Tag: bangla news

bangla news

  • Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee) একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন।” বুধবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন।”

    ভূপেন্দ্রর নিশানায় মমতা (Mamata Banerjee)

    কেন্দ্রীয় বাজেট প্রসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন। ২০ লাখ মানুষ ষষ্ঠ বেতন কমিশনের জন্য লড়াই করছেন, অথচ ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এসআইআর বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে তিনি লড়াই করতে গিয়েছেন, কিন্তু ডিএর ক্ষেত্রে নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন। তিনি হেরে গিয়েছেন। তাই তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি নিজের কর্মচারীদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।” কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এবং বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করছেন।” তোষণমূলক রাজনীতির জন্যও মন্ত্রী রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন।

    মন্ত্রী দাবি

    মন্ত্রীর দাবি (Mamata Banerjee), পশ্চিমবঙ্গে মাথাপিছু আয় কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তাই মানুষ অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক খুন ও হিংসার ঘটনা এখানে সর্বাধিক। এখানে রাজনৈতিক তোষণও সর্বাধিক।” তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ অর্থ রাজ্য সরকার সঠিকভাবে ব্যবহার করছে না এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রের ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ে চালু করা হয়েছিল। প্রতিটি রাজ্যে একটি কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু গত চার বছরে বাংলায় তা করা হয়নি। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য বহু বিধান ছিল। অসম সরকার কমিটি গঠন করে ৩৭০ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে।”

    এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব

    যাদব বলেন, “সুরাট–ডানকুনি ফ্রেট করিডর পরিবহন ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিলিগুড়ি–বারাণসী করিডর এবং দুর্গাপুরে উন্নয়ন সামগ্রিক লজিস্টিক দক্ষতা বাড়াবে।” তিনি জানান, ১০,০০০ কোটি টাকার এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের দুর্বল প্রশাসনের কারণে বাংলা সবসময় বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তালিকাভুক্ত ৬,৮০০টি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং এমএসএমই ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গ্রামীণ উন্নয়নমন্ত্রক একাই পশ্চিমবঙ্গকে (Mamata Banerjee) ১.১০ লাখ কোটি টাকা দিয়েছে, তবুও তিনি অভিযোগ করেন যে তৃণমূল সরকার দুর্বল প্রশাসনের প্রতীক।

    মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি

    তিনি বলেন, “মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি রয়েছে এবং তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অর্থের ব্যবহার সংক্রান্ত শংসাপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়নি, প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, এবং কেন্দ্র নির্ধারিত ‘দিশা’ বৈঠকগুলি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়নি।” মন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারত এবং পিএম-কিষানের মতো প্রকল্প পূর্ণমাত্রায় চালু হতে দেওয়া হয়নি। রাজ্য কম মূলধনী ব্যয়ে চলছে এবং আয় না বাড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিচ্ছে, ফলে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হচ্ছে। এটি শুধু তৃণমূলের শেষ বাজেট নয়, বিদায়ী দলিল।” তিনি মন্তব্য করেন, “বাংলা সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও জগদীশচন্দ্র বসুর মতো মহান বিজ্ঞানীদের ভূমি, তবুও বিজ্ঞান শিক্ষায় বরাদ্দ করা হয়নি, কিন্তু মাদ্রাসায় ৫,৭১৩.৬১ কোটি টাকা (Mamata Banerjee) বরাদ্দ করা হয়েছে।” উত্তরবঙ্গে ৩ কোটি জনসংখ্যার জন্য মাত্র ৯১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। মন্ত্রী বলেন, “বস্ত্রশিল্পে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের এই খাতে উন্নয়নের কোনও সুস্পষ্ট রোডম্যাপ নেই (Mamata Banerjee)।”

     

  • Netflix: “ঘুষখোর পণ্ডত”-এর নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আদালতে জানাল নেটফ্লিক্স

    Netflix: “ঘুষখোর পণ্ডত”-এর নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আদালতে জানাল নেটফ্লিক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোজ বাজপেয়ী অভিনীত আসন্ন চলচ্চিত্র “ঘুষখোর পণ্ডত”-এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্টে জানাল নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়া। শিরোনামটি ঘিরে ব্যাপক সমালোচনা ও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চলচ্চিত্রটির মুক্তি স্থগিতের দাবিতে দায়ের করা এক আবেদনের শুনানির সময় বিচারপতি পুরুষেন্দ্র কুমার কৌরবের বেঞ্চে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়। আবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে ছবির শিরোনামটি “অপমানজনক” এবং “মানহানিকর”।

    স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের বিবৃতি (Netflix)

    স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতি নথিভুক্ত করে আদালত উল্লেখ করে যে প্রযোজক উত্থাপিত উদ্বেগের প্রেক্ষিতে সচেতনভাবে ছবির নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিচারপতি কৌরব তাঁর আদেশে বলেন, “উত্থাপিত উদ্বেগের প্রেক্ষিতে প্রযোজক সচেতন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে ‘ঘুষখোর পণ্ডত’ নামটি পরিবর্তন করে এমন একটি বিকল্প শিরোনাম রাখা হবে, যা ছবির কাহিনি ও উদ্দেশ্যকে আরও যথাযথভাবে প্রতিফলিত করবে।” নেটফ্লিক্সের পক্ষে উপস্থিত সিনিয়র আইনজীবী আদালতকে জানান, ছবিটি একটি কাল্পনিক পুলিশ-ভিত্তিক নাটক এবং বর্তমানে সম্পাদনার পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, “শিরোনাম ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা অনিচ্ছাকৃত বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে, যা ছবির প্রকৃত বিষয়বস্তু বা উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।” আদালতকে আরও জানানো হয় যে আগের শিরোনাম বহনকারী সমস্ত প্রচারসামগ্রী ইতিমধ্যেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

    নাম পরিবর্তনের আশ্বাস

    নেটফ্লিক্স নাম পরিবর্তনের আশ্বাস দেওয়ায় দিল্লি হাইকোর্ট মামলাটি নিষ্পত্তি করে জানায়, এ বিষয়ে আর কোনও সিদ্ধান্তের প্রয়োজন নেই। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন নীরজ পাণ্ডে। চলতি মাসের শুরুতে ছবিটির কথা ঘোষণা করা হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই এটি সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় তোলে। একাধিক ব্যবহারকারী শিরোনামটিকে জাতিগত বিদ্বেষমূলক ও অপমানজনক বলে আখ্যা দেন। তাঁদের অভিযোগ, এটি অন্যায়ভাবে একটি ধর্মীয় পরিচয়কে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত করেছে। “ঘুষখোর” শব্দের অর্থ ‘ঘুষ গ্রহণকারী’। সমালোচকদের মতে, এটি “পণ্ডত” (হিন্দু পুরোহিতদের সঙ্গে সম্পর্কিত) শব্দের সঙ্গে যুক্ত করা অবমাননাকর।

    উত্তরপ্রদেশে ছবির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। দিল্লি হাইকোর্টে আবেদনকারী মহেন্দ্র চতুর্বেদী, যিনি নিজেকে একজন ‘আচার্য’ হিসেবে পরিচয় দেন, দাবি করেন যে “পণ্ডত” শব্দটিকে ঘুষ ও দুর্নীতির সঙ্গে বিদ্বেষপূর্ণভাবে যুক্ত করা তাঁর সম্প্রদায়ের মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে। আবেদনে বলা হয়, এই শিরোনাম ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতি অবমাননা এবং সৃজনশীল স্বাধীনতার অধিকার মানহানিকর উপস্থাপনার পর্যায়ে পৌঁছতে পারে না। নেটফ্লিক্স শিরোনাম পরিবর্তনে রাজি হওয়ায় দিল্লি হাইকোর্টে চলা আইনি চ্যালেঞ্জের অবসান ঘটেছে।

     

  • T20 World Cup 2026: আমেদাবাদে জমজমাট ক্রিকেট! জোড়া সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার আফগানিস্তানের

    T20 World Cup 2026: আমেদাবাদে জমজমাট ক্রিকেট! জোড়া সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার আফগানিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাটকের পর নাটক। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) জোড়া সুপার ওভারে আফগানিস্তানকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা (Afghanistan vs South Africa)। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল গুরবাজদের। আমেদাবাদের মাঠে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। টান টান খেলায় শেষপর্যন্ত আফগানিস্তান ১৮৭ রানে অল আউট হয়ে যায়। ফলে খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। সেটিও টাই হয়। ফলে দ্বিতীয় সুপার ওভার হয়। সেখানে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। তীরে এসে তরী ডুবল আফগানিস্তানের।

    ভিত গড়ে দিয়েছিলেন গুরবাজ

    রান তাড়া করতে নেমে ৪২ বলে ৮৪ রান করে দলের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন গুরবাজ। কিন্তু তা কাজে এল না। নাটকের শুরু আফগানিস্তানের ইনিংসের শেষ ওভারে। ৬ বলে দরকার ছিল ১১ রান। পড়ে গিয়েছিল ৯ উইকেট। প্রথম বলেই নুর আহমেদকে আউট করেন কাগিসো রাবাডা। গোটা দক্ষিণ আফ্রিকা দল যখন জয়ের উল্লাস করছে, তখন আম্পায়ার হাতের ইশারায় দেখিয়ে দেন, নো বল করেছেন রাবাডা। ফলে জীবন পান নুর। ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা মারেন নুর। পরের বলে আরও দু’রান আসে। আরও একটি নো বল করেন রাবাডা। ফলে ৩ বলে দরকার ছিল ২ রান। চতুর্থ বলে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হন ফজলহক ফারুকি। দু’রান নেওয়া উচিত ছিল তাঁর। কিন্তু দৌড়োতে কিছুটা দেরি করেন তিনি। শেষমুহূর্তে ডাইভও দেননি। দু’বল বাকি থাকতে আফগানিস্তান আউট হওয়ায় খেলা গড়ায় সুপার ওভারে।

    হতাশ আফগানিস্তান

    আফগানিস্তানের হয়ে ব্যাট করতে নেমে আজমাতুল্লা ওমরজাই ভাল ব্যাট করেন। ৬ বলে ১৭ রান করে আফগানিস্তান। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ বলে দরকার ছিল ৭ রান। ফারুকির সেই বলে ছক্কা মেরে সুপার ওভার টাই করে দেন ট্রিস্টান স্টাবস। ফলে দ্বিতীয় সুপার ওভার হয়। সেখানে প্রথমে ব্যাট করে ২৩ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। মনে হচ্ছিল, আফগানিস্তান হেরে যাবে। কিন্তু তা-ও লড়াই ছাড়েননি গুরবাজ। চার বলে ২৪ রান করতে হত। তিন বলে তিনটি ছক্কা মারেন তিনি। কিন্তু শেষ বলে আউট হয়ে যান। কাছে এনেও দলকে জেতাতে পারলেন না তিনি। হতাশ গুরবাজ। হতাশ আফগানিস্তানের ক্রিকেট অনুরাগীরা।

    বিশ্বকাপ অভিযান প্রশ্নের মুখে

    আফগানদের জন্য এটা ছিল ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ। প্রোটিয়দের কাছে লড়াই করে হার মানল আফগানিস্তান। এর ফলে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান এখন প্রশ্নের মুখে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতে পরের রাউন্ড কার্যত নিশ্চিত। এক কথায় বলতে গেলে এই ম্যাচ অবিশ্বাস্য, অভূতপূর্ব! তবে আফগানিস্তানের জন্য ‘অপূর্ণ’। ক্রিকেট চরম অনিশ্চয়তার খেলা! একই সঙ্গে ক্রিকেট যে কতটা উত্তেজক হয়ে উঠতে পারে, তা ফের প্রমাণিত হল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এই জয়ে শুধু দুই পয়েন্ট নয়, আত্মবিশ্বাসও পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। চাপের মুহূর্তে ভেঙে না পড়ে ম্যাচ টেনে নেওয়ার মানসিক শক্তি দেখাল তারা। আফগানিস্তান হেরে গেলেও লড়াইয়ে কোনও খামতি রাখেনি। সব মিলিয়ে আমেদাবাদের দুপুর অনুরাগীদের মনে থাকবে বহুদিন। ডবল সুপার ওভারের এমন নাটক বিশ্বকাপ ইতিহাসে বিরল।

  • Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের (Pakistan)! শেষমেশ ধরে ফেলল আমেরিকার (US) ‘চাল’। এবং পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে তা স্বীকারও করে নিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন আমাদের কৌশলগত স্বার্থে ইসলামাবাদকে ব্যবহার করেছে এবং পরে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।”

    কী বললেন আসিফ? (Pakistan)

    পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসিফ বলেন, “১৯৯৯ সালের পর বিশেষ করে আফগানিস্তান ইস্যুতে আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার প্রচেষ্টা ছিল একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত, যার পরিণতি পাকিস্তান (Pakistan) আজও বহু দশক পর বহন করে চলেছে।” দীর্ঘদিনের সরকারি বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসিফ দাবি করেন, “আফগানিস্তান সংঘাতে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ ধর্মীয় দায়িত্ববোধ থেকে পরিচালিত হয়েছিল—এই বক্তব্য ঠিক নয়।” তিনি কবুল করেন, “জেহাদের ব্যানারে পাকিস্তানিদের সংগঠিত করে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল।” এই সিদ্ধান্তকে তিনি বিভ্রান্তিকর ও ধ্বংসাত্মক আখ্যা দেন।

    যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাও পুনর্গঠন

    আসিফ বলেন, “এমনকি এসব যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাকেও পুনর্গঠন করা হয়েছিল এবং সেই মতাদর্শগত পরিবর্তনের অনেকাংশ আজও রয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “আটের দশকে আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধ মূলত (Pakistan) আমেরিকার ভূরাজনৈতিক স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল, কোনও প্রকৃত ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার কারণে নয়।” তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতিতে ‘জেহাদ’ ঘোষণার কোনও যৌক্তিকতাও ছিল না। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে, পাকিস্তানের নিজস্ব নয় এমন সংঘাতে অংশগ্রহণ দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা ও সামাজিক ক্ষতির জন্ম দিয়েছে, যার প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব (US) হয়নি। আসিফ বলেন, “বিশেষ করে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ১৯৯৯-পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় ঘনিষ্ঠতা স্থাপনের মূল্য ছিল ভয়াবহ।” তিনি প্রয়াত সামরিক শাসক জিয়াউল হক ও পারভেজ মুশারফের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তাঁরা পাকিস্তানকে বহিরাগত যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছিলেন, যার ফল দেশকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করতে হয়েছে, এমনকি মিত্ররা সরে যাওয়ার পরেও।

    টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপ!

    এর পরেই আসিফ আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন, “পাকিস্তানকে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, প্রয়োজন ফুরোলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।” ২০০১ এর পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গে আশিফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ সমর্থন করতে পাকিস্তান (Pakistan) তালিবানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন সরে গেলেও, পাকিস্তান হিংসা, উগ্রবাদ ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে নিমজ্জিত অবস্থায় থেকে যায়।” তিনি বলেন, “আমরা যে ক্ষতির শিকার হয়েছি, তার কোনও ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়।” তিনি এসব সিদ্ধান্তকে অপরিবর্তনীয় ভুল হিসেবে (US) উল্লেখ করেন, যা পাকিস্তানকে অন্যদের পরিচালিত সংঘাতে একটি ‘ঘুঁটি’তে পরিণত করেছে (Pakistan)।

     

  • Beldanga Case: বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রামধাক্কা খেল মমতার সরকার

    Beldanga Case: বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রামধাক্কা খেল মমতার সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা হিংসা মামলায় (Beldanga Case) সুপ্রিম কোর্টে রামধাক্কা খেল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। ওই হিংসার ঘটনার তদন্ত করবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএ, সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ। বেলডাঙার ওই হিংসার ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট বলে দিয়েছিল, রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে এই অশান্তির মোকাবিলা করবে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার যদি মনে করে, তাহলে এনআইএ তদন্তও হতে পারে। হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। দেশের শীর্ষ আদালতে রাজ্য সরকারের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার নিষ্পত্তি করে। অর্থাৎ, কলকাতা হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তাতে আর হস্তক্ষেপ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। এর পাশাপাশি হাইকোর্টেই রাজ্যের মামলাটি পাঠানো হয়েছে। তবে ইউএপিএর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হবে কিনা, সেই গোটা বিষয়টি হাইকোর্ট দেখবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুলেছিলেন শুভেন্দু (Beldanga Case)

    প্রসঙ্গত, বেলডাঙার (Beldanga Case) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুলেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পরে হাইকোর্টে মামলা গেলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, কেন্দ্র যদি এনআইএ তদন্তের প্রয়োজন মনে করে, তাহলে সম্পূর্ণরূপে তাদের স্বাধীনতা থাকবে। হাইকোর্টের রায় সুপ্রিম কোর্টেও বহাল রয়েছে শুনে শুভেন্দু বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারের আবেদন গ্রাহ্যই করেনি। এর ভিত্তিতে আবার ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে। আমিই পিটিশনার ছিলাম। রাজ্যের আবেদনে সুপ্রিম কোর্ট কোনও গুরুত্বই দেয়নি।”

    উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা

    ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিক খুনের অভিযোগে জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ। অভিযোগ, ওই শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে দেহ জেলায় ফিরতেই উত্তেজনা ছড়ায় বেলডাঙায়। টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করা হয় রাস্তা, রেল। শিয়ালদা-লালগোটা শাখার মহেশপুর সংলগ্ন এলাকায় রেললাইনে বাঁশ ফেলে রেখেছিল বিক্ষোভকারীরা (Supreme Court)। বাঁশে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবিও দেখা যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে বচসায় জড়িয়ে পড়েন স্থানীয়রা। খবর জোগাড় করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরাও। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৩০ জনকে। ঘটনার তিনদিন পরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এলাকায় গিয়েছিলেন সাংসদ তৃণমূলের ইউসুফ পাঠান। উল্লেখ্য, বেলডাঙার অশান্তি প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “শুক্রবার জুম্মাবার…সংখ্যালঘুদের কাছে একটা সেন্টিমেন্ট রয়েছে। সেখানে শুক্রবার অনেকেই নমাজ আদায় করতে এসেছে। এখানে কেউ যদি রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ পূরণ করার জন্য উসকে দেয়।”

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বক্তব্য

    বুধবার শীর্ষ আদালতের শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, “প্রায় এক মাস আগেই এনআইএকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তারা ইতিপূর্বেই এফআইআর দায়ের করেছে (Beldanga Case)। এই মুহূর্তে ইউএপিএ ধারা প্রয়োগ করা উচিত কিনা, সে বিষয়ে আমরা কোনও মতামত দিচ্ছি না।” যদিও আদালতের নির্দেশ, এনআইএকে তদন্তের একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টে। সেই রিপোর্টে জানাতে হবে বেলডাঙার ঘটনায় আদৌ ইউএপিএ প্রয়োগ করার মতো উপাদান মজুত রয়েছে কিনা। এদিন শুনানির সময় এনআইএ এবং কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, বেলডাঙা মামলার প্রয়োজনীয় নথিপত্র রাজ্য প্রশাসন তাদের হাতে (Supreme Court) তুলে দিচ্ছে না। নথিপত্র হস্তান্তরের এই অসহযোগিতার বিষয়টিও আদালতের নজরে আনা হয়েছে (Beldanga Case)।

  • T20 World Cup 2026: বাংলাদেশেরও ইউ-টার্ন! বিশ্বকাপে না খেলার দায় বিসিবি, ক্রিকেটারদের উপর চাপলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

    T20 World Cup 2026: বাংলাদেশেরও ইউ-টার্ন! বিশ্বকাপে না খেলার দায় বিসিবি, ক্রিকেটারদের উপর চাপলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত সরকারের নয়, এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেটাররা এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB)। এমনই দাবি বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের। বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান খেলতে রাজি হওয়ার পরেই সুর বদলে ফেলল বাংলাদেশ। নিজেদের বক্তব্য থেকে সরে এল বাংলাদেশ সরকার। প্রথমে তারা জানিয়েছিল, ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলবে না। সেই সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয় বাংলাদেশকে। এ বার সেই দায় দেশের ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারদের উপর চাপাল সরকার।

    অবস্থান বদল বাংলাদেশের

    বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এখন দাবি করছেন যে, লিটন দাসের নেতৃত্বে বিসিবি এবং দল “জাতীয় মর্যাদা রক্ষার জন্য” তাদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ গত ২২ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, “আমরা আশা করছি, আইসিসি আমাদের শ্রীলঙ্কায় খেলার অনুমতি দেবে। আমাদের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বাংলাদেশ ভারতে খেলতে যাবে না। আমাদের চিন্তার যথেষ্ট কারণ আছে।” এই কথা থেকে স্পষ্ট যে, বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সরকার নিয়েছিল। পরে ক্রিকেট বোর্ডের কর্তা ও ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করেন নজরুল। সেই বৈঠকের পর ক্রিকেটারদের সূত্রে জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশ সরকার আগে থেকেই ঠিক করে নিয়েছিল যে, ভারতে তারা খেলতে যাবে না। ক্রিকেটারদের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়নি।

    দায় চাপল ক্রিকেটারদের উপর

    সম্প্রতি নিজের আগের কথা থেকে সম্পূর্ণ ঘুরে গিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সাংবাদিকেরা নজরুলকে প্রশ্ন করেছিলেন, বিশ্বকাপে খেলতে না পারার আক্ষেপ হচ্ছে কি? জবাবে নজরুল বলেন, “আক্ষেপের কোনও প্রশ্নই নেই। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারেরা নিয়েছিল। দেশের ক্রিকেট, সাধারণ মানুষ, দেশের সম্মান রক্ষা করার জন্য স্বার্থত্যাগ করেছে ক্রিকেটারেরা।” আইসিসি জানিয়েছে, বিশ্বকাপে না খেলায় বাংলাদেশকে কোনও শাস্তি দেওয়া হবে না। আইসিসির এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নজরুল বলেন, “আইসিসি বলেছে, বাংলাদেশকে কোনও শাস্তি দেওয়া হবে না। পাশাপাশি কয়েক বছরের মধ্যে একটা আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্বও আমাদের দেওয়া হবে। এটা আমাদের কৃতিত্ব। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ।”

  • Deendayal Upadhayay: ‘‘মাতা শব্দ সরালে শুধু ভারত মাটির টুকরো’’ বলতেন দীনদয়াল উপাধ্যায়, আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী

    Deendayal Upadhayay: ‘‘মাতা শব্দ সরালে শুধু ভারত মাটির টুকরো’’ বলতেন দীনদয়াল উপাধ্যায়, আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ১১ ফেব্রুয়ারি পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের (Deendayal Upadhayay) মৃত্যুবার্ষিকী। একাধারে তিনি ছিলেন সুলেখক, দার্শনিক অন্যদিকে রাজনীতিবিদ। প্রয়াণ দিবসে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়কে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে সমগ্র দেশ। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার এক্স মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জানান, দীনদয়াল উপাধ্যায়ের চিন্তাধারা প্রতিটি প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী এক্স মাধ্যমে জানান, ‘‘মাতৃভূমির অতুলনীয় ভক্ত পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি। মূল্যবোধের ভিত্তিতে প্রোথিত তাঁর নীতি ও চিন্তাভাবনা দেশের প্রতিটি প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে।’’

    একাত্ম মানববাদের প্রণেতা

    একাত্ম মানববাদের প্রণেতা পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্ম ১৯১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর। একাত্ম মানববাদের মাধ্যমে তিনি একটি বিকল্প রাজনীতির সন্ধান দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাঁর রচিত একাত্ম মানববাদের মাধ্যমেই তিনি ব্যক্তি, সমাজ ও দেশের মধ্যে মেলবন্ধন স্থাপন করতে পেরেছিলেন। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় বলতেন, ‘‘ভারতবর্ষে জাতীয়তাবোধের ভিত্তি হল ভারত মাতা, যদি মাতা শব্দটা সরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে শুধু ভারত, মাটির টুকরো হয়েই পড়ে থাকবে।’’ পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের (Deendayal Upadhayay) মতে, ‘‘প্রতিটি মানুষের সম্পূর্ণ গঠন হয় চারটি উপাদানের ভিত্তিতে এগুলি হল শরীর, মন, বুদ্ধি এবং আত্মা। এই চারটি উপাদানের সঙ্গে ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষ এই চারটি বিষয় সম্পর্কিত। ধর্ম হল ভিত্তি এবং মোক্ষ হল সর্বোচ্চ প্রাপ্তি।’’ প্রসঙ্গত, অন্যান্য মতাদর্শ যেখানে শুধুমাত্র মন এবং শরীরের বিভিন্ন চাহিদা পূরণের কথা বলে সেখানে একাত্মমানববাদে ধর্ম এবং মোক্ষেরও ধারণা দিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলতেন, ‘‘ধর্ম হচ্ছে ব্যাপক এবং বিস্তৃত। সমাজকে সংগঠিত করতে ধর্ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’’

    মৌলিক অধিকার নিয়ে কী বলতেন তিনি?

    দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhayay) একাত্ম মানববাদের মাধ্যমে সমাজব্যবস্থায় সকলের সমান অধিকার এবং সমান সুযোগ-সুবিধার কথা বলেছেন। সামাজিক বিচার, শিক্ষা এসব কিছুকেই তিনি মৌলিক অধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, ‘‘একটি সমাজের ও একটি দেশের অগ্রগতি তখনই সম্ভব যখন প্রত্যেকটি নাগরিক সুস্থ থাকেন।’’ প্রসঙ্গত ভারতীয় সংবিধানের পঞ্চম অধ্যায়ের ১৪ থেকে ৩৫ নম্বর ধারা পর্যন্ত মৌলিক অধিকারের কথা বলা রয়েছে। এর মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে জীবনের অধিকার, স্বাধীনতার অধিকার- এই সমস্ত কিছুই। দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মতে, ‘‘জীবনের অধিকার ততক্ষণ পর্যন্ত অসম্পূর্ণ থেকে যায়, যতক্ষণ পর্যন্ত না সুস্থ জীবন যাপনের সুযোগ পাওয়া যায়।’’

    সংক্ষিপ্ত জীবনী

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhayay) শৈশবকালেই পিতৃমাতৃহীন হন। তাঁর পৈতৃক ভিটে উত্তরপ্রদেশের মথুরাতে হলেও স্কুলজীবনের বড় অংশ অতিবাহিত হয়েছিল রাজস্থানে। জাতীয়তাবাদী এই দেশনেতা অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন নিজের ছাত্রজীবনে। রাজস্থানের সিকার জেলা থেকে তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দেন এবং প্রথমস্থান অধিকার করেন। তৎকালীন সিকারের মহারাজা কল্যাণ সিংয়ের কাছ থেকে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হন। সনাতন ধর্ম কলেজে স্নাতক স্তরে পড়াকালীন তাঁর বন্ধু বলবন্ত মহাশব্দের হাত ধরে ১৯৩৭ সালে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সংস্পর্শে আসেন। ১৯৪২ সালে দেশ ও সমাজের কাজকে নিজের জীবনব্রত করার লক্ষ্যে সঙ্ঘের প্রচারক হন। ১৯৫১ সালে ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার পরে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি হন।

    নীতি নিষ্ঠ রাজনীতি

    ধর্ম সম্পর্কে তিনি বলতেন, ‘‘পাশ্চাত্যের রিলিজিয়ন এবং ভারতের ধর্ম এক নয়।’’ অর্থাৎ ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে ধর্ম হল ধর্ম, তার আলাদা কোনও নাম নেই, যেমন- ছাত্র ধর্ম, ক্ষত্রিয় ধর্ম, পিতৃ ধর্ম, মাতৃ ধর্ম এসব কিছুই ধর্মের মধ্যে পড়ে। তিনি আরও বলতেন, ‘‘ধর্ম হচ্ছে ব্যাপক এবং বিস্তৃত। সমাজকে সংগঠিত করতে ধর্ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’’ নীতিনিষ্ঠ এবং মূল্যবোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস রাখতেন পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়। তিনি মনে করতেন, সুযোগ সন্ধানী এবং সুবিধার রাজনীতি, দিনের পর দিন চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের রাজনীতির ওপরেই বিশ্বাসটা উঠে যায়। ১৯৬৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রয়াত হন তিনি।

  • India US Trade Deal: চুপিসারে বাণিজ্য চুক্তির ফ্যাক্ট-শিটের ভাষায় বদল এনে সুর নরম আমেরিকার!

    India US Trade Deal: চুপিসারে বাণিজ্য চুক্তির ফ্যাক্ট-শিটের ভাষায় বদল এনে সুর নরম আমেরিকার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চুপিসারে বাণিজ্য চুক্তির ফ্যাক্ট-শিটের (Fact Sheet) ভাষায় বদল এনে সুর নরম করল আমেরিকা (India US Trade Deal)। হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশের একদিন পরেই গোপনে ভারত–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির ফ্যাক্টশিটের ভাষা ও কিছু শর্ত সংশোধন করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলির মধ্যে রয়েছে, ভারত “৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি মূল্যের মার্কিন পণ্য কিনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ” -এই বাক্যাংশটি পরিবর্তন করে করা হয়েছে “কিনতে ইচ্ছুক”, যা চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানকে নমনীয় করেছে।

    ফ্যাক্টশিটে ভাষা বদল (India US Trade Deal)

    ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক ও পরস্পর-লাভজনক বাণিজ্য চুক্তির একটি কাঠামো ঘোষণা করার কয়েকদিন পর, মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস চুক্তির মূল শর্তসমূহ উল্লেখ করে একটি ফ্যাক্টশিট প্রকাশ করে। ওই নথিতে বলা হয়েছিল, ভারত সব মার্কিন শিল্পপণ্যের ওপর শুল্ক বাতিল বা হ্রাস করবে এবং বিভিন্ন মার্কিন খাদ্য ও কৃষিপণ্যের ওপরও শুল্ক কমাবে। ফ্যাক্টশিটের প্রাথমিক সংস্করণে বলা ছিল: “ভারত আরও বেশি মার্কিন পণ্য কিনতে এবং জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, কৃষিপণ্য, কয়লা ও অন্যান্য পণ্য মিলিয়ে ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি কিনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তবে বর্তমানে হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটে থাকা সংস্করণে বলা হয়েছে, ভারত আরও বেশি মার্কিন পণ্য কিনতে “ইচ্ছুক”। এছাড়া পণ্যের তালিকা থেকে “কৃষিপণ্য” শব্দটিও বাদ দেওয়া হয়েছে।

    শিল্পপণ্যের ওপর শুল্ক বাতিল বা হ্রাস

    একইভাবে, আগের সংস্করণে বলা হয়েছিল: “ভারত সব মার্কিন শিল্পপণ্যের ওপর শুল্ক বাতিল বা হ্রাস করবে এবং শুকনো ডিস্টিলার্স গ্রেইনস, লাল জোয়ার, ট্রি নাটস, তাজা ও প্রক্রিয়াজাত ফল, কিছু ডালজাতীয় পণ্য, সয়াবিন তেল, ওয়াইন ও স্পিরিট-সহ বিভিন্ন মার্কিন খাদ্য ও কৃষিপণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে (India US Trade Deal)।” সংশোধিত সংস্করণে এই তালিকা থেকে “কিছু ডালজাতীয় পণ্যের” উল্লেখ বাদ দেওয়া হয়েছে (Fact Sheet)। আর একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে, আগের ফ্যাক্টশিটে বলা হয়েছিল, “ভারত তার ডিজিটাল সার্ভিসেস ট্যাক্স প্রত্যাহার করবে” এবং “বৈষম্যমূলক বা অতিরিক্ত বোঝাস্বরূপ চর্চা ও ডিজিটাল বাণিজ্যের অন্যান্য বাধা মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক ডিজিটাল বাণিজ্য বিধিমালা নিয়ে আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” কিন্তু নতুন ফ্যাক্টশিটে “ভারত ডিজিটাল সার্ভিসেস ট্যাক্স প্রত্যাহার করবে”—এই বক্তব্যটি আর নেই। সেখানে কেবল উল্লেখ রয়েছে যে, “ভারত একটি শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক ডিজিটাল বাণিজ্য বিধিমালা নিয়ে আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি

    গত সপ্তাহে ভারত ও আমেরিকা একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তির কাঠামো ঘোষণা করে, যার আওতায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে উভয় দেশ বিভিন্ন পণ্যের আমদানি শুল্ক কমাবে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থার অধীনে যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বর্তমান ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামাবে। এর বিনিময়ে ভারত সব মার্কিন শিল্পপণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক বাতিল বা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে এবং শুকনো ডিস্টিলার্স গ্রেইনস, পশুখাদ্যের জন্য লাল জোয়ার, ট্রি নাটস, তাজা ও প্রক্রিয়াজাত ফল, সয়াবিন তেল, ওয়াইন ও স্পিরিট-সহ বিভিন্ন মার্কিন খাদ্য ও কৃষিপণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে (India US Trade Deal)। দুই পক্ষের জারি করা যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে ভারত ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের মার্কিন জ্বালানি পণ্য, বিমান ও বিমান যন্ত্রাংশ, মূল্যবান ধাতু, প্রযুক্তিপণ্য এবং কোকিং কয়লা কেনার পরিকল্পনা করছে (Fact Sheet)।

    চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছরের অগাস্টে রুশ তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর আরোপিত ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করেছেন। তিনি বলেন, “ভারত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে এবং নয়াদিল্লি মস্কো থেকে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে তেল আমদানি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি নাগাদ নয়াদিল্লি (Fact Sheet) ও ওয়াশিংটন চূড়ান্ত বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে (India US Trade Deal)।

     

  • Abhishek Sharma: বিশ্বকাপের মাঝে বড় ধাক্কা! গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি অভিষেক শর্মা

    Abhishek Sharma: বিশ্বকাপের মাঝে বড় ধাক্কা! গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি অভিষেক শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন না টিম ইন্ডিয়ার তারকা ওপেনার অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma)। পেটের সংক্রমণের কারণে দিল্লির এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি অভিষেক শর্মা। ভারতের এই তারকা ব্যাটার গত কয়েক দিন ধরেই অসুস্থ। সূত্রের খবর, আমেরিকার বিপক্ষে ভারতের ম্যাচের আগেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। ৭ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে খেলার পর তাঁর অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। জ্বর ও পেটের সংক্রমণে কাবু এই ভারতীয় ওপেনার। অসুস্থতা বাড়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ফলে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে অভিষেক শর্মার খেলার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

    পেটের সমস্যায় কাবু অভিষেক

    অসুস্থ থাকায় অভিষেকের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা আগেই তৈরি হয়েছিল। জ্বরে মাথা তুলতে পারছিলেন না। স্যালাইন পর্যন্ত দিতে হয়। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ফলে ১২ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আগামিকাল নামিবিয়ার (Namibia) বিরুদ্ধে গ্রুপ-স্টেজ ম্যাচে অভিষেককে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। নয়াদিল্লিতে অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারতের প্র্যাক্টিসে দেখা যায়নি ভারতের বাঁ-হাতি এই ওপেনারকে। সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে বলেছিলেন,‘অভি পেটের সমস্যায় পুরো ফিট নয়।’

    মাঠে নামবেন বুমরা

    সূত্রের খবর, অভিষেক শর্মার বদলে খেলানো হতে পারে ওয়াশিংটন সুন্দরকে। চোট সারিয়ে ফিট হয়ে টিমের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন তিনি। সে ক্ষেত্রে তিনি ওপেনও করতে পারেন। অন্য ওপেনার হিসেবে থাকবেন ঈশান কিষান। দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে নাম উঠে আসছে সঞ্জু স্যামসনের। অসুস্থতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি ভারতের তারকা পেসার যশপ্রীত বুমরা। তবে নামিবিয়া ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা প্রবল। এরপরই ভারত-পাকিস্তান মহারণ। তার আগে বুমরাকে খেলাতে চাইবে ভারতীয় শিবির। রবিবার বিশ্বক্রিকেটের (T20 World Cup 2026) সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ। তার আগে পুরো দল খেলিয়ে মহড়া সেরে নিতে চাইবেন গৌতম গম্ভীর, সূর্যকুমার যাদবরা। কিন্তু অভিষেকের পরিস্থিতি চিন্তা বাড়াচ্ছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের।

  • Vande Mataram: ‘জন গণ মন’-এর আগে বাজবে ৬ স্তবকের ‘বন্দে মাতরম’, উঠে দাঁড়াতে হবে, নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

    Vande Mataram: ‘জন গণ মন’-এর আগে বাজবে ৬ স্তবকের ‘বন্দে মাতরম’, উঠে দাঁড়াতে হবে, নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে বুধবার নতুন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন থেকে ৬ স্তবক বিশিষ্ট ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের পূর্ণ সংস্করণটি বিভিন্ন সরকারি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে বাজানো বা গাওয়া বাধ্যতামূলক হবে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, ‘বন্দে মাতরম’ বাজলে বা গাওয়া হলে সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে এবং সরকারি অনুষ্ঠান ও স্কুলে এটি জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’-এর আগে পরিবেশন করতে হবে।

    কখন বাজানো হবে বন্দে মাতরম?

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নথি অনুযায়ী, এখন থেকে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বন্দে মাতরম পরিবেশন করা হবে—

    • ● জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়
    • ● রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে
    • ● রাষ্ট্রপতির জাতির উদ্দেশে ভাষণের আগে ও পরে
    • ● গভর্নরের আগমন ও ভাষণের আগে ও পরে
    • ● জাতীয় কুচকাওয়াজে তেরঙ্গা বহনের সময়
    • ● সরকারি পাবলিক ইনভেস্টিচার (সম্মান প্রদান) অনুষ্ঠানে

    সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পদ্ম পুরস্কারসহ রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকবেন এমন সমস্ত অসামরিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক হবে। এছাড়াও, স্কুলের প্রার্থনা সভায় (অ্যাসেম্বলি) এই জাতীয় গান পরিবেশন করতে হবে।

    বন্দে মাতরম নিয়ে অন্যান্য নিয়ম

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ১০ পাতার নির্দেশিকায় বলা হয়েছে—

    • ● যদি জাতীয় সংগীত ও জাতীয় গান একসঙ্গে বাজানো বা গাওয়া হয়, তবে আগে বন্দে মাতরম এবং পরে জন গণ মন পরিবেশন করতে হবে।
    • ● বন্দে মাতরম বাজানো বা গাওয়ার সময় দর্শক-শ্রোতাদের দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।
    • ● তবে সিনেমা হলে জাতীয় সংগীতের মতো বাধ্যতামূলকভাবে বন্দে মাতরম বাজানো হবে না।

    নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে—

    • ● “যখনই জাতীয় গানের সরকারি সংস্করণ বাজানো বা গাওয়া হবে, তখন দর্শকদের সতর্ক ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। তবে যদি কোনও সংবাদচিত্র বা প্রামাণ্যচিত্রে গানটি চলচ্চিত্রের অংশ হিসেবে বাজানো হয়, তখন দর্শকদের দাঁড়ানো প্রত্যাশিত নয়, কারণ এতে প্রদর্শন ব্যাহত হবে এবং শৃঙ্খলা নষ্ট হতে পারে, যা জাতীয় গানের মর্যাদা বাড়ানোর পরিবর্তে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে।”
    • ● নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বন্দে মাতরমের দৈর্ঘ্য হবে ১৯০ সেকেন্ড (৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড), যাতে সরকার নির্ধারিত ছয়টি স্তবক অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ১৯৩৭ সালে বাদ দেওয়া চারটি স্তবকও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

    কেন্দ্রের ‘বন্দে মাতরম’ প্রচার উদ্যোগ

    গত বছর বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্র সরকার এই জাতীয় গানকে আরও জনপ্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে এই নির্দেশিকা রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের সৃষ্টি করতে পারে, কারণ সম্প্রতি বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে এই বিষয়টি নিয়ে বড় ধরনের বাকবিতণ্ডা হয়েছে। সংসদে তীব্র বিতর্ক সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকার বন্দে মাতরমকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে গানটির ওপর ভিত্তি করে একাধিক ট্যাবলো প্রদর্শন করা হয়েছে।

    প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বন্দে মাতরমকে প্রথমবার ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় মাতৃভূমির বন্দনায় গ্রহণ করা হয়। ১৯৫০ সালে গানটির প্রথম দুইটি স্তবককে ভারতের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এতদিন পর্যন্ত ‘বন্দে মাতরম’ গানের পরিবেশনের ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট সরকারি প্রোটোকল ছিল না—যেমনটি ‘জন গণ মন’-এর ক্ষেত্রে সুর, সময়কাল এবং গায়নের নিয়ম স্পষ্টভাবে নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া, গানটির সম্প্রসারিত ছয় স্তবকের পূর্ণ সংস্করণ এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয়নি। এই প্রথম কোনও সরকার বন্দে মাতরম গাওয়া বা বাজানোর জন্য আনুষ্ঠানিক প্রোটোকল বা নিয়মাবলি জারি করল।

LinkedIn
Share