—তাঁতে ভক্তি—”

    নন্দ বসু—আমগাছ কোথা? আম পাই কোথা?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)—গাছ? তিনি অনাদি অনন্ত ব্রহ্ম! তিনি আছেনই, তিনি নিত্য! তবে একটি কথা আছে—তিনি ‘কল্পতরু—’

    “কালী কল্পতরু মূলে রে মন, চারি ফল কুড়ায়ে পাবি!

    “কল্পতরুর কাছে গিয়ে প্রার্থনা করতে হয়, তবে ফল পাওয়া যায়,—তবে ফল তরুর মূলে পড়ে,—তখন কুড়িয়ে লওয়া যায়। চারি ফল,—ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ।

    “জ্ঞানীরা মুক্তি (মোক্ষফল) চায়, ভক্তেরা ভক্তি চায়,—অহেতুকী ভক্তি। তারা ধর্ম, অর্থ, কাম চায় না।

    “পরলোকের কথা বলছ? গীতার মত,—মৃত্যুকালে যা ভাববে তাই হবে। ভরত রাজা ‘হরিণ’ ‘হরিণ’ করে শোকে প্রাণত্যাগ করেছিল। তাই তার হরিণ হয়ে জন্মাতে হল। তাই জপ, ধ্যান, পূজা এ-সব রাতদিন অভ্যাস করতে হয়, তাহলে মৃত্যুকালে ঈশ্বরচিন্তা আসে—অভ্যাসের গুণে। এরূপে মৃত্যু হলে ঈশ্বরের স্বরূপ পায়।

    “কেশব সেনও পরলোকের কথা জিজ্ঞাসা করেছিল। আমি কেশবকেও বললুম, ‘এ-সব হিসাবে তোমার কি দরকার?’ তারপর আবার বললুম, যতক্ষণ না ঈশ্বরলাভ (Kathamrita) হয়, ততক্ষণ পুনঃ পুনঃ সংসারে যাতায়াত করতে হবে। কুমোরেরা হাঁড়ি-সরা রৌদ্র শুকুতে দেয়; ছাগল-গরুতে মাড়িয়ে যদি ভেঙে দেয় তাহলে তৈরি লাল হাঁড়িগুলো ফেলে দেয়। কাঁচাগুলো কিন্তু আবার নিয়ে কাদামাটির সঙ্গে মিশিয়ে ফেলে ও আবার চাকে দেয়!”

  • Bondi Beach Attacker: বন্ডি বিচে হামলা, পাকিস্তানের হয়ে গুলি চালিয়েছিল হায়দরাবাদের সাজিদ!

    Bondi Beach Attacker: বন্ডি বিচে হামলা, পাকিস্তানের হয়ে গুলি চালিয়েছিল হায়দরাবাদের সাজিদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ সিডনির বন্ডি বিচে সাম্প্রতিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তির ভ্রমণ ইতিহাস সম্পর্কে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনগুলির কথাই কবুল করে নিল পাকিস্তান। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করে জানায়, চলতি মাসের শুরুতে অভিযুক্তরা রাওয়ালপিন্ডিতেই ছিল। ইসলামাবাদ থেকে প্রকাশিত ওই বিবৃতি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাওয়ালপিন্ডি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ছিল। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তিরা “নন-স্টেট অ্যাক্টর কালচারাল এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে”র অংশ হিসেবে রাওয়ালপিন্ডিতে ছিল। তাদের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছিল “স্পেশাল গেস্টস অব দ্য এস্টাবলিশমেন্ট” শ্রেণির অধীনে।

    গণগুলিবর্ষণ (Bondi Beach Attacker)

    এদিকে, ভারতের তেলঙ্গনা পুলিশ বন্ডি বিচে সংঘটিত গণগুলিবর্ষণের ঘটনাকে ঘিরে একটি প্রেস নোট জারি করেছে। এতে অভিযুক্তদের পরিচয় ও ভারতের সঙ্গে তাদের যোগসূত্র স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে জঙ্গি হামলা হিসেবে বিবেচনা করার পর বহু প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার প্রেক্ষিতেই এই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর সিডনির বন্ডি বিচে হনুক্কা উৎসব চলাকালীন এই গণগুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতে ১৫ জন নিহত হন এবং দুই হামলাকারীর মধ্যে একজন নিহত হয়।

    সাজিদ আক্রম

    হামলাকারীদের পরিচয় হিসেবে ৫০ বছর বয়সি সাজিদ আক্রম এবং তার ২৪ বছর বয়সি ছেলে নবীদ আক্রমের নাম উঠে আসে। প্রেস নোটে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক প্রতিবেদনে ইঙ্গিত মিলেছে যে হামলাকারীরা আইএসআইএসের মতাদর্শে প্রাণিত হয়েছিল। ওই নোটেই বলা হয়েছে, সাজিদ আক্রম ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা ছিল। সে সেখানে বিকম পাশ করে কাজের খোঁজে ১৯৯৮ সালের নভেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি দেয়। পরবর্তীকালে সে ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত মহিলা মিস ভেরা গ্রসোর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। স্থায়ীভাবে অস্ট্রেলিয়ায়ই বসবাস করতে শুরু করে সে। এই দম্পতির দুই সন্তান, একজন ছেলে নবীদ আক্রম, যে হামলাকারীদের একজন, এবং এক কন্যা। সাজিদের কাছে রয়েছে ভারতীয় পাসপোর্ট, নবীদ অষ্ট্রেলিয়ার নাগরিক।

  • PM Modi: মোদির জর্ডন সফরে সাফল্য, একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত-জর্ডন

    PM Modi: মোদির জর্ডন সফরে সাফল্য, একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত-জর্ডন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক মউ স্বাক্ষর করল ভারত ও জর্ডন। সোমবার স্বাক্ষরিত হয়েছে ওই চুক্তি। এর প্রধান লক্ষ্য হল নবায়নযোগ্য শক্তি, জলসম্পদ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো (PM Modi)। এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন আম্মান আন্তর্জাতিক সৌর জোটের মতো শক্তিও ভারত-নেতৃত্বাধীন বড় বৈশ্বিক উদ্যোগে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই চুক্তিগুলি জর্ডন সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দু’দিনের সরকারি সফরের সময় চূড়ান্ত হয়।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (PM Modi)

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত ফলের তালিকা অনুযায়ী, এই মউগুলির মধ্যে রয়েছে নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নে যৌথ কাজ, পেট্রা ও ইলোরার মধ্যে ‘টুইনিং’ চুক্তি, ২০২৫–২০২৯ সময়কালের জন্য সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির নবায়ন, এবং ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে বৃহৎ জনসংখ্যাভিত্তিক ডিজিটাল সমাধান ভাগাভাগি সংক্রান্ত একটি ইচ্ছেপত্র।

    জর্ডনের ইচ্ছে

    আন্তর্জাতিক সৌর জোট, গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্স এবং দুর্যোগ-সহনশীল পরিকাঠামো জোটে যোগদানের ইচ্ছে প্রকাশ করেছে জর্ডন। অন্যদিকে, ভারত আম্মানের আল হুসেইন টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে স্থাপিত ইন্ডিয়া–জর্ডন সেন্টার অব এক্সেলেন্সকে সমর্থন করার কথা ঘোষণা করেছে। এখানে তিন বছরের মধ্যে ১০ জন মাস্টার ট্রেনারকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জর্ডনের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের বৈঠকের সময়ই এই অগ্রগতির কথা সামনে আসে। বৈঠকে দুই নেতা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ এবং পরমাণু সহযোগিতা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে তিনি একটি আট দফা দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি?

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওই আট দফা দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানান। এতে বাণিজ্য ও অর্থনীতি, সার ও কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, পরিকাঠামো, গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত খনিজ, অসামরিক পরমাণু সহযোগিতা এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ—এই ক্ষেত্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে জর্ডনের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের ছবি শেয়ার করে লেখেন, “আম্মানে মহামান্য রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। প্রাণবন্ত ভারত–জর্ডন সম্পর্ক গড়ে তুলতে তাঁর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ বছর আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করছি। এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ভবিষ্যতের দিনে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে (PM Modi)।”

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে এই ফলাফলগুলির তালিকা শেয়ার করেন। তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ফলাফলগুলি ভারত-জর্ডন অংশীদারিত্বের এক অর্থবহ সম্প্রসারণের প্রতীক। নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আমাদের সহযোগিতা পরিচ্ছন্ন প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জলবায়ু দায়বদ্ধতার প্রতি উভয় দেশের যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। পেট্রা ও ইলোরার মধ্যে টুইনিং চুক্তি ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পর্যটন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে আদান-প্রদানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবন ভাগ করে নেওয়া জর্ডনের ডিজিটাল রূপান্তরকে সাহায্য করবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থাকে উৎসাহিত করবে (PM Modi)।”

  • Suvendu Adhikari: ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ ক্রীড়ামন্ত্রীর, সাদা কাগজে ইস্তফা কেন?

    Suvendu Adhikari: ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ ক্রীড়ামন্ত্রীর, সাদা কাগজে ইস্তফা কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ করেছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। অরূপের (Arup Biswas) পদত্যাগকে নাটক বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর পদত্যাগ নিয়েই প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলনেতা। তিনি অরূপের এই পদত্যাগকে সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করেছেন। শুভেন্দু বলেন, “এটা নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়। এই নাটক অনেক পুরানো নাটক।” তিনি বলেন, “সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই মেসিকাণ্ডে মুখ পুড়েছে মমতা সরকারের। তাই এখন নিজেদের ভাবমূর্তি বজায় রাখতে এই নাটক করছেন মমতা।

    শুভেন্দুর বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আন্তর্জাতিক প্লেয়ার মেসিকে নিয়ে কী যে হল আপনারা তা দেখলেন। তবে এটায়ও কয়েকশো কোটি টাকা চুরি হয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের পদত্যাগে কিছুই হবে না মুখ্যমন্ত্রী। আমরা অরূপের গ্রেফতারি চাই। অরূপ বিশ্বাস ও সুজিত বসুর গ্রেফতারি চাই।” তিনি বলেন, “আপনারা যুবক ছেলের ইমোশন নিয়ে খেলা করেছেন। তাই টাকাগুলো ফেরত দিন। টাকা আপনাকে ফেরত দিতেই হবে। আপনার পুলিশ দর্শকদের পিটিয়েছে। যাঁদের জেলে ভরেছেন, আগে তাঁদের জামিন দিন। তারপর আপনার সঙ্গে কথা হবে।”

    এ কোন নাটক!

    রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ইস্তফা প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা যে মন্তব্য করেছেন, তা নিছক কথার কথা নয়। কারণ তিনি পদত্যগপত্র লিখে পাঠিয়েছেন একটি সাদা কাগজে। সেই চিঠি পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। সেই চিঠির ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটমাধ্যমে। যা নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই চিঠির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করছেন নেটাগরিকরা। কেন অরূপ বিশ্বাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের একজন মন্ত্রী পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ এমন ‘সাদা কাগজে’ পদত্যাগপত্র লিখলেন? কারণ মন্ত্রী স্থানীয় কেউ যদি ইস্তফা দেন তাহলে তাঁকে অবশ্যই নিজের বা মন্ত্রীর লেটারহেডে পদত্যাগপত্র লিখতে হবে (Suvendu Adhikari)। এভাবে সাদা পাতায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানো (Arup Biswas) যায় কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দ্বিতীয়ত, কোথাও অরূপ বিশ্বাসের নাম নেই। এমনকি চিঠির শেষে অরূপ বিশ্বাসের সইও দেখা যাচ্ছে না। গোটা চিঠির একটি জায়গায় মাত্র লেখা রয়েছে, ‘তাই নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে আমি ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে আপনার কাছে অব্যাহতি চাইছি।’ এছাড়া আর কোথাও ক্রীড়ামন্ত্রী বা অরূপ বিশ্বাসের নামোল্লেখ দেখা যায়নি।

    নেটিজেনদের প্রশ্ন

    নেটিজেনদের তৃতীয় প্রশ্ন হল, ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের কাছে যদি ব্যক্তিগত বা অফিশিয়াল লেটারহেড নাও থেকে থাকে, তাহলে তিনি এই ডিজিটাল যুগে মেইল করে বা কেন পদত্যাগপত্র পাঠালেন না? এখন ইমেইল করে পদত্যাগ পাঠানো অনেকক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য (Suvendu Adhikari)। নেটিজেনদের অনেকে সাদা পাতায় পদত্যাগপত্র লেখার বিষয়টি নিয়ে তুলোধনা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে। অনেকে অবার বলেছেন, রাজ্যের মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্যই এই কারসাজি। কেউ আবার বলেছেন, অভিষেক আর আইপ্যাকের চাপে বাধ্য হয়েই অরূপ পদত্যাগ করেছেন। আবার কারও মতে, মেসি-মেস থেকে আমজনতার দৃষ্টি ঘোরাতে এই নাটকের অবতারণা। যদিও অরূপ এখনও এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি (Arup Biswas)।

    এখন দেখার, সাদা কাগজে অরূপের পাঠানো এই পদত্যাগপত্র মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেন কি না (Suvendu Adhikari)!

  • IPL Auction: রেকর্ড ২৫.২০ কোটি টাকায় ক্যামরেন গ্রিনকে কিনল কেকেআর, সঙ্গে একাধিক অনামীকেও

    IPL Auction: রেকর্ড ২৫.২০ কোটি টাকায় ক্যামরেন গ্রিনকে কিনল কেকেআর, সঙ্গে একাধিক অনামীকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের (IPL) ইতিহাসে এখন সবথেকে দামি বিদেশি খেলোয়াড়। ২৫.২০ কোটি টাকায় ক্যামরেন গ্রিনকে কিনল কেকেআর। এর আগে ২৪ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় মিচেল স্টার্ককে কিনেছিল কেকেআর (KKR)। নিলামে এই টাকাই ছিল সবচেয়ে বেশি। এবার স্টার্ককে ছাপিয়ে গেলেন গ্রিন। নিজেদের রেকর্ড নিজেরাই ভেঙে দিয়েছে। আইপিএল-এ এই খবরে বিরাট শোরগোল পড়েছে।

    দুই দলের মধ্যেই বিরাট তোড়জোড় (IPL)

    গ্রিনকে কেনার বিষয় নিয়ে যে চড়া দাম উঠবে তাঁর অবশ্য আগে থেকেই একটা ইঙ্গিত ছিল। ছোট নিলামে যে অলরাউন্ডাররা রয়েছেন তাঁদের মধ্যে সব চেয়ে ভয়ঙ্কর তিনি। গ্রিনকে কিনতে কেকেআর (IPL) আর চেন্নাই সুপার কিংস দুই দলের মধ্যেই বিরাট প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। আন্দ্রে রাসেলকে আগেই ছেড়ে দিয়েছিল কলকাতা। চেন্নাই ছেড়ে দিয়েছিল স্যাম কারেনকে। তাই দুই দলের পেসার এবং অল রাউন্ডার দারুণ ভাবে প্রয়োজনীয় ছিল।

    দাম ক্রমেই উর্ধমুখী

    নিলামে দেখা গিয়েছিল গ্রিনের নাম বলার পরেই সবার আগে হাত তুলেছিল মুম্বই ইন্ডিইয়ান্স। যদিও ২ কোটি ৬০ লক্ষ দাম ওঠার পর মুম্বই কেটে পড়ে। এরপর দাম হাঁকে কেকেআর (KKR)। রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে তাদের লড়াই চলছিল। এরপর ক্রমেই বাড়ছিল গ্রিনের দাম। ১৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা দাম ওঠার পর রাজস্থানও সরে যায়। এরপর আসরে নামে চেন্নাই। তবে ২০২৩ সালের নিলামে ১৭ কোটি ৫০ লক্ষ টাকায় গ্রিনকে কিনেছিল মুম্বই। এই টাকায় ২০২৪ সালে তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন। এবারে সেই টাকার অঙ্কও ছাপিয়ে যায়। ২০ কোটি পার হওয়ার পরপর বোঝা যাচ্ছিল বিরাট অঙ্কে গিয়ে ঠেকবেন। অবশেষে কেকেআর ২৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা হাঁকলে চেন্নাই থেমে যায়। গ্রিনকে কিনে নেয় কেকেআর।

    একাধিক অনামীকে বাছল কেকেআর

    এখানেই অবশ্য থেমে থাকেনি শাহরুখ খানের দল। ১৮ কোটি টাকায় শ্রীলঙ্কার রহস্য পেসারকে নিয়ে নেয় কেকেআর। এর পর, ২ কোটি টাকায় কিউয়ি উইকেটকিপার ফিন অ্যালেনকেও কিনে নেয় কলকাতা। পাশাপাশি, রাজস্থানের সঙ্গে দীর্ঘ ক্ষণ লড়াই করে তেজস্বী সিংকে ৩ কোটিতে কিনে নেয় কলকাতা। দিল্লি প্রিমিয়ার লিগ থেকে উঠে আসা ক্রিকেটারকে নিয়ে মুম্বই, রাজস্থান এবং কলকাতার লড়াই হয়। ৭৫ লাখে রাহুল ত্রিপাঠিকে কিনে নেয় কেকেআর। মহারাষ্ট্রের ক্রিকেটার প্রশান্ত সোলাঙ্কি এবং কার্তিক ত্যাগীকেও কিনেছে কেকেআর। দুজনের জন্যই ৩০ লক্ষ টাকা করে খরচ করল বেগুনি ব্রিগেড।

  • VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের মেয়াদবৃদ্ধি এবং প্রকল্পের নামবদল সংক্রান্ত বিল (VB G Ram G Bill) পেশ করা হল লোকসভায়। মঙ্গলবার বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রের কৃষি এবং গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। এত দিন ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের নাম ছিল মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপাওয়ারমেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট, ২০০৫ (সংক্ষেপে মনরেগা)। বিলে এই প্রকল্পের নতুন নাম হয়েছে ‘বিকশিত ভারত- গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)’। সংক্ষেপে ‘জিরামজি’। মঙ্গলবার লোকসভায় বিলটি পেশ করেন গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এই বিলটির মাধ্যমে বর্তমান গ্রামীণ কর্মসংস্থান আইন মনরেগা-কে প্রতিস্থাপন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিল উত্থাপনের সঙ্গে সঙ্গেই এতে মহাত্মা গান্ধীর নাম বাতিলের অভিযোগে সরব হন বিরোধীরা (Lok Sabha)।

    নয়া বিল (VB G Ram G Bill)

    বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বিল অনুযায়ী, যেসব গ্রামীণ পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা অদক্ষ শারীরিক শ্রমে স্বেচ্ছায় কাজ করতে ইচ্ছুক, সেই পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের মজুরি-ভিত্তিক কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, এই বিল ক্ষমতায়ন, প্রবৃদ্ধি, সমন্বয় এবং সর্বব্যাপী বাস্তবায়নের ওপর জোর দেয়, যাতে বিকশিত ভারত @২০৪৭–এর জাতীয় লক্ষ্য পূরণের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

    বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা

    বিল অনুযায়ী, গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি ‘স্যাচুরেশন’ ভিত্তিতে “বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা” তৈরি করবে এবং সেগুলি জুড়ে দেওয়া হবে পিএম গতি শক্তি প্রকল্পের সঙ্গে। এর ফলে, সমস্ত গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজ একত্রিত হয়ে “বিকশিত ভারত ন্যাশনাল রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্ট্যাক”-এর আওতায় আসবে, যা গ্রামীণ গণপরিকাঠামো নির্মাণের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো তৈরি করবে। এছাড়াও, বিলটি জল-নিরাপত্তা, গ্রামীণ এলাকার মূল পরিকাঠামো, জীবিকা-সংক্রান্ত প্রকল্প এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলার ব্যবস্থাগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। কৃষিকাজের ব্যস্ত বপন ও ফসল কাটার মরসুমে পর্যাপ্ত কৃষিশ্রমিক নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারগুলি বছরে সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার নোটিশ জারি করতে পারবে।

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এই আইনের একটি কেন্দ্রীয় দিক (Lok Sabha)। গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনে সাপ্তাহিক তথ্য প্রকাশের সভা, রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর বিশ্লেষণ, বায়োমেট্রিক প্রমাণ এবং শক্তিশালী সামাজিক নিরীক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সততা নিশ্চিত করা হবে (VB G Ram G Bill)। এছাড়া, কাজের আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্যে কাজ না দেওয়া হলে বেকারভাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন মজুরি হার বিজ্ঞপ্তি জারি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান এমজিএনরেগা মজুরি হারই কার্যকর থাকবে। এই প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত প্রকল্প  হিসেবে পরিচালিত হবে, যেখানে উত্তর-পূর্ব ও হিমালয়ান রাজ্যগুলির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের অর্থ ভাগাভাগির অনুপাত হবে ৯০:১০ এবং অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রে ৬০:৪০।

    এই ঐতিহাসিক আইনটির লক্ষ্য হল সমন্বয়ভিত্তিক ও সর্বাঙ্গীণ কভারেজে কেন্দ্রিত একটি গ্রামীণ উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা (Lok Sabha)। এর মাধ্যমে পরিবর্তিত আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নের পথ পুনর্গঠন, বৈষম্য হ্রাস এবং উন্নত জীবিকা-নিরাপত্তার মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারগুলিকে ক্ষমতায়িত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (VB G Ram G Bill)।

LinkedIn
Share