Tag: bangla news

bangla news

  • China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় শুরু হয়েছে সেনা প্রত্যাহার, সরকারিভাবে জানিয়ে দিল চিনও

    China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় শুরু হয়েছে সেনা প্রত্যাহার, সরকারিভাবে জানিয়ে দিল চিনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার থেকে দেপসাং সমতলভূমি ও দেমচকে শুরু হয়েছে সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া। ভারতীয় সেনবাহিনী সূত্রে (LAC) এ খবর আগেই নিশ্চিত করা হয়েছিল। এবার সরকারিভাবে চিনের (China) তরফেও জানানো হল, চিনা ও ভারতীয় সীমান্তের সেনারা সংশ্লিষ্ট কাজ নিয়ে (সেনা প্রত্যাহার) ব্যস্ত রয়েছে এবং এই মুহূর্তে কাজটি মসৃণভাবে চলছে।

    কী বলছে চিনা বিদেশমন্ত্রক (China)

    চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, “সীমান্ত এলাকার বিষয়গুলো নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে চিন ও ভারতের মধ্যে যে সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়েছে, তার আলোকে চিনা ও ভারতীয় সীমান্তের সেনারা সংশ্লিষ্ট কাজ পরিচালনা করছে এবং এই মুহূর্তে কাজটি মসৃণভাবে চলছে।” বলা বাহুল্য, কাজ বলতে তিনি সেনা প্রত্যাহারের কথাই বলেছেন। শনিবার চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র এই মর্মে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেছেন। সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রক্রিয়াটি সম্ভবত ২৮-২৯ অক্টোবরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। তবে এই এলাকাগুলির ভূখণ্ড এবং আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।

    জয়শঙ্করের বক্তব্য

    এদিকে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ভারতের সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, “তাঁরা ভারত-চিন সীমান্তে অত্যন্ত কল্পনাতীত পরিস্থিতিতে মোতায়েন রয়েছেন।” তিনি বলেন, “আজ আমরা যেখানে পৌঁছেছি, তার একটা কারণ হল আমাদের পক্ষ থেকে খুব দৃঢ় প্রচেষ্টা করা ও আমাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা। সামরিক বাহিনী এলএসিতে অত্যন্ত কল্পনাতীত পরিস্থিতিতে দেশ রক্ষার জন্য প্রস্তুত ছিল। সামরিক বাহিনী তার দায়িত্ব পালন করেছে, কূটনীতিও তার ভূমিকা পালন করেছে (China)।”

    আরও পড়ুন: “ধর্ম হল ভারতীয় সংস্কৃতির সবচেয়ে মৌলিক ধারণা, সংহতির প্রতীক”, বললেন ধনখড়

    জয়শঙ্কর বলেন, “২০২০ সাল থেকে সীমান্তের পরিস্থিতি খুবই অস্থির হয়ে উঠেছে যা সামগ্রিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ভারত একটি সমাধানসূত্র খুঁজে বের করার জন্য চিনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে আসছে।” সমাধানের বিভিন্ন দিক রয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রথমত চাপের বিষয় হল বিচ্ছিন্নকরণ, কারণ সেনাবাহিনী একে অন্যের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং কোনও ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর রয়েছে ডি-এসক্যালেশন। কারণ উভয় পক্ষেই সেনা সমাবেশ বৃদ্ধি পেয়েছে।” মন্ত্রী বলেন, “এরপর রয়েছে বৃহত্তর একটি বিষয়, কীভাবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং সীমান্ত নিষ্পত্তি নিয়ে (LAC) আলোচনা করা হবে। বর্তমানে যা কিছু চলছে তা প্রথম দিক নিয়ে, অর্থাৎ বিচ্ছিন্নকরণ নিয়ে (China)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: অরুণাচলের ভারত-চিন সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করবেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: অরুণাচলের ভারত-চিন সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করবেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) চলতি বছরের দীপাবলি অরুণাচল প্রদেশের ভারত-চিন সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে পালন করবেন। জানা গিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং জেলায় ৩১ অক্টোবর সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি (Diwali) পালন করবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh)। বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে এমনটাই খবর মিলেছে। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে অরুণাচল প্রদেশে তাওয়াং সীমা বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। বিশেষত এখানকার কিছু এলাকাতে ভারত ও চিনা জওয়ানদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানের কথা বললে ভিক্ষার ঝুলি ধরানো হবে, মৌলবাদীদের হুঁশিয়ারি যোগীর

    ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ভারত-চিন সেনার সংঘর্ষ ঘটেছিল

    ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন সেনা জওয়ান আহত হন দু পক্ষেরই। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের সেই ঘটনার পর থেকেই ভারতীয় সেনাবাহিনী সেখানে আরও সতর্ক হয় এবং চিনের আগ্রাসন রোধ করে। এরপর থেকে দুদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও চলতে থাকে। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) এমন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যথেষ্ট বার্তা দেবে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে। ৩১ অক্টোবর রাজনাথ সিং তাওয়াং সীমান্তে পৌঁছানোর আগেই সেখানে পৌঁছে যাবেন অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু। ভারতীয় বায়ুসেনার ওয়ার মেমোরিয়ালে তাঁরা রাজনাথ সিংকে স্বাগত জানাবেন।

    ২০২৩ সালের বিজয়া দশমীতেও হাজির ছিলেন রাজনাথ

    প্রসঙ্গত, গত বছরের বিজয়া দশমীতেও রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) শস্ত্র পূজনের জন্য বেছে নেন তাওয়াং সীমানাকে। সেসময় অরুণাচলে দাঁড়িয়ে রাজনাথ সিং জানিয়েছিলেন, বর্তমানে বিশ্ব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে, দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরও বলেছিলেন, ‘‘কঠিন পরিস্থির মধ্যেও দেশের সশস্ত্রবাহিনীর জওয়ানরা যে ভাবে সীমান্তে প্রহরা দিচ্ছেন ও মাতৃভূমিকে সুরক্ষিত রাখছেন, তার যতই প্রশংসা করা হোক তা কম। দেশের মানুষ আপনাদের জন্য গর্বিত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 176: পাখি দাঁড়ে বসে তবে রাম রাম বলে, বনে উড়ে গেলে আবার ক্যাঁ ক্যাঁ করবে

    Ramakrishna 176: পাখি দাঁড়ে বসে তবে রাম রাম বলে, বনে উড়ে গেলে আবার ক্যাঁ ক্যাঁ করবে

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    ষোড়শ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৮ই এপ্রিল

    দক্ষিণেশ্বরে শ্রীরামকৃষ্ণ ও ব্রাহ্মগণ—প্রেমতত্ত্ব

    নাম-মাহাত্ম্য—উপায়—মায়ের নাম 

    আন্তরিক ভক্তি (Ramakrishna) ও দেখানো ভক্তি—ঈশ্বর মন দেখেন 

    কেন ঈশ্বরদর্শন হয় না? অহংবুদ্ধির জন্য 

    যতক্ষণ অহংকার ততক্ষণ অজ্ঞান। অহংকার থাকতে মুক্তি নাই।

    গরুগুলো হাম্‌মা হাম্‌মা করে, আর ছাগলগুলো ম্যা ম্যা করে। তাই ওদের কত যন্ত্রণা। কসায়ে কাটে; জুতো, ঢোলের চামড়া তৈয়ার করে। যন্ত্রণার শেষ নাই। হিন্দিতে ‘হাম্‌’ মানে আমি, আর ‘ম্যায়’ মানেও আমি। ‘আমি’ ‘আমি’ করে বলে কত কর্মভোগ। শেষে নাড়ীভুঁড়ি থেকে ধুনুরীর তাঁত তৈয়ার করে। তখন ধুনুরীর হাতে ‘তুঁহু তুঁহু’ বলে, অর্থাৎ ‘তুমি তুমি’। তুমি তুমি বলার পর তবে নিস্তার! আর ভুগতে হয় না।

    হে ঈশ্বর (Ramakrishna), তুমি কর্তা আর আমি অকর্তা, এরই নাম জ্ঞান।

    নিচু হলে তবে উঁচু হওয়া যায়। চাতক পাখির বাসা নিচে, কিন্তু ওঠে খুব উঁচুতে। উঁচু জমিতে চাষ হয় না। খাল জমি চাই, তবে জল জমে! তবে চাষ হয়!

    গৃহস্থলোকের সাধুসঙ্গ প্রয়োজন—যথার্থ দরিদ্র কে? 

    একটু কষ্ট করে সৎসঙ্গ করতে হয়। বাড়িতে কেবল বিষয়ের কথা। রোগ লেগেই আছে। পাখি দাঁড়ে বসে তবে রাম রাম বলে। বনে উড়ে গেলে আবার ক্যাঁ ক্যাঁ করবে।

    টাকা থাকলেই বড় মানুষ হয় না। বড় মানুষের বাড়ির একটি লক্ষণ যে, সব ঘরে আলো থাকে। গরিবেরা তেল খরচ করতে পারে না, তাই তত আলো বন্দোবস্ত করে না। এই দেহমন্দির অন্ধকারে রাখতে নাই, জ্ঞানদীপ জ্বেলে দিতে হয়।

    জ্ঞানদীপ জ্বেলে ঘরে ব্রহ্মময়ীর (Kathamrita) মুখ দেখ না।

    প্রার্থনাতত্ত্ব—চৈতন্যের লক্ষণ 

    সকলেরই জ্ঞান হতে পারে। জীবাত্মা আর পরমাত্মা। প্রার্থনা কর—সেই পরমাত্মার সঙ্গে সব জীবেরই যোগ হতে পারে। গ্যাসের নল সব বাড়িতেই খাটানো আছে। গ্যাস কোম্পানির কাছে গ্যাস পাওয়া যায়। আরজি কর, করলেই গ্যাস বন্দোবস্ত করে দেবে—ঘরেতে আলো জ্বলবে। শিয়ালদহে আপিস আছে। (সকলের হাস্য)

    কারুর চৈতন্য (Ramakrishna) হয়েছে। তার কিন্তু লক্ষণ আছে। ঈশ্বরীয় কথা (Kathamrita) বই আর কিছু শুনতে ভাল লাগে না। আর ঈশ্বরীয় কথা বই আর কিছু বলতে ভাল লাগে না। যেমন সাত সমুদ্র, গঙ্গা, যমুনা, নদী—সব তাতে জল রয়েছে, কিন্তু চাতক বৃষ্টির জল চাচ্ছে। তৃষ্ণাতে ছাতি ফেটে যাচ্ছে, তবু অন্য জল খাবে না।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়, তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়”

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “আত্মনির্ভর ভারত শুধুমাত্র নীতি নয়, পরিণত হয়েছে গণ আন্দোলনে”, ‘মন কি বাত’-এ বললেন মোদি

    PM Modi: “আত্মনির্ভর ভারত শুধুমাত্র নীতি নয়, পরিণত হয়েছে গণ আন্দোলনে”, ‘মন কি বাত’-এ বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ‘মন কি বাতের’ ১১৫তম অনুষ্ঠান। এখানেই উঠে এল আত্মনির্ভর ভারতের পাশাপাশি মেকিং ইন্ডিয়াতে দেশের সাফল্যের কথা। প্রসঙ্গত, ৩১ অক্টোবর রয়েছে দীপাবলি। সেই আবহে প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘‘এই সময়ে আত্মনির্ভর ভারতের ব্যাপক প্রচার চালানো দরকার।’’ তিনি বলেন, ‘‘আত্মনির্ভর ভারত শুধুমাত্র আমাদের নীতিই নয়, বরং গণ আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। দশ বছর আগেও যদি কেউ বলত যে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি ভারতে তৈরি হয়েছে, তাহলে অনেকেই এটা বিশ্বাস করতেন না। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। দেশের সাফল্যের সাক্ষী ভারতের প্রতিটি নাগরিক। ভারত আত্মনির্ভর হয়েছে এবং সমস্ত ক্ষেত্রে চমৎকার ফল করছে।’’ এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচির মাধ্যমে অ্যানিমেশন এবং গেমিং-এই দুটি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব বিপ্লব এসেছে।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘‘ছোটা ভীম বলুন অথবা অ্যানিমেশনের শ্রী কৃষ্ণ, মটুপাতলু, বাল হনুমান-এই সমস্ত কিছুর ফ্যান জগৎ জুড়ে রয়েছে। ভারতের অ্যানিমেশন চরিত্রগুলির জনপ্রিয়তা সারা পৃথিবী জুড়ে। কারণ এগুলোর মৌলিক গল্প ও চমৎকার সৃজনশীলতা।’’

    ভারতীয় গেমারদের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গ আনেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) 

    কয়েকমাস আগে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় গেমারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সে প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর মন কি বাত অনুষ্ঠানে। তিনি বলেন, ‘‘কয়েক মাস আগেই আমি ভারতের শীর্ষস্থানীয় গেমারদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলাম। আমি সুযোগ পেয়েছিলাম, তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সৃজনশীলতা সম্পর্কে জানবার।’’ অ্যানিমেশন ক্ষেত্রে মেক ইন ইন্ডিয়া এবং মেড বাই ইন্ডিয়ানস- খুব দ্রুততার সঙ্গে সাফল্য পাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ভারতীয় অ্যানিমেশন পৃথিবী বিখ্যাত কোম্পানি ডিজনি, ওয়ার্নার ব্রাদার্সদের সঙ্গেও কাজ করছে 

    তিনি (PM Modi) আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় অ্যানিমেশন পৃথিবী বিখ্যাত কোম্পানি ডিজনি, ওয়ার্নার ব্রাদার্সদের সঙ্গেও কাজ করছে।’’ তাঁর মতে, ‘‘বর্তমান সময়ে আমাদের যুবকরা মৌলিক ভারতীয় কনটেন্ট তৈরি করতে পারছেন, যা সমাজে ভালো প্রভাব ফেলছে এবং সেগুলি পৃথিবী জুড়ে মানুষ দেখছেন। অ্যানিমেশন ক্ষেত্র বর্তমানে একটি শিল্পের আকার ধারণ করেছে। মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচিকে আমরা কীভাবে গ্লোবাল অ্যানিমেশন পাওয়ার হাউসে পরিণত করতে পারি, তা ভাবতে হবে।’’

    লাদাখের ইমেজিং টেলিস্কোপ

    অন্যদিকে আত্মনির্ভর ভারতের উদাহরণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘এই কর্মসূচি এখন গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তার কারণ এই মাসেই আমরা লাদাখে উদ্বোধন করেছি এশিয়ার সবচেয়ে বড় ইমেজিং টেলিস্কোপ। ৪,৩০০ মিটার উচ্চতায় গড়ে উঠেছে এটি। সেখানে মাইনাস ৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড উষ্ণতা। অক্সিজেনের অভাব রয়েছে, কিন্তু আমাদের বিজ্ঞানী এবং শিল্পপতিরা এটা করে দেখিয়েছেন।’’ এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন দীপাবলিতে ভোকাল ফর লোকাল কর্মসূচি চালানোর জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “মমতাকে উৎখাত করে বিজেপির সরকার গড়ুন, অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেব”, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “মমতাকে উৎখাত করে বিজেপির সরকার গড়ুন, অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেব”, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) রবিবার একদিনের বঙ্গসফরে এসে তৃণমূল শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়ে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। বনগাঁয় বিএসএফ-এর এক অনুষ্ঠানে যোগদান করেন তিনি। সেখানেই বলেন, “রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ হবে। ২০২৬ সালে বিজেপি এই রাজ্যে সরকার গড়বে।” একই ভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে (Mamata Banerjee) একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, আগামী ১৩ নভেম্বর রাজ্যের ৬ বিধানসভার আসনে উপনির্বাচন। ফলে ভোটের প্রচারেও সরগরম বাংলা। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে দলকে ২০২৬ সালের আগে আরও শক্তিশালী করতে বঙ্গ বিজেপির নেতারা তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন।

    ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর সেই খেদ মিটিয়ে দেবে (Amit Shah)

    এদিন বনগাঁয় পেট্রাপোল সীমান্তে যাত্রী টার্মিনাল ভবন এবং মৈত্রী দ্বার উদ্বোধন করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশ জুড়ে অনেক কাজ করেছেন। বাংলার মানুষের কিছু খেদ আছে। কিন্তু চিন্তা নেই, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর সেই খেদ মিটিয়ে দেবে বিজেপি সরকার। পশ্চিমবঙ্গের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ খুব ভালো কাজ করছে। গোটা এলাকা জুড়ে উন্নয়নের কাজ চলছে। আমাকে শান্তনু ঠাকুর বলেছেন, বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে পাঁচ-ছ’হাজার রোগী প্রতিদিন কল্যাণী এইমসে চিকিৎসার জন্য আসেন। ২০২৬ সালে আপনারা রাজনৈতিক পরিবর্তন করুন রাজ্যে। মমতাকে (Mamata Banerjee) উৎখাত করে বিজেপির সরকার গড়ুন। বেআইনি অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেবো। উন্নয়নই হল মোদি সরকারের একমাত্র লক্ষ্য।”

    আরও পড়ুনঃ কলকাতায় অমিত শাহ, সুকান্তর বাসভবনে একসঙ্গে ‘মন কি বাত’ শুনলেন শুভেন্দু

    মোদিজির দেওয়া টাকা বাংলায় লুট হয়েছে

    এই প্রসঙ্গে অমিত শাহ (Amit Shah) আরও বলেন, “গত ১০ বছরে রাজ্যে কী দিয়েছেন মমতা? তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে রয়েছে। বিগত ইউপিএ জোট ক্ষমতায় থেকে ৭.৭৪ কোটি টাকা দিয়েছে। আর বিজেপি সরকার ১০ বছরে ৭.৭৪ কোটি টাকা দিয়েছে। মোদিজির দেওয়া টাকা বাংলায় লুট হয়েছে। বাংলার ভালো দিন আর দেরি নেই। বাংলাকে আমরা আরও উন্নত সুজলা সুফলা করব। মোদি সরকারের আমলে বাংলাদেশের সঙ্গে আমদানি-রফতানি বহুগুণ বেড়েছে। যখন মোদিজি প্রথম ক্ষমতায় এসেছিলেন তখন এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৮ হাজার কোটি টাকা, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। ব্যবসা, কাজ এবং কর্মসংস্থানও বেড়েছে এই পরিসরে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: সেনার ‘অদম্য চেতনা ও সাহস’-এর প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    Narendra Modi: সেনার ‘অদম্য চেতনা ও সাহস’-এর প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) রবিবার পদাতিক দিবস (Infantry Day) উপলক্ষে সমস্ত পদাতিক সৈন্য এবং যোদ্ধাদের “অদম্য চেতনা ও সাহস”-এর কথা বলে ব্যাপক প্রশংসা করেছেন। সেই সঙ্গে তাঁদের বিশেষ সম্মানও জানিয়েছেন। এদিন অনুষ্ঠান উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান, সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী প্রমুখ। এদিন সকল সিনিয়র অফিসার জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    মোদি কী বললেন (Narendra Modi)?

    এই বিশেষ দিনের গুরুত্বের কথা জানিয়ে এবং সেনাকে সাধুবাদ দিয়ে মোদি (Narendra Modi) এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন। সামজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, “পদাতিক দিবসে (Infantry Day), সকল পদাতিক বাহিনী এবং সৈনিক যোদ্ধাদের অদম্য চেতনা, সাহসকে অভিনন্দন জানাই। যাঁরা অক্লান্তভাবে আমাদের রক্ষার কাজে যুক্ত রয়েছেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। তাঁরা সর্বদা নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন, আবার যে কোনও প্রতিকূলতার মুখে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকেন। আমাদের দেশের নিরাপত্তাকে সুরক্ষিত করেন তাঁরাই। প্রত্যেক ভারতীয়কে অনুপ্রাণিত করে থাকেন এবং সেই সঙ্গে শক্তি, বীরত্ব, কর্তব্যের ভাবমূর্তিকে অবিস্মরণীয় করে রাখেন। তাঁদের অবদান অপরিসীম।”

    আরও পড়ুন: ইজরায়েল-ইরাক দ্বন্দ্ব, তেহরানের পাশে মুসলিম রাষ্ট্র, তেলআভিভের পাশে কারা?

    কেন পদাতিক দিবস?

    ২৭ অক্টোবর ১৯৪৭ সালে শ্রীনগর এয়ারফিল্ডে এসআইকেএইচ (SIKH) রেজিমেন্টের ১ম ব্যাটালিয়নের অভিযান স্মরণ করে প্রতি বছর পদাতিক দিবস পালিত হয়। জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঘৃণ্য পরিকল্পনা থেকে রক্ষা করেছিল সেনাবাহিনী। এই সাহসী পদক্ষেপের ফলে জম্মু ও কাশ্মীর দখলের পাকিস্তানের পরিকল্পনা নস্যাৎ হয়ে যায়। পদাতিক বাহিনী “যুদ্ধের রানি” নামেও পরিচিত এবং এর ইতিহাস প্রথম মানব যুদ্ধের মতোই পুরনো।

    দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে বাহিনী

    একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার পর থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পদাতিক বাহিনী (Infantry Day) সেনাবাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সেটা চিনের সাথে ১৯৬২ সালের যুদ্ধ হোক বা পাকিস্তানের সাথে ১৯৪৭-৪৮ সালের যুদ্ধ। আবার ১৯৬৫, ১৯৭১, ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধই হোক না কেন, অবদান এবং বলিদান অনস্বীকার্য। এই সব ঐতিহাসিক যুদ্ধে পদাতিক বাহিনীর কৃতিত্ব অতুলনীয়। এই যুদ্ধগুলি ছাড়াও, উত্তর ও উত্তর পূর্বে কাউন্টার ইনসারজেন্সি বা কাউন্টার টেরোরিস্ট অপারেশন, পাঞ্জাবের অপারেশন ব্লু স্টার, অপারেশন রক্ষক, শ্রীলঙ্কায় অপারেশন পবন এবং সম্প্রতি পূর্ব লাদাখে অপারেশন স্নো লিওপার্ড নিখুঁত পেশাদারিত্বের ধারাবাহিক সাক্ষী হয়ে রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagdeep Dhankhar: “ধর্ম হল ভারতীয় সংস্কৃতির সবচেয়ে মৌলিক ধারণা, সংহতির প্রতীক”, বললেন ধনখড়

    Jagdeep Dhankhar: “ধর্ম হল ভারতীয় সংস্কৃতির সবচেয়ে মৌলিক ধারণা, সংহতির প্রতীক”, বললেন ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ধর্ম (Dharma) হল ভারতীয় সংস্কৃতির সবচেয়ে মৌলিক ধারণা, যা জীবনের সব দিক নির্দেশ করে।” কথাগুলি বললেন ভারতের উপরাষ্ট্রপতি তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)।

    ধর্ম কী (Jagdeep Dhankhar)

    তিনি বলেন, “ধর্ম একদিকে পথ, যাত্রা, অন্যদিকে, গন্তব্য এবং লক্ষ্যকেও উপস্থাপন করে, যা সমস্ত অস্তিত্বের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, এমনকি দেবতাদের ক্ষেত্রেও।” উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “ধর্ম ন্যায়পরায়ণ জীবনের জন্য এক বাস্তবিক আদর্শ হিসেবে কাজ করে, কল্পনাতীত নয়।” তিনি বলেন, “সনাতন সহানুভূতি,  সহমর্মিতা, সহিষ্ণুতা, অহিংসা, পবিত্রতা, উচ্চমার্গতা, রিলিজিয়সিটি-এই সব গুণাবলীকে একত্রিত করে। এক কথায় সংহতির প্রতীক।” বেঙ্গালুরু, কর্নাটকে শৃঙ্গেরী শ্রী শারদা পীঠম আয়োজিত ‘নমঃ শিবায়’ পারায়ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন উপরাষ্ট্রপতি। সেখানেই তিনি ‘মন্ত্র কসমোপোলিস’কে একটি বিরল ও চমৎকার অনুষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করেন।

    কী বললেন ধনখড়

    তাঁর (Jagdeep Dhankhar) মতে, এটি মনের, হৃদয়ের ও আত্মার গভীরে স্পর্শ করে এবং সবার মধ্যে ঐক্যের সুর বয়ে আনে। ধনখড় বলেন, “বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, যা মানব সভ্যতার অন্যতম প্রাচীন ও ধারাবাহিক মৌখিক ঐতিহ্য, আমাদের পূর্বপুরুষদের গভীর আধ্যাত্মিক জ্ঞানের জীবন্ত যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে। এই পবিত্র মন্ত্রগুলির সুনির্দিষ্ট ছন্দ, স্বর, এবং কম্পন এমন একটি শক্তিশালী অনুরণন সৃষ্টি করে যা মানসিক শান্তি এবং পরিবেশগত সামঞ্জস্য বয়ে আনে।”

    আরও পড়ুন: “হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত, জনকল্যাণের জন্যই প্রয়োজনীয়”, বললেন দত্তাত্রেয়

    উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “ভারতীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এর বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য, যা সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন ঐতিহ্যের মিশ্রণের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে। এই যাত্রা বিনম্রতা এবং অহিংসার মূল্যবোধ গড়ে তুলেছে। ভারত এর অন্তর্ভুক্তির জন্য অবিস্মরণীয়, যা মানবজাতির সব অংশের ঐক্যের অনুভূতির প্রতিনিধিত্ব করে।” তিনি বলেন, “ভারতীয় সংস্কৃতির দিব্য সত্তা হল এর সর্বজনীন দয়া, যা ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ দর্শনে ধারণ করা হয়েছে।” তাঁর (Jagdeep Dhankhar) মতে, ভারত হিন্দু, শিখ, জৈন এবং বৌদ্ধ ধর্মের মতো প্রধান ধর্মগুলোর (Dharma) জন্মভূমি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: কলকাতায় অমিত শাহ, সুকান্তর বাসভবনে একসঙ্গে ‘মন কি বাত’ শুনলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: কলকাতায় অমিত শাহ, সুকান্তর বাসভবনে একসঙ্গে ‘মন কি বাত’ শুনলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই সফরের মধ্যেই সুকান্তর (Sukanta Majumdar) বাসভবনে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) গিয়ে শুনলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’। সাধারণত প্রত্যকে মাসের শেষ রবিবার মোদির এই আকাশবাণী অনুষ্ঠান হয়। রবিবার প্রথমে অমিত শাহ বনগাঁয় একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করতে গিয়েছেন। এরপর নিউটাউনের একটি হোটেলে থাকবেন। সেই সঙ্গে রয়েছে তাঁর একগুচ্ছ কর্মসূচি।

    দুই শীর্ষ নেতা কলকাতায়

    বিজেপি সূত্রে খবর, ‘মন কি বাত’ শুনে একসঙ্গে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। সাধারণত মোদির মন কি বাত বিজেপির সকল বিধায়ক বা সাংসদ নিজের নিজের কেন্দ্র থেকে শুনে থাকেন। সুকান্ত বালুরঘাট আর শুভেন্দু নন্দীগ্রামে বসে শুনে থাকেন। কিন্তু শনিবার অমিত শাহ শহরে আসার জন্য একই সঙ্গে রাজ্যের দুই শীর্ষ নেতা কলকাতায় রয়েছেন। এদিন মোদির কথা এক সঙ্গে শুনলেন দুই নেতা। এরপর সংবাদ মাধ্যমকে বললেনও কিছু কথা।

    আরও পড়ুনঃ “হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত, জনকল্যাণের জন্যই প্রয়োজনীয়”, বললেন দত্তাত্রেয়

    আন্দোলনকে ব্যর্থতার পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছেন

    প্রথমে বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তে বিএসএফ-এর একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন অমিত শাহ। এরপর দুপুরে কলকাতার সল্টলেকের ইজেটসিসিতে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন। যদিও এই কর্মসূচি আরও দুইদিন আগেই শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ঘূর্ণিঝড় দানা এবং পরবর্তী আবহওয়া সংক্রান্ত পরিস্থিতির কারণে তিনি ২-৩ দিন পর বঙ্গ সফরে এসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে তাঁকে সামনে রেখে সদস্যতা অভিযান এবং সংগঠনকে আরও মজবুত করতে যে বঙ্গবিজেপি ঝাঁপিয়ে পড়েছে, তা বলা বাহুল্য। তবে একই ভাবে এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এবং সুকান্ত (Sukanta Majumdar) একসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, “আন্দোলনের শুরুটা ভালো হলেও শেষটা আশানুরূপ হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করা উচিত হয়নি জুনিয়র ডাক্তারদের। আন্দোলনকে ব্যর্থতার পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছেন। সরকারের সঙ্গে আপোস করা উচিত হয়নি।”

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wakf Board: ওয়াকফ বোর্ড জোর করে ছিনিয়ে নিতে চাইছে ৭৫০ একর জমি, তীব্র ক্ষোভ তেলঙ্গনায়

    Wakf Board: ওয়াকফ বোর্ড জোর করে ছিনিয়ে নিতে চাইছে ৭৫০ একর জমি, তীব্র ক্ষোভ তেলঙ্গনায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমির পরিমাণ ৭৫০ একর। দীর্ঘদিন সেই জমিতেই বাস করছেন বহু পরিবার। হঠাৎই সেই জমি তাদের বলে দাবি করল তেলঙ্গনার (Telangana) ওয়াকফ বোর্ড (Wakf Board)। জমিটি রয়েছে তেলঙ্গনার মেদচাল মল্কাজগিরি জেলার মালকাজগিরিতে।

    কী বলছেন স্থানীয়রা (Wakf Board)

    স্থানীয়দের দাবি, ওয়াকফ বোর্ড জোর করে ছিনিয়ে নিতে চাইছে ওই জমি। রেজিস্ট্রেশন বিভাগ এই এলাকায় জমি কেনা-বেচার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। ওয়াকফ বোর্ডের নামে জমি দখলের ভয়ে সন্ত্রস্ত্র তাঁরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, কিছুদিন আগে স্থানীয় বাসিন্দারা জানতে পারেন, মালকাজগিরির সাব-রেজিস্ট্রার শ্রীকান্ত ওই জমিগুলিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা। এলাকার বাসিন্দা রমেশ বলেন, “এটা একেবারেই কঠোর একটা পদক্ষেপ।” তিনি বলেন, “ওয়াকফ বোর্ড কোনও বৈধ কারণ ছাড়াই অন্যায়ভাবে আমাদের কঠোর পরিশ্রমে অর্জিত সম্পত্তি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।”

    ওয়াকফ বোর্ডের দাবি নিয়েই প্রশ্ন

    মাল্কাজগিরি হায়দরাবাদের শহরতলি এলাকা। এটি দেশের বৃহত্তম লোকসভা কেন্দ্র। বর্তমানে এখানকার সাংসদ বিজেপির ইটালা রাজেন্দ্র। এখানেই ৭৫০ একর জমি তাদের বলে দাবি করছে ওয়াকফ বোর্ড। গত ২৭ অগাস্ট, রেজিস্ট্রেশন এবং স্ট্যাম্পের কমিশনার ও ইন্সপেক্টর জেনারেল মাল্কাজগিরির জেলা রেজিস্ট্রারের দফতরকে নির্দিষ্ট জমিগুলি প্রোহিবিটেড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন। ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা ওয়াকফ বোর্ডের দাবি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের বক্তব্য (Wakf Board), জমিগুলি কেনা হয়েছে অনেক আগে। কয়েক দশক পার হয়ে যাওয়ার পর এখন সেগুলি ওয়াকফ বোর্ডের বলে দাবি করা হচ্ছে। পূর্ব কাকাতিয়া নগরের বাসিন্দা ফণী বলেন, “ওরা কীভাবে হঠাৎ আমাদের বাড়িগুলিকে ওয়াকফ সম্পত্তি বলে ঘোষণা করতে পারে? এটা নিছক পরিহাস ছাড়া আর কিছুই নয়।” তিনি বলেন, “অনেক কষ্টে আমরা এই বাড়িগুলি তৈরি করেছি। এখানেই আমাদের বেড়ে ওঠা। সেই জমিই এখন ওরা কেড়ে নিতে চাইছে।”

    আরও পড়ুন: “হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত, জনকল্যাণের জন্যই প্রয়োজনীয়”, বললেন দত্তাত্রেয়

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের জাতীয় মুখপাত্র রাভিনুতালা শশীধর বলেন, “আমরা তেলঙ্গানা স্টেট রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ওয়াকফ বোর্ডের চিঠির ভিত্তিতে মালকাজগিরি সার্কেলের ১০০টিরও বেশি সার্ভে নম্বর জুড়ে ৭৫০ একর জমি সংক্রান্ত রেজিস্ট্রেশন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের (Telangana) কারণে হাজার হাজার হিন্দু পরিবার চরম উদ্বেগে রয়েছে (Wakf Board)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • Yogi Adityanath: পাকিস্তানের কথা বললে ভিক্ষার ঝুলি ধরানো হবে, মৌলবাদীদের হুঁশিয়ারি যোগীর

    Yogi Adityanath: পাকিস্তানের কথা বললে ভিক্ষার ঝুলি ধরানো হবে, মৌলবাদীদের হুঁশিয়ারি যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে নির্বাচনের প্রচারে এসে উগ্র মৌলবাদীদের হুঁশিয়ারি দিলেন যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। দেশে থেকে পাকিস্তানের কথা বললে, তাদের হাতে ভিক্ষার ঝুলি ধরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। কীভাবে উত্তরপ্রদেশ বর্তমানে একটি মডেল রাজ্যে পরিণত হয়েছে, সে কথাও শোনান তিনি। নিজের বক্তব্যে (Maharashtra Polls) যোগী আদিত্যনাথ অনেক কিছুই টেনে আনেন, যার মধ্যে ছিল উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলার উন্নতির প্রসঙ্গও। কীভাবে রাজ্য প্রশাসন অপরাধমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত উত্তরপ্রদেশ করেছে, সে কথাও নিজের ভাষণে শোনান যোগী আদিত্যনাথ। তাঁকে এমন মন্তব্য করতে শোনা যায়, ‘‘একসময় উত্তরপ্রদেশ ছিল মাফিয়াদের দখলে এবং অপরাধীদের কাজকর্ম চলত সেখানে।’’ নিজের বক্তব্যে যোগী আদিত্যনাথ ঘোষণা করেন, তাঁর আমলে অভূতপূর্ব পরিবর্তন হয়েছে উত্তরপ্রদেশে।

    উত্তরপ্রদেশে রাস্তায় কেউ নমাজ পড়ে না

    যোগী (Yogi Adityanath) নিজের বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, ‘‘উত্তরপ্রদেশে নামাজকে কেউ অপব্যবহারও করতে পারে না।’’ তিনি বলেন, ‘‘এখন রাজ্যে রাস্তাতে আর কেউ নামাজ পড়ে না।’’ তিনি জানিয়েছেন, জনগণের অসুবিধা করে, ট্রাফিক যানজট তৈরি করে, এমন কোনও রকমের আচার অনুষ্ঠান করা হয় না সেখানে। এর পাশাপাশি তিনি গর্বের সঙ্গে একথাও জানিয়েছেন, মসজিদগুলি থেকে মাইকও খুলে নেওয়া হয়েছে। যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, ‘‘আগামী পাঁচ বছর পরে আমরা সেই সমাজে থাকব, যেখানে লাউডস্পিকার ছাড়াই নামাজ পড়া হবে।’’

    বিরোধী জোটের তুলনা ঔরঙ্গজেবের সঙ্গে (Yogi Adityanath)

    এর পাশাপাশি যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) মৌলবাদীদের হুঁশিয়ারি (Maharashtra Polls) দিয়ে বলেন, ‘‘পাকিস্তানের কথা যারা বলবে তাদের হাতে ভিক্ষার ঝুলি ধরানো হবে।’’ কারণ তাদের মতো বোঝাকে ভারতে রাখা হবে না। এর পাশাপাশি যোগী আদিত্যনাথের বক্তব্যে উঠে এসেছে ভারতের উন্নয়ন সমেত ঐতিহাসিক পটভূমি। তিনি ঔরঙ্গজেবের ইস্যু টেনে বলেন, ‘‘সেই জোটকে কখনও ক্ষমতায় আসতে দেবেন না, যাদের মধ্যে ঔরঙ্গজেবের ভাবাদর্শ কাজ করছে।’’ যোগী আদিত্যনাথ ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের নামও করেন এবং তিনি বলেন, ‘‘ শিবাজি ছিলেন এমন একজন মারাঠা, যিনি ঔরঙ্গজেবকে পরাস্ত করতে পেরেছিলেন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share